বাজান,
কত দিবস কত রজনী তোমার পত্রাশায় অলিন্দ খুলিয়া বসিয়া আছি হাবিয়ার অনলই কেবল বলিতে পারিবে। দোজখের আগুনে মহাশূন্য তামাটে হইল, গ্রহ হইতে গ্রহান্তর জ্বলিয়া ছাড়খাড় হইল, কিন্তূ তোমার শাহী হূদয় একটুখানি জ্বলিলনা পিতার জন্যে! আহা রে! আমার চোখের পানি আর নাকের পানিতে পুতুল কলি শ্রাবনের বাণে ভাসিয়ে গেল, সেই বাণে সাতার কাটিয়া প্রতিদিন দাবানল নির্বাপন করিতেছি! হে বাছা, তুমি কিসের ধ্যানে দিন কাটাইতেছ, মইনুল হোসেন রোড আর বাতাস ভবনের শাহনশাহগীরি ফিরিয়া পাওয়ার? আমি হাবিল কাবিল বুজুর্গানদের সাথে মোরাকাবা করিলাম, জিয়া পরিবারের অনাগত কুষ্ঠির উপর সম্যক ধারণা পাইলাম। বড়ই পরিতাপের বিষয়, তোমাদের বাদশাহীতে খুব শীঘ্র ঘু ঘু চড়িবে, যে জনগণকে পূঁজি করিয়া জিনের বাদশাহী কায়দায় সম্পদের পশার জমাইয়াছ সেই জনগণই তোমাদের বাদশাহীতে নিয়মিত মলমূত্র ত্যাগ করিবে। ঈশ্বরের মর্জিতে ইহাই তোমাদের ভাগ্যলিপি, পিন্টু আর আমানুল্লাহদের দিয়া এই লিপি খন্ডাইতে পারিবেনা (সোবহানল্লাহ্)। সূতরাং সাবধান, সময় থাকিতে পিতা কি বলিতে চাহে মনযোগ সহকারে শ্রবন করিতে অভ্যাস কর, কাজে আসিবে।
বেহায়ার মত পত্র লিখিয়া তোমার লন্ডনী সময়কে হাবিয়া সময় বানাইতে চাহিতামনা যদি আজ ৭ই নভেম্বর না হইত। ঈশ্বরের বাদশাহীতে কোন তারিখ নাই, দিন নাই, এমনকি সময়ও নাই। কিন্তূ তাহার লীলা খেলায় কত প্রকার খেলা গোয়াইন ষ্টক করা আছে ইহা কেবল তিনিই বলিতে পারিবেন। আজ তিনি সেই রকম একটা খেলাই দেখাইলেন। বাজান, ঈশ্বর আজ পাপের ভূবন হাবিয়ায় 'জিয়া দিবস' পালনের নির্দেশ দিয়াছেন। অনন্ত কাল ধরিয়া যেই সকল মহাপাপী মহাকাশের অগ্নিবলয়ে পাপানলে জ্বলিতেছিল তাহাদের সবাইকে পুতুল কলিতে দাওয়াৎ ফরমাইয়াছেন। মেহমানদের তালিকায় আছেন আমার হিটলার আংকেল(তাহার উপর পাপ বর্ষিত হউক), মুসোলিনি চাচা, খালু হালাকু খাঁ, চেংগিস খাঁ দুলা ভাই। আরও আসিতেছেন কুকিল কণ্ঠী নূরজাহানের বাহুলগ্না ইয়াহিয়া স্যার, টিক্কা বেয়াই, আলু খোর আসলাম বেগ (যাহার চেহারার সহিত তোমার বিপদজনক মিল রহিয়াছে)।
ঈশ্বরের হূদয় আজ আগ্নেয়গীরির লাভার মত টগবগ করিতেছিল বিধায় ৭ই নভেম্বরের সব আসামীদেরও একত্রিত হইতে নির্দেশ দিয়াছেন। শুনিয়া পুলকিত হইবে তোমার খালেদ এবং তাহের আংকেল আমার সহিত পূরানো শত্রুতা মিটাইয়া নতুন করিয়া ভাব করিবার খায়েশ ব্যক্ত করিয়াছেন। আমরা সবাই মসনদ লইয়া নিজদের ভেতর ক্ষুধার্ত কুকুরের মত কামড়া কামড়ি করিয়াছি, কেহ সাময়িক বিজয় লাভ করিয়াছি, কেহবা পরাজিত হইয়াছি। কিন্তূ আমরা সবাই উপলব্দি করিতে সক্ষম হইয়াছি শেষ জয় কাহারও হয় নাই, আমাদের সবাইকে সেই কুকুরের মতই মরিতে হইয়াছে। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করিতেছি তোমার শফিউল্লাহ এবং শওকত আংকেলদের আগমনের। এই দুই জন শিং মাছের মত পিছলাইয়া সাধূ সাজিয়াছে যাহার বিচার আমরা নিজ হাতে করিবার সিদ্বান্ত লইয়াছি। জিয়া দিবসে খন্দকার মোস্তাক আশে পাশে ঘুরাঘুরি করিয়া নতুন করিয়া তোমার ধর্মনানার বিরুদ্বে অভিযোগ করিতেছে। শুনিতে পাইতেছি এইখানে এই হাবিয়াতেও তেনারা তোমার শেখ নানাকে হত্যা করিবার ষড়যন্ত্র পাকাইতেছে। এই সিভিলিয়ান বাষ্টটার্ডদের সহিত আমারা আর কোন কাজ করিবনা বলিয়াই সিদ্বান্ত লইয়াছি। দোয়া করিও যাহাতে রিপুতে নতুন কোন লালসার জন্ম না হয়।
বাজান, তোমাকে একটা কাজ করিতে হইবে। তোমার এই অধম পিতার নাম ভাংগাইয়া বাকি জীবন কাটাইতে চাহিলে পাকিস্থানে হিজরতরত কর্নেল রশীদকে যথাশীঘ্র আমার কাছে পাঠাইতে হইবে। এই নরাধম এমন কিছু জানে যাহা প্রকাশ করিলে আমার নামের তেরটা বাজিয়া যাইবে। তাহার দেহপসারীনি কন্যাকে সরকারী হেফাজত হইতে যে করিয়াই হউক ছিনাইয়া আনিতে হইবে। তোমাকে ২/১টা খবর না দিলেই নহে, কন্যার মত কর্নেল রশীদের স্ত্রীও সময়কালে দেহপসারীনি ছিল, আর মেজর ডালিমের স্ত্রী ছিল এই লাইনের মক্ষীরানী। সেনাছাউনির অনেকেই এই নারীদ্বয়ের সেবা গ্রহন করিতে বাধ্য হইয়াছিল। ইহারা এখন বেসামাল হইয়া পরিয়াছে, কখন কোন খবর প্রকাশ করিয়া দেয় ইহা লইয়া বড়ই চিন্তিত আছি।
আজ শেষ করিতেছি। কিছুক্ষনের ভেতর আজরাইল হুজুর আমার অংগ প্রত্যংগ কুচি কুচি করিয়া কাটিবেন, ইহা দ্বারা ভর্তা ও শিক কাবাব তৈরী পূর্বক মেহমানদের মেহমানদারী করিবেন। টিক্কা খাঁ’র খায়েশ হইয়াছে আমার জ্বিহ্বা্র মুড়িঘন্ট খাওয়ার। পাকিদের এই তিলিসমাতি বুঝা বড়ই কষ্টের। বাবারে, দুনিয়াতে পাপ করিলে আখিরাতে এই রকম পুরস্কারই মিলিবে। তোমার পুরস্কার কি হইবে ভাবিয়া বড়ই বিচলিত বোধ করিতেছি। যাহাই হোক, তোমার নিজ বিবির দিকে চোখ রাখিও, আমার কাছে তেনার ব্যাপার সেপার তেমন সূবিধাজনক মনে হইতেছেনা।
মন চাহিলে পত্র লিখিও, আর না চাহিলে কি ব্যবস্থা নিতে হইবে ইহা এই জেনারে্লের ভাল করিয়াই জানা আছে।
ইতি,
অভাগা পিতা,

২৮ তম পত্রের জবাব
বাজান আমার কেমন আছ তুমি?এখন ও তোমাকে নরকের অনলে ঝলসাইয়া ফেরেশ্তার দল উল্লাসে মত্ত রহিয়াছে?এখন ও কি তোমাকে কুচি কুচি করিয়া কাটিতেছে আর সেই কাটা মাংস দিয়া ভর্তা ভানাইয়া ঈশ্বর তাহার মেহমানদের উদর পুর্তি করিতেছেন?এখন ও কি ঈশ্বর তোমাকে নিয়া প্রলয়ংকরি খেলা খেলিয়া যাইতেছেন?বাপজান সবই কর্মের ফল।তুমি ছোট বেলায় পড় নাই কি করিলে কি হয়?টিট ফর টেট?ইহাই ঈশ্বরের খেলা।'আগুন খাইবা তো আংড়া লেদাইবা'--ইহাই ইহজগত এবং পরজগতের পরম এবং চরম সত্য।এই সত্যকে মানিয়া নিতে হইবে।তোমার গোঁফের নিচে দেশপ্রেমের যে মিথ্যা রেখা টানিয়াছিলে তাহা জনগন এমনকি তোমার পুলাপাইনে ও হাড়ে হাড়ে টের পাইতেছে।তোমার জীবন শুধুই ভুলে ভরা ছিল।আর সেই ভুলের খেশারত নিজে দিয়াছ আর এখন আমাদেরকে ও দিতে হইতেছে।তুমি কি করিয়া রাজাকার আর আলবদরদেরকে এই দেশে পুনর্বাসন করিয়াছিলে?ছিঃ বাবা ছিঃ তুমি না একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলে?তুমি না দেশের স্বাধীনতার জন্য বন্দুক কাঁধে নিয়াছিলে?ধিক তোমাকে আর তোমার জন্মদাতাকে।দেশের জন্য বন্দুক কাঁধে নিয়াছিল যে মুক্তিযোদ্ধা সেই-ই নাকি আবার স্বাধীনতার শত্রুদের সাথে হাত মিলাইয়াছিল শুধু মাত্র মসনদের স্বাদ গ্রহন করিবার জন্য।ধিক্কার জানাই তোমার লোভী আত্মাকে,তোমার মসনদকে।পারিয়াছ কি বাচিয়া থাকিতে হাজার বছর ধরে?পার নাই কেন না মানুষের জীবন বড়ই ক্ষনস্থায়ী।সেই জীবন তুমি ব্যয় করিয়াছ লোভ আর ধন দৌলত আর ট্যাকা পয়সার পিছনে।তোমার সেই লোভের কারনে অবশ্য তোমার দুই তনয় কোটি কোটি টাকা আর ডলারের মুখ দেখিতেছে।সুদূর লন্ডনে বসিয়া ফরসী উক্কায় তামাক সাজাইতেছে।কিন্তু এইখানেই কি সুখ বাবা।তোমার লোভ আমাদের দুই ভাইয়ের জিনে ঢুকিয়া যাওয়ায় আজ আমরা লোভী হইয়াহি।
যাক বাবা যে কথা বলিলে তুমি সুখী হইবা সেই কথা এখন বলিতেছি।তোমার দোয়ার বরকতে আর আম্মাহুজুরারের নেক নজরের কারনে তোমার ছাওয়াল এইবার জাতীয়াবাদী দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদ লাভ করিয়াছে।এই শুভ লগ্নে আমি তোমার পদ চুম্বন করিতেছি।সাথে সাথে এই প্রতিজ্ঞা করিতেছি যে রাজাকারদের নিয়া আমি আর ব্যাবসা এবং রাজনিতি চালাইয়া যাইব না।তবে আমার এই উত্থানের সাথে সাথে যার কথা আমার বেশি মনে হইতেছে তিনি হইলেন গিয়া আমার খালাম্মা হুজুর।আমি সিদ্ধান্ত নিয়াছি যে কোন প্রকারেই হউক উনার সাথে খেলিয়া যাইব।তারেক যে সকল খেলার খেলোয়াড় তাহা এইবার খালাম্মাকে বুঝাইয়া ছাড়িব।এর প্রথম ধাপ ইতিমধ্যেই শুরু হইয়া গিয়াছে।তুমি হয়তো তোমার ১২০০ ইঞ্চি টিভিতে তাহা দেখিয়া থাকিবে।আব্বাহুজুর সেই খেলার প্রথম ধাক্কা বোধ হয় খালাম্মা এবং তার চামুন্ডাদের গায়ে খুব জোরেই লাগিয়াছে।আমার এক নম্বরের খাস গোলাম মাহমুদুর রহমানকে দিয়া জয় এবং তৌফিক এলাহি সম্বন্ধে ঘূষের অভিযোগ আমার দেশ পত্রিকায় ছাপা হইয়াছে।আল্লারে আল্লাহ এই মেডিসিন যে এত কাজ করিবে আমি তখন চিন্তা ও করি নাই।চারিদিকে একটা হৈ হৈ আর কলরব উঠিয়াছে যে তাহা হইলে জয় এর বাচ্চা আমেরিকায় বসিয়া এই কান্ড করিতেছে?অন্ততঃ একটা পারসেন্টেজ লোকের ভিতর সন্দেহের বীজ ঢুকাইতে পারিয়াছি।কি বাবা কেমন বুঝিতেছ?তোমার খোকা কি পারিয়াছে?
বিএনপি'র কাউন্সিল অধিবেশনের কথা তোমাকে একটু বলিতেছি।আম্মাহুজুর এইবার আমাকে না ক্ষেপানোর চিন্তা করিয়াছিলেন।ঐ কুত্তা ফালুকে অধিবেশনে আসিতে দেওয়া হয় নাই।আম্মাহুজুরের এই ধরনের সুমতিতে আমাদের দুই সহোদরের মাঝে কিছুটা স্বস্তি এবং বিশ্বাস ফিরিয়া আসিয়াছে।এর পর গুঞ্জন এবং কুন্দল শুরু হইয়াছিল সাধারন সম্পাদক কে হইবে এই নিয়া।দেখা গেল দলের মধ্যে ৫/৬ জন এই পদ দখল করিবার পায়তারা করিতেছে।বাবা আমি তো লন্ডনে বসিয়া বুঝিতে পারিতেছিলাম না কাহাকে বিশ্বাস করা যায় আর কাহাকে করা যায় না।কারন এই পদে থাকিয়া যদি তারেকের গোলামি না করে তাহা হইলে আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য এবং মসনদের মর্যাদা ধুলিস্যাৎ হইয়া যাইবে।অনেক ভাবিয়া চিন্তিয়া আম্মাহুজুরকে বলিলাম আমাদের দেলোয়ার আংকেলই এই পদের জন্য উপযুক্ত পাত্র।তাহার একটু পানি খাওয়া আর চাইল ডাইল তসরুপ করার হাছিয়ৎ আছে কিন্তু আবার গৃহ পালিত হিসাবে ও অনেক সুনাম রহিয়াছে।এই লোককে নাকে দড়ি লাগাইয়া ঘোরানো যত সহজ হাফিজ আংকেল বা নজরুল আংকেলকে ঘোরানো এত সহজ নহে।ভাবিয়া চিন্তিয়া শেষ পর্যন্ত দেলোয়ার আংকেলকেই রাখিয়া দিলাম।তাহাতে আমার একটু অসুবিধা হইতেছে।মাসে মাসে লন্ডনী পানি আর ট্যাকার বান্ডেল দুইই পাঠাইতে হইতেছে।যাউক গিয়া আমার কি এইসবের অভাব আছে বাবজান?আমি চাইলে আংকেলরে পানির মধ্যে ঢুবাইয়া রাখিতে পারি।আর ট্যাকা।এইডাতো আমার অঙ্গুলীর ইশারায় তৈয়ার হইয়া যায়।তাহা হইলে বাবা আন্দাজ করতো তোমার তারেক এখন কেমন ক্ষমতাধর হইয়াছে?
আব্বাহুজুর আমি অসুস্থ্যতার ভান করিয়া পড়িয়া থাকি কেন না আমি এই মুহুর্তে দেশে ফিরিলে হয়তো খালাম্মা আমাকে লালঘরে ঢুকাইয়া দিতে পারে।তাহা ছাড়া আমি রাজ বেশে ফিরিতে চাই।আমি যেইদিন বাংলাদেশে আসিব সেইদিন ঘরে ঘরে বিবাহের ধুম পড়িয়া যাইবে।মানুষ নাচিয়া গাহিয়া হাসিয়া খেলিয়া আমাকে বরন করিবে।ঘরে ঘরে পোলাও কুড়মা রান্না হইবে।কোটি কোটি গোলাম আমাকে বিমানবন্দরে আমাকে অভ্যর্থনা জানাইবে।আমি তারেক সেই মাহেন্দ্রক্ষনের জন্য অপেক্ষা করিতেছি।অবশ্যই এর আগেই খালাম্মাকে ঘায়েল করিবার চেষ্টা করা হইবে।কত টাকায় কত গোলাম এইবার খালাম্মা টের পাইবে।
আব্বাহুজুর একটা বিষয় আপনার সাথে ডিসকাস করিতে চাহিতেছি।আম্মাহুজুর এমনকি আপনি ও জীবদ্দশায় আমার সিফিলিসে আক্রান্ত ভাইটিকে ভিন্ন নজরে দেখিতেন।আমাকে যাহা দেওয়া হইত তাহাকে তাহা দেওয়া হইত না।আমাকে যত আদর করা হইত তাহাকে ততটুকু করা হইত না।ইহা কি আমি বড় ছেলে বলিয়া নাকি ইহার পিছনে কোন অর্থ রহিয়াছে বাবজান দয়া করিয়া মাকে একটু বলিও,মনে শান্তি আসিবে।বাবজান আমাদের যে ৫ জন আংকেল তোমার এখানে আসিবার প্রস্তুতি নিতেছেন ঈশ্বর তাহাদের ব্যাপারে কি কিছু বলিয়াছেন?তুমি কি এই ব্যাপারে কিছু শুনিয়াছ?দেখিও তো কোন ফেরেশ্তাকে ট্যাকা দিয়া বশ করিয়া এই ব্যাপারে কিছু জানা যায় কিনা।ট্যাকার চিন্তা করিও না।মাশাল্লাহ তারেকের ভান্ডার ফুরাইতে দুনিয়া আর একবার সৃষ্টি হইতে হইব।
বাবজান চিঠির প্রথমে তোমাকে অনেক গরম কথা বলিয়া ফেলিয়াছি।তুমি তাহা ডোন্ট মান্ড করিবে।এইবারের ষোলই ডিসেম্বর আমি অনেকের কাছ হইতে অনেক কিছু শুনিয়াছি,অনেকে রাজাকারের দল,রাজাকারের দোসর বলিয়া গালি দিয়াছে।ইহাতে আমার মন বড়ই বিষন্ন হইয়াছে আর তোমার উপরে তাহার ঝাল ঝাড়িতে চেষ্টা করিয়াছি।
গোলামের দল রহিয়াছে চাহিয়া পথের দিকে
কখন ফিরিবে তাহাদের আব্বাজান তারেকে
বাবা আজ এই পর্যন্তই
তোমার চরন তলে আমার জান্নাত।
---তারেক
টারমিনেটর দাদুকে বলছি
এই ধরনের অশোভনিয় চিঠি চালাচালি বন্ধ কর দাদু।দুই জন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিকে নিয়া তোমরা এই ধরনের হাস্যকর চিঠি চালাচালি করো না।উনারা মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক।আশা করি আমার কথা বুঝতে পারবে।রাগ করো না দাদু।
visit this site for discover
visit this site for discover real history about Bangladesh
http://www.firozmahboobkamal.com/ebook.html
হে আদম সন্তানের দল
ওহে আমার আদম সন্তানের দল!একি করছিস তোরা?আমি ভগবান সকল নরক বাসীকে রাতদিন লাখ লাখ এঞ্জেলের পাহাড়ায় রেখেছি।এক মুহুর্তের জন্য ও কোন নরকবাসী এজেলদের চোখের আড়াল হতে পারে না।সেক্ষেতে কিভাবে জিয়া হাবিয়া থেকে তার ছেলের নিকট চিঠি আদান প্রদান করছে তাহাই ভেবে পাচ্ছি না।তোরা বাংলাদেশিরা দেখি ভগবান এবং তীক্ষ চোখ সম্পন্ন এঞ্জেলদেরকে ফাঁকি দিয়ে হাবিয়ার অনলের ভিতরে থেকে ও দুনিয়াতে চিঠি পাঠাচ্চছিস।আসলে তোরা বড়ই সেয়ানা।এই ঘটনায় আমি বড়ই তাজ্জ্বব হয়েছি।এই মুহুর্তে আমি লন্ডনে কয়েক মিলিয়ন এঞ্জেল পাঠাচ্ছি।তারা দেখবে তারেক কোন জায়গায় বসে চিঠি আদান প্রদান করছে।হাবিয়া এবং অন্যান্য নরকে বিলিয়ন বিলিয়ন এঞ্জেল ইতিমধ্যেই তদন্ত কাজ শুরু করেছে।অচিরেই তোদেরকে কাজের অগ্রগতি এই মেলায় জানানো হবে।হে আদমের দল।ভগবানকে ঘন ঘন স্মরন কর্।ভগবান ছাড়া তোদের আর কোন গতি নেই।
হে ভগবান
দয়া করে বলবেন কি,আপনি কোন ধরনের ভগবান?আপনার চোখ ফাঁকি দিয়ে চিঠি চালাচালি চলছে?আপনি না সমস্ত কিছুই দেখতে পান?তাহলে এই চিঠি চালাচালি ধরা পড়ল না কেন?আপনি তাহলে ফেইক ভগবান।দেখি আপনি আমার কি ক্ষতি করতে পারেন।আপনাকে আমি স্বীকার করি না।দেখি কোন শাস্তি আপনি আমাকে দিতে পারেন।শেইম অন ইউ ম্যান!
ভগবান
পততরখানা পৌছাইতে আপনার চামচিকাদের ঘুষ দিতে হ্য়, ইহার বিচার কামনা করিতেছি।
হে বেত্তমিজ
খামোশ বেত্তমিজ।খামোশ যা এখান থেকে।কে তোর কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে চিঠি এপার ওপার করে তা বল।তারা কি আমারই কোন এঞ্জেল?আমিতো তাদেরকে মানবীয় গুনাবলী দেইনি।তাদের টাকার দরকার হবে কেন?হে ইবলিশের বন্ধু তুই এখন বল কে তোর সাথে ঘুষের লেনদেনে জড়িত?আমি তাকে আসমান জমিনের মাঝখানে আজীবনের জন্য আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বালিয়ে রাখব।আমি বড়ই রাগান্বিত অবস্থায় আছি।
হাসান ভাই এখনও
হাসান ভাই কি ব্যাপার এখনও ঘুমিয়ে পড়েন নি?আজতো খেলা টেলা নেই।ভাবী কি দেশে বেড়াতে গেছে?
ও ভুল বলেছি খেলাতো আমাদের রাতে আর আপনার বিকালে।
ভালো থাকুন
বাংলাদেশ ২১ ভাইজানকে...।
মাত্র কিছুক্ষন আগে জেনেভা থেকে বাসায় ফিরেছি। একটা ক্যান নিয়ে ডেক্সটপে বসেছি। কাল দিনে কোন কাজ নেই। তাই রিলাক্স। আমার ম্যাডাম বোনেদের সাথে ফ্রান্সে গিয়েছিলেন, কিছুক্ষনের মধ্যে ফিরবেন,তাই অপেক্ষা। ভাল থাকুন,
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান ভাই আপনাদের মজাই আলাদা
আপনারা যারা ইঊরোপে থাকেন তাদের মজাই আলাদা।একদেশ থেকে আরেক দেশে কি সহজেই না থাকা যায়।হিংসা হয় আপনাদের দেখলে।আমার ভাইয়েরা সন্তান সহ ১৪ জন থাকে আপনার নিকর্টবর্তী।যাব যাব যেতে পারছিনা।সুযোগ হলেই বাংলাদেশ টানে,গ্রাম টানে।আপনার পরিবারের যাত্রা শুভ হোক।
চিঠি চালাচালি
অনেক দিন পর এ আসরে এসে চিঠি চালাচালি দেখে ভাল লাগছে।টারমিনেটর ভাই এখনো ধৈর্য্য সহকারে চিঠি লিখে যাচ্ছেন সেজন্য ধন্যবাদ।
bal এর ডাকুর ,তৃপ্তির ঢেকুর >>>
এতো নিম্ন মানের গাজাখুরি ছাইভস্ম গিলিয়া এতো তৃপ্তির ঢেকুর তোলার কারন কি ডাকু সাহেবা ? চিঠির ভালো দিকটা খুলিয়া বলেন ,শুনিয়া ধন্য হই । নাকি শুধু জাতিয়তাবাদিদের গুষ্টি উদ্ধার দেখিলেই ডাকু তৃপ্ত হয় ?
bal এর ধরা খাওয়া জঙ্গি পতিতা আখিঁ এবং এই ডাকুদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই । আর এদের তৃপ্তি দেবার জন্যই খদ্দেররা আজকাল নিরোপেক্ষতার খোলস ছেড়ে পুরোপুরি bal এর ধান্দা ধরেছে । তারা ডাকু ,সন্ত্রাসিদের সোহাগের bal ধরিয়া আর টানাটানি করে না !
রাস্তা মাপেন
আপনি আবার কেডা? বেটা না বেটি? এই চিঠির ভাল দিক কোনটা দেখলেন ডাকু বিবি?
আলতাফ সাহেবকে বলছি
য়াপনি কি আমার নাম দেখে ও বুঝতে পারেন নি আমা্য বেটা না বেটি?আপনি আবার চিটিটা পড়ে দেখুন।ঠিকই এর ভাল দিক বুঝতে পারবেন।আর মনে রাইখেন আমি কিন্তু ডাকাৎ,এবং মহিলা ডাকাৎ।তাবিজ কিন্তু ঢুকাতে জানি।কইয়া দিলাম।
ডাকু সুলতানা
লং টাইম নো সি । নো ব্লা ব্লা । আপনার ডাকাতি ক্যামন চলছে ।
আপনী কি কুস্টিয়ার আলোচিত মহিলা আঁখির আত্বীয় ? আপনাদের
কাজকর্মের মিল আছে বলে মনে হচ্ছে ।
ভূমী ভাই, ডাকু সুলতানা হাসান ভাইয়ের দিকে পল্টি খাইয়াছেন...
আপনার এই "লং টাইম নো সি" মার্কা কথায় কাজ হইবে না। হাসান ভাইয়ের মত কবিতা লিখেন। হৃদয়ের ভালবাসা মন্থন করিয়া কাব্যে ঢালিয়া দিন, তবেই যদি ডাকুর মন গলে। অবস্থা দেখিয়া মনে হইতেছে ফিল্ড এখন হাসান ভাইয়ের দখলে, একটা মহাকাব্য লিখিয়া চেস্টা করিয়া দেখিতে পারেন...
আসু সফলতা কামনায়
স্ট্রেঞ্জার
স্ট্রেঞ্জারের সাথে আমি একমত
ভুমি ভাই এর হাঙ্কু পাঙ্কু কথায় কাজ হবে বলে মনে হয় না।হয় হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসার কবিতা ছাড়ূন নয়তো ট্যাকা ছাড়ুন তবেই তো মায়া মাইনষের মন পাওয়ার কথা চিন্তা করতে পারেন।কথায় বলে না মিডা কথায় চিড়া ভিজে না।
আর একটি কথা ডাকু আর হাসান সাহেবের প্রেম অনেক দিনের।ঐখানে ফাঁটল ধরাতে হলে চাই শক্ত মন আর বিরামহীন চেষ্টা।
জমিদার ভাই সাহেব
অনেক দিন আগে এই আসরে বলেছিলাম যে তখন থেকে নিয়মিত লিখব।এর কারন ছিল ডাকাতির পেশা থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছিলাম।কিন্তু জানেন তো এই পেশাতে কেউ একবার ঢুকলে তার পক্ষে তা ছাড়া খুব কঠিন।আমার কাছে ডাকাতি এক ধরনের নেশা।
ইমেলাতে এই কথা লেখার কিছুদিনের মধ্যেই টেক্সাসের এল পেসো নামক জায়গায় বড় ধরনের একটি ডাকাতির ফন্দি করি।ফন্দি করতেই প্রায় ৪ মাস লেগে গেল।তাছাড়া একজনে তো এত বড় ডাকাতি করা যায় না।সৈন্য সামন্ত চ্যালা চামুন্ডা জোগাড় করতে ও সময় লেগে গেল।তার পর একদিন নেমে পরলাম অপারেশনে।সেই অপারেশনে জীবন বিপর্যস্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।আমার বেশ কয়েকজন সৈন্য মারা যায়।কয়েকজনকে নিয়ে আমরা মেক্সিকোতে পালিয়ে যাই।প্রায় ২ মাস যাবৎ সেখানেই অবস্থান করছি।এখন এখানে ছদ্ধবেশ ধারন করে ফুটপাতে নানা রকম জিনিস বিক্রি করছি।সুযোগ বুঝে আবার আমারিকাতে ঢুকে পড়ার ইচ্ছে আছে।দেখি পানি কোন দিকে গড়ায়।আমাকে এবং আমার চ্যালা চামুন্ডাদেরকে আমারিকার পুলিশ খুজে বেড়াচ্ছে।আমার আমেরিকার পাসপোর্ট আছে।ভিসার সমস্যা নাই।দেখি পরিস্থিতি শান্ত হলে আবার আসব।আমি শুনেছি আপনি ট্যাক্সাস থাকেন।যদি অদুর ভবিষ্যতে আপনার এখানে কিছুদিনের আশ্রয় দরকার হয় তাহলে আশ্রয় দিবেন তো?নাকি লাঠি দিয়ে তাড়িয়ে দিবেন?কেন্ মেয়ে মানুষ বলে?নাকি ডাকাৎ বলে?মেয়ে মানুষ আর ডাকাৎরা কি তাহলে মানুষ না ভাইজান?
আরে ডাকু নাকি...।
আমি সুইস ব্যাঙ্কের ভল্ট খুলে বসে আছি
ডাকুর ডাকাতির টাকার লগ্নির আশায়।
মাস গেল বছর যায়,
আমি করি হায় হায়
টাকা নয় টাকা নয়,
আমার ডাকু কোথায় ?
----------------------
ওয়েল কাম ব্যাক ডাকু।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান ভাই
ওহ!অনেক দিন পর আপনাকে এখানে দেখে কি যে ভাল লাগছে ভাষায় বর্ননা করতে পারব না।ভাল হয়ে গিয়ে সুস্থ্য জীবন যাপন শুরু করেছিলাম।কোন্ কুবুদ্ধিতে যে আবার ডাকাতি করতে গেলাম নিজে ও জানি না।এখন দেশে দেশে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।আমি মেক্সিকোর একটি ছোট্র শহরে ফুটপাতে ব্যাবসা করি আর আমেরিকায় ফিরে যাওয়ার দিন গুনি।হুট করে সুইজারল্যান্ডে চলে আসতে পারি।তখন কি আপনি চিনবেন আমাকে?প্রয়োজনে কি ক্ষনিকের আশ্রয় পাব আপনার কাছে?দোয়া করবেন হাসান ভাই।
হৃদয়ের হার্টবিট বেড়ে গেল...।
হার্টবিট হটাৎ করে বেড়ে গেল।
একদিকে ডাকু,
অন্যদিকে ভাললাগার ভিন্ন কিছু আকু পাকু।
কি যে করি,
ভেবে মরি।
যা হয় হবে,
কিন্তু,সে দেখা হবে কবে ?
যদি না সাথে থাকে ডাকাতির টাকা,
ভালবাসাবাসি সকলই ফাকা।
ভল্ট ফাকা
তো হৃদয় ফাকা।
ভাবিয়া করিও
ওহে প্রিয়া শখা।
------------------------
কিসের ভাই ? পুড়ে হোই ছাই।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান ভাইকে--
আমার প্রতি আপনার আকুতি দেখে ভাল লাগছে।
হয়তো হবে দেখা
কোন এক ক্ষনে
হয়তো কইবো কথা
অতি সংগোপনে
হৃদয়ের আকুপাকু
শুধুই কি হৃদয়ের তরে
নাকি ভল্টের ভিতরের
ডলার আর পাউন্ডের বিচারে
পুড়ে কেন ছাই হন
বলিবেন কি মোরে
মনের কথা রাখিতে
চান কি শধুই দুজনার ভিতরে?
পৃথিবীতে মন বলে কিছু নেই
ডাকু তা জানে
মনের মুকুরে ডাকুর আকুতি
জ্বলে উঠে তাই ক্ষনে ক্ষনে।
ডাকুকে...।।
কাব্যের বাহার দেখেই মনে হচ্ছে ডাকুর ভল্ট পরিপুর্ন। আমার ভল্ট একেবারে ফাকা। কথায় বলে না,ক্ষুদার রাজ্যে পৃথীবি গদ্যময়,তাই হাজার চেষ্টায়ও তা কাব্যময় হচ্ছে না। তবে পথচেয়ে বসে আছি রাজশিক অংকের ডলার নিয়ে ডাকু কবে আমার দ্বারে হাজির হবে।
রাজকন্যা আর রাজত্ব পায়ে ঠেলে ফেলে সে কোন নাচার ?
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাছান ভাই
ব্যাস্ততার কারনে আপনার এই লেখাটা মিস করেছি।আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজকন্যা নাকি ভল্ট ভর্তি নজরানা, কোনটা চান।হাছান ভাই আমি আসলেই যে কোন দিন সুইচে এস হাজির হয়ে যেতে পারি।তখন কিন্তু দূরে ঠ্যালে দিতে পারবেন না।হ্যাঁ হাছান ভাই আপনাদের দোয়ায় জীবনে বহু কামিয়েছি।অবশ্য এখন মেক্সিকোতে ফেরিওয়ালির ব্যাবসা করছি।জানি না কখন আমেরিকা পৌছাতে পারি।হয়তো এরই মধ্যে ইউরোপ ট্যুরে বের হয়ে আপনার দরজায় টুকা দিতে পারি।প্রস্তুত থাকুন।যে কোন সময় বান্দি হাজির হয়ে যাবে আপনার মনোরঞ্জনের জন্য (আপনার সাথে একটু রঙ্গ করলাম),কেমন আছেন হাছান ভাই?
বান্দি হাজির আছি জনাব
পারবেন কি বাধিতে তারে?
যে আসে মনের মন্দিরে
প্রতি ক্ষনে প্রতি মুহুর্তে
পারবেন কি জনাব
বাধিতে তারে
তব আত্মার সনে?
-- হাছান ভাইকে
ডাকু সুলতানা
ওয়াও!
ওয়াও!!
সাবাশ!অত্যন্ত চমৎকার।টারমিনেটর সাহাবের ২৬ এবং ২৭ তম পত্রের মতই ২৮ তম পত্র ও একেবারেই হট কেক।চালিয়ে যাও গুরু,চালিয়ে যাও।বেশ লাগছে কিন্তু।
Joshua
নেতা হইতে চাহিলে গালাগালিতে আরো পারদর্শীতা অর্জন করিতে হইবে,
'terminator'হইল গিয়া নতুন ছাত্রলীগ, কিরে ভাতিজা ছাত্রলীগে বুঝি নতুন আসিয়া পড়িয়াছ? তবে আওয়ামী নেতা হইতে চাহিলে গালাগালিতে আরো পারদর্শীতা অর্জন করিতে হইবে, ইহার কোন বিকল্প নাই।তোমার গালাগালির মান এখনও স্কুল লেভেল পার হইতে পারে নাই, সদা-সর্বদা ইহা মনে রাখিবে।তবেই আওয়ামী শিবিরের চুড়ান্ত শিখরে উঠিতে পারিবে।গালি শিখার ভাল মাধ্যম যদি না পাও তাহলে কলিকাতা থেকে “ঠকের রাজা, শঠের রাজা, গালীর রাজা গোপাল ভাড়” বই খানা আনিয়া পড়িতে চেষ্টা করিবে।এই মহাসুযোগের কালে বড় নেতা হইতে না পারিলে সামনে দুঃখ আছে মনে রাখিবে।ছাত্রলীগ-আওয়ামীলীগ-মুফতি লীগ যারাই এ মতাদর্শে বিশ্বাসী তারা যখন যুক্তি তর্কে হেরে যায় তখন গালাগালির আশ্রয় নেয়।এটাই তাদের প্রতিবাদের শেষ ভাষা।আবার আকাটা ভারতীয় দালাল ও ভারত পন্থিরাও কখনও কখনও সুযোগ নেয়, মুসলিম নাম ধরে।কারন তাদের বুক হিম্মতশুন্য, একটা গর্জনেই এরা গর্ত খোঁজে, তাই অপরের মাথার উপর বন্ধুক রেখে তারা স্বীকারে অভ্যস্থ। তবে এ ব্যাক্তি নতুন কেউ নয়, এখানে যারা Secularism তথা ধর্মনিরেপেক্ষ বাদের পক্ষে লিখতে লিখতে বেআকল হয়েছেন তাঁদের কেউ একজন।আওয়ামীদের একই অঙ্গে অনেক রুপ থাকে, সে যে দেশেই থাকুন না কেন।সুতরাং এই লেখক এখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, মরন যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে।ফলে সুবহানাল্লাহর বদলে গালি বের হচ্ছে।ব্যথীত পাঠকের হতাশ হবার কিছুই নাই।আওয়ামীলীগের কিংবদন্তিতুল্য নেতারাও এই গুন থেকে বাদ যাননি।তদুপরি এধরনের গালাগালি করতে না পারলে তাকে আওয়ামী সিলেকশন কমিটিকেও রাখা হয়না।যদি আমার কথায় বিশ্বাস না হয়, তাহলে তাদের আচরন পরীক্ষা করুন্।
আওয়ামীলীগ এবারে বাজারে ইসলাম প্রিয়তা প্রদর্শনের জন্যে ওদের ভাষায় শতাধিক মুফতি যোগাড় করেছেন এবং মুফতি লীগ প্রতিষ্টা করেছেন্ এই মুফতিরা ঘোষনা দিয়েছেন আওয়ামীলীগ না করলে অথবা বিরোধীতা করলে তার ঈমান থাকবেনা।কেমন ঈমানী পরিক্ষা নেবে এই সমস্ত মুফতিরা বুঝুন,যেন তাদের সাথে মনকির নকীর ফেরেশতার সাথে চুক্তি হয়েছে।উল্লেখ্য এখানকার সকল মুফতিরা কবর পূজা ও মাজার ব্যবসায়ী হিসেবে সারাদেশে চিত্রিত।আর সকলেই জানেন প্রতিটি মাজার ব্যবসায়ীর আচরন কেমন?আওয়ামীলীগ এক্ষেত্রেও চরম গালাগালী করতে পারে এমন মুফতিদের দলে জায়গা দিয়েছেন।উদ্দেশ্য দুটো, মুফতিরা গালাগালি করলে ইসলামের সুনাম দূর্বল হবে, তাতে আওয়ামীলীগের লাভ।ইসলাম পন্থি যারা আওয়ামী বিরোধী বলে পরিচিত তাদের শায়েস্তা করা যাবে তাতেও আওয়ামীলীগের লাভ।শেখ হাসিনা খুব চিন্তা করেই ভারতের পরামর্শ ধরেই একাজে পূঁজি খাটাচ্ছেন।
terminator ভাই, ছোট হয়ে আসছে ওদের পৃথিবী...........
terminator ভাই, ছোট হয়ে আসছে '৭১ ও '৭৫ এর ঘাতকদের পৃথিবী। আপনি তো সব কিছুরই খোজ খবর রাখেন। '৭৫ এর ঘাতকদের নায়ক খুনী জিয়ার প্রেতাত্নাটির দিকে নজর রাখবেন যাতে এটি পূণবিচারের হাত থেকে পালাতে না পারে। আর আমরা পালিয়ে বেড়ানো '৭১ এর খুনিদের পাকড়াও করার ব্যবস্হা করছি।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
নাদানের বাচ্চা নাদান
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা জিয়া সৈনিকের দল,
এই নাদান আমাদের প্রান প্রিয় নেতা শহীদ জিয়া এবং তার পবিত্র আমনত তারেক রহমানকে নিয়া যে গিবত গাইল তার জবাব না দিলে আমার আত্মা শান্তি পাবেনা। আমার রক্তের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে, প্রতিশোধ চাই, ভয়াবহ প্রতিশোধ। ভাইসব, আপনারা ৭ই নভেম্বরের মত আবার জেগে উঠুন। বাকশালীদের খতম করার সময় এসে গেছে।
নাদানের বাচ্চা নাদান
ভাইসাবেরা তো ৭ই নভেম্বরে জাগেনি, জেগেছিল সিপাহি ভায়েরা। আপনি তাদেরই জেগে উঠার কথা বলতে ভুলে গেলেন? এই বুঝি আপনার তর্জন-গর্জন?
প্রায়ই লেখেন, এক দেশের এক নেতা। তাই যদি হয়, তবে আপনার প্রেতাত্মা তারেক জিয়া কি বেকার হয়ে যাবে না? তাকে নেতা বানাবেন কেমন করে, যদি দেশটা হয় এক নেতার বাপের সম্পত্তি?
আলতা...হোসেন সাহেব...।
আপনি লিখেছেন,
এই নাদান আমাদের প্রান প্রিয় নেতা শহীদ জিয়া এবং তার পবিত্র আমনত তারেক রহমানকে নিয়া যে গিবত গাইল তার জবাব না দিলে আমার আত্মা শান্তি পাবেনা।
আহারে......আত্মার এ অশান্তি কারো কাম্য নয়।
আপনার অতৃপ্ত বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।
আমিন.....ছুম্মা আমিন.।।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
মুনশী সাহেব
আপনার পোস্টিং এর ফুট নটে ত "নারায় তাকবীর, আল্লাহু আকবার" দেখলাম না।
আপনার চ্যাতোমিটার (anger meter) হাই রিডিং এর জন্য কি ঐ গর্জন টাও ভুলে গেলেন নাকি?
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
বনের ফেরারী নায়ক হুড
আমি গর্বের সাথে শ্লোগান দিলামঃ নারায়ে তক্বীর আল্লাহু আকবর! আপনার গায়ে কি লবন লাগছে? দিন আসছে যেদিন তারেক জিয়ার নেত্রীত্বে বাংলাদেশ হতে বাকশালীদের নির্বাসিত করা হবে। সেদিন দেখবেন লাখে লাখে নব্য রবিন হুড ক্যালিফোর্নিয়ার জংগলে ঘুরে বেরাচ্ছে।
এক নেতার এক দেশ
শহীদ জিয়ার বাংলাদেশ!
তারেক জিয়া যেখানে
আমরা আছি সেখানে
মুনশী সাহেব একটু মনে রাখার চেস্টা করুন
আমি ত আগেই আপনাকে বলেছি ক্যালিফরনিয়াতে জঙ্গল নেই। আছে প্রোশান্ত মহাসাগর, মরুভুমি, উচু পাহাড় ও আগ্নেওগিরি। একটা কাজ করেন। আপনি আপনার তারেক সাহেব কে ক্যালিফরনিয়াতে পাঠিয়ে দিন। আমার গভর্নর আরনল্ড আপনার তারেক সাহেবকে জামাই আদোর দিয়ে ক্যালিফরনিয়ার ডেথ ভ্যালি দেখিয়ে আনবে।
আবার বলুন, নারায় তাকবির আল্লাহু আকবার।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
তীরান্দাজ ভাই
প্রয়োজনে আমরা জিয়া সৈনিকরা সেখানে জংগল তৈরী করে দেব, তবু বাকশালীদের দেশ হতে তাড়ানো চাই।
নারায়ে তাকবীর
আল্লাহু আকবর
মুনশি সাহেব, কাজের কথা বলেছেন
আপনার চেতোমিটিরের (anger meter) রিডিং এখনোও রেড যোনে আছে। মাথায় বরফ লাগান।
খুব ভালো সাজেশোন দিয়েছেন ক্যালিফরনিয়াতে জঙ্গল তৈরি করার জন্য। এর জন্য লাগবে জিয়াউর এর নিজের ব্যাবহার করা খাল কাটার কোদাল। ওটা খুজে বের করে আপনি ও আপনার সৈনিকরা আল্লাহু আকবার বলে মাঠে নেমে পড়ুন।
আবার বলুন, নারায় তাকবির, আল্লাহু আকবার।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া