শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে চাকরি হারিয়েছেন সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা
এমএকে জিলানী:
শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে সেনাবাহিনীর তরুণ ও মধ্যমসারির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছেন। গত ২৫ ফ্রেব্র“য়ারি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পরে এসব কর্মকর্তা নিয়মভঙ্গ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঔদ্ধত আচরণ এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
সেনা সূত্র জানায়, যে কোনো অভিযোগ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে দরবার বা অনুরূপ বিভিন্ন ফোরাম রয়েছে। এছাড়া রিড্রেস অব গ্রিভেন্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনার রীতি রয়েছে। গত ২৫ ফেব্র“য়ারি বিডিআর সদস্যরা নিয়মিত রীতিতে তাদের ক্ষোভের কথা না জানিয়ে সহিংস পন্থা বেছে নিয়ে সুশৃঙ্খল বাহিনীর নিয়ম ভঙ্গ করে। বিডিআর সদস্যদের নৃসংশ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সেনাবাহিনীর কিছু তরুণ এবং মধ্যমসারির কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী, সেনা প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে চিৎকার, চেচামেচি, নিজ র্যাংক ছিঁড়ে ফেলা, চেয়ার ভাঙ্গাসহ ঔদ্ধত আচরণ করেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত সেনাকর্মকর্তাদের বৈঠক ইউটিউবের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তির ক্ষতি করায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
Source: The daily Amadershomoy
*****************************
Comments: Mujib had to surrender his life to the midlevel officers of army in 1975 due to his mess in the army. Safiullah couldn't save him that time. Hasina is playing the same dirty game. She is igniting the wick of an improvised explosive device (IED). This shithead should know that general Mobin won't be able to protect her from this IED when it's detonated.

সমুদ্রঃ কি বললাম, আপনি কি বুঝলেন
(লেখাটা বড় হোল, কারন আগের লেখার সব কথাই পুনরোল্লেখ করতে হোল।)
আপনার উক্তি “ইউএন মিশনের দোহাই দিয়ে এসব প্রতিবাদি অফিসারদের চাকরিচ্যত করা হচ্ছে কথাটা একটু হাস্যকর শোনায় যেখানে আসল কারন অতি পরিস্কার।“ এখানে দোহাইয়ের প্রয়োজন নাই। আর্মি আইনেই তারা শাস্তিযোগ্য অপরাধে অপরাধি। স্বাভাবিক নিয়মে তাদের শাস্তিপ্রাপ্য। তবে, তা প্রাপ্য শাস্তি কেন দেয়া হোল, (বা দেয়ার সাহস হোল তাও খালেদা নয়, হাসিনার সাথে দুর্ব্যবহারের কারনে) সেটাই আপনাকে অবাক করছে। ইউটিউবে আমাদের সেনাসোনাদের সেইদিনের ভিডিও গুলো আপনাকে দেশের রাজনীতির প্রক্ষাপটে, আপনার নিজস্ব অবস্থানের কারনে ব্যপক আনন্দ দিয়েছে। সত্য। কিন্তু আমি বলতে চেয়েছি, সেটা দেখে বহুজাতিক সেনাবাহিনীতে এইরকমের “ব্লাডি সিভিলিয়ান” কিসিমের আর্মিদের নিতে ইউএন নিশ্চয় তিনবার চিন্তা করবে। বাকি আর্মিরা কি তা বুঝেনা?বুঝে। তাই তারা “প্রতিবাদি”দের সাথে নাই, থাকবেও না। কারন? ইউএন ডলার।
এক্সময় ছিল দেশের বাইরের ইমেজের কোন তোয়াক্কা আর্মিকে করতে হতোনা। এখন করতে হয় কারন? ইউএন এর কাচা টাকা।
আমার ত মনে হয়, আর্মি ইউটিউবে সে ঘটনা প্রকাশ করে দিয়ে, নিজেরাই এখহন ক্যাচ টোয়েন্টিটুতে মাইঙ্কা চিপায়। জনমতে হাসিনার বাড়তি কোন ক্ষতি হওয়ার কোন লক্ষন নাই। (উনার ইমেজকে ধ্বংস করার জন্য উনার দলের নেতা-কর্মি যথেস্ট)অন্যদিকে, আর্মিদের নিজেদের দেশে আর বিদেশে তাদের প্রফেশনাল ইমেজের খুব সুবিধা হয়নাই। তাই দেশের রাজনীতি আর আন্তজাতিক বাহিনিতে চাকরির কারনে ইমেজ রক্ষা, দুকারনেই আপনার “প্রতিবাদি আর্মি সেনাদের” কোন অনুকম্পা দেখান হয়নাই বলে আমি মনে করি।
(আপনার বাকি বর্ননা ১/১১ যৌক্তিকতা বর্নন, আমার মূল প্রসঙ্গের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ন নয়, এবং সে ব্যপারে আপনার অবস্থান আমার কাছে পরিস্কার।)
ভাল থাকবেন।
শংখচিল
হ্যা আপনি , আমি আপাতত সভ্য দেশের বাসিন্দা হলেও মুলত অসভ্য একটি দেশই আমাদের মুল পরিচয় যে পরিচয় দিতে গেলে বিদেশীদের ভ্রু একটু করে কুচকে যায়। আপনার আমেরিকা দেশ হতে দূরে বিধায় জানা নেই, কিন্তু সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের কাছে হওয়ায় এখানকার চাইনিজ ও ইন্ডিয়ান সম্প্রদায়ের বাংলাদেশ সম্পর্কে ভালই ধারনা আছে এবং অনেকেরই আছে আমাদের দেশ ভ্রমনের অভিজ্ঞতা। তাদের সেই অভিজ্ঞতা শুনলে বাংলাদেশকে একটি নরক মনে হতে পারে।আমরা বাংলাদেশ থেকে এসেছি শুনলে, যাদের এই নারকীয় অভিজ্ঞতা আছে, তার বর্ননা দিতে শুরু করে, আর আমরা প্রানপনে চেষ্টায় থাকি প্রসঙ্গ বদলের ।
যাই হোক মুল প্রসঙ্গে আসি। ইউএন মিশনের দোহাই দিয়ে এসব প্রতিবাদি অফিসারদের চাকরিচ্যত করা হচ্ছে কথাটা একটু হাস্যকর শোনায় যেখানে আসল কারন অতি পরিস্কার। দুর্নিতীগ্রস্ত বাংলাদেশের আর্মিকে ফেরেশতাকুল মনে করার কোন কারন নেই। জিয়া বা এরশাদের চরিত্র রাজনীতিবিদদের থেকে আলাদা কোন উন্নত চরিত্র বলে প্রমান করেনি। তবে এবারের প্রেক্ষাপট যে পুরোপুরি ভিন্ন ছিল তা অস্বীকার করার কোন উপায়ই নেই। কারন আর্মি এবার গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করেনি বরং সমাজের উন্নত চরিত্রের মানুষদের সমন্বয়ে সরকার গঠন করে এক উন্নত দেশের দৃষ্টান্ত স্থাপন করার উদাহরন দেখিয়েছে।আর এই উদাহরন দেখানোর ফলাফল স্বরুপ তাদের আজ যে ফল ভোগ করতে তা আমাদের সামনে দৃশ্যমান। হ্যা এ দেশের মানুষ আজ অধীর আগ্রহে দিন গুনছে জলপাই বুটের মধুর ধনির।
ভাই শংখচিল
আপনি কাকে কি যুক্তি দিচ্ছেন! নিরপেক্ষতারভেক ধরা অসৎ মানসিকতার এই আদম বড়ই সেয়ানা। ওনাদের নিজেদের পিঠ বাচানোর জন্য আর একটি ১৫ই আগস্ট দরকার। কোন সুযোগ না দেখে এখন পাগল হয়ে গেছে। প্রলাপ বকতেছে। ভুলে গেছে এইটা ২০০৯, ১৯৭৫ না। ওনার গত অনেকদিনের পোস্ট এ দেখবেন, খালি খুনাখুনির জন্য হাহাকার।
একে এখন আর যুক্তি দিয়ে কাজ হবেনা(যদিও কখনই হওয়ার চান্স ছিলনা, তবে এখন একদম উন্মাদ হয়ে গেছে)। এইসব লোককে সমাজে অরাজকতা সৃস্টি করার চেস্টার দায়ে মানসিক হাস্পাতালে নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে শক ট্রিটমেন্ট দেয়া দরকার।
সমুদ্রকেঃ ভিন্ন পারস্পেক্টিভঃ যদিও হাইপথিটিকাল
সভ্যদেশের মত আমাদের অনেক কিছুই নয়। এমনকি আমি আপনিও নই। সেটা মানি এবং জানি। এই ঘটনাটি ইউটিউবে দিয়ে দেবার পরও, যদি কোন একশন না নেয়া হয়, আমাদের জাতির "শৃংখলতার রেকর্ডের" ইতর-বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হবেনা। সমস্যাটি অন্যখানে। আর্মিদের, এইসব ভিডিও আর রেকর্ড দেখে, তাদের "বহুজাতিক" ইউএন ফোর্সে ভাড়া খাটার চাকরি দেবার আগে, সভ্য দেশের সেনাবাহিণি একটু চিন্তা করত বইকি। তাই, আমার ধারনে (ইচ্ছা হলে ছুরে ফেলে দিতে পারেন, যেহেতু এটি আমার মস্তিষ্কপ্রসুত হাইপোথিসিস), আর্মি্র নিজ স্বার্থে সেই ঘটনার "পানিশ্মেন্ট বাই আর্মি কোড" এর পরিদর্শন না করে উপায় ছিলনা। নিহত আর্মিদের ব্যপারে আবেগ আছে সহকর্মিদের প্রতি মায়া মমতা আছে। কিন্তু তাদের ইউএন চাকরি টিকিয়ে রাখার ব্যপারে সে আবেগের প্রকাশটি বাধা হয়ে দাড়ালে (বা প্রশ্নবিদ্ধ করলে) সমগ্র আর্মিই যে বিচলিত হবে সেটা বুঝতে সামরিক বিশারদ হতে হয়না। আমার মনে হয়, তাই সেইসব বহিস্কৃতরা একটি রাজনৈ্তিক মহলের "বীর" হলেও, সামগ্রিকভাবে আর্মিরা তাদের "স্পোয়েলার" হিসাবেই দেখছে বলেই, বেশি রা শব্দ নাই।
সেই ঘটনায় সংশ্লিস্ট আর্মিদের বিচারের ব্যপারে হাসিনার "প্রতিশোধ" থিউরির বাইরেও, আমার "হাইপথিসিসটি"একেবারে উড়িয়ে দেয়ার মত কি?
The strength, the courriage
The strength, the courriage our army have shown during 1/11 period to unmask the real devil character of Hasina & khaleda and their gong is totaly absent today. Today the creator of 1/11 is shaking his hand with the killers of his sons! Day by day people are getting frustrated watching the coward and betrayer activity of high rank officers. A country where the political parties are the gong of hooligans , people's last hope is the army. The present dysfunctional army needs to be reorgnanised. Just hope very soon they will be reorganised and show their true courriagous attitude.
Our army reflects our national characters
Our army officers are not recruited from another nation, they are BD people. So, in our officers, we have all characters of BD people. One thing, we expected them to be more disciplined, skilled, honest and capable than ordinary BD citizens. They have not shown those virtues. It is a dysfunctional army.
Until, we create peoples' army by training each citizen, current problems will multiply; we have to argue a lot about our army.
সংশপ্তক কেঃ উত্তরের জন্য ধন্যবাদ
হ্যা, আমি প্রথমেই স্বিকার করে নিয়েছিলাম সে “হাসিনার সেই গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা আমার জানা নেই”, কারন, প্রকৃত ঘটনা আমার জানা সম্ভব নয়, যেহেতু আমি নিজে আর্মি, সরকার বা নীতিনির্ধারিকদের কেউ না, সংবাদ পত্র আর এদিক-সেদিকে ভাসে বেড়ান কথা বার্তাই সম্বল। তাই আপনি খুব ভারিক্কি ভাব নিয়ে বলতেই পারেন “ সে কারণেই আমি মনে করি এ বিষয়ে আপনার সংগে কোন কার্যকর বিতর্ক হতে পারে না। কারণ, যে বিষয়ে আপনার জানা নেই সে বিষয়ে আপনি যা দেখবেন তা খন্ডিত আর তারপরে যে মন্তব্য করবেন তা হবে বিকৃত।“ মানলাম, এবং আপনি একজন নির্ভযোগ্য সুত্র হিসাবে আমার প্রতি অনুগ্রহ করে জানালেন “তারপরেও আর্মির পেশাদারিত্ব নির্ধারণে কেন ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা জানা এ সংক্রান্ত বিতর্কের পূর্বশর্ত সে ব্যাপারে আপনার আগ্রহ প্রশমনের জন্যই দু'একটি কথা বলার চেষ্টা করব।“ ধারনা করলাম, আপনি যেহেতু সব জানেন, তাই আপনার বিশ্লেষনে কোন “খন্ডিত” বা “বিতর্কিত” মন্তুব্য থাকবেনা। সিটবেল্ট বেধে পরের পেরাগ্রাপফে গেলাম, সেখানে আপনি আমাদের দেশে প্রধান মন্ত্রির সেনাবাহিনির উপর সাংবিধানিক এখতিয়ার নিয়ে একটা নাতিদীর্ঘ জ্ঞান দিলেন। এবং “ধরে নিলেন” যে “সেদিনের সে বৈঠক ছিল অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে একটি বেসামরিক বৈঠক,”। উর্দি পড়ে, দরবার হলের ভিতর সেনাপ্রধানসহ সেনাকর্মতাদের গোপন সভা, “বেসামরিকঃ সভা, তাই “শৃংখলাজনিত পেশাদারিত্বের” ব্যপারটি “নেহায়েত গৌণ”। এরপর আমাকে স্মরণ করলেন আমাদের সেনাবিহিনি “উশৃংখলতার” ইতিহাস সর্বজন বিধিত, তাই সেনাপ্রধান, প্রধানমন্ত্রি সহ আমার মত আমজনতার বিস্ময়ের কোন কারন নাই।ঢাকা সেনানিবাসে, সর্বস্তরের কমিশন্ড সেনাকর্মকর্তাদের নিয়ে এ আয়োজনটি অন্যান্য সেরিমোনায়াল অনুষ্ঠানের মত কেন “রেডিও টেলিভিশনে বেশ ঘটা করেই প্রচার করা” হলনা সে ব্যপারে কঠিন প্রশ্নবাণ ছুড়ে দিলেন? আমি ভাবছি, উনি যেহেতু সব ঘটনার কার্যকারন জানেন, আর আমি জানিনা বলে আমাকে জ্ঞাণ দিচ্ছেন (আমি জ্ঞাণ চেয়েছি বলেই যদিও), তাই উনার এইসব যুক্তি মানতে হবেই যখন ভাবছি, তখনি আপনার পরের প্যারাগ্রাফে গিয়ে চক্ষু চড়াক গা আছে। চশমাটা পরষ্কার করে নিয়ে পড়লাম আমাকে লিখেছেন “আপনি (শংখচিল) যেমন ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানেন না তেমনি আমারও (সংশপ্তক) এ সংক্রান্ত পূর্বোক্ত প্রশ্নই জানান দেয় যে আমিও এ সম্পর্কে জানি না।“ একমিনিট থমকে আবার উনার লেখার প্রথম প্যারায় গেলাম যেখানে আবার পড়লাম আপনার গম্ভির ওপেনিং স্টেমেন্ট “হাসিনার সেই গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা আপনার জানা নেই বলে আপনি স্বীকার করেছেন। আর সে কারণেই আমি মনে করি এ বিষয়ে আপনার সংগে কোন কার্যকর বিতর্ক হতে পারে না। কারণ, যে বিষয়ে আপনার জানা নেই সে বিষয়ে আপনি যা দেখবেন তা খন্ডিত আর তারপরে যে মন্তব্য করবেন তা হবে বিকৃত।“
সংসপ্তক, আপনার বাকি লেখার তাই উত্তর দিলাম না, যেহেতু আপনিও আমার মত সেই মিটিঙ্গের ব্যপারে "নাজানা মানুষ," তাই আপনার বাকি ইনফারেন্স গুলোও “খন্ডিত/বিকৃত” এবং একান্তই আপনার ব্যক্তিগত মতাদর্শ তাড়িত ব্যক্ষা, সেখানে যুক্তির চাইতে বর্তমান দলীয় সরকারেরর প্রতি বিরোধপ্রসূত ভাবাবেগ প্রবল। আর দেশে যেহেতু শেষ মেশ গৃহ যুদ্ধ হয়নি, সেটাই আমজনতার প্রবল স্বস্থির কারন। তারা এইসব দলীয় ব্যক্ষা-অপব্যক্ষার জটিল ব্যপার গুলোর চাইতে, আপাততঃ রুটি-রুজির ধান্দাকে প্রায়োরিটি দিচ্ছে।
ভাল থাবেন।
" army rules of act "
এ ফোরামের কিছু সদস্যদের কথা বার্তায় মনে হতে পারে তারা আমেরিকা বা উন্নত বিশ্বের কোনও সভ্য দেশের রাজনৈতিক ব্যাপারে বক্তব্য রাখছে। তাদের নিয়ম নীতির পরকাষ্ঠা দেখানতে মনে হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই যে তারা এই বিশ্বে দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যম্পিয়ন গুন্ডা ও মাফিয়া চক্র দ্বারা শাষিত একটি দেশের ব্যাপারে বক্তব্য রাখছে।
এই অসভ্য দেশের ঠান্ডা মাথার খুনী প্রধানমন্ত্রীর সম্মুখে " army rules of act " অনুযায়ী অফিসারদের কর্তব্য ছিল '' ম্যাডাম আপনার ভুমিকায় আমরা অভিভুত। আপনার লোকেরা প্রকাশ্যে আমাদের অফিসারদের মেরে কেটে ম্যানহলে নিক্ষেপ করেছে , মা বোনদের বেইজ্জতি করেছে আর আপনি রাজনৈতিক সমাধানের নাম করে এদের প্রকাশ্যে মদদ দিয়ে চলেছেন , এদের নেতাকে বিডিয়ার চীফ বানাচ্ছেন, আর আমদের ইন্ডিয়ার ভয় দেখিয়ে ঠেকিয়ে রেখেছেন, এ কারনে আপনাকে জানাই চে গুয়েভারার লাল সালাম। আপনি আমাদের গর্ব। আপনার লোকেরা আমাদের অফিসারদের চরম নিশৃংষতা প্রদর্শন করে তাদের মহিমান্বিত করেছে''
এই রুপ প্রফেশনালিজম তারা দেখাইনি বলে আজ তাদের চাকরি চলে যেতে হচ্ছে আর এই ফোরামের ভদ্রলোকদের ক্রোধের শিকার হতে হচ্ছে।
শংসপ্তককে
রাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে সেনাপ্রধানই প্রধান কমান্ডার আর প্রেসিডেন্ট সর্বাধিনায়ক।
স্বসস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান) এর কমান্ড স্ট্রাকচার, ওরগানাইজেশন, ফরমেশন এবং দপ্তর সমুহের ফাংশন সম্পর্কে আপনার কোন ধারনা নেই বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। তাছারা প্রধানন্ত্রীর সাথে সেনা সদস্যদের আচরন "Army rules and acts" অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। এ ব্যাপারে জ্ঞ্যান দেয়ার মত সময় আমার হাতে না থাকায় আমি দুঃক্ষিত। আপনার পোস্টটির রাজনৈতিক বিষয় গুলোর সাথে আমার এই মতামতকে জড়াবেন না প্লীজ।
মন্দ লোকে বলে খন্দকার মোশারফ ও রাজাকার ছিলো!!! আজব দুনিয়া!!
গোলাম আযমের ছেলে আর্মি থেকে বহিস্কার হয়েছে কারন তার পিতা রাজাকার ছিলো। আবার শেখ হাসিনার মেয়ের শশুর শ্রমমন্ত্রী খন্দকার মোশারফের বাপ নুরুউদ্দিন ও কিন্তু রাজাকার ছিলো তাহলে এক জনের ছেলে মন্ত্রী হবে দেশের সেবা করতে আরেক জনের ছেলে চাকরি হারাবে!!!!!! আবার মন্দ লোকে বলে খন্দকার মোশারফ ও রাজাকার ছিলো!!! আজব দুনিয়া!!
Mr. Shongshoptak......
দেখুন ভাই, সংসদে উনারা নিত্য মন্ডা আর চমচম খাচ্ছেন। আমাদের এ ফোরামে কিছু খাওয়ার সুযোগ নেই। চলুন, আমরা সবাই একে অপরের বাক্যবাণ হজম করি। দইয়ের সাধ ঘোলে মিটাই...............
আপনিও ভাল থাকুন...........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
hridoy এর পান্ডিত্য
আপনার পান্ডিত্য গুনে আলোকিত হলাম এবং আপনার পান্ডিত্যের গভীরতা মাপার ভার এ ফোরামের অপরাপর সদস্যদের উপরই ছেড়ে দিলাম। ভাল থাকুন। শরীরে ও মনে সুস্থ থাকুন।
Mr. Shongshoptak......জেনে পন্ডিতি করা ভাল, না জেনে নয়..........
"হাসিনা একজন বেসামরিক রাজনৈতিক সরকারের প্রধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকার সুবাদে তার দায়িত্ব হচ্ছে সামরিক প্রশাসনের বেসামরিক দাপ্তরিক বিষয়সমুহ দেখভাল করা, কোনভাবেই সেনাবাহিনীকে কমান্ড করা নয়। রাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে সেনাপ্রধানই প্রধান কমান্ডার আর প্রেসিডেন্ট সর্বাধিনায়ক।"====আপনার সদয় অবগতির জন্য বলছি, শেখ হাসিনা প্রশাসনিক প্রধান নন, নির্বাহী প্রধান। প্রশাসনিক প্রধান হলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সচিব। একই সাথে সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি মোতাবেক উনি হলেন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট তার উপদেশ মোতাবেক কোন কাজে সম্মতি দিবেন। আর সেনাপ্রধান হলেন সেনাবাহিণীর প্রশাসনিক প্রধান। উনি কোন নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী নন। শুধুমাত্র নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারীরাই কমান্ড করতে পারেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিরা নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী। আর প্রধানমন্ত্রী হলেন দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী।
==================================================
আপনার উন্মুক্ত পোষ্টিংটিতে অন্যের বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ ছিল। বিভ্রান্তি দুর করার জন্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। আশা করি ভালভাবে নিবেন..
ভাল থাকুন...............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
শংখচীলকে, বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা
.
জনাব,
হাসিনার সেই গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা আপনার জানা নেই বলে আপনি স্বীকার করেছেন। আর সে কারণেই আমি মনে করি এ বিষয়ে আপনার সংগে কোন কার্যকর বিতর্ক হতে পারে না। কারণ, যে বিষয়ে আপনার জানা নেই সে বিষয়ে আপনি যা দেখবেন তা খন্ডিত আর তারপরে যে মন্তব্য করবেন তা হবে বিকৃত। তারপরেও আর্মির পেশাদারিত্ব নির্ধারণে কেন ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা জানা এ সংক্রান্ত বিতর্কের পূর্বশর্ত সে ব্যাপারে আপনার আগ্রহ প্রশমনের জন্যই দু'একটি কথা বলার চেষ্টা করব।
আপনি ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে না জানলেও এটুকু বুঝেছেন যে সেদিন আর্মি পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করেনি। তবে ধারনা করেছেন যে, "উনি (হাসিনা) প্রতিরক্ষা মন্ত্রানালয়ের দায়িত্বে আছেন এবং একজন সরকার প্রধানও বটে। তাই একটা ব্রিফিং দেয়ার প্রয়োজনিয়তা আছে বলে উনি উপদিষ্ট হতেই পারেন।" ভাল কথা। হাসিনা একজন বেসামরিক রাজনৈতিক সরকারের প্রধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকার সুবাদে তার দায়িত্ব হচ্ছে সামরিক প্রশাসনের বেসামরিক দাপ্তরিক বিষয়সমুহ দেখভাল করা, কোনভাবেই সেনাবাহিনীকে কমান্ড করা নয়। রাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে সেনাপ্রধানই প্রধান কমান্ডার আর প্রেসিডেন্ট সর্বাধিনায়ক। সুতরাং আমরা ধরে নিতে পারি যে, সেদিনের সে বৈঠক ছিল অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে একটি বেসামরিক বৈঠক, হাসিনার নির্দেশে লেফট-রাইট করে পিটি প্যারেডের বৈঠক নয়। তাই এ বিষয়ে সেনাসদস্যদের শৃংখলাজনিত পেশাদারিত্বের বিষয়টি ছিল নেহেয়েতই গৌণ। মূখ্য বিষয়ই হচ্ছে ঐ বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে কোন সুশৃংখল বাহিনী নয় তার প্রমান তো তারা ৭৫, ৮০, ৯৬ এবং সর্বশেষ ২০০৭ সালেও দেখিয়েছে। তাদের সেই উশৃংখলতার বিষয়গুলি কি এই মহান নেত্রী জানতেন না? আপনার ভাষায় যদি, "ব্রিফিং দেয়ার প্রয়োজনিয়তা আছে বলে উনি উপদিষ্ট" হয়ে থাকেন তাহলে তা গোপনীয় হতে হবে কেন? সেনাবাহিনী সংক্রান্ত সরকার প্রধানের অন্যান্য অনুষ্ঠানতো রেডিও টেলিভিশনে বেশ ঘটা করেই প্রচার করা হয়। অথচ এমন একটি জাতীয় সংকটের মূহুর্তে এ বৈঠক জাতির কাছে গোপন রাখা কেন? দয়া করে বলবেন কি?
আপনি যেমন ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানেন না তেমনি আমারও এ সংক্রান্ত পূর্বোক্ত প্রশ্নই জানান দেয় যে আমিও এ সম্পর্কে জানি না। তবে আপনার মতো আমরাও ধারনা করতে পারি যে,হাসিনার ওই বৈঠক ছিল একটি রাজনৈতিক ষ্ট্যান্টবাজি। যদি ওই বৈঠকের অডিও টেপ বাজারে প্রকাশ না পেত তাহলে আপনার নেত্রী বলে বেড়াতেন যে, ক্ষোভের আগুনে জ্বলতে থাকা সেনাসদস্যদের ওনি ওনার রাজনৈতিক কুশলতায় নিবৃত্ত করে দেশকে একটি নিশ্চিত গৃহযুদ্ধের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। হয়ত নানক আজমরা ইতোমধ্যে নেত্রীকে আরেকখানা "daughter of peace" পুরস্কারে ভূষিত করে ফেলতেন। সেদিনের সে অপদস্থ হওয়ার খবর চাউর হওয়ায় সে আশার গুড়ে বালি পড়েছে। তাই সেই প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই আজ বিনাবিচারে সেনাসদস্যদের বরখাস্তের খেলা চলছে। আশা রাখি আমার বক্তব্য আপনার আগ্রহ দমনে কিঞ্চিত সহায়ক হয়েছে। না হলে আমার অপারগতা ক্ষমা করবেন।
ভাল থাকুন।
মহাপন্ডিত Gladiator এবং তার মন্তব্য.........
"Comments: Mujib had to surrender his life to the midlevel officers of army in 1975 due to his mess in the army. Safiullah couldn't save him that time."===আপনার নেতা জেঃ জিয়াকে নিশ্চয় আর্মিরা খুব কদর করে বুলেট ঝাঁঝড়া করে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করেছে। তাকে তার পুষ্য জেনারেল এরশাদ খুব বাচিয়েছিল। আর জেনারেল মইনের আর্মি জিয়ার বউ পোলাদের খুব আদরে রেখেছিল নিশ্চয়? ভাল পন্ডিতি জানেন......
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রফেশনাল কি আনপ্রফেশনাল তা নির্ধারন করতে হলে প্রথমেই নির্ধারন করা প্রয়োজন এই সেনাবাহিনী কোন দেশের সেনাবাহিনী? এ কি এই পৃথীবির কোন সভ্য দেশের সেনাবাহিনী? যে দেশ ৩৮ বছর ধরে চোর, ডাকাত ,গুন্ডা, মাফিয়া চক্র দ্বারা শাষিত সে দেশের সেনাবাহিনী একটি প্রফেশনাল সেক্টর নয় বলে যারা বক্তৃতা দেয়, তাদের সবচেয়ে আগে দেশের মাফিয়া , গুন্ডা শাষকদের বিরুদ্ধে গলা তোলা উচিৎ।
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী অবস্যই প্রফেশনাল কোন বাহিনী নয়। বর্তমানে এই বাহিনী পুরোপুরি আওয়ামিলীগের নিয়ন্ত্রনে চলে গেছে। মির্জাফরের দল আপাতত কয়েক বছর খুব ভালই থাকবে। তবে বিএনপি কি বসে থাকবে? না কোন মতেই না। সামনের নির্বাচনে বিএনপি পিলখানাকে ইস্যু করে চাকরিচ্যুত অফিসারদের সঙ্গী করে নাক, কানের পানি একাকার করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে তা বলাই বাহুল্য। এবং তখন আরো একটি পিলখানা দেখার সৌভাগ্য অর্জন করবে এই জাতি।
সেনাবাহিনীকে কখনই উচু দরের কোন বুদ্ধিমান প্রানী বলে মনে করিনি। তবে এতটা রামগাধা হওয়াটাও আশা করিনি। আওয়ামিলীগের হাতে অফিসাররা নিশৃংষভাবে প্রান দেয়ার পরও যেসব হাই rank রামগাধারা খুনীর সাথেই হাত মিলিয়েছে, তারা আপাতত ভবিষ্যত দেখতে পারছে না। বন্দুক হাতে মানুষের ঘটের বুদ্ধি যে হাটুতে থাকে , তা আমাদের সেনাবাহিনী খুব ভাল ভাবেই প্রমান করল।
বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা
বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা কাউর জানা থাকলেও, আমার জানা নাই। তবে ধারনা করতে পারি, উনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রানালয়ের দায়িত্বে আছেন এবং একজন সরকার প্রধানও বটে। তাই একটা ব্রিফিং দেয়ার প্রয়োজনিয়তা আছে বলে উনি উপদিষ্ট হতেই পারেন। তার সাথে সেনাপ্রধানও ছিলেন। কারন যাই হোকনা কেন, তিনি বসেছিলেন কোন স্কুল ছাত্রদের দল, শ্রমিকদের সভা কিংবা পার্লামেন্টে নয়। একটা সুশৃংখল সেনাবাহিনির সাথে, যাদের চরমমুহুর্তেও চেইন অব কমান্ড বা শৃংখলা বজায় রাখার ট্রেনিং দেয়া হয় বছরের পর বছর। কারন সেটাই যেকোন আর্মির মুল চালিকা শক্তি, তাদের প্রফেশানিলজমের বেসিক এলিমেন্ট।
আমারা আম-জনতা ব্লাডি আনরুলি সিভিলিয়ান। বাসে চাপা পরে রাস্তায় কেউ মারা পরলেই, দশ-বারটা গাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে রাগ ক্ষোভ প্রকাশ করি। আর্মি পুলিশ নামিয়ে ডান্ডা মেরে আমাদের বাগে আনতে হয়। আমাদের আবেগ প্রকাশের ধারার সাথে তাদের তুলনা করলে চলবে কেন?
তাই, বৈঠকের উদ্দেশ্য বা কারন যাই হোকনা কেন, আর্মিদের প্রফেশনালিজম নিয়ে বাহাসে সেটা জানা কেন পুর্বশর্ত হবে বুঝতে পারলাম না। বিস্তারিত জানতে আগ্রহি।
হাসিনার গোপন বৈঠক ও সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব
কেউ কি আমাদের বলতে পারেন হাসিনার সেদিনের সেই গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা কি ছিল? তারপর না হয় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব নিয়ে বাহাসে যাওয়া যাবে।
Betrayed............
আপনার মনে রাখতে হবে যে আর্মিরা জাতিরজনককে সপরিবারে হত্যা করেছে, তারাই আপনার নেতা জিয়াকে হত্যা করেছে। জিয়ার পরিবার যদি সেদিন ওখানে থাকত তা'হলে কি তারা জীবিত ফিরতে পারত? অবশ্যই না। যে আর্মিরা হাসিনাকে হত্যা করতে পারবে, তারা খালেদাকেও হত্যা করতে পারবে। আর্মিরা কি তারেক-কুকুকে পিটাইয়া আধমরা করে নাই? আপনার নেত্রীকে অঝোরে কাঁদায় নাই? কাজেই এসব ন্যাকামো আর বালখিল্যপণা উক্তি ছাড়ুন। অন্যের জন্য গর্তখুড়ে ভাববেন না যে, আপনি খুব আরামে থাকবেন। আপনার নেতা জিয়া ক্ষমতার জন্য কারনে অকারনে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে কি শান্তিতে থাকতে পেরেছেন? তার অপকর্মের খেসারত তো তার ঘরগোষ্ঠীর সবাই এখনো দিচ্ছে। আশাকরি দুরদর্শী হবেন। অন্যের দুর্দশা দেখে আনন্দে লাফাবেন না.............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Shonkhochil.....দৈঃ ইনকিলাবে প্রকাশিত লিংকটি পড়ুন.........
http://www.dailyinqilab.com/
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Farmer, thanks for perceiving the fact
Pak (or F***K if you pronounce in Noakhailla accent) army is the shining example of a sold out force which kills it's own people for some US $$$. We can't afford that consequence in our motherland. We should raise our voice against BD army's participation in the so called UN peace missions. The BD army personnel gets training from the poor taxpayer's money and utilizes it for the other countries under the umbrella of the most undemocratic and impotent ever organization of the world. If at all BD army want to participate in UN mission then ask them to create a separate brigade where soldiers will be recruited, trained and maintained with the UN money. BD army can provide the human resources and infrastructural facilities in exchange of money to train them. No more money from the poor taxpayers to buy arms and amunition for the training which will be used for so called UN peace missions. Poor Bangladesh's money can't be drained out to serve the conflict creators around the world and milked off by some greedy army personnel of my country.
আর্মি দের আনপ্রফেশনালিজম
বিডিআর ঘটনায় কে দায়ী আর না দায়ী সে বিতর্কে যাবনা।
আমার মন্তব্য শুধু সেদিন প্রধানম মন্ত্রির সাথে মিটিং চলাকালে আর তারপরে কিছু আবেগাপ্লুত আর্মিদের কাজকারবার নিয়ে। সেদিন উর্দি পড়া অবস্থায় তারা যা করছে, তা কোনভাবেই একটা প্রফেশনাল আর্মিদের কাছ থকে আশা করা যায়না। আর্মি যদি আবেগাপ্লুত হয়ে, নিয়মশৃংখলার তোয়াক্কা না করে, তবে তারা আর্মি কেন? তারা ত আনসার বা ভিডিপির কাতারে গিয়ে নিজেদের দাড় করিয়েছে। শুধু তাই নয়, গোপন বা রুদ্ধদার সেই মিটিং এর টেপ প্রকাশ করে এরা প্রমান করছহে এদের হাতে রাস্ট্র্যয় গোপণিয়তাও নিরাপদ নয়। আমাকে কি এরপরো বিশ্বাস করতে হবে, এরাই আমাদের নিরাপত্তার সবচাইতে নির্ভরশীল স্থান?
হাসিনা সরকারের ভাল মন্দের ব্যাপার নয়, আর্মি নিজ্জ স্বার্থেই এইসব বেয়াকুব আনপ্রফেশনাল আর্মি স্টাফদের বিরুদ্ধে নিজেরাই একশন নিচ্ছে বলে আমি মনে করতে চাই।
আর্মি রেগে গেলে বিপদ, মুজিব-জিয়াকেও হত্যা করেছে এইরকম উছিলায় আর্মিকে কি তাদের মত করে য়াজীবন চলতে দিতে হবে? মনে রাখতে হবে, যে আর্মি হাসিনার জন্য বিপদ,প্রমান হয়েছে সে আর্মি খালেদার জন্য আশির্বাদ নয়। আর্মিকে প্রফেশনাল করার দায়িত্ব আর্মির নিজেদের। জঙ্গন আর সরাকারের সাহায্য করা উচিত এরকম শুদ্ধি অভিযানে।
"মেরে ফেলবে" বলে বেসামরিক সরকারের আর্মির কিছু হুলিহাঙ্কে ভয় পাবার দিনের শেষ হবে, এই আশায় আছি।
Shongshoptok, everybody waiting for UN assignment
Yes, you brought in one importanr fact, everybody in the army is just waiting for UN assognment. They even have forgotten that they have responsibilities to their motherland. Simply sold out.
ফারমার, ভাড়ায় খাটা আর্মি জনগনের আর্মি হতে পারে না
হাসিনা ও তার চেলা চামুন্ডাদের বুঝতে হবে, দেশের জনগন ইত্যবসরে জেনে গেছে যে বিডিআর হত্যাকান্ড কাদের মদদে হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা আপনার ভাষায় low skilled হলেও তাদের এটুকু বোঝার skill আছে যে এ হত্যাকান্ড আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ মদদেই সংঘটিত হয়েছে। তাই প্রতি আক্রমন করে সেনাবাহিনীর সে ক্ষোভকে প্রতিহত করার আওয়ামী-কুবুদ্ধি হাসিনার জন্য বুমেরাং হতে পারে। আরেকটি ১৫ ই আগষ্ট কিংবা ২৫ শে ফেব্রুয়ারীর জন্য কিন্তু low skilled সৈনিকরাই অধিক কার্যকরী। আপনার জানা থাকার কথা high skilled লোকেরা consequence টা ভাল বোঝে বলেই সাধারণতঃ ভীরু হয়। সুতরাং বোমার সুতায় আগুন লাগানোর খেলা হাসিনা যত কম খেলবে তার ও দেশের জন্য ততই ভাল।
জনগনের আর্মি প্রসংগে বলতে গেলে বলতে হয়, যেদিন থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথাকথিত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষী মিশনে ভাড়া খাটা শুরু করেছে সেদিন থেকেই তারা সাম্রাজ্যবাদীদের কেনা দাসে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের জনগন ও সরকার সেনাবাহিনীর উপর থেকে নিয়ন্ত্রনও হারিয়েছে সেদিন থেকেই। বন্দুকের ভয়ে আমরা বলতে ভয় পেলেও এটাই বাস্তবতা।
Most of the army officers are low skilled high profiles
Low rank officers of BD army do not differ from DU students in their behaviours, they have proved it many times.
What Hasina doing is out of fear, she is not capapble of disciplining them; so, out of the door is the only solution.
BD army needs an overhaul, it cannot go like this too long.
Over population creating poor health, indisciplined, low skilled population; everybody has to receive compulsory army training.
Creation of peoples' army is the solution to the current situation.
Will it save Hasina and her regime........??
First time 7 officers, then 3 more, in total 10 brilliant officers were terminated form their job. 100 more officers are under investigation. they will be removed from army step by step.
Will it save Hasina and her regime........?? History says "NO"