“বিচারপতি তোমার বিচার করব যারা আজ জেগেছে এই জনতা।“
প্রিয় পাঠকগন একটি কথা মনে রাখবেন সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারির শাস্তি দুনিয়া থেকে শুরু হয়,সে যেই জাতি আর ধর্মের বিশ্বাষি হোক না কেন তার শাস্তি শেষ বিচারের দিন পযর্ন্ত চলতে থাকে।মিথ্যাচার করে নিজের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে যারা সমাজ টাকে দোযগ তৈরি করে,তারা ঘরে,বাইরে অপরাধ কারী হিসাবে পরিচিত| গত তিন বছর ধরেই তো বেইমান মিথ্যাবাজ মইন-হাসিনার সরকার চরম দাপতের লগে খমতায়,কই BNPর বিরোধ্বে কিছুই প্রমান করতে পারে নাই শুধু বাকশালি হিটলারি মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছাড়া।আল্লাহ তাদেরকে ইজ্জত দিলে মইন-হাসিনার মত পাপিস্ট,বেইমান চোরদের কথায় কিছু যায় আসে না।
আজ জেনারেল মইনের বিরুদ্ধে অনেক প্রশ্ন। কারণ তিনি কুখ্যাত ওয়ান-ইলেভেনের প্রধান নায়ক। সামরিক শাসন জারি না করে তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেন কিভাবে? প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক না হয়েও তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেন কিভাবে? সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারটি ছিল শুধু ইলেকশন করার জন্য। সেখানে তারা পাঠ্য পুস্তকের সিলেবাস পরিবর্তন এবং বিশেষ রাজনৈতিক দিকদর্শন দেন কিভাবে? ভারতকে কেন্দ্রবিন্দু ধরে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মোড় ঘুরানোর অনুঘটক হন কিভাবে? তার শক্তিতে শক্তিমান সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কিভাবে বলেন যে, ভারতের সাথে এমন সম্পর্ক গড়া হবে যেখান থেকে ফিরে আসা আর সম্ভব হবে না। তার অঙ্গুলী হেলনে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিচালিত হয়ে না থাকে তাহলে তিন মাসের সরকার ২৪ মাস পার করে কিভাবে? সামরিক উর্দি পরে তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের মতোই সভা-সমিতিতে প্রধান অতিথি এবং রাজনৈতিক নেতাসুলভ আচরণ করেছেন কিভাবে?
“বিচারপতি তোমার বিচার করব যারা আজ জেগেছে এই জনতা।“পাঠক জনপ্রিয় এই গান দিয়ে শুরু করিতে চাই।মঈনের বিচার শুরু হইয়াছে জাতির জননি আজ সুখবর!২ বচর সে জাতির পেটে লাতি মেরে সে চোরনী হাসিনাকে খমতায় বসাইয়া আজ যে অপরাধ সে করেছে আজ তার বিচার হতেই হবে এটাই জাতির দাবী।হাসিনা তাকে চুপিসারে বেড় করে দিয়ে বাচাইতে ছেয়েছিল।খমতায় বসানোর প্রতিদান দিয়া। কিন্তু তার বুঝি শেষ রক্ষা হবেনা,সে পালিয়ে থাকতে পারিবেনা,তাকে ফিরে আসতেই হবে,এ ভাবে মামলা সাজিয়েছে মওদুদ|বাদি তার মূল অভিযোগ সম্বলিত আরজি দায়েরের সাথে অপর এক পৃথক আবেদনে ১০০ কোটি টাকা বিবাদী মইন উ আহমেদের কাছ থেকে আদায় করার জন্য মইন উ আহমেদের ৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিত ৬ তলা বাড়িটি যার ঠিকানা ১০৬ নরদান রোড, বারিধারা, ডিওএইচএস, ঢাকা ক্রোক করার জন্য আদালতে আবেদন করেন।এমনটা ভাবেনি হাসিনা- মঈন, উলটা সিধা করার চেষটা করিলে তার ছয় তলার লাক্সারি বাড়ি যাবেই যাবে |
অস্ত্রের জোরে মাত্র সেদিন পর্যন্ত ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন বলেই সাবেক এ সেনা প্রধানের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। স্ত্রী নাজনীন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছেড়েছেন তিনি ৭ জুলাই। যাওয়ার কথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ১৫ জুন অবসর নেয়ার পর এটাই অবশ্য তার প্রথম বিদেশ সফর নয়। এরও আগে ২৮ জুন গভীর রাতে তিনি হঠাৎ অতি গোপনীয়তার সঙ্গে মালয়েশিয়া হয়ে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। তার সে দেশত্যাগের খবরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছিল। অনেককেই তখন বলতে শোনা গেছে, তিনি নাকি ‘কেটে' পড়েছেন! কিন্তু জল্পনা-কল্পনাকে ভুল প্রমাণ করে ৪ জুন দেশে ফিরে এসেছিলেন মইন উ। বন্দুক হাতে না থাকায় তার পক্ষে অবশ্য আগের মতো ঢাকঢোল পিটিয়ে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। এসেছিলেন চুপিসারে, তাকে গোপনীয়তাও বজায় রাখতে হয়েছিল। মনে হচ্ছিল যেন সহজে আর দেশ ছেড়ে যাবেন না তিনি। কিন্তু দু'দিনের মধ্যেই ভেতরে ভেতরে ‘কিছু একটা' ঘটে গেছে। ফলে ৭ জুলাই তাকে আবারো বিমানে উঠতে হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, মিলিটারি পুলিশের কঠোর ‘প্রহরায়' কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মইন উ হঠাৎ বিমান বন্দরে হাজির হয়েছিলেন। তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন নাকি তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল- সে প্রশ্নের উত্তর জানা যায়নি। তবে এটুকু জানা গেছে যে, বিমানে ওঠার আগে পর্যন্ত তিনি যথেষ্ট উদ্বেগের মধ্যে কাটিয়েছেন। তাকে কখনো অস্থিরভাবে পায়চারি করতে, কখনো আবার গালে হাত দিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। অর্থাৎ এবারের যাত্রাটা সম্ভবত তার ‘মনের মতো' হয়নি। খবরে বলা হয়েছে, এবার তিনি নাকি ‘মাত্র' ১১৯ দিন বিদেশে কাটাবেন এবং ‘চিত্তবিনোদন' ও ‘সোশ্যাল ওয়ার্ক' করাই নাকি তার এ সফরের উদ্দেশ্য! ‘দুষ্টুজনেরা' অবশ্য এর মধ্যেও যথারীতি ‘কিন্তু' আবিষ্কার করে বসেছেন।
জে:মইন যদি দেশের জন্য ভালো করতেন তাহলে তাকে আজ পালাতে হতো না। জনগনই তাকে সাপোট দিতেন,তার কমের জন্য তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে,সেটা ইহকালে হোক,না হয় পরোকালে। সে ২বছরে চোরের উপর বাটপারি করেছে,জনগনকে ধোকা দিয়েছে।মহামানব হয়ে জনগণের সামনে হাজির হয়েছিলি, কিন্ত ক্ষমতার লোভ করে শয়তানে পরিণত হলি। নিজেও খাইতে পারলি না, বাচার জন্য আরেক ডাইনিকে ক্ষমতায় বসালি। যার কারণে দেশ আজ ভারতের কাছে বিক্রিপ্রায়। শয়তানের স্থান কোথায় জানিস মিরজাফর? জাহান্নামে।দেশপরেমিক খাটি সেনা কোনো দিন দুর্নিতিবাজ,দালাল,মিরযাফর ওকাপুরুষ হয় না।মইনের মত লোকের দ্বারাই মিরযাফরি,দালালি,বেইমানি,ইতরামি,চুরিচামারি ওদেশ বিনাশ সম্ভবশাসিনার মত তার সন্তান ও পরিবাররা সব বিদেশে সেটেল্ড।দেশর প্রতি তার ভালোবাসা না থাকারই কথা।মইনের ভাগ্য ভালো হাসিনার পেটিকোটের নিচে থাকায় জেলে যেতে হচ্ছে না।কিন্তু তার জমানায় আগে জেলে নিয়ে পরে সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।দেশবাসি জানে হাসিনা-মইনের সুমধুর প্রেম ও আতাত তাদের দুর্নিতি ও দেশ ধংসের কাজের রেহাই হয়ে যাবে,কিন্তু একদিন ঠিকই দেশবাসি তাদের বিচার টুকু।আসল দুর্নিতিবাজ ও চোরদের আর পালানোর পথ নেই।হাসিনা যদিও ওদের বাচানোর চেস্টা করবে কিন্তু একদিন তাদেরকে কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে।চুরি করে কেমনে ছয় তলার লাক্সারি বাড়ি করে মইনের মত লোক, তা মানুষ আজ জানলো।তবে কিছু লোক ঐ চোরদের সাফাই এখনো গাইতেছে।
দূর্নীতির মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মইনের বিরুদ্ধে মামল
দূর্নীতির মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মইনের বিরুদ্ধে মামলা।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে লীগ-বিএনপি দুটোই মইনের চোখে একরকম ছিল, কাউকে কোন ছাড় দেননি। বিএনপি জনগন দ্বারা বন্চিত হওয়ায়, মইনের বিরুদ্ধে ক্ষেপেছে।
ক্লাউন bd08
আপনি কি তাহলে নিজেকে ক্লাউন হিসেবে প্রতিষ্টিত করতে চান না কি?
সারাদিন শুধু অপরের নামে মিথ্যা অভিযোগ করেন কিন্তু কোন প্রমাণ দেখাতে পারেন না।
আমজনতাকে ..নিজেকে বোর্ডে ক্লাউন হিসাবে আর কতকাল থাকবেন
রবিনের বিখ্যাত উক্তি পাবেন নিচের লিংকে
http://priyo.com/blog/bdr-killings/26749.html?page=1
অথবা,
গুগুলে বাংলায় রবিনের বিখ্যাত উক্তি লিখে সার্চ দিলে পাবেন।
কি অস্থির হচ্ছেন, কি সেই বিখ্যাত উক্তি:
by Robin Hood | Fri June 12, 2009 - 12:31pm
In arguing a case, do not use "may be, might have sent, etc". Moreover, bringing allegation against anyone without evidence, you are putting your credibility into question.
বাংলায় মানে করলে দাড়ায়, without evidence-এ কারো বিরুদ্ধে allegation আনলে নিজেকে অন্যের কাছে ক্লাঊন হিসাবে তুলে ধরা হয় ।
হে সন্মানিত আমজনতা, আপনার মত ফেরেস্তারা এত দিন যে সব অভিযোগ এনেছেন সেই সবের কি কিছু প্রমান হাজির করতে পেরেছেন। এখন ক্ষমতায় হাসিনায়, হাইকোর্টে দলীয় বিচারপতি, প্রমান নিয়ে আদালতে হাজির হোন, ভুয়া রেকর্ড বাজিয়ে নিজেকে রবিনের ভাষায় বোর্ডে ক্লাউন হিসাবে আর কতকাল থাকবেন।
মনে রাখবেন ফকুরুদ্দিন ২ বছরে মামলা দিয়ে কোন কিছু প্রমান করতে পারে নি। তবে কি রবিনের ভাষায় ফকুরুদ্দিন একটি ক্লাউন।
Save Bangladesh: No more farakka
চোরের মা'র বড় গলা
হায়রে বাক স্বাধীনতা!!!!!!!!!!!
চোরদের দল আজ চিতকার করে বলছে যে তারা ২০০০০০ কোটে নয় ১৩০০০ কোটি টাকা চুরি করেছে
চিত্তবিনোদন' ও ‘সোশ্যাল ওয়ার্ক'
সুশীলেরা হতাশ ...
মইনকে আদালতের কাঠগড়ায় দাড়াইতে বাংলাদেশে আসতেই হবে।
চিত্তবিনোদন' ও ‘সোশ্যাল ওয়ার্ক' এর জন্য আমেরিকা যাদের স্থান সেই ফকুরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনকে বাংলাদেশে শাস্তি পেতেই হবে। হাসিনার পেন্টি আর মইনের জাংগিয়া ছিলো ১/১১ এর চেতনা, সেই চেতনা এখন আদালতের কাঠগড়ায়...সুশীলেরা হতাশ ...
Save Bangladesh: No more farakka