দৈনিক আমারদেশ: দেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) গুরুত্বপূর্ণ ৫টি পদে ভারতীয় নাগরিকদের বসানো হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য স্পর্পকাতর এ সংস্থা ও স্থাপনায় ভারতীয় নাগরিকদের বসিয়ে রাষ্ট্রীয় সব তথ্য-যোগাযোগ ভারতের নিয়ন্ত্রণে ঠেলে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব গোপন তথ্য এখন তাদের নখদর্পণে। সরকারি-বেসরকারি ল্যান্ডফোন, সাবমেরিন কেবল, মোবাইলফোন কোম্পানি ও অপারেট ব্যবস্থা, ইন্টারনেট যোগাযোগ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশনের সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক সংস্থ হচ্ছে বিটিআরসি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে ভারতীয় নাগরিকরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। রাষ্ট্রীয় সব গোপন তথ্য এখন ভারতীয়দের হাতের মুঠোয়। টেলিকমিউনিকেশনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য তারা অনায়াসে পাচারেরও সুযোগ পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের সরিয়ে বসানো হয়েছে ভারতীয় নাগরিকদের। আইডি কার্ড ইনফরমেশনে বিটিআরসিতে চাকরি পাওয়া ভারতীয় নাগরিকের ৪ জনের বর্তমান ঠিকানা দেখানো হয়েছে একই জায়গায়; ঢাকার শেরেবাংলা নগরের আইডিবি ভবনের সপ্তম তলা। বাকি একজনের বর্তমান ঠিকানায় কিছুই উল্লেখ নেই।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বিটিআরসিকে ঢেলে সাজানোর নামে চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে গুরুর্তপূর্ণ সব পদে পরিবর্তন আনা হয়। এ পরিবর্তন পক্রিয়ায় গুরুর্তপূর্ণ ৫ পদে ভারতীয় নাগরিকদের বসানো হয়। চেয়ারম্যানসহ আরও কয়েকটি পদে বসানো হয় দলীয় অনুগতদের। ভারতীয় ৫ নাগরিকের মধ্যে ড. শৈলেন্দ কুমার হাজেলাকে কনসালট্যান্ট টিম লিডার, রাজিব সাক্সেনাকে পরিচালক টিসিপিএল, জগ মোহন মিশ্রকে রেগুলেটরি বিশেষজ্ঞ, জ্ঞানেন্দ্র ভূষণকে টেলিকম বিশেষজ্ঞ ও মহেশ চাঁদ- সাপোর্ট ষ্টাফ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই তারা নিজ নিজ পদে যোগদান করেছেন। আইডি কার্ড ইনফরমেশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ড. শৈলেন্দ কুমার হাজেলার স্থায়ী ঠিকানা হচ্ছে দিল্লীর সিভিল লাইনের ৩ নং বেলা রোড, রাজিব সাক্সেনার স্থায়ী ঠিকানা ২-বি-৫, আইএআরআই নয়াদিল্লী, জ্ঞান মোহন মিশ্রের স্থায়ী ঠিকানা বি-৩০২, হামোনি এপার্টম্যান্ট, সেক্টর-২৩, দোয়ারকা, নয়াদিল্লী, জ্ঞানেন্দ্র ভূষণের স্থায়ী ঠিকানা ডি-১৯৮ তৃতীয় তলা, নয়াদিল্লী এবং মহেশ চাঁদ জনের স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে আই-৯৩৩, পালাম বিহার, গৌরগাঁও। তাদের মধ্যে রাজিব সাক্সেনা ছাড়া বাকি ৪ জনের বর্তমান ঠিকানা ঢাকার শেরে বাংলা নগরের আইডিবি ভবন উল্লেখ করা হয়েছে। সাক্সেনা আইডি কার্ড ইনফরমেশনে বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করেননি।
বিটিআরসির সংশ্লিস্ট সূত্রে জানায়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থা হচ্ছ এটি। সরকারি-বেসরকারি টেলিযোগাযোগ, মোবাইল ফোন কোম্পানি ও অপারেট ব্যবস্থা, সাবমেরিন কেবল লাইন, ইন্টারনেট যোগাযোগ, ই-মেইল যোগাযোগ থেকে শুরু করে সব ধরনের তথ্য-যোগাযোগ ব্যবস্থার গেটওয়ে ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হচ্ছে বিটিআরসি। বেসরকারি টেলিভিশন সম্প্রচারের ফ্রিকোয়েন্সিও বরাদ্ধ দেয়ার এখতিয়ার হচ্ছে বিটিআরসির। যে কোনো মোবাইলের কথোপকথন, সরকারি-বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ল্যান্ডফোনের কথোপকথন, ইন্টারনেট ও ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান সবকিছুই বিটিআরসি রেকর্ড করতে পারে। চাইলেই নিয়ন্ত্রণের এখতিয়ারও রয়েছে সংস্থাটির। সাবমেরিন ক্যাবলে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখিয়ে বিশ্বের সঙ্গে ইন্টরনেট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার সুযোগও রয়েছে। দূতাবাসগুলো থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেসব বার্তা আসে, সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বিটিআরসি। গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে এসব বার্তা সহজেই সংগ্রহ করা যায়। টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগের মাধ্যমে কথোপকথন থেকে শুরু করে যা ঘটে, বিটিআরসির কাছে কোনো কিছুই গোপন থাকে না। এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে চাকরির সুবাদে ভারতীয় নাগরিকরা সহজেই রাষ্ট্রের গোপন সব তথ্য সংগ্রহ ও পাচার করতে পারবেন। বিটিআরসির গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরির সুবাদে রাষ্ট্রীয় সব গোপন তথ্য সবসময় জানার সুযোগও রয়েছে তাদের। তারা যখন যা চাইবেন, তা-ই জানতে ও সংগ্রহ করতে পারবেন।
সাইবার ক্রাইম ও সাইবার টেররিজম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বও হচ্ছে বিটিআরসির। ই-মেইলে বা টেলিফোনের মাধ্যমে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়, সেগুলো নিয়ন্ত্রণ ও খুঁজে বের করা যায় বিটিআরসির মাধ্যম্যে। এ ধরনের সংস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সাইবার টেররিজম এবং সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
বিটিআরসির গুরুত্বপূর্ণ পদে ভারতীয় নাগরিকদের চাকরি দেয়ার বিষয়ে জানতে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত বিটিআরসির মিডিয়া কনসালট্যান্ট তিমির লাল দত্তের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমার দেশকে বলেন, এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই। তিনি আরও বলেন, কে চাকরিতে যোগ দিল এবং কে চাকরি ছেড়ে চলে গেল-এ বিষয় তার জানার কথাও নয়। তিমির লাল দত্ত জানান, চেয়ারম্যানের অনুমোদন ছাড়া একটি কথাও তিনি বলতে পারেন না।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হওয়ায় বিটিআরসি গঠন করা হয়। এই সংস্থাকে দলনিরপেক্ষ রাখতে প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তৎকালীন সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। তিনি অবসরে যাওয়ার পর আরেকজন সচিবকে এ সংস্থর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। জেনারেল মইন উ আহমেদ নিয়ন্ত্রিত জরুরি অবস্থার সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর একজন সেনা কর্মকর্তাকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃতাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
Asun Gaan Shuni
Akti Vhalo Gaan Hisabey Shoonum - Onno Kono Aothro Korbar Dorkar Nai.
Let's enjoy the following.........
http://www.youtube.com/watch?v=cjFjzsRopX4
http://www.youtube.com/watch?v=iPrUBZX7--M&feature=related
http://www.youtube.com/watch?v=fkHgkj0420k&feature=related
http://www.youtube.com/watch?v=L_XnmTu7M4A&feature=related
http://www.youtube.com/watch?v=xK7cdQJg1SM&feature=related
http://www.youtube.com/watch?v=VWbF4IIDwm8&feature=related
হলুদ সংবাদ...।
BTRC serves legal notice on Amar Desh
Priyo News Dhaka, Thursday, October 8, 2009 - 10:03pm
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) on October 5 served a legal notice on Amar Desh Publication Ltd to apologise before the commission within seven days for publishing false, fabricated, baseless and politically ill-motivated news.
BTRC, through its lawyer, issued the notice on the newspaper's publisher, editor-in-charge, chief reporter and reporter concerned for publishing two news items headlined 'BTRC under Indian's grip' and 'The state security will be threatened' on October 2 and 3 respectively, said a press release.
The reports defamed BTRC as well as the government said the release, adding criminal and civil legal action would be taken against them on their failure. It said the Amar Desh alleged that the BTRC employed Indian nationals in sensitive posts of BTRC, so as to divulge state secrets to the Indian government, which is an old trick to terrify people in the name of "Indian Terror". It also said the fact remains that BTRC does not employ any foreign national as its employee.
To justify their point, the newspaper named five Indian citizens as BTRC's employees and also claimed that the said Indians are still in the service of BTRC which is an utter lie as the said Indians were working under a World Bank Project not with BTRC, the release said. The scope of work of the said citizens was very limited and they had already left the country after completing their assignment, it said adding the citizens had no access to any sensitive and secret information of BTRC.
Amar Desh also reported that by removing the army personnel of Signal Core, BTRC appointed Indian nationals, which is baseless as the said army personnel were succeeded by other army personnel after the expiry of their tenure, it added. The legal notice was served on editor-in-charge Mahmudur Rahman, publisher Al Haj Md Hasmat Ali, chief reporter and reporter Oliullah Noman.
-Daily star
ভারত আইলো,ভারত খাইলো,ধর্ম গেল,কর্ম খেল।।
এ ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচার বন্ধ হোক।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
বিটিআরসি-র দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জেনেভাতে...।
জেনেভায় এ বছরের আইটিইউ(আন্তর্জাতিক টেলিকম ইউনিয়নের) বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব্ব করতে টেলিযোগাযোগ খাতের মাননীয় মন্ত্রী জনাব রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু আজ দুপুর পর্যন্ত সুইসে ছিলেন। আলচ্য সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর আমরা বেশ কয়েকজন তার সাথে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানার প্রত্যাশায় গতকাল (শনিবার) সকালেই তার সাথে জুরিখ বিমান বন্দরে সাক্ষাত এর সময় নিয়ে রেখেছিলাম। তার পুর্বেই আলচ্য এ মিথ্যা সংবাদ এর উপর ভিত্তি করে আইনানুগ ব্যাবস্থা গৃহীত হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি এবং তিনি উপরে উল্লেখিত তার মন্ত্রানালয়ের গৃহীত আইনানুগ পদক্ষেপ এর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
But...........
The minister didn't tell you that they has been employed by WB as a consultant to work for BTRC? After completed their mission they left BTRC.
Surprise??????????????????????
Anyway, their picture also was on Amardesh, so now let's see how Amardesh face the legal notice.
সেই আইনী জবাবের অপেক্ষায়...।
আমার মনে হয় এ বিষয়ে আমারদেশ কতৃপক্ষের আইনী জবাবের মাধ্যমে বিষয়টির বিতর্ক শেষ হবে।
অলচ্য ভারতীয়রা বিটিআরসি-র কোন কর্মচারী হিসেবে নয় বরং বিশ্বব্যাঙ্কের প্রকল্পে সাময়িক ভাবে নিয়োজিত হয়েছিল এবং তারা কোন ভাবেই বাংলাদেশ সেনাবাহীনির সিগনাল কোরের নিয়জিত সদস্যদের সংশ্লিষ্ট কাজে স্থলাভিষিক্ত হয়নি। বাংলাদেশ সেনাবাহীনির সদস্যদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে সিগনাল কোরের ই অপর সদস্যবৃন্দ কতৃক।
এ বিষয়ে বর্তমানে জেনেভায় অবস্থানরত সংসদ হাসানুল হক ইনু একই অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
Janab .........
Yesterday I have requested you to call directly BTRC for the real story...........and today I like to request you to find out top executives of Asian Development Bank, World Bank, IMF...........and you will find out more details from there unless if you beleive that those executives will think more about Bangladesh then their own Country.
After Jute now their black hands on our Garments and Agriculture.........as soon as you people understand this it will be better for Bangladesh.
WB......
WB project but with BTRC..........please call directly BTRC for the REAL story.........
ভারতিয় নাগরিক
ভারতিয় নাগরিকরা আওয়ামিদেরকে দাদা বলে।
দাদা পেলে হাসিনা রেহানা সব ভুলে যায়
এটা তো সবে শুরু....অপেক্ষা করুন---শীঘ্রই আসিতেছে..
এটা তো সবে শুরু....BAL-র বন্ধু-প্রতিম (?) দেশের নজর এখন আমাদের সমুদ্রসীমানার অফুরন্ত গ্যাস, তেল সম্পদের উপর। আর বন্ধু-প্রতিম(?) দেশের পুরানো অনৈতিক দাবী-দাওয়া (ট্রানজিটের নামে করিডোর, সমুদ্রবন্দর ব্যাবহার, টিপাইমুখ বাধ নির্মানে বাধা না দেওয়া ইত্যাদি) পুরনের আশ্বাস দিয়ে ক্ষমতায় আসা BAL ও তার মিডিয়া সিন্ডিকেট, ভদ্রবেশী SUSHIL ও তার মিডিয়া আলো/ষ্টার গ্রুপ, চ্যানেল আই, ইটিভি বরাবরের মত মুখে কুলুপ দিয়ে রেখেছে।
খারাপ লাগে এতো জলন্ত ইস্যু থাকতেও BNP সহ জাতীয়তাবাদী শক্তি কোন জোরালো আন্দোলন করে উঠতে পারছে না BAL ও DGFI-র দালালদের কারণে।আর এখনতো মিডিয়া আগামী এক-দুমাস শেখ মুজিবের বিচারকার্য নিয়ে ব্যস্ত থাকবে যার আড়ালে অনেক গুরুত্বপুর্ন
সমসাময়িক ঘটনা চাপা পড়ে যাবে।
(বিটিআরসি) গুরুত্বপূর্ণ ৫টি পদে ভারতীয় নাগরিকদের বসানো হয়েছে
Not a single smart E-mela member will protest about it, because they want to make Bangladesh ruling by india.
Kick those indian and the people who gave them in that post.
To cooldrink (JR)
It is not about 'kicking' those people who appointed these five (5) Indians on important posts at the BTRC. Let's ask about the motives of our own people who appointed these Indians at the first place. If exparts were needed, why necessarily that had to be Indians or exparts from India?
It sounds more like eventually we are getting more and more dependent on the Indians, who never have any good-faiths when dealing with Bangladesh. It is always more like they intend to make a plan, in ahead, for their far-future purpose, and then they ask Bangladesh to agree on that, and then they also act to use their Bangladeshi fans (Indian supporters, and the AL) to implement their demands.
JACKOB RAIHAN