নিরপরাধ বাপ্পীকে গুলি করে হত্যা

বাপ্পী তোমার এই চলে যাবার জন্য যারা দায়ী তাদের বিচার অবশ্যই হবে.... আর তা এই ইহকালেই....সে দিন বেশী দুরে নয় যে দিন এই নরাধমদের বিচার দেখে তোমার আত্মা অবশ্যই শান্তি পাবে...

bappi.jpg

নিরপরাধ বাপ্পীকে গুলি করে হত্যা
সমকাল প্রতিবেদক
'বন্দুকযুদ্ধের' নামে তরুণ মডেল, অভিনেতা কায়সার মাহমুদ বাপ্পীকে হত্যা করেছে র‌্যাব। খিলগাঁও, বাড্ডা এলাকার সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম বাপ্পীকে ধরতে গিয়ে কায়সার মাহমুদ বাপ্পীকে ধরে নিয়ে হত্যা করা হলো। নিহত বাপ্পীর বিরুদ্ধে রাজধানীর কোনো থানায় মামলা তো দূরের কথা, একটি জিডিও নেই। একজন সোর্সের দেওয়া ভুল তথ্যে তপ্ত বুলেটে নিভে গেছে নির্দোষ এক তরুণ অভিনয়শিল্পীর জীবনপ্রদীপ।
মর্মান্তিক এই ভুলের কারণে এক মায়ের বুকের নিধি চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল। সন্তানহারা অভাগিনী মায়ের কান্না অভিশাপের বিষবাষ্প হয়ে আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে একটি সুখী পরিবারে সর্বনাশার কালো ছায়া কীভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তার বিবরণ দিয়েছেন বাপ্পীর মা। তার পাশে ছিলেন বিষাদভারাক্রান্ত পরিবারটি।
গতকাল মঙ্গলবার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাপ্পীর পরিবারের মর্মবেদনার কথা শুনতে শুনতে উপস্থিত সাংবাদিকদের চোখও অশ্রুসজল হয়ে উঠেছিল। বাপ্পীর মা বলেছেন : আমি আমার সন্তানের হত্যাকারীদের বিচার চাই।
আছিয়া আক্তার রাতে সমকালকে বলেন, 'র‌্যাবের এই ভুল অমার্জনীয়। এরপরও ঘাতকদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করতে ভয় পাচ্ছি। কোনো অপরাধ না করেই বাপ্পী 'সন্ত্রাসী' হয়েছে, র‌্যাবের গুলিতে মারা গেছে। মামলা করলে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে? কারণ, যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অপরাধ প্রমাণ না করেই কাউকে হত্যা করে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সুবিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।' এ কথা বলার সময় তার চোখে জমাট বাঁধা অশ্রু নীরবে ঝরতে থাকে দু'গাল বেয়ে। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একজন মা। আমি তার কাছে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে বলব, আপনি সন্তানহারা মায়ের বেদনা বুঝবেন। আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়। আমি দোষীদের শাস্তি চাই।' নিহত বাপ্পী সন্ত্রাসী কি-না কিংবা তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা রয়েছে কি-না তা সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি পুলিশ। খিলগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নবজ্যোতি খীসা সমকালকে বলেন, 'বাপ্পীর বাসা রামপুরা এলাকায়। তার বিরুদ্ধে মামলা থাকলে তা রামপুরা থানা পুলিশ বলতে পারবে। আমার থানায় কোনো অভিযোগ নেই।'
রামপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ হাশমী সমকালকে বলেন, 'বাপ্পী নামে এক সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রয়েছে। নিহত বাপ্পী ওই হত্যা মামলার আসামি
কি-না তা আমার পক্ষে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। যতদূর জানি, নিহত বাপ্পীর বিরুদ্ধে আমার থানায় কোনো অভিযোগ নেই।' তবে বাড্ডা থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী সমকালকে নিশ্চিত করে বলেন, 'কায়সার মাহমুদ বাপ্পী নামে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমার থানায় কোনো মামলা নেই। তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বাপ্পী ওরফে মিয়া ভাইয়ের নামে হত্যাসহ চার-পাঁচটি মামলা রয়েছে।'
তবে র‌্যাব মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকার সমকালকে বলেছেন, র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে র‌্যাবের গোলাগুলি হয়েছে, এটা দিবালোকের মতো সত্য। পুলিশসহ স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানেন। তাছাড়া ওই ভবনের দারোয়ানও টিভি চ্যানেলের কাছে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বর্ণনা করেছে। তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা শনাক্ত করেছে নিহত ব্যক্তি কামরুল ইসলাম ওরফে বাপ্পী ওরফে মিয়া ভাই। র‌্যাব সদস্যরা আশপাশের থানাগুলোতে খোঁজ নিয়ে তার সম্পর্কে যা জেনেছে, তাই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম না জানা গেলে অজ্ঞাত লেখা হতো। তিনি স্বীকার করেন, স্থানীয়দের শনাক্ত করা নাম অনেক সময় ঠিক নাও হতে পারে। এতে গোলাগুলির বিষয়টি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ তো প্রায় প্রতি রাতে সংবাদপত্রে প্রেরিত র‌্যাবের বহু পুরাতন জীর্ণশীর্ণ গল্প। এ গল্প কেউ বিশ্বাস করে না। বাপ্পীকে হত্যা করে র‌্যাব একই গল্পের আশ্রয় নিল।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত বাপ্পীর ভগি্নপতি নাট্যপরিচালক ও নির্মাতা মানজুরুল আলম জানান, বাপ্পী বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাটকে অভিনয় করতেন। তার অভিনীত 'মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল'-এর বিজ্ঞাপনচিত্র বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া নির্মাণাধীন ২৬ পর্বের ধারাবাহিক 'বন সবুজের তৃষ্ণা' নাটকেও অভিনয় করছিলেন বাপ্পী। এই নাটকে অন্য অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের মধ্যে আছেন খায়রুল আলম সবুজ, তরু মোস্তফা, অপূর্ব, মীর সাবি্বর, আনিসুর রহমান মিলন, দীপা খন্দকার, শারমিন শীলা প্রমুখ।
নিহত বাপ্পী সম্পর্কে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তরু মোস্তফা সমকালকে বলেন, 'বাপ্পীর সঙ্গে আমি খুব অল্প সময়ের জন্য কাজ করেছি। বিজ্ঞাপনের শুটিং করার জন্য সারাটা দিন একসঙ্গে ছিলাম। বাপ্পী ভালো, ভদ্র, হাসি-খুশি যেন একটা বাচ্চা ছেলে।' র‌্যাবের ক্রসফায়ারে বাপ্পীর মৃত্যু হয়েছে_ এ প্রতিবেদকের কাছে খবরটি শুনে নির্বাক হয়ে যান তরু মোস্তফা। তিনি বলেন, 'বাপ্পী নামের হাজার ছেলে থাকতে পারে। না বুঝে, পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে এভাবে হত্যাকাণ্ড খুবই মর্মান্তিক, দুঃখজনক। ক্রসফায়ারে বাপ্পীর মৃত্যুর খবরে আমি খুবই কষ্ট পাচ্ছি।'
র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঘটনার পরদিন ১০ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-১-এর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, জিসান গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড কামরুল ইসলাম ওরফে বাপ্পী ওরফে মিয়া ভাই (২৩) ও তার সহযোগীরা পূর্ব রামপুরা বাজার এলাকার ৩২৩ নম্বর নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় অবস্থান করছিল। এ খবরে র‌্যাবের এএসপি সরকার ওমর ফারুকের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়লে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। দু'পক্ষের মধ্যে ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবিনিময় শেষে ঘটনাস্থলে এক সন্ত্রাসীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাপ্পী ওরফে মিয়া ভাই বলে শনাক্ত করে। নিহত বাপ্পী খিলগাঁও, বাড্ডা, রামপুরা, বনশ্রী, মেরাদিয়া এলাকায় বিভিন্ন খুন-ছিনতাই ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল।
র‌্যাব-১-এর পরিচালক লে. কর্নেল রাশিদুল আলম সমকালকে বলেন, এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নির্বাহী তদন্ত হয়েছে। তদন্তে গুলি করার যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, নিরপরাধ একটি ছেলেকে গুলি করে হত্যার পর র‌্যাবের নির্বাহী তদন্তে গুলি করার যৌক্তিকতা প্রমাণিত হলে এর চেয়ে দুর্ভাগ্য আর হতে পারে না। এ তো তদন্তের নামে চরম তামাশা। মিথ্যাকে সত্য করার একটি প্রক্রিয়া মাত্র।
নিহতের বোন শামসুন নাহার সমকালকে জানান, শুটিং করে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সাধারণত একটু বেশি রাতে বাসায় ফিরতেন বাপ্পী। গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১২টায় বাপ্পীর সঙ্গে শেষবার মোবাইল ফোনে কথা হয়। গভীর রাত পর্যন্ত না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করে তাকে আর পাওয়া যায়নি। বন্ধ ছিল তার মোবাইল ফোন। পরদিন সকালে টেলিভিশনে পরিবারের সদস্যরা র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জনৈক সন্ত্রাসী বাপ্পীর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। তখনও তারা কায়সার মাহমুদ বাপ্পীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেননি। তারা কল্পনাই করতে পারেননি, বাপ্পীকে 'বন্দুকযুদ্ধে'র নামে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে গিয়ে বাপ্পীর লাশ শনাক্ত করা হয়। মর্গে মরদেহের পরিচিতি হিসেবে শুধু 'বাপ্পী' নামটি লেখাছিল। বাবার নামসহ অন্যান্য ঠিকানা ছিল অজ্ঞাত। ক্রসফায়ারের কতক্ষণ আগে বাপ্পীকে র‌্যাব আটক করেছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে তারা কিছু বলতে পারেননি।
নিহত বাপ্পীর প্রতিবেশী বেসরকারি চাকরিজীবী আবুল হোসেন জানান, 'দীর্ঘদিন ধরেই আমি বাপ্পীকে চিনি। পাশাপাশি বাসায় আমরা থাকতাম। কখনও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ শুনিনি। অমায়িক ব্যবহার ছিল তার। সে সন্ত্রাসী হলে প্রকাশ্যে চলাফেরা এবং এক বাসায় ১৪ বছর ধরে থাকতে পারত না। মহল্লার কেউই তাকে অপরাধী বলতে পারবে না বলে আমার ধারণা। এভাবে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হলে সমাজে কারও নিরাপত্তা থাকবে না।' আরেক প্রতিবেশী গৃহিণী রাসেদা হোসাইন বলেন, 'সেই ছোট থেকেই বাপ্পীকে দেখছি। দেখা হলে হাসিমুখে কথা বলত। সবার খোঁজখবর নিত। বখাটে ছেলেদের সঙ্গেও মিশত না। সে অপরাধী হলে তা চাপা থাকত না। এতদিনে একটি অভিযোগ অন্তত কানে আসত। তাকে ক্রসফায়ারে হত্যার বিষয়টি দুঃখজনক।'
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকার নেত্রী সুলতানা কামাল সমকালকে বলেন, 'আমরা প্রথম থেকেই এ ধরনের আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করে আসছিলাম। অবিলম্বে আইনবহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা উচিত। বিনা বিচারে সন্ত্রাসী মারতে গিয়ে নিরপরাধ কাউকে হত্যা করলে তার মাশুল কে দেবে? এটা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। সরকার সংবিধান হাতে নিয়ে শপথ করেছে, তারা আইন রক্ষা করবে। কিন্তু তা হচ্ছে না।' 'ভুলক্রমে' বাপ্পীকে হত্যা গুরুতর অপরাধ।
গত ৪ অক্টোবর যাত্রাবাড়ীর নামাপাড়া বস্তি লাগোয়া মাঠে র‌্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' সাইজ উদ্দিন ওরফে সাজু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। নিহতের স্ত্রী বন্যা আক্তার যূথী (২১) তখন সমকালকে বলেছিলেন, তার স্বামী সাজু জেনারেটরের ব্যবসা করেন। ঘটনার চার দিন আগে তার স্বামীকে বাসা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এরপর ডিবি বাবুল নামে র‌্যাবের এক সোর্সের মাধ্যমে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাওয়া হয়। তা না হলে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। স্বামীর জীবন বাঁচাতে তিনি ভগি্নপতি আবদুর রহিমের মাধ্যমে র‌্যাবের এক কর্মকর্তাকে দুই দফায় সাত লাখ টাকা দেন। তবে তারপরও তারা কথা রাখেনি।
গত ২৮ মে সংসদ ভবন এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ঢাকা পলিটেকনিকের দুই ছাত্র মোঃ মহসিন ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নিহত হয়। র‌্যাব তখনও একই ধরনের কথা বলেছিল। একের পর এক 'বন্দুকযুদ্ধের' নামে র‌্যাব নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে চলেছে। এর আগেও পুলিশ ও র‌্যাবের ক্রসফায়ারে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ডিবির ক্রসফায়ারে নিহত হয় কলেজ ছাত্র সুমন। সেখানেও নাম বিভ্রাটের কারণে সুমন ক্রসফায়ারে পড়ে। তখনও সারাদেশে তোলপাড় হয়েছিল।

historian's picture

It was RB (Rokkhi Bahini) and now RAB

Why wonder if the champions of democracy (AL) defend crossfire? Crossfire in Bangladesh is nothing new, could be 36/37 years legacy of Awami League! Our founding father Sk. Mujibur Rahman first introduced crossfire in Bangladesh. Late Siraj Sikder was the "test target of opportunity” of that crossfire!

Way back then, it was RB (Rokkhi Bahini) and now RAB, pretty much the same! Isn’t it?

baksal hater's picture

'রাষ্ট্র আমার সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে, সঙ্গে সামাজিক সম্মানটুকুও।'

রাষ্ট্র আমার সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে, সঙ্গে সামাজিক সম্মানটুকুও। আমরা এখন সন্ত্রাসী পরিবার, লোকে দেখে তাচ্ছিল্য করে’—এ আক্ষেপ সন্তানহারা এক মায়ের। তাঁর ছেলে কায়সার মাহমুদ বাপ্পীকে সন্ত্রাসী দাবি করে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব। এরপর ‘ক্রসফায়ারে’ মৃত্যুর কথা বলা হয়।

রাষ্ট্রলীগ [1971-1975] এভাবে হাজার হাজার যুবককে হত্যা করে।আজও তা চলছে।মুজিবের মৃত্যু থেকে লীগ কোনো শিক্ষা নিতে পারেনি।পারবেই বা কিভাবে as they are from the same root.That root was not extracted properly,soldiers left some weeds সেগুলো তিলে তিলে আজ দেশ টাকে শেষ করছে।

baksal hater's picture

আমাদের লজ্জা আমাদের কলংক! আমাদের পরাজয়!

আমাদের লজ্জা আমাদের কলংক! আমাদের পরাজয়! দেশের প্রধান মন্ত্রী, মন্ত্রীমহোদয়গণ যখন আবোল_তাবোল বকেন। বাংলাদেশের (ইতিহাস সাক্ষ্য) এ যাবত যত স্বরাষ্ট্র_মন্ত্রী হয়েছেন সব কেমন জানি পাগলাগারদ থেকে উঠে আসা। গতকাল মাননীয় মন্ত্রী সাহারা খাতুন যা বললেন তাতে (নিল্রজ্জ মিথ্যাচার) জাতি খূবই লজ্জিত। প্রতিদিন পেপার খুললেই ক্রসফায়ারের খবর আসে, আর উনি বললেন তার সরকারের সময় কোন হত্যাকান্ড ঘটেনি ।

raihankhan's picture

মাসের সেরা মিথ্যাচার......

"আমাদের সরকার আসার পর কোনো ক্রসফায়ার হয়নি। আমরা কোনো ক্রসফায়ার করছি না।"-- সাহারা

64.gif

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

justborn Muktijodhdha's picture

Home Minister

"SODA MITHTHA KOTHA BOLIBO" "MITHTHA BOI SOTTO BOLIBO NA"

THIS IS THE MORALE OF AWAMI LEAGUE. THE STATEMENT OF REVERED HOME MINISTER IS THE JOKE OF THE MILLENIUM.

BRAVO BRAVO CARRY ON MADAM BANGLADESH NEEDS U SURELY.

bd08's picture

পুলিশের মামলায় নিহতরাও আসামি

পুলিশের মামলায় নিহতরাও আসামি

এই রকম খবরের হেডিং আওয়ামী লীগের আমলেই মানান সই

টঙ্গি (গাজিপুর), নভেম্বর ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- টঙ্গিতে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত দুই থেকে তিন হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে নিহত দুই ব্যক্তির নামও রয়েছে।

টঙ্গি থানার ওসি তপন চন্দ্র সিংহ ভুমিহীনজমিদারের মত তপন চন্দ্র সিংহ বাইবর্ন আওয়ামী লীগার বা হাসিনার ভৃত্য

টঙ্গি থানার ওসি তপন চন্দ্র সিংহ রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পুলিশের কাজে বাধা দান, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের অভিযোগে ওই মামলা করা হয়েছে।

  • Save Bangladesh: No more farakka

justborn Muktijodhdha's picture

Bhumihin Zamidar Bhai Aponi ki ekmot ?????

Bhumihin Zamidar Bhai Aponi ki ekmot biggo shorashtro Montri Mohadoyar sathey ??????????

Aponar motamot o sottaya bhasan er oppekhkhai.

Jonogoner sarkar dirgauuu howk onno sob nipat jaaak !!!!!!!!!!!!!!!!!

bd08's picture

এবার সাহারার বুলেটের আঘাতে নিহত হলেন ভ্যানচালক বাবুল শেখ, সফিক

এবার সাহারার বুলেটের আঘাতে নিহত হলেন ভ্যানচালক বাবুল শেখ, রাজমিস্ত্রি সফিক

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুনের নির্দেশে টংগীতে শ্রমিক বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ ওপেন গুলি করলে মুত্যুর মুখে ঢলে পড়ে নিরপরাধ ভ্যানচালক বাবুল শেখ, আর সফিক রাজমিস্ত্রি ...

পুলিশের গুলিতে নিরপরাধ লোক নিহত হলে, এদের লাশ গুম করা নির্দেশ দেন সাহারা। পরে এই নিয়ে বিক্ষোভরত শ্রমিকেরা লাশ গুম করার কথা সবাইকে জানালে এই নিয়ে প্রশাসনে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ বাধ্য হয় লাশ উদ্ধারের কথা স্বীকার করতে।

আপনারা জানেন এর আগেও সাহারা খাতুনের নির্দেশে র‌্যাব নিরপরাধ বাপ্পীকে হত্যা করে।

সাহারা খাতুনের এত সব অপকর্মের পরেও তার লজ্জা নেই।

শোনা যাচ্ছে, বিরোধী দলের মিছিলে ওপেন ফায়ার করার ট্রায়াল দিচ্ছে পিশাচ সাহারা খাতুন, ...আওয়ামী সরকার ফ্যাসিবাদের চরম সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।

আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো ইমেলার নিউজ কলামে টংগী রনক্ষেত্র এই নিউজকে উদ্দেশ্য প্রানেদিতভাবেই হাইড করেছে সম্পাদক মন্ডলী

  • Save Bangladesh: No more farakka

altaf_hossain's picture

এই র‌্যাব মানিনা

হাসিনার র‌্যাব মানিনা! আমাদের প্রান প্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়ার যেদিন ক্ষমতায় আসবেন র‌্যাবকে জনগনের র‌্যাব বানানো হবে। আর ১টা ২টা করে আওয়ামী দস্যুদের ক্রশ ফায়ারে দেয়া হবে। আসুন বিএনপির পতাকা তলে এক হয়ে বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলিঃ

-তোমার দেশ আমার দেশ খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ
- একটা দুইটা আওয়ামী ধর সকাল বিকাল নাস্তা কর

raihankhan's picture

Blowin' in the wind-Bob Dylan

Lyrics:

How many roads must a man walk down
Before you call him a man
How many seas must the white dove sail
Before she sleeps in the sand
Yes, and how many times must the cannonballs fly
Before they are forever banned
The answer, my friend, is blowing in the wind
The answer is blowing in the wind

Yes, and how many years can a mountain exist
Before it washed to the sea
Yes, and how many years can some people exist
Before they're allowed to be free
Yes, and how many times can a man turn his head
And pretend that he just doesn't see
The answer, my friend, is blowing in the wind
The answer is blowing in the wind

Yes, and how many times must a man look up
Before he can see the sky
Yes, and how many ears must one man have
Before he can hear people cry
Yes, and how many deaths will it take till he knows
That too many people have died
The answer, my friend, is blowing in the wind

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

raihankhan's picture

জাতির কাঁধে বাপ্পির লাশ

জাতির কাঁধে বাপ্পির লাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ পৃথিবীর সবচেয়ে ভারি বোঝা। এ উক্তি কোন সন্তানহারা হতভাগ্য পিতার নয়। একথা একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে যিনি সম্প্রতি বলেছেন তিনি তথাকথিত ক্রসফায়ারে নিহত কায়সার মাহমুদ বাপ্পির ভগ্নিপতি। নাট্যপরিচালক মানজুরুল আলম। বাপ্পির মর্মান্তিক মৃত্যুর জবাবে রটানো সেই পুরনো ক্রসফায়ারের গল্প খণ্ডন করছিলেন না তিনি। তিনি কেবল বিবরণ দিচ্ছিলেন কেমন করে বিবাহসূত্রে একটি নিষ্পাপ ছেলেকেও একদা তিনি বুকে তুলে নিয়েছিলেন। এই ছেলেটি ছিল তার স্ত্রীর সহোদর ভাই। তাকে তিনি এক যুগের বেশি সময় ধরে পিতার অপত্য স্নেহে বড় করে তুলেছিলেন। তার বর্ণনায়, বাপ্পি কোনদিন রাত করে বাড়ি ফেরেনি। ফিরেছে কেবল একদিন। যে কালো রাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাবের এক বা একাধিক মতিভ্রষ্ট সদস্যের ভুল কিংবা হঠকারি সিদ্ধান্তের বলি হতে হয় নির্দোষ নিরীহ যুবক বাপ্পিকে। নির্মম ভুল কোনক্রমেই হতে পারে না, তা কেউ হয়তো জোর দিয়ে বলতে পারেন না। কিন্তু এই ভুলের কাহিনী প্রকাশ হলো এমন একটি প্রেক্ষাপটে, যখন বাংলাদেশ সরকারের একজন মন্ত্রী দম্ভের সঙ্গে ঘোষণা করলেন, বাংলাদেশের সন্ত্রাস দমন একদিন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংঘটনের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই নিশ্চিত হবে।

কেবল ডাকনামে মিল থাকার জন্য বাপ্পি বলি হলেনÑ এ কি ভাবা যায়? এক নিরীহ যুবক ‘ক্রসফায়ার’-এর শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এখন প্রশ্ন হলো, র‌্যাব দুঃখ প্রকাশ করলো কেন? তা কি চোখে আঙুল দিয়ে মিডিয়া বিষয়টি ধরিয়ে দিয়েছে বলেই? বাপ্পি যদি সন্ত্রাসী হতো তাহলে এই হত্যাকাণ্ড জায়েজ হয়ে যেতো? কেউ প্রশ্ন তুলতেই পারেন র‌্যাবের কাজ র‌্যাব করেছে, কিন্তু সরকার ও আইন-আদালতের কি কাজ, তা জানা প্রয়োজন। বাপ্পির মায়ের হাহাকার, ‘রাষ্ট্র আমার ছেলেকে কেড়ে নিয়েছে, সঙ্গে সম্মানটুকুও।’ এর কি জবাব দেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ? এসব মামুলি প্রশ্ন। এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের বিচার বিভাগের কাছে। খবরটি ছাপা হলো এবং হয়ে থাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে। কিন্তু কোথায় বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার বিভাগ? শ্বেতশুভ্র স্বাধীন বিচার বিভাগের অর্গল কেন খুলে যায় না? নজির না থাকলে না হয় একটা সান্ত্বনা ছিল। কিন্তু আদালত সুয়োমটো মামলা যে বিবেচনায় নেয় না, তা তো নয়।

গত ৯ই সেপ্টেম্বর ইফতারের পর বাসার বাইরে বের হওয়া বাপ্পি পরের দিন হাসপাতাল মর্গে পড়েছিলেন লাশ হয়ে। পরিবারের দাবি, বাপ্পির বিরুদ্ধে কোন মামলা বা সাধারণ অভিযোগ (জিডি) পর্যন্ত নেই। অথচ র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, তিনি ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’ এবং তথাকথিত ‘জিসান গ্রুপের সহযোগী’। কোন তদন্ত নয়, সাক্ষ্যপ্রমাণ নয়, স্রেফ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দায়িত্ব শেষ। অবশ্য এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি র‌্যাব নামক প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার নমুনা। কারণ আগে তো তা-ও ছিল না। পত্রিকাগুলো এক সময় এবং অনেক ক্ষেত্রে অজ্ঞাতনামা সূত্রে সেই গল্পই চালিয়ে দিতো, যা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সূত্রগুলো প্রচারে আগ্রহী থাকতো। অবস্থার যেন উন্নতি ঘটছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বয়স বাড়ছে। পরিপক্বতা অর্জন করছে। এখন তাই প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাচ্ছে। অনেকে বলে থাকেন অনেক ক্ষেত্রেই কম্পিউটারে গল্পের প্লট থাকে। কেবল নাম ও স্থান বদল করা হয়।

র‌্যাবের এক সোর্সের সূত্র ধরে বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করে ‘ক্রসফায়ার’ করা হয় বলে স্বজনদের দাবি। বহুদিনের পুরনো প্রশ্ন ওঠে, প্রতিটি ‘ক্রসফায়ার’ লাশ ডেকে আনে। ঘোরতর যুদ্ধক্ষেত্র থেকেও অনেক সময় অলৌকিকভাবে অনেকে প্রাণ হাতে ফিরে আসে। বিশ্বের সব যুদ্ধ, এমনকি একাত্তরের রণাঙ্গনেও বহুলোক ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছে। কিন্তু তারা ফিরেছে, হয়তো আহত হয়েছে। গুলি লেগেছে। অনেকে শরীরে কার্তুজ কিংবা স্পি­ন্টার নিয়ে আজও বেঁচে আছে। কিন্তু বাংলাদেশে র‌্যাবের সঙ্গে এমনই ক্রসফায়ার হয় যেখানে লাশ পড়ে! লাশ হওয়াটাই অবশ্যম্ভাবী এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই একটি ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হবেই হবে? আর সেই বন্দুকযুদ্ধ এমনই যুদ্ধ যে, নিশ্চিতভাবেই নিরাপত্তা হেফাজতে কোন না কোন আটক ব্যক্তি মারা যাবেই। অথচ আন্তর্জাতিক বহু আইনে স্বাক্ষরদাতা দেশ হিসেবে সন্ত্রাসী বলে চিহ্নিত কাউকে এভাবে হত্যা করা আইনের চূড়ান্ত অবমাননা। সাবেক প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল এক সেমিনারে একদা বলেছিলেন, ‘যারা খুন করে বেড়ায় তাদেরও মানবাধিকার রয়েছে।’ বাংলাদেশে এই মানবাধিকার পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। এটা সবারই জানা যে, অপরাধ দমনের এই পদ্ধতি আর যা-ই হোক, সভ্য সমাজের নয়। এ পদ্ধতিতে যে অপরাধ বা সন্ত্রাস কার্যকরভাবে দমন করা যায়, তার কোন নজির বিশ্বে নেই। অপরাধ দমনে ব্যর্থ বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখলে বোঝা যাবে এই ব্যর্থতা সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাউকে দেয়া যাবে না। র‌্যাব বাপ্পিকে মেরে যে ‘ভুল’ স্বীকার করছে তা আসলে নিজের কোন ভুল নয় বা কোন আত্মসমালোচনা বা অনুশোচনার ফল নয়। সন্দেহের বশে মানুষ হত্যা মূলত এবং অবশ্যই সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফসল। পলিটিক্যাল হাইকমান্ড রাষ্ট্রযন্ত্র নিয়ে এত বেশি অনাচার ও অনিয়ম করেছে যে, তারা আজ মানুষ মারার মেশিন দিয়ে জনরোষ থেকে বাঁচতে চায়। নব্বই দশকের গোড়ায় জেনারেল এরশাদের পতনের পরে বিএনপি সরকার জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে অস্বীকার করেছিল। তারা লেলিয়ে দিয়েছিল পুলিশ। সেই পুলিশ এরপর আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপিও পেটায়। বিএনপি আমলে আওয়ামী লীগকে পিটিয়েছে। পুলিশের সংস্কার নিয়ে দুই বড় দলে কোন উদ্যোগ নেই। তাদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা বর্তমান বাজার-মূল্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না। প্রস্তাবিত পুলিশ সংস্কার অধ্যাদেশ নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। অথচ পুলিশকে নির্দলীয়করণ এবং মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে না পারলে র‌্যাবের মতো সংস্থা শিগগিরই মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য। অবস্থাটা দাঁড়াচ্ছে কিংবা দাঁড়িয়ে আছে একটি বিশাল শূন্যতায়। সংক্ষেপে যাকে বলা চলে, বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো।

বিগত জোট সরকারের আমলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা’র অভিযোগে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা দেশের ভেতরে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধে ফাটল ধরায়, অন্যদিকে বিদেশেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে। গত ৫ই ফেব্রুয়ারি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘এনকাউন্টার’-এর সমালোচনা করেন। সেদিন তিনি এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রত্যয়ও ঘোষণা করেন। তার দলের নির্বাচনী ইশতেহারেও এটা বন্ধের প্রতিশ্রুতি ছিল। অথচ এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী লাগাতার ‘ক্রসফায়ার’-এর নামে বেআইনি হত্যাকে নানাভাবে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। সাফাই গাইছেন। উন্মত্ত জনতার দ্বারা পিটিয়ে হত্যাকে সভ্য দুনিয়া ভয়ের চোখে দেখে। যেসব সমাজে এসব ঘটনা বেশি ঘটে, এমনকি নিয়মিতভাবে ঘটে থাকে, সে সমাজের দিকে সভ্য দুনিয়া সন্দেহের চোখে তাকায়। সেই সমাজে যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দিয়ে ঠাণ্ডামাথায় মানুষ মারা হয় তাহলে বাংলাদেশকে কি চোখে দেখা হবে? যেখানে আইনের শাসন মিথ্যা হয়ে যায় সেখানে কেন বিদেশী বিনিয়োগ আসবে?

মানবাধিকার কমিশন নিয়ে বর্তমান সরকার তামাশা করছে। তারা খুব কায়দা করে মানবাধিকার কমিশন নামের একটি কাঠামো দাঁড় করিয়ে রেখেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে এ কমিশনকে ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার বানিয়ে রেখেছে। একজন সাবেক বিচারপতি কবে স্বাভাবিক অবসর নেবেন, সেই আশায় যেন দিন গুনছে সরকার। তিনি দায়িত্বে থাকতে এ কমিশনকে কার্যকর করা হবে না। তবুও সেই কমিশন বাপ্পির মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে। যদি নিরপেক্ষ তদন্ত হয় এবং সত্যিই পরিবারের দাবি অনুযায়ী বাপ্পি নির্দোষ প্রমাণিত হয়, তাহলে তিনি ফিরে না আসুন, পারিবারিক সম্মানটুকু ফিরে পাওয়ার সান্ত্বনা পরিবারটি পেতে পারে। এটা বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, বাপ্পির হতভাগ্য স্বজনদের সান্ত্বনা দিতে তাদের পাশে সরকারের কেউ দাঁড়ায়নি। বাপ্পি যে এলাকায় বেড়ে উঠেছে সেই এলাকায় নিশ্চয় আওয়ামী লীগের ডাকসাইটে সংসদ ও রকমারি নেতা আছেন। তাদের কারও সময় হয়নি।

এখন সচেতন মহলের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই চলবে না, এর প্রতিবেদন প্রকাশ করা উচিত। তার চেয়েও জনগণকে যা জানানো এখন ভীষণ জরুরি তা হলো, বাপ্পিকে ভুল করে হত্যা করা হয়েছে। তার মানে সেই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী এবং তথাকথিত জিসান গ্রুপের সহযোগী বাপ্পি বেঁচে আছে। সেই সত্যিকারের ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’ এবং হয়তো ‘খুন করে বেড়ানো’ একজন বাপ্পি কি বিচার লাভের সুযোগ পাবে? পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপুমনি কি বলেন? জেনেভায় শক্তিশালী প্রতিনিধি দলের নেত্রী হিসেবে কি বয়ান দেবেন? সত্যিকারের বাপ্পির মানবাধিকার কি সুরক্ষা পাবে? এই প্রশ্নের সদুত্তর এখনই দেয়া জরুরি না হলেও একটি বিষয় জরুরি। আর তা হলো সেই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাপ্পির অপরাধের বৃত্তান্ত গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হোক। যদি দেখা যায় তার অপরাধের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ডতুল্য’ নয়, তাহলে তার নাম কি করে তালিকায় ঢুকলো সে রহস্যটুকু অন্তত অনাবৃত হবে।

পাদটিকা-১: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীÑ যিনি একজন আইনজীবী এবং একটি ল’ ফার্ম পরিচালনা করে থাকেন, তিনি ২১শে অক্টোবর সাংবাদিকদের বলেন, ‘নগরীতে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার বহিঃপ্রকাশ হলো ক্রসফায়ার।’ পর্যবেক্ষকরা অবশ্য বলেন, হয়তো তার উক্তি ঠিকভাবে ছাপা হয়নি। তাই তিনি আসলে কি বলতে চেয়েছেন তা পরিষ্কার করতে পারেন। তিনি বলেছেন, তদন্ত করে সব বেআইনি ক্রসফায়ারের বিহিত করবেন। তার মানে দেশে আইনানুগ ক্রসফায়ারের অস্তিত্ব রয়েছে। প্রচলিত কোন আইনে তা নেই। যদি কোন গোপনীয় আইনে থেকে থাকে, তাহলে সে সম্পর্কেও একটি সুস্থ ও সঙ্গত ব্যাখ্যা দরকার। একজন নিষ্পাপ, তরুণ বাপ্পির লাশের বোঝা সমগ্র জাতি কাঁধে তুলে নিলেও কি হালকাবোধ হবে? জাতির কাঁধে ক্রসফায়ারে নিহত পিতৃহীন বাপ্পির লাশের বোঝা সম্পর্কে আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নারীনেত্রীরা অবশ্য এখনও নির্দিষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। সন্তানহারা মা আছিয়া আক্তারের কাছে তাদের কেউ যাননি বলেই মনে হয়। ২০শে অক্টোবর তিনি সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চরম নিষ্ঠুরতার অভিযোগ আনেন। তবুও তারা নীরব। রাষ্ট্রের মালিক-মোক্তারদের কেউ সন্তানহারা মাকে দেখতে গেলে তার ছবি নিশ্চয় ছাপা হতো, প্রচার পেতো!

পাদটিকা-২: বাপ্পির ক্ষত না শুকাতেই মানবাধিকার সংগঠন অধিকার ২৪শে অক্টোবর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে তারা বলেছে, ২২শে জুলাই ২০০৮ ঢাকার ১২৬, পূর্ব রামপুরার মো. তুষার ইসলাম টিটু (২৭)-কে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ধুকুরিয়া বেড়াবাজার থেকে ঢাকার র‌্যাব-৩-এর সদস্যরা আটক করে। টিটুর গ্রামের বাড়ি ওই ধুকুরিয়া গ্রামের সাতলাঠিপাড়ায়। র‌্যাবের হাতে আটকের পর টিটু নিখোঁজ রয়েছে বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছে।
(Courtesy: Manabzamin, Oct.26, 2009)

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

farmer's picture

raihanKhan: Until when you supported Khaleda's RAB?

Do you remember it?

raihankhan's picture

ওরে বাবা, সাংবাদিক বলে কথা!!......

ওরে বাবা !!!
সাংবাদিক বলে কথা!! সাংবাদিকের শরীরে মহাক্ষমতাধর র‌্যাব কয়েকটা ঘা দেবার পরই সারা দেশ সব কাজ-কর্ম ফেলে নিন্দার জোয়ারে সরকার, র‌্যাব কে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে....মহাক্ষমতাধর র‌্যাব পর্যন্ত নাকে ক্ষত দিয়ে দু:খ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে।

আর বাপ্পীর বেলায় কি হোল????????

সতর্কবানী: পুলিশ আর সাংবাদিকদের থেকে দুরে থাকুন ।

2005 সনে আমার পরিচিত 'প্রথম আলো'-র এক রিপোর্রটারের (নামের অদ্যাক্ষর "আ') বানী (তবে কাকে উদ্দেশ্য করে তা বলবো না): "কি মিয়া ফকিরের ভিক্ষা (টাকা 5,000) দিছেন? বিদিশা এরশাদ তো সাংবাদিকদের গুলশানের নিকেতনে একটা ফ্লাট-ই গিফট করছে...."

Torture on Masum decried
Judicial inquiry demanded
Staff Correspondent
Various national and international organisations on Friday strongly decried inhuman torture by the Rapid Action Battalion on New Age staff correspondent FM Masum.The RAB 10 team on Thursday had tortured severely Masum in his rented house and in detention in the unit’s headquarters for about 10 hours and a half.
All the journalists, employees and officials of New Age and members of the Bangladesh Federal Union of Journalists, Dhaka Reporters’ Unity, Bangladesh Nationalist Party, rights organisation Odhikar and Asian Human Rights Commission separately also demanded a judicial inquiry of the incident to bring to justice the perpetrators.
(Details: http://www.newagebd.com/2009/oct/24/front.html)
--------------------------------------------------------------------------------
RAB expresses regret, starts inquiry
Staff Correspondent
The Rapid Action Battalion in a statement on Friday regretted the ‘unwarranted incident’ that had taken place with New Age staff correspondent FM Masum on Thursday when the battalion was conducting a raid to arrest some drug peddling suspect.
The RAB 10 team on Thursday had tortured severely Masum keeping him in detention in the RAB 10 headquarters at Dhalpur for about 10 hours and a half. The battalion men picked him up from the house, tortured him severely and rubbed salt in the wounds in public. He had to be rushed in to Dhaka Medical College Hospital when he was released about 10:30pm Thursday.
The battalion statement, signed by the battalion’s legal and media wing director, said, ‘We sincerely express our regret for the unwarranted incident that has taken place between RAB personnel and journalist FM Masum of the largely-circulated daily New Age.
‘RAB is looking into the matter with importance. The RAB headquarters has formed an inquiry team and the matter is being investigated. Punitive action will be taken against anyone of RAB found guilty.’

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

raihankhan's picture

র‌্যাবের বর্বরতার আরো একটি চিত্র...

বাংলাদেশের সাংবাদিকরা পুলিশের থেকেও নাকি বেশী ক্ষমতাশালী!!!

new age.jpg
RAB detains, beats up
New Age correspondent
Staff Correspondent

The Rapid Action Battalion on Thursday had tortured severely New Age staff correspondent FM Masum keeping him in detention at the RAB 10 headquarters at Dhalpur in Dhaka for about 10 hours and a half.
The battalion men picked Masum up from his rented house at Jatrabari in Dhaka at noon and severely tortured him in public.
Masum was, however, released about 10:30pm reportedly after repeated interventions of the home minister and the home secretary, and he needed to be rushed in to the Dhaka Medical College Hospital for treatment.
According to Masum and spot accounts, a battalion team raided the house at 67, Dakshin Jatrabai, where Masum lives as a tenant, at noon for alleged involvement of the landlord in drug peddling. The battalion personnel also knocked on the door of Masum's flat.
As soon as Masum opened the door, the battalion personnel slapped him, accusing him of being late in opening the door.
They started torturing Masum severely as he told them of his identity, according to spot accounts.
Torturing him in public on the spot, the battalion men rubbed salt in the wounds and took him to the RAB 10 headquarters at Dhalpur.
'At the RAB office, they tortured me inhumanly saying, "We are taking our anger at Nurul Kabir [New Age editor] out on you",' Masum said in the hospital.
Soon after Masum's detention, different battalion officers came up with different stories as reason for the detention. Some of them claimed Masum was found in possession of Pethedine, some said with Phensidyl (codeine) syrup while some others said they found him with prostitutes.
The battalion, when Masum was released, finally said they had picked him up for not cooperating with the law enforcement agency. The battalion reportedly requested several media houses not to run or print any report on the incident.
The battalion released Masum after the New Age people had to sign an undertaking in which it was written that he had been picked up and was being handed over to his colleagues 'in good health.'
He had marks of injury all over the body and his feet were swollen when he was released. Physicians in Dhaka Medical College Hospital advised a CT scan, which was later done.
The New Age people were earlier asked to sign an undertaking in which it was said that Masum had been involved in trading in drugs for long, but his colleagues refused to sign it.
Masum also said the battalion personnel had videoed arranged sequences of seizure of drug substances from his room. He was also videoed along with the wife of the owner of the house, he said.
The home minister, Sahara Khatun, the home secretary, Abdus Sobhan Sikder, and the battalion's director general Hasan Mahmud Khandakar about 6:00pm told New Age that Masum would be released.
Masum, who received his master's degree in mass communication and journalism department in Dhaka University, earlier worked with the Bangladesh Today before joining New Age. He is an alumnus of the Barisal Cadet College.
Masum has written reports on extrajudicial killing such as the death in 'crossfire' or 'encounter' committed by the battalion and on illicit trading in drug substances. He has also written several reports on torture on newsmen across the country.

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

Hassan Imam khan's picture

ক্রসফায়ার মানুষ হত্যার ওজিএল বৈ কছু নয়...।

ক্রসফায়ার এর ন্যায় মানুষ হত্যার (ওজিএল) ওপেন জেনারেল লাইসেন্স কাউকে দেয়া হলে তার পরিনতি কি হতে পারে তার প্রমান কতিথ নিরীহ এই বাপ্পি। আমাদের আইন শৃংখ্যলা বাহীনি এ ধরনের ভয়ঙ্কর ও সহজসাধ্য অস্ত্র হাতে পেয়ে অপরাধী সনাক্তকরন ও অপরাধ দমনে তাদের সাভাবিক নৈপুন্য ও দক্ষতা হারিয়ে এবং হীতাহীত মানবিক-জ্ঞানশুন্য হয়ে এক একটি মানুষ মারার রোবটে পরিনত হচ্ছে।
কোন সভ্য সমাজে এধরনের ভয়ংকর অসভ্য ব্যাবস্থা চলতে দেয়া যায় না। তাই ক্রসফায়ারের ন্যায় এ অমানবিক ব্যাবস্থা এখনি বন্ধ করা হোক।
হাসান ইমাম খান।

JackobRaihan's picture

পুট দ্যাম ইনটু ক্রসফায়ার, অনলী

যারা বাংলাদেশে জন্ম নিয়ে, বাংলাদেশের টা খেয়ে, বিদেশী রাষ্ট্রের ইন্টারেস্ট প্রভাইড করার রাজনীতি করে ধরে ধরে তাদেরকেই শুধু ক্রসফায়ারে দেয়া উচিৎ, নিরীহ বাপ্পিদের নয়। অন্যথায়, হাসান ইমাম সাহেবের মত বলবো, ক্রসফায়ারের ন্যায় অমানবিক ব্যাবস্থা এখনি বন্ধ করা হোক, উইদাউট ফারদার ডীলে।

জ্যাকব রায়হান

Jotish's picture

ক্রসফায়ার মানুষ হত্যার ওজিএল বৈ কছু নয়...।হাসান মিয়া আইছে।

র‌্যাব ক্রস ফায়ারে মানুশ মারে এটা হাসান মিয়া পছন্দ করেনা কারন উনি সুইসে বসে রঙ্গিন চশমা লাগিয়ে বাংলাদেশকে সুইস মনে করে । এখানে দিন দুপুরে পুলিশের থানার সামনে মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়ায় মানুশ খুন করার খুনি পাওয়া যায়,যে নাকি জানেওনা কি কারনে সে কাকে খুন করতে যাচ্ছে । গতকাল তেজগাও থানার সামনে এক সরকারী ইঞ্জিনিয়ার নাম ফজলে রাব্বিকে গুলি কর আহত অবস্তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়, বর্ত্তমানে ওনার শারিরীক অবস্তা উন্নতির দিকে।শুনা যাচ্ছে টেন্ডার এর জন্যে এই কাজ করে রাকিব নামক এক সন্ত্রাসী এবং সে জয় নামক এক ছেলের ভাড়াটিয়া খুনি হিসাবে এই কাজ নিয়েছিল । বাংলাদেশের সমসাময়িক যে অবস্তা এখানে রাকিব আর জয়ের মত সন্ত্রাসীদের প্রাগঐতিহাসিক যুগের আইন দিয়ে দমানো যাবেনা আবার এই আইন বদল করলে হাসিনার মত প্রধান মন্ত্রী ও শাসক দলের মন্ত্রী এমপিরা চাঁদা ও সন্ত্রাস করার মামলায় এত তাড়াতাড় বেকসুর খালস পাবেনা এই কারনে এই সড়ক সন্ত্রাসীদের (যাদের গড ফাদার হলো বর্ত্তমান সরকারের মন্ত্রী ও এমপি ) সন্ত্রাস বন্ধ করতে হলে গড ফাদারদের ধরতে হবে আর এটার ব্যাপারে এই হাসান মিয়ে কিছু বলতে নারাজ। এই সব গড ফাদারদের টাকা জমানোর জায়গা হলে গিয়ে সুইস ব্যাংক আর এটার পাহারাদার ও কমিশন এজেন্ট আমাদের হাসান মিয়া। এই ভদ্রলোক ক্রস ফায়ার একটা জংলী আইন বলেন কখনো প্রশ্ন করেননি আমাদের প্রধান মন্ত্রীর ৮ টি কেস এত তাড়াতাড়ি খালাস হয়ে গেল কেন ? এই সড়ক সন্ত্রাসীরাও চিন্তা করে বড় সন্ত্রাসী হতে পারলে আমাদের মামলাগুলিও মিথ্যা মামলা বলে চালানো যাবে আর উপরে গড ফাদারতো আছেই।

villager's picture

Hasina & crossfire

The people around Hasina(the advisors) are very low quality people; most of them are engaged to handle BNP.
I had no hope on so called Dr. Gowhar(nick name horse, Fouzdar Hat cadet college), but still holding a thin ray of hope in my mind that the guy lived enough time in the USA, and may have aquired some skills; now he proved himself, nothing, Dr. Nothing.

There is not a single person in AL who can convince Hasina that terrors can be handle with existing laws with good results, without unlawful killings. Dumb Hasina shaking like her dumb counterpart Khaleda and going on killing spree. Until Joy gets few bullets in his skull, Hasina will not be convinced that every victim has a mother.

Looker's picture

RAB shouldn't come from army

Government can't dissolve RAB because it has to be created by the pressure of international community but RAB may be reformed by new recruit not by army personel. Army today are less patriotics, they don't care about the country and people, they are eager for lucrative foreign job. Until and unless they are deputed for high paying UN job they become tense, restless, crazy and ill tempered. So they can plot against people by foreign prescription like one eleven, they can kill innocent people like Bappi unless government control army.

villager's picture

57 officers proved that they were not officers

We have lots of young educated kids who are capable to run RAB. Police cannot serve as RAB troopers, they are corrupted pigs. New people have to run RAB, for killing somebody for crime needs special scrutiny, current officers and troops have not that skills. Everyday, current RAB people take bribes from terrors in the name of "crossfire".

Cactus's picture

এই ক্ষতি কিছুতেই পূরন হবার নয় >> বাপ্পির হত্যাকারিদের বিচার চাই

খুন এবং ধর্ষন এই ২টি কারনে কাউকে ক্রসফায়ারে দিলে তেমন খারাপ লাগে না । যে বদমাইশ নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য কোনো নিরীহ মানুষের জীবন তছনছ করে দেয় তাদের কঠিন শাস্তি হলে ভালোই লাগে । কিন্তু কোনো অপরাধীকে শাস্তি দিতে গিয়ে যদি কোনো নিরপরাধীকে শাস্তি দেয়া হয় তবে তা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না । আর এই কারনে আমি কখনো ক্রসফায়ারকে সম্পুর্ন সাপোর্ট করি না । র‌্যাব,পুলিশে কড়াকড়ি নিয়ম থাকা দরকার যে কিছুতেই ১০০% নিশ্চিত না হয়ে কাউকে ক্রসফায়ারের নামে খুন করা যাবে না । ক্রসফায়ারের মাধ্যমে নিরপরাধীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট সকল র‌্যাব/পুলিশ সদস্যের কঠোর শাস্তির ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা গেলে হয়তো ক্রসফায়ারটা 'সুনিয়নন্ত্রিত' হতো । কিন্তু ভুতে ভর্তি সরিষা থেকে ভুত তাড়াবে কে ? তাই ক্রসফায়ারের অপব্যবহারের আশংকাই বেশী । প্রকৃত অপরাধী হিসেবে নিশ্চিত হতে না পারলে ক্রসফায়ার নিষিদ্ধ করা উচিত ,এবং তা এখনই । ক্রসফায়ারের শিকার সকল নিরপরাধী ব্যাক্তির খুনের বিচার চাই ।

villager's picture

1200 Army officers & 70k police are ruined people

Forget RAB, FB; nothing can be done with 1200 current army officers and 70k police force, these people are connected with almost all of the crimesin BD.
These people have to go to retirement, new people have to come.
Brnd new people without any traing would be able to serve lots better.

bangladesh21's picture

র‌্যাব দিয়ে দেশের শান্তি হবেনা।

র‌্যাব আজ তার সোর্সের ভূলে একজন নিরপরাধ লোককে হত্যা করল যার নামে কোন মামলা নেই। বি এনপি আমলেও টঙ্গীতে দুইজনকে ক্রস ফায়ার নাটক করে হত্যা করা হয় যাদের নামে কোন মামলা ছিলনা।
তত্ত্বাবধায়কের সময় র‌্যাব একই কাজ করেছে।মতিঝিল পাড়ায় অনেক অজানা ছিনতাই এর সাথেও র‌্যাব জড়িত।দেশের সররাষ্ট্র মন্তনালয়ের সমসাময়িক কোন মন্ত্রী উপদেশষ্টার যোগ্যতা নেই কিভাবে বিচার বহিভূত হত্যাকান্ড না করেও সমাজে শান্তি রাখা যায়। মাননীয় নৌ পরিবহন মন্ত্রীর র‌্যাবের ক্রস ফায়ারের মন্তব্য বার বার আমাকে বাবরের কথার প্রতিধধনি মনে হয়।সররাষ্ট্র মন্ত্রীর এখনি উচিত কারা এই ধরনের হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের খুজে বের করে আইনের হাতে সোপর্দের। নচেৎ গনতন্ত্র এবং আইনের শাসনের গল্প গল্পই থেকে যাবে।

(বিদ্রঃ রায়হান খান সাহেব আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আছে বলেই আপনার এত জ্বালা ক্রস ফায়ারের বিরুদ্বে।কিন্তু আমাদের স্পষ্ট দাবী যেই সরকারেই থাকুক এই ধরনের নিসংশ হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা এবং ধীক্কার জানাই)

Robin Hood's picture

Golden Bangladesh, really?

If I was the brother, uncle or father of this poor soul, I would have said, Bangladesh is a cursed land. It's no doubt a strong statement.

This is the price Bangladeshis will have to pay for subscribing to Bangladeshi type political system. 1/11 should have been ruthless to create a paradigm change for future happiness of Bangladesh. Sadly, they missed the chance.

Any doubt, life is cheaper than dart in BD?

Robin
Carmel, California

raihankhan's picture

very well said...

very well said.......

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus