
দেশের গার্মেন্টস্ শিল্প আবারও অস্থির হয়ে উঠছে। জ্বালাও পোড়াও মিছিলে শামিল হচ্ছে নতুন নতুন কারখানা, ধ্বংসের তান্ডবে যোগ দিচ্ছে নতুন নতুন শ্রমিক। সরকার বলছে বিরোধী দলীয় ষড়যন্ত্রের কথা, মালিক পক্ষ বলছে বিদেশী চক্রান্তের কথা, বামপন্থীরা শোনাচ্ছে শ্রম শোষনের মার্ক্সীয় তত্ত্ব। সরকার হটাতে বিরোধী দল আন্দোলনের পথ খুঁজবে এমনটা বুঝতে শার্লক হোমস্ হওয়ার প্রয়োজন নেই, প্রতিদন্ধিতার বাজারে বিদেশীরা চক্রান্ত করবে এটা বাজার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, আর বামপন্থীরা ধ্বংস যজ্ঞে শোষনের মিনার আঁকবে এ চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। এ ফ্যাক্টরগুলোর সাথে পরিচিত না হয়ে উদ্যোক্তরা যদি রপ্তানীমূখী শিল্পে বিনিয়োগ করে থাকেন তা হবে ভূল বিনিয়োগ এবং এখনই ভাল সময় তা গুটিয়ে ফেলার। রপ্তানীমূখী না হোক স্থানীয় বাজার ভিত্তিক শিল্প বিনিয়োগে আমার কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে, এ অভিজ্ঞতার আলোকে সমসাময়িক গার্মেন্টস্ ক্রাইসিসের একটা ডাল-ভাতীয় বিশ্লেষন করতে চাই। সময় থাকলে আমার সাথে থাকুন।
একটা দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে এর ভারী শিল্পের বিকাশ এবং এই ভারী শিল্পকে ঘিরে গড়ে উঠে অর্থনীতির বাকি ইন্ফষ্ট্রাকচার। পোশাক শিল্পের জন্যে প্রয়োজনীয় ভারী শিল্পের অবস্থান আমাদের দেশে এখনও আতুর ঘরের অবস্থানের মত। কাঁচামাল সহ এ শিল্পের সবটাই বিদেশ নির্ভর। এ নির্ভরতা আমাদের পিছনে ঠেলে দেয় প্রতিযোগী অন্যান্য দেশের তুলনায়। একটা জিনিষ আমাদের পরিস্কার হওয়া উচিৎ, আমাদের পোশাক শিল্প প্রতিযোগীতার বাজারে টিকে আছে কিসের উপর ভিত্তি করে। বিদেশ হতে মেশিনারীজ এনে সেই মেশিনে আমদানী করা কাঁচামাল এঞ্জিনীয়ারিং করে আমাদের রফতানী করতে হয় আবারও সেই বিদেশে। রহস্যটা কোথায়? যাদের ভারী শিল্প বিকশিত, যাদের কাঁচামালের জন্যে বাইরে চোখ ফেরাতে হয়না তারা কেন পারছেনা আমাদের সাথে? এটা রহস্য নয়, এ প্রশ্নের জবাব খুব সোজা, আমাদের সস্তা শ্রম বাজার। উদ্যোক্তরা এতদিন এই সস্তা শ্রমকে পূঁজি করেই লাভের মুখ দেখছিলেন, বিনিয়োগ নিয়ে টিকে ছিলেন আর্ন্তজাতিক বাজারে। সমস্যা হচ্ছে, বাংলাদেশে যেন তেন ভাবে বেঁচে থাকার জন্যে মানুষের চাহিদা বাড়ছে, হু হু করে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের মূল্য। স্বভাবতই সন্তূষ্ট রাখা যাচ্ছেনা মাসিক ১০০০-১২০০ টাকার গার্মেন্টস্ শ্রমিকদের। মালিকদেরও হাত পা বাধা শ্রমের মূল্য বাড়াতে, কারণ এ ধরনের বৃদ্বি তাদের ছিটকে ফেলবে প্রতিযোগীতা হতে।
আমাদের বিনিয়োগের ভিত্তিতেই থাকে হাজার রকম গলদ। আসুন এই কালো অধ্যায়ের দিকে একটু চোখ ফেরাই। রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়া বাংলাদেশে শিল্প উদ্যোক্তার জন্ম হয়না। আমাদের রাজনীতি itself একটা নষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং এই নষ্টামীর জড়ায়ুতেই জন্ম নেয় বেক্সিমকোর মত শিল্প গোষ্ঠি। লাখ টাকার জমিকে কোটি টাকা মূল্য দেখিয়ে ব্যাংক হতে ঋণ নেয়া হয় ১০০ কোটি টাকা, এবং এই ঋণ আবেদন এপ্রুভ করার জন্যে থাকে সরকারের সর্বোচ্চ পর্য্যায়ের রিকমেন্ডেশন। কারণ রাজনৈতিক দল চালাতে সরকারের চাই কোটিপতি কন্ট্রিবিউটর (বিশেষ করে যখন ক্ষমতা হারাবে), দলীয় সরকারের স্বার্থেই গড়ে তোলা হয় সালমান এফ রহমানদের মত শিল্পপতিদের। অসৎ রাজনীতি হতে উঠে আসা ততোধিক অসৎ রাজনীতিবিদ শিল্পখাতে এসে রাতারাতি সৎ বনে যাবে এমনটা আশাকরা হবে চরম বোকামী। বাস্তবেই তারা শিল্পের নামে গড়ে তোলে অসততার সাম্রাজ্য। শুরুটা হয় শিল্পের ভারী যন্ত্রপাতি আমদানী দিয়ে। যাদের ওভার এবং আন্ডার ইনভয়েসের সাথে পরিচয় নেই তাদের একটু নড়ে চড়ে বসার জন্যে অনুরোধ করব! রাজনীতিবিদ কাম শিল্পপতি বিনিয়োগে যাওয়ার আগেই ঠিক করে নেয় নিজ উদ্দেশ্য, সরকার হতে কোটি কোটি ঋণ নিয়ে একটা বিরাট অংশ পাচার করতে হবে বিদেশে, কারণ দেশীয় বিনিয়োগের কোন নিশ্চয়তা নেই। কিভাবে পাচার হবে এত টাকা? বাংলায় একটা কথা আছে, ’চোরে চোরে মাসতুত ভাই’!! বাস্তবেও তাই, আমাদের দেশের মত সব দেশেই রয়ে গেছে অসৎ ব্যবসায়ী। এ ক্ষেত্রে বিদেশী রফাতানীকারকরা এগিয়ে আসে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে। এক হাজার টাকার যন্ত্রপাতির দাম দেখানো হয় এক লাখ টাকা এবং দেশীয় অসততার নেটওয়ার্কে এ ধরনের দাম দেখিয়ে পাঠানো হয় লেটার অব ক্রেডিট (এল/সি)। এই এল/সির মাধ্যমে বৈধভাবে দেশ হতে পাচার হয়ে যায় কয়েক কোটি টাকা যা শেষ পর্য্যন্ত ঠাই নেয় বিদেশী কোন ব্যাংকে। এই অর্থ পাচারে বিদেশী রফাতানীকারকদের স্বার্থ নিয়ে অনেক প্রশ্ন করতে পারেন। উত্তর খুব সোজা, তারা তাদের অবিক্রীত যন্ত্রপাতি রফতানী করতে পারছে নিজ সরকারের বহুবিধ সূবিধা আদায়ের মাধ্যমে। পূঁজির অনেকটাই পাচার হয়ে গেল বিদেশে, বাকি পূঁজি বিনিয়োগ করে শিল্প চালু করতে বাংলাদেশে পেরিয়ে যায় আরও অনেক বছর। এ ফাঁকে নতুন শিল্পপতির রাজনৈতিক দল ক্ষমতা হারিয়ে বিরোধী দলে নাম লেখায়। শুরু হয় নতুন রাজনীতি! নতুন সরকার ঘাপলা খুজতে থাকে প্রতিপক্ষের শিল্প বিনিয়োগে। আইন আদলতে গড়ায় শিল্পের ভাগ্য, পকেট হতে খসতে থাকে নারায়ন বাবাজি। ওদিকে বিরোধী দলে বসা নিজ দলের নেতা-নেত্রীদেরও পেট ভরতে হয় সময় অসময়। হরতাল আর বয়কটের চাকায় চড়ে নিজ দল ক্ষমতায় ফিরে এলে নতুন লোন নিয়ে চালু হয় স্বপ্নের শিল্প। কিন্তূ ততদিনে রুগ্ন হয়ে গেছে শিল্পের গোড়া। লোন ফেরৎ দেয়ার ঘন্টা বাজাতে শুরু করে দেয় ব্যাংক, রফতানী বাজার সংকোচিত হয়ে আসে, দলীয় নেতা এবং ক্যাডারদের চাহিদাও বেড়ে যায় পাল্লা দিয়ে। সাথে যোগ হয় থানা পুলিশ সহ প্রশাষনের দস্যু দল, গ্যাস বিদ্যুৎ এবং পানি লুটেরা দল।
এভাবেই টিকে আছে আমাদের শিল্পখাত। ধুক ধুক করছে মরার আগে। কাকে দায়ী করব এ জন্যে? শিল্প মালিকদের? নষ্ট রাজনীতিকে? শ্রমিকদের? এই দায়ীর জন্যেও ব্যবহার করা হয় নিজ নিজ স্বার্থ; সরকার দায়ী করে বিরোধী দলকে, বিরোধী দল সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিকে, মালিক গন্ধ পায় বিদেশী ষড়যন্ত্রের, আর লাল ঝান্ডাওয়ালারা দেখে শ্রমের সাথে শ্রমজীবির দ্বন্ধ! এ সবই আসলে ধান্ধাবাজী, স্বার্থ নিয়ে কুকুরে কুকুরে কামড়া কামড়ি। স্বার্থের এই কুটিল বানিজ্যে বলি হচ্ছে কিছু খেটে খাওয়া মানুষ, ধিক!
সূত্রঃ http://amibangladeshi.org/
PM's appeal to owners to be considerate will not work
To make a generous appeal one has to have that credibility and power behind the modest appeal. Hasina does not have it.
Also, you make appeal to the people who are capable of honoring the appeal; in BD, garment owners never showed that human virtue.
So, appeal is not enough here and will not work. If existing industrial laws covers the proper guide lines for workers benefits, just apply them. If negotiation is needed, let it go forwad with workers' representatives, owners and ministry of industry.
Police and appeal will never work in BD. Appeal works in a moderate society, we are in an extreme situation.
মালিকদের 'বিবেচক' হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
মালিকদের 'বিবেচক' হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
Mon, Nov 2nd, 2009 1:14 pm BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, নভেম্বর ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-পোশাক শিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ দূর করতে মালিকদের আরো 'বিবেচক' হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, "শ্রমিকদের শোষণ করে কিংবা তাদের বঞ্চিত করে কখনোই শিল্প টেকসই হতে পারে না। মাঝেমধ্যে তৈরি পোশাক শিল্পে যে শ্রমিক অসন্তোষ হচ্ছে, তার কারণ মালিকদেরই খুঁজে বের করতে হবে।"
তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করে- এমন মন্তব্য করে হাসিনা মালিকদের উদ্দেশে বলেন, মানবিক বিবেচনায় নিয়ে তাদের সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে।
শ্রমিকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়ে এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী এজন্য সরকারের একটি তহবিল থেকে এক শতাংশ সুদে মালিকদের ঋণ দেবে বলেও জানান।
শনিবার টঙ্গিতে সংঘটিত ঘটনার পেছনে বাইরের কেউ জড়িত থাকতে পারে সন্দেহ প্রকাশ করে হাসিনা বলেন, "কোনো শ্রমিক কোনো 'শিল্প' ভাংচুর বা ধ্বংস করতে পারে না। এর সঙ্গে বাইরের কোনো শক্তি জড়িত। এদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।"
শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "কোনোক্রমেই এ শিল্পে অরাজক পরিস্থিতি সরকার সহ্য করবে না। অরাজকতার জন্য মালিক বা শ্রমিক যেই-ই দায়ী হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
রাজধানীর হোটেল শেরাটনে সোমবার বাংলাদেশ নিটওয়ার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) আয়োজিত 'নিট এক্সপোজিশন, ২০০৯'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন তিনি।
গার্মেন্টস শিল্পের রপ্তানি বাজার স¤প্রসারণে তার সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা বিবৃত করে হাসিনা বলেন, এতে করে ব্যবসায়ীরা জাপান, হংকং, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জার্মানিসহ কয়েকটি নতুন বাজারের সন্ধান পেয়েছে। সেখানে শিগগিরই রপ্তানি শুরু হবে।
সরকার দেশে একটি কল্যাণমুখী অর্থনীতি প্রবর্তন করতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, "তাই সরকার দারিদ্র বিমোচন এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করা ও সম্পদের সুষম বন্টনের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।"
পরে শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে ফিতা কেটে পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত নিটওয়ার এক্সপোজিশনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেএমইএ সভাপতি ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, শ্রম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী প্রকৌশলী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান এবং সমিতির প্রথম সহ-সভাপতি আব্দুর রশীদ বক্তব্য রাখেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমকে/আরএ/জিএনএ/১৫০৩ ঘ.
WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
দুলাভাই
মালিকরা কি শেখ হাসিনার দুলাভাই লাগে যে তাদের কাছে বিবেচক হওয়ার আবদার করতে হবে?
Good writing.But it takes time to progress
Good writing.Any country , it takes time to progress.
In every society there is problem .In UK postal workers are doing strike for job loss.
Two years ago ,temporary royal mail worker get 7.15 per hour.This year they offer 6 pound per hour.
অনেক দিন পরে
অনেক দিন পরে একটি সুন্দর বাস্তব ধর্মী লেখা দেখালাম। এ লেখা যেন বাস্তবতার আয়না। ভারত এবং চীনসহ অন্যান্য দেশের একই সংকট রয়েছে। ব্যবসায়িদের থেকে রাজনীতিবিদ অন্যান্য দেশেও দূর্নীতি গ্রস্থ। কিন্তু বাংলাদের ছোট হবার কারনে অনেক ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তাও বাংলাদেশ সস্তা শ্রম দারা পোশাক পন্যে বরাবরই দ্বিতীয় অথবা প্রথম স্থান দখল করে আছে। আশা করি আমার অনেক বন্ধুর মত অনেকে বাংলাদেশে আই টি শিল্প গরে তুলতে পারবে। ইন্টারনেট এত দেরী তে আশাতে বাংলাদেশের এক সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে। আই টি এর যুগে কোন সিমানা নেয়। আজ আপনারা দেখতে পাবনে বাংলাদেশে ঘরে বসে অনেক মেধামী তুরন যারা কিনা বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেনি লাক্ষ লাক্ষ টাকা কামাচ্ছে। www.getafreelancer.com এর মত অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে তরুনরা ছোট থেকে শুরু করে বড় অনেক প্রযেক্টে বিড করে সারা বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রযেক্ট জিতে নিচ্ছে। আমাদের তরুনদের ক্লাস ৮ থেকে আই টি শিখান দরকার যাতে তারা আই টি শীল্প গড়ে তুলতে পারে। আই ফোনের সবচেয়ে ব্যবহৃত সফওয়ারটি একটি ৯ বছর বয়সী চীনা ছেলের বানায়। এ লাইনের লোক হওয়াতে সব সময় চিন্তা ওই লাইনে চলে যায়। আই টি দিয়ে হয় তো ৫-১০% জনপদের অর্থের যোগান হবে। ১% এর চেয়ে কম মানুষ আই টি থেকে আয় করতে পারলে তাকে অন্যান্য সেবাদান কারী আর ১০% লোকের কর্ম সংস্থান হবে। কিন্তু আমাদের ইলেকট্রনিক প্রোডাকশনের উপর বেশি জোর দিতে হবে। এ দূর্নিতী এবং অসুস্ত বানিজ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এর জন্য শিল্পের বিকাশ থামিয়ে দেওয়া যায় না। বাংলাদেশের আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে ছোট খাট দূর্নিতী কমতে থাকবে। আমেরিকার মত সব জায়গায় বড় মাপের দূর্নিতী হয় এবং তা সব সময় সব দেশেই হয়েছে এবং হবে। তাই দূর্নিতীর জন্য বসে থাকলে চলবে না আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
উত্তম বিশ্লেষন
আপনার বিশ্লেষনধর্মী রচনাটি উত্তম।
শেষ প্যারার আগের প্যারাটির বিশ্লেষন চ্মত্কার।
বলতে পারেন কবে থেকে এর সুত্রপাত?
কোন রাজ্নইতিক দলের নেতা-কর্মীরা এই মহান বিদ্যার উদ্ভাব্ক?
এর স্দুত্তর য়দি জানা থাকে তবে আপনার ধারনার পরিবর্তন হবে আশা করা য়ায়।
শিল্প গুষ্টি = শিল্প গোষ্ঠী
SalamU
ভূলটা ধরিয়ে দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ আপনাকে।
ঋন খেলাপি ব্যবসায়ী ছাড়া যারা
ঋন খেলাপি ব্যবসায়ী ছাড়া যারা নিজ টাকায় বা বিদেশ থেকে বিনিয়োগকারী যোগার করে ইন্ডাস্ট্রি গড়েছে তাদের পক্ষে বাংলাদেশে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন।্কারন কোন প্রকার রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা না নেয়া স্বত্তেও তাদের মোটা অংকের মাসিক চাদা দিতে হয় দুই রাজনৈতিক গুন্ডাবাহিনীকে।বিদেশে রপ্তানি বা আমদানি করার ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে শুরু করে কাস্টমস সর্বত্র প্রচুর টাকা ঘুষ দিতে হয়। একটা জিনিষই কেবল সস্তা বাংলাদেশে, আর তা হচ্ছে শ্রমিকদের মজুরি।আর সেটার কারনেই ব্যবসায় টিকে থাকতে পারে ব্যবসায়ী শ্রেনী।এই সস্তা মজুররা যখন দুই বেলার খাবার যোগার করতে হিমশিম খায় তখনই রাস্তায় নামে, মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে। শ্রমিকদের কাছে তাদের মালিকরা হচ্ছে শোষক শ্রেনীর প্রতিভু, কিন্তু তারা জানে না কোট প্যান্ট পরা মালিক ও তাদের মধ্যে কোন ফারাক নেই।শ্রমিকরা তবু দাবী আদায়ে, মালিকের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে পারে। কিন্তু হাত , পা বাধা মালিক পক্ষের কি সাহস আছে হাসিনা , খালেদা গং এর চাদাবাজীর বিরুদ্ধে দাড়ানোর? উপায় কি আছে মুখ খোলার? কোন উপায় না থাকায় তারা সরনাপন্ন হয় পুলিশের। টাকার বিনিময়ে পুলিশ রাস্তায় নেমে গুলি চালিয়ে একটা, দুইটা লাশ ফেলে আন্দোলন পন্ড করে। বছরের পর বছর এই চলছে বাংলাদেশে।
জানি না কবে এ দেশের সাধারন মানুষের উপলবদ্ধিতে আসবে তাদের সকল কষ্টের মুল বিএনপি ও আওয়ামিলীগ নামক দুই দানব বাহিনী।জানি না কবে শ্রমিক, মালিক সব এক কাট্টা হয়ে পথে নামবে সকল অরাজকতার বিরুদ্ধে।
এত কথার দরকার কি?
আপনি দেখছি সমালোচনার নামে ভারতের দালালী শুরু করে দিলেন, কত পাইছনে দাদাদের কাছ থেকে? তারেক জিয়ার নেত্রীত্বে বিএনপি যেদিন ক্ষমতায় আসবে পোশাক শিল্পের এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে ইনশ্আল্লাহ। এ সব প্যাচালী ছেড়ে জাতিয়তাবাদের পতাকা তলে এক হউন এবং তারেক জিয়া তথা জিয়া পরিবারের হাতকে শক্তিশালী করুন।
altaf_hossain shaheb >> please be realistic
Please be realistic. How can you expect the foot soldiers of well known RAW agents Ershad and Moeen not to be Bharotiyo slave. Just like Pakistani rajakars thought that they can't live without Pakistan, these Bharotiyo rajakars rightfully thinks that they can't survive without the mercy of Bharot.
Altaf_hossain wrote:
এত কথার দরকার কি?
আপনি দেখছি সমালোচনার নামে ভারতের দালালী শুরু করে দিলেন, কত পাইছনে দাদাদের কাছ থেকে? তারেক জিয়ার নেত্রীত্বে বিএনপি যেদিন ক্ষমতায় আসবে পোশাক শিল্পের এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে ইনশ্আল্লাহ। এ সব প্যাচালী ছেড়ে জাতিয়তাবাদের পতাকা তলে এক হউন এবং তারেক জিয়া তথা জিয়া পরিবারের হাতকে শক্তিশালী করুন।
hossain
আল্লাহ, আল্লাহ, করেন। তাতে যদি মাথার ঘিলু স্কালের মদ্ধে যে খোপরায় থাকার কথা সেখানে রিলোকেট হয়। আপনার ইয়োগা স্ট্যাইলে হেড স্ট্যান্ড দেয়া একান্তই প্রোয়জন হয়ে পড়িয়াছে।
জিয়া পরিবার তালেবান দের সিমপ্যাথাইজার। ওদের জন্ন্য স্যাম চাচা গ্যান্দা আর গোলাপ ফুলের মালা নিয়া তৈরি আছে। আপনিও দেখছি ঐ তালেবানদের পিছনে আল্লাহু আকবার চালাইতেছেন। পাকিস্তান থেকে প্রেডেটর উড়িয়া আসিতে বেশী সময় লাগিবেনা।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
বনের বাসিন্দা রবিন হুদ
ক্যাচাল করবেননা, বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদের যেদিন জয় হবে আপনাকে পালাতে হবে ক্যালিফোর্নিয়ার জংগলে। ততদিন নিজেই আল্লাহকে ডাকেন আর শ্যাম চাচাদের বুড়া আংগুল চুষেন।
তারেক জিয়া যেখানে
আমরা আছি সেখানে
hossain মুন্সি
ক্যালিফরনিয়ায় জংগল কোথায় দেখলেন? এখানেত পাহাড়, মরুভুমি, ভলক্যানো ও প্যাছিফিক ওশেনের কোস্টলইন। আরে মুন্সি সাহেব, স্যাম মাত্র একজন চাচা। এখনে চাচাদের বলতে কেউ নাই। প্রেডেটর পছন্দ না হইলে ঢাকার গুলিস্তানের সামনের, পিছনের থেকে মাপলে ১২ হাত আর সামনের থেকে মাপলে ১৩ হাত, মিরজুম্লার কামান টা ভাড়া দিয়েন।
Ginkgo biloba খাওয়া শুরু করেন। সময় চলিয়া গেলে আফসোস করবেন। তখন আল্লহু আকবার বলিলেও কাজ হইবেনা।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
hossain মুন্সি shaheb >> There are some jungles in California
hossain shaheb,
You are somewhat right about California. There are some places where you can see new jungle. After some self professed intellectual human looking creature moved in some places of California it turned into jungle. Some prominent (notorious ???) persons from Bangladesh like Ershad and Moeen visits these jungle to meet and feed their foot soldiers living there.
RH
বোঝলামনা , মীর জুমলার কামান পেছন দিয়ে মাপলে ১২হাত আর সামনে দিয়া মাপলে ১৩ হাত ।
আজব ব্যাপার । কামানটা আর গুলিস্থানে নেই । কামানটা এখন অনাদর এবং অবহেলায় ওসমানী উদ্যানে আছে । গুলিস্থান তার স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে । গুলিস্থান এবং নাজ সিনেমা হল দুটো আর নেই । হল ভেংগে একটা মার্কেট বানিয়েছে যা দেখতে খুবই বিশ্রী ।
আরে ভুমি ভাই
মিরজুমলার কামেনের ঐটাই রহস্য। ১২ হাত না ১৩ হাত এটা কেউ ছলভ করতে পারে নেই। ঠিক পাই এর ভ্যালুর মত। যতই অনাদরে থাক না কেন, ঐ ৩০০ বছরের কামানের জোর আর গর্জন এখনও আকাশ বাতাশ কাপাইয়া দিবে যদি কামানটাকে ব্রাসো দিয়া ঘসা মাজা করা যায়।
গুলিস্তানের ছয় আনার মিডিল স্টল আর দশ আনার রিয়ার স্টল এর কথা মনে আছে?
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
Hello Mr. RH .
আজ একঘন্টা হাতে পাওয়াতে চুটিয়ে ই-মেলায় আড্ডা দিচ্ছেন, খুব ভাল।
না ভাই বুবি
না ভাই। ঠিক আড্ডা না। রকেট টা কোন দিকে যাচ্ছে সেটাই দেখছি। আজকে ঘরোয়াতে যান নাই?
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
রবীন ভাই ।
আজকে ঘড়োয়াতে কাচ্চি বিড়িয়ানি খুব ভাল করেছিল এবং আমার কোটার ডেলিভারি নিয়ে এসছি।
মনে হচ্ছে খাবারটা মজা করেই খাওয়া যাবে।
আপনার স্বরন আর হীরা নিয়ে রকেট ঠিকই জায়াগায় ঠিক সময় পৌছে যাবে কারন ভাল মানুষের কাজ কখনো আটকায়না ।
ট্রাপ ভাই
কাচ্চি বিড়িয়ানি এর নাম শুনলে ভয় লাগে। অনেক আগে ক্যাথেটার ও স্তেন্ট এর কাজ করতাম। একে বারে স্নেক দিয়ে যেমন ড্রেন পরিষ্কার করে তেমনি ক্যাথেটার দিয়ে হার্ট এর রক্ত যাওয়ার নালী পরিষ্কার করে। কাচ্চি বিড়িয়ানি এর নাম শুনলে ঐটা মনে হয়। একটু সাবধানে থাকবেন।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
জনাব আলতাফ বয়াতী
মনে হচ্ছে আপনার হরমোনে সমস্যা আছে, চিকিৎসা করান।
মুগুরে মাইর
আপনার দরকার জাতিয়তাবাদী চিকিৎসা। মাইর কি খাওনের সূযোগ হয় নাই এতদিনে? ছাত্রদলের মুগুরের ঢলা একবার শরীরের উপর দিয়ে গেলে আপনার হরমোন আপনা আপনি বদল হয়ে যাবে। অপেক্ষায় থাকুন সে দিনের।
টেকনাফ হতে তেতুলিয়া
সবাই বলে খালেদা জিয়া-তারেক জিয়া!
এক দফা এক দাবি
হাসিনা তুই কবে যাবি!
রবীন ভাই ।
কাচ্চিটা এনেছিলাম আগামীকাল খাব মনে করে কিন্তু কি আপনি লিখেছেন সাথে সাথে কাচ্চির ক্ষুদাটা এখনি লেগে গেল । আপনার মত "উপরে আল্লহ নীচে বরাক ভাই ,কোন চিন্তা নাই " বলে এটা এখুনি খাওয়া শুরু করলাম।
কাচ্চি বিরিয়ানী
কাল সুর্য ওঠার আগেই যেন বুবিকে পাচঁবার বাথরুমে যেতে হয় ।
সালাম ভুমি ভাইজান ।
মনে করেছিলাম এক প্লেট খাব এখন দেখছি ২ টা না হলে আর হচ্ছেনা ভুমি ভাই।
পেটুক boobytrap...........
"মনে করেছিলাম এক প্লেট খাব এখন দেখছি ২ টা না হলে আর হচ্ছেনা ভুমি ভাই।"
আরে ভাই একটু কম খাস না। তা'হলে সবাই খেতে পারবে। আর সবাই যদি তোর মত এক প্লেটের পরিবর্তে এরকম দুই প্লেট খায় তা'হলে তো খাদ্য ঘাটতি পড়বেই। মানুষকে তখন এক পর্যায়ে মাটি খাওয়া শুরু করতে হবে। খাওয়া দাওয়ার ব্যপারেও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এক পেটুকের জন্য যাতে অন্যদের না খেয়ে থাকতে হয় সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তা'ছাড়া কম করে খেলে বেশি দিন খাওয়া যায়। খাওয়া দাওয়াকে বেশী গুরুত্ব দিলে পেট বাড়বে কিন্তু আয়ু কমবে। কথাটা ভাই মন্দ বলিনি। মনে রাখিস; গুরুত্ব দিস।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ট্র্যাপ ভাই
মারা গেলে এই দেহের দাম একসের আটার দামও না । কি আছে জীবনে ? আজ মারা গেলে কাল দুই দিন । মরি'ত মরি খাইয়াই মরি । খান ভাই খান । সাথে কাচাঁ লংকা আছে ?
বোনাপিতিত !!!!
শোনলাম নিউ ইয়র্কে নাকি ফাটা ফাটি ওয়েদার ?
ভুমি ভাই ।
দুদিন পুর্বে আপনি লিখেছিলেন আমাদের ইম্মিউন সিস্টেম ক্যামিকেল ফ্রেন্ডলি ওটার সাথে আমি আর একটু যোগ করতে চাই রেড মিট আর কাচ্চি ফ্রেন্ডলি হলো নিউ ইয়র্কারদের শরীর। হ্যা কাচা লংকা ছিল বেশ কিছু ,তাই রাত্রের কাচ্চি খাওয়াটা খারাপ হয় নাই। জ্যাকভ ভাইয়া কোথায় ?