
সন্তান প্রসবা মাতা যেমন সন্তানের আগমনী বার্তা টের পায়, তোমার পত্রাগমনের বার্তাও আমি আগাম পাইয়া থাকি। চারদিকে হাবিয়ার লু হাওয়া বহিতে থাকে, ইবলিশ আর আজরাইলের দল নাচিতে থাকে পৈচাশিক নৃত্য, সূর্য্যমন্ডল হইতে খসিয়া পরে নতুন একটা নক্ষত্র। আমি বুঝিতে পারি সময় হইয়াছে, আমার বাজানের পত্র আসিবার সময় হইয়াছে। পাপের ভারে নূয্য অন্তরাত্মা থর থর করিয়া কাপিয়া উঠে আমার, আমি ভার্য্যা তরুনী শিহরনে শিহরিত হই। হাবিয়ার কোটি কোটি পাপীর দল সমস্বরে চীৎকার করিয়া উঠে, রে জিয়া, আসিয়াছে! তোর যোগ্য সন্তানের তথাযোগ্য পত্র আসিয়াছে! সদ্য প্রসূত সন্তানের মত সোহাগ ভরিয়া চুম্বন করি তোমার পত্র, গর্ব করি পিতৃত্বের। আজও উহার ব্যতিক্রম হয়নাই। তোমার পত্র আমার হস্তগত হইয়াছে, ধন্য পিতার ধন্য সন্তান!
আহা রে! পুত্র আমার বলাকা সিনেমায় দেখা রোমান্টিক ছবি রোমান্থন করিয়া উথাল পাথাল করিতেছে, ইহার চাইতে বড় সংবাদ একজন লেফট রাইট মার্কা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ জেনারেলের আর কি হইতে পারে! দিন ছিলরে বাপধন, বড় আদরের দিন ছিল সেইগুলি। তুমি দেশে ফেরা লইয়া ব্যতি ব্যস্ত হইয়া পরিয়াছ, জানিয়া আশংকিত হইতেছি। মান্যবর হাবিল কাবিল ফেরেশতাদের সহিত আলাপ পূর্বক জানিতে পারিলাম এই জনমে তোমার আর দেশা ফেরা হইবেনা। সৃষ্টিকর্তা ইহাই তোমার ভাগ্যলিপিতে লিখিয়া রাখিয়াছেন। বাজান, লন্ডনের আমিনুদ্দিনের সাথে তোমার পরিচয় হইয়াছে কি? হ্যাঁ, আমি রেডফোর্ট রেস্তোরার মালিক সিলেটী আমিনুদ্দিনের কথা বলিতেছি। এই উদ্দিন মুয়া-ফুয়া উদ্দিনদের বংশধর নহে, খাটিয়া খাওয়া মানুষের বংশধর। অতি অল্প বয়সে আমিনুদ্দিন সিলেট হইতে লন্ডন পাড়ি জমাইয়াছিল ভাগ্যের সন্ধানে। পরিশ্রম করিয়া বড় হইল, জমানো টাকা দিয়া নিজে রেষ্টুরেন্ট বানাইল। বাকি সব সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। এই ইচ্ছার বলেই আমিনুদ্দিন আজ রেডফোর্ট রেস্তোরার মালিক যেইখানে আহার করিতে গেলে স্বয়ং রানীকেও আগাম বুকিং লাগাইতে হয়। আমার উপদেশ থাকিবে, এই আমিনুদ্দিনের সাথে অতি সত্ত্বর মোলাকাত কর। হাতে পায়ে ধরিয়া থালা-বাটি পরিস্কারের একখানা চাকুরী যোগাড় কর। সামনে যেই দিন দেখিতেছি তোমাদের বাচিয়া থাকাটাই হইবে মহা কষ্টের। এই পরশ্রমের বদৌলতে যদি একখান ছোটখাট রেস্তোরা বানাইতে পার সময় হইলে ঐখানে তোমার আম্মাহুজুর রাধুনী হিসাবে যোগ দিতে পারিবে। আরও যোগ দিতে পারিবে সিফিলিস মুক্ত তোমার বেজন্মা ভাই। মনে রাখিও, কিছুদিন যাইতেই তোমার চুরি-চামারীর থাইবদারের দল তোমাকে কলার খোসার মত ছুড়িয়া ফেলাইবে। টাকারে বাপধন, এই টাকাই তোমাদের নেতা মহানেতা বানাইয়াছে। আত্তরমারী টাকা যেইদিন তলানীতে পৌছাইবে তুমি তারেক রাতারাতি বনিয়া যাইবে চোরা তারেইক্কা। সেই দিন কি বহুদূরে? তোমার কাছে মনে হইলেও তোমার পিতার কাছে নহে!
মুয়া-ফুয়া আসলে তোমাদের চোরা পরিবারের জন্যে দুঃস্বপ্ন মাত্র, বাস্তবে তাহাদের কোন অস্থিত্ব ছিলনা। এই উদ্দিনদের লইয়া তোমরা হেলুসিনেশনে ভুগিতেছ। মুয়া-ফুয়াদের চেহারায় আসলে আজরাইল আসিয়াছিল তোমাদের গাবুইরা মাইর দিতে। ক্ষমতার মসনদে বসিয়া তোমরা ভূলিয়া গিয়াছিলে আজরাইল বলিয়া কেউ একজন আছেন। ঈশ্বরের তাই গোস্বা হইয়াছিল। হয়ত যতদিন বাচিয়া থাকিবে দুঃস্বপনের মত মুয়া-ফুয়ারা হাজির হইবে সাক্ষাত যমদূতের বেশে। আমাবস্যা রাইতে তোমার হাড্ডির জোড়াগুলি যখন ব্যথা করিবে, শরীরে যখন পানি নামিবে, কোমর যখন অচল হইয়া পরিবে, ইয়া নফসি ইয়া নফসি রবে আকাশ বাতাস কাপাইয়া তুলিও। কে জানে, হয়ত ঈশ্বরের আরশ পর্য্যন্ত তোমাদের কান্না পৌছাইবে, তিনি সদয় হইয়া তোমাদের মুয়া-ফুয়া রোগ হইতে মুক্তি দিবেন । তবে ঐ জল্লাদদের কথা মনে হইলে পরনের কাপড় নষ্ট করিওনা, একজন জেনারেলের মান ইজ্জত লইয়া টান দিবে তাহা হইলে।
তোমাকে আনন্দের সহিত জানাইতে পারিতেছি, শেষ পর্য্যন্ত মোলাকাত হইল আমার এবং তোমার আম্মাহুজুর পরিবারের অর্থমন্ত্রী সিলেটের চোরা সইফুরের সহিত। হাবিয়ায় হাজির হওয়া মাত্র বাংলাদেশের এই অঘোষিত মালিক সিলেটী ভাষায় কিচির মিচির করিয়া কি যেন বলিতে শুরু করেন। আজরাইল হুজুরেরও বুঝিতে অসূবিধা দেখা দেয়। তাৎক্ষনিক ভাবে আমাকে তলব করা হয় ভাষা অনুবাদের জন্যে। আমি উদ্বার করি উনার ভাষা। আসলে উনি একটা শব্দই বার বার উচ্চারন করিতে ছিলেন, ’টেখ্যা’, যাহার বাংলা অনুবাদ হইল টাকা। এই চোর সাড়াটা জীবন শুধু টাকা টাকা করিলেন, মরিয়াও টাকাকে তালাক দিতে পারেন নাই। আজরাইল বুঝিতে পারিয়া চোরার মুখের ভিতর হাত ঢুকাইয়া উদর হইতে কলিজাটা এক টানে বাহির করিয়া আনেন। আমরা অবাক হইয়া দেখিলাম সইফুরের কলিজায় কোন রক্ত মাংস নাহি, শুধুই টাকা। লাল টাকা, নীল টাকা, সাদা টাকা, মালেশিয়ার রিংগীত, সিংগাপুরী ডলার, থাইল্যান্ডের বাত, আরও হরেক দেশের হরেক রকম টাকা। লজ্জায় আমার মাথে হেট হইয়া যায়।
দ্বিতীয় খবর হইতেছে, তোমার নানী, বিশ্ব চোরাই সমিতি হাবিয়া শাখার আজীবন সভানেত্রী, সৈয়দা তৈয়বা খানম আমার আশে পাশে কথাও ঠাই পাইয়াছেন। ঈশ্বর পুতুল কলির পাশের কলিতে এই সভানেত্রীকে প্রতিষ্ঠিত করিতে চাহিয়াছিলেন। আমার পৃথিবী টলিয়া উঠিল, আমি প্রথমে আজরাইল বাবাজীর হাতে পায়ে ধরিয়া কান্না কাটি করিয়া বলিলাম, ’আমি জিয়াউর রক্তের মাষ্টার, চুরি চামারীর নহে, দূরে রাখুন এই নষ্টাকে‘। আজরাইল রাজী হইলেন। তারপর ১২০০ ইঞ্চি টিভিতে আমাকে দেখানো হইল কি করিয়া এই বৃদ্বা মরণ বিছানায় শুইয়া দিনাজপুরের আবাল বৃদ্ব বনিতাদের মাস্তান দিয়া উচ্ছেদ করিয়া তাহাদের ভিটা মাটি দখল করিয়াছেন। লজ্জায় মাথা হেট হইয়া গেল।
তুমি বিডিআর চাচুদের কুশলাদি জানিতে চাহিয়াছ। তাহাদের আমার কাছে ভিড়িতে দেওয়া হইতেছেনা। বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাইতেছি আমি। তুমি সাবধান থাকিও। জলিল চোরার সাথে তোমার বাতচিতে আমি অবাক হই নাই। এক চোর অন্য চোরের সাথে আলাপ করিবে না ত সাধূর সাথে আলাপ করিবে?
বাবা, যৌবন কালে অনেকেই অনেক অপকর্ম করিয়া থাকে। ইহা লইয়া বিশেষ বিচলিত হইওনা। চিকিৎসার দরকার হইলে আমার পাকিস্থানী বন্ধু আসিফ আলী জারদারীর সহিত যোগযোগ করিও। সেও একই রোগে ভুগিতেছে।
আজ শেষ করিলাম। আজরাইল আসিবেন একটু পর। আমাকে বটি কবাব বানানো হইবে। বাপধন! আকাশে ঝড় উঠুক, সমুদ্রে সূনামী আসুক, সমগ্র বাংলাদেশ ৫টনে তলাইয়া যাউক, তোমার পত্র যেন কোথাও হোচট না খায়। সব সময় পত্র লিখিও। রক্তের দাপাদাপি আর পকেটের টাকা কমিয়া আসিলে তোমার অবস্থা আমার মতই হইবে, সুতরাং ইচ্ছা করিয়া পিতাকে ইগনোর করিওনা।
ইতি,
হতভাগা পিতা জিয়াউর র
পুতুল কলি, দোজখ-এ- হাবিয়া

২৭ তম পত্রের জবাব
প্রিয়ভজনেষূ আব্বাহুজ্রর আমার
আপনার পর পর দুইখানা পত্র পাইয়া সকল কিছুই অবগত হইলাম।আব্বাহুজুর একটি কথা আপনাকে স্মরন করাইয়া দিতে চাই।তাহা হইল আপনি কখনোই মনে করিবান না যে আপনার সুযোগ্য পুত্র আপনাকে ভুলিয়া গিয়াছে।ইহা অসম্ভব এইজন্য যে আপনার মত একজন জেনারেলের বীর্য্য হইতে এই তারেক জন্ম নেওয়াতেই আজি মানুষ তারেককে চিনে এবং জানে।আপনার ছেড়া লুঙ্গী ভাঙ্গা গেঞ্জি আর ফারা জাইঙ্গার রুপকথা আছে বলিয়াই বাংলার মানুষ আজো আপনাকে দিবারাত্র স্মরন করে আর আপনার অতি আদরের ধন তারেককে হিসাব করিয়া চলে।আর তারই সুত্র ধরিয়া তারেক আজ বর্তমান জগতের টপ ধনকুবেরের খাতায় নাম লেখাইতে পারিয়াছে।সে যাহাই হউক আব্বাহুজুর আমি বর্তমানে অতি ব্যাস্ততা এবং দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাইতেছি।
আব্বাহুজুর আপনি তো জানেন স্টেডিয়াম পাড়া হইতে চোরাকারবারী বন্ধু বাবর আলিকে আনিয়া মন্ত্রী বানাইলাম এবং তাহার মন্ত্রীত্বের সুবাদে আমার মত তারেক কড়ার ভিখারী হইতে কোটিপতি ওরফে হাজার কোটিপতি বনিয়া গেলেম।আব্বাহুজুর সেই বাবরকে আজ খালাম্মাহুজুর রিমান্ড এবং জেলখানায় নিয়া নাস্তানাবুদ করিয়া ছাড়িতেছে।বাবরকে টিভি পর্দায় দেখিয়া চোখের পানি ধরিয়া রাখিতে পারি নাই আব্বাহুজুর।আর এই চোখের পানিই কেন যেন আবার আমার ভিতরে শক্তি যোগাইতেছে।সেই শক্তি আমাকে পিছন হইতে বলিতেছে তারেক্ তুমি আগাইয়া যাও আমরা আছি তোমার পাশে।আব্বাহুজুর আমি আপনার নামে শপথ করিয়া বলিতেছি যদি কোনদিন উপর ওয়ালা আমাদেরকে পাওয়ারে বসিবার নসিব করেন তাহা হইলে ধর্ম নানার ঘরে কত শক্তিশালী খালাম্মা হুজুর জন্ম নিয়াছে তাহা দেখিয়া নিতে কসুর করিব না।আমি বাবর আলির আর্তনাদকে আগামী দিনের পাথেয় হিসাবে দেখিতেছি।বাবর আমাদের জন্য যে আত্মত্যাগ করিয়াছে তাহা জগতে বিরল।তারেক আর বাবর দুইজনেই বাঁচিয়া থাকিলে বাবরকে তারেক আবার ও সেইভাবে পুরষ্কৃত করিবে যেইভাবে ২০০১ সালে করিয়াছিল।
আব্বাহুজুর আমি খুবই অপ্রস্তুত হইয়াছি আপনি সাইফুর চাচাকে চোর বলিয়াছেন বলিয়া।আরে বাবা উনার কেরামতিতেই তো জিয়া পরিবার আজা পৃথিবীর অন্যতম ধনকুবের পরিবারে পরিনত হইয়াছে।তাহা ছাড়া আপনার সময় হইতেই সাইফুর চাচা আমাদের পরিবারের সাথে জড়িত।তিনি অর্থনিতিকে সাইফুর নিতি না করিলে আজ কি করিয়া আপনার মাঝারে আতরের নহর বহিয়া যাইত?সাইফুর চাচার সাথে সাক্ষাতে আর কি কি কথা হইল জানিতে বড়ই খায়েশ হইতেছে।আশা করি আগামী পত্রে তা উল্লেখ করিবেন।
আব্বাহুজুর যেই বিষয়টা নিয়া চরম দুশ্চিন্তা আর ব্যাস্ততার মধ্যে সময় কাটাইতে্ছি সেই বিষয়টা হইল আমার ধর্মনানার হত্যাকারিদের বিচার।আব্বাহুজুর অনেকেই বলিয়া বেড়াইতেছে এই হত্যাকান্ডে আপনার কেরামতি ছিল।আবার অনেকেইই আপনার উপর নাখোশ কারন আপনি নাকি উনার হত্যাকারিদের বিচার ইনডেমনিটি না কি করিয়া বন্ধ করিয়াছিলেন।আমি জানি আব্বাহুজুর নিজের গদি ঠিক রাখিতে গিয়া আপনি এইসব করিয়াছিলেন।আর না করিলেই চলিত কি করিয়া?কি করিয়া জিয়া পরিবার ক্ষমতায় আসিত?কি করিয়া খালাম্মা আর আওয়ামি ভন্ডদের দেশ হইতে বিতারিত করিয়া আজীবনের জন্য গদি পাকাপোক্ত করিবার চেষ্টা করা হইত?আপনি যেমন করিয়া শাহ আজিজ আর সবুর দাদুদের হাতে ভর করিয়া নিজের হাতকে শক্ত করিয়াছিলেন তেমন করিয়াই আম্মাহুজুর আর আমি বুদ্ধি করিয়া নিজামি আর আব্বাস চাচ্চুদেরকে হাতে রাখিয়াছিলাম আমাদের হাতকে শক্তিশালি করিবার জন্য।বিনিময়ে না হয় তাহাদেরকে মন্ত্রীত্ব দিলামই তাহাতে আর কি আসে যায়?মানুষ না হয় দুই চার কথা বলিবে,রাজাকারের দল বলিয়া গালি দিবে।তাহাতে আমাদের কি বা আসে যায়?আমরা শুধু দেখিব আমাদের উদ্দেশ্য হাসিল হইয়াছে কি না,গদি ঠিক আছে কি না বা কুল কুল করিয়া তারেকের মধুর ভান্ডারে মধু জমা হইতেছে কি না।হ্যাঁ যাহা বলিতেছিলাম আমি এখন নানার হত্যাকারীদের ফাঁসি হইয়া যাইবে এই চিন্তায় বড়ই কাতর হইইয়া আছি।শত হইলে ও হত্যাকারী সেইসব চাচ্চুদের পরিবারের সাথে আমাদের আত্মার সম্পর্ক।তাহারা যদি এই কাজ না করিত তাহা হইলে বাংলার ইতিহাস হয়তো অন্যভাবে লেখা হইত।আব্বাহুজুর আপনার অন্তর্ধামের পর আমরা আপনার পথ ধরিয়াই এইসব চাচ্চুদেরকে পুনর্বাসন করিবার চেষ্ট করিয়াছি।যতটুকু সাধ্যে কুলায় ততটুকুই করিয়াছি।তাহাদেরকে এবং তাহাদের পরিবারকে সাধ্যমত শান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করিয়াছি এই বলিয়া যে তারেক আর তার প্রধানমন্ত্রী মা যতদিন বাচিয়া থাকিবে ততদিন তোমাদের গায়ে কেউ আচরটি পর্যন্ত্য দিতে পারিবে না।আব্বাহুজুর আমরা তো এখন পর্যন্ত্য বাচিয়া আছি অথচ চাচ্চুদের ফাঁসি হইয়া যাইতেছে ইহা কিভাবে মানিয়া লইব বলেন আপনি।তবে একখান মনের কথা আপনাকে জানাইতেছি আব্বাহুজুর আর তাহা হইল তারেকের খেলা এখনো শেষ হইয়া যায় নাই।চাচ্চুদেরকে ফাঁসিতে ঝুলানোর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত তারেক খেলা খেলিয়া যাইবে।ইহাতে কাজ হইলে ও হইয়া যাইতে পারে।না হইলে ও মনে আফসোস থাকিবেনা।শান্ত্বনা থাকিবে এই বলিয়া যে আমরা তো চাচ্চুদের জন্য চেষ্টা করিয়াছি।ফাঁসি যদি হইয়া ও যায় তাহা হইলে ও খালাম্মার সাথে খেলা চালাইয়া যাইবার সংকল্প লইয়াছি।দেখা যাইবে বাঘে মহিষের এই খেলায় কে হারে কে জেতে।আর কোন কিছু করিতে না পারিলে ও খালাম্মার ঘুম হারাম করিবার চেষ্টা তো সব সময়ই থাকিয়া যাইবে।
আব্বাহুজুর আর একটি ব্যাপার আপনাকে জানাইয়া আজকের লেখা শেষ করিব (কারন আপনার বৌমা লন্ডনে আসিয়া এম আর সি পিতে ভর্তি হইয়াছে তাহাকে নিয়া রয়েল কলেজের মেডিকেল ফেকাল্টির ডিনের সাথে একটু পরেই দেখা করিতে যাইতে হইবে) এবং ২৮ তম পত্রের জবাবে আরো অনেক ইছুই বিস্তারিত জানাইবার সাধ জাগিয়া রহিল।ব্যাপারটা হইল গিয়া খালাম্মা হুজুরের ৭১ এর সংবিধানে ফিরিয়া যাইবার ফন্দি ফিকির।খালাম্মা আসলে দেশটাকে একটা হিন্দু রাষ্ট্র বানাইতে চাহিতেছে।সেই কথা তো আর মুখে বলিতে পারিবে না তাই ৭১ এর সংবিধানে ফিরিয়া গিয়া রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বাতিল করাই হইল তাহার একমাত্র উদ্দেশ্য।আমি তো নয়ই দেশের জনগন ও এই সিদ্ধান্তকে মানিয়া নিতে পারিবে না।দরকার হইলে এখান হইতেই তাহাদের পতনের জন্য আন্দোলন শুরু করা হইবে।আওয়ামি কন্যা হাসিনা বেগমের বুকে মাটি লাগানোর চেষ্টা করা হইবে।এমন আন্দোলন গড়িয়া তুলিব যাহাতে খালাম্মা চোখে সরিষার ফুল দেখিতে পান।টেকনাফ হইতে তেতুলিয়া ছাগলনাইয়া হইতে বুরুঙ্গামারি সকল স্থানেই টায়ার পুড়াইয়া আগুন ধরাইয়া দেওয়া হইবে।আব্বাহুজুর এই কথা বলিতে বলিতে আমাদের আগের দিনগুলি চোখে ভাসিয়া উঠিতেছে।কবে আসিবে আমাদের সেই সোনালী দি যেইখানে তারেকে অঙ্গুলি হেলনে সুর্য্য হেলিয়া পড়িবে,যেখানে আম্মাহুজুরের আপোষহীন সিদ্ধান্তে গোলামের দল উলংগ নাচ নাচিতে থাকিবে?আব্বাহুজুর আমি আর চিন্তা করিতে পারিতেছি না।
ক্রিং ক্রিং ক্রিং---ধুৎত্যারি ছাই টেলিফোন বাঝিয়া উঠিল।গোলামের দল বাংলাদেশ হইতে ফোন করিয়াছে।আবার কি দরকারে তাহাদের আব্বাকে স্মরন করিয়াছে কে জানে।তারেক যে তাহার নরক বাসী আব্বাহুজুরের সাথে দুইখান কথা বলিবে তাহার ও পথ নাই।আচ্ছা আব্বাহুজুর আপনার ২৮ নম্বরের জবাবে বিস্তারিত লিখিবার ইচ্ছা রইল।আপনি আবার বক্কর করিয়া ২৯ তম পত্র লিখিয়া বসিবেন না।২৮ নম্বরের জবাব পাওয়ার পরেই লিখিবেন,তাহাতে আমার উত্তর দিতে সুবিধা হইবে।আজ তাহা হইলে বিদায় নেই আব্বাহুজুর!টা টা বাই বাই আবার যেন দেখতে পাই।
আপনার চরন তলে তারেকের নাজাত।
বিঃদ্রঃ এখানে আপনার অতি প্রিয় একটি গান দেওয়া হইল যাহা আপনি আম্মাহুজুরকে নিয়া প্রায়ই শুনিতেন।
দুই অসভ্যকে শায়েস্তা করা হবে
হে আদম সন্তানের দল
আমি এই চিঠই পড়িয়া বড় রাগান্বিত হয়ে আছি।দুই অসভ্য পিতা পুত্রকে কি করে সাজা দেওয়া যায় তা নিয়ে আমি এখন চিন্তা করছি।তার মধ্যে একটি হইল হাবিয়ার চেয়ে ও একটি কঠিন আজাবের জায়গা বানিয়ে তার মধ্যে আজীবনের জন্য জিয়া পাপীকে নিক্ষেপ করা।দ্বীতীয় চিন্তাটি হল লন্ডনে বড় ধরনের ভুমিকম্প দিয়ে আহ্লাদের রাজপুত্রকে ঐপাড়ে পাঠিয়ে দেওয়া।দুইটি সম্বাবনার যে কোন একটি অথবা দুইটি একসাথে বাস্তবায়ন করা যায় কিনা ভগবান তা বিবেচনায় রেখেছেন।
আর মুজিবের কন্যার জন্য আমি রেখেছি আমার সর্বোচ্চ আজাবের স্থানটি।তার অপকর্মে বাংলাদেশ বিরান হওয়ার পথে।সে সমস্ত বিবেচনার পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে।ভগবান তার উপর খুবই রাগান্বিত।১০ মাসে সে বাংলাদেশের প্রচুর ক্ষতি করেছে এবং বর্তমানে তার মাথায় অসংখ্য খারাপ চিন্তা কাজ করছে।আমি ভগবান তার অন্তর দেখতে পাই।প্রতিশোধ আর রক্তের নেশায় সে এখন বিভোর।
ওরে আমার আদমের দল এইসব পঁচা মানব থেকে সাবধানে থাকিস।ভগবান সব সময় তোদের মংগল চান।
ভগবান ভাই আপনি এমন অবিবেচক হবেন না..........
মুজিবের কন্যা দেশে পুতে রাখা জজ্ঞাল সাফ করে আমাদের সবার জন্য তা বসবাস যোগ্য করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দেখছেন না, এক ঘসেটি বেগম তাকে মারিয়া ফেলার জন্য আর্মিদের দিয়া কিভাবে তালগোল পাকাইতেছে। ঐ ঘসেটি বেগম চাচ্ছে মুজিবের কন্যারে সরাইয়া সে তার বদমাইশ পোলাদের নিয়া রাজত্ব করবে। আপনি কি মনে করেন, পাকিস্হানের বেনজির জংগীদের হাতে নিহত হইয়াছে? মোটেও না। জেনারেল মোশারফই পাক গোয়েন্দাদের দিয়া তারে মারাইছে। ঘসেটি বেগম ঐ স্টাইলেই কিছু একটা করতে চাচ্ছে। আপনি ঐ ঘসেটি বেগমের হেদাযতের জন্য দোয়া করূন।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
হে হৃদয়
আমি বড়ই নাখোশ এবং অপ্রস্তুত হয়েছি তুই আমাকে ভাই বলেছিস দেখে।যাই হউক জেনারেল মোশারফের নাম কখনো মুখে আনার চেষ্টা করবি না।ও ব্যাটা বহুত বদ আদমি হ্যায়।আমি তার জন্য বহুত কায়দা করে আজাব ঘর বানিয়ে রেখেছি।ওর জন্য রয়েছে কঠিন আজাবের সংবাদ।
আর শোন মোশারফ নামক শয়তানের চেয়ে তোদের দেশের জেনারেলরা বহুত বহুত সাফ আছে।তবে জিয়া এবং এরশাদ অনেক প্যাচগি লাগিয়ে দিয়েছে যা সহজে ছুটানো যাচ্ছে না।এরশাদের কুত্তামির মাশুল সমস্ত জাতি দিচ্ছে।তুই ভুলে যাসনে শেখ সাহেবের মেয়ে একদিন এই ইতরের সাথে হাত মিলিয়েছিল।তাকে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল।তুই ভুলে যাসনে সে দেশে গন্ডগোল লাগিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সে অনেক ইতরামি করেছিল।আর শোন ভগবানের নজরের সব কিছুই আছে।তোর সেই ঘষেটি বেগমের খাতা ও ভগবানের দরবারে আছে।ভগবান এই ব্যাপারে সম্পুর্ন ওয়াকিবহাল আছে।
সব ঠিক আছে ভগবান ভাই..একটু ব্যতিক্রম....
তবে জিয়া এবং এরশাদ অনেক প্যাচগি লাগিয়ে দিয়েছে যা সহজে ছুটানো যাচ্ছে না।===১০০% ঠিক।
এদের কারনে আজ আর্মিতে জংগী ঢুকে যাচ্ছে। এরাই রাজাকার, যুদ্বাপরাধী আর খুনীদের পোলাদের আর্মিতে ঢুকিয়েছে। এদের কারনেই এস এসসিতে ২য় এবং এইচ এসসিতে তৃতীয় শ্রেনী প্রাপ্ত গোলাম আজমের ছেলে পায় আর্মি ক্যাডেটের সর্বোচ্চ সম্মানিত খেতাব "সোর্ড অব অনার"। ওরা নিজেদের ক্ষমতার জন্য আমাদের আর্মিদের নৈতিকবল নষ্ট করে গেছে।
আর হ্যাঁ, শেখ হাসিনা ১/১১ ওয়ালাদের সাথেও হাত মিলিয়েছিলেন। তা শুধু নির্বাচনের আর গণতন্ত্রের জন্য। এরশাদের সাথেও হাত মিলিয়েছিলেন সেই একই কারনে। এক সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের কথা ভাবা যেত না। বরং খুণীরা উল্টো হুমকি দিত। আজ এই জগণ্য হত্যাকান্ডের বিচার হচ্ছে। খূণীদের কেউ কেউ ধরা পড়ে কনডেম সেলে আছে। বাকীরা বিচারের সম্মুখীন হওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এসবই সম্ভব হয়েছে নির্বাচন আর গণতন্ত্রের জন্য। এটা কি শেখ হাসিনার বিচক্ষনতা নয়?
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
আসিতেছে!আসিতেছে
অতি শীঘ্রই পুত্র তার পিতার ২৭ তম চিঠির জবাব নিয়া হাজির হইতে যাইতেছে।যাহাদের হৃদরোগের ঝুকি আছে তাহাদেরকে ইহা না পড়িবার জন্য পরামর্শ দেওয়া হইতেছে।আসিতেছে----আসিতেছে।
নেত্রীর লাইগ্যা জাতীয়তাবাদী গান
টারমিনেটর ভাইজান, আসলেই কি আছে দরকার ?
এত টাকা পয়সার বল কি আছে দরকার ?
সামান্য এ সুখের জন্য কেন এ মিথ্যাচার ?
গানের পংতি মালাটি সংশ্লিষ্ট বাঙ্গালী,বাংলাদেশী নির্বিশেষে আমাদের সকল উপর ওয়ালাদের উদ্যেশে সমভাবে নিবেদিত হোক।
আমেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
তৈরি হয়ে আছি হার্ট defibrillator নিয়ে
চিন্তা করবেন না। হার্ট defibrillator নিয়ে তৈরি হয়ে আছি । যদি কারো হার্ট পাম্প স্টপ হয়ে যায়, defibrillator নিয়ে হার্ট আবার চালু করা হবে। রবিন হুড CPR এ ট্রেনিং নিয়েছে।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
রবিন
রবিন হুডের তো CPR ট্রেনিং নিতেই হবে।তা না হলে কি আর রবিন হুড হয়?তবে ডিফিব্রিলেটর কিন্তু হাতের কাছেই রাখতে হবে।চিঠি বাজারে ছাড়ার সাথে সাথে কিছু ভলান্টিয়ার রেডি রাখতে হবে যারা দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ঐপ্রান্তে ছুটে যেতে পারবে জাতীয়তাবাদী গোলামদের হার্ট ঠিক রাখার জন্য।রবিনকে ধন্যবাদ ভাল একটি আইডিয়া মাথায় আনার জন্য।
ভাই এক এগার
আমার প্রান প্রিয় নেতা জিয়া এবং তার যোগ্য সন্তান তারিককে নিয়া হাসি তামাশা করিবেননা আশাকরি। আল্লার আপনার বিচার করবে।
আলতাফ সাহেব
তোম কোন হ্যায়।এখানে তোমার প্রিয় নেতাকে নিয়ে মাতম করতে এসেছ?আল্লাহ্ বিচার করবে আমার!ভাল কথা।তোমার প্রান প্রিয় নেতাদের চরিত্র যে কাটার মত পবিত্র---তাদের বিচার আল্লাহ্ করবে না?যাই হউক আল্লাহ্র কাছেই বিচার চাও।এখানে খামাখা হাংগামা করতে এসো না ভাই।
১-১১ মিয়া
এক নেতার এক দেশ, শহীদ জিয়ার বাংলাদেশ,
টেকনাফ হতে তেতুলিয়া, সবাই বলে খালেদা জিয়া
আপনে কালা, তাই হয়ত শুনতে পাননা, কিন্তূ বাংলাদেশের ঘরে ঘরে আজ এই রব উঠেছে। বাজি বুজি ছেড়ে আমাদের প্রান প্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়ার পতাকা তলে এক হউন। ভারতের বিষ দাত ভাংগার সময় এসেছে। আমরা জিয়া সেনারা এক হয়ে আপনার পত্র লেখার হাত ভেংগে দেব।
Mr. hossain
You have beaten everyone in the race! What others took months, you did it in two postings.
Your vocab cavity is with in inches of the cavity behind yours two hips. I will assume that your next post will be through this rear side cavity.
Robin
Carmel, California
এই আলতাফ মিয়া
কথা বার্তা হুশ করে বলবেন।আমার হাত আপনি ভাংবেন,না?বেগম জিয়ার গোলামী ছেড়ে ভাল পথে আসুন।তার পর না হয় হাত ভাংলেন আর কি!কোথায় যেন কিসের রব উঠেছে বললেন?তা এইসব রবে টবে কাজ হবে না ভাইজান,আগে নিজের মাঞ্জা ঠিক করেন।বুঝেছেন আমি কি বলতে চাচ্ছি?
Mentally sick terminator......Did Zia put............
terminator, I did not read your trash yet. I am sure it must be demeaning as expected from a mentally sick person. I got a question for you ? Did Zia push middle finger of his left hand through your vertically downward small opening ? If so, the feeling must be unforgettable for you ? If you want you can ask Tereq Zia do the same thing for you. It seem to me that the finger-in process was pretty pleasantly intoxicating for you. You want it over and over again.
২৭ তম পত্রের জবাব নহে
আব্বাহুজুর
আমার শত কোটি কদম বুচি নিতে ভুল করিবেন না।২৬ তম পত্রের ঘোর আর রেশ কাটিতে না কাটিতেই আপনার ২৭ তম পত্র পাইয়া আমার মাথায় আকাশ ভাংগিয়া পড়িল।এত ব্যাস্ততার মাঝে কি করিয়া আপনার চিঠির উত্তর দেই তাহাই ভাবিয়া উঠিতে পারিতেছি না।আমি এখন আমার গোলাম আর আওয়ামি শত্রুদের মধ্যে হাঙ্গামা লাগাইবার কাজে ব্যাস্ত রহিয়াছি।উত্তর হইতে দক্ষিনে,পুর্ব হইতে পশ্চিমে,ঈশান কোনা হইতে অগ্নি কোনা,টেকনাফ হইতে তেতুলিয়া,সিলেটের আম্বরখানা হইতে চট্রগ্রামের হাঠাজারী পর্যন্ত গোলামের দল আহাজারি করিয়া মরিতেছে।কি করিয়া এই সময় উৎরাইয়া ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করা যায়,কি করিয়া বাংলার অবুঝ জনগনকে বাঁশ দেওয়া যায় ইহাই এখনকার আলোচনা এবং চিন্তা চেতনায় ঠায় পাইতেছে।কাজে চিঠির উত্তর দিতে একটু সময় লাগিয়া যাইতে পারে।ততক্ষন আপনি চিঠির জন্য দুই ঠ্যাং এর উপর ভর করিয়া দাড়াইয়া অপেক্ষা করিবেন।
আমার এক জায়গায় হটকা লাগিতেছে।কি করিয়া আপনি হাবিয়াতে থাকিয়া ও অধিক সময় চিঠির পিছনে ব্যয় করিতেছেন।আপনি কি তাহা হইলে আজরাইল এবং কেরামন কাতিবিন নামক ফেরেশতাদের বশ করিয়া তাহাদের আদর হইতে দূরে থাকিবার চেষ্টা করিতেছেন?আপনি একটা জব্বর মাল।আপনি কিন্তু দুনিয়াতে কম খেইল দেখান নাই।আপনি যে একজন পাকা শিকারী ছিলেন তাহা আপনার খান্দানী গোফ দেখিলেই বুঝা যাইত।কথায় বলে না শিকারী বিড়াল গোঁফে চেনা যায়।যাক বাবা যথা সময়ে ২৭ তম চিঠির উত্তর নিয়া হাজির হইবার ইচ্ছা পোষন করিতেছি।এই চিরকুট লেখাকালীন ঢাকা হইতে দেলোয়ার কাকার টেলিফোন পাইলাম।মনে হইতেছে অতি তাড়াতাড়ি লন্ডনী মাল পাঠাইতে হইবে।যাই হউক এখন বিদায় নিতেছি।
ইতি আপনার স্নেহের তারেক
বাজান...
বাজান,
শুনিতে পাইলাম তোমার আম্মাহুজুরান আবারও গর্ভবতী এবং এই কারনে তোমার ধর্মখালার আসরে হাজির হইতে পারেন নাই! শুনিয়া বড়ই ব্যথিত হইলাম। ট্যাক্স টোক্স ফাকি দিয়া তিনি কোটি কোটি টাকা জমাইয়াছেন, তাহার সবটুকুই তোমাদের পাওয়ার কথা। এখন যদি তৃতীয় কেহ আসিয়া ভাগ বসায় কি হইবে তোমাদের?
বাজান...
বিঃদ্রঃ তুমি পূর্ন জবাব দিলেই আমি নতুন পত্র লিখিব। অপেক্ষায় রহিলাম।
২৭ তম পত্রের জবাব বাই জ্যাকব রায়হান (CC to টারমিনেট্র & ১/১১)
বাই
জ্যাকব রায়হান
জেকব ভাই, আপনার লজ্জাশরম কই গেল?.........
হেঃ হেঃ জেকব ভাই এইটা কি করলেন? ই-মেলাতে আসতে হলে এখন নাকে রূমাল দিয়ে আসতে হবে। আপনি pampers পড়ে নিলেই পারেন।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
শ্রী হৃদয় এর হযরত শেখ মুজিব (রাঃ)
ভালবাসা আর অবসেশন এক জিনিষ নয়, তা আপনি ভাল করেই জানেন। আওয়ালীগশ-জাতির আব্বাজান কে ভালবাসেন, ভাল কথা। ধরমীয় মতে কন কিছুর প্রতি অবসেশন টা হারাম। "সাবমেসীভ" এক নেতাকে আপনারা বানিয়েছেন, "জাতীর আব্বা"। আব্বাহুজুর কি সকলের কাছেই সারবোজনীন ছিলেন? ছিলেন না।
আপনারা হয়তো কিছুদিন পর ওনার নাম দিবেন, "হযরত শেখ মুজিব (রাঃ), আথবা অন্য নতুন এক নাম, কে জানে?
জ্যাকব রায়হান
একমূঠো গুড় আর--জ্যাকব ভাই
আধা লিটার পানি,একমুঠো গুড় আর এক চিমটি লবন।এখনকার মত এই দরকার আমাদের জ্যাকব রায়হান ভাইয়ের।নচেৎ ই-মেলাতে উনার ------------একাকার হবে।
সফদার ডাক্তার বাংলাদেশ২১ কে
"আধা লিটার পানি,একমুঠো গুড় আর এক চিমটি লবন" -- এটা আপনারই ভীষন দরকার ভাই, কারন আপনারা আপনাদের "আওয়ামী মল-মূত্রে" সারা বাংলাদেশ বুলশিট করছেন গত ৩৮/৩৯ বছর ধরে। আপনাদের আব্বাহুজুর ৭১ এ পাওয়ার চেয়েছিলেন, ফ্রীডম বা ইন্ডিপেন্ডেন্স নয়। "সংগ্রাম" আর "সাধীনতা" এক কথা নয় ভাইজান। বাংলাদেশের ১০০% গোষ্ঠিকে বোকা বানাতে গিয়ে "মুজিব-আব্বাজান" অক্কা পেয়েছেন, এটাকে মেনে নেয়ার মাঝে লজ্জা কী?
জ্যাকব রায়হান
জ্যাকব ভাই
জ্যাকসন হাইটস এর রাস্তায় এসব করুন ওখানকার মেয়র আছে পরিস্কার করবে। আমাদের ই-মেলার সম্পাদকের এমনিতেই টানাটানি তার উপড় আপনার ওসব-- সম্ভব নয়।
আওয়ামী ভায়েগ্রার নেশা (বাংলাদেশ২১ কে)
জনাব বাংলাদেশ৭১ ভাইঃ
তো যা বলছিলাম, ই-মেলার বিডি০৮ কিংবা মতিন ভাই আপনাদের মত সূশীল আওয়ামী-লিগারদের মিথ্যাবাদি বলেন। আমি ও ওনাদের সাথে একমত পোষন করি। মানুন কিংবা না মানুন, এটাই সত্যি যে, আব্বাহুজুর সংগ্রামের নামে ৩/৭/১৯৭১ এ পাকিদের ক্ষমতার জন্য মুলতঃ একপ্রকার হুমকি দিয়েছিলেন মাত্র, কোন সাধীনতার ঘোষনা নয়। পাওয়ার ওনার কাছে এতটাই প্রিয় ছিল যে, উনি তার জন্য সংবিধানকে কাটাকুটি করেছিলেন, জনতার অনুমূতি ছাড়া।
আসুন,"আওয়ামী ভায়েগ্রার নেশা" থেকে বেরিয়ে আসুন। হযরত মাওলানা মুজিব আব্বার বাকশালীযম এর রাহু থেকে মুক্তি লাভ করুন।
জ্যাকব রায়হান
আওয়ামি ভায়াগ্রা থেকে এবার জাবা ভায়াগ্রার থাবা-উৎসর্গ JR
terminator
পিতা পুত্রের আগের চিঠি আমি পড়তে পারিনি । যদি বই আকারে বের হয় তাহলে নিশ্চয়ই পড়তে পারবো । খালেদা কেন খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটে তার ইতিহাস জাতি জানতে চায় । ৯৪ সালে তারেক খালেদার বেডরুমে কাকে গুলি করেছিলো , খালেদা কাকে রক্ষা করতে ঝাপিয়ে পড়েছিলো এবং ঘটনা চক্রে সেই গুলি খালেদার থাইয়ে ( রান ) লাগে । এএমসি'র ব্রিগেডিয়ার আনিস ওয়াজেদ সেই গুলি
অপারেশন করে বের করেন । দেশের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি , বাংলাদেশের দুই মেয়াদের প্রধান মন্ত্রী কাকে বাচাতে গিয়ে নিজে আহত হলেন , এই ইতিহাস জাতির কাছে অজানা রয়ে গেছে । যারা জানেন তারা নিজেদের স্বার্থে মুখ খুলছেনা । আপনার কাছে এই ইতিহাস আছে এবং তা প্রকাশ করে আপনার নৈতিক দায়ীত্ব পালন করবেন , এটাই জাতীর প্রত্যাসা ।
অনেক আগে ছাত্রদল নেত্রী হেলেনের নেতৃত্বে রোকেয়া হলে মিটিং শেষ করে তার অনুসাড়ীদের নিয়ে স্লোগান দিয়ে শহীদ মিনারের দিকে যাইতেছিলো , রাস্থায় উপস্থিত টোকাইরা সেই স্লোগানের জবাব দিয়েছিলো ।
ছাত্রদলের মেয়েদের স্লোগান " আমরা সবাই খালেদা হবো "
টোকাইদের জবাব " এতো ফালু কোথায় পাবো " ।
আপনার পরবর্তী চিঠির অপেক্ষায় রইলাম ।
সাফ কথা- একটু সংশোধন
ডাঃ মেজর জেনারেল আনিস ওয়াইজ ছিলেন সি এম এইচ এ উনি কি সেই লোক।এ্যালিফেন্ট রোডে উনি বসতেন।
Don't you know?
After delivering pure excreta they clasp hands imagining the product as cute baby. Excreta are needed for growing staff so excreta have market value. Rentu made good business by selling Amar Fasi Chai but he sold it at proper time in proper place. There was time when excreta could be sold as hot cake but it become old now, already newer versions are available in the market. Living creature have to excrete otherwise they become sick so everybody have right to excrete but civilized people do it in private place otherwise they got ticket for littering. If e-mela is private place then they can continue the one eleven style littering but if it is public place then they may be ticketed
জনাব ভাল মানুষ!
জাতীয়তাবাদীদের সাফাই গাইতে শেখ মুজিবের লুংগি ধরিয়া টানাটানি চলিতেছে এই আসরে অনেকদিন হইল। এতদিন কোথায় ছিলেন মানবতাবাদী মাওলানা সাহেব? আপনাদের মর্মবেদনার স্বরলিপি এই লেখকের ভাল করিয়া জানা আছে। অন্য কোথাও গিয়া ওয়াজ ফরমান জনাব ভাল মানুষ, কাজ হইলে হইতেও পারে। ইচরে পাকামী করিতে হইবেনা এইখানে। রাস্তা মাপুন।
Yah, big brother
2nd Amendment, big brother, 2nd Amendment.
What's your definition of civilized people?
Robin
Carmel, California
ভাই সাফ কথা
আপনার তথ্য বহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ।তারেকের গুলি থেকে খালেদা কাকে বাঁচাতে গিয়েছিল সেই কথা বোধ হয় আর না বললে ও চলবে।আপনার প্রশ্নের ভিতরেই এই উত্তর লুকায়িত আছে।
হায় হায় ১/১১ ভাই and ভাই সাফ কথা...........!!!!!!!!!!!!
হায় হায় ১/১১ ভাই......
হাসিনা কার সাথে ল; ড্রাইভে গাড়ীর ব্যাক সীটে.....???
হাসিনা হরগ;গা কলেজের ভিপি হিন্দু কোন ভাস্করের সাথে......???
হাসিনা মুন্সি গন্জের কোন এসপি'র সাথে.......???
হাসিনা প্রক্তন কোন বানিজ্য মন্ত্রীর সাথে......???
ভাই বিট্রেড
হাসিনার লং ড্রাইভ সম্পর্কে আপনার যা জানে আছে লিখুন।তাতে আমার কিছুই আসে যাবে না বা কোন প্রতিক্রিয়া ও হবে না।আমি কোন নেত্রীর গোলাম নহি।এই কথা আপনার জানা না থাকলে এখন থেকে জানুন।আপনার সুন্দর তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
নেত্রীর গোলাম
I am afraid to say .... however, the answer (to Pita from Putro) you wrote on behalf of 'terminator', says it all. You acted to serve a particular point of interests, favoring the fascist AL and its supporters!
So, now what ... you joined the Awami League?
JACKOB RAIHAN
To Betrayed Vai (JR) .. 2
How about Hasina's illicit affairs with the then (1973-1975) SP Mahboob. Late Maulana Abdur Rashid Tarkabagish had to give "pani pora" to Shaikh Hasina at request of Mujibur Rahman.
Please also manage yourself to read the book "Amar Fashi Chai" by Vetern Freedom Fighter Late Motiur Rahman Rentu ...!!
JACKOB RAIHAN
@JRaihan and and ভাই সাফ কথা...........!!!!!!!!!!!!
JR Bhai,
Please, Hasina is soooo goooood, our brother "সাফ কথা" will cry by learning that Hasina is a honey bee.
SP Mahboob
Mrinal
Ershad
Aamir Hossain Amu ................, oh name few more for her.
A Question to Betrayed Vai
Mrinal .....? Which Mrinal, ..... the one who once lived in New York City?
JACKOB RAIHAN
Answer to JR...............
Yes, that is the Mrinal.
He used to live in NYC, I was also in NYC at that time.
To Betrayed Vai
But Mrinal da' (Mrinal Haq) to BNP minded, so far I know.
I used to have very good terms with him when he was here in Jackon Heights, New York. I used to call him BENSON Vai.
JACKOB RAIHAN
১/১১ সাহেব,
এই চিঠিগুলি বই আকারে প্রকাশনা সংক্রান্ত ইমেইল আমাকেও পাঠানো হয়েছে। আমার মোটা মাথার বিবেচনায় বলে এটা এক ধরনের ফাদ, এতে ধরা দেয়া হবে বোকামী।
এ ব্যপারে বাকি কথা ই-মেইলে বলা যাবে।
-ধন্যবাদ
টারমিনেটর সাহেব
সব কিছুকেই ধোঁকাবাজী মনে করা বোধ হয় ঠিক হচ্ছে না।যাই হউক আমি আপনার ই-মেইল এবং ফোনের জন্য অপেক্ষা করছি।ফোন নাম্বারের শেষ ৪ ডিজিট হচ্ছে ৩৪৫৬।
1/11 সাহেব
ই-মেইল পাঠাইলাম। দেখুন।
terminator ভাই, আমারো তাই মনে হল..........
আমি ভাবছিলাম এ ব্যপারে ১/১১ ভাইকে কিছু বলব। তবে এডিটর মহোদয়ের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
পুত্রঃ
ভাল আছি ভাল থেক
আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখ
Watch_Dog is terminator: এই ছ্যাচ্চর এলকোহল চুরি করে খায়......??
রাশিয়াতে আশির দশকে বা;লাদেশীরা গণপিটুনি দিয়েছিল| সবাই মিলে তাকে কিল, ঘুষি, ছাতির বাট ও জুতা দিয়ে পিটানো হয়| তার পর ইউনিভার্সিটির ল্যাব থেকে এই ছ্যাচ্চর এলকোহল চুরি করে খায়, ধরা পড়ে শাস্তিও হয়......!!!
হে বিট্রেড
তুই আমার প্রিয় মানবদেরই একজন।ভগবানের ভাল মানুষদের ডায়েরীতে তোর নাম রয়েছে।কিন্তু আমি এখন কি দেখছি তোর লেখার ভিতরে?একে খূচানো ওকে খুচানো একে গালি দেওয়া ওকে গালি দেওয়া এইসব ভাল নহে।এখানে তোকে যদি কেউ গালি দেয় তাহলেই তোর রাগ হওয়ার কথা।কেউ চিঠি লিখলে সেই চিঠি তোর ভাল না লাগলে সেই চিঠি তুই পড়বি না।কারোর লেখার মধ্যে যদি তুই তোর মতকে খুজে না পাস তাহলে তোর মত তুই তুলে ধরবি।ওয়াচডগ কিন্তু কখনোই তোকে গালি দেয়নি অথচ তুই বলছিস সে এলকোহল চুরি করে খেয়েছে।ব্যাক্তিগত আক্রমন ভগবান পছন্দ করেন না এবং তা কিছুটা অশান্তি বয়ে আনে বইকি।ওরে আমার প্রিয় মানব আমি মনে করি তুই এখন ও তোর ভগবানকে ভুলে যাসনি।আর তা যদি হয় তাহলে ভগবানের দরবার তোর জন্য সব সময় উম্মুক্ত রয়েছে।ভগবান তোর কাছা কাছি রয়েছেন।তার দরবার থেকে তোর জন্য আশীর্বাদ রইল।
বিট্রেড ভাইজান
এই সহ আপনী কয়বার এই একই অভিযোগ করলেন । মুল অভিযোগকারী অনুমানের উপর ভর করে আমাদেরই কোন ফোরাম মেটকে সন্দেহ করেছিলেন এবং আমার জানামতে উনি ঐ একবারই কথাটা বলেছিলেন । নাহ , আপনী এখনও পোলাপাইন রইয়া গেলান ।
আমার এক কাজিনের সাথে কথা বলার একপর্যায়ে আমদের দেশের ( হোমনা দেবিদ্বার ) দুইটা আঞ্চলিক শব্দ অনেক দিন পর শোনালাম । শব্দ দুইটা আমার খুব ভালো লেঘেছে বলে আপনার শাথে শেয়ার করতেছি । কাওলা এবং মাদাইন্যা বেলা শব্দ দুইটা মনে আছে ?
ভূমি ভাই:
ভূমি ভাই:
আমাকে পুলাপান বলেছেন আমার রিপিটেড পোষ্টের কারনে, আমি খুশি বড় ভাইয়ের কাছে ছোট ভাইয়ের প্রায় সব কাজই পোলাপাইন্যা কাজ মনে হবে|
টার্মিনেটর/ওয়াচডগ যে নো;রা ভাষায় চিঠি নামের পোষ্ট লিখলো সেটাকে আপনি কি বলবেন তার অপেক্ষায় আছি|
আর রাস্তার পাশের এসব টার্মিনেটর/ওয়াচডগদের শায়েস্তা করতে পুলাপাইনের দল নিয়া পুলাপাইন হওয়া ছারা গতি কই...??
আর হোমনা-দেবিদ্বারের আন্চলিক ভাষা মাদাইন্যা ( মধ্যাহ্ন) কমন পরেছে, তবে কাওলা ( কবলা) সম্ভবত: জমি রেজিষ্ট্রি বিষয়ক ব্যাপার, এটাও কমন পরেছে|
এই সকালে মায়ের সাথে কথা বললাম, তার উপড় আপনি আবার দেশের জন্য মনটা উতলা করে দিলেন| ভাইরে কেন যেন সেই দেশী ভাষায় কথা বলা লোক গুলোকেই বেশী মিস করি| এই বিদেশ টাকা দিয়েছে, কেড়ে নিয়েছে মনের সুখ!