মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি : ৫৫ জনের বয়স একাত্তরে ছিল ১০ বছরের নিচে

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সম্প্রতি চাকরি পাওয়া ১২৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৫৫ জনেরই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বয়স ছিল ১০ বছরের নিচে। এদের মধ্যে ২ জনের বয়স ছিল ৫ বছর, ৯ জনের ৬ বছর, ১৬ জনের ৭ বছর, ১১ জনের ৮ বছর এবং ১৫ জনের ৯ বছর। এছাড়া ১০ বছর বয়সী ৯ জনও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দাবি করে প্রথম শ্রেণীর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ বাগিয়ে নিয়েছেন। ৫ বছর বয়সী শিশু কি করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ছিল এবং ওই দাবি মেনে নিয়ে সরকার কি করে তাদের চাকরি পাইয়ে
দিল—এটি নিয়ে গত ক’দিন ধরে সচিবালয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১ নভেম্বর বরগুনার পাথরঘাটায় সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয় স্বপন কুমার দেকে। আবেদনপত্র ও সার্টিফিকেটে তার জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৮ এপ্রিল ১৯৬৬। একইভাবে মাদারীপুরের আবুল হোসেন তার জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১১ নভেম্বর ১৯৬৬। তাকে মাগুরার শালিখায় সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ জন্মতারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আবুল হোসেনের বয়স ছিল ৪ বছর ৪ মাস ১৪ দিন।

১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী তত্কালীন যেসব ৬ বছরের শিশুকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়া হয়েছে তারা হলেন— গোপালগঞ্জের নাজমা সুলতানা বাবলী (১২-০৪-৬৫), নীলফামারীর মিজানুর রহমান (২৫-১১-৬৫), বগুড়ার শফি হাসান (৩১-১২-৬৫), লালমনিরহাটের আবু তাহের মোঃ মোস্তফা (১৯-০৮-৬৫), বরিশালের ওমর ফারুক (১৫-০৬-৬৫), রফিকুল ইসলাম (০২-১২-৬৫), ইউসুফ আলী মিয়া (২৮-০১-৬৫) এবং ঝালকাঠির অসীম কল্লোল (১৩-০৮-৬৫)। ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে যারা চাকরি পেলেন তারা হলেন— টাঙ্গাইলের খন্দকার নুরুল আমিন (১৮-০৮-৬৪), আজহার আলী খান (১১-০৩-৬৪), নুরুল আমিন তালুকদার (১২-২২-৬৪), মনিরুজ্জামান (০১-০১-৬৪), জাহিদুল ইসলাম (০১-০৫-৬৪), কুমিল্লার নুর উদ্দিন মিয়া (০১-০৭-৬৪), রংপুরের আবদুর রশিদ মণ্ডল (১৬-০৭-৬৪), বগুড়ার শহিদুল ইসলাম (০১-১০-৬৪), কুড়িগ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২১-১১-৬৪), শিরীন চৌধুরী (০২-০৪-৬৪), আশরাফ আলী (০৪-০৩-৬৪), আবু বকর সিদ্দিক (০৩-০১-৬৪), নূর মোহাম্মদ শাহ (২৭-০২-৬৪), বরিশালের রফিকুল ইসলাম (১৫-০৬-৬৪) এবং ভোলার একেএম ফয়েজ উল্লাহ (১২-১২-৬৪)।

১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেন—গোপালগঞ্জের নুরুল হক মিয়া (১৩-০৯-৬৩), ফেনীর অসীম কুমার বণিক (০৫-০৩-৬৩), রংপুরের আবদুর রশিদ (৩০-০৬-৬৩), কুড়িগ্রামের আমজাদ হোসেন (২২-০১-৬৩), সুধীর কুমার সরকার (১৪-১০-৬৩), দেলোয়ার হোসেন খন্দকার (০৪-০৭-৬৩), বরিশালের ফারুক হোসেন (০৩-০২-৬৩), মু. শাহাদাত্ হোসেন (১১-০১-৬৩), মোসা. রেহেনা বেগম (১৫-১১-৬৩) এবং পিরোজপুরের বিজয় কৃষ্ণ বসু (২৯-০৯-৬৩)।

১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন ঢাকার পরিতোষ কুমার দাস (০২-০১-৬২), টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান (০১-০১-৬২), কুমিল্লার শাহ আলম (০১-০১-৬২), নোয়াখালীর চাটখিলের মোসারফ হোসেন চৌধুরী (১৪-১০-৬২), কুড়িগ্রামের এছাহাক আলী মণ্ডল (১৪-০৪-৬২), মোঃ রজব আলী (১১-১১-৬২), প্রফুল্ল কুমার বর্মণ (১৪-০৯-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডল (২০-০৯-৬২), আশরাফুল ইসলাম (১৬-০৩-৬২), শামসুল আলম (২৮-০৩-৬২), ইসমাইল হোসেন (২৩-০৮-৬২), খুলনার রফিকুল আলম (০৭-০১-৬২), শাহজান আলী (২৫-০২-৬২), নড়াইলের নমির্তা রানি বিশ্বাস (২৩-১০-৬২), বরিশালের আবদুল হান্নান (০৩-০১-৬২) ও ঝালকাঠির কানিজ ফাতেমা (২৬-০৯-৬২)।

মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সে সময়কার শিশুদেরই শুধু চাকরি দেয়া হয়নি, এমন ৩ জনকে চাকরি দেয়া হয়েছে যাদের চাকরি করার সুযোগ রয়েছে সাড়ে ৩ মাস থেকে ১ বছর। এমন একজন পটুয়াখালীর বাউফল থানার মৃত আবদুল আজিজ শিকদারের ছেলে জস্লরুল ইসলাম। তিনি ১৯৫৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বর্তমান বয়স (১ নভেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত) ৫৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন। সরকারি চাকরির বয়সসীমা (৫৭ বছর) অনুযায়ী তিনি মাত্র সাড়ে ৩ মাস চাকরি করার সুযোগ পাবেন। ঢাকার ধামরাইয়ের জাহাঙ্গীর আলম জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ নভেম্বর ১৯৫৩ সালে। এ জন্মতারিখ হিসাবে তিনি ১ বছর ২৪ দিন চাকরি করার সুযোগ পাবেন। টাঙ্গাইলের আবুল হোসেন তার আবেদনপত্রে জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৫৩ সালের ১ আগসল্ট। সে অনুযায়ী তিনি চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৯ মাস।

১ নভেম্বর যে ১২৪ জনকে সাব-রেজিসল্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৮ জন কুড়িগ্রামের, ১৩ জন বরিশালের, ১২ জন টাঙ্গাইলের, ৮ জন রংপুরের, ৭ জন কুড়িগ্রামের, ৫ জন ঢাকার, ৪ জন করে গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী, বগুড়া ও বরগুনার, ৩ জন করে গাজীপুর, কুমিল্লা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের, ২ জন করে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, রাজশাহী, নীলফামারী, লালমনিরহাট, খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী ও ভোলার। মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নড়াইল ও মাগুরা জেলার একজন করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচিব বলেন, ৫ বছরের শিশুকে কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার কোনো শিশুকে চাকরি দিয়ে থাকলে শিশুশ্রম আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

প্রথম শ্রেণীর চাকরি পেল একাত্তরের শিশু! : ভানুমতির খেল চলছে প্রশাসনে
পৌরাণিক উপাখ্যানে বর্ণিত দৈব ঘটনা ছাড়া চার-পাঁচ বছরের কোনো শিশুর রাজকার্য তথা সরকারি দায়িত্ব পালন করার নজির নেই। এ বয়সে একটি শিশু অ আ ক খ শেখার চেষ্টা শুরু করে। বড়জোর মা-বাবার হাত ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। অথচ সেই চিরায়ত জৈবিক সত্যকেও এবার পাল্টে ফেলা হয়েছে। স্বয়ং আইন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ ধরনের এক আশ্চর্য উপাখ্যানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জানা গেছে, ১৯৭১ সালে যে শিশুর বয়স ছিল মাত্র চার বছর সাড়ে চার মাস, তাকেও মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া এই তালিকায় নাম লিখিয়ে প্রথম শ্রেণীর পদে চাকরি পেয়েছেন এমন লোক, যিনি মাত্র ২০ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন! শৈশবে সরকারি চাকরি এবং অবিশ্বাস্য কম বয়সে ডিগ্রি অর্জন নিয়ে স্বভাবতই নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ৩৮ বছর পরও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের সরকারি তালিকা শেষ হয়নি। অর্থাত্ এখনও নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে এই তালিকায়। এদিকে এতে নাম লেখানো নিয়ে চলছে ভানুমতির খেল, লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য। এর আগে তালিকাভুক্ত যে ১২৬ জনকে গত ৭ নভেম্বর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা নিয়েই দেখা দিয়েছে নানা সংশয়। এই নিয়োগের পরই বেরিয়ে এসেছে থলের বেড়াল। প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদানকারীদের মধ্যে এমন দুজন রয়েছেন ১৯৭১ সালে যাদের একজনের বয়স ছিল ৪ বছর সাড়ে ৪ মাস এবং অপরজনের ৫ বছর ৭ মাস ১৩ দিন। এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে এবং পদায়নের সময় ভালো জায়গায় পোসিল্টং পেতে আইন মন্ত্রণালয়ে মোটা দাগের অর্থ-স্বার্থের বিনিময় হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কেন এবার আলোচ্য তালিকা অনুযায়ী সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগে অতীতের নিয়ম-কানুন মানা হলো না। নিয়ম অনুযায়ী এ পদে যোগদান করতে হলে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। অথচ পরীক্ষা ছাড়াই ৪০ কার্যদিবস প্রশিক্ষণের রেওয়াজ ভেঙে মাত্র ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ কোর্স করিয়ে পদায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও ঘটেছে অঞ্চলপ্রীতি ও স্বজনপ্রীতির ঘটনা। জানা গেছে, যে ১২৬ জন সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদান করেছেন তাদের মধ্যে ২১ জনই কুড়িগ্রাম জেলার। এর নেপথ্যে ছিলেন জনৈক কুড়িগ্রামবাসী পদস্থ কর্মকর্তা। এতসব ঘটনার পর তার ফলাফল যে উত্তম হবে না তা সহজেই বোধগম্য। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট অনেকে সাব-রেজিসল্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বিভাগীয় কাজের গতি এবং দক্ষতা কমে যাওয়ার ব্যাপারে সংশয় পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে আশির দশকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে যোগদানকারীদের বেলায়ও সংশ্লিষ্ট অনেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন হচ্ছে, ১৯৭১ সালে যে শিশুর বয়স ছিল চার-পাঁচ বছর সে শিশু মুজিবনগর সরকারের কোন পদে যোগ দিয়েছিল? রেজিসেল্ট্রশন অধিদফতরের জনৈক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তালিকা অনুসারে তারা প্রায় সবাই চাকরি করেছেন ইনফরমার হিসেবে। এ ধরনের তথ্য দেয়ার পর আর বলার অবকাশ থাকে না যে, ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।’ এদিকে বর্তমানে সাব-রেজিসল্ট্রার পদে যোগদানকারীদের অনেকেই অবিশ্বাস্য রকমের কম বয়সে অর্থাত্ মাত্র ২০ বছর বয়সে কী করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পেলেন তাও রীতিমত বিস্ময়কর। এসব তথ্য থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের তালিকা প্রণয়নে নীতি-নিয়মের নিকুচি করা হয়েছে। চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রেও ঘটেছে তারই পুনরাবৃত্তি। প্রশাসনের রন্ব্দ্রে রন্ব্দ্রে যে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে এ ঘটনা তারই আরেকটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

অর্থ-স্বার্থের বিনিময়ে এ ধরনের জাল-জালিয়াতি আমাদের দেশে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এমনকি ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজ পাল্টে ফেলার মতো ঘটনাও অহরহই ঘটছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও মিথ্যার বেসাতি কম হয়নি। আমরা মনে করি, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীদের তালিকা ও পদায়ন নিয়ে এ ধরনের জালিয়াতি সে সময়ে যারা সেখানে আসলেই কর্মরত ছিলেন তাদেরকে চূড়ান্তভাবে অপদস্থ করার শামিল। এ ব্যাপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে—এটাই কাম্য।
http://www.somewhereinblog.net/blog/shudhashodanblog/29040215
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2009/11/09/6394

freedomfighter's picture

this article is my one of the

this article is my one of the interesting article , so this is copy from another author for show all viewer..................

শেখ মুজিব যে শুধু গণতন্ত্র হত্যা করেছেন,দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছেন বা জাতিকে ভারতের গোলাম বানিয়েছেন তা নয়, তার চেয়েও বড় ক্ষতি করেছেন জাতির মেরুদন্ড ধ্বসিয়ে দিয়ে। একাত্তারের যুদ্ধ চলাকালীন ৯ মাসে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস হয়নি। কিন্তু লেখাপড়া না হলে কি হবে শেখ মুজিব ছাত্রদের কোন পরীক্ষা না নিয়েই পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশনের ব্যবস্থা করলেন। ফলে যুদ্ধকালীন নয় মাসে ছাত্রদের যা শেখা উচিত সেটা শেখা ও শেখানোর আর কোন সুযোগই থাকল না। এমনকি মেডিকেল কলেজগুলোতে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা না নিয়ে পাসের ব্যবস্থা করা হয়। সেসময় বহু কলেজের প্রিন্সিপাল পদে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা ছারাই বসানো হয়েছিল আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডারদের এবং প্রচুর সার্টিফিকেট বিতরণ হয়, কোন জ্ঞান বিতরণ ছাড়াই। তার আমলে পরীক্ষার হলে ব্যাপক ভাবে নকল শুরু হয়। নকল সরবরাহকারিরা তখন বই নিয়ে পরীক্ষার হলে গিয়ে হাজির হত। শিক্ষাক্ষেত্রে যে সীমাহীন অরাজকতা, দূর্নীতি ও শিক্ষাদানে চরম অবব্যবস্থা তিনি সৃষ্টি করেছিলিন সেটি বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এ সাংঘাতিক খবর ছড়িয়ে পড়িছিল বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। ফল দাঁড়ালো, বাংলাদেশী ডিগ্রি বিদেশে মূল্য হারালো, এবং এভাবে ইজ্জত হারালো শিক্ষিতরা। ইংল্যান্ডসহ অনেক দেশই বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোর স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেয়। শেখ মুজিব এভাবে কালিমা লেপন করলেন, বাংলাদেশী শিক্ষিতদের মুখে। মুজিবামলে ট্রান্সপ্যারেনসী ইন্টারন্যাশনাল জন্ম নেয়নি। সেটির জন্ম হলে দূর্নীতি পরিমাপের সে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বাংলাদেশ যে সে আমলেও বিশাল ব্যবধানে বিশ্বে প্রথম হত, তা নিয়ে সন্দেহ আছে কি? বাংলাদেশ পরবর্তীতে যে ভাবে দূর্নীতিতে বিশ্বে বার বার প্রথম (উল্লেখ্য বাংলাদেশ এ পর্যন্ত 5 বার দুর্নীতিতে প্রথম হয়েছে যার মধ্যে শেখ হাসিনার 96-এ ক্ষমতা যাওয়ার শেষের 2 বছর এবং জোট সরকারের প্রথম 3 বছর) হয়েছে তার বিশাল চর্চা তো শুরু হয়েছিল মুজিব আমল থেকেই।
মুজিব দেশে ফিরে তাজউদ্দীনকে সরিয়ে প্রধান মন্থী হয়েছিলেন। ক্ষমতা হাতে পেয়েই দেশ প্রেমিক জনতা এবং নিরিহ মুক্তিযোদ্ধাদের উপর দিয়ে লাল ঘোড়া দাবরিয়েছিলেন। রাজাকার আক্ষা দিয়ে আলেমদের হত্যা করছিলেন নির্বচারে, সিরাজ সিকদারকে হত্যাকরে স্বদম্বে বলেছিলেন কোথায় সিরাজ সিকদার? মানু্ষকে ভাতে মেরেছেলেন, ফারাক্কা বাধ চালুর অনুমতি দিয়ে পানিতে মেরেছিলেন। সকলকে কম্বল চোর উপাধি দিয়েছিলেন। ছেলেকে দিয়ে ব্যাংক ডাকাতি করিয়েছিলেন। বাকশাল কায়েম করে সকল মৌলিক অধিকারকে গলাটিপে হত্যা করেছিলেন। চারটি পত্রকা সরকারের নিয়ন্ত্রনে রেখে মত প্রকাসের স্বাধীনতা হরন করেছেলেন। যা বিবেকবান সাধারন মানুষ মেনেনেতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধারাতো নয়ই, তিনিও নিজেকে রক্ষা করার জন্য রক্ষি বাহিনী গঠন করেছিলেন কিন্তু তার পাপের মাত্রা এত বেশিছিল যে তাকে রক্ষা করতে তোফায়েল বাহিনি একটা ফাকা গুলিও ছোড়েনি বরং তারাই বলেছিলেন ফেরাউনের পতন হয়েছে। আসলেইকি মুজিব ফেরাউনের প্রেতত্মা ছিলেন হ্য়তবা হয়তনা।মানুষ বা কোন বাহিনী মামনুষকে রক্ষা করতে পারেনা। আল্লাহই প্রকৃত রক্ষাকর্তা, তার উপরে ভরসা করুন মুসলমান হয়ে ইসলামী জীবন বিধান মেনে চলুন, কোন ভয় থাকবেনা, একবারই মৃত্যু হবে। কোন জালিমকেই কেউ বাচাতে এহগিয়ে আসেনা। আর আল্লাহর গজব নাজিল হলে কোন বাহিনিই কোন কজে লাগেনা।
আওয়ামীলীগের চুরি-ডাকাতি-লুট-পাটে ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে মুজিব বলেছিলেন, মানুষ পায় সোনার খনি, আমি পাইছি চোরের খনি....!!!
মুজিব বলেছিলেন সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য কম্বল এসেছে সাড়ে সাত কোটি অথচ আমার পরিবারের কেউ কম্বল পায় নাই, আমার কম্বলটা গেল কই...!!??মুজিব বলেছিলেন, সব চোর, আমার ডাইনে চোর, আমার বায়ে চোর....!!!ভাসানী বলেছিলেন, অরে মজিবর, তর ডাইনে চোর, বায়ে চোর, পিছে চোর, আয়নার সামনে খাড়াইয়া সামনে যেডারে দেহস ঐডাও চোর...| পাঠক আপনারাই বলুন কে তিনি?আয়নার সামনে খাড়াইয়া ছিলেন...?
আপনি বলুন,সেই শেখ মুজিবুর রহমান কি করে বাংলাদেশীদের জাতির পিতা হয় ?আওয়ামীলিগের মত সন্ত্রাসি দলের জাতির পিতা হয় ত হতে পারে।
খুনী মুজিবের জায়গা বাংলাদেশে কিভাবে হয়? তার নামে কোন প্রতিস্ঠানের নাম হওয়া'ত দূরের কথা। মুজিবের রক্ষীবাহিনী তার (মুজিবের) নির্দেশে মাত্র সাড়ে তিন বছরে পয়ত্রিশ হাজার বিরোধী দলীয় কর্মীকে বিনা বিচারে হত্যা (খুন) করেছে। মুজিবের আমলে দূর্ভিক্ষে লক্ষ মানুষের প্রাণ অকালে ঝড়ে পরেছিল সে কথা না হয় এই বেলা নাই বল্লাম। জীবন দশায় মুজিব তার কন্যা হাসিনার মতই রক্তপিপাসু জানোয়ার ছিল।
মুজিব নিহত হওয়ার পর BAL-এর নেতারাই স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলে বলেছিল - ফেরাউনের হাত থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে। অথচ শহীদ জিয়ার মৃত্যুর পর সমগ্র জাতী শোকে ভেঙ্গে পড়েছিল। অসম্ভব জনপ্রিয় শহীদ জিয়ার সাথে ফেরাউন মুজিবের তুলনা হয় না। সেই ভয় থেকেই হাসিনা BAL-এর জঙ্গি বাহিনী দিয়ে জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার চেস্টা করছে। কিন্তু জনগনের মন থেকে জিয়ার স্মৃতি কিভাবে ছিনিয়ে নেবে? বল প্রয়োগ হচ্ছে পশুর ধর্ম - আর BAL তাই করছে।

freedomfighter's picture

visit this site for discover

visit this site for discover real history about Bangladesh
http://www.firozmahboobkamal.com/ebook.html

farmer's picture

People dreampt of better life in free BD

During Pak time, people dreamt of better life in a free BD. When BD became independent, 3 lakhs FFs dreamt of serving this country, provide services to their nation. That deram never came true.
Mst of the educated people did not take arms in hands. You have heard of so called intellectuals killed by albadars/rajakers; they were taken from home or work. Why an inlligent person was working with Pak while 3 lakh took arms & when an active war is going on? They were not intelligent enough to hide from the killers.
Those intelligents took good jobs after the war. As most of the FFs did not have education/higher educatin, they never got good jobs.
FFs did not fight for jobs, but in a newly independent country, these people needed income to survive and they were willing to provide service. Here questions of jobs arise.
Country became independent, but jobs were not created; so, non-FFs took jobs showing false papers; who we will blame, everybody was struggling for survival.

Nirvik2008's picture

People dreampt of better life in free BD >> Farmer

In order to be a fredom fighter someone is not required to take up arms. Many people contributed to our fredom fight in different ways based on their own capabilities. I wish you are smart enough to know guirella warfare never succeeded anywhere without peoples support. Many people risked their life giving shelter to Mukti Bahini while performing their operation. Many people gave Mukti Bahini sheter, food, water knowing that Pakistani army would kill many of them after the Mukti Bahini operation during night time. After Mukti Bahini completed the operation(damaging railway bridge etc) they left the area and the next day Pakistani army destroyed the surrounding area of the destroyed bridge, killed may peoples. So, don't try to teach wrong lesson that the fredom fighter are only the people who fought direct war. M. R. Akhtar Mukul of "Shadhin Bangla Betar Kendro" was the biggest fredom fighter although he did not take up arms during our liberation war. He was great inspiration to our liberation war. After the war ended he got a good job in Radio bangladesh. It is your party BAL who deprived thousands of Mukti Joddha. BAL leaders sold so many fake Mukti Joddha certificate that many rajakars bought those certificates and became Mukti Joddha. Blame your party first for the misery of Mukti Jooddha.

justborn Muktijodhdha's picture

Bhumihin Zamidar Bhai ki Khabor ??

Brother Bhumihin Zamindar

Arey Bhai ki Khobor ?
Aponarder shishu mukti jodhdha bishoey ki sottaya basan suntey chai ????
Amra oppekhai thaklam !!!!

vumihinzamidar's picture

আমার বন্ধু নিউ বর্ণ বেবি মুক্তি যোদ্ধা

চিন্তা করে পাচ্ছিনা যে ই-মেলায় এত বাঘা বাঘা ( হাই প্রোফাইল ) সদস্যদের
বাদ দিয়ে আপনী আমাকে কেন এই কঠিন প্রস্নের উত্তর দিতে বললেন !!
আমি আওয়ামী লীগার বলে ? ডু আই নো ইউ ? আপনাকে খুব পরিচিত মনে হচ্ছে ।
আপনী যে প্রস্ন করেছেন , প্রকৃত ঘটনা আমার জানা নেই । আর যা জানিনা
তা' নিয়ে ক্যামন করে মন্তব্য করি ? ধরে নিলাম আপনী যা বলছেন সত্যি
বলছেন এবং যদি সত্যি সত্যি এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে
অনতিবিলম্বে সেই সব সুযোগ সন্ধানীদের বিচারের আওতায় আনা হউক ।
ফার্মার ভাই বলেছেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা ভালো কাজ পায়নি , আসলেও পায়নি ।
আমার জানামতে কিছু পাওয়ার আশায় কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়নি ।
চাওয়া পাওয়ার হিসাব নিকাশ তখনই থাকে যখন যুদ্ধ থেকে জীবিত
ফেরত আসার গ্যারান্টি থাকে । আমার জানামতে প্রবাসী এক মুক্তিযোদ্ধার
ছেলে আমেরিকার কোন এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর করার পর ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করতে যায় কিন্তু নির্বাচনী পরিক্ষার পর সম্ভবতঃ
ভাইবাতে আটকে যায় । সেই ছেলে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে হিসাবে কোটার সুবিধা
নিতে পারতো কিন্তূ মুক্তিযোদ্ধা বাপ রাযী হননি বলে সেই ছেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়ার স্বপ্ন পূরন হয়নি ।একজন মুক্তিযোদ্ধার স্বপ্ন ছিলো লাল সবুজ পতাকা ।
এই পতাকা পাওয়ার পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার আর কিছুই পাওয়ার নাই । আমি
এমন কোন মুক্তিযোদ্ধাকে চিনিনা যে পতাকা এবং দেশ এর বাইরে কোন কিছু আশা
করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে । আমার খুব কস্ট হয় দেখি কেউ মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটকে সাফল্যের তাবিজ হিসাবে ব্যাবহার করে । আমি ভীষন ভাবে ক্ষেপে যাই যখন দেখি
এই সুযোগটাকে উদাহরন হিসাবে কাজে লাগিয়ে যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের
চেতনাকে উপহাস করে । তাদের কি বলবো ?
একজন মুক্তিযোদ্ধা স্বীয় স্বার্থে তার শপথ ভুলে গেলেই সব মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অবজ্ঞা
করা কিম্বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিয়ে উপহাস করা , এটা মেনে নেয়া যায়না । আমাদের
ভুলে গেলে চলবেনা এই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যই আজ আমরা একটা স্বাধীন দেশের মুক্ত
পরিবেশে মুক্ত হাওয়ায় শ্বাস নিচ্ছি , আলাদা আইডেনটিটি আছে বলেই আজ আমরা আমরা
কথা বলার সুযোগ পেয়েছি ।
ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেটকে সাফল্যের তাবিজ হিসাবে ব্যাবহার করে ।
ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রাজনীতি করে ।
তার চেয়ে বেশী ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে উপহাস করে ।

justborn Muktijodhdha's picture

Bhumihin Zamidar Bhai ke ??

Subhechcha niben Zamidar Bhai

Char bochorer Muktijodhdha bishoy Bangladesher prio sob koiti potrika tey beriechey nam thikana soho ? Aponi obboso Raw khonto/p.alu/d.stor ittadi potrika poren tai dekhen ni. Oi shob chetonal dharira abar chetonar bhul ba onnai key gorojey anena.Jai hok asol kothai asa jak.

Amar jana nei je keo certificater jonno juddha korey. Tobey BAL ekmatro sikhieychey jey certificate dhariara hochchey prokito Bangladeshi ar onnano ra razakar. Aponar gatobber jonno janachi jey BAL sob somoy boley thakey jey ekmatro BAL er onusarira chara ar sob nomosudra 0 razakar( taholey beai Mosaraf the Janwar Razakar ki BAL er panitey dhoa poribortito Mukti ???).

Aponar boktobbo khub bhalo kintu BAL to certificate business niey besto. Key Mukti Jodhdha ar ke na tai bachai korey prochondo bhabey dolio koron korey desher somosto sorkari/shikhkkha protishshan bhengey churmar korey dieychey. Ar aponader sonar cheleder bongo bondur adorshey ounpranito hoey jaa nomuna dekhachchey tatey Shahid Mukti Jodhdhara koborey gorjey uthchey nishchoy n
tader attahutir jonno dukhkho pachchey.

Mukti Judhdha niey bebosha kora to BAL er ar kono gottontor nei er sathey jog hochchey gopon chukti khomotai jaoar jonno. Etai proman koren zamidar bhai jey mukti judhdher beboishaider ey chara ar kono upai nai ?

Aponar ghreena ekhon korai uchit goontrer,din bodoler o digital er namey
jaa korchey ebong jara korchey ar Bangladesh key "Koed Khana banalo" Jara.
Aponi janen ki jey goto dosh mashey pach lokhkho lokj greptar kora hoeychey ebong eder modhdhey der lakh kono porwana chara/kono rokom sunidrishto case cahra.

Ekjon Mukti joddha pita kintu thik kaj to korechey toholey amader Rajnoitik pita ra ki korchey sara desh moy.

Sobsheshy boltey chai jey Jara Judhdha korey chilo(14,Baithok Khana Road, Kolkatar Bashindara chara karon tara besto chilo WWW) tara potakar sathey artho samajik unnoyan o cheyechilo. Karon sudhu potakai pet bhorey na. Bashtobey dekha gelo Mukti jodhdhara hoey gelo opangteo ar dolio cadre ra ar onusharira holo Chetonar Champion ? Er karoney Bangladesh tar obbhishtho lokhkho matrai jetey parey ni.

Amar onurod aponar bishawas er sathey sathey sottya key jodi sththan den ebong jobab dihitar rajni aponara prothishtha kortey paren ta holey aponar,amar o amader poroborti projonmo kritoggotar sathey shoron korbey sottikar Mukti Jodhdhder.

Aponi bolechen jey amakey chinen bohoy. BHai aponio Bangladeshi ar amio bangladeshi tai porichito hotey dosh ki.

Aponar sushashtho o mongol kamona

Klanta Pothik's picture

Muktijodda / Muktijoddo nia BESSAGIRI .............

Muktijodda nia BESSAGIRI R kotokal Korbi?

Shame on those who are supporting this activities.

Era Ki Muktijodda Cilo?????? Pidar khaoar age A ora kibabey Mujib Nagar Sarkar A kormoroto cilo?

(চাকরি দেয়া হয়েছে তারা হলেন— গোপালগঞ্জের নাজমা সুলতানা বাবলী (১২-০৪-৬৫), নীলফামারীর মিজানুর রহমান (২৫-১১-৬৫), বগুড়ার শফি হাসান (৩১-১২-৬৫), লালমনিরহাটের আবু তাহের মোঃ মোস্তফা (১৯-০৮-৬৫), বরিশালের ওমর ফারুক (১৫-০৬-৬৫), রফিকুল ইসলাম (০২-১২-৬৫), ইউসুফ আলী মিয়া (২৮-০১-৬৫) এবং ঝালকাঠির অসীম কল্লোল (১৩-০৮-৬৫)। ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে যারা চাকরি পেলেন তারা হলেন— টাঙ্গাইলের খন্দকার নুরুল আমিন (১৮-০৮-৬৪), আজহার আলী খান (১১-০৩-৬৪), নুরুল আমিন তালুকদার (১২-২২-৬৪), মনিরুজ্জামান (০১-০১-৬৪), জাহিদুল ইসলাম (০১-০৫-৬৪), কুমিল্লার নুর উদ্দিন মিয়া (০১-০৭-৬৪), রংপুরের আবদুর রশিদ মণ্ডল (১৬-০৭-৬৪), বগুড়ার শহিদুল ইসলাম (০১-১০-৬৪), কুড়িগ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২১-১১-৬৪), শিরীন চৌধুরী (০২-০৪-৬৪), আশরাফ আলী (০৪-০৩-৬৪), আবু বকর সিদ্দিক (০৩-০১-৬৪), নূর মোহাম্মদ শাহ (২৭-০২-৬৪), বরিশালের রফিকুল ইসলাম (১৫-০৬-৬৪) এবং ভোলার একেএম ফয়েজ উল্লাহ (১২-১২-৬৪)।

১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেন—গোপালগঞ্জের নুরুল হক মিয়া (১৩-০৯-৬৩), ফেনীর অসীম কুমার বণিক (০৫-০৩-৬৩), রংপুরের আবদুর রশিদ (৩০-০৬-৬৩), কুড়িগ্রামের আমজাদ হোসেন (২২-০১-৬৩), সুধীর কুমার সরকার (১৪-১০-৬৩), দেলোয়ার হোসেন খন্দকার (০৪-০৭-৬৩), বরিশালের ফারুক হোসেন (০৩-০২-৬৩), মু. শাহাদাত্ হোসেন (১১-০১-৬৩), মোসা. রেহেনা বেগম (১৫-১১-৬৩) এবং পিরোজপুরের বিজয় কৃষ্ণ বসু (২৯-০৯-৬৩)।

১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন ঢাকার পরিতোষ কুমার দাস (০২-০১-৬২), টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান (০১-০১-৬২), কুমিল্লার শাহ আলম (০১-০১-৬২), নোয়াখালীর চাটখিলের মোসারফ হোসেন চৌধুরী (১৪-১০-৬২), কুড়িগ্রামের এছাহাক আলী মণ্ডল (১৪-০৪-৬২), মোঃ রজব আলী (১১-১১-৬২), প্রফুল্ল কুমার বর্মণ (১৪-০৯-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডল (২০-০৯-৬২), আশরাফুল ইসলাম (১৬-০৩-৬২), শামসুল আলম (২৮-০৩-৬২), ইসমাইল হোসেন (২৩-০৮-৬২), খুলনার রফিকুল আলম (০৭-০১-৬২), শাহজান আলী (২৫-০২-৬২), নড়াইলের নমির্তা রানি বিশ্বাস (২৩-১০-৬২), বরিশালের আবদুল হান্নান (০৩-০১-৬২) ও ঝালকাঠির কানিজ ফাতেমা (২৬-০৯-৬২)। )

TIGER71's picture

ভূমিহীন জ়মিদার ভাই'কে---

আপনি লিখেছেন, " এই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যই আজ আমরা একটা স্বাধীন দেশের মুক্ত
পরিবেশে মুক্ত হাওয়ায় শ্বাস নিচ্ছি , আলাদা আইডেনটিটি আছে বলেই আজ আমরা আমরা
কথা বলার সুযোগ পেয়েছি ।
ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেটকে সাফল্যের তাবিজ হিসাবে ব্যাবহার করে ।
ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রাজনীতি করে ।
তার চেয়ে বেশী ঘৃনা তাদের প্রতি যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে উপহাস করে "

আজ আপনাকে আমার অন্তস্থল থেকে সালাম দিচ্ছি। কোন প্রাপ্তির আশা নয়, কোন ক্ষোভের অবসান নয়, কোন দাবি থেকে নয়, বরং আমার বেদনাহত মন থেকে, ক্ষীন থেকে ক্ষীনতর হয়ে আসা স্বপ্নের আবাসন থেকেই আপনাকে জানাচ্ছি সালাম।

আপনি ঠিকই বলেছেন। শুধুমাত্র একটা লাল-সবুজ পতাকাই ছিল সেদিনের ধ্যান-জ্ঞন। আজ সে কথা বুঝানোর ভাষা কোথায় খুজে পাই? কে বুঝবে সেই বেদনা, অমিত সাহস, আর জীবন বাজি রাখার স্বপ্ন। মিথ্যা আর ভণ্ডামি যেখানে স্থায়িত্ব খুজে পায়, অপপ্রচার আর স্বার্থ যেখানে অগ্রাধিকার পায়, সেখানে সত্যের সন্ধান করবে কে? কে খুজবে সেই দিনের সেই সাহসী সন্তানদের ত্যাগের-আত্মস্বর্গের উপখ্যান?

আর তাই, আপনার কলমে তার প্রতিধ্বনিতে আমি হঠাত শিহরিত হয়ে উঠি। বিস্ময় বোধ করি। আমার ক্ষীন থেকে ক্ষীনতর হয়ে আসা স্বপ্নের জ্বাল আবার বুনা শুরু হয়। মনে হয়, এই বেদনা আপ্লুত আনন্দ কি কখনো শেষ হতে পারে?

আপনাকে আবারো সালাম। আমার এবং আমার মতো অনেক বেদনা আপ্লুত লাল সবুজের মানুষের পক্ষ থেকে।।

farmer's picture

justborn: shishu mukti jodhha problem

justborn, what is not clear here? Thousands of liars got jobs in FF quota. Most of the FF were low educated or illiterate, they never got jobs, many did not know about quota, many did not qualify for jobs under the quota. Those jobs were taken by cheaters using false certificates. Hope, now it is clear. The educated barely took arms in hands.
Those bastards now getting jobs, using false papers of Mujib Nagar, they are not FFs; may be they are needy.
Z-Force had only 800 people, mostly BR, EPR, students, farmers, workers etc.; BR, EPR went back to cantonment and BDR. Students were 16 alive, but 100s got jobs in the name of Z-Force.
Nothing new, just use your brain, you live in an over populated country, where people do anything to get a job!

farmer's picture

Real FFs never got a good job

I did not work for the gov. Once I tried in 1981, I found burocrats & BNP hate FFs. Zia was still alive, my captain Mahfuz was PA to Zia; my another Captain Hamid was ousted from the army, my another captain Oli Ahmed was minister; I did not want to contact them.
In my student platoon of 38 of Z-Force, I had only 18 college & school students, no university student, the rest were farmers' sons, workers, bank employee, small businessmen, few EPRs.
Two students became Shoheeds. Two became small businessman(because did not get a good job), 3/4 became bank clerks, the rests got ordinary private & corporation jobs, one never got a job(he was Hindu, son of a Brahmin, I do not know what he did later).

Who got good jobs in FF quota? The liars only, the sons of gov employees got good jobs in FF quotas, who never knew what is FF.

AL gave everything to BLF(barely fought), BNP gave to anti-liberation force. FFs became victims.