সুত্র, দৈনিক আমাদের সময়,১৪ ই জুন ২০০৯। মোহন রায়হান ।

------------------------------------------
বিশ্ববিপ্লবের মহান স্বাপ্নিক এরনেস্ত চে গুয়েভারার আজ একাশিতম জন্মদিন। ১৯২৮ সালের এ দিনে আর্জেন্টিনার রোসারিওতে এই কিংবদন্তি বিপ্লবীর জন্ম হয়। যৌবনেই মানবকল্যাণের জন্য কিছু আবিষ্কারের স্বপ্নতাড়িত হয়ে চে আবিষ্কার করেনÑ বিপ্লব। সশস্ত্র সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব। আজীবন সত্য, জ্ঞান ও বিপ্লবের সাধনায় নিবেদিত অগ্রসর মানুষ চে অগ্রসর মানবিক বিজ্ঞান মার্কসবাদ গ্রহণ করেন বিপ্লবের বিজ্ঞান হিসেবে। দুর্ধর্ষ এক বিপ্লবীর গভীর আত্মায় চে এক কোমল প্রেমিক এবং কবি। অসম্ভব ভালোবাসতেন কবিতা। গাছের মগডালে চোখে দূরবীন, কাঁধে রাইফেল শত্র“র নিশানা তাক করতে করতে লিখতেন কবিতা।
সারা পৃথিবীর অতীত, বর্তমান ও ভাবীকালের বিপ্লবীদের কাছে চে মহান আদর্শ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। ক্ষমতা, প্রতিষ্ঠা, পরিবার, নিশ্চিত, নিরাপদ, সুখময় জীবনের সব হাতছানি উপেক্ষা করেও বারবার ছুটে গেছেন এক রণাঙ্গন থেকে আরেক রণাঙ্গনে শোষিত নিপীড়িত মানুষকে মুক্তির ডাক দিতে। চে’র মতো বিপ্লবী পৃথিবীতে বিরল। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাই বন্দি চে-কে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে হত্যা করে, দু’হাত কেটে নিয়ে, অজ্ঞাতস্থানে মাটি চাপা দিয়ে গুম করেও শেষ করে দিতে পারেনি। জীবিত চে’র চেয়ে মৃত চে অনেক বেশি শক্তিশালী। আজো চে সাম্রাজ্যবাদ, নয়া সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদের কাছে ভয়ানক আতঙ্ক।
পৃথিবীব্যাপী পুঁজিবাদের গভীর সংকট, বুর্জোয়া রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্তঃসারশূন্যতা, সাম্রাজ্যবাদী ভাবাদর্শের পূতিগন্ধময় পচনে পৃথিবীর দেশে দেশে অধিকারবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ মানুষের চেতনার আরশিতে আবার ভেসে উঠছে চে’র নিঃশঙ্ক মুখ। তাদের ধমনীর প্রস্রবণে, বাহুর পেশিতে বিপ্লবী, সাহসী, আপসহীন, নির্লোভ চে’র শৌর্য-বীর্য ছলকে উঠছে নতুন করে। সময় এসেছে ঘুরে দাঁড়াবারÑ এই ফাঁপা, বুলিসর্বস্ব, নষ্টভ্রষ্ট, পচাগলা, মধুবিষ, জোৎস্না ঢাকা গভীর অমাবস্যাপ্লাবিত বুর্জোয়াজির বিরুদ্ধে। জয়তু এরনেস্ত চে গুয়েভারা।
They are on you tube
Only some of them are now available on youtube. Sensitive talks are censored. Follow the link and the related -
http://www.youtube.com/watch?v=2GUb8YBFu68
Thanks
BDR Audio.............
Stranger, please is there any way to get those BDR's audio....?? internet,utube...?
please let me know.
thanks
সমুদ্র ভাইজানঃ বিডিআর কাহিনী
সাম্প্রতিক বিডিআর জওয়ানদের কিছু অডিও বাহির হইয়াছে, আশা করি শুনিয়াছেন। এখন কি আপনার কিছু বোধগম্য হইতেছে? বলিয়াছিলাম ধৈর্য ধরুন। ধৈর্য আরো ধরিতে হইবে। সত্যের জয় হইবেই...
শংখচিলকেঃ ইয়ুনুস প্রসঙ্গে
আমরা ছোট মুখে অনেক বড় বড় কথা বলি। এমনদেরকে নিয়ে বলি এ জীবদ্দশায় হয়ত তাঁদের ধারে কাছেও যেতে পারব না। ডঃ ইয়ুনুসের যোগ্যতা-গুনাবলি বলে শেষ করা যাবে না। উনাকে defame করার চেষ্টা প্রকারন্তরে নিজেদেরকেই ছোট করা।
যাইহোক। সেনা অফিসার আর ইন্টেলেকচুয়াল দের মিল আর অমিল টুকু বলি -
অমিলঃ সেনা অফিসাররা ভাবেন দেশটা ক্যান্টনমেন্ট, আমি ক্ষমতায় আসলেই এক ধমকে সব সোজা করে ফেলব। আর ইন্টেলেকচুয়ালরা ভাবেন দেশটা ল্যাবরেটরি, আমি ক্ষমতায় আসলেই থিওরি এপ্লাই করে সব সিস্টেমে এনে ফেলব।
মিলঃ দুই পক্ষই আপনার "people of vision"।
Stranger Saheb
আমার যদি কোন ভুল না হয়ে থাকে তাহলে আপনিই কি আমাদের কানাডার সেই গার্ডিয়ান ভাই?আপনার কথাগুলি কেমন যেন চেনা চেনা লাগে।ভুল হয়ে থাকলে আমার হ্যান্ডস আপ।ক্ষমা করবেন।
শক্তি দইয়ের ভরা বাটিঃ
বেশ কিছুদিন আগে, প্রফেসর ইউনুসের একটা এক ঘন্টার বক্তৃতা শোনার সৌভাগ্য হয়েছিল। উনি সোশাল বিজনেস নিয়ে কথা বলছিলেন। এবং সে প্রসংগেই শক্তি দধি (yogurt)উঠে।উনি প্রথমে শক্তি দধির জন্য পরিবেশবান্ধব পাত্রের সন্ধান করছিলেন। ফরাসি কম্পানি, নানা ভাবে, প্লাস্টিক কন্টেইনার চালিয়ে দেবার চেস্টায় ছিলেন। ইউনুস তখন বললেন, না এমন কিছু দিয়ে সে পাত্র বানাতে হবে, যেটি শুধু পরিবেশ বান্ধব হলেই হবেনা, পারলে সেটিও যেন আইস্ক্রিমের কোনের মত খাওয়ার দ্রব্য হয় কিনা ভেবে দেখতে। ফ্রান্সের বেনিয়া কম্পানি বলল স্টার্চের পাত্রর শেলফ লাইফ খুব কম, তাই এটা এ ক্ষেত্রে চালান মুশকিল। ইউনুস নাছোর বান্দা হওয়াতে তারা ১ বছর সময় চাইল, সেরুকম একটা পাত্র বানাতে যার শেলফ লাইফ আছে, আবার খাওয়াও যাবে।এ ব্যাপারে চাইনিজ একটা এক্সপেরিমেন্টাল প্রডাক্টের সম্ভাবনার কথা, ফ্রান্সের দধি কম্পানিটি জানালে, ইউনুস এবার আরেকটি দাবী নয়ে আসলেন। খাদ্য দিয়ে পাত্র যেহেতু বানানোর গবেষনাই হবে, তাতে সব ভিটামিন আর মাইক্রোনিউট্রেন্টের ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেটাও যোগ করতে হবে, কারন এতে, শিশুস্বাস্থ্যের ব্যপক লাভ হবে, বিশেষত আমাদের মত গরীব দেশে। আমার জানা মতে, এখন ফ্রান্সের সেই কম্পানিটি বহুমাত্রিক সেই পাত্র বানাতে রিচার্স করছে। ইউনুস তাদের সময় দিয়েছেন ১ বছর নয়, ৬ মাস।
এখানে প্রথাগত ব্যবসা আর ইউনুসের সোশাল বিজনেস কন্সেপ্টের পার্থক্য। কেবল লাভের জন্য প্রথাগত ব্যবসায় মুনফাটাই মুখ্য। তাই প্রতিটি দ্রব্যের প্রডাক্টশন আর ডিস্ট্রিবিউশন খরচ কমিয়ে আনতে যা যা করা দরকার তাই করা হয়। আর সোশাল বিজনেসে, সামজিক দায়িত্ব আর দ্রব্যের মানের সোশাল ইম্পেক্ট মেক্সিমাইজ করাটাই মুল উদ্দেশ্য, মুনফা কেবল প্রজেক্টটি টিকে থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় অংশ মাত্র।
এইখানেই একজন ভিশনারির সাথে আর দশটা সাধারন জ্ঞাণী মানুষের পার্থক্য।
(অপ্রাসংগিক পাদটীকাঃ স্বপ্নচারি ইউনুসের রাজনৈতিক অভিলাষ টি আমাকে অবাক করেছিল। আর উনি একজন ভিশনারি বলেই অল্প সময়েই সে পথ থেকে সরে আসতে পেরেছিলেন)
stranger bhaijan
ই-মেলায় বাঘা বাঘা হাই প্রোফাইলদের নাম থুইয়া আপনী আমার মতো একজন নিরীহ সদস্যের নাম ট্রিম করতে বলতেছেন কেন ভাইজান ? এইটা ডিছক্রিমিনেশন । আর আপনার সাথে যদি সদন
কিম্বা ভবনের কানেকশন থাকে তাহলে বেয়াদপী মাফ করবেন এবং ডিসক্রিমিনেশন শব্দটা এক্সপাঞ্জ
করে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো । আপনারা সদন / ভবনের ভাগ্যবান মানুষ আমার মতো
ভূমিহীনদের বাপ মা আর আমরা সব কুত্তার বাচ্ছা । অনেক চিন্তা ভাবনা কইরা একটা বিপ্লবী সিদ্ধান্ত
নিয়েছি - আপনার ভাবীর হাতে ই মেলার নেশার কলকি ধরাইয়া দেই , তখন আর লুকোচোরির কিছু
থাকবে না । তিরিশ বছরের কঞ্জুগ্যাল লাইফে কোনদিন লুকোচোরি করিনি ,আর করতেও চাইনা । আইডিয়াটা ক্যামন ভাইজান ?
গুড লাক , ডিয়ার স্ট্রেনজার ।
জমিদার ভাইজানঃ ভাবীকে ম্যানেজ করিয়া নেশা কইরেন
আপনার নামের পাশের ভুমিহীন শব্দটি বাদ দিয়া দিন। ভুমিহীন দেশপ্রেমিকের জন্যে পুর দেশটাই তার ভুমি। আপনি ই-মেলার আফিম সেবন করিলেও ভাবীজানকে ম্যানেজ করিয়া কইরেন। বলাতো যায় না উনার অভিশাপে যদি আফিমের বাগানটাই সাফ হইয়া যায়!
ভগবান, সমুদ্রঃ আমার বিদেশে কোন ঠিকানা নেই
হয়ত আপনাদের আছে, পরবাসে থেকে যাবার সব রাস্তা আমি বন্ধ করে রেখেছি। দেশে ফেরার রাস্তাটা বন্ধ হলে কোথায় যাব? তাছারা সত্য হলেই সেটা বলতে হবে এমন কথাতো নেই - এখানে দায়িত্ববোধের একটা ব্যাপার আছে। ধৈর্য ধরুন, বিডিআর কাহিনী আপনারা এমনিতেই জেনে যাবেন। আকারে ইঙ্গিতে আমি কিছুই যে বলিনি তা কিন্তু নয়। আপনাদের মত জ্ঞ্যানীদের জন্যে অতটুকু যথেষ্ট হওয়া উচিৎ ছিল। আরো একটু শুনবেন? সেদিন (২৫ শে ফেব্রুয়ারী) মিলিটারি অপারেশন হলে এদেশের অফিসার র্যাঙ্কের কোন সৈনিককে আর জীবিত পেতেন না! আবার এই নতুন থিওরির জন্যে গালাগালি কইরেন না।
ই-মেলা বন্ধ হলে আমার কি লাভ, আমার তো আর এফ-মেলা নেই :-)। জাকারিয়া সাহেব ধাক্কা হজম করার ক্ষমতা রাখেন, কতটুকু রাখেন তা আমি উনার কিছুদিন আগের পোস্টেই দেখেছি। উনি যেন ভুলে না যান উনার "e-mela associates" উনার অজান্তেই পারস্পারিক সমঝতায় লিখালিখি করেন। যেটা বুঝতে পেরে আজ অনেক সরব কন্ঠ উধাও, যা WD নিজেই স্বীকার করেছেন। দোষ শুধুই উনাদের? গালাগালিতে কেউ কিছু মনে করে না, কারণ এটা সব পক্ষকেই করতে দেখেছি। কিন্তু ধোলাইটা যদি হয় collectively, তাও আবার জাকারিয়া সাহেবের কাছের মানুষদের দিয়ে, তখন এটাকে কোন পাল্লায় মাপবেন?
দেখি ভগবানের উর্বর মস্তিস্কে কিছু ঢুকলো কিনা।
ভগবান
স্ট্রেঞ্জারর নামধারী ইমেলার নতুন সেনসেশান সব কিছুতেই ষঢ়যন্ত্রের আভাস পান। এমন সব ষঢ়যন্ত্র যা জানলে বাংলাদেশে মহাপ্রলয় লেগে যাতে পারে।উনার দেশে যাওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।এখন জাকারিয়া সাহেবের হিডেন এজেন্ডা কাম ষঢ়যন্ত্র প্রকাশ করে আপাতত ইমেলাতে মহাপ্রলয় বাধাতে চাইছেন। আমার ধারনা উনার স্বপ্রনোদিত ষঢ়যন্ত্রের কারন আর কিছুই না, জাকারিয়া সাহেব যাতে রেগেমেগে এই সাইট বন্ধ করে দেন। তোমার আমার কলম যাতে বন্ধ হয়। জেল থেকে বীরের বেশে ফুলের মালা গলায় দিয়ে V(victory) সাইন প্রদর্শন করে বের হওয়া গর্বিত এইসব ভদ্রলোকদের তুমি চেন না , কেমন ভগবান তুমি?
এতক্ষনে অরিন্দম কহিলা বিষাদে...
এই ত এতক্ষনে আপনাকে চিনতে খুব সহজ লাগছে। এই কথাগুলো ইনিয়ে বিনিয়ে না বলে প্রথম হতেই যদি সোজা বাংলায় বলতেন তা হলে এত নাটকের প্রয়োজন হতনা।
দেশ গড়ার মহান কতর্ব্য পালন করে যান, শুভ কামনা রইল।
WD ওরফে সন্যাসী ভাই
আপনার লিখায় বুঝিতে পারিলাম আপনিও একজন সন্যাসী। আপনার মুরিদ হইতে আমার আপত্তি নেই, কারন আমি সন্যাসী-ই খুঁজিয়া বেড়াই। আমি আবার মুখ্য-সুখ্য মানুষ, আবোল-তাবোল কথা বলি বেশি। তাই মুরিদের কথায় বেয়াদবী নিবেন না।
হুযুর, আমাদের ইয়ুনুস আঙ্কেলের "শক্তি দই" কেমন চলিতেছে? পুষ্টিহীন শিশুরা কি উহাদের দু-একটি চোখে দেখিতেছে? নাকি উহাও হাই-টেক মহাজনী ব্যবসার মত হাই-টেক গ্লাস-ডোর রেফ্রিজারেটরে শোভা পাইতেছে? দেখিলাম পথকলি আমেনা, সিদ্দিকেরা এখনো ফেলে দেয়া কোক কিংবা ভারজিন এর টিন মুখের ওপর উপুড় করিয়া ধরে দু-এক ফোঁটা পাইবার আশায়, এরপর পরম যত্নে উহাকে পলিথিনে ভরিয়া বাড়ি নিয়া যায় খেলার ছলে পানি ভরিয়া খাইতে! শুনিলাম তাহাদের সংগ্রহে নতুন আইটেম যোগ হইয়াছে - "শক্তি দই-এর খালি বাটি"। মন্দ কি? তাহাদের হাঁরী-পাতিল খেলায় উহাকে বালতি মনে করিয়া হয়ত অনাবিল আনন্দ পাইতেছে।
স্ট্রেঞ্জার
প্রিয় মানব আমার!তোর অভিযোগের কথা শুনে ভগবানের আসন পর্যন্ত কেপে উঠেছে।হে মানবাত্মা!তুই যে ষঢ়যন্ত্রে্র কথা বললি তা এখানে প্রকাশ কর্।পারসোনাল ই-মেইলে এই ষঢ়যন্ত্রের কথা বললে তো আমি ভগবান এবং এখানকার মানবরা দেখতে পারবে না,জানতে পারবে না।আমি ভগবানের ছায়ার নীচে এই ই-মেলা।অনেকদিন যাবৎ তাকে আমি আগলে রেখেছি,কই আমি তো এইসব ষঢ়যন্ত্র ফরযন্ত্রের কথা জানতে পারিনি।তুই ভগবানের আগে কিভাবে তা জানতে পারলি?তুই একজন সাহসীমানব।এখানে সাহস করে সব কথা বল্।বল্ কে কার বিরুদ্ধে ষঢ়যন্ত্র করেছে,কে কি খারাপ এজেন্ডা নিয়ে এখানে এসেছে।যদি তা না বলিস ভগবান তোর উপর নাখোশ হবে।তুই সত্য কথা প্রকাশ কর্।বাকী বিচারের ভার তোর ভগবানের উপর ছেড়ে দে।আর যদি কথার কথা হিসাবে কোন প্রমান ছাড়া বলে থাকিস তাহলে বলব তুই অন্যায় করেছিস।।
আমার প্রিয় জাকারিয়া একজন উন্নত চরিত্রের অধিকারী বুদ্ধিমান,পরোপকারী মানব।তোরা তাকে মিথ্যা অপবাদ দিসনে যেন।তার কারনে তোরা একটা প্লেটফরমে মিলতে পারছিস,কিছু লিখতে পারছিস।হে আমার প্রিয় মানব তুই স্বগর্বে তোর কথা বল্।তুই হিডেন এজেন্ডা সম্বন্ধে যা জানিস তা এখানে প্রকাশ কর,নইলে ভাবব তুই অযথা কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছিস।আমি কিন্তু সবকিছুই জানি দেখতে পাই।তোদের উপর ভগবানের দরবার থেকে শান্তি বর্ষিত হউক।
stranger bhaijan
বলা কওয়া ছাড়া ঠাস কইরা বিদায়ের নোটিশ দিবেন আর আমরা আপনার এই নোটিশ মাইনা নিমু
এইটা আপনি ক্যামন কইরা আশা করেন ? আমাগো গাও গেরামে একটা কথা আছে " আওন নিজের ইচ্ছায় আর যাওন পরের ইচ্ছায় " । ভাইজান এমনিতে পেরেশানীর মধ্যে আছি নতুন কইরা আর টেনশন নেয়ার মতো শক্তি নাই । আপনার কি অবস্তা আমি জানিনা তবে আমার অবস্তা করুন । বউ
বলে ই-মেলা নাকি আমার দ্বিতীয় পখখ । এমন অবস্তা যে এই বয়সে লুকাইয়া আমাকে লগ অন
করতে হবে । এই নেশার কলকি আপনাদের কাছ থেকে আমি পাইছি এবং আমারে কলকী হাতে ধরাইয়া কাইটা পরবেন , এইটা কোন দেশী বিচার ভাইজান ? মাইর ? মাইরের কিচ্ছুই দ্যাখেন নাই । আরো মাইর আপনার কপালে আছে । আর জেলে গেলে দুইজনে একলগে যামু ।
আপনার সিদ্ধান্ত বদলানোর জন্য আমি খুশী হয়েছি । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
Dear Editor
যে কোন ব্লগ ঢুকলে ডান পাশের এনিমেটেড গেমের এডটা মাথা ধরিয়ে দেয়। ওটাকে অন্য কোন ক্যাটাগরির পেইজ এ পাঠানো যায় কি?
আমি যাই নাইঃ স্ত্রেঞ্জার
আমি আছি। ই-মেলার নেশা ধরাইছেন, যাওয়ার যায়গা নাই। আমার পোস্টটা ছিল licky pipe test, একটু হাইপোথিসিস পরীক্ষা। গালাগালি করলেও আমি আপনাদের সাথে আছি। জেল খাটছি, মাইর খাইছি, অকথ্য গালিগালাজ শুনছি - এই সব আমার সহ্য গেছে। আর ই-মেলাতো সেখানে শিক্ষিত রুচিবান মানুষের মেলা।
Dear editor, thanks for your attention.
আমাদের কোন হিডেন এজেন্ডা নেই
আমরা সাধারনত পাঠকদের মতামতের ভেতর নাক গলাই না। হাজারো পোষ্টিং-এর ভেতর সেটা আপনারা খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন। তবে, এখানে যেহেতু আমাদের কাছে একটা মন্তব্য চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর দেয়া।
ই-মেলা ইন্টারনেটে নতুন কোন সাইট নয়। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা আছি। তাই নতুন করে নিজেদেরকে নিয়ে কথা বলতে অনেকটা লজ্জাই লাগছে। আমাদের এজেন্ডা একটাই, সেটা হিডেন বলুন আর খোলামেলাই বলুন- সেটা হলো, একটা উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরী করা। সেখানে যে যা পারে, বলুক, আমাদের কী! কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত না করে, আপনার যা খুশি বলুন, কে আপনাকে বাধা দিচ্ছে?
প্রাথমিকভাবে একটা ব্যক্তিগত নেশা থেকেই শুরু। কিন্তু ধীরে ধীরে এটা বড় হতে শুরু করলে, এটাকে শামাল দেয়ার জন্য কিছু মানুষকে নিয়োজিত করতে হয়েছে। আবার সার্ভারের ক্ষমতাও বাড়াতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই আমরা গুগলের কিছু বিজ্ঞাপন নিয়ে থাকি, যা দিয়ে এই খরচটুকু এখনও উঠছে না। (অনেকের কাছে মনে হতে পারে, বিজ্ঞাপনে হয়তো অনেক টাকা :-), তাই এটুকু বলা)। সম্পাদকসহ সবারই ফুলটাইম চাকুরী আছে। এটুকু ধরে রাখতেই জীবন যায় যায় অবস্থা। বিশেষ করে, এতো সময় খেয়ে নেয়। যাদের এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম ম্যানেজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারা হয়তো বুঝবেন। কত শত ঘন্টা যে ব্যয় হচ্ছে। আরেকটা ফুল টাইম চাকুরীর মতো ব্যাপার। এমনকি সামাজিক জীবনও রক্ষা করা যাচ্ছে না। (মাঝখানে এটাকে বন্ধ করে দেয়ার কথাও ভাবা হয়েছিল। তখন রীতিমতো আপডেট করা হতো না।) এবং এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায়, আমরা অনেক বন্ধু পেয়েছি। তাদেরকে ছেড়ে আর কোথাও যেতে চাই না।
সাম্প্রতিক সময়ে আমরা কিছু সিরিয়াস কাজে হাত দিয়েছি। তার একটি হলো, প্রিয় পিপল (http://people.priyo.com)। এই প্রজেক্টি পুরো মাত্রায় শেষ হলে, বেশ ভালো একটি রিসোর্স হবে বলে আশা করছি। এবং ভবিষ্যতে আরো কিছু ফিচার যোগ করা হবে।
এছাড়া আসলে আমাদের আর তেমন কিছু বলার নেই। কেউ যদি এর বাইরে কিছু খুজে পান, তা এখানে লেখার জন্য অনুরোধ থাকলো। আমাদের তো লুকোচুরি করার কিছু নেই। আপনারা লিখুন। ভুল লিখলে আমরা শোধরানোর চেষ্টা করবো।
ধন্যবাদ সবাইকে।
Hidden agenda??
Hello Stranger:
I have been reading this board for last few months, but signed up a few days ago. I would appreciate if you could provide some hints on the hidden agenda.
At the same time, it would be good if the eidtor clarifies his position regarding your comments. I do not personally know the editor Mr. Z. swapan, but one of his batchmate used to be my roommate for about two years. My roommate was a nice person, and he never told me anything fishy about the editor. As far as I knew (via my roomate) the editor does prefential treatment to a certain political party to some extend. I strongly believe that he will keep this forum neutral as he is an educated person.
So, any additional comment on the "hidden agenda" will be helpful though.
Thank you!
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
আমার কিছু কথা
আমার প্রবাস জীবনে নিরানন্দ সময়কে আনন্দ ভরে দেওয়ার পথ যখন খোঁজছিলাম তখন একদিন ই-মেলায় ওয়াচডগের লেখা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।ওয়াচডগের কথা আমারই যে মনের কথা!অনেকদিন এই আসরে ঘুরাঘুরি করে অনেকের লেখার সাথেই পরিচিত হয়েছিলাম।বিশেষ করে ওয়াচডগের লেখা আমার মনে ঝড় তুলে অথচ আমি কাউকে তা বলতে পারছিলাম না।
একদিন মনে হল আমি ও যদি লিখি তাহলে কেমন হয়?যেই ভাবা সেই কাজ।প্রথম লেখাতেই আমার গুরুকে সালাম জানিয়ে শুরু করলাম।অবশ্য আমি তখন আমার আসল নামেই (Amzad Chowdhury) লেখা শুরু করি।সময়টা ২০০৫ এর শেষের দিকে হবে হয়তোবা।আসরের পুরানো কেউ থাকলে হয়তো সেই সময়কার কথা মনে করতে পারবেন।পরবর্তিতে ওয়ান এলেভেন এর চেতনাকে মনে ধারন করে বর্তমান আইডি দিয়ে লেখা শুরু করি।
আমি আসার সময় থেকেই মতিন সাহেবের গালি আমাকে ভাবিয়ে তোলে।একি কান্ড!একটি আসরে মানুষ এতটা উত্তেজিত হতে পারে,এতটা নীচে নামতে পারে বলে আমার জানা ছিল না।আমি ব্যাক্তিগতভাবে মতিনের বন্ধু হয়ে ওয়াচডগকে গালাগালি করার অর্থ খুজার চেষ্টা করেছিলাম।মতিন কিছুদিন আমার সাথে খুবই ভাল ছিল।পরে যখন বুঝতে পারল আমি ওয়াচডগের লেখার ভক্ত তখন আর যায় কোথায়?আমাকে তার গালাগালির খাতায় স্থান দিল এবং প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ওয়াচডগ এবং আমাকে অসহ্য ভাষায় এক হাত নিয়ে দিনের কর্মসুচি শুরু করত।আবার দুপুরে খেতে এসে কম্পিউটার খুলেই আর এক হাত।সর্বশেষে রাত ৯টা ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তার গালি বিরামহীনভাবে চলত।
এত কিছুর পরে ও আমরা নিরাশ হইনি।আমাদের কলম চালিয়ে গিয়েছি।এখানে এসে নিত্য নতুন বন্ধু পেয়েছি।জীবনের নিরানন্দ সময়ের সাথী হয়েছেন অনেকেই।অনেকের সাথেই ব্যাক্তিগত যোগাযোগ হয়েছে,হয়েছে ব্যাক্তিগত সুখ দুঃখের কথা।
ই-মেলার সবাই আমার বন্ধু,সবাইকে আমি ব্যাক্তিগতভাবে শ্রদ্ধার চোখে দেখে থাকি।এছাড়াও ঈদানিংকার ই-মেলার মিলন মেলার কথা আমরা সকলেই অবগত আছি।ই-মেলার আসরের মাধ্যমেই এসব সম্ভব হয়েছে।এক একবার মনে হয় ওয়াচডগ,রবিন,রেড এন্ড গ্রীন,গার্ডিয়ান,হাসান খান,জমিদার,ফার্মার (আরো অগনিত,সবার নাম একসাথে মনে আসছে না) এইসব বন্ধুকে আমি কোথায় পেতাম যদি এই মেলায় না আসতাম?কোথায় পেতাম সেলিমচি সাহেব,বিডি০৮ সাহেব আর আস্রাফ সাহেবের মত লোকদের লেখার সাক্ষাৎ?
আমার মনে হয় জীবনের অন্য কোন চাওয়া পাওয়ার জন্য আমরা এখানে আসিনি।এসেছি নির্মল আনন্দের জন্য,এসেছি মানুষ এবং বাংলাদেশকে জানার জন্য,এসেছি অন্যের কাছ থেকে কিছু শিখার জন্য।আর এই সবই পেয়েছি বলে মনে হয়।যখন অন্যের লেখা পড়ি তখন নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়।কিই বা জানি আমি পৃথিবী সম্বন্ধে,লিখার মত কিই বা জ্ঞান আছে আমার ভান্ডারে ?তারপরে ও নিজেকে জড়িয়ে রাখতে চাই এই মেলায়।জাকারিয়া স্বপন ভাই আমাদের এই পথ মসৃন করে দিয়েছেন।পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞান পিপাসু বাঙ্গালিকে এক জায়গায় গেথে দিয়েছেন।
আমি আছি,থাকিব এবং থা্কিতে চাই তোমাদের মাঝে,ই-মেলার এই জমজমাট আসরে।আমি যদি ঈশ্বরকে একদিনের জন্য ও আমার আয়ু বাড়াতে অনুরোধ করি তা হয়তোবা এই আসরের টানেই করিব।ধন্যবাদ সবাইকে।
হাসান সাহেব কেঃ দিলেন ত
",আপনিও শ্বঙ্খচিলের বেশে প্রবাসীদের এ বাংলায় ফিরে আসুন।
নইলে,"
ঃদিলেন ত পেজগি লাগাইয়া। ওক্ষন উনি যদি "শ্বঙ্খচিলের" বেশে ফিরত আসেন, আমার আইডির কি হইব?
উনাকে বলবেন যদি পাখি হইয়াই আইতে ইচ্ছা করে অন্য কোন পাখি হইয়া আইতে, বক, শালিক, চড়ুই বা ঘুঘু।
আর ্নিতান্তই যদি এইনামেই পুনরজন্ম নিতে হয়, তাহলে উনার আইডিটা যেন রাখে "আজনবি শ্বঙ্খচিল"। তাইলে বুঝা যাইব এইডা স্টেঞ্জার ভাইয়ের নতুন আইডি!!
স্ট্রেঞ্জার সহ সবাই ভাল থাকবেন। থকে যান, ভগবান ই মত পাল্টালেন আর আপনি ত আমাদের মত সাধারন একজন।
আবার আসিবো ফিরে...।।
ই-মেলাতে কে কোন হিডেন এজেন্ডা নিয়ে পদচারনা করেন তা জানি না। সপ্তাহিক যাযাদি এর উথ্যানকাল থেকেই জাকারিয়া স্বপন ভাই আমার পরম পছন্দনীয় একজন লেখক ও ব্যক্তিত্ব। উনাকে ব্যক্তিগতভাবে আমি চিনি না এবং জানিও না। প্রবাসের এই যান্ত্রীক ছন্দময় জীবনে অযান্ত্রীক মানষিক তৃপ্তির জন্যই এখানে এই ই-মেলায় আমার অলস সময়ের সদ্বব্যাবহার করি। এখানে সমুদ্র,১/১১,মুখে বিষ,ওয়াচডগ,জ্যাকব,রবিন হুড,ভুমিহীন,ফারমার,রানা,বাংলাদেশ-২১,হৃদয়,সংখচিল,ষ্ট্রেঞ্জার,অ ভগবান,আশরাফ,বিডি গ্রুপ সহ অনেকের লেখা তত্ব উপাত্ব আমার নিরানন্দ প্রাবাস জীবনে বৈচিত্র আনে।
আমার পরম প্রিয় শত্রু বা বন্ধু ওয়াচ ডগ যেমন বলেন,কোন মুরীদের প্রাত্যাশায় নয়, রাতারাতি আমার দেশটাকে স্বর্গভুমিতে রুপান্তর নয়, আমার একান্ত ভাল লাগার সময়টাকে আমারমত করে ব্যায় করতেই আমার পরম শ্রদ্ধ্যেয় জাকারিয়া স্বপন ভাইয়ের এ প্রিয় মিলন মেলায় ছুটে আসি।
ষ্টেরঞ্জার,আপনিও শ্বঙ্খচিলের বেশে প্রবাসীদের এ বাংলায় ফিরে আসুন।
আইলে আ,
নইলে চুলায় যা।
পৃথিবী ঘুরেছে,
ঘুরছে এবং ঘুরবে
তোকে নিয়ে
বা তোকে ছাড়াই।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
Stranger সাহেব
কোন্ ধরনের hidden agenda বাস্তবায়নের মিশন নিয়ে ই-মেলার জন্ম তা এডিটর ভাই ভাল বলতে পারবেন, তবে আমার মত অনেকের কাছে ই-মেলা হচ্ছে এক ধরনের আসক্তি, যা মাদকাসক্তির চেয়েও অনেক শক্তিশালী। যদি ভূল না হয় ই-মেলার জন্ম ১৯৯৯ সালে, এবং ব্যক্তিগত ভাবে নিজকে এ নেশায় জড়িয়েছি ২০০২ সাল হতে। সেই যে শুরু তা আর শেষ হয়নি। কিন্তূ এ নেশায় তেমন কিছু হারিয়েছি তা বললে ভূল হবে, বরং আজেবাজে রাস্তায় সময় এবং অর্থ ব্যায়ের পরিবর্তে এ আসরে কোয়ালিটি সময় ব্যয় করছি বল্লেও বাড়িয়ে বলা হবেনা। আমার সমসাময়িক নেশাখোর Robin Hoodকে জিজ্ঞেষ করে দেখতে পারেন।
অতীতে এ আসরে অনেক বিপ্লবী আগুনের অগ্নি স্ফূলিংগ ছড়িয়ে দেশসেবা করার চেষ্টা করে গেছেন, সফল হন্নি। কেন জানেন? বাংলায় একটা কথা আছে, অতি সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট। এ আসরে সবাই এক এক জন সন্ন্যাসী, মুরীদ বানানোর মানুষের সংখ্যা একেবারেই কম। আপনিও যদি মুরীদের সন্ধানে এ আসরে সময় ব্যয় করে থাকেন দুঃখের সাথে বলতে বাধ্য হব, ভূল যায়গায় এসেছিলেন। আর যদি নির্মল আনন্দের জন্য সময় কাটাতে চান, ই-মেলায় স্বাগতম।
চে গুয়েভারাকে নিয়ে হাসান ইমাম সাহেবের কঠিন বিপ্লবী ভাষ্যটার সূরে সূর মিলিয়ে বলতে চাইঃ
ষ্ট্রেঞ্জার ফিরে আসছে। ষ্ট্রেঞ্জার ছিল,আছে,থাকবে। এমনটাই হয়, বিদায় নিয়েও বার বার ফিরে আসি আমরা। তা মিশন পূর্ন করার টানে নয়, বরং পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা স্বদেশীদের চিন্তা ভাবনার সাথে পরচিত হতে। ষড়যন্ত্রের বস্তাপচা কাহিনী শুনিয়ে নিজকেই হাল্কা করলেন মাত্র।
Same here, Mr. Stranger. I
Same here, Mr. Stranger.
I enjoyed your different postings and comments. Wanted to take part, but it's difficult to type and continue long discussions. (I definitely prefer Bangla but it's more difficult and I am yet to learn the technique fully). I wish you were here for much more.
Face to face adda is the best thing in life. Thanks to our dear editor bhai for arranging such board.
সক্রেটিস সাহেব হাজার বছর আগেই বলেছিলেন "আড্ডা হলো সবচেয়ে প্রাচীন শিখহা ব্যবস্থা"!
RH
RH, you are talking about me a lot, thanks; but I do not deserve it, I have not done anything yet. If I succeed, I will let you know.
stranger: Wish you were here always
You had a short stay like a migrated Siberian swan; I saw you coming, now, I am seeing you are going. Next time, when you come back, the land will be more known to you; until then, you will have lots of (good) memories about e-mela friends. Wish you were here always.
Permanent departure?
Stranger:
Not sure if it is your permanent departure.
If you think people take this e-Mela seriously, you are naive. It is just a past time for many people.
If network through this e-Mela helps people to lead a prosperous life, I think it is the success of this forum. Bangladeshis living in different countries have different way of looking at life. You call it a charade, I call it diversity.
On a personal level, I met farmer and spoke with Vumi. These two New Yorkers are the most wonderful people on a personal level. I have a lot of thing to learn from these two New Yorkers.
I hope you will not vanish like many in the short life of e-Mela.
Robin
Carmel, California
স্ট্রেঞ্জার
আমি এই মেলায় খুব বড় কোন আশাবাদ নিয়ে লিখিনা। তাই, আমার আশা ভঙ্গের কোন কারন নাই। মেলা মানেই হরেক কিসিমের লেখকের সমাহার, হরেক মতবাদ, হরেক রঙের বাহার। তাই, এ ফোরামকে ভীষন ক্যাজুয়ালী নেই, স্রেফ কথা বার্তা, মাঝে মধ্যে হটাত কিছু ভাল ডিস্কাশন আর ডিবেট ফাও পাওনা।
হাসান ইমাম, শংখচিল এবং বিডি কোম্পানি ভাইদেরকে
You are a lone gunman like me. You are wasting your time. With all respect, perhaps you could not discover who are the people behind e-mela and what is their agenda. Making business is OK, but keeping innocent people in loop with a vision of better Bangladesh is just an illusion (unless you are part of it). Ask me at this address (kh.hasan@gmail.com) to know who is who and how they are interconnected. This charade is never gonna end :-).
Bye Bye from e-mela
No,my creature
You will not be thrown into hellfire.I will keep my creature in my womb.Vogoban is ready to sacrifice His name for the well being of His creature.
Vogoban
I will be thrown into hellfire if I use your name.
Spare me, Vogoban!
Robin
Carmel, California