
----------------------------------------
বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
ঢাকা, জুন ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ১৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার সারা দেশে পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।
সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানায় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, এবং ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। বিকেলে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম মোহাম্মদপুর শাখার উদ্যোগে বেঙ্গলি মিডিয়া স্কুলে আলোচনা সভা হয়।
বিকেলে ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে জাহানারা ইমাম স্মারক আলোচনার আয়োজন ও স্মৃতি পদক বিতরণ করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম।
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভুগে ১৯৯৪ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান।
বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা রুমীর মা জাহানারা ইমাম '৯০ এর দশকে রাজাকার ও আল-বদরদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন। ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি "একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি" গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় 'শহীদ জননী' হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠা এ নারী পরিণত হন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আন্দোলনের প্রতীকে।
১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বিপুল জনতার উপস্থিতিতে 'গণআদালতে' যুদ্ধাপরাধীদের প্রতীকী বিচার করেছিল। তৎকালীন সরকার এজন্য জাহানারা ইমাম ও সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করে।

জাহানারা ঈমাম
শ্রদ্ধা জানায়। উনার চেতনা ছিল একটাই। যারা ১৯৭১ এর অপরাধী তাদের বিচার। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস রাজনীতি এর যাতাকল এ দাবি র বাস্তবায়িত হল না। আজ এ দাবি আওয়ামী লীগ এর নির্বাচনী হাতিয়ার ছাড়া কিছুই না।
জাহানারা ইমাম---ভাল মন্দের উদাহরন
শহীদ জননী হিসাবে জাহানারা ইমাম আমার নিকট সব সময়েই শ্রদ্ধাভাজন হয়ে থাকবেন।মুক্তিযুদ্ধের উপর উনার লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' আমাদের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।কিন্তু আওয়ামিলিগের উস্কানিতে তিনি রাজাকারদের প্রতিকী বিচার করে দেশে যে অরাজকতা সৃষ্টী করার পায়তারা করেছিলেন তা নিঃসন্দেহে নিন্দনিয়।তিনি কোর্টে গিয়ে মামলা রুজু করার পরিবর্তে আইনকে নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন যা কোন সমাজ বা দেশের জন্য মঙ্গলজনক নহে।আমার এই কথার সাথে অনেকেই একমত হবেন না বা আমাকে হয়তো গালি দিতেও দ্বিধা করবেন না কিন্তু যা সত্য তা বলতে আমার কোন দ্বিধা নেই।আওয়ামিলিগের নেতা কর্মি এবং তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এর পর থেকে বড়ই উশৃঙ্খল হয়ে পড়েছিল এবং অনেকদিন যাবৎ গন আদালতের রায় দেশের মধ্যে অশান্তি জিইয়ে রেখেছিল।এখনো সেই অশান্তির কালো ছায়া আমাদের রাজনিতি্কে নানা ভাবে কলুষিত করছে।
সবকিছুর পরেও আমি প্রয়াত এই শহীদ জননিকে আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।
Jahanara Imam & Prothom Alo
Prothom Alo (editor Motiur Rahman) shows due respect Late Jahanara Imam - on 12th page 3*3 (column*inch)paragraph written by Shikhti Sani (do you ever hear this name ?) and on 20th page 1*2 (column*inch). Think about 1992..... So mean these journalist are.
জাহানারা ইমামের পৃষ্টদেশে লাথি
জাহানারা ইমাম, হাসিনা, জিল্লুর, নিজামী
জাহানারা ইমামের পৃষ্টদেশে লাথি দিয়ে হাসিনা জামাতীদের সাথে প্রকাশ্যে মিটিং করেছিলো ...এই জন্য জামাতীরাও তাকে জাহান্নামের ইমাম বলে ধিক্কার দেন।
জাহানারা ইমামদের জন্য কষ্ট হয়, এরা যে হাসিনা বা মুজিববাদের প্রডাক্ট এটা মৃত্যুর আগে জেনে যেতে পারেনি নি।