কুষ্টিয়ায় একে-৪৭ সহ আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেপ্তার

ঢাকা, নভেম্বর ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- একে-৪৭ রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ গুলিসহ কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া পুলিশ।

রাতে কুষ্টিয়া শহরের উপকণ্ঠে পুলিশ চেকপোস্টে শহর মহিলা আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদিকা তাসলিমা খানম আঁখিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এসময় তাদের মাইক্রোবাস তল্লাশি করে একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি শটগান ও ৮২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

কুষ্টিয়া সদর থানার ওসি এসএম ফারুক রাত দেড়টায় জানান, উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি শটগান ও ৮২ রাউন্ড গুলি রয়েছে। এর মধ্যে একে-৪৭ এর ৬৬ রাউন্ড ও শটগানের ১৬ রাউন্ড গুলি রয়েছে।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট শাহাবুদ্দীন খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে গভীর রাতে জানান, রাত ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের উপকণ্ঠে মঙ্গলবাড়িয়া এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় মাইক্রোবাস আরোহী আঁখি, রানী, রাজ্জাক ও চালক শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের একটি সারপ্রাইজ চেকপোস্ট কুষ্টিয়া শহরে ঢোকার মুখে মাইক্রোবাসটি আটক করে তল্লাশি চালায় বলে জানান তিনি।

আঁখির রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি জেলা পুলিশ প্রধান।

তবে কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে আঁখির রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করে বলেন, "আঁখি শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকার দায়িত্বে আছেন। তার স্বামী হায়দার খান কোহিনূর কুষ্টিয়া শহরের আড়–য়াপাড়ার বাসিন্দা। আঁখি কুষ্টিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার।"

কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগে বিবদমান দু'টি গ্র"প রয়েছে। এর মধ্যে পৌর মেয়র আনোয়ার আলী একটি অংশের ও ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম অপর অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই দু'টি গ্র"প পাঁচ বছর আগে পাল্টাপাল্টি কাউন্সিলের মাধ্যমে শহর মহিলা আওয়ামী লীগের দু'টি কমিটি গঠন করে। গ্রেপ্তার হওয়া আঁখি ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদিকা।
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=3&id=113577&hb=top

Cactus's picture

অনেক আখিঁর মধ্যে একজন আঁখি ধরা পড়েছে >>>

bal হলো খান্দানী সন্ত্রাসী দল । এরা জঙ্গি এবং জংলি ।অনেক আখিঁর মধ্যে একজন আঁখি ধরা পড়েছে । তাদের ভিতরকার কোনো কলহের কারনেই হয়তো ধরা খেতে হয়েছে তাকে । এমন অনেক 'মর্দা আঁখি ' রয়েছে bal এ । হরতালে এরা রাস্তায় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি করে । কাপড় এলোমেলো করে রাস্তায় শুয়ে পড়ে পুলিশকে ফাঁসাতে পারদর্শী এইসব bal এর আখিরা । ধরা পরা এই আঁখিও ছিলো বিভিন্ন ভাবে সরব একজন bal । bal এর আঁখি ধরা পরার পরও bal গংদের চাপাবাজি কমে না ,এখন 'চোরের মার বড় গলা 'র মতো বলে বেড়ায় এটা নাকি bal এর শাষনের সুবাতাস , হায়রে bal ! bal সন্ত্রাসিদের মধ্যে দুই একজন দৈবক্রমে ধরা পরলে ' bal এর শাষনের সুবাতাস ' বইছে বলে চেচাইয়া উঠে , আর ধরাপড়ার আগ পর্যন্ত ধোঁয়া তুলশী পাতার ভান ধরে থাকে । বর্তমানে দেশের অধিকাংশ অপরাধগুলো সংঘটিত হচ্ছে bal ঘরানার সন্ত্রাসিদের দ্বারা । bal এর সরকার কি কঠোরভাবে তা নিয়ন্ত্রন করছে ? বাস্তবে bal এর কুশাষনে মানুষ অতিষ্ট ।
bal এর চামচারা তাদের সমস্ত অপরাধের তুলনা করতে এখন বিএনপি কে টেনে আনে । আমরা বিএনপির শাষন দেখেছি ,এর আগের bal এর শাষনও দেখেছিলাম । '১/১১ এর এতো বড় টর্নেডোর' পরে bal যখন বিপুল ভোটে জয় লাভ করে ক্ষমতায় এলো তখন অবশ্যই আশা করেছিলাম আগের বিএনপির ভুল এবং আগের bal এর ভুলগুলো আর দেখতে হবে না । দুর্ভাগ্য আমাদের , ১/১১ এর টর্নেডোর পরও হাসিনা আগের পথেই চলছে , আগের রাজনীতির বেশ্যাগিরিই চালিয়ে যাচ্ছে ---------- আর তার দালাল এবং খদ্দেররাতো এখানে সেখানে রয়েছেই বেশ্যাকে দম দিতে , নয়তো বেশ্যার বেশ্যাগিরি চলবে কেমনে !

Gladiator's picture

AK-47 and BAL terrorism

A petty mohila juboleague leader, Ankhi deals in AK-47. What then the C-in-C Hasina of that party deals in? Any guess? It's time to release Babor Ali and take Hasina in remand instead to grill about the 10-truck case . The sooner the better.

bd08's picture

আওয়ামী লীগের সুশাসন ও ১৪৪ ধারা

বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানায় প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন৷ বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে এই তথ্য৷ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা করা হয়েছে বলেও প্রকাশ৷

http://www.dw-world.de/dw/function/0,,82235_cid_4859762,00.html

  • Save Bangladesh: No more farakka

farmer's picture

Freeing academic institutions from Hasina, Khaleda & Jamat

Most of the parents understand the darkside of affiliation with BCL, JSD, ICS etc.
Only few families depend on the ill earnings of their student children; they also understand the danger.
It is good time to chase out the slaves of Hasina, Khaleda & Jamat. Shibir will be tough, but Hasina's tenure is good time to chase them out too.

voter's picture

বিট্রেড ভাই

অনেকদিন যাবত আপনাকে দেখছিনা । আপনী ক্যামন আছেন ? ভুমি ভাই বললেন
বাসায় বাচ্চা কাচ্চার শরীর খারাপ । আশা করি সবাই ভালো আছে । আমার
মাল ছামানা নিয়া কোন টেনশন কইরেন না , জানে বাইচ্চা থাকলে এর চেয়ে বেশী
মালছামানা যোগাড় করা যাবে । আল্লাহ আপনার সহায় হোন ।

farmer's picture

Dull heads cling to politics

People with some skills & knowledge find ways to survive in BD, they do not use politics as a tool for survival. Student with better academic backgrounds find some profession, although they face unemployment & low salary.
Most of the culprits were attracted by Khaleda & Hasina; both of them looked for people who cannot challenge them, it opened door to idiots into politics.
Aakhi is a victim of her peer betrayal; in the SW, W & NW every AL, BNP, JP & Jamati carry arms. Somebody did not like Aakhi, so she got caught, nothing to shout, or celebrate; she will get out in time.

yousuf144's picture

ত্রাসে অপর নাম আওয়ামী লীগ

নির্দয় ভাই আওয়ামী সন্ত্রাসের জন্মদাতা। আপনি যতয়ই ইনিয়ে বিনিয়ে অন্যের কাধে চাপাতে চান না কেন আওয়ামী সন্ত্রাসের কারনে আওয়ামী লীগের ভরা ডুবি জনগন দেখেছে ২০০১ সালে। এমন কি আপনার নেত্রী স্বীকার করেছেন আওয়ামী সন্ত্রাসের কারনে তাদের পতন হয়েছে। প্রথমে অপেরাশন ক্লিন হার্ট তারপরে র‌্যাব গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সন্ত্রাসিদের ক্ষৎম করা হয়। আপনার নেত্রী প্রথম র‌্যাবের সমালচনা করে পরে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে র‌্যাব কার্যকরভাবে সন্ত্রাস নির্মুল করেছে এবং জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তাই আপনার আওয়ামী অপপ্রচারে কেউ বিভ্রান্ত হবে না। স্বপ্নের রাজ্য থেকে বের হয়ে চোখ খুলে দেখুন। তাহলে দেখতে পাবেন আওয়ামী হায়েনারা কিভাবে বাংলাদেশকে লুটে পুটে খাচ্ছে।

bd08's picture

হিজবুত তাহরী এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে কে বেশী সন্ত্রাসী ?

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক

কোন উল্লেখযোগ্য অভিযোগ ছাড়া সরকার কর্তৃক হিজবুত তাহরীকে (ব্যক্তিগত ভাবে আমি অপছন্দ করলেও) নিষিদ্ধ করা ও এর প্রধান ঢাবির শিক্ষক প্রফেসর মহিউদ্দিন আহমেদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কোয়ার্টারে দিনের পর দিন গৃহবন্দী করে রাখা যদি বৈধ হয়, তবে সচেতন জনগনের প্রশ্ন তবে এর চেয়েও বড় ও সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ, সরকারের পদত্যাগ ও শেখ হাসিনাকে গৃহবন্দী করা হবে না?

আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নিত্য সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সাথে সম্প্রতি যা যুক্ত হয়েছে তা হচ্ছে এর মহিলা নেত্রীদের বোরখার আড়ালে মানুষ হত্যা, অস্ত্র ব্যবসা, চরমপন্হীদের সাথে সম্পর্ক ও সীমান্তে চোরাচালান ব্যবসা। সম্প্রতি কুষ্টিয়া আওয়ামী লীগের এক নেত্রী ও চরমপন্হী গণ মুক্তি ফৌজের সদস্যসহ ৫ জন আটক হয়েছে। গত সমেবার রাতে অভিযানে পূলিশ একে-৪৭ রাইফলে ও শটগানসহ বেশ কিছু গুলি উদ্ধার করেছে।

গ্রেফতার করা হয়,
১) কুষ্টিয়া পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা খান ওরফ আঁখি (৩৫)
২) রানী আক্তার
৩) দৌলতপুর উপজেলার অস্ত্র ব্যবসায়ী আক্কাস আলী (গণমুক্তি ফৌজের নেতা),
৪) আব্দুর রাজ্জাক (গণমুক্তি ফৌজের নেতা)
৫) শাহীন আলী (মাইক্রোবাস চালক)

অনেকে বলছেন, জঙ্গীদের দেশবিরোধী কর্মকান্ডে সবসময় সোচ্চার দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবিরা আজ কোথায়? কেন তাঁদের কলমের কালি আজ শুকিয়ে গেছে? তাঁরা যদি দেশপ্রেমিক হন এবং দেশের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত হন তবে আজ তাঁদের অবশ্যই জনগণকে সচেতন করার মানসে কলম ধরা উচিত। নতুবা মানুষ তাঁদের সততা সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন বৈকি!

এনিয়ে পাঠকের মতামত জানাতে আহ্বান জানাচ্ছি।

দ্রষ্টব্য: পাঠকদের জ্ঞাতার্থে, এই পোস্ট কোনভাবেই হিজবুত তাহরী বা যেকোন ইসলামী দলের পৃষ্টপোষকের জন্য নয়, বরং সরকার ও আওয়ামীলীগের দ্বিমুখী নীতির প্রতিবাদে ভূমিকায় হিজবুত তাহরীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধন্যবাদ।

আওয়ামী লীগের অপরাধের কিছু স্থির চিত্র

২। স্বাধীনতা রক্ষার নমুনা হলো, ২৫ বছরের গোলামি চুক্তি করা, ফারাক্কা বাধ দেবার অনুমতি, বেরুবাড়ি দিয়ে দেয়া, বাংলাদেশের ছিটমহল পুরনুদ্ধারে বিফলতা, টিপাইমুখ বাধ চালুর অনুমতি, সীমান্ত উন্মুক্তকরন করে ভারতীয় পণ্য দিয়ে দেশ সয়লাভ করে দেয়া, পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদের দিকে ঠেলে দেয়া।

৩। গণতন্ত্র পুরনুদ্ধারের নমুনা হলো বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা, এরশাদের সামরিক শাসনকে সমর্থন, ৮৬ সালে নির্বাচনে অংশগ্রহনের মাধ্যমে নিজেদের ঘোষিত জাতিয় বেঈমান খেতাব গলঃধরণ, ৯১ এবং ২০০১ সালে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে লাগাতার হরতাল, অবরোধ, ভাংচুর, হরতাল বিমুখ মানুষদের দিগম্বর করন - আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, ৯৬ সালে ক্ষমতারোহনের পর দলের গডফাদারদের মাধ্যমে বিরোধিদের উপর হত্যা দমন পীড়ন নির্যাতন, ১/১১ এর বিদেশি দালালদের ক্ষমতারোহনে পুর্ণ সমর্থন, এবং ২০০৮ সালে ক্ষমতা পেয়ে এখন বাকশালের দিকে ধাবমান।

আঃ লিগ এবং তার অঙ্গ সঙ্গগঠনগুলি যে হারে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, সেটা বাংলাদেশের যে কোন সংগঠনের চেয়ে শতগুণ বেশি। তাই নিষিদ্ধ করতে হলে, আঃ লিগ এবং তার জ্ঞাতি গুস্টির সবাইকেই নিষদ্ধ করা উচিত। এর পর একই অভিযোগে অন্যরা।
http://www.somewhereinblog.net/blog/abutashfeenblog/29037426

চরমপন্থী ও জংগীদের গড ফাদার হচ্ছে আওয়ামী লীগ


পিলখানার হত্যাযজ্ঞেও আওয়ামী লীগের কানেকশন স্পষ্ট। এই সরকার পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সুষ্ঠু তদন্ত করবে না, যাদের স্বীকার উক্তি সরকারের জন্য বিপদজনক তাদেরকেও আওয়ামী লীগ হত্যা করছে, এই রুপভাবে বিডিআরের ৫০ জনেরও উপর সদস্য মারা গেছে

সরকার পরিবর্তন হলে তদন্তের স্বার্থে হাসিনা-রেহানা-মঈন-সাহারা-তাপস-মতিয়া-আসাদুজ্জামান নুর-নানক-তোরাব আলী এদের সবাইকে রিমান্ডে নিয়ে ডিম থেরাপী দেওয়া হলে প্রকৃত সত্য বের হবে

এখনকার যথার্থ শ্লোগান:
SAVE BANGLADESH

  • Save Bangladesh: No more farakka

Stranger's picture

যদি জোট সরকারের সময় একে-৪৭ পাওয়া যেত?

আওয়ামী সরকার এই আঁখীকে নিয়ে কি ফাকিবাজী করবে তা দেখার অপেক্ষায় আছি। কেউ কি বলবেন এটা যদি জোট সরকারের সময় কোনো জোট নেত্রীর কাছে থাকতে তাহলে ধরা পরত কিনা, অথবা ধরা পরলে কি হত? কেউ উত্তর দিতে না চাইলে দিয়েন না, কিন্তু উত্তরের নামে গালাগালি কইরেন না। প্রশ্নটা করার কারন আপনাদের মতামতের ভিত্তিতে আওয়ামী নেত্রীর ঘটনাটা একটু পর্যবেক্ষন করা, যাতে দুই জোটের মিল-অমিল আর সেই সাথে ই-মেলার পাঠকদের দৃস্টিভঙ্গির গভীরতা থেকে একটু জ্ঞ্যান নেয়া যায়।

vumihinzamidar's picture

stranger bhaijan

আপনার প্রস্নের উত্তরের জন্য আরো ২/৪ দিন অপেক্ষা করতে হবে ।
কারন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে এখনও কিছু আসেনি ।
আমি অপেক্ষায় আছি । ভেরি ইন্টারেস্টিং ।
আমার মেইল পেয়েছেন ?

JackobRaihan's picture

ভুমিহীনজামিদার ভাই কে জ্যাকব রায়হান

তারা সব কিছুতেই প্রথম।
বাংলাদেশে ককটেল (১৯৮০) থেকে শুরু করে এখন গডমাদার ২০০৯), সব তেলেসমাতীর তারাই কান্ডারী। মুখে গনতত্রের কথা, অথচ অন্তরে বাকশালীজম, আর কাজে ফ্যাসীজম -- এই হল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (বাল) এর প্রকৃত চরিত্র।

২১ শে আগষ্টের ঘটনাটা প্রকারান্তরে তারেক রহমান উপর চাপানোর অপচেষ্টা, আর তাপসের ঘটনাটা অন্য কারো উপরে চাপিয়ে বি এন পি কে ঘায়েল করার ষড়য়ন্ত্র সফল হবে না।

জ্যাকব রায়হান

vumihinzamidar's picture

জ্যাকব ভাই

ক্যামন আছেন আপনী । অনেকদিন পর পেলাম । অবশ্য মাঝখানে আমিও
কয়েকদিন ছিলাম না । ছেলেদের পাল্লায় পর cancun গিয়েছিলাম ।
যেই বয়সে ক্যানকুন যাওয়ার কথা সেই বয়সে এফোর্ড করতে
পারিনি । বাংলাদেশ ছাড়া এখন আর কোথাও যেতে ইচ্ছা করেনা ।
জ্যাকব ভাই আমাদের দুই দলই নোংরা রাজনীতি করে । দুই দলের
কোন দলেই কোন ডেমোক্রেটিক কনন্সেপ্ট নেই , সহনশীলতা নেই ।
তারপরেও নেশাখোরের মত আমরা দল আকড়ে ধরে রাখি ।
জ্যাকব ভাই সেদিন আপনার কাছে আমি অনেক কিছু শিখেছি
বিশেষ করে আপনী ঘটনাকে যে ভাবে বিশ্লেশন করেন , বিশ্লেশনের
বিভিন্ন টেকনিক , আপনার দেখা অনেক ঘটনা যা' আমার অজানা ছিলো
সেগুলি জানলাম । সময় পেলে আবারো লম্বা আড্ডা দেওয়ার
আশা করি ।

vumihinzamidar's picture

রায়হান ভাইজান এবং ডিম থেরাপী

AK 47 সহ যে মহিলা ধরা পরেছে সাধারন হিসাবে পুলিশ নিশ্চয়ই তাকে
রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এবং এটাই স্বাভাবিক । আমার প্রস্ন
যদি এই মহিলাকে ডিম থেরাপী দিতে হয় সে ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই কোন মহিলা
কর্মকর্তা ডিম থেরাপী দিবেন , আপনার কাছে আমার প্রস্ন ( কিংবা যে কেউ
উত্তর দিতে পারেন ) আমাদের দেশে ডিম থেরাপীর জন্য ট্রেনিংপ্রাপ্ত
মহিলা অফিসার আছেন কিনা । আরেকটা প্রস্ন ( বেয়াদপী মাফ করবেন )
মহিলাদের ডিম থেরাপী্র জন্য অন্য কোন পন্থা আছে কিনা ।

Pogo's picture

vumihinzamidar ভাই

এটা কি বললেন ভাই? ঐসব থেরাপী দিতে আবার ট্রেনিং নিতে হয় নাকি? শুনুন, সবচেয়ে খারাপ কি হতে পারে? থেরাপীপ্রাপ্ত ব্যক্তিটি মারা যেতে পারে। তাই তো? মারা গেলে তার পরিবার কোর্টে মামলা করতে পারবে। কথাটি কে বলেছে? বর্তমান এট্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সুতরাং ট্রেনিং নিয়ে এত ভাবনা কেন?

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

vumihinzamidar's picture

Pogo

রায়হান সাহেব আমার টিম লিডার । কাজেই দায় দায়ীত্ব সব টিম লিডারের ।
তাছারা ভিলেজার ভাই গোটা ডিপার্টমেন্টের টপ্ গাই । অতএব কোন অসুবিধা
হবেনা । এটর্নি জেনারেলদের কথা আর কি বলবো ! সব দল নির্ব্বাচনের আগে
বলে ক্ষমতায় গেলে বিচার ব্যাবস্থার আমুল পরিবর্তন করবেন । ক্ষমতায় গেলে আইনমন্ত্রী
হিসাবে পাই হয় পলিটিক্যাল প্রস্টিটিউট ( মওদুদ ) নতুবা বটতলার উকিল ( কামরুল ) ।
এদের দ্বারা চোর বদমাইশ সন্ত্রাসীদের জামিন হতে পারে কিন্তু বিচার ব্যাবস্থার পরিবর্তন
আশা করা যায় না । সরকার নিজেই আন্তরিক থাকেনা ।
সব দলেই নির্ব্বাচনের আগে বলে ক্ষমতায় গেলে বৃটিশ আমলের আইন পুলিশ এক্ট ৫৪ ধারা এবং
জন নিরাপত্তা আইন বাতিল করিবেন কিনতু কেউ করেনা । বরং ক্ষমতায় এসেই এই দুইটি
আইনের নাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে । বিএনপি দুই দুইবার ক্ষমতায় ছিলো এবং আওয়ামী
লীগ একবার ছিলো কিন্তূ কেউ বাতিল করেন নাই । বর্তমানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে
এবং এখন পর্যন্ত এই আইন নিয়ে কথা বলে নাই এবং সে রকম সম্ভবনাও দেখছিনা ।
খমতায় যাওয়ার আগে সবাই বস্তা ভইরা প্রতিশ্রুতি নিয়া আসে কিন্তু ক্ষমুতায় গেলে
সব ভুলে যায় ।
বেগম সাহেবা এবং বংশধর ক্যামন আছে ? ভালো থাকবেন ।

Pogo's picture

ভুমি ভাই

কি বলব ভাই, আমি একটা রিপোর্ট লেখার পরে তার ADA কমপ্যাটিবিলিটি নিয়ে মাথার চুল ছিড়িতেছি একদিন ধরে। ওটা হইল গিয়া ফেডারেল আইন। প্রয়োজনীয় যন্রপাতি না থাকায় অন্ধকারে ঢিল মারিতেছি আর ওদিক থেকে বলছে, ঠিক হচ্ছে না। যাহোক, বংশধর ভালই আছে। ধন্যবাদ ইনকোয়ারির জন্য। গতকাল প্রমিচ রক্ষা করতে পারি নাই। তাই আজ এইমাত্র লাইব্রেরী থেকে আসলাম। সুতরাং মনটা তার ভাল। ইদানিং আপনার এখানে নিয়মিত উপস্থিতি ভাল লাগছে।

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

villager's picture

Egg theraphy experts JacobRaihan and Vumi

BD does not have enough egg theraphy experts; after seeing your expertize in
e-mela, both of your names have been given to DGFI as specialists. Please forward your resumes to the following e-mail:

dgfi@bdnet.gov

vumihinzamidar's picture

villeger bhai

ভাইজান কথা যদি শুরু করেন তাহলে মাঝ পথে কথা বন্ধ করবেননা ।
বাকীটা শেষ করেন । আপনী ইন্টারভ্যু বোর্ডের হেড এই কথাটা বলতে চাননা কেন ?
ভাই দেশের সেবা করার সুযোগটা যদি করে দেন , তাহলে এই ভূমিহীন আপনার
কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে । ক্যামন আছেন আপনী ?

villager's picture

US-BD experienced egg expert Vumi and JacobRaihan

Gentleman, your interest in the egg therapy and your US-BD experience in the field will make you very unque candidate for the job; virtually nobody can beat you. We do not like candidates with potato-lentil soup diet, so you and RaihanKhan will be our special candidates.
One small tip, you will be hired to handle tough women like Aakhi Hoq etc.; so, in the interview do not refer to chicken, or duck eggs; here we are talking about real eggs; do not mess up by talking about dumb boiled egg.

Stranger's picture

ভুমি ভাই

অনেক ধন্যবাদ মেইলের জন্যে, সেই সাথে ক্ষমা প্রার্থি সাথে সাথে রিপ্লাই না করবার জন্য। ঢাকায় একটি ডিভিডি রিলীজ হয়েছে - সশস্ত্র বাহিনীতে গনহত্যাঃ (১৯৭৫ - ১৯৮১) "Soshostro Bahineete Gonohotya: (1975 - 1981)"। যদি কালেকশন করতে পারেন জানায়েন। আপনি কি এই ভিডিওটি দেখেছেন? অষ্টম পর্বের সাউন্ড নাই!

vumihinzamidar's picture

stranger bhai

মতামতের জন্য মাহফুজ সাহেব একটা কপি দিয়েছিলেন । আমি বলেছি
নিঃসন্দেহে নতুন প্রজন্মের জন্য এই দলিলের প্রয়োজন আছে । তবে আমি যা দেখেছি
সেই হিসাবে দলিলটা কিছুটা অসমাপ্ত এবং এইটা একান্তই আমার নিজস্ব মতামত ।
আমাদের প্রধান সমস্যা আমরা যে কন চলমান ঘটনাকে দলীয় দৃস্টি কোন থেকে দেখি ।
যা সত্য তা' যদি আমার বিপক্ষেও যায় তাহলেও ইতিহাসকে ইতিহাসের মত চলতে
দেয়া উচিত । যে জাতি ইতিহাসকে নিজের মত তৈরী করে অর্থাৎ দিনের আলোর
মত সহজ সরল সত্যের আপব্যাক্ষা করে মনগরা একটা কিছু তৈরী করে তা' আর যাই হোক
ইতিহাস হতে পারেনা এবং সে জাতি কখনই মেরুদন্ড সোজাকরে দাড়ানোর
সুযোগ পায়না । আফ্রিকান দেশগুলিতে আধিপত্য বিস্তারের জন্য ট্রাইবালদের মধ্যে
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় । আমরা সে অবস্থায় এখনো যাইনি তবে ভাবসাবে মনে হচ্ছে
আমরা সেদিকেই যাচ্ছি ।
( জাম্বুরার হেলমেট কি ছাগলে খেয়ে ফেলেছে ?)

Stranger's picture

Vumi bhai, history is always biased

That's why I try to find as many versions as possible and try to understand what really happend with respect to available evidences while being staying away from any favorism. The simple principle I follow is that "Allah is all sufficient for us to whom we will return". Therefore, I don't have to show my obedience/inclination to any ideology. That's enough to see the light of truth.

Stay fine
Stranger

Coolsmilee's picture

hahaha...

hahahah...jamburar helmet sagole khaise...nice comment ever so far.

jeebon's picture

সাবাশ মহিলা লীগ

রাস্তায় জিন্স কেডস পইরা, কোমরে ওড়না প‌্যাচাইয়া সেকি হরতাল পিকেটিং। ডিজিটাল যুগ। আরো আধুনিক হইসে মহিলা আওয়ামী বীরযোদ্ধারা...
http://www.youtube.com/watch?v=EfCuejpzqcM

sabbirali's picture

রেবের ক্রসফায়ার

বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার একে ৪৭ বহনকারীর জন্য প্রযোজ্য নয়। তা প্রযোজ্য শুধু ছিঁচকে সন্ত্রাসী, পাইপগান বহনকারী আর নিরপরাধ বাপ্পির জন্য। ভালই 'জিরো টলারেন্স' জাতিকে দেখানো হচ্ছে। অবশ্য আ'লীগ নেতারা বলবেন সেই মহিলা আ'লীগের কোন সংগঠনের সাথে জড়িত নয়। ইহা আ'লীগের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র!

bd08's picture

হারুন হাবীব কোথায় ছিলেন?

জলিল সাহবে ৩০এপ্রিল ডেট লাইন দিয়েছিলো তখন আওয়ামী পান্ডা হারুন হাবীব কোথায় ছিলেন? নাকি তখন তিনি শিশু ছিলেন, দুধু খেতেন?
।...এই সব মেরুদন্ডহীন আওয়ামী ভৃত্যদের জন্য আজকে দেশের রাজনীতির এই দুরাবস্থা, এরা কখনই সত্য বলবেন না, শুধু আওয়ামী ভৃত্যামি করবেন।

কাজেই এদের এই সব কথা বার্তা অগ্রহনযোগ্য।
বর্তমান সরকার পাঁচ বছরের জন্য এসেছে। আমাদের সংবিধানে সরকারের সময়কাল এটিই। সরকারের কর্মকাণ্ড বা কর্মসূচি পছন্দ না হলে বিরোধী দল ইচ্ছা করলে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে। বলেছেন, হারুন হাবীব : দলীয় মুক্তিযোদ্ধা, দলীয় লেখক ও দলীয় সাংবাদিক

আওয়ামী জংগী একে-৪৭ আখি নিয়ে এই সব হারুন হাবীব মার্কা সুশিলেরা একেবারে নীরব। মুক্তিযোদ্ধার চেতনার ফেরি করা এদের ব্যবসা ...

  • Save Bangladesh: No more farakka

jeebon's picture

susil!!!!!!!

susil আলু মতি ভাই খবরের গুরুত্ব বুঝেন নাই, দাড়ি অথবা বোরখা হলে খবরটি বিশেষ গুরুত্ব পেত ।

অপেক্ষা করুন ...।

খবর হবে তারে লীগ থেকে অনেক আগে বহিস্কার করা হয়েছিল ..।

কুষ্টিয়ার বোকা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট শাহাবুদ্দীন খানের খবর আছে তারে ....ট্রাসফার ..

আজ থেকে পুলিশের সারপ্রাইজ চেকপোস্ট এলাকার ....লীগের পারমিশন নিয়া বসাইতে হইবো..

এই ঘটনার পর...ব্যরিষ্টার আমিরুল /তানিয়া ইসলামের মন্তব্য কি?!

hridoy's picture

সু-শাসনের পথে বাংলাদেশ...........

খবরে প্রকাশ, একে-৪৭ রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ গুলিসহ কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া পুলিশ। আমাদের জাতির জন্য আনন্দের বিষয় যে, দলীয় পরিচয় থাকা সত্ত্বেও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে ছেড়ে দেয়নি। আগের কোন রেওয়াজ এখানে কাজে আসেনি। আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্বাশীল আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আছে বলেই তা সম্ভব হয়েছে। জাতীয়তাবাদী বাবর আলীরা ক্ষমতায় থাকলে তা সম্ভব হত না। ঐ জাতীয়তাবাদী সময়টি বহাল থাকলে এক বাবর আলী আরেক গাবর আলীর উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে নিজ দলের দুর্বৃত্তদের দুষ্কর্ম আড়াল করত।
দেশ ও জাতি এখন আইনের শাসন ফিরে পাওয়ার আশাবাদী। একটি চৈনিক প্রবাদ, "দীর্ঘ হাজার মাইলের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু হয় একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে।" অস্রসহ কুষ্টিয়া শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা তাসলিমা খানম আঁখি এবং তার চার সহযোগী গ্রেপ্তার হওয়া দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ার পথে একটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ।
ধন্যবাদ সরকার এবং তার আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী...................

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

jeebon's picture

hridoy dar সু-শাসনের পথে বাংলাদেশ!!!!!!!!!!!!!

থানায় সরকার সমর্থকদের হামলা
মৌলভীবাজার, নভেম্বর ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)Ñ একটি মোটর সাইকেল আটকের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা মৌলভীবাজার মডেল থানায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।

হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

তবে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি অমূল্য কুমার চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "থানা সংলগ্ন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চেকপোস্টে রাত ৯টার দিকে পুলিশ একটি মোটর সাইকেল থামতে বলে। কিন্তু নির্দেশ না মানায় পুলিশ মোটর সাইকেলটি আটকে থানায় নিয়ে আসে।"

মোটর সাইকেলটিতে ছিলেন জেলা যুবলীগের কার্যনির্বহিী কমিটির দুই সদস্য রোমেল ও বদরুল। মোটর সাইকেল আটকের পর তারা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে থানায় হামলা চালায় বলে ওসির অভিযোগ।

তিনি বলেন, "মোটর সাইকেল আটকের কিছু সময় পর প্রায় ২০/২৫টি মোটর সাইকেলে করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা থানায় আসে। তারা আটক মোটর সাইকেলটি ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তখন পুলিশ বাধা দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছুড়তে থাকে।"

"হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ এবং ছয় রাউন্ড গুলি চালায়", বলেন তিনি।

হামলাকারীদের ইটের আঘাতে উপপরিদর্শক আবুল হাশেম, কনস্টেবল মফিজুল ইসলাম শাকিল ও বাচ্চু মিয়া আহত হন বলে পুলিশ জানায়।

ওসি বলেন, ওই ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে রাতেই থানায় একটি মামলা করেছে।

এদিকে থানায় হামলায় ছাত্রলীগের কোনও নেতা-কর্মী জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির জেলা আহ্বায়ক মোবাশ্বের আহমেদ। তার অভিযোগ যুবলীগের বিরুদ্ধে।

মোবাশ্বের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ছাত্রলীগের কেউ ওই ঘটনায় জড়িত নয়। যুবলীগ নামধারী কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি ওই হামলা চালিয়েছে।"

তবে জেলা যুবলীগ সভাপতি ফজলুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "যুবলীগের কেউ ওই হামলায় জড়িত নয়।"

কারা ওই হামলা করেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

ওসি অমূল্য অভিযোগ করেন, হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ফজলুর রহমান। তবে ফজলুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, থানায় হামলার খবর শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

ঘটনার পর আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "উনারা ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।"
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=113661&hb=5