সুশীলদের মুখপাত্র "...আলো"-র ভারতীয়দের পক্কে নির্লজ্জ দালালী ও সুত্রবিহীন মনগড়া রিপোর্ট:
http://prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTYzODEz&mid=MQ==
"Alo..Star" group always remain in silence and never highlighting big issues likes TIPAIMUKH DAM, Transit/asian highways etc. The reasons behind these are well understood by all of us......

Smile
They are committed mistaker so they can't change so when Motiur Rahman can beg for pardon Moinul Hossain can smile for treachery.
'প্রথম আলো' সম্পাদক মতি বাবুর ভন্ডামির মুখোশ উম্মোচিত হচ্ছে....
"হুজুর কেবলাজান, মহান অক্টোবর বিপ্লবের নায়ক লেনিনের নামে.. থুক্কু আল্লাহর নামে তওবা করতাছি আর পরগাছা সুশীলদের আর ভারতের দালালী করমুনা... আমারে মাফ কইরা দেন হুজুর (ঘার কাত করে আকুতি)। যদি বলেন আমি আমার পশ্চাত্টদেশে 100 টি বেত্রাঘাত খাইতে ও রাজি..."
ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন.."হুজুরের পা ধরেন..পা ধরেন.."
***************************************************************
প্রথম আলো' সম্পাদক মতিউর রহমান ও 'ডেইলি ষ্টার'-র মাহফুজ আনাম এই দু জন যে প্রচন্ড সুবিধাবাদী ও ভন্ড SUSHIL তা বাংলাদেশে সর্বজনবিদিত (সুবিধাবাদী SUSHILরা ছাড়া)। দেশী-বিদেশী অপশক্তির কাছ থেকে প্রচুর টাকা পেয়ে এরা 'ধরা কে সরা জঞ্যান' করেছে। ক্ষেত্র বিশেষে এরা নিজেদের কে ক্ষমতাসীন সরকার থেকেও শক্তিসালী মনে করেছে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল যে, 'চোরের দশ দিন তো গৃহস্থের একদিন'।
প্রথম আলো সম্পাদকের পৈতৃক বাড়ি অনুমোদন ছয় তলার হয়েছে নয় তলা
(source: http://www.amadershomoy.com/content/2009/10/27/news0721.htm)
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, রাজউকের ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬-এর বিধি অনুযায়ী জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের প্লটে লালমাটিয়ায় ছয়তলার বেশি উচ্চতায় বাড়ি নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু লালমাটিয়া বি ব্লকের ৬/৯ নম্বরের এই বাড়িটি নয়তলা করা হয়েছে কোনো অনুমোদন ছাড়াই। এ বাড়ির মালিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তার আট ভাই-বোন। মতিউর রহমান অষ্টম তলায় থাকেন। কেয়ারটেকার মিজান জানান, লুৎফর রহমান এ পরিবারের বড় সন্তান (মতিউর রহমানের বড় ভাই) হওয়ায় ভবনের নাম রাখা হয়েছে ‘লুৎফু ভবন’।
এ ব্যাপারে সদ্য অবসর প্রস্তুতিকালীন ছুটিতে যাওয়া জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকী জানান, স্বাধীনতার পর লালমাটিয়ায় আড়াই কাঠা, তিন কাঠা, পাঁচ কাঠা এবং ১০ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। শুধু লালমাটিয়ায় বাড়ি করার জন্য জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।
এলাকাবাসীদের অনেকেই জানান, প্রথমে এটি একতলা বাড়ি ছিলো। ধাপে ধাপে এটি নয়তলা করা হয়। পাশের একজন বাড়ির মালিক জানান, আমার বাড়ি যখন তৈরি করিÑ রাজউকের পরিদর্শকরা মাঝে মাঝে পরিদর্শনে আসতেন। নকশা অনুযায়ী হচ্ছে কিনা তা দেখতেন। বাড়ি নির্মাণ শেষ হলে ছয়তলার ওপরে চিলেকোটা তৈরির জন্যও নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ বাড়িটি যখন তৈরি হয় তখন রাজউকের কোনো পরিদর্শক চোখে পড়েনি। অনেকেই তখন বাড়িটি কীভাবে নয়তলা হলো এ নিয়ে রাজউকে ফোনে অভিযোগ করেন। কিন্তু এ বাড়িটি নিয়ে কোনো তদন্ত হয়নি। কেউ আসেও নি। সম্পাদনা: জুলফিকার রাসেল
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
নিরপেক্ষতার ভন্ড মুখোশধারী 'প্রথমআলো'-র ভন্ডামির আর একটি নমুনা
নিরপেক্ষতার ভন্ড মুখোশধারী 'প্রথমআলো'-র ভন্ডামির আর একটি নমুনা..
সংখ্যালঘুদের জন্য SUSHIL মিডিয়া 'প্রথম আলো-ষ্টার গ্রুপ' মায়া কান্না করলেও খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে এ ঘটনার নেপথ্য নায়কদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করেনি। আর এটা যদি BNP-এর কোন ছায়াও করতো তা হলে কি 'প্রথম আলো-ষ্টার' গ্রুপ ছেড়ে দিত?
সકਠাপূের বািড় দখেলর োচੈা
এক পিরবােরর নয়জনেক অপহরণ, পের উਤার
http://www.prothom-alo.net/V1/index.news.details.php?nid=MjU2ODI=
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
আলো/star সিন্ডিকেটের জন্মগত দোষ....
এটা আসলে দুই বিজনেছ হাউসের (Transcom, Beximco)গ্রুপের লড়াই। এখানে interseting ব্যাপার হোল, দুই গ্রুপেরই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের টাকা মেরে দেওয়া সহ ব্যাংকের টাকা মেরে দেবার বদনাম রয়েছে। তবে সবচেয়ে খারাপ দিকটা হোল বরাবরের মত আলো/star সিন্ডিকেট ক্ষুদ্র-ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত আক্রোশ/স্বার্থপরতার বর্হিপ্রকাশ সাংবাদিকতার ethics ভেংগে প্রকাশ করেছে। আর এতে আর্শ্চয্য হবার কোন কারণ নেই। এটাই ওদের বৈশিষ্ট। এর আগেও তৎকালীন জ্বালানী উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানের ( বেক্সিমকো গ্রুপের পুর্ব চাকুরীর জন্য ) জন্য এই আলো/star সিন্ডিকেট এমন নীচু কাজ নেই যে তারা করে নি। আর রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন তো এদের জন্মগত দোষ....।
***********************************************************
'প্রথম আলো-ডেইলি স্টার মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নে সাহায্য করেছিল'
ঢাকা, জুলাই ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান অভিযোগ করেছেন, দেশের বহুল প্রচারিত দুটি জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে 'মাইনাস টু ফর্মুলা' বাস্তবায়নের সাহায্য করেছিল। দৃশ্যত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে সালমান আরও অভিযোগ করেন, এ দুটি পত্রিকা এখন 'মাইনাস ওয়ান ফর্মুলা' বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। সোমবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে সালমান এফ রহমান বলেন, "বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জরুরি অবস্থার সুযোগ নিয়ে এ দুটি পত্রিকা 'মাইনাস টু ফর্মুলা' বাস্তবায়নে উঠে পড়ে লেগেছিল। তবে তারা সেটি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা 'মাইনাস ওয়ান' ফর্মুলা বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র করছে।"
তিনি বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার দেশকে অস্থিতিশীল করতে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশের পুঁজিবাজার অস্থিতিশীল এবং বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে এ দুটি পত্রিকা দীর্ঘদিন ধরে 'প্রচারণা' চালাচ্ছে। উভয় পত্রিকা এক যুক্ত বিবৃতিতে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, "বেক্সিমকোর কোনো প্রতিষ্ঠান এখন ঋণখেলাপি নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মেনে ইতোমধ্যেই সব প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফসিল (রিশিডিউল) করা হয়েছে।" তিনি বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে এ দুটি জাতীয় দৈনিক দেশের অন্যতম বৃহত্তম গোষ্ঠী বেক্সিমকোর বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন ও অনবরত অসৎ প্রচারণা চালিয়ে আসছে। বেশ কয়েকবছর ধরে তাদের এ হীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চলছে। এতদিন উপেক্ষা করে এলেও বিষয়টি এখন জনতার আদালতে উপস্থাপন করতে বাধ্য হচ্ছি।" এ দুটি জাতীয় দৈনিকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সালমান এফ রহমান বলেন, "অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আমাদের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলছি। মামলা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" সালমান রহমান বলেন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো গ্রুপ আজ দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়ীক গোষ্ঠী। এর অধীনে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কয়েকটি শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান। বেক্সিমকো গ্রুপ সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরে গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, "সব বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত আমরা সরাসরি ৩৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। আমাদের বার্ষিক টার্নওভার এক হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারে গ্রুপের ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বাজার মূলধন ১২০ কোটি মার্কিন ডলার। এক লাখ ৫২ হাজার শেয়ারহোল্ডারের আস্থা নিয়ে পথ চলছি আমরা।" ঢাকা স্টক একচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনের ১৫ শতাংশেরও বেশি শেয়ার বেক্সিমকো গ্রুপের বলে জানান সালমান রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডেরই (বিপিএল) রয়েছে ৬৫ হাজার শেয়ারহোল্ডার। এককভাবে দেশে কোনো প্রতিষ্ঠানের এটিই সর্বোচ্চ শেয়ারহোল্ডার সংখ্যা। বিপিএল একমাত্র বাংলাদেশী কোম্পানি যা লন্ডন স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত। উচ্চ বেতনে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বেক্সিমকো সুনামের সঙ্গে বিশ্বের অনেক দেশে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিক রাখছে। সালমান বলেন, "দীর্ঘ পথপরিক্রমায় বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছে আমাদের। তা সত্ত্বেও আমরা সর্বদাই আমাদের জনবল ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছি। আমাদের চেষ্টা সবসময় সফল হয়েছে- এই দাবি আমরা করবো না। আর সফল হতে না পারার পেছনের কারণগুলো সবসময় ব্যবসায়িক ছিল তাও কিন্তু নয়। "বিগত কয়েক বছর ধরে এই দুটি পত্রিকা অত্যন্ত সচেতনভাবে আমাদের গতিরোধ করার অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছে। আমাদের প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি স¤প্রনারণ এবং আরো কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে পদে পদে বাধা দেওয়ার অপপ্রয়াস চালিয়েছে।" প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার বেক্সিমকো গ্রুপের অগ্রযাত্রায় যে বাধা সৃষ্টি করেছে তার কয়েকটি উদাহরণ দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সা¤প্রতিক সময়ে এই দুটি পত্রিকায় প্রকাশিত কয়েকটি খবরকে 'ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে অভিহিত করে তিনি জানান, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- গত ১০ জুলাই প্রকাশিত বেক্সটেক্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সংক্রান্ত খবর। এছাড়া বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে 'বিদেশী কোম্পানি দিয়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ তুলে নেওয়ার ফন্দি', বেক্সিমকোর খেলাপি ঋণ প্রায় হাজার কোটি টাকা', 'জেম গ্লোবালের কাছে শেয়ার বিক্রি করছে বেক্সিমকো ফার্মা', 'আওয়ামী লীগের একটি ভুল সংকেত'। সালমান রহমান বলেন, বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের বিরোধিতা এবং পুঁজিবাজারকে অস্থির করে তুলতে পত্রিকা দুটির নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশনের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হলো। এ ধরনের অনৈতিক সাংবাদিকতা দেশের স্বার্থবিরোধী বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, "প্রথম আলোর মালিক হলেন ট্রান্সকম গ্রুপের কর্ণধার লতিফুর রহমান। আর ডেইলি স্টারেরও বেশিরভাগ শেয়ারের মালিক ট্রান্সকম। লতিফুর রহমান ও ট্রান্সকম গ্রুপের বিরুদ্ধে পাল্টা নোংরা প্রচারণা যুদ্ধে নামার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই। আমরা ব্যবসা জগতে নৈতিক আচরণে বিশ্বাসী। বাংলাদেশের জনগণ, বাজারই আমাদের কর্মকান্ডের ভালোমন্দ বিচার করতে পারবে। তাই গণমাধ্যম ও জনতার বিবেচনার জন্য আমরা পত্রিকা দু'টিতে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরলাম।" তাকে ব্যক্তিগতভাবে 'হেয় প্রতিপন্ন' করতে প্রথম আলোর একটি সংবাদ বিশ্লেষণের কথাও উল্লেখ করেন সালমান রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমাকে ব্যাক্তিগতভাবে হেয় করতে প্রথম আলোর তথাকথিত একটি সংবাদ বিশ্লেষণের (আওয়ামী লীগের একটি ভুল সংকেত) কথা উল্লেখ করতে চাই। বিগত সাধারণ নির্বাচনের দিন কয়েক আগে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ব্যবসায়ী স¤প্রদায়ের নেতাদের একটি সভার দিন প্রথম আলো একটি একটি সংবাদ বিশ্লেষণ প্রকাশ করে। তাতে তারা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিবেচনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে সভার আয়োজক ছিলাম আমি। ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছিলাম আমি। আর তাদের চোখে সেটিই ছিল 'অপরাধ'।"
কেন এই দুটি পত্রিকা তার বা বেক্সিমকোর বিরুদ্ধে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করছে জানতে চাইলে বেক্সিমকোর ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, "এ প্রশ্ন তো আমারও। তাদের (প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কর্তৃপক্ষ) আপনারা (সাংবাদিক) প্রশ্ন করে বের করুন- কেন তারা আমার ও বেক্সিমকোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নেমেছে।" বেক্সিমকো গ্রুপের খেলাপিঋণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "বেক্সিমকো গ্রুপের কোনো শিল্প-প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি নয়। জাতীয় সংসদে খেলাপিঋণের তালিকা প্রকাশের পরের দিন অর্থমন্ত্রী এ কথা বলে দিয়েছেন। ব্যাংকে আমাদের যে সব প্রতিষ্ঠানের ঋণ রয়েছে তার সবগুলোই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি-বিধান অনুযায়ী রিশিডিউল (ঋণ পুনঃতফসিলকরণ-নিয়মিতকরণ) করা হয়েছে। আমাদের কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি নয়।" এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সমস্যার কারণে ঋণখেলাপি হতেই পারে। ঋণখেলাপির ক্ষেত্রে দুটি বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান খেলাপি হয়েছে, নাকি যৌক্তিক কোনো সমস্যার কারণে খেলাপি হয়েছে। সমস্যার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান খেলাপি হলে একে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখা উচিত বলে তিনি মনে করেন। গত ১০ জুলাই প্রথম আলো-ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ার বেক্সটেক্সকে 'জাংক' শেয়ার হিসেবে উল্লেখ করার প্রতিবাদ জানিয়ে সালমান রহমান বলেন, দেশে জরুরি অবস্থা থাকায় দুই বছর ভালো ব্যবসা না করার কারণে বেক্সটেক্স শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারেনি। এবার ভালো ব্যবসা করায় ১০ শতাংশ 'স্টক ডিভিডেন্ড' দিয়ে 'জেড' গ্রুপ থেকে 'এ' গ্রুপে উঠে এসেছে। অথচ এ দুটি পত্রিকা বেক্সটেক্সের শেয়ারকে 'জাংক' শেয়ার বলছে। এ বিষয়ে প্রথম আলোর এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, 'জেড' ক্যাটাগরি হলেই যে তা 'জাংক' শেয়ার হবে তা নয়। 'জাংক' শেয়ার মানে অন্তঃসারশূন্য শেয়ার। যে শেয়ারের কোনো অস্তিত্ব নেই, সেই শেয়ারকেই 'জাংক' শেয়ার বলে। সে বিবেচনায় বেক্সটেক্সের শেয়ার কোনো অবস্থায়ই 'জাংক' শেয়ার নয় বলে তিনি দাবি করেন।
এ সময় বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান প্রথম আলোর সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন করেন, বেক্সটেক্সের শেয়ারকে আপনারা 'জাংক' শেয়ার বলছেন। অথচ লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের শেয়ারকে 'জাংক' শেয়ার বলেন না কেন? লাফার্জ সিমেন্টও তো 'জেড' গ্রুপের শেয়ার। তারা এখন পর্যন্ত শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।
তিনি বলেন, আপনি নিজে থেকে সংজ্ঞা দিতে পারেন। আপনার হাতে কলম আছে। আপনি লিখে দিতে পারেন। কিন্তু কেউ বলবে না 'জেড' ক্যাটারগরিতে গেলেই 'জাংক' শেয়ার হবে। কারণ, অনেক ভালো কোম্পানী জেড ক্যাটগরিতে আছে।
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
Yellow journalist/conspirator Motiur Rahman(পূন:প্রকাশিত)
প্রায় এক বছর আগে e-mela-র forum-এ প্রকাশিত thread থেকে:
http://priyo.com/forum/20080815/11779/yellow-journalistconspirator-motiu...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
এই জামাতী পাগলা কুকুর থেকে সাবধান.........
এই জামাতী পাগলা কুকুর অহরহ বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারকে কামড়ায়। শেষে কিনা আমাকেও কামড়িয়ে বসল!
আওয়ামীলীগের নাম শুনলেই মনে হয় ওর পাছায় চুলকানি উঠে।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
প্রসব করিবে, তাই বেদনায় কাতর
আওয়ামী লীগ টিপাইমুখে বাধ দিতে ভারতকে বাধা দিতে চায় না। কারন,
তাদের ধারনা, এতে আওয়ামী লীগ লাভবান হবে। কিভাবে,
তারা মনে করছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে ভারত পানি দিবে না। কাজেই পানির জন্য বাংলাদেশের জনগনকে আওয়ামী লীগে ভোট দিতে বাধ্য।
অনেকটাই বাংলাদেশের জনগনকে আওয়ামী লীগ ব্লাক মেইল করে ভোট নিতে চাচ্ছে। কিন্তু আওয়ামী স্বপ্ন কখনই বাস্তবায়ন হবে না।
ভারতীয় কুত্তাদের চেয়েও অধম হলো আওয়ামী লীগাররা। এরা কোন কথায় শুনতে রাজী নয়, এরা মিথ্যাচারের বাস্প থেকে নেওয়া তখ্যের বুলি ছাড়তেই ওস্তাদ।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করলেই এরা রাজাকার, জামাতী ইত্যাদি বানিয়ে দেয়, এই সব ফালতু তত্ত্বে কাজ হচ্ছে না দেখে, প্রথম আলো টিপাইমুখে বাধের প্রতিবাদী সাহসী ছাত্র-ছাত্রীদের চরমপন্থী বানিয়েছে আর হাসিনা ওদের রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করছে ...
...দেশের যখন এই অবস্থা, তখন সেদিকে না তাকিয়ে এক শ্রেনীর সুশীলদের ভাড়া করা হয়েছে...এরা এখন মঈনকে বাচানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ... এখানে নাটকটা জমছে ...জনগন মজা করে দেখছে ...
চরিত্র,
পর্ব ১
কিছুদিন আগে আদালত ছিলো মইনের ...যা ইচ্ছে তাই করতো অথচ সুশীলেরা বাহবা দিতো
পর্ব ২
...আদালত এখন চলছে জরুরী আইনের মহান নেত্রী কানের অসুখধারী হাসিনা
...অভিযুক্ত আওয়ামী লীগাররা একে একে বের হচ্ছে
... একই আদালতে মইনের নামে অভিযোগ দিচ্ছে ভিকটিমরা
১ম পর্বে আতাতাকারী হাসিনা কানের চিকিৎসার নামে ১১৭ দিন আমেরিকা-কানাডাতে জন্মদিন, বিয়ে দিন করে বেড়িয়েছিলেন
২য় পর্বে উনার কেন কানের সমস্যা হচ্ছে না তাই দেখার জন্য জনগন উদগ্রীব, শুনা যাচ্ছে উনাকে বিষ খায়েছিলো শুয়োর মঈন। তার পরেও কেন হাসিনা শুযোরদের সাথে সহবাস করেছিলো ১ম পর্বে, তারও উত্তর মিলবে ২য় পর্বে।
নাটক শেষে ভিকটিমরা যে হিরো হয়ে বেরিয়ে আসবে ...সেই উত্তেজনাপুর্ন মুহুর্ত দেখার জন্যও জনগন এখন আদালত প্রাংগনে তাকিয়ে আছে ...
আর যা না বললেই হয় না, ১/১১এর সমর্থনকারী ফেরেস্তারা হাবিয়া দোজখে চিঠি লিখে ১ম পর্বে এক স্নায়ু টান তৈরী করেছিলো, এখন ২য় পর্বে চিঠির উত্তরগুলো আসতে থাকবে ... ১/১১এর সমর্থনকারী ফেরেস্তাদেরকে হাবিয়া দোজখে সসন্মানে আমন্ত্রন জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে...দশর্কেরা হাত তালি দিন ...জানি, বোর্ডের সুশীলেরা এখন পাগলা হইয়া গিয়াছে ...কিছুদিন আগেই দেশ উদ্ধারের নানা গাল গল্প করিত, এদের দেশ প্রেম উপচাইয়া যাই তো ...অথচ আজ বাংলাদেশ টিপাইমুখে মরণফাদে পতিত হতে যাচ্ছে তবুও এই সব দেশ প্রেমিকেরা ৯ মাসের গর্ভবতী নারীর মত আচরন করিতেছে ... এরা খুব শ্রীঘই ভারতীয় কুত্তা প্রসব করিবে, তার বেদনায় সম্ভবত কাতর ...
Save Bangladesh: No more farakka
যারা আওয়ামী বর্বরাতার পক্ষে কাজ করতেছে তাদেরকে বর্জন করুন|
ডেইলি স্টার,প্রথম আলো,ইত্তেফাক হলো নব্য বাকশালি আওয়ামি সমর্থন কারি মিথ্যাচারের মুখপত্র।এরা দুর্নিতিবাজ,দেশবিরোধি মইন,ফখর,হাসিনা,মইনুলের এক নম্বর চামছা।আজ সবাই মইন,মতিন,মইনুল,হাসিনার দুর্নিতির খর ছাপলেও এরা তা ব্লাক আউট করে।তবে অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ঢ হয় না। সুজন,সিপিডি,ডেইলি স্টার,প্রথম আলো,জনকনঠো, টিআইবি,ভারত মৈএ সংগঠন সহ আরো অনেক কিছু,এই দিনের জননো দিনরাত কাজ করেছে|দিনরাত বিএনপি জামাত,খালেদা,তারেখ বিরোধি প্রচারনা চালিয়ে যাচছে|ইদানিং তোমারা কি খেয়াল করেছো সিপিডি,সুজন,টিআইবি আগের মত একটিভ নয়। কিংবা প্রথম আলো,ডেইলি স্টার পুবেকার সরকারের মত এই সরকারের সমালোচনায় মুখর নয় এ সবি চলছে দাদাবাবুদের ইসারায়, ওরাও কোটি টাকা খেয়ে হজম করেছে|দাদাবাবুদের রুপিতে তোমাদের দেশের অনেক সংগঠন ও পেপার চলে। ওরা বুদ্ধি বেচে আর দাদাবাবুরা কিনে |দাদাবাবুদের জয় !ভারত মাতা কি জয়!!জয় লেন্দু হাসিনা কি!!
ঐ সব বেইমান,দালাল,বিশ্বাসঘাতক বারী,মইন,মাসুদুদ্দিন,মতিনদের উত্থান ও আজকের পরিনতি একেবারে হুবহু মিরযাফরদের মত।তবে আসল সত্য হলো হাসিনা ঐ সব ষড়যনত্রকারি মিরযাফরদের হাত ধরেই খমতায় আইছে।তাই ওদের মুল হোতা মইন,ফখর,মাসুদদের বিচার না করে জনরোষ থেকে আড়াল করেই রাখছে।যারা অর্থের লোভে অন্যায়কে সাপোর্ট করতেছে,আওয়ামী বর্বরাতার পক্ষে কাজ করতেছে,আওয়ামীলিগের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে মানবতার বিপক্ষে কাজ করতেছে তাদেরকে বর্জন করুন,সাহসী ও সত্যের পক্ষের পত্রিকাগুলো পডুন,দিনকাল,মানবজমিন,নয়াদিগন্ত,আমারদেশ,সংগ্রাম,সমকাল পডুন।
Mr. nazrul.....
মাথা ঠান্ডা রাখুন। ভাষা সংযত রাখুন। নয়ত এই ই-মেলাতে একটা হেমায়েতপুর তৈয়ার করা হবে, শুধু আপনার মত জন্তুদের রাখার জন্য।
ইতিহাস জেনে এসে এখানে পন্ডিতি ছাড়ুন। এখানে সবাই গর্দভ নয় যে, আপনি একটা বলবেন আর সবাই বিশ্বাস করবে।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
This bloody indian Raazaker supports mother India! shame!
Mr Hridoy or whatever is the pure indian dalal and ghatak!Worst than jamat.
These Ghataks still shamelessly support their mother India.
Farraka was built after Bangu chor came to power and through his agreement it was functional, supposed to be for 3 months trail but by fooling the illeterate Mujib , Indians got what they wanted.
Another thieve Hasina came to power to allow building Indian highway and tipaimukh bridge.
Embeciles supportert of BAL should know there is no "if" about tipaimukh bad , we should be united and take international action.India is a bad neighbours to all including nepal, bhutan, srilanka pakistan and bangladesh,
Betrayed............
আপনি আমার লেখাটিকে খন্ডভাবে উপস্হাপন করেছেন। ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যেতে পারে, অর্থাৎ আমরা ক্ষতিগ্রস্হ হলে সে ক্ষতিপুরণে তারা কি করবে, সেরকম দেন দরবার। জেনারেল আইয়ুব অনেক হুমকী ধামকী দিয়েও কিন্ত ফারাক্কা আটকিয়ে রাখতে পারেন নাই। তাই আমি বলেছি গায়ের জোর না দেখিয়ে মেধার প্রভাব খাটিয়ে কিভাবে সমাধা করা যায়। বাঁধজনিত কারনে আমাদের ক্ষতির তীব্রতাটা তাদের বুঝানো, প্রয়োজন হলে আন্তজার্তিক মহলে দেনদরবার। গায়ের জোর তাদের সাথে কোন ফয়সালা আনতে পারে না। তারা আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী। বাস্তব কারনেই তাদের সাথে আমাদের ভাল সম্পর্ক রাখতে হবে। "তাদের কেটে ফেলব, মেরে ফেলব, ছুড়ে ফেলব" এসব খুবই সস্তা পেচাল এবং জনগণের সাথে রাজনৈতিক ভন্ডামী। আমরা সমাধান চাই, কোনভাবেই সমাধানের নামে ভন্ডামী নয়...........
ভাল থাকুন, সুস্হ থাকুন.........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
hridoy: দেশ প্রেমিক বা;লাদেশী নাকী ভারতপ্রেমী রাজাকার....????
hridoy লিখেছেন:
এ বাঁধে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্হ হওয়ার যথেষ্ট কারন থাকতে পারে।
======
থাকতে পারে কথার মানে কী...?? আপনি তাহলে নিশ্চিত না,যে উজানে বাধ দিয়ে পানি আটকালে ভাটি অন্চল টা একসময় শেষ যাবে|
আপনার "থাকতে পারে" কথা দিয়ে কী বুজাতে চাইছেন...??
hridoy লিখেছেন:
আবার এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ারও সুযোগ থাকতে পারে।
====
তো বলুন, ভারত টিপঈ বাধের ক্ষতি কি ভাবে পুষিয়ে দেবেন...??
১| বর্ষয়া অতিরিক্ত পানিতে যখন ৪ কোটি লোক তলিয়ে যাবে, ভারত তখন কি ভাবে পুষিয়ে দেবে..??
২|খরার সময় যখন পানি না পেয়ে ঐ ৪ কোটি লোকের ফসল শেষ হয়ে যাবে, ভারত তখন কি ভাবে পুষিয়ে দেবে..??
৩| আর্সেনিক দুষনে যখন ৪ কোটি লোক অসুস্হ হয়ে পড়বে, ভারত তখন কি ভাবে পুষিয়ে দেবে..??
৪|মাছ,পশু-পাখি, ও অন্যান্য জলজ প্রানি যে বিলুপ্ত হবে, ভারত তখন কি ভাবে পুষিয়ে দেবে..??
৫|৪ কোটি লোকে অধ্যুষিত অন্চলে যে "ইকোলজিক্যাল ড্যামেজ হবে, ভারত তখন কি ভাবে পুষিয়ে দেবে..??
৬|সিসমিক জোনের কারনে সেই বাধ,চরম ভুমিকম্পের কারন হয়ে দাড়াবে|ভুমিকম্পে ৪ কোটি লোক ক্ষতিগ্রস্হ হলে, ভারত তখন কি ভাবে পুষিয়ে দেবে..??
** এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না পাওয়ার আগে আমি আপনাকে বলবো না আপনি কে..? দেশ প্রেমিক বা;লাদেশী নাকী ভারতপ্রেমী রাজাকার **
ভারতীয় রাজাকার " চোঙ্গাওয়ালা " বলে কি ?
কি রে কয়েক দিন দাদাবাবুদের ওখান থেকে ভালই তালিম নিয়ে এসেছিস। এতো প্রশংসা করছিস , ভারতের সাথে শক্তি , গলার জোর ব্যবহার করে লাভ নাই, সবই ভাল কথা কিন্তু কথা হলো " বেরু বাড়ী " আর "ছিট মহল "ভারত নিয়ে নিল এক দিনের মধ্যে, তিন বিঘা করিডোর ৩৮ বৎসর হলো দেই দিচ্ছি করছে । চুক্তি যখন হয় ভারতের সাথে বন্ধত্বপুর্ন সম্পর্কই ছিল, বন্ধুত্ব ধুয়ে ভারত পানি খায়না। নিজের স্বার্থে ওরা যেকোন কাজ করতে পারে। এটা মনে হয় তোড় থেকে ভাল কেহ জানেনা।ব্যাটা ভারতীয় রাজাকার চোংগাওয়ালা ।
সুশীলেরা পড়বেন না ...হতাশ হবেন
২০০৭ সালের ১৮ ফেব্র"য়ারি সম্পদের হিসাব চেয়ে নিয়ে দুদক যে নোটিশ দিয়েছিল সেই নোটিশটি ছিল অবৈধ
রায়ের পর আলমগীরের আইনজীবী রফিক উল হক সাংবাদিকদের বলেন, "মহীউদ্দীন খান আলমগীরসহ ৫০ জনকে ২০০৭ সালের ১৮ ফেব্র"য়ারি সম্পদের হিসাব চেয়ে নিয়ে দুদক যে নোটিশ দিয়েছিল সেই নোটিশটি ছিল অবৈধ।
"আর এই অবৈধ নোটিশের ভিত্তিতে যে মামলা ও সাজা হয়েছে তাও অবৈধ। এই বিবেচনায় আদালত মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সাজা বাতিল করে দিয়েছে।"
http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=53813&cid=3
১/১১ এর মঈন সমর্থিত দুদুকের পাছায় লাথি মারো তালে তালে
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আলমগীর বলেন, "এই রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতিদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এ রায়ের ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে আর কেউ মিথ্যা মামলা করতে সাহস পাবে না।"
Save Bangladesh: No more farakka
টিপাইমূখী বাঁধ নিয়ে রাজনীতি করার অবকাশ নেই..........
টিপাইমূখী বাঁধ নিয়ে রাজনীতি করার অবকাশ নেই। এ বাঁধে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্হ হওয়ার যথেষ্ট কারন থাকতে পারে। আবার এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ারও সুযোগ থাকতে পারে। সবই সম্ভব আলোচনার মাধ্যমে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশটি খুবই ছোট। গলার জোর ছাড়া আর আমাদের কোন জোর নাই, অন্ততপক্ষে ভারতের বিরোদ্বে। এ গলার জোরে দেশের ভিতরের রাজনীতি চলে, কিন্তু বর্হিবিশ্বের সাথে নয়। ওখানে চলে মেধার লড়াই। তাছাড়া ভৌগোলিক অবস্হানগত কারনেও আমরা বেশ বেকায়দায়। কাজেই ভারতের সাথে লড়তে গেলে আমাদেরকে গায়ের জোর আর গলার জোরের চিন্তা বাদ দিতে হবে। তাই বাস্তব কারনেই সরকার দেনদরবারের দিকেই এগোচ্ছে। তাছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নাই। বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের সাথে বৈরীতা কোন সুফল বয়ে আনবে না। অতীতে বৈরীতার নামে ২/১ দল রাজনীতি করেছে, তাদের রাজনীতি পোষ্ট হয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষের কোন উপকার হয় নাই। এখন জাতি তাদের ভন্ডামীটা টের পেয়েছে। রাজণীতির নামে জাতির সাথে ভন্ডামী করলে এটা সংশ্লিষ্টদের জন্য কোন ভাল রাজনৈতিক ফল বয়ে আনবেনা। কাজেই টিপাইমূখী বাঁধ নামের জাতীয় সমস্যা নিয়ে খেলো রাজনীতি কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। আমরা চাই এর বাস্তবভিত্তিক সমাধান। আর এ ধরনের জাতীয় সমস্যা নিয়ে যে কোন ধরনের রাজনৈতিক ভন্ডামীর অবসান..............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Mr. Motiur Rahman, please explain yourself
On reading the special editorialwritten by Matiur Rahman, Prothom Alo editor, the day his masterMoeen U. Ahmed retired as Army Chief, a number of questions came up. Actually, what came up first was disgust at the incredible level of smugness that was on display as Matiur Rahman pretended that the change of government that took place on January 11, 2007 did not happen with his direct knowledge and collusion. But eventually, on a second and third reading, some questions did come up.
The intial point that struck me was the sheer disregard of journalistic ethos that Mr. Rahman puts on display here. If any of us bloggers had written this piece, our inboxes would be flooded by now with demands that we either back up what we wrote as facts or admit that they are baseless innuendo. I do not see why the standard should be any different for the editor of Bangladesh’s most widely-circulated Bangla newspaper. In his article, Matiur Rahman states:
**After last year’s election, a powerful portion of the Army wanted Moeen’s tenure as Army Chief extended by another year.
**Presumably the same part of the Army wanted Moeen to become either Defense Minister or the “Joint Chief of Staff.”
**After the Pilkhana massacre, Army officers openly criticized Moeen, inside and outside the Army, for not being able to save the lives of his men.
**The Government would still like to reward Moeen.
**Diplomatic sources say that Moeen may be made the Permanent Representative to the United Nations in New York.
Let us take these points one by one. After Moeen toppled the caretaker government in 2007 and promoted himself to General, he spent a great deal of time and energy putting his men in as many key army positions as he could, and sending army officers who refused to countenance his authority into forced retirement. Thus, it is probably not a surprise that Moeen still has a constituency left in the Army, even though, ideally, the entire Army should be his constituency.
That there were ever any suggestions of Moeen being made Defense Minister or Joint Chief of Staff is quiet sensational news. If Motiur Rahman knew about this previously but did not inform us, his readers, he has done us a great disservice. As far as I know, Bangladesh has never had a Defense Minister, with the Prime Minister not being able to trust anyone else (unwisely, in my opinion) with this portfolio. For a very brief period of time, Khandoqar Mushtaq’s government did set up a Combined Chief of Staff, but that was more to keep Maj. Gen. Ziaur Rahman, as Army Chief, from having any real power, than anything else. Moeen has already permanently distorted our defense establishment by promoting himself to General rank, giving nations around the world one more reason to titter at us behind our back. Appointing the same man to one of the posts described above would have been a momentous step; one we deserved to hear about ahead of time.
The Pilkhana massacre laid bare the full extent of the damage that Moeen had done to the very institution he was supposed to protect and safeguard: the Bangladesh Army. Barely two years after he had stormed into Bongobhaban, the Presidential Palace, and forced President Iajuddin Ahmed to retire as Chief Advisor, a democratic government barely two months old could scarcely trust him to again lead an operation in the heart of Dhaka. And so it was they fifty-plus of our officers were tortured and killed, while the government sat and dithered before, first allowing enough armour units to enter Dhaka, and then letting them approach Pilkhana. Moeen has undone the work of thousands of honest and dedicated officers who obeyed the constitutional dictate that our armed forces stay subservient to the civilian government, through his coup in 2007 and the torture he inflicted on a broad swathe of politicians from all across the political spectrum the next two years. Going forward, it will take years to mend the damage he has wrought.
Therefore, we do not see how Matiur Rahman can now claim that Army officers have criticized and blamed Moeen for the loss of lives in Pilkhana. Why was Matiur Rahman silent when the government instituted an Army-probe into this massacre under the same person who was blamed for letting it happen? How could such a probe have any credibility with members of our armed forces, let alone the general public?
Even after making these incredible allegations, Matiur Rahman then turns around and claims that even after the Pilkhana massacre, the government would like to still reward Moeen. The question begs to be asked, what is the government rewarding Moeen for? Providing the incompetent leadership that allowed so many of his men to be killed? Indirectly causing the mutiny – by green-lighting the BDR into Operation DalBhaat? Or, as Matiur Rahman hints near the end, because of the election held in 29 December, 2008? Do we really want to become a nation that remains in thrall to its Army Chief for allowing elections to go through?
And do we really want our United Nations representative to be a wannabe military strongman? Asif Ali Zardari and Pervez Musharraf made a far more explicit pact after the Pakistani election. But even Musharraf did not have the gumption of trying to claim diplomatic immunity and representing our country in the world stage.
Of course, if Moeen ever leaves Bangladesh, we can rest assured he will never return again. His underling Brig. Fazlul Bari had the right idea when he decided he liked America too much. One can confidently expect Moeen to follow suit; he has already made his liking for the balmy climate of Florida well-known. Perhaps, once they are united there, advance accommodations could be arranged for Gen. Masud as well.
Fighting the rearguard battle to justify his own support for the overthrow of the CTG in 2007, Matiur Rahman claims that the new regime had “massive support” from the people. Yet, in the very next sentence, he is forced to acknowledge that Awami League only supported this move initially, until the true nature of the regime that followed became clear and Sheikh Hasina was herself thrown into jail after she spoke out against military intervention, through DGFI, in politics. BNP, of course, never supported the regime. Then how does Matiur Rahman find broad support for a regime which is not supported by BNP and AL, which together represent about 260 of the 300 seats in both the current as well as the former parliament?
The job of a newspaper editor is different from that of a gossip columnist. It is really different from that of a sycophant. Unfortunately, Mr. Matiur Rahman seems unclear about both these distinctions. The activities of our last regime left behind enough tar to cover most of its proponents and supporters. With this piece, Matiur Rahman just slapped some more tar firmly on his face.
(Courtesy: http://rumiahmed.wordpress.com/2009/06/16/mr-motiur-rahman-please-explai...)
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
ল্যাম্পপোষ্ট : সুশীল দৈনিক আর পুলিশের তাড়া
......পুলিশের 'ভ্যানগার্ড' হিসেবে প্রথম আলোর এই বদলে যাওয়া ভূমিকা কিসের বার্তাবহ, তা জানতে এবং বুঝতে এদেশের মানুষকে খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে হয় না। তবে যারা যত খেলাই খেলুক, বাংলার শিশুরা এখনো মায়ের বুকের দুধ খেয়েই বড় হয়। এদের দেশপ্রেমিক থেকে দেশদ্রোহীতে 'বদলে দেয়া' সহজ নয়! বরং অসম্ভব.......।
বিস্তারিত পড়ুন:
http://www.amardeshbd.com/dailynews/sub_section.php?issueID=1206&sub_sec...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
কেন আপনার কি কষ্ট লাগছে
এতা তো নতুন কিছুই না। প্রথম আলোর মালিক উলফা থেকে বাশঁ খেয়ে আওয়ামী হয়ে গেছে। প্রথম আলো আর এর যাবতিয় বাব্যসা উলফার টাকায় শূরু হেয়েছে। লতিফুর কি মনে করছেন উনি এ টাকা রাখতে পারবেন। টাকা চুরি করতে গিয়ে মেয়ে মরেছে এবার নিজেই মরবে। শয়তানের আলো পত্রিকাটি বাংলাদেশের মানুষকে ব্রাইন ওয়াস করার জন্য।
প্রথম আলো-র fake online opinion poll
হলুদ সাংবাদিকতায় চ্যাম্পিয়ন প্রথম আলো fake online opinion poll -এও পটু। বিশ্বাস না হয় poll-এর button এ ক্লিক করে মোট ভোটদাতার সংখ্যা দেখুন এবং এরপর আবারো ক্লিক করুন....আবারো ক্লিক করুন.....। আপনি যতবার খুশী ভোট দিতে পারবেন এবং প্রতিবার আপনার ভোট একই poll-এ ক্রমানুতিকভাবে কাউন্ট হবে। এখন দেখুন অন্যরা কি বলে:
http://www.groundreport.com/Media_and_Tech/Fake-Online-Opinion-Poll-Bang...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
১ম আলোর কর্মপদ্ধতি ও বাংলাদেশে সম্ভাব্য গনহত্যা কিংবা গৃহযুদ্ধ
ল্যাম্পপোস্টের প্রতিবাদী আলোকিত পোস্টদের কালো কালিতে(চরমপন্থী ট্যাগিং-এ) ঢেকে দেবার প্রথম আলোর হীন প্রয়াসের প্রতি ঘৃণার প্রকাশ ।
১, প্রথম আলো বহুদিন ধরেই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যকে বিকৃত করে এরা খবর প্রকাশ করে চলেছে অনেক দিন হতেই। এদের মুল টার্গেট বিএনপি মনা লোকদের বিরুদ্ধাচরন করা। নিরপেক্ষতার
আবরনের জন্য মাঝে মাঝে আওয়ামী লীগের জয়নাল হাজারীদের পাছায় লাথি দেয়, এটা লোক দেখানো।
২, আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা এই মিথ্যা তথ্য গিলে ফেলে এক একটি ফ্যাসিষ্টে পরিনিত হচ্ছে। আর এটাই প্রথম আলোর সাংগো পাংগোদের কাজ।
৩, এইভাবে এরা একটি হিটলার বাহিণী তৈরী করে ফেলবে, এই বাহিনী মুজিব পরিবার বা হিটলার বন্দনায় লিপ্ত থাকবে, এরা এদেরকে নবী বা খোদা জ্ঞান করতে শেখানো হবে বা হচ্ছে। এখনই অনেক আওয়ামী লীগারই মনে করে হাসিনা বা মুজিব ভুলের উর্ধে। এরপর, মুজিব পরিবারের বিরুদ্ধে কিছু বললে বা সমালোচনা করলে আইন তৈরী করে শুলে চড়ানো হবে।
৪, এরপর, যারাই আওয়ামি লীগ করবে না তাদের রাজাকার,জংগী, চরমপন্থী ইত্যাদি নাম দিয়ে এদের হত্যা নেমে পড়বে আওয়ামী লীগ। এইভাবেই হাসিনা-রেহানা, বাংলাদেশে গনহত্যা চালিয়ে মুজিবের রক্তের প্রতিশোধ নেবেই।
কাজেই জাগুন, আওয়ামী লীগের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হোন।
বাংলাদেশকে বাচান, নিজে বাচুন
নতুবা আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ভারতীয় ঝান্ডা তুলে নগ্ন-নৃত্য শুরু করে দিবে।
Save Bangladesh: No more farakka
ক্ষ্যামা দিন
প্রথম আলো পত্রিকার বিরুদ্বে এভাবে ধারাবাহিক বিরোধিতা প্রকারান্তে পত্রিকাটির কাটতি বাড়াতেই সহায়তা করছে, সম্পাদক মতিউর রহমান জেনে নিশ্চয় খুশী হবেন। জিনিষটা খুব সোজা, পছন্দ না হলে এ পত্রিকার পাতা উল্টাবেন্না। বাকিরা কোন পত্রিকা পড়বে কিংবা পড়বেনা ব্যপারটা তাদের উপরই ছেড়ে দিন। এ নিয়ে নসিহত করার কোন অবকাশ নেই, এটা কোন মানষিক প্রতিবন্দ্বীদের আসর নয়।
Neha are you sure?
Neha,
Do you really want to get into this? If yes, welcome. Then read the footer of bengali newspaper Prothom-Alo and you will know who is Matiur Rahman. Otherwise, keep doing what you enjoy doing today.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
who is motiur rahman? what
who is motiur rahman? what does he do or did?
Alo & Star
This two news paper are run by HINDUSTAN.
Moti, mahfuz are just paid agent of DANDI(hindu).
they current figure of Mirjapor.
Prothom-alo - Motiur Rahman..GHOTI rajakar!
Motiur Rahman is a paid agent of a neighboring country. He has many things to learn on morals and principles form a dog.
MUA left not as a HERO rather as a COWARD!!
Actually, he is entitled to use VIP lounge as a former army chief. He left Dhaka as a fallen coward soldier. Check this out:
http://www.amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=230361&...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
Monafek and Mirjafor Moeen left Dhaka as hero
Moeen, the coward Beiman self promoted General and unmistakable sponsor of BAL has left Bangladesh as a hero through VIP lounge. This scoundrel does not even deserve to pass through a drain. Why he was granted VIP lounge ? This is simply the pay back by Awami-Leage to Moeen for staging the most fair and honest election in the history with a record vote casting of 116%. We will not be surprised if this rat is assigned the UN ambassador job by Sk. Hasina in few month. One day people will know how much damage this rat has caused to our freedom by installing a puppet government of a neighboring country.
ভন্ড ও বহুরূপী মতিয়ুর রহমান(প্রথম আলো)
"হুজুর কেবলাজান, মহান অক্টোবর বিপ্লবের নায়ক লেনিনের নামে.. থুক্কু আল্লাহর নামে তওবা করতাছি আর পরগাছা সুশীল দের আর ভারতের দালালী করমুনা... আমারে মাফ কইরা দেন হুজুর (ঘার কাত করে আকুতি)। যদি বলেন আমি আমার পশ্চাত্টদেশে 100 টি বেত্রাঘাত খাইতে ও রাজি..."
ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন.."হুজুরের পা ধরেন..পা ধরেন.."
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
Prothom-alo - Motiur Rahman..modern rajakar!
Don't trust anymore what Motiur Rahman's leaflet says. Even Skomokal or Bhorer Kagoz is more trustworthy than Prothom-alo. Matiur lost his credibility long time ago. This "moshaheb" Motiur's "oil tank" will be empty soon, hopefully.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
"প্রথম আলো" ল্যামপোষ্ট-কে চরমপন্থী সংগঠন বানিয়ে ফেলেছে.....
"প্রথম আলো" ল্যামপোষ্ট-কে চরমপন্থী সংগঠন বানিয়ে ফেলেছে.....নিজেকে বদলানোর শ্লোগানের দাবিদার এই পরগাছা মিডিয়া গ্রুপ (Star, Alo) বাংলাদেশের যে ক্ষতি করছে তা কোন দলীয় মুখপাত্র মিডিয়াও করতে পারবে না। ধিক্..ধিক্... এই সব পরগাছা hypocrite-দের কে.....
Details:
দেশের পক্ষে কথা বলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে ল্যামপোষ্টের আহত শিক্ষার্থীরা
http://www.amardeshbd.com/dailynews/sub_section.php?NewsType=bistarito&S...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
One more bogus report by "P-Alo"...
One more cluless/baseless bogus report by "Prothom Alo" against the organization named "Mile post" who demonstrated in front of Indian HC, Dhaka:
http://prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTY0MDg1&mid=MQ==
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
Prothoal Alo is largest circulated daily.
Prothom Alo is the largest circulated Bangla Daily.Jugantor was previously may be two years ago.Amader Somoy is second largest now days.I have confusion about second.
Amader Somoy said they will be number one within three months
Not everybody like Prothom Alo view.
If you have a lot of money ,you paper not always be number one.
Daily Jugantor is the most circulated....
Not True, according to "Bangladesh Newspapers hawkers associations", daily jugantor is the most circulated and Amader shomoy is the second most circulated bangla newspapers in BD. One thing I agree with you interms of "LARGEST"Yes, Alo-Star group r "LARGEST" because they have plenty source of funds likes, Foriegn sources: Indo-Eng-USA, India's RAW; Domestic sources: Black money holder Latifur Rahman of Transcom group, Grameen group, Sqaure group and many other unknown sources.
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
সুত্রবিহীন মনগড়া রিপোর্ট:Is all news published with full source?
You are not agree with this news.
Prothom Alo -Largest Bangla Daily Not Songram
Daily Star --Largest English Daily
I am not always agree with their view. But, they have people support their view.