প্রধানমন্ত্রীর বিষ্ময়কর ঘোষনা প্রসঙ্গে

দারুণ একটা খবর দিয়েছে দেশের প্রায় প্রতিটি সংবাদপত্র এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। আর টি এন এন পরিবেশিত একটা খবরে বলা হচ্ছে (১৪ই অক্টোবর ) যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে জার্মানি, নেদারল্যান্ড আর ডেনমার্ক এর মানবাধিকার বিষয়ক তিন দূত দেখা করতে গেলে তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলেন ‘ তিনি অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার জনগনের সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তা, বাকস্বাধীনতা এবং গনতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগনের মানবাধিকার নিশ্চিত করায় অঙ্গিকারাবদ্ধ’। ইউরোপিয়ান তিনটি দেশের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জনাব আবুল কালাম আজাদ এমন একটা বিষ্ময়কর খবর সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসী তথা জনগনের কাছে তুলে ধরেছেন।
খবরটি কেন বিষ্ময়কর হিসেবে অভিহিত করলাম? সে প্রশ্ন উঠতেই পারে সঙ্গতভাবেই। অতএব এটা যে কেন বিষ্ময়কর, তা ব্যাখা করার দায়ভারও আমারই ঘাড়ে বর্তায়। এখানে সংক্ষেপে সে বিষয়টিই যৎসামান্য তুলে ধরব।
দ্রব্যমুল্যবৃদ্ধিতে জনগনের নাভিশ্বাস উঠছে। এই্ সরকার দশ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়াবে, বিনা মুল্যে কৃষকদের সার দেবে, সেচ কার্যে বিদুৎ এর সরবরাহ নিশ্চিত করবে, এমনসব আজগুবি, অবাস্তব এবং বাস্তবায়ন অসম্ভব, প্রতিশ্র“তি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। জনগনের জন্য সেগুলোর কোনটিই বাস্তবায়নতো দুরের কথা, বরং ক্ষমতা অধিগ্রহনের সময় যে বাজারদর ছিল, সেটাও তারা বজায় রাখতে পারেনি। দশটাকা কেজি দরে চাল এখনও সেই স্বপ্ন কিংবা দু:সপ্নই রয়ে গেছে কৃষকের জন্য।
জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে আলু ছিল ১৭ টাকা কেজি, তা এখন বাজারে ৩২ টাকার নিচে পাওয়া যায়না, যে বেগুন এর কেজি ছিল ১৯ টাকা, তা এখন ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৩৫ টাকার টমেটো এখন বাজারে ৭০টাকা কেজি। নিম্ন বিত্তের লোকজন থেকে শুরু করে সাধারণ আয় এর মধ্যবিত্তের জনগন পর্যন্ত চোখে মুখে সর্ষে ফুল দেখতে পাচ্ছেন। একজন চাকুরিজীবির সারা মাসের বেতন দিয়ে তার একটা সপ্তাহও চলে না ঠিকমত। দেশে ইতিমধ্যেই অনাহারে মানুষ মারা যাবার খবর পত্র পত্রিকায় বেরুতে শুরু করেছে। এমনও খবর বেরিয়েছে পত্রিকায়, যেখানে দেখা যাচ্ছে, অভাবের তাড়নায় বাবা মা তার চার চারটি সন্তান বিক্রি করে দিয়েছেন!
এই সরকারের আমলে, নয় মাসে একশত বত্রিশটি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, চাকুরি হারিয়েছে হাজার হাজার শ্রমিক। বিদেশে শ্রমিক যাওয়া কমেই চলেছে। কোন কোন দেশেতো একেবারে বন্ধই হয়ে গেছে। আর এর আগে যারা গিয়েছিলেন তারা দল বেঁধে বেঁধে ফেরত আসছেন। বিমান বন্দরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেই দেখা যায় এইসব হতভাগা শ্রমিকদের করূণ মুখগুলো। সরকার তাদের জন্য কিছুই করতে পারেন নি, তার কোন উদ্যোগও নেননি। অথবা সরকার উদ্যোগ নিলেও তার ভ্রান্ত পররাষ্ট্রনীতির কারণে কোন দেশই সরকারের অনুনয় বিনয়ের প্রতি কর্ণপাত করেনি। বিদেশে শ্রমবাজার সরকার ক্ষমতায় আসার পরে বাড়াবে কি, আগেরটাইতো ধরে রাখতে পারেনি, পারছেনা।
দেশে কলকারখানা বন্ধ, নতুন কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি হচ্ছেনা, বিদেশে শ্রমবাজার ছোট হয়ে আসছে, ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ করে বসে আছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা তাদের পুঁজি হারাবার কারণে। চারিেিদকে কেবল বেকারত্ব আর বেকারত্ব, মানুষ কি হওয়া খেয়ে বেঁচে থাকবে? এরই মধ্যে যদি আবার প্রধানমন্ত্রী বলে বসেন, তিনি সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, তা হলে তা শুনতে কেমন লাগে?
দেশে আঈন শৃংখলা পরিস্থিতি ভেংগে পড়েছে একেবারে। প্রশাসন থেকে শুরু করে বিচার ব্যবস্থা সব কিছুতেই সরকার দলীয় ক্যাডার বসিয়েছে, শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে ব্যবসা বানিজ্য, প্রশাসন, প্রতিটি ক্ষেত্রে তার দলীয় ক্যডার, বিশেষ করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মহোল্লাসে লুট পাট করে চলেছে। সরকার দলীয় এমপিরা কোন কোন অঞ্চলে নিজেদের জমিদারি প্রতিষ্ঠা করে ছেড়েছেন। তাদের কোন অপকর্মের খবর প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের পিটিয়ে তুলো ধুনো করে দিচ্ছে, ঘরবাড়ী ছাড়া করে দিচ্ছে। এমনকি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকদেরও ধরে ধরে পিটিয়েছে এইসব সোনার ছেলেরা! পুলিশ আর প্রশাসন সব নীরব! কারণ, এরা সরকার দলীয় ক্যাডার, সন্ত্রাসী নয়! এইসব বন্ধ না করেও যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সবার মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, তখন কি তাকে বিষ্ময়কর বলে মনে হয়না?
ক্ষমতা গ্রহনের পরে প্রথম ছয়মাসে ২১০৭ জন খুন হয়েছে এই সরকারের আমলে। গড়ে প্রতিদিন ১২ জন করে খুন হয়েছে। আরও একটু খোলাসা করতে হলে বলতে হয়, প্রতি দুই ঘন্টায় একজন করে খুন হয়েছে! সেই প্রধানমন্ত্রীর আমলে, যে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর! দেশে ক্রসফায়ার এর মহোৎসব চলছে। খুলনার ডুমুরিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা নিরাপদ বৈরাগীকে ক্রস ফায়ারে হত্যা করে এর পরে আবার তাকে রাতের আঁধারেই তড়ি ঘড়ি রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় (!) সমাহিত করা হয়েছে!
হাজার হলেও মুক্তিযুদ্ধের সরকার ! মুক্তিযোদ্ধাকে বিনা বিচারে কোন আদালতে অপরাধ প্রমান না করিয়ে, তাকে আত্বপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ না দিয়েই না হয় মেরেই ফেলেছে, তাই বলে কি তার প্রতি এতটাই অবমাননা করবে? মুক্তিযোদ্ধা বলে একটা কথা আছেনা? জাতি আর দেশের জন্য তিনি বন্দুক হাতে যুদ্ধ করেছেন না? তার প্রতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী সরকারের একটা আলাদা দায়িত্ববোধ আছে! এটা তো আর বি এন পি- জামাত জোট সরকার নয়, আর জোট সরকার নয়। তাই তাকে রাতের আঁধারে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে! যে পুলিশ তাকে গুলি করে মেরেছে বিনা বিচারে, সেই পুলিশই তাকে আবার একটা স্যালুটও ঠুকে দিয়ে এসেছে শশ্মানে নিয়ে গিয়ে, চিতার সামনে দাঁড়িয়ে! মুক্তিযোদ্ধার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেছে বটে!
শেখ হাসিনা ও তার সরকার নিরাপদ বাবু’র বেঁচে থাকার, কিংবা আদালতে ন্যায় বিচার পাবার মত মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত না করলে হবে কি, তিনি তার জন্য একটা স্যালুট পাবার অধিকারটাকে ঠিকই নিশ্চিত করেছেন। সাধু ! সাধু !! বিষ্ময়করই বটে।
ঢাকার ৮১ নম্বর ওয়ার্ড বি এন পি সেক্রেটারি সাইজউদ্দীন সাজু, যাকে এইতো মাত্র ক’দিন আগেই র‌্যাব বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ক্রস ফায়ারে মারল, আরও শত শত হতভাগার মত, তাদেরও কিন্তু বিচার পাবার অধিকার ছিল। আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেদের আত্বপক্ষ সমর্থন করার অধিকার. এটা তাদের যে কেবল গনতান্ত্রিক অধিকার তাই নয়, বরং তার চেয়েও বড়, মৌলিক মানবাধিকার। বিশ্বের কোন দেশেই, কোন অবস্থাতেই এই অধিকারটিকে কোন ভাবেই অস্বীকার করা যায়না। কিন্তু এইসব হতভাগারা তাদের সেই অধিকারটুকু পেলেন না। রাতে বিছানা থেকে, বাবা-মা, কিংবা স্ত্রী পুত্র পরিজনদের কাছ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এদের হত্যা করা হচ্ছে, কোন বিচার নেই! আদালতে অপরাধ প্রমানের কোন সুযোগ নেই, আত্বপক্ষ সমর্থনেরও কোন উপায় নেই।
এইভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ঘটিয়েই আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর জানের নিরাপত্তা দিতে চান! তিনি দেশবাসীর জীবনের নিরাপত্তার মত মৌলিক নিরাপত্তাটুকু নিশ্চিত করতে চান। এট্ইা যদি তার সেই কথিত নিরাপত্তা হয়, তা হলে সেরকম নিরাপত্তা দিয়েইতো তিনি প্রতি দুই ঘন্টায় একজন বনী আদমের মৃত্যুকে নিশ্চিত করে চলেছেন! এটা কি কম বিষ্ময়কর?
যে প্রধানমন্ত্রী বড় গলায় পুরো বিশ্বকেই শুনিয়ে দিলেন, তিনি দেশবাসীর জান, মাল এর নিরপাত্তা সহ তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করবেন, সেই তাঁরই শাসনামলের মাত্র ছয়টি মাস অর্থাৎ মাত্র একশত আশিটি দিনে দেশে মোট ১৪৭৯টি ধর্ষন পুলিশের খাতায় নথীবদ্ধ হয়েছে। আর লোকলজ্জা এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতপন্ন হবার ভয়ে যেসব নিগ্রহের কথা বেমালুম চেপে যাওয়া হয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা যোগ করলে বোধহয় এ সংখ্যা দশহাজারে গিয়ে পৌছুবে। তারপরেও তর্কের খাতিরেই যদি আমরা পুলিশের খাতায় রিপোর্টেড ঐ ১৪৭৯ টিকেই সঠিক সংখ্যা হিসেবে ধরি, তা হলেও প্রতিদিন গড়ে আটটিরও বেশী ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে।
যে দেশে একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েও শেখ হাসিনা এইসব নারীদের নিরাপত্তা দিতে পারেননা, সেই দেশে তিনি নিজের পরিবারের, নিজের সন্তানদের, নিজের ও তাঁর বোন এর ছেলে মেয়েদের আজীবন নিরাপত্তার কথা ভাবতেই পারেন, সেটা বোধগম্য বটে। কিন্তু যে কথাটা মোটেও বোধগম্য নয়, তা হলো, এই প্রধানমন্ত্রীই তাঁর এই বিরাট ব্যর্থতা সত্তেও কোন মুখে বিদেশী তিন দূত এর নিকট বলতে পারলেন যে, তিনি দেশবাসীর মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর! এটা কি কম বিষ্ময়কর একটা ঘটনা?
দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চান তিনি। তেমনটাই তিনি বলেছেন ইউরোপিয়ান তিন দূত এর উদ্দেশ্যে! কথাটা শুনে ভীমড়ি খাবার জোগাড়! প্রধানমন্ত্রী বললেনটা কি? আরে, পুরো দেশবাসীর বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার আগে নিজের দলের একজন এমপি, তাঁর সাবেক সাধরণ সম্পাদক জনাব আব্দুল জলিল এর বাকস্বাধীনতটা নিশ্চিত করেন! পনেরো কোটি লোক এর বাকস্বাধীনতা তো এক বিরাট ব্যপার। একজন লোক মাত্র, বিরোধি দলীয় কোন এমপি নন, তার নিজদলীয় এমপি, তাঁরই খুব কাছের লোক, জনাব জলিল সাহেবের বাকস্বাধীনতাটা নিশ্চিত করতে পারেন যদি, তাহলে অন্তত জাতি বুঝবে যে, হ্যাঁ, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসলেই পারেন!
এভাবে মানুষের মুখ বন্ধ করে দেয়া হবে। এক এক করে ধরে ধরে লোকজনকে বিনা বিচারে হত্যা করা হবে, দেশের সম্পদকে বিদেশীদে হাতে তুলে দেয়া হবে নিজেদের ক্ষমতাকে পোক্ত করতে। দলে দলে লোকজনকে বেকার করে দেয়া হবে। যখন তখন যাকে খূশী, একটা যেন তেন অপবাদ দিয়ে, কোনরকম আত্বপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই চাকুরিচ্যুত করা হবে, বিচারেও তাকে যেতে দেয়া হবেনা। দলীয় লোকজনকে দিয়ে সারা দেশের টেন্ডারবাজীর নামে দেশের সম্পদ নিয়ে হরিলুট করা হবে প্রকাশ্যে, কোন মতে ঁেবচে থাকার মত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে আকাশচুম্বী করে লুটে নেয়া হবে জনগনের টাকা, (গেল রোজার সময়ে স্বয়ং বানিজ্যমন্ত্রী বাচাল ফারুক খান ও তার আশির্বাদপুষ্ঠ ব্যবসায়ী গোষ্ঠি চিনি নিয়ে যা করেছে সে কথাটা সূধী পাঠক এখানে একটু স্মরন করতে পারেন)। জনগন অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাবে, কিন্তু তার পরেও কোন বাদ প্রতিবাদ করতে পারবে না জনগন।
কারণ, প্রতিবাদ করলেইতো আওয়ামি লীগ তাদেরকে অভিযুক্ত করবে ‘সরকার আর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে। বিগত ৬ই অক্টোবর ঠিক এই কথাটাই বলেছেন শেখ হাসিনার খুব কাছের নেত্রী মতিয়া চৌধরী। তিনি বলেছেন, যারা দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধিসহ তেল গ্যাস বিদুৎ আর বিডিআর ইস্যুতে কথা বলছে, তারা দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে!
তার মানে হলো, সরকার তার বিদেশী প্রভূদের সাথে যৌথ আয়োজনে দেশের আর্মি অফিসারদের হত্যা করবে, দেশের সম্পদ তেল, গ্যাস, রপ্তানি করবে, তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেবে, দ্রব্যমুল্য নিয়ে সিন্ডিকেট করবে, নিজেদের পকেট ভরবে ,বিদেশী ব্যংকের একাউন্টে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা সরাবে, দেশের জনগনের তাতে যতই কষ্ট হোকনা কেন, তারা কোন কথা বলতে পারবেনা! এই যদি বাকস্বাধীনতা হয়, তবে নিশ্চয় শেখ হাসিনা সে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন, এবং তা তিনি যথার্থই যে করতে পারবেন, সেটা আমরা সকলেই বিশ্বাস করি মনে প্রানেই!
এতকিছুর পরেও এই সরকার, সরকার প্রধান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দলীয় ক্যাডার’রা দিন রাত তারস্বরে বলে চলেছেন, দেশে তারা মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করবেন, তা করতে বদ্ধপরিকর! আর ত!াদের বিদেশী দোসররাও সেটাই কান পেতে শুনছেনও, বিষ্ময়ের আর বাঁকিটা থাকল কি?
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29026780

bd08's picture

Thanks jeebon

তথ্যসহ চলমান পরিস্থিতি লেখার জন্য ধন্যবাদ। যদিও দেশবাসী সকলেই এই খারাপ পরিস্থিতির কথা জানে।
But don't worry, ফোরামের আওয়ামী শ্রীমানেরা অদ্ভুত অদ্ভুত তথ্য নিয়ে হাজির হবে শীঘ্রই. হা হা হা

  • Save Bangladesh: No more farakka

rah's picture

হাইকোর্ট নিয়ন্ত্রনে রাখতে চাইছে হাসিনা ...

হাইকোর্ট নিয়ন্ত্রনে রাখতে চাইছে হাসিনা ...

আইনজীবীরা খালেদা জিয়াকে দুপুরে হাইকোর্টে জিয়া অরফানেজ মামলার শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং বিচারপতিদের রায়ের বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের জোরালো আপত্তির পর খালেদা জিয়া ও বড় ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না_ মর্মে কারণ দর্শাতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট বিভাগ। তবে নিম্ন আদালতে কার্যক্রম চলার ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি।
আইনজীবীরা আরও জানান, একই ধরনের দুর্নীতির মামলাগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারি দলের নেতাদের আদালতে স্থগিত এবং আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এমনকি একই ধরনের দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মামলাও বাতিল হয়ে গেছে। সেখানে তার (খালেদা জিয়া) মামলা স্থগিতও করেননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন আইনজীবী সমকালকে বলেন, মামলা সম্পর্কে আইনজীবীদের কাছ থেকে সরকারের বক্তব্য শোনার সঙ্গে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে খালেদা জিয়া বলেন, যেখানে আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে একমঞ্চে গিয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হয়েছি, সেখানে সরকার মামলা প্রত্যাহার তো দূরের কথা স্থগিত করছে না। তাহলে কেন সরকারকে বৈধতা দিতে যাব?

matin's picture

বিএনপির সাহসী পদক্ষেপ

"আমরা একতরফাভাবে সরকারকে সহযোগিতা করে অপরাধ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনকে সমর্থন করতে পারি না।"

আওয়ামী তান্ডব্য নওগাঁয় পুলিশের লাঠিপেটায় বিএনপির অর্ধশতাধিক কর্মী আহত

সরকার ব্যর্থ আরআরসি থেকে আকবর আলির পদত্যাগ

আওয়ামী ফ্যাসিজম নীতি শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে স্বাক্ষর সংগ্রহের ফরমসহ বাগেরহাটে দুজন গ্রেপ্তার

সিইসি-হাসিনার গোপন সমঝোতা সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আরও ভাবতে হবে: সিইসি

বাংলাদেশ কি ভারতের করদ রাজ্য যে, ট্রানজিট নিয়ে ভারত বিএনপির সাথে কথা বলতে চাইছে? ট্র্রানজিট নিয়ে বিএনপি'র সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী পিনাক

গ্যাস পাচারের আওয়ামী সমঝোতা গ্যাস-বিদ্যুত রক্ষা জাতীয় কমিটিকে মতিয়া চোধুরী যড়যন্ত্রকারী হিসাবে বলেছেন

দেশের বিরোধী দলের কথা না শুনেই হাসিনা ভারতকে করিডোর দিতে আগামী মাসে ভারত গমন

ব্যর্থ পররাষ্ট্র নীতি বার্মার সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ...সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে ...

আওয়ামী ধামাচাপা পিলখানা হত্যাযজ্ঞে আওয়ামী লীগ জড়িত

আওয়ামী ব্যবসা যুদ্ধাপরাধী বিচারের নামে গড়িমসি ও দেশের ব্যবসায়িক ভাবমুর্তি নষ্ট করে সম্ভাব্য বাজার ভারতের হাতে তুলে দেবার আওয়ামী পায়তারা

আওয়ামী হুমকী এটর্ণি জেনারেলের রক্তচুক্ষুর কবলে দেশের আদালত

ব্যর্থ পররাষ্ট্র নীতি মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম বাজার ভারতের হাতে তুলে দেওয়া

দেশের এই দূররাবস্থায়, হাসিনার সঙ্গে একমঞ্চে উঠতে পারেন না খালেদা

মধ্যবর্তী নির্বাচনই একমাত্র সমাধান

ক্রসফায়ার অব্যাহত ঢাকা ও নোয়াখালীতে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ২
গত ৯ মাসে বিচার বহির্ভুতভাবে ২০০ জনেরও অধিক লোকের মৃত্যু হয়েছে
ছাত্রলিগের গনধর্ষনের মহোৎসব, টেন্ডারবাজি, ডিলার নিয়োগে ১০০% দলীয় করন