- পিতার বিচার নয় এক তামাশা:
:ঢাকা কোটের সাবজজ গোলাম রসুলের রায়ের কিয়দংশ যোগ করিলাম:এমন অনেক স্বাক্ষী(শফিউল্লাহ) আছেন যাহারা আসামীর সমতুললো। এমন অনেক আছেন (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার) যাহাদের স্বাক্ষীও করা হয়নি|
-হাইকোটের বিচারপতি মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের আপিলের রায়ঘোষনার সময় বলেন ওদের (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার)'কে কেন আসামী করা হয় নাই।তাহাকে (শফিউল্লাহ)'কে স্বাক্ষী বানাইয়াছে?আজ তাই বিচারের পরিপুননো রায় দিতে পারিলামনা|মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের জননো তাহার মেয়েরা ও দল কতটুকু চায় তাহা জজ/বিচারপতিদের আক্ষেপেই বুঝা যায়, তাদের কুকীততি হাইকোটে ও পৌছে গেছে ,আমরা এখন সত্যি বুঝতে পাচিছ !এখন ঐ বিচারের এখন ঐ রায়ে কিছু অবাচিনের সাজা হবে,ইতিহাসের খাতায় ঐ রায় হবে এক তামাশা।আসল খুনীরা জয় বাংলা,জয় হাসিনা বলেই পার পেয়ে যাবে।আর শেখ সেলিমরা বলিতে থাকবে হাসিনা খুনীরা বসে আছে তোমার পাশে, হাসিনা বলিবে ও করা বংগবন্ধুর সৈনিক!!
তখন সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলো শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার। রক্ষিবাহিনীর প্রধান ছিলো তোফায়েল তারা কি করেছিলো? শেখ মুজিব তাকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল, ভীরু হারামজাদা এক কোম্পানি সৈন্য পর্যন্ত মুভ করানোর সাহস দেখাতে পারেনি, আত্মদান তো দুরের কথা।সেনাপ্রধান হিসাবে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ও তারপরে সফিউল্লার ভুমিকা কি ছিল? মুজিব হত্যায় তার ভূমিকা কি? এখন এরাই আবার মুজিব মুজিব বলে দরদী সাজছে! উনি সেনাপ্রধান হিসাবে ১৫ ই আগস্টে একটি সৈন্যও মুভ করাতে পারেননি, উনি ছিলেন অযোগ্য সেনাপ্রধান । একে ওকে দোষ দিয়ে সে দায় এড়াতে চেয়েছেন। মোশতাক গদীতে বসার সাথে ষাথেই তাকে গিয়ে সমর্থন জানিয়েছিলো। তাতে কি মনে হয়? তারাও কি জড়িত ছিলো?মুজিব হত্যার ব্যাপারে জানতে হলে তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার'কে রিমান্ডে নিলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে! তারা মুজিব হত্যার জীবন্ত স্বাক্ষী (ও অংশগ্রহনকারী)!
সেদিন ওরা(আওয়ামীরা) মুজিবের লাশটার কোন দাফন কাপনের বেবসতা না করে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ব্যস্ত ছিল।সফিউললার ভাগে সেদিন রাসট্রদুতের পদ লোভনিয় ছিল।মুজিব মরলে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই বলে ফেরাউনের কবল থেকে মুকতি পেলাম|আর এখন ফেরাউনের মেয়েদের ভয়াবহ পরিনতির দিন গুনছে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই।
সেনাবাহিনীর প্রধান শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার, রক্ষিবাহিনীর প্রধান তোফায়েলএর মুজিব হত্যার জননো হাসিনা ওদের কোন সাজা দিয়াছে কি ?আমি ত দেখিতেছি আজ ৩৫ বতসর ধরে শুধু জিয়াউর রহমান আর বিএনপির ঘাড়ে চাপিয়ে হাসিনা ওদের পাশে বসাইয়া রাজনীতি করিতেছে।হাসিনা ঐ জিয়াউর রহমানের মুনডুপাত করিতেছে যে জিয়াউর রহমান তাহাকে তার পরিবারকে পুন:বাসিত করিয়াছে।হাসিনা ওদের নিয়া নাচিতছে যাহারা তাহাকে তার পরিবারকে নিবাসিত করিয়াছে,তার পিতা মুজিবও তার পরীবারকে হ্ত্যা করেছে|
-আসলেইকি মুজিব ফেরাউনের প্রেতত্মা ছিলেন হ্য়তবা হয়তনা।মানুষ বা কোন বাহিনী মামনুষকে রক্ষা করতে পারেনা।আল্লাহই প্রকৃত রক্ষাকর্তা, তার উপরে ভরসা করুন মুসলমান হয়ে ইসলামী জীবন বিধান মেনে চলুন, কোন ভয় থাকবেনা, একবারই মৃত্যু হবে। কোন জালিমকেই কেউ বাচাতে এহগিয়ে আসেনা। আর আল্লাহর গজব নাজিল হলে কোন বাহিনিই কোন কজে লাগেনা। মুজিব পরীবারকে হ্ত্যাকারী মুক্তিযোদ্ধারা এখনও আল্লাহর রহমতে বেচে আছেন আর মুজিবই চলে গেছেন। তাই আপনাদের বলি সারা দেশে যেভাবে লীগে লীগে লেগেছে তাতে লীগারদের হাত থেকে ছোট লীগ বড় লীগ কেউই নিরাপদ নয়।
২য় খন্ডাংশের ৪র্থ প্যারা = "আর স্বাধীনতার অন্যতম সেক্টর কমান্ডার (একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি) জিয়ার মনোভাব তো স্পষ্টই ... ব্লা ব্লা .......।
আমার প্রশ্ন , জিয়া কি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি ??? এই ধরনের মিথ্যা যে বলতে পারে তার লিখায় সত্যের পরিমান কতটুকু থাকবে তা অনুমান করা যায় । কোনো না কোনোভাবে জিয়াকে ফাসাঁনো এবং বিভিন্নভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করাই বেজন্মাদের উদ্দেশ্য ।
আজ থেকে ৩৫ ব্ছর আগে ঘ্টা ঘ্ট্নার বহু শাখা প্রশাখা বিস্তার ঘ্টবে এটাই স্বাভাবিক।
বাস্তব এবং সত্য এই যে - ১৫ আগস্ট ঘ্ট্নার ওই স্ম্য় বৃহত জনগোস্টীকে ব্যাথিত হতে দেখা যায় নাই বরং এক ধরনের নিরব সমর্থন জানায়। এর প্রমান জারমানীতে হাসিনাকে Bangali Public -এর তাডা করা (ওখানে ডালিমরা ছিল না।)
ঢাকায় এই ধারনা প্রচলিত ছিল - মুজিব তেমন কারো সাথে যোগাযোগের আগেই নিহ্ত হন।
অধুনা জানা গেল - তিনি সফিঊল্লার সাথে যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন।
এটা প্রমান করে জিয়া নয় বরং সফিঊল্লা এতে জডিত ছিল।
রাস্ট্রপতি সেনাপ্রধানের সাহায্য চেলেন আর সেনাপ্রধান তাকে ঘর থেকে পালাতে বল্লেন (কাকে বল্লেন, যিনি নির্মম পাক বাহিনী ভয়েও ঘর থেকে নডেন নাই, তাকে নিজ অধীন্স্থ বাহিনীর ভয়ে ঘর থেকে পালাতে বলা হল) - কিছুই করলেন না।
সেনাবাহিনীর একাংশ ২৪ ঘ্ন্টা alart থাকে - সুতরাং resources -এর অভাবে তিনি কিছু করতে পারেন নাই - এ ক্থা গ্রহনযোগ্য নয়।
কিন্তু বর্তমান প্রচারনার লক্ষ্য সফিঊল্লা নয়, কারন সে বিষহীন সাপ - জিয়া জডিত না থাকেও তাকে জডিত করে রাজ্নইতিক চরিত্রহনন করাই মূল উদ্দেশ্য।
Apniki Awami-Baksali der kotha bolchen ? Ora asholey jaroj sontan. Karon, Zia oder puno janmo dieche ak party BAKSAL theke, Ta nahole az BAL bole kichu thakto na. Bangladesher jonno moha mongol hoto. Eta Zia r birat bhul. Uni bishakto sap ke bisshas korechilo.
এতো প্রমান উত্থাপনের কোন প্রয়োজন আছে বলে তো মনে হয়না। মুক্তিযোদ্ধা জিয়া কে সেটা শুধু মুজিব বা কর্ণেল তাহের নয় তৎকালীন বাংলাদেশের ৮ কোটি সাধারন মানুষ ও চিনেছিলেন।
যার কারনে ওই জিয়ার হত্যার পর ঢাকায় বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়ো জানাজার নামাজটা অনুষ্টিত হয়।
বঙ্গবন্ধু ও জিয়া দুজনেই রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় খুনীদের কতৃক হত্যাকান্ডের শিকার হন। যারা খুন করেছে তাদের কাছে এদুজন কি ধরনের জানাজা পেয়েছে সেটাকে তুল্য করা যায়। ঢাকাতে জিয়ার যে দ্বিতিয় জানাজা হয়েছিল সেটা খুনীদের অভ্যুথ্যান ব্যার্থ হওয়ার পর মাত্র। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনীদের অভ্যুথ্যান ব্যার্থ হলে বঙ্গবন্ধুর যদি দ্বিতিয় কোন জানাজা ঢাকায় অনুষ্টিত হতো সেটার সাথেই কেবলমাত্র জিয়ার দ্বিতিয় জানাজার তুলনা করা যেত।
তাই,যারা এহেন নির্মম মৃত্যু ও তার জানাজার বিষয়কে জনপ্রিয়তার মাপকাঠি হিসেবে দেখাতে প্রয়াশী তারা অনুগ্রহ পুর্বক খুনীদের কতৃক এ উভয় নেতার প্রথম জানাজাকে তুলনা করে দেখুন। তাতেই আপনাদের ভুলের প্রসাদ ধ্বসে পড়বে।
হাসান ইমাম খান।
আপনি আবার ও নতূন এক "কন্সপারেসী থীওরি" চালু করার অপচেষ্টা করছেন।
সামরিক অভ্যুথ্যানে জনতার সাপোর্ট থাকে, মুজিবের মৃত্যুতে ৯০% জনতার সাপোর্ট (খুশী হওয়া বা না হওয়া) ছিল। কিন্তু জিয়া পেয়েছেন শহীদের মরযাদা। ৭৫ এর অভ্যুথ্যান সাধারন জনতা সাপোর্ট করেছিলো, আর ৮১ এর অভ্যুথ্যান আপামর জনতা মেনে নেয়নি, আর তাই ৭৫এর অভ্যুথ্যান ছিল সাক্সেসফুল, আর ৮১এর অভ্যুথ্যান ছিল ফ্লপ।
জানাযায় লোক হওয়া বা না হওয়ার মাঝে সামরিক অভ্যুথ্যানের কোন রিলেশন ছিল না। এখানে পাবলিক এর রিএকশন টাই বড় কথা।
জিয়ার জানাযায় এত লোক কিন্তু খালেদা তারেককে গ্রেফতার করার পরে কোন লোক রাস্তায় নেই।ইহাই বাস্তবতা।
এরশাদের কল্যানেই সম্ভবছিল জিয়ার জানাযায় ১০ লাখ লোক হওয়ার।১৯৮১ সালে দেশের লোক ছিল ৯ কোটি আর আসেছিল ১০ লাখ।একজন প্রেসিডেন্টের বেলায় স্বাভাবিক।আওয়ামীলীগ যদি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জিল্লুর রহমানের কিছু ঘটে দেখবেন এর চে কত বেশী লোক হয়।
আরে তাই তো (!) খালেদা তারেককে গ্রেফতার করার পরে কোন লোক রাস্তায় নেই..
তা ভাইজান, 'জাতির পিতা'-র জানাযায় কেন কোটি কোটি 'পুত্রে-কন্যাদের' ভিতর থেকে কয়েকজনকেও পাওয়া যায় নি? তিনিও তো তখন স্বঘোষিত বাকশালী সরকার প্রধান ছিলেন তাই নয় কি? .........ইহাই বাস্তবতা।
একই সাথে এটা ও আপনার মনে উদয় হওয়ার প্রয়োজন ছিলো যে মুজিবের হত্যার পর বাংলাদেশে পাঁচ জন মানুষ একটি মিসিল নিয়ে বের হয়নি। বরং দেশ জুড়ে মিষ্টি বিতরিত হয়েছিলো।
অভ্যুন্থান ব্যর্থ হওয়ার পরে চট্টগ্রামে এক মুক্তিযূদ্বাকে জেলে যেতে হয়েছিল জনতাকে ছাগল কেটে খাওয়ানোর জন্য। জিয়া মারা জাওয়ার পরে দেশের স্বাধীনতাগামী জনগন মিষ্টি বিতরন করেছে।আর মুজিব মারা যাওয়ার পরে রাজাকার,আলবদর আর বিহারীরা।একজন মুক্তিযোদ্বার মৃত্যুতে মুক্তিযোদ্বারা খুশি হয়েছেন আর মুজিবের মৃত্যুতে তারা খুশি হয়েছে যারা ১৯৭১ সালে মুজিব মারা গেলেও খুশি হত।
".....জিয়া মারা জাওয়ার পরে দেশের স্বাধীনতাগামী জনগন মিষ্টি বিতরন করেছে---"করতে পারে...জিয়ার উদারতায় শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কয়েকদিনের ভিতরেই জিয়াকে মারানো হয়। এরশাদ, ভারতের পাশাপাশি শেখ হাসিনাও জিয়া হত্যায় সন্দেহের বাইরে নেই। সুতরাং তারা মিষ্টি খাবে না তো কি ঝাল খাবে????
অন্যদিকে মুজিবকে স্বপরিবারে হত্যা করার পরও তখনকার বাস্তবতায় আপামর জনসাধারন খুশীতে রাস্তায় নেমে এসেছিল। ইহাই বাস্তবতা...
ম্যাডাম খালেদার মুক্তি নিয়ে আপনারা বিদেশ থেকে অনেক কিছু করেছেন।কিন্তু দেশের ভিতরকার জাতীয়তাবাদীরা কুত্তার মত লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিল কেন?গ্রেফতার করাতেই এই অবস্থা আর্মিরা যদি খালেদা কে মেরে ফেলত কে তার জন্য কাফনের কাপড় কিনত? এসব আলোচনা সময় নষ্ট।যে কেউ পরিস্থিতি বুঝতে পারবে।
এরশাদ মঞ্জুর গংদের সাথে ব্যালেন্স করলে জিয়ার লাশ কোথায় পেতেন।এরশাদ আর মঞ্জু মিলে ক্ষমতা নিলে গায়েবী জানাযার জন্য টোকাই ভাড়া করতে হত। কারণ এই তথাকথিত জাতীয়তাবাদীদের জিয়ার প্রতি ভালোবাসা বলতে কিছু নেই।কারণ এরা একাত্তরের রাজাকার মুসলিম লীগ,জামাতের এবং জনপ্রিয়তাবিহীন ন্যাপভাসানীর মিলিতস্রোত যারা জিয়ার কোলে ঠাই নিয়েছিল কেউ বাংলাদেশ বিরোধিতা থেকে আর কেউ মুজিব ও আওয়ামীলীগ বিরোধীতা থেকে.জিয়ার প্রতি ভালোবাসা বলে এখানে কিছু নেই।
অনেক ভোটে জয়লাভ করেই খালেদা ক্ষমতার গিয়েছিলো তারপরে কেনো তার গ্রেফতারের সময় সকল জনতা রাস্তায় নামে নাই ? এই দিয়াই তো bal এর যুক্তিবাদিরা তাদের মুজিবের জানাজায় কেনো মানুষ ছিলো না তা বের করতে পারে । স্বাধীনতার পুর্বের জনপ্রিয় মুজিব স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় যেয়ে তার কর্মদোষে জনধিকৃত মুজিবে পরিনত হয় । খালেদার চাইতে অনেক গুন বেশি খারাপ ছিলো মুজিবের শাসনকাল । মুজিবের পক্ষে তখন সাধারন জনতার কোনো সাপোর্ট ছিলো না এই সত্যটা bal রা স্বীকারই করতে চায় না ।মৃত্যুকালে মুজিব ছিলো শুধু bal এর মুজিব ,জনগনের মুজিব না । আর তাই তার জানাজায় সাধারন জনতার উপস্থিতি ছিলো কম । আর দুর্নীতিবাজ অধিকাংশ bal রা তখন বদনা নিয়া টয়লেটে দৌড়াদৌড়ির ফলে নিশ্চয়ই জানাজায় শরিক হইতে পারে নাই ! আর অপর দিকে জিয়ার জানাজায় স্বতস্ফুতভাবেই মানুষ যোগ দিয়েছিলো কারন জিয়ার উপর সাধারন মানুষের আস্থা ছিলো ।একমাত্র সুবিধাবাদি এবং অন্ধ bal ছাড়া অন্য সবাই জিয়াকে ভালোবাসতেন ।
বেশ অনেকদিন ধরেই এই বোর্ডে ওয়াচডগের জিয়া ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিষেদাগারকে অনেকে আওয়ামিপ্রীতি হিসেবে ধরে নিয়েছে। ওয়াচডগের কাছে অনুরোধ, আপনার শক্তিশালী কলমএর মাধ্যমে আপনার সুস্পষ্ট অবস্থান পরিস্কার করুন।এই বোর্ডে আপনাকে একজন বিএনপি বিরোধি হিসেবে নয় , অসৎ রাজনীতির বিপক্ষে সোচ্চার শক্তিশালী কলাম লেখক হিসেবে দেখতে চাই। শুধু নীতিহীন জাতীয়তাবাদীদের সাথে তীব্র বাকবিতন্ডা আর নীতিহীন আওয়ামি সমর্থকদের সাথে অতি সখ্যতা আর যাকেই হোক আপনাকে শোভা পায় না।আশা করি ভুল বুঝবেন না ।
অনেকদিন পরে এই ইমেলায় আপনার লেখা পড়ে বেশ ভাল লাগলো। তথ্য নির্ভর এবং ডিটেইলস সমৃদ্ধ এমন লেখা তো আর এখানে আসে না। সবার গালিগালাজের মাঝে সেই আশা ছেড়েও দিয়েছিলাম। আপনার লেখা পড়ে আবার সেই জগতে ফিরছি।
আমি জানি না, কত জনের কাছে এমন তথ্যবহুল লেখা সমাদৃত হবে। তবে, আমার কাছে এটা একটা দলিল হিসেবেই উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। বিশেষত, আপনার রেফারেন্স আমাকে সম্মৃদ্ধ করবে।
They may convolute the story to accuse C in C Safiullah, Principal staff officers Zia and all high ranking officers for the incidence but people at that time knew who knew what and who did what. Because of mistrust a parallel Rakki Bahini was formed and then by changing system one man and one party gained absolute power. Absolute power make thing corrupt so some invincible party comrade irritate officers by taunting some one’s wife. Then the killers took revenge for their grievances but they don’t have ability to run the country so there was chronology of power shifting from one to another. There was period of uncertainty about what going to happen for the newly emerged country, so sensible persons liked Zia to take charge. Zia didn’t have the power to stop everything that happened before or after that. He never favored antiliberation force or make Toab as chief of air force; he rather removed him from power. To control the freedom fighters became a challenge for most country after armed struggle, Bangabandhu have no intention to control them, Zia tried to control them but because he himself was a freedom fighter some time he became soft to some of them and ultimately he paid price for this. So by dying in the hand of plotters he proved he did not have control to prevent assassination of Bangabandhu. After all those killing and counter killing the army was freed from all those trouble maker freedom fighters. Army plotted thereafter but they never have the same attitude or chaos as before, they are more united and less patriotic, they don’t care about the country and its economy; they care about their UN jobs, they become greedy but they don’t have courage to disobey their foreign agent and clink to power.
শাফায়াত উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন, দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ কিল্ড। শুনে জিয়া অবিচলিত। তার শান্ত প্রতিক্রিয়া- প্রেসিডেন্ট ইজ ডেড সো হোয়াট? ভাইস প্রেসিডেন্ট ইজ দেয়ার। গেট ইউর ট্রুপস রেডি। আপহোল্ড দ্য কনস্টিটিউশন।
Comments জিয়া যা বলেছিলেন, -- হি ওয়াজ ১০০% রাইট।
কনস্টিটিউশন আপহোল্ড করাটাই ছিল, তখনকার কাজ।
হাইকোট রায়ে বলেনি যে যারা বিদেশে চাকুরি পেয়েছিল, তা ছিল কোন পুরষ্কারের অংশ। মূল কথা হল, জিয়া ওয়াজ ডিপ্রাইভড বাই মুজিব। আর তাই, অবিচলিত ভাবে ঐ দিন সকা্লে জিয়া যা বলেছিল, তা ১০০% জাস্টিফাইড ছিল।
এ নির্মম হত্যাকান্ড নিয়ে অনেক থিওরি বাজারে চালু আছে। সবগুলো যোগ বিয়োগ করলে এ কথা পানির মত পরিস্কার হবে, সেনাবাহিনী এবং আওয়ামী ঘরনার ঘরের শত্রু বিভীষনদের যৌথ ষড়যন্ত্রের ফলেই তা সম্ভব হয়েছে। এতে কতটা আর্ন্তজাতিক সম্পৃক্ততা ছিল তা তদন্তের দাবি রাখে। আমি বিশ্বাষ করি, জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশারফ, শফিউল্লাহ সহ সেনাবাহিনীর সব জেনারেল হয় সড়াসড়ি হত্যাকান্ডে অংশ নিয়েছে অথবা আগ হতেই জানত এমনটা ঘটতে যাচ্ছে। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর ক্ষমতালিপ্সু জেনারেলদের দল ব্যক্তিগত লভ্যাংশ নিয়ে নিজদের ভেতর কামড়া কামড়ি শুরু করে দেয়। যার ফলশ্রুতিতে ঘটে খালেদ মোশারফ, কর্নেল তাহের হত্যা আরও অনেক হত্যাকান্ড। পালের গোদা জেনারেল জিয়া ছিলেন এ ব্যপারে সবচেয়ে নির্মম, যখন যাকে দরকার তাকেই খুন করেছেন এই বর্বর পশু। চট্টগ্রামে এই কসাইয়ের লাশ গামছা করে কুড়াতে হয়েছিল, এটাই প্রমান করে তার সহকর্মীরা কতটা প্রতিশোধপরায়ন ছিল এই নর্দমার কীটিকে পরপারে পাঠানোর জন্যে। এই ভন্ড জেনারেলের নির্মমতাকে অনেকে বাকশাল হতে দেশকে গনতন্ত্রে উত্তরনের লাল নীল চশমায় দেখতে পছন্দ করেন। একজন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ জেনারেল সেনাছাউনির ভেতর কি ধরনের জীবন যাপন করতে অভ্যস্থ তার সাথে সবাই কম বেশী পরিচিত। তাদের কাছে একদলীয় আর বহুদলীয় রাজনীতি হুইস্কি ছেড়ে ব্রান্ডি খাওয়ার শামিল।
জেনারেল জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক foundation'এ যে কাঠামোগত ক্ষতি করে গেছেন এর মূল্য জাতিকে হাজার বছর ধরে দিতে হবে। একজন পতিতার সাথে এই জেনারেলের একটাই পার্থক্য, পতিতাদের লাশ তার মত গামছা করে টোকাতে হয়না।
তোমার জাতীয় আব্বা মুজিব ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্বা ও বিরোধীদলীয় নেতা কর্মি হত্যা করেছিল, ভুইল্যা গেছ সেই সব....???
জিয়াকে কসাই বলার আগে বাকশালী এই জালিম,ফেরাউন মুজিবের কুকাম একটু স্নরন করো| কামাল-জামাল বাইচা থাকলে তোমার মা-বইন-বউ কেউ রেহাই পাইতো না, বুজতাছো....???
গামছাদিয়া টোকানো লাশের পাশে কোটি মানুষ জড়ো হয়েছিল আর তোমার পিতার লাশের গোসল-জানাজার জন্য মানুষ পাওয়া যায় নাই বা;লার মাটিতে| জানাজা ছাড়া মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছে বাকশালের জনক ফেরাউনকে|
আপনার নেতা জিয়া মারা যাওয়ার পর বাংলার মাটি তার লাশ গ্রহন করেনি। মরে যাওয়ার পর লাশ নিয়ে কবরে শায়িত হওয়ার তকদীর হয়নি বাংলার এই কুখ্যাত মীরজাফরের। এ বাংলার আগুন তার ভূমিকে পবিত্র করার দায়িত্বটি নিয়েছিল। বাংলার মাটি কোন মীরজাফরের লাশ গ্রহণ করে না, এটা আবারো প্রমাণ করেছে। আহা শহীদ জিয়ার কবর! আহা ভন্ডদের ভন্ডামী! আহা ধোকাবাজী! শয়তানের শয়তানী! মরে গিয়েও ধোকাবাজী, শয়তানি! প্রকৃতি এরকম ধোকাবাজিতে বড়ই নাখোস। তাই ভন্ডদের মীনারে (কথিত জিয়ার কবরে) চলে, পতিতা, গাজা, মদ, হেরোইন সেবীদের বসবাস।
হৃদয়ঃ
আপনার নেতা জিয়া মারা যাওয়ার পর বাংলার মাটি তার লাশ গ্রহন করেনি।
_________________________________________________
দোস্ত হৃদয়ঃ
আপনি আজকাল মাল একটু বেশেই টানছেন বলে মনে হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে বাংলা মদ পাওয়া যায় বলে জানতাম না। কবর নিয়ে ও আজকাল নোংরা রাজনীতি শুরু করেছেন! "মচতকার" - তা বেশ, তা বেশ! মীরজাফরের কথা বলছেন? বাংলার আসল মীরজাফর হলো "আপনাদের আব্বাজান" যিনি গনতন্ত্রকে রেপ করে বাকশালীজমের জন্ম দিয়েছিলেন, প্রকৃত রাজাকারদের এমেনেষ্টী দিয়েছেলেন, কম্বলচোরদের আস্কারা দিয়ে বাংলাদেশটাকে তলাহীন ঝুড়ি বানিয়েছিলেন, বাসন্তিদের লজ্জা কেড়ে নেয়েছিলেন, পাকিদের কাছে একজন 'সাবমিসীভ কাপূরুষের" মত ধরা দিয়েছেলেন, আপামর জনতাকে বিপদে রেখে।
মীর জাফর আলী খানের সুযোগ্য উত্তরসূরী কুখ্যাত খূণী জিয়ার পরিনতি আপনাকে কষ্ট দেয়? তা'হলে এখন থেকেই ভাল হয়ে যান। আখেরে ভাল হবে। আর যদি এই খূণি জিয়ার খুনকে সাফাই গান, তবে তার দায়বদ্বতা আপনার উপরও বর্তাবে। কেউ পাপ করিয়া পাপী হয়, আবার কেউ পাপকে সর্মণ করিয়া পাপী হয়। আশা করি আপনি কোনটাতেই শরীক হবেন না।
পিতার বিচার নয় এক তামাশা
- পিতার বিচার নয় এক তামাশা:
:ঢাকা কোটের সাবজজ গোলাম রসুলের রায়ের কিয়দংশ যোগ করিলাম:এমন অনেক স্বাক্ষী(শফিউল্লাহ) আছেন যাহারা আসামীর সমতুললো। এমন অনেক আছেন (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার) যাহাদের স্বাক্ষীও করা হয়নি|
-হাইকোটের বিচারপতি মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের আপিলের রায়ঘোষনার সময় বলেন ওদের (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার)'কে কেন আসামী করা হয় নাই।তাহাকে (শফিউল্লাহ)'কে স্বাক্ষী বানাইয়াছে?আজ তাই বিচারের পরিপুননো রায় দিতে পারিলামনা|মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের জননো তাহার মেয়েরা ও দল কতটুকু চায় তাহা জজ/বিচারপতিদের আক্ষেপেই বুঝা যায়, তাদের কুকীততি হাইকোটে ও পৌছে গেছে ,আমরা এখন সত্যি বুঝতে পাচিছ !এখন ঐ বিচারের এখন ঐ রায়ে কিছু অবাচিনের সাজা হবে,ইতিহাসের খাতায় ঐ রায় হবে এক তামাশা।আসল খুনীরা জয় বাংলা,জয় হাসিনা বলেই পার পেয়ে যাবে।আর শেখ সেলিমরা বলিতে থাকবে হাসিনা খুনীরা বসে আছে তোমার পাশে, হাসিনা বলিবে ও করা বংগবন্ধুর সৈনিক!!
তখন সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলো শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার। রক্ষিবাহিনীর প্রধান ছিলো তোফায়েল তারা কি করেছিলো? শেখ মুজিব তাকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল, ভীরু হারামজাদা এক কোম্পানি সৈন্য পর্যন্ত মুভ করানোর সাহস দেখাতে পারেনি, আত্মদান তো দুরের কথা।সেনাপ্রধান হিসাবে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ও তারপরে সফিউল্লার ভুমিকা কি ছিল? মুজিব হত্যায় তার ভূমিকা কি? এখন এরাই আবার মুজিব মুজিব বলে দরদী সাজছে! উনি সেনাপ্রধান হিসাবে ১৫ ই আগস্টে একটি সৈন্যও মুভ করাতে পারেননি, উনি ছিলেন অযোগ্য সেনাপ্রধান । একে ওকে দোষ দিয়ে সে দায় এড়াতে চেয়েছেন। মোশতাক গদীতে বসার সাথে ষাথেই তাকে গিয়ে সমর্থন জানিয়েছিলো। তাতে কি মনে হয়? তারাও কি জড়িত ছিলো?মুজিব হত্যার ব্যাপারে জানতে হলে তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার'কে রিমান্ডে নিলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে! তারা মুজিব হত্যার জীবন্ত স্বাক্ষী (ও অংশগ্রহনকারী)!
সেদিন ওরা(আওয়ামীরা) মুজিবের লাশটার কোন দাফন কাপনের বেবসতা না করে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ব্যস্ত ছিল।সফিউললার ভাগে সেদিন রাসট্রদুতের পদ লোভনিয় ছিল।মুজিব মরলে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই বলে ফেরাউনের কবল থেকে মুকতি পেলাম|আর এখন ফেরাউনের মেয়েদের ভয়াবহ পরিনতির দিন গুনছে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই।
সেনাবাহিনীর প্রধান শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার, রক্ষিবাহিনীর প্রধান তোফায়েলএর মুজিব হত্যার জননো হাসিনা ওদের কোন সাজা দিয়াছে কি ?আমি ত দেখিতেছি আজ ৩৫ বতসর ধরে শুধু জিয়াউর রহমান আর বিএনপির ঘাড়ে চাপিয়ে হাসিনা ওদের পাশে বসাইয়া রাজনীতি করিতেছে।হাসিনা ঐ জিয়াউর রহমানের মুনডুপাত করিতেছে যে জিয়াউর রহমান তাহাকে তার পরিবারকে পুন:বাসিত করিয়াছে।হাসিনা ওদের নিয়া নাচিতছে যাহারা তাহাকে তার পরিবারকে নিবাসিত করিয়াছে,তার পিতা মুজিবও তার পরীবারকে হ্ত্যা করেছে|
-আসলেইকি মুজিব ফেরাউনের প্রেতত্মা ছিলেন হ্য়তবা হয়তনা।মানুষ বা কোন বাহিনী মামনুষকে রক্ষা করতে পারেনা।আল্লাহই প্রকৃত রক্ষাকর্তা, তার উপরে ভরসা করুন মুসলমান হয়ে ইসলামী জীবন বিধান মেনে চলুন, কোন ভয় থাকবেনা, একবারই মৃত্যু হবে। কোন জালিমকেই কেউ বাচাতে এহগিয়ে আসেনা। আর আল্লাহর গজব নাজিল হলে কোন বাহিনিই কোন কজে লাগেনা। মুজিব পরীবারকে হ্ত্যাকারী মুক্তিযোদ্ধারা এখনও আল্লাহর রহমতে বেচে আছেন আর মুজিবই চলে গেছেন। তাই আপনাদের বলি সারা দেশে যেভাবে লীগে লীগে লেগেছে তাতে লীগারদের হাত থেকে ছোট লীগ বড় লীগ কেউই নিরাপদ নয়।
তাদের আসল উদ্দেশ্য >>>কোনো না কোনোভাবে জিয়াকে ফাসাঁনো
২য় খন্ডাংশের ৪র্থ প্যারা = "আর স্বাধীনতার অন্যতম সেক্টর কমান্ডার (একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি) জিয়ার মনোভাব তো স্পষ্টই ... ব্লা ব্লা .......।
আমার প্রশ্ন , জিয়া কি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি ??? এই ধরনের মিথ্যা যে বলতে পারে তার লিখায় সত্যের পরিমান কতটুকু থাকবে তা অনুমান করা যায় । কোনো না কোনোভাবে জিয়াকে ফাসাঁনো এবং বিভিন্নভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করাই বেজন্মাদের উদ্দেশ্য ।
আষাঢে গল্প
আজ থেকে ৩৫ ব্ছর আগে ঘ্টা ঘ্ট্নার বহু শাখা প্রশাখা বিস্তার ঘ্টবে এটাই স্বাভাবিক।
বাস্তব এবং সত্য এই যে - ১৫ আগস্ট ঘ্ট্নার ওই স্ম্য় বৃহত জনগোস্টীকে ব্যাথিত হতে দেখা যায় নাই বরং এক ধরনের নিরব সমর্থন জানায়। এর প্রমান জারমানীতে হাসিনাকে Bangali Public -এর তাডা করা (ওখানে ডালিমরা ছিল না।)
ঢাকায় এই ধারনা প্রচলিত ছিল - মুজিব তেমন কারো সাথে যোগাযোগের আগেই নিহ্ত হন।
অধুনা জানা গেল - তিনি সফিঊল্লার সাথে যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন।
এটা প্রমান করে জিয়া নয় বরং সফিঊল্লা এতে জডিত ছিল।
রাস্ট্রপতি সেনাপ্রধানের সাহায্য চেলেন আর সেনাপ্রধান তাকে ঘর থেকে পালাতে বল্লেন (কাকে বল্লেন, যিনি নির্মম পাক বাহিনী ভয়েও ঘর থেকে নডেন নাই, তাকে নিজ অধীন্স্থ বাহিনীর ভয়ে ঘর থেকে পালাতে বলা হল) - কিছুই করলেন না।
সেনাবাহিনীর একাংশ ২৪ ঘ্ন্টা alart থাকে - সুতরাং resources -এর অভাবে তিনি কিছু করতে পারেন নাই - এ ক্থা গ্রহনযোগ্য নয়।
কিন্তু বর্তমান প্রচারনার লক্ষ্য সফিঊল্লা নয়, কারন সে বিষহীন সাপ - জিয়া জডিত না থাকেও তাকে জডিত করে রাজ্নইতিক চরিত্রহনন করাই মূল উদ্দেশ্য।
Kotipoi Jaroj Shontan-er Prolap
Apnara Shobai Pakistani HanadarBahinir Owrashjato Jaroj Shontan, Tai Zia-r Honor Apnader Shojjho Hoi Na.
Kotipoi Jaroj Shontan-er Prolap >> Faisal Khan
Apniki Awami-Baksali der kotha bolchen ? Ora asholey jaroj sontan. Karon, Zia oder puno janmo dieche ak party BAKSAL theke, Ta nahole az BAL bole kichu thakto na. Bangladesher jonno moha mongol hoto. Eta Zia r birat bhul. Uni bishakto sap ke bisshas korechilo.
Faisal Karim or Faisal Khan, analyst?
Incapable of copying a name even? Learn to respect people.
তাহের চিনেছেন,মুজিবও চিনেছেন
BAKSALi surrogate bangladesh21 is a big manipulator
The above document is doctored and there is no indication where it came from. The best place for this trash is the garbage dump.
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়ো জানাজার নামাজটা অনুষ্টিত হয়।
এতো প্রমান উত্থাপনের কোন প্রয়োজন আছে বলে তো মনে হয়না। মুক্তিযোদ্ধা জিয়া কে সেটা শুধু মুজিব বা কর্ণেল তাহের নয় তৎকালীন বাংলাদেশের ৮ কোটি সাধারন মানুষ ও চিনেছিলেন।
যার কারনে ওই জিয়ার হত্যার পর ঢাকায় বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়ো জানাজার নামাজটা অনুষ্টিত হয়।
বঙ্গবন্ধুর ও জিয়ার জানাজা...।
বঙ্গবন্ধু ও জিয়া দুজনেই রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় খুনীদের কতৃক হত্যাকান্ডের শিকার হন। যারা খুন করেছে তাদের কাছে এদুজন কি ধরনের জানাজা পেয়েছে সেটাকে তুল্য করা যায়। ঢাকাতে জিয়ার যে দ্বিতিয় জানাজা হয়েছিল সেটা খুনীদের অভ্যুথ্যান ব্যার্থ হওয়ার পর মাত্র। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনীদের অভ্যুথ্যান ব্যার্থ হলে বঙ্গবন্ধুর যদি দ্বিতিয় কোন জানাজা ঢাকায় অনুষ্টিত হতো সেটার সাথেই কেবলমাত্র জিয়ার দ্বিতিয় জানাজার তুলনা করা যেত।
তাই,যারা এহেন নির্মম মৃত্যু ও তার জানাজার বিষয়কে জনপ্রিয়তার মাপকাঠি হিসেবে দেখাতে প্রয়াশী তারা অনুগ্রহ পুর্বক খুনীদের কতৃক এ উভয় নেতার প্রথম জানাজাকে তুলনা করে দেখুন। তাতেই আপনাদের ভুলের প্রসাদ ধ্বসে পড়বে।
হাসান ইমাম খান।
হাসান ইমাম সাহেবকে জ্যাকব রায়হান
আপনি আবার ও নতূন এক "কন্সপারেসী থীওরি" চালু করার অপচেষ্টা করছেন।
সামরিক অভ্যুথ্যানে জনতার সাপোর্ট থাকে, মুজিবের মৃত্যুতে ৯০% জনতার সাপোর্ট (খুশী হওয়া বা না হওয়া) ছিল। কিন্তু জিয়া পেয়েছেন শহীদের মরযাদা। ৭৫ এর অভ্যুথ্যান সাধারন জনতা সাপোর্ট করেছিলো, আর ৮১ এর অভ্যুথ্যান আপামর জনতা মেনে নেয়নি, আর তাই ৭৫এর অভ্যুথ্যান ছিল সাক্সেসফুল, আর ৮১এর অভ্যুথ্যান ছিল ফ্লপ।
জানাযায় লোক হওয়া বা না হওয়ার মাঝে সামরিক অভ্যুথ্যানের কোন রিলেশন ছিল না। এখানে পাবলিক এর রিএকশন টাই বড় কথা।
জ্যাকব রায়হান
জানাযায় এত লোক কিন্তু
জিয়ার জানাযায় এত লোক কিন্তু খালেদা তারেককে গ্রেফতার করার পরে কোন লোক রাস্তায় নেই।ইহাই বাস্তবতা।
এরশাদের কল্যানেই সম্ভবছিল জিয়ার জানাযায় ১০ লাখ লোক হওয়ার।১৯৮১ সালে দেশের লোক ছিল ৯ কোটি আর আসেছিল ১০ লাখ।একজন প্রেসিডেন্টের বেলায় স্বাভাবিক।আওয়ামীলীগ যদি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জিল্লুর রহমানের কিছু ঘটে দেখবেন এর চে কত বেশী লোক হয়।
জানাযায় এত লোক কিন্তু.....>bangladesh21
আরে তাই তো (!) খালেদা তারেককে গ্রেফতার করার পরে কোন লোক রাস্তায় নেই..
তা ভাইজান, 'জাতির পিতা'-র জানাযায় কেন কোটি কোটি 'পুত্রে-কন্যাদের' ভিতর থেকে কয়েকজনকেও পাওয়া যায় নি? তিনিও তো তখন স্বঘোষিত বাকশালী সরকার প্রধান ছিলেন তাই নয় কি? .........ইহাই বাস্তবতা।
বরং দেশ জুড়ে মিষ্টি বিতরিত হয়েছিলো।
একই সাথে এটা ও আপনার মনে উদয় হওয়ার প্রয়োজন ছিলো যে মুজিবের হত্যার পর বাংলাদেশে পাঁচ জন মানুষ একটি মিসিল নিয়ে বের হয়নি। বরং দেশ জুড়ে মিষ্টি বিতরিত হয়েছিলো।
মিষ্টি বিতরন আমার এলাকায় ও ঘটেছে
অভ্যুন্থান ব্যর্থ হওয়ার পরে চট্টগ্রামে এক মুক্তিযূদ্বাকে জেলে যেতে হয়েছিল জনতাকে ছাগল কেটে খাওয়ানোর জন্য। জিয়া মারা জাওয়ার পরে দেশের স্বাধীনতাগামী জনগন মিষ্টি বিতরন করেছে।আর মুজিব মারা যাওয়ার পরে রাজাকার,আলবদর আর বিহারীরা।একজন মুক্তিযোদ্বার মৃত্যুতে মুক্তিযোদ্বারা খুশি হয়েছেন আর মুজিবের মৃত্যুতে তারা খুশি হয়েছে যারা ১৯৭১ সালে মুজিব মারা গেলেও খুশি হত।
মিষ্টি বিতরন আমার এলাকায় ও ঘটেছে.....>bangladesh21
".....জিয়া মারা জাওয়ার পরে দেশের স্বাধীনতাগামী জনগন মিষ্টি বিতরন করেছে---"করতে পারে...জিয়ার উদারতায় শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কয়েকদিনের ভিতরেই জিয়াকে মারানো হয়। এরশাদ, ভারতের পাশাপাশি শেখ হাসিনাও জিয়া হত্যায় সন্দেহের বাইরে নেই। সুতরাং তারা মিষ্টি খাবে না তো কি ঝাল খাবে????
অন্যদিকে মুজিবকে স্বপরিবারে হত্যা করার পরও তখনকার বাস্তবতায় আপামর জনসাধারন খুশীতে রাস্তায় নেমে এসেছিল। ইহাই বাস্তবতা...
বাংলাদেশ২১ ---- এরশাদের কল্যানেই!?!
বাংলাদেশ২১
এরশাদের কল্যানেই সম্ভবছিল জিয়ার জানাযায় ১০ লাখ লোক হওয়ার
হা হা। মাইরী, যা বলেছেন বটে!
যাই হোক, নরাধম ওই পাপীষ্ঠের জানাজাতে ২/১ জন ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায় নাই! আচ্ছা Australia তে কী পাগলা গারদের কী খুবই অভাব?
জ্যাকব রায়হান
রায়হান ভাই-
ম্যাডাম খালেদার মুক্তি নিয়ে আপনারা বিদেশ থেকে অনেক কিছু করেছেন।কিন্তু দেশের ভিতরকার জাতীয়তাবাদীরা কুত্তার মত লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিল কেন?গ্রেফতার করাতেই এই অবস্থা আর্মিরা যদি খালেদা কে মেরে ফেলত কে তার জন্য কাফনের কাপড় কিনত? এসব আলোচনা সময় নষ্ট।যে কেউ পরিস্থিতি বুঝতে পারবে।
এরশাদ মঞ্জুর গংদের সাথে ব্যালেন্স করলে জিয়ার লাশ কোথায় পেতেন।এরশাদ আর মঞ্জু মিলে ক্ষমতা নিলে গায়েবী জানাযার জন্য টোকাই ভাড়া করতে হত। কারণ এই তথাকথিত জাতীয়তাবাদীদের জিয়ার প্রতি ভালোবাসা বলতে কিছু নেই।কারণ এরা একাত্তরের রাজাকার মুসলিম লীগ,জামাতের এবং জনপ্রিয়তাবিহীন ন্যাপভাসানীর মিলিতস্রোত যারা জিয়ার কোলে ঠাই নিয়েছিল কেউ বাংলাদেশ বিরোধিতা থেকে আর কেউ মুজিব ও আওয়ামীলীগ বিরোধীতা থেকে.জিয়ার প্রতি ভালোবাসা বলে এখানে কিছু নেই।
জনধিকৃত bal এর মুজির >>> তাই জানাজায় মানুষ ছিলো কম
অনেক ভোটে জয়লাভ করেই খালেদা ক্ষমতার গিয়েছিলো তারপরে কেনো তার গ্রেফতারের সময় সকল জনতা রাস্তায় নামে নাই ? এই দিয়াই তো bal এর যুক্তিবাদিরা তাদের মুজিবের জানাজায় কেনো মানুষ ছিলো না তা বের করতে পারে । স্বাধীনতার পুর্বের জনপ্রিয় মুজিব স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় যেয়ে তার কর্মদোষে জনধিকৃত মুজিবে পরিনত হয় । খালেদার চাইতে অনেক গুন বেশি খারাপ ছিলো মুজিবের শাসনকাল । মুজিবের পক্ষে তখন সাধারন জনতার কোনো সাপোর্ট ছিলো না এই সত্যটা bal রা স্বীকারই করতে চায় না ।মৃত্যুকালে মুজিব ছিলো শুধু bal এর মুজিব ,জনগনের মুজিব না । আর তাই তার জানাজায় সাধারন জনতার উপস্থিতি ছিলো কম । আর দুর্নীতিবাজ অধিকাংশ bal রা তখন বদনা নিয়া টয়লেটে দৌড়াদৌড়ির ফলে নিশ্চয়ই জানাজায় শরিক হইতে পারে নাই ! আর অপর দিকে জিয়ার জানাজায় স্বতস্ফুতভাবেই মানুষ যোগ দিয়েছিলো কারন জিয়ার উপর সাধারন মানুষের আস্থা ছিলো ।একমাত্র সুবিধাবাদি এবং অন্ধ bal ছাড়া অন্য সবাই জিয়াকে ভালোবাসতেন ।
একজন ওয়াচডগকে দলীয় নয় নিরপেক্ষ ওয়াচডগ রুপে দেখতে চাই
বেশ অনেকদিন ধরেই এই বোর্ডে ওয়াচডগের জিয়া ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিষেদাগারকে অনেকে আওয়ামিপ্রীতি হিসেবে ধরে নিয়েছে। ওয়াচডগের কাছে অনুরোধ, আপনার শক্তিশালী কলমএর মাধ্যমে আপনার সুস্পষ্ট অবস্থান পরিস্কার করুন।এই বোর্ডে আপনাকে একজন বিএনপি বিরোধি হিসেবে নয় , অসৎ রাজনীতির বিপক্ষে সোচ্চার শক্তিশালী কলাম লেখক হিসেবে দেখতে চাই। শুধু নীতিহীন জাতীয়তাবাদীদের সাথে তীব্র বাকবিতন্ডা আর নীতিহীন আওয়ামি সমর্থকদের সাথে অতি সখ্যতা আর যাকেই হোক আপনাকে শোভা পায় না।আশা করি ভুল বুঝবেন না ।
TO Mr bangladesh21
ভাই বাংলাদেশ২১,
আন্তরিক ধন্যবাদ।
অনেকদিন পরে এই ইমেলায় আপনার লেখা পড়ে বেশ ভাল লাগলো। তথ্য নির্ভর এবং ডিটেইলস সমৃদ্ধ এমন লেখা তো আর এখানে আসে না। সবার গালিগালাজের মাঝে সেই আশা ছেড়েও দিয়েছিলাম। আপনার লেখা পড়ে আবার সেই জগতে ফিরছি।
আমি জানি না, কত জনের কাছে এমন তথ্যবহুল লেখা সমাদৃত হবে। তবে, আমার কাছে এটা একটা দলিল হিসেবেই উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। বিশেষত, আপনার রেফারেন্স আমাকে সম্মৃদ্ধ করবে।
এমন লেখার জন্যে আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
লিফশুলজের সাক্ষাৎকার
http://www.cbc.ca/mrl3/8752/asithappens/20070608-aih-2.wmv
প্রথমে অন্য একটী বিষয় তারপরে সাক্ষাৎকার
A to Z
They may convolute the story to accuse C in C Safiullah, Principal staff officers Zia and all high ranking officers for the incidence but people at that time knew who knew what and who did what. Because of mistrust a parallel Rakki Bahini was formed and then by changing system one man and one party gained absolute power. Absolute power make thing corrupt so some invincible party comrade irritate officers by taunting some one’s wife. Then the killers took revenge for their grievances but they don’t have ability to run the country so there was chronology of power shifting from one to another. There was period of uncertainty about what going to happen for the newly emerged country, so sensible persons liked Zia to take charge. Zia didn’t have the power to stop everything that happened before or after that. He never favored antiliberation force or make Toab as chief of air force; he rather removed him from power. To control the freedom fighters became a challenge for most country after armed struggle, Bangabandhu have no intention to control them, Zia tried to control them but because he himself was a freedom fighter some time he became soft to some of them and ultimately he paid price for this. So by dying in the hand of plotters he proved he did not have control to prevent assassination of Bangabandhu. After all those killing and counter killing the army was freed from all those trouble maker freedom fighters. Army plotted thereafter but they never have the same attitude or chaos as before, they are more united and less patriotic, they don’t care about the country and its economy; they care about their UN jobs, they become greedy but they don’t have courage to disobey their foreign agent and clink to power.
আপহোল্ড দ্য কনস্টিটিউশন
শাফায়াত উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন, দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ কিল্ড। শুনে জিয়া অবিচলিত। তার শান্ত প্রতিক্রিয়া- প্রেসিডেন্ট ইজ ডেড সো হোয়াট? ভাইস প্রেসিডেন্ট ইজ দেয়ার। গেট ইউর ট্রুপস রেডি। আপহোল্ড দ্য কনস্টিটিউশন।
Comments
জিয়া যা বলেছিলেন, -- হি ওয়াজ ১০০% রাইট।
কনস্টিটিউশন আপহোল্ড করাটাই ছিল, তখনকার কাজ।
হাইকোট রায়ে বলেনি যে যারা বিদেশে চাকুরি পেয়েছিল, তা ছিল কোন পুরষ্কারের অংশ। মূল কথা হল, জিয়া ওয়াজ ডিপ্রাইভড বাই মুজিব। আর তাই, অবিচলিত ভাবে ঐ দিন সকা্লে জিয়া যা বলেছিল, তা ১০০% জাস্টিফাইড ছিল।
জ্যাকব রায়হান
শেয়ার
melbourne 16/10/2009
জেনারেল জিয়া...
এ নির্মম হত্যাকান্ড নিয়ে অনেক থিওরি বাজারে চালু আছে। সবগুলো যোগ বিয়োগ করলে এ কথা পানির মত পরিস্কার হবে, সেনাবাহিনী এবং আওয়ামী ঘরনার ঘরের শত্রু বিভীষনদের যৌথ ষড়যন্ত্রের ফলেই তা সম্ভব হয়েছে। এতে কতটা আর্ন্তজাতিক সম্পৃক্ততা ছিল তা তদন্তের দাবি রাখে। আমি বিশ্বাষ করি, জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশারফ, শফিউল্লাহ সহ সেনাবাহিনীর সব জেনারেল হয় সড়াসড়ি হত্যাকান্ডে অংশ নিয়েছে অথবা আগ হতেই জানত এমনটা ঘটতে যাচ্ছে। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর ক্ষমতালিপ্সু জেনারেলদের দল ব্যক্তিগত লভ্যাংশ নিয়ে নিজদের ভেতর কামড়া কামড়ি শুরু করে দেয়। যার ফলশ্রুতিতে ঘটে খালেদ মোশারফ, কর্নেল তাহের হত্যা আরও অনেক হত্যাকান্ড। পালের গোদা জেনারেল জিয়া ছিলেন এ ব্যপারে সবচেয়ে নির্মম, যখন যাকে দরকার তাকেই খুন করেছেন এই বর্বর পশু। চট্টগ্রামে এই কসাইয়ের লাশ গামছা করে কুড়াতে হয়েছিল, এটাই প্রমান করে তার সহকর্মীরা কতটা প্রতিশোধপরায়ন ছিল এই নর্দমার কীটিকে পরপারে পাঠানোর জন্যে। এই ভন্ড জেনারেলের নির্মমতাকে অনেকে বাকশাল হতে দেশকে গনতন্ত্রে উত্তরনের লাল নীল চশমায় দেখতে পছন্দ করেন। একজন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ জেনারেল সেনাছাউনির ভেতর কি ধরনের জীবন যাপন করতে অভ্যস্থ তার সাথে সবাই কম বেশী পরিচিত। তাদের কাছে একদলীয় আর বহুদলীয় রাজনীতি হুইস্কি ছেড়ে ব্রান্ডি খাওয়ার শামিল।
জেনারেল জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক foundation'এ যে কাঠামোগত ক্ষতি করে গেছেন এর মূল্য জাতিকে হাজার বছর ধরে দিতে হবে। একজন পতিতার সাথে এই জেনারেলের একটাই পার্থক্য, পতিতাদের লাশ তার মত গামছা করে টোকাতে হয়না।
মুজিব : বাকশালের জনক ফেরাউন..............( Watch_Dog/terminator)
@Watch_Dog:
তোমার জাতীয় আব্বা মুজিব ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্বা ও বিরোধীদলীয় নেতা কর্মি হত্যা করেছিল, ভুইল্যা গেছ সেই সব....???
জিয়াকে কসাই বলার আগে বাকশালী এই জালিম,ফেরাউন মুজিবের কুকাম একটু স্নরন করো| কামাল-জামাল বাইচা থাকলে তোমার মা-বইন-বউ কেউ রেহাই পাইতো না, বুজতাছো....???
গামছাদিয়া টোকানো লাশের পাশে কোটি মানুষ জড়ো হয়েছিল আর তোমার পিতার লাশের গোসল-জানাজার জন্য মানুষ পাওয়া যায় নাই বা;লার মাটিতে| জানাজা ছাড়া মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছে বাকশালের জনক ফেরাউনকে|
Betrayed.....
আপনার নেতা জিয়া মারা যাওয়ার পর বাংলার মাটি তার লাশ গ্রহন করেনি। মরে যাওয়ার পর লাশ নিয়ে কবরে শায়িত হওয়ার তকদীর হয়নি বাংলার এই কুখ্যাত মীরজাফরের। এ বাংলার আগুন তার ভূমিকে পবিত্র করার দায়িত্বটি নিয়েছিল। বাংলার মাটি কোন মীরজাফরের লাশ গ্রহণ করে না, এটা আবারো প্রমাণ করেছে। আহা শহীদ জিয়ার কবর! আহা ভন্ডদের ভন্ডামী! আহা ধোকাবাজী! শয়তানের শয়তানী! মরে গিয়েও ধোকাবাজী, শয়তানি! প্রকৃতি এরকম ধোকাবাজিতে বড়ই নাখোস। তাই ভন্ডদের মীনারে (কথিত জিয়ার কবরে) চলে, পতিতা, গাজা, মদ, হেরোইন সেবীদের বসবাস।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
শ্রী হৃদয় চ্যাটারজী
হৃদয়ঃ
আপনার নেতা জিয়া মারা যাওয়ার পর বাংলার মাটি তার লাশ গ্রহন করেনি।
_________________________________________________
দোস্ত হৃদয়ঃ
আপনি আজকাল মাল একটু বেশেই টানছেন বলে মনে হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে বাংলা মদ পাওয়া যায় বলে জানতাম না। কবর নিয়ে ও আজকাল নোংরা রাজনীতি শুরু করেছেন! "মচতকার" - তা বেশ, তা বেশ! মীরজাফরের কথা বলছেন? বাংলার আসল মীরজাফর হলো "আপনাদের আব্বাজান" যিনি গনতন্ত্রকে রেপ করে বাকশালীজমের জন্ম দিয়েছিলেন, প্রকৃত রাজাকারদের এমেনেষ্টী দিয়েছেলেন, কম্বলচোরদের আস্কারা দিয়ে বাংলাদেশটাকে তলাহীন ঝুড়ি বানিয়েছিলেন, বাসন্তিদের লজ্জা কেড়ে নেয়েছিলেন, পাকিদের কাছে একজন 'সাবমিসীভ কাপূরুষের" মত ধরা দিয়েছেলেন, আপামর জনতাকে বিপদে রেখে।
জ্যাকব রায়হান
জেকব ভাই, আপনি কি কষ্ট পেয়েছেন?
মীর জাফর আলী খানের সুযোগ্য উত্তরসূরী কুখ্যাত খূণী জিয়ার পরিনতি আপনাকে কষ্ট দেয়? তা'হলে এখন থেকেই ভাল হয়ে যান। আখেরে ভাল হবে। আর যদি এই খূণি জিয়ার খুনকে সাফাই গান, তবে তার দায়বদ্বতা আপনার উপরও বর্তাবে। কেউ পাপ করিয়া পাপী হয়, আবার কেউ পাপকে সর্মণ করিয়া পাপী হয়। আশা করি আপনি কোনটাতেই শরীক হবেন না।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়