মনিপুরে জেএমবির বোমা তৈরির কারখানা
Fri, May 15th, 2009 12:14 pm BdST Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, মে ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- আগের রাতে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় জেএমবির একটি আস্তানায় অভিযানের পর শুক্রবার সকালে কাছের পূর্ব মনিপুরে জেএমবির বোমা তৈরির একটি আস্তানার সন্ধান পেয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ঘটনাস্থল থেকে বিস্তারিত জানাচ্ছেন সাইদুল ইসলাম তালাত।
র্যাবের পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং) আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বৃহস্পতিবার জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এর বোমা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত জাহেদুর রহমান ওরফে বোমা মিজান ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের পর র্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মিজানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পূর্ব মনিপুরের ৬৭৬/২ ভবনের চারতলায় অভিযান চালিয়ে এ আস্তানার সন্ধান পাওয়া গেছে।"
তিনি জানান, বাড়িটির একটি কক্ষ থেকে বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রেনেড বডি (ধাতব আবরণ), ফিউজ, ডেটোনেটর, গ্রেনেড তৈরির প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভ, রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি।
শুক্রবারের ঘটনাস্থলে র্যাব ৪ এর পরিচালক লে. কর্নেল এ কে এম শামসুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, "এটাকে আমরা গবেষণাগার বলতে পারি। এখান থেকে ১১টি তাজা বোমা পেয়েছি। এছাড়া বোমা তৈরির যাবতীয় সরঞ্জামও পেয়েছি যা দিয়ে হাজারেরও বেশি বোমা তৈরি করা যেত।"
তিনি আরো বলেন, "এখান থেকে এমন কিছু সরঞ্জাম পেয়েছি যা দিয়ে ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষমতা সম্পন্ন ভূমি মাইন ও এন্টি পার্সোনেল মাইন তৈরি করা সম্ভব। এর আগে জঙ্গিদের কাছ থেকে মাইন তৈরির কোন সরঞ্জাম পাওয়া যায়নি।"
শামসুদ্দিন বলেন, "এ ফ্ল্যাটে মিজানের এক সহকারী থাকত। মিজান মাঝে মাঝে এসে বোমা বানাত।"
বাংলা ভাই ও শায়খ আব্দুর রহমানের সময় থেকেই মিজান বোমা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, "মিজানকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব অনেকদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছিল।"
তার ধারণা, নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যে হামলা চালানোর জন্য বোমা তৈরি করা হচ্ছিল।
র্যাবের মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "জেএমবি এখানে একটি শক্তিশালী ল্যাবরেটরি স্থাপন করেছিল। মিজান অন্য বাড়িতে থাকলেও এখানে এসে বোমা তৈরি করত।"
বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এটি আমরা ভেবে দেখছি।"
বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য বাড়িওয়ালাদের প্রতি অনুরোধও জানান তিনি।
এর আগে একাধিকবার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকদের সতর্ক হতে বলেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এমনকি সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকদের শাস্তি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছিল।
র্যাব সদস্যরা জানায়, মিজানের বাড়ি জামালপুরের চরসী খলিফা এলাকায়। শায়খ আব্দুর রাহমানের গ্রামের বাড়িও সেখানে। মিজান তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পড়ালেখা করেছে।
তিন কক্ষের এ বাড়িতে অপর একটি কক্ষ থেকে রসায়নের বেশ কিছু বই এবং দুটি বিদেশি পিস্তল (নাইন এমএম ও সেভেন পয়েন্ট ৬৫) উদ্ধার করা হয়েছে।
ভবনের তত্ত্বাবধায়ক এমদাদ সাংবাদিকদের জানান, "ডিসেম্বর মাসে মিজান তার স্ত্রী, ভাই ও বাচ্চাদের নিয়ে থাকবে জানিয়ে পাঁচ হাজার টাকায় ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেয়। তবে কিছুদিন পরে তার বউ অসুস্থ জানিয়ে বাচ্চাদের সহ তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকে তার ভাই ফ্ল্যাটটিতে থাকত। আর মাঝে মাঝে মিজান এসে এখানে থাকত। তবে বেশিরভাগ সময় ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ থাকত।"
বাড়ির মালিক কুয়েত প্রবাসী জনৈক চান মিয়া।
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার একেএম শহীদুল হক, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপিরচালক কর্নেল রেজানুল রহমান খানসহ পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসআইটি/এফএফ/জিএনএ/১৪০১ ঘ.

Wired truly
We have seen so many so called terrorists arrested with so call 100z of bomb. But for some reason the terrorists are making bombs to keep on their display. I have yet to see any usage of the bombs. One should ask the question?
These are nothing but Awami tricks to divert the attention away from BDR incident. But soon BAL will realise BDR and Army will have their revenge.