উতসর্গঃ কাইয়ুম ভাই । এই লন্ডনে একজন খেটে খাওয়া মানুষের একটি প্রবল প্রতিবিম্ব । একজন শ্রমিক । যার দুটো হাতে চলে একটি পরিবার, দুইটি শিশু ও অনেক মানুষ । বাংলাদেশ কোন ভ্রষ্ট ও নোংরা নেতা, কিংবা তাদের সন্তান নিয়ে নয় । আপনাদের মত মানুষদের নিয়েই গর্বিত হয় । জেনে রাখবেন ।
দেড়-দুই বছর আগের কথা সম্ভবত । বাবার অসুস্থতার কথা জানতে পেরে আমি আর আমার স্ত্রী দ্রুত দেশে ফিরছিলাম এতিহাদ এয়ার ওয়েজে । আমাদের ট্রানজিট ছিলো আবুধাবি । কানেক্টিং ফ্লাইটে ঢাকা আসবার সময় ওয়েটিং লাউঞ্জের কিছু দৃশ্যের দিকে চোখ না ফিরিয়ে থাকতে পারিনি । এক ভদ্রলোক খুব ময়লা একটি প্যান্ট ও চকচকে একটি শার্ট পরে সিটের উপর বসে আছেন । পায়ের বর্ণহীন স্যান্ডেলটি তার দারিদ্রতার কথা বলে দেয় খুব স্পস্ট করে । ভদ্রলোকের পাশেই রাখা আছে নাইলনের দড়ি দিয়ে বাঁধা একটি ব্রিফকেইস । তিনি কিছুক্ষণ পর পর কি কারনে যেন সেটা একবার নিজের কোলে এনে রাখছেন । দূর থেকে যে ব্যাক্তিই দেখুক না কেন, মনে হতে পারে যক্ষের সম্পদ নিয়ে ভদ্রলোক রওনা হয়েছেন । ঠিক তার পাশেই আরেক ভদ্রলোককে দেখলাম মলিন একটি কোট পরে বসে আছেন । তার পরনের ট্রাউজারটি কোটের থেকেও বেশী বিবর্ণ আর ফ্যাকাশে । অত্যন্ত হতাশ একটি মুখ নিয়ে তিনি মিনিটের পর মিনিট চুপ করে বসে আছেন । লক্ষ্য করলাম, তার হাতেও একটি ব্রিফকেস নাইলনের দড়ি দিয়ে বেশ শক্ত করে বাঁধা । প্রথমবার দেখে যে কারও মনে হতে পারে আবুধাবিতে বুঝি বড্ড চোরের উপদ্রব । তাই সবাই তাদের জিনিস পত্র বেশ গিট্টু মেরে পাশে রেখে দেন । এর পর আমি একে একে অন্য সব যাত্রীদের দিকে তাকাই । হঠাত করে আমার কাছে কেন জানি সবাইকেই একরকম মনে হতে লাগলো । চোখে মুখে বেশীরভাগ মানুষের তীব্র আনন্দ লক্ষ্য করলেও, তাদের চাল চলন, পোষাক সব কিছুতে যেন একধরনের জীর্নতা রয়েছে । কেমন যেন নিঃশেষ হয়ে যাওয়া মানুষের মতন । মাথার চুল অগোছালো,পায়ের স্যান্ডেল কিংবা জুতোটি ছেড়া ও মলিন । কোন বাইরের মানুষ চট করে ধরে ফেলতে পারবেন যে, কিছু দরিদ্র মানুষ এখানে এসে জড়ো হয়েছেন । সবার হাতেই যে ব্রিফকেস আছে তা নয় । কারো কারো হাতে শুধু পলিথিনের ব্যাগ দেখলাম । সম্ভবত হ্যান্ড ব্যাগ কিনবার সামর্থটুকু ছিলো না এই ভদ্রলোকের ।
এর কিছুক্ষণ পর লক্ষ্য করলাম অনেক গুলো মানুষের একটি দীর্ঘ লাইন । দূর থেকে তাদের কথা-বার্তা শুনেই বলে দেয়া যায়, তাঁরা বাংলাদেশী । বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব উচ্চারণে তাঁরা নিজেদের ভেতর কথা বলছিলো । এই দলটির সবচাইতে অবাক করা ঘটনা হলো এই মানুষগুলো বসার জন্য লাউঞ্জের সিটে না বসে মেঝেতেই কেন জানি লাইন ধরে বসে ছিলো । আমি এই ব্যাপারটি ঠিক বুঝতে পারলাম না ।সিট থাকার পরেও কেন মেঝেতে এরকম গুটিশুটি হয়ে বসা ? একজনকে জিজ্ঞেশও করলাম । ভদ্রলোক আমার দিকে অনেকটা ফাঁকা ও শুণ্য মুখ নিয়ে তাকিয়ে রইলেন ।
আমি সামগ্রিক অর্থেই এই পুরো চিত্রটিকে একধরনের নিজস্ব বিবেচনাপ্রসূত রঙ চড়াই । আমার কাছে এই পুরো জায়গাটিকেই একধরনের ক্লান্ত যুদ্ধক্ষেত্র মনে হতে থাকে । যেন পরাজিত কিছু গ্রিক পুরাণের যোদ্ধা কোন কারনে যুদ্ধ থামিয়ে চুপচাপ শংকা নিয়ে বসে আছে ।
এই মানুষগুলোকে দেখে না চিনবার কোন কারন নেই । আমি নিশ্চিত, এই মানুষগুলির শরীর যদি কেটে দেখা যেতো, তাহলে সেখানে অবশ্যই কোন রক্তের দেখা পাওয়া যেত না , এই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত । সেখানে কেবল পানি আর পানি থই থই করে । শুধু মাত্র পরিবার,সংসার,মা,বাবা,স্ত্রী-সন্তান-পূত্র-কন্যাকে বাঁচাবার জন্য, টেনে তুলবার জন্য,সবার মুখে শুধু একটি ফোঁটা হাসি ফেরাবার জন্য এই মানুষগুলোর তাদের রক্ত পানি করে পরিশ্রম করে । রাত নেই, দিন নেই,দুপুর নেই ,বিকাল নেই শুধু পরিশ্রম । কালো শরীরের যতটুকু ঘাম আছে, যতটুকে ক্লেদ আছে, যতটুকু ক্লান্তি আছে, তার সব কিছু শুষে আর ক্ষান্ত করে এইসব মহা মানবেরা বেঁচে থাকে । জীবন থেকেও মরে যাবার গল্প তাঁরা বলে না কখনো মা’কে,স্ত্রীকে,বাবাকে,সন্তানকে,ভাইকে,বোনকে । শুধু নিজের অবয়বটুকু রেখেই তাঁরা সংসার বাঁচায় । কেউবা বাঁচায় মানুষ ।
আর ঢাকায় ফেরার পর শুনলাম কোন কুত্তারবাচ্চা উপদেষ্টা নাকি সামনে বিজনেস ক্লাসে বসে আছে তার পাছাটি বাগিয়ে । সে আগে নামবে তার পংগপাল নিয়ে । তারপর উচ্ছিষ্ট আমরা পাব্লিক । নিশ্চই দেশের অর্থে মাগনা ভাড়া করা এই সিট টিতে বসে বসে অমানুষ উপদেষ্টা টি একগাদা হিন্দি সিনেমা দেখেছে এবং বাথ্রুমে গিয়ে খেঁচেছে । কিংবা গ্লাসের পর গ্লাস ভদকা অথবা ওয়াইন গিলেছে ।
ঢাকায় নাম্বার পর দেখলাম হুলুস্থুল কান্ড ! মন্ত্রী আগে বেরোবেন । জলহস্তীর মত বিকট পাছা হাঁকিয়ে নিশ্চই তিনি শুয়োরের মত টলতে টলতে ভি আই পি লাউঞ্জে যাবেন । তাকে নিয়ে যেতে গন্ডায় গন্ডায় ইমিগ্রেশনের লোককে চারিদিকে দেখা যাচ্ছে । আমরা অতি নির্বোধ ও অমানবিক মানুষরা, যারা ইকোনমি সিটে বসেছিলাম, তারা কেউই বলতে পারছিলামনা এটা কোন শুয়োরের বাচ্চা উপদেষ্টা ছিলো । কেউ বলছেন বড় পাছা যেহেতু , তাহলে,মইনুল হবে,কেউবা বলছেন মতিনের কথা । দেশের খোঁজ রাখেন না এমন একজন বলছেন আরে না না, নাজমুল হুদা হবে (এত বড় পাছা আর কার হতে পারে ?) যেহেতু নাজমুল হুদা তখনও শ্রীঘরে যাপন করছিলেন, আমরা কতিপয় মানুষ সেটা মেনে নেইনি । ব্যাক্তিগতভাবে আমি মূলত তামাশা দেখাতেই মত্ত ছিলাম । কিভাবে অতি নির্বোধ ও ভ্রষ্ট একজন উপদেষ্টাকে এইভাবে সম্মানিত করা হতে পারে তা আমার মাথায় ঢুকছিলো না কোনভাবেই ।
পাছাওয়ালা উপদেষ্টা চলে যাবার পর পরই আমাদের নামবার পালা । সবাই যখন ইমিগ্রেশন লাইনে পাস্পোর্ট হাতে দাঁড়িয়ে আছেন,তখনই কিছুটা কালো ও খানিকটা কুঁজো মতন একজন পুলিশ এসে অন্যকাউকে নয়, সব মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমিকদের ধমকানো শুরু করলো ।“এই!! এই!! লাইনে খাড়া !!”, “এই তুই আগে গেলি ক্যান ?” “এক্টারেও কইলাম ঢুকতে দিমুনা কথা না শুনলে !!”, এই জাতীয় হুমকি জাতীয় কথা বলতে শুরু করলো । আমি খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, সেই কুতসিত পুলিশের লোকটি কি নির্দ্বিধায় এইসব মহান শ্রমিকদের তুই-তোকারি জাতীয় কদর্য সম্বোধনে একটুও দ্বিধাবোধ করছে না । অসহায় শ্রমিক গুলো হয়ত সব সময়ই পুলিশকে ভয় পেয়ে এসেছেন । যে জীবনে তাঁরা থাকেন, সেখানে হয়ত কেউ প্রতিবাদ শব্দটির সাথে পরিচিত নয় । সে কারনেই দেখলাম সকলেই মাথা নীচু করে আজ্ঞা পালন করে চলেছেন । এই দৃশ্য দেখে আমি এবং আমার সাথে আরো কয়েকজন খানিকটা এগিয়ে এই আচরণের প্রতিবাদ করলে মুহুর্তেই কিছু লোক সাহস করে আমাদের পক্ষ নেয় এবং ঠিক দশ মিনিটের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটা ভয়াবহ হয়ে ওঠে । এর পরের ঘটনাটি আর বলতে চাইছি না পাঠকদের । গ্লানির গল্প বলতে ভাল্লাগে না ।
একটি সমীক্ষা থেকে জানতে পারলাম নীচের তথ্যগুলো-
প্রবাসী আয় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে
বিশ্বমন্দার প্রভাবে প্রবাসী আয় (রেমিটেন্স) কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হলেও বছর জুড়েই উচ্চ প্রবাহ ছিল লক্ষ্যণীয়। বিদায়ী ২০০৮-০৯ অর্থবছরে রেমিটেন্স এসেছে ৯ হাজার ৬৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮৯ মিলিয়ন ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের তৎপরতার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে সম্প্রতি সচেতেনতা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে এ বছর বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স এসেছে বেশি। বিদায়ী অর্থবছরে সর্বাধিক ৬ হাজার ৩৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এরমধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৮৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স আহরিত হয়েছে। আরব আমিরাত থেকে ১ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন, কাতার থেকে ৩৪৩ মিলিয়ন, ওমান থেকে ২৯০ মিলিয়ন, বাহরাইন থেকে ১৫৭ মিলিয়ন, কুয়েত থেকে ৯৭০ মিলিয়ন, ইরান থেকে ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলো থেকে এসেছে ৩ হাজার ৩০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার ৫৭৫ মিলিয়ন, যুক্তরাজ্য থেকে ৭৮৯ মিলিয়ন, জার্মানি থেকে ১৯ মিলিয়ন, জাপান থেকে ১৪ মিলিয়ন, মালয়েশিয়া থেকে ২৮২ মিলিয়ন, সিঙ্গাপুর থেকে ১৬৫ মিলিয়ন, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬ মিলিয়ন, ইটালি থেকে ১৮৬ মিলিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১৮ মিলিয়ন, হংকং থেকে ৯ মিলিয়ন এবং অন্যান্য দেশ থেকে ২৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে।
পরিশিষ্টঃ
আমার আজকাল মূলত রাজনীতিবিদদের নিয়ে লিখতে বিষাদের মত লাগে । কোন প্রসঙ্গে এদের নামও মুখে নেবার মত রুচিটুকু আমার আর অবশিষ্ট নেই । অনেকটা ছোটবেলায় বাবা জোর করে চিরতার রস খাইয়ে দেবার পর মুখে লেগে থাকা তিক্ত স্বাদটুকুর মতন । তারপরেও কেন যেন না বলে পারি না । কিভাবে যেন এসেই যায় ।
হাসিনা ও রেহানার মত এরকম নির্বোধ ও অতি নিম্ন মনস্তাত্বিক মানের দুই নারী, খালেদার মত অশিক্ষিত ও পুঁতিগন্ধময় মানুষ, এরশাদের মত চরিত্রহীন ও লম্পট,নিজামী,সাঈদী,মুজাহিদ,গোলাম আজম,কাদের মোল্লাদের মত কুত্তার বাচ্চা ,নরকের ও অবর্জনার কীটগুলো, মেনন কিংবা ইন;র মত ভন্ড, জয় ,ববি,টিউলিপ,কোকো, তারেকের মত ইতর ও অসভ্য যখন প্লেন থেকে নামে তখন তাদের জন্য সাজানো থাকে ভি আই পি লাউঞ্জের মতন একটি নোংরা বৈষম্য । তাদের জন্য শোভা পায় এস এস এফের চৌকষ জোয়ান আর গন্ডায় গন্ডায় গোয়েন্দা আর পুলিশ । ঘুষ খোর ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা ব্যাতিব্যাস্ত হয়ে যান এদের মত আবর্জনাকে প্রটোকল দিতে দিতে ।
অথচ ?
অথচ রক্ত আর মাংশ এক করে যারা দিনের পর দিন পরিশ্রম করে দেশে টাকা পাঠান, যারা একটি সংসারকে বাঁচান, কিছু অভুক্ত মানুষকে বাঁচান,পরিবারকে বাঁচান,দেশকে বাঁচান তাদের জন্য কোন কোন বিশেষ দরজা নেই । কোন বিশেষ মানুষ নেই । কোন প্রটোকল নেই । কোন শুভেচ্ছা নেই । তাঁরা কুকুরের মত পরিশ্রম করবেন রোদে ও বৃষ্টিতে, জলে ও আঘাতে, তাঁরা দেশকে বাঁচাবেন অবধারিত মৃত্যূর হাত থেকে , তাঁরা দেশেও ফিরবেন উপেক্ষিত ও তুচ্ছ হয়ে ।
কোন এক অজানা পাপে তাঁরা দন্ডিত । হাত দিয়ে, রক্ত দিয়ে, শ্রম দিয়ে,বুক দিয়ে দেশকে বাঁচিয়ে রেখেও তারা “ভেরি ইম্পর্টেন্ট পার্সন” হতে পারেন না । তাদের জন্য শুধু থেকে যায় তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য আর বঞ্চনা ।
প্রিয় দন্ডিত মহামানবেরা, জেনে রাখেন,এই দেশ আপনাদের বুকে ধরে রেখেছে কোন ভি আই পি দরজাতে নয় । কোন প্রোটকলে নয় ।
কেবল অশ্রু আর কান্না দিয়ে ।
মহা মানবদের সশ্রদ্ব সালাম...
বাংলাদেশের এই রেকর্ড পরিমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোয় বৃহৎ অংশের কৃতিত্বের দাবীদার মজুমদার সাহেবের ভাষায় বর্নিত 'মহা মানবেরা'। অন্তরের অন্ত:স্থল থেকে আপনাদেরকে সশ্রদ্ব সালাম......
রেকর্ড রিজার্ভ ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে: গভর্নর
ঢাকা, নভেম্বর ১১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে মনে করেন গভর্নর আতিউর রহমান। এর ফলে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। রিজার্ভ নতুন রেকর্ড গড়ে ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর বিকালে এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আতিউর রহমান। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে গভর্নর বলেন, "আজ একটি আনন্দের খবর দেওয়ার জন্য আপনাদের ডেকেছি। এটা আমাদের জাতীয় জীবনে একটা ঐতিহাসিক ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে আমরা যে স্বপ্ন দেখছিলাম, সে স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। আজ (বুধবার) সকালে রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। "আমি ভেবেছিলাম ডিসেম্বরে রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে। কিন্তু নভেম্বরের প্রথম দিকেই তা হয়েছে।" এ জন্য তিনি লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি যারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে এই রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করেছে তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
(Details: http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=4&id=114204&hb=3)
নিঝুম সাহেব
Long time emela was missing monkey dance by awami gong. Getting bored to watch the monotonous monkey dance by jatiyotabadi gong only. Thanks for giving us the opportunity to watch the line dance show by awami gong.
somudro vai
আমি কোন রাজনীতিককে আর বিশ্বাস করি না । যথেষ্ট ধর্ষন করেছে তারা আমাদের এই দেশকে । যথেষ্ট । এইবার জনগণ জাগবে । দেখে নিয়েন ।
--------------------------------------------------------------------------------
চলে যাচ্ছি, যেখানে আমিই আমার একাকী বেদনা...
মজুমদার সাহেব
হাসিণা, খালেদা, নিজামি গং থেকে শুরু করে তত্তাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা , কাউকেই ছাড়লেন না। আপনার অবস্থান দেখছি বড়ই জটিল।
মজুমদার সাহেব, শুধু মাত্র ঘৃনা প্রকাশ, প্রতিবাদ করে.....
মজুমদার সাহেব,
শুধু বাংলাদেশেই নয়, পৃথিবীর সব দেশেই রাষ্ট্রের গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তিবর্গ যার যার অবস্থান অনুযায়ী এয়ারপোর্ট সহ সব জায়গায় রাষ্ট্রীয় প্রটোকল পেয়ে থাকেন। এর জন্য এই সব ভিআইপি ব্যাক্তিদের শুধু মাত্র তাঁদের উচ্চাপদে আসীনের জন্য গালি-গালাজ করা এক ধরনের হীন-মন্যতার পরিচয় বলে আমি মনে করি। তবে আমাদের দেশে যেটা হয় সেটা হোল অতিরিক্ত পর্যায়ের বাড়াবাড়ি এবং তা অবশ্যই মোসাহেবী। আর এই মোসাহেবরা কারা?? তারা যারা সব সরকারের সময়ও ভাল থাকে। সরকার পরিবর্তন হলে সাথে সাথে এদের চরিত্রেরও পরিবর্তন হয়, কিন্ত সৌভাগ্যের চাবিকাঠি এদের কখনো হাতছাড়া হয় না। যা শাস্তি, বদনাম জেল-জরিমানা সব হয় রাজনীতিবিদদের অন্যদিকে এদের public-hair (বাল)র স্পর্শ করার সাহস পর্যন্ত ও কেউ পায় না। রাষ্ট্র পরিচালনায় অদক্ষ, অর্ধশিক্ষিত রাজনীতিবিদদের সামনা-সামনি 'জী স্যার, Yes Sir'....করে (আড়ালে অবশ্য গালি মারে) তাদের মাথার উপর কাঁঠাল ভেংগে খেয়ে তাদেরকে উচ্ছিষ্টটা দিয়ে সকলের সামনে রাজনীতিবিদদেরকে একমাত্র অসত্ত, অমানুষ, সবচেয়ে খারাপ বিচিত্র প্রানী (!!) রুপে চিন্থিত করে। মজুমদার সাহেব, আপনি তো ইংল্যান্ডে থাকেন, তাহলে নিশ্চয় Paul Eddington-র 'Yes Minister' ড্রামা সিরিয়ালটি দেখে থাকবেন যেখানে ঘুনেধরা ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রকে অত্যান্ত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনির্তীর মুল চালিকা শক্তি.... আমরা যারা স্থায়ীভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে উন্নত বিশ্বে স্বার্থপরের মত আবাস গড়েছি তারা নই। আপনার লেখায় বর্নিত মহামানবেরা যারা বছরের পর বছর মরুভুমির তপ্ত বালুতে কিংবা গভীর কোন পাল্ম গাছের বাগানের পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্দ্বব বিহীন পরিবেশে থেকে দেশের সকলের মুখে অন্ন যোগার করে চলেছে তারাই--- এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। বাংলাদেশে এদের সাথে যে আচরন করা হয় তা আমাদের প্রচন্ড শ্রেনী-বৈষম্য সমাজের সামন্তবাদী মন মানসিকতার প্রতিফলন, যা আমাদের পুর্বপুরুষেরা করেছেন এখন আমরা করছি। মনে করে দেখুন তো, আপনি কিংবা আপনি না হলেও আপনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশে আপনার বাসার so-called কাজের বুয়ার সাথে কি আচরণ করতো এবং এখনো করে? এর প্রতিবাদ করতে গেলেই হয়তো বা শুনতে হয় 'তোমরা তো বাইরে থাকো...ঘরের সংসার তো চালাও না...bla...bla...bla...'.
এগুলো একদিনে পরিবর্তন হবে না। সরকারী, বেসরকারী ভাবে প্রচুর সচেতনামুলক প্রচারনার পাশাপাশি আগে ঘর থেকেই "জাতি, ধর্ম, সামাজিক-আর্থিক অবস্থানে মানুষকে বিচার না করে... মানুষ হিসেবে তাঁর প্রাপ্য সন্মান দিতে হবে" - এই শিক্ষা শুরু করতে হবে। শুধু মাত্র ঘৃনা প্রকাশ, প্রতিবাদ করে শ্রেনী-বৈষম্য বন্ধ করা যাবে না ।
রায়হান ভাই ...অতি সত্য কথা বলেছেন (বিডি০৮)
বাংলাদেশের অর্থনির্তীর মুল চালিকা শক্তি.... আমরা যারা স্থায়ীভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে উন্নত বিশ্বে স্বার্থপরের মত আবাস গড়েছি তারা নই। আপনার লেখায় বর্নিত মহামানবেরা যারা বছরের পর বছর মরুভুমির তপ্ত বালুতে কিংবা গভীর কোন পাল্ম গাছের বাগানের পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্দ্বব বিহীন পরিবেশে থেকে দেশের সকলের মুখে অন্ন যোগার করে চলেছে তারাই--- এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বাংলাদেশে এদের সাথে যে আচরন করা হয় তা আমাদের প্রচন্ড শ্রেনী-বৈষম্য সমাজের সামন্তবাদী মন মানসিকতার প্রতিফলন, যা আমাদের পুর্বপুরুষেরা করেছেন এখন আমরা করছি। মনে করে দেখুন তো, আপনি কিংবা আপনি না হলেও আপনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশে আপনার বাসার so-called কাজের বুয়ার সাথে কি আচরণ করতো এবং এখনো করে? এর প্রতিবাদ করতে গেলেই হয়তো বা শুনতে হয় 'তোমরা তো বাইরে থাকো...ঘরের সংসার তো চালাও না...bla...bla...bla...'.
বি দ্র, আপনাকে ইমেইল করেছিলাম কোন উত্তর পাই নি। প্লিজ চেক দি মেইল।
Save Bangladesh: No more farakka
জনসাধারণের আশা-আকাঙ্খা যখন ভূলুন্ঠিত
আপনারা জানেন?
গত ২৩ মাসের জরুরী আইনের করুন ইতিহাস, বাংলার জনপদের করুন ইতিহাস।
ভারতীয় আধিপত্য আর আমেরিকার সাম্রাজবাদীদের দোসর মীরজাফর মঈন-ফকুরুদ্দিনেরা আসলেন, উনারা জরুরী আইন দেশের উপর চাপিয়ে দিলেন, রুদ্ধ করে দেওয়া হলো আমাদের কন্ঠ। সংবাদপত্র, মিডিয়া, টিভিচ্যালেন, টক শো সব কিছুর উপর বিধি নিষেধ আরোপ করা হলো, সাংবাদিকদের নির্যাতন করা হলো, নির্যাতিত হলো সাধারন পথচারি, ছাত্র-শিক্ষক, জেলখানায় ঢুকানো হলো শত শত ছাত্র-শিক্ষিককে, জরুরী আইন ভঙ্গের মামলা দেওয়া হলো, সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ করে দেওয়া হলো। অবৈধ উচ্ছেদের নামে ফুটপাতের শত শত দোকান ভেংগে দিয়ে গরীবের বুকে লাথি মারলো, অর্থনীতি ধবংস করে দেওয়া হলো, দ্রবমুল্যের চাকা উর্ধগতিতে উপরে উঠলো, হিডেন হাংগার বলে ওরা প্রহসন করলো, টিটকারি মারলো আমাদের। আর বলা হলো, ওদের বিরুদ্ধে আমরা নাকি যড়যন্ত্র করেছি, আমাদের উপর সব দোষ চাপিয়ে দেওয়া হলো, দলের শত শত নেতা কর্মীদের জেলে ঢুকানো হলো, দেশে বাসীকে ওরা বললো ওরা নাকি এসেছে দুর্নিতি দমন করতে, সুষ্টু নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ।ওরা এসেছিলো রাজনিতি দমন করতে, দেশে বিরাজনীতি ধারা চালু করে দেশের সকল সম্পদ বিদেশী বেনিয়াদের হাতে তুলে দেওয়ায় ছিলো ফকুরুদ্দিন আর মঈনের একমাত্র উদ্দেশ্য, এই উদ্দেশ্যেই বিদেশী লর্ড ক্লাইভরা ওদের বাংলার গদিতে বসিয়েছিলো।
আপনারা জানেন?
ফকুরুদ্দিন-মঈনের সরকার ভারতে ট্রানজিট, টিপাইমুখে বাধ, গ্যাস ক্ষেত্র, সমুদ্র বন্দর, জিয়া বিমান বন্দর সবই বিদেশী বেনিয়াদের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলো।
কিন্তু আমরা কি পেলাম?
ওরা বলেছিলো নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে, কিন্তু আপনারা দেখেছেন ওরা নিরপেক্ষ নয়, এক পক্ষীয় মেয়র নির্বাচন করেছিলো। ক্ষুর্থাত বিদেশী বেনিয়াদের সাথে দেশের স্বার্থ বিরোধী একটি পক্ষ (যাদের একটি পা থাকে আমেরিকায় আরেকটি পা থাকে লন্ডনে) আতাত করে এক পক্ষীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সকল মেয়র পদে নিজেরা আসীন হয়েছিলো । একচক্ষু নির্বাচন কমিশনও আমাদের উপর দমন নীতি চালিয়েছেন, দেশের স্বার্থেই সেই লজ্জাহীন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই আমরা নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম। আপনারা জানেন, আমরা বলেছিলাম জরুরী আইনের অধীন আমরা কোন নির্বাচন করবো না, ওনারা বলেছিলো, ওনারা নির্বাচন করবেন। আমরা আমাদের দাবীতে অটল থাকলাম, জরুরি আইন ঊঠিয়ে নিতে বাধ্য হলো। দেশের স্বার্থে আমরা ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আমরা গেলাম, কিন্তু আমাদের সাথে প্রহসন করা হলো, আমাদের লোকদের নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হলো, ইচ্ছেমত ব্যালেট পেপারে ওরা সিল মেরে ৮৭% ভোটের মাধ্যমে তাদের আতাত কারীদের বিজয়ী ঘোষনা করা হলো, বাংলার মসনদে বসলো আরেক কারজাই।
আপনার দেখছেন, কারজাই সরকার আমার দেশের উপর দিয়ে এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতকে করিডোর দিতে চাইছে, অনুমতি দিতে চাইছে টিপাইমুখে বাধ, বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাইছে আমাদের গ্যাস ক্ষেত্র; সমুদ্র বন্দর, জিয়া বিমান বন্দর সব কিছুর রক্ষানাবেক্ষন বিদেশীদের হাতে তুলে দিতে চাইছে।আমরা যখনই এর প্রতিবাদ করেছি, তখন ওরা আমাদেরকে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে আমাদের ধবংস করে দেবার হুমকি দিচ্ছে; সংবিধান পরিবর্তন, ধর্মহীন শিক্ষানীতি, নারী নীতি ইত্যাদির তাল বাহানা করে দেশকে আবারো অস্থিতিশীল করতে চাইছে কারজাই সরকার।
আপনারা জানেন?
পিলখানায় আমাদের দেশপ্রেমিক আর্মী-বিডিআরকে কুচক্রীরা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছে, হত্যাকারীদের সাথে কারজাই সরকার প্রধান মিটিংও করে শান্তির পায়রার পুরস্কার নিয়ে হল্লা করেছে, দেশ এক চরম সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে অথচ কারজাই সরকারের সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, কারন কারজাই সরকারের ১টি পা থাকে আমেরিকায় আরেকটি পা থাকে লন্ডনে।এদের দেহ-মন সবই থাকে বিদেশী, মুজিব কোট পড়ে বাংলাদেশে এসেছে সম্পদ শোষন করতে, পাচার করতে আর আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে চাইছে শত বছরের কারজাই শাসন।
এ কেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ:জরুরী সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে নির্বাচনের আগে পর্যন্ত শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ, তাদের নেতা-কর্মীরা সারাদেশে বেশ ফলাও করে যে তারা দেশের মানুষকে ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়াবে, সব জিনিসের দাম পানির মত সস্তা করে দেবে।আজ আমরা কি দেখছি? কি ভয়ংকর এক 'দিনবদল' করেছে তারা।২০০৬ সালে এই হাসিনা, আওয়ামী লীগার দ্রব্যমূল্য নিযে, কল্পিত সিন্ডিকেট নিয়ে কথা বলতো। ২০০৬ সালের দ্রব্যমূল্যও যদি আজ থাকতো তবে মানুষ স্বস্তিতে-শান্তিতে দু'মুঠো ডাল-ভাত খেতে পারবো।ভয়াবহ অগ্নিমূল্যে সাধারণ মানুষ আজ দিশেহারা।অন্যদিকে তারা দিনবদল আর ডিজিটাল ডুগডুগি বাজিয়ে যাচ্ছে।এ কেমন দিনবদল, এ কেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ? এতো মহাজোট নয় 'মহাঝুট' সরকার।কোথায় আবুল বারকাত সাহেবরা যারা বাংলালিংক কোম্পানীর বিজ্ঞাপন ও ওবামার নির্বাচনী প্রচারণা নকল একটি প্রতারণার আওয়ামী নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করেছে? কোনও সবজি আজ ৩৫/৪০ টাকার নিচে পাওয়া যায় না। চিনি ফারুক খানের ডিজিটাল গলাবাজিতে ধরাছোঁয়ার বাইরে, চাল-ডাল-তেল আবার ঊর্ধমুখী। 'মহাঝুট' সরকার ব্যস্ত ভারত-তোষণ, ভারত-লেহনে। আবদুল জলিলের বক্তব্যের পর তো এই 'মহাজোট' কে এখন 'মহাঝুট' ছাড়া কিছুই বলা যায় না।
মহাচোর হাছিনা 96এ ক্ষমতা দখল করার পর 17হাজার কোটি টাকা চুরি করে বাংলাদের ইতিহাসে মহাচোর হয়েছিল,মহাচোর হাছিনার ব্যপারে আপনার কোন লেখালেখি আজ পর্যন্ত দেখিনি,হাছিনার অতিবাছালতার কারনে সংসদ তাকে রংহেডেড বলেছিল, শেখ হাছিনা গরীব বাংলাদেশের টাকা আত্মসাত করে তার ছেলে জয়ের কাছে পাচার করে চলেছে, আজকে জয় হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে,নিজ ধর্ম ছেডেদিয়ে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করেছে,চুরীর টাকা আমিরিকায় ব্যবসা বানিজ্য করছে,,নিরাপত্তা ও আবাসন সুবিদার জন্য কোটি কোটি টাকা নিচ্ছে,এত কিছুর পরওথাছিনার ছেলে ইহুদি জয় খুশি হতে পারেনি,সে মজিব হত্যার বদলা নেওয়ার জন্য 58জন সেনা অফিসারকে হত্যা করিয়েছে,আওয়ামী দালালরা ,আপনারা আরো অনেক ষডযন্ত্রের কথা জানেন,এবাব আওয়ামীলিগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলীলের মত সবকিছু জাতীকে জানিয়ে দিন।
সাধারণ জনসাধারণের আশা-আকাঙ্খা যখন ভূলুন্ঠিত করা হয়, তারা যদি তাদের ক্ষোভ বার বার জানায়- তখন কি তা ভাঙা রেকর্ড বাজানো হয়? "১০ টাকায় চাল, সব জিনিসের দাম সস্তা করে দেব" বলে যারা নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ তো দূরে থাকুক অগ্নিমূ্ল্যে পিষ্ট জনগণের জন্য একটু সহানুভূতিও যাদের নেই তাদের সম্পর্কে কি ক্ষোভ প্রকাশ অগণতান্ত্রিক? ক্ষমতাসীন দলের প্রতিই তো মানুষের চাওয়া-পাওয়া, দাবী-দাওয়া, ক্ষোভ থাকে।ট্রানজিট, ইণ্ডিয়ান করিডোর, বিএসএফ-এর বাংলাদেশী হত্যা, ৩ বিঘা, তালপট্টি বিষয়ে সরকারের ভূমিকার প্রতিবাদ করলে আমি ঐ দলীয় সরকারের প্রতিপক্ষের (বিএনপি/জামাত) সমর্থক হয়ে যাবো?
আমরা আওয়ামী হায়েনা বিরোধী।আমরা আওয়ামী নরপশুদেরকে ঘৃণা করি।খুনি হাছিনার কাছ থেকে নিরাপদ দুরত্বে থাকুন।
Local Transfer In Saudi Arabia---Who is responsible
I am working more than Seven years in this country.My job not bad ,better than lot of Bangladeshi.
However let me come to the main point.Normally if anybody come in this country they coming through company Visa or Free visa.Company visa is if you come under any company you cann't move to other company untill or unless that company give permission.Company having fully authourity to send you back to own country.
Otherhand Free visa means you can move to other company any time if you are not satisfied with your company.As a result you can choise best job if you have quality and qualification.your company cann't force you.
But fainfull to say last Two years First one is totally stop in saudi arabia for bangladeshi.Same is for second choice also.
ONLY FOR BANGLADESHI.
My question is why.
Why we are suffeing.
Why nobody is coming to solve it.
While this new govt came on power we though yes this problem gonna finish very soon.
We have seen Our prime minister and Foreign minister visited so this problem will be finish.
But until now this problem not finish and when it will be finish we don't know.
It a matter of surprise when this bloody Dipu moni and our PM lie for their visit.
i have seen in TV they mention they solve this problem.Let her go to the hell for lying and i want to let her know still we are suffering.We cann't take local transfer.
My request to govt Please help us.we saving our country ,so save us.Please talk to this country govt.If your guys talk to this govt they will think.Otherwise we have to be back our country.
and my request to our New editor please don't write too much that this king call our pm sister or somthing els.write about our problem.Dont be stupid.
Whoever read this please request for us.Please help us.
Forward everyone.......................