স্পিকারের ক্ষোভেই প্রমাণ হয় সংসদ কার্যকর নেই'
Mon, Oct 12th, 2009 7:25 pm BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, অক্টোবর ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-- রোববার সংসদ অধিবেশনের শুরুতে মন্ত্রী ও সরকারি দলের সাংসদদের অনুপস্থিতিতে স্পিকার আবদুল হামিদের ক্ষোভেই 'সংসদ কার্যকর নেই' প্রমাণ হয়েুছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন।
সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "সরকারের মন্ত্রী ও সাংসদদের সংসদে না পেয়ে স্পিকারের মধ্যে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা থেকে প্রমাণিত হয়, সংসদ কার্যকর নেই।''
তিনি অভিযোগ করে বলেন, "সরকারি দল সংসদকে অকার্যকর করে ফেলেছে। এখন তারা রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র¿ করছে।''
রোববার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে স্পিকার বলেন, "সংসদে প্রথম সারিতে মন্ত্রিসভার সদস্য ও সাংসদরা নেই- এটাকে আমি ভালভাবে দেখছি না, সহজভাবে নিতে পারছি না।''
দেলোয়ার বলেন, "সরকারি দলের সাংসদরা জানেন, তারা সাজানো নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে এসেছেন। তাই সংসদে না গিয়ে টেন্ডারবাজি, তদবির ব্যবসাতেই বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছেন।
"এ জন্য তারা সংসদে যান না। এ কারণে স্পিকার রোববার সংসদ অধিবেশনের শুরুতে সরকারি দলের উপস্থিতি সম্পর্কে নিজের ক্ষোভের কথা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার উদ্দেশে প্রকাশ করেছেন।"
অপর এক প্রশ্নের জবাবে দেলোয়ার সংসদে যাওয়ার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান আবারও জানিয়ে বলেন, "আমরা সংসদে যেতে চেয়েছি, যেতে আগ্রহী। কিন্তু সংসদে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে যে বিরোধী দল সংসদে যেতে পারছে না। সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা হলেই আমরা সংসদে ফিরে যাব।"
নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পর টানা দুইটি অধিবেশনে বিএনপি সংসদে যোগদান থেকে বিরত রয়েছে।
টেকনাফের কাছে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ও সেখানে মিয়ামারের সৈন্য সমাবেশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দেলোয়ার এ ব্যাপারে সরকারকে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার আহবান জানান।
কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার বিষয়ে সরকারের নিশ্চুপ ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, "মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া ও সেখানে তাদের সৈন্য সমাবেশের বিষয়টি নিয়ে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার চালানো উচিত ছিল।"
আগে থেকেই সরকারের কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত ছিল মন্তব্য করে তিনি টেকনাফ সীমান্তে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর জন্যও সরকারকে পরামর্শ দেন।
২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলায় জড়িয়ে পুলিশ হেফাজতে (রিমান্ড) সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের নিন্দা জানিয়ে দেলোয়ার বলেন, "রিমান্ডে নিয়ে তাকে অত্যাচার করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক শক দিয়ে কথা আদায়ের অপচেষ্টা করা হচ্ছে।"
এ সময়ে দলের যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল মান্নান, দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু, যুবদলের সহসভাপতি আবদুল কাইযুম চৌধুরী প্রমুখু উপস্থিত ছিলেন।
আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালে সফল হওয়া নিয়ে সংশয়ে বিএনপি
Mon, Oct 12th, 2009 4:11 pm BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, অক্টোবর ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- জাতিসংঘের সালিস-নিষ্পত্তি আদালতে (আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনাল) পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করতে না পারলে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিরসনে বাংলাদেশ সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
এ জন্য বঙ্গোপসাগরে দেশের সীমানা চিহ্নিতকরণের পর্যাপ্ত তথ্য পেতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। (আরও তথ্যসহ)
সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে 'বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট' শীর্ষক মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মোশাররফ।
তিনি বলেন, "জাতিসংঘে শুধু সালিশি দাবি করে সমুদ্রসীমার বিষয়ে কোনও ফল আসবে না। সমুদ্রের পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত সরকারের কাছে থাকতে হবে। এটা সালিশের সময়ে দাবি হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। সরকার আগে থেকে এ বিষয়ে কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করলে আমাদের সমুদ্রসীমা রক্ষা করতে পারত।"
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, সরকার ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিরসনে জাতিসংঘের সালিস-নিষ্পত্তি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এজন্য আইনজীবীও নিয়োগ দিয়েছে।
সমুদ্রসীমা নিয়ে বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র নীতিকে 'নতজানু' অভিহিত করে সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, "জাতিসংঘের সালিশ ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য আছে কি না, তা জানতে হবে।
"কারণ সমুদ্রসীমা নির্ধারণে তথ্য সংগ্রহের জরিপ কাজটি হয়নি। তাহলে কীভাবে ট্রাইব্যুনালে সমুদ্রসীমার বিষয়ে বাংলাদেশের দাবি প্রতিষ্ঠা পাবে- এ নিয়ে আমাদের সংশয় আছে।"
চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সমুদ্রসীমা বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটির আহবায়ক ছিলেন মোশাররফ।
ওই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, "বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণে আমাদের সরকার আমার নেতৃত্বে একটি কমিটি করেছিল। এ বিষয়ে আমি অনেক কিছু জানি।
"কমিটি নৌবাহিনীকে তথ্য সংগ্রহের জরিপ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল। এজন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নৌবাহিনীর সমুদ্র জরিপের জাহাজ না থাকায় তা বিদেশ থেকে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং এজন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াও শেষ হয়।
"এরপর আমাদের সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে এ বিষয়ে নিশ্চুপ থাকে। আর কোনও কাজ হয়নি।"
সমুদ্রবক্ষের তিনটি ব্লকে গ্যাস উত্তোলনে বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তির শর্তে গ্যাস রপ্তানির বিষয়টি রাখারও বিরোধিতা করেন সাবেক এই জ্বালানি মন্ত্রী।
তিনি বলেন, "আমাদের পেট্রোলিয়াম নীতিতে গ্যাস রপ্তানির সুযোগ নেই। কিন্তু বর্তমান সরকার গ্যাস উত্তোলনে রপ্তানির সুযোগ রেখেছে, এটা গ্রহণযোগ্য নয়।"
সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের মতানৈক্য রয়েছে। তবে স¤প্রতি সরকার কনোকো ফিলিপস ও তাল্লোকে ৫, ১০ ও ১১ এ তিনটি ব্লক বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে।
ভারত ৫ ও ১০ নম্বর এবং মিয়ানমার ১১ নম্বর ব্লকের বিষয়ে আপত্তি তুলে জানিয়েছে, এতে তাদের সমুদ্রসীমায় অধিক্রমণ (ওভারলেপিং) ঘটেছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শামীম আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পথিক সাহা উপস্থিত ছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/এজে/জিএনএ/এসএইচ/১৯৪০ঘ.
জাতীয়তাবাদী(!) তেনা!!!!!!! এইগুলা কি কখনো সেই পুরান প্যাচাল থাইকা বাইর হবে না! নিজের প্যান্ট খুইলা পইড়া পুরা ল্যংটা, রাখতে পারে না, তাও কেবল কয় অন্যের প্যান্ট ফুটা।

কারো পৌষ মাস, দেলু চোরার সর্বনাশ!
জাতিয়তাবাদী কন্ডম চোর দেলুর এখন আকাল যাচ্ছে। চটজলদি তার পেট এবং পকেট না ভরা গেলে তার উন্মাদ হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়ে গেছে। রাজনীতিবিদ্দের সবার উচিৎ বুঝা পরার মাধ্যমে মার্কা মারা এই চোরকে চুরি করতে দেয়া। আফটার অল সে আলীবাবা ৪০ চোর দলের সাদা সম্পাদক!