শেখ মুজিব সম্বন্ধে একটি তথ্যবহুল ফিচার-

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর শেখ মুজিব আবির্ভূত হন একজন স্বৈরাচারি ফ্যাসীবাদী নেতা রূপে। শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়,শুধু সমগ্র উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নেতা যিনি একদলীয় শাসনের ঘোষণা দেন। ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুযারিতে মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে ২৯৪জন পার্লামেন্ট সদস্যের ভোটে দেশার সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বাকশাল কায়েম করা হয়। দেশে কি গণতন্ত্র চর্চা বাড়াবে, গণতন্ত্র মৃত্যুবরণ করেছিল দলটির নিজের মধ্যেই। আওয়ামী লীগের কোন নেতাই সেদিন শেখ মুজিবের একদলীয় স্বৈরাচারি রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেনি। নেতা ও কর্মীগণ পরিণত হয়েছিল বিবেকহীন চাটুকারে। মুজিব পরিণত হয় বাংলাদেশের হিটলারে। সেদিন একমাত্র জেনারেল ওসমানী ও ব্যারিষ্টার মঈনুল হোসেন -এ দুই ব্যক্তি তার একদলীয় বাকশালী নীতির বিরোধীতা করে পদত্যাগ করেছিলেন। লক্ষণীয় হল, এ দু’জনের কেউই আওয়ামী লীগের প্রথম সারির নেতা ছিলেন না।
দেখা যাক, মুজিব সম্বন্ধে এ নিয়ে তার অতি কাছের লোকেরা কি বলেন।
“১১ই জানুয়ারি (১৯৭২) টেলিফোন বাজিয়া উঠিল। রিসিভার তুলিয়া একটি পরিচিত কিন্তু অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত কন্ঠস্বর শুনিতে পাইলাম। কন্ঠস্বরটি গণপ্রজাতন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের। কলেজ জীবন হইতে বন্ধূ; ..টেলিফোনে তাজউদ্দিন কুশলাদি জিজ্ঞাসার পর আমাকে বলেন, “শেখ সাহেবকে প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন করিবার সিদ্ধান্ত লইয়াছি এবং প্রস্তাবও করিয়াছি। কারণ তিনি যে কোন পদেই বহাল থাকুন না কেন, তাঁহার ইচ্ছা-অনিচ্ছাতেই রাষ্ট্রীয় প্রশাসন পরিচালিত হইবে। শেখ শাহেবের মানসিক গড়ন তুমিও জান; আমিও জানি। তিনি সর্বাত্মক নিয়ন্ত্রণে অভ্যস্থ্। অতএব ক্ষণিকের ভূল সিদ্ধান্তের জন্য পার্লামেন্টারী কেবিনেট পদ্ধতির প্রশাসন প্রহসনে পরিণত হইবে। তিনি প্রেসিডেন্ট পদে আসীন থাকিলে নিয়মান্ত্রিক নাম-মাত্র দায়িত্ব পালন না করিয়া মনের অজান্তে কার্যতঃ ইহাকে প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির প্রশাসনে পরিণত করিবেন। এই দিকে প্রেসিডেন্ট পদে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে নির্বাচনের কথা ভাবিতেছি। তোমার মত কি?” তদুত্তরে তাঁহাকে বলি, “তোমার সিদ্ধান্ত সঠিক। নামমাত্র প্রেসিডেন্টের ভূমিকা পালন শেখ সাহেবের শুধু চরিত্র বিরুদ্ধ হইবে না; বরং উহা হইবে অভিনয় বিশেষ। কেননা, ক্ষমতার লোভ তাঁহার সহজাত।” তাজউদ্দিন টেলিফোনের অপর প্রান্তে সশব্দে হাসিয়া উঠিলেন। বলিলেন, “আমি জানিতাম, মৌলিক প্রশ্নে তোমার আমার মধ্যে মতভেদ হইবে না।” -(অলি আহাদ)। উল্লেখ্য, জনাব অলি আহাদ ছিলেন পঞ্চাশের দশকে পূর্ব-পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সে সময় শেখ মুজিব ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক।
দেখা যাক, কীরূপ ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে শেখ মুজিবের নিজের ধারণা। একাত্তরে ৯ মাস যুদ্ধচলা অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তাজউদ্দিনের মুজিব নগর সরকার ছিল ভারতের আশ্রীত সরকার। এমন সরকারের কোন মেরুদন্ড থাকে না। জনাব তাজউদ্দিন ও তার মন্ত্রীদের প্রতিদিনের থাকা, খাওয়া-দাওয়া ও ভরন-পোষনের সমুদয় ব্যয় বহন করত দিল্লীর ইন্দিরা গান্ধী সরকার। খাঁচার পাখির নিজে শিকার ধরার সামর্থ থাকে না, মনিব যা দেয় তাই খেতে হয়। মনিব মন জোগাতে তখন তার শেখানো বুলিও তখন গাইতে হয়। তাজউদ্দিন সরকারের অবস্থাও তাই ছিল। ফলে তাকে দিয়ে ভারত সরকারও খুশী মত চুক্তিও সই করিয়ে নেয়। কোন স্বাধীন দেশ এমন চুক্তি কখনও স্বাক্ষর করে না। তাজউদ্দিনের স্বাক্ষরিত তাই ৭ দফা চুক্তিনামাটি হল নিম্নরূপঃ

১। ভারতীয় সমরবিদদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে আধা সামরিক বাহিনী গঠন করা হইবে। গুরুত্বের দিক হইতে এবং অস্ত্রশস্ত্রে ও সংখ্যায় এই বাহিনী বাংলাদেশের মূল সামরিক বাহিনী হইতে বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ হইবে। (পরবর্তীকালে এই চুক্তির আলোকে রক্ষী বাহিনী গড়া হয়)।
২। ভারত হইতে সমরোপকরণ অস্ত্রশস্ত্র ক্রয় করিতে হইবে এবং ভারতীয় সমরবিদদের পরামর্শানুযায়ী তাহা করিতে হইবে।
৩। ভারতীয় পরামর্শেই বাংলাদেশের বহিঃবাণিজ্য কর্মসূচী নির্ধারণ করিতে হইবে।
৪। বাংলাদেশের বাৎসরিক ও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ভারতীয় পরিকল্পনার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হইতে হইবে।
৫। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতির অনুরূপ হইতে হইবে।
৬। ভারত-বাংলাদেশ চুক্তিগুলি ভারতীয় সম্মতি ব্যতীত বাতিল করা যাইবে না।
৭।ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধের পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ভারত যে কোন সময় যে কান সংখ্যায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিতে পারিবে।
উপরে বর্ণিত চুক্তিগুলিতে মুজিব নগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন স্বাক্ষর করেন। কিন্তু তাজউদ্দিনের বদলে যখন শেখ মুজিব ক্ষমতা হাতে নিন তখনও কি ভারতের প্রতি এ নতজানু নীতিতে সামান্য পরিবর্তন এসেছিল? আসেনি। তাজউদ্দিন যে দাসখতে স্বাক্ষর করেছিলেন সেগুলো শেখ মুজিবও মেনে নেন। "১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার বুকে বঙ্গভবনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান স্বাক্ষরিত ২৫ সাল বন্ধুত্ব সহযোগিতা ও শান্তিচুক্তিতে সেগুলি সন্নিবেশিত করা হয়।" -(অলি আহাদ)
বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র বাংলাদেশ সেদিন বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিল "তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি" রূপে। মুজির আমলের এটিই ছিল সবচেয়ে বড় অর্জন। আগামী হাজার হাজার বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষকে এ বদনামের বোঝা ও কলংক বইতে হবে। ভারত শুরু থেকেই চাচ্ছিল, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভূগোল বিলুপ্ত করা যদি সম্ভব না হয়, অন্ততঃ অর্থনৈতিক সীমান্ত লোপ পাক। যাতে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশের বাজারে অবাধে প্রবেশাধিকার পায়। আর এ লক্ষ্যে ভারতকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হয়নি। পাকিস্তান থেকে শেখ মুজিবের ফেরে আসার তিন মাসের মধ্যে ভারত তার থেকে সে অধিকার আদায় করে নেয়। ভারত ১৯৭২ সালের ২৭ই মার্চ মুজিব সরকারের সাথে সীমান্তের ২০ মাইল অবাধ বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করে। আর এ চুক্তি মোতাবেক ভারতীয় পণ্যের জন্য সমগ্র সীমান্ত খুলে দেন। ফলে ভারত অনায়াসেই পায় বৃহৎ বাজার। ভারত পূর্ব পাকিস্তানেরও প্রতিবেশী ছিল। কিন্তু অখন্ড পাকিস্তান তার ২৩ বছরে একটি দিনের জন্যও ভারতীয় পণ্যের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়নি। প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা খরচ করে বরং সীমান্ত পাহারা দিয়েছে যাতে নিজ দেশের পণ্য বিদেশী হামলার মুখে না পড়ে। ফলে সে আমলে ভারতের চেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে শিল্পোন্নায়ন। বেড়েছিল কুঠির শিল্প। ব্যাপক ভাবে বেড়েছিল তাঁতশিল্প। অথচ মুজিব সে নিরাপত্তা দিতে পারেনি দেশের সে ক্ষুদ্র শিল্পকে। ফলে দ্রুত ধ্বস নেমেছে দেশের অর্থনীতি। দেশের কলকারখানা বন্ধ হয়েছে এবং ধ্বংস হয়েছে কুটির শিল্প। শুধু ভারতীয় পণ্যের জন্য বাজার করে দেওয়ার লক্ষ্যে। ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ তখন বেকার হয়েছে। নেমে এসেছে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। আর এতে প্রাণ হারিয়েছে বহু লক্ষ। মুজিব শুধু নিজের গদীর স্বার্থে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য এমন ভয়ানক মৃত্যু ও বিপদ ডেকে আনে।
১৯৭১-এর যুদ্ধে বিজয়ে ভারতের প্রভূত রাজনৈতিক ও সামরিক সুবিধা হয়েছিল। ভারত তার প্রধানতম প্রতিদ্বন্দীকে দ্বিখন্ডিত করে নিজে দক্ষিণ এশিয়ায় অপ্রতিদ্বন্দি হয়েছে সেটি সত্য। কিন্তু সবচেয়ে বড় লাভটি হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের বাজার লাভটি ছিল তার সবচেয়ে বড় বিজয়। এটি ছিল ভারতের পশ্চিম বাংলা, বিহার ও আসামের সম্মিলিত আভ্যন্তরীন বাজারের চেয়েও বিশাল। এক কালে এ বাজার দখলের জন্যই ইংরেজেরা হাজার হাজার মাইল দূর থেকে এ দেশটিতে ছুটে এসেছিল। তবে ভারত শুধু বাজার দখল করেই ক্ষান্ত দেয়নি। বাংলাদেশের পণ্য যাতে নিজ দেশে এবং বহিঃবিশ্বে ভারতীয় পণ্যের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা না করতে পারে তারও পাকা ব্যবস্থা করেছিল। ইংরেজেরা তাদের পণ্যের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা নির্মূল করতে বাংলাদেশের মসলিন শিল্পের তাঁতীদের হাত কেটেছিল। সে অভিন্ন লক্ষে ভারত বাংলাদেশের তাঁতীদেরই শুধু নয়, পুরা শিল্পকেই ধ্বংস করেছিল।
শেখ মুজিব দেশের সমস্ত শিল্পকারখানা জাতীয়করণ করেছিলেন, সেগুলিকে কেড়ে নিয়েছিলেন তাদের আসল মালিকদের থেকে। এবং তুলে দিয়েছিলেন তার অযোগ্য ক্যাডারদের হাতে। আর এ ক্যাডারগণ যে শুধু শিল্প-পরিচালনায় অযোগ্য ছিল তাই নয়,সীমাহীন দুর্নীতি পরায়নও ছিল।
সে অযোগ্যতা, দুর্নীতি ও শিল্পধ্বংসের কিছু উদাহরণ দেওয়া যাকঃ “আদমজী জুট মিল ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাটকল। পাটজাত দ্রব্যে বিদেশে রফতানি করে এ মিলটি শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মূদ্রা আয় করেছে। ভারতের পাটকলগুলির সামর্থ ছিল না তার সাথে প্রতিযোগিতার। অথচ মুজিব সরকার এত বড় একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানকে লোকশানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে। শেখ মুজিব এ মিলের দায়িত্বে বসিয়েছিলেন তারই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে। উৎপাদন বাড়ানোর চেয়ে এ মিলের মূল কাজ হয় আওয়ামী কর্মীদের এ মিলে চাকুরি দিয়ে প্রতিপালনের ব্যবস্থা করা। ১৯৭৪ সালের ২২ই মার্চ ইত্তেফাক এ মর্মে খবর ছেপেছিল যে পাট শিল্পে ২৫ হাজার বাড়তি ও ভূয়া শ্রমিক এবং ৩ হাজার ৬ শত ভূয়া কর্মকর্তা রয়েছে।” - (মুনির উদ্দীন আহমদ, ১৯৮০)। কথা হল, একটি মাত্র মিলে যদি ২৫ হাজার ভূয়া শ্রমিক দেখিয়ে রাজনৈতিক ক্যাডার পালনের ব্যবস্থা করা হয় তবে সে কারখানা যত লাভজনকই হোক তা কি টিকে থাকতে পারে? যেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতি কাঁচাপাট ও পাটশিল্পজাত পণ্য রফতানী আয়ের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল (রফতানীপ্রসূত অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের শতকরা তিরানব্বই ভাগই অর্জিত হত এ শিল্প থেকে), সেখানে মুজিব কোন ব্যবস্থাই নেইনি এ শিল্লকে ধংসের হাত থেকে।
মুজিবের হাতে অর্থনীতির বিনাশের যে কাজ শুরু হয়েছিল, সেটি শুধু পাটশিল্পে সীমাবদ্ধ থাকে নি। ধ্বংস নেমে আসে চা এবং চামড়া শিল্পেও। শিল্পের এ দুটি খাতও ছিল বিদেশের বাজারে ভারতের সাথে প্রতিদ্বন্দিতামূলক। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের কোন ইচ্ছাই ছিল না ভারতের সাথে কোন রূপ বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় নামার,ফলে একাত্তরের পূর্বে বিদেশে বাংলাদেশের চা ও চামড়ার যে বাজার ছিল ভারত তা অতি সহজেই দখলে নিয়ে নেয়। মুজিবামলে দ্রব্যমূল্যের যে উর্ধ্বগতি ঘটে তার বিবরণ জনাব অলি আহাদ দিয়েছেন এভাবেঃ
“(পাকিস্তান আমলের) এক টাকার গামছার দাম হয় সাত টাকা।পাঁচ টাকার শাড়ীর দাম হয় পঁয়ত্রিশ টাকা। তিন টাকার লুংগি পনের টাকা বা কুড়ি টাকায়, দশ আনা বা বার আনা সেরের চাউল হয় দশ টাকায়। আট আনা সেরের আটা ছয়-সাত টাকা। দুই আনা সেরের কাঁচা মরিচ চল্লিশ-পঞ্চাশ টাকা। তিন-চার টাকা সেরের শুকনা মরিচ আশি-নব্বই টাকা।আট আনা সেরের লবন চল্লিশ-পঞ্চাশ টাকা। পাঁচ টাকা সেরের সরিষার তৈল তিরিশ-চল্লিশ টাকা। সাত টাকা সেরের নারিকেল তৈল চল্লিশ-পঞ্চাশ টাকা। সাত টাকার লাঙ্গল ত্রিশ-চল্লিশ টাকা।”
মুজিবামলে বাংলাদেশে যে ভয়ানক দূর্ভিক্ষ নেমে আসে তাতে মৃত্যু হয় বহু লক্ষ মানুষের। ১৯৭০ সালের নভেম্বরের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস যত (প্রায় দশ লক্ষ) মানুষ মারা গিয়েছিল এ সংখ্যা ছিল তার চেয়েও বেশী। সে ভয়াভহ দুর্ভিক্ষর নেমে এসেছিল মূলতঃ দুটি কারণে। প্রথমতঃ শেখ মুজিব সরকারের সীমাহীন দূর্নীতি ও অযোগ্যতা, দ্বিতীয়তঃ ভারতের সীমাহীন শোষণ। বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংসের লক্ষ্যে ভারত আরেকটি বৃহত প্রকল্প হাতে নেয় বাংলাদেশের ক্যারেন্সি নোট ছাপানোর মধ্য দিয়ে। মুজিব ভারতকে যে পরিমাণ নোট ছাপতে বলেছিল তার চেয়ে বহু শত কোটি টাকার বেশী নোট ছেপে বাংলাদেশী টাকার চরম অবমূল্যায়ন ঘটায়। ভারত যে অতিরিক্ত নোট ছেপে বাংলাদেশী অর্থনীতির সর্বনাশ করছে সেটি অন্যরা বুঝলেও সেটি শেখ মুজিব বুঝেছিল অনেক দেরীতে। ফলে ভারতীয়রা বাড়তি সময় পায় আরো বেশী বেশী নোট ছেপে বাংলাদেশের বৈদেশিক মূদ্রায় অর্জিত সোনা-রোপা ও বিদেশী যন্ত্রাংশ এবং সেই সাথে বিদেশ থেকে প্রাপ্ত খাদ্যশস্য সহ বিভিন্ন পন্য কিনে ভারতে পাচারের। আর এটি ছিল বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের অতি সুস্পষ্ট দুবৃর্ত্তী। ভারতের এ অপরাধের কারণেই বাংলাদেশে নেমে আসে দূর্ভিক্ষ এবং তাতে মৃত্যু ঘটে লক্ষ লক্ষ মানুষের। আওয়ামী লীগ ও তার নেতা শেখ মুজিব সবসমই নিজেদের ব্যর্থতাকে অন্যদের ঘাড়ে চাপাতে অভ্যস্থ। শিল্পের এ দূর্গতির জন্যও তারা একাত্তরের যুদ্ধকে দায়ী করে। কিন্তু সেটি সঠিক ছিল না। এ ব্যাপারে ১৯৮০ সালে দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছিল,

“একাত্তরের যুদ্ধের বছর নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তেমন কোন শিল্প প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বা উৎপাদন ব্যাহত হয়নি। আসলে যুদ্ধটা একটা অজুহাত মাত্র। তাছাড়া জাতিসংঘের ত্রাণ কমিটির এক হিসাব থেকেও জানা যায়,বাংলাদেশের যুদ্ধজনিত সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির চেয়ে বাংলাদেশে প্রদত্ত সাহায্যের পরিমাণ ছিল তেরগুণ বেশী।”-(ইত্তেফাক সেপ্টম্বর ৩,১৯৮০)।

শেখ মুজিব যে শুধু গণতন্ত্র হত্যা করেছেন,দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছেন বা জাতিকে ভারতের গোলাম বানিয়েছেন তা নয়, তার চেয়েও বড় ক্ষতি করেছেন জাতির মেরুদন্ড ধ্বসিয়ে দিয়ে। একাত্তারের যুদ্ধ চলাকালীন ৯ মাসে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস হয়নি। কিন্তু লেখাপড়া না হলে কি হবে শেখ মুজিব ছাত্রদের কোন পরীক্ষা না নিয়েই পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশনের ব্যবস্থা করলেন। ফলে যুদ্ধকালীন নয় মাসে ছাত্রদের যা শেখা উচিত সেটা শেখা ও শেখানোর আর কোন সুযোগই থাকল না। এমনকি মেডিকেল কলেজগুলোতে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা না নিয়ে পাসের ব্যবস্থা করা হয়। সেসময় বহু কলেজের প্রিন্সিপাল পদে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা ছারাই বসানো হয়েছিল আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডারদের এবং প্রচুর সার্টিফিকেট বিতরণ হয়, কোন জ্ঞান বিতরণ ছাড়াই। তার আমলে পরীক্ষার হলে ব্যাপক ভাবে নকল শুরু হয়। নকল সরবরাহকারিরা তখন বই নিয়ে পরীক্ষার হলে গিয়ে হাজির হত। শিক্ষাক্ষেত্রে যে সীমাহীন অরাজকতা, দূর্নীতি ও শিক্ষাদানে চরম অবব্যবস্থা তিনি সৃষ্টি করেছিলিন সেটি বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এ সাংঘাতিক খবর ছড়িয়ে পড়িছিল বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। ফল দাঁড়ালো, বাংলাদেশী ডিগ্রি বিদেশে মূল্য হারালো, এবং এভাবে ইজ্জত হারালো শিক্ষিতরা। ইংল্যান্ডসহ অনেক দেশই বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোর স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেয়। শেখ মুজিব এভাবে কালিমা লেপন করলেন, বাংলাদেশী শিক্ষিতদের মুখে। মুজিবামলে ট্রান্সপ্যারেনসী ইন্টারন্যাশনাল জন্ম নেয়নি। সেটির জন্ম হলে দূর্নীতি পরিমাপের সে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বাংলাদেশ যে সে আমলেও বিশাল ব্যবধানে বিশ্বে প্রথম হত, তা নিয়ে সন্দেহ আছে কি? বাংলাদেশ পরবর্তীতে যে ভাবে দূর্নীতিতে বিশ্বে বার বার প্রথম (উল্লেখ্য বাংলাদেশ এ পর্যন্ত 5 বার দুর্নীতিতে প্রথম হয়েছে যার মধ্যে শেখ হাসিনার 96-এ ক্ষমতা যাওয়ার শেষের 2 বছর এবং জোট সরকারের প্রথম 3 বছর) হয়েছে তার বিশাল চর্চা তো শুরু হয়েছিল মুজিব আমল থেকেই।

(Courtesy: "Ami Wajed Mia Bolsi", 'Amar Desh' Forum, Aug10,2009)

JackobRaihan's picture

To Raihan Khan

Hello
Thanks for all the information you mentioned on your posting.

JACKOB RAIHAN

raihankhan's picture

Self declared killer of Siraj Sikdar and father of nation

Self declared killer of Siraj Sikdar and father of nation

Siraj Sikdar was killed infront of Sk Mujib by his direct order,Mujib is a self declared killer of a political figure who has protest against the corruption, nepotism and suppression by Sk Mujib his relatives and loyalist the famous Rakkhi bahini.

Mujib did not want independance of Bangladesh ,he only wanted to be PM of Pakistan by doing so he would not have made any change to poor people of the then East Pakistan rather enrich himself again through corruption and nepotism.So Mujib is technically not the founding father of Bangladesh.

Ofcourse he is a politician and that too by profession not by passion.

The way Joinal Hazari or Falu Mia has become a figure in politic Mujib initial role was as a thug leader.

He is the only in the family with fame and money which he had earned through the most lucrative profession politics of corruption and exploitation in his younger days.

People of Mujib's time always regards Mujib as a fist fighter, left hand of Sharwardy used mainly to terrorize opponents inside the party, opportunist, a low grade ambitious thug come leader.

Politics has given Mujib wealth popularity Power and place in history ,he has not contributed much accept exploitation of the innocent people with false promises, earn money through corruption and illegal connections.

So what has Sk Mujib sacrifice for the country. Mujib is lucky to be in the high middle class I am sure his father was a poor maybe honorable average Bangali man.Mujib had bypassed lot of more efficient and qualified leaders of his time both in regards to educational background and smartness of his time and honest contribution to community and country.

Politic made Mujib rich which was his ambition not through proper channel but by flattery, thugism and manipulation.

Compare him to political leaders like Mr Buddodev the chief minister of West Bengal his family status

financially hasn't changed at all through politics , he came to politics through his educational background and proper promotion in the party.

Mujib has not sacrificed for the country but the country had to suffered a lot.More qualified were forcefully removed by the Mujib conspiracy who would have put Bangladesh in much better position than now where it stands now after 36 yrs of independance.

With the alleged background Mujib don't stand a chance to be a national leader but a national thug.

We don't want to make an self declared killer of Siraj Sikdar to be our father of nation.

Leader lives in the heart of people Mujib has never earned that honor or deserved it or cared for it at all.

After Mujib's death people celebrated with joy because Mujib died as a dictator and corrupt leader who brought more poverty and disaster for the people inorder to establish his dynastic rule and personal thug life style.

Today I am happy to see daughter who has come forward and reopened the suppressed murder case of her father a talented leader and meritorious Engineer from a more sophisticated family.
(Courtesy: http://www.bangladesh-web.com/view.php?hidRecord=157479

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

raihankhan's picture

"Mujibism"/"Hasinaism" in Digital(!) Bangladesh

Yesterday I got informed from a reliable source that Sk. Hasina vastly is going to increase the scope and power of the BD police and intelligence agencies likes her father did. Under her guiding hand, BD intelligence forces will begin to set up intelligence networks in most of the major areas in Bangladesh.

"Mujibism"/"Hasinaism" will be based on inherently oppressive system of extensive government spying, extrajudicial punishment/killing, and political "purging", or elimination of political opponents either by direct killing or through exile, and it involves a state making extensive use of propaganda to establish a personality cult around an absolute dictator (Sk. Hasina) to maintain control over the nation's people and to maintain political control for the BAL.

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

hridoy's picture

৬৫ পাউন্ড ওজনের কেক, তাই বিবি সাহেবা বেজায় খুশী...........

untitled0000.GIF

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

JackobRaihan's picture

To Hridoy

Dear Friend:
It's been long, you are acting funny by posting such picture and have some ill comments on it. Isn't this true? How about if some one comes back in this forum and posts the kind of images that you don't like? Remember the pic of your Netri posted by the member "Amar Fashi Chai?

JACKOB RAIHAN

hridoy's picture

জেকব ভাই...............

আস্ সালামু আলাইকুম,
আপনাকে আমরা এ ফোরামে খুব অনুভব করি। আপনি ফিরে আসুন...........
আর ঐসব কথা নিয়ে বলছেন? আমি কিছু মনে করি না। আমার মনে আছে আপনি একবার 'ছবি টেকনিক কারসাজিতে' বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটা উলংগ ছবি অন্য আইডিতে পোষ্ট করেছিলেন। ছবিটিতে আপনি শেখ হাসিনার একটি পুরুষ লিংগ দেখিয়েছিলেন। আমি এটা নিয়ে আপনার সাথে অনেক fun করেছিলাম। আমি এবং আমরা ভাল করেই জানি টাকা, পয়সা আর দুষ্ট বুদ্বি দিয়ে এরকম অনেক "Amar Fashi Chai" গ্রন্হ লেখা যায়। কিন্তু এসব দুষ্টরা সমাজ এবং জাতিতে কখনো প্রতিষ্ঠা পায় না। ওরা নিজেদের অপকর্মের ভারে তলিয়ে যায়। নিশ্চয় আপনিও ইতিহাসের একজন সচেতন সাক্ষী।
===========================================
আর সবকিছু ঠিকমত চলছে তো? ভাল থাকুন, সুস্হ থাকুন, সতেজ থাকুন। আর সতেজ থাকার জন্য এ ফোরামটা বেশ উপযোগী.........

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

ঐ দিন বেশি দূরে না

আওয়ামী আদালত এ জন্মদিন পালনেও নিষেধাক্কা দিবে। কেক ৬৫ পাউন্ডের না হলে ১০০০ জন কামনে খাবে? এ দিণ আওয়ামী মুক্তি দিবস হিসাবে ঘোষনা দেওয়া হক।

শঙ্খচিল's picture

৬৫ পাউন্ডের কেক!!!!!!!মন্তব্য নিষ্প্রোয়োজন

শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৬৫ পাউন্ডের কেক কেটে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ জীবন কামনা করে যুবদলের নেতাকর্মীরা। কেক কাটার সময় তারা 'শুভ জন্মদিন, খালেদার জিয়ার জন্মদিন' স্লোগান দেয়।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মির্জা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সাংসদ বরকতউল্লা বুলু, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সুত্রঃhttp://www.allbdads.com/samakal/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=13948&pub_no=72

farmer's picture

Shonkhochil

It is impossible to think that to mourn Sheikh, gates have to be erected with graft money! How they can do it, if one honest AL leader is alive? The people who were forced to give money, they prayed or cursed? Impossible things are happening!

শঙ্খচিল's picture

ফারমারকে

আওয়ামি লীগের কান্ডজ্ঞাণহীন নেতাদের একাংশ মূলত শেখ মুজিবের অবমাননাকারীদের রসদ সাপ্লাই করে। আমি বরাবরি আওউয়ামি লীগের নেতৃত্বের মুল অংশের সাংস্কৃতিক মানের দৈণতা আর কান্ডজ্ঞানহীনতাকে অপছন্দ করি। (নির্বিচারে নামকরন প্রতিযোগিতা তার অন্যতম উদাহরণ)।
মুজিব কে যোগ্য মর্যাদায় স্মরন করবে আমার দেশ বা জনগন। তবে, এটা সত্য যে আওয়ামি লীগ দলীয়ভাবে, মুজিবের মত বড় মাপের নেতাকে ধারন করার পাত্র নয়। কেবল একটা জ়াতি সামগ্রিক ভাবে তার বিশালতাকে ধারন করার ক্ষমতা রাখে।
দোষে-গুনের মানুষ মুজিব আমাদের ইতিহাসে নিজ মহিমাতেই চিরভাস্বর থাকবে (কারন, আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস শেখ মুজিব ছাড়া বাংলার ইতিহাস কখনি লেখা হবেনা বা যাবেনা)। আজকের আওয়ামি লীগের তাতে কোন কৃতিত্ব নাই।

farmer's picture

cactus sorry

cactus, sorry; I saw the heading at that time written by hridoy, but did not read it. I have a bad habit, sometimes, go thru headings only.
Always read anything about Mujib, so wrote to yousuf144. If anybody knowingly try to defame Zia about his contribution to the FF & formation of Z-Force, they will defame themselves only. Many people say that Zia is like any other Maj, thats not the fact, he was extraordinarilly brave, organized & commanding to win.

farmer's picture

500 gates for mourning Sheikh's death?

The brainless bastards of so called AL,jubo-league & BCL really defamed Sheikh this time; they erected 500 gates alone in Keranigonj area from graft money. Perhaps, more people cursed Sheikh than those who read a Fatheha for him.
AL, jubo-league & BCL are making money in the name of mourning Sheikh? New AL is the assoc of the bastards, feel bad for Sheikh. I heard the shithead Hasina became deaf, now looks like, the shit does not see also!

Cactus's picture

সম্মানিত FF farmer >>>>>>>>>>> বিমাতাসুলভ !

আপনি লিখেছেন,'' I noticed hridoy pictured Gen Zia as an FF killer; but never made any idiotic comment like brainless Sajeda about Zia's contribution in Z-Force & our Freedom Fight.'...............
# জনাব farmer , অনেকেই জিয়া সম্পর্কে সাজেদার অসত্য মন্তব্যের সমালোচনা করেছে ,সাজেদাকে ধিক্কার জানিয়েছে কিন্তু আমাদের hridoy সাহেব সাজেদার মন্তব্যের স্বপক্ষে লিখেছিলো ,'সাজেদার কথাটি একেবারেই অমূলক নয়..........' এই শিরোনামে , তার পরেও আপনার ধারনা he never made any idiotic comment ..........

# জনাব farmer ,"আমি খুনী জিয়া বলছি....... " এই শিরোনামে hridoy এর লিখাটিতে কি জিয়া সম্পর্কে তথ্যবহুল কিছু ছিলো ? এই লিখাতে আপনি idiotic কিছু পান নাই ,তাই এই লিখাটিকে এড়িয়ে গিয়ে আপনার নজরে পড়লো yousuf144 এর মুজিব সম্পর্কে লিখাটি ,যেটা yousuf144 লিখেছিলো hridoyএর লিখার পরিপ্রেক্ষিতে।
ধন্য FF farmer !
আপনি raihanKhan, salimC, yousuf144 এদের লিখার সমালোচনা করেন তাদের লিখায় wrong info থাকে অজুহাতে কিন্তু hridoy এর লিখায় মনে হয় আপনি wrong info পান না , তাই সমালোচনা করার দরকার পড়ে না । আপনাকে 'অন্ধ' বলার ইচ্ছে দমন করলাম যদিও অন্যকে কটাক্ষ্য করে লিখা আপনার অভ্যাস ।

nazrul's picture

During 15th Aug whole nation was united in removing the tyrant

Those who remember 15th Aug will know it was a day the entire country was relieved from the tyrannical rule of Sk dynasty.
This day the great revolution succeeded which involved all section of the people of Bangladesh.
All section of the society came out of houses to greet the Army for thier bravery to terminate the Mosterous Mujib's BAKSHAL.
People of Bangladesh once again felt the freedom again this time from an Indian Dalal.

farmer's picture

GoodWishes: you are right

Unfortunately, Sheikh sufered the same fate like Sukarno, Allende, Bumedin. Naser. Currently, BD people are not united on any national issues and there is no real leader; so they go on blaming the former leaders to avoid own responsibilities.

GoodWishes's picture

Dear Farmer, you'll never make them believe

A western politician commented that "Sheikh Mujib may not have been reached as high as Lenin, Mao Tse Tung of China, or Nehru of India in wisdom, but he is the person who liberated his country twice, first from Pakistan and then from India, byt sending their troops to their country in quickest possible time". He even brought the topic of sending Indian troops before he reached soil in Bangladesh in 1972, in the very first meeting with Indira Gandhi!!! How acute nationalist feeling he showed by doing this.

Some half educated groups and their supporters will never realize such things. They will rather trust allegations from their uneducated leaders and feel pleasure with those that he sold the country by doing treaty of 25 years with India, blah blah... They believe this because such news give them pleasure to their communal mind and wisdom, that's why they love to stay with these.

It's not just in Bangladesh, from Chile to Indonesia, extreme west to extreme east in globe, everytime, everywhere, whenever military Generals/touts occupy power, they always try to come up with such ultra patriotic notion, ultra allegation to their former leaders to justify their crime and brutality. But who will teach their communal supporters these things. Only some self enlightment could do.

farmer's picture

pogo: About Mujib

I do not want to go into argue about the role of Mujib; most of the things you have learnt about him, probably, from books, media, documentaries, disscussions; but I had the chance to witness some of the important events; then again I have blind respect for him for uiting the Bangalees, which was considered as an impossible task. At this point, he remained as a huge personality in my mind; if I argue, I have to say & listen lots about him, which I do not like. When people called him bad admin(arguable), I keep silent; but when some people call him "Indian Dalal" just to defame, I know, it is not right; for I know he loved this country & this nation, and also, there was not a single Indian character at his time, who could convience him to give up our national interests for Indian interests.

farmer's picture

hello pogo

I have to say that you have lots of patience & good skills; you was able to read what mailsmi writes? I tried few times, then gave up. Never saw shonkhochil & shomudro wrote anything defaming Mujib, Zia or Bhasani. I noticed hridoy pictured Gen Zia as an FF killer; but never made any idiotic comment like brainless Sajeda about Zia's contribution in Z-Force & our Freedom Fight. I do not have enough background to be completely neutral, so I should not judge anybdy, by principle; but sometimes cross the line.
I do not take anything personally, always believe that a forum is a forum.

Pogo's picture

hello again, farmer

How come you never read mailsmi, shonkhochil, shomudro, or rhidoy's postings? If you accidentally read them, their positngs are so entertaining that you enjoy them so much that everyting is digested and become good nutrients. If you want to be a judge, do justice please. Well, I always write you, criticise your posts because I consider you are a senior and knowledgeable person. Sometimes I feel good, sometimes I get frustrated after reading your posts. You know frustation outbursts lot faster than happiness. So, please do not take it personally.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

Pogo's picture

Crying for basics??

Farmer mentioned, "Pak became pregnent from Feb 21, 1952." Well, the fact is after the pregnancy, Mijib was still so much in love with Pakistan and he became ministers of Pakistan twice (minister of agriculture 1954, and minister of industries, commerce, labour, anti-corruption and village aid in 1956 ). What kind of affair was that? Mujib was a Muslim Leauger and joined the party (Awami Muslim League) of Suhrawardy and Bhashani. Bhashani made him his protege. Some BAL supporters wants to forget the history and treats Bhashani as an ordinary person. Mujib was so ambitious that he wanted to be the president of BD for his entire life. The great leader Mujib eventually became the prime minister of Bangladesh and rewarded another great leader Bhashani!! We cannot expect anything more from his blind supporters?

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

farmer's picture

hasan: I believe in hardworking living people, not in deads

Mujib, Bhasani & Zia played their roles, in their time; now, they cannot contribute anymore, because none of them left behind a system ( or an ism). I get into argue, when I see raihanKhan, salimC, yousuf144 try to give some wrong info on those leaders without having enough skills to analyze those peoples' roles. You are also another salimC.
I am interested in living hardworking people, who are contributing for this over populated nation in education, in job creation, in finanace, in preserving our environment & land. Your bla, bla does not fit into any of these. Make more noise dummy crow.

hasan's picture

মুজিব প্রেম ও ff ফারমারের ভাবনা

শুরুতেই বলেনি, একটি রাষ্ট্র পরিচালনা করার মত কোন জ্ঞান বা দক্ষতা কোনটিই ছিলো না মুজিবের, যিনি কিনা বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এটা বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছিলো এক করুন ইতিহাস, হ্যা আমি ৭২-৭৫ সালের কথায় বলছি।

স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্টার পর এই এলাকাতে তিনটি দেশ পাকিস্তান(১৪ আগষ্ট, ১৯৪৭), ভারত (১৫ আগষ্ট, ১৯৪৭), বাংলাদেশ(১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১) এর পারস্পারিক রাজনৈতিক অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থ একেবারে স্বাধীন হয়ে পড়ে।

৭১, আগে বাংলাদেশের নেতাদের রাজনৈতিক অবস্থান কি ছিলো, একটু উল্লেখ করতে চাইছি। নেতারা মুলত পুর্ব-পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্য তুলে ধরে স্বাধিকারের আন্দোলন চালিয়েছিলো। বাংলাদেশের জনগন বুঝতে পারে, পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের দাবিয়ে রাখতে চাইছে, পুর্ব পাকিস্তানের পাট-স্বর্ণে ইসলামাবাদ,করাচী গড়ে উঠছে আর আমরা যে তিমিরে ছিলাম সেই তিমিরেই থেকে যাচ্ছি, আমাদের নেতারা এই অবস্থানকে রাজনৈতিক রুপ দিয়ে বাংলাদেশের জনগনের কাছে উপস্থাপন করতে পেরেছিলো।

এখন, আসুন ৭২-৭৫, আমাদের একের পর এক শিল্প ধবংস হতে লাগলো, জাতীয় স্বার্থ বিরোধী একের পর এক চুক্তি হতে শুরু করলো, পাট শিল্প গড়ে উঠলো ভারতে, বাংলাদেশের বাজার চলে গেল ভারতে হাতে, এটা কি স্বাধীনতা? মুজিব ভক্তেরা কি এই স্বাধীনতা চেয়েছিলো? তবে কেন মুজিব ভক্ত আগাচাচা আজ বৃটিশে বসে আছে, নিজ পরিবারের অর্থনৈতিক মুক্তি পেল, একই কথা ff ফারমারের জন্য প্রযোজ্য। এখানে উনার মুজিব প্রেম উপচিয়ে পড়ছে, অথচ কথায় কথায় এখানে বুঝাইতে চান উনি আমেরিকাতে থাকেন,উনি মহাপন্ডিত অন্যেরা ভুয়া। ff ফারমার পরগাছা রুপে আমেরিকাতে থেকে নিজ পরিবারের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করেছে। কিন্তু এখানে আমি ff ফারমারকে, বলতে চাইছি, স্বাধীন বাংলাদেশের জনগন ভারতীয় পরগাছা রুপে থেকে নিজের ভবিষ্যত নষ্ট করতে চায় না, বৃহত্তর জনগোষ্টির স্বকীয় রাজনৈতিক অবস্থান এসেই যায়। মুজিব মুজিব বলে মুখে ফেনা তুললে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি নেই, হয়ত ইউনুস সাহেবদের মত কিছু পুরস্কার পেতে পারে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাড়ালো অন্য বিষয়। সেটা হলো, মুজিবের ব্যর্থতাকে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক রুপ দিয়ে দিলো, ff ফারমার বলতে শুরু করলো যেই মুজিবের ভক্ত না, সেই রাজাকার। এইজন্যই মুজিব আজ বাংলাদেশের একশ্রেনীর কাছে এক ঘৃণার নাম, এর কারন ff ফারমার, এরা মুজিবের পোষাক গায়ে দিয়ে নিজ স্বার্থ হাসিল করে চলেছে ...আপনি একজনও সেক্টর কমান্ডার পাবেন না যাদের কোটি কোটি টাকা নেই, এরা প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু এরা প্রকৃতপক্ষে প্রতারক, এখন আওয়ামী লেবাসে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, টেন্ডার, ব্যাংক লোন, পুরুস্কার সবই এখন এদের হাতে মুঠোই, আর এদের নেত্রী ফেরাউনের ২য় সংস্করন মহিলা ফেরাউন হাসিনা।

যেই সব সাধারন জনগন দেশের স্বাধীনতা চেয়েছে তাদের কেউ মুজিবের পোষাকে মুক্তি খুজে পায় নি। মুজিব কোট ভারতীয় গোলামির নির্দশন। যা এখন বাংলাদেশের জন্য দেখতে পাচ্ছে, দেশে অনেক সমস্যা সেদিকে না তাকিয়ে হাসিনা বা মুজিব কোটের সরকার ট্রানজিট, পার্বত্য চুক্তি, টিপাই মুখে বাধ, ইত্যাদি ভারতীয় স্বার্থের জন্য কাজ করে চলেছে।
ff ফারমারেরাও ভারতীয় স্বার্থের মধ্যেই বাংলাদেশের স্বার্থ খুজে থাকে, ff ফারমারেরা একটি পরগাছা, একটি সুশীল, ভারতীয় আদর্শ বুকে ধারন করে আমেরিকার মত উন্নত দেশে বসে আছে। এদের হবে মুজিবের মত করুন পরিনিত, কারন এরা একটি জনগোষ্টির সাথে মুখোশ পড়ে প্রতারনা করছে, জিজ্ঞাসা করুন, ট্রানজিট কি বাংলাদেশের কোন স্বার্থে জন্য কতটুকু জরুরী? উত্ত্র দেবে নির্লজ্জ বাকশালী রাজ্জাকের মত। এরা নগ্ন হয়ে পড়বে ট্রানজিট দেবার জন্য। এদের সম্পর্কে সাবধানে থাকুন, এরা সাপের মত, চান্স পেলেই মরন কামড় বসিয়ে দেবে। যেমন দিয়েছিলো মুজিব ফারাক্কা বাধের মাধ্যমে, পুরো উত্তরবংগ মরুভুমি করে দিয়েছে মুজিব। এখন হাসিনার পালা। টিপাইমুখে বাধের জন্য হাসিনা, ff ফারমারেরাও নগ্ন হয়ে বসে আছে।

farmer's picture

Info rich feature on Sheikh Mujib

More people have praised or criticized Mujib than any other Bangalee in history; the reason, he did something extraordinary for Bangalees. All praises & all criticisms cannot have the same weights or levels, but everybody have the right to do so, thats what raihanKhan tried; but with his salimC standard background, he is trying something impossible.
I heard Moulana Bhasani to praise & criticize Sheikh; after that, do I care for what raihanKhan says about Sheikh, while raihanKhan lacking basic knowledge even about what is called info rich feature; I will rather read raihanKhan's info rich features on salimC, or Koco Mojumder, Khalda, Tareq etc..

hridoy's picture

দেখছেন রাজাকার সাব...........

GIG1900.GIF

দেখছেন রাজাকার সাব, আমার পাগলা নম্বর১৪৪ কেমন ক্ষেপিল?
আমার ধর্ম বাপকেও সে গালিগালাজ করতে কসুর করছেনা.........

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

Hassan Imam khan's picture

1-11 ভাইজানকে...।

কখনো সন্ধ্যা সিফট শেষ করে গভীর রাতে ঘরে ফিরে বসি,কখনো প্রত্যুসের কাজে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে এক জাগ কফি নিয়ে বসি,ছুটির দিনে বাইরে থেকে সাধারনত রাত ২/৩ টায় ফিরে বসি, তাই গভীর রাতটা প্রায়শ্যই ইদানিং কমন হয়ে গেছে।
আর ঘুমের কথা বলছেন, সর্বদাই আমার এক ঘুমেই আট ঘন্টা পেরিয়ে যায়, কি ভাবে বলুন তো ?
ভাল কথা, ভগবান কি কুম্ভকর্নের ঘুমে বিভোর ? পাখির পালক দিয়ে কানে একটু চুলকানী দেন।
ভাল থাকুন,
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

farmer's picture

yousuf144, where is your IT ballad, busy with Mujib ballad?

I remember you was asking the editor to give you some space in e-mela to write IT ballad to help te nation with your IT knowledge; I am not seeing IT ballad, seeing Mujib ballad.
All those Ph.Ds working under you, can read Bengali? If not, translate your Mujib ballad into English, so that they can understand their supervisor's expertise, how shit comes out of shit.

SalimC's picture

রক্ষীবাহিনীর তাণ্ডবও যুদ্ধাপরাধ ছিল,রাজাকারদের সাথে তাদেরও বিচার

রক্ষীবাহিনীর তাণ্ডবও যুদ্ধাপরাধ ছিল, রাজাকারদের সাথে তাদেরও বিচার হতে হবে
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে আওয়ামী লীগের গঠিত রক্ষীবাহিনী যে বর্বর গণহত্যা চালিয়েছিল, তা কোনো দিক থেকেই রাজাকারদের তাণ্ডব থেকে কম ছিল না।হাজার হাজার মানুষকে তারা যেভাবে হত্যা করেছে, জেনেভা কনভেনশন অনুসারে সেটিও অনেক বড় যুদ্ধাপরাধ। এভাবেই যুদ্ধপরবর্তীকালে বিচারবহির্ভূতভাবে রক্ষীবাহিনী বহু মানুষকে পাশবিকভাবে হত্যা করেছে।এই যুদ্ধাপরাধের বিচার কি হবে না?
আসুন আমরা রক্ষীবাহিনীর সেই পাশবিকতার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হই। শেখ মুজিব একাই ৩৭,০০০ মুক্তিযোদ্ধা খতম করেছিলেন।সংসদে বসা আপনাদের মহাজোটের ইনু'কে জিজ্ঞেস করে দেখুন!! বাংলার ইতিহাসে এটাও লেখা আছে!
শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমান দুজনই খুনের অপবাদ থেকে মুক্ত নয়।মুজিব যত খুন করেছেন দুঃশাসনও বেড়েছে সেভাবে।জিয়াউর রহমান যত খুন করেছেন সমাজে শান্তি এসেছে সেভাবে।তাই প্রয়োজনীয় ব্যাক্তিদেরই তিনি খুন করেছেন যা তখনকার সময়ে সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যে দরকার ছিল, তাই জিয়াউর রহমান কোন ভাল মানুষকে খুন করেননি, যাদের খুন করলে দেশে শান্তি আসবে বলে প্রমানিত হয়েছে তাদেরই খুন করেছেন। এখন আসি মুক্তিযোদ্ধার বেলায়, জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের খুন করেছেন কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে ধরে চুমো খেয়েছেন এমন নজিরও দেশে নেই। জাসদের যে ৩০ হাজার কর্মীকে হত্যা করেছে তার বেশীর ভাগই ছিল মুক্তিযোদ্ধা অন্ততঃ সিরাজ সিকদার শেখ মুজিবের চাইতে বড় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, শেখ মুজিব মহান নেতা সন্দেহ নেই তবে সিরাজ সিকদার মহান মুক্তিযোদ্ধা এতেও দ্বিধা নেই। মূলকথা এরা দুই রাষ্ট্রনায়ক কেউ ধোয়া তুলসী পাতা ছিলেন না।যে বদনামী জিয়ার জন্যে সেখান থেকে মুজিব ও মুক্ত নন। তাই আসুন সবাইকে সম্মান করি, আমরাও সম্মান পাব। নতুবা আওয়ামীলীগের জন্যে সেদিন বেশী দূরে নয়, যেদিন মানুষ ভারতীয় দালাল, ভারতীয় রাজাকার বলে বলে আওয়ামীলীগদের মানুষ খোঁজ করবে এবং মুসলিম লীগের যেখানে ঠিকানা সেখানে পাঠাবে।তারপরও যদি আওয়ামী পন্থিরা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অতিকান্না না ছাড়েন তাহলে বলব কর্নেল ফারুক-রশীদকে জেল থেকে ছেড়ে দেন, খন্দকার মোস্তাকের জন্যে বায়তুল মোকাররম মসজিদে ইছালে ছওয়াবের মাহফিল করুন, তাহলে আপনাদের উদ্দেশ্যে সর্ম্পকে পরিষ্কার হব। কারন তারওতো মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।
আপনার জ্ঞাতার্থে আহমেদ ছফার কয়েকটি লাইন উদ্ধৃত করছি।" অতীতচারি জাতীয়তার মোহে আবিস্ট শেখ মুজিব মধ্যযুগীয় "নাইটের" মত বীরত্ব সহকারে পাকিস্থানী কারাগারে চলে গেলেন। প্রতিরোধ সংগ্রাম লন্ডভন্ড-ছত্রখান হয়ে পড়ল।" মুজিব ১৯৬০-১৯৭০ এ বীরের কাজ করায় জাতির শ্রদ্ধা পেয়েছেন। একই ব্যাক্তি পরে ৭১ এ দেশবাসিকে বিপদে ফেলে পাকিসতান পালিযে যাওযার কারনে, ৭২-৭৫ মস্তানী-চুরি-টেন্ডারবাজী- রেপ-Farakka support করা এবং বাকসাল করার কারনে মানুষের শ্রদ্ধা হারিয়েছেন।আওয়ামীলিগের বিরুদ্ধে কোনো কিছু বললেই রাযাকার|আওয়ামীরা মুক্তিযোদ্ধা-মুক্তিযোদ্ধা বলে মুখে ফেনা তুলে,এরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরই এখন রাজাকার বানিয়ে ফেলেছে।

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

আমি মুজিব্বা মিরজাফর বলছি

ভেবেছিলাম পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি হব। পাকি গাধারা কেন যে ২৬ মার্চে নেমে পরল। একটু সময় পেলেই হয়ে যেতে পারতাম ফাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি। যাই হোক বাংলাদেশ নিয়েই আমার সন্তুষ্ট থাকতে হবে। আমি হলাম রাজার আর ভারত হল রাজার রাজা। ভারতের ওটা আমার খুবই মজা লাগে তাই আমি ওরা যা চায় তাই করি। তালপট্টি দিয়ে দিতে বলেছিল তাই আমি তাল পট্টি দিয়ে দিয়েছি, আমাকে ওরা ওদের ওটা দিয়েছিল। এটুকু নিয়ে কার কি আসে আর যায়। আমার সোনার ছেলেরা এত দেরী করছে কেন। ওদের বললাম ব্যাংক থেকে কিছু নিয়ে আসতে। আমিই তো রাজা তাই যাই ব্যাংকের তাই আমার। আরে এ কোন যাষদ শালা এত বড় সাহস। কৈই আমার কুকুরের দল, কৈই আমার রক্ষি বাহীনি। তোরা কি হাতে চুরি পরে বসে আছিস নাকি। যা ওদের চাঁদের দেশে পাঠিয়ে দে। কি এ কোণ ডালিম আমার লগে পেচাল পারে ও কি জানে না আমার ছেলেরা রাজপুত্র। সবই ওদের, ডালিমের বউও ওদের। সাহস কত আবার চিল্লায়। যা শালার চাকরি খা। আরে বলে কি আবার নির্বাচন। পেয়েছেটা কি? এটা কি গনতন্ত্র? যা শালার গনতন্ত্র বুঝাচ্ছি। বানা শালা বাকশাল। দেখি কার কত বড় সাহস নির্বাচন করতে আসে। আমি কিন্তু রাজা দো্যখে আছি তো কি হইছে। যাই হবে দেশে নাম দিতে হবে মুজিব্বা। আর সবার পাছা আমার ছবির টাট্টু বাধ্যতামুলক।

hridoy's picture

আমি খুনী জিয়া বলছি.......

ভেবেছিলাম শেখ মুজিবকে পাকিরা কারাগারেই হত্যা করিবে। উনি হয়ত আর কখনো উনার এই সাধের বাংলায় ফিরতে পারবেন না। তখন সুযোগ বুঝে আমি উনার সহকর্মীদের ডান্ডা মারিয়া হটাইয়া দিয়া ক্ষমতা দখল করিব। অস্ত্র হাতে দেশ চালাইব। কিন্তু বেটা শেখকে পাকিরা মারিলনা। আর শেখ বেটা সত্যি সত্যিই ১০ জানুয়ারী দেশে ফিরিল। তাই আমি সেদিনই মনে মনে ফন্দি আটিলাম কিভাবে তাকে চিরতরে দুনিয়া থেকে সরাইয়া দিয়া ক্ষমতা দখল করা যায়। শেখের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য আমি বাকশালের সদস্য হইলাম।

আর আসল কাজের জন্য? বদলোকের বদ সঙ্গীর অভাব হয় না। তাই আমারো বেশীদিন অপেক্ষা করতে হয় নাই। পেয়ে গেলাম ফারূক, রশীদ, ডালিম, হুদাদের। ১৫ আগষ্ট ছিল আমার জীবনের সেই সৌভাগ্যের দিন। ফারূক, রশীদ, ডালিম, হুদাদের পাঠিয়ে দিলাম ৩২ নম্বর অপারেশনে। আর আমি রয়ে গেলাম অন্যদের ম্যানেজ করার জন্য।

এভাবেই আমি খুনী এবং ক্ষমতালোভী পিশাচ জিয়া নিজের মনের লুকানো প্রেসিডেন্ট হওয়ার আকাঙ্খাটাকে বাস্তবায়ন করলাম। শুধু তাই নয়, যাদেরকেই আমি আমার আকাংখার পথের কাটা ভেবেছি, তাদেরকেই নির্বিচারে সরিয়ে দিয়েছি। আর যারা আমার আকাংখা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে, আমি তাদের নানাভাবে পুরষ্কৃত করেছি। যেমন খুনী ফারূক, রশীদ, ডালিম, হুদাদের আমি রাষ্ট্রদূত করেছি, যাতে ওরা বিদেশে আরাম আয়েশে বসবাস করতে পারে...........

সৌজন্যেঃ খুনী জিয়া রচিত আত্মকাহিনী "হাবিয়া দোজখ থেকে আমি খুনী জিয়া বলছি" থেকে। প্রকাশনায়ঃ পুতুল-ফালু ফোরাম, ০১ জুন ১৯৮১।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

SalimC's picture

hridoy ভাই এই পাপিষ্ঠদের পা চেটে কেনো পাপের ভাগিদার হচ্ছেন?

While Bangabandhu come beck home from Pakistan(10th January-1972,London-India)That day Bangladeshi publics told 'welcome Banghabandu'.After 3.5 year Mostaq
, Abdul Malak okil, Safiulla & Tofael told good-bye Banghabandu with your family members. Abdul Malek okil (Awami speaker of parliament) told a press briefing in London Feraun's rule is over now; we are starting new Bangladesh with a new leadership.So Mr.hridoy tell me who is the killer?
-তখন জে ওসমানি,সফিউল্লাহ সহ সবাই চাইছিলেন মুজিব নামক ফেরাউন,স্বৈরাচার-ফ্যসিবাদের পতন হউক।দেশবাসিও তাই চাইছিলো এবং আওয়ামীলিগের বড় অংশও তা চাইছিলো।তাইতো তার মৃতুর পর কোনো প্রতিবাদ তো দুরের কথা বরং জনগনের মাঝে মুক্তির স্বাধ ও উল্লাস প্রকাশ পাইছিলো।তোফায়েল,রাজ্জাকরা অনুমতি দেয় নাই বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য।যেখানে ৮ কোটি মানুষ তার ডাকে সাড়া দেয়নি সেখানে শফিউললাহ কিভাবে সাড়া দিবে। জনমতের বিরুদধে কেউ সাড়া দিতে পারে না ।সফিউল্লাহ তো তথাকথিত সেক্টর কমান্ডার ফোরামের নেতা। পুটকিটা মারাটা শেষ পরজন্ত অওয়ামি হালাগো কাছ থিকাই খাইতে হইলো|
-কর্নেল জামিল যদি দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে প্রান দিতে পারেন তবে এই শফিউল্লাহ না মরে খুনী সরকারের রাষ্ট্রদুত হলো কেন? ১৫ই আগষ্ট হত্যাকান্ডএ সেনাবাহিনীর প্রধান শফিউল্লাহ্ জড়িত ছিল”|
আওয়ামী কুত্তারা যুক!যুক!তোফায়েলরে কামড়া!এ, আর, খন্দকাররে কামড়া! !সফিউল্লাহরে কামড়া,। হাসিনারে খা!সে মুজিব হত্যাকান্ড নিয়া তামাশা করিতেছে।হাসিনা ও আওয়ামীরা, তার পিতা মুজিবও তার পরিবারদের হ্ত্যাকারিদের নিয়া আজ ৩৫ বতসর ধরে পাশে বসাইয়া রাজনীতি করিতেছে| জিয়াউর রহমানের মুন্ডুপাত করিতেছে,যে জিয়াউর রহমান তাহাকে তার পরিবারকে পুন:বাসিত করিয়াছে।হাসিনা ওদের নিয়া নাচিতছে যাহারা তাহাকে তার পরিবারকে নিবাসিত করিয়াছে,তার পিতা মুজিবও তার পরীবারকে হ্ত্যা করেছে|
-সেদিন প্রধানমন্ত্রীর সামনে সফিউল্লাহকে শেখ সেলিম বলিলেন: বংগবন্ধু ডাকলেও সেদিন কেন নীরব ছিলেন জবাব দিন?
-আপনি কি বাংলা বুঝেন না?তাহলে আপনাদের নেতা শেখ সেলিম কি বলেন তাই শুনুন।“১৫ই আগষ্ট হত্যাকান্ডএ সেনাবাহিনীর প্রধান শফিউল্লাহ্ জড়িত ছিল”| শেখ সেলিম আরো বলিলেন,১৫ আগস্ট সফিউল্লাহ নেপথ্য ভুমিকায় ছিলেন?তাহলে জনাব শেখ সেলিম,এ, আর, খন্দকার ,তোফায়েল কোথায় ছিলেন? নিশ্চয়ই সম্মুখে?আঁতেলের নাকি কান্ডজ্ঞান কম থাকে। এ প্রশ্ন শেখ হাসিনার সামনে করতে গেলেন কেন শেখ সেলিম? শেখ সেলিম কি এর আগেও সংসদে যাননি? শেখ সেলিম কি এর আগেও সফিউল্লাহর সাথে মোলাকাত করেননি?
শেখ সেলিমের সাথে সফিউল্লাহ, এ, আর, খন্দকারদের সাথে শেখ হাসিনার সম্মুখে এইবারই কি প্রথম পেলেন? তিনি শুধু বঙ্গবন্ধুর কথা কেন বললেন, শেখ সেলিমের আর কোন আপনজন কি ওই হত্যাকান্ডে নিহত হয়নি? শেখ সেলিম কি ৩৫ বছর পর এই প্রথমবার মুখ খোলার সুযোগ পেলেন? বিগত ৩৫ বছর কে তাদের মুখে গরুর গোবর ঢেলে রেখেছিল?
পাঠক দেখুন এ জাতীয় হাজারো শেখ সেলিম সেদিন শেখ মুজিবের চার পাশে উচ্ছিষ্টের আশায় ঘুর ঘুর করত। কারো হাতে সরিষার তেল, কারো হাতে তিলের, কারো হাতে গাড়ির, কারো হাতে জ্বিন তাড়ানোর তেল নিয়ে সদা বিরাজমান থাকত। শেখ মুজিবের কখন কোন অঙ্গের নাগাল পাওয়া যায় ঠিকতো নাই। শেখ হেলাল ঐ কথা বলতে শেখ হাসিনাকে সংসদে উপস্থিতি, সফিউল্লাহ ও এ, আর, খন্দকারদের সামনে বিগত ৩৫ বছর ধরে পাননি বলে কথাটি কুমারী মেয়েদের মতো গালের ভিতরে লূকিয়ে রেখেছেন। মূলত উদ্দেশ্য হল শেখ সেলিমের কিছু চাওয়া পাওয়া বাকি আছে হাসিনার কাছে, তাই দৃষ্টি আকর্ষনের প্রচেষ্টা মাত্র। এরা কতটুকু হিনমন্য ও লোভাতুর ব্যক্তি হলে খুবই প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্ন নিজের গায়ে জ্বালা হওয়ার পরও ৩৫ বছর, ধরে রেখেছেন। দেখুন তিনি একজন মাত্র মানুষকে প্রশ্নটি করেছেন তিনি হলেন শফিউল্লাহ। আরেক বাহিনী প্রধান, সমান দোষে দোষি এ, আর, খন্দকারকে করেননি।কারন অন্য আরেক স্বার্থ হাসিলের জন্যে তখন তার নাম ব্যবহার করবে এই নিয়তে।এ জাতীয় দড়িবাজ রাজনিতীবিধদের আমরা দায়িত্ব দিয়েছি আমাদের ভাগ্যপ্রসন্ন করতে।
মুজিবের হত্যাকারি বলে খামাখা জিয়াউর রহমান, রাজাকারদের দায়ী করিতেছে|আজ সফিউল্লাহ স্বীকার করেছে মুজিবের হত্যাকান্ডএ সে দায়ী ?
মুজিবের হত্যাকারি আওয়ামীরাই,দায়ী সব কুকমের।
সামাননো কুকমের উপমা তুলিয়া ধরিলাম:
শ্বৈরাচারী এরশাদ শ্বাসনের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, 1/11 এর অনুঘটক আওয়ামীরাই, বেরুবারী অংগরপোতা সিট মহল হারানর জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, ফারাক্কার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, পার্বত্য চট্টগ্রাম হাতছাড়ার প্রকৃয়া শুরুর জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, করিডোর দেয়ার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, 30 লক্ষ লোক শহীদ হওয়ার জন্য দয়ী আওয়ামীরাই, বটম লেস বাস্কেট উপাধী পাওয়ার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, 74এর দূর্বিক্ষের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, 30 হাজার রাজনৈতিক নেতা কর্মী হ্ত্যার জন্য দয়ী আওয়ামীরাই, ব্যাংক ডাকতির জন্য দয়ী আওয়ামীরাই, পাটের বাজার হারানর জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংশের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, ভারতের শাথে বানিজ্য ঘাটতির জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, চোরাকারবারী নারী পাচার ও নেষা জাতীয় দ্রব্য দেশে আসার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, ধর্শনে ছ্যানচুরির গৌরবের জন্য আওয়ামীরাই, টেন্ডার ছিন্তাই ব্যলট ডাকাতির জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, শিক্ষকদের চরথাপ্পর মারার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, স্পিকার সাহেদ আলী হত্যার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, পাকিস্তানের থেকে ন্যাজ্য অধীকার আদায় না করতে পারার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, বাশন্তিদের জ্বাল পড়ার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, সাম্প্রদায়ীক সম্প্রিতি বিনষ্টের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, হিন্দু বারি দখল ও নারী নির্জাতনের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, বিডিআর বিদ্রহের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, জংগী ততপরতা শুরুর জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, হরতাল রাহাজানী গার্মেন্টসে আগুন দেয়ার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, জহির রায়হান, শিরাজ শিকদার হত্যার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, বুদ্ধিজীবি হত্যার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, বাকশাল কায়েমের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, গণতন্ত্র হত্যার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, চারটি পত্রিকা রেখে সকল পত্রিকার ডিক্লারেশন বন্ধের জন্য দায়ী আওয়ামীরাই, শহিদ আব্দুল মালেক হত্যার জন্য দায়ী আওয়ামীরাই।বাংলাদেশে এমন কোন হেন অপকর্ম নাই যার জন্য আওয়ামী কে দায়ী করা না যায়। কেবল মুখ খোলা শুরু হয়েছে এবার থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে।
হাসিনা ও আওয়ামীরা মুজিব হত্যাকান্ড নিয়া তামাশা করিতেছে,বিচারের নামে প্রহশন করিতেছে তার কিছু নমুনা।
ঢাকা কোটের সাবজজ গোলাম রসুলের রায়ের কিয়দংশ যোগ করিলাম:এমন অনেক স্বাক্ষী (শফিউল্লাহ) আছেন যাহারা আসামীর সমতুললো।অনেক(তোফায়েল,ও খোন্দকার)কে স্বাক্ষীও বানানো হয় নাই|
-হাইকোটের বিচারপতি মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের আপিলের রায় ঘোষনার সময় বলেন ওদের (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার)'কে কেন আসামী করা হয় নাই।তাহাকে (শফিউল্লাহ)'কে স্বাক্ষী বানাইয়াছে?আজ তাই বিচারের পরিপুননো রায় দিতে পারিলামনা|মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের জননো তাহার মেয়ে ও দল কতটুকু চায় তাহা জজ/বিচারপতিদের আক্ষেপেই বুঝা যায়|
হাসিনা ও আওয়ামী চিটিংবাজির কথা জজকোটে হাইকোটে ও পৌছে গেছে|আমরা এখন সত্যি বুঝতে পাচিছ হাসিনা ও আওয়ামীরা মুজিব হত্যাকান্ড বিচার কতটুকু চায়!
-তখন সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলো শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার। রক্ষিবাহিনীর প্রধান ছিলো তোফায়েল তারা কি করেছিলো? শেখ মুজিব তাকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল, ভীরু হারামজাদা এক কোম্পানি সৈন্য পর্যন্ত মুভ করানোর সাহস দেখাতে পারেনি, আত্মদান তো দুরের কথা।সেনাপ্রধান হিসাবে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ও তারপরে সফিউল্লার ভুমিকা কি ছিল? মুজিব হত্যায় তার ভূমিকা কি? এখন এরাই আবার মুজিব মুজিব বলে দরদী সাজছে! উনি সেনাপ্রধান হিসাবে ১৫ ই আগস্টে একটি সৈন্যও মুভ করাতে পারেননি, উনি ছিলেন অযোগ্য সেনাপ্রধান। একে ওকে দোষ দিয়ে সে দায় এড়াতে চেয়েছেন। মোশতাক গদীতে বসার সাথে ষাথেই তাকে গিয়ে সমর্থন জানিয়েছিলো। তাতে কি মনে হয়? তারাও কি জড়িত ছিলো?মুজিব হত্যার ব্যাপারে জানতে হলে তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার'কে রিমান্ডে নিলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে! তারা মুজিব হত্যার জীবন্ত স্বাক্ষী (ও অংশগ্রহনকারী)!
-শুনেছি জাতীর পিতার ম্ত্যুতে,জাতী আনন্দে ভেসেছিল,কেন এমন হ্য়েছিল?তথনকার সময়ে মানুষ মুজিবকে জাতীর পিতা বলে মানে নাই।
- hridoy ভাই খামাকা এই পাপিষ্ঠদের পা চেটে কেনো পাপের ভাগিদার হচ্ছেন।

Pogo's picture

Editor..Thank you.

Thank you. I am deleting this post as well. You let other three references (which were example of your decency?) vanish anyway. Surprisingly, you did not bother about original decent posts are there! So, there is no need to keep this one. Thanks for trying new techniques. Hope it works out well.

editorial note for pogo:
As we have said before, we can not keep reading all the posts. We agree with you that we are not doing enough to make it clean. But, we are trying some techniques. Let's see, how it can be improved. If you can point more, it will help us to clean for sure.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

The One Eleven's picture

কলম সন্ত্রাসী

সকল রাষ্ট্রীয় চোরদের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে যিনি কখনো আপোষ করেন না তিনিই হলেন আমাদের ওয়াচডগ।রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী দুই বেগমের বিরুদ্ধে যিনি সর্বদা সোচ্চার তিনিই হলেন আমাদের ওয়াচডগ।উনি হলেন সেই ব্যাক্তি যিনি সর্বদা সন্ত্রাসী এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লিখে থাকেন।উনার লিখা যাদের হৃদপিন্ডে কম্পন তৈরী করে থাকে তাদের কাছেই উনি কলম সন্ত্রাসী।আমার মত সাধারন লোকদের নিকট উনি একজন পরম শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি মাত্র।

hridoy's picture

কলম সন্ত্রাসী WatchDog কোথায়?...........

গোস্তাকী মাফ হয় যেন। উনার অনুপস্হিতিতে ফোরামটা দিন দিন পাংশুটে হয়ে যাচ্ছে। তাই আমি উনাকে ফোরামে ফেরানোর চেষ্টা করছি মাত্র।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

The One Eleven's picture

রবিন

এত তাড়াতাড়ি হাল ছেড়ে দিলে তো হবে না।অনেক ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হবে তবেই না বাংলা লিখায় হাত আসবে!

Robin Hood's picture

Bro Hassan (Swiss)

I saw Obama's tying the medal around Dr. Yunus' shoulder early today. World has rightfully recognized Dr. Yunus except his own country!

This is Bangladesh! You can't do much about it. I sometimes wonder what value system current Bangladeshi society is offering to the world. I may be criticized for my writings but I like to know what is the current Bangladeshi value that world needs to know.

Like an individual, if a nation does not have fire in its belly, it will remain handicapped forever. That’s how reality works.

Robin
Carmel, California

The One Eleven's picture

হাসান সাহেব

কি কারনে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন ভাইজান?ভাল আছেন তো?ভগবান কি শেষ পর্যন্ত আপনার ঘুম ও কেড়ে নিলেন?

Hassan Imam khan's picture

ইদানিং সমুদ্র...।

ইদানিং সমুদ্র সাহেবের দেখা নেই কেন ? সিঙ্গাপুরে সাস্থ্যোদ্ধারে আগত সরকারী/বিরোধী রাজনীতিক চোর বাটপারদের সেবায় নিয়োজিত মনে হচ্ছে।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

Robin Hood's picture

shomudro

Thank you.

I don't think I will ever write better Bengali than any of you.
How is life treating you in Singapore?

Robin
Carmel, California

Hassan Imam khan's picture

রবিন হুড ভাইজানকে...।

সমুদ্র ভাইয়ের ন্যায় আমিও আপনাকে বাংলায় লেখার জন্য স্বাগতম জানাচ্ছি।
৭৫ পরবর্তীতে অশুভ সময়ের প্রেক্ষিতে ও রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের অস্থির বিকৃতিতে আমাদের দেশে যে বিভ্রান্ত প্রজন্মের উদ্ভব হয়েছে তার জন্য আমি ঐ বিভ্রান্ত প্রজন্মকে দায়ী করবোনা।
যে দেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি পরিবারবর্গ সহ বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হন,
সে হত্যাকান্ডের বিচার করা তো দুরের কথা বিচার চাওয়ার অধিকারও রাষ্ট্রীয় ভাবে কেড়ে নেয়া হয়,
জঘন্য এ সিরিজ হত্যাকান্ডের পর ক্ষমতায় আসীন পরবর্তী রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করে ত্রিপলে মুড়ে বিনা জানাজায় গর্থে ছুড়ে ফেলা হয়,
যে দেশে প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতির মৃত্যুদিবসের জন্য কাঙ্গালী ভোজের খাদ্যদ্রব্য রাষ্ট্রীয় পুলিশের প্রহরায় সন্ত্রাষী কতৃক কেড়ে নিয়ে ডাষ্টবিনে ফেলে নিরন্ন মানুষের খাবার কুকুর দিয়ে খাওয়ানো হয়,
যে দেশে দুই দুইবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নিজের হীন প্রতিহিংশা চরিতার্থে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিজের ঘোষিত জন্মদিবস পালটে তার পৃত্যসম প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতির মৃত্যু দিবসে (যেটাকে রাষ্ট্রীয় শোকদিবস ঘোষিত হয়েছিল) নিজের দেহের ওজনের সমপরিমানের কেক কেটে জন্মোৎসব পালন করেন,
সে দেশের এ বিভ্রান্ত প্রজন্মকে দায়ী করে আমাদের প্রজন্মের ব্যার্থতাকে লুকাবো না।
আশার কথা, আমাদের প্রজন্মের সকল ব্যার্থতা পদদলিত করে বর্তমান উঠতি প্রজন্ম সকল অমানিষার অন্ধকার ঠেলে আলোর পানে ছুটে আসছে।
=====================
Dr,Yunus.jpg
=====================
obama'younus.jpg
============================
প্রগতির পানে এগিয়ে চলা উঠতি এ প্রজন্মের প্রগতির চাকাকে পিছনে টানবে,সে সাধ্য কার ?
কায়মনবাক্যে কামনা করি,ওদের জয় হোক।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

shomudro's picture

RH

Congrats for your nice bengali try. Just keep it up. Who knows may be one day you will write better bengali than us!

hridoy's picture

Cactus..........

তালাক দেয়ার পরও কোন পক্ষ যদি বিয়েটা টিকে রাখতে চায় তবে সে পক্ষ কোর্টে যেতে পারে। কোর্টের রায় যদি তালাকের পক্ষে যায় তবে তা সেদিন থেকে কার্যকর হয়, যেদিন তালাক দেয়া হয়েছিল। যেদিন মামলার রায় ঘোষনা হয় সেদিন থেকে নয়। আমরা পাকিদের তালাক দিয়েছি ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ এ। সে তালাক তারা তখনই মেনে নিতে পারত। কিন্তু মেনে না নিয়ে তা অকার্যকর করার জন্য তারা আমাদের বিরুদ্বে নয় মাস যুদ্ব করেছে। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ চুড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে ২৬ মার্চে তাদেরকে দেয়া আমাদের তালাককে আমরা কার্যকর করেছি।
আমরা সেদিন থেকেই স্বাধীন, যেদিন তা ঘোষনা করা হয়েছিল, অর্থাৎ ২৬ শে মার্চ ১৯৭১।
"এবার বলুন বিশ্বের বুকে 'বাংলাদেশ ' একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায় কবে থেকে ? নিশ্চয়ই ২৬ শে মার্চ থেকে নয় ?"
উত্তরঃ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে, এবং তা ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ সালে জন্ম নেয়া রাষ্ট্রটিকেই। দিনটি কিন্তু ২৬ শে মার্চই।
জনাব, অন্যের basic নিয়ে কটাক্ষ করার আগে নিজের basic টা সঠিকভাবে যাচাই করা চাই।
ভাল থাকুন.............

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

farmer's picture

cactus: My id is farmer, NOT ff farmer

cactus, you are right, pls. stop mewing; simply do not use ff in front of my id. (When written ff is written in upper case).

Cactus's picture

f f farmer এবং ইমাম সাহেব , .........বড় চিন্তার কথা !

স্বাধীনতা ঘোষনা এবং দেশ স্বাধীন হয়ে যাওয়া এক কথা না । ১৯৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ সম্পর্কে বলা হতো 'সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত ' মানে সদ্য born হওয়া বাংলাদেশ ।আর এখনও বাংলাদেশের বয়স কতো হলো তা হিসেব করতে গেলে ১৬ই ডিসেম্বরকে বাংলাদেশের জন্ম ধরে হিসেব করা হয় ,২৬ শে মার্চকে বাংলাদেশের জন্ম ধরা হয় না । স্বাধীনতা ঘোষনার পরেই এমনি এমনি দেশ স্বাধীন হয়ে যায় নাই ,এর জন্য অনেক মূল্য দিতে হয়েছে । পরাজয়ের আশংকাও কম ছিলো না । farmer বলেছেন 'people fought 9 months to free occupied BD ' ... আচ্ছা জনাব, occupied BD কে যদি free করা না যেতো অর্থাৎ ১৬ই ডিসেম্বরে যদি আমাদের বিজয় না হতো তবুও কি ধরা হতো যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ? জনাব farmer , আপনি বরং হাম্বড়া ভাব ছেড়ে নিজের basics ঠিক করুন ।

ইমাম সাহেব ,আমারো একই কথা 'মায়ের গর্ভে ভ্রুন প্রবেশের দিনকে ঐ শিশুর জন্মদিন বলাটা একপ্রকার আহম্মকি' ......শিশু মায়ের গর্ভ থেকে ভুমিষ্ট হবার পরেই ধরতে হবে যে বিশ্বের বুকে একটি নতুন শিশুর জন্ম হয়েছে । এবার বলুন বিশ্বের বুকে 'বাংলাদেশ ' একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায় কবে থেকে ? নিশ্চয়ই ২৬ শে মার্চ থেকে নয় ?

Pogo's picture

August 15

On August 15 (Saturday), there will be Close Up 1 2009 (top 12) musical program in Dallas, TX. Just wondering anyone in this forum is coming and possibly get to know each other.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

The One Eleven's picture

Robin

Robin
It is so nice,so nice and so nice.
ইহা অতিশয় সুন্দর,অতিশয় সুন্দর এবং অতিশয় সুন্দর।

Robin Hood's picture

Swiss bro হাসান

চলুন আমরা সবাই উছছকন্থে তাল মিলিয়ে বলি
জয় বাংলা - BAL
বাংলাদেশ জ়িন্দাবাদ - BNP
ণারাই তাকবির আল্লাহ উ আকবার – Jamat & religious right

জ়দি বাংলাদেশি origin মানুশ রা কবে বাংলাদেশ independence পেয়েচ্ছে তাতে এক মত না হতে পারে তবে কি ভাবে এই দেশ উপরে উথবে.

God bless this land.

রবিন
কারমেল, ক্যলিফরনিয়া

Note to One Eleven:
I did it!

Robin
Carmel, California

Hassan Imam khan's picture

অহেতুক বিতর্ক...।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা হয়েছে ৭১ এর ২৬ শে মার্চ,অর্থাৎ ঐদিন বাংলাদেশের জন্ম ঘোষনা ধরে নিয়েই প্রথম বাংলাদেশ সরকার গঠন ও তার নাম ঘোষনা করা হয়েছে। এবং ঐ তারিখ থেকেই এদেশে অবস্তানকারী পশ্চিমা সৈন্যরা হানাদার,দখলদার তথা শত্রু সৈন্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং তাদের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য যুদ্ধ্য ঘোষিত হয়েছে। ১৬ ই ডিসেম্বর এ যুদ্ধের বিজয় অর্জিত হয়েছে ও দেশ হানাদারদের দখলমুক্ত হয়েছে।
মায়ের গর্ভে ভ্রুন প্রবেশের দিনকে ঐ শিশুর জন্মদিন বলাটা একপ্রকার আহম্মকি বই কিছু নয়,কারন অধিকাংশ মা ই তার গর্ভে ভ্রুন প্রবেশের সঠিক দিন বা তারিখ সম্পর্খে জানেন না,বিধায় এটাকে কোন ভাবেই জন্মদিন বলে ধরা হয় না।
যারা এই অহেতুক নাদান একটি ভুলকে ভুল স্বীকারের পরিবর্তে নিজ দেশের জন্ম তারিখ নিয়ে অহেতুক বিতর্কে লিপ্ত,তাদের প্রতি অনুরোধ,আপনাদের নেত্রীর জন্ম তারিখ নিয়ে গবেষনা করুন,তাতে চিন্তার অনেক খোরাক পেলেও পেতে পারেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

শঙ্খচিল's picture

রায়হান খান এতদিনে টের পাইলেন

রায়হান খান এতদিনে টের পাইলেন যে কিছু লেখক :কে কোন দেশে আছে সেটা নিয়ে একধরনের মিথ্যা আত্মপ্রসাদ লাভের পাশাপাশি হীনমন্যতায় ভুগে।"? এর আগে আপনার শ্রদ্ধেয় "মূল ফিচার" এর আলোচক, যখন তর্কের মাঝে এসে আমেরিকান ডিগ্রি আর আমেরিকায় প্রবাসি জীবনকে কটাক্ষ করেন, তখন আপনার রেমিটেন্স পেরেম কোথায় থাকে?
পালটা প্রতিক্রিয়া হিসাবে কোরিয়ার প্রসংগ আসে কেবল এ সত্যটিকেই বুঝিয়ে দেয়ার জন্য যে, নিজে বিদেশে থেকে (সেটা কায়িক শ্রম।পড়াশুনা বা বুদ্ধিবৃত্তিক পেশা যেকারনেই হোকনা কেন), অন্য প্রবাসিদের খোটা দিলে, উচিত পালটা ঘা আসবেই।
আর একটা কথা, যে সব তৃতীয় শ্রেণির একি প্রসঙ্গের লেখার অহরহ অবতারনা করা হয় "(আমি ওয়াজেদ মিয়া বলছি"নামক ব্লগের অখাদ্য লেখা রিসাইকেল করে আবার বলেন তথ্য নির্ভর মুল ফিচার), তার উপরে কি আলোচনা করাটা কি খুব জরুরি? আর সেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার সুযোগ কতটুকু সেটা আপনার পোস্ট/বিতর্ক পড়লেই বুঝা যায়।
আপনার হীন্মন্যতা আন্যকে অহংকারি করলে তার করার কিছু নাই। আর আপনার/আমার চাইতে বুদ্ধি-মেধায় উন্নত মানুষ থাকতেই পারে, আর সেটা "আহংকার" হবে কেন? আমার চাইতে অধিক জ্ঞানি-মেধার লোকের সাথে কথা বললে আমার ত মনে হয়না তার উন্নত যুক্তি-বিশ্লেষণ খমতা অহঙ্কার।
ব্লগে নানা মুনির নানা মত। সেটাই ব্লগের চার্ম! আপনাকে লেখার উত্তর কে পারসনালি না নিলে দেখবেন দুনিয়া অনেক সহজ!!

raihankhan's picture

Pogo: Should be....কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশীরা।

"বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী রেমিটেন্স প্রেরণকারী মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যারা আমাদের মার্তৃভুমিকে সোনায় সোহাগা করছে সেই সব দেশে অবস্হানকারীদেরকে (এই ফোরামে যেমন: কোরিয়া)"। ........হবে কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশীরা। আপনি যদি সব commentsগুলো খেয়াল করে পড়ে থাকেন তাহলে হয়তোবা খেয়াল করেছেন কতিপয় নাক-উচা'আতেল' লেখার বিষয়বস্তুর বাইরে গিয়ে কে কোন দেশে আছে সেটা নিয়ে একধরনের মিথ্যা আত্মপ্রসাদ লাভের পাশাপাশি হীনমন্যতায় ভুগে।

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

mailsmsi's picture

শেখ মুজিব সম্বন্ধে একটি তথ্যবহুল ফিচার-False Information Mislead

শেখ মুজিব সম্বন্ধে একটি তথ্যবহুল ফিচার-Misleading False

ভারত তার প্রধানতম প্রতিদ্বন্দীকে দ্বিখন্ডিত করে নিজে দক্ষিণ এশিয়ায় অপ্রতিদ্বন্দি হয়েছে সেটি সত্য।????
Is this writing by daily Sangram of 1971/Rajakar/Albadar/Alshams

Independance is not so easy ????

Bangladesh won independense with long stragule people with the leadership of Sheikh Mujib.

Kasmir/Plestine is not yet getting freedom for long stragule.