বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ৬৫তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এই দিনে ফেনীর সম্ভ্রান্ত মজুমদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। এ উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদল ৬৫ পাউন্ডের কেক কেটে জন্মদিনের কর্মসূচির সূচনা করে।
দুই ছেলে তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান কোকো চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় পারিবারিক কোনো কর্মসূচি নেই। ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর রাজনৈতিক নানা পটপরিবর্তনের কারণে এবং গত বছর কারাগারে থাকায় সাদামাটাভাবে জন্মদিন পালন করেছে দলের নেতাকর্মীরা। এর আগে প্রতি বছর রাত ১২টা ১ মিনিটে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় কেক কেটে জন্মদিনের কর্মসূচির সূচনা করা হত। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ব্যাপক কর্মসূচি পালন করত।
আজ বিকেল ৫টায় দলীয় চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে বিএনপি, ছাত্রদল, মহিলা দল আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটবেন খালেদা জিয়া। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল থেকে কেক ও মিষ্টি আনা হচ্ছে। এছাড়া দলের অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করবে।
এ ব্যাপারে ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) গুলশানের কার্যালয়ে আগত দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকদের আপ্যায়ন করব। টাঙ্গাইল থেকে কেক ও মিষ্টি আনা হচ্ছে। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) জন্য প্রায় ১০ কেজির একটি মিষ্টি তৈরির জন্য অর্ডার দেয়া হয়েছে।’
গতকাল বিকেলে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে যুবদল আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটেন বিএনপির যুগ্মমহাসচিব মির্জা আব্বাস। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবদল সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, সাইফুল ইসলাম নীরব, মোর্তাজুল করিম বাদরু, বেলাল আহমেদ, মাহবুব আলম নান্ন-, মাহবুবুর রহমান শামীম প্রমুখ।
এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ১৫ আগস্ট বিভ্রান্তিমূলক জন্মদিন পালন না করতে উকিল নোটিস পাঠানো হয়েছে। ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহাজাদা মহিউদ্দিন গতকাল বিকালে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট কেএম নজিবউল্লাহ হিরুর মাধ্যমে এ নোটিস পাঠিয়েছেন। জনৈক তথ্য অফিসার মকবুল আহম্মদ ১৯৯৭ সালের ১৮ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে খালেদা জিয়ার মেট্রিকুলেশন (এসএসসি) পরীক্ষা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে পত্র দেন। ওই দিনই পত্রের উত্তরে জানানো হয়, খালেদা খানম (খালেদা জিয়া) পিতা-মো. এসকান্দার মেট্রিকুলেশন পরীক্ষার রোল নং-এফ ৭৯২, সন ১৯৬১, জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সন। যা পরদিন দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন আকারে ছাপা হয়। সে অনুযায়ী আপনার জš§ তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর।
ওই দিনই দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, ৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তথ্য অধিদফতর থেকে তার জীবনবৃত্তান্তে প্রথমে জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয় ১৯ আগস্ট ১৯৪৬ পরে তা সংশোধন করে ১৫ আগস্ট ১৯৪৬ করা হয়।

Vumi, thanks
Days are approching, the Mojumders & the Sheiks will be in diff continents and their sheep will be consumed.
Thanks, I got it.
Farmer Bhai
ম্যাডাম কিম্বা আপাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই । আমরাই ইডিয়ট যারা হাসিনা/খালেদা বন্দনা করি । মাইনাস টু দিয়ে সমস্যার সমাধান হবেনা । আমাদের দরকার মাইনাস টু ফ্যামেলী । গোটা দেশ এই দুই পরিবারের কাছে জিম্মি হয়ে আছে আর আমরা কিছু রাম ছাগলের দল হাসিনা/খালেদা বন্দনা করে পালা ক্রমে এই দুই পরিবাবের রাজত্ব পাকাপোক্ত করতেছি এবং ভবিষ্যত জেনারেশনকে শেখ/জিয়া ফ্যামিলীর কাছে বন্ধক রেখে যাছি ।
rana: idiots always stunt people
Justice Sattur told Boudrudozza to keep idiot Khaleda in a low post of BNP, he exactly told him, "do'nt let her sit on your head, she is idiot & will piss on your head". Dumpy Bodruddoza did not listened, that shitty monkey pissed on Bodrudozza's head, kicked him on the ass; then pissed the whole nation, shit with her birthday, old bones.
মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়
মানবিক মূল্যবোধ কোন্ পর্যায়ে নেমে আসলে দেশের একজন প্রধান নেত্রী নিজের জন্মতারিখ পরিবর্তন করে আবার ঘটা করা তা উতযাপন করতে পারে !! এমন ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড শুধু মনে হয় আমাদের দেশেই সম্ভব । ধিক্কার জানানোর ভাষা এবং রুচি কোনটাই আমার নেই...