সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সাক্ষাত্তকার এবং কিছু সত্য কথন.....

আমারা অনেকেই সাকাচৌ-র বক্তব্যকে বিদ্রুপ করে নানা বিশেষণে তাঁকে বিশেষিত করে থাকি। কিন্তু তাঁর বক্তব্যের ভিতর এমন কিছু সত্যতা থাকে যা নাকি যুক্তি দিয়ে কেউই খন্ডন করতে পারবে না। সাকাচৌ-র এমন কিছু সত্য বয়ানের চুম্বক অংশ পাঠকদের মনযোগ আকর্ষনের জন্য High light/Bold করলাম......

************************************************************

বিএনপির অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ও প্রভাবশালী নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের নির্বাচনী তথ্য ফরমে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে সংযোজন করেছে। তাদের উদ্দেশ্যে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বিব্রত করা। তাদের এই অসৎ উদ্দেশ্য যাতে সফল না হয় বরং তারা নিজেরাই যাতে বিব্রত হয় সে কারণেই আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে নাই লিখেছি। ইসি পারলে আমার সদস্যপদ বাতিল করুক।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ধানমন্ডির বাসায় এক অন্তরঙ্গ পরিবেশে ফোকাস বাংলা নিউজকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, ইসি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছে তাদের কাছে এমন কোন আইন নেই যে আইনে আমার সংসদ সদস্যপদ খারিজ করতে পারে। এটা দেখে বুঝে-শুনেই তারা কিছুটা লম্ফ-ঝম্ফ করতে সংসদের স্পীকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল। স্পীকার জানেন যে সদস্য পদ বাতিল করা যায় এমন কোন কাজ আমি করিনি। তাই তিনিও চিঠিটি ইসিতেই ফেরত পাঠিয়েছেন। এখন ইসি পারলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল করুক।

তিনি বলেন, অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও ঘৃণ্য মানসিকতা নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ইসি প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি যোগ করেছে। অথচ আমাদের সংবিধানে ৬৬ অনুচ্ছেদে একজন প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। সেখানে কি বলা হয়েছে কমিশনাররা কি তা দেখেননি? আমি বিগত ৩০ বছর যাবত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছি। এমন কোন আইন নেই, যেখানে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই। ওরা আমাকে কি আইন শিখাবে।

সালাউদ্দিন কাদের বলেন, বর্তমান ইসিই অবৈধ। কারণ বিচারপতি খায়রুল হকের রায়ের পর তাদের এ পদে থাকার বৈধতা নেই। ওদের মইনের সঙ্গেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা। এখনও ওরা কেন পদ দখল করে বসে আছে?

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কার বিরুদ্ধে মামলা করবো। তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা নোটিশ পাঠালে তো তাদেরকে বৈধতার সার্টিফিকেট দেয়া হবে। তারা তো বৈধই নয়।

মইন উ আহমেদসহ অনেকের নিয়োগই তো বিএনপি সরকার দিয়েছিল এবং এই নিয়োগগুলো স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়নি বলে অভিযোগ আছে। যেমন মইনের নিয়োগের সময় বেশ কয়েকজন সিনিয়র অফিসারকে বঞ্চিত করে তাকে সেনা প্রধানের পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেছে বিএনপি যাদের প্রতি ‘অতি ফেভার’ করেছে তারাই বিএনপির বিরুদ্ধে কাজ করেছে। ফোকাস বাংলার প্রতিবেদক এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘‘সব সত্য। শুধু মইন কেন, এরকম আরও অনেক গাদ্দারকে বিএনপি প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। উচ্চ পদে বসিয়েছে। রুটি রুজির ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু তারা কি করেছে? করেছে চরম গাদ্দারী। মোনাফেকি। আসলে এটাই হওয়ার কথা। আল্লাহর কথা বাদ দিলাম, প্রকৃতির প্রতিশোধ বলতে একটা কথা আছে না। অন্যের প্রতি ইনজাস্টিস করলে তার কাফফারা অবশ্যই দিতে হয়।’’

সংবিধান লঙ্ঘন করে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন না করায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াজ উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ফখরুদ্দিন, আইন উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টা ও মইন উ আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথা জানান সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। আগস্ট মাসের শুরু অথবা মাঝামাঝি এ মামলা হতে পারে বলে ইংগিত দেন তিনি।

ফোকাস বাংলার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বিএনপির প্রভাবশালী সিনিয়র এই নেতা বলেন, বিএনপি একটি পূর্ণ গণতান্ত্রিক দল। এখানে নানা মতের নানা আদর্শের লোকজনের সমাবেশ ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে বিএনপির কোন ক্ষতি নেই। কারণ বিএনপি সকল জাতীয়তাবাদী শক্তির একটি সম্মিলিত প্লাটফরম। মহাসমুদ্র। সমুদ্রে যেমন নদীর পানিও মিশে, আবার নালা-নর্দমার ময়লা-নোংরা পানিও মিশে- এতে সমুদ্রের কিছু যায় আসে না। তেমনি বিএনপিতে সত্যিকার জাতীয়তাবাদী, মান্নান ভূইয়াদের মত বামপন্থী, কমিউনিস্ট- সকল ঘরানার আশ্রয় মিলেছে। সবাই ইমাম হিসেবে বিএনপিকেই মানে।

সংস্কারপন্থীদের বিএনপিতে পূনরায় আশ্রয় দেয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করে সাকা চৌধুরী বলেন, ওরা যাবে কোথায়? ওদের ফিরে আসার সুযোগ দেয়ার কথা ম্যাডামের ভেবে দেখা দরকার। দলে ফিরিয়ে কাজ করতে দেয়া উচিত। মান্নান ভুইয়াদের দলে ফিরতে অনেকেই বাঁধা সৃষ্টি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দুর্বল চিত্তের লোকরা মনে করে ওমুক দলে ফিরলে আমার কর্তত্ব ফুরিয়ে যাবে। আমার এতে কোন অসুবিধা নেই। অসুবিধা তাদেরই যারা জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য রাজনীতি করে না। বাপের কিছু নেই তাই দুই নম্বরী করে কামিয়ে আখের গুছাতে এরা রাজনীতিতে এসেছে। ওয়ান ইলেভেনের পর অনেকের সম্পর্কে জানা গেছে, ঢাকা শহরে তার ৫৮ টি ফ্ল্যাট বাড়ি আছে। গাড়ী আছে অনেকের কুড়ি, বাইশটি। কিন্তু একজন মানুষ কয়টি বাড়িতে থাকে? কয়টি গাড়ীতে চড়ে বেড়ায়? কিন্তু দলে ফিরতে দিলেও যেমন মান্নান ভূইয়াকে মহাসচিব করা যাবে না, তেমন তাদের এটা আশা করাও ঠিক হবে না।

বিএনপির বর্তমান মহাসচিবের প্রশংসা করে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, তিনি যোগ্য মহাসচিব। বিগত নির্বাচনে যোগ দেয়ার ব্যাপারে দলের ভিতরে অবস্থান করা কিছু দালাল, যারা দল বা দেশের কথা না ভেবে শুধু নিজের কথা ভাবে, তারা নির্বাচনের পক্ষে ম্যাডাম ও মহাসচিবকে চাপ দিয়েছে। কিন্তু মহাসচিব কোন ক্রমেই ওই পাতানো নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে ছিলেন না। তিনি বারবার বিরোধিতা করেছেন। ম্যাডামও নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু যেতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পরিস্কার জানতাম আমাদের জনগণ যত ভোটই দিক জিততে দেয়া হবে না। এটা ওদের পূর্ব-পরিকল্পনাই ছিল। বিজি প্রেস থেকে ব্যালট পেপার ক্যান্টনমেন্টে আর্মি প্রেসে নেয়া হয়েছে। কার তত্ত্বাবধানে নেয়া হয়েছে তার প্রমাণ আমার কাছে আছে। যমুনার এপারের প্রতিটি আসনে ৪০ হাজার ভোট বিশেষ প্রতীকে আগেই দেয়া হয় ক্যান্টনমেন্ট থেকে। এর সঙ্গে জড়িতদের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, সময় হলে তোমাকেই (প্রতিবেদক) ডেকে নামগুলো প্রকাশ করে দেব। তিনি ইংগিত দিয়ে বলেন, বিষয়গুলোর তত্ত্বাবধানে যে ছিল সে ব্রিগেডিয়ার পদের অধিকারী এবং জাতে বিহারী। বর্তমানে রিটায়ার করিয়ে তাকে পুরস্কার স্বরূপ শেখ হাসিনার উপদেষ্টা করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে ফোকাস বাংলাকে তিনি বলেন, আমারতো ওখানে যাওয়ার বয়স ও যোগ্যতা এখনও হয়নি। বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য হতে হলে তাকে অচল হতে হয়, যাকে দু‘পাশ থেকে দু‘জন ধরে চালাতে হয়। কথা বলতে পারে না। কিন্তু আমাকে তো আল্লাহ এখনও সচল রেখেছেন। আমি কথা বলতে, হাটা-চলা করতে পারি। আমি ডায়াবেটিস ও বাতের রোগী নই।

সংসদে বেগম খালেদা জিয়ার পাশের আসন থেকে আপনাকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই আসনে বসলে যে বসছে তিনি নিজেকে সম্মানিত বোধ করেন। কিন্তু আমি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী পিছনেই বসি আর মাঝখানেই বসি এতে কিছু যায় আসে না। আমি বসলে ওই আসনটিই সম্মানিত বোধ করে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের প্রতি ইংগিত করে সাকা চৌধুরী বলেন, এই লোকটির রাজনৈতিক জীবন সুবিধাবাদের ইতিহাসে ভরা। আওয়ামী লীগের আমলে তিনি পোস্ট মাষ্টার জেনারেল ছিলেন। তারপর শহীদ জিয়ার মন্ত্রীসভায় মন্ত্রী। এরশাদের সময় মন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি কতকিছু। এরশাদের পতনের পর হাওয়া দেখে আবার বিএনপিতে ফিরে আইনমন্ত্রী। এখন আবার সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা হতে সেকি তোড়জোর। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, বগুড়ার উপনির্বাচনে আমাদের দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে চেয়ারপার্সন নির্বাচন করতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি করেননি। তিনি বলেছেন, আমার নিজের এলাকার ভোটাররা আমাকে ভোট দেয়নি। আমার উচিত হবে না বহিরাগত হিসেবে অন্য কোনখানে নির্বাাচন করা। কিন্তু আমার বন্ধু মওদুদ কিন্তু করেছেন। তারতো উচিত ছিল নির্বাচনে ভোটাররা তাকে পরাজিত করার পর স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করা। দল যদি তার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতো তাহলে তাকে আবার সম্মানের সঙ্গে ফিরিয়ে আনতো। এতে দলেও একটি শুদ্ধ গণতান্ত্রিক রীতি প্রতিষ্ঠা পেত।

সরকারের সঙ্গে মওদুদ আহমেদের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী ম্যাডাম জিয়ার দুদকের মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, কিন্তু ব্যারিস্টার মওদুদের মামলা কিন্তু প্রত্যাহার হয়েছে। বর্তমান আইনমন্ত্রীর কথাকে সমর্থন করে চৌধুরী বলেন, তার বক্তব্য ঠিক। ওনি তো পূর্ব থেকেই সুবিধাভোগী। বেনিফিসিয়ারী।

সংসদের স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সাবেক স্পীকার জমির উদ্দিন সরকার ও চীফ হুইপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশকে কিভাবে মূল্যায়ন করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা এটা করতে পারে না। তাছাড়া্ যাদের সামনে আসামী হিসেবে দাড়াতে হবে তারা কারা। তাহলে আমি একজন সংসদ সদস্য হয়ে কেন তাদের সামনে আসামীর কাঠগড়ায় দাড়াবো।

সংসদে বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিরাপত্তা আইন পাশ করা হয়েছে। এই আইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী ভয় পাওয়া শুরু করেছেন, তাতে আইনটির নাম হওয়া উচিত ছিল ‘মালেকুল মউত প্রতিরোধ আইন’। এটা আসলে করা হয়েছে সুবিধা আদায়ের অভিপ্রায়ে।

আপনার পিতা সম্পর্কে শোনা যায় তিনি পাকিস্তানপন্থী যুদ্ধাপরাধী ছিলেন; সে সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী এটা ঐতিহাসিক সত্য। আমি তার জ্যেষ্ঠ সন্তান এটাও ঐতিহাসিক সত্য। এ সত্যতার জন্য আমাকে কোর্টে যেতে হবে না। (যদিও দেশে এখন সবকিছু কোর্টের সত্যতার উপর নির্ভরশীল বলে তিনি মন্তব্য করেন)। তিনি বলেন, আমার পিতা অখন্ড পাকিস্তানে বিশ্বাস করতেন। তিনি পাকিস্তান মুসলীম লীগের সভাপতি ছিলেন। ভারতের সঙ্গে টিকে থাকতে একটি শক্তিশালী ফেডারেল রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান তিনি চেয়েছেন। এটা তার রাজনৈতিক বিশ্বাস ছিল। কিন্তু যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষণ, রাহাজানি, অগ্নিসংযোগ প্রভৃতি কাজগুলো আমার পিতা কি করেছেন? যদি তিনি এই ঘৃণ্য কাজগুলো করে থাকেন তাহলে জেলখানায় মৃত্যুর পর কেন তার জানাজায় হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছিল। কেন তার কবর রক্ষীবাহিনী দিয়ে দীর্ঘ দিন পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাদের আশংকা ছিল, আমরা পিতার লাশের পরীক্ষার করে তাকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারি।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক ভারতকে ঠেকাতে লাহোর প্রস্তাবের আলোকে দ্বি-জাতি তত্ত্বে পাকিস্তান হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশে কি হচ্ছে? ওপার থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতা চালান করে দেয়া হচ্ছে। আওয়ামীলীগ দেশে ধর্ম নিরপেক্ষতা চালুর কথা জোর দিয়ে বলছে। তাহলে সীমান্ত রেখে কি লাভ। ওটা উঠিয়ে দিক। আমরা সরাসরি দাদাদের নমস্কার করে আসতে পারবো। ওদের লোকসভায় নির্বাচন করতে পারবো। দিল্লি লোকসভায় অংশ নিতে পারবো। এটাইতো মজার বিষয়। তিনি বলেন, আমি দেশের জনগণের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলাম আজ তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা স্বাধীন-সার্বভৌম জাতি হিসেবে থাকবে, না তথাকথিত সুশীলদের আমদানীকৃত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হিসেবে টিকে থাকবে।

আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা পুনরায় সভানেত্রী মনোনীত হয়েছেন এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এটা ছাড়াতো ওদের কোন উপায় নেই। কারণ শেখ হাসিনাই আওয়ামীলীগের এক্সটেনশন। শেখ হাসিনা যখন ভারতের অতিথি ছিল তখন আওয়ামীলীগের দশা কি ছিল। একদিকে আব্দুর রাজ্জাকের বাকশাল, মালেক উকিলের আ‘লীগ, মিজান চৌধুরীর আ‘লীগ, জোহরা তাজের আওয়ামীলীগ- আরও কত ভাগে বিভক্ত। তাই শেখ হাসিনা সভানেত্রী না থাকলে আওয়ামী লীগ টিকবে না, এটা ওরা ভালো করেই জানে। সে কারণেই বারবার তার কাছে ফিরে যাওয়া।

আওয়ামীলীগকে জামায়াতের চেয়েও সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, ‘৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর শত্রু সম্পত্তি আইন করা হয়। এটাই স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগ করে অর্পিত সম্পত্তি আইন। তাদের নেতা ফনী ভূষন মজুমদার, শুধাংশু শেখর হালদার, মনোরঞ্জন ধর প্রমুখের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করা হয়। কিন্তু আওয়ামীলীগ কি সেই আইন আজ পর্যন্ত বাতিল করেছে? করেনি। কারণ হিন্দুদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির শতকরা ৯৯ শতাংশই ওরা দখল করে খাচ্ছে। এ কারণে তারা তাদের কাজ দিয়েই প্রমাণ করেছে, এরা সাম্প্রদায়িক একটি দল।
ওয়ান ইলেভেনের স্রষ্টা কাকা-দাদাবাবুদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এমন মন্তব্য করে বলেন, আব্দুল জলিলের ব্যর্থতা তিনি কাকাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারেননি। এজন্য তাকে ঝরে পড়তে হলো।
ঢাকা, ২৬ জুলাই, তারেক সালমান, ফোকাস বাংলা নিউজ

raihankhan's picture

মওদুদকে সাকার প্রশ্ন

মওদুদকে সাকার প্রশ্ন
চট্টগ্রাম ব্যুরো
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রশ্ন তুলেছেন, পাঁচ বছর আইনমন্ত্রী থাকাকালে যিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতে পারেননি সেই মওদুদ আহমদ কীভাবে মামলার রায় নিয়ে সন্তুষ্টির কথা বলেন। এই রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে_ এমন কথা মওদুদ কীভাবে বলেন তা বোধগম্য নয়। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর এদেশে অন্তত ৩২ হাজার মানুষ হত্যা হয়েছে। পিতা হত্যার বিচার করতে সন্তানকে যদি প্রধানমন্ত্রী হতে হয়, তাহলে ৩২ হাজার মানুষের হত্যার বিচার করতে তাদের সন্তানদের প্রধানমন্ত্রী হতে হবে। গতকাল শুক্রবার ফটিকছড়ি বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সাকা চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল শফিউলল্গাহ। এই মামলায় উচিত ছিল তাকে প্রধান আসামি করা; কিন্তু তাকে আসামি না করে ছোট সেনা অফিসারদের বিচার করা হচ্ছে। সেক্টর কমান্ডার ফোরাম নেতা জেনারেল শফিউল্লাহ সেনাপ্রধান হয়ে যেখানে তার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করতে পারেননি, তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা কীভাবে বলেন।
সাকা চৌধুরী বলেন, জানিনা সরকার ১৯ নভেম্বর নিয়ে এত আতঙ্কিত কেন। কেন একটি হত্যা মামলার রায়ের দিনে এত র‌্যাব পুলিশ দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করতে হবে। আমাদের জানা দরকার, সরকারের এত ভয় কাকে? ফটিকছড়ি বিএনপির আহ্বায়ক নূরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি নেতা গোলাম আকবর খোন্দকার, লায়ন আসলাম চৌধুরী, এমডি এম কামালউদ্দিন প্রমুখ।
(Source: http://www.orangebdgroup.com/samakal/details.php?news=13&action=main&men...)

farmer's picture

War criminal's question to the convicted

Wr criminal SQ asking convicted Moudud a question, and that is a piece of information, and some people need it too. Everything is possible.

raihankhan's picture

'আমি বিএনপির এন্টিবায়োটিক... সাকা চৌধুরী '

Oh man! I soooo wanna see more people likes u......

সাকা চৌধুরী সমকালকে বললেন
আমি বিএনপির এন্টিবায়োটিক

তৌফিকুল ইসলাম বাবর, চট্টগ্রাম ব্যুরো
আওয়ামী লীগকে মোকাবেলায় বিএনপির 'এন্টিবায়োটিক' কেবল আমি, বেগম জিয়া তা ভালোই জানেন। তাই আমার বিরুদ্ধে তিনি ব্যবস্থা নেবেন এটা আমি মনে করি না। যারা আমার বিরুদ্ধে তার কাছে বলতে যান তাদের মুখে জুতাই পড়ে। তাছাড়া দলে যারা দুর্নীতিবাজ, সংস্কারপন্থি এবং দুঃসময়ে পালিয়েছিলেন বলা যায় তাদের দেখলে খালেদা জিয়া বিব্রত হন। অনেক সময় ক্যামেরা দেখলে তারা খালেদা জিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে যান। তবে
চক্ষুলজ্জার কারণে তিনি তাদের সরিয়ে দিতে পারেন না। আলোচিত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী সমকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন। শুক্রবার রাতে নগরীর গুডস হিলের নিজ বাসভবনে তিনি এ সাক্ষাৎকার দেন। তিনি সরকারেরও কঠোর সমালোচনা করে বলেন, 'শিগগির আন্দোলনের আজান পড়বে।'
বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে ঝড় তোলেন সাকা চৌধুরী। তাই সাক্ষাৎকারের শুরুতে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় কী উদ্দেশ্যে তিনি এমন বিতর্কিত বক্তব্য দেন। জবাবে সাকা বলেন, 'গোটা রাজনীতি মোসাহেবরা গ্রাস করে নিয়েছে। তৈল মর্দনজাতীয় কথাবার্তায় অভ্যস্ততার মাঝে আমার বাস্তবমুখী মন্তব্যগুলোকে অনেকের কাছে কটূক্তি বলে মনে হয়। আমি দুর্নীতিবাজ নই, তাই আমি সত্য কথা বলতে ভয় পাই না।'
এক প্রশ্নের জবাবে সাকা বলেন, 'বিএনপির গুলশান কার্যালয় সারাক্ষণ দুর্নীতিবাজরা ঘিরে রাখে। মাঝেমধ্যে এসব দুর্নীতিবাজ আমার বিরুদ্ধেও নেত্রীকে বলতে যান। কিন্তু আমি সেখানে গেলেই তাদের মনে আতঙ্ক ঢুকে যায়। খুঁজতে থাকে পালানোর পথ। যারা আমার সঙ্গে প্রতিযোগিতা দিতে চাইছে তারা অরুচিসম্পন্ন মানুষ। শারীরিক গঠনে যেমন তারা আমার চেয়ে খাটো, তেমনি রাজনৈতিকভাবেও।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সাকা বলেন, 'যারা দলে অসহায়-এতিম তারা তারেক রহমানের নামে তসবিহ জপে। তাকে তারা অন্ধের যষ্ঠি মনে করে। আমি তো সে রকম নেতা নই।'
সাকা চৌধুরী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, এ মুহূর্তে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বিএনপির পরিবর্তে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলই যথেষ্ট। তিনি বলেন, 'যেহেতু ষড়যন্ত্রের ফসল হিসেবে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাই সবসময় ষড়যন্ত্রের মধ্যেই সরকার থাকতে বাধ্য।' তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, দেশে কখনও ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েনি। কিন্তু গত নির্বাচনে ভোট বাক্সে ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। আর এগুলো ফেলেছে সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ও ডিজিএফআই কর্মকর্তারা। বর্তমান সরকার ব্রিগেডিয়ার বারী ও ব্রিগেডিয়ার আমিনের মতো খলনায়কদের জামাই আদর দিচ্ছে। সরকারকে ৯ মাস সময় দেওয়া হয়েছে, আর নয়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুতের নাজুক অবস্থা এবং বিরোধী দলকে যেভাবে নিপীড়ন করছে তাতে করে সময় এসেছে আন্দোলনে যাওয়ার। শিগগির আন্দোলনের আজান পড়বে।
বিশেষ থেরাপি : সাকা চৌধুরী গত শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে পেঁৗছার পর দলীয় অনুগত সাধারণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তবে অনুগত সিনিয়র বিএনপি নেতাদের সঙ্গে গভীর রাতে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন তিনি। এছাড়া শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় চট্টগ্রামে গত বৃহস্পতিবার সাকা চৌধুরীর বহিষ্কার চেয়ে যারা দলীয় কার্যালয়ে মিছিল ও সভা করেছে, তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের 'বিশেষ থেরাপি' দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। নোমানপন্থি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মধ্যসারীর পাঁচ জনকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সাকা চৌধুরীর এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এমএ হাশেম রাজু, সাবেক ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক চেয়ারম্যান, মুজিবুর রহমান, নাজিমুর রহমান, শওকত আজম খাজা, জেলা ছাত্রদল নেতা মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ আজগর, শাখাওয়াত হোসেন সাগর প্রমুখ।
এ ব্যাপারে এমএ হাশেম রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৈঠকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'দলের দুঃসময়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া বিএনপি নেতা নোমান তার পেটোয়া বাহিনী দিয়ে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছেন। তাই তার হয়ে যারা মিছিল-সমাবেশ করেছে তাদের বিশেষ থেরাপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।' অপরদিকে, সাকা চৌধুরীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় চট্টগ্রাম বিএনপিতে তার অনুগত সিনিয়র নেতাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা প্রফেসর মোঃ কামাল উদ্দিন, লায়ন এম আসলাম চৌধুরী, এরশাদ উল্লাহ, এসএম ফজু, মির্জা আকবর প্রমুখ। সভায় নোমানকে ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে তাকে প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

raihankhan's picture

সাবাস! সাকাচৌধুরী সত্য কথা বলার জন্য.....

সাবাস! সাকাচৌধুরী সত্য কথা বলার জন্য.....BNP থেকে বেঈমান, মোনাফেক, মীরজাফরদের বিদায় করলে BNP অবশ্যই আরো শক্তিশালী হবে...

http://jugantor.info/enews/issue/2009/09/24/news0847.php

villager's picture

raihanKhan: SQ Chow & the Truth

First of all, if you try to remove dishonests, thieves, betrayers, liars & faithless from BNP, there will be no BNP.
Secondly, if you appreciate SQ for his truth, then we have to ask you about your understanding of the "Truth" itself.
Have you changed your position on Moon landing? If you do not believe that the USA landed on the Moon, and thank SQ for telling the "Truth", what should be our understanding of your understanding of the truth?
raihanKhan, fix yourself. AL & BNP have lots of low brain, big mouth supporters like you, and thats hurting us.

Nirvik2008's picture

raihanKhan: SQ Chow & the Truth >> Villager

Based on your theory (First of all, if you try to remove dishonests, thieves, betrayers, liars & faithless from BNP, there will be no BNP) I would like to request you urnestly to rejoin BNP. If you do so BNP will be the strongest party again. After you left BNP it has became weaker.

Villager, don't forget there are few awami-baksali and some of then are also commom goons of 1/11 syndicate who wants to see oppostion politics diminished. If that happens you will be able to push Bangladesh back to 72-75 era of looting, hyjacking, bank robbery, blanket thiefs, releif goods thief, RAW agents, wholesale smugllers, muderers.......list goes on.....of your beloved Sheikhdom. However, I would like to assure that this dream of yours will never come true.

raihankhan's picture

বিএনপির সংস্কারপন্থীদের পরিণতি আরও কঠিন হবে.....

আনোয়ার চৌধুরীর এ দেশে আসার পেছনে বিশেষ উদ্দেশ্য আছে : সাকা চৌধুরী
Saturday, 01 August 2009 19:47 .বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা সাবেক বৃটিশ রাষ্ট্রদূত আনোয়ার চৌধুরীর এদেশ সফরের আসার পিছনে বিশেষ উদ্দেশ্য আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যখন সারাদেশে গত দুই বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের সকল অত্যাচার, নির্যাতনের হিসাব নেয়ার জন্য জাতি সোচ্চার ঠিক তখন বিগত ১/১১‘র প্রধান নায়ক আনোয়ার চৌধুরীর এদেশ সফরে বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে।শনিবার দুপুরে ধানমন্ডির নিজ বাসায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যদিও এই লোকটি জন্মগতভাবে সিলেটি কিন্তু বিদেশী নাগরিক ও কূটনৈতিক। সেই লোকটি রবার্ট ক্লাইভ সেজে এদেশে এসেছিল। আনোয়ার চৌধুরীকে মইন উ আহমেদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এ ব্যক্তি এদেশের মানুষের গণতন্ত্র হরণে কাজ করেছে। সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপদগামী অফিসার দ্বারা জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুন্ঠন ও বিদেশ পাচারে রাস্তা করে দিয়েছে। ওর কারণে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বৃটেনের জনগণের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। দু‘দেশের বিরাজমান সু-সম্পর্ক নষ্টের জন্য কাজ করেছে। এই ঘৃণিত বিতর্কিত ব্যক্তিকে সরকার এদেশে আসার জন্য কেন অনুমতি দিয়েছে, তা জানিনা। ওকে দেখলে এদেশের গণতান্ত্রিক মানুষের মনে ঘৃণার সৃষ্টি হয়। ১/১১‘র হোতা সাবেক সেনা প্রধান মইন উ আহমেদ কয়েকদিন আগে বিমান বন্দরের পিছনের দরজা দিয়ে দেশ থেকে চলে গেছে। এ সময় তার আগমন বিশেষ উদ্দেশ্য বহন করে বলে মনে করি। ওর আগমনে দেশে গণতন্ত্র ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। ’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আনোয়ার চৌধুরীর আগমনে দেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে প্রভাব তৈরি করতে পারে। আইন শৃঙ্খলা অবনতির হুমকির আশংকাও আছে। তিনি আরও বলেন, সুশীল নামধারী দালালদের দালালীর খেসারত হিসেবে আমরা রাজনীতিক ব্যক্তিরা জেল খেটেছি। আমাদের ছেলে-মেয়ে ও পরিবারের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে। আর সুশীল দালালরা টেলিভিশনে টক শোতে আমাদের গণতন্ত্র শিখিয়েছে। কিন্তু জনগণের ভোটে যেহেতু নির্বাচিত হয়ে এসেছি তখন এই দালালদের ছেড়ে দেয়া হবে না। তাদের দালালীর বিচার হতে হবে।’

সাকা চৌধুরী বলেন, ‘ড. কামালের সঙ্গে বৈঠক করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শামসুল হুদা ঘোষণা করেছেন, ওনার কাছে নাকি সংবিধান দেয়া অসীম গোপন ক্ষমতা আছে। যে ক্ষমতা বলে ওনি যখন তখন যার-তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল করতে পারেন। আমি স্বীকার করছি ওনি অনেক ক্ষমতাবান আর আমি একজন ক্ষুদ্র সংসদ সদস্য। আমি জানি তার অনেক ক্ষমতা। হাইকোর্টে দুই দুইটি রায়ে পরিস্কার বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচিত করতে না পারায় ইসি সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। তাই ওনার ক্ষমতা সংবিধান লঙ্ঘনের ক্ষমতা। ওনার ক্ষমতা পরাজিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করা ক্ষমতা। মৃতদেহের পোস্ট মর্টেম করার ক্ষমতা। কিন্তু সংবিধানে পরিস্কার বলা আছে যে কোন দ্বৈত নাগরিক মন্ত্রীতো দূরের কথা সংসদ সদস্য পর্যন্ত হতে পারবেন না। সে ব্যাপারে তিনি কোন ক্ষমতা দেখাবেন না। বর্তমান সংসদে ১৪ জন সদস্য আছেন যারা বিদেশেরও নাগরিক। কিন্তু হুদা কেন ব্যবস্থা না নিয়ে আইন লঙ্ঘনের ক্ষমতা দেখাচ্ছে। সংবিধানের ১২১/২ ও পেনাল কোডের ১২৪/ক আমি হুদাকে দেখতে উপদেশ দিচ্ছি। আমি সাধারণ লোক এ ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাব। ’

তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন তত্ত্বাবধায়ক মির্জা আজিজুল ইসলাম সম্প্রতি বলেছেন তারা নাকি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছেন। সংবিধানে ৮৩/ক তার পড়ে দেখা উচিত। তার কি, আমার উপর খাজনা ট্যাক্স ধার্য করার অধিকার ছিল অবৈধভাবে আটক করে রাজনীতিকদের অত্যাচার করার অধিকার ছিল। যাকে-তাকে ধরে মিথ্যা মামলা দায়েরের অধিকার ছিল। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা ধ্বংস করে কোটি কোটি টাকা আদায় করার অধিকার ছিল। সংবিধানের কথা যখন তিনি বলেছেন, তখন সংবিধান লঙ্ঘনের অপরাধে আমি যে মামলা করছি তাতে তার নামও দেব। ’

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘গণতন্ত্রের খুৎবা যারা দিয়েছে ওরা এখন কোথায়? বিমান বন্দরের পিছনের দরজা দিয়ে কেন ওদের বিদেশে পালিয়ে যেতে হয়।’ তাদের রাস্তায় দেখেশুনে চলাফেরা করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ তাদের ওপর ক্ষেপে আছে। এদের বিচার হতেই হবে। ’

রাজনীতিকদের প্রতি ৫ বছর পর পর জনগণই বিচার করে থাকে উল্লেখ করে সাকা চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজয়েই আমাদের বিচার হয়ে থাকে। তাই বলে চৌকিদারের কাছ থেকে খুৎবা শুনতে হবে। সুশীল সমাজের দালালীর ফল হিসেবে রাজনীতিকরা জেলে যাবে অত্যাচারিত হবে কেন? ’

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের ব্যাপারে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন বলে তাকে মোবারকবাদ জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের মত বিএনপির সংস্কারপন্থীদের একই পরিনতি হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে সাকা চৌধুরী বলেন, ‘ইনশাল্লাহ। মনে রাখতে হবে, রাজনীতিতে শেখ হাসিনার চেয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া অনেক বেশী সাহসী। এটা প্রমাণিত সত্য। বিএনপির ডিসেম্বরের কাউন্সিলে দালালদের পরিণতি একই রকম হবে। কারণ এদের কারণে বেগম জিয়ার পুত্রের মেরুদন্ডের হার ভেঙ্গেছে। পুরো পরিবারের ওপর নানা অত্যাচার এসেছে। শেখ হাসিনাকেও এত অত্যাচার সহ্য করতে হয়নি। তাছাড়া বেগম জিয়া কত সাহসী তা আমরা জানি। দেশের জনগণ জানে। সাহসের কারণে জনগণ তাকে আপোসহীন হিসেবে উপাধি দিয়েছে। সময় হলেই দালালদের কোরবানী করে দেবেন তিনি। ’
ঢাকা, ১ আগস্ট, ফোকাস বাংলা নিউজ
টিএস/ফোকাস বাংলা/নাসির/১৯৪৫

শঙ্খচিল's picture

সাকা-মৌদুধ, একই বিষবৃক্ষের দুটি পাকা ফল

তিনি (সাকা)বলেন, "আমরা পরিস্কার জানতাম আমাদের জনগণ যত ভোটই দিক জিততে দেয়া হবে না। এটা ওদের পূর্ব-পরিকল্পনাই ছিল।“ কিছুক্ষন পরে সেই তিনি (সাকা)বলেন, “বগুড়ার উপনির্বাচনে আমাদের দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে চেয়ারপার্সন নির্বাচন করতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি করেননি। তিনি বলেছেন, আমার নিজের এলাকার ভোটাররা আমাকে ভোট দেয়নি।“ তাহলে কোনটা ঠিক? জনগনের ভোটে উনি হারলেন না মইনের কারসাজিতে?

নির্বাচনে হারার পর মঈণ প্রসঙ্গে তিনি (সাকা) বলেন ‘‘সব সত্য। শুধু মইন কেন, এরকম আরও অনেক গাদ্দারকে বিএনপি প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। উচ্চ পদে বসিয়েছে। রুটি রুজির ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু তারা কি করেছে? করেছে চরম গাদ্দারী। মোনাফেকি।“ সাকার কথায় আশ্চর্য্য হবার কারন নাই। ২০০১ সালে নির্বাচনে হেরে আম্লীগ যখন সাহাবুদ্দিন-লতিফুরআর সাঈদ গংকে ধোলাই করছিলেন একই কায়দার “গাদ্দারির” জন্য। বিএনপির ভাইয়ারা তখন, সাহাবুদ্দিন-লতিফুরের প্রশংসায় পঞ্ছমুখ ছিলেন।হেসে বলেন, নর্বাছনে হেরে নিজেদের লোকেদের বিরুদ্ধেই আম্লিগের অহেতুক আক্ষেপ। উনারা জনগনের ভোটে জিতেছেন। যদিও, পরে লতিফুর তার লেখা বই খালেদার হাতে তুলে দিয়ে গদগদ ছবি ছেপেছেন পত্রিকায়। এই দুই দলের সরকারি এবং সাংবিধানিক পদগুলো নিয়ে এদের এমন ভাব যে, পদ গুলি তাদের বাপদাদার দলের পেয়াদিগারি করার জন্য। তাই,নির্বাচনে মসনদ উলটে গেলেই দায়ত্বপ্রাপ্তরা হয়ে যান “মুনাফিক”। দুই দলের এই মোনভাবের কারনেই একজন ব্যক্তি মর্যাদার অধিকারি দলীয় বদরুদ্দোজাকে সরিয়ে নপুংশক দলীয় স্তাবক ইয়াজুদ্দিনকে প্রেসিডেন্ট করতে হয় হাওয়া হয়ে যাওয়া এক ভবনের কারনে। (হায় কপাল, প্রেসিডেন্ট মনোনয়নে ইয়াজুদ্দিনের নপংশক পারসোনালিটিই ছিল বিএনপির কাছে চুম্বক আকর্ষন। আর উনি যখন, এক ধমকে মালিক পরিবর্তন করে ফেলে তখন, উনারা অবাক হইয়ে যান। শিমুল কাঠের বিছানা বানাবেন, আর তা ভেঙ্গে পড়ে স্বপ্ন ভংগ হলে কার দোষ?) আরেক দল আম্লীগ উদার হবার লোভ সমালাতএ না পেড়ে ব্যক্তিত্ববান সাহাবুদ্দিনকে প্রেসিডেন্ট বানান (উল্লেখ্য, বিএনপির মত তারা অবশ্য তাকে অপসারন করেন নাই)। তবে, যখন তার ব্যকিত্ব আর একরোখা আচরন তাদের নিজেদের স্বার্থর বাইরে যায়, তখন তারাও তাদের “আহাম্মকি”তে হাত কামড়ায় আর গালাগালি করে। তাই, এবার ক্ষমতায় গিয়ে একান্তভাজন জিল্লুরকে প্রেসিডেন্ট বানিয়েছে। তাও ভাল উনি ব্যক্তিজীবনে একজন সভ্য-ভব্য লোক। এরপর, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অন্ধকার দেলোয়ারকে প্রেসিডেন্ট বানাবে এটা নিশ্চিত।(যদি ততদিন তার লিভার ভাল থাকে)।

মওদুদের বহুরুপিতার সমালোচনা করেন মুস্লিম লিগ আবার ডেমোক্রেটিক জাতিয় একটা দল, এরশাদের দলীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রি, আবার বিএনপি, কুকুর লেজ নাড়ানর কারনে বহিস্কার আবার নির্বাচনের আগে ক্যাডারদের ভয়ে দলে ফিরত নেয়া, বিখ্যাত কুখ্যাত সাকা চোউধুরি।

mailsmsi's picture

90 Day Election :How many days in Election in General Zia Rule

90 Day Election :How many days in Election in General Zia Miletery Rule

If EC is not Ok due to appointed byCaretake ,so similar position by all GOVT employee ,Justice in the time of Zia-Earshad militery rule.

bd08's picture

gandalf কে

muktadhara.net has no right to write the history by their own.
In addition, the fact can not be changed.

মিথ্যাচারের অপপ্রচার হয় বেশী, আর যেখানে আওয়ামী লীগ আছে সেখানে শুধুই মিথ্যা পাওয়া যাবে।

কাজেই, আওয়ামী মিথ্যাচার বাংলাদেশের ইতিহাস বদলে যাবে না। কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী তার নির্ধারনের দায়িত্ব ছিলো বাংলাদেশের প্রথম সরকারের, এবং সেই সরকার যা করেছে তাও ইতিহাস, আর আর সেই ইতিহাস বলে সরকার প্রধান চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে পাকিস্তানে চলে যেতে দিয়েছিলো। গদাম লাথি।

জলিলের আজ করুন পরিনিতির জন্যও তার মিথ্যাচারও দায়ী। কেন সেদিন সে ডেড লাইন দিয়েছিলো তা জাতির কাছে আজো বলেন নি। এই মিথ্যাচারের জন্য আওয়ামী নেতাদের যবনিকা ঘটে করুন পরিনিতির মাধ্যমে ...যেন প্রকৃতি তার প্রতিশোধ নিয়ে নেয় ...

  • Save Bangladesh: No more farakka

JackobRaihan's picture

To bd08 From Jackob Raihan

bd08 vai,
Apni kar shathe, ki niye torko korchen?
Aai shob "hijra-gandu' der kolkata-y jonmo hoyeche. Tai uddeshho pronodito protikrishil hino paitara kore era 'muktodhara.net' namok website khule nijerai onnoder bikrito etihash shikkha deyar chesta korche, aar onnoder etihash bikritir jonno kromagoto dhosharup kore cholche!

Banglar 'Surjo Shontan' der er pobitro hate Pagla Mujib (Fidel Castro er mote) tar puro 'choddo gushthi shoho potol tulechilo' bole era Mushtak, Malek Ukil, Major Jolil shoho onnano bir muktijodhha der aaj 'Mir Jafor' bolche!

Shamne eder kono poth nai. Otit aashroyi era. Jai desh ta te jonmo niyeche era, shei deshtar puja na kore -- goto 24/25 bochor jabot ek 'papishtho mrito aattar' puja kore aashche era!

Era vule giyeche je 'Bektir Chaite Desh Boro'. Aar tai nij desher jonojoner 'Point of Interests' k pradhanno na diye era onno desher ' Evil Interests Serve' korar uddeshhe tader "masi-dadader" -- 'Asian Highway' er nam-a 'koridoor' deyar chinta-dhanda korche!

JACKOB RAIHAN

MajorDalim's picture

To JR (MD)

জ্যাকব রায়হান ভাই,
আমি আপনার দেয়া মেইল এড্রেসে মেইল করেছি, চেক করে দেখবেন প্লীজ।

JackobRaihan's picture

To MD from JR

MajorDalim Vai:
Sure I will check my e-mail after signing off from e-mela.
Goto tin/char din holo, dhurto sheyal Hridoy Shaheb k (personal attack noy) e-mela te dekhchi na!

Ami nijeo onek din pore ekhane elam. Fire ashte na ashte-i Hridoy Shaheb forum a motamot dilen -- ami naki tar voye paliye chilam!
Hahahahahaha (Otto Hashi)

JACKOB RAIHAN

hridoy's picture

JR সাহেব, সব ফালতু প্যাচালের জবাব দিতে নাই...............

JR সাহেব, ফালতু লোকদের ফালতু প্যাঁচালের সাথে জড়াতে চাই না। এদের কিছুকে লাফাতে দিচ্ছি। আপনি এতে যোগদান করুন। এদের সাথে আপনার Perfect match হবে। অনেকদিন যাবৎ আপনার আতলামীটা নজরে আসছিল না। এটা উপভোগ করতে চাই।
আর অট্ট হাসি? নিচের ছিদ্র পথে কিছু একটা আটকে নিবেন। নয়ত ঐ পাশ দিয়ে কিছু অংশ বেরিয়ে যেতে পারে। তা'হলে অট্ট হাসির মজাটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
ভাল থাকুন.......................

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

MajorDalim's picture

To JR (MD)2

হৃদয়ের কথা বাদ দিন, সে বেচারা মাথা ধোলাই করা একজন অথর্ব মস্তিস্কের মানুষ। আমি তার প্রতি করুনা বোধ করি। সে যা লিখে তার বেশিরভাগই সে বোঝে কিনা সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।আমি নিজেও ই-মেলাতে বেশিক্ষন সময় দিতে পারিনা।

hridoy's picture

মহাত্মা গান্ধী হত্যাকারী নাথুরাম গডছে পালিয়ে যায় নাই...........

"হৃদয়ের কথা বাদ দিন, সে বেচারা মাথা ধোলাই করা একজন অথর্ব মস্তিস্কের মানুষ।"===কিরে পালিয়ে বেড়ানো ক্রিমিনাল, কি বলিস? জংলী কুকুর সব সময় জংগলেই থাকে। লোকালয়ে আসার সাহস তাদের কখনোই হয় না। তোদের কখনোই সাহস হবে না বাংলার মাটিতে আসার। ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী হত্যাকারী নাথুরাম গডছে পালিয়ে যায় নাই। সে স্বেচ্ছায় দেশের বিচারের সম্মুখীন হয়েছে। পালিয়ে বেড়ানোর মত কা-পুরুষতা তার মাঝে আসে নাই।আর বঙ্গবন্ধূ হত্যাকারী জংলী কুকুরের দল পালিয়ে থেকে বাহাদুরী দেখায়.......
"আমি তার প্রতি করুনা বোধ করি।"====তোর মত জংলী কুকুর আবার মানুষকে কি করূনা করবে?
"সে যা লিখে তার বেশিরভাগই সে বোঝে কিনা সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।"== আমি তো মানুষ। আর তুই একটা জংলী কুকুর। জংলী কুকুরের বুঝ ব্যবস্হা মানূষ কেন তার মস্তিষ্কে ধারন করবে?

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

matin's picture

ইমেলার decent approach, তুই একটা জংলী কুকুর। এবং পকেট ব্লগ

এখানে hridoy নিজেকে মানুষ হিসাবে তুলে ধরে আরেকজনকে কুকুর বলে সম্বোধন করেও পার পেয়ে যাচ্ছে ইমেলার সম্পাদকের কাছ থেকে, এটা কি ইমেলার decent approach, ?

এর আগেও বলা হয়েছে ইমেলার decent approach এর নামে এক শ্রেনীর সিন্ডিকেটেড গ্রুপ নানা আজে বাজে কথা বলে গালাগালি দিয়ে যাচ্ছে, ইমেলার decent approach এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

JackobRaihan's picture

To MD (2) JR

Dear MajorDalim:
I must thank you for sending me the e-mail indicating about how to write in Bangla. Friend raihankhan also did send an e-mail suggesting the same.

I am getting excited knowing the fact that eventually I am to be able to write in Bangla like you and others. Oh, I also replied to you too. Please check your e-mail.
PLEASE DO WRITE AND VISIT E-MELA WHEN HAVE TIME.

Regards,
JACKOB RAIHAN

gandalf's picture

How can some one defend this criminal?

If you have any doubt about the history and activities of this criminal, please spend some time here: http://muktadhara.net/page10.html

In a nutshell, this guy is a complete filth!

Ironically, one thing I agree with him though - his comments about Moudud Ahmed.

hasan's picture

farmer এর কান্না এবং হাসিনার বহুরুপ

হ্যালো সাহেব,
বাংলাদেশে এখন হাসিনার ডিজিটাল যুগ চলছে, কাজেই আপনার মুল্যবান মিথ্যা/সত্য তথ্য নিয়ে ডিজিটাল আদালতে বিচার চাইতে পারেন। শুধু বোর্ডের পরিবেশ নষ্ট করছেন কেন?
রেন্টুর আমার ফাসি চাই বইটি খুজতাছি, নতুন প্রজন্ম পোলা পাইনদের জন্য এখন এটা হট কেক ...কাজেই জানা থাকলে আওয়াজ দেন ।

farmer's picture

SQ Chow, a killer, rajaker, black marketeer, terror

SQ started his life by killing Notun Chandra Singh with hsi own pistol in 1971. He is a rajaker.
He is one of the 3 gold black marketeers of Ctg (other 2s are Sona rafiq, Babu), he used shipping business just to bring gold and prohibited items.
His father started a huge terror group, SQ converted it into an army of terror in Ctg.
He is not a politician at all, he uses his father's scare tactics, buy people, uses fedal tactics to collect votes. Hindus votes him just to survive.
He is an ISI agent.
SQ, Simply, a criminal hurting deveopment of BD people.
He will be prosecuted this time, probably; and would be his end.

voter's picture

এই সেই সাকা এবং ফেক হাসান

এবং সাকা হাসিনার ডাকে সাড়া না দিয়ে আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছিলো কারন আপনার এবং সাকার দুইজনেরি আলু কচুর দোষ ছিলো । মেয়েদের ডাকে ছেলেরা সাড়া দেবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম কিন্তু সাকা সে ডাক উপেক্ষা করে আপনার মতো হোমোর ডাকে সাড়া দিয়েছিলো ।
এই আসরে জাতীয়তাবাদী কুত্তা আছে জানতাম এখন দেখছি জাতীয়তাবাদী হোমোসেক্সুয়াল রা এসে গেছে ।
লা হাওলা ওয়ালা.......................................।

SalimC's picture

সাম্রাজ্যবাদীচক্রের কাছে মাথানত,করতে পারলে ক্ষমতাই তাদেরকে খুঁজে

প্রতিপক্ষকে ল্যাং মেরে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় আসা ?
বিশ্বায়নের বহুমুখী রাজনৈতিক মেরুকরণে নানা আপসবাদিতার পথ ধরে প্রতিপক্ষকে ল্যাং মেরে ক্ষমতায় আসা এখন খুবই সহজ।ক্ষমতার জন্য জাতীয় স্বার্থবিনাশী, আধিপত্যবাদী, সাম্রাজ্যবাদী চক্রের কাছে মাথানত করার মীরজাফরী করতে পারলে ক্ষমতাই তাদেরকে খুঁজে নেয়। বিগত ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশে কেমন নির্বাচন হয়েছে, সেটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বেশ ভাল করেই জানে।কিন্তু তারা বিরোধী দলের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সত্ত্বেও নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেনি। কেননা তারা জাতীয়তাবাদী, ইসলামী শক্তির বিপরীতে পরাশ্রয়ীআধিপত্যবাদী শক্তি নির্ভর একটি সেক্যুলার শক্তিকে ক্ষমতার দৃশ্যপটে দেখতে চেয়েছে। বাংলাদেশের ইসলামিক আইডেন্টেটি হজম করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছিল। নির্বাচনের আগেই তাই শেখ হাসিনা-তনয় সজিব ওয়াজেদ জয় মার্কিন ইহুদী থিংকট্যাংকের সদস্য কার্ল সিওভাক্কোর সাথে নিবন্ধ লিখে কমিটমেন্ট করেছিলেন যে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী থেকে ইসলামী চেতনার নির্যাস নিংড়ে ফেলে তাকে একটা সেক্যুলার আর্মিতে পরিণত করা হবে।ঐ লেখায় সেনাবাহিনীর রিক্রুটমেন্ট পলিসিতে পরিবর্তন এনে মাদরাসা শিক্ষিত ইসলামী ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষিতদের জন্য পথ রুদ্ধ করতে হবে। তবে মাও-এর প্রবাদমতে, বিড়াল সাদা কিংবা কালো হোক, তা ইঁদুর মারে কি না, সেটাই বিচার্য।জাতীয় সেনাবাহিনীকে সেক্যুলার বানানো হোক কিংবা সমাজতন্ত্রী বা ‘বঙ্গবন্ধু সেনা', তা নিয়ে মাথা ঘামানো বাদ দিয়ে জনগণ দেখতে চায়, সেনাবাহিনী জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্ষম ও সুদৃঢ় কি না। বিশেষ করে যারা অষ্টপ্রহর বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার দেয়াল উপড়ে ফেলে বাংলাদেশকে একটি আশ্রিত রাজ্য বানিয়ে রাখতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দুর্ভেদ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেতনা লালন করে কি না। কিন্তু পরাশ্রিত ও নতজানু রাজনীতির জাতকরা জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বন্ধ্যাকরণের বড়িতে অকার্যকর করে রাখার নীতিই কার্যকর করতে শুরু করেছে।আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই সেনাবাহিনী তার আইডেন্টিটি ও কার্যকারিতা হারায়।
বিগত নির্বাচনের আগে সিইসি বলেছিলেন, ১৯৭০ সালের মতো একটি নির্বাচন তিনি উপহার দিতে চান। নির্বাচনের ফলাফলে ১৯৭০-এর নিরঙ্কুশ বিজয়ের মতোই আওয়ামী লীগের পক্ষে পুনরাবৃত্তি হওয়ায় সিইসি ডঃ শামসুল হুদার প্রতিশ্রুতিই পূরণ হয়েছে। নির্বাচনের ঠিক পূর্বক্ষণে শেখ হাসিনা বলেছিলেন : নির্বাচন না হওয়ার চেয়ে ‘একটি যেনতেন নির্বাচনও ভাল'। একথা তিনি চুপিসারে বলেননি, প্রকাশ্যেই বলেছেন। দলের কাউন্সিল অধিবেশনের বক্তব্যে শেখ হাসিনা আর একটি চমকপ্রদ তথ্য ফাঁস করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ছাড়াই আপস ফর্মূলায় তাকে প্রধানমন্ত্রী হবার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। নিশ্চয়ই এ প্রস্তাবের সাথে একজন প্রেসিডেন্টের নামও ছিল।
নানা সূত্রের খবর : সরাসরি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে জেনারেল মইন ক্ষমতা দখল করতে না পেরে দু'নেত্রীর একজনকে (শেখ হাসিনা) প্রধানমন্ত্রীর পদে বসিয়ে নিজে প্রেসিডেন্টের মসনদে বসতে চেয়েছিলেন।এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতায় ভারসাম্য আনারও কথাবার্তা চলছিল। তবে এ ধরনের প্রস্তাব গিললে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অপমৃত্যু ঘটতো।হয়তো সে কারণেই জেনারেল দুঃস্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি।আওয়ামী লীগ এ প্রস্তাব মেনে নিলে এ সরকারে আওয়ামী লীগের ‘র্যা টস'-চতুষ্টয়ই শেখ হাসিনাকে ডোমিনেট করতো।
মহাজোটের অংশীদার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, সেনাবাহিনীর সহায়তা না থাকলে আওয়ামী লীগ কেয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় আসতে পারতো না।এবারে দলের কাউন্সিল অধিবেশনেও তিনি বলেছেন, ওয়ান ইলেভেন না ঘটলে তার দলের যেমন অস্তিত্ব থাকতো না, তেমনি তারা ক্ষমতারও অংশীদার হতে পারতেন না।
আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের বলেছেন : ‘সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ না থাকলে তাদের পক্ষে ক্ষমতায় আসা সম্ভব হতো না।' আওয়ামী লীগের ডজনখানেক নেতা সেনাবাহিনী প্রধানকে প্রশংসা করে তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক পর্যন্ত বানিয়ে ফেলেছিলেন।জেনারেল মইনের সাথে দূতিয়ালী ষড়যন্ত্র করে যেসব আওয়ামী লীগ নেতা সংস্কারবাদীর শিরোপা লাভ করেছেন, তাদেরকেও শেখ হাসিনা ল্যাং মেরে ক্ষমতার সাইড লাইনে ফেলে রেখেছেন।
তবে শেখ হাসিনার বিখ্যাত উক্তি : ‘তাদের আন্দোলনের ফলেই এ সরকার ক্ষমতায় এসেছে', এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করা আরও অর্থপূর্ণ।