
-------------------------------------------
কামরান রেজা চৌধুরী
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
ঢাকা, অক্টোবর ০৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিএনপি সংসদকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিল, "ইস্যুভিত্তিক ওয়াকআউট ছাড়া কোনও দল বা জোট সংসদের সেশন বা বৈঠক বর্জন করতে পারবে না। কোনও সংসদ সদস্য সংসদের অনুমোদন ছাড়া ৩০ দিনের অধিক অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ শূন্য হবে।"
ইশতেহারে এ কথা বললেও সামনের সারিতে 'সম্মানজনক' আসনের মতো দাবি তুলে প্রথম অধিবেশনের পর আর কোনও অধিবেশনে যোগ দেয়নি বিএনপি।
পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ার অভিযোগ তুলে রোববার শুরু হতে যাওয়া তৃতীয় অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকেও না যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তারা। এ দিন না গেলে টানা ৩৩ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকবে প্রধান বিরোধী দল।
ইশতেহারে দেওয়া বক্তব্য ও বিএনপির বর্তমান অবস্থান নিয়ে জানতে টেলিফোনে দলের যুগ্ম-মহাসচিব নজরুল ইসলাম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এড়িয়ে যান।
তবে মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, সংসদে যাওয়ার পরিবেশ নেই।
শুক্রবার তিনি বলেন, "সংসদের ভেতর-বাইরে সরকারের নয় মাসের কার্যক্রম দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে সংসদে ফিরে আসার যে আহ্বান জানিয়েছেন, তা কার্যকর করতে হলে আগে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সরকারি দল এখনও সে পরিবেশ সৃষ্টি করেনি।"
রমজানে সেনাকুঞ্জে ইফতার পার্টিতে এক বিরল সাক্ষাতে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে সংসদে ফিরতে সরাসরি আহ্বান জানান।
তবে বিএনপিও সংসদে ফিরতে আগ্রহী- এ কথা জানিয়ে মহাসচিব বলেন, "আমাদের নেত্রী (খালেদা) সব সময় সরকারকে সহযোগিতা করার কথা বলে এসেছেন। সে জন্য সংসদেও আমরা যেতে চাই। কিন্তু সরকার সংসদে যাওয়ার কোনও পরিবেশ রাখেনি।"
স্পিকার আবদুল হামিদ অধিবেশন কক্ষের সামনের সারিতে 'সম্মানজনক' আসন দেওয়ার অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছেন- এ অভিযোগ এনে নবম সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন ৪ জুন থেকে আর সংসদ অধিবেশনে যায় নি বিএনপি।
স্পিকার আবদুল হামিদ গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন।
গত ২৫ জানুয়ারি নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে যোগ দেয় বিএনপি। তবে অধিবেশন কক্ষের আসন বিন্যাস নিয়ে ওই অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যদিবস ২৮ জানুয়ারি থেকেই সংসদ বয়কট শুরু করে তারা।
স্পিকার আবদুল হামিদ ওইদিন সামনের সারিতে বিএনপির আসন সংখ্যা কমিয়ে চারটি আসন বরাদ্দ দেন। এর আগে বিদায়ী স্পিকার মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার নবম সংসদে বিএনপিকে নয়টি আসন বরাদ্দ দিয়েছিলেন।
আওয়ামী লীগের অভিযোগ, বিদায়ী স্পিকার ক্ষমতাসীন জোটের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই বিরোধী বেঞ্চের ১০টি আসনের মধ্যে নয়টি বিএনপিকে দিয়েছিলেন।
দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে স্পিকার হামিদ সামনের সারিতে বিএনপিকে একটি আসন বাড়িয়ে দেন। এ নিয়ে বর্তমানে সামনের সারিতে তাদের আসন পাঁচটি।
নবম সংসদের ৩০০ আসনের (সরাসরি নির্বাচিত) মধ্যে মাত্র ৩০টিতে জয়ী হয়েছে বিএনপি।
সরকারি দল বলছে, সংসদীয় রীতি অনুসারে জয়ী আসনের ভিত্তিতে অধিবেশন কক্ষের সামনের সারির ২৯টি আসনের ১০ শতাংশ পাওয়া উচিত বিএনপির।
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এক অধিবেশনে বলেন, আনুপাতিক হারে প্রধান বিরোধী দলের যা পাওয়ার কথা তার চেয়ে তাদের বেশি আসন দেওয়া হয়েছে।
তবে বিদায়ী স্পিকার জমিরউদ্দিন তার সিদ্ধান্তের পক্ষে এই যুক্তি দিয়েছেন যে, স্পিকারের বাঁ হাতের সামনের সারি বিরোধীদের বেঞ্চ এবং তাতে ক্ষমতাসীন সাংসদদের বসা উচিত নয়।
জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে স্পিকার যেভাবে আসন বিন্যাস করবেন সেভাবেই সাংসদরা বসবেন। এছাড়া নিজের কাজের সুবিধার জন্য যে কোনও সাংসদের আসন পরিবর্তনের ক্ষমতা রয়েছে স্পিকারের।
বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলকে 'সম্মানজনক' আসন দেওয়ার প্রতিশ্র"তি দিয়ে স্পিকার হামিদ সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাদের যোগদান করাতে পেরেছিলেন।
বিএনপির দাবি সামনের সারির সাতটি আসন।

where is "voter"?
সেই যে লঞ্চে চড়ে ঈদের আগে বাড়ী গেল মাল ছামানার দায়িত্ব বিট্রেড ভাইকে দিয়ে। বিট্রেড ভাই তাৎক্ষনিকভাবে না থাকাতে, আমি কথা দিয়েছিলাম পাহারা দেয়ার। ঈদ কবে শেষ হল, এখনো কোন খবর পাচ্ছি না। আশাকরি ছহিসালামতে গ্রাম থেকে ফেরত এসেছেন। আর আশেপাশে ছদ্যবেশে থাকলেও আওয়াজ দেওয়ার অনুরোধ রইল। শুধু জানতে চাচ্ছিলাম ভাল আছেন তো? বিট্রেড ভাই অথবা মি: রায়হানখান, আপনারা আপনাদের পেয়ারের ভোটারকে কোথাও দেখলে জানাবেন কিন্তূ।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
ক্যক্টাসকে স্মরন করিয়ে দিতে চাই
এখানে টাইগার নামের আইডি টি healthy discussion-এ বিশ্বাসী।
উনার কাছে healthy discussion মানে হাসিনার গুনগান আর আওয়ামী লীগের প্রেম নিবেদনকে বুঝায়। কাজেই সাবধান । ইমেলায় healthy discussion এর নামে অনেক আওয়ামী পুজারী ইমেলার সাথে গোপন আতাতে বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে লিপ্ত।
এমন কি এখানে, ১/১১ নামক নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশী সিণ্ডিকেটেড আইডিগ্রুপ রয়েছে, এরা একবার ইমেলার সাথে আর সহবাস করবে না বলে চলে গিয়েছিলো, পরে ইমেলার সম্পাদক নিজে আলাদা চিঠি লিখে তাদের ফিরে আসতে অনুরোধ করে এবং মিথ্যাচারের আবাদ করার অনুমতি দেন।
কাজেই সাবধান। মিথ্যাচার দেখলেই প্রতিবাদ করুন, লাথি মারুন। লাথি মারুন আওয়ামী ভন্ডদের, লাথি মারুন ইমেলার আউলা-ঝাউলা-ফালতু ঠাকুরমার গল্পকে ...
কথায় কথায় যারা লাথি মারতে চায়
ফোরামের একজন সদস্য আছেন যার মতের অমিল হলেই নিজে লাথি মারেন এবং অন্যকেও লাথি মারতে অনুপ্রানিত করেন । ভদ্রলোকের এই পদাঘাতের হাম্বিতাম্বি দেখে আমার স্কুল জীবনের এক ভিক্ষুকের কথা মনে পড়লো । আমি তখন ক্লাশ সেভেনে পড়ি । আমাদের স্কুলের পাশেই এক ল্যাংরা
ভিক্ষা করতো । তার দুটো পা হাঁটু অব্দি কাটা ছিলো । কোন রিক্সাওয়ালা যদি ভুল করে তার সামনে রিক্সা দাড় করতো অমনি সে ক্ষেপে বলতো এই বেডা রিক্সা হরা নইলে মারুম এক লাতথি । ল্যাংড়ার মুখে এই ডায়লগটা শুনে আমরা সতীর্থরা খুব মজা পেতাম এবং অনেক সময় এই মজার জন্য
রাস্তার উলটা দিকে দাড়িয়ে অপেক্ষা করতাম ।
আল্লাহ আপনাকে দুটো পা দিয়েছেন হাটার জন্য , কাউকে আঘাত করার জন্য না ।
vumihinzamidar কে
আপনি এই ফালতু গল্প এর আগেও এখানে করেছেন। করুন যতবার ইচ্ছে।
কিন্তু আপনি ভুল করছেন।
আমি লাথি মারি ঐসব আওয়ামী লীগের ধর্ষকদের যারা মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়। এখানে আপনার আওয়ামী সাথী সুইজ হাসান শহীদ জিয়াকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের তার অবদানকে খাটো করে তুলে ধরার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। উনি দিব্য জ্ঞান নিয়ে মিথ্যাচারে লিপ্ত। এই সব প্রবাসীরা বিদেশে গিয়েও ফাজলামী ছাড়তে পারেন নি।
কাজেই নিজেকে শুধু ফারমারের মত জ্ঞানী ভাববেন আর সকলকেই মুর্থ ভাববেন এই জাতীয় তত্ত্ব কথায় আমি বিশ্বাসী নয়।
কাজেই হাবিয়া দোজখ থেকে কে কবে চিঠি লিখবে তার আশায় মি vumihinzamidar বসে থাকুন। ১/১১ এর ফেরেস্তা আর আওয়ামী হাসিনাকে নিয়ে নাচানাচি করুন। তবে মনে রাখবেন, হাসিনার মঈনের পরকীয়া প্রেমের বিষফল আওয়ামী লীগকে বহন করতে হবে, আপনাদের মত দেশপ্রেমিক আওয়ামী ভাব্ধারার প্রবাসীদের ২য় প্রজন্মের প্রবাসী শিশুদেরকে আমেরিকান ব্লাক শিপ হয়ে থাকতে হবে। বাংলাদেশের এই সব প্রবাসী শিশুদের জায়গা নেই। দরকার হলে, আইন করে দেওয়া হবে, বাংলাদেশের সীমানা যারা জন্মগ্রহন করবে না তারা বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ইত্যাদি হতে পারবে না, বাড়াবাড়ি করলে তাদের রাজনৈতিক অধিকারই খর্ব করে নেওয়া হবে, যাতে প্রবাসী আওয়ামী শিশুরা আজীবন আমেরিকান বা সুইজ ব্লাক শিপ হয়ে কাটিয়ে দিতে পারে। ফলে এই সব মিথ্যুক প্রবাসি আওয়ামী শিশুদেরকে আর লাথি মারার দরকার হবে না।
শয়তান আশ্রয় নেয় মিথ্যায়, কাজেই আওয়ামী লীগ শয়তানের ভাই। আওয়ামী লীগ জাতির সাথে মিথ্যাচারে লিপ্ত। এহেন আওয়ামী লীগের পাছায় লাথি মারুন।
হে মহান vumihinzamidar, সুইজ হাসানের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আপনার প্রতিবাদ করার সাহস আছে? নাই। আপনার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে বিএনপির বিদ্বেষ ছড়ানো। তাই মুজিবের লেজ ধরে নিজের ফাজলামু ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকেন, এই সব বাদ দিন। মুজিবের বাকশাল আধুনিক যুগে ব্যর্থ, এই তত্ত্ব মেনে নিন।
মিথ্যুক আগা চাচার যোগ্য উত্তরসুরী সুইজ হাসান
by Cactus | Wed October 7, 2009 - 12:02am
Z-Force এর সম্মানিত FF farmer ভাইকে আমার লাল সালাম
জশুয়া ভাইজান এবং জ্যাকবরায়হান এর জোড়ালো প্রতিবাদেও হয়তো হাসান সাহেব উনার ভূলুটুকু স্বীকার করতেন না বরং নিজের পক্ষে যুক্তি দেখাতেন । Z-Force এর সম্মানিত FF farmer ভাই এগিয়ে না এলে হাসান সাহেব হয়তো একটা ভূল তথ্যকে আজীবন সত্য মনে করতেন । আমাদের অনেক সৌভাগ্য এখানে ফারমার ভাই ছিলেন । ধন্যবাদ এই আলোচনায় যুক্ত সবাইকে এবং ফারমার ভাইকে আমার লাল সালাম ।
মতিন সাহেব
আপনাকে আরো অনেক দূর যেতে হবে । অনেক লম্বা পাড়ি দিতে হবে , আপনাকে প্রতিনিয়ত ধৈর্যের
এবং শহনশীলতার পরীক্ষা দিতে হবে ।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন ।
Does people remember the promise of the defeated?
In BD, people even do not care for the winning parties' election promises; who cares what the defeated party promised.
Recenrly, was talking to few friends in a teatable and I brought up Hasina's election promise topic. One asked me, "did she promise something"?
I said, "you did not hear?"
He said, "That crazy turtle talks always of something, who will keep track what she says!"
হাছান ইমামের নিজের দেয়া তথ্যের ভুল স্বীকার এবং ফারমারকে ধন্যবাদ।
মি: হাছান ইমাম, আপনি জিয়ার ১১ বার যুদ্ধে অংশগ্রহন করার তথ্য মি: জশূয়া, মি: জ্যাকবরায়হান সহ অনেকে প্রতিবাদ জানানোর পরেও প্রাথমিক ভাবে ভুল স্বীকার করেন নাই। যখন মি: ফারমার আপানাকে জিয়ার ভুরুংগামারীর অবস্থান নিয়ে একটা ছোট প্রশ্ন (!) করলেন, আপনি পিছলাতে শুরু করলেন। "!" চিন্হটা দিলাম এই কারনে আমি মনে করেছিলাম যে জনাব ফারমার অবশ্যই জানতেন যে আপনি ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করিতেছিলেন এবং আপনাকে অতি ভদ্রভাবে একটা ট্রিভিয়াল প্রশ্ন করে আপনাকে শুধরিয়েছেন। এজন্য ফারমারকে আমি অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আগের কথায় যাওয়া যাক। ফারমারের প্রশ্নের উত্তরে তখন স্বীকার করে নিলেন, আপনার জিয়া সম্পকিত তথ্য ঠিক ছিল না। অধিকন্ত, আপনার তথ্যের মুল উত্স গাফফার সাহেবের ঐ এলাকায় যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন বলে সন্ধিহান হয়ে পরলেন। আপনি মনে হয় একটু লজ্জিতও অনুভব করেছেন। এরকম একটা মনগড়া তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছিলেন এবং পরে ভুল স্বীকার করেছেন-এটা একটা ভাল দিক। তবে কিছু কিছু জিনিষ শুধু ভুল স্বীকার করলেই শেষ হয় না। যেমত জনাব জলিলের স্বীকারউক্তি পরে মানসিক রোগী (!) বনে যাওয়া। এখানে আপনাকে সেরকম কোনো কিছুর মধ্যে এখনো পড়তে হয় নাই। যেহেতু আপনি জানেন যে এডিটর ফ্লাগ সিস্টেম চালু করেছেন এবং আপনি ফ্লাগ ব্যবহার করছেন, আপনার উচিত্ হবে নিজের মুল লেখাটায় ফ্লাগ করা এবং ঐ লেখাটা মুছে ফেলতে এডিটরকে অনুরোধ করা। আমি নিজে ফ্লাগ করছি না কারন, প্রতজ্ঞা করেছিলাম কারো লেখায় কখনো আর ফ্লাগ করব না। আশাকরি আপনি এ বিষয়ে এই পদক্ষেপগুলি নিবেন।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
সম্পাদক স্বপন ভাইকে...।।
সম্মানীয় স্বপন ভাই,
এ সংক্রান্ত তাৎক্ষনিক মন্তব্যটি একটি তথ্যের বিভ্রাট ঘটায় এবং শব্দচায়নের ট্রুটিতে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান সম্পর্খে আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীর প্রকাশ যথাযথ প্রতিফলিত হয়নি বিধায় এ সংক্রান্ত আমার সকল মন্তব্য গুলি মুছে ফেলার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
আপনার সময়ের জন্য ধন্যবাদ।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
To: Hassan Imam
Mr. Hassan Imam, thank you very much for your actions in this regard.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
@পোগো>> প্রতিবাদকারীদের কে ধন্যবাদ...।
আলচ্য মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রথমদিকে প্রতিবাদকারীদের প্রতিবাদকে গতানুগতিক ভেবেই ভুল বুঝেছিলাম। পরবর্তীতে নিজেই ভুল করছি ব্যাপারটি অনুধাবন হতেই এ ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেছি। আর ভুল স্বীকারে লজ্জার কি ?
তবে তথ্য প্রদানকালে এ তথ্যের বিভ্রাটের বিষয়ে আমার বিন্দুমাত্র কোন ধারনা ছিল না। হতে পারে বলার,শোনার, বোঝার বা দীর্ঘদিনের সময়ের ব্যাবধানের জন্য এটা হয়েছে।
রাজনৈতিক বাদানুবাদ করছি ও করবো,সেটা ভিন্ন ব্যাপার। তবে এটা নিশ্চিত যে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো কখনো আমার কাম্য নয়।
কৃষক ভাইজান সহ যারা এ ব্যাপারে যৌক্তিক প্রতিবাদ করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
Hassan Sb.(Swiss) You handled with honesty, thanks
Human may make errors, facing it honestly is the feature of strong and beautiful minds; you proved it, I had that trust, thanks.
HIKhan:আপনার সত্ড় সাহসকে সাধুবাদ জানাতেই হয়...
আপনার সত্ড় সাহসকে সাধুবাদ জানাতেই হয়...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
প্যাগো সাহেবকে প্রশ্ন?
প্যাগো সাহেব আপনি কি আসলেই পাগল?
প্রশ্নটা করলাম এই কারনে যে, আপনি সুইজ হাসানকে নরম সুরে তার দেওয়া মিথ্যা তথ্য ইমেলার ব্লগ থেকে মুছে ফেলার জন্য বলছেন।
১, উনি জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের প্রসংগে বলেছেন, কিন্তু বাংলাদেশে সকলেই জানেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা।
২, উনি ১১ বার বলে শহীদ জিয়াকে হেয় প্রতিপন্ন করাটাই ছিলো উনার একমাত্র উদ্দেশ্য। এবং এটাই উনার মত আওয়ামী লীগারদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। এদের কাজই আওয়ামী মিথ্যাচার চালিয়ে যাওয়া।
এহেন চরিত্রের এক সুইস হাসানকে নরম সুরে তার মিথ্যা তথ্য প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়ে আপনি নিজেই পাগল বলে এখানে চিত্রায়িত হলেন।
পাগো সাহেব, এই সব পাগলামী বাদ দিন। কারন আপনি আওয়ামী লীগ কি জিনিস তা এখনো বুঝতে পারেন নি, এরা দেশে গনধর্ষন করে প্রবাসে গিয়ে বংগবন্ধু স্মৃতি পরিষদের লেজ ধরে তেলাপোকা ন্যায় বেচে থাকতে চায়। আর এদের বেচে থাকার একমাত্র অবলম্বন মিথ্যাচার।
পাগো সাহেব, এদের যেখানেই দেখবেন সেখানেই লাথি মারবেন। ডারউইন মতবাদের শিক্ষানীতি তৈরী করে দেশে হিটলার তন্ত্র চালানোই হচ্ছে হাসিনার এখনকার কাজ। এই জন্য, হাসিনা নিজ দলে ভিন্ন মতবাদকে নির্মুল করছে।
সিরাজুর রহমান বলেছেন, এ সরকারের প্রথম কয়েক মাস বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছে, এখন আওয়ামী স্টর্ম ট্রুপাররা আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে ভিন্নমত অনুসারীদের নিধন করার কাজে হাত দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলোর সেমসাইড হত্যা-নির্যাতনের এই হচ্ছে রহস্য। ভিন্নমত পোষনকরে সোহেল তাজকেও বিদায় নিতে হয়েছে, সেই তথ্য কি ভুলে গেছেন? কিভাএ ভুলে গেলেন, ভারতীয় প্রণব বাবুর পরামর্শে হাসিনা পিলখানায় তডিৎ অপারেশন না চালিয়ে অর্ধশতাধিক দেশ প্রেমিক আর্মী অফিসারকে হত্যা করে নিজে শান্তির কন্যা পদক নিলেন? এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে কি হবে বুদ্ধিমান প্যাগো সাহেব।
পাগো সাহেব, চোখ খুলুন। সুইজ হাসান বা আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করবেন না। ইমেলার সাথে গোপান আতাত করেই সুইজ হাসানেরা মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। চোখ খুলুন, মি প্যাগো।
matin, the demolition engineer
Learning time, matin, learning time. I asked Betrayed, Nirvik2008 & yusuf144 to read pogo's postings, just forgot to tell you before.
villager..
ধন্যবাদ, আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনি আমার লেখা নিয়ে যেকোন মন্তব্য করুন, কড়া কথা বলুন, ভাল বলুন, সবই ঠিক আছে। কিন্তূ অনুরোধ রইল, কিছু বিশেষ বিশেষ আইডির সাথে আমার তুলনা না করার জন্য। উদাহরন স্বরুপ, বিট্রেড ভাইকে আমি কোন দিন দেখি নাই। তবে উনি আমার চেয়ে সিনিয়র এবং অভীজ্ঞতা সম্পন্ন। ওনার ব্যক্তিগত সরলতা আমাকে মুগ্ধ করে। এই মেলাতে আগমনের পর থেকে কোন এক কারনে ওনার সাথে একটা ভাল সম্পর্ক তৈরী হয়েছে বলে মনে করি। মাঝে মাঝে ভালমন্দ শেয়ার করি। তাই ওনার সাথে আমার তূলনা না করাই শ্রেয়। তেমনি ভাবে অন্যান্য কারো সাথে তুলনা না করাটাই মনে হয় ভাল। এতটা ভার আমি নিতে মনে হয় সক্ষম না। আমি জনাব ফারমারকে একই অনুরোধ জানাব।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
মি: মতিন- answer
মি: মতিন, ন, আমি মনে হচ্ছে স্বাভাবিক আছি। পাগল নই। কারন, আমার family members, friends and wellwisher ও রকম তেমন কিছু কখনও বলে নাই। তবে দু'জনে মাঝে মধ্যে বলেছিল বা বলছে, এবং তারা হলেন মা এবং গিন্নী। ভাই, রুজি-রোজগারের জন্য ব্যস্ত থাকতে হয়। তাছাড়া অন্য অনেকের মত ছোট খাট একটা পরিবারের পুরা দায়িত্ব মাথার উপর আছে। সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। সুতরাং বেশী কড়া কথা লিখে আমার রাতের ঘুম হারাম করতে চাই না- এখানে কিছুটা স্বার্থপর বলতে পারেন। কিন্তূ, ভাইজান, আপাতত "চাঁচা আপন পরান বাঁচা" এই স্লোগান নিয়ে আছি। বিশ্বাস করুন, গতকাল দু'তিনটা কমেন্ট লিখে আবার মুছে ফেললাম। মনে করলাম কি হবে এই করে? শুধু টেনশন। গিন্নী আবার আমার লেখা প্রায়ি পড়ে। সুতরাং ভন্ডামী করে পার পাওয়ার কোনো উপায় নাই আমার। তবে শুনুন, এই কিছু দিন আগে আমার এক বন্ধু বললেন আমার বাসায় আসবে আরেক বন্ধুসহ একসংগে ডিভিডি দেখবে। বলে দিয়েছিল কোন ডিভিডি দেখবে। ঐ ডিভিডিটা তারা বিশেষ অর্ডার দিয়ে আনিয়েছিল কারন আমাদের ছোট শহরে ওটা পাওয়া যায় না। আপনি আমার জায়গায় হলে হয়ত রাজী হতেন না। ডিভিডিটা ছিল আগাচৌ-এর শেখ মুজিবকে নিয়ে বানানো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলৎচিত্র। আমরা ছয়জন স্বস্ত্রীক ঐ ডিভিডি সহ আরো একটা মুভি দেখলাম। আমি কিন্তূ ঐ ডিভিডির বিভিন্ন জায়গায় তাদের প্রশ্ন করতে ভুলি নাই। তারাও অনেক জায়গায় আমার সংগে একমত হয়েছেন এবং আগাচৌকে উদ্ধার করেছে। তবে ভাইজান আমার পেশগত জীবনে একটা জিনিষ শেখার চেষ্টা করছি, সেটা হল "never break the bridge, leave the communication open." আপনাকে ধন্যবাদ এবং ভাল থাকুন।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
Joy following the foot steps of Tareq
Joy is entering the AL; unfortunately, he is following the foot steps of Tareq. The way he is trying to enter thru the back door, it will create huge problem; people will not accept. Moreover, AL people are not BNP people, he may face huge opposition from AL, if he does not come thru the proper way.
Although, Hasina thinking, she is better off with Dipu, Sajeda, Faruk, Motia; it will not be that easy like Khaleda and Tareq.
JS session is waste of money
The people who cannot solve seating problem, how one can believe these people can bring in Bills for employment, housing, healthcare, education, food supply and population control? These bastards are monkeys.
After the election, when PM is elected and cabinet is made, let the bastrads go on vacation, save our money.
Hassan Imam khan এর মধুর ইতিহাস >>>>
# "মুক্তিযুদ্ধে জিয়া সাহেব ১১ দিন বাদে সকল সময় ভারতে ছিলেন। ।"
## "আমার জানামতে ১১ দিনে ১১ বার মাত্র কিছু সময়ের জন্য সম্মুখ যুদ্ধের প্রস্তুতিতে তিনি সিমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকেছিলেন। "
"১১ দিনে ১১ বার মাত্র কিছু সময়ের জন্য "------ এই ধরনের লিখা কি কারো অবদান কে বড় করে দেখার জন্য ? 'মাত্র কিছু সময়ের জন্য' এটা কি সম্মান দেখানোর ভাষা?
মুক্তিযোদ্ধে জিয়ার অবদানকে খাটো করার জন্য একজন bal পন্থির কাছ থেকে শোনা কথা ইমাম সাহেব ফলাও করে এভাবে বলবেন তা ভাবতে অবাক লাগে । এভাবেই হয়তো bal সুশীলগন নতুন প্রজন্মের মগজ ধোলাই করে স্বাধীনতার ইতিহাস বর্ননা করবেন। FF farmer এর মতো একজন কে তো সব সময় পাওয়া যাবে না সত্যটুকু জানার জন্য,আর বিএনপির প্রতিবাদে কি আসে যায় ওরাতো bal এর দৃষ্টিতে কুশীল, অস্পৃশ্য !
ক্যাকটুস সাহেব, আপনি ঠিকই বলেছেন...।
ক্যাকটুস সাহেব, হ্যা আপনি ঠিকই বলেছেন, আমার অসতর্ক শব্দচায়নে করা মন্তব্যটি পড়ে যে কাহারো মনে হতে পারে যে,আমি জিয়াউর রহমান সাহেবের ভুমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াশ নিয়েছি, যদিও সেটি আমার লক্ষ ছিল না। আমার লক্ষ ছিল এটাই প্রতিষ্ঠিত করতে যে ভারতে অধিকাংশ সময় থাকলেও মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার ভুমিকা খাটো হয়নি,আবার জিয়ার সাথে ফারুক,রশীদ এর তুলনা হয় না। এ ক্ষেত্রে আমার তাৎক্ষনিক শব্দচায়নে আরো সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিল।
আমার এই অসতর্ক শব্দচায়নের জন্য ও আমি দুঃখিত। আশা করি এ বিষয়ে আমি আমার অবস্থান তুলে ধরতে পেরেছি।
রাজনীতিক জিয়া ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াকে আমি এক কাতারে ফেলে মুল্যায়নে অভ্যস্থ নই। মুক্তিযুদ্ধে তার মহান ভুমিকাকে আমি শ্রদ্ধ্যা করি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
@সুইস সাহেবকে ।
আপনি এতো কিছু জানেন , মনে হয় মোটামুটি আমাদের মুক্তিযুদ্দের উপর গভেষনাও করেন। কোথায় রাজাকার ? কে ১১ দিন ভারতে বসে ছিল , ডালিম আর ফারুক মুক্তিযোদ্দ্বাহ নয় কিছুদিন পর শোনা যাবে আওয়ামী লীগ না করার অপরাধে মেজর জলিল , সিরাজ সিকদার ও কাদের সিদ্দিকি এরা মুক্তিযোদ্দ্বাহ ছিলেন না । তাভাই সাহেব আপনি পুতুলের শ্বশুরের ব্যাপারে একটু মুখটা খুলুন , এব্যাপারে একেবারে মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন কেন ? মুজাহিদি , নিজামীর গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা থাকলে আমাদের স্বাধিনতা লজ্জা পায় , মন্ত্রী মোশাররফের গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা উজ্জীবিত হয় কিনা জানালে খুশী হব।
AL eR লজ্জা acey naki?
মন্ত্রী মোশাররফের গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা উজ্জীবিত হয় this is correct for AL politics. They use Rajakar only for their power politics and for street politics.
That's why they don't want to bring them into the justice because once this job done then their politics era also will be finished.
Go azam, Putuler father in law, Nizami, Kamruzzaman, Mujahidi gong should be in the prison not in the AC room. But this will never happen coz as I say this is only their political GAME.
This is AWAMI RAJNITI......
@ Kalnta Pothik_AL eR লজ্জা acey naki?
ক্লান্ত পথিক সাহেব , আমার মনে হয় এই ই-মেলার সবাই মিলে একটা পোল করা উচিৎ , পুতুলের শ্বসুর ,হাসিনার বেয়াই মোশাররফ সাহেব রাজাকার ছিলেন কিনা বা তার অতীত ইতিহাস (১৯৭১ সালে ) তার কার্যক্রম স্বাধীনাতা বিরোধী ছিল কিনা অথবা রাজাকার হিসাবে সে ( মোশাররফ )
বা তার পিতা রাজাকার ( শান্তি কমিটির চ্যেয়ারম্যান )মোহন মিয়া কোন মুক্তিযোদ্দ্বা হত্যা বা নীরিহ হিন্দুদের বাড়ী ঘড় জ্বালিয়ে অবৈধ সম্পত্তি বানিয়েছিল কিনা এটার পরিস্কার ইতিহাস পাওয়া উচিৎ। আমি এই ব্যাপারে সম্পুর্ন নিশ্চিত এই ফোরামের কেহ না কেহ মোটামুটি একটা ধারনা দিতে পারবে।সবাই প্রতি আমার অনুরোধ যদি কেহ কিছু জেনে থাকেন এই ফোরামে সব খুলে বলুন।
নতুন প্রজন্মের কাছে অজানা তথ্য
অজানা তথ্য ১ : মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী মুজিব নিহত হলে খোন্দকার মোশতাক সরকারের President in charge of Defense affairs উপদেষ্টা নিযুক্ত হন...এই সঠিক তথ্যটা অজানা ছিলো, এর জন্য মেজর ডালিমকে জাতি স্মরন করবে।
অজানা তথ্য ২ : মুক্তিযোদ্ধা জিয়া মাত্র ১১ বার বাংলাদেশের ভিতরে ঢুকে যুদ্ধ করেছে, ...এই ভুয়া তথ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের হাসান ইমাম নতুন প্রজন্মকে ধোকা দিতে চাইছে ...এর জন্য দাদা হাসান ইমামদেরকে জাতি লাথি মারবে।
by MajorDalim | Mon October 5, 2009 - 5:55pm
JR ভাই এই সার্টিফিকেট কোন আওয়ামী লীগারের কাছ থেকে না নিলেও চলে।
JackobRaihan ভাই,
জিয়া মুক্তিযোদ্ধা ছিলো কি রাজাকার ছিলো এই সার্টিফিকেট কোন আওয়ামী লীগারের কাছ থেকে না নিলেও চলে। আমি মনে করি ফার্মারের কথাই ঠিক, এ ব্যাপারে তাদের সাথে বিতর্কে না জড়ানোটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
তারা মেজর ডালিম কেও রাজাকার বলে, আবার মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীকেও কে সর্বাধিনায়ক বলতে প্রস্তুত নন। কেননা তিনি মুজিব নিহত হলে খোন্দকার মোশতাক সরকারের President in charge of Defense affairs উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। অতএব এসব তর্ক না করাটাই ভালো হবে।
রাজাকার থেকে মুক্তিযুদ্বের সার্টিফিকেট
যারা সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে কটাক্ষ করে তাদের থেকে কে মুক্তিযোদ্বা তার সার্টিফিকেট নিতে হবে কেন? তোমরা ভাল জান কারা রাজাকার ছিল তার সার্টিফিকেট বিতরন কর।
ঘাদের মাথা ঘুরে
আপনারা কি সত্যি বিশ্বাস করেন ৭১-এ ভারতের প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহন ব্যতিরকে আমাদের একার পক্ষে যুদ্ধে বিজয় তথা বাংলাদেশ প্রতিষ্টা করা সম্ভব ছিল। পাকিস্তান ও তার পিছনে ও সমর্থনে থাকা মারকিন, চীন অক্ষ কে পরাজিত করা ছিল একরকম অসম্ভব।
ভারত সোভিয়েত প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহন ছাডা ৯৯% সম্ভব্না ছিল ব্যর্থ হবার। তা হলে এটা আমাদের অর্জ্ন কি ভাবে বলা য়ায?
সন্দেহ নেই আমাদের আনেক ত্যাগ তিতিক্ষা আছে (দেশ আমাদের সুতরাং তা বলাই বাহুল্য)। বহু মানুষ (সংখা যাই হোক) নিহ্ত হয়ে ছিল, বহু নারী নির্ঘাতীত হয়ে ছিল, সারা দেশের লোক অর্ব্নীয় কস্ট ও আতংকে দিনাতিপাত করেছে। এ সবই সত্যি,
কোন সন্দেহ নাই। কস্ট করলেই (যুদধ ও করেছি বটে) কি কৃত্বিতের দাবীদার হওয়া ঘায়। রোগী কস্ট পায়, ঔষ্ধ রোগ সারায়,
তাই বলে রোগী রোগ নিদানের কৃত্বিতের দাবীদার হবে।
বুঝি না ঘারা ভারতের নাম শুনলে গদ গদ হয়ে ঊদ্বাহু নেত্ত করা শুরু করে তারাই আবার ভারতের most genuine আবদান স্বীকার করতে এতটা পরান্মুখ কেন?
ঘাদের মাথা ঘুরে >>> It is impossible to.....
It is impossible to explain Nur-e-al Maliki why US army crossed the border into Iraq other than what he things. The sole reason was to liberate Iraq., isn't it Mr. SalamU ?
নির্ভিক,না ওদের মাথা ঘুরে না,ওরা মাথা ঘোরায় মাত্র...।
না নির্ভিক না। ওদের কখনো মাথা ঘোরে না। ওরা অপরের মাথা ঘোরানোর অপচেষ্টা করে মাত্র। আশ্চার্যের বিষয় হলো এই সামান্য ব্যাপারটিই আপনাদের মাথায় আসে না।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
কখনো মাথা ঘোরে না?
হাসান সাহেব সত্য স্বীকারের সত্সাহ্স রাখুন।
১৯৭৩ সালে ১৬ই ডিসেম্বর - বিজ্য় দিব্স ঘোষ্না করতে গেলে ভারতের দাবীতে জাতীয় দিব্স ঘোষ্না করা হয।
ভারত ১৬ই ডিসেম্বর বিজ্য় দিব্স পাল্ন করে।
Please visit Indian web sites, read Indian News papers - see if they want share this victory with us or not.
১৬ই ডিসেম্বরের বিজ্য়এ আমাদের অংশ ১০% - এটা আমাদের অর্জ্ন।
যাই হোক ল্ক্ষীপূজার শুভেচ্ছা গ্রহন করুন।
নির্ভীক সাহেব - প্রসংগান্তরে যাবার দরকার কি?
Quote
I Just quoted from the persons who were involved in Liberation war and have in depth knowledge about the war.
It is the opinion of such persons, which to be placed above any of our personal and our political leaders who have very limited knowledge about the war.
General Osmani (C-in-C BD) and FM FH Manek Shaw (C-in-C India) commented like that and who else know better than them?
There is no reason to misunderstand.
My personal opinion does not count here.
Dear Mr. Hasan
It was you who raised these questions.
You are doing VONDAMI.
Majority of Bengali, Sk. Mujib wanted Self-autonomy (at least before 25th Mar. 71) not independence
It was India who gave us so called independence, like they gave relief to refugees. It is not our ORJON.
In 1971 Pakistan was dismembered - Gen. Osmani.
Only forces fought in 1971 war were Indian and Pakistani Army, there were nothing called Freedom fighters - they were simply to harass Pakistani Army - FM Manek Shaw.
salamU..wht r u saying?
Are you insane?? 'India gave us independence...It is not our ORJON...' (!!!!!)....
No Bangladeshi can say this but a Pakistani or an anti-liberationist...
রানা,বুঝুন ওনাদের মর্মজ্বালাটা...।।
এখন বুঝুন ওনাদের মর্মজ্বালাটা।
এ সকল মুখোশধারী জামাতীরাই বি,এন,পির ঘাড়ে সিন্দাবাদ হয়ে চেপে বসেছে।
কত বড় স্পর্ধা, মুক্তিযুদ্ধ নাকি আমাদের অর্জন নয়।
এ সকল জাতিদ্রোহীদের করুনা দেখাতেও বিবেক বাধা দেয়।
অসভ্যতার ভাগাড় থেকে উঠে এসে এ আসরে এরা ২৪ ঘন্টা লেগে আছে আমাদের সকল গর্বিত অর্জনকে কালিমালিপ্ত করতে।
ধীক এই নরাধমদের প্রতি,আর তাদের সহযোগীতাকারী তথাকতিথ জাতীয়তাবাদের ধ্বজ্জাধারীদের প্রতি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
so irritating...
you know what hassan, e-mela is getting occupied more & more by all these rubbish. that's why i don't even feel like to write a'thing on response of these stupidity. there can be debate on AL & BNP but these ungrateful people started doubting our achievement, our root. I'm sooooo annoyed...
ভাই Rana
এত জলদি হতাশ হলে চলবে কেমন করে? একটু ধৈর্য্য তো রাখতেই হবে। কেননা, এর নাম ই-মেলা। পাগল-ছাগল না থাকলে কি আর মেলা জমে রে, ভাই।
আপনি নিশ্চয়ই ভুলে জাননি যে, এটাই আমাদের নিয়তি। আমরা জন্মেছি সেই দেশে যেখানে অহরহ আমাদের চারপাশে বসবাস করে লুকিয়ে থাকা অজস্র রাজাকার। এটা সেই দেশ যেখানে জিয়া, রিশিদ, ডালিম'রা বেড়ে উঠে বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন ভাবে। আর, এদের সহযোগিরা পিছলামি করে এদের নিয়ে, আপনার মতো সুস্থির লোকদের অস্থির করে তুলতে। যেমন এরা করে গেছে গেল ত্রিশ বছর!!!
ভাই Rana
Same here. This shit is not only ungrateful, I doubt probably he feels shame on his own birth and sure this shit doesn't know his own father's name.
I really feel pity for these backboneless shits.
বদকিসমতিসে মেরা জনম উধারই হুয়া থা...।
বেশ কয়েক বছর আগে এক বন্ধু এখানকার এক পাচ তারকা হোটেলে দাওয়াত দিলেন এক আসরে। যুক্তরাজ্য থেকে উনার দূর সম্পর্খের এক চাচা এসেছেন সপরিবারে সুইস ভ্রমনে। তার সম্মানেই এ আসরের আয়োজন । তিনি বোল্টন নামে এক শহরের বিরাট ব্যাবসায়ী। তার পুত্র সেখানের একজন পুলিশ অফিসার। সারা দিনের কর্মক্লান্তিকে অবজ্ঞা করেই সে আসরে যোগ দিয়েছিলাম কারন, যুক্তরাজ্যের যে কোন একজন প্রাইমারি বাঙ্গালী সেটেলারের কথা শুনতেই সবসময় মনে মনে একটা ভিষন তাগিদ ও আকর্ষন অনুভব করি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বেশ কিছু দিন পেশাগত ভাবে কাজ করেছি বিধায়। বিষয়টি তখন আমার পেশার অন্তর্গত না হলেও অনেকটা নেশায় পরিনত হয়েছে।
আসরে পৌছুতেই দেখি বিশাল বপুর এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এক জমজমাট আসর। বিশাল বপুর এই ব্যক্তিই আমার বন্ধুর চাচা। শ্রোতা পরিবেষ্ঠিত হয়ে উনি একাই বলে যাচ্ছেন আর সকলে শুনছে। উনি কথা বলছেন বাংলা ও ইংরেজীর মিশ্রনে আবার মাঝে মাঝে চোস্ত উর্দু বলছেন কোন মিশ্রন ছাড়াই।
সুইস বঙ্গবন্ধু পরিষদের বর্তমান সভাপতি বন্ধু শামিম হটাৎ প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, চাচা আপনার জন্ম কোথায় হয়েছিল, পাকিস্তানে নাকি বাংলাদেশ ? ঊনি পালটা প্রশ্ন করলেন, হোয়াই দিস প্রশ্ন ? বন্ধু আমতা আমতা করে বলেই ফেললেন, না কিছু মনে করবেন না, আপনার বাংলা কথায় ইংরেজী শব্দ বার বার এসে গেলেও উর্দু বলার সময় এটা ঘটছে না, তাই এই সামান্য কৌতুহল মাত্র। উত্তরে উনি যা বললেন তা শুনে আমাদের সকলেই হতবাক, বেটা, মেরা জনম পাকিস্তানমেই হুয়া থা মাগার বদকিসমতিসে উধারই ( অর্থাৎ বাংলাদেশে ) হুয়া থা, হা হা হা ( অট্টহাসি)।
তার এ অট্টহাসির হা হা শব্দ গুলি ঠা ঠা করে আমার শ্রবন যন্ত্রে ও হৃদয়ে আঘাত করছিল বিধায়,ভিষন এক বিতৃষ্ণা নিয়ে কাউকে কিছু না বলেই সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম।
এই চাচা মিয়ার ন্যায় অনেকেই আছেন, বদকিসমতিসে যাদের জন্ম আমার দেশের মাটিতে হলেও উনারা মনে প্রানে চাচা মিয়াই হয়ে আছেন এবং থাকবেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
Substance right but subject not
The creation of Bangladesh from the womb of Pakistan is part of history but there was history before that and there had history after that. There are people who can’t go beyond a particular timeframe so they become mentally handicapped. Because of living in particular time frame the fictions character experienced his life both in Pakistan and Bangladesh but unfortunately he failed to be transformed to complete Bangladeshi. He may not feel any change in livelihood or his life may be degraded over the course of time. So it is his own problem, it is not problem for the people whose life is shining day by day. These back dated people can not be threat for overwhelming civilization. They can’t think to unite Bangladesh with Pakistan. This back dated people will be marginalized by the progressive minded people but exploitation of some men by another group of men or a nation by another nation will not stop. The past aggressor now become powerless but past powerless now become aggressor.
salamU..wht r u saying? >> Rana >> This is crap
SalamU, My head started spinning after reading your posting.
'India gave us independence...It is not our ORJON...' (!!!!!)....I don't think you had enough sleep at night. Otherwise, no one can write something like this. Indians like FM Manek Shaw always says demeaning and derogatory statement like this.
-------------------------------------------------------------------------
salamU..wht r u saying?
Are you insane?? 'India gave us independence...It is not our ORJON...' (!!!!!)....
No Bangladeshi can say this but a Pakistani or an anti-liberationist...
Election promise is only valid for fair election.
Everybody knows this type of rigged election is not valid, not to mention that the promise of election is only valid. 115% vote casting in many polling centres and vote casting rate of 10 per munutes is only possible in other planet not in this world of reality.
শ্রীকৃষের লীলা আমার পাপ
শ্রীকৃষের লীলা আমার পাপ - বেশ আওয়ামী নীতি বাগীষ।
হা হা হা, চমতকার বললেন।
অধিক্ন্ত ন দোষায়
অধিক হইলে দোষ হয় না।
১৯৭০ নির্রবাচনি ইশতেহার ছিল স্বায়্ত্ব স্বাশনের, দেয়া হল স্বাধীনতা।
এখ্ন ৩০ দিন যদি ৩০০ দিন হয়, তবে অসুবিধা কি?
আওয়ামী লীগ বর্জ্ন করলে দোষের হয় না।
শ্রীকৃষের লীলা আমার পাপ - বেশ আওয়ামী নীতি বাগীষ।
আমার কিছু প্রশ্ন০০০০
বাল্মিকির মতো রসে টাইটুম্বুর উপন্যাস লিখলেই তা সত্য হয়ে যায় না।
১৯৭০ নির্বাচনের ইশ্তেহারে ছিল স্বায়ত্বশাষন। দেয়া হল স্বাধীনতা। বুঝুন ঠ্যালা। যদি তাই হয়, তবে 'ড্রাম তত্বের" কি হবে? জানতে চাই।
জিয়া নামের একজন সৈনিক যে ড্রামের উপর দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা ঘোষনা করে ফেল্ল, সেটা কোন ইশ্তেহারের অনুযায়ী করা হলো? জানতে চাই।
জানতে চাই, দেশের সূর্য্য সৈনিকেরা মুক্তিযোদ্ধা (!) জিয়া, রশিদ, ফারুক, ডালিম সেদিন ভারতে পালিয়েছিলেন কেন? দাদাদের ওটা চুষতে কি বড়ই আনন্দ?
শ্রীকৃষনের লীলা কারো পাপ নয়, অনেকের জন্ম।
TIGER71 এর মিথ্যা গর্জন >>>>
"জানতে চাই, দেশের সূর্য্য সৈনিকেরা মুক্তিযোদ্ধা (!) জিয়া, রশিদ, ফারুক, ডালিম সেদিন ভারতে পালিয়েছিলেন কেন? দাদাদের ওটা চুষতে কি বড়ই আনন্দ? ........."
জনাব TIGER71, নিজেরা দাদাদের ওটা চুষে বড় আনন্দ পান বলে সবাইকে কি সেই রকম মনে করেন নাকি ? নিজেরা এমনি ভুয়া তথ্য দিয়ে থাকেন আর সারাক্ষন সমালোচনা করেন bdগ্রুপ,মাতিন কিংবা ইউসুফ দের।
মিথ্যুক tiger71 ,জিয়া কবে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন ?নতুন ইতিহাস রচনা করেন নাকি ? এই ফোরামে Z-Force এর সম্মানিত FF farmer সাহেবের লিখা থেকে জিয়ার ভারত গমন সর্ম্পকে জানুন " He used to go to 91 BSF(somewhere near Agartola for arms & ammo), Harina (for new recruits & food), ।"
ক্যক্টাসের জঞ্জাল০০
তাই না-কি! ফারমার থেকে জানতে হবে? ইঊ সিওর? রায়হান খান আর সেলিম সি থেকে নয়?
না ভাই, আমরা তো আপনাদেরও চুষার সুজোগ দিচ্ছি। আপনিও আপন মনে চুষে যেতে পারেন। আমাদের কোন আপত্তি নেই। খান ভাইদের সাথে দাদাদের, জমবে ভাল।
ইতিহাস কি কখনো নতুন হয়? ইতিহাস মানেই তো পুরাতন কথা। এই ধরুন, জিয়া পালালো ভারতে কিনতু বেগম জিয়া রয়ে গেল ক্যান্টনমেন্টে পাকি ভাইদের সাথে। নিয়াজী/রাও ফারমান'রা রোজ রেডিও'তে জিয়ার বিরত্বপুর্ন যুদ্ধের খবর শুনতো আর রাত্রে সেইসব বীরত্বপূর্ন খবরাখবর পৌছে দিত খালেদার কাছে। কি যে আনন্দ হতো ম্যাডামের! ফারমার সাহেবের বইতে কি তা লিখা হয়েছে? (অবশ্য যুদ্ধ নিয়েই তো ওনারা তখন ব্যস্ত।)
ও আরেকটি কথা। জিয়া তবে খাওয়া জোগারের জন্য হারিনা যেতেন। বাহ, আপনি তো দেখছি ইতিহাসের ইতিহাস বিজ্ঞ। কি দারুন!
আমাদের বাল্মিকী ভায়েরা এই বিষয়ে আসলে একটা পোস্টিং পাঠাতে পারে। অনেকেই উপকৃত হতেন।
TIGER71 এর মিথ্যা গর্জনঃ>>>>>এবং কিছু কথা
TIGER71 এর মিথ্যা গর্জনঃ-"জানতে চাই, দেশের সূর্য্য সৈনিকেরা মুক্তিযোদ্ধা (!) জিয়া, রশিদ, ফারুক,ডালিম সেদিন ভারতে পালিয়েছিলেন কেন? দাদাদের ওটা চুষতে কি বড়ই আনন্দ? "
জনাব TIGER71 ,পরিস্কার করে বলুন মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়া কি দাদাদের ওটা চুষে আনন্দ পেতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন ?
যদি আপনার কথা সত্যি না হয় তবে আপনি একজন জঘন্য মিথ্যাবাদি। আপনার কাছ থেকে সঠিক ইতিহাস পাবার কথা না । সুতরাং এ ব্যাপারে আপনার মতো একজন মিথ্যুকের সাথে কোনো আলোচনা শুধু সময়ের অপচয় মাত্র । ফোরামে Z-Force এর সম্মানিত FF farmer সাহেব রয়েছেন ,উনি জিয়াকে আপনার আমার চাইতে বেশি জানেন । উনি আপনার মতো মিথ্যুক নন । তাই উনার কথা উল্লেখ করেছি । জিয়ার হারিনা যাবার কারনটি ফোরামে ফারমার সাহেবের লিখা থেকেই উল্লেখ করেছি ......এ ব্যাপারে আপনার মনমতো হয় নাই বলে গোসসা নাকি জনাব tiger71 ? আর পিছলামী করে প্রসংগ পাল্টাবেন না জনাব বাল্মিকী tiger71 । এখানে খালেদা কে নিয়ে কথা হচ্ছে না শুধু জিয়ার ভারত যাওয়া এবং তাঁর যুদ্ধে অংশ নেয়া বিষয়ে কথা হচ্ছে। আর এখানে আপনি ম্যাডাম ম্যাডাম করছেন , তারচেয়ে বরং ম্যা ম্যা করুন , মানাবে ভাল । বাঘের ছাল গায়ে দেয়া রামছাগল কোথাকার !
মুক্তিযুদ্ধে জিয়া সাহেব ১১ দিন বাদে সকল সময় ভারতে ছিলেন।
মুক্তি যুদ্ধের সময়ে জিয়া বাংলাদেশ আর্মির সেনা অফিসার হিসেবে তার দ্বায়িত্ব কালের পূরোটা সময় ভারতে কাটিয়েছিলেন। মুজিবনগর সরকারের বেতন ভাতা গ্রহন করেছিলেন। আমার জানামতে ১১ দিনে ১১ বার মাত্র কিছু সময়ের জন্য সম্মুখ যুদ্ধের প্রস্তুতিতে তিনি সিমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকেছিলেন। রশিদ ও ফারুক আদৌ কখনো কোন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় নাই,বিধায় তারা মুক্তিযোদ্ধা নয়।
আর ডালিম ছিল মুক্তিযুদ্ধে আই এস আই এর প্রেরিত এজেন্ট। মাত্র একদিন সে সিমান্তের কাছাকাছি এসে যুদ্ধ না করেই ক্রস ফায়ার এর গুলি খায় এবং বাকি সময় ভারতে বিয়ে,হ্যানিমুন ও মোসতাক চাষীর পাকিস্তানী ষড়যন্তের ক্রীড়ানক হিসেবে কাজ করে।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাছান সাহেবকে বলছি
বুঝলাম আপনি একজন আওয়ামিলীগে্র বিশিষ্ট সমর্থক।কিন্তু জিয়াউর রহমান '৭১ এ যুদ্ধ না করে শুধু ১১ দিন তথা ১১ বার মাত্র কিছু সময়ের জন্য সম্মুখ যুদ্ধে গিয়েছেন এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন ভাই সাহেব?আপনার এই কথা ৩৮ বছরে আমি কোথাও শুনিনি বা পড়িনি।আপনার নিকট কি কোন প্রমান আছে ভাই?যদি থাকে কষ্ট করে আমাদেরকে একটু দেখাবার অনুরোধ রইল।যদি আন্দাজে বলে থাকেন তাহলে দুঃখ প্রকাশ করার আহবান জানাচ্ছি।
Joshua
জসুয়া ভাইজানকে, জিয়া প্রসঙ্গে...।
আমার যে পোষ্টটির বক্তব্য সম্পর্খে আপনি ব্যাখ্যা দাবি করেছেন, সেখানে কোথাও দাবি করা হয়নি, যে জিয়া সাহেব মুক্তিযুদ্ধ করেননি।
আমি যা বলেছি...,
আমার জানামতে ১১ দিনে ১১ বার মাত্র কিছু সময়ের জন্য সম্মুখ যুদ্ধের প্রস্তুতিতে তিনি সিমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকেছিলেন।
এ বিষয়ে আমার যে ধারনা সেটি কোন বই বা নিবন্ধে পাওয়া নয়। জিয়াউর রহমান সাহেবের সহযোদ্ধা ছিলেন লে,ক, আব্দুল গফফার বীর উত্তম। যিনি জিয়া সাহেবের নেতৃত্বে বিখ্যাত ভুরুঙ্গামারী যুদ্ধে বীরত্বের কারনে বীর উত্তম খেতাব পেয়েছিলেন। ১৯৮১ সনে এই গফফার সাহেব খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। তার ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রায় প্রতি সন্ধ্যায় আমাদের ছিল আড্ডা। সে আড্ডার বিষয়বস্তু ছিল প্রধানত মুক্তিযুদ্ধ। জিয়াউর রহমান সাহেব যেদিন মৃত্যুমুখে পতিত হলেন,সেদিন গফফার সাহেব মুলত মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার ভুমিকা নিয়েই কথা বলেছিলেন। সেখানেই জেনেছিলাম যে, তাদের যুদ্ধের বেজ অফিস ছিল ভারতে,সেখানেই ছিল তাদের অস্থায়ী নিবাস। জিয়া সাহেব সর্বমোট ১১ টি ছোট/বড় যুদ্ধে সরাসরি অংশ গ্রহন করেন। প্রতিটি যুদ্ধ,এবং যুদ্ধের কলা কৌশল ও বিস্তারিত এ আলোচনায় বেরিয়ে এসেছিল। এ যুদ্ধ গুলি ছিল মুলত হিট এ্যান্ড রান ধরনের। এ ধরনের ১১ টি যুদ্ধে অংশ নিতে জিয়া সাহেব সিমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকেছিলেন ও যুদ্ধ শেষে ফিরে গিয়েছিলেন। নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত এভাবেই যুদ্ধ হয়েছিল।
এ বিষয়ে কোন ডকুমেন্টারী তথ্যপ্রমান আমার কাছে নেই। গফফার ভাইয়ের সাথেও যোগাযোগ নেই প্রায় বিশ বছর।
মুক্তি যুদ্ধের অধিকাংশ সেনা নায়ক ভারতের অস্থায়ী নিবাসে ছিলেন, এবং ভারতে গেলেই যেমন তাদের ভুমিকা খাটো বা হেয় করার নয়,তেমনি মুক্তিযুদ্ধের শেষলগ্নে ভারতে অবস্থানকারী ফারুক,রশীদ মুক্তিযোদ্ধা নন,সেটাই আমার লেখার প্রতিপাদ্য বিষয়।
টাইগার সাহেব একজনের লেখার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন রেখেছিলেন যে,মুক্তি যোদ্ধা জিয়া,ফারুক,ডালিম কেন ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা জিয়া ও ফারুক,রশিদ,ডালিম এর ভুমিকা সমান নয়,সেটাই বলার চেষ্টা করেছি।
ভাল থাকুন,
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাছান সাহেবকে বলছি
ভাইজান কারোর মুখের শুনা কথা নিয়ে এতবড় একটি ভুল তথ্য উপস্থাপন করা আপনার উচিৎ হয়নি।জিয়াউর রহমান একজন প্রতিষ্টিত মুক্তিযোদ্ধা এই বিষয়ে কোন দ্বিমত নেই।আপনার এই ভুল তথ্য ভুল স্বীকারের মাধ্যমে উইথড্র করার অনুরোধ রইল।
Joshua