-পরম সত্যাক্তি( প্রধান মন্ত্রী বচন) যদিও জলিল সাহেবকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন!
-আসলে মানুষ কখনো কখনো সত্য বলে ফেলে! ইচ্ছা অনিচ্ছায় এ সত্যটা বের হয়ে আসে!
আওয়ামি বাকশালিরা যে কি পরিমান মিথ্যুক ও অসভ্য হতে পারে তা আবার প্রমান করলো।হাসিনাই সকল সভ্যতা,ন্যায় নিতি বিসর্জন দিয়ে ষড়যনত্র ও সমোজতা করে খমতায় আইছে,তাকে ধামাচাপা দিতে এখন নিজেরাই মানসিক ভারসাম্যহীন কথা বলতেছে।ধন্য বাদ জলিলকে সত্য বলার লাগি।যদিও ঐ সত্যের উপর ধামাচাপা দিতে তারা মিথ্যুক হয়েছে|
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ,নিউইয়র্কের প্রবাসীদের সামনে এ সত্য বলে ফেল্লেন!দেশবাসী দেখলো নীলনকশার নির্বাচনের মহা নেত্রীর অনিচ্ছাকৃত সত্য প্রকাশনা! এ ভাবোই ক্ষমতা লিপ্সু এক জঘন্য মহিলার কু কীর্তি বেরিয়ে আসবে আসছে! তত্বাবধায়ক ফখা গং মঈন-ফখা জুটি আওল দের ফসল ছিলো, বিএনপি কে ছিড়েঁ ছিড়ে টুকরো বানিয়ে ফেলার নির্লজ্জ ছেষ্টার কোন ঘাটতি ছিলো না! দেশবাসী তা দেখেও ঐ ইন্জিনিয়ারিং ইলেকশনকে মেনে নেয় বলা বাহল্য বিএনপি ও মেনে নেয়! বাংলাদেশে যেন ভবিষ্যতে বিএনপি নামক দলের অস্হিত্ব না থাকে তাই বিএনপি পরিবারের ভবিষ্যত তারেক জিয়াকে শারিরিক আঘাতে পংগু করে দেওয়ার ছেষ্টা ও ছিলো প্রকাশ্যে! এটাকে মেনে নিয়েই এরা ইলেকশনে গেলো বিএনপি, লোভ ও ক্ষমতা লিপ্সু কিছু নেতা ইলেকশনকেই বেছে নিলো বাংলাদেশে ন্যাক্কার জনক ইতিহাসকে প্রতিষ্টিত হতে দেওয়ার জন্য বিএনপি পলিসি মেকার রা ও কম দ্বায়ি না! আজ পার্বত্ব্য এলাকে কে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বতিমুর বানানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে! বিএনপি ছুপ ,ছুপ জাময়াত ও বিরোধি শিবির! ৫৫৬০০ বর্গ মাইলের বাংলাদেশকে ছোট্র করার পরিকল্পনায় এসেছে ডিজিটাল বেঈমান রা! যাদের বিশ্বাস মহাভারত যারা মহাভারতীয় সপ্নে বিভোর তারা এ দেশের সার্ভৌমত্ব ছোট্র করে দেখতে চায়না চায় মহা দেশ!
সেই মহাদেশের সপ্নেই ব্যস্ত মহাজোটের অবৈধ সরকার!দিবা লোকের মতো স্পষ্ট এ সত্যকে মোটেও কর্ণপাত করার সময় দেশবাসির নেই! কারন এরা বোকা-বলদ,এদের কাছে সার্ভৌমত্ব জ্বানই নাই!কিন্ত যারা এদেশকে এদেশের স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন দেখতে চায় তারা কি নিজেদের জন্য হলে ও দেশবিরোধি মহাভারতি দের কে রুখবেনা?
আওয়ামীলিগ নামক সন্ত্রাসী দলটা এত পঁচে যবে তা কেউ কল্পনাও করেনি,আল্লার কাজ আল্লাই করেন,যাদের কারনে বাংলাদেশের ১৬কোটি মানুষ অশান্তির আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলতেছে তারা নেতা মজিবের নাম বিক্রী করে ৩৮বছর পার করে দিল।কিছুদিন আগেও বাংলাদেশ ছিল শান্তির জনপদ,আমি(খুনি হাছিনা)ক্ষমতা দখল করার পর এদেশকে জাহান্নামে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছি,আমি বাংলাদেশর ১৬কোটি মানুষকে একটা চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজ এবং সন্ত্রাসী রাষ্ট্র উপহার দি্তে সক্ষম হয়েছি,এসবের জন্য পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা রাখি|
পাঠক, আসুন জলিল সাহেব লন্ডনে কী বলেছিলেন, তা একটু মিলিয়ে দেখি। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তার বক্তব্য থেকে যা বেরিয়ে এসেছে, তা হচ্ছেঃ ১. সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গোয়েন্দা সংস্হা ডিজিএফআই'র সঙ্গে নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগের একটি আন্ডারষ্ট্যান্ডিং হয়েছিল; ২. শেখ হাসিনার বিদেশ যাওয়ার বিষয়টিও ছিল সমঝোতার একটি অংশ; ৩. সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া ছিল সমঝোতার একটি অংশ; ৪. শেখ রেহানা সমঝোতার কাজটি করে দিয়েছেন এবং নেপথ্যে থেকে তিনি আওয়ামী লীগের কলকাঠি নাড়াচ্ছেন; ৫. বর্তমান মন্ত্রিসভার ৯০ শতাংশই "সংস্কারপন্হী"; ৬. মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্যই গোয়েন্দা সংস্হা ডিজিএফআই'র সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন; ৭. শেখ সেলিমের জবানবন্দি দিয়েই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। অথচ শেখ সেলিম প্রেসিডিয়াম সদস্য; ৮. শেখ হাসিনা তল্পিবাহকদের প্রেসিডিয়াম সদস্য করে আমাদের প্রতি অন্যায় করেছেন; ৯. "ছেলে-ছোকড়াদের" দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়; ১০. আওয়ামী লীগের ৫ জনের ব্যাপারে (আমু, রাজ্জাক, তোফায়েল, সুরঞ্জিত ও জলিল) শেখ হাসিনা অন্যায় করেছেন; ১১. দলীয় পদ ধরে রাখার জন্য শেখ হাসিনার সঙ্গে বিরোধে যাওয়া উচিত ছিল; ১২. ফারুক খান কাজের চেয়ে বেশি কথা বলেন; ১৩. বিরোধীদলকে যে কোনোভাবে সংসদে নিয়ে আসা উচিত; ১৪. বিখ্যাত "ট্রাম্পকার্ড" বিষয়টিতে শেখ হাসিনার অনুমতি ছিল; ১৫. ৫ দফা চুক্তিতেও শেখ হাসিনার অবদান ছিল।তার এই বক্তব্য যে রাজনীতিতে ঝড় তুলবে-এটাই স্বাভাবিক।তার অনেক বক্তব্যই সাহসী।এর পেছনে সত্যতা কতটুকু আছে, কিংবা তিনি হতাশার বশবর্তী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন কিনা, তার বিচার করবে ইতিহাস।তবে সমঝোতার যে কথা তিনি বলেছেন, তা শুধু গুরুত্বপুর্ণই নয়; বরং তা যদি আগামীতে কোনোদিন 'সত্য' বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা হবে আমাদের গণতন্ত্র বিকাশের জন্য বড় ধরনের অন্তরায়।ডিসেম্বরে (২০০৮) নির্বাচন হয়েছে,এর প্রয়োজন ছিল।দুটো বড় দল ওই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল, এটাও ছিল আমাদের রাজনীতির জন্য বড় পাওয়া।তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভুমিকা এবং নির্বাচন কমিশনের ভুমিকা যে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি করেছিল, তা তো অস্বীকার করা যাবে না।সিইসির অনেক বক্তব্য নিয়ে সন্দেহ ছিল। তিনি যখন 'সত্তর সালের মতো একটি নির্বাচনের' কথা বলেন, তখন অনেকেই তাতে "সন্দেহের বীজ" খুঁজে পেয়েছিলেন। ইসি যখন বিএনপির তথাকথিত 'সংস্কারবাদীদের' সঙ্গে বৈঠক করে তাদেরকে বিএনপির বৈধতা দেয়, তখনও তো প্রশ্ন ছিল,এসব তো অস্বীকার করা যাবে না। এখনও যখন সিইসি জলিলের বক্তব্যের সমালোচনা করেন তখন সন্দেহের আঙুল তার দিকে থাকবেই।
নির্বাচনের আগে সিইসি তথা দুই নির্বাচন কমিশনারের ভুমিকায় নিরপেক্ষতা ভঙ্গ হয়েছে, এরকম অভিযোগ তো আমরা তখনও শুনেছি। আবদুল জলিলের কথার সুত্র ধরেই কিনা জানি না, খুলনার দুই নির্বাচন পর্যবেক্ষক এখন বললেন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। তারা দাবি করেছেন পুনর্নির্বাচনের (আমার দেশ, ১ অক্টোবর)। বিরোধীদলও জলিলের বক্তব্য সমর্থন করেছে। নির্বাচনের পর কোনো কোনো পত্রিকায় নির্বাচনে অনিয়মের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। এখন নির্বাচনের ৯ মাস পর 'সমঝোতা'র কথা বলা যাবে সত্য; কিন্তু তাতে করে পরিবর্তন করা যাবে না কিছুই। ইতিহাসের চাকাকে পেছনে ফেরানো যাবে না। যদি 'সমঝোতা' হয়েও থাকে, তাহলে বাস্তবতা মেনে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এর বাইরে কোনো বিকল্প নেই। তবে আগামীতে এ ধরনের কোনো 'সমঝোতা' যাতে না হয়, যাতে অসাংবিধানিক শক্তিগুলো রাজনীতিতে প্রভাব খাটাতে না পারে, সেদিকে দৃষ্টি দেয়া সবার উচিত।
নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী যখন জলিল সাহেবকে সংসদ থেকে পদত্যাগ করে তার অভিযোগগুলো উত্থাপন করতে বলেন, তখন 'পরাজিত সৈনিকের' মতো জলিল সাহেব পিছু হাঁটলেন।মানসিক সমস্যার কথা বললেন।অর্থাৎ বলতে চাইলেন তিনি যা বলেছেন তা ঠিকঠাক বলেননি; কিন্তু জলিল সাহেব তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেননি। অর্থাৎ তার উত্থাপিত অভিযোগগুলোর ব্যাপারে তিনি এখনও অটুট।শোকজের জবাব তিনি দেবেন বলেছিলেন; কিন্তু তাকে শোকজ করা হয়নি।তাকে চিহ্নিত করা হলো মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি হিসেবে। এখন 'অবসরে' যাওয়া ছাড়া তার কাছে আর কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হয় না। তিনি তার সংসদ সদস্যপদ রাখতে পারবেন বটে, কিন্তু দলে তার কোনো ভুমিকা থাকবে না। দল যদি তাকে বহিষ্কার করত, তাহলে সংসদে আসা-যাওয়ার পথও তার বন্ধ হয়ে যেত। কেননা, তিনি তো তখন আর আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না! কিন্তু জলিল সাহেব যে "বোমা'টি ফাটালেন, তার কি রেশ ফুরিয়ে যাবে? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এ প্রশ্ন তুলতেই পারে।
দলের গতকালকের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।আলোচনা শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, মানসিক ভারসাম্যহীন একটি লোকের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না।অর্থাৎ কিছুদিন আগ পর্যন্তও তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।সেই দলই তাকে এখন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে আখ্যায়িত করল। সম্ভবত জলিল সাহেবের জন্য এটাই পাওনা ছিল। ইতিহাস বিচার করবে তার ভুমিকা কতটুকু যুক্তিযুক্ত ছিল। তিনি সমঝোতার কথা বলেছেন, প্রকারান্তরে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন রেখেছেন, তার এই বক্তব্যের জন্য তিনি একদিকে প্রশংসিত ও অপরদিকে বিতর্কিতও হয়েছেন; কিন্তু তাই বলে পুরো বিষয়টিকে আমরা 'ডাষ্টবিনে" ফেলে দিতে পারি না। গণতন্ত্রের স্বার্থেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি, তাতে করে ভবিষ্যতে এ ধরনের সমঝোতার কথা আর শোনা না যায়।
ট্রাম্পকার্ড ও ধর্ষন
হাসিনা একটি ভন্ড ও মিথ্যুক
বিখ্যাত "ট্রাম্পকার্ড" বিষয়টিতে শেখ হাসিনার অনুমতি ছিল;
সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গোয়েন্দা সংস্হা ডিজিএফআই'র সঙ্গে নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগের একটি আন্ডারষ্ট্যান্ডিং হয়েছিল
মধ্যবর্তী নির্বাচন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দাদারা ইতিমধ্যেই হাসিনা-রেহানাকে ধর্ষন করে তাদের কাজ বাগিয়ে নিয়েছে ...