আওয়ামি নেতাদের অনিবায পরিনতি,আবদুল জলিলের মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটেছে?

মজিবের রংহেডেড কন্যা (খুনি হাছিনা)অহরহ মিথ্যাকথা বলেই যাচ্ছে ।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (সাবেক বাংলাদেশ আওয়ামী মুসলীম লীগ)আমি যতোটা জানি তাতে এই সংগঠনটার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ছিল মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হক ছিল| ঐ নেতাদের অভিশাপে এই আওয়ামী লীগ নেতাদের বড়ই করুন পরিনতি আমরা দেখেছি আজ এর কিছু বণনা করিব পাঠকদের ঞ্জাতাথে|
আওয়ামিলিগের ইতিহাসে আওয়ামি নেতাদের অনিবায পরিনতি|মৌলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, মৌলানা শামসুল ইসলাম ,হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমেদ, সয়দ নজরুল ইসলাম,কামরুজজামান, সয়দ মনসুর আলী, জোহরা তাজউদ্দীন,আবদুল মালেক ওকিল,মেয়র হানিফ, ড:কামাল, বঙ্গবীর কাদের সিদদিকি, পরিশেষে আবদুল জলিল| অনেকে ঐ আওয়ামিলিগের নেতাদের পরিনতির ইতিহাস ভুলে যেতে বসেছে| ওরা সবাই নিজদল আওয়ামিলিগের কমীদের দ্বারা অত্যাচার-নির্যাতনের ও হত্যার শিকার হয়েছিল| আওয়ামী লিগের নেতাদের প্রতি বর্বরতার ইতিহাস, এক একটি কলংকিত ইতিহাস|
-ওরা মৌলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে পিঠীয়ে মনচ ভেংগে দিয়া আওয়ামিলিগ থেকে বেড় করে দিয়াছিল|
-মৌলানা শামসুল ইসলামকে পিটিয়ে এদের মাথা ফাটিয়ে দিয়াছিল, অত্যাচার-নির্যাতনের তাকে কিল, ঘুষি,লাথি মেরে নিস্তেজ করে দিয়াছিল, মাথা ফেটে দরদর করে রক্ত ঝরেছে| পরে পরনের কাপড় খুলে নিয়া উলংগ করে, পাগল ঘোষনা দিয়াছিল|
-শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে খাদ্যে বিষ মিশিয়ে লেবানেনের বিমানে উঠিয়ে দেয়া হয়েছিল| সেই সময়ের তদন্ত রিপোর্টটি তাই বলে|
- স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান সহ জাতিয় চার নেতার পরিনতির কথা জাতির কমবেশী সবাই জানে|
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মালেক-মুসতাকের দল তোফায়েল এর রক্ষি বাহিনী এবং শফিউল্লার সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় হত্যা করে|সেই সময় ওরা(আওয়ামীরা) মুজিবের লাশটার কোন দাফন কাপনের বেবস্তা না করে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ব্যস্ত ছিল।মালেক-মুস্তাকের দলকে সহায়তার শফিউল্লার ভাগে সেদিন রাসট্রদুতের পদ লোভনিয় ছিল।পনেরই আগস্টের পর, তার পদোন্নতি হয়, সে সেনাপ্রধান থেকে রাষ্ট্রদুত! নিজেকে নির্দোষ প্রমানের জন্য রাষ্ট্রদুতের পদই বখশিস হিসাবে যথেষ্ট ছিল। রাষ্ট্রদুত হিসাবে পুরো সময় ১৫ আগস্টের সব নায়কদের অধীনে চাকুরী করে আবসর নেন এবং প্রথম সুযোগেই আওয়ামী লীগে যোগ দেন তোফায়েল-শফিউল্লা হাসিনার পাশে বসে থাকে বড় বড় পদ আকরে| অথচ কর্নেল জামিল মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের জননো প্রান বিসর্জন দিয়ে গেছেন, কখনো শুনিনি হাসিনা তাকে মনে করে| মুজিব মরলে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই বলে ফেরাউনের কবল থেকে মুকতি পেলাম|হাসিনা পিতার হত্যার বিচার চাইতে চাইতে ২ টাম শেষ, তেমনি চার নেতার হত্যার বিচারও গরজ গুণে বালাই তামাসা কাকে বলে? যারা জড়িত তাদের চিনহিত করে ফাসি দিতে হাসিনা নিজেই চায়না|
-ছাত্রলীগ ,যুবলিগের সন্ত্রাসী গ্রুপ এবং পান্ডাদের দ্বারা আক্রান্ত ড:কামালকে জুতা দিয়ে পিঠীয়ে আওয়ামিলিগের অফিস থেকে বেড় করে দিয়াছিল| অবশেষে বেচারা পদত্যাগ করিয়াছিল|
ওরা বঙ্গবীর কাদের সিদদিকিকে পিঠীয়ে মনচ ভেংগে দিয়াছিল, মেয়র হানিফ পুত্র খোকনের ভাষা অনুযায়ী,তাকে মানসিক টচার করে মারা হয়েছে|
-পরিশেষে আবদুল জলিল সহ যে অনেকের ইতিহাস জানত না অনেকে, ঐ আওয়ামিলিগের নেতাদের পরিনতির ইতিহাসের অনেকের ইতিহাস হয়ত আরো দীঘ হবে এই ভয় পেয়ে বসেছে হাসিনাকে, তাই তিনি নিজের ও নিজের পরিবারের জীবন নিয়ে শংকিত নিরাপত্তায় চিন্তিত|যমুনা'র চারপাশে বালির বস্তা বসানো হয়েছে, চতুর্পাশ্বে দেহরক্ষী, তবুও ভয় করে, আওয়ামীলিগই আওয়ামিলীগের দুশমন|
এখন ওরা বলিতেছে,জেলখানায় আবদুল জলিলর মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটেছিল,তাই সে আবোল তাবোল বলিতেছে।
হাইকোট ত মুজিবের কন্যা(খুনি হাছিনা)কে রংহেডেড ঘোষণা করেছিল।তাই সে অহরহ মিথ্যাকথা বলেই যাচ্ছে ।সবাই জানে সে একজন উমমাদ ছিল,তাই সে তখন থকেই আবোল তাবোল বলিতেছে।