আজকে আবারো ব্লগে ব্লগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া সম্পর্কে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে অকৃতজ্ঞ আওয়ামী লীগ।
- কোটি কোটি পাতা ভরে আর গ্যালন গ্যালন কালি খরচ করে অকৃতজ্ঞ আওয়ামী লীগ জিয়াকে নিয়ে মিথ্যাচার করেই চলেছে
অথচ মৃত্যুর মাত্র ১৩ দিন আগে শেখ মুজিবের দুই কন্যা শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানাকে দেশে ফেরত আনেন শহীদ জিয়া । মৃত্যুর আগে সর্বশেষ ভালো কাজটিও করে গেছেন শহীদ জিয়া, মুজিবের ২কন্যাকে নিজ দেশের মাটিতে ফিরিয়ে আনেন, তাদের প্রতি কোন বিদ্বেষ ছিলো না । অথচ অকৃতজ্ঞ হাসিনা এর প্রতিদানে প্রতি নিয়ত হিংসা,বিদ্বেষ আর মিথ্যাচার ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
৭ই নভেম্বর নিয়ে আওয়ামী লীগ হিংসাবাজি আর মিথ্যাচার করলেও যা সত্য তা হলো ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে বাংলার সাধারন জনগনের ঐক্যের প্রতীক হলো ৭ই নভেম্বর। জনগনের মধ্যে এই একই ঐক্য ছিলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়। ৭ই নভেম্বর হলো বাংলাদেশের শত্রুর বিরুদ্ধে জনগনের বিদ্রোহ, এই একই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশের জনগন আবারো ১/১১ এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে।
১/১১ এবং আওয়ামী মিথ্যাচারের দাতভাংগা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন।
না!! Voter ভাই,..........
না!! Voter ভাই,
তোমার ঢাকাইয়া ষ্টাইলের গালা-গালি দেইখ্যা log-off কইরা চইলা গেলাম। 7-8 ঘন্টা পরে সময় পাইলে আবার log-in করুম। আর এর ভিতর পারলে মাথাটা একটু ঠান্ডা কইরা আসো। কি ভাবে করবা? যেমন: ঘরের ভিতর যাইয়া ঘুমানোর বালিশরে রাজাকার, জামাতী মনে কইরা ছুরি দিয়া ফালা ফালা কইরা সব তুলা বাইর কইরা ফালাইবা। তবে খবরদার, ভাবী-বাচ্চাগো সামনে এগুলো কইরো না তাইলে তাঁরা আবার তোমারে বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষগ্গ ডা: ফিরোজ মিয়ার কাছে লইয়া যাইতে পারে। অতএব, যা করবা গোপনে কইরো....
ঘটনাবহুল সেই ৭ নভেম্বর
ঘটনাবহুল সেই ৭ নভেম্বর
Sat, Nov 7th, 2009 12:19 am BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, নভেম্বর ৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-- শনিবার ৭ নভেম্বর। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের এক ঘটনাবহুল দিন। ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে এদিনই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আবির্ভূত হন বিদ্রোহে আটক তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।
নভেম্বরের ঘটনা প্রবাহের ধারাবাহিকতায় নবীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র বদলে যেতে থাকে এবং তা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিপরীতমুখে যাত্রা শুরু করে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সেনা-শাসনেরও ভিত্তি রচিত হয়।
রাজনৈতিক দলগুলো ৭ নভেম্বরকে ভিন্ন ভিন্ন নামে ও চেতনায় পালন করে থাকে। বিএনপি 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস', আওয়ামী লীগ 'মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস' ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) 'সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান' দিবস হিসেবে দিনটি পালন করে।
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল ১০টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এর আগে ভোরে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
বিকাল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে।
বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দিনটিকে সরকারিভাবে পালন করা হতো।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের উৎখাত করার কথিত লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থান হয়। ওই সময় তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে আটক করা হয়। জাসদের সঙ্গে যুক্ত কর্নেল আবু তাহের ৭ নভেম্বর এক পাল্টা অভ্যুত্থানে জিয়াকে মুক্ত করেন।
এ দিনই বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেদ মোশাররফ ও মেজর হায়দারসহ অনেককে হত্যা করা হয়।
পরে ১৯৭৬ সালের ২১ শে জুলাই জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকার তাহেরকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যা করে। সামরিক ট্রাইব্যুানালে বিচারের সময় জিয়াউর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন তাহের।
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের আগে রাতেই কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে হত্যা করা হয়। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গবন্ধুর এই চার রাজনৈতিক সহকর্মীকে আটক করে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/এজে/এসএইচ/০০০১ঘ.
For all Zia haters.......
আপনারা যে মৃত জিয়াকে জীবিত জিয়ার থেকে বেশী ভয় পান তা আপনাদের লেখার মাধ্যমেই ফুটে উঠেছে। আপনারা তার নিন্দা করে, একজন জনপ্রিয় সফল রাষ্ট্রপতিকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবমুল্যায়ন করে প্রকান্তরে তাকে আরো উপরে উঠিয়ে দিচ্ছেন। আর জিয়া কে গালমণ্দ করলে shoot back-র তত্বানুযায়ী তা মৃত শেখ মুজিবের উপরও এসে লাগবে। আর এই বিতর্ক অনন্তকালেও শেষ হবে না। এখন আপনারা ভেবে দেখুন এই দুই মৃত নেতাকে আরো নীচে নামাতে চান না বর্তমান ভবিষত্ত নিয়ে সামনে এগুতে চান।
রায়হান ভাই
জিয়া এবং মুজিব স্বীয় বৈশিস্টে স্বয়ম্ভূ , স্বকীয় বৈশিস্টে স্বমুজ্জল । আমরা যে যত চেস্টাই করিনা কেন
এই দুইজনের অবস্থানকে আমরা কেউ নাড়াতে পারবোনা ; প্রস্ন হচ্ছে এই দুইজনকে নিয়া কারা
ধান্ধা করতে চাচ্ছে । মুজিব এবং জিয়া দুজনেই আমাদের মত রক্ত মাংশের মানুষ । উনাদের ভুলত্রুটি
থাকতে পারে । কিন্তু উনাদের ভালোকাজগুলাকে আমরা কেন মুল্যায়ন করবোনা ? যারা এই দুইজনকে
দেবতার আসনে বসিয়ে পুজা করতে চায় তাদের উদ্দেস্য খুব খারাপ ।
( পাইকারদেরকে গরু বুযিয়ে দিয়েছি । আগামী তিনমাশ ফার্মের কোন কাজ নেই । এখন ই-মেলায়
কিছু গরু আছে , এদেরকে ঠিক করতে হবে ।)
এই ব্যাটা কুত্তা পাগল বিডি ০৮
হাসিনা রেহানাকে বাংলাদেশে আনতে হবে কেন ? শেখ পরিবারের এই দুই মেয়ের বিরুদ্ধে কোন ক্রিমিনাল রেকর্ড বা দেশদ্রোহিতার মামলা ছিলোনা যে জিয়া এক্সাকিটিভ পাওয়ার এপ্লাই করে তাদেরকে মাফ করে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাবস্থা করেন । মিথ্যাচারের ইন্ডাস্ট্রি এলা বন্ধ করও মিয়া , জিয়া তোমার বাপ পাকিস্থানী নাগরিক গোলাম আযমকে জামাই আদরে বাংলাদেশ আনছিলো যার কেসারত জিয়াকে নিজের রক্ত দিয়া শোধ করতে হয়েছে ।
এই কসাইর বাচ্চা গুলা বঙ্গ বন্ধুরে মারছে , জিয়ারে মারছে , বিএনপির চাদর গায় দিয়া এখন হাসিনা রেহানারে টার্গেট করছে , দুইদিন পর এই কুত্তাগুলা খালেদা তারেকরে শেষ কইরা বাংলাদেশটাকে
আফগানিস্থান বানানোই এদের আসল উদ্দেশ্য । এই বিডি'র ডোমেস্টিক পার্টনার আরেক কুত্তা ইউসুফ ১৪৪
এবং এই কুত্তা টিমএর আরেক মেম্বার সেলিম ছিঃ । আসুন এই এই কুত্তা মাইরআ দেশটাকে তালেবানদের হাত থেকে রক্ষা করি ।
Voter
All three you mentioned are Talibans.
bd08 is the head of this Taliban group.
Robin
Carmel, California
রবিন সাহেব
যেই তিনজন তালেবানদের কথা কইলেন এরে কিছুই করতে পারবোনা । বিএনপি 'র চাদর খুইল্লা ইলেকশন করতে কন এক শালারও জামানত টিকবোনা , আর আওয়ামী লীগ বিএনপি একল্অগে যখন বাজাইরা কেনু দিবো কই যাইবো এই তালেবান গুস্টি , কোন খবরও থাকবোনা ।
আপনী সেদিন শিকারপুরের কথা বলছিলেন । ধইরা নিলাম গ্রেটার বরিশালের সাথে আপনার
নাতা ( যোগাযোগ বা সম্পর্ক ) আছে । যা বোঝলাম এই মেলায় একমাত্র পোগো ন্যাবাই বরিশালের অর্গানিক পেরতিনিদি ( প্রতিনিধি ) ।
ভোটার, শিকারপুর ও পোগো সাহেব
ভোটার ভাই,
জীবনের এমন একটা সময় শিকারপুরে ছিলাম সেটা খুব মেমোরেবেল ছিল। ১৯৭১ সাল, অগোষ্ট/সেপ্টেমবার মাস। খূব টেন্স সময়। শিকারপুর গ্রামে আটকা পড়ে আছি। চোখের সামনে পাকিস্তানী এয়ার ফোর্স এর এফ ২২ শিকারপুরের রাস্থায় এস্ত্রেফিং করে গেলো। বরিশাল থেকে প্রায় দশ মাইল দূরে ছিল শিকারপুরে। এখানকার মানু্য অনেকে বরিশাল থেকে আর খুব দূরে যেত না। নরম প্রক্রিতির মানু্য ছিল তারা। এই শান্ত গ্রামের মানুযকে স্ত্রাফিং কি যুক্তি ছিল এখনো ও বুঝতে পারিনা।
শিকারপুরের সেই সময় এ একদিন বিকালে একটা গান শুনি রেডিও তে। সেটা হলঃ
" শোনো একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠো স্বরের ধনি প্রতিধনি
আকাশে বাতাশে উঠে রনি
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ "
হেমন্ত মুখোপধায় ও গান টি গেয়ে ছিল।
তার পর মাত্র এক বছর বাংলাদেশে ছিলাম।
পোগো সাহেব হয়ত তখন টডলার ছিলেন। বরিশাল থেকে তিনি যদি এসে থাকেন, তবে শিকারপুরের কথা বোধ হয় শুনে থাকবেন।
মুজিবুর না জিয়ায়ুর, বিএনপি না লিগ, এ সমস্ত গ্যাঞ্জাম আর শুনতে ভালো লাগেনা।
বাংলাদেশ টা যদি একটু এগোতে পারে তবে ১৭০ মিলিয়ন আদম সন্তান পেটে ভাতে কোন রকম বেচে থাকতে পারে।
আমি কদিন পরে প্যাছিফিক ওশেন এর ঐ পাড়ে আমার পুরানো যায়গায় যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি থ্যাঙ্কস গিভিং এর আগের দিন। ইন্টারন্যাশোনাল ডেট লাইন যখন ক্রস করব, তখন আপনার গরুর জন্য বাংলাদেশি আদোমেরা ছোটাছুটি করবে (ঈদুল আদহা বা হারি রায়ইয়া হাজীর দিন)।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
মুজিব ছিলো খাটি রাজাকার !
বাংলাদেশের মানুস যখন ্যুদদ করছিল তখন আমাগো মুজিব আব্বা পাকিস্তনি দের সাথে সুইজারল্যান্ডের মদ্য পানে সময় কাটিয়েছিল।
আব্বা মুজিব কে কোথাও পাবেন না --
১৯৫২ - ভাষ। আন্দোলন ---মূজিব নাই
১৯৬৯ ---গন আভ্যুতথান--- মুজ়িব নাই
১৯৭১--- সাধীনতা যুদ্দ।---- মূজিব নাই
১৯৭২ এর পর অন্যায় ভাবে ৪০,০০০ মানুষ হত্যা্র জন্য মৃত আব্বা মুজিবের বিচার করা উচিত।
শুধু তাহাই নহে,
জনপ্রিয়তা সন্মান, আব্বা মুজিবের সবই ছিল, কিন্তূ আব্বা মুজিব হত্যা, ধষণ, লুটতরাজ, অধিকতর ভালোবাসিত।
রাজাকারদের যদি বিচার ই করবে তাইলে, মোশারফ মিয়া, হাসিনার বিয়াই রে দিয়া শুরু করলেই তো হয়।--তারপর নিজমী, আজম-----
১৯৯০ এর গন অভ্যুথানের শহীদ নু্র হোসেন কে আজকে ম্যানহোলে ফেলেছে সন্ত্রাসী আওমায়ীরা, সৈ্রশাসক এরশাদ -- আজকে তাদের বড় ভাই।
@ RH
Morning , how fast your rocket is going .
'আদু ভাই'দের ৭ নবেম্বরে কি ঘটেছিল মনে থাকার/জানার কথা নয়....
সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে না গড়ে নিজের ভাগ্যাকাশের উন্নয়নের জন্য যারা NewYork-এ Statue of Liberty দেখে ship থেকে jump দিয়ে NewYork বাসী হয়েছিলেন কিংবা বাংলাদেশের প্রথমদিককার পার্সপোর্ট নিয়ে দেশের সাথে আত্মিক সম্পর্ক ছিন্ন করে USA সহ বিভিন্ন দেশে স্বপ্নের ঠিকানা খুজে পেয়েছিলেন, সেইসব 'আদু ভাই' দের dull memory-তে 7নভেমৃে আসলেই কি ঘটেছিল তা সংগত কারনেই মনে থাকার/জানার কথা নয়। আর BAL তো তাদের স্বভাব চরিত্র অনুযায়ী ইতিহাস বদলানো ছাড়াও মিথ্যাচার করবেই...
৭ নবেম্বরের তাৎপর্য
১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ভারতীয় চরেরা ইতিহাসের চাকাকে পিছনের দিকে ঘুরাবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। তারই অংশ হিসেবে ২ নবেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থান ভারতমুখী অভ্যুত্থান হিসেবে সর্বমহলে চিহ্নিত হয়ে যায়। এ সময় বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর ভারতীয় সৈন্য সমাবেশ, বাংলাদেশের ভেতরে ভারতীয় এজেন্টদের নাশকতামূলক তৎপরতা অল্প সময়ের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের দেশপ্রেমকে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দেয়। এর বহিঃপ্রকাশ ঘটে ৭ নবেম্বর সিপাহী-জনতার মিলিত অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে। ৩ থেকে ৬ নবেম্বর গভীর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এক কথায় ভাগ্যকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়। সৃষ্টি হয় এক অরাজক-নাজুক পরিস্থিতি। ৩ নবেম্বর থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। আধিপত্যবাদী শক্তির দোসররা নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। অফিসারদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিয়ে তাদের হত্যার এক জঘন্য নীল-নকশার অংশ হিসেবে মুহূর্তের মধ্যে সন্ত্রাস ও আতংক ছড়িয়ে দেয়া হয় ক্যান্টনমেন্টগুলোয়। বহু সেনা অফিসার এই অরাজকতার শিকার হন। আইন-শৃংখলা ও সেনা শৃংখলা ভেঙে পড়ে। সশস্ত্র বাহিনীকে পঙ্গু করে দিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আমন্ত্রণ জানানোই ছিল এই ষড়যন্ত্রের অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু দেশপ্রেমিক সাধারণ সৈনিকদের সংহতি এতোটাই সুদৃঢ় ছিল যে, অপশক্তির কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে পারেনি। সকল সিপাহী অফিসার-জনতার কাছে তখন একমাত্র গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, রণাঙ্গনের সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। অবশেষে ৭ নবেম্বর ভোর বেলা দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনী ও জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে অভ্যুত্থানকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের নাগপাশ ছিন্ন করে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে আনেন। সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবে অপশক্তির ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। সিপাহী-জনতার মিলিত প্রতিরোধের নেতৃত্বে এসে দাঁড়ান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি ক্ষিপ্রতা ও দ্রুততার সাথে সেনাছাউনিসমূহে শৃংখলা ফিরিয়ে আনেন। রক্ষা করেন দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। সকলেই তাঁর গতিশীল নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন। তিনিও সাফল্যের সঙ্গে তাঁর সেই দায়িত্ব সম্পাদন করেছিলেন।
raihanKhan: competing with salimC?
Army took over in many countries by killing or without killing; army called it "Revolution", some called them coup, people call it power grabbing.
You can write a book on Nov 7, there are people to read, simply do not count on me. Your postings are becoming longer; are you trying to embed some knowledge, or priceless shit? Anyway, I do not read long postings of salimC, soon your name also will be in my list of "ignore".
আদু ভাইদের প্রসঙ্গে নদু ভাইয়ের অপরিনত উপখ্যান...।
৭ ই নভেম্বর এর তাৎপর্যের অপরিনত উপখ্যান রচনা করতে যেয়ে লেখক যুক্তির ধার হারিয়ে অপরিনত ভার এর ( ব্যক্তিগত আক্রমনের) আশ্রয় গ্রহন করেছেন,কারন তিনি নিজেই তার যুক্তির ধারহীনতার বিষয়ে জ্ঞাত।
এ প্রসঙ্গে তার সবচেয়ে হাস্যকর বক্তব্যটি হলো " আদু ভাইদের ৭ ই নভেম্বর কি ঘটেছিল মনে থাকার/জানার কথা নয় "। সব জানে নদু ভাইয়েরা।
আদু ভাইয়েরা দেশের সাথে আত্নিক সম্পর্খ ছিন্ন করে বিভিন্ন দেশে স্বপ্নের ঠীকানা খুজে পেলেও নদু (নব) ভাইয়েরা নিশ্চই বর্তমানে দুস্বপ্নের ঠিকানার আশ্রয়ে একান্ত বাধ্য হয়েই লুকিয়ে আছেন।
জানতে ইচ্ছা করে তাদের স্বপ্নের ঠিকানা কোথায় ? আফগানিস্তান,পাকিস্তান নাকি সোমালিয়া ?
৭ ই নভেম্বর ছিল একদল অপরিনতদের বিপ্লবী এ্যাডভেঞ্চারিজিম ও হটকারীতার করুন যাবনিকা যার শুরু হয়েছিল ১৯৭২ এর শেষার্ধে।
কর্নেল তাহেরকে ফাসি দিয়েই এ দিনের বেনিফিসিয়ারীরা প্রমান করেছেন যে ৭ ই নভেম্বরের আদৌ কোন মহিমা ছিল না, ছিল ষড়যন্ত্র,হত্যা আর খুনের বহ্নিৎসব।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
আজ বিডি ০৮,সেলিম সি দের পুনরুত্তান দিবস
আজ ৭ ইনভেম্বর মুক্তিযোদ্বা অফিসারদের রক্তে রঞ্জিত একদিন।রাজাকার আলবাদরদের আর বিহারীদের পুনোরুত্তান দিবস।
bangladesh21 হলো প্রবাসী মুজিব সেনা
হে প্রবাসী মুজিব সেনারা,
তোমরা তোমাদের বিদেশীনি স্ত্রী আর অবাংগালী সন্তানদের নিয়ে প্রবাসে ৭ই নভেম্বর পালন করো তোমাদের নিজেদের ইচ্ছে মত। আজ তোমরা যেমন খুশী তেমন সাজো র দিন।
জাসদের মশাল
সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ। ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার শোষণ ও শাসনের বিভীষিকা সৃষ্টি করে চলেছে। রক্ষীবাহিনী ও প্রাইভেট বাহিনী নির্বিচারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মী, এমন কি সাধারণ প্রতিবাদী মানুষকে দিনেদুপুরে হত্যা করেছিল। গুপ্তহত্যা, অত্যাচার-নির্যাতন ছিল নৈমিত্তিক ঘটনা। ব্যক্তি ও মিডিয়ার সব স্বাধীনতাকে টুটি চেপে ধরেছিল। এমনি এক দুঃসহ পরিস্থিতিতে শোষণ-অত্যাচার-নির্যাতন প্রতিরোধ করার শপথ নিয়ে জন্ম হয় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের।বাংলাদেশের মানুষের আশা ভরসার স্থল হয়ে উঠেছিল ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর গঠিত জাসদ। নির্যাতিত মানুষদের আলোর পথ দেখাতে তাদের প্রতীক ঠিক করা হয় মশাল। রক্ষীবাহিনী ও প্রাইভেট বাহিনীর পৈশাচিকতা মোকাবেলায় গণমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত লড়াই-সংগ্রামের মাঝে গড়ে ওঠা গণবাহিনীতে দলে দলে যোগ দিয়েছিল সাধারণ মানুষ।
৭২ এর সশস্ত্র মশাল বিপ্লবধারীরা এখন নৌকার মাঝিমাল্লা
জাসদের সৈনিকেরা এখন যেমন খুশী তেমন সাজে সজ্জিত হয়েছে ...অতিউগ্র বামপন্থী জাসদেরা এখন মশাল হাতে নৌকায় উঠেছে ...নৌকা মশালের আগুনে জ্বলে পুড়বে
Save Bangladesh: No more farakka
bd08: Zia was not "Shoheed", just killed
Zia went to Chittagong to handle his fucked up BNP's quarrel, to handle dumps like you, yousuf144s; at that time he was killed. He did not give life for people, he gave his life for Tareqs, it is not called being "Shoheed".
Farmer, যে শহীদ জিয়ার Z ফোর্সের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন
Farmer, যে শহীদ জিয়ার Z ফোর্সের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন আজ সেই শহীদ জিয়াকে গালি দিতে মুখে বাধছেনা। বাকশালীজমের প্রতি অনুগত মন কত অকৃতজ্ঞ হতে পারে তাই ভাবছি।
MD, Zia fought to free BD, 75 killings hurt BD
MD, I never cursed Zia, do not lie. Zia's Z-Force people Shoheed", Zia did not become "ShOheed"; he was killed during his private job of fixing his fucked up party BNP, thats what I said. He did not die for people, he died for his shit creation.
Z-Force was his heroic creation, BNP was his infamous creation from betrayers.
চাষা ভাই
যদি তাই হয় তাহলে আজও কেন ৪০% শতাংশ মানুষ মুয়া ফুয়া মার্কা নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দেয়। জিয়ার আদর্শ এবং জাতীয়তাবাদী চেতনাতে বিশ্বাসি জনগন জিয়াকে শ্রদ্ধা করে। মেজর জিয়া বাংলার মানুষের জন্য রেখে গেছেন এক প্রতিদ্বন্দি আদর্শ। আপনার মত আওয়ামীদের জন্য জিয়া এক আতংকের নাম। জিয়ার ইমেজ এবং আদর্শ আওয়ামীদের জন্য হুমকি তাই তারা মিথ্যাচার শুরু করেছে। কিন্তু এতে যে কোন লাভ হবে না তা তারা ভাল করেই জানেন। ২৮ বছরেও জিয়ার আদর্শের কোন ক্ষতিই করতে পারে নি এবং ভবিষ্যতেও করতে পারবে না।
What is Zia's ideology? He was a soldier
Zia's had noidealogy. What idealogy you are talking about? Nationalism in BD started in 1952, and a nationalist state was established in 1971 by all Bangladeshi. Zia has nothing to do with nationalism.
He was a soldier, he followed the principle of a soldier: to win you must kill the opposition, to protect you must kill the opposition, to occupy you must kill the opposition.
Your .NET shithead confused with soldier's principles with idealogy?
Lenin, Mao, Marx, Adams had ideology; not zia, not Sheikh.
Why you did not not join his Z-Force?
চাষা ভাই
আপনার মত অতিবিদ্যা সম্পন্ন লোকদের কাছ থেকে এর বেশি কিছুই আশা করি না। জিয়ার আদর্শ ছিল এক জাতীয়তাবাদী আদর্শ। কিন্তু কেবল জাতীয়তাবাদী আদর্শ বলে থেমে গেলেই চলবে না। কারন উনি জাতীয়তাবাদি আদর্শের জনক নন। কিন্তু উনি রেখে গেছেন এক আদর্শ রাষ্ট্র পরিচালনার তা আমাদের আজও প্রেরনা দেয়। পূজিবাদী এবং সাম্যবাদী চেতনার এক অদ্ভুদ ভারসাম্যের মাধ্যমে উনি দেশ পরিচালনা করেছেন সফলতার সাথে। উনি নিজেকে দূর্নিতী এবং সন্ত্রাসের উর্ধ্বে রেখে এমন ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন যা আজও কোন রাষ্ট্রনায়ক করে দেখাতে পারেন নি। তাই জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের শ্রদ্ধার পাত্র এবং আজও জনগন অপেক্ষায় আছে আরেক মেজর জিয়ার যিনি বাংলাদেশকে এ ফেরাউনদের হাত থেকে রক্ষা করবে। কেবলই আওয়ামী আহাম্মকেরা জিয়াকে দোষ দিবেন ব্যর্থ অভ্যুত্থানের নায়কদের শাস্তি দেবার জন্য কারন তারা ছিল আওয়ামী পন্থি। কিন্তু তাতে বাংলার জনগনের কিছুই আসে যায় না। চাষা ভাইরা আসছে গেছে কিন্তু মেজর জিয়ার কিছুই হয় নি। মেজর জিয়া তোমায় জানায় লাল সালাম।
100% people respected soldier Zia. FFs killed Prez Zia
When Zia fought just with 800 people, 7.50 respected him.
When he became president, the respects are gone. He was killed by FFs, not by others. There are reasons, you will not understand.
He could not develop BD, he begged in Arab countries, he made us "Miskin". When he was begging in Arab world, Vietnam, Thailand, India, Iran were standing on their feet. He was good enough to fight, when he tried to run BD, he went on begging. You are begger too.
Why you did not join Z-Force?
ফার্মার সাহেব
উইথ ডিউ রেস্পেক্ট আপনাকে একটা কথা বলি , আপনী প্রায়ই বিডি এবং ইউসুফ ১৪৪কে বলেন
হোহাই ইউ ডিড নট জয়েন জেড-ফোর্স । গোলাম আযমের পরিবারের কোন সদস্য কিম্বা জামাত শিবিরের কেউ কি স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছে ?
এখনো সময় শেষ অয় নাই , আসেন কুত্তা গুলারে বাজাইরা মাইর দেই । আইক্কাঅলা বাঁশ থেরাপী দেই ।
তবে এদেরকে জানে ছারা যাইবোনা । কুল্লে নাফছুন যায়ক্বুতুল মউত সোলোগান (slogan ) দিয়া
এই হারামীর পয়দাগুলারে শেষ করতে অইবো ।
Voter সাহেব ।
সবদিকেই রাজাকার নিয়ে এত হৈ চৈ হচ্ছে আমাদের সবার নাকের ডগার সামনে রাজাকার ,কিন্তু কেহ দেখতে চাচ্ছিনা কেন? বর্ত্তমানে বাংলাদেশের মন্ত্রীপরিষদে " মোশারাফ " নামক এক রাজাকার মন্ত্রী বসে আছে তার দিকে কেহ তীর ছুরতে সাহস পাচ্ছেনা কারনটা কি? শুধু মাত্র প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই দেখে সব খুন মাফ হয়ে যাবে। " মোশারফের" মত রাজাকারকে আমরা যদি শাস্তি না দিতে পারি , তাহলে গোঃআযম বা নিজামীকে ধরা আরো কঠিন হবে ।
voter: If bd08, yousuf144 could catch Zia in 1971, what would...
voter, just think, if people like bd08, yousuf144, Nirvik2008, betrayed, Nizami, Mujahid, Saidi, SQ could catch Zia in 1971, what they would do with Zia? Terrible things would happen to Zia; it already happened to Z-Force people.
Nurul Huda, Mona Mia, Kutub Uddin, Lokman Khan et were caught by people like yousuf144 and slautered them.
ভালো প্রশ্ন ফার্মারের
সেদিন মুজিব এদের শত্রু ছিল,জিয়া এদের শত্রু ছিল,শত্রু ছিল দেশের স্বাধিনতাগামী জনতা।৭১ সালের জিয়ার শত্রুরাই এখন তার বন্ধুর,রক্ষাকবচ হওয়ার চেষ্টা করছে। দূঃখিত এত বড় পার্টি বি এন পি কিন্তু তার কোন সমর্থক কেঊকে ই -মেলায় খুজে পেলাম না ।যা আছে তা শুধু ভেজাল নয় বর্নচোরা মুসলিমলীগার রাজাকারের নতুন প্রজন্ম। এরা রং পরিবর্তন করার জন্য ব্রাশ নিয়ে বসে আছে শুধু দরকার একটা শক্ত তালিবানী হুইসাল।
চাষা এবং ভোটার ভাই
এতে কোন সন্দেহ নেই যে আপনারা হলে মুজিব এবং ইন্দিরার অবৈধ সংযমের ফলে আজন্মা আওয়ামী বাস্টার্ড। আপনাদের দিন রাত জিয়া আতংকে ভুগেন। তাই রাজাকার রাজাকার চিল্লা চিল্লি করে মুখে বীর্জ ফেনা তুলেন। ভারতীয় দাদাদেরটা চুষে চুষে আপনাদের এ অবস্থা। আওয়ামীদের বিরুদ্ধাচরনকে আপনারা আপনারা দেশের বিরুদ্ধাচরনে পরিণত করে দেন। কিন্তু এ ফ্যাসিজম দিয়ে জিয়ার আদর্শ এবং চেতনাকে আপনারা আঘাত করতে পারবেন না। মেজর জিয়া ছিল আছে এবং থাকবে আমাদের আদর্শ হয়ে।
হাসিনা যখন নিজামিরটা ১৯৯৬ সালে চুষছিল তখন কৈ আপনারা রাজাকার মারাচ্ছিলেন?
Yes, used to respect Zia; was scared too
Captain Shamsu committed suicide(at Rezumia bridge, south of Feni, June 1971) under Zia's pressure. So, there were lots of things to be scared of Zia, I was not diff.
You have nothing to do with him. The 800 people of Z-Force fought under him, respected him, were scared of him, killed him. Where you do fit? Anywhere? Just get lost so called .NET shit.
ল্যাংড়া ইউসুফ
তোকে আমি অনেকবার নিষেধ করেছি যে আমাকে ভাই বলে ডাকবিনা ।
আবে অই হালা বয়ড়া তোর কানে দিয়া ক বাতাশ ডুকএ না ?
তুই শালা হোমো , ফেগেট , চোষা চুষি তোর জাতি মামলা ।
তুই বিডই সেলিম ছীঃ ঘরের ভিতরে যা ইচ্ছা তাই কর ,
কিন্ত আমারে যদি আবার ভাই কইছস তয় তোর টেংগি ভাইংগা
তোর পেছনের দরয়া দিয়া বইরা দিমু । শালা ইতর ।
কেবলই ভোটারের জন্য
ভোটার তোর মত হাজার হারামীর পোলারা আসছে গেছে। কিছুই হই নি। তোর মত ভারতীয় বেশ্যা মাগীর পোলাদের দেশের জনগন বার বার প্রত্যাখ্যান করেছে। তুই বাল্টাও ফালাতে পারবি না। তাই ধন্দাবাজি বাদ দিয়ে চুপ করে বসে থাক না হলে তোকে বাংলী বাশ থেরাপি দেওয়া হবে। তোর ধর্মবাপকে দেওয়া হয়েছে যেভাবে তোকে সেভাবে থেরাপী দেওয়া হবে।