তোদের সাথে দেখা করতে আবার ও এই আসরে একটা ঢু মেরে যাচ্ছি।তোদের সামনে একটি ঐতিহাসিক দিন আসছে আর তা জানাবার জন্যই ভগবান তোদের দরবারে তশরিফ এনেছেন।আগামি ১৯ নভেম্বর তোদের জাতির মুক্তিদাতা মুজিব হত্যার রায় ঘোষনা করা হবে।হে আদমের দল ভগবান আগে থেকেই সেই রায় জানেন।সেই ঐতিহাসিক হত্যা মামলার রায়ে সকল বেঈমানকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হবে অর্থাৎ পুর্বেকার দেওয়া রায় বলবৎ থাকবে।আপিল খারিজ হয়ে যাবে।আগামি মাসে ঐসকল বেঈমানদের ফাঁসি কার্যকর করা হবে।আমার পক্ষ থেকে কয়েক বিলিয়ন এঞ্জেল নিঝুক্ত করা হয়েছে সেই ফাঁসি যেন সঠিক ভাবে কার্যকর করা হয় তা তদারকির জন্য।ইতিমধ্যে ঢাকা এবং আশে পাশের এলাকায় তিন শত চৌত্রিশ বিলিয়ন এঞ্জেল মোতায়েন করা হয়েছে।সারা পৃথিবীতে এই খবর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিঝুক্ত হয়েছে ৪৫ বিলিয়ন এঞ্জেল।
মনে রাখিস খুন করে কেউ কোনদিন পার পেয়ে যায়নি।এটাই ভগবানের আইন।পলাতক খুনিদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করার জন্য ৮০০ বিলিয়ন এঞ্জেল নিয়োগ করা হয়েছে।অতি শীঘ্রই তাদেরকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হবে।
হে মনবের দল তোরা ভাল হয়ে যা।ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা কর্।ভগবানের দুনিয়ায় অনাচার সৃষ্টি করিস নে।ভগবান সকল সময়েই তোদের মঙ্গল কামনা করেন।

Gold and diamond
Talking about renowned person or group everyday day is not necessary. The developed nation remember their heroes on special day, they don’t talk about them everyday. Nobody is perfect there are deficiency in everybody's life. How can they think people don’t know about the contribution of freedom fighter and Banghabandhu? All knows they did great jobs for independence but are they immune from all allegations. After liberation so many innocent people were killed by freedom fighter that people lost good notions about them. Do they forget Fakruddin pardoned the death sentence of a murderer because he was freedom fighter? Is it good for society that murderer freedom fighters will be excused? The killer of Banghabandhu and some other great freedom fighter were also freedom fighters, but will they be excused? Do they want to ignore the crime of freedom fighters and make them monsters? But before that are they ready to hear how many innocent people were victimized by freedom fighter? Are they ready to know full bio-data of Banghabandhu and his family including how much property they inherited and how much they owned by income and what are their income source? Before comparing present with past one need to consider the means and methods of corruption of the two times. They know there was no idea of foreign account in the past so, corrupt money were invested in precious home, business, gold and diamond.
নানা আদম আলী
তোমার নাতি হইতে আমার আপত্তি নাই। রোজকার বস্তাপচা রাজনৈতিক প্যাচ্যাচানির মাঝে তুমি এক ঝলক ঠান্ডা বাতাস আমদানি করিয়াছ। এসবইতো এই ফোরামের আকর্ষন।এই ফোরামতো আর মিলাদ মাহফিলের জায়গা নয় যে কোন ঝগড়া ঝাটি চলিবে না।তুমি তোমার উপস্থিতি জারী রাখিবা।
সমুদ্র,নাতি আমার
ওহে আমার প্রিয় নাতি!সমুদ্র!সকাল বেলা ঘুম হইতে উঠেই আমার মনটা ভাল হইয়া গেল।যেন আমার জানালায় বসন্তের হাওয়া বহিয়া গিয়াছে।তোকে নাতি হিসাবে পাইয়া আমার সত্যি সত্যিই আনন্দে বুকটা ভরে গেল।এখন আমি এই আসরে আর একা নই।একে একে আমার এখন নাতি সংখ্যা গিয়া দাড়াইল চার এ।পগো,জ্যোতিস,স্টেঞ্জার আর সমুদ্র নানা ভাই।জানিস আজ তোর নানী বেচে থাকলে তোদেরকে নিয়া কতই না মজা করত!আমার বুক গর্বে ভরিয়া যায় যখন মনে করি স্বাধীনতার জন্য আমার দুই ছেলে আর বউ তাহাদের জীবন উৎসর্গ করিয়াছে।নানা ভাই নাস্তা খাইয়া তোদের সাথে আবার আড্ডা দিব।ভাল থাক আমার আদরের নানা ভাই।
Looker: Where FFs killed so many innocent people?
Are you adding some juice to the story of Seikh family which you are creating by adding that FFs killed innocent people? When, which FFs killed who?
রেহাই নাই
ভগবানের ৭ দিন
জাতিয়তাবাদের ১ দিন
তারেক জিয়া আসছে তাই
ভগবানদের রেহাই নাই
তাহাই যেন হয়
যে ঐতিহাসিক ফাঁসি দেখার জন্য তিন যূগের বেশি সময় ধরিয়া অপেক্ষা করিতেছি তা যেন জিবিত অবস্থায় দেখিয়া যাইতে পারি।অনাচার সৃষ্টিকারী বেঈমানদের ফাঁসি দেখার পরে এই মুক্তিযোদ্ধা আদম আলীর দুনিয়াতে আর বাচিয়া না থাকিলে ও চলবে।আমিন।
ভাই আদম আলি--
এই কয়টি ফাসি দেখিলেই কি জীবন পূর্ন হয়ে যাবে? এতো মাত্র শুরু। এর পর জেল হত্যার ফাসি, রাজাকার ফাসি আর ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হত্যার ফাসি দেখিবেন না? খেলা তো মাত্র শুরু। মনে আছে কি সেই কবির ভাষা, " দিনে দিনে বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋন"।
ঘুঘু বারবার ধান খেয়ে যাবে, তা কি কখনো হয়? ফাদ তো তাকে দেখতেই হবে? সে পর্য্যন্ত অপেক্ষা করবেন না?
টাইগার দাদুকে বলছি
নানা ভাই টাইগার আমার আয়ু যদি কুলায় তাহা হইলে সকল অনাচারের বিচার দেখিয়া যাইতে পারলে খুশিই হব।আমি কোন দলের সমর্থক নই।আমি মনে প্রানে চাই এই দেশের সকল হত্যাকান্ড এবং অনাচারের বিচার হউক যাহাতে ভবিষ্যতে এই দেশটাকে নিয়া কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।তোদের নানা ভাইয়ের জন্য দোয়া করিস সে যেন যুদ্ধাপরধি সহ সকল অপরাধির বিচার দেখিয়া যাইতে পারে।একজন মুক্তিযোদ্ধার নিকট তার দেশের চেয়ে বড় কিছু নাই।ধন্যবাদ নানা ভাই।
হ্যালো নানা ভাই ।।
আচ্ছা নানা ভাই শেখ সাহেবকে যখন সামরিক ক্যু করে হত্যা করা হয় তখন তুমি কোথায় ছিলা ? আমি কিন্তু সেদিন জুম্মার জন্যে ২ ঘন্টার কার্ফ্যুর ব্রেকের ( যদিও কার্ফুএর কোন আলামত রাস্তায় ছিলনা) মাঝে রিক্সা নিয়ে বিভিন্ন গলির ভিতর দিয়ে শেখ সাহেবের বাসা পর্যন্ত গিয়েছিলাম , এই আসা যাওয়ার মাঝে সত্যই কোন মানুশের মনে দুঃখ দেখেছি বলে মনে পড়েনা । তোমার এধরেনের কোন অভিজ্ঞতা থাকলে লিখে জানাইও ।
আ আ ভাই
আপনাকে ফার্মার হ্যারিকেন দিয়ে খোঁজ করতেছে ।
ভুমি
ফার্মারকে বল তার যা বলার এখানে বলতে।আমি জবাব দিতে প্রস্তুত।হারিকেন দিয়া খোজার কি দরকার।বুড়া মানুষ।কাজ কর্ম নাই।সারাদিনই আমাকে পাইবে।শুনিয়াছি ফার্মার ও তোমার মত একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা।তাকে আমার সালাম।
নানা ভাই জ্যোতিষ
তখনকার মানুষের ভিতর বঙ্গবন্ধু হত্যায় কোন শোক ছিল না এই কথা শতভাগ সত্য।তাহার মুল কারন ছিল অনেক।তার মধ্যে সদ্য স্বাধীন দেশে দুর্ভিক্ষ এবং দুর্নিতীই মুলতঃ দায়ী বলে আমি মনে করি।কিন্তু সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত একটি দেশ রাতারাতি সকল সমস্যা সমাধান করিয়া ফেলিবে এই কথা আমি বিশ্বাস করি না। বঙ্গবন্ধু দেশ চালনায় বিচক্ষনতা দেখাইতে পারেন নাই।তাহার মধ্যে রক্ষিবাহিনী এবং বিরোধীদের প্রতি ঝুলুম ও অন্যতম ছিল বলিয়া অনেকে মনে করেন।
যাই হউক আমি ব্যাক্তিগতভাবে এই নেতাকে কখনোই খাট করিয়া দেখি না কারন তাহার নেত্রীত্বেই আমরা যুদ্ধ করিয়া দেশ স্বাধীন করিয়াছি।আমি আমার গ্রামের বাড়িতে ছিলাম।তোর নানী এবং দুই মামার শোকে আমি তখন ও কাতর।রাতে ঘুম হইত না।প্রত্যেহই তাহাজ্জদ নামাজ পড়ি্যা হাটতে বাহির হইয়া যাই।ঐদিন ও তার ব্যাতিক্রম হয় নাই।প্রত্যেক দিনের অভ্যাস মত সকাল বেলা রেডিও অন করাতেই দেখি মেজর ডালিম বলিতেছিল সে নাকি মেজর ডালিম বলছে আর বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার কথা বলিতেছিল।আমি ভাবছিলাম কোন কারনে কেউ বোধ হয় রসিকতা করিতেছে কিন্তু পরক্ষনেই আমার ছোট ভাই চাচাত ভাই এবং গ্রাম বাসী সকলেই আমার বাড়িতে আসিয়া হাজির।তখন বুঝলাম যে সত্য সত্যই কিছু ঘটেছে।ঐদিনের ঘটনা মনে হইলে নানা ভাই আজিও শরির শিহরিয়া উঠে।
হ নানা ভাই ।।
একেবারে খাঁটি কথা কইছ , তখন দুর্নীতি আর দুর্ভিক্ষ এমন ভাবে আমাদের চারিপাশে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হয়েছিলো আমরা এক পা সামনে যাইতো দুই পা পিছনে আসছিলাম। এর মাঝে শেখ সাহেবের ছিল দুর্দর্শিতার অভাব , নিজে কখনো মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি , গ্রেফতার হয়ে গেল পাকিস্তান বেড়িয়ে এসে দেখে উনি বংগবন্ধু ,আশে পাশের চামচারা বংগবন্ধু সব ঠিক মত চলছে বলে সারাদিন তোষামোদ করে বেড়াত।
১৯৭২ সালের জানুয়ারী মাস থেকে এইযে ভারতীয় দাদারা কেহ সংবাদ পাঠক (দেব দুলাল , নীলিমা স্যানাল ও ইঁভানাক) কেহ সাংবাদিক , ব্যাবসায়ী , আই আই এস অফিসার , সংস্ক্রিতিক দল এই গুলির অত্যাচারে আমাদের বেহাল অবস্থা হইছিল । সংবাদ পাঠক-পাঠিকারা ,ঐ সময় এরা খুব বেশি পরিচিত ছিল আমাদের কাছে ) আসা শুরু করল মনে হচ্ছিল এটা কোলকতা হয়ে গেছে, আমরা সাধারন মানুষ কিন্তু প্রথমে উনাদের যথেষ্ঠ সন্মান করেই বাংলাদেশে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম কিন্তু কথায় আছেনা লেবু বেশি চিপলে তিতা হয়ে যায় আমাদের অবস্থা তখন তাই হয়ে ছিল । ভারত তার ষোল আনা নিয়ে যাওয়ার জন্যে পাগল , ৯ মাসের যুদ্ধে কোন কিছুই আমদানি হয় নাই ,যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানিদে ফেলে যাওয়া অশ্ত্র থেকে শুরু করে বড় বড় পাটকলের যন্ত্রপাতি সহ সব খুলে নিয়ে গেল ।
শেখ সাহেব খোলা মনে " মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনযায়ী বেরুবাড়ি দ্রুত হস্তান্তর করে আমরা আজো তিনবিঘা করিডোর পেলামনা। এধরেনের অনেক অসম চুক্তির বেড়াজালে আমর এখনো আটকিয়ে আছি।
দেশে চলছে দুর্ভিক্ষ ,এর মাঝে ওনার দুছেলের বিয়ে, প্রধানমন্তীর ছেলে কিছুটা হলেও জাঁকজমক হবেই ( এখনকার তুলনায় কিছুইনা ) কিন্তু আওয়ামী চামচারা কোন মতেই এটার কাউন্টার না দিয়ে নিজেরা মশগুল সব লুটপাট নিয়ে ,নীল বাহিনী , লাল বাহিনী করে যেযার মত লুট করে যাচ্ছ শেখ সাহেব কোন কিছুই বলছেননা , এই অবস্থায় উনি সেনাবাহিনী ডেকে সব ঠিক করতে চাইলেন । শোনা যায় সেনা বাহিনীর মেজর র্যাংকের অফিসার (বেশী ভাগই মুক্তিযুদ্ধে রিক্রুট ) যেখানেই ক্যাম্প করেছিল প্রথমেই নাকি খোঁজ় নিত ওখানের আওয়ামী লিগ নেতা কে ? ঐ নেতাকে এনে কিছু উত্তম মাধ্যাম দেওয়ার পর দেখা যেত গোডাউন থেকে চাল , গম , চিনি লবন সব বেড় হয়ে আসছে। আওয়ামী চামচারা আবার শেখ সাহেবকে বুঝানো শুরু করল " বংগবন্ধু বাংলাদেশের সেনা বাহিনীও পাকিস্তান সেনা বাহিনির মত আওয়ামি লিগের উপর অত্যাচার করছে" এসময়ের মাঝেই আওয়ামী লিগের সাথে সেনা বাহিনীর দুরত্ব বেরে যায় ।আর শেখ সাহেব নিজের অজান্তে ভুল করে বসে সেনা বাহিনিকে ব্যাড়াকে ফিরিয়ে আনে, ওই সময় যদি সেনা বাহিনী না ফিরিয়ে এদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিত তাহলে আজ বাংলাদেশের ইতিহাস অন্য ভাবে লিখা হত। এটা আমার দেখা " ঢাকা ১৯৭২-৭৩-৭৪-৭৫ "।
নানা তুমি ভাল থেক আমার মামতো ভাইডারে পাইতেছিনা , তোমাকে দেখভাল করার জন্যে নাকি খুব ব্যাস্ত আমার হয়ে তুমি ওকে একটা ছোট্ট কইরা হ্যালো বইল্ল ।
ভাই জোতিষ
দেশে চলছে দুর্ভিক্ষ ,এর মাঝে ওনার দুছেলের বিয়ে, প্রধানমন্তীর ছেলে কিছুটা হলেও জাঁকজমক হবেই ( এখনকার তুলনায় কিছুইনা ) কিন্তু আওয়ামী চামচারা কোন মতেই এটার কাউন্টার না দিয়ে নিজেরা মশগুল সব লুটপাট নিয়ে ,নীল বাহিনী , লাল বাহিনী করে যেযার মত লুট করে যাচ্ছ শেখ সাহেব কোন কিছুই বলছেননা , এই অবস্থায় উনি সেনাবাহিনী ডেকে সব ঠিক করতে চাইলেন । শোনা যায় সেনা বাহিনীর মেজর র্যাংকের অফিসার (বেশী ভাগই মুক্তিযুদ্ধে রিক্রুট ) যেখানেই ক্যাম্প করেছিল প্রথমেই নাকি খোঁজ় নিত ওখানের আওয়ামী লিগ নেতা কে ? ঐ নেতাকে এনে কিছু উত্তম মাধ্যাম দেওয়ার পর দেখা যেত গোডাউন থেকে চাল , গম , চিনি লবন সব বেড় হয়ে আসছে। আওয়ামী চামচারা আবার শেখ সাহেবকে বুঝানো শুরু করল " বংগবন্ধু বাংলাদেশের সেনা বাহিনীও পাকিস্তান সেনা বাহিনির মত আওয়ামি লিগের উপর অত্যাচার করছে" এসময়ের মাঝেই আওয়ামী লিগের সাথে সেনা বাহিনীর দুরত্ব বেরে যায় ।আর শেখ সাহেব নিজের অজান্তে ভুল করে বসে সেনা বাহিনিকে ব্যাড়াকে ফিরিয়ে আনে, ওই সময় যদি সেনা বাহিনী না ফিরিয়ে এদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিত তাহলে আজ বাংলাদেশের ইতিহাস অন্য ভাবে লিখা হত। এটা আমার দেখা " ঢাকা ১৯৭২-৭৩-৭৪-৭৫ "।
আমি নিজে একজন আওয়ামী নেতার (তৎকালীন সংসদ সদস্য) সন্তান হয়ে আপনার উপরের কথার স্বপক্ষে স্বাক্ষী দিচ্ছি। এভাবেই মুজিবের জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামে। আমার সবচেয়ে বড় দুখঃ কিভাবে তাঁর মত একটা নেতার এক চোখ অন্ধ হয়ে গেল! আসলে নিস্পেশিত জাতির (পাকিদের অধিনে যখন আমরা ছিলাম) নেতা হলে মানুষ যতটুকু বিনীত থাকে, স্বাধীন দেশের একচ্ছত্র নেতা হয়ায় সেই গুনটা তার খুব তারাতারি নস্ট হয়ে গিয়েছিল। সদা চাটুকারিতায় তার জ্ঞ্যান অহঙ্কারের চাদরে ঢেকে গিয়েছিল। তবুও মানুষ হিসাবে তার অপেক্ষা উত্তম কেউ এদেশ শাষন করে নাই...
নানা ভাই
তোর কথা একেবারে ষোল আনাই খাঁটি।শেখ সাহেব চামচাদের বেড়াজালে আটকা পড়ে জীবন বিসর্জন দিলেন কিন্তু তারপ্রে ও আমি উনাকে সম্মান করি।উনার নির্মম হত্যাকান্ডে কষ্ট পেয়েছি।ভারতের আধিপত্য এইদেশের মানুষ কোনদিন মানতে পারে নাই।ভারতকে আমরা অস্বীকার করিতে পারি না কিন্তু তাই বলে তার দাদাগিরি ও আমরা মানতে পারি না।শেখ সাহেব একজন রাষ্ট্র নায়ক হিসাবে সম্পুর্ন ব্যার্থ এই কথা যেমন সত্য তেমনি উনাকে এই ভাবে মারা উচিৎ হয় নাই এই কথা ও সত্য।নানা ভাই তোমার বয়স কত ছিল তখন?তুনি কি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়াছিলা?তোমার অভিজ্ঞতার কথা জানাইতে ভুলি ও না।
Adom Ali, do not go joking as FF
Adom Ali your fucking "Grand Father Grand Father" joking can be done without the role of an FF. Just get off, do not play as an FF. FF was not, and is not a role to be used for shitty relationship of "Grand Father". Idiot.
Use your original e-mela id & be happy with what real shit you are.
ফার্মার সাহেব
আপনার লেখা পড়িয়া আমি কিছুটা হতবাক হইয়াছি,তবে এই কথা বলিয়া মনকে শান্ত্বনা দিয়েছি যে যেই মুক্তিযোদ্ধা নিজেকে কৃষক বলিয়া দাবী করে তিনি কি করিয়া ফার্মার হন?আপনি একজন উচ্চ বিলাসী কৃষক তাই না?ভাইজান এই আসরে আপনিই একজন মুক্তিযোদ্ধা তাহা ভাবিলেন কিভাবে।আর আমার মত একজন বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা দুই কলম লেখাতে আপনার মত ফেইক কৃষকের গাত্রদাহ কেন হইল তাহা বুঝিতে আমার বড়ই কষ্ট হইতেছে।জনাব আমি শুনিয়াছি আপনি একজন মুক্তিযোদ্ধা তাহা হইলে ইংলিশে ইডিয়ট বলে আর একজন মুক্তিযোদ্ধাকে গালি দেওয়া কতটুকু শুভনীয় বলেন দেখি?জনাব আপনার আমার মধ্যে পার্থক্য কি জানেন?আপনি মুক্তিযোদ্ধের আড়ালে নিজেকে উচ্চ বিলাসী ফার্মার পরিচয় দিতে অভ্যস্ত আর আদম আলি বাংলাদেশে থাকিয়া নিজেকে আদম আলি হিসাবে পরিচয় দিতেই বেশি ব্যাস্ত।নিজেকে অত বড় মাপের মুক্তিযোদ্ধা ভাবেন,অনেক বড় বাঙ্গালী ভাবেন অথচ মানুষকে গালি দেন ইংলিশে।জনাব এই কি আপনার মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা?আপনি কিসের মুক্তিযোদ্ধা,কোথায় আপনি যুদ্ধ করিয়াছিলেন?আর কেই বা ছিল আপনার ওস্তাদ?আমার মত বয়সে একজন মুক্তিযোদ্ধা নতুন প্রজন্মের ছেলেদের সাথে নানা নাতি সম্পর্ক গড়তেই পারে,তাহাতে আপনার কি কোন ক্ষতি হইয়াছে জনাব?নাকি হিংসা হইতেছে?আপনি একজন উচ্চ বিলাসী ঢাক ঢোল পিটানে ওয়ালা মুক্তিযোদ্ধা,পক্ষান্তরে আমি তা নই।আমি কটু কথার জবাব কটু কথা দিয়া দিতে জানি না,এইখানেই আপনার সাথে আমার পার্থক্য।আমার নাতিরাই আপনার কথার সঠিক জবাব দিতে পারবে বলিয়া আমার বিশ্বাস।জনাবের সুস্বাস্থ্য,অন্যের প্রতি সু-আচরন,দেশপ্রেম এবং দীর্ঘায়ু কামনা করিতেছি।
Adom Ali: I did not curse an FF, I cursed you
FF is not a role to play around with and make it funny, find something other.
Dear farmer & adom Ali
মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধা শব্দগুলোর প্রতি যদি কেই অপমান, ফান বা জোক করে থাকে তবে তার জন্য বেশীদুর যাওয়ার দরকার নাই, আওয়ামি ও বিএনপির স্বনামধন্য রাজনীতিবিদদের দিকেই তাকাইলে চলে। আজ ৩৮ বছর ধরে প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত এই স্বনামধন্য রাজনীতিবিদদের দল মুক্তিযুদ্ধ নামক শব্দটি নিয়ে ব্যবসা, তামাশা, ফান সবই করে চলছে।সেখানে একজন আদম আলী যদি মুক্তিযোদ্ধা সাজিয়া ইমেলাতে মজা করিয়া থাকে , তাতে দোষের কিছু আছে বলিয়া মনে হয় না। এখানে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান কোথায় হইতেছে তা বুঝতে পারছি না।
সমুদ্র সাহেব ।
বাস্তব কথা লিখেছেন , আমাদের পংকিলতায় ভরা সংকির্ন মনের রাজনিতিবিদরা দেশেকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে এটার শক্ত প্রতিবাদ করার জোর আমাদের হাঁটুতে নেই । অন্যের সমলোচনা করা আমাদের একটা অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে । সব কিছু করার পুর্বে আমার মনে হয় , আমিই খারাপ , আর সবাই ভাল, এই মানসিকতায় আসতে হবে । এভাবে করতে পারলে বাংলাদেশের অর্ধেক সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি চলে যাবে বলে আমি বিস্বাস করি। আদম আলী নানা আমার ,ফেক কিছু বলছে বলে আমার মনে হয়না। ফার্মার সাহেবও একজন মুক্তিযোদ্ধা কি কারনে উনি চট করে রাগের মাথায় আদম আলী নানাকে আক্রমনাত্বক কিছু লিখেছে কেন বুঝতে পারলামনা। আমাদের নানা নাতির মাঝে কিছু ক্লিপিং হয়তো লেখা হবে , এখানে কোন মিথ্যা বলার প্রয়জন নেই যতটুকু চোখে দেখা সেটূকুই থাকবে, যার প্রয়জন নেই না পড়লেই হলো । সবাই ভাল থাকুন।
সমুদ্র সাহেব
আপনি বোধ হয় বুঝিয়া ও না বুঝার ভান করিতেছেন।সোজা কথা হইল তিনি এইখানে একক মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে থাকতে চান।আমি এসে উনার কোন গোমর ফাঁক করিয়া ফেলি ইহাতেই উনি তটস্থ হইয়া আমাকে দুই হাত নেওয়ার চেষ্টা করতেছেন।কি করিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা আরেক জন মুক্তিযোদ্ধাকে শিট আর ইডিয়ট বলিয়া গালি দিতে পারেন বলেন তো ভাই।আমি এখানে মোটেই তামাশা করিতেছি না।আমার বয়স দেখিয়া অনেকেই আমাকে নানা ভাই দাদা ভাই বলিয়া আপন করিয়া নিতেছে।ইহাতে তামাশা কোথায় দেখলেন?বরং বলুন যে উনার হিংসা হইতেছে।দাম্বিক মুক্তিযোদ্ধার দম্ব নষ্ট হইয়া যাইতেছে।ইহাই উনার গাত্রদাহের মুল কারন।বুঝলেন জনাব?তুমি যদি নাতি হইতে চাও তাহা হইলে আমার আপত্তি নাই।না হইলে ও ক্ষতি নাই।ভাল থাক।
ফার্মার সাহেব
আগে নিজে ঠিক হন তারপরে অন্যকে উপদেশ দিবেন।আমার সাহস আছে বলিয়াই আমি নিজের নামে আইডি খুলিয়াছি।আদম আলি মুখোশ পড়ে নাই।আপনি নিজের নাম আড়াল করিয়াছেন, ইংলিশ নাম ধারন করিয়াছেন,মুখোশ পড়িয়াছেন,কৃষকদের সাথে তামাশা করতেছেন।আদম আলির সাথে আপনার পার্থক্য বুঝার চেষ্টা করেন জনাব।আদম আলি ভুমির মাধ্যমে আপনাকে সালাম দিয়াছিল আর আপনি আদম আলিকে ইডিয়ট বলিয়া গালি দিয়েছেন।এখানে যে যেভাবে খুশি লেখবে,আপনি মুরুব্বিয়ানা কম দেখাইবার চেষ্টা করেন ভাই।আদম আলি তার মুক্তিযুদ্ধের জীবনের প্রত্যেকটি মুহুর্ত এখানে তুলিয়া ধরিবে।সবুর করেন।আদম আলি সত্যিকারের একজন মুক্তিযোদ্ধা,মুখোশ পড়া ভদ্রলোক না।ভাল থাকবেন ভাইজান।আমার সালাম নিবেন।
আদম আলী সাহেব
আমার বিশ্বাস আপনি সত্যবাদী। আপনার নামটাও সঠিক। আপনি বলিয়াছেন আপনি মুখোস পরেননি। আপনি কি পারবেন ওই ধনেষ পাখির ছবিটা সরিয়ে আপনার নিজের আসল ছবিটা দিতে?
Stranger bhai -এটা কেমন কথা!
উনি আসল নকল যাহাই হোক না কেন, আপনি এটা কি প্রশ্ন বা অনুরোধ করলেন! আপনি আমিসহ প্রায় ৯৮% সচল ফোরামবাসী নিজের কোন ছবি ব্যবহার করি না। তাহলে ওনাকে কেন ছবি দিয়ে সত্যতা যাচাই করতে বলছেন? এর ধরুন, ওনি একটা আসল ছবি দিলেন। ছবি দিয়ে কি আপনি কিছু প্রমান করতে পারবেন? বাংলাদেশের আনাচে কানাচে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে যাদের আক্ষরিক জ্ঞান নেই, ইন্টারনেট নামক কোন জিনস আছে বলে তাদের জানা নেই।ধরুন উনি তাদের একজনের ছদ্যনাম নিয়ে লিখছেন, তাহলে কি করবেন?
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
পোগো ভাইঃ আমার বিশ্বাস উনি তা করবেন না
আদম আলী নানার কথার মধ্যে হেয়ালি আছে, তবে কোথায় যেন একটা সত্যের ঝিলিক দেখতে পাচ্ছি। তাই আমার অগ্রহ উনাকে আড়াল থেকে বের করে আনা। উনি সম্ভবত একজন বিনীত মুক্তিযোদ্ধা, দাম্ভিক নন। এবং এটা সত্যি হলে উনাকে দেখে আমি ধন্য হব, যেমন হয়েছি ভুমিহীন ভাই কে দেখে।
আপনি কি বিডি০৮ ভাইয়ের কোনো খোঁজ জানেন?
ভাল থাকবেন
স্ট্রেঞ্জার
Stranger: he is continuing Freedom Fight from the USA
He is still continuing his Freedom Fight from the USA; if he gives his original e-mela id, hope, you will be able to identify him.
ফার্মার ভাই, GMT+6
আমাদের পোস্টিং এর টাইমস্ট্যাম্প GMT+6, যেহেতু আমরা কারো IP জানি না, তাই time pattern লক্ষ্য করলে কারো লোকেশন ধারনা করা যায়।
Stranger: I meant Adom Ali
I tried to say that Adom Ali still fighting Freedom Fight, not you.
নানা ভাই পগো
তুই ও কি আমাকে অবিশ্বাস করতে চাস?আমি গাও গেরামের মানুষ।আমার মেয়ের ঘরের এক নাতি বুয়েট হইতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করিয়াছে।সেই আমাকে কম্পিউটার শিখাইয়াছে।আমার অনেক দিন লাগিয়াছে তাহা শিখতে।প্রায় দুই বছর চেষ্টার পর কম্পিউটারে টাইপ করা শিখেছি।আমি বুড়া মানুষ।আমাদের সময় তো আর কম্পিউটার ছিল না।তাছাড়া আমি খুব একটা লেখা পড়া জানা লোক না।পগো তোর নানা ভাই মিথ্যাবাদী না যে তোদেরকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য এখানে এসেছে।আমি কোন ছদ্মনামে লিখছি না।তুই এই ব্যাপারে নিশ্চিত থাক।আল্লাহ যেন বাকী জীবন সত্যের ভিতর দিয়ে পার করেন।আমিন।
Adom Ali: you got the msg
You heard me.
ফার্মার সাহেব
জ্বি আমি আপনার মেসেজ পাইছি।নিজের মুখোশ খুলে যাওয়ায় কি লজ্জ্বা পাইলেন ভাইজান?লজ্জ্বার কিছু নাই।ইহাই আমাদের বাঙ্গালির চরিত্র।এই সংসারে মুখোশ পড়িয়া থাকা লোকের অভাব নাই ভাইজান।আপনি ও না হয় পড়লেন।মুখোশ পড়াতে অনেক সুবিধা আছে ভাইজান,মানুষকে ইংলিশে গালি দেওয়া যায়।আর শুনেন নিজেকে অতি বড় মুক্তিযোদ্ধা ভাবা ঠিক না।আপনার চেয়ে বহু বড় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আমি কাজ করিয়াছি।ক্রমান্বয়ে আমার লেখায় তাহাদের নাম আসিবে।যদি আরো কিছুদিন বাচিয়া থাকি তাহা হইলে মুক্তিযুদ্ধে আমার ভুমিকা নিয়া আলোচনা করার ইচ্ছা আছে।আমার সালাম নিবেন ভাইজান।
Adom Ali: I read it
read it
ফার্মার ভাইজান
আমি মুর্খ মানুষ।২/১ কথায় মানুষের মনের ভাষা বুঝি না।দয়া কইরা যদি কইতেন আপনি কি রিড করছেন তাহা হইলে এই অধম আদম আলি আরো সংশোধন হইতে পারিত বা তাহার নিকট অনেক কিছুই খোলাশা হইত।আপনাকে আমার সালাম ভাইজান।
নানা ভাই ।
তোমার সব কথাই ঠিক কিন্তু শেখ সাহেবের এভাবে মৃত্যু আমাদের কারোরই কাম্য ছিল না। দেশ স্বাধীন হলো আমরা বাংগালিরা " জয় বাংলা " বলে শ্লোগান দিলাম বুক ভরে , পাকিস্তানি সেনারা ক্যান্টনমেন্ট থেকে ঘাড়ের উপর চাইনিজ রাইফেল , সারা শরীরে কার্তুজ পেঁচিয়ে পুরোপুরি সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে রেসকোর্সের দিকে যাচ্ছে লাইন বেধে আত্বসমপর্ন করতে , অনেকে ওদের দেখে নয় মাস বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা শ্লোগান দিচ্ছিল " জয় বাংলা " । শুনসান ঢাকা তখন ছিল প্রেতপুরির মত, কোথাও জনমানব নেই , কিছুদিন পুর্বে শুরু হয়ে ছিল এক আজব খেলা , রাত্র হলেও মাথার উপর এক হেলিকপ্টারের আওয়াজের মত , কেহ বলত হেলিকপ্টার কেহ বলত পুরানো আমলের ডাকোটা প্লেন । ওটার আওয়াজ পাওয়ার পর কারো আত্বায় পানি থাকতো কিনা সন্দেহ (!)। এটা মাথার উপর থেকে ৫০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলতো যেকোন জায়গায়। ১২ ই ডিসেম্বর প্রথম বোমা ফেলে তেজগাও ইসলাম মিশন এতিম খানার উপর , নানা ভাই এর পরদিন আমি ওটা দেখতে গিয়েছিলাম ,এর রকম অমানুষিক কান্ড ঐ ছোট বয়সে কি দেখেছি চিন্তাও করতে পারবানা। বেশ কিছু বড় বড় পুকুরের মত গর্ত জীবন্ত কবর হয়ে গেছে অনেক এতিম , ভারতের নাম দেওয়ার জন্যে পাকিস্তেনি সেনা বাহিনী একাজ করেছিল একই রাত্রে তারা এই বোম্ব ফেলেছিল ,এখন যেখানটায় " সোনার গাও ' হোটেল এই জায়গায় ছিল একটা পেট্রল পাম্প এই পাম্পের সামনের রাস্তায় ছোট খাট আরেকটা খাল তৈ্রি করে দিয়েছিল ।এই আওয়াজের জন্যে ঢাকা স্থানিয় বাসিন্দারা কেহ আর ঢাকায় ছিলনা। একদিন রাত্রে আমার মনে হচ্ছিল আমার বাসার ছাদের উপর , তোমার বাকী দুই নাতি তোমার সাথে যুদ্ধ করার জন্যে চলে গিয়েছিল ,মা বোনরা সবাই তোমার বাড়িতে আমি ও আমার বাবা কোন মতে দোড়ে গিয়ে বাসার সামনে W ট্রেঞ্চ কেটে রেখেছিলাম নিজেকে বাচানোর তাগিদে , কোন কারনে ওটা আমাদের এলাকায় সেদিন আর ঐ বোম্ব ফেলেনি। শুনেছি যাত্রাবারীর উপর ফেলেছিল ।
খুব সকালে শুনলাম আত্বসমর্পন করতে যাওয়া সৈ্নিক লজ্জা সরমের মাথায় কিছু বাংগালীদেরকে গুলি করে মেরেছিল , কিন্তু আমার খুব শখ এটা দেখতে হবে। রিক্সা নিয়ে চলে গেলাম ফার্মগেট কোথাও কোন মানুশ নেই একজন , দুজন দেখা যায় রাস্তায় । ময়মেনশিং রোডের পুর্ব পাশের রাস্তা দিয়ে এই পাকিরা যাচ্ছিল লাইন বেধে , আমরা কয়েকজন পশ্চিম পাশের রাস্তে দিয়ে এমন ভাবি যাচ্ছিলাম যদি কোন কারন বশতঃ এরা গুলি চালায় যেন নিজেকে বাচিয়ে রাখতে পারি। এভাবে যেতে যেতে হাজার হাজার পাকি সেনা হেটে হেটে যাচ্ছিল মাঝে মাঝেই আওয়াজ আসছিল " জয় বাংলা " তখন নিজেই একটু ভীতু হয়ে যেতাম এই বুঝি গুলি করে তোমার নাতিকে মেড়ে ফেলল। এভাবে আমরা আওলাদ হোসেন মার্কেটের সাথে লাল দিঘী ছিল ওটা পর্যন্ত যাওয়ার পর নিজেকে আর যাওয়টা নিরাপদ মনে করি নাই। এর মাঝে রাস্তার আইল্যেন্ড গুলিতে গাছ গুলি খুব বড় হয়েছিল , গাছ গুলির গোড়াতে অনেক অস্ত্র এই পাকিরা ফেলে যাচ্ছিল, আমিও এই ফাকে একটা .22 spanish silver pistol পকেটে নিয়ে এসেছিলাম দেখতে ভারি সুন্দর ছিল।
নানা ভাই অনেক কিছুই লিখলাম আরো হয়তো লেখা যেত, মানুশ আবার বোর হয়ে যায় কিনা, ১৬ ডিসেম্বরের এই টুকুই থাক। ১২, ১৩, ১৪ , ১৫ এই দিনগুলি ঢাকায় অনেক কিছুই আমি দেখেছি। পরে নানা তোমাকে সব বলব।
মুক্তিযুদ্ধে যাবার জন্যে দুবার চেষ্টা করেও যেতে পারিনি। সাথের বন্ধুরা চলে গিয়েছিল। বাবা বলত তোমার দুই ভাই নেই , আমার বাড়ী ঘর কখন এসে এরা পুরিয়ে দিবে ঠিক নাই তুমি অন্তত যেওনা। তারপরেও অক্টোবর মাসে আরক বন্ধুকে নিয়ে গফরগাওয়ের ভিতর দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম , হোসেনপুর নামক জায়গায় গিয়ে দেখি ওটা স্বাধীন , লুংগির মধ্যে কোচ মেরে স্যেন্ডো গেঞ্জী গায়ে প্রচুর মক্তিযোদ্ধা কাধে থ্রি নট থ্রি নিয়ে ঘুরতেছে । ওদের বললাম ভাই মুক্তিযুদ্ধে জয়েন করব , ওরা সবাই এমন ভাবে আমাদের দিকে তাকাল সবাই মনে হল আমরা বাচ্চা ছেলে আর মুক্তিযুদ্ধ নাকি শেষ পর্যায়ে তাই আমাদের যোগদান করার প্রয়জন নেই। নানা তুমি ভাল থাক আর তোমার সহযোদ্ধার সাথের সমস্যা শেষ হয়েছেকি ? আমার মামাত ভাই পোগোকে আমার সালাম দিও।
জ্যোতিষ
নানা ভাই আমার!তোর এটা গল্প নয় সত্যি ঘটনা।তোকে অনেক ধন্যবাদ আমাদেরকে ভুলিয়া যাওয়া স্মৃতি মনে করাইয়া দেওয়ার জন্য।তুই যেইদিনের ঘটনার কথা বলেছিস সেই দিন আমি কুমিল্লার বড়ুরার একটি ক্যাম্পে অবস্থান করেতেছিলাম।দেশ তখন প্রায় স্বাধীন হইবার পথে।আমরা তার আগে কয়েকটি বড় বড় অপারেশনে অংশ গ্রহন করেছিলাম।আমার সাথে অনেকেই জখম হইয়াছিল।আমার যখম অতি সামান্য ছিল,তারপরে ও আমি কাতরাচ্ছিলাম।পরে মনে হইয়াছিল আমার চেয়ে যাদের যখম বেশি তাহাদের যন্ত্রনা না জানি কত বেশি ছিল!নানা ভাই আমি আজ হইতে ক্রমান্বয়ে তোদের কাছে আমার যুদ্ধের ইতিহাস তুলিয়া ধরিব।আর মনযোগ দিয়ে তোদের দেখা ঘটনা শুনব।ভাল থাক নানা ভাই।আল্লাহ্ আমাদের সহায় হউক।
Jotish, your destiny was determined
Now, you know, why you could not join the FF, even after 2 attempts; because you was destined to play your current role. Now you are a soldier of grenade thower anti-FF Khaleda mojumder; you was selected for this role, not of an FF.
জ্যোতিষ,নানা ভাই আমার
বাংলাদেশের রাজনিতিতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সকলেরই আছে।জাতীয়তাবাদী হইলেই কেউ পচিয়া যায় না।এককালে যারা আওয়ামিলিগ করত তাহাদের অনেকেই এখন বিএনপি করে।তাছাড়া বিএনপি একটি বড় মাপের দল।তাহাদের দোষের কারনে তাহাদের কাছ থেকে মানুষ মুখ ফিরাইয়া নিতে পারে কিন্তু আবার যে তাহাদের দিকে মুখ ঘুরাইবে না তাহাই বা কে বলিতে পারে?এখানে একজন স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধা আছেন যিনি সব সময় সবাইকে জ্ঞান দানে ব্যাস্ত, কারনে অকারনে সকল কিছুতেই নাক গলাইবার চেষ্টা করিয়া থাকেন।তোর ডেসটিনেশন যদি খালেদা বা তার দল হইয়া থাকে তাহা হইলে ইহা মোটেই দোষের কিছু নহে।উনার মত লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা বিএনপি'র ছায়াতলে আছে তাতে করে তাহাদের মুক্তিযোদ্ধের সার্টিফিকেট কলা পাতা হইয়া যায় নাই।এইসকল আঁতেলের কাছ হইতে দূরে থাকবি।এরা যেমন দেশের জন্য ক্ষতিকর তেমনি প্রত্যেকটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর।ভাল থাক্ নানা ভাই।
জ্যোতিষ ভাই
বলতে গেলে এক দমে আপনার লেখাটা পড়লাম । ১৬ই ডিসেম্বর আমি ঢাকার বাইরে ছিলাম ।
অনেকেই সেদিনের চাক্ষুশ বর্ণনা দিয়েছেন যা' প্রায় ভুলতে বসেছিলাম আজ আপনার
লেখায় নতুন করে আবার সব কিছু উপলব্দি করতে পারতেছি । আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
একটা বিশেষ গ্রুপ ব্যাতিরকে বাংলাদেশের আপামর জনতা প্রত্যক্ষ কিম্বা পরোক্ষ
ভাবে স্বাধীনত যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলো ।কারো ভুমিকা ছোট করে দেখার উপায় নাই ।
আপনার দুই ভাই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং সংগত কারনেই আপনার আব্বা আপনাকে
যেতে দিতে চাননি । তারপরেও আপনী অংশ নেয়ার জন্য বের হয়েছিলেন । আসলে
আপনার লেখাটা পড়ে আমি এতো বেশী এক্সাইটেড যে ঠিকমতো গুছিয়ে আপনাকে
বোঝাতে পারছিনা । আপনার দুই ভাই , আপনার আব্বা আম্মা যারা দুই ছেলেকে
যুদ্ধে যাবার যাবার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং আপনাদের গোটা পরিবারকে আমার সেল্যুট ।
-----------------------------------------------------------------------
আমার একটা টি শার্ট আছে যা আমার খুবই প্রিয় । টি শার্টের পেছনে একটা
ছবি প্রিন্ট করা আছে - একটা রাইফেলের বেয়নেট দিয়ে মাটিতে পুতে রাইফেলের বাট উপরের দিকে
এবং তাতে একটা হেলমেট ঝুলানো আছে এবং একজোড়া বুট সামনে রাখা ।সামনে একজন
সহযোদ্ধা একহাটু ভেঙ্গে মাটিতে শ্রদ্ধার সাথে মাথা নীচু করে বসে আছে । ছবির ক্যাপশনে লেখা
আছে ALL GAVE SOME , SOME GAVE ALL .
ভালো থাকবেন ।
নানার বন্ধু , ভুমিভাইকে ।।
আপনাকে সালাম ও ধন্যাবাদ , প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদে দিয়ে ছোট করতে চাইনি। জীবিত যে কোন মুক্তিযোদ্ধাই আমাদের গর্ব সেই হিসাবে আপনাকে আমাদের মাঝে পাওয়া মানে আমাদের অনুভুতি কত উচুতে থাকে এটা সবাইকে বুঝানো যায়না।
জীবনে রাজনীতি কখনো করি নাই বা কোন শখও নাই। আমাদের দেশের রাজনীতি আমাদের দেশ কোথায় নিয়ে যাচ্ছে এটা আমরা সবাই রন্ধ্র রন্ধ্র টের পাচ্ছি। কিন্তু ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত অনেক কিছুই নিজের চোখে দেখেছি ,যেগুলি চোখের সামনে এখনো ভেসে বেড়ায়। এর মধ্যে থেকেই ছোট ছোট ক্লিপিং এর মত কিছু লিখি আমার নানা ভাইয়ের জন্যে । আপনিও ভাল থাকুন।
self edited
edited
দাদু, দাদুর বন্ধু (!) Vumi ভাই এবং বাডি Jotish
যখন থেকে বুঝতে শিখেছি ওনার মৃত্যু এভাবে হওয়াতে কষ্ট পেয়েছি। অধিকন্তু ওনার মৃত্যুর অনেক বছর পর পর্যন্ত মনে হয়েছে উপমহাদেশের দেশগুলিতে যে সরকার প্রধান হবে, সেই হয়ত এভাবে আততায়ীর হাতে মারা যাবে। তখনকার দিনে সাধারন মানুষ রাজনীতি নিয়ে তেমন মাথা না ঘামাতে উপর লেভেলে অনেক হানাহানি হতো বলে ধারনে। তবে এরশাদ বেচে যাওয়াতে এই খারাপ ধারনা মন থেকে অনেকটা চলে গিয়েছে। তবে ঐসব হত্যাকান্ডের সাথে যারা জড়িত ছিল, তাদের এখন আর তেমন মাথাব্যাথা নেই বলে, ওগুলোর পুনরাবৃত্তি কম হচ্ছে। বতমান সমস্যা ভিন্ন গোছের। তবে উনি নিজেও মনে হয় কিছুটা উচ্চ বিলাসী ছিলেন। তা না হলে কিভাবে তিনি এত অল্প সময়ের মধ্যে লন্ডনে তখন বাড়ী কিনেন ও বিদেশী ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য পরিমান আমানত রাখেন? নিজেই আবার আজীবনের জন্য প্রেসিডেন্ট হইতে চাইলেন!
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
পগো এমন নির্লজ্জ মিথ্যা প্রচারণার হেতুটা কি?...........
আপনি বঙ্গকন্ধূ সম্পর্কে লিখেছেন, "তবে উনি নিজেও মনে হয় কিছুটা উচ্চ বিলাসী ছিলেন। তা না হলে কিভাবে তিনি এত অল্প সময়ের মধ্যে লন্ডনে তখন বাড়ী কিনেন ও বিদেশী ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য পরিমান আমানত রাখেন?" বঙ্গবন্ধূর নামে বা তার পুষ্যদের নামে লন্ডনের কোথায় সেই বাড়িটি? ওখানে তো সবকিছুরই নিশ্চয় রেকর্ড আছে? বঙ্গবন্ধূর নামে বা তার পুষ্যদের নামে নিশ্চয় বাড়িটির একটি রেকর্ড থাকার কথা। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধূর দল ৩০ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল। যারা বঙ্গবন্ধূর মরা লাশ খাইতেও দ্বিধা করে না, তারা এতদিন এ তথ্যটি দিতে পারলনা? জাতিকে জানাইতে পারলনা তাদের নেতার দুর্ণীতির কথা? বড়ই আফসোস!
আর বিদেশী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধুর উল্লেখযোগ্য পরিমান আমানত? কোন সে ব্যাংকটি? সে তথ্যটি জাতিকে জানাইতে পারলে ভাল হত না?
আপনার নেতা জিয়া তো ঢাকডোল পিটিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করেছিলেন সেই আমানতের খোঁজে। মরহুম সাইফুর রহমানকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ফলাফলটি জাতিকে জানতে দেয়া হয়নি। কারন, তা'হলে দেশের মানুষ জিয়া নামের কুচক্রীটির ভন্ডামী ধরে ফেলবে। তবে বঙ্গবন্ধূ শেখ মুজিবুর রহমান নামের বাংলার প্রেসিডেন্টের নামে ঢাকার একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে মাত্র বাইশ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
আপনার সতীর্থরা অহরহ মিথ্যা লিখে, গায়ে মাখি নাই। আজ সত্যিই কষ্টও পেয়েছি.......
তবে একটি ইংগিতও পেয়েছি, যে আপনি তা ধারনার বশে লিখেছেন। বঙ্গবন্ধুর সব কিছুই মানুষের জন্য। এমনকি তার মরা লাশটিও এদেশের এক শ্রেণীর মানুষের জন্য এবং সে শ্রেণীটি আপনারা।
কবি রবি ঠাকুর লিখেছিলেন "সত্যি সেথায় দারুন সত্য, মিথ্যা ভীষণ মিথ্যা"। এটি বঙ্গবন্ধুর জন্য প্রযোজ্য। আর আপনারা আঁধারের পথ বেয়ে আঁধারের দিকে ছুটছেন। আমি একবার বলেছিলাম আপনাকে সময়মত জবাব দিব। আজ বলছি, আমি যে ঘৃণা ছড়াই তা মিথ্যুক আর ভন্ডদের জন্য। আর আঁধারের দিকে ধাবিত হওয়া আঁধারের পথিকদের জন্য।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
হৃদয় ভাই--
মানুষকে বিভ্রান্ত করার উছিলায় কেউ কেউ মিথ্যা বচন শুরু করে ধারনার বশে। আসলে এইটি একটি ইচ্ছাকৃত উছিলা। ক্রমান্নয়ে এই ধারনার বশের কথাটা তারা এস্টাবলিশ করে সুক্ষ ভাবে। আপনি লক্ষ্য করবেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যত বিভ্রান্তি, তার ৯৫ শতাংশই ধারনা করেই প্রচারনা করা হয়। কেননা, মিথ্যাচার তাদের স্বভাব, মিথ্যাচার তাদের দৈনন্দিনের কর্মকান্ড। আর মিথ্যার গল্প সাজিয়ে এরা তৈরী করে বিভ্রান্তির নাটক!
ভাই পগো ।।
কোথায় তুমি , নানার সাথে পত্রের মারফত খুনসুটি করছি আর তোমাকে মনে করছি । দাদু পেয়ে সবকিছু ভুইল্লা গেলেতো হবেনা। কিছু একটা বল।
শেখ সাহেব উচ্চকাংখি ছিল কিনা এটা জানিনা কিন্তু ১৯৭২ সালের পর যখন থেকে উনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে ছিলেন কোন কিছুই ঠিক মত করতে পারছিলেননা এটা বাস্তব সত্য কথা। সারা জীবন করেছিল দক্ষিন পন্থী রাজনীতি জেল থেকি বের হয়ে উনি হয়ে গেলেন বামপন্থী রাজনীতিবিদ। ভারত আর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়, এখন স্বাধীন দেশের সর্বময় ক্ষমতায় বসেন এক জন বিপুল জন প্রিয় ডান পন্থী রাজনিতিবিদ , যেহেতু আমাদের দেশ স্বাধীন করাতে সোভিয়েতের বেশি সাহায্য ছিল , যার জন্যে প্রভাব খাটায় মোজাফফর আর মনি শিং । এভাবে শেখ সাহেবের ক্ষমাতার সময় ছিল একটা জগা খিচুরি সরকার আবার এক ফাকে কি মনে করে এক রাত্রে হঠাৎ করে ঘোষনা দিয়ে বসলেন তিনি লাহোরে ইসলামিক সম্মেলেনে যোগ দিচ্ছেন। ভারত স্বাভাবিক চোখে এটাকে মেনে নেয়নি, ওখানে যাওয়ার পর শেখ সাহেব দেশে ফেরার পুর্বে ভূট্টোকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রন দিয়ে আসেন আর ভুট্টো এটাকে লুফে নিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই ঢাকা সফরে এসে পরেন।
শেখ সাহেবের সময়টাই ছিল এধরনের, কিছুতেই ওনি স্বস্তি পাচ্ছিলেননা, একদিন বাম অন্য দিন ডান যার জন্যে প্রসাশনের কিছু গুছিয়ে উঠছিলনা। আর বাকী ওনার সাংগ পাংগরা লুট নিয়ে এত ব্যাস্ত ছিল কোথায় কি হচ্ছে এটা নিয়ে সময় নষ্ট করতে চাচ্ছিলনা। শেষ মেষ বাকশাল গঠন করে শেখ সাহেবকে আজীবন প্রেসিডেন্ট ঘোষনা একদল, এক নেতার এক দেশ , বংগবন্ধুর বাংলাদেশ শ্লোগান দিয়ে ওদিনই শেখ সাহেবকে আওয়ামও লিগেরা মেরে ফেলেছিল ডালিম , ফারুকরা হলো গিয়ে একটা উছিলা। এব্যাপারে আমি শেখ মনিকে দায়ী করব বেশী।
শেখ সাহেবের কোন বাড়ি লন্ডনে ছিল বলে কেহ জানেনা। এটা আমার মতে একটা ডাহা মিথ্যা কথা। ব্যংক ব্যালেন্স এর ব্যাপারে সবার একটা হিসাব রাখা দরকার । বাংলাদেশের তখন কোন নিজস্ব জিডিপি বলে কিছু ছিলনা। ফরেন কারেন্সি আসবে কোথা হতে ? সবইতো আসতো অনুদান হিসাবে ,আর আমাদের বাজেট কি হতো ১৮০০ কোটি টাকা থেকে ২২০০ কোটি টাকা এখান থেকে টাকা কত টাকা মেরে সেটা বিদেশি ব্যাংকে রাখা যাবে? ওনার ব্যাংক ব্যালেন্স বা ফরেন একান্ট ছিল কিনা আজো শুনিনি।
প্রিয় Jotish............
আমি পগোকে উদ্দেশ্য করে একটা লেখা পোষ্ট করেছি। তারপর আপনারটি আমার নজরে আসল। নিচের তথ্যটি দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ.....
"শেখ সাহেবের কোন বাড়ি লন্ডনে ছিল বলে কেহ জানেনা। এটা আমার মতে একটা ডাহা মিথ্যা কথা। ব্যংক ব্যালেন্স এর ব্যাপারে সবার একটা হিসাব রাখা দরকার । বাংলাদেশের তখন কোন নিজস্ব জিডিপি বলে কিছু ছিলনা। ফরেন কারেন্সি আসবে কোথা হতে?"
==============================================
আপনার লেখাটিই তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকারের বাস্তব চিত্র। বঙ্গবন্ধুর রাশিয়া আর ইন্ডিয়ার সাথে ভাল সম্পর্ক, ওআইসি সম্মেলনে যোগদান, ভূট্টোকে আমন্ত্রন সবকিছুই ছিল দেশের স্বার্থকে কেন্দ্র করে। আর অস্হিরতাটাও ছিল দেশের স্বার্থকে কেন্দ্র করেই।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
পগো,নাতি আমার
তোকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে স্মরন করেছিস বলিয়া।উনি লন্ডনে বাড়ী কিনিয়াছিলেন এই কথাটা অবশ্য আমি আর শুনি নাই।ইহা সত্য হইলে ও হতে পারে।তবে আমি যত কাছে হইতে উনাকে দেখেছি তাতে আমার কাছে মনে হইছিল উনি ব্যাক্তিগত ভাবে সৎ ছিলেন।আমি অন্য মানুষের কাছে ও এই একই কথা শুনেছি।কি বলব দাদু স্বাধীনতার পর আওয়ামিলিগের চ্যালা চামুন্ডারা অসম্ভব রকম ভাবে বাড়িয়া গিয়াছিল।তাদের চুরি চামারি বহু গুনে বাড়িয়া গিয়াছিল।বঙ্গবন্ধু একা সৎ হইলে তো চলবে না।উনার পুরো প্রশাসন ছিল চোরে ভর্তি।একটি কথা সবাই স্বীকার করে যে উনি সংগঠক হিসাবে যত উচুমানের ছিলেন ঠিক রাষ্ট্রপতি হিসাবে ততটূকুই নিচুমানের ছিলেন।যাই হউক আমি ব্যাক্তিগত ভাবে উনাকে অনেক শ্রদ্ধা করি এবং উনার হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখিয়া যাইতে পারিব বলে মনে বড়ই শান্তি পাইতেছি।যতই বলিস না কেন দাদু এই রকম হত্যাকান্ড কিন্তু সমর্থন করা যায় না।যাই দেখি নামাজের সময় হইয়া যাইতেছে।গোসল করিয়া মসজিদের দিকে যাইতে হইব।তোর দাদীর জন্য মনটা মাঝে মাঝে খুব খারাপ হইয়া যায়।নিরবে তখন চোখের পানি ফেলি।ভাল থাক্ দাদু.
Adom Ali, Bhondo dadu....
Adom Ali Bhondo dadu,
Please wash your lower back well when you take shower. Lot of Awami-Baksali "goo" is stickng with your lower back. Make sure you pray facing Delhi. And if try to deceive people that you that you are one of the independent minded you got caught your pant down. As a Awami-Baksali gestapo it is expected that you would love a Stalin like Mujib.
আ আ ভাইয়ের নাতি জ়্যোতিষ
আপনার কাছে আমি একটা ধন্যবাদ পাওনা আছি । আমাকে কেন্দ্র করে আ আ ভাইর ই মেলায়
আগমন । আপনী পেলেন একজন নানা আর পোগোর মত মামাত ভাই ।
হ ভুমি--
হ ভুমি তুমি ঠিক কথাই কইছ।তোমাকে কেন্দ্র করিয়া আমি ও নাতিদেরকে পাইলাম কিন্তু তোমার কাছে রইয়া গেলাম অবিশ্বস্থ।আমি যে তোমাকে চিনি তাহা তুমি বশ্বাস করতে চাও না।যাই হউক ভাল থাক।দোইয়া করি আল্লাহ্ পাক যেন তোমাকে ভাল রাখেন।
আ আ ভাই
আমিন ।