এই কয়দিন আগে হাসিনা সরকার দুইজন জজকে জোর করে অবসরে পাঠিয়ে ছিলেন| কাজটা করেছেন হাসিনার একান্ত বাধ্যগত সিংহ পুরুষ রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান| দুজন জজকে বাড়ী পাঠানোর পর পরই দেশের সবাই হৈ চৈ করে বলে উঠলো, স্বাধীন বিচার বিভাগের বিচারকরা জিল্লু মিয়া বা হাসিনা বেগমের কামের পুলা না, যে যখন খুশি তখন বাড়ী পাঠিয়ে দিবে|
সংসদীয় বান্দর নাচের কমিটি এইচ.টি ইমামকে ডেকে পাঠিয়েছেন, তাকে বলতে হবে আশিতিপর বৃদ্ব জিল্লুরকে কুমন্ত্রনাটা দিয়েছে কে.........??
শুধু তলব করেছে, বাঁশ ডলাও দেয় নাই। আর তাতেই ভেউ ভেউ করে এইচ.টি ইমাম বলে দিলেন আমি কিছু করি নাই, "বিবি" সাবের কাম এইটা.........!!!!
হাসিনা-জিল্লুররা ক্ষমতা পেয়েই ভুলে গেছে যে দেশটা ওদের বাপের সম্পত্তি না, দেশের লোকগুলো ওদের চাকর বাকর না, যখন খুশি তখন দেশটা বর্গা দেয়া যাবে না, যাকে খুশি তাকে চাকুরী থেকে বাদ দেয়া যাবে না|
২ জজকে চাকুরি থেকে বাদ দিয়ে আবার ২ দিন পরেই ডেকে নিয়ে চাকুরি ফেরত দেয়া হয়েছে "ফাটা বাঁশের" চিপায় পরে......||
হাসিনা-জিল্লুর ও তাদের চামচা বৃন্দকে বলি, আপনাদেরকে কি আল্লায় লাজ-শরম বলতে কিছুই দেন নাই.....???

বান্দর ইমামের নাচন
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছিল বলে ইমাম যে দাবি করেছেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদও।এখানে জিল্লুরও জড়িত
মিথ্যাচারের অপর নাম হলো আওয়ামী লীগ । এখন কার কথা বিশ্বাস করবেন? শফিক আহমেদ নাকি ইমাম আহমেদ নাকি সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
উপদেস্টার দেশ চালাচ্ছে। উল্লেখ থাকে, হাসিনা-পুত্র জয়ও হাসিনার রাজনৈতিক উপদেস্টা। কাজেই দেশ চালাচ্ছে প্রকান্তরে জয়।
সংসদীয় বান্দর নাচের কমিটি হাসিনার কাজের ছেলে এইচ.টি ইমামকে
আমি বলি, যাদের, নিজেদের লজ্জাশরমের বালাই নাই, তারাই অন্যদের লজ্জা শরম খুজে বেড়ায়। যাকে তাকে গালাগালি বা একটু যা তা বলতে পারলেই এরা গৌরব বোধ করে। এদের একপেশে গালাগালি, কুকুরের ঘেউ ঘেউ এর চেয়ে ভাল কিছু শোনায় না।
যখন খালেদা নিজামীর "চোরদলীয় জোট সরকার" শত শত সামরিক বেসামরিক সরকারী কর্মকর্তাকে "বাসায় যেতে" বলেছিল তখন এরা বাহবা দিয়েছে। এখন এদেরকে "সোনা" দিয়ে মুড়িয়ে দিতে হবে।
বাগেরহাট জেলা বিএনপি'র ও সহ সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ বিএনপির নেতাকে (পরবর্তীতে এমপি) "জাজ" হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। প্রশাসনকে কব্জা করতে যেসব হাজার হাজার দলীয় ক্যাডারকে "চোরদলীয় জোট" বিভিন্ন জায়গায় বসিয়েছে, তাদেরকে নির্দলীয় প্রশাসন কায়েমের স্বার্থেই বিদায় করা উচিত।
১। ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ, সংসদে বিশাল মেজরিটিতে আওয়ামী লীগ, সংসদীয় কমিটির সভাপতিও আওয়ামী লিগের।
সংসদীয় কমিটে যদি সরকারকে কারন দর্শাতে পারে, তার অর্থ, দেশে গনতন্ত্র ও সরকারের জবাবদিহিতা আছে। এতে হাসিনা জিল্লুরের চামচাদের লজ্জার চেয়ে গর্বিত হওয়া উচিৎ।
২। হাসান তৌফিক ইমাম ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। হাসান তৌফিক ইমামের মত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা,৭১এ মেহেরপুরের এসডিও ও বর্ণময় আমলাকে কাজের লোক বলতে একটা বেয়াদবি। শেখ হাসিনা দেশ বিদেশ থেকে যোগ্য লোক এনে উপদেষ্টা করেছেন(পাশপাশি খালেদার উপদেষ্টা ছিল, বাপের বেটা সাকা, ফালু, আলু, বুলুর মত "ফালটু" লোকজন)।
খালেদা নিজামীর "চোরদলীয় জোট সরকারের" এইসব চামচাদেরই বরং লজ্জা হওয়া উচিৎ। অবশ্য এখন তো ওদের মাথাই ঠিক নেই!
এটা কি ইসলাম সম্মত ???
এরা কি আসলেই ধর্ম পালন করছে?
পবিত্র রমজানেও কি খালেদা জিয়া পর্দা করতে পারেন না?
ইফতার মাহফিলে এভাবে আসাটা কি ইসলাম ধর্মকে অপমান করার পর্যায়ে পরে না?
নাকে খত দিয়ে জজদের চাকুরি ফেরত : হাসিনার গালে চপেটাঘাত........!!
১৪ টি চুরি-চান্দাবাজীর মামলার আসামি, পুলিশ কতৃক টেনে হিচরে জেলে নেয়া হাসিনার সাপোর্টাররা আবার সিনা-জুড়িও করে..???
Betrayed ভাই করেন কি?
ভাই করেন কি?চাদাবাজির মামলায় মইন পুলিশ দিয়ে হাসিনাকে টেনে হিচরে চোরের মত গাড়িতে তুলেছিল|দুই কান কাটা নেত্রী ত এসব ভুলে গিয়ে ধোয়া তুলসী পাতা বনেই গেছেন|চাদাবাজির আসামি হাসিনা শেষ পর্য্যন্ত পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিল|র্দুনীতি মামলার আসামী এবং প্যারলে বাইরে ১৪টি চুরির মামলা নিয়ে এর আগে দুনিয়াতে কেউ দেশ চালানোর নাম করে নাই|গিনিজ বুকে নাম উঠবে হাসিনার|কোন সূস্থ এবং সভ্য সমাজে এটা অকল্পনীয় বাস্তবতা।আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাংলাদেশ ডিজিটাল দুর্নীতির দিকে এগি্যে যাবে কারণ তাদেরই সময় প্রথম বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যম্পি্যন হয়।১৪টি চুরির মামলার আসামি,মিগ বিমান কিনতে গিয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চুরি করে হাসিনা যদি বাইরে ঘুরে বেরায় তবে এই যদু-মধুরা জেলে থেকে করবে কি? সব চোর ছেরে দেওয়া হোক,হাসিনার সাথে মিলেমিশে এরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বে|বাংলাদেশ মনে হচ্ছে আবার সেই হতাশার মধ্যে ডুবে যাচ্ছে। আজকাল রাস্তাঘাটে মানুষ মানুষকে মারছে। হত্যা সন্ত্রাস বেড়ে গেছে অনেক বেশী। আপনি কি বলতে পারেন যে আজ আপনি সুস্থ ভাবে বাড়ীতে ফিরতে পারবেন আপনার প্রিয় পরিবারের কাছে? আমাদের ভবিষ্যত টা কি? এভাবেই কি চলবে দেশ?
এই মইন পুলিশ দিয়ে হাসিনাকে টেনে হিচরে চোরের মত গাড়িতে তুলেছিল|গদি পেয়ে,সেই হাসিনা ও তার আওয়ামিলিগ ভক্তরা সব লাথি-গুতার কথার ভুলে গেছে|মইন দুই চাইর লাতি দিয়া ত তাগো পুলসীরাত পার করে দিছে|
"হাসিনা কোনো কলংকের ভাগীদার না, উনি নিজেই একটা কলংক|"
না জানি ফকরু চোরা কোথায় আজ পালাইছে?
১৪মামলার আসামিরে হেতে প্রধানমন্ত্রী বানাইছে।
এখন তো দেশ আসলে দেশিবিদেশি ষড়যনত্রকারিরা চালাচছে হাসিনারে গদিতে রেখে, যেমন ব্রটিশরা মিরযাফরদের দিয়ে চালাইছিলো।আওয়ামী জঙ্গিরা, বাংলাদেশকে ধংস করার চেষ্টা করছে না, ধংস করছে !
সব্যসাচির লজ্জা শরম প্রসংগে
সব্যসাচি তার পোস্টিং এ লজ্জা শরমের কথা বলেছেন । লজ্জা শরম নিয়া আমার একটা শের মনে পড়লো ,আপনাদের এজাজত নিয়ে শেরটা এরশাদ করতেছি এবং এই শের বিডি গ্রুপকে
উতসর্গ করলাম ।
" শরম শরমছে শরমাতে হ্যায়
হাম খোদ ই বেশরম হ্যায়
শরম হামছে ক্যায়া শরমায়ে ? "
জমিদারী শায়ের...।
এতদিনেইনা ভুমিহীন জমিদার আসল জমিদারি জোশে এলেন,
সকল সঙ্কা ছেড়ে তার জমিদারী শায়ের শোনালেন।
ধন্যবাদ জমিদার সাহেব।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
সুইস হাসান ভাই
খুব মুডে আছি । যা দেখি তাই ভালো লাগতেছে অনেকটা ফুলের বনে যারে পাশে পাই তারেই ভালো লাগে'র মত অবস্থা । আপনার জন্য একটা শের পেশ করতেছি-
" মুযকো কাতেল করকে মেরা খুন কি মেহেনদী লাগালেনা
যব উটঠে মেরা জানাজা তব শাহনাই বাজালেনা । "
জমিনদার তুনে কামাল কিয়া হ্যায়...।।
জমিনদার তেরে শায়েরী ছে তুনে কামাল কিয়া হ্যায়,
ম্যায় নাদান কো পাছ ইয়ে এক লা-জওয়াব হ্যায়।।
তেরে লিয়ে হাজির মেরে দোস্তি অউর পেয়ার,
অ্যায় মেরা পেয়ারা দোস্ত ভুমিহীন জমিদার।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
সুইস হাসান ভাই
বাহ ! বাহ !! ক্যায়া বাত হ্যায় !!!
শরাবে মোহাব্বত পিলাদে খোদা আ আ আ
তেরে ইশৃককি জলনমে জ্বালাদে খোদা আ আ আ ।
হুব মে তেরী সবকো ভূলা দাও খোদা
শরাবে মোহাব্বত পিলাদে খোদা
Now AL can claim some credit
In last 8 months, first time, the AL started behaving like a political party. The first step looks good, caling devil S T Imam to answer to the JS cabinet committee. It is at least a sign of respect to the law. Hope the committee will not behave like Lilliputians.
I do not remember BNP ever did anything like that, or ever will be able to do something like that.
র্যাটসের সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত ও হাসিনার ডানহাত এইচ.টি ইমাম
উল্লেখ থাকে, হাসিনার একনায়কতন্ত্রে আওয়ামী লীগ থেকে এক প্রকার বহিস্কার হয়েছে র্যাটস।
সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত হাসিনার ডানহাতকে তলব করেছে, সেখানে আবার জিল্লুরও জড়িত।
** edited **
"ফাটা বাঁশের" চিপায় পরেছে হাসিনার......!!!
"ফাটা বাঁশের" চিপায় পরেছে হাসিনার......!!!