আজ কারও কি মনে কোন সন্দেহ আছে যে টিপাইমুখে বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ক্ষতকর। আজ তো আমাদের সামনে উদাহরন আছে ফারাক্কার। তবে কেন প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের উপকারে আসবে? দাদাগীরির একটা সীমা আছে। এবার মুয়া ফুয়া মার্কা নির্বাচনে তথাকথিত জয় কি আওয়ামীদের অন্ধ করে দিয়েছে। ওরা কি ভাবছে ওদের বাংলাদেশ চিরস্থায়ি বন্দোবস্ত করে দেয়া হয়েছে? মঈন মবিন কতদিন আওয়ামীদের বাঁচিয়ে রাখবে। ১৯৭৫ জ়েনারেলরা কি পেরেছিল মুজিব্বাকে বাঁচাতে। মুজিব তো ভেবেছিল সে রাজা বনে গেছে। তার ২ গুনধর রাজপুত্রদ্বয় দেশকে তাদের বাপের সম্পত্তি মনে করত। আমাদের এ ফোরামে এ জাতীয় সঙ্কটে ভুমিকা রাখতে হবে। অনেকে পিটিশন করেছেন অনেক ওয়েবসাইটে। আমাদের এ ফোরামেও এর ব্যবস্থা করা উচিৎ। শুধু ভারতের টিপাইমুখ না চীনের বাঁধ যা আমাদের অনেক ক্ষতি করবে তার বিরুদ্ধেও আমাদের পিটিশন শুরু করা উচিৎ। চীনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ভারত ইতিমদ্ধ্যে আন্তরজাতিক তৎপরতা শুরু করেছে। আমাদের ভারতের সাথে এ প্রতিবাদে এক হওয়া উচিৎ। অন্ধভাবে ভারতবিরোধীতা নয় ইস্যুভিত্তিকভাবে আমাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে যেতে হবে। ১৯৭০ এর দশকে তথ্য প্রযুক্তির অভাবে সচেতনতা অনেক কম ছিল বিশ্ববাসির। আজ ইন্ডিয়া এবং চীন সর্বচ্চো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রথম সারির দেশ হতে। আমাদের শক্ত প্রতিবাদ করতে হবে। তাদের বিশ্ব ভাবমূর্তি রক্ষার খাতিরে তারা বাধ্য হবে সরে আসতে এসকল ধ্বংসার্ত কর্মকান্ড থেকে।
কৃষক নন, ফারমারকে
আপনার কথা আমি কিছুই বুঝলাম না।
কথা হচ্ছিলো, টিপাই মুখে বাধ নিয়ে। এরমধ্যে আপনে সাহারা খাতুন বা বাবর আলীকে টানছেন কেন?
হাফিজের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এর মানে এই নয় যে হাফিজ ফেরেস্তা।
টিপাইমুখের বাধ ও ভারতের কি রোল হতে পারে সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভারত মুজিবের পাছায় আংগুল দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি করিয়ে নিয়েছে। এটা সত্য, এর জন্য হাইকোর্টে যাবার দরকার নেই। ভারত জানে কখন তাদের স্বার্থ বাস্তবায়িত করা সম্ভব।
কারন আওয়ামী লীগ হলো পুরাটাই ভারতের দালাল, খারাপ ভাষায় ভারতীয় বেশ্যা।
ভেড়ার পাল কানে শুনে না
ভারতীয় বেশ্যা দিপু মনিরা যে টিপাই মুখে বাধের ব্যাপারে তাদের কন্ঠে ভারতীয় সুর শোনা যাচ্ছে। আপনি শুনতে পারছেন না। আর পারছে না আওয়ামী ভেড়ারা। ভেড়ার পালের প্রথম ভেড়া মুজিব যেদিকে গেছে অন্যান্য ভেড়ারাও সেদিকেই যাবে।
কিন্তু আমরা জাতীয় স্বার্থে ভারতীয় বাধ ও আওয়ামি দালালির বিরুদ্ধে এক্যবদ্ধ হতে চাইছি ...আপনি কে হুদা কামে বাগড়া দিচ্ছেন ... আপনি তো সেই ফারমার যে কিনা ভারতিয় টাকায় গবেষনা করে বলেছেন ট্রানজিট দিলে বাংলাদেশে চাকুরী সৃষ্টি হবে।
শুধু এতটুকু মনে রাখবেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ, এই দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে প্রতিটি পরিবারেরই ক্ষুদ্র-বৃহৎ অবদান আছে। এদেরই একটা অংশ ট্রানজিট, বাধ দিতে না চাইলে মুজিবের মত তার নিজস্ব মতামত জনগনের উপর চাপিয়ে দিবেন না। মনে রাখবেন, আওয়ামি মতাদর্শ বা সিদান্ত না মানার অর্থ নয় সে রাজাকার, বা স্বাধীনতা বিরোধী, এই তত্ত্ব ভারতীয় র প্রচুর টাকা খরচ করে বাংলাদেশে প্রতিষ্টিত করতে চাইছে, কাজেই নিজের আওয়ামীত্ব ছেড়ে বাংলাদেশের জনগনদের তাদের নিজের বিষয় নিজেদের করতে দেন, আপনারা প্রবাসে সুখে থাকুন।
Save Bangladesh: No more farakka
matin: damn, you ate up Dipu & Sazzad's jobs!
Dipu, Sazzad, Sahara, Babar Ali are out, lets see what Hasina does next.
matin, slowly you will find out that there are few disadventages of being in the down stream.
BNP minister Hafiz did not follow up with India; if India was not responding properly, he was supposed to make the nation know it. You know, those people are systematic liar like a 7th grader, comes with all shitty causes when miss a class. Who was in trouble India, or BD? BD was suppose to create pressure. You know how much skills those Hafizes have compare to Indian counterparts.
When you have Hafizes & Dipus, probably, you will not get water.
Industry minister Dilip Barua must go too; may be, he is the only honest guy in the cabinet, but zero skills. He does not know how to create jobs, he does not know how to save garment industries.
টিপাইমুখে বাঁধ: বাংলাদেশী টিম বনাম ভারতীয় টিম
দীপুমনির ন্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মীর সাজ্জাদ হোসেনের মত পানি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বাংলাদেশী টিম গঠন করলে ভারতীয় টিমে কোন খেলোয়াড়ের প্রয়োজন আছে কি?
ভারতীয় পলিসি ১, বিএনপির কাছে তথ্য না দেওয়া, পরে বাংগালী সুশীলদের ব্যবহার করে বলা হবে, বিএনপির সময়ে প্রতিবাদ করা হয়নি
সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী জনাব হাফিজ উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পানি কমিশনের মিটিংয়ে ২০০৩ এবং ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে টিপাইমুখ বাঁধের উপাত্ত তথা ডাটা দিতে বলে। কিন্তু ভারত তা দেয়নি। একই কাজ করেছে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ কালেও।
ভারতীয় পলিসি ২, মুজিবকে ভেড়ার মত ব্যবহার
শেখ মুজিব শুধু পানির উপর ভারতীয় দস্যুতাকেই বৈধতা দেয়নি, বৈধতা দিয়েছিল দেশের সম্পদ লুন্ঠনেও। সীমান্ত বাণিজ্যের নামে তিনি বর্ডার খুলে দেন। পাত্রের তলায় ফুটো থাকলে সে পাত্রে পানি অবিরাম ঢাললেও তাতে পানি থাকে না। আর বর্ডার হলো একটি দেশের তলা।এর ফলে বাংলাদেশ তখন বিশ্বব্যাপী পরিচিত পেয়েছিল তলাহীন ঝুড়ি রূপে।
ভারতীয় পলিসি ৩, সুশীলদের নীরব রাখা, যেমন, ইউনুস সাহেব, জাফর ইকবাল
ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে পদ্মার পানি অপহরণ শেখ মুজিবকে দিয়ে জায়েজ করিয়ে নিয়েছিল। এবারের আওয়ামী লীগ সরকারকে দিয়ে জায়েজ করে নিবে সুরমা-কুশিয়ারার পানি লুন্ঠনও।
বিস্তারিত পাবেন,
http://www.firozmahboobkamal.com/bangladesh/381-tipaimukh-dam-and-water-...
প্রণব মুখার্জি
ভারতীয় মন্ত্রি শ্রী প্রণব মুখার্জি বলেছেন, এবার আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কিছু হলে ভারত বসে থাকবে না।
শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা তার নিজের সন্তান-পরিবারদেরকে আমেরিকা-কানাডাতে পাঠিয়েছেন। ফলে সমগ্র বাংলাদেশ মরুভূমি হয়ে গেলেও তাতে তার নিজ প্রজন্মের ক্ষতির সম্ভাবনা আছে কি? নেই। তাই পানি-সমস্যাটি শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের সমস্যা নয়, এটি নিতান্তই বাংলাদেশের জনগণের সমস্যা ।