আজকাল খুব ঘরকুনো হয়ে গেছি । শুধু কাজে যাওয়া ছাড়া মূলত আজকাল আমি কোথাও যাই না । কাজ থেকে বাসা, বাসায় বসে কেবল মুভি,ব্লগিং নাহলে বই। এই আমার এখনকার নিত্য সংগী । সামাজিকতার মত ফালতু কোন ধারণাকে ইদানীং থোরাই কেয়ার করবার প্রবণতা আমার ভেতর বেশ প্রবল ভাবে দেখা যাচ্ছে । তারপরও ভয়াবহ অনিচ্ছা সত্বেও এইরকম দু একটা দাওয়াতে বা অনুষ্ঠানে যেতেই হয় প্রচন্ড রকম বাধ্য হয়ে । এই ধরনের সামাজিক মোলাকাত এড়িয়ে চলবার একটা প্রধান কারন হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা,খালেদা হাসিনাকে নিয়ে দড়ি পেঁচানো,আর কার মামা, কিংবা কার খালু, অথবা কার বাপ কত বড় হ্যাডম এই ব্যাপারটি ভাববাচ্যে জানিয়ে দেবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ।
কোনো এক বন্ধুর বাসায় এই রকম একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে এত মানুষের ভীড়ে বেশ খেই হারিয়ে ফেললাম । বাসার গার্ডেনে দুস্তর আয়োজন । সবাই ভীড় করেছেন সেখানেই । একপাশে টেবিলের প্রচুর খাবার । আর অন্য পাশে বারবি কিউ এবং সাথে প্রবল আলোচনা হচ্ছে । একদল বলছেন “ইফতার পার্টিতে শেখ হাসিনাই তো আগে খালেদাকে হ্যালো বলেছেন । ভদ্রতা কাকে বলে শেখের বেটি জানে ।” আরেক দল বলছে, “আপনার লগে ২০০ পাউন্ড চ্যালেঞ্জ মিয়া । খালেদাই আগে সালাম দিসে হাসিনারে । খালেদার কাছে হাসিনারে ভদ্রতা শিখতে হইব ।” একজন আবার আমাকে সাক্ষী রাখলেন, কি নিঝুম ভাই, আমার কথা ঠিক না ? ওই দিকে বৌ-ভাবীদের কথা শোনা যাচ্ছে ।
"আল্লাহ জানেন !! গ্রীণ স্ট্রীটে কি ভালো ভালো শাড়ি এসেছে… “দামিনীতে” গিয়েছেন? ওম্মা …আল্লাহ … শাড়ী দেখলে আপনি মাথা ঘুরে পড়ে যাবেন ভাবী…আল্লাহ”।
এইসব কল কাকলির তাবত ভাষ্য আমার বাম ও ডান কান জুড়ে কেন জানি প্রচন্ড বেদনা জাগায় । সুতরাং খাঁটি বাংলায় যাকে বলে “চামে চিকনে” আমি কোনমতে খাবারটা নিয়ে এসে একটি ঘরে এসে বসলাম । আমার মতই নিতান্ত গো-বেচারা ধরনের ভদ্রলোককে দেখলাম সে ঘরে আগেই উপস্থিত । ভদ্রলোকের হাতে খাবার নেই । ফলে নিজেরই কেমন জানি কুন্ঠাবোধ হতে লাগলো একা খেতে । ভদ্রলোক বুঝতে পারলেন মনে হয়, নিজে থেকেই বললেন, “ভাই, আমি আগেই খেয়ে নিয়েছি । আপনি খান”। ভদ্রতাবশত খাওয়া সামনে নিয়ে বসে থাকতে হবে না , এই প্রশান্তিতেই আমি নিশ্চিন্ত মনে খেতে লাগলাম ।
ভদ্রলোকের নাম এই গল্প বলার সুবিধার্থে দিলাম মোদাচ্ছের । তো মোদাচ্ছের সাহেব একমনে টিভি দেখছিলেন আর ফাঁকে ফাঁকে আমার সাথে কথা বলছিলেন । এই যেমন, দেশটার কি হবে,প্রবৃদ্ধি কি বাড়বে ? শ্রমিকরা কি সব মিডল ইস্ট থেকে দেশে চলে আসছে ? সরকার কি এত আসন পেয়ে ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে দিচ্ছেন ? আচ্ছা বি এন পি'র কি মহাসচিব পালটানো উচিত না ? দেলোয়ার সাহেব তো কথাই বলতে পারেন না , ইত্যাদি ইত্যাদি ।
পোলাওটা এম্নিতেই ভালো সিদ্ধ হয়নি মনে হয় । তার উপর মোদাচ্ছের সাহেবের এইসব নানাবিধ চিন্তামূলক কথায় বার বার গলায় আটকে যাচ্ছিল । সাধারণত যা করি এইসব পরিস্থিতিতে, হুঁ হা দিয়ে চালাই । সেরকম করে চালাতে লাগলাম । একটু পরেই দেখলাম কোন এক বাংলা টিভি তে হাসিনা আর খালেদার সেনাকুঞ্জে ইফতার করবার ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখাচ্ছে । আর সাংবাদিক গলা কাঁপিয়ে বলে যাচ্ছেন, “এই সে মূহূর্ত…দেশ শান্তির পথে আরো এক ধাপ দেশ এগুলো…এইসব মুখস্থ কথা বার্তা আর শিখিয়ে দেয়া বুলি । আমাদের মোদাচ্ছের সাহেবকেও বেশ উত্তেজিত মনে হলো । তবে তার উত্তেজনাটি এই ঐতিহাসিক সময়কে কেন্দ্র করে নয় । তিনি প্রচন্ড ভাবাবেগ নিয়ে বলে যাচ্ছিলেন, ওই যে…ওই যে… হাসিনার পাশে যে এস এস এফ গার্ড টা দেখছেন , ঐটা আমার ছোট দুলাভাইয়ের মামাতো ভাইয়ের বন্ধু ।
আমি খুশি হয়েছি তথ্যটা শুনে, এই রকম একটা গলার স্বর বের করে দিয়ে বললাম ,“ও আচ্ছা ।”
তার কিছুক্ষণ পর তিনি আবার বললেন, "আরে তারেকের বউয়ের বাপের বাড়ীর নীচতলায় আমার বন্ধুর মামা থাকতেন । আমার সাথে সেইরকম পরিচয় । আর রেহানার হাজবেন্ড তো আমার খালুর বন্ধুর শালার আত্মীয় ।"
আমি আবারো শুনে আপ্লুত হলাম টাইপ একটা দন্ত বিগলিত হাসি দিলাম । এর পর তিনি যা শুরু করলেন তার নাম হলো “ফিরিস্তি” । অনেকটা বাজারের ফর্দের মতন । তিনি রাজনীতিবিদদের কাকে কাকে চেনেন , কার কাছে গেলে কোন কথাই তার মাটিতে পড়ে না , জনৈক মন্ত্রী সাহেব তার যে কোন কথা যে একবুক ভালোবাসা নিয়ে পকেটে রেখে দেন, সে কথাও বললেন । তার আত্মীয় কে কে কোন রাজনীতিবিদদের বিয়ে করলেন । কার কার সাথে তার ওঠা বসা । সোজা কথা , বি এন পি, জামাত, জাতীয় পার্টি, আওয়ামীলীগ,কমিউনিস্ট পার্টি (মেননের সাথে জল যাত্রা করেছেন । এমন তথ্যও দিলেন )এমন কোন দল নেই যে ভদ্রলোকের তাদের সাথে সামান্যতম সম্পর্ক নেই ।
রান্না ভালো হলেও, পোলাওটা শক্ত থাকবার কারনে খাওয়া এম্নিতেই গিলতে পারছিলাম না । তার উপর মোদাচ্ছের সাহেবের কথার অত্যাচার । একবার ভাবলাম এখান থেকে উঠে গিয়ে গার্ডেনে যাই । হাসিনা আগে হ্যালো বলেছে না খালেদা আগে হ্যালো বলেছে ওই ক্যাচালে গিয়ে সামিল হই । ওই টপিকটাই বরংচ বেশ ভালো ছিলো । কিন্তু মোদাচ্ছের সাহেব আর যেতে দিলেন কই ? একের পর এক আত্নীয়তার সূত্র বের করেই চলেছেন ।
এক পর্যায়ে ভদ্রলোককে থামাতেই হলো । বেশ রুষ্ট স্বরে বললাম, “বলদের মত কথা বলছেন ক্যানো ?”
মোদাচ্ছের সাহেব ঠিক ততক্ষনাত বুঝে উঠতে পারেন নি আমার কথা । আমাকে বললেন, “ভাই কি আমাকে বললেন?”
আমি আর ভদ্রতার কোনো রাখ-ঢাক না করেই বলে উঠলাম, “জ্বি আপ্নাকেই বলেছি । এ ঘরে বলদ আমি আর আপনি ছাড়া কেউ কি আছে ?”
ভদ্রলোক কেমন যেন আড়ষ্ট হয়ে উত্তর দেয়, “ মানে?”
আমি বলা শুরু করলাম, “আওয়ামীলীগের শেখ সেলিম কে চেনেন ?”
মোদাচ্ছের সাহেব এক ধরণের সাহস পেয়ে বলে উঠল, “হ্যাঁ হ্যাঁ উনি তো আমার চাচাত…”
আমি গর্জে উঠে তাকে থামিয়ে দেই । “আবারো শুরু করলেন ? শুধু বলেন চেনেন কি না”
মোদাচ্ছের সাহেব আর সাহস পান না । ম্রিয়মাণ কন্ঠে বলেন, “ জ্বি চিনি । সাবেক যুবলীগের সভাপতি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন”
এইবার আমি বলা শুরু করি, “ শোনেন ভাই, আমি আর আপনি দুইজনই হচ্ছি একধরনের সস্তা কন্ডম । রাজনীতিবিদরা আমাদের কন্ডমের মত তাদের তাদের নুনুর সাথে লাগিয়ে নেয়। এরপর তারা সারারাত-সারাদিন দেশকে ধর্ষন করে আমাদেরকে ব্যাবহার করে । আর পরদিন ফেলে দেন ডাস্টবিনে । আপনি আজকে এই যে এত বড় বড় সম্পর্কের কথা বলছেন । কাজে গিয়ে দেখবেন কিছুই না । এই যে আমি শেখ সেলিমের কথা বললাম, তিনি আওয়ামীলীগের একজন প্রাচীন সদস্য ও কর্মী । তিনি শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই মানে শেখ মুজিবের বোনের ছেলে । তার মেয়ের বিয়ে হয়েছে ফরিদপুরের বিখ্যাত রাজাকার, আত্নস্বীকৃত প্রিন্স, মুসা বিন শমশের এর ছেলের সাথে । এই বিয়েতে আবার উকিল বাপ ছিলেন আমাদের এরশাদ চাচা । এই রাজাকার নুলা মুসা নামেও খ্যাত । কয়দিন আগেও ছোট ছেলে যুবি’র ব্যারিষ্টারি পাশ উপলক্ষ্যে লন্ডনে এসেছিলো ডায়মন্ডের জুতা পরে । আর শেখ সেলিমের ছেলে শেখ নাঈমের বিয়ে হয়েছে তার শত্রুপক্ষ,বি এন পি’র প্রাক্তন বিদ্যুত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মেয়ে সারাহ হাসান মাহমুদের সাথে । শেখ মুজিবের ছোট ভাইয়ের ছেলে শেখ হেলালের মেয়ে আনমনার সাথে বিয়ে হয়েছে জাতীয় পার্টির নেতা মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জুর এর বড়, পূ্ত্র, বর্তমানে বিজেপি’র চেয়ারম্যান ভোলার সাংসদ আন্দালিব রহমান পার্থ’র সাথে । শুধু তাই নয়, নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাহেবের স্ত্রী মানে পার্থ’র মা হচ্ছেন শেখ সেলিমের বোন । মানে শেখ মুজিবের ভাগ্নি আর শেখ হাসিনার ফুফাতো বোন । তাইলে বোঝেন সম্পর্ক কোন দিক দিয়ে গড়াচ্ছে । আবার শেখ মনি, মানে শেখ সেলিমের আরেক ভাই এবং শেখ হাসিনার আরেক ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে হলো শেখ তাপস এবং শেখ পরশ । তাপস সাহেব এখন ধানমন্ডির এলাকার সাংসদ প্লাস মেয়র পদের জন্য মনোনীত হতে পারেন বলে শুনেছি ।
আবার শেখ হাসিনার আরেক ফুফাতো ভাই হচ্ছেন, প্রাক্তন চীপ হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ । যার তিন ছেলেই মাশাল্লাহ কেস মাথায় নিয়ে ঘুরতেসেন । এই হাসানাত সাহেবের বাবা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ততকালীন শেখ মুজিবের নির্দেশে পানি সম্পদ মন্ত্রী হন ।এই হাসনাত সাহেবের এক পূত্র আশিক আব্দুল্লাহ বিয়ে করেছেন ঢাকার টপ টেরর ইমনের বোনকে ।কলা বাগানে একটি বাড়ি দখল করতে গিয়ে এই আশিক সাহেব আওয়ামীলীগ আমলেই ধরা খান । শেখ হাসিনার খালাতো ভাই শেখ শহীদ যে কিনা পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয় , সে বিয়ে করে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ফক্রুদ্দিনের কাজিন কে ।আবার আমাদের শেখ রেহানা আপার বিয়ে হয় সিদ্দিক মাস্টারের (যার কিনা পুরা বনানী এলাকাটাই ছিলো, পাকিস্তান সরকার দখলের আগে) বড় ছেলে শফিক সিদ্দিকীর সাথে । এই শফিক সিদ্দিক সাহেবের ভাই তারেক সিদ্দিকী মানে রেহানার দেবর আওয়ামী আমলে হয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ।সিদ্দিক মাস্টারের শালী আইভি রহমানের সাথে বিয়ে হয় আমাদের বর্তমান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের । এই জিল্লুর রহমানের বড় ছেলে নাজমুল হাসান পাপন এখন ভৈরবের সাংসদ, যিনি আবার বিয়ে করেছেন সিন্ডিকেটপাপী ও চোরাচালানী এম এ হাশেমের মেয়েকে ।
আমি একটু দম নিয়ে আবার শুরু করি । আর্মির সাবেক প্রধান জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের কথা মনে আছে আপনার ?”
মোদাচ্ছের সাহেব খানিকটা ঘোর লাগা মানুষের মত সায় দেয় । নীচু স্বরে বলে উঠেন, “জ্বি”
সেই মুস্তাফিজ সাহেব বিয়ে করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের কাজিনকে । মানে তিনি হচ্ছেন হাসিনার আংকেল । এই মুস্তাফিজুর রহমানকে এল পি আর থেকে নিয়ে আওয়ামীলীগ আমলে সেনা প্রধান করা হয় ।তার নামে কিন্তু মিগ ২৯ এর দূর্নীতির মামলা ছিলো । মনে রাখবেন । আবার আমাদের তারেক রহমান (মানে জিয়াউর রহমান আর খালেদা জিয়ার পূত্র) বিয়ে হয়েছে ডঃ যোবায়দা রহমানকে । উনার বাবা নেভাল চীপ ছিলেন । এম এ খান । এম এ খান আবার বংগবন্ধু শেখ মুজিবের আত্মীয় ।
আবার এইদিকে আমাদের কমিউনিস্ট পার্টির বড় নেতা মেনন সাহেব এখন মহাজোটের সাংসদ । মনে রাখবেন তার বোন সেলিমা রহমান কিন্তু বি এন পি’র মন্ত্রী ছিলেন । আবার মেননের আরেক কাজিন কিন্তু রাজাকার সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসের স্ত্রী । বি এন পি’র সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমানের ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছে বি এন পি’র আরেক ত্রাণ মন্ত্রী কামাল ইবনে ইউসুফের মেয়ের সাথে । আরো আছে…”
এই পর্যায়ে মোদাচ্ছের সাহেব আমাকে থামিয়ে দেন । বলেন, “ভাই মাথা ঘুরছে। এ তো দেখি সব ফ্যামিলির মধ্যেই ব্যাবসা,ক্ষমতা আর বিয়ে”
আমার খানিকটা মায়া হয় মোদাচ্ছের সাহেবের জন্য । বেচারা কি আগ্রহ নিয়েই না আমাকে রাজনীতিবিদদের সাথে তার সম্পর্কের কথা বলে যাচ্ছিল ।আমি তাকাই মোদাচ্ছের সাহেবের দিকে । বলি, ভাই শোনেন । “রাজনীতিবিদরা নিজেদের মধ্যে সংসার পাতবে । নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক করবে, এ নিইয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই । আমার অভিযোগ হচ্ছে, এই যে দিনের বেলাতে লোক দেখানো মারামারি, কাটাকাটি,এই যে নিরীহ লোক গুলো মারা যাচ্ছে আওয়ামীলীগ, বি এন পি করে করে । আসলে পুরাটাই একটা সাজানো নাটক । এই নাটকের বাইরে সবাই হাতে হাত রেখে কেউ কারো শশুর, কেউ কারো দুলাভাই, কেউ কারো বউ । রাজাকারদের বিরুদ্ধে কথা বলে রাজাকারের ছেলের সাথে বিয়ে দেয়া , সারাদিন বি এন পি কে গালি দিয়ে বা আওয়ামীলীগকে গালি দিয়ে তাদের সাথেই আত্মীয়তা করা এসব কিছুই একধরনের হিপোক্রেসী । বি এন পি, আওয়ামীলীগ যে রেষারেষি এইটা শুধুমাত্র দলকে টেকানোর, সমর্থকদের সাইজে রাখার একটা পায়তারা । এই যে আজকে ইফতারিতে দুইজনের দেখা হলো, এই যে সাংবাদিকরা ছবি তোলার জন্য এত উত্তেজিত । সব কিছুই সাজানো নাটক । দিনের আলোতে আমরা কখনই এদের এক হতে দেখি না । অথচ দেখেন তালতো ভাই, মামতো ভাই, ফুফাতো ভাই সবাইকে কিন্তু বিয়ে দিচ্ছে সব শত্রুর ঘর বাড়িতেই । খালি মাঝখান দিয়ে আমাদের জান টা যায় । আমরা ভাই কন্ডম পাবলিক । বিশ্বাস করেন । সুতরাং আপনি যে বলছেন একে চিনেন, তাকে চিনেন এসব মূলত কিছুই কাজে আসবে না । এই যে গার্ডেনে গিয়ে দেখেন, কে কাকে আগে হ্যালো বলেছে এইটা নিয়ে যে বাজি-তর্ক এসব খালি আমাদের ক্ষতি । আমাদের সময়ের অপচয় । এই যে ২০০ টাকা বাজি রেখেছে কে কাকে হ্যালো বলেছে এইটার জন্য । এই টাকাটা কত কষতের উপার্জনের টাকা । আফসোস, আমরা তা বুঝি না । আমরা প্রতিদিন ভোর হবার স্বপ্ন দেখি । অথচ আমরাই ঘোর কালো ও পচে যাওয়া এই রাজনীতিবিদদের পুজা করে এই ভোর হওয়াকে বিলম্বিত করি”
মোদাচ্ছের সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে যন্ত্রের মত মাথা নাড়েন । কি যেন বলার চেষ্টা করেন আমাকে । আমি শুনতে পাইনা । তবে তার বুকের কষ্টটা চোখে মুখে প্রবল আকারে ফুটে ওঠে । তার চোখের কোনে কান্নার আভাষ টুকু আমার চোখ এড়ায় না ।

আজব যুক্তি আপনাদের অনেকের!
আপনাদের অনেকের আজব যুক্তি! মিছা মিছা প্যাচাল পারতেছেন। বাপ ছেলে আলাদা রাজনীতি করে। ভাইয়ে ভাইয়ে আলাদা রজনীতির প্লাটফর্মে থাকে। এরকম উদাহরন শত শত। হয়তোবা জাতীয় লেভেলে কম দেখা যায়। সেখানে আপনারা আত্নীয় আর বন্ধুত্ব টানাটানি করে রশি ছিড়ছেন। কেউ বলেছে বিএনপি নেতার ফুফাতো ভাইয়ের বন্ধু আওয়ামীলীগ করে। অমুক বিএনপি নেতার শশুরের বন্ধু আওয়ামীলীগ নেতা। বিএনপি নেতার ব্যবসায়ীক পাটর্নার আওয়ামীলীগ। ইত্যাদি, ইত্যাদি। এতে সমস্যাটা কোথায়? বন্ধুত্ব করতে যদি রাজনৈতিক পরিচয় দেখতে হয়, সেটা হবে একটা ধরনের গোড়ামী। দু:খিত, আপনাদের সাথে এমকত হতে পারলাম না। আমার তো মনে এই ধরনের সম্পর্ক থাকাটাই ভাল। এত ছোট একটা দেশ, তিন চার প্রজন্ম পর্যন্ত পারিবারিক রুট দেখলে পাবেন যে আপনার এলাকার প্রায় সবাই আপনার আত্নীয়। শোনা গিয়েছিল ওবামা এবং চেনি দু:সম্পর্কের কাজীন। সাথে ব্রাড পীট ও। কি বলবেন এখন? জামাত নেতার ছেলেমেয়েরা আওয়ামীলীগ নেতার ছেলেমেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করা জায়েজ নাই! রাখেন আপনাদের হিসাব। আসলে আপনারা চাইছেন, এভাবে জাতির মধ্যে বিভক্তিরেখা দিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে। নিঝুম মজুমদার সাহেব বলেছেন, অমনি হুজুগে নৌকায় পাল দিচ্ছেন। এধরনের সমালোচনা করায় নিজুম মজুমদার বা অন্যকেউ আমাকে তার কালো তালিকায় ফেলেন, আমার কোন আফসোস নেই। নিজের কাছে যেটা ভাল মনে হয়েছে, সেটা বললাম।
যদি আপনাদের কথা মেনে নেই, তাহলে তো এই ফোরমেও চলছে সেরকম কিছু। নিজের কথা না বলে উদাহরন হিসাবে অন্যদের কথা বলছি। যেমন ধরুন: ভোটার এবং রায়হানখান, হৃদয় এবং বিট্রেড, বুবি এবং ভুমিহীন ওনাদের মধ্যে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক আছে বলে মনে হয়। তাহলে ওনাদের কি উচিত হবে কোন রকম বন্ধুসুলভ সম্পর্ক বজায় না রাখা?
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
pago একমত
পাগো সম্পূর্ন একমত আপনার সাথে।কে কার ভালো বাসায় আছন্ন হয়,বন্ধুত্ব হয় । এগুলির সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক চলেনা।রাজনীতির বাইরেও সবার একটা ব্যক্তিগত জীবন থাকে।যা সবার নিজস্ব।
পেগো সাহেব
একটা ছোট্ট উদারণ দেই তোফায়েল আর হাসানুল হক ইনু এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করতেন আবার রাতের বেলায় আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে নিয়ে লংড্রাইভে যেতেন।
আরেকটি উদাহরন আচমত আলী খান(বর্তমান মন্ত্রী শাজাহান খানের বাবা)বংঙ্গোবন্ধুর বাল্যবন্ধু।আচমত আলীখান জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও এমপি আর শাজাহান খান জাসদের প্রধান নেতা।তুমুল প্রতিদ্বন্ধিতা তাদের।আবার রাতের বেলায় বাপ-বেটা এক টেবিলেই খেতেন।
Thank you bangladesh21
Thanks for your comments. You are right. There are lot of other things to look while building relationship or friendship other than political ideology.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
Nice article by Nijhoom Majumder, but..............
Nice article by Nijhoom Majumder, but I have a strong feeling that it is written by Terminator aka Watchdog_bd. Same style, same conclusion.
চোখে ছানিপড়া একচোখা ভগবান কে...
চোখে ছানিপড়া একচোখা ভগবান,
তোমার মতো একচোখা ভগবানের জন্য আমি Atheist. তুমি আগে তোমার চোখের ছানি পরিস্কার কইরা আসো নইলে সবাইরে সমান চোখে দেখতে পারবা না...যাও আর lecture মারাইও না!!!
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
To MukheModhu ওরফে মদন কে
মদন!

বাংলাদেশের সব রাজনীতিবিদরে এতো ঘেন্না করো কেন?? বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় কোন ছাত্রদল কিংবা ছাত্রলীগের সেন্চুরী মানিকের মতো কেউ তোমারে জোড় কইরা Bottom বানাইছিল যে, সেই কষ্ট এখনো বাথরুমে গেলে টের পাও???? নাকি তোমার মত হিজলা টাইপের পোলা/মাইয়া রে কোন দলই নিতে চায় নাই?
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
Khan মিয়া, তুমি আমারে এখন ঘেন্না করলা কেনো?
আমি কি তোমারে Bottom বানাইছিলাম? এখন বাথরুমে ঢুকছিলা আর সেই ব্যাথাটা চাউর দিয়া উঠছে?
তাহলে তো দুঃক্ষিত বলা ছাড়া আর কিছু বলার নাই আমার।
মদন....তোর..নোংরা রে bottom বানায় কি ভাবে????
তোর মতো হিজলা মদন গো আমি সারা জীবন ঘেন্না করি....ওয়াক থু.।কি দুর্ঘন্ধ তোর সারা শরীর দিয়া....সিংগাপুরীয়ান রা তোর মতো নোংরা রে bottom বানায় কি ভাবে????
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
khan সাহেব, ভগবানের আশির্বাদ
শুনে খুশি হলাম যে তুই আমাকে বটম বানাবি না, আমার গায়ে গন্ধ তাই আমার থেকে দুরে থাকবি। সিংগাপুরিয়ানরাও আমার থেকে দুরেই থাকে বটম বানাইতে আসে না। এ যে আমার উপর ভগবানের অশেষ কৃপা।
তোর গায়ে নিশ্চয় খুব সুগন্ধ!!! বটম হইতে আর বটম বানাইতে খুব ভালো লাগে বুঝি।এই নিয়াই তোদের জগত।তোর আম্মা-আব্বারা ৩৯বছর ধরিয়া সারা দেশটাকে বটম বানাইছে। খুব মজার ব্যাপার।
যাইহোক মোটা তাজা, গায়ে সুগন্ধওয়ালা কলিকাতার কাকাবাবুর পালিত সন্তানটাকে তোর জন্যে রেখে গেলাম এই আসরে, যা ইচ্ছা করে নে।
জনাব মুখেমধু, খান ও হ্রদয় সাহেব
্দয়া করিয়া ইমেলাকে কমলাপুরের বস্তি বানানো হইতে বিরত থাকুন।এডিটর সাহেবকে বাধ্য করিবেন না আপনাদের আইডিগুলো ব্লক করিতে।
জনাব 'সমুদ্র' এডিটর মহোদয় কি আপনার হুকুমের গোলাম?...........
আপনার সাথে কি এডিটর মহোদয়ের এতই সখ্যতা যে, আপনি কিছু হুকুম করবেন আর উনি তা তামিল করবেন? এডিটর মহোদয়কে জড়াতে চাচ্ছেন কেন? দয়া করে এত বালখিল্যপণা দেখাবেন না। আর ভাল সাজার ভণিতাটাও ছেড়ে দিন.................
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
দেখলি মূখেহাগু..........
দেখলি মূখেহাগু. তোর মত বেওয়ারিশকে এখানে কেউ পছন্দ করে না। কাজেই, তুই এখান থেকে দুর হ.......
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
তোকে সবাই দেখতে পারে
তোর শরিরটা বেশ নাদুশ-নুদশতো, তোকে সবাই দেখতে পারে।সবাই তোর মাঝে অনেক মজা পায়।
ওই খান সাহেবের সাথে এখন তোর সখ্যতা হয়ে গেছে। এবার বুঝলি তো তোদের চরিত্র কেমন? দুদিন আগেও যে খান সাহেবকে রাজাকার বলে গালি দিয়েছিস, এখন তাকে চাটছিস।
তুই থাক এখানে, আমি গেলাম।।
আরে রায়হান ভাই
ন্যাভাই আপনী কই থাকেন ? আপনেরে বিচরাইতে বিচরাইতে আমি অরন অইয়া গেলাম ভাই ।
ক্যামন আছেন ? রায়হান ভাই আপনাকে ভালো লেগেছে । আর যাকে আমার ভালো লাগে তার জন্য অনেক কিছু করতে পারি । যদি ভোটারের জান চান , নিজের জান নিজে কবজ কইরা আপনার হাতে দিয়া
দিমু । তবে যদি বিএনপিরে ভোট দিতে কন এইডা মাফ চাই ভাই ।
Voter ভাই.......
আমি ভাই, তোমাগো লগে সবসময় আছি। মাঝে মাঝে বিরতি দেই মনে করি খালি পড়ুম কিছু লেখুম না...কিন্তু কিছু কিছু মদন/রামছাগলের বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের (BAL & BNP) নিয়া এমন comments করে মনে হয় আমাগো দেশে বাকী সবাই সাধু রাজনীতিবিদরা ছাড়া। এই যে, ওদের বাপ আলুখোর মঈণ... ঐ বেটাও তো রাজনীতিবিদ হইতে চাইছিলো...আর এই আসরের বড় বড় লেকচার মারা ভন্ড SUSHIL 'জাগো বাংলাদেশী'-রাও ধান্দায় ছিলো কেমনে কইরা বংগভবনের গেটের বাইরে লাইন ধরা যায় সে আশায়....
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
বিল্লি ভাই
দ্বিতীয়তঃ শত্রু-মিত্রের মধ্যে আত্মীয়তা তো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আর্শিবাদ বলেই আমার ধারনা। মনে করুন, যদি দৈবাত ভাবে হাসিনা আর খালেদা'কে কোন এক পরম আত্মীয়তার মধ্যে বাধা যেত, তাহলে কি তার কিছুটা সুফল আমরা পেতে পারতাম না। অন্তত ব্যক্তি রেশা-রেশির হরতাল আর মারপিট থেকে? আসুন না, কয়ামনোবাক্যে আল্লাহ'র দরবারে দোয়া করি যাতে, আপনার লেখা ফিরিস্তিকে আরো সম্প্রসারন করে সহসাই দুই নেত্রীর মধ্যে একটা আত্মীয়তার সূত্র তৈরী হয়ে যাক! আর আমরাও হাফ ছেড়ে বাচি!
আপনি কি তাহলে নিঝুম ভায়ের লেখার মর্ম বুঝতে পারেন নি। খালেদা এনং হাসিনার সম্পর্ক আত্মীয়তার চেয়ে অনেক বড়। রেষারেষি এবং যত বিরোধিতা বাংলাদেশের সাধারন জনগনকে বোকা বানানর জন্য এক নাটক মাত্র। এ নাটক না থাকলে তাদের আসল চেহারা সাধারন মানুষ চিনে ফেলত এবং তাদের পতন হত। যেখানে শেখ মুজিব তারেক জিয়ার চাচা শশুর সেখানে এত রেষারেষি কিসের?
ভাই কিছু বাদ পড়ে গেছে
বি এন পি’র প্রাক্তন বিদ্যুত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সাকা চৌ শেখ কামালের বন্ধু।
রাশেদ খান মেননের দুই ভাই এনায়েতুল্লা খান(মরহুম) ও সাদেক খান, কিছুদিন আগ পর্যন্ত প্রধান জাতীয়তাবাদী(!) সাংবাদিক ব্যক্তিত্ত্ব ছিলেন!
Tareq O Abonti..............
Next PM SK. Rehana, some ppl say Tareq Zia...........Asun.........amra Tareq Key Abontir satey arekta bia dia di...........ta holey hoytoba amra ektu SANTITEY dakthey parbo.
Ki bolen............
আব্দুল্লাহ সাহেব
সেখ সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমশের নামক আত্মসীকৃত রাজাকার আপনার দুর্লভ মন্তব্যের আশায় বসে আছে।একবার শুধু এদের জামাতি বিষ্ঠা বলে গাল দিন, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এই মন্তব্য সবকটা পত্রিকায় ইমেইল করে যুদ্ধপরাধি বিচারের ব্যাপারে একজন নিষ্ঠাবান আওয়ামি লীগারের আকুতি ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করব।
ভাই আরো মক্কেল রইয়া গেছে
সালমান এবং সাকা , মোর্শেদ খান এবং তোফায়েল ভাই ব্যাবসায়ীক পার্টনার ।
সাবের হোসেন চৌধুরী , সাকা চৌধুরী , মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী ( যায় যায় দিন )
মহিউদ্দীন চৌধুরী আপন খলাতো ভাই আর আব্দুল্লাহ নোমান মামা ।
Betrayed, come back friend.............
Hope, everything is going fine at your end.
Make sound for us. We would like to hear it................
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
নিঝুম ভাই ...।
আপনাকে আমার সেলুট , এত সুন্দর প্রাঞ্জল ভাষায় বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের লেংটা করে দিচ্ছেন ,এর জন্যে আপনাকে অশেষ ধন্যাবাদ। এই ই-মেলাতে অনেকেই আছেন যারা কোন দল করেননা, কিন্তু দেশকে অন্য কারো থেকে কমও ভালবাসেন না তারা সবাই আপনাকে সম্পুর্ন সমর্থন দিবে এধরনের শক্তিশালি লেখার জন্যে। যদিও আপনার ক্ষোভ প্রকাশ করার মাঝে কিছু অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ হয় কিন্ত কাহিনীর খাতিরে আমার মনে হয় সবাই এটা মেনে নিবে। আপনার পরবর্ত্তী এপিসোড এর অপেক্ষায় রইলাম। ভাল থাকুন ভাই।
boobytrap
আপনি নিঝুম সাহেবকে বললেন "আপনাকে আমার সেলুট , এত সুন্দর প্রাঞ্জল ভাষায় বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের লেংটা করে দিচ্ছেন."
ভাই ওদের পরনে কাপড় ছিলো কবে? ওরা তো আজন্ম নেংটা। আজন্ম ক্ষুধার্ত। নিঝুম সাহেব নতুন করে আর এদেরকে কি নেংটা করবে? এরা নেংটা, এদের চাকর-বাকর গোলামের দল পর্যন্ত নেংটা। দেখলেন না সেদিন এক হারামজাদা চোঙ্গাওয়ালাকে চা খাওয়ার দাওয়াত করলাম। রাজি হলো না। ভয় পেয়েছে, যদি ওর নেংটো শরীর দেখে আমার মনে লোভ জাগে, খোলা রাস্তায় ওকে কিছু করে দেই। 'নাউজুবিল্লাহ'।
বেজন্মা মূখেহাগু লিখেছে,
বেজন্মা মূখেহাগু লিখেছে, "দেখলেন না সেদিন এক হারামজাদা চোঙ্গাওয়ালাকে চা খাওয়ার দাওয়াত করলাম। রাজি হলো না। ভয় পেয়েছে, যদি ওর নেংটো শরীর দেখে আমার মনে লোভ জাগে, খোলা রাস্তায় ওকে কিছু করে দেই। 'নাউজুবিল্লাহ'।"
=====================================
আমার মন্তব্য, সদা ফিলোপিনো মেইডদের সংগ প্রাপ্ত রাস্তা থেকে উঠে আসা এক বেজন্মার ভাষা এর চেয়ে ভাল হবে না।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
আহারে চান্দু তোর মুখে হাগু কে দিয়েছে?
আমার কাছে আয়, মুখে তাজা মধু ঢেলে দেবো। খেয়ে মজা পাবি। সাথে চা দেবো, বিস্কিট দেবো। কাকাবাবু নাই বলে কি হয়েছে? আমি তো আছি। শরম পাসনে।
আর, আমি জানি তুই বেওয়ারিশ
তাতে কি হয়েছে? আমি তো আছি, বাবা বলে ঢাকিস, কোনো অসুবিধা নেই। তোর জন্মদাতা কাকাবাবু তোকে রাস্তায় ফেলে গেছে বলে কি হয়েছে? বাংলাদেশের মানুষ আমি, মন অনেক বড়, তোর মতো দুই একটা লা-ওয়ারিশকে লালতে পালতে অসুবিধা হবে না।
বাবা মুখে মধু/রিদয়
বাবা গো আপনেদের মুখ থ্যাক্যা আমরা ভাল কিছু শুনতে চাই গো বাবা।আমি বুড়া মানুষ।আপনেদের বাপের সমান।আমার কথাত সম্মান দিয়া এই বিশ্রি আলোচনা বন্ধ করেন গো বাজান।
বাবা রিদয় বাবাগো কেন্ আপনেরা এত উতালা হইয়া যান।একটু ধৈর্য্য ধরে সবাই সবার কথা শুনেন।বাবাগো আমি বুড়া মানুষ আমার উফরে রাগ নিয়েন না যেন গো বাজানেরা।
মি Adom Ali: আপনি তো দেখছি এক নাদান শিশু
সালাম। ওনারা আপনার ছেলের বয়সী বলে কান্নাকাটি করছেন কেন? ওনারা সবাই adult. আপনি ওনাদের থেকে বয়সে খুব একটা বড় হবেন বলে মনে হচ্ছে না। আগেই বলে রাখছি, বয়সের জন্য এখানে আপনি কোন ছাড় পাবেন না। আর ওনারা এমন সব দেশে থাকে সেখানে ৯০ বছরের বৃদ্ধকেও ১০ বছরের ছেলে মেয়েরা নাম ধরে ডাকে। সুতরাং আপনি যাতে আশাহত না হন, সে জন্য সতর্ক দিলাম আর কি?
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
নাতি পগো
নাতি বলেছি বলে রাগ করিওনা।আমিতো তোমার নানা বা বয়সী তাই না?হে এখানে যারা লিখে তাদেরকে আমার কাছে ম্যাচুরই মনে হচ্ছে।তোমার সৌজন্যতার জন্য দন্যবাদ জানাইতেছি।তোমার জন্য দোয়া করি ভাল থাক।
এই রাস্তার বেওয়ারিশ, গেলি.........
এই রাস্তার বেওয়ারিশ, গেলি.........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
হে হৃদয় হে মুখে মধু
তোরা দুজনেই সীমা লঙ্ঘন করছিস।ভগবান সীমা লংঘন কারিদেরকে পছন্দ করেন না।তোদেরকে ভগবান সতর্ক করে দিচ্ছে।তোরা ভাল হয়ে যা।একে অপরের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়িস না।ভগবান তোদের মংগল কামনায় সব সময় কাজ করে যাচ্ছে।রাগারাগি করিস নে আমার আদমের দল।
এই বেজন্মাকে কে বলেছে চায়ের দাওয়াত দিতে?............
এক বেজন্মা boobytrap কে লিখেছে, "দেখলেন না সেদিন এক হারামজাদাকে চা খাওয়ার দাওয়াত করলাম। রাজি হলো না।"
এই বেজন্মাকে কে বলেছে চায়ের দাওয়াত দিতে?
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
আহারে চান্দু গোস্বা করছে
আহারে চান্দু গোস্বা করছে। রাগ করিস না সোনা চান্দু। চা খাওয়াবো, বিস্কিট খাওয়াবো, পরনের কাপড় দিবো। ভয় পাসনে আর কিছু করবো না। ইন্ডিয়ান অই কাকাবাবুর মতো করেই দেখাবাল করবো।
boobytrap, এখানে তেল মারা নিষেধ.............
এমন নিম্নমানের বাচালীপনাকে আপনার এত ভাল লাগিল! ছিঃ ছিঃ boobytrap, আপনার রুচিবোধ এত নিচে নামিয়া গেল?
নাকি তেল মারছেন? আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি-
এখানে তেল মারা নিষেধ...........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ভাই চোংগাওয়ালা ...
কেমন আছ তুমি চোঙাওয়ালা ভাই ? এখানে তেল মারার কি দেখলা একটু বুঝাওনা। "সত্য" নাকি করোয়া লাগে ।তবে হ্যাঁ শেখ সাহেব বা জ়িয়া এদের দুজনকে বাদ দিয়ে লিখলে ভাল লাগবে কারন দুজনেই মরহুম । মৃত মানুষকে নিয়ে কোন সমলোচনা না করাই উচিৎ এটা সব ধর্মেই বলে। শেখ পরিবার যে পুরো বাংলাদেশে Interenet এর মত web ছড়িয়ে বসে আছে তা আমার জানা ছিলনা। এখন তৃ্তীয় এপিসোডে কি আসবে এটা জানে লেখক নিজে তার পুর্বেই তোমার এত কেন গা জ্বালা করছে এটাতো বুঝতে পারলামানা ? রাজনীতি করতে গেলে এই জামানায় কিছু সহনশীল হওয়া প্রয়জন , পার্লামেন্টে একচেটিয়া সিট পাওয়ার পর ধরা কে সরা জ্ঞান করার পর বিনপির অবস্থা হতে বেশী সময় নেবেনা, আর ৪ বৎসর বুঝলে চোঙ্গাওয়ালা ভাই।
চালিয়ে যান আপনার তৃতীয় পর্বের জন্য প্রতিক্ষায় আছি
চালিয়ে যান আপনার তৃতীয় পর্বের জন্য প্রতিক্ষায় আছি
গ্যাংলিডার
তৃতীয় পর্বের জন্য অপেক্ষা করেছ তো মরেছো।তোমার ভাই এবং আম্মাজানের কুকীর্তি নিয়ে থাকবে তৃতীয় পর্বের সবটুকু অংশ।তখন নিঝুম সাহেবকে ভাই না বলে হয়তো বউ এর ভাই বলে গালি দিতে দ্বিধা করবা না।ইহাই তোমার মত গ্যাংলিডার আর জাতীয়তাবাদী গোলামদের ছিলার দোষ (সহজাত প্রবৃত্তি)।
ইলিভিন সাহেব
আপনার কি মনে হয় আমি তা জানি না। তারেক-খালেদার কুকির্তী আমি কখনও অস্বীকার করিনি। শুধু মনে করি যে তুলনামূলকভাবে বিএনপি দেশ পরিচালনায় ভাল। এই যা। তাই আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন আমি জানি কি লেখা আসছে। তবে আমি নিঝুম সাহেবকে অনুরোধ করব মুয়া ফুয়া যেন বাদ না যায়।
Mr Yusuf
Why not you join in পুত্রের কাছে পিতার ২৮ তম পত্র by Watchdog and dance there? This is the dancing floor for Awami monkeys. But if you want to dancnce tgether with awami gong, then no problem.
লেখা চলছে
৩য় পর্ব লিখা চলছে । ধন্যবাদ
--------------------------------------------------------------------------------
চলে যাচ্ছি, যেখানে আমিই আমার একাকী বেদনা...
নিঝুম মজুমদার--একটি মন্তব্য
ভাই, আপনার লেখা পড়ে বুঝতে পারলাম, বাংলাদেশের সকল চোর-বাটপার আর শত্রু-মিত্র সবাই আত্মীয় স্বজন, নয়তো ব্যবসায়িক সহযোগী। তো, আপনার লেখা পড়ে দুই একটি কথা মনে হলো বিধায় লিখতে বসলাম।
প্রথমতঃ বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক চেলা-চামুন্ডাদের আত্মীয়তা/ব্যবসায়িক যোগসূত্রতা নিয়ে যে বিরাট ফিরস্তি দিলেন, তাতে পরিস্কার যে আপনি এদের বিষয়ে যথেষ্ঠ ওয়াকিবহাল। আমার প্রশ্ন, আপনি কি নিজেই এই ঘরানার কেউ একজন? কেননা, এই নলেজ তো আর বই পড়ে পাবার কথা নয়।
দ্বিতীয়তঃ শত্রু-মিত্রের মধ্যে আত্মীয়তা তো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আর্শিবাদ বলেই আমার ধারনা। মনে করুন, যদি দৈবাত ভাবে হাসিনা আর খালেদা'কে কোন এক পরম আত্মীয়তার মধ্যে বাধা যেত, তাহলে কি তার কিছুটা সুফল আমরা পেতে পারতাম না। অন্তত ব্যক্তি রেশা-রেশির হরতাল আর মারপিট থেকে? আসুন না, কয়ামনোবাক্যে আল্লাহ'র দরবারে দোয়া করি যাতে, আপনার লেখা ফিরিস্তিকে আরো সম্প্রসারন করে সহসাই দুই নেত্রীর মধ্যে একটা আত্মীয়তার সূত্র তৈরী হয়ে যাক! আর আমরাও হাফ ছেড়ে বাচি!
তৃতীয়তঃ আপনি হঠাত এই ধরনের লেখায় হাত দেয়াতে যে অনেক স্বনাম-ধন্য সুশীলদের ভাতের অভাব হয়ে দাড়াচ্ছে, সেটা কি খেয়াল করেছেন? আগে এই ফোরামে দুই একজন নানান তথ্য আর উপাত্তের সাথে ফেব্রিকেটেট ছবি সংযুক্ত করে ইনিয়ে বিনিয়ে সরেজমিনে তাদের তদন্তের রিপোর্ট পেশ করতেন। ইদানিং তাদের দেখা মেলছে না। Healthy discussion 'ও করতে পারছে না! নিশ্চয়ই ইনারা গোস্বা করে আছেন। আপনি কি সে বিষয়টা খেয়াল করবেন?