তারেক জিয়ার কাছে শহীদ জিয়ার ২৬তম পত্র!

অতি আদরের প্রিয় বাপধন,

সময় বহিয়া যায়
কাহারও পানে নাহি চায়!

দেখিতে দেখিতে মাস ঘুরিয়া বছর শেষ হইল, গ্রীষ্মের শেষে বর্ষা আসিল। কিন্তূ পত্র চালাচালির বাহক সেই কোন মেরুতে বিশ্রাম নিতে লুকাইল আর তাহার দর্শন পাওয়া গেলনা। ইহার মাঝে তুমি কি পিতার পত্রাভাবের ব্যাথায় কখনো ব্যথিত হইয়াছিলে প্রিয় পুত্রবর? আমি হই নাই, কারণ শরীরের যে কোষে এই ব্যথা জন্ম নেয় ঈশ্বর তাহা ব্যবচ্ছ্যদ করিয়া মর্ত্যলোকের যাদুঘরে সাজাইয়া রাখিয়াছেন। আগামীতে আমার মত যে সকল কসাই পৃথিবীতে পাঠানো হইবে তাহাদের যেন এই অংগটা এত ছোট না হয় তাহা মনে রাখিবার জন্যেই ঈশ্বরের এই ব্যবস্থা। ঈশ্বর বলেন আমার ব্যথার অংগটা নাকি বিপদজনক ভাবে ছোট, যাহার কারণে পংগু মানুষকে জবাই করিতে আমার এতটুকু অসূবিধা হয় নাই।

ঈশ্বর স্মরণং গচ্ছামি!

কেমন আছ বাবাধন? মুগুইর‌্যা মাইরে আহত অংগ প্রত্যংগগুলি কি স্বাভাবিক হইয়া আসিতেছে? শুনিতেছি তোমার গোলাম আজম নানা পাকিস্থান হইতে নতুন কিছু তাবিজ কবজের ব্যবস্থা করিয়াছেন। আশাকরি আসল জন্মভূমির পরশ পাইয়া তোমার শরীরের বাকে বাকে সিন্ধু নদীর স্রোত বহিতে শুরু করিবে। সেই স্রোতে অবগাহন করিয়া তুমি সূস্থ হইয়া উঠ ইহাই হইবে অভাগা পিতার একমাত্র কামনা। তোমার জলিল চাচারে কত টাকা অফার করিয়াছিলে? বেশী অফার করিওনা, হাতে মাত্রাধিক অর্থ পাইলে এই বেচারা রাজনীতি থুইয়্যা নতুন করিয়া বিয়া-শাদী লইয়্যা মাতিয়া উঠিবে। এমনটা হইলে তোমার আমও যাইবে আর সাথে যাইবে ছালা। শুনিতেছি তোমার অর্থ ভান্ডারে কিছু তেলাপোকা ঢুকিয়া পরিয়াছে, ছেড়া লুংগী আর জাইংগার ফাক ফোকর গলিয়া ইহারা কুড়কুড় করিয়া খাইতেছে এত কষ্টে জমানো সাধের ভান্ডার। দুঃখের খবর অবহিত করিয়া তোমাকে ব্যথিত করিতে চাহিনা, শুধু সাবধান করিতে চাহি। তোমাকে কি জানানো হইতেছে যে বাংলাদেশের অলিগলিতে যেই সকল চোরদের তোমরা জন্ম দিয়েছিলে তাহাদের অনেকেই তোমাদের সাথে বিশ্বাষঘাতকতা শুরু করিয়া দিয়াছে? তাহারা বলিতেছে, তোমাদের দল মূর্দা হইয়া গিয়াছে, আখেরী গোসলের শেষে সমাহিত হওয়ার অপেক্ষায় আছে মাত্র। সবার পকেটে এখন ভাটার টান। তুমি কি খবর রাখ তোমাদের ৪০ চোরের অনেকেই তোমার খালাম্মা হুজুরের দলে যোগদানের রাস্তা খুজিতেছে? তোমার চাচা ইরশাদ হোসেন এই ব্যাপারে কমিশন খাইয়্যা বিশেষ ভূমিকা রাখিতেছে। সাবধান, সিংগাপুর আর মালেশিয়ার ব্যাংক একাউন্টে হাত দিয়াছ ভাল কথা, কিন্তূ সৌদি আরব আর লিবিয়ার ব্যাংক একাউন্ট সমূহে ভূলেও হাত দিওনা। সামনে তোমাদের বড়ই আকাল আসিতেছে। তোমরা দুই ভাই আগামী ২০ বছর দেশে ফিরিতে পারিবে কিনা যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তোমার আম্মাহুজুরের আয় রোজগারের পথেও নতুন করিয়া কাটা বিছানো হইতেছে। তোমার ইসকান্দর মামা ইতিমধ্যে ১১০ কোটি টাকা গলধকরনঃ করিয়াছে, আরও বড় ধরনের অংক বাগানোর ধান্ধা করিতেছে। আগামী নির্বাচনে ১০টার বেশী আসন পাইতেও তোমাদের হাজার কোটি টাকা খরচ হইতে পারে, সুতরাং সেই মোতাবেক লুকায়িত টাকাগুলির ভান্ডারে হাত দিবে।

হাবিয়ার ১২০০ ইঞ্চি টিভিতে দেখিলাম নিউ ইয়র্ক তোমার জাগরনের বাতচিত করিতেছে। কিসের জাগরন বাজান? আমি কি ইতিমধ্যে কোন কিছু মিস করিয়াছি? কেহ কেহ বলিতেছে লন্ডনে ডান্ডার বারি সোজা করিতে যাইয়্যা তুমি বেশ কয়েকটা বই পড়িয়া শেষ করিয়াছ, এই বইগুলি পড়িয়াই কি তোমার নতুন করিয়া জাগরন হইয়াছে? আমার মত তুমিও ভাল করিয়া জান ঐ বইগুলি হইতেছে যৌনাচারের রমরমা চটি বই। ইহা পড়িয়া তোমার কি জাগরিত হইয়াছে জানিতে বড়ই ইচ্ছা করিতেছে। আবারও সাবধান করিতেছি, এই জাতীয় জাগরনের কর্মকান্ড তোমাদের রাস্তার ফকির বানাইবার ধান্ধা মাত্র। অতীতে তোমরা যেমন অন্যদের ফকির বানাইয়্যাছ এইবার তোমাদের পালা।

আমার বিশেষ কোন খবর নাহি। আগামী ১০০ বছরের ভেতর আমাকে শশরীরে মিশরের একটা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হইবে। একজন বিশ্বাষঘাতক খুনীকে ভাল করিয়া ষ্টাডি করিবার জন্য ঈশ্বর মিশরীয়দের এই সূযোগটা করিয়া দিয়াছেন। ভাবিতে আমারও ভাল লাগিতেছে ফেরাউনদের পাশে নিজকে দেখিতে পাইব বলিয়া।

পরিশেষে তোমার ধর্ম নানাকে খুন করায় যাহারা আমার সহযোগী ছিল তাহাদের এই দুনিয়ায় সাদর সম্ভাষন জানানোর জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করিতেছি। আজরাইল হুজুরের কাছে জানিতে পারিলাম তেনাদের এই দুনিয়ায় ফিরিয়া আসিবার সময় হইয়া গিয়াছে। তোমরা দুঃখ করিওনা, যাহার পাপে তাহাকেই ইয়া নফসি ইয়া নফসি করিতে দাও। ইতিমধ্যে সহায় সহানুভূতি দেখাইয়্যা তাহাদের পকেট হইতে যদি দুই চার পয়সা খসাইয়া থাক বাদাম কিনিয়া খাইও সেই পয়সায়। আমার ইয়ার দোস্তদের প্রাপ্য মরন অনেকদিন হয় তামাদি হইয়া আছে। কথায় বলে ......

সময় বহিয়া যায়
কাহারও পানে নাহি চায়!
64.gif
পুতুল কলির রেনোভেশন হইতেছে, শুনিতেছি নতুন একজন ফ্লাটমেট আসিতেছেন। দোয়া করিও যাহাতে ভাল কেউ আসেন।

অভাগা পিতা।

Nirvik2008's picture

Whoever this coward Terminator is...........

Whoever this coward Terminator is, he is the team lead of the anti-Bangladesh, pro-BAKSAL, mentally retarded, morally degraded person. You can expect anything from him. Recently he received a huge amount of money from RAW and as a payback he is writing what he is instructed to write. He may reintroduce himself as Don'tWatchCat_bd. This mean Cat must go to hell.

The One Eleven's picture

ধীরে বৎস্য ধীরে

এত তাড়াতাড়ি চেইত্তা গেলে চলে বলুন।টারমিনেটর এর পিস্তল তো সবে মাত্র অপেন করা হয়েছে।এই পিস্তল যে কত গর্জাতে পারে তা দেখার অপেক্ষায় থাকুন জনাব।কিছুদিনের মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।একটু ধৈর্য্য ধরুন।

JackobRaihan's picture

To One Eleven From Jackob Raihan

One Eleven Vai:
Apni Awami League a join korlen kobe?

Regards,
JACKOB RAIHAN

The One Eleven's picture

জ্যাকব রায়হান সাহেব

অনেক দিন পর তলব করেছেন সেজন্য ধন্যবাদ।আমি যে কোন দল বা নেত্রীর গোলাম নহি সেই কথা বোধ করি আপনার অজানা থাকার কথা নহে।তবু বলছি।কোন কথা আওয়ামিলিগের বিরুদ্ধে গেলেই আমি হয়ে যাই বিএনপি'র একজন আর বিএনপি'র বিরুদ্ধে গেলেই আমি হয়ে যাই একজন খাঁটি আওয়ামিলিগার।আশা করি বুঝতে পেরেছেন।কেমন আছেন?

JackobRaihan's picture

To Janab One Eleven Vai:

Apni kenon achen?
So far I remember, .... apni amake "Shagor Restaurant" a dawat diyechelen onnano e-melar bondhuder shathe! Jai hok, apnara New York a esechilen ki?
Valo thakun..!!

JACKOB RAIHAN

The One Eleven's picture

জ্যাকব

জ্বি না আমি নিউ ইয়র্ক আসিনি।আমার মনে হয় আপনি কোথাও একটা ভুল করছেন।সাগর রেষ্টুরেন্টে আপনাকে দাওয়াত মনে হয় ফার্মার বা ভুমিহীন সাহেব দিয়ে থাকতে পারেন,আমি নহি।যতদুর মনে পরে আমার নিউ ইয়র্ক আসার কোন পরিকল্পনা ২/১ বছরের মধ্যে ছিল না।তবে যদি আসিই তাহলে দাওয়াত দিবেন আপনি,কারন আপনি সেখানকার বাসিন্দা।আর যে কোন সময় নিউ অরলিন্সে আসার আমন্ত্রন রইল।খাতির যত্নের ত্রুটি হবে না।তখন মনে হবে আমার একজন বন্ধু এসেছে,আওয়ামিলিগ বা বিএনপি'র কেহ নহে।কারন আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি,কোন দল বা গোষ্ঠির নহি।আপনাকে আবার ও ধন্যবাদ।

JackobRaihan's picture

SORRY (to One Eleven)

Yea, now I got it.
I guess, it was "vumihin" shaheb.
Have any plan to pass by New York City ever? Sure ... I will be happy to have you here in this great city with its hospitality ...! Hope you were OK this year, and stayed away from the weather-related catastrophy..
Stay well.....

Regards,
JACKOB RAIHAN

vumihinzamidar's picture

jackob bhai

শোনেন ভাইজান আপনার বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ নৌকা মার্কায় ভোট দেই বলে আপনী আমার দাওয়াতকে এভোয়েড করেন । বিল থেকে ধান কেটে বাড়ীতে নিতে হলে নৌকার প্রয়োজন আছে এবং জীবন ধারনের জন্য ভাত ছাড়া আমি অচল । কাজেই আপনী আইরম বাইরম বাদ দিয়া আসুন আগামী বিষ্যুদবার সন্ধায় জেকসন হাইটসের কোন যায়গায় আড্ডা দেই , ফার্মার ,বুবিট্র্যাপও থাকবে ।

The One Eleven's picture

জমিদার সাহেব

আপনাদের মিনি মেলা কেমন হল?সেই আনন্দ ক্ষনের স্মৃতিচারন করতে ভুলবেন না যেন।ভাল থাকুন।

Robin Hood's picture

Vumi, farmer, Booby et al

Have a good time on Thursday.
জ্যাকসন হাইটস এ প্যাটেল ব্রাদারস এর দুটো দোকান পরে কাবাব কিং এর দিকে একটা ছোট্টো দোকান আছে। নাম তার দিল্লি স্নাকস। অপুরবো শীংগাড়া পাওয়া যায়। যেখানেই আপনারা ডিনার করেন না কেন পোটলায় করে কিছু শীংগাড়া নিতে কিন্তু ভুলবেন না। দিল্লিতে বসার জায়গা নেই। যদি শীংগাড়া ভালো লাগে তবে রবিন হুডের জন্নো দুই হাত তুলিয়া একটু মোনাজাত করবেন যাতে করে রবিন স্টকের রকেট, যা সরনো ও হীরক পাথথোর নিয়ে চান্দের দিকে ছুটছে, সেই রকেট টা যেন মিস না করে।
আর যদি শিঙ্গাড়া খারাপ লাগে তবে ... আর কিছু বললাম না।
রাখে আল্লাহ মারে কে!

রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া

Vogoban's picture

হে রবিন

তোর বন্ধুদেরকে বলবি ওরা যেন কিছু সিঙ্গাড়া ভগবানের জন্য উপহার দেওয়ার জন্য ই-মেলায় পাঠিয়ে দেয়।আমি ভগবানের কিছুই খাওয়ার দরকার হয় না।আমার সৃষ্ট মানব সন্তানেরা খেলেই আমার খাওয়া হয়।ই-মেলায় সিঙ্গাড়া পাঠালে এখানের মানবেরা খেয়ে তৃপ্ত হবে আর তাতেই ভগবানের আনন্দ।ভগবান তোদের পাশেই রয়েছেন,চিন্তার কোন কারন নেই।আর শোন্‌ তোর পাঠানো গান শুনে ভগবান যার পর নেই মুগ্ধ হয়েছেন।

JackobRaihan's picture

জ্যাকসন হাইটস এর দিল্লি স্নাকস এর শীংগাড়া

Vumihin Vai
Indian singara er chaite amader Bangladeshi shingara aaro beshi shad. Kintu apni aai singara jackson heights a paben na. Apnake astoria er alauddin a jete hobe. Kotha dicchi apnar onnano bondhuder jonno packet vore shingara debo...

JACKOB RAIHAN

vumihinzamidar's picture

দিল্লী স্ন্যাক্সএর সিংগারা

রবিন 36th avenueএর আলাদীনসের সিংগারা খায়নি । খাইলে দিল্লী স্ন্যাক্সএর কথা বলতোনা ।
রবিনকে অনুরোধ করবো তার নেক্সট ভিজিটে যেন সে অবশ্যই আলাদীনস এ যায় এবং সিংগারার পর মালাইকারী মিস্টি ট্রাই করে ।

farmer's picture

edited

edited

JackobRaihan's picture

To VumihinZaminder Vai (JR)

No, I did not avoid your invitation.
Last time you said, you would e-mail me in advance after all the guests are here in the city. I was actually waiting for your e-mail.
No problem, just let me know. It would be great if FF farmer Shaheb is also there.

JACKOB RAIHAN

The One Eleven's picture

জ্যাকব সাহেব

যদি আসি আপনার সাথে দেখা না করে যাব না।সাগর বা ঘরোয়াতে ভুরি ভোজন করাবেন অন্ততঃ সেই লোভে হলে ও আপনার সাথে দেখা করতে হবে।এইবার আল্লাহ্‌ পাক হারিকেন থেকে মুক্তি দিয়েছেন।দোয়া করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

JackobRaihan's picture

1/11 vai

ভুরি ভোজন .... Oh yea ...
Please let me know.
And also a personal invitation at my home.

JACKOB RAIHAN

The One Eleven's picture

২৬ তম পত্রের জবাব

আব্বাহুজুর আমার
আমার আব্বাহুজুর
আব্বাহুজুর গো আমার
ও আমার প্রিয় আব্বাহুজুর

আজ অনেকদিন পর আপনার স্বহস্তে লেখা পত্রখানি পড়িয়া একটু বেশীই আবেগাপ্লুত হইয়া পড়িয়াছিলাম যাহার উত্তর কিভাবে দেওয়া যায় সেই চিন্তা করিতে করিতেই ২ দিন পার হইয়া গেল।আব্বাহুজুর আপনার পত্রখানি পড়িয়া একটি গান মনে পড়িয়া গেল।আমি যখন ছোট ছিলাম আপনি আমাকে এক কর্নেল দাদুর ছেলের সাথে বলাকা হলে সিনেমা দেখার জন্য পাঠিয়েছিলেন।সেটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম সিনেমা।সেই সিনেমাটির বিখ্যাত গানটি আমার কর্ন কুহরে এখন ও বাজিতেছে।পরে জানিয়াছিলাম আপনি ও আম্মাহুজুরকে নিয়া ঢাকার কোন এক হলে সেই সিনেমাটি দেখিয়াছিলেন।আপনার মনে আছে কিনা জানি না।বড়ই রুমান্টিক টাইপের ছবি।দেখিয়া খুবই মজা পাইয়াছিলাম।আপনার মুখে ও এর প্রশংসা শুনিতে পাইয়াছিলাম।সেই গানটির দুইটি কলাম আপনাকে গাহিয়া শুনাইবার বড়ই খায়েশ জাগিতেছে,প্লিজ বিরক্ত হইবেন না।সোনা চান্দে মতি মহলের সুন্দরী,বন্দী করে আমায় করছ বাহাদুরি,মনে রেখ বদলা নেব আমার রানী বানাব।ছবিটার শেষে দেখা যায় যে বন্দী সেই ভিনদেশি নায়ক নায়িকার মন গলাইয়া ফেলিতে সক্ষম হয় এবং বীরের বেশে নায়িকাকে নিয়ে দেশে ফিরিয়া যাইতে সক্ষম হইয়াছিল।আব্বা হুজুর রাগে আমার রক্ত টগবগ করিতেছে।কি এমন করিলাম যার কারনে আজ আমি পরবাসে,বা বনবাসে?আজ খালাম্ম হুজুর কুত্তা মঈনের সাথে যোগসাজশে আমাদের হাত হইতে ক্ষমতা কাড়িয়া নিয়া আমাদেরকে পথের ভিখাড়ী বানাইবার চক্রান্তে লিপ্ত রহিয়াছে।আমি যদি কোনদিন মুক্ত হইয়া দেশে ফিরিতে পারি তাহা হইলে খালাম্মার বাহাদুরী আমি চুটাইয়া দিব।কত ধানে কত চাউল তাহা শিখাইয়া দিতে দ্বিধা করিব না।ছবির নায়কের মত খালাম্মাহুজুরের মন গলাইতে সচেষ্ট না হইয়া তার টুটি চাপিয়া ধরিব।তারেক নামে যে মজেজা আমি আমার গোলামদের মগজে ঢুকাইয়াছি তাকি এত সকালে শেষ হইয়া যাইবে?সেই গোলামেরা এখন আমার হুকুমের অপেক্ষায় দিন গুনিতেছে।তাহারা আমার হুকুম পাইলেই কেয়ামতের আলামত শুরু করিয়া দিবে,সকল কিছু তছনছ করিয়া দিবে,খালাম্মার ঘুম হারাম করিয়া দিবে।চারিদিকে আমার গোলামদের হাহাকার শুনিতে পাইতেছি,তাহারা আর ধৈর্য্য ধরিতে পারিতেছে না।একটা কিছু করার পায়তারা করিতেছে আর আমাকে দিবা রাত্র ফোন করিয়া জালাইয়া মারিতেছে।আব্বাহুজুর খালাম্মা হুজুরের মত দুষ্ট প্রকৃতির মহিলা আমাদের জীবনের জন্য বড়ই অভিশাপ।হেন কোম কাম নাই যাহাতে হাত দিতেছে না।

আব্বাহুজুর প্রথমেই আপনার পুতুলকলির বর্তমান জীবন সম্পর্কে কিছু জানিতে চাহিতেছি।শুনিতেছি মোশতাক নানা আপনার অতি একজন পেয়রের মানুষ ছিলে,উনার সাথে কি আপনার নিয়মিত স্বাক্ষাত হয়?কি করিয়া এই বেঈমান বিশ্বাস ঘাতক ঘুনী আপনার প্রিয় মানুষ হইয়াছিল তাহা জানিবার খায়েশ মনে জাগিতেছে।তবে এখন ঘরে ঘরে এই খবর ছড়াইয়া যাইতেছে আপনি নাকি আমার ধর্ম নানার নির্মম হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলেন।জানি না ধর্ম খালা এই ভাবে পানি ঘোলা করিয়া কতদিন মানুষকে বোকা বানাইবেন।আমি এও শুনিতে পাইতেছি যে জীবিত থাকিলে আপনাকে ও নাকি হাইকোর্টে হাজির করাইয়া ছাড়িত।তবে আমার মনে হয় আপনার যদি ইহাতে হাত থাকিয়া ও থাকে তাহাতে কি আসে যায়?আপনার পথ পরিষ্কার করতে গিয়া যদি এইরকম একটা কঠিন কাজের সিদ্ধান্ত নিয়া ও থাকেন তাহতে খারাপের কিছু নাই।শুনিতে পাই সেই সময় নাকি ধর্ম নানা বিভিন্ন ভাবে জনগনের উপর জমিদারী স্টাইলে অত্যাচার চালাইবার প্রয়াস পাইয়াছিল।রক্ষী বাহিনী আর লাল ফৌজের দ্বারা নাকি অনেক বিরোধী মতাবলম্বীকে দুনিয়া হইতে আখেরাতে তশরিফ লইতে বাধ্য করিয়াছিলেন।তারপরে আসা যাক স্বাধীনতা বিরোধীদের কথায়।আপনি যে সিস্টম চালু করিয়া দিয়াছিলেন তাহাই আমি এবং আম্মাহুজুর অনুসরন করিবার চেষ্টা নিয়াছি।সবুর খান দাদু, শাহ আজিজ দাদ্‌ গোলাম আজম দাদু এবং পরবর্তিতে আব্বাস আলী কাকা,নিজামী কাকাদের দুয়ারে ধর্না দিয়া নাকি আমরা বাংলার রাজনিতিকে কলুষিত করিয়াছি।শুনিয়া বড়ই হাসি পায়।আচ্ছা বাবা আমরা যদি তাহাদের দরজায় না যাইতাম তাহা হইলে আমরা কি কোন কালে ক্ষমতার স্বাদ পাইতাম?খালাম্মাই কি কখনো হরতাল আর ভাংচুর করিয়া তার মনের স্বাদ পুরন করিতে পা্রিতেন?তিনি কি এত লাশ দেখার শখ পুরন করিতে পারিতেন?

আব্বাহুজুর একটি গুরুত্বপুর্ন ইস্যুতে আপনার সাথে মত বিনিময় করিবার খায়েশ গোপন রাখিতে পারিলাম না।আমাদের সল্টু জলিল চাচা লন্ডনে আসিবার পর হঠাৎ একখান বুদ্ধি মাথায় আসিল।আর কি বলিব বাপজান একেবারেই তারেকের বুদ্ধি।বহুদিন পর মনে হইল আমার মগজের কল কব্জা গুলি খুলিয়া গেল।মুহুর্তের মধ্যেই এক নতুন চিন্তা আমাকে আচ্ছন্ন করিয়া ফেলিল।আমার স্পষ্ট মনে হইতেছিল উনি একজন বিরাট ট্রাম কার্ড প্লেয়ার।আম্মাজানকে বেকায়দায় ফেলিবার জন্য উনি ট্রাম কার্ড খেলিতে চাহিয়াছিলেন এবং অনেক দিন বাংলাদেশের রাজনিতির মাঠকে গরম রাখিতে সক্ষম হইয়াছিলেন।মনে হইল এই খেলোয়াড়কে দিয়া যদি আমি ট্রাম কার্ড খেলাই এবং সেই খেলাটা যদি খালাম্মার বিরুদ্ধে হয় তাহা হইলে কেমন হয়?প্রথমেই আমার অর্ধাংগীনি জোবাইদাকে তাহা অবহিত করি।জোবাইদা হাসিয়া বলিল ইহার চেয়ে উত্তম বুদ্ধি আর কি হইতে পারে।দেশ বিদেশের কিছু আপার ক্লাস গোলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করিলাম।সকলেই ইহাতে স্বস্থির নিশ্বাস ফেলিয়া দ্রুততার সাথে কাজ সমাধা করিতে বলিল।পরের দিন সন্ধ্যায় চাচাকে বাসায় আসিতে বলিলাম।এই দাওয়াতের ব্যাপারখানা যেন খুবই গোপনিয়তার সাথে রক্ষা করা হয় চাচাকে স্মরন করাইয়া দিলাছিলাম।জলিল চাচা আমার কথা শুনিয়া ঈষৎ হাসিয়া কহিল ইহা কোন ব্যাপারই না তবে এই কাজটা যদি হয় রাজনৈতিক বানিজ্য তাহা হইলে এই বানিজ্যে মুনাফার পরিমান কত হইবে ইহা জানিতে তিনি দুই দিনের সময় দিলেন।আমি দুইদিনের মধ্যে তাহাকে বাসায় আনিয়া একটি চেক ধরাইয়া দিলাম এবং বলিলাম আপনার ইচ্ছামত পরিমানটা বসাইয়ে নেন।ইহার পরে যাহা হইবার তাহাই হইল।জলিল চাচা আমার শিখানো বুলি আওড়াইয়া দেশে বিদেশে হৈ চৈ ফেলিয়া দিল আর রাজনিতিতে একটা তুফান আনিয়া দিল।ইহার পরের ঘটনা আপনি বোধ করি ১২০০ টিভিতে দেখিয়া থাকিবেন।খালাম্মা গোপনে এই খবর চাচার কাছে পৌছাইল যে যদি তিনি নিজেকে পাগল বলিয়া কান্নাকাটি করিয়া ভুল স্বীকার করেন তবেই তাহার জীবন রক্ষা হইবে আর তাহা না হইলে পৃথীবির যেখানেই থাকুক না কেন তাহাকে পাগলা কুত্তা দ্বারা কামড়াইয়া মারা হইবে।এই কথা শুনিয়া জলিল চাচা পেটের ভিতরে ১০ কেজি পায়খানা করিয়া সমস্ত দোষ নিজের ঘাড়ে নিয়া নিজেকে পাগল বলিয়া প্রচার করিলেন।ইহার পর আমি কিছুটা মুষরাইয়া পড়িয়াছিলাম।আমার গোলামের দল ও আমার উপর নাখোশ হইয়াছিল।আমার আব্বাস চাচা যাহা বলিলেন তাহাতে আমার মনে কিছুটা স্বান্তনা আসিয়াছে।তিনি বলিলেন জলিল যাহা বলিয়াছে তাহা তো আর তিনি পেটের ভিতরে ফিরাইয়া নিতে পারিবেন না।ইহার ভিতরেই জনগন যাহা বুঝিবার বুঝিয়া নিবে।

বাবা আপনি ১২০০ টিভিতে ওবামার নোবেল প্রাপ্তির খবর হয়তো দেখিয়া থাকিবেন।ইহাতে সারা দুনিয়ার মানুষ বেশ খুশী হইয়াছে।আমার একটা কথা মনে হইয়া খুবই দুঃখ হইতেছে।কেন নোবেল কমিটি চুরি বিদ্যার উপর নোবেল চালু করিল না।চুরি বি্দ্যা কি বিদ্যা না বা চুরি বিদ্যা কি তাহা হইলে কষ্ট করিয়া শিখিতে হয় না?শুনেন বাবা যদি নোবেল কমিটি এই চুরি বিদ্যার কথা ভুলিয়া না যাইত তাহা হইলে আগামী কয়েক জেনারেশন এই বিষয়ে নোবেল পুরষ্কার জিয়া পরিবার হইতে ছিনাইয়া নিতে যে কোন মানুষের ঘাম বাহির হইয়া যাইত।আবার আজ লন্ডনের একটি চটি পত্রিকায় জানিতে পা্রিলাম খালাম্মা হুজুর নাকি এই বছরের নোবেল পাওয়ার জন্য গোপনে তৎপরতা চালাইয়াছিলেন।উনি মনে করিয়াছিলেন এই বছর তেমন কোন ভাল ক্যান্ডিডেট নাই সুতরাং তিনি ফাঁকা মাঠে গোল করিবেন।কিন্তু বিধি বাম।খোদ ওবামাই এই পুরষাকার পাইয়া বসিলেন।

আব্বাহুজুর খালাম্মা হুজুরের ভারত প্রেম দেখিয়া বাংলার মানুষ অতি আশ্চর্য হইয়া যাইতেছে।টিপাইমুখে বাধ দিয়া বাংলার মানুষকে খরায় এবং বিনা পানিতে পুড়াইয়া মারিতে চাহিতেছে।আশুগঞ্জ বন্দর এবং সড়ক পথে ট্রানজিট দেওয়া একরকম নিশ্চিত করিয়াছে।শুনিতেছি খালাম্মা নাকি সামনের মাসে ভারতে যাইয়া পুরাপুরি ভারতীয় হইবার জন্য প্রস্তুত হইতেছেন।কপালে সিদুর মাখা,মঙ্গল প্রদীপ জ্বালাইয়া পুজা করা,আর দাদাদের হাতে রাখি পড়াইয়া তিনি যে ইতিহাস গড়িয়াছেন অদুর ভবিষ্যতে তিনাকে বাংলাদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পদ বরন করিতে হইতে পারে।ইহা একরকম হলফ করিয়াই বলিয়া দিতে পারি।

আব্বাহুজুর এইবার বলেন আমার আর্মী চাচ্চুরা যারা বিডিয়ার বিদ্রোহে তশরিফ আনিয়াছিলেন তাহাদের সাথে কি আপনার এখন ও সাক্ষাৎ হয় নাই?আপনি কেমন জেনারেল যে ঐখানের কোন মাতাব্বর ফেরেশতাকে হাত করিতে পারিলেন না।অথচ হাত করিতে পারিলে আমাদের কতই না লাভ হইত।এই ঘটনার বিবরন জানিয়া আমরা খালাম্মার সরকারকে বেকায়দায় ফেলিতে পারিতাম।আব্বাহুজুর আমার টাকার ব্যাপারের আপনার চিন্তা দেখিয়া না হাসিয়া পারিলাম না।মাশাল্লাহ আপনার তারেক ট্যাকা চিনিতে ভুল করে নাই।যে পরিমান ট্যাকা জমা করিয়াছি তাহা ইহকালে এবং পরকালে কয়েক জেনারেশন হাসিয়া খেলিয়া ভোগ করিতে থাকিবে।দুনিয়ার এমন কোন কোনা নাই যেখানে আমার গোলাম নাই।আমি ট্যাকা দিয়ে গোলাম কিনিয়াছি এবং আজীবন ট্যাকা দিতে থাকিব,ইহাতে তারেকের ট্যাকার একটা নখ পরিমান অংশ ও কমিবে না।হ্যা হ্যা হ্যা আন্দাজ করতো বাবা আমার কত টাকা আছে।আচ্ছা ভাল কথা আপনার যদি কোন ফেরেশতাকে বশ করিতে কোন প্রকার ট্যাকা দেওয়া লাগে আমাকে বলিতে ইতস্ততঃ করিবেন না।তারেকের ভান্ডার অফুরন্ত এই কথা কখনোই ভুলিয়া যাইবেন না।এই বিশাল অংকের টাকা কোথায় আছে তা একমাত্র আমি জানি আর যাদের কাছে তারা জানে।দুনিয়ার অন্য যে কোন প্রানী এই ব্যাপারে নিতান্তই অন্ধকারে আছে।

আব্বাহুজুর অনেকদিন পরে লিখিতেছি বলিয়া ইহার কলেবরের দিকে খেয়াল রাখিতে পারিতেছি না।আর একটু ধৈর্য ধরিয়া পড়ুন আমি শেষ করিতে চেষ্টা করিতেছি।আব্বাহুজুর আপনি ইহধামে নাই তাই আমি গোপনে আপনার কাছে আমার একটি অতি গোপনীয় কথা বলিতেছি।তাহা হইল তারেকের উপরের রুপ ছাড়া ও ভিতরের একটি রুপ আছে।সেই রুপটি হইল থাক বাবা আমি বলিতে লজ্জা পাইতেছি।তবু শুনেন।আমি যখন টাকার কুমিড় বনিয়া যাই তখন হইতেই আমার নিকট অনেক যৌবনারা আসিত।বুঝিতেই পারিতেছেন তাহারা টাকার জন্যই আসিত।তাহারা আমার সাথে খিল খিল করিয়া হাসিত।আমি দরজা বন্ধ করিতে চাহিলে হাসিয়া সায় দিত।একদা তাহারা আমার সাথে লটর পটর করিতে কুন্ঠিত হইত না।আমাকে সবকিছু উজার করিয়া দিত এমনকি কয়েকজন তরুনী একসাথে আমার জন্য মধুর ভান্ডার খুলিয়া দিত।একদা ইহহারা আমার গোপন অঙ্গ লইয়া খেলিতে খেলিতে ইহাতে সজোরে টান মারিয়াছিল।আমি এই ঘটনায় অনেক ব্যাথা পাইয়াছিলাম।কিছুক্ষনের জন্য অজ্ঞান হইয়া পড়িয়াছিলাম।মামুন পরে ডাক্তার আনিয়া চিকিৎসা করাইয়াছিল।ঐ ব্যাথার কথা আমি জীবনে ও ভুলিতে পারিব না।এখন ও মাঝে মধ্যে অমাবশ্যা পুর্নিমা আসিলে ব্যাথার পরিমান বাড়িয়া যায়।জুবাইদার কাছে এই কথা কখন ও বলিতে পারিব বলিয়া মনে হয় না।আপনি কিন্তু এই ব্যাপারটা ডোন্ট মাইন্ড করিবেন।

আম্মাজান এবং সিফিলিসে আক্রান্ত ভাইটি ভাল আছে।তাহারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্বজনদেরকে নিয়া আনন্দ ফুর্তিতে ব্যাস্ত রহিয়াছে।কোকোর দাড়িতে পাক ধরিয়াছে।আমি আবার লন্ডনের কেরু কোম্পানীর কলপ কিনিয়া পাঠাইয়াছি।আম্মাহুজুর উমরাহ করিয়াছেন।দেলোয়ার চাচাই আমাদের এখন একমাত্র ভরষা কিন্তু তাহাকে নিয়া বড়ই সমস্যার মধ্যা আছি।মাতাল অবস্থায় প্রত্যেক মাসেই হাসপাতালে ভর্তি হন।ডায়াবেটিসের রোগী এত গিলিলে কি চলে বলেন?তার জন্য প্রতি সপ্তাহে লন্ডন হইতে বড় চালান পাঠাইতে হয়।আবার তাহার খুত খুতি দেখিলে আমার মেজাজ খারাপ হইয়া যায়।উনি নাকি লন্ডনী পানি ছাড়া শান্তি পান না।

যাহাই হউক আব্বা হুজুর আপনার চিঠি পাইলে মনে শান্তি ফিরিয়া আসে।অনেক ভেজালের মধ্যে থাকিয়া ও চাতক পাখীর মত আপনার পত্রের দিকে চাহিয়া থাকি।আবার ও শীঘ্রই স্মরন করিবেন এই আশা করিতেছি।পরবর্তী পত্রে বিস্তারিত লিখিবার খায়েশ রইল।

আপনার চরন তলে তারেকের জান্নাত

shomudro's picture

ওয়ান ইলেভেন ও ওয়াচডগ

বহুদিন পর ইমেলা আগের মেলার ইমেজ ফিরে পেয়েছে। এই সাফল্যের পুরো কৃতি্ত্ব আপনাদের দুজনের।অভিনন্দন আপনাদেরকে। দুর্নীতিতে পাচবার বিশ্বচ্যম্পিয়ন একটি দেশের আকন্ঠ পাপাচারে নিমজ্জিত নেতা নেত্রীর চরিত্রহরনের মাঝে যারা 'indecency' র গন্ধ পান ,তাদের জন্য ওয়াচডগের মানপত্র একেবারে যথার্থ হয়েছে। মুজিব ও জিয়া নামক পুজায় মিসাইল আক্রমনে যাদের রাতের ঝুম হারাম হচ্ছে তারা বরং মনোডাক্তারের দারস্থ হলে পারেন যাতে ডাক্তার এসব হজম করার ঔষধ দিতে পারেন।

আর সম্পাদক সাহেবকে অনুরোধ জানাচ্ছি ওয়াচডগের মানপত্র খানা প্রথম পৃষ্ঠায়
স্টিকি করার জন্য।

The One Eleven's picture

সমুদ্র

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।অতি শীঘ্রই ২৭ তম পত্রের জবাব আসছে।অপেক্ষা করুন।

shomudro's picture

ওয়ান ইলেভেন,টার্মিনেটর ও এডিটর সাহেব

বই মেলায় পিতা পুত্রের এই চিঠি বই আকারে প্রকাশ পেলে যে সেটা বেস্ট সেলারের সম্মান পাবে তা বলাই বাহুল্য।কিন্তু ব্যপারটি সম্ভবপর কিনা সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। এই ফোরামেই দেখছেনতো কি অবস্থা।আওয়ামি ও জাতিয়তাবাদী দুই শিবির থেকেই প্রতিবাদের ঝড় ঊঠেছে। পুজার মুলে আঘাত আসায় একেবারে বিধস্ত হয়ে গেছে। তাই টার্মিনেটরের মতই আমারো মনে হচ্ছে ব্যাপারটা ফাদ।

তবে এডিটর মহাদয়ের কাছে অনুরোধ পিতা পুত্রের এই অতি মুল্যবান ২৭ টি পত্র একটি ডাইরির মত করে ইমেলায় গুছিয়ে রাখা সম্ভব কিনা।সবগুলো চিঠি একসাথে থাকলে পাঠকের পক্ষে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব।যারা আগের চিঠিগুলো মিস করেছে তারাতো আমার ধারনা পুরোন সেই রত্নগুলোর সন্ধান পেলে একেবারে ঝাপিয়ে পড়বে। আর আমরা যারা পুরোন চিঠি গুলো ভুলতে বসেছি তারা আরেকবার নির্মল আনন্দের স্বাদ পাবে।

The One Eleven's picture

একটি সুখবর

আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে কিছুক্ষন আগে আমি ঢাকার বাংলাবাজারের এক প্রকাশকের কাছ থেকে ই-মেইল পেয়েছি যার মুল কথা হল ঐ প্রকাশক আমাদের সমস্ত চিঠি এবং তার উত্তর আগামী বই মেলায় বই আকারে প্রকাশ করতে চাচ্ছেন।আমরা রাজী হলেই প্রক্রিয়া শুরু হবে।প্রাথমিক ভাবে ঐ প্রকাশক পান্ডুলিপি হস্তান্তরের সময় নগদ এক লক্ষ টাকা অফার করেছে।এবং পরে সমস্ত বই বিক্রির লাভের ৫০ শতাংশ দিবে বলে জানিয়েছে।সেই প্রকাশক ই-মেলার ফান্ড রাইজিং এর জন্য আর ও ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।আমি এই চিঠির পাঠক এবং যারা আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
আমি টারমিনেটর সাহেবকে অতি সত্তর আমার সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি।

আমার ই-মেইলঃ

theone1eleven@gmail.com

Robin Hood's picture

Jai Ho to e-Mela

It's really Jai Ho to e-Mela.
The world reads e-Mela. That's the Joi Ho victory of e-Mela.

Robin
Carmel, California

Robin Hood's picture

Hi shomudro

I have my 100% support for WD and 1/11's writings.
15+ years between two Bangladeshi Begums has put Bangladesh 150+ years behind rest of the civilized world.

I ask the critics of WD and 1/11's writings, to give their infants babies (if they have) few spoons of the liquid Paracitamol and then tell this e-Mela world if they have the joy in their hearts.

This is what Bangladesh has become on the watches of the notorious Begums. It is just a shame.

Robin
Carmel, California

hridoy's picture

the one eleven ভাই.............

লেখাটা প্রত্যেকের নিজস্ব মনোজগতের চিন্তা ভাবনার প্রতিফলন। এখানে অন্যের মনোজগতের প্রভাব চলেনা। অন্যের মনোজগতের প্রভাব পড়লে লেখার বিশুদ্বতা নষ্ট হয়ে যায়।
এই তো, মাত্র কিছুদিন আগে আপনাদের চিঠি আদান প্রদান পর্বের শুরুতেই shomudro নামের এক ফোরাম বাসিন্দা আপনাকে কিছু নসিহত করেছিলেন। আজ দেখলাম, তার নসিহতের প্রভাব আপনার চিঠিতে পড়েছে। তাতে লেখার সৌন্দর্য কিছুটা হলেও নষ্ট হয়েছে। এক পর্যায়ে মনে হয়েছে, "ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়া"। কাজেই নিজের লেখায় নিজের চিন্তা ভাবনার কথাই লিখুন। অন্যের চিন্তার প্রতিফলণ ঘটাবেন না।
আর বাদ বাকী ঠিকমতই চলছে এবং চলুক................

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

Selukas's picture

Mujib the Hitler

Dear Mr. Terminator very good writing..... could you also please write about Sk. Mujib how he was killed and thrown in the stairs like a 'kutta'. First of all you need to concentrate on that issue first how Sk. Mujib was killed like a 'Municipality Dog'. I will come up about Rapist and Bank Robber Kamal Mama later. Let's talk Sk. Mujib the Hitler first.

Selukas

The One Eleven's picture

২৬ তম পত্রের জবাব

আপনাদের প্রতিক্ষিত ২৬ তম পত্রের জবাব দেওয়া হয়েছে।দয়া করে কেউ পারসোনালি নিবেন না।

http://priyo.com/forum/2009/oct/10/31160.html

farmer's picture

the one eleven: Please establish your political philosophy

the one eleven, please establish your political philosophy with knowledge. The letter things are not a good way to establish any truth. In the letter things, our 1971 heros are used as objects or fun or animosity. Please discontinue from here on.

farmer's picture

Time to discontinue these letter thinngs

Sheikh and Zia had huge contribution in our Independence; they should not used as an object of fun or animosity in e-mela. Please discontinue it.

terminator's picture

নাচরে...

নাচ মজুমদার নাচরে
বালা কইর‌্যা নাচরে
free myspace graphics :: myspace images :: myspace pictures free myspace layouts
Hot Myspace Comments / Adultfriender

Vogoban's picture

আক্কেল গুড়ুম

মজুমদারদের নাচ দেখে তো ভগবানের ও আক্কেল গুড়ুম।আশ্চর্য ব্যাপার দুই মজুমদারের নাচ তো থামছে না।

saaf kotha's picture

পগো সাহেব

য়াপনাকে ধন্যবাদ ।

terminator's picture

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া জড়িত ছিলেন-স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ইত্তেফাক রিপোর্ট ।।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আর্টিলারী মহিউদ্দিন আহম্মেদ তার দেয়া জবানবন্দিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট-এর পূর্ব এবং পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনা উল্লেখ করেছেন। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত সৈয়দ ফারুক রহমান ও সুলতান শাহরিয়ার রশিদের ব্যাপারে জিয়াউর রহমান কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি বলে উল্লেখ করা হয়। আর সেসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তার মনে হয়েছে যে, জিয়াউর রহমান এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি (জিয়া) এই কারণে ফারুক রহমান ও শাহরিয়ার রশিদের ব্যাপারে দুর্বল ছিলেন। জবানবন্দিতে তিনি আরো বলেছেন, সেনাবাহিনীর বিপরীতে রক্ষী বাহিনী গঠন করা হয়েছে। তাদের বাজেট কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব কারণে সেনাবাহিনী সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে আটক করে রেসকোর্স অথবা গণভবনে নিয়ে যাওয়া হবে। আটক রাখার পর তাকে চাপ দেয়া হবে- তার নেয়া সিদ্ধান্তগুলো একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাতিল করার। যদি তিনি এগুলো করতে না চান, তাহলে তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এছাড়া খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে গঠন করা হবে নতুন সরকার। গঠিত সেই সরকার হবে একটি ইসলামিক সরকার। এরপর তিনি (সৈয়দ ফারুক রহমান) আমাদের সকলের দায়িত্ব বন্টন করে দেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনার আগের রাতে ক্যান্টনমেন্টের বালুঘাটে জমায়েত সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় ফারুক রহমান এসব কথা বলেন। ফারুক রহমানকে উদ্ধৃত করে দেয়া এই বক্তব্য মহিউদ্দিন আহম্মেদ আর্টিলারীর দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই তথ্য উঠে এসেছে হাইকোর্টের রায়ের পর্যালোচনায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার আপিল শুনানির চতুর্থ দিনে পেপার বুক পাঠ অব্যাহত রয়েছে। বিচারপতি মোঃ রুহুল আমিনের দেয়া হাইকোর্টের রায়ে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে যে পর্যালোচনা দিয়ে তা তুলে ধরা শেষ হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় বিভক্ত রায় প্রদানকারী হাইকোর্টের অপর বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায়ের পর্যালোচনার অংশ উপস্থাপন গতকাল শুরু হয়েছে। আসামি পক্ষের কৌঁসুলি ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন তা আদালতে উপস্থাপন করছেন। তিনি পেপার বুকের ৯৮৪ পৃষ্ঠা থেকে ১১৪০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পাঠ করেছেন।

এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি ফারুক রহমানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রায়ে সংযোজিত হয়েছে। জবানবন্দিতে বলা হয়, ১৯৭৪ সালে ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও নরসিংদীতে অস্ত্র উদ্ধারে নিয়োজিত থাকাকালে কিছু অনাকাঙিক্ষত ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ওই সব ঘটনা জানা সত্ত্বেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় আমি আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর বিরক্ত ছিলাম। রায়ে তথ্য হিসাবে ফারুক রহমানের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের প্রথম দিকে বাকশাল গঠন করা হয়। জেলা গভর্নর নিয়োগ চলছে। এই সংবাদের বিষয়ে মেজর রশিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, শেখ মুজিবকে ক্যান্টমেন্টে আনতে হবে এবং দেশে এ ধরনের পরিবর্তন না আনার জন্য তাকে রাজি করতে হবে। এ নিয়ে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী এপ্রিল মাসে জিয়াউর রহমানের বাসায় যাই এবং দেশের খারাপ পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনাকালে তার পরামর্শ চাই। তিনি আমাকে বলেছিলেন, আমি কি করতে পারি, তোমরা কিছু করতে পারলে কর।

ষড়যন্ত্রকারী আর খুনীদের ভবলীলা সাংগ হইলেই তেনারা খোদা বনিয়া যান্‌না। খোদার সমালোচনায় বাধা রহিয়াছে, কিন্তূ জিয়াউর রহমানের মত শিশু, গর্ভবতী মা এবং সহকর্মী হত্যাকারীর সমালোচনা করা যাইবেনা উহা কোন হাদিসে বর্ননা করা আছে জানাইবেন কি? হাতে বন্দুক লইয়া মুক্তিযুদ্ব করিয়াছেন বলিয়াই এই জল্লাদের পাপ মোচন হয় নাই। একজন সৈনিকের কাজ সেনাছাউনির চত্ত্বরে লেফট-রাইট করা, দেশ এবং জাতীর প্রয়োজনে যুদ্বে যাওয়া। এই কাজের জন্যেই তেনাদের বছরের পর বছর জামাই আদরে লালন পালন করা হয়। '৭১এ জাতির প্রয়োজন ছিল যুদ্ব, একজন মেজর সেই যুদ্বে সাড়া দিয়াছিল; ইহাতে খোদার আরশ কাপাইয়া উনি এবং উনার পরিবারের কুলাংগারগন বাংলাদেশের মালিক হইয়া যাইবেন, ইহা কি করিয়া সম্ভব? সৈনিকের কাজ যুদ্ব করা, বান্দর নাচানো পার্টি বানাইয়া স্ত্রী আর সন্তানদের দেশের অধিপতি বানানো নহে। এই খুনীকে খোদা বানাইয়া পূজা করা হইতেছে, যাহার আড়ালে রচিত হইতেছে দেশ লুটপাটের মহাভারত। এই অন্যায় এবং অনাচারের কবর দিতে চাহিলে প্রেথম্মে কবর দিতে হইবে এই ভন্ড জেনারেলকে। উন্মোচন করিতে হইবে তাহার ভন্ডামী। ইহা একটি পবিত্র কাজ, এবং আল্লাহ হইবেন এই পবিত্র কাজের সহায়।

আওয়ামী ভন্ডামী

আওয়ামীরা শিখাতে চাচ্ছে ন্যায় বিচার। ৪০০০০ বীর মুক্তিযুদ্ধা হত্যাকারী ফেরাউনকে মেরে জ়িয়া নায়ক হয়েছেন। তাকে জানায় লাল সালাম। আওয়ামী ফেরাউন এবং তাদের সাগরেদদের মেরে জিয়া এক মহান কাজ করেছেন। ফেরাউনের পরিবার সহ ক্ষৎম করা দরকার ছিল। দুই পেত্নি বেচে গেছে তাতে দেশের কি অবস্থা তা তো দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের আওয়ামী রাজাকার ভায়েরা আমাদের সিন্ডিকেট শিখাচ্ছিল, শিখাচ্ছিল বিদ্যুতের অভাব এবং দূর্নীতি। এখন উনার কি মারাচ্ছেন? বাজারে কেন আগুন, এক মেগাওয়াট বিদ্যুতও কেন যোগ হয়নি এবং দুর্নীতি কেন বেড়ে চলেছে? আওয়ামী ভন্ডামী বন্ধ হক। আওয়ামী বিচারপতিদের দিয়ে জাতির জনক, জাতির ঘোষক এবং তার হত্যাকারীদের বিচার হবে ক্ষনস্থায়ী।

hridoy's picture

নৃ-তাত্ত্বিক গবেষনার ফল.....

"আওয়ামী ফেরাউন এবং তাদের সাগরেদদের মেরে জিয়া এক মহান কাজ করেছেন। ফেরাউনের পরিবার সহ ক্ষৎম করা দরকার ছিল।"====আজ থেকে বহু বছর আগেই নৃ-তাত্ত্বিক গবেষনায় উঠে এসেছে যে, এক সময় মানুষের রক্তের বিশুদ্বতা বলতে কিছুই থাকবে না। এ প্রসংগে নৃ-তাত্ত্বিকগণ শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ঞাঙ্গদের রক্তের ধারাবাহিকতার দিকে আঙুল তুলেছিলেন। বর্তমান দুনিয়াতো দেখছি আরো এগিয়েছে। এখনতো মানুষ পশুর রক্তও শরীরে ধারণ করছে।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

লাল সালাম

মুজীব উরফে ফেরাউনের শিরায় শিরায় বহমান পশুর রক্ত। তার রক্ষীবাহীনির হাতে খুন হয় ৪০০০০ হাজার নীরিহ মানুষ। তার ছেলের হাতে বাংলার শত মা বোন লাঞ্চিত হয়। দুর্ভীক্ষের শীকার হয় ৪ লাখ। এ ফেরউনকে মেরে মেজর জিয়া এক প্রবিত্র দ্বায়িত্ত্ব পালন করেছেন। আমি মেজর ডালিম এবং মেজর জিয়া জানায় লাল সালাম।

The One Eleven's picture

যেই নালে উৎপন্ন সেই নালে বিনাশ

গ্যাংলিডার আপনি তাহলে স্বীকার করছেন যে জিয়া শেখ মুজিবকে হত্যা করেছে?এতদিন সবাই অনুমান করত আর আজ আপনি সরাসরি বলে ফেললেন!সবাই যা অনুমান করছে আপনি তা কনফার্ম করে বলছেন।বলি আপনি কিভাবে এই তথ্য জানতে পারলেন মি গ্যাংলিডার?আর যদি আপনার কথাই সত্য হয়ে থাকে তাহলে খুনী জিয়ার পরিনতির দিকে তাকাচ্ছেন না কেন?উনার মৃত্যুটা কি শেখ মুজিবের চেয়ে খুব আরামে হয়েছিল জনাব?একজন খুনী কখনোই স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরন করতে পারে না,এটাই জগতের নিয়ম।খুনী জিয়াউর রহমানের বেলায় নিয়মের ব্যাতিক্রম ঘটেনি এই কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারেন।কি ঠিক বলছি না জনাব?

hridoy's picture

লাল সালাম ওয়ালাদের আশ্রয়স্হল এখন আফ্রিকার জঙ্গল..........

ঐ জায়গাটা জংলীদের জন্য নিরাপদ। বাংলাদেশ জংলীদের জন্য কোন নিরাপদ আশ্রয়স্হল নয়............

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

hridoy's picture

আমি যে কথাটি সবসময় দৃঢ়তার সাথে বলে আসছি.........

জিয়া জাতির জনকের হত্যায় জড়িত ছিল। শুধু তাই নয় বঙ্গবন্ধূ হত্যার আগের এবং পরের সব ষড়যন্ত্রের হোতা ছিল এই জিয়া। আর তার ইংগিতেই জাতির জনকের চার সহযোগীকে জেলের ভিতর হত্যা করেছে অস্রধারী পিশাচরা। খুণিরা তার কাছ থেকেই সবসময় পরামর্শ নিত। আর জিয়া এও জানত যে, জাতির জনকের এই চার সহযোগীর কেউ বেচে থাকলে তার ক্ষমতা দখল স্বপ্ন পুরণ হবে না কোনদিন। তাই জেলের ভিতরেই তাদেরকে হত্যা করেছে। মোস্তাককে এইসব অস্রধারী খুণীরা একটা সময় পর্যন্ত ব্যবহার করেছে মাত্র। ওদের ক্ষমতা দখল পাকা হওয়ার পর তাকে ছুড়ে ফেলেছে।
আমাদের জাতীয় জীবনে-
জিয়া একটা কলংকের নাম, একজন কুলাংগারের নাম
একজন খূণী পিশাচের নাম,
একজন অবৈধভাবে ক্ষমতা জবর দখলকারীর নাম,
একজন কুচক্রী ও কুখ্যাত ষড়যন্ত্রকারীর নাম।
কুখ্যাত মীরজাফরের প্রেতাত্মা তার মাধ্যমেই এই বাংলায় আবার প্রাণ পেয়েছিল।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

TIGER71's picture

ভাই হৃদয়

জিয়ার অনেক কুকির্তির অন্যতম হচ্ছে, নিজেকে আড়ালে রেখে অন্যের মাধ্যমে নিজের সুবিধা আদায় করে নেয়া। জিয়া শুধু বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সাথেই জড়িত, সেটাই শেষ কথা নয়। জিয়া অন্যায় ভাবে হত্যা করেছে খালেদ মোশাররফ সহ হাজার হাজার দেশ প্রেমিক সেনাসদস্যকে। আর তাহের হত্যার কথা তো আর লুকাবার নয়। একজন প্রেসিডেন্টকে যখন ছেড়া গেঞ্জি আর ভাঙ্গা স্যুটকেস নিয়ে গল্প ফাদতে হয়, তখন তার ভন্ডামি যে কত গভীর তার আন্দাজ করা কঠিন। ইতিহাস বিকৃত করে কেউ কি কখনো নিজের অপকর্মকে ঢেকে রাখতে পারে? কালো চশমা পড়লেই কি খুনির চেহারা লুকানো যায়?

আর তাইতো, যাদের নিয়ে জিয়া এই ষড়যন্ত্র করে দিন কাটিয়েছে, তারাই করেছে তার বুক ঝাঝরা। শুধু কি তাই? ডেড বডি ফেলেছে গহীন জঙ্গলে শেয়াল-কুকুরের খাদ্য বানাতে। কিনতু বিচার কি তাই বলে এখনো শেষ হয়েছে? অপেক্ষা করুন। আমাদের জীবনেই আমরা তা দেখে যাব, ইনশায়াল্লাহ।

তবে সত্যের পক্ষে থাকুন এবং সত্যকে তুলে ধরুন। আপনার সেই প্রচেস্টা সত্যই প্রশংশনীয়।
ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।

saaf kotha's picture

hridoy

বংগবন্ধুর হত্যার সাথে জিয়া জড়িত ছিলো এই কথাটা নতুন কিছু আসে বলে আমি মনে করিনা । আমরা জিয়াকে খুনী বলেই জানি । এই জন্যই তার নামের আগে খুনী শব্দটা লেগে আছে । জিয়া একজন খুনী /
জিয়া একজন খুনী । জিয়া একজন খুনী ।

cooldrink's picture

Mujib wanted to destroy Bangladesh

Mujib burned Jute industry.
Mujib was monger be Prime ministoor of Fakiston.

He surrendered on 23 rd march, 1971.

JackobRaihan's picture

Truth

He (the Pagla Mujib) surrendered on 23 rd march, 1971.

THIS is the real truth.

JACKOB RAIHAN

hridoy's picture

এই নাবালক কি বলে?

এত কাঁদেনা বেবি, গলা ফেঁটে যাবে যে.........
baby_crying.jpg

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

saaf kotha's picture

হৃদয়

চুষনী কি ভাবে চুষতে হয় এটা ইউসুফ ১৪৪ ভালো জানে ।

terminator's picture

পান করুন!

আপনি কোমল পানীয় জাতিয় কিছু পান করুন, অন্তর জুড়াইয়া যাইবে। শেখ মুজিব কি করিয়াছিলেন, কি করিতে পারিতেন আর কি করেন নাই ইত্যাদী লইয়া মহাভারত লেখা যাইবে। কিন্তূ এই মহাভারতের নীচে জিয়ার মত খুনী, ভন্ড এবং অবৈধ সেনা শাষকের পাপাচার কবর দেয়া যাইবেনা। ধান ভানিতে শিবের গীত গাইবেন না মহাশয়! যাহার পাপের সাজা তাহাকেই ভোগ করিতে দিন।

farmer's picture

These letter things are indecency to Zia & Sheikh

These letter things should not be continued, it is indecency to use Zia & Sheikh in such contexts.
Using them for fun, or animosity is not right thing. Please discontinue.

terminator's picture

দোয়া করুন -

জনাব,"ইন্নামাল আমালু বিন নিয়ত" - বাদ হইতেছে, আমলের উপর নিয়ত নির্ভরশীল। বাংলাদেশে ডিসেন্সীর কি সংজ্ঞা তাহা উপস্থাপন করিলে বিষয়টি ভোরের আলোর মত চারদিক আলোকিত করিত, ইহা দেখিয়া পাখীরা কিচির মিচির করিয়া গান গাহিত....। সেনাছাউনির লেফট রাইট মার্কা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ উর্দিপরা মেজরের যখন ক্ষমতা দখলের খায়েশ হয় বুঝিতে হইবে ডিসেন্সির আম্মজান ইন্তেকাল করিয়াছেন। ইহা লইয়া মাতম করিবার কোন ফাক ফোকর নাহি। - আমিন।

farmer's picture

terminator, shomudro: definition of Decency in BD context

The quality of conforming to given sets of standards of a CERTAIN CULTURE, is the definition of Decency. In BD culture, deads are not brought into fun or animocsty. If BNP, AL or some army officer exploited ii, we should not; if we criticize them, then we exploit some anti-culture features by ourselves, we are becoming hypocrites.

vumihinzamidar's picture

Farmer Bhai

আপনার উপজিলা চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দীন সাহেব সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন ।
খবর পাইছেন ?