হে বাল, থর্ব, আজীবন অমূর্খ, বাংলাদেশী/বাংগালী চামুন্ডার দল,
দক্ষিনা বাতাস কি তোমাদের বাতায়নে সেই খবর লইয়া লুটাইয়া পরে নাই এখনও? তক্দিরের খেলায় খবর যদি প্রতিবেশীর দুয়ারে অনুপ্রবেশ করিয়া থাকে তোমরা বঞ্চিত হইয়াছ মহাকালের মহা খবর হইতে! রে মুন্ডা, জানিয়া রাখ, স্বর্গে ঈশ্বর মুচকি হাসিতেছেন, নরকে অপ্সরা পতিতার দল অভিসারের সাজে সাজিতেছে ইতিমধ্যে। আর তোমরা হাভাতের দল এখনও চাতকের মত পথ চাহিয়া আছ ইমাম মেহেদীর আশায়? রে যবনের দল, ধিক, ধিক তোমাদের বাচিয়া থাকা! মন দিয়া শোন গোলামের কাফেলা, ইমারতের বিশালতার মত ঈমান রাখ, তিনারা আসিতেছেন; দুই পা, দুই হাতওয়ালা দুই বেহুলা একই ভেলায় দুধের নদীতে ভাসিবেন, সাথে আনিবেন লিংগ দেবতা শিবের ভ্রাতা লক্ষ্মীনদরকে। তোমাদের গোলা ধানে ধানে ভরিয়া যাইবে, দুধের সরোবরে প্লাবিত হইবে তোমাদের আংগিনা। রে যবনের দল, মস্তক অবনত কর, খঞ্জনা বাজাও, খ্যামটা নাচ শুরু করিয়া দাও। তোমদের কি জানা নাই দুই পদ্মাবতী একই সরোবরে পদ্মাসনে বসিতেছেন? হতভাগা জাতিকে উদ্বার করিবেন রাক্ষস ক্ষোকসদের হাত হইতে?
চোখ কান খোলা রাখিয়া অপেক্ষায় থাক। বাজারে খুব শীঘ্রই আসিতেছে বেদের মেয়ে জোৎস্না আর বিজয়ীনি সোনাভানের স্বপ্নে পাওয়া যৌথ তাবিজ। তোমাদের অর্শ্ব, গেজ, ভগন্দর, স্বপ্ন দোষের মত তাবৎ রোগ বালাই এই তাবিজের তেজস্ক্রীয়ায় নিমিষেই ভাল হইয়া যাইবে।
তালিয়া বাজাও ম্লেচ্ছের দল!
তালিয়া বাজাও
তালিয়া বাজাও
গত বৃহ:পতিবার ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল ২ দিন ব্যাপী লালন- হাসন লোকজ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্টান । যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত , উপস্থিত ছিলেন সম্মানীত শিক্ষক- শিক্ষিকা , আগত অতিথি ও ছাত্রছাত্রী বৃন্দ । মূল অনুস্ঠান চলাকালে সিলেট আওয়ামীলীগের অন্যতম খলিফা মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে আসম না দেওয়ায় হট্টগোল বাধিয়ে দেয় ছাত্রলীগের আসাদ -রাজু গ্রুপ । মুহুর্তের মধ্যেই পন্ড হয়ে যায় সাংস্ক্তিক অনুষ্ঠানের সকল কাজ ।
কিন্ত মাননীয় মন্ত্রী , শিক্ষক ক্যামপাসে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্বে কোন আইনি ব্যবস্থা নিতে বলেননি । পুলিশও ছিল দর্শকের ভুমিকায় । গতকাল সিলেটের সকল স্থানীয় পত্রিকায় এটা ছিল তাজা খবর । ছাত্রলীগ ক্যাডার ঠিক এ রূপই কান্ড ঘটিয়ে ছিল যখন
যখন মহাজোট নির্বাচিত হওয়ার সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে সিলেট বিভাগের সকল নির্বাচিত সাংসদকে নাগরিক সংর্ব্ধধনা দেয়া হয়েছিল , ঘটনার আকস্মিকতায় নির্বাক হয়ে গিয়েছিলেন সকল মহাজোট সাংসদ
তাই ধিক্কার মাননীয় মন্ত্রীকে , ধিক্কার সেই ছাত্রলীগ ক্যাডারদের , যারা শুধু সাংস্কৃতিক উৎসব পন্ড করেনি , যারা দিনের পর দিন
নিজেদের আন্তদলীয় কোন্দলে বিশ্ববিদ্যালয়কে অবরোধ করে হুমকির মুখে ফেলছে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনকে ।
হাসিনা কে উপদেশ দান করুন ...ডুগডুগি বাজিয়ে
জিনিষটা একটু অন্যরকম হলেই বোধহয় ভাল হত। হ্যাঁ, আমি সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলছি। কথা উঠ্ছে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সময়ের অর্থমন্ত্রীর মৃত্যুতে শেখ হাসিনা শোক প্রকাশে আন্তরিক ছিলেন না। অনেকের দাবি ছিল রহমান সাহেবকে রাষ্ট্রীয় সন্মানে সমাহিত করা হোক, সে দিকেও বর্তমান সরকার কর্নপাত করেনি। ঢাকা হতে সিলেট পর্য্যন্ত লাশ নিতে হয়েছে স্থলপথে, গলে যাওয়ার ভয়ে পথিমধ্যে থামানোর কোন সূযোগ ছিলনা। যদিও মৌলভিবাজার সহ অনেক জায়গায়ই মানুষের ঢল নেমেছিল শেষ বারের মত তাদের প্রিয় মানুষটাকে এক নজড় দেখার জন্যে। অনেকেই বলছেন, একটা হেলিকপ্টার দিয়ে লাশটা সিলেট পাঠানোর ব্যবস্থা করলে কি এমন মহাভারত অশুদ্ব হয়ে যেত? প্রায়ত এই নেতা রাজনৈতিক জীবনের প্রায় পুরোটাই কাটিয়েছেন ক্ষমতাসীন হয়ে, অর্থ মন্ত্রনালয়ের মত শক্তিশালী একটা মন্ত্রনালয় চালিয়েছেন বহু বছর ধরে। বাংলাদেশের আকাশে যে সব হেলিকপ্টার উড়ে বেড়ায় তার অনেকগুলোই এই মানুষটার বরাদ্দে ক্রয় করা।
লাখো মানুষের চোখের পানিতে অবগান করিয়ে দাফন করা হয়েছে জাতীয় এই নেতাকে। হয়ত সময়ের কালচক্রে মানুষ ভূলে যাবে শক্তিশালী এই রাজনীতিবিদের কথা। কিন্তূ মৃত্যুকালীন সময়ে তার সাথে যে ব্যবহার করা হল রাজনৈতিক মহল এটাকে খুব সহজে ভূলে যাবে বলে মনে হয়না। কেন এমনটা হয়? রাজনীতিবিদরা নিজেরাই যদি নিজদের সন্মান দেখাতে না পারেন তাহলে কি ভাবে আশা করেন অন্যদের সন্মান? ক’দিন আগে কার একটা লেখায় যেন পড়েছিলাম (হয়ত সাংবাদিক আতাউস সামাদ) শেখ হাসিনার কাছে যারাই তার কাজের সমালোচক তারাই উনার পিতা-মাতা এবং ভাইদের হত্যাকারী অথবা তাদের সহযোগী। এমন বিচারে প্রায়ত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানও বোধহয় হত্যাকারীর দলে পরেন। রাজনীতিতে এ ধরনের সংকীর্নতা খুবই বিপদজনক, বিশেষকরে ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সমাজে। শেখ হাসিনা কি পারতেন্না ১৫টা মিনিট সময় করে সাইফুর রহমানের লাশটা একবার দেখে আসতে? এমন কি রাজনৈতিক সমীকরন বেহাল হয়ে যেত যদি তিনি শোক সন্তপ্ত পরিবারকে নিজ মুখে শান্তনা দিয়ে আসতেন? একটা হেলিকপ্টার কি এতটাই অপ্রাপ্য ছিল ১২টা বাজেট প্রণয়নকারী এই নেতার জন্যে? উত্তরে হয়ত শেখ হাসিনা কিবরিয়া সাহেবের মৃত্যু টানবেন, আগষ্ট মাসের গ্রেনেড হামলার প্রসংগ তুলে ধরবেন। এগুলোও খন্ডন করার কোন অবকাশ নেই। কিন্তূ কথা হচ্ছে, একজন একটা অন্যায় করলে তাকে কি আরেকটা অন্যায় দিয়ে জবাব দিতে হবে? তাহলে আর প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব দাবির এই চেষ্টা কেন?
সামান্য যোগ
ভাইসাহেব মনে হয় এই লাইনটা যোগ করতে ভূলে গেছেনঃ
লেখাটার সূত্রঃ WatchDog_bd
Think about it
During old days some people or students were not involve in direct politics but they got remuneration for their investment of time and energy in doing their jobs, business or studying in class. Immediately after independence the problem was identified and the great leader openly declared he will help the political activist student and people in getting jobs or doing business because of their contribution for politics. There was no e-mela board at time so we don’t know the reaction of devoted student and service man of that time like we are seeing today. People who are against any politics may be those people who feel they are illegally deprived of their remuneration for hard work because of all benefit are going to politicians and their family. So once who avoided politics because of self development now become very active in this board. They are very educated and talented no doubt but because of lacking experience in politics they are making mistake. Think about their attitude, they don’t like traditional politician but they like Moyin. Don’t they understand as per law of universe there can’t be vacancies or status quo in a system. If old politician is controlled new politicians will emerge. If the old terrorist were cross fired, new terrorist will fill that place. We saw who are aligning behind Moyin from old political parties and we know who were behind Moyin. So what ever they write against Hasina and Khaleda majority people are still behind them. We can criticize them to adopt good policy but we can’t invite a direct foreign agent in their place.
বন্যরা বনে সুন্দর...
বেরাদানারে মিল্লাত হযরতে আলা আশেকানে তাইয়্যেবা জনাব "তাকানো" হুজুর,
লেফট রাইট লেফট রাইট করিতে করিতে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ আরও এক জেনারেল ইতিহাসের পাতা হইতে খসিয়া গিয়াছেন, এই যাত্রায় জনাবে আলা হযরত মইন উদ্দিন স্বপ্নপূরী। উনি খোদার রাজ্যে নবীজির সহিত সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন, দৈব বানী লইয়া ভাংগা রেলগাড়ি মেরামত করিবার ডিপ্লোমা অর্জন করিয়াছিলেন। কিছুতেই কিছু হইলনা! শেষ মেষ বাহির হইয়াছে, উনি আসলে নকল করিয়া ঐ ডিপ্লোমা বন্দুকের নলের মুখে অর্জন করিয়াছিলেন। ইহা প্রমানিত হইয়াছে ভাংগা রেলগাড়ি মেরামত করিতে বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষাই যথেষ্ট, বিশেষ ডিপ্লোমার প্রয়োজন নাই। আপনি উত্তম কথাই বলিয়াছেন, পুরাতন চোর বিদায় হইলে নতুন চোরের আগমন ঘটিতে বাধ্য! দেশের খাজাঞ্জীখানার দুয়ার যদি টোকাইদের পশ্চাৎদেশ উদামের মত চোর বাবাজীদের জন্য উদাম করিয়া রাখা হয়, নিশ্চয় তেনারা দলে দলে আসিতে থাকিবেন। হেলায় এমন সূযোগ কে হারাইতে চায়! এই আগমন আর প্রত্যাগমন মাবুদের লীলা খেলারই অংশ মাত্র। ইহা লইয়া আমার আপনার ভবলীলা সাংগ করিবার কোন উপায় নাই। এই যেমন ধরুন, গাবতলি গরুর হাটের কসাই জিয়া আসিলেন, উনাকে টুকরা টুকরা করিয়া বায়জিদ বোস্তামীর দেশ চাটগায়ে বিক্রী করা হইল, লেফিট রাইট করিতে করিতে নতুন ইমাম ইরাশাদ হোসেন আসিলেন, ৯ বছর নাচিলেন, কুদিলেন, বন্ধু হইলেন। কিন্তূ কাজ হইলনা! খাজাঞ্জীখানার আম এবং ছালা দুইটাই উনি ভক্ষন করিলেন, গন্ডায় গন্ডায় শাদী করিলেন। শেক্সপীয়ার ট্রাজেডির ন্যায় পীরিতের মর্মজ্বালায় ভূগিতে ভূগিতে ভায়াগ্রা গলধকরন করিয়া ৮০ হইতে ২০ বছরে পদার্পন করিলেন। ইহার পর ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রীত জেনারেল জিয়ার ছেড়া জাইংগা আর লুংগি দেখাইয়া তেনার বিবি, ছাওয়াল, শাশুড়ি, শালা, সমন্ধি, শালী ইত্যাদীর দল চুকচুক করিয়া খাইল, আতর সুগন্দ্বি গায়ে মাখিল, গায়ে বাতাস লাগাইয়া শরীর তাকরা করিল। কিন্তূ হায়! আরও এক লেফট রাইট জেনারেলের খায়েশ হইল খাওয়ার! জলপাই রং'এর উর্দিপরা এই জেনারেলের দল এবং তাহাদের ১৩ গুষ্টি খাইতে খাইতে পেট মোটা করিয়া ফেলিয়াছে, পেটে হুকুয়াম ক্রীমির জন্ম দিয়াছে। ইহাই ত বাংলাদেশের রাজনীতি, তাই নহে কি মহাশয়? এক জেনারেলের অপকর্ম অন্য জেনারেলের নবীজি সাক্ষাৎ পর্ব দিয়া ঢাকিবার কি প্রয়োজন? যাহার পাপ তাহাকেই ভোগ করিতে দেন। আর আপনি জনাব 'তাকানো,' শুধু তাকাইয়াই যাইবেন। ইহাই আপনার ভাগ্যলিপি।
Watch_Dog/terminator: রাজনৈতিক পিতার পরিচয়হীন......!!!!!!!!!!!!!
@terminator:
অবশেষে মঈনকেও......???
জিয়া-এরশাদ-খালেদা-মঈন সবাই খারাপ| ভাসুর মুজিবের শাসনকান নিয়াতো কিছুই কইলা না, কামাল-জামালর তোমাগো ভালো কইরা ঠাপাইছিল তাই না.....।??
হাসিনার শাসনকাল নিয়া কিছু কইলা না, খুব চাটতেছো, চাটো, ভাল কইরা চাটো, কখনো ওয়াচ_কুত্তা নাম ধারন কইরা চাটো, কখনো টার্মিনেটর নাম ধারন কইরা চাটো, আরো কিছু "নিক" খুইলা চাটো|
গত ৩ বছর মঈনরে চাটতে চাটতে এখন আর মঈনের রস নাই, মঈনকে এখন জিয়া-এরশাদের কাতারে ফালাইয়া হাসিনার পেটিকোটে ঢুইকা পড়ছো|
তোমার মত মানুষগো রাজনৈতিক কোন পিতা নাই, যার জোর তারেই ডাকো আব্বা হুজুর| আগে চাটছো মঈনেরটা এবার শুরু করছো হাসিনার টা, চাটো লুটেরা, চাটো, চাটো বাকশালী চাটো.....
Betrayed ভাই
এরা মুখে বলে যে ওদের কোন রাজনৈতিক পিতা নাই, কিন্তু ওরা সবসময় মনে মনে বাকশালী, -- আওয়ামী ভৃত্য। পারিবারিক পিতার আলোচনা তো এখানে কেউ করছে না! আওয়ামী ভৃত্য এইসব ভাইরাস থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য এদের ধরে ধরে "জ়াতীয়তাবাদি ইনজ্যাকশন" দিতে হবে ওদের পাছায়, পোদে। কী বলেন?
জ্যাকব রায়হান
JR: ওরা হলো পিনাক-প্রনবের ব;শধর...............!!!
দিল্লীবাদী কয়েকজন এই ফোরামে জাতীয়তাবাদ নিয়ে মসকারা করে| ওরা হলো পিনাক-প্রনবের ব;শধর | নিজের দেশ, নিজের জাত নিয়ে গর্ব না করে "পৈতা" ওয়ালাগো আদর্শ আর দালালী করে তারা প্রমান করেছে এরা বা;লাদেশের কেউ না| কোন ভাবে "পৈতা" ওয়ালাদের ঔরসে ওদের জন্ম হয়েছে, শুধু বা;লাদেশে আলো-বাতাস খেয়ে বেড়ে উঠেছে, এই সব ভারতীয় দালালরা........
চোরের রানী হাসিনা তোদের মাতা.....!!!
Dear JR:
গত তিন বছর হসিনার পোষা সারমেয় দুই রাজনৈতিক পিতৃ পরিচয়হীন মঈনকে বাবা, আব্বা, আব্বা হুজুর ডাকতে ডাকতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছিল, কারন মঈনের "অন্ড" কোষে মধূ জমেছিল....!!!
চুষতে চুষতে এখন দেখে যে এটাতো মধুর চাক না, বোলতার চাক, এটাতে কখনো মধূ হওয়ার সম্ভাবনাও নাই......!!!
অত:পর হাসিনার তলদেশে এরা মধূর সন্ধান পেয়েছে তাই তিন বছরের পিতা মঈনকে এখন বলছে ইন্টার পাশ "লেফট-রাইট" করা জেনারেল|
মুজিবকে বলছে ওদের পিতা, বাকশাল নিয়ে লিখছে গদ্য, হাসিনাকে করছে পূজা|
চোরের রানি হাসিনার ১৪ টি চুরির ব্যাপারে এরা নিশ্চুপ, তারেক নাকী ওদের চৌদ্দ পুরুষের পশ্চাদদেশে বিরাট দন্ড ঢুকিয়েছিল, আর সেই যে ওদের পিতা ও পিতামহরা অর্শ রোগের রোগী হলো, সেই কষ্ট ওরা ভুলতে পারছে না|
:-) :-)
Betrayed bhai,
:):) one of my favorite songs of F. Wahid:
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
চামুন্ডা পিতার চান্ডাল সন্তানগন!
অ ভাই আবেসেনিয়ার গোলাম,
আপনার কি জানা নাই রাজনৈতিক পিতার দরকার হয় আপনার মত কেনা ক্রীতদাসদের। এই অধম টার্মিনেটরের পিতা একটাই, তাহার দ্বিতীয় পিতার দরকার হয়না। লেফট-রাইট মার্কা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ জেনারেল, তাহার বগলের র্দুগন্ধযুক্ত বিবি, ছাওয়ালরা আপনাদের মত আবুলদের নেতা নেত্রী আর পিতা হইতে পারে, এই টার্মিনেটরের কাছে ইহারা কেবলই টার্গেট ফর টার্মিনেশন।
রাব্বানা তেনা ফের দুনিয়া হাসানাতা ...আমিন।
টারমিনেটর
এইসব চান্ডালদেরকে পিতৃ পরিচয় সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া আর কামারের দোকানে কোরান পড়ায় কোন পার্থক্য আছে কি?চান্ডালের দলকে নিজের মত চলতে দিন।আপনার মত অধমের দ্বিতীয় পিতার দরকার না হলে ও এইসব বেজন্মাদের দরকার আছে।ইহার পিছনে কারন হল নগদ নারায়ন।এই নারায়নের জন্য হেন কোন কাজ নেই যা তারা করতে পারে না।আসল পিতৃ পরিচয় ভুলে যাওয়া তাদের জন্য তেজপাতা মাত্র।
আজাইরা প্যাঁচাল না পাইরা চলুন বেদের মেয়ে জ্যোৎস্নার একটি গান শোনা যাক।
১/১১
অ ভাই ৩ এক'এর মালিক ১/১১ ভাই,
কামারের দুকানেও বছরে একবার দুইবার হালখাতা হইয়া থাকে। মৌলানা আসেন, মুয়াজ্জিন আসেন। দোয়া হয়, দরুদ পড়ানো হয়। তা চান্ডালদেরই বা দোষ কোথায়? এই আবুলের দলও ত হাত পা ওয়ালা মানুষ। তেনারা পিতার ভক্ত, রাজনৈতিক পিতা!!!। আসুন সালাম জানাই এই মহাপুরুষদের
'ফি সাবি লিল্লাহ...আমিন'
তা, এই বাইস্কোপের কোনটা জাতীয়তাবাদি আর কোনটা 'র'এর দালাল? নাচনেওয়ালী জোৎস্না কি আপোষহীনা? তা হলে রানীজি কে? এই ধাধার উত্তর না পাইলে যমুনার পানি মেঘনায় উঠাইবে চান্ডালের দল!
টারমিনেটর
এক সময় বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না মোভিটা বাংলাদেশে বিগেষ্ট শো হিসাবে পরিনত হয়েছিল তার দর্শকদের জনপ্রিয়তা এবং সমর্থনের কারনে।জাতীয়তাবাদী গোলামদের চূরি,স্বাধীনতা বিরুধীদের সাথে আতাত এবং আম্মাজান এবং ভাইজানের পদ লেহন এই দলটিকে আকাশ চুম্বি জনপ্রিয়তা থেকে ধমাস করে আস্তাকুড়ে ফেলে দিয়েছে।এই চোরের দল কি করে গলা বাড়িয়ে নিজেদেরকে জাতীয়তাবাদী হিসাবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করে তাহাই বিস্ময়কর মনে হয়।
WatchDog
চোরের দলকে বাঁধা বা ভুল ধরিয়ে কোন ফল হবে না।তার চেয়ে বরং তাদেরকে চুরি করতে দিন,একেবারে অবাধ চুরি।আপনার ভাই সাহেব লাইনটা যোগ করতে ভুলে যাননি,ইচ্ছাকৃত ভাবেই আপনার লেখা চুরি করেছে।ওরা চোর ওদের হাড্ডির মজ্জার ভিতরে চুরির রক্ত ঢুকে গিয়েছে।চুরি ছাড়া ওদের জীবন অচল,চুরি ছাড়া ওদের অন্য কোন পরিচয় নেই,অন্য কোন বিজনেস নেই,ওরা চোর এবং চুরিই এদের পরম ধর্ম।
@ টারমিনেটর, আসর না জমিয়েই তালিয়া পেতে চান ???
টারমিনেটর সাহেব,
আগে আপনার ক্যানভাসের আসর জমান। দু একটা বাদর নাচান। কিছু ভেল্কিবাজী ছাড়াই তালিয়া দেই কেমনে। আর স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ এর হাদিয়া কত ?
হাসান ইমাম খান।
ইমাম সাহেব
আমজনতার আপোষহীনা মাতা আমাশয় রোগাক্রান্ত হইয়াছেন বিধায় যৌথ মিলনে হাজির হইতে অক্ষম! তেনাকে ছোট কক্ষে হাজিরা দিতে হয় ঘন ঘন। জাতীয়তাবাদের আম্পারা পড়িবেন, না প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিবেন, ইহা লইয়া নিজের সাথে নিজেই লড়াই করিতেছেন। উনি বলিতেছনে, পরিবেশ সৃষ্টি হয় নাই। আসলেও ত তাই, খেয়াল করিয়াছেন কি, জনসভায় ছোট কক্ষের ব্যবস্থা নাই। উনি অসময়ে অপাত্রে নিজের জাতীয়তাবাদি বর্য্য র্নিগমন করিতে নারাজ। পরিবেশ চাই মহাশয় পরিবেশ চাই। আপনার দেবীকে বলুন মোবাইল পরিবেশ তৈয়ার করিতে।
terminator >> Why loose motion ???
terminator, many biggest cowards who takes hidden name just tell the truth are also suffering from loose motion. We know who you are. Being a Rajakar fighting against Z-force you can not forget your stool jet used to occur during our liberation war. You were coward then, you are still coward now.
তলিয়া বাজানো শুরু হইয়া গিয়াছে, শুনিতে পাইতেছেন কি ইমাম সাহেব?
তালিয়ার আওয়াজ ইতিমধ্যে শুনিতে কি ব্যর্থ হইয়াছেন মহাশয়? আবিসিনিয়ার গোলামের দল দুই হাতে তালিয়া লাগাইতেছে, মিডিয়া কাওয়ালী সংগীতে বিশ্ব জয়ের আগমনী বার্তা ঘোষনা করিতেছে, সাথে হাতী নাচিতেছে, ঘোড়া, বাঘ-ভাল্লুক সব দুলিতেছে ...চাহিদার দৌড়ে পিছাইয়া পরিতেছেন জনাব। হাত-পা গুটাইয়া লুংগিতে মালকোচা দিয়া কষে একটা দৌড় লাগাইলে দেখিতে পাইবেন...বাংলাদেশী...বাংগালী জাতিয়তাবাদ কাধে কাধ লাগাইয়া রাষ্ট্রীয় কোষাগারের সামনে সি-সিম ফাক মন্ত্র আউড়াইতেছে। শুভ কামনা রহিল আপনার জন্যে!
টারমিনেটর ভাইজানের তালিয়া ??
কথা ছিল সানাই নহবত বাজবে, বিশ্বজয়ের কাওয়ালী সঙ্গীত হবে, এমন কি আবসিনিয়ার গোলামদের অগ্রিম তালিয়ার আওয়াজ ও পৌছে দিলেন...
আপনার কথামত, হাত-পা গুটাইয়া লুংগিতে মালকোচা দিয়া কষে একটা দৌড় লাগাইয়া যেয়ে দেখি,
সিসম ফাক...
কথা ছিল স্পিকার সাহেব জেনেভা আসছেন। গতরাতে জেনেভা থেকে জানানো হলো, না উনি আসছেন না। উনার বদলে চিপ হুইপ আসছেন। উনি দুই নেত্রীকে একমঞ্চে বসাতে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন। যেন সংসদে একসাথে বসার চেয়ে ক্ষনিকের জন্য দুই বেগমকে সাজিয়ে গুছিয়ে এক গনপ্রদর্শনী করেই তিনি জাতিকে উদ্ধার করে দিবেন।
গভীর রাতে এক টেলিফোন এলো লন্ডন থেকে, জানা গেল আসন্য এই ভেল্কিবাজীর খেলায় যুবরাজ উৎকন্ঠিত ও নাখোশ। তখনি ধারনা করেছিলাম, থিংস আর গোয়িং টু অপজিট ডিরেকশন।
তারপর ই-মেলাতে বসে দেখি আপনি এ আসন্য ভেল্কিবাজীর জন্য বহল তবিয়তে ঢোল বাদ্য সানাই নহবৎ বাজিয়ে যাচ্ছেন,
তাই লিখেছিলাম,
টারমিনেটর সাহেব,
আগে আপনার ক্যানভাসের আসর জমান। দু একটা বাদর নাচান। কিছু ভেল্কিবাজী ছাড়াই তালিয়া দেই কেমনে ?????
হাসান ইমাম খান।