লন্ডন থেকে বিদিশা: এরশাদ মনে করতেন হাসিনা আল্লাহতে বিশ্বাস করেন না
বিদিশা : লন্ডন থেকে
গত মঙ্গলবার দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় প্রকাশিত সিডনি থেকে আকিদুল ইসলামের ‘জেল থেকে বিদিশাকে লেখা এরশাদের একটি চিঠি: আওয়ামী লীগ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত রাজনৈতিক দল’ শীর্ষক লেখাটি ইন্টারনেটে পড়লাম। তিনি লিখেছেন, এরশাদের চারিত্রিক অসততা নিয়ে। সেটি প্রমাণ করতে গিয়ে তিনি আমার কাছে লেখা এরশাদের কিছু চিঠির কথা উল্লেখ করেছেন।
আসলেই দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০০০ সালের শেষ দিকে এরশাদ যখন জেলে যায়, সেখান থেকে আমার কাছে নিয়মিত চিঠিপত্র লিখত। অসচেতন পাঠকের মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে, চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে আকিদুল ইসলাম জানলেন কী করে? আসলে সেই সব চিঠির উপর ভিত্তি করে গত ফেব্র“য়ারিতে ‘স্বৈরাচারের প্রেমপত্র’ নামে আমার একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। জনাব ইসলাম সম্ভবত সেই বইটি পড়েই তার এই লেখাটি তৈরি করেছেন। তার লেখায় এই তথ্যটুকু উল্লেখ থাকলে ভালো হতো।
এরশাদ বঙ্গবন্ধুর প্রতি, তার কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি কতটুকু শ্রদ্ধাবোধ পোষণ করেন, তা নিয়ে নানা ঘটনার স্মৃতিচারণ ইদানীং এই ‘আমাদের সময়’ পত্রিকার পাতাতেই অনেককে করতে দেখি। তাদের মধ্যে এরশাদ নিজেসহ কিছু রাজনীতিবিদ যেমন আছেন, তেমনি আছেন পীর হাবিবের মতো সাংবাদিকও। তাদের বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি নিশ্চয়ই খুব প্রবল। তারপরেও আওয়ামী লীগ ও হাসিনা সম্পর্কে এরশাদের মনোভাব নিয়ে লিখতে গিয়ে তার যদি একবার ‘স্বৈরাচারের প্রেমপত্র’ বইটিতে চোখ বুলাতেন, তাহলে হয়তো অনেক বিভ্রান্তিই এড়ানো যেত। কারণ আমার ওই বইয়ে এরশাদের নিজে হাতে লেখা চিঠিগুলোই আছে। সেই সব চিঠিতে তিনি স্পষ্টভাবেই তার আজকের ‘বোন’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, তিনি নাকি আল্লাহতে বিশ্বাস করেন না। আরো বলেছেন, শেখ হাসিনার আচরণ নাকি খুবই অমার্জিত এবং নোংরা। আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত রাজনৈতিক দল ইত্যাদি। এইসব লিখিত চিঠির বাইরেও আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু কিংবা শেখ হাসিনা সম্পর্কে এরশাদ কী ভাবতেন, কী বলতেন, তা এরশাদের পালিত অনেক সাংবাদিকের চেয়ে আমি ভালোভাবে জানি। তার স্ত্রী থাকাকালে অনেক কথাই সে আমাকে বলেছে। ’৮৮-তে শেখ হাসিনাকে কীভাবে তিনি নির্বাচনে আনতে পারলেন, কাকে নিয়ে কবে তিনি লং ড্রাইভে গিয়েছিলেন, কোন নেত্রী তার সৌন্দর্যের প্রতি দুর্বল ছিলেনÑ এরকম অনেক কিছুই তিনি আমাকে বলেছেন নিজের বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে। এমনকি সে নিজে কতটা সুকৌশলে কাজ করতে পারদর্শী তার উদাহরণ দিতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন জিয়া হত্যার বিষয়টিও। তবে এসব একান্তই স্বামী-স্ত্রীর বাক্যালাপ। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত আর উল্লেখ করতে চাই না পত্রিকার পাতায়।
এরশাদ সম্পর্কে আমার বর্তমান উপলব্ধি হচ্ছে, তিনি শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিবেচনায় একজন বৃদ্ধ ও অথর্ব। কখন কী বলেন নিজেই মনে রাখতে পারেন না। একইসঙ্গে তিনি মনে করেন, তার মতো অন্য সবাইও বুঝি ভুলে যায়।
আজ দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে এরশাদ আমার ছেলে এরিককে জোর করে আটকে রেখেছে। এই সময়ে আমি এরিকের সঙ্গে একটিবারের জন্য দেখা করতে পারিনি, এমনকি তার সঙ্গে আমাকে টেলিফোনে পর্যন্ত কথা বলতে দেয়া হয়নি। পৃথিবীর কোন আইনে, কোন মানবিক বিবেচনায় এ আচরণকে সুস্থ বলা যায়? সে কারণেই আমার মনে হয় সে কেবল বৃদ্ধ ও অথর্বই নয়, একইসঙ্গে মনোজগতে এখনো স্বৈরাচার, বিকৃত ও অসুস্থ। রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিবর্তে তার স্থান হওয়া উচিত বৃদ্ধাশ্রমে, মানসিক সংশোধন কেন্দ্রে।
মানসিকভাবে এই লোকটি কতটা অসংলগ্ন এর প্রমাণ পাওয়া যায় নির্বাচনের আগে ও পরে রাষ্ট্রপতি হওয়া নিয়ে তার আহাজারি থেকে। পুরো টার্মের সম্ভাবনা না দেখে একপর্যায়ে তিনি খায়েশ প্রকাশ করলেন অন্তত ছয় মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি হতে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা যখন জিল্লুর রহমানের নাম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণাই করে দিলেন, তখন সে কিনা বললেনÑ পাঁচ বছরে অনেকগুলো ৬ মাস আছে। এর কোনো একটিতে তিনি রাষ্ট্রপতি হবেন। কী হাস্যকর পাগলামি! নাকি তিনি মনে মনে প্রার্থনা করেন যে, এই পাঁচ বছরের মধ্যে জিল্লুর রহমান সাহেব মারা যাবেন, তখন তিনি ৬ মাসের জন্য বসবেন ওই চেয়ারে?
তবে আকিদুল ইসলামের সঙ্গে আমি একটি বিষয়ে একমত নই। তিনি হয়তো ভাবছেন, এতকিছুর পরেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরশাদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কেন? আসলে গুরুত্ব কি দিচ্ছেন? আমি বরং প্রশংসা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার। তার সম্পর্কে এরশাদ যা কিছু বলেছে অতীতে, অন্য কেউ হলে তা হয়ত ক্ষমা করত না। কিন্তু সম্ভবত কেবল রাজনৈতিক কারণে তিনি অন্তত প্রকাশ্যে প্রতিশোধপরায়ণতা দেখাননি। তবে যা করেছেন তা প্রতিশোধের চেয়েও বেশি। রাষ্ট্রপতি, উপদেষ্টা, উপনেতা এবং অগত্যা মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত হতে চাওয়া ‘এত বড় এক নেতা’ এরশাদকে ‘যেকোনো এক এমপি’ বানিয়ে রেখেছেন। এই ক্ষমা যে কতটা নির্মম, তা এরশাদের জায়গায় অন্য কেউ হলে ঠিকই বুঝতে পারতেন। কিন্তু এরশাদ পারছেন না। কারণ, ওই যে বললাম, তিনি এখন বৃদ্ধ ও অথর্ব। সাধারণ বোধ-বুদ্ধিও তার লোপ পেয়েছে। নিজেকে পরিণত করেছেন তিনি একজন পলিটিক্যাল ক্লাউনে। সে কখন কী বলে না বলেÑ কেউ তা গুরুত্বই দেয় না। উপেক্ষা যে অপমানের চেয়েও বেশি বেদনাদায়কÑ এটা উপলব্ধির ক্ষমতাও তার নেই।
তারপরও দুর্ভাগ্য, আমাদের দেশে এরকম রাজনীতিকরাই এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

Apology..........(for vumihinzamidar)
কামাল জামালের সাথে হাসিনার মুসলমানী , এই ধরনের উদাহরন আপনার কী বোর্ড থেকে বেমানান
লাগে (বেয়াদপী মাফ করবেন ) ।
====
শুরুতেই আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি,আশা করি নীজ গুনে ক্ষমা করবেন|সেই লাইনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে|
হাসিনা আমার মায়ের বয়েসি,ছাত্রজীবনে তার ৩২ নম্বরের বাসায় গিয়েছিলাম কয়েকজন বন্ধু মিলে|ঐ লাইনটি আমার মনের কথা নয়,লিখার সময়ও বুক কাপছিল|লিখেছি হাসিনা সমন্ধে কোন মুফতি সার্টিফিকেট দিয়েছে সেটাতে বিরক্ত হয়ে|ব্যাক্তি হাসিনা বা খালেদাকে শ্রদ্বা করি,নেত্রী হিসাবে নয় নিজের মা'য়ের বয়েসি,মা হিসাবে| দেশে মা'র সাথে প্রতিদিন কথা হয় তবু বুকটা হু হু করে আর সেই থেকেই সব মা'কেই নীজের মা মনে হয়|
দু:খিত অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য|
আর আমার নামটা সবাইকে জানিয়েই বদল করবো ভাবছি| please pray for me so that I can pray namaz 5 times a day, though it is tough for office schedule.
thanks a lot.
ধর্মকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করার কি কোন সুযোগ নেই?
পৃথিবীর প্রায় সমস্ত ধর্মই মানুষকে অনিষ্টকর কাজ হইতে বিরতে থাকিতে আদেশ করে। একজন মানুষ শুধু তাহার ধর্মীয় মুল্যবোধ থেকেই সততার দৃষ্টান্ত হইতে পারে। উহা একটি সহজ পথ যা অর্জন করিতে দার্শনিক হইতে হয় না। ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করা খুব সহজ বিধায় উহার অপব্যবহার করিয়া যুগ যুগ ধরিয়া ক্ষমতার রাজনীতি চলিয়া আসিতেছে। আমাদের রাজনীতিবিদেরা ধর্মকে ব্যবহার করিয়া ভোট রাজনীতির যে অধর্ম করিয়া থাকেন, ঠিক তার বিপরীত অবস্থানে দাঁড়াইয়া ধর্মকে ব্যবহার করিয়া রাষ্ট্রিয় এবং সামাজিক সুশাষন নিশ্চিত করা যায়, মানুষের মাঝে মানবিক মুল্যবোধ এবং দায়িত্ববোধ যাগাইয়া তোলা যায়। এই অবস্থান থেকে ধর্মকে ব্যবহার করিয়া, আইন-বিচারের ভয় না দেখাইয়াও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করা যায়। প্রশ্ন উঠিতে পারে তবে নাস্তিকদের লইয়া কি হইবে। একজন মানুষের আচার, রীতি, ব্যবহার তাহার সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক নিয়ামক দারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নাস্তিকেরা তাহাদের নিজ দর্শনে নাস্তিক, তাই বলে সমাজ বিরোধী নহে।
বিষয়টি ভুল যায়গায় আলোচনা করিয়া থাকিলে ক্ষমা করিবেন...
একমত শুধু
আপনার সব লেখার সাথে একমত শুধু ফকরুদ্দিনের শাসন আমরা দেখিয়েছি।নিঃসন্দেহে উনি সৎ।কিন্ত রাষ্ট্র চালোনা শুধু সততা দিয়ে হয়না।আর ইঊনুশ সাহেবের কথা শুধু এটুকুই বলি "কিছু লোক আছে যারা সামান্য মানবিক কাজ করে এমন সংগঠিত প্রচার চালায় যে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে ফেলে।"ইঊনুশ তেমন এই একজন।নিঃসন্দেহে ইউনুশের নোবেল প্রাপ্তি আমাদের জন্য একটা গৌরবের ব্যাপার।কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে ইঊনুশ এমন কোন বিপ্লব করে ফেলেনি যাকে যার জন্য তাকে নোবেল দেয়া হয়েছে,বরং ক্লিনটন পরিবারের সাথে সম্পর্ক রাখাটাই তার অন্যতম প্রধান যোগ্যতা ছিল। শুনুন রবীন্দ্রনাথ যেখানে জালিয়ানবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ স্বরুপ নাইট উপাধি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সেখানে সাদেক হসেন খোকার মত একজন দূর্ণীতিবাজের দেয়া সংবর্ধনায় তিনি সগৌরবে গিয়েছে। কখনও কি শুনেছেন যে ইঊনুশ কোন সরকারের সেটা হাসিনা/খালেদা/এরশাদ হোক কারো স্বৈরাচারি সিদ্বান্তের বিরুদ্বে একটা কথা বলেছেন। না বলেন নি বলবেনও না কখণও।
একজন প্রেসিডেন্ট বা দেশের
একজন প্রেসিডেন্ট বা দেশের প্রধান্মন্ত্রীর ধর্ম কি বা উনি উনার ধর্ম ঠিকভাবে পালন করেন কিনা তা উনার একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় হওয়া উচিৎ । উনার রাস্ট্রীয় দায় দায়িত্বের সাথে তার কোন লেনাদেনা থাকার কথা নয়। আমরা যে যেই চাকরিই করি না কেন, চাকরিক্ষেত্রে দেখা হয় আমাদের পারফরমেন্স , ধর্মপালন নয়। । প্রধান্মন্ত্রীর পদও একটি চাকরি।সুতরাং এই চাকরিতে কর্মরত ব্যক্তি তার দ্বায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কি না তাই বিবেচ্য হওয়া উচিৎ।ইন্ডিয়ার মত হিন্দু অধ্যুষিত দেশেও মসুলমান প্রেসিডেন্ট দেখা গেছে।কিন্তু আমাদের দেশে যেহেতু যোগ্যতা কোন বিচারের মাপকাঠি নয়, সেহেতু নেতা নেত্রীরা গুন্ডামি, কাড়ি কাড়ি টাকা বিতরন ও ধর্মকে ( প্রকৃতপক্ষে যা ইসলাম ধর্মের প্রতি অপমান) ব্যবহার করে ইলেকশন নামক প্রহষনে অংশগ্রহন করে। যতদিন না প্রকৃত যোগ্য লোকেরা ( একজন ফকরুদ্দিন, ইউনুস)-ক্ষমতায় আসবে, ততদিন ইসলাম অপব্যবহার করার ভন্ডামি আমাদের দেশে চলবেই।
একজন প্রেসিডেন্ট বা দেশের
একজন প্রেসিডেন্ট বা দেশের প্রধান্মন্ত্রীর ধর্ম কি বা উনি উনার ধর্ম ঠিকভাবে পালন করেন কিনা তা উনার একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় হওয়া উচিৎ । উনার রাস্ট্রীয় দায় দায়িত্বের সাথে তার কোন লেনাদেনা থাকার কথা নয়। আমরা যে যেই চাকরিই করি না কেন, চাকরিক্ষেত্রে দেখা হয় আমাদের পারফরমেন্স , ধর্মপালন নয়। । প্রধান্মন্ত্রীর পদও একটি চাকরি।সুতরাং এই চাকরিতে কর্মরত ব্যক্তি তার দ্বায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কি না তাই বিবেচ্য হওয়া উচিৎ।ইন্ডিয়ার মত হিন্দু অধ্যুষিত দেশেও মসুলমান প্রেসিডেন্ট দেখা গেছে।কিন্তু আমাদের দেশে যেহেতু যোগ্যতা কোন বিচারের মাপকাঠি নয়, সেহেতু নেতা নেত্রীরা গুন্ডামি, কাড়ি কাড়ি টাকা বিতরন ও ধর্মকে ( প্রকৃতপক্ষে যা ইসলাম ধর্মের প্রতি অপমান) ব্যবহার করে ইলেকশন নামক প্রহষনে অংশগ্রহন করে। যতদিন না প্রকৃত যোগ্য লোকেরা ( একজন ফকরুদ্দিন, ইউনুস)ক্ষমতায় আসবে, ততদিন ইসলাম অপব্যবহার করার ভন্ডামি আমাদের দেশে চলবেই।
কালা হাসিনার সাদা অধ্যায় !
" লক্ষ্য করুন, শেখ হাসিনা কিন্তু রাজণীতির জন্য কাউকে নির্বিচারে ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠান নাই, কাউকে প্রহসনের বিচারে ফাঁসিও দেন নাই। আবার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য দেশে জঙ্গীবাদও রোপণ করেন নাই। অন্ততঃ এসব কালো অধ্যায় আর কলঙ্কের ভাগীদার শেখ হাসিনা নন।"............
হাসিনা চলন্ত বাসের যাত্রীকে পুড়িয়ে মারে ,হাসিনার জংলী বাহিনী লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারে তার পরেও 'কালা হাসিনা ' সাদা থাকে ! বাপকা বেটি !বাপ শেখ মুজিবতো পাখির মত গুলি করে মানুষ মারতেন । ভন্ডামি আর মানুষকে ধোঁকা দেয়ার গুষ্টি ! হাসিনা কোনো কলংকের ভাগীদার না , উনি নিজেই একটা কলংক ।
betrayed
রাজনীতির সাথে ধর্মের কোন সর্ম্পক নাই , কোন লেনদেন নাই । ইসলামের নামে যারা ধর্মের আড়তদাড়ী ব্যাবসা খুলে রাজনীতি করতেছেন তাদের সর্ম্পকে আমরা ওয়াকিফহাল আছি । কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি করে নির্বাচনের আগে ওমরা হিজাব তসবীহ দিয়ে সাধারন ভোটারকে ধোকা দেয়াকে আমি ভন্ডামী মনে করি এবং হাসিনা এই ভন্ডামী করেছেন ।
কামাল জামালের সাথে হাসিনার মুসলমানী , এই ধরনের উদাহরন আপনার কী বোর্ড থেকে বেমানান
লাগে (বেয়াদপী মাফ করবেন ) ।
বি দ্র কদচিত নয় সব সময় নামাজ আদায় করতে চেষ্টা করবেন । নামাজ আদায়ের আনন্দই আলাদা ।
আপনার নাম উচ্চারন এতো কঠিন যে আমার দাঁত ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম । সবাইকে জানিয়ে এবং
এফিডেবিটের মাধ্যমে চেঞ্জ করা যায় ?
Betrayed............
"সমস্যা হল তার মুসলমানিত্ব প্রমান করতে গিয়ে দলীয় চামচা লুটেরারা ইলেকশন আসলেই হাসিনার উমরা করা, হেজাব পরা, তসবিহ হাতে, জায়নামাজে বসা পোষ্টার বাজারে ছাড়ে|উদ্দেশ্য মুসলমান ভোট আদায় করা, এই এরাই আবার দিল্লিকে খুশি করতে ও ১৫-২০% স;খ্যা লঘু ভোটারকে ভাওতাবাজী করতে স্যাকুলার মুলা ঝুলায়!"== এটাও একধরনের রাজনীতি এটাতে রাজনীতির সাথে ধর্ম বা ধর্মের সাথে রাজনীতি জড়িত। এটাতে দেশবাসী ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছেনা। কিন্তু রাজনীতি উঠে আসছে এবং তা'হল শেখ হাসিনার রাজনীতি। আর এটাই মনে হয় আপনার গাত্রদাহের কারণ। লক্ষ্য করুন, শেখ হাসিনা কিন্তু রাজণীতির জন্য কাউকে নির্বিচারে ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠান নাই, কাউকে প্রহসনের বিচারে ফাঁসিও দেন নাই। আবার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য দেশে জঙ্গীবাদও রোপণ করেন নাই। অন্ততঃ এসব কালো অধ্যায় আর কলঙ্কের ভাগীদার শেখ হাসিনা নন। আর উনি যদি ভাল কাজের অভিনয়ও করেন তাতেও দোষের কিছু নাই এবং বুঝতে হবে উনি ভালটার সাথেই আছেন।
আপনার নেতা জিয়া ছিলেন জঘন্য এক নর হত্যাকারী। আর আপনার নেত্রী জংগীবাদের জননী। শেখ হাসিনা এসব জঘন্য কলংকের দায় থেকে মুক্ত।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
প্রসংগঃ হাসিনা খালেদার মুসলমানী
হাসিনা যেভাবে ধর্মকে ব্যাবহার করে নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার চেষ্টা করেছেন তা অতিশয় নিন্দনীয়।ভোটের সময় হিজাব পড়ে তসবী হাতে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা তার রাজনৈতিক দেওলিয়াত্বকেই প্রকাশ করে।আবার ভোটের পরে হিজাব তসবী হাওয়া হয়ে যাওয়ার পর বুজতে বাকী থাকেনা তিনি কি কারনে এইসব করেছিলেন।হাসিনার চেয়ে খালেদা ও কিন্তু গদি পাওয়ার জন্য ধর্মকে ব্যাবহার করার দিক থেকে পিছিয়ে নেই।ধর্মান্ধ আদম সন্তানদের ভোট পাওয়ার জন্য ইসলামী জেহাদে নাম লিখিয়ে বাংলা ভাইকে দিয়ে মানুষকে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করেন নি।তার সময়ে মোল্লা মৌলভী আর ধর্মীয় উম্মাদদের উম্মাদনা রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিল।হাসিনাকে ধর্ম ব্যাবহারের জন্য যদি আমরা মুসলমানী করাতে পারি তাহলে খালেদাকে করাতে পারি না কেন?আমার মনে হয় ধর্মীয় উম্মাদনার ক্ষেত্রে খালেদা হাসিনার চেয়ে দ্বিগুন এগিয়ে ছিলেন।রাজাকারদের পুনর্বাসন এবং তাদের গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা উড়ানোর মত আস্পর্দা খালেদাই দেখাতে পেরেছিলেন।তাই অংকের সরল সমীকরনে খালেদার মুসলমানী দুইবার হওয়ার দাবী রাখে।আর যদি আমরা মনে করি রাজনৈতিক দেওলিয়াপনার জন্য হাসিনার মুসলমানী হয়ে গিয়েছে তাহলে একই কারনে খালেদার মুসলমানী ও দুইবার হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।আশা করি পাঠক আমার সাথে একমত হবেন।
বাংলাদেশের রাজনীতির খতনা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুসল্মানিত্ব জাহির করার রেয়াজ কবে থেকে এবং কেন তৈরি হয়েছে সেটার একটা বিবরন লেখেন বিট্রেয়েড ভাই।
কারা সেকুলার মতধারার বিশ্বাসিদের ব্যক্তিগত মুসল্মানিত্ব নিয়ে টালা হেচড়া করারার রাজনীতির প্রবর্তক, ধারক ও বাহক?
জনসভা আর রাজনীতির ময়দানে, সকল কথার আগে তীব্র স্বরে "বিসমিল্লাহ" বলার রাজনীতি কাদের রীতি?
আম্লিগকে ভোট দিলে, ধর্ম যাবে (এমনকি বঊ তালাকেরও ফতোয়া দেয়া হয়েছে), মসজিদে উলু ধ্বনি বাজবে, কাদের নির্বাচনি প্রচারনা?
হাসিনার মাথায় কাপড় দিয়ে নখরামি আমি পছন্দ করিনা। কিন্তু ভোটের বাজারে, ধর্মের শুরশুরিকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বিকৃ্তি দিয়ে, হাসিনাকে এই ভন্ডামি করতে অনেকটা বাধ্য করা হয়েছে, যা মুজিবকে করতে হয়নাই বা মুজিব করেন নাই। তাই মুজিব আর হাসিনা এক জিনিস না। তুলনার বাইরে।হাদিনা পরিস্থিতির চাপকে অস্বিকার না করে সারেন্ডার করছেন। কারন, উনি অন্য দশজনের মত একজন সাধারন মানের নেতা। কিন্তু ধর্মের ধ্বজাদারিদের নেতানেত্রিরা আচার আচরন চাল চলন বক্তিগত জীবন কতটা ধর্মানুসারি? মুখে ইসলামের ফেনা তুলে ফেলা এরাও একি বিচারে আরো বড় ভন্ড নন?
সংবিধানে বিসমিল্লাহ যোগ করে কয়জনের বেহেস্থের টিকিট মিলেছে যানিনা, কয়হন পরহেজগার বেড়েছে যানা নাই, তবে ভোটের গোলায় অনেক ধান উঠেছে।আমাদের সংবিধানের খতনা করিয়ে যারা নুসল্মান বানিয়েছেন, তাতে দেশ-দশের কি লাভ হয়েছে জানিনা, কিন্তু ইস্লামের পাইন মারা শেষ, এইটা বুঝতে আলেম হইতে হয় না।
রাজনীতির নোংরা মাঠে যারা ধর্ম নিয়ে চিতকার পারেন, আরেকজঙ্কে মুরতাদ ঘোষনার জন্য উন্মুখ হয়ে বসে থাকেন, সেকুলাদের নাস্তিক বলে খোচা দেন,নির্বাচন-ভোট-ক্ষমতা বানিজ্যে নামেন তাদের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ একজন সেকুলার ত দুরের কথা, একজন নাসিতকের চাইতেও কম।
হাসিনার মুসলমানি ও স্যাকুলার মূলা...
bangladesh21 নামের ছাত্রলীগ ক্যাডার(সুত্র: সমুদ্র) বলেছেন তার নেত্রী পাক্কা মুসলমান,মুফতি ইজহারুল সার্টিফিকেট দিয়েছে..!!হাসিনা নাকী ঘুম থেকে উঠে কোরআন শরীফও পরে..!!
আসল কথাটা বলার আগে একটু পিছনে ফিরে তাকাতে চাই, সে হল হাসিনার বাবা মুজিব|যারা মুজিবের ভাষন শুনেছেন তারা খেয়াল করবেন মুজিব "ইনশাল্লাহ" কথাটা প্রায়ই ব্যবাহার করতেন,কথায় কথায় মাশাআল্লহ বলতেন|তিনি নামাজ পড়ুক না পড়ুক|সে যে মুসলমান ছিল এখানে কারো তর্কের অবকাশ কোথায়? মুজিবের স্ত্রী ও মুসলিম নারী ছিলেন|সুতরা; হাসিনা-রেহানা-কামাল-জামাল সবাই মুসলিম পরিবেশে বড় হয়েছেন|তার ৫ ওয়াক্ত নামজ পড়তে হবে, ভোরে উঠে কোরআন পড়তে হবে এমন কোন কথা নেই|
সমস্যা হল তার মুসলমানিত্ব প্রমান করতে গিয়ে দলীয় চামচা লুটেরারা ইলেকশন আসলেই হাসিনার উমরা করা, হেজাব পরা, তসবিহ হাতে, জায়নামাজে বসা পোষ্টার বাজারে ছাড়ে|উদ্দেশ্য মুসলমান ভোট আদায় করা, এই এরাই আবার দিল্লিকে খুশি করতে ও ১৫-২০% স;খ্যা লঘু ভোটারকে ভাওতাবাজী করতে স্যাকুলার মুলা ঝুলায়!
আওয়ামি রাজনিতীর মক্কা স্যাকুলার ইন্ডিয়ায় কত লাখ লোক মরেছে শুধু ধর্মীয় দা;গায়|আমাদের বর্তমান স;বিধানে "বিসমিল্লাহ" কথা লেখা থাকার কারনে কতজন লোক মরেছে..??
তারপরও হাসিনাকে মুসলমান আর দেশকে স্যাকুলার(?) বানানোর এক অদ্ভুত তত্ব প্রচার করছে আওয়ামি লুটেরার দল|
হাসিনাকে মুসলমান প্রমানের সার্টিফিকেট দিয়েছে কোন মুফতি, সেটা প্রচার করা হচ্ছে|এতেও কাজ না হলে এই আওয়ামি-ছাত্রলীগ হয়তো বলবে ....(edited by betrayed, honoring mr. vumiheenzaminder)!
নোট:আমি মুসলমান তবে নামাজ খুবই কদাচিত আদায় করে থাকি|মা বকতো দেশে থাকতে,বউ বকে বিদেশে এসে|
Secularism is not Atheism
Farmar said "secularism is a political policy that can be adopted by a gov as it's policy; guarantying the non-mixture of religeous laws with state laws, in a short.
It has nothing to do with a citizen's religeous life. If you are clear with this, there should not be a question what Hasina or Khaleda does as part of their religeous life. Secularism is not Atheism."
Thanks Farmer. Agreed 100%.
pogo, are you missing in a big way?
pogo, secularism is a political policy that can be adopted by a gov as it's policy; guarantying the non-mixture of religeous laws with state laws, in a short.
It has nothing to do with a citizen's religeous life. If you are clear with this, there should not be a question what Hasina or Khaleda does as part of their religeous life. Secularism is not Atheism.
Why?
I thought BAL believe in secular government. Why do you have to prove that Sk. Hasina is very religious, she reads the Quaran, etc.? Do you want to have it both ways? Regrding this mufti, he and his party was so critical in 2001. Likewise, Sk Hasina did not even could not hear the name of those mufti. In 2006, they changed their paths, two rails merged into one. Who knows what will happen in 2013. May they will run parallel again. The same is applied for JP which is well-known. It was an open "karakari" to have Ershad. Sk. Hasina had bigger "mula" and got Ershad. Hayere Rajniti!! A different topic thought let's wait and see..Muzaffar Afmad will be the next Rajakar!!
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
সমান কথা
চোর ডাকাতের দল আস্তিক হলেই বা কি আর নাস্তিক হলেই বা কি?
হাসিনা তসবী পড়ে অথচ চুরী করে।হাসিনা কোরান তেলাওয়াত করে অথচ মানুষ মারে,মানুষকে দিগম্বর করে।এই বক ধার্মিক বদমায়েশ মহিলার এই রকম বহুরুপী ভাব দেখে আমাদের গোয়াল ঘরের চড়ুই পাখীটা পর্যন্ত ফিক করে হেসে ফেলে।ইলেকশন আসলেই তসবী তাহলাত আর ইলেকশন গেলেই খুনী বেশে ফেরে অকস্মাত।
হাসান সাহেব:এই লম্পটের সাথে কিন্ত ব্যাক সীটে.............
হাসান সাহেব,এই লম্পটের সাথে কিন্ত ব্যাক সীটে বসে হাসিনা ল;ড্রাইভে গিয়েছিলেন|
তো লম্পট এরশাদ ও পরহেজগার হাসিনা "ব্যাকসীট ল; ড্রাইভে" কি কি করেছিলেন তা অবশ্য আমরা কেউ জানি না|জনগণ শুধু অনুমান করতে পারে, এর বেশি কিছু না| তো এই ল; ড্রাইভের অনেক আগে থেকেই "ভাই-বোন" বিনি সুতার মালায় বাঁধা ছিলেন|এরশাদের ক্ষমতা দখলে হাসিনা খুবই পুলকিত হয়েছিলেন|এই লম্পটকে নিয়ে কিন্ত হাসিনা-খালেদা চুলোচুলি করেছিলেন,কে কোলে বসতে পারে|লম্পট শেষ পর্যন্ত হাসিনাকেই যুত সই মনে করেছেন| দেখেন না একেবারে পুষি বিড়াল হয়ে হাসিনার আচঁলের তলায় বসে আছে... :):)
নাস্তিকতা
হাসান ভাই এক্ষেত্রে আমি একটা সংযোজন করতে চাই যে এরশাদের হাসিনা সম্পর্কে সম্যক ধারনা ছিলনা তখন।আর আনোয়ার হোসেন মঞ্জু দল গঠন করাতে এমনিতেই উনি হাসিনার উপড় ক্ষুব্দ ছিলেন। আর মৌলবাদী এবং তাদের দোসরা নিজেদের প্রজন্মকে এমনভাবে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে যে আওয়ামীলীগ মানেই ধর্মহীন একটি দল। আর তার নেতা-নেত্রীরা ধর্ম-কর্ম কিছুই করেনা। এ সম্পর্কে মুফতি ইজাহারুল ইসলাম একবার বলেছিলেন শেখ হাসিনার বাড়ীতে যাতায়াত করে দেখলাম ব্যক্তিগত জীবনে শেখ হাসিনা ইসলাম ধর্মের নিয়ম নীতি এমনভাবে পালন করেন যা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।এছাড়া শেখ হাসিনার বাসার ব্যক্তিগত স্টাফ থেকে আমি শুনেছি উনি প্রায়শ সকালেই কোরআন তেলোয়াত করেন।
শেখ হাসিনার ভাই
সুযোগ বুঝে কাজ করা এবং ঝুপ বুঝে কোপ মারায় শেখ হাসিনার তুলনা মেলা ভার।তিনি অতিশয় গভীর জলের মাছ।শুনেছি সৌদি বাদশাও নাকি উনার ভাই।তবে এখানে বংশগতভাবে দুজনের মধ্যে একটি মিল আছে।শেখ হাসিনাও শেখ আবার সৌদি বাদশাহ ও শেখ।তাই শেখে শেখে এখন ভাই বোন।বহুদিন পর ভাই বোনকে খুজে পেয়েছেন,ইহা নিঃসন্দেহে আনন্দের ব্যাপার।
কিন্তু আমি দুর্জন বলে সব সময়ই বাকা কথা বলে থাকি।
আমার প্রশ্ন হল তারা যদি ভাই বোন হয়ে থাকেন তাহলে সৌদি বাদশাহ কবে বংগবন্ধুর ঐরশে জন্ম নিলেন?তা যদি না হয়ে থাকে তাহলে সৌদি বাদশাহ'র বাপের ঔরশে শেখ হাসিনাই বা কখন জন্ম নিলেন?আমদের দুর্ভাগ্য স্বাধীনতার ৩৮ বছরে ও আমরা আমাদের বঙ্গবন্ধু বা সৌদি বাদশাহ'র সন্তানদেরকে চিনলাম না।আমার সন্দেহ না যেন ওবামা আর কবে শেখ হাসিনার ভাই হয়ে যান তাহলে তো আমাদের মত সমালোচনাকারীদের অবস্থা কেরসীন হয়ে যাবে।
যেখানে শেখ হাসিনা স্বার্থের জন্য মানুষের রক্ত খেতে দ্বিধা করেন না,মানুষকে জ্বালিয়ে পুড়ে ছাড়খার করতে দ্বিধা করেন না সেখানে বিশ্ববেহায়ার সাথে বোন পাতানো তো তার জন্য তেজপাতা মাত্র।
ভাই ও বোনের উদৃতি...।
বাংলাদেশের জনগন শেখ হাসিনা আস্তিক না নাস্তিক সে বিচারের জন্য অবশ্যই বিশ্ববেহায়ার মন্তব্যকে প্রাধান্য দেয় না,বরং বিভিন্ন সময়ে ঐ বিশ্ববেহায়ার বিভিন্ন স্ত্রীদের উদৃতি ও মন্তব্য গুলিকে তার বেহায়া চরিত্র সম্পর্খে জনগনকে নিশ্চিত করেছে।
আর সংসদের দিকে একটু তাকিয়ে দেখে নির্ধারন করুন ঐ লম্পটের কতিথ মতে আওয়ামী লীগ আদৌ ঘৃনিত কি না।
শেখ হাসিনা আস্তিক না নাস্তিক,ধার্মিক না অধার্মিক সেটা দেশের জনগন ভাল করেই জানে।
কোন লম্পটের উদৃতির গোয়েবোলীয় প্রচারে তার কোন হের ফের হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
এক বোন সমাচার
চিঠিতে তিনি স্পষ্টভাবেই তার আজকের ‘বোন’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাস্তিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, তিনি নাকি আল্লাহতে বিশ্বাস করেন না। আরো বলেছেন, শেখ হাসিনার আচরণ নাকি খুবই অমার্জিত এবং নোংরা। আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত রাজনৈতিক দল ইত্যাদি।’৮৮-তে শেখ হাসিনাকে কীভাবে তিনি নির্বাচনে আনতে পারলেন, কাকে নিয়ে কবে তিনি লং ড্রাইভে গিয়েছিলেন, কোন নেত্রী তার সৌন্দর্যের প্রতি দুর্বল ছিলেনÑ এরকম অনেক কিছুই তিনি আমাকে বলেছেন।
পাদটিকা ঃ এখানে মন্তব্য নিস্প্রোয়জন।
who is একজন পলিটিক্যাল ক্লাউন।
In actually, শেখ হাসিনা একজন পলিটিক্যাল ক্লাউন।
সমুদ্রের ভাইবোন সমাচারে বে'দিশার উদৃতি...।
......তবে আকিদুল ইসলামের সঙ্গে আমি একটি বিষয়ে একমত নই। তিনি হয়তো ভাবছেন, এতকিছুর পরেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরশাদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কেন? আসলে গুরুত্ব কি দিচ্ছেন? আমি বরং প্রশংসা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার। তার সম্পর্কে এরশাদ যা কিছু বলেছে অতীতে, অন্য কেউ হলে তা হয়ত ক্ষমা করত না। কিন্তু সম্ভবত কেবল রাজনৈতিক কারণে তিনি অন্তত প্রকাশ্যে প্রতিশোধপরায়ণতা দেখাননি। তবে যা করেছেন তা প্রতিশোধের চেয়েও বেশি। রাষ্ট্রপতি, উপদেষ্টা, উপনেতা এবং অগত্যা মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত হতে চাওয়া ‘এত বড় এক নেতা’ এরশাদকে ‘যেকোনো এক এমপি’ বানিয়ে রেখেছেন। এই ক্ষমা যে কতটা নির্মম, তা এরশাদের জায়গায় অন্য কেউ হলে ঠিকই বুঝতে পারতেন। কিন্তু এরশাদ পারছেন না। কারণ, ওই যে বললাম, তিনি এখন বৃদ্ধ ও অথর্ব। সাধারণ বোধ-বুদ্ধিও তার লোপ পেয়েছে। নিজেকে পরিণত করেছেন তিনি একজন পলিটিক্যাল ক্লাউনে। সে কখন কী বলে না বলেÑ কেউ তা গুরুত্বই দেয় না। উপেক্ষা যে অপমানের চেয়েও বেশি বেদনাদায়কÑ এটা উপলব্ধির ক্ষমতাও তার নাই...।
------------------------------------------------------------------------------------
এখানে মন্তব্য নিস্প্রয়োজন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।