সাক্ষাতকারের অপ্রচারিত অংশ পেতে বিএনপি প্রলোভন দেখাচ্ছে'
Thu, Oct 1st, 2009 12:51 am BdST Dial 2324 from your mobile for latest news
সৈয়দ নাহাস পাশা,লন্ডন থেকে
লন্ডন, সেপ্টেম্বর ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)--যুক্তরাজ্যের বাংলা টিভি কর্তৃপক্ষ বলেছে, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুল জলিলের সাক্ষাতকারের অপ্রচারিত অংশটি হাতে পাওয়ার জন্য প্রধান বিরোধীদল বিএনপি 'প্রলোভন' দেখাচ্ছে।
মঙ্গলবার রাতে বাংলা টিভি তাদের সংবাদে দাবি করে বিএনপি এজন্য নগদ টাকাসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখাচ্ছে।
মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তার দল সম্পর্কে নিজের সা¤প্রতিক আলোচিত নেতিবাচক মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। তিনি দলের শীর্ষ নেতাদের সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কথিত নির্বাচনী সমঝোতার যে অভিযোগ তাকে উদ্ধৃত করে তোলা হয়েছে তারও একটি জবাব দেন জলিল।
আবদুল জলিল বলেন, ওই সমঝোতা বলতে তিনি একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সমঝোতার কথাই বলেছেন।
একই দিন বাংলা টিভিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে আবদুল জলিল প্রায় অনুরূপ বক্তব্য দেন।
আবদুল জলিল আওয়ামী লীগের ত্যাজ্যপুত্র
আবদুল জলিল আওয়ামী লীগের ত্যাজ্যপুত্র
সিরাজুর রহমান
প্যাস্টর মার্টিন নাইমোলার ছিলেন জার্মানির একজন নাৎসিবিরোধী ধর্মযাজক, কবি ও গ্রন্থকার। তার জন্ম ১৮৯২ সালে, মারা গেছেন ১৯৮৪ সালে। তার ফার্স্ট দে কেম (ওরা প্রথমে এসেছিল) শীর্ষক কবিতাটি বিশ্বের সর্বত্র জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কবিতাটির প্রথম কয়েক লাইন এ রকমঃ ওরা এসেছিল ট্রেড ইউনিয়নপন্থীদের ধরবে বলে//আমি প্রতিবাদ করিনি, কেননা আমি ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য নই//ওরা এলো ইহুদিদের ধরতে//আমি প্রতিবাদ করিনি, কেননা আমি ইহুদি নই//ওরা এসেছিল জিপসিদের ধরতে//আমি প্রতিবাদ করিনি, কেননা আমি জিপসি নই//তার পর ওরা এলো আমাকে ধরতে//কিন্তু আমার হয়ে প্রতিবাদ করার মতো তখন কেউ অবিশিষ্ট ছিল না।
স্পষ্টতই নাইমোলার নাৎসিদের ক্ষমতা লাভের কৌশলের কথা লিখেছেন এ কবিতায়। জনকয়েক অনুগত নাৎসি আর স্টর্ম ট্রুপার (ঝটিকা) বাহিনীকে ব্যবহার করে এডলফ হিটলার জার্মানির একচ্ছত্র অধিপতি হয়েছিলেন এবং তার পর বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সে প্রক্রিয়ায় সারা বিশ্বের ৫০ মিলিয়নেরও (পাঁচ কোটি) বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল, গোটা মানবজাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছিল। হিটলারের টেকনিক ছিল এ রকমঃ কেউ তার সমালোচনা করলে, এমনকি তার মতবাদের প্রতি সমর্থন ঘোষণা না করলে, স্টর্ম টুপাররা তাকে অপমান, মারধর করবে, তার বাড়ি কিংবা ব্যবসায় পুড়িয়ে ফেলবে। পরবর্তীকালে তাদের সাথে যুক্ত হয় তাদের কিশোর সংস্করণ হিটলার ইয়ুথ। বলাবাহুল্য স্টর্ম ট্রুপাররা তখন অসাধারণ ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত, তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শিখেছিল।
ইহুদিরা ঝানু ব্যবসায়ী, জার্মানির অর্থনীতি তখন তাদের হাতের মুঠোয়। জার্মান জাতি তখন দারুণ অর্থসঙ্কটে ভুগছে, তাই তাদের ইহুদি জাতির বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলা খুবই সহজ ছিল। ইহুদি নিধনের পর জিপসি, মানসিক রোগী, সমকামী ইত্যাদি বহু অপবাদ দিয়ে আরো লাখো লাখো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। গোড়াতেও বহু জার্মান নাগরিক নাৎসিদের অত্যাচার আর বাড়াবাড়িতে শঙ্কিত ছিলেন, কিন্তু স্টর্ম ট্রুপার ও হিটলার ইয়ুথদের হাতে নির্যাতনের ভয়ে তারা মুখ খোলেননি। কিন্তু পরে কেউ কেউ মুখ খুলে চরম মূল্য দিয়েছেন। এমনকি হিটলারের জেনারেলদেরও কয়েকজন একাধিকবার ফ্যুয়েরারকে (নেতা) হত্যার ব্যর্থ ষড়যন্ত্র করেছিলেন। একবার তো ফ্যুয়েরারের বাঙ্কারেও বোমা ফাটানো হয়েছিল। কয়েজন শীর্ষ নাৎসি ও সামরিক কর্মকর্তাকে সে জন্য গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
বিলম্বে আক্ষেপ
আবদুল জলিল আক্ষেপ করেছেন, তার (নেত্রীর) বিরোধিতা না করা, তার বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ানো, আমার ভুল হয়েছিল। আমার অপরাধ ছিল তার প্রতি অনুগত থাকা। আবদুল জলিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অন্যান্য রাজনীতিকের সাথে তার একটি তফাত ছিল। বহু রাজনীতিক একান্তভাবে রাজনীতির ওপর নির্ভরশীল, রাজনীতি না করলে তাদের ভরণ-পোষণও চলে না। শুনেছি আবদুল জলিলের পরিবার তার অঞ্চলে বিত্তশালী ও মর্যাদাশীল।
এক-এগারোর পরবর্তী সেনাসমর্থিত অসাংবিধানিক সরকারের আমলে আরো বহু রাজনীতিকের মতো তিনিও গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার স্থলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়। চিকিৎসার জন্য প্যারোলে আবদুল জলিল বিদেশে গিয়েছিলেন, ফিরে এসে জামিন পান, কিন্তু সে সাথে আমেরিকা থেকে সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ আসে, তাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব হাতে নেয়ার পরিবর্তে বিশ্রাম নিতে বলা হয়। আবদুল জলিলের উক্তি অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ডিজিএফআইর সাথে বন্দোবস্ত করে পলাতক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেন এবং তাকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়। গত জুন মাসের কনফারেন্স উপলক্ষে আওয়ামী লীগে অনেক তোলপাড় হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্থায়ীভাবে সাধারণ সম্পাদক হন, দীর্ঘ বিশ্রামের পর আবদুল জলিলকে নামসর্বস্ব উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য করা হয়।
আবদুল জলিল সে জন্যই দুঃখ করছিলেন লন্ডনের বাংলা টিভির সাথে এক সাক্ষাৎকারে। কিন্তু সে সাক্ষাৎকার প্রচারিত হতে পারেনি। শুনেছি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর লোকজন বাংলা টিভির ওপর যথেষ্ট চাপ দিয়েছিল, ভয় দেখিয়েছিল। কিন্তু ইন্টারনেট সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ নিউজ টোয়েন্টিফোর জলিল সাহেবের সাথে সাপ্তাহিক জনমত সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশার মোটামুটি বিস্তারিত একটা সাক্ষাৎকার প্রচার করে। বাংলা টিভিকে দেয়া হুমকিগুলো যে ফাঁকা হুমকি ছিল না তার প্রমাণ পাওয়া গেছে বার্মিংহামে। আবদুল জলিল সেখানে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে গিয়েছিলেন। গাড়ি থেকে নামার পর ১০-১২ জন তার ওপর দৈহিক হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, তারা যুক্তরাজ্য যুবলীগের লোক। জলিল সাহেবের সঙ্গী-সাথীরা কোনোমতে তাকে সে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ভেতরে টেনে নিয়ে যান। হামলাকারীরা তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে অদৃশ্য হয়।
জার্মান যাজক ও কবি মার্টিন নাইমোলারের কবিতাটির সাথে এ পরিস্থিতির কোনো মিল লক্ষ করেছেন কি? হিটলারের স্টর্ম ট্রুপাররা এভাবেই মিডিয়ার মুখ বন্ধ করেছিল, এমনকি লাইব্রেরিগুলোর বইপত্রও তারা পুড়িয়ে দিয়েছিল। ব্রিটেন একটি গণতান্ত্রিক দেশ, এ দেশে বাক ও সংবাদের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু এখানের একটা টেলিভিশন সংস্থা যথেষ্ট আয়োজন ও অর্থ ব্যয় করে গৃহীত একটা সাক্ষাৎকার প্রচার করতে সাহস পায়নি, বাংলাদেশ সংসদের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এবং দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দলের সদ্য-সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ দেশের এক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দৈহিক আক্রান্ত হয়েছেন।
ব্রিটিশ সরকারের কর্তব্য
এসবের জন্যই বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের যুক্তরাজ্য শাখার কর্মীরা দায়ী বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে হিটলারের স্টর্ম ট্রুপারদের আচরণের যথেষ্ট মিল দেখা যাচ্ছে। আবদুল জলিলের অতি বিলম্বে বোধোদয় হয়েছে, অতি বিলম্বে তিনি বুঝতে পেরেছেন যে অনেক আগেই এ ধরনের নাৎসিসুলভ প্রবণতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, নিদেন নেত্রীর কোনো কোনো কাজের প্রকাশ্য প্রতিবাদ করা তার ও অন্য শুভবুদ্ধির রাজনীতিকদের উচিত ছিল।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই নাৎসিসুলভ প্রবণতাটির আবির্ভাব হয় ১৯৯৬ সালে, যখন নতুন ক্ষমতাসীন শেখ হাসিনা তার গদি চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে এক দিকে প্রশাসনের দলীয়করণ করেন, অন্য দিকে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অসম্ভব করে তোলার জন্য সশস্ত্র ক্যাডার গঠন করেন। তাদের কার্যকলাপের একটা দৃষ্টান্তঃ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ড. ইকবালের সঙ্গীরা ঢাকায় বিএনপির মিছিলে গুলি চালায় এবং তাতে চারজন মারা যান। হাসিনার প্রথম সরকারের স্টর্ম ট্রুপারদের কেউ কেউ মইন-ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে গ্রেফতার হয়েছিল। কিন্তু হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তাদের অনেককে একে দুয়ে মুক্ত করা হয়েছে। এ সরকারের প্রথম কমাস বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছে, এখন আওয়ামী স্টর্ম ট্রুপাররা আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে ভিন্নমত অনুসারীদের নিধন করার কাজে হাত দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলোর সেমসাইড হত্যা-নির্যাতনের এই হচ্ছে রহস্য।
আওয়ামী লীগ রাজনীতির এই নাৎসিসুলভ প্রবণতা এখন রফতানি করা হয়েছে ব্রিটেনে যে ব্রিটেন নাৎসিবিরোধী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল। বাংলা টিভি কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের স্বাধীন সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে হুমকিদানকারীদের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কাছে অভিযোগ করা, ব্রিটিশ সরকারের উচিত উভয় ঘটনার জন্য দায়ী দুষ্কৃতকারীদের কঠোর দণ্ড দেয়া। এ ব্যাপারে বিলম্ব করা হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে দাঁড়াতে পারে।
জলিল সাহেব বিলম্ব করে ফেললেও বাংলাদেশের মানুষের হাতে হয়তো এখনো কিছু সময় আছে, হয়তো এখনো সব গণতন্ত্রের ও সদিচ্ছার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ালে ত্রিশের দশকের জার্মানিতে যেসব বর্বর কাণ্ড ঘটেছিল বাংলাদেশ তার থেকে রক্ষা পেতে পারে। ইন্টারনেট সংবাদ সংস্থার সাথে সাক্ষাৎকারে আবদুল জলিল বিলম্বে হলেও এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন, যার পরও নিষ্ত্র্নিয় থাকলে বাংলাদেশের মানুষ জার্মানির সেসব নিষ্ত্র্নিয় ভালো মানুষের মতোই পরে অসহায়বোধ করবে।
নির্বাচনে গোয়েন্দা বাহিনীর ভূমিকা
দেখা যাক বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে কী কী তথ্য ফাঁস করেছেন আবদুল জলিল। তিনি বলেছেন, সংস্কারপন্থী হওয়ার শাস্তি হিসেবে সিনিয়র নেতাদের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, কিন্তু যেসব নাবালককে ক্যাবিনেটে নেয়া হয়েছে তাদের ৯০ শতাংশই মইন-ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে সংস্কারের ধুয়া তুলেছিলেন। জলিল সাহেবের বোঝা উচিত এসব মন্ত্রী পরে নাকে খত দিয়ে এবং শতকরা ১১০ শতাংশ আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গায়ের গন্ধ দূর করেছেন। টেলিভিশনের খবরেও দেখেছি একাধিক ক্যাবিনেট মন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করছেন। এরা এখন বাংলাদেশী নাৎসিদের দলে ভিড়ে গেছেন, যোগ্যতার চেয়ে হাসিনার প্রতি অন্ধ আনুগত্যের বিনিময়ে তারা মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর ব্যাপক ভূমিকার কথা বলেছেন আবদুল জলিল। এটি অবশ্য কারো জন্যই নতুন খবর নয়। জেনারেল এরশাদ তার সামরিক স্বৈরতন্ত্রী শাসনকালে (১৯৮২-৯০) এ সংস্থাটির ব্যাপক ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে। অভ্যুত্থানের অজুহাত সৃষ্টির জন্য দুর্নীতির গুজব দিয়ে দেশ সয়লাব করে দেয়ার কাজে নাকি এ সংস্থাটিকে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এ সংস্থাটিকে ব্যবহার করেই নাকি এরশাদবিরোধী গণতন্ত্রের আন্দোলনে ফাটল সৃষ্টির জন্য বেশির ভাগ সময় শেখ হাসিনাকে দূরে রাখা হয়েছিল। বিডিআর বিদ্রোহের পরবর্তী কিছু দিনে অনেকে লিখেছেন, সবাই বলেছেন যে, রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলেই ডিজিএফআই এবং অন্যান্য সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জাতির জনক শেখ মুজিব, প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীর ৫৭ জন সিনিয়র কর্মকর্তার হত্যা ঠেকাতে পারেনি।
আবদুল জলিল বলেছেন, শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার বেশির ভাগ সদস্য ডিজিএফআইর সাথে সম্পর্কযুক্ত। তার উক্তির জের ধরে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মির্জা আব্বাসও বলেছেন, তার দলের নেতাদেরও কেউ কেউ উপরি উক্ত সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাথে যোগাযোগ রাখেন। সেটিও নতুন কথা নয়। ২০০৭ সালের ২৮ অক্টোবর রাতে এ বাহিনীর লোকজনই বিএনপির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্যকে মরহুম এম সাইফুর রহমানের বাড়িতে নিয়ে ডেলিভারি দিয়েছিল।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সে সময় বিএনপিকে বিভক্ত এবং খণ্ডিত করার কোনো চেষ্টারই ত্রুটি রাখেনি এ বাহিনী। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগের দুই দিনে ডিজিএফআই বিএনপির হাজার হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল বলে অভিযোগ ছিল; বলা হয়েছিল যে বিএনপির এজেন্ট ও কর্মীদের ভোটকেন্দ্রের আশপাশে না যেতেও ডিজিএফআই হুঁশিয়ার করে দিয়েছিল। আবদুল জলিলের উক্তিতে সেসব অভিযোগের সত্যায়ন পাওয়া যাচ্ছে এখন। তিনি বলেছেন, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে বন্দোবস্ত ও সমঝোতা করেই আওয়ামী লীগ সে নির্বাচনে জিতেছিল। বিএনপি বরাবরই বলে আসছে যেকোনো একটা মাস্টারপ্ল্যান-এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে অবিশ্বাস্য রকম বিজয় দেয়া হয়েছে। জনমতের গতি-প্রকৃতি যেমন ছিল তাতে আওয়ামী লীগের এ বিরাট বিজয় অসম্ভব ছিল বলে কোনো কোনো বিশ্লেষক তখনো বলেছিলেন। প্রধান বিরোধী দলের সে অভিযোগের ভিত এখন পোক্ত হলো।
নিষ্ত্র্নিয়তা সর্বনাশ ডেকে আনে
একটা সন্দেহ এখানে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর অসাধারণ ভূমিকার কথা সবাই জানেন, না জানলেও অন্তত বিশ্বাস করেন। এ ভূমিকার কোনো সমালোচনা হলেই এক শ্রেণীর র-পোষা ভারতীয় সাংবাদিক কোরাসে জিগির তোলেন যে পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর লোকজন বাংলাদেশে গিজগিজ করছে। ভাবখানা এই যে, বাংলাদেশে ছড়ি ঘোরানোর একচেটিয়া অধিকার একমাত্র র-এরই থাকা উচিত। শেখ হাসিনার কিছু ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি র-এর এজেন্ট বলে কেউ কেউ আমাকে বলেছেন। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, ডিজিএফআইর ওপর র-এর প্রভাব কী পরিমাণ এবং সে প্রভাব কিভাবে কাজ করে?
আবদুল জলিলের এ সময়োচিত হুঁশিয়ারিতে ঈপ্সিত ফললাভ হবে কি? সংস্কারপন্থী বলে যেসব প্রবীণ নেতাকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে, অপ্রাসঙ্গিক করে রাখা হয়েছে, তারা কি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী-নাৎসিবাদী কাণ্ডকারখানাগুলোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন? নাকি ত্রিশের দশকের জার্মানির ভালো মানুষদের মতো মুখ বুজে নিষ্ত্র্নিয় হয়ে থাকবেন? শেখ হাসিনা গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে গলা ফাটান। একটা অত্যন্ত সন্দেহজনক ও বিতর্কিত নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বলে তিনি ও তার সমর্থকরা দাবি করেন যে যা-খুশি-তা-ই করার অধিকার তার আছে। কিন্তু এ কথাও মনে রাখা দরকার যে, হিটলারও ১৯৩৩ সালে একটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন এবং সেভাবেই রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পেয়েছিলেন। ক্ষমতাসীনরা যদি রাষ্ট্রক্ষমতাকে অশুভ লক্ষ্যে ব্যবহার করতে চান, তার চেয়ে বিপজ্জনক আর কিছু হতে পারে না।
আরো কিছু মিল আছে। হিটলারের নাৎসি ও স্টর্ম টুপাররা ১৯৩৩ সালে জার্মানিতে একটা ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছিল। তারা জার্মান সংসদ বুন্ডেস্টাগ পুড়িয়ে ফেলে। হিটলারকে তোষণের আশায় তার পরের নির্বাচনে সে দেশের এস্টাব্লিশমেন্ট তাকে সমর্থন দিয়ে জয়ী করে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ক্যাডার ২০০৬ সালের অক্টোবরে গোটা দেশ অচল করে দিয়েছিল, তারা লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে এবং রাজধানীর রাজপথে বেশ কয়েকজনকে হত্যা করেছিল। তার পরই দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং একটা সেনাসমর্থিত সরকার গদি দখল করে। বাংলাদেশের মানুষ এখনো ভুলে যাননি যে শেখ হাসিনা স্বয়ং এ সরকারকে তার আন্দোলনের ফসল বলে বর্ণনা করেছিলেন এবং ২০০৭ সালের ১৫ এপ্রিল জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সে সরকারের সব কাজকর্মকে বৈধতা দেয়ার আগাম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির কথাও বলতেই হয়। কোনো সরকারকে স্বৈরতন্ত্রী প্রবণতা থেকে বিরত রাখার কাজে বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। ২৮ ডিসেম্বরের নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিএনপি দলটি যেন বিধ্বস্ত, ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে। এই নয় মাসেও তারা গায়ের ধুলা ঝেড়ে উঠে দাঁড়াতে পারছে না। দলটির পুনর্গঠন কবে সমাধা হবে সে সম্পর্কে কোনো ধারণা এখনো সম্ভব নয়। বিএনপি নেতারা বুঝতে পারছেন না যে এই বিলম্ব তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করছে না।
লেখকঃ বিবিসি বাংলা বিভাগের খ্যাতিমান সাংবাদিক (সুত্র, নয়া দিগন্ত, ০১/১০/২০০৯)
সাক্ষাতকারের অপ্রচারিত অংশ পেতে বিএনপি প্রলোভন দেখাচ্ছে'
সমস্যাটি কোথায় ? এই সাক্ষাৎকারটি প্রচারের জন্যে বিনপি কয়েক কোটি টাকা খরচ করা প্রয়জন হলেও করা উচিৎ এবং এটা ঘোষনা দিয়েই করা প্রয়জন। এখানে বিনপিরতো কোন দোষ নেই। সুইস ভদ্রলোক এখানে কি সমস্যা দেখলেন আমার মাথায় অসছেনা। বিনপি কি এটাকে fabricate করেছে কিনা সেটা হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে আর এরকম কিছু হয়েছে বলে এখনো শুনিনি।
আর কতো নীচে নামবেন?
ত্রিশ/চল্লিশ বছরের জংলী শাসকদের/প্রজাদের নিয়ে এত কথা হয়। সদ্য জংলীরা এখন ক্ষমতার মসনদে বসে আছে। ঐ জংলীদের কিছু গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাবার ভয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে কত কথা বলছেন। লজ্জা বলতে কোন শব্দ মনে হয় আপনাদের অভিধানে নেই। থাকলেও হয়ত মুছে ফেলেছেন। নিচের ভিডিওটা দয়া করে দেখুন এবং ভাবুন।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
ei video ta dekhle asolei oba
ei video ta dekhle asolei oba lage er por o ei dol er supporter ra kivabe eta k justify korar try kore.
ei netri abar nobel piece prize er jonno asha kore!! shame on our leaders
pogo: I saw the video; did you know before that it will happen?
pogo, thanks for the video; I saw the contents lots of times earlier. My question to you, "before 10/28/2006, did you know it will happen?".
Did you know that the day BNP gov would resign, or CTG will take over exactly things like these would take place?
Did you know, during the last BNP gov exact situation were created for these acts to take place?
I do not know about you, I visualiged before 10/28/2006 that all these will happen.
villager: আপনার প্রশ্নের উত্তর
Ms. villager: Thanks for your response. প্রশ্নের উত্তর দেয়া বলা ঠিক হবে না। বরং একটা কথোকথন করার চেষ্টা করছি। No, not before 10/28 I did not think that this would happend. I did not think that way because anyhting like this happened when AL finished its term and resigned in 2001. It did not happen when BNP finished its term and resigned in 1995. Although AL formed "জনতার মঞ্চ" in 96 and rewarded জনতার মঞ্চের নায়কদের. AL is still rewarding the "heros" of "জনতার মঞ্চ." However, I thought something would happen at the end of December when Hasina pulled out from Election participation.
ম্যাডাম, I do not want to get you or myself distracted from the original topic. My initial comment was for those who believed that BNP did something wrong to get unpublished portion of Jalil's interview. You mentioned that you visualized the content of video before 10/28/06 which perfectly reasonable since I assume that you have not been a policy maker of AL who have done this. Rather, Mr. Jalil was the GS of AL. Mr. Jalil must be knowing lot more about these incidents than all people in this forum combined. So, there is nothing wrong to lure the news media to disclose part of Jalil's interview that has not been public yet. If there were a CTG government or BNP governemnt in power now, the news media would have been forced to disclose it. Since BNP is not in power, it can request or lure the news media to do the same. That will reveal some conspiracies and/or blueprints of these incidents. I think it is the right thing to do. It is sad that a person like you are with those who are for hiding the conspiracy. That's all. Thanks for reading.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
The Last Episode of Jalil's TV Interview
The October 28, 2006 events were pre-planned by the AL's supreme leaders based on the information that the BD Army would eventually interfere if the fascism still continues countrywide.
Obviously the then AL's GS Mr. Abdul Jalil has more information, and I believe he disclosed a very little part of it during his London interview. The AL was succesfull, and managed the said TV media, somehow.
Nevertheless, it still remains as a part of responsiblity of that TV Channel, and therefore, they should act honestly to release the rest of the interview session so that the people could hear and see, indeed how Mr. Abdul Jalil concluded his interview session.
JACKOB RAIHAN
JR ভাই, হাসিনা সরকারের পতন হলেই এই সত্যতা জানা যাবে
২৮ অক্টোবর ২০০৬, অবশ্যই পুর্ব পরিকল্পিত ছিলো। নইলে খালেদা জিয়ার সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকে সম্পুর্ণ ইয়াজুদ্দীন সরকারের আমলে মইন উ আহমেদ নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশের সেনাবাহিনী কোন অরাজকতার বিরুদ্ধে কো ব্যাবস্থাই নেয়নি। দেশে যখন লাগাতার অবরোধের কারনে দেশের মানুষের প্রান ওষ্টাগত সে সময় মইন উ আহমেদ আর সেনাবাহিনী ঠুটো জগন্নাথের মতো চেয়েই ছিলো।
কিন্তু রাত দশটায় অভিযোগ ফাইল করে ভোর হবার আগেই যখন খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হচ্ছিলো, তখন মইন উ আহমেদের সেনাবাহিনী অত্যান্ত দ্রুততা আর ক্ষীপ্রতার পরিচয় দেয়। তাহলে প্রশ জাগতেই পারে, কেনো তার সেনাবাহিনী ২৮ অক্টোবর ২০০৬ সম্পুর্ন দর্শকের মতো নিরব ছিলো।
যদি কোন দিন হাসিনার সরকারের পতন হয়, যদি কোন দিন অন্য কোন সরকার আসে সে দিন হয়তো মইন উ আহমেদ কে রিমান্ডে নিলে এর ভেতরের সত্যতা জানা যেতে পারে।
pogo: the rate of growth of animosity between AL & BNP
pogo: The rate of growth of animosity between AL & BNP is directly proportional to time; so 2006 had furious explosion compared to 1996 & 2001. I am not an AL supporter even, but I knew the AL workers who were driven away from their homes after 2001 election, they will takeover everything, once CTG would take the power, and that happed. Al workers fight for the party, BNP workers fight if get paid and if reinforced by police.
About Jalil, he does not know much about AL & CTG deal, as you know, Jalil did not negotiate with the CTG, he was an outside at that time, it is Ashraful and some other people involved. So, what Jalil saying is not exact facts, but close.
I am not supporting AL, I am saying what I think is right accord to me, that AL was in better position and had popularity to deal with the CTG, BNP was broken. BNP people started running away from the country, even before BNP gov resigned, because they wanted to hide their illegal money. So, BNP was completely in disarray to deal with the CTG.
villager: agree
I agree with you saying, "Al workers fight for the party, BNP workers fight if get paid and if reinforced by police." To be frank with you Jamate Islami suporters are also like AL suppoerters, they fight for their party. Furthermore, when a decision making task comes in BNP is always late. They always get stalled for their internal conflicts. Otherwise, how come they could not have a deputy leader in the house for five yeras. This term BNP still cannot have a deputy leader. You know that BNP's winning in 1991 and 2001 elections were simply miracles to the BNP leadership. Not sure if there exists any leadership in current BNP. I do not think BNP won those because of people's anti-AL sentiment and general peoples' love for Zia who died with optimum poplularity. BNP candidates even do not enogh campaign during elections. Only their leader Khaleda does not get enough sleep prior to an election. Even the GS of the party waits for Khaleda's visit during an election for his win! That's my two cents.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
I meant to say...
I meant to say, " I think BNP won those elections because of people's anti-AL sentiment and general peoples' love for Zia who died with optimum poplularity."
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
pogo: We needed a strong opposition to handle the gov
pogo, I agree with your observations about BNP. We needed a strong opposition to handle controlless gov & AL.
BNP is not going to the JS because they were not enough seats in the fron row; is it a problem for peopels' representatives? If AL is mean, they have to oppose hard from inside the JS. AL has deadly cunning people like Mohiuddin Alamgir, they are trying to keep BNP away from JS.
If BNP is thinking, they will be well off by not joining the JS, probably, it is a risk taking not seeing the outcome. May be they will be well off, who knows. But there is no strong opposition, AL is free to do anything.
Bigger portion of mass people are uneducated, they will never know what AL really doing inside.
আর কতো নীচে নামবেন?
আপনার পাঠানো ভিডিওটি দেখলাম। নৃশংস তাতে কোন সন্দেহ নেই।
ভিডিওটি দেখে আমার মনে কয়েকটি প্রশ্ন জেগেছে। আমি মনে করি না, মানুষের মধ্যে এই ধরনের নৃশংসতা হঠাত করে অথবা এমনিতেই চলে আসে। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এই ধরনের নৃশংসতা অহরহ হয়েছে এবং হচ্ছে। ৭৫ পরবর্তি সময় থেকে নানান রাজনৈতিক মতাদর্শন প্রতিস্টা করার যে অসুরের শক্তির যাত্রা, আপনার ভিডিও তারই একটি নমুনা।
এই ধরনের নৃশংসতা শুরু করার জন্যে যদি কাউকে প্রথমত এবং প্রধানত দায়ি করা যায় তবে তা হবে জামাতে ইসলাম এবং ছাত্র শিবির। গত ত্রিশ বছর একাধারে এইদলটি বাংলার আনাচে কানাচে নৃশংসতা দেখিয়ে সাধারন ধর্মপ্রান মানুষগুলোকে নিজেদের কব্জায় নেয়ার প্রানান্তর চেস্টা করে আসছে। এবং তাদেরকে মদদ যুগিয়েছে বিএনপি। নিজেদের স্বার্থে এবং ক্ষমতার লোভে বিএনপি কখনোই জামাতের এই কাজটি থামানোর কথা মনে করেনি।
বেনামিতে নিজেদের ছবি এবং কাজকে অন্যের নামে চালিয়ে দেবার ধুরন্ধর জামাতীদের জন্য নতুন কিছু নয়। জামাত এই কাজটি বহুবার করেছে এবং করেই আল্লাহু আকবর বলে নিজেদের সতী-স্বাধবি প্রচারে ঝাপিয়ে পড়েছে। ফলে, আপনার পাঠানো ভিডিও'টি তেমনও একটি হবার সম্ভাবনা বেশী। আওয়ামী লীগের মুন্ডপাত করাই হচ্ছে জামাতের প্রধান কাজ এবং এটা তারা করছে কোন এক বিদেশী আব্বা হুজুরের নির্দেশেই।
টাইগারের পিছলামী
আওয়ামী হাড়ামীরা ২৮ই অক্টোবর যে নাড়কীয় তান্ডব চালাল তার জন্যও হয়ে গেল জামাত দ্বায়ী। আওয়ামীরা নৃশংসতার বীজ বপন করেছিল স্বাধিণতার পর থেকে। রক্ষি বাহীনি দিয়ে শুরু হয়ে তাদের ভিন্ন মতালম্বিদের নিধনের প্রকল্প। বিভিন্ন সারির মানুষ আওয়ামী ফেরাউনের নির্যাতনের স্বীকার হয়। সেনা বাহীনির সদস্যরা মাফ পায়নি। কিন্তু সেনা সূর্য সন্তানেরা বসে থাকেনি। ডালিমের মত কিছু সেনা সদস্য নিজেদের জীবন বাজী রেখে দেশকে ফেরাউনের হাত থেকে রক্ষা করেছে। তাদের জন্য আমার লাল সালাম।
আবারও সময় হয়েছে। ফেরাউনের বাচ্চা ফিরে এসেছে। এবার লগী বৈঠা দিয়ে মানুষ মেরে এসেছে। গলা কাটা লাশ এবং গন ধর্ষনের দিন ফিরে এসেছে। আওয়ামী ফেরাউনের হাত থেকে দেশ এবং এর মানুষকে বাচাতে হবে। নির্লজ্জভাবে প্রথম আলোর মত সংবাদ মাধ্যম ছবি বিকৃত করে জামাতের ঘারে ২৮ অক্টোবরের লগী বৈঠার দ্বায় চাপাতে চেয়েছে। কিন্তু বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির সময় তারা ধরা খেয়েছে।
আওয়ামীরা দাদাদের ওটা চুষা নিয়ে মগ্ন। টীপায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মরুভূমী, ট্রাঞ্জিটের মাধ্যমে পরাধীন এবং গ্যাস দিয়ে দেবার মাধ্যমে বিদ্যুতহীন করে রেখে যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ে আওয়ামী ডীগবাজী তো আপনারা দেখেছেন। ১৬ তো দুরের কথা ২৬ টাকার চাল খাওয়াচ্ছে। বাংলাদেশ শত ষড়যন্ত্রের কারনে পিছিয়ে পরেছে। আজ বাংলাদেশের মানুষ সন্ত্রাস, উচ্চ দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে নিশপেষিত।
ইউসুফ১৪৪ এর পিছলামি
বিএনপির হাড়ামীরা ২৮ই অক্টোবর যে নাড়কীয় তান্ডব চালাল তার জন্যও হয়ে গেল আওয়ামী লীগ দ্বায়ী। বিএনপিরা নৃশংসতার বীজ বপন করেছিল ৭৫ সালের পর থেকে। সেনাবাহিনী দিয়ে শুরু হয়ে তাদের ভিন্ন মতালম্বিদের নিধনের প্রকল্প। বিভিন্ন সারির মানুষ বিএনিপ ফেরাউনের নির্যাতনের স্বীকার হয়। বিমান বাহীনির এবং নৌ বাহিনীর সদস্যরা মাফ পায়নি। কিন্তু সেনা সূর্য সন্তানেরা বসে থাকেনি। মনজুরের মত কিছু বীর সেনা সদস্য নিজেদের জীবন বাজী রেখে দেশকে ফেরাউনের হাত থেকে রক্ষা করেছে। তাদের জন্য আমার লাল সালাম।
আবারও সময় হয়েছে। ফেরাউনের বাচ্চা ফিরে আসার চেস্টা করছে। এবার 'বাংলা ভাই' আর জঙ্গী দল দিয়ে মানুষ মেরে এসেছে। গলা কাটা লাশ এবং গন ধর্ষনের দিন ফিরিয়ে আনতে চাইছে। বিএনিপ ফেরাউনের হাত থেকে দেশ এবং এর মানুষকে বাচাতে হবে। নির্লজ্জভাবে দৈনিক দিনকালের মত সংবাদ মাধ্যম ছবি বিকৃত করে আওয়ামী লীগের ঘারে ২৮ অক্টোবরের লগী বৈঠার দ্বায় চাপাতে চেয়েছে। কিন্তু বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির সময় তারা ধরা খেয়েছে।
বিএনপিরা পাকি খানদের ওটা চুষা নিয়ে মগ্ন। খাম্বার নামে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে তারেক রহমান বাংলাদেশকে বিদ্যুতহীন করে রেখে গেছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিএনিপর ডীগবাজী তো আপনারা দেখেছেন। ৪০ টাকার চাল খাইয়েছে। বাংলাদেশ শত ষড়যন্ত্রের কারনে পিছিয়ে পরেছে। আজ বাংলাদেশের মানুষ সন্ত্রাস, উচ্চ দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে নিশপেষিত। এর জন্যে খালেদা সহ তারেককে একদিন কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে।। সেটা আর বেশী দূর নয়।
বাংগালী টাইগারের healthy discussion
healthy discussion করতে গিয়ে নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশী আওয়ামী লীগার টাইগার নামক আইডি ২৮ অক্টোবর ২০০৬ সালের নৃশংসতার দায় বিএনপির উপর চাপাইতে চাইছে।
আপনারা জানেন, আওয়ামী লীগাররা দেশে ধর্ষন করে প্রবাসে গিয়ে আওয়ামী লীগত্ব চালিয়ে চান। কাজেই এই আইডি ধারী আওয়ামী লীগার দেশে কি কুকর্ম করে এসেছে এখানে এটা আলোচনা করার দরকার নেই আপাতত।
উনি আবার ৭৫ সালের বাকশাল টেনে এনেছেন। মুজিবে যে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার নামে দেশকে সিকিমের মত ভারতের সাথে বিলীন করে দেবার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছিলো সেটা ভুলে গেছে এই টাইগারেরা। সেদিন বাংলার কিছু বীর, দেশ প্রেমিক, সাহসী যুবকেরা ১৫ আগষ্টের সফল বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিলো। জাতি এদের চিরদিন স্মরণ রাখবে। সময়ের পরিক্রমায় আওয়ামী লীগ আস্তে আস্তে প্রবাসী লীগে পরিনিত হবে এবং ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ হবে।
আওয়ামী লীগের পাছায় গদাম লাথি দিলুম।
বিল্লি ভাই
কিসব লিখছেন? মাথা ঠিক আছে তো। ২৮ই অক্টোবরের ঘটনা বিএনপির উপরে চাপিয়ে দিচ্ছেন? ৪০ টাকা চাল বিএনপি খাইয়েছে নাকি মুয়া ফুয়া।
yousuf144, বাংলাদেশের মাটির
yousuf144, বাংলাদেশের মাটির ক'জন পবিত্রা মায়ের সন্তান, জাতির সেই সেনানীদেরকে যদি স্যালুট করতে চান তাহলে এখানে ছবি দিলাম।
deserves a thank...
We must be grateful to the person who posted this picture. In coming days a worldwide man haunting will be launched to track down these killers. Have a look and remember their faces. If you come across any or all of them who still at large, report immediately to your nearest contact point. USA, European Union and UN are going to sponsor the haunt. It's a crime to brand killers of innocent children and women as revolutionaries, they are simple killers, butchers and enemies of civic society. This is the ultimate shame of our nation that we had to wait that long to bring these killers to justice. Time has come, and we'll be eagerly waiting to see these animals are being laid to eternity through open air firing.
The issue of this brutal murder has become a political tool and is being used by AL for its unhealthy race for power, it's time to stop them as well.
deserves a thank... >> WatchDog_bd
.............a political tool and is being used by AL for its unhealthy race for power,.............
Are you serious brother. That means you are getting better and well slowly but surely. Please continue with the same medication. Looks like this one is working. Is it a generic or brand one ? I hope and wish you will be alright soon brother.
Congratulations Nirvik2008
Congratulations on your sucess. Looks like your Rx has worked. At least for now. Have a good day, Bro.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
এই খুণি নরপিশাচদের ধরিয়ে দিন............
দেশে বিদেশে অবস্হানরত সকল বাংলাদেশী ভাইবোনদের কাছে আবেদন.........
জাতির জনক বঙ্গবন্ধূ, তার পরিবার পরিজন ও জেল হত্যাকান্ডে জড়িত এবং বিচারে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত নিম্নবর্নিত খুণী নরপিশাচদের ধরিয়ে দিয়ে দেশের প্রতি আপনাদের মহান দায়িত্ব পালন করুন............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
To Hridoy From Jackob Raihan
Hridoy SB,
It appears that you have no respect on our (BD's) court system. There was a verdict against these individuals. However, please go over with the added comments (of judge) on the verdict. The last judge on this case suggested the BD Supreme Court that all the accused person shall, and therefore, must receive the benefits of doubts unless the government is able to produce at least one solid witness on this case, and up until now, the government failed to do so. Besides, there are more other factors that the Supreme Court judges must consider based on applicable provisions of law, and not by the emotion.
Sometimes, law speaks otherwise, brother!
JACKOB RAIHAN
এই খুণি নরপিশাচদের ধরিয়ে দিন............ >> My salute and ....
My salute and respect goes to these heroes who salvaged Bangladesh from the tyrany of BAKSAL. There are some bleeding during this surgical operation. But, there was no other choice but to eliminate the bad blood to save the patient. You truly deserve highest honor from patriotic Bangladeshi. You names will be written in golden letters forever. Thanks to hridoy for posting the picture of these heroes.
শত শত বছর ধরে দেশের মানুষ ওই বীর সেনানীদের কথা স্মরন করবে,
Nirvik2008, এরা সবাই ১৯৭১ এর রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭৫ এ আবারো হাতিয়ার হাতে তুলে নিয়েছিলেন মাতৃভুমিকে এক দলীয় শাষন তথা বাকশাল মুক্ত করতে। তারা চাইলে পারতো ক্ষমতা হাতে নিতে, কিন্তু নেয়নি। এদেরকে যদি ফাঁসিও দেয়া হয়, তবুও বাংলাদেশের মানুষের মন থেকে কখনো মুছে দেয়া যাবেনা। শত শত বছর ধরে দেশের মানুষ ওই বীর সেনানীদের কথা স্মরন করবে, তাদের গল্প বলবে। তাদের ওই বিপ্লবের পর অনেক দিনের শেষে বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটেছিলো। গণ মানুষ দ্বারা মিষ্টি বিতরিত হয়েছিলো।
কি হতো যদি সেদিন ওই বিপ্লব সংগঠিত না হতো
১. বাংলাদেশ উত্তর কোরিয়া বার্মা আর কিউবার মতো তাবত বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সোভিয়েত ব্লকের একটি দরিদ্র দেশ হিসেবে টিকে থাকতো। নয়তো ভারতের বাংলা প্রদেশের একটি অংশ হয়ে কোলকাতা থেকে শাষিত হতো।
২. মুসলিম দেশ গুলো থেকে সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতো, (মুজীব কে হত্যার পরই সউদী আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো)।অন্যান্য মুসলিম দেশ গুলোও সুদী আরবকে অনুসরন করতো।
৩. ৭৪ এর দুভিক্ষের পরিনতিতে আর বাকশালের যাঁতা কলের অত্যাচারে দেশের বেশির ভাগ মানুষই না খেয়ে মারা যেতো। (বাসন্তিদের জাল পেঁচিয়ে থাকার কথা তো কারো ভুলে যাবার কথা নয়। ওই চরম দুর্দিনে মুজীব তার দুই ছেলেকে মাথায় সোনার মুকুট দিয়ে বিয়ে করায়।
৪. বাকশালের মাধ্যমে যেভাবে একনায়ক তন্ত্র করা হয়েছিলো আর মুজীবের দুই ছেলের অত্যাচার যেভাবে বেড়ে গিয়েছিলো হয়তো অদুর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে রাজতান্ত্রিক ব্যাবস্থাই টিকে থাকতো।
তাই ওই সব বীর সেনানীদেরকে বাংলাদেশের মানুষের মন থেকে মুছে দেয়া কোন দিনও সম্ভব হবেনা।
আপনারা রেহাই দিবেন.............
শুধু মাত্র নেড়ী ডালিমকে........
ফারুক, হুদা, মহিউদ্দিন এসবগুলি জেলে আছে। ওদেরকে ধরিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নাই.......
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Lal Salam!!!!!!!!!!!!!
Lal Salam to all the Liberators who liberated us for the second time. Nation remembers you all and Doa for all of you . 'Surjo Sontanera Tomra Bhalo Thako'.
Selukas
ভাই Selukas, যদি কোন অপশাষকের
ভাই Selukas,
যদি কোন অপশাষকের হাতে তাদের ফাঁসিও হয়ে যায়, তাহলে আমরা কিছু করতে পারি আর না পারি তাদের জন্য সম্মান তো জানাতে পারি। হাত উঁচু করে প্রতিবাদ করতে না পারলেও অন্তরের মরমে মরমে তাদের অনুভব করতে পারি। মরনের পরেও যেন তাদের রুহ শান্তি পায়, কিছু দ্বিপদ জন্তু ভর্তসনা করলেও তাদের দেশেরই কিছু মানুষ তাদেরকে হৃদয়ে লালন করবে যুগ যুগ ধরে।
১৫ই আগষ্ট ভোর ৫.০০ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্য্যন্ত এই সময়টা বাংলাদেশ নয় বরং বিশ্বের ইতিহাসের স্বল্প সময়ে সংগঠিত এক বিপ্লবের সময়। পৃথিবীর কোথাও কেউ কি ভাবতে পারে, একজন ডিক্টেটরের হাতে সর্বময় ক্ষমতা। সেনা বাহিনী নৌ বাহিনী বিমান বাহিনী বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ও রক্ষিবাহিনী আর মুজিব বাহিনী নামক দু’টি শক্তিশালি নিজস্ব বাহিনী পালন করেছে সে ডিক্টেটর। এত কিছু থাকা সত্তেও নিয়তির হাত থেকে কেউ বাঁচাতে পারেনি সেই ডিক্টেটরকে।
কয়েকজন মাত্র জুনিয়র সামরিক অফিসার সামান্য ক’জন সিপাহী নিয়ে তাকে সপরিবারে হত্যা করে ১০ ঘন্টার মধ্যে সম্পুর্ণ দেশকে কন্ট্রোলে নিয়ে নেয়। সারা দেশের মানুষ শান্ত থাকে, তিন বাহিনী প্রধান কয়েক ঘন্টার মধ্যে ওই জুনিয়র অফিসারদের সকল কর্মকান্ডকে স্বিকৃতি দেয়। ওই দেশটির স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ গ্রহন কারি সকল শক্তি ও জুনিয়র অফিসারদের স্বিকৃতি দেয়। যদি সর্বশক্তিমান আল্লাহ আর জনগণের সহযোগিতা না থাকতো কিভাবে সম্ভব হতো এ বিপ্লব? অথচ পাশে ছিলো তার বিশ্বস্ত বন্ধু (প্রভুও বলা যায়) ভারত। সেই ঠুটো জগন্নাথ ভারত কিছুই করতে পারেনি দেশের জনগণের অবিচল দৃঢ় অবস্থানের বিপক্ষে। ৯ মাস লেগেছিলো পাকিস্তানের খপ্পর থেকে এ দেশ মুক্ত করতে আর ভারতের খপ্পর থেকে মুক্ত করতে লেগেছে মাত্র ১০ ঘন্টা। ৭১ এর নায়করাই ৭৫ এর বিপ্লবে অংশ নেয়।
আজ আমরা বুক ভরে আশা ধারন করতে পারি যতই ষড়যন্ত্র অষ্টযন্ত্র হোক, এই দেশ তার ১৫০ মিলিয়ন ছেলে সন্তানদের বুকে নিয়ে ঠিকে থাকবেই ইনশাল্লাহ। এই লাল সবুজের পতাকা উড়বে পতপত করে দেশের মাটিতে এবং পৃথিবীর তাবত অঞ্চলে। বাংলাদেশ তুমি চিরদিন বেঁচে থাকো, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
ছ্যার ছ্যার আলীরা আমার লেখাটিকে উদাও করিয়া দিল!
মাননীয় এডিটর মহোদয় স্বাক্ষী, এ পর্যন্ত একবার মাত্র ভূলে voter এর একটা পোষ্টিংএ ফ্ল্যাগ করেছিলাম। ক্লিক করতে গিয়ে ভূল হওয়ায় এটি হয়েছিল। তা'ছাড়া আর কখনোই এমনটি হয়নি। নেড়ী ডালিমের কোন পোষ্টিংকেই আমি সমর্থণ করি না। তারপরও নেড়িটির কোন লেখাকেই আমি ফ্ল্যাগ করি না। শুধু সে কেন, কোন লেখাকেই আমি ফ্ল্যাগ করি না। কিন্তু আমি নিত্য এসব জাতীয়তাবাদী ছ্যার ছ্যার আলীদের ফ্ল্যাগের শিকার হচ্ছি। একটু এদিক সেদিক হলেই ছ্যার ছ্যার আলীরা আমার লেখাকে ফ্ল্যাগ করছে। আর মাননীয় এডিটর মহোদয় আমার লেখাটিকে মুছে ফেলছেন। অথচ ওদের নিকৃষ্টতম লেখাকেও ছেড়ে দিচ্ছি।
আমি আগেই এডিটর মহোদয়কে বলেছিলাম, আপনার উদ্দেশ্য মহৎ হলেও এসব জাতীয়তাবাদী ছ্যার ছ্যার আলীদের জন্য সফল হবেন না।
কাজেই ফ্ল্যাগ প্রথাটি বাতিলের জন্য আবারও মাননীয় এডিটর মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। কোন লেখা পছন্দ না হলে আপনার বিবেচনা শক্তিই যথেষ্ট। আপনার বিবেচনার সাথে আমরা দ্বিমত পোষন করব না। তবুও ছ্যার ছ্যার আলীদের উৎপাত থেকে দয়া করে রেহাই দিন।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ইউসুফ সাহেবকে ধন্যবাদ
ইউসুফ সাহেবকে অনেক ধন্যবাদ খুনীদেরকে আমাদের সাথে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।আপনার দেওয়া ছবি দেখে আমরা তাদেরকে নতুন করে চিনলাম।
Joshua