১/১১ এর ব্যবচ্ছেদ শুরু
...মঈন কংকাল হওয়া শুরু করেছে ...
...ইয়াজ উদ্দিন পাগল হয়ে যাচ্ছেন...
...ফকুরুদ্দিন পালিয়ে বেড়াচ্ছে...
... ১/১১ সুশীলেরা কি বাচতে পারবে...
...ড কামাল হোসেন আর কতকাল নিজেকে লুকিয়ে রাখবে ...যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে কি কামাল ফেসে যাচ্ছে ...
ইসির ভন্ডামী উন্মোচিত হলো
ইসির ভন্ডামী উন্মোচিত হলো
২০০৪ সাথে ৫ বছর যোগ করলে ২০০৯ হয়, এটা একটি সহজ হিসাব ছিলো, তারপরো গোপন সমঝোতার জন্য অবৈধ ভাবে জসিমকে বৈধতার মনোনয়ন দেয় সুশীল ইসি ...
ঢাকা, অক্টোবর ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সংসদ সদস্যপদ খারিজে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ভোলা-৩ আসনের সাংসদ জসিমউদ্দিনের আপিল আবেদন খারিজ করেছে আপিল বিভাগ। ফলে ওই আসনে আবার নির্বাচন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, তারা আদালতের আদেশ দেখে তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।
ভোলা-৩ আসনে পরাজিত বিএনপি প্রার্থী হাফিজউদ্দিন আহমেদের আবেদনে গত ২৬ ফেব্র"য়ারি হাইকোর্ট জসিমউদ্দিনের সংসদ সদস্য পদ অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
এর বিরুদ্ধে জসিমউদ্দিনের আপিল আবেদন রোববার খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতি এমএম রুহুল আমিনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকল।
আদেশের পর হাফিজের আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সাংবাদিকদের বলেন, "জসিমউদ্দিনের আবেদন খারিজ করেছে আপিল বিভাগ। এখন ইসি ওই আসনে উপ-নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।"
বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এ ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তিনি একইসঙ্গে বলেন, "হাইকোর্টের রায় বহাল থাকলে সেখানে ফ্রেশ নির্বাচন দিতে হবে।"
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নবম সংসদ নির্বাচনে অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজকে হারিয়ে বিজয়ী হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জসিম।
২০০৮ সালের ৩ ডিসেম্বর ভোলার রিটার্নিং কর্মকর্তা জসিমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলে হাফিজ নির্বাচন কমিশনে (ইসি) একটি আবেদন করেন।
এতে বলা হয়, জসিমকে ২০০৪ সালের ৩১ আগস্ট বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী, অবসরের ৩ বছরের মধ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যায় না। জসিমউদ্দিনের বাধ্যতামূলক অবসরের ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।
এরপর ১০ ডিসেম্বর জসিমের মনোনয়নপত্র ইসি বৈধ ঘোষণা করলে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন হাফিজ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এটি/এমএইচসি/এফএফ/এমআই/১৬২০ ঘ.
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=3&id=112410
জেনারেল মইনের স্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
জেনারেল মইনের স্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
http://amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=242893&News...
সা বেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মইন উ আহমেদের স্ত্রীর বড় ভাই রেজা আহমেদ বেনজীরসহ ১৬ জনের বিরুে মৌলভীবাজার সদর থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১/১১-এর পর আসামিরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মৌলভীবাজার শহরে এম আর টাওয়ার-২ নামে একটি বহুতল ভবন মাকেট দখল এবং পরবতীতে প্রায় ২ কোটি টাকার বিনিময়ে তা ফেরত দেয়ার অভিযোগে এই মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার বাদী মোহামদ মজিবুর রহমান লন্ডন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এ ঝড়েবক বিাপন ম এ রহিমের ছোট ভাই তিনি। তাদের দুজনের যৌথ মালিকানাধীন এম আর টাওয়ার মইন উ আহমেদের ীর বড় ভাই ও তার সহযোগীরা জোরপূবক মাকেটটি দখল করে নেয় এবং পরবতীতে নগদ ৫০ লাখ টাকাসহ কয়েক দফায় চেকের মাধমে সবমোট ১,৯৫,৩১,২৫০/- টাকা চাঁদা নিয়ে টাওয়ারটি ফিরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছ। এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা মতাশালী, বেপরোয়া, হিংস ও খুনি বলে তাদের বিরুে তখন বাদী পতিবাদ করতে পারেনন।
গত ১৫ অোবর রাত সোয়া ১১টার সময় মৌলভীবাজার সদর থানায় মামলাটি গহণ করা হয়েছে বলে এজাহারে উেখ রয়েছে এসআই আনোয়ার হোসেন মামলাটি তদ করছেন ইতোমধে একজন আসামিকে গেফতার করা হয়েছে মইন উ আহমেদের ীর বড় ভাইসহ অন আসামিরা পলাতক রয়েছে আসামিদের মধে আছেন ফয়সাল আহমেদ, জাহাীর আহেমদ, আবদুর রউফ, জামান আহেমদ, সুহেল আহেমদ, কাওছার আহেমদ, সামছুাহার, আকলিমুেছা, সয়দা হাসনা বেগম, ফয়জুাহার ও রয়জুন নাহার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই বিবাদীগণ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর হতে এলাকায় সাসী, মাান, জবরদখলকারী ও চাঁদাবাজ বাহিনী গড়ে তুলে মৌলভীবাজার শহরে সাস ও াসের রাজত কায়েম করেছিল আসামিরা একে অনের নিকটাতীয় বলে এজাহারে উেখ করা হয়েছে এজাহারের সে আসামিরা বাংকের চেক ও পে-অডারের মাধমে চাঁদাবাজির টাকা গহণের পে-অডার ও চেক-এর ফটোকপি ও বাংক েটমেেটর ফটোকপিও জমা দেয়া হয়েছে
১/১১ এর ব্যবচ্ছেদ আওয়ামী লীগের চাচাও করতে চান ...
আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন
'তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার চাই'
চট্টগ্রাম, অক্টোবর ১৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- মানবতাবিরোধী কাজের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কয়েকজন বিতর্কিত উপদেষ্টার বিচার দাবি করেছেন লন্ডন প্রবাসী লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী।
তিনি শনিবার বিকেলে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এক স্মরণ সভায় বলেন, "তারা মেয়র মহিউদ্দিনকে তার মরনাপন্ন মেয়েকে দেখতে দেয়নি। তারা মানুষ নয়, নরপশু।'
"এর জন্য দায়ী সাবেক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুল মতিন, আনোয়ারুল ইকবালসহ অন্যদের মানবতাবিরোধী কাজের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার করা উচিত। আমি আজকের স্মরণ সভায় কাঁদতে আসিনি, বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি।"
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাফফার চৌধুরী বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো ফ্যাসিস্ট সরকার আর দেশে আসেনি বলেও মন্তব্য করেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কন্যা ফৌজিয়া সুলতানা টুম্পার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
২০০৮ সালের ১৭ অক্টোবর মেয়র মহিউদ্দিনের কন্যা প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মেধাবী ছাত্রী টুম্পা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে মারা যান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের শুরুর দিকে মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। কিন্তু অসুস্থ মেয়েকে দেখার জন্য আদালতের নির্দেশে তিনি জামিন পেলেও সরকারের অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় তাকে শেষ দেখা দেখতে পাননি।
সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এ আচরণ ব্যাপক সমালোচিত হয়।
স্মরণ সভায় গাফফার চৌধুরী চট্টগ্রামে টুম্পার নামে একটি ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য মেয়র মহিউদ্দিনের প্রতি অনুরোধ জানান।
এ সময় মহিউদ্দিন চৌধুরী কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন, "গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমার প্রতি যে আচরণ করেছে, তা অমানবিক। আমার মতো কোন বাবাকে যেন এমন পরিণতি বরণ করতে না হয়।"
'টুম্পা স্মরণ সভা পরিষদ' আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ভৌত বিজ্ঞানী ড. জামাল নজরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু ইউসুফ আলম, মহিলা সাংসদ চেমন আরা তৈয়ব, টুম্পার মা বেগম হাসিনা মহিউদ্দিন ও বড় ভাই চৌধুরী মহিবুল হাসান নওফেল, শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহিত উল আলম, অধ্যাপক ড. গাজী সালেহ উদ্দীন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনামুল হক দানু প্রমুখ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমসি/এসএইচ/২০২৩ ঘ.
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=112368&hb=3
এই নরপশুদের সাথেই হাসিনা-রেহেনা-জয় গোপনে/প্রকাশ্যে মিটিং করেছে
কাজেই হাসিনা এদের বিচার করবে না। বরং মানবতাবাদি হাসিনা নরপশু মঈনের বিরুদ্ধে কথা বলতে আওয়ামী লীগকে নিষেধও করেছে...তবে সাজেদা বোমা ফাটিয়ে বলেছেন, কারাগারে হাসিনার খাদ্য বিষ মিশ্রিত করা হোত ...
Save Bangladesh: No more farakka
bd08: always looks backwards, iit is physical!
bd08, are your eyes physically located on the backside of your head? How comes, you always see backwards. AGC is an oldman, lives in London, have no income, depends on others; why you quote him?
Mayor Mohiuddin was hold for his crimes, so, his rights as father had no preference accord to criminal laws under which he was hold; where is the problem? Mayor Mohiuddin & Khoka made our 2 big cities the active zone of the terrors. What you want for them?
Go to a buther, let him change the location of your eyes, start looking forward.
ফেরেস্তা মঈন ...অজানা তথ্য
cartoon critical ...আস্তে আস্তে সত্য প্রকাশ হচ্ছে ..
Section 2 Respect for Civil Liberties, Including:
a. Freedom of Speech and Press
Also in July the editor of Jai Jai Din was fired because he published a cartoon critical of Army Chief General Moeen Uddin Ahmed.
http://www.state.gov/g/drl/rls/hrrpt/2008/sca/119132.htm
Save Bangladesh: No more farakka
:::-*জইল্লা এখন জেলে*-.:::
আজই সগৌরবে মহাকালির মহান কৃপায় ইতিহাসেতে ইতিহাস সৃষ্টিকারি থ্রীল ও সাস্পেন্সে ভড়া ডিগিটাল নতুন ছবি-
:::-*জইল্লা এখন জেলে*.:::-মুক্তি পেয়েছে ।
রচনা:- আগাছা চুধারি
পরিচালনা:-মহাকালি দেবী
প্রোযোযনা:-ডিগিবাল প্রডাঃ
ফাইটিং:- বালের সোনারছেলেরা।
-এটা নতুন কিছু না,লিগের কাজ এর চেয়ে ভাল খনো ছিলোনা।যারা লিগ করে তাদের শিখা নেয়া দরকার|এখন বাবাজি জেলের ভাত খাও|আওয়ামী লীগ করো আর হাসিনারে চেনোনা!মুখে ক্ষমা করবে কিন্তু মনে রাখবে সারা জীবন|যেমন তার বাবাকে হত্যা করা হলে জাতি কেন কোন প্রতিবাদ করেনি তা সে মনে রাখবে চিরদিন|আর যা শিক্ষা দেয়া লাগে নির্দ্বিধায় দিবে|
হাসিনা-মঈনের গোপন ডিলের,ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনের কথা জলিল ফাস করিয়াছে।এখন হাসিনা ও ইন্ডিয়ার ভয়,ইন্ডিয়ার সাথে যে খুব বড় ডিল (ইন্ডিয়ান করিডোর,টিপাইমুখ, দেশ বিক্রি......)হয়েছে গোপন ডিল ভারতের সাথে,তা যদি জলিল ফাস করে, সেই ভয়েই জইল্লাকে এখন জেলে দেওয়া ছাড়া হাসিনার আর গতি ছিলনা।
প্রিয় পাঠক,হ্যাঁ অতি সত্য কথা।হাসিনা জানে কিভাবে ডিল করতে হয়। অকেজো মিগ-২৯ বিমান কিনে শত শত কোটি ঘুষের ডিলই এর বড় প্রমাণ। ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনের আগে খুব বড় ডিল (ইন্ডিয়ান করিডোর, টিপাইমুখ, দেশ বিক্রি......) হয়েছে ভারতের সাথে। এছাড়া ১৯৮৬ সালে বিশ্ববেহায়া, বিশ্বচোর এরশাদের কাছ থেকে গোপন ডিলের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা নিয়ে রাতের আঁধারে নির্বাচনে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি.......,শেখ হাছিনা একজন মহা মিথ্যাবাদী,এরশাদ মহাছাপাবাজ,আওয়ামীলিগ ক্ষমতা দখল করার পর আওয়ামী মন্ত্রীরা এরশাদের ছাপাবাজীর রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেছে|
শেখ হাছিনা ক্ষমতা দখল করার জন্য.মঈনের সাথে গোপন চুক্তি করে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছিল,তারেক জিয়াকে জেলখানায় বন্ধী করে অমানবিক নির্যাতন করেছিল,তত্বাবধায়ক সরকার তন্ন তন্ন করে খুজেও তারেকের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ প্রমান করতে পারেনি।এখন আওয়ামী মিথথাবাদিরাই বলিতেছে,তারেকের মামলাগুলি ছিল রাজনৈতিক।
বহুরুপী হাসিনা:হাসিনা একাধারে মানুষ হত্যাকারিনী,অসভ্য,বেতমিজ,বেহায়া,বাংলার একজন কুসন্তান,হরতালকারিনি,অবরোধকরিনী,রক্তচোষী,চাঁদাবাজিনী,আগুন লাগানেওয়ালী,ভাংচুরকরনেওয়ালী,
ঘুষখোরনী,বদ,বাঁচাল,হিংসুক,মিথ্যুক,নির্দয়,পাষান,লোভী,অসৎ,নিন্দুক,কুৎসা রটনাকারিনী,মাতাল,
মানুষের অমংগল কামনাকারিনী,চুখলখোর,ঝগরাটিনী,ফাজিল,চোরনী,বিদেশীদের কাছে নিজ দেশের বিচার দেওনেওয়ালী,
হারামী,কুত্তি,অবিবেচক,ধ্বংসকারিনী,জালানেওয়ালী,পোঁড়ানেওয়ালী,ছাড়খাড়করনেওয়ালী,ভূয়া ডিগ্রীধারিনী,গলাবাজিনী,হুমকিদেওনেওয়ালী হে--হে--আমার আর মনে আসছে না।
যেই সমস্থ মহিলারা শুধু মাত্র পেটের ক্ষুধা মিটানোর জন্যে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ১০ / ২০ টাকায় দেহ বিক্রী করে আমরা তাদেরকে বলি “ভাসমান পতিতা”।যারা পতিতালয়ে থেকে ২০০ / ৫০০ টাকায় দেহ বিক্রী করে আমরা তাকে বলে থাকি “পতিতা”।যারা অনেকে ভদ্র সমাজে বাস করে একটু উচ্চ পর্যায়ে বা বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে বা গেষ্ট হাউসে দেহ বিক্রী করে থাকে আমরা তাকে বলি “কল গার্ল”। আবার যারা আরও উচ্চ পর্যায়ে অর্থাৎ শিল্পপতি, প্রথম সারির ব্যাবসায়ি, মন্ত্রী, সচিব বা এই জাতিয় অন্যান্য লোকদের মধ্যে কোটি কোটি টাকার কাজ বা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাগিয়ে নেয়ার কাজে ব্যাবহৃত হয় আমরা তাদেরকে বলে “মক্ষীরাণী”। কিন্ত যখন কেউ ২৪ ঘন্টারও কম সময় পূর্বে ঘোষনা দেয় যে “এই স্বৈরাচারের অধীনে যারা নির্বাচনে যাবে তারা হবে জাতীয় বেঈমান” তার পরপরই ৮০ কোটি টাকার বিনিময়ে কোটি মানুষের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে তার সাথে বোনাস হিসাবে নিজের দেহটাকেও বিক্রী করে দেয় আমরা তাকে বলি “জননেত্রী”।
-হাছিনার দ্বারা বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে লাভ হয়নি।হাছিনার কথার সাথে কাজের কোন মিল নাই,সব ছাপাবাজী|"হাসিনা কোনো কলংকের ভাগীদার না, উনি নিজেই একটা কলংক|"সব বালের দেশ ভারত, তারা বাংলাদেশের খাবে আর ভারতের পুজা করবে। এদেশকে আবারো তলাবিহীন ঝুড়ি বানাতে, টিপাইমসখে বাধ দিতে, করীডোর নিতে এবং বাংলাদেশকে ভারতের বাজারে পরিনত করতে ভারত তার পা চাটা কুত্তাদের গদিতে বসিয়েছে।
হাসিনার প্রতিহিংসার কবলে ...?
হাসিনার প্রতিহিংসার কবলে পড়লেন ভারশাম্যহীন জলিল
জলিলের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা দিলো আওয়ামী সরকার...অথচ জয়নাল হাজারী, শামিম ওসমান, হাসনাত এরা ঘুরে বেড়াচ্ছে
মি জলিল,
যিনি ১/১১ এর ব্যবচ্ছেদে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য দেবার জন্য প্রতিহিংসার জন্মদাত্রী হাসিনার কবলে পড়েছেন, লন্ডনে হাসিনার লেলিয়া দেওয়া আওয়ামী কুত্তারা জলিলের উপর ঝাপিয়ে পড়ে।
...একই সাথে আওয়ামী কুত্তারা বাংলা টিভির গলা টিপে ধরে ... ফলে জলিলের সব কথা জাতি জানতে পারে নি। আশা করা যায়, হাসিনার পতনের সাথে সাথে অপ্রকাশিত অংশ প্রকাশিত হবে।
... মনে রাখবেন, শেখ সেলিমের দেওয়া তথ্যানুয়ায়ী ১/১১ এর সরকার হাসিনার বিরুদ্ধে চাদাবাজির মামলা দেয়, এই সব দায়ের করা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হাসিনা দুদুককে চাপ দিচ্ছে ...মহা দুর্ণিতিবাজ মিথ্যুক হাসিনা দুদককে দন্তহীন বাঘে পরিনিত করেছে ...এখন বলে নখও খুলে নিতে চাইছে ...আওয়ামী হাসিনা।
Save Bangladesh: No more farakka
কোথায় আজ আব্দুল জালিল?
জলিল সাহেব হাসিনার প্রতিহিংসার কবলে পরে এখন জেল পথযাত্রি। সবকিছু মিলিয়ে আজ এটাই প্রমানিত যে জালিল সাহেবের মুখ permanently বন্ধ করার জন্য এখন এনবিআর কে ব্যাবহার করা হচ্ছে। জালিল জেলে গেলে হাসিনা বলবে "কোথায় আজ আব্দুল জালিল"?
জ্যাকব রায়হান
Dil between hasina and moin
to read the dil between hasina and moin please read this
http://www.amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=242542&...
Hasina government is ILLIGAL
The government of Bangladesh is an illegal government because this is not a democratically elected government; this government is a deal between Hasina and Moin
হলুদ প্রত্রিকা খ্যাত প্রথম আলোর বিরুদ্ধে বসুন্ধরার জিডি
প্রথম আলো ও সমকালের সম্পাদক-প্রকাশকের বিরুদ্ধে বসুন্ধরার জিডি
ঢাকা, অক্টোবর ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দৈনিক প্রথম আলো ও দৈনিক সমকালের সম্পাদক-প্রকাশকসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বুধবার একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বসুন্ধরা গ্র"প।
বিকেলে বসুন্ধরা গ্র"পের কারিগরি বিষয়ক উপদেষ্টা লতিফুল হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ জিডি করেন।
গত ১৩ মার্চ রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সে আগুন লাগার পেছনে এই আটজনের হাত রয়েছে বলে এতে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই অগ্নিকাণ্ডে সাত জনের মৃত্যু হয়।
তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বসুন্ধরা গ্র"পের জিডিতে আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=112161&cid=2&aoth=1
কর্মকর্তা ও কর্মচারি গ্রুপ : ১৯৯১ সালে যে ব্যক্তি মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতনে দৈনিক আজকের কাগজে চাকরী নিয়েছিলেন, আজ তার বিপুল অর্থ, বিত্তের উতস জাতি জানতে চায়
প্রথম আলোর বিরুদ্ধে হাস্যকর জিডি...।
প্রথম আলো ও সমকাল-এর প্রকাশক, সম্পাদক এবং ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দায়ের করার জন্য গত মঙ্গলবার রাত ও গতকাল বুধবার দিনভর চেষ্টা চালায় বসুন্ধরা গ্রুপ। শেষ পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলা নেয়নি থানা। তবে বসুন্ধরার লিখিত অভিযোগটি গতকাল সন্ধ্যায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে লিপিবদ্ধ করে পুলিশ।
এ মামলায় অভিযোগ জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে, দৈনিক প্রথম আলো ও সমকালের মালিক,প্রকাশক ও সম্পাদকেরা যোগ সাজগের মাধ্যমে বিগত মার্চ মাসে বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লাগান।
ভুমিদস্যুতা করে করে এ প্রতিষ্ঠানটি তার সুনাম খুইয়ে দেশের জনপ্রিয় পত্রিকাগুলির বিরুদ্ধে যে হাস্যকর মামলার চেষ্টা করে যাচ্ছে,তাতে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈলিয়াত্বই প্রমান করে মাত্র।
আর এ প্রসঙ্গটি জেনে শুনে এবং এই হাস্যকর মামলা প্রচেষ্টার উদৃতি দিয়ে যারা প্রথম আলো কে হলুদ রঙ্গে রাঙ্গাতে চায়, তারা নিজেদেরকেই কেবল হাস্যকর করছে মাত্র। এ ধরনের অপচেষ্টা দ্বারা প্রথম আলোর অগ্রযাত্রা থামানো যাবেনা।
হাসান ইমাম খান।
হলুদ আলোর বিরুদ্ধে বসুন্ধরার মামলা ও সুইজ হাসানের ভাওতাবাজি
মি সুইজ হাসান,
হলুদ পত্রিকা বলে বিতর্কিত প্রথম আলোর বিরুদ্ধে এবার বসুন্ধরার মামলা
মি সুইজ হাসান, কে ভুমিদস্যু আর কে হলুদ সংবাদ ছাপিয়ে থাকে এই সব অভিযোগের প্রমান করার দায়িত্ব আদালতের, আপনার নয় মি হাসান।
হাসান সাহবের হাস্যকর উক্তি শেষ পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলা নেয়নি থানা মি হাসান সাহেব, আওয়ামী অভিযোগের আজ পযর্ন্ত কোন সত্যতা দিতে পেরেছেন ? পারেন নি ...কাজেই এখানে প্রথম আলুর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়াতে এত পুলকিত হচ্ছেন কেন? মাল পাচ্ছেন নাকি ...???
নিশ্চয় এই আভিযোগটি শুনে থাকবেন, রাজশাহীর আওয়ামী মেয়র আর আওয়ামী সাংসদ টেন্ডারে ভাওতাবাজী করে ৪০ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিয়েছে ...এইটা হলো শহরের এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ...এইটা অভিযোগ এবং সত্য ...এখন জনগন কি করবে? আংগুল চুষা ছাড়া কোন কিছু করার নেই ...কেন শেষ পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া যাবে না ...এগুলো সবই আওয়ামী ভাওতাবাজি ...
আরেকটি ভাওতাবাজি শুনবেন ...
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোন সদস্য বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অথচ ক্রসফায়ারের ঘটনায় সরাসির হাসিনার নির্দেশ আছে ...এগুলো হাসিনার আওয়ামী ভাওতাবাজি।
উল্লেখ থাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে এই পর্যন্ত ১৫০ জনের উপর নিহত হয়েছে ...আশাংকা করা যাচ্ছে এই সংখ্যা গত দুই বছরের সরকারের সময়ের চেয়ে অনেক বেশী হবে ...তারপর নির্লজ্জ আওয়ামী লীগ ভাওতাবাজি করবেই ...
প্রথম আলোর বিরুদ্ধে বসুন্ধরার মামলা খারিজ...।
প্রকাশ বিশ্বাস
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
ঢাকা, অক্টোবর ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- প্রথম আলোর বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্র"পের মানহানির মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
বুধবার সাধারণ ডায়েরির পর বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন বসুন্ধরা স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জাহেদুর রহমান।
তবে প্রথম আলোর প্রতিবেদনের কোন বক্তব্য মানহানি ঘটিয়েছে, তার মামলার আরজিতে স্পষ্ট না থাকায় বিকেলে ঢাকার বিচার বিভাগীয় হাকিম শাহরিয়ার আরাফাত মামলাটি খারিজের আদেশ দেন।
বসুন্ধরার মামলাটিতে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, প্রতিবেদক মিজানুর রহমান খান এবং ট্রান্সকম গ্র"পের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানকে আসামি করা হয়েছিল।
প্রথম আলোয় পত্রিকায় প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে মামলার আরজিতে বলা হয়, এতে বাদির প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িকভাবে ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
মামলায় বলা হয়, গত ৮ মে এবং গত ১২ অক্টোবর প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বসুন্ধরা গ্র"পের চেয়ারম্যানকে (আহমদ আকবর সোবহান) সামাজিক, ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরার সঙ্গে লেনদেনে অনাগ্রহ প্রকাশ করায় প্রতিষ্ঠানের ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
তবে বাদির আইনজীবী গাজী শাহ আলম দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আরও একটি দেওয়ানি মামলা করা হবে।
বসুন্ধরা সিটিতে অগ্নিকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে বুধবার রাতে প্রথম আলো এবং দৈনিক সমকালের প্রকাশক-সম্পাদকসহ আটজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরিটি (জিডি) করা হয়।
---------------------------------------------------------------------------------
মন্তব্য নিস্প্রয়োজন...।।
হাসান ইমাম খান।
HIKHAN সাহেব: কেন ভাই আপনার চোখ থাকিতে অন্ধ?
HIKHAN সাহেব,
কেন ভাই আপনার চোখ থাকিতে অন্ধ? নাকি দেশের সবকিছু আগাচৌ-র মত শুধু দুরবীণ দিয়ে দেখেন....পারলে একবার হলেও physically দেশে গিয়ে একমাস থেকে আসুন চোখের পর্দা পরিস্কার হবে। বাংলাদেশের নিম্ন আদালত কি ভাবে চলছে তা কি আজকের তাজা খবর আপনাদের একদা প্রিয় (!) বর্তমানে মানসিক ভারসম্যহীন (?) জলিলের অবস্থা দেখেও বুঝেন না?
নাকি না বুঝার ভান করে ঘাপটি মেরে আছেন? আপনার প্রিয় BAL অবশ্য এখন তার কালো হাত উচ্চ আদালতের দিকেও প্রসারিত করছে...... (Ref. http://www.amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=242593&... )......
আর মহা ধুরন্ধর, রং বদলকারী তথাকথিত SUSHIL মিডিয়ার কর্ণধার মতি/আলো বাবুরা MUA/FUA-র পর এখন কাদের পা চাটছে তা বাংলাদেশের একজন অবুঝ শিশুও বুঝে....
ক্রস ফায়ারের জন্মদাত্রী...।
ক্রসফায়ার একটি অমানবিক ব্যাপার। এর জন্মদাত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। অথচ তিনিও বলেছিলেন, " ক্রসফায়ার বলে কিছু নেই ", যেমন বলেছিলেন, " বাংলা ভাই বলে কিছু নেই "।
বর্তমান প্রধান মন্ত্রী বলেছেন, " কতিথ ক্রসফায়ারে কেউ অভিযুক্ত হলে তাদেরকে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেয়া হবে ",এটাই প্রকাশিত সংবাদ। শেখ হাসিনা ক্রসফায়ারের নির্দেশ দিয়েছেন এমন কোন সংবাদ আমরা গনমাধ্যমে পাই নাই।
ক্রসফায়ার অমানবিক। যারা এ অমানবিক ধারা শুরু করেছে,তাদের এ বিষয়ে কোন মায়া কান্নার অধিকার নেই।
কোন কোর্টে প্রমানিত হয়েছে যে, রাজশাহী কর্পোরেশন এর টেন্ডারে কারচুপি হয়েছে।
ভবিষ্যতে যে কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির কথা বলার আগে কোর্টের প্রসিডিং সহ পেশ করবেন,কারন আপনিই বলেছেন, " মি সুইজ হাসান, কে ভুমিদস্যু আর কে হলুদ সংবাদ ছাপিয়ে থাকে এই সব অভিযোগের প্রমান করার দায়িত্ব আদালতের, আপনার নয় মি হাসান "।
হাসান ইমাম খান।
জ্ঞানী হাসান ইমাম খান।
কে দুর্নীতিবাজ আর কে সাধু এর বিচার করবে আদালত ...এটা আমার কথা নয়, এটা কৃতি ফুটবলার সালাউদ্দিনের কথা
...আরেকটি কথা মনে করে দিতে চাই,
... কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আনতে চাইলে সাথে সাথে প্রমান-তথ্য নিয়েও আসবেন ...এটিও আমার কথা নয়, মি হাসান, এটি হলো ইমেলার মি রবিনের কথা ...
...কাজেই নীচের কথাগুলো পড়ে না হেসে পারলাম না ...
ভবিষ্যতে যে কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির কথা বলার আগে কোর্টের প্রসিডিং সহ পেশ করবেন,কারন আপনিই বলেছেন, " মি সুইজ হাসান, কে ভুমিদস্যু আর কে হলুদ সংবাদ ছাপিয়ে থাকে এই সব অভিযোগের প্রমান করার দায়িত্ব আদালতের, আপনার নয় মি হাসান "
মি সুইজ হাসান, আপনি জ্ঞানী আমরা জানি। কাজেই আমি লিখেছিলাম, আংগুল চুষা ছাড়া কোন কিছু করার নেই ...কেন শেষ পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে না ...কারন রাজনীতিতে মিথ্যাচারের বীজ রোপন করেছে আওয়ামী লীগ... আজ যদি আওয়ামী লীগ যে সব অভিযোগ করেছে তার প্রমান জাতির কাছে তুলে ধরতে পারতো তাহলে দেশের চেহারা অন্যরুপ হতো।...আজ এরা ধর্ষন করে বেড়াচ্ছে অথচ মহাজ্ঞানী সুইজ হাসান দলীয় পোষাক পড়ে চুক্ষু বন্ধ করে বসে আছে ...আওয়ামী মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন
প্রথম আলোর হলুদ সংবাদ
প্রথম আলুর বিরুদ্ধে মেজর জেনারেল এম এহ্তেশাম উল হকের প্রতিবাদ
২০০১ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় সিলেটে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওপর জঙ্গিদের বোমা হামলা পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতির সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এম এহ্তেশাম উল হক।
এ বিষয়ে সম্প্রতি প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর এহ্তেশামকে সেনাবাহিনীর রংপুরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) হিসেবে বদলি করা হয়।
'প্রথম আলো আইন মন্ত্রণালয়কে সঠিকভাবে উদ্ধৃত করেনি'
ঢাকা, অক্টোবর ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)--দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত 'বসুন্ধরাকে রক্ষায় রাষ্ট্রযন্ত্র মরিয়া' শিরোনামে প্রতিবেদনে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত অসম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ।
বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেন, "গত ১২ অক্টোবর দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত 'বসুন্ধরাকে রক্ষায় রাষ্ট্রযন্ত্র মরিয়া' প্রতিবেদনে আইন মন্ত্রণালয়ের যে মতামত উল্লেখ করা হয়েছে তা অসম্পূর্ণ। ওই প্রতিবেদনে আইন মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রতিবেদনের সঠিক প্রতিফলন হয়নি।"
আপনার কি মনে হচ্ছে উনি ভারসাম্যহীন ...
আপনার কি মনে হচ্ছে উনি ভারসাম্যহীন ...
..
http://www.youtube.com/watch?v=v-3DZ6JhzyA&feature=related
Save Bangladesh: No more farakka
নতুন করে কেউ আবার পাগলো হয়েছে
জলিল, দুই বছর আগে ১/১১ এর ফেরেস্তা দ্বারা নির্যাতিত হয়ে এখন মানসিক বিকারগ্রস্ত ।
তাহলে, হাসিনা কর্তৃক ঝাটার বাড়ি খেয়ে আগামী দুই বছর জলিলের কি অবস্থা হবে।
মঈনুল হোসেন,মতিন তোদের বিপদ খুব কাছে এসে গেছে |
মঈনুল হোসেন,মতিন এখনো সময় আছে তোরা হাচা কথা ক।তোদের বিপদ খুব কাছে এসে গেছে।১১/১ এর আগে হাসিনার সাথে মিলিয়া তোরা,ভারত,বিদেশী হাইকমিশনাররা কি করিয়াছিলি?কি ভাবে হাসিনা চোরনীকে খমতায় আনলি সব খুলে বল,হাসিনা তোকে ফাসাইয়া দিবার আগে বল।নইলে আর সময় পাবিনা।দেশ যাবে উচছননে তোরা যাবি বিদেশে নয়ত জেলে।কোন আশা করিসনা,কাল নাগিনী হাসিনা একে একে সবাইকে শেষ করিবে।এমন কি দেশটাকেও।মঈনুল হোসেন,মতিন এখনো সময় আছে, তোরা বাচ দেশ বাচা।মঈনুল হোসেন তুই মানিক মিয়ার পোলা,আমরা দেশ-প্রেমিক মানিক মিয়ার শপত নিয়া থাকি।তুই মানিক মিয়ার সন্মান রাখ।
সাবেক উপদেষ্টা মতিনের ভয়
ঢাকা, আগস্ট ১১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করার নির্দেশ চেয়ে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম এ মতিনের দায়ের করা রিট আবেদন তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে হাইকোর্ট।
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=55725&cid=3
দুর্নীতির অভিযোগ অভিযুক্ত মতিন এখন ভয়ে কাতর, পিছনে ফেলে আসা ১/১১ এর দিনগুলোর কথা শুধু মনে করছে। এই মতিন বহু রাজনীতিবিদ,ব্যবসায়িদেরকে ধরে ধরে নির্যাতন করেছে, অনেকে আবার টাকার বিনিময়ে নির্যাতন থেকে রক্ষাও পেয়েছে। মতিন-ফকুরুদ্দিন-মঈনেরা বিদেশী বহু টাকা পাচার করে জাগো বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলো। জাগো বাংলাদেশের অনেক সদস্যও ব্লগে ব্লগে মিথ্যাচারের গল্প করে বেড়াতো, এখন এদের আর দেখা যাচ্ছে না। এই বোর্ডেও অনেকেই মঈনকে দেবতা জ্ঞান করে, মিথ্যাচারও চালিয়েছে। এই সব আইডি আজ আর এখন উল্লেখ করলাম না, নতুন পাঠকদের স্বার্থে, পরে বলবো।
শুধু ১/১১ এর সমর্থকদের পৃষ্টদেশে জামাতী লাথি মারুন। জামাতী লাথি কেন বললাম তারও কারন আছে। পরে বলবো।
Save Bangladesh: No more farakka
আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করার মতো মানুষ বাংলাদেশে এখনও
আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করার মতো মানুষ বাংলাদেশে এখনও জন্মায়নি।
কে বলেছে জানতে এখানে ক্লিক করুন: http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=55259&cid=3&aoth=1
আওয়ামী তামাশা শুরু
টিপাইমুখের ইস্যু থেকে জনগনের চোখ সরানোর জন্য আরেক আওয়ামী তামাশা।
এর আগে পিলখানা হত্যাযজ্ঞ থেকে মুখ ঘোরাইতে ১০ট্রাক মামলা আর খালেদা জিয়া বাড়ি ইস্যু বাজারে ছেড়েছিলো আওয়ামী লীগের বুদ্ধিমান উপদেষ্টারা।
আওয়ামী লীগ মনে ভাবছে উনারই শুধু বুদ্ধিমান, আর সব গাধা।
Save Bangladesh: No more farakka
১/১১ এর মতিনের ব্যবচ্ছেদের ট্রায়াল
১/১১ এর মতিনের পৃষ্টদেশে আওয়ামী বাশ
নির্যাতনকারী মঈন-ফকুরুদ্দিনের গোপন কথা কি ফাস করে দেবে ফেরেস্তা মতিন???
বিস্তারিত পাবেন http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=54719&hb=1
-------------------------------------
"আমি ওয়ান ইলেভেনের বেবি নই। ছিলাম না। কখনও ওদের বেবি হবো না"
- মে জে (অব) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহীম চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
ওয়ান ইলেভেনের খলনায়কদের তত্ত্বাবধানে তার দল গঠিত এমন অভিযোগের জবাবে
[মানবজমিন, ১৭/০৬/২০০৯]
----------------------------------------------------------
Save Bangladesh: No more farakka
মিথ্যাচার আর মিথ্যাচারের সংঘর্ষ।
'প্রথম আলো-ডেইলি স্টার মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নে সাহায্য করেছিল'
'প্রথম আলো-ডেইলি স্টারের সাংবাদিকতা প্রশ্ন বিদ্ধ '
এখন তারা 'মাইনাস ওয়ান' ফর্মুলা বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র করছে।"
প্রথম আলোর মিথ্যাচার আর আওয়ামী মিথ্যাচারের সংঘর্ষ।
বাংলাদেশে অবস্থিত দেশ-বিরোধী দালালী আত্মার মৃত্যুর পরোয়ানা লুকিয়ে আছে ১/১১ এর মঈন-ফকুরুদ্দিনের ব্যবচ্ছেদের মধ্যে।
Save Bangladesh: No more farakka
১/১১ এর ব্যবচ্ছেদে ...এবার দেশের শীর্ষ মিডিয়া প্রশ্নবিদ্ধ
আপনারা জানেন, ১/১১ এর সহায়ক মিডিয়া প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার। আপনার নিশ্চয় জানেন, এই দুই পত্রিকা দেশের শীর্য রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরেই সুচতুরভাবেই মিথ্যাচার করেই চলেছে। অনেক জ্ঞানী মহাপুরুষই এই সব মিডিয়ার ছিটিয়ে দেওয়া দানা খেয়ে ইমেলার মেসেজ বোর্ডে দাপাদাপি শুরু করে।
আমরা অনেক আগে থেকেই তাদের সাবধান করে দিয়েছি। কিন্তু উনারা শুনেন নি, বরং মনে করেছেন উনাদের আমেরিকান উচ্চ ডিগ্রী কাজেই তাদের মুল্যায়ন ভুল হতে পারে না। এদের মধ্যে কেউ কেউ বিষধর জ্ঞানী আছেন, কিন্তু আমরা আশাবাদী আস্তে আস্তে সত্য বেড়িয়ে আসবে, এবং বাংলাদেশের জনগন দেশের স্বার্থের জন্য লাল-সবুজ পতাকার নীচে ঐক্যবদ্ধ হবেই।

আপনার জানেন, পিলখানায় যখন হত্যাযজ্ঞ চলছিলো, তখনও প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পিলখানা ঘটনাকে প্রথম হেডিং না করে ভারতের স্বার্থে ১০ ট্রাক মামলার কেচ্ছা-কাহিনী শুনাইতে ব্যস্ত ছিলো।
এবং সম্প্রতি, লাম্পপোষ্ট নামক একটি ক্ষুদ্র সংগঠন টিপাইমুখে বাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে ভারতের হাইকমিশন অফিসে মানব-বন্ধন করলে, প্রতিবাদগ্রুপকে এই পত্রিকা চরমপন্থী বলে রিপোর্ট প্রকাশ করে।
প্লিজ দেশের স্বার্থে এই সবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। মনে রাখবেন ১/১১ এর ছিলো একটি যড়যন্ত্র। হাসিনার পেন্টি আর মুয়া-ফুয়ার জাংগিয়া পরিস্কারের মধ্যে লুকিয়ে আছে ১/১১ এর দেশের স্বার্থ বিরোধী চেতনা।
আমি আরো স্পষ্ট করে বলতে চাইছি, যারা মুয়া-ফুয়ার অন্ধ ভক্ত ছিলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের সমর্থক নন, তারা ইতিমধ্যে ১/১১ এর দেশের স্বার্থ বিরোধী চেতনা কথা বুঝতে পারছেন।
কিন্তু যারা হাসিনার পেন্টি পরিস্কারের মধ্যে যাদের রাজনৈতিক চেতনার স্ফুরুন সেই সব আশরাফুল-মতিয়া গং-এরা এখন আর মঈনের বিচার চান না। উনারা মইনকে ক্ষমা করে দিতে চাই।
ব্যক্তি মঈন নয়, ১/১১ এর মঈনকে বিচারের সম্মুখীন হতেই হবে, এবং আমরা তাই করবো, বাংলাদেশে অবস্থিত দেশ-বিরুধী দালালী আত্মার মৃত্যুর পরোয়ানা লুকিয়ে আছে মঈন-ফকুরুদ্দিনের ব্যবচ্চেদের মধ্যে।
http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=4&id=54268&hb=top
Save Bangladesh: No more farakka
বিচার চাই.........।
ইয়াজউদ্দিনের নিয়োগকারী, মঈনউদ্দিনের নিয়োগকারী, অস্ত্র ব্যবসায়ী খালেদা জিয়ার বিচার চাই???
১/১১ নিয়ে কিছু কথা
১/১১ নিয়ে কিচ্চু কথা কইতে ইচ্ছে হলো, তাই লিখছি।
দেখলাম, bd08, হাসিনার পেন্টি আর মুয়া-ফুয়ার জাংগিয়া মধ্যে ১/১১ এর চেতনার মুখ লুকিয়ে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্যকারী যে জাতীয়তাবাদ ঘরের লোক বুঝায় যাচ্ছে। আমি কারো রাজনৈতিক বিশ্বাসের উপর আঘাত হেনে কথা বলতে চাইছি না। যে কেউ আওয়ামী-বিএনপির রাজনীতি করতে পারে, করুক।
মন্তব্যকারী আবার ময়লা-পরিস্কার শব্দটিও ব্যবহার করে সমর্থনকারীদেরকে পরোক্ষভাবে অপমানও করেছেন এমনভাবে যে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমন না করেই। এই ক্ষেত্রে মন্তব্যকারীকে বাহবা না দিয়ে পারছি না।
হ্যা আমি যেটা বলতে চাইছিলাম, তা হলো,
হাসিনার পেন্টি পরিস্কারের জন্য যে আওয়ামী লীগ সর্বদা তৈরী, এটা বলাই বাহুল্য।
ঠিক একই ভাবে, ১/১১ এর সমর্থনকারী সুশীলেরাও মঈনের প্রশংসা বা জাংগিয়া পরিস্কারে প্রস্তুত।
bd08 যে কি সুন্দর ভাবে আওয়ামী লীগ ও সুশীলদের এক কাতারে ফেলে ১/১১ এর চেতনার চিত্র একেছেন তার জন্য তাকে বাহবা না দিয়ে পারছি না। সত্যি অপুর্ব। এখন প্রশ্ন, আওয়ামী লীগ ও সুশীলেরা এই দুই পক্ষ কিভাবে bd08কে সুস্থু ভাষায় মোকাবেলা করে সেটাই দেখার বিষয়।
আমি দেখতে চাই, আওয়ামী লীগ তাদের মিথ্যাচার বাদ দিয়ে কিভাবে bd08কে সুস্থু ভাষায় মোকাবেলা করে।
১/১১ এর সুশীলেরা কথায় কথায় বিরোধী পক্ষের (অপ্রমানিত) চরিত্র হরন করে থাকে। আমি দেখতে চাই, সুশীলেরা তাদের বদ অভ্যাসটি বাদ দিয়ে কিভাবে bd08কে সুস্থু ভাষায় মোকাবেলা করে।
মঈন এবং প্রথম আলুর ব্যবচ্ছেদ শুরু
উল্লেখ থাকে, ১/১১ এর চেতনা মানে হাসিনার পেন্টি আর মুয়া-ফুয়ার জাংগিয়া। দেশ প্রেমিক ফেরেস্তাদের দল আবার এই পেন্টি-জাংগিয়া পরিস্কারে ব্যস্ত । এরা আবার বাংলাদেশে সুশীল নামে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।

আসুন, এই সব সুশোলদের পাছায় গদাম লাথি মারি।
Save Bangladesh: No more farakka
এবার ১/১১ এর উপদেষ্টা গীতি আরার ব্যবচ্ছেদ শুরু
Save Bangladesh: No more farakka