আওয়ামীলীগ বাংলাদেশকে বিশ্বে কাছে জঙ্গি দেশ হিসাবে তুলে ধরতে মরিয়া। আওয়ামী জঙ্গিরা দেশে ত্রাসের সৃষ্টি করছে। আওয়ামী জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চান হন।
Kushtia, Nov 3 (bdnews24.com)—Police said Tuesday that Kushtia Mahila Awami
League secretary Taslima Khan Akhi and her associates, arrested Monday night with arms including an AK-47 assault rifle, have links to an outlawed extremist group.
Kushtia police super Shahabuddin Khan told reporters on Tuesday that Akhi and her associate Rani Khatun had been under suspicion of ties to Gono Mukti Fouz, an extremist outfit banned by the government.
"Our suspicion came true after the two women were caught with sophisticated weapons. They were clandestinely helping the banned organisation," said Khan.
Akhi has also previously been implicated in the murder of a local Jubo League leader, Jamirul Islam Jamu, police say.
Khan had told bdnews24.com Monday night that a police checkpost at Mangalbaria, on a tip off, had stopped a microbus heading towards Kushtia town at around 11pm.
He said the microbus was found to contain an AK-47 rifle, a shotgun and 82 rounds of ammunition.
Police arrested Akhi, Khatun, another passenger Abdur Razzaque, and the microbus driver 'Shahin', on the spot.
After the four arrests on Monday night, police in the early hours of Tuesday made a further arrest, Akkas Ali Mollah of Dangmarka village in Daulatpur upazila.
Daulatpur police chief Hasan Hafizur Rahman said Akkas Ali also had close ties with the extremist group.
A case was filed against all five on Tuesday under the Arms Act.
Kushtia Sadar police chief AKM Faruque Hossain said Akhi gave misleading information. "She said she was forced to carry weapons."
But Akkas reportedly told police that the arms recovered from the microbus had belonged to extremist leader Biplob Hossain, of Kalishankarpur, who was killed on Sept 13 in a shootout with law enforcers.
Before his death, he reportedly kept the arms hidden in the ground near his house. Akkas was quoted by police as saying "in case of any danger, the arms were to be given to Kushtia Mahila Awami League leader Taslima Khan Akhi."
Kushtia town Awami League secretary, Amirul Islam, told bdnews24.com Akhi secretary of "one faction" of Kushtia town's Mahila Awami League committee.
bdnews24.com/corr/ja/rah/2130h
আওয়ামী ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনরা
অতি সযতনে দীর্ঘকাল ধরে লালন করে করে আওয়ামী লীগের ডাক্তার ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনেরা যে দানবের সৃষ্টি করেছিল এখন সেই দানবেরা ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনদেরই ঘাড় মটকাতে শুরু করেছে।আমরা শতবার পুঁইপুঁই করে সতর্ক করেছিলাম যে, এই দানব তৈরি করবেন না।এই দানবেরা একদিন আপনাদেরও ঘাড় মটকাতে কসুর করবে না।কিন্তু সে কথায় কান দেয়নি কেউ।
আওয়ামী ইতোপূর্বেকার শাসনকালে এবং বর্তমান শাসনকালেও দানবদের এই তৎপরতা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে।১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পরপর আওয়ামী লীগ একইভাবে লুণ্ঠন হত্যা নির্যাতনের জন্য এমনি দানব বাহিনী অবমুক্ত করে দিয়েছিল।ফলে সে সময় এক ভয়াবহ সামাজিক অস্থিরতায় লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি জীবনের অনুষঙ্গ হয়ে ওঠেছিল।সবই ছিল অনিয়ন্ত্রণে,বলবার কেউ নেই,প্রতিবাদ করার কেউ নেই,বাধা দেয়ার কেউ নেই।
২০০৬ সালে জোট সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় আমরা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনেরা তাদের দানবদের যে কোনো ধরনের অপকর্মের লাইসেন্স দিয়ে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছিল। তারা রাজপথ রেলপথ সড়কপথ অবরোধ করে, রাজপথে সাধারণ মানুষকে লাঞ্ছিত করে এক নারকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। দানবদের এই কর্মকান্ডে ব্যাপকভাবে উৎসাহ যুগিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরীক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। ব্যাপকভাবে প্রচার আছে যে, জনাব ইনু ঐ অপকর্মে ব্যাপকভাবে দানব সরবরাহ করেছেন তার নির্বাচনী এলাকা কুষ্টিয়া অঞ্চল থেকে।এরপর সময় পেরিয়ে গেছে। ড. ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনেরই মতো ইনু গং তাদের দানবদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেননি। কারণ সম্ভবত এই ছিল যে, ড. ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের যে সাহস ও সদিচ্ছা ছিল, হাসানুল হক ইনুদের সে সাহস ও সদিচ্ছার অভাব ছিল। ফলে তাদের দানবেরা এখন বেপরোয়া। জনাব ইনুর কুষ্টিয়া অঞ্চল এখন মৃত্যুর উপত্যকা।সেখানে তাদের সৃষ্ট ঐ দানবেরা অবিরাম হত্যা করে চলেছে সাধারণ মানুষকে। সেখানকার মানুষ সম্পূর্ণরূপে জিম্মি ঐ দানবদের হাতে। কুষ্টিয়া সফরকালে জনাব ইনু স্বীকার করেছেন, তার নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই।২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই আওয়ামী লীগের ড. ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনেরা তাদের সৃষ্ট দানবদের প্রতি লগি বৈঠা নিয়ে ঢাকায় সমবেত হওয়ার আহবান জানিয়েছিলেন। লক্ষ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে এমন এক অবস্থায় ঠেলে নিয়ে যাওয়া যাতে তারা আওয়ামী লীগের নির্দেশিত তাদের বিজয়ের উপযোগী নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করে।
কিন্তু আস্তে আস্তে ঐ ঘাতক দানবদের ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণহীনতা উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন আওয়ামী ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনগণ। আর সে কারণেই আমরা লক্ষ্য করছি যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তার সরকারি বাসভবন যমুনায় এক ধরনের গৃহবন্দিত্ব বরণ করে নিয়েছেন। যমুনার বাইরে তিনি সহজে বের হতে চান না। বের হলেও তার নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরোপ করা হয় বহুগুণে। শুধু তাই নয়, তার দানবভীতি প্রকটরূপে চোখে পড়লো, যখন দেখা গেল যে, দলীয় কাউন্সিল অধিবেশনে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি বুলেটপ্রুফ কাঁচের দেয়ালের ঘরের ভেতরে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করছেন শেখ হাসিনা।অর্থাৎ এই দানবরা হয়তো লুকিয়ে আছে তার কাউন্সিলরদের মধ্যেই, হয়তো কাউন্সিলের ছদ্মাবরণেই।
জনাব আবদুল জলিলের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।আবদুল জলিল সম্প্রতি ফাঁস করে দিয়েছেন যে, জরুরী সরকার ও সামরিক নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে অাঁতাত করেই ক্ষমতায় এসেছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। এই সত্য প্রকাশ করার অপরাধে ‘দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশে' আবদুল জলিলের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী লীগের দানবরা। একেবারেই শারীরিক হামলা। আবদুল জলিলও উপলব্ধি করেছেন, যে দানব তৈরিতে তার বিশাল অবদান রয়েছে, সে দানবরাই এখন তাকে হত্যায় উদ্যত।
তেমনি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে আওয়ামী লীগের পতিত নেতা আবদুর রাজ্জাকের ক্ষেত্রেও।সম্প্রতি তার মামাতো বোন নিহত হয়েছেন সন্ত্রাসীদের হাতে।এই সন্ত্রাসী দানবও তারাই তৈরি করেছেন সমাজের ভেতরে।তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই এই দানবরা বেড়ে উঠেছে।ডক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানব যেমন তার ভাই-বাপ-স্ত্রীকে হত্যা করতে কসুর করেনি, এখনও আওয়ামী দানবরাও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।এখন সমাজ জুড়ে আওয়ামী ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনদের দানবদের উন্মত্ততা চলছে। তারা আজ বেপরোয়া।জনতার প্রতিরোধে ডক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানবের পতন ঘটেছিল।কিন্তু তার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছিল ড. ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের নিজেকেও।তেমন ভয়াবহ পরিণতি আমরা আশা করি না।কিন্তু দুইশ' বছর আগে ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন' গ্রন্থের লেখক মেরি শেলী সে পরিণতিই লিপিবদ্ধ করে গেছেন।