নেপথ্যের কুশীলবরা ক্ষোভ কাজে লাগিয়েছে
বিডিআর হত্যার সরকারি তদন্ত রিপোর্ট
০ কমিটি সনাক্ত করেনি মূল কারণ
০ উঠে এসেছে রাজনৈতিক কিছু নেতার নাম
০ সেনা নেতৃত্ব মেনে না নেয়ার প্রচ্ছন্ন ক্ষোভ ছিল
০ বেলা ১১টার মধ্যেই অধিকাংশকে হত্যা
০ বিদ্রোহীদের নদী পারাপারে পালাতে সাহায্য করেছেন বিএনপির সাবেক এমপি নাসিরুদ্দিন পিন্টু
০ আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী ও লেদার লিটনসহ যে কেউ জড়িত থাকলে বিচার হবে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
।। ইত্তেফাক রিপোর্ট ।।
পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল বুধবার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ৩০৯ পৃষ্ঠার তদন্ত রিপোর্টের সারাংশ সাত পৃষ্ঠায় প্রকাশ করা হয়। রিপোর্টে বলা হয়, পিলখানার ঘটনার নেপথ্যের কুশীলবরা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। মূল ঘটনার আগে ও পরে এবং বিভিন্ন সময়ে এর পেছনে কয়েকজন সংসদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের নাম পাওয়া গেছে। তদন্ত কমিটি তদন্ত করে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও উদ্দেশ্য নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করতে পারেনি। বিডিআর সদস্যদের মধ্যে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিরাজমান ক্ষোভ ও অসন্তোষ এবং তাদের অপূর্ণ দাবি-দাওয়া এ ঘটনার মূল কারণ নয়। এসব দাবিকে সামনে রেখে নেপথ্যের কুশীলবরা পরিকল্পনামাফিক কলকাঠি নাড়িয়ে থাকতে পারে বলে তদন্ত কমিটি মনে করে। প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য আরো তদন্তের প্রয়োজন বলে মনে করছে তদন্ত কমিটি।
বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহার খাতুন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, সরকারি তদন্ত কমিটির প্রধান সাবেক সচিব আনিস-উজ-জামান খান, বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব গোলাম হোসেন। তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ২১ মে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা হয়েছে। ৩০৯ পৃষ্ঠার এ তদন্ত রিপোর্টের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রকাশ করা হলো। বতর্মান সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে এত বড় একটি ঘটনায় সরকারের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জনগণের সামনে তুলে ধরা হলো।
যেভাবে তদন্ত কমিটি কাজ করেছে
তদন্ত কমিটি বিডিআর সদর দফতর ও আনুষঙ্গিক স্থাপনা পরিদর্শনসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সেনা কর্মকর্তা, বিডিআর সদস্য, সেনা পরিবারের সদস্য, বিদ্রোহী বন্দি ও কয়েদি, স্থানীয় বেসামরিক ব্যক্তি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার প্রধান, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ ১০৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, হুইপ মির্জা আজম, জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শেখ গোলাম রেজা, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল শাহ জিয়াউর রহমান, নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার এডমিরাল জেড ইউ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দিকী, এনএসআইয়ের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মঞ্জুর আহমেদ, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম, ডিজিএফআইয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ মামুন সালেহ, মিলিটারি ইনটেলিজেন্সের (এমআই) অপারেশন বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল হাসান ও ৪৬ পদাতিক ডিভিশনের ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ হাকিম আজিজ। কমিটি বিদ্রোহের পরিকল্পনা, কারণ ও মোটিভ, বিডিআর অসন্তোষ, ডাল-ভাত কর্মসূচি ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও তদন্তকারী সংস্থার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিডিআরদের মধ্যে অসন্তোষ
বিডিআর সদস্যদের মধ্যে সেনা কর্তৃত্ব মেনে না নেয়ার মানসিকতা দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছিল। বিসিএস ক্যাডারের আদলে নিজস্ব অফিসার নিয়োগসহ সীমান্ত ভাতা বৃদ্ধি, শতভাগ রেশন ভাতা প্রদান, জাতিসংঘ মিশনে প্রেরণ, সেনাবাহিনীর আদলে বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি ডাল-ভাত কর্মসূচি, সৈনিকদের শাস্তি প্রদান ও বিডিআর শপ পরিচালনায় অস্বচ্ছতা, কর্মকর্তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন, স্কুল পরিচালনায় দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয়ে সৈনিকদের মধ্যে নানা অভিযোগ ও অসন্তোষ ছিল। এসব অসন্তোষ প্রসূত ক্ষোভ ও দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন সময় লিফলেট বিলি করেছে।
বিদ্রোহের পরিকল্পনা
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একদল বিডিআর সদস্য তাদের দাবি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এক প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিটির প্রধান সাবেক সচিব আনিস-উস-জামান বলেন, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সঙ্গে বিডিআর সদস্যরা তাদের দাবি আদায়ের ব্যাপারে দেখা করেছিল। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দাবি-দাওয়া আদায়ের ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস না পেয়ে বিডিআর সদস্যের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। রাইফেল সপ্তাহ উপলক্ষে ২৪ ফেব্রুয়ারির আগেই বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা বেশ কয়েকবার গোপন বৈঠক করেছিল। তারা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অস্ত্রাগার লুট ও সদর দফতরের বিভিন্ন প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকৃতপক্ষে সাধারণ সৈনিকরা দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষে কঠোর অবস্থান নেয়। কিন্তু ডিজিসহ অন্য সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার বিষয়টি কেবল কতিপয় বিদ্রোহী জানত।
বিদ্রোহের দায়িত্ব বন্টন
২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত বৈঠকে বিদ্রোহীরা নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৩, ২৪, ৩৬ ও ৪৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের কতিপয় বিদ্রোহী সকাল ৮টার মধ্যে ১, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গেটের নিয়ন্ত্রণ নেয়। দরবার হলে ডিজির ভাষণ চলাকালে সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে ২ জন বিদ্রোহী (সিপাহী মাইনুদ্দিন ও সিপাহী কাজল) হঠাৎ মঞ্চে প্রবেশ করে। এদের মধ্যে সিপাহী মাইনুদ্দিন অস্ত্রধারী ছিল। সে ডিজির দিকে অস্ত্র তাক করে ধরে। এ সময় বাইরে থেকে ফাঁকা গুলি করা হয় যাকে কতিপয় বিদ্রোহীরা ‘ভাগো’ বলে চিৎকার করে ওঠে। এরপর দরবার হলের বাইরে পিলখানায় ও পরে সারাদেশে ওয়ারলেস ও ওয়াকিটকির মাধ্যমে বিডিআর সৈনিকদের মধ্যে সেনা কর্মকর্তাদের উস্কে দেয়া হয়। বিডিআর সদস্যদের মধ্যে এরকম কথা প্রচার করা হয় যে দরবার হলে গুলি করে একজন বিডিআর সদস্যকে সেনাকর্মকর্তারা হত্যা করেছে। দরবার হল ঘিরে অনবরত এলোপাতাড়ি গোলাগুলি শুরু হয়। দরবার হলে আটকে পড়েন প্রায় ৪০ জন সেনা কর্মকর্তা, বাকিরা বিভিন্নভাবে পালিয়ে যান। আটকে পড়া বেশিরভাগকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
যেভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটে
তদন্ত কমিটি তদন্ত করে জানতে পেরেছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার মধ্যেই বেশিরভাগ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। নিহত ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ৫২ জনকেই দরবার হল ও তার আশপাশে হত্যা করা হয়। বাকী ৫ জনকে অন্য স্থানে হত্যা করা হয়। বিদ্রোহে ৯ জন বিডিআর সদস্য নিহত হয়। এদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সুবেদার মেজর নূরুল ইসলাম বিদ্রোহের শুরুতেই নিহত হন। বাকি ৮ জন বিডিআর সদস্যের মৃত্যু সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য না মিললেও ধরে নেয়া হচ্ছে তারা বিদ্রোহে বাধা দেয়ায় অথবা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন।
বিদ্রোহে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিল
গ্রেফতারকৃত বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত কমিটি বেশ কয়েকজন বিডিআর সদস্যের বিদ্রোহে সরাসারি জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে। বিদ্রোহী সদস্যরা হলেন, ডিএডি তৌহিদ, ডিএডি হাবিব, ডিএডি জলিল, ডিএডি নাসির, ডিএডি রহিম, সুবেদার মেজর গোফরান, নায়েব সুবেদার মনোরঞ্জন, সহকারী হাবিলদার মনিরুজ্জামান, সিপাহী সেলিম রেজা, তারেক, আইয়ুব, কাজল, সাহাবুদ্দিন, মাইনুদ্দিন, রেজাউল, রুবেল, হাবিব, ওয়ায়দুল, মুহিত, নিজাম, শাহাদত, সহকারী ল্যান্স নায়েক সাইদুর, লুৎফর রহমান, ল্যান্স নায়েক জাকারিয়া প্রমুখ।
বিদ্রোহীদের পলায়ন ও পলায়নে সহযোগিতা
বিডিআর বিদ্রোহের প্রথম দিন থেকে বিডিআর সদস্যরা পালিয়ে যেতে থাকে। পলায়নকালে কতিপয় উৎসাহী বেসামরিক ব্যক্তি বিদ্রোহীদের কাপড়, খাবার ও পানি সরবরাহ করে। এদের নেতৃত্ব দেয় বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার সুরাইয়া বেগম, তার দুই ছেলে, স্থানীয় সন্ত্রাসী মাসুদ, লেদার লিটন প্রমুখ। বিদ্রোহীদের বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপারে ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে সহায়তা করে বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরুদ্দিন আহমদ পিন্টু। এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটনসহ যারাই এ ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিদ্রোহের প্রকৃত কারণ কী?
দুই মাস ২০ দিন ঘটনা তদন্ত করেও এ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও উদ্দেশ্য নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করতে পারেনি তদন্ত কমিটি। প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য তদন্ত কমিটির আরো সময় প্রয়োজন বলে মনে করে। বিডিআরদের দাবি-দাওয়া নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষকে প্রাথমিক কারণ বলে ধারণা করা হয়েছে। কিন্তু এসব দাবি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, কতিপয় মামুলি দাবি এতবড় একটি নারকীয় ঘটনার মূল কারণ হতে পারে না। সাধারণ বিডিআর সদস্যের মধ্যে বিষবাষ্প ছড়াতে এসব দাবি কাজে লাগানো হয়েছে। এ দাবিগুলোকে সামনে রেখে মূল কুশীলবগণ নেপথ্যে থেকে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করার জন্য পরিকল্পনামাফিক কলকাঠি নেড়ে থাকতে পারে।
সহায়ক কারণ
কয়েকটি সহায়ক কারণ বিদ্রোহ সংঘটনে ভূমিকা রেখেছে। প্রধান গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের পেশাগত অদক্ষতা ও সাংগঠনিক ব্যর্থতা, রাইফেল সিকিউরিটি ইউনিটের (আরএসইউ) বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগসাজশ, দাবি-দাওয়া সম্পর্কে বিডিআর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের অভাব, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অন্যায্য দাবি আদায়ে উস্কানি দান এবং সামগ্রিক মিডিয়ার ওপর তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ না থাকা বিডিআর বিদ্রোহের সহায়ক কারণ হিসেবে মনে করছে তদন্ত কমিটি।
বিদ্রোহের মোটিভ
বিদ্রোহের মূল মোটিভ ছিল চেন অব কমান্ড ধ্বংস করে বিডিআরকে অকার্যকর করা। সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে নির্যাতন ও হত্যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সেনা কর্মকর্তাদের বিডিআরে প্রেষণে কাজ করতে নিরুৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিডিআরের মধ্যে সংঘাতপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি করানো ছিল বিদ্রোহের মোটিভ। এ ঘটনায় সামগ্রিকভাবে সেনাবাহিনীর ক্ষতি করা, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ ব্যাহত করাও ছিল বিদ্রোহের মোটিভ। এতে সেনাবাহিনী অনেক যোগ্য ও মেধাবী কর্মকর্তা হারিয়েছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিডিআর ধ্বংসের কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং জনগণের আস্থা ও শ্রদ্ধা হারিয়েছে। সেনাবাহিনীও সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কারা চক্রান্তকারী
যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, যারা বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে দেখতে চায় না, যারা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী দেখতে চায় না তারাই এ বিদ্রোহের মাধ্যমে হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার প্রয়াস পেয়েছে।
সুপারিশ
তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বিডিআরের ঘটনার সূত্রপাত, কারণ, ক্ষতির পরিমাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা শেষে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হলো- দ্রুত শাস্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিডিআর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত সকল অপরাধের বিচার সেনাবাহিনীর আইন অনুযায়ী অনতিবিলম্বে সম্পন্ন করা। বিডিআরকে পুনর্গঠন করা। পুর্নগঠিত বাহিনীর কমান্ড কাঠামোতে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে পদায়ন। জাতীয় সংকট মোকাবিলার জন্য অবিলম্বে সর্বোচ্চ পর্যায়ে একটি স্থায়ী জাতীয় সংকট মোকাবিলা কমিটি গঠন করা। সকল গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব ও কর্তব্য পুনর্বন্টন করে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা কার্যক্রম সমন্বয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে সকল গোয়েন্দা তথ্য পর্যালোচনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বিডিআর আইনের ধারা সংশোধন করে যুগোপযোগী করা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সম্পর্কে সব ধরনের উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচারের বিষয়ে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য একটি কার্যকর আচরণবিধি প্রণয়ন করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে অফিসার এবং ফোর্সের কার্যকর সম্পর্ক নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রেষণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের প্রাপ্ত বৈষম্যমূলক সুযোগ-সুবিধা বাহিনীতে কর্মরত অন্য সদস্যদের সাথে সমন্বয় সাধন করতে হবে। বাহিনীকে তার নিজের বাইরে যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করা দরকার। অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিতকে অটুট রাখার স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড (যেমন: ডাল-ভাত কর্মসূচি, বিডিআর শপ) পরিচালনার মত বিষয়গুলো নিরুৎসাহিত করতে হবে। ডাল-ভাত কর্মসূচি, বিডিআর শপ, কল্যাণ ট্রাস্ট, স্কুল পরিচালনা ইত্যাদি অনিয়মের ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা। বিডিআর বিদ্রোহের মূল কুশীলবদের সনাক্তকরণের জন্য আরো তদন্তের ব্যবস্থা করা।

পিন্টুই শেষ মেষ হিরু বনে গেল?
এক এক দিন না এক দিন সত্য প্রকাশ পাবেই।
কি লজ্জা ? ধিক এই জাতির বিবেক ! বাঙলাদেশিরা জাতি হিসাবে কতো নিরলজ্জ আবার আমরা প্রমান করলাম বি ডি আর এর মিথ্যা তদন্ত রিপোট প্রচার করে ? সত্য প্রকাশ করলে কি ক্ষতি হতো সরকারের ? আওয়ামিলীগের পাঠা বানিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান । সে বলে ছিল পিলখানা ঘটনায় জঙ্গীরা জরিত।আরেক খানকির মাইয়্যা মইত্তা বলে ছিল জঙ্গীদের মাথার রোমাল নাকি পিলখানায় দেখেছে।আশরাফ শয়তানে বলল সেনাবাহিনীর রিপোর্ট উদ্দেশ্য প্রনোদিত।এ সকল কথার একটি ও তদন্ত রিপোর্টে সত্য প্রমানিত হয়নি।
সাহারা বদমাইশনি বলে নাসির উদ্দিন পিন্টু ইন্জিলের নৌকা দিয়ে বিদ্রোহীদের পারাপার করে দিয়েছে সব দোষ ত কেষট বেটার!এই বাংলাদেশে কি কোন সরকার আছে ?পিন্টুই শেষ মেষ হিরু বনে গেল?হাসিনাকে বোকা বানাল আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলী? এই সরকারি কমিটির রিপোর্টের আর প্রয়োজন নাই।জনগণের যা বোঝার বুঝে নিয়েছে।সরকারের সময় নষ্ট করার দরকার ছিল,সেটাও হয়ে গেছে।তাহলে আর অযথা রিপোর্ট প্রকাশের বাড়তি ঝামেলা করা কেন?যেটা সত্য সেটা জনগনের সামনে প্রকাশ করা দরকার।আমার ধারনা এই ঘটনা আওয়ামীলীগের নেতারা ঘটিয়েছে।যার জন্য এত দেরী হচ্ছে। এই বাহিনীর নাম নিয়ে চলছে গবেষনা। বিডিআর এন নাম পরিবর্তন করে এখন সেই রক্ষী বাহীনি বানাবে। আমার ধারনা এটাই।এই জন্য এখন নাম আর পোষাক পরিবর্তন নিয়ে যত তুমুল কান্ড চলছে। যদি সত্য কথা বলার বা জানানোর সৎ সাহস তদন্ত কমিটি'র এতসব শিক্ষিত জনের না থাকে তাহলে উনারা তদন্ত করার দায়িত্ব কেন নিলেন? আমাদের পুলিশ প্রশাসনের অল্প শিক্ষিতরাই এই কাজটুকু করতে পারত। যুগে যুগে সব সরকার এ ধরনের নোংরা কাজের জন্য পুলিশ কেই ব্যবহার করেছে। মনে হচ্ছে এটা আমাদের রাজনীতিতে একটা ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যেতর জন্য সুখকর নয়। আর তথাকতিথ এসব শিক্ষিতরাই আমাদের সব সময় বলে এসেছেন অন্যায়'র কাছে কখনো মাথানত না করতে। আজ ভাবতে লজ্জা লাগছে জীবনে'র সু-শিক্ষা টা আমরা উনাদের কাছ থেকেই পেয়েছিলাম। সরকার কে বলছি, অন্যায় কে চাপা রেখে কেউ কখনো মহান হয় না। সত্য কখনো চাপা থাকবে না। এক এক দিন না এক দিন সত্য প্রকাশ পাবেই। আপনাদের প্রকাশ করার সাহস না থাকতে পারে, কিন্ত আমরা যারা এ দেশে হাল ধরব তারা এতোটা কাপুরুষ নই। আল্লা্হ্ আপনাদের ততদিন বাচিয়ে রাখুক যেন আপনারা দেখে যেতে পারেন বাঙালি জাতি অন্যায়ের বিরুধ্বে লডতে জানে। যতই ঘসা মাজা করেন না-ই কেন , সেনাবাহিনীর রিপোটে অনেক সত্য বেরিয়ে এসেছে ! আপনাদের তৈরী রিপোটে বিশবাস যোগ্যতা নিয়ে প্রশন থাকবেই !যে সেনা বাহীনির প্রধান তার চোখের সামনে ৭০ জনের মত অফিসারদের ধারাবাহিক কিলিংএর পরও তাদের বাচানোর কোনো সাহস ও উদ্যগ নিতে পারেনা অদৃশ্য কারনে,তাকে বেইমান,কাপুরুষ ও দালাল বলাই উচিত।তার সেনাপ্রধান পদে থাকাই উচিত নয়।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ভিত্তিমুল সেনাবাহিনীর প্রতি নগ্ন আক্রোশ তাদের থিসিস আর গবেষণায়।ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিট এন্ট্রি হবে ভারত থেকে।সেনাবাহিনী থেকে ইসলাম দুর করার অভিযান চালানো হবে।আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গনহত্যা চালাইতে চায়|তার প্রেক্ষাপট তৈরীতে ব্যস্ত, পিলখানার ঘটনাটি একটি ট্রায়াল মাত্র| হাসিনা দেখতে চাইছে, ধীর স্থির সিদ্ধান্তের আড়ালে এই আর্মি অফিসারকে হত্যার করলো,এই ঘটনাটি জনগন কিভাবে নিচ্ছে বা দেখচ্ছে তাই এখন হাসিনার আওয়ামী লীগ পর্যবেক্ষন করছে|আর এই জন্যই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়িয়ে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট কর্মীদের উজ্জিবিত রাখার কুট কৌশল হাসিনা নিয়েছে (ইজারা ইস্যু, এতে ফ্যাসিষ্টরা বেজায় খুশি),যাকে বলে আপনার ভাষায় গ্রাম্য পলিট্রিক্স।
বিডিআর ট্রাজেডি সরকারের সৃষ্ট,নানক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জোয়ানদের টিভি সাক্ষাতের উতফুল্লতা, মূখুশ পরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত মইন মিয়ার নিরবতা,অভ্যুত্বানের বিদ্রোহকে রাজনৈতিক আলোচনায় সমাধানে সেনাবাহিনীকে পুতুলের মতো দাড়িয়ে রেখএ তাদেরই সহকর্মীদেরকে মৃত্যুপুরীতে জিম্মি করে রাখার, মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে অতিরিক্ত সন্য মোতায়েন ও বানিজ্যমন্ত্রীর ধরিমাছ না ছুই পানির মতো বক্তব্য, আঙ্গা বহ সিআইডি তদন্তকাহ্বারকে নিয়োগ দেওয়ার মাঝে স্পষ্ট ধারণাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিতকরার কোন সূযোগ আছে কি?
নিজেদের মতো করে বানানো তদন্ত নাটকের সেনা বাহিনীর রিপোর্টটি ও ষড়যন্ত্রের মহা নায়ক ময়না মিয়ার হাতে জমা দেওয়া হলো,ইতোমধ্যে সেনা কর্মকর্তাদের কে ভাগে আনার কাজটি ও সমপন্ন হয়েছে এবার জেএমবি কিংবা,জোয়ানদের নেতৃত্বহিনতার অপ্রিতীকর দুর্ঘটনা বলে পার করা যেতে পারে,খাটী সত্য কথার বিডিআর কর্মীদের কে মেরে ফেলা হয়েছে এর মাঝে মরেছেন একজন ইমাম সাহেব ও কারন তাদের কথাগুলি প্রকাশিত হলে তলের বিড়াল বেড়িয়ে আসতো, নিহত জোয়ানদের মৃত্যুর আগে বলা কথা গুলো প্রকাশিত হলো কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতো! সেটা হবে না জানি-হৃদরোগের কারন হোক ওদের কথা গুলো যে সরকারের আসল চেহারা উম্মচোন হতো নির্ঘাত|তদন্ত কাহ্বার ও সেনাবাহিনীর রিপোর্ট সমন্নিত করতেই এতোদিন বিলম্ভ,সরকার মোটামুটি নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে|দুর্নিতি ও টেরোরিজমের নামে আমেরিকা-ব্রটেন-ভারত সারা বিশ্ব দখল করতে চায়।সেজন্য তারা প্রথমেই ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বক্ব টার্গেট করছে এবং কিছু দালাল কিনে নে্য।বাংলাদেশে হাসিনা ও মইন হলো তাদের বিশ্বস্ত কেনা গোলাম।তাদের স্বার্থ হাসিলের লাগি বিএনপি নেতাদের বাগে আনতে দুর্নিতির অভিযুগ তুলে ও সেনাবাহিনিকে বাগে আনতে তাদের অফিসারদের মেরে ফেলে পিলখানায়।
পিলখানা হত্যাকান্ডের আগের দিন দুনিয়াতে জন্ম নেয়া অবুজ শিশুরাও জেনে গেছে যে এ হত্যাকান্ড নানক-আযম-সাহারারা আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলীর সহযোগিতায় করেছিল,দিনের আলোর মত সত্য একটা বিষয়কে আওয়ামী হায়েনারা অন্য দিকে ফিরাতে ছায়,মূর্খ বাকসালীরা সবাইকে তোমাদের মত আবুল/বোকা মনে কর?সেনাবাহিনীর তদন্তে আওয়ামী মন্ত্রীদের নাম এসেছিল কিন্টু তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে দেওয়া হয়নি,আওয়ামী মন্ত্রী ফারুক খান ওরফে তোতা মিয়া বলেছিল যে আর্মির তদন্ত নাকি সত্য নয়,সংশোদন করে আনতে হবে , আওয়ামী মন্ত্রী তোতা মিয়ার মন মত হয়নি তা এতদিন প্রকাশ করা হয়নি,পরের সরকার ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগের লুকোচুরির আবার তদন্ত হবে।তখন নানক-আযম-সাহারা আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব নাম বেরিয়ে আসবে,আমরা ওই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
পিলখানার ভিতরের ঘটনা ওনারা জানতেন না এটা কোন গাজাখোরও বিশ্বাস করবে না। আক্রান্ত সেনা আফিসারদের ফোন পেয়ে আত্মি্য় স্বজন ও সহকমিরা সকালেই জেনেছিলেন। স্বয়ং ডিজি সাহেব ও রাবের কণেল গুলজার প্রধানমন্ত্রি থেকে শুরু করে সেনা ও রাব আফিসে ফোন করে জিবন বাচাতে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরে তাদের ফোনে না পেয়ে কি মনে হয়নি কিছু একটা ঘটেছে? কেন বিদ্রোহি নেতাদের কাছে আক্রান্ত সেনা আফিসারদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার সুযোগ দাবি করা হয়নি?
14 জন আলোচকের নাম-ঠিকানা না রেখে দেহ তল্লাশি ছারাই কেন প্রধানমন্ত্রির কাছে নেয়া হল? তাদের 10 জন এখন আটক আছে? বাকি 4 জন কোথায়? এই 4 জনই কি বহিরাগত, যাদের বিমানের ফ্লাইট 2 ঘন্টা পিছিয়ে পার করে দেয়া হয়েছিল? জাতি জানতে চায় বিদ্রোহীদের সাথে যমুনায় কি কথা হয়েছিল?ওরা কারা ছিল?
যে মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন)কয়েক গজ দুরে থেকে নিজ বাহিনির দেশপ্রেমিক অফিসারদের হত্যাকান্ড রহস্যজনক কারনে চেয়ে চেয়ে দেখে বাচানোর বদলে|ভারত ও হাসিনার দালাল, জাতির কুসন্তান,সেনাবাহিনীর কলংক মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন)ঐ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে দিবেনা আর দিলেও পরিবর্তন করে দিবে।দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য যদি মনে করেন মইন সেনাবিহিনীর কল্যানে কোনো কাজ করতেছে তবে তাদের মতো বোকা লোক নেই।মইন হলো সেনাবাহিনি ও দেশের দুষমন|একটু মাথা খাটালে এক-এগারোর প্রেক্ষাপটে একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশে সিরাজউদ্দৌলাহ ও মীরজাফরকেও চিনে ফেলা সম্ভব।
নাসির উদ্দিন পিন্টুর নৌকা পারাপার
যদি বিতর্কের খাতিরে ধরেও নেওয়া হয় যে নাসির উদ্দিন পিন্টু বিদ্রোহীদের নৌকা পারাপারে সাহায্য করেছে, তবে তাতেও তো দোষের কিছু দেখছি না। পিন্টুর আগেই তো নানক আজমরা বিদ্রোহীদের পিলখানা পার করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বালাখানা যমুনায় পৌঁছে দিয়েছিল। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল, দেশের খোদ প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহীদের পালের গোদা ডিএডি তৌহিদকে বিডিআরের ডিজি বানিয়েছিল। এইসব বিদ্রোহীপ্রেমী নানক আজম হাসিনাদের যদি বিচার না হয় তবে পিন্টুর বিচার হবে কোন যুক্তিতে?
নাসিরুদ্দিন পিন্টুতো আর
নাসিরুদ্দিন পিন্টুতো আর আওয়ামিলীগের নয়। তাকে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে না কেন?