
বিচারে বিচারে সায়লাব হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এক বিচারের শুরু না হতেই জন্ম নিচ্ছে নতুন বিচারের পটভূমি। যুদ্বাপরাধী ও রাজাকার বিচার, শেখ মুজিব হত্যা বিচার, জেল হত্যা বিচার, গ্রেনেড হামলা বিচার, ১০ ট্রাক অস্ত্র আমদানী বিচার, বিডিআর ম্যসাকার বিচার, জেএমবি বিচার, চিনি ঘাপলাবাজীর বিচার, এবং এ তালিকার সর্বশেষ সংযোজন সাংসদ এবং শেখ পরিবারের অন্যতম সদস্য ফজলে নূর তাপস হামলা বিচার। এ সরকারের মেয়াদান্তে এ ধরনের বিচারের তালিকা কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা সহজেই অনুমেয়। ইতিমধ্যে সরকারের বয়স প্রায় এক বছর হতে চল্ল, বহু বিচারের প্রতিশ্রুতিবদ্ব এ সরকার ক’টা বিচারের হালখাতা করতে পেরেছে তা যাচাইয়ের সময় হয়েছে বল্লে অন্যায় কিছু বলা হবেনা।
উচ্চ আদালতে শেখ মুজিব হত্যা মামলার শুনানী ছাড়া বাকি কোন মামলার তেমন অগ্রগতি হয়েছে বলে কোন খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচন প্রাক্কালে বাংলাদেশের অলিগলিতে যুদ্বাপরাধী বিচার দাবীতে সোচ্চার ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলোও ভোজবাজির মত হাওয়া হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। সেক্টর কমান্ডার ফোরামের একজনকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে কবর দেয়া হয়েছে এ সংগঠনের। যুদ্বাপরাধীদের বিচার দূরে থাক, এ অপরাধে কারা অপরাধী তাও এখন পর্য্যন্ত ঠিক করা যায়নি। আগামী চার বছরে এ বিচারের দৌড় কতদূর এগুবে তার হিসাব কস্তে গনিতে পন্ডিত হওয়ার দরকার পরবেনা আশাকরি। অন্যদিকে ক্ষমতাহারা দলের নেত্রী গতকাল ঘোষনা দিয়েছেন মেয়াদের আগেই সরকারকে বিদায় নিতে হবে! এ কথা আমাদের সকলেরই জানা বর্তমান সরকারকে হটিয়ে আগের সরকার ক্ষমতায় এলে উল্লেখিত বিচারের তালিকা উলটোমূখী পথ ধরবে। শাহরিয়ার রশীদ এবং ফারুখ রহমানের মত স্বঘোষিত খুনীরা মনের আনন্দে আরও ৫টা বছর জেলে বসে সরকারী অর্থের শ্রাদ্ব করবে। দুঃখজনক হল, রাজনীতি থেমে থাকবেনা এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতা হারিয়ে আবারও ফিরে যাবে রাজপথে, যুদ্বাপরাধী বিচারের দাবিতে তৈরী করবে নতুন মানব বন্ধন, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম মুক্তিযুদ্বের কাহিনী শুনিয়ে আবারও আন্দেলিত করবে আমাদের নরম অন্তর। ভোট আসবে, আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আবারও ফিরিয়ে আনব কথিত মুক্তিযুদ্বের স্বপক্ষের শক্তি।
কতদিন চলবে এই চক্র? কতদিন চলবে বিচারের ধাপ্পা দিয়ে ক্ষমতা আরোহনের এই নোংরা রাজনীতি? রাজনীতির অর্থ শুধূ ইতিহাস নিয়ে জুয়া খেলা নয়, আমাদের রয়ে গেছে একটা বর্তমান যেখানে ধুকে ধুকে মরছে ১৫ কোটি আদম। দেশ আইনের শাষন হতে কোটি মাইল দূরে, র্দুনীতির চ্যম্পিয়নশীপটা আবারও জেতার দাড়প্রান্তে আমরা, চাকরীর বাজার এখন কারবালার মাঠ, টেন্ডারবাজী আর চাঁদাবাজীর সূনামীতে তলিয়ে গেছে বাংলাদেশের মাঠ ঘাট। আমাদের রাজনৈতিক এজেন্ডাতে কোনদিনই কি ঠাই পাবেনা বর্তমানকে মেরামত করার অর্থনৈতিক কর্মসূচী?
প্রধানমন্ত্রী সুইডেন গেছেন গরম বায়ুমন্ডল ঠান্ডা করার দাবী নিয়ে। দলীয় মোসাহেবদের অতিথি হয়ে কাটাচ্ছেন স্বপ্নের সুসময়। বিশ্ব মন্ডলের উত্তপ্ত বায়ু ঠান্ডা করার আগে দেশের বায়ু ঠান্ডা করার প্রতিশ্রুতি কি ইতিমধ্যে তিনি ভূলে গেলেন? নির্বাচন সামনে এলে হয়ত নতুন করে মনে পরবে এই প্রতিশ্রুতি, কিন্তূ ততদিনে বোধহয় খুব বেশী দেরী হয়ে যাবে। আর এই দেরী নতুন করে প্রস্তূত করবে মাওলানা নিজামীর মত স্বীকৃত যুদ্বাপরাধীর পতাকা উড়িয়ে ঢাকা শহর চষে বেড়ানোর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।

নতুন তথ্য!
http://www.amadershomoy.com/content/2009/10/28/news0364.htm
বংগবন্ধুর হত্যাকান্ড বিচারের জননো তাহার মেয়েরা ও দল কতটুকু চায় ?
পিতার বিচার নয় এক তামাশা:
ঢাকা কোটের সাবজজ গোলাম রসুলের রায়ের কিয়দংশ যোগ করিলাম:এমন অনেক স্বাক্ষী(শফিউল্লাহ) আছেন যাহারা আসামীর সমতুললো। এমন অনেক আছেন (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার) যাহাদের স্বাক্ষীও করা হয়নি|
-হাইকোটের বিচারপতি মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের আপিলের রায়ঘোষনার সময় বলেন ওদের (তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার)'কে কেন আসামী করা হয় নাই।তাহাকে (শফিউল্লাহ)'কে স্বাক্ষী বানাইয়াছে?আজ তাই বিচারের পরিপুননো রায় দিতে পারিলামনা|
-এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীমকোট তত্কালীন সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকে মিথ্যাবাদী ও কাপুরুষ বলে অভিহিত করেছেন!আসামী পক্ষের আইনজীবি বলিলেন,শফিউল্লাহ সাক্ষী দেন নাই তামাশা করিয়াছে।বাদী পক্ষের আইনজীবি বলিলেন,শফিউল্লাহ মিথ্যাবাদী,শফিউল্লাহ বংগবন্ধুর সকাল ৬টায় নাকি সাথে কথা বলিয়াছিল,অথচ তিনি(বংগবন্ধু) সকাল ৬টার আগেই মারা যান।
মুজিব হত্যাকান্ড বিচারের জননো তাহার মেয়েরা ও দল কতটুকু চায় তাহা জজ/বিচারপতিদের আক্ষেপেই বুঝা যায়, তাদের কুকীততি হাইকোটে ও পৌছে গেছে ,আমরা এখন সত্যি বুঝতে পাচিছ !এখন ঐ বিচারের এখন ঐ রায়ে কিছু অবাচিনের সাজা হবে,ইতিহাসের খাতায় ঐ রায় হবে এক তামাশা।আসল খুনীরা জয় বাংলা,জয় হাসিনা বলেই পার পেয়ে যাবে।আর শেখ সেলিমরা বলিতে থাকবে হাসিনা খুনীরা বসে আছে তোমার পাশে, হাসিনা বলিবে ও করা বংগবন্ধুর সৈনিক!!
তখন সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলো শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার। রক্ষিবাহিনীর প্রধান ছিলো তোফায়েল তারা কি করেছিলো? শেখ মুজিব তাকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল, ভীরু হারামজাদা এক কোম্পানি সৈন্য পর্যন্ত মুভ করানোর সাহস দেখাতে পারেনি, আত্মদান তো দুরের কথা।সেনাপ্রধান হিসাবে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ও তারপরে সফিউল্লার ভুমিকা কি ছিল? মুজিব হত্যায় তার ভূমিকা কি? এখন এরাই আবার মুজিব মুজিব বলে দরদী সাজছে! উনি সেনাপ্রধান হিসাবে ১৫ ই আগস্টে একটি সৈন্যও মুভ করাতে পারেননি, উনি ছিলেন অযোগ্য সেনাপ্রধান । একে ওকে দোষ দিয়ে সে দায় এড়াতে চেয়েছেন। মোশতাক গদীতে বসার সাথে ষাথেই তাকে গিয়ে সমর্থন জানিয়েছিলো। তাতে কি মনে হয়? তারাও কি জড়িত ছিলো?মুজিব হত্যার ব্যাপারে জানতে হলে তোফায়েল,শফিউল্লাহ ও খোন্দকার'কে রিমান্ডে নিলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে! তারা মুজিব হত্যার জীবন্ত স্বাক্ষী (ও অংশগ্রহনকারী)!
সেদিন ওরা(আওয়ামীরা) মুজিবের লাশটার কোন দাফন কাপনের বেবসতা না করে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ব্যস্ত ছিল।সফিউললার ভাগে সেদিন রাসট্রদুতের পদ লোভনিয় ছিল।মুজিব মরলে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই বলে ফেরাউনের কবল থেকে মুকতি পেলাম|আর এখন ফেরাউনের মেয়েদের ভয়াবহ পরিনতির দিন গুনছে ওরা(আওয়ামীরা)সবাই।
সেনাবাহিনীর প্রধান শফিউল্লাহ্, বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার, রক্ষিবাহিনীর প্রধান তোফায়েলএর মুজিব হত্যার জননো হাসিনা ওদের কোন সাজা দিয়াছে কি ?আমি ত দেখিতেছি আজ ৩৫ বতসর ধরে শুধু জিয়াউর রহমান আর বিএনপির ঘাড়ে চাপিয়ে হাসিনা ওদের পাশে বসাইয়া রাজনীতি করিতেছে।হাসিনা ঐ জিয়াউর রহমানের মুনডুপাত করিতেছে যে জিয়াউর রহমান তাহাকে তার পরিবারকে পুন:বাসিত করিয়াছে।হাসিনা ওদের নিয়া নাচিতছে যাহারা তাহাকে তার পরিবারকে নিবাসিত করিয়াছে,তার পিতা মুজিবও তার পরীবারকে হ্ত্যা করেছে|
সেলিমছিঃ ছিঃ ভাই.............
প্রধানমন্ত্রীর সাথে আপনার নিউইয়র্কের রাষ্ট্রীয় সফর কেমন হল? আপনি বলেছিলেন আপনার কাছে অনেক খবর আছে এবং আপনি আমাদের জানাবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কিছুই জানালেন না যে!
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
WatchDog ভাই,...........
যে কোন বিচারে অপরাধীদের সাজাদান ছাড়াও আরেকটি মহৎ উদ্দেশ্য থাকে-তা'হল মানুষের অপরাধ প্রবনতাকে রোধ করা। সে হিসাবে অপরাধীকে সাজা দেয়ার অর্থ হল সমাজ থেকে অপরাধ কমানো, অপরাধের গতি প্রকৃতি নির্ধারণ এবং তার প্রতিকার। পাকিস্হানের সাবেক প্রধান বিচারপতি কায়াণী ত্বদেশীয় সামরিক আমলাদের লক্ষ্য করে ব্যঙ্গোক্তি করে বলেছিলেন, "আমাদের সামরিক ব্যক্তিরা এতই বীর যে, তারা নিজেরাই নিজেদের দেশটাকে দখল করে নিয়েছে।" পাকিস্হানে সামরিক আমলারা ক্ষমতা দখলের লড়াই করলেও কখনো রক্তপাত ঘটায় নাই। আমাদের সামরিক আমলারা ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে চরম দুর্বৃত্তপণার পরিচয় দিয়েছে। তারা চরম ঔদ্বত্যের সাথে জাতির জনককে হত্যা করেছে। তাদের হাত থেকে নারী, শিশু, পঙ্গু, বৃদ্ব, গর্ভবতী কেউই রেহাই পায় নাই। সেই পাক বিচারপতি কায়ানী বেঁচে থাকলে আমাদের সেই সব ক্ষমতালোভী দুর্বৃত্ত সামরিক আমলাদের উদ্দেশ্যে নিশ্চয় বলতেন, "তোমরা এতই কুলাংগার যে, ক্ষমতার লোভে তোমরা তোমাদের জাতির জনককে হত্যা করেছ।"
আপনি বিচরের দীর্ঘসূত্রিতা সম্পর্কে বলেছেন। আমি মনে করি সত্য উগ্ঘাটনের জন্য বিচারে দীর্ঘসূত্রিতার প্রয়োজন আছে। এতদিন তো খুণী এবং তাদের সমর্থকরা ১৫ই আগষ্টের ঘাতকদের সূর্য সৈনিক বলে গর্ব করত। জাতি দীর্ঘদিন তার জনকের হত্যাকান্ডের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত ছিল না। একটি বিশেষ ম্যাকানিজমের মাধ্যমে জাতিকে সেই তথ্য প্রাপ্তি থেকে বন্চিত রাখা হয়েছিল। আজ কিন্তু জাতি ধীরে ধীরে সবই জানতে পারছে। এতদিন যারা এই হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার গর্বে দাপিয়ে বেড়াত, তারা এখন তাদের আইনজীবির মাধ্যমে প্রাণভিক্ষার বিনিময়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড চাচ্ছে। তারপরও বাঁচতে চাচ্ছে। আইনজীবিদের মাধ্যমে স্বীকার করছে যে, জাতির জনক দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রে নিহত হয়েছেন এবং জাতি ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে। তা মেনে নিলেও বলতে হবে এই সামরিক কুলাংগাররা ষড়যন্ত্রকারীদের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং জাতির ক্ষতি করেছে।
আজ খবরের কাগজের বরাতে জানতে পারলাম যে, খুণিদের দলকে ক্ষমতায় আনা হবে-শুধু এই আশ্বাসে জাতির জনকের এক খুণি তার নিজের মেয়েকে আরেক চরিত্রহীন সামরিক দুর্বৃত্তের হাতে সপে দেয়। এরা সবই পারে।
ওরা অসভ্য হলেও জাতিকে সভ্যতার পরিচয় দিতে হবে। সভ্যতার মাপকাঠিতেই এসব অসভ্যদের বিচার করতে হবে। "তুমি অধম বলেই কি আমি উত্তম হইব না?"
ভাল থাকুন, সুস্হ থাকুন, সদা নির্মল থাকুন..........
===================================================
আরেকটি বিষয় নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন, জুতাপেটা খাওয়া, ক্ষমতালোভী, সেই কুখ্যাত খুণী জেঃ জিয়ার দলের লোকেরাও আজ তাপসের উপর হামলার প্রতিবাদ করছে। এটি একটি ভাল লক্ষণ। সমস্ত অসভ্যপণার ধারকবাহক দলটির ভিতরও সভ্যতার আলো প্রবেশের পথ খুঁজছে।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
নির্দয় ভাই
আজ যদি একটি পোল করা হয় যে বংগবল্টুর বিচার কি রাজনীতিকরন করা হয়েছে তাহলে তার ফল কি হবে তা আপনি বুঝতেই পারছেন। এ পৃথিবীতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। তা আপনার নেত্রি হাছিনা শিখিয়ে দিয়েছেন। আজ যদি টেবিল উল্টে যায় এবং আবার আরেক পঁচাত্তরের সৃষ্টি হয় তাহলে এ সুর্য সেনারায় আবার গর্বের সাথে তাদের ভূমিকা শিকার করবে। মুজিবের উরফে ফেরাউনের দুশাষনে এতই মানুষকে অত্যাচার এবং বঞ্চনার শিকার হতে হয়েছিল যে দ্বীর্ঘ ২১ বছর লেগেছে এ সৃত্মি ভুলতে। তাই আমি মনে করি বিচারের নামে প্রহশন না করে এবং এ বিচারকে রাজনীতিকরন না করে এখন এ সময় এসেছে শেষ করার। বিচারপতিরা কয়েকদিন আগে আওয়ামীদের দ্বারা প্রোমশন প্রাপ্ত। তাই আমার মনে সন্দেহ আছে আমাদের বিচারপতিরা ন্যায় বিচার করতে পারবেন কিনা? তবে যুদ্ধাপরাধ এবং ফেরাউনের হত্যার বিচার শেষ করে আওয়ামীলীগের উচিত হবে একে আর রাজনীতিতে ব্যবহার না করতে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উধ্বগতি, বিদ্যুতের অভাব, আওয়ামী সন্ত্রাস, গনধর্ষন এবং দলীয়করন থেকে চোখ ফেরাতে আওয়ামীদের এ অপকৌশল কাজে আসবে না। ভারতের হাতে আমাদের স্বার্বভৌমত্ত্ব এবং পানি সম্পদ তুলে দেবার চক্রান্ত থেকে মানুষের চোখ ফিরবে না। মানুষ এত বোকা নয়। বিদেশীদের হাতে গ্যাস সম্পদ তুলে দেবার মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামীলীগ যদি মনে করে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে যা খুশি তাই করবে তাহলে তাদের জেনে রাখা ভাল যে বাংলার মানুষ নীরবে বসে থাকবে না। চক্রান্তের মাধ্যমে আমাদের সেনাদের হত্যার মাধ্যমে আমাদের প্রতিরক্ষা বাহীনিকে ধ্বংস করা অপপ্রয়াস আমাদের বীর সেনানিরা রুখে দিবে।
আওয়ামীরা যখন লগী বৈঠার তান্ডবে বাংলার রাস্তা রক্তে ভাসিয়ে দেয় তখন তাদের মাথায় সভ্যতা কোথায় থাকে। আওয়ামীদের তাই সভ্যতা নিয়ে পেচাল না পারায় স্রেয়।
বঙ্গবন্ধু মামলার আপিলের পঞ্চদশ দিনের শুনানি হলো
বঙ্গবন্ধু মামলার আপিলের পঞ্চদশ দিনের শুনানি হলো
Sun, Oct 25th, 2009 11:04 am BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, অক্টোবর ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বঙ্গবন্ধু মামলার আপিল শুনানির পঞ্চদশ দিন রোববারও বক্তব্য রাখেন আসামি সৈয়দ ফারুক রহমানের কৌঁসুলি খান সাইফুর রহমান।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের অন্যতম, সা¤প্রতিক বোমা হামলায় বেঁচে যাওয়া ফজলে নূর তাপসও আদালতে ছিলেন। চারদিন আগেই তাকে লক্ষ করে বোমা হামলা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাস্তে তাপসের অভিযোগ, তাকে হত্যা উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের স্বজন-সহযোগীরাই ওই হামলা চালায়।
দুদিন বিরতির পর বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি সকাল পৌনে ২০টায় শুরু হয়ে চলে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।
খান সাইফুর বুধবার থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। সোমবারও বক্তব্য দেবেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে আসামি পক্ষের আপিল শুনানির জন্য গত ৪ অক্টোবর বেঞ্চ গঠনের পরদিন এ মামলার শুনানি শুরুহয়। মামলার পেপার বুক উপস্থাপন শেষ হলে ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয় যুক্তিতর্ক।
বঙ্গবন্ধু মামলার আপিল শুনানি গ্রহণে গঠিত বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন- মো. আবদুল আজিজ, বি কে দাস, মো. মোজাম্মেল হোসেন ও সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা)।
বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনায় ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর ২৪ জনকে আসামি করে মামলা হয়। বিচারিক আদালত ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট ১২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে।
২০০৭ সালের ২৩ সেপেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে।
বর্তমানে কারাবন্দি মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলো, বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর বজলুল হুদা ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল একেএম মহিউদ্দিন।
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শরিফুল হক ডালিম ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন পলাতক।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এটি/এমআই/১৩৩৫ ঘ.
আওয়াজ তুলুন
৭৫'এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক দ্বিতীয়বার।
এক দফা এক দাবি হাসিনা তুই কবে যাবি
টেকনাফ হইতে তেতুলিয়া সবাই বলে খালেদা জিয়া
তারেক জিয়ার চিন্তাধারা বিশ্বকে দিছে নাড়া
আলতাফ মিয়া তুমার আরেকটা সোগান চেন্জ কর ভাল লাগিব তুমি মজা সবাই
৭৫ এর হাতিয়ার তুমি তুমার হুগার ভিতর ঢুকাইয়া দসর রাস্তায় নাছ। খুব আরাম পাইবা। নাইত জেলের ভিতরে গিয়া তুমার লিডাদের লিংগ চোষ তাতেও আরাম পাইবা।
আমরা বাঙ্গলী, বীরের জাতি,
মুক্তিযোদ্বাদের জাতি।
একজন মুক্তিযোদ্বা?
আমার আত্মার আত্মীয়, আমার গর্ব,
আমার স্বদেশ, আমার সোনার বাংলা,
আমার প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ।।
altaf_hossain..........
আমি শুনলাম রোকেয়া হলের ছাত্রীরা নাকি শ্লোগান দিচ্ছে-
"আমরা সবাই খালেদা হব"
আর বাইরে থেকে একদল টোকাই শ্লোগানে বলছে-
"এত ফালু কোথায় পাব"।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
দেহপশারীনি
বেকুবের বাচ্চা বেকুব, রোকেয়া হলে ছাত্রী থাকে তা আপনাকে কে বলেছে? ওরা সবাই দেহপশারীনি। ওরা কেউ খালেদা জিয়ার ঠ্যঙ্গের সমান হতে পারবেনা।
- একদফা এক দাবী হাসিনা তুই কবে যাবি!
আলতাফ হোসেন নাকি মতলব খাঁ
আলতাফ হোসেন সাহেব কেন যেন আপনাকে আমার কাছে একজন মতলব খাঁ বলে মনে হচ্ছে।আপনি এসেই যেভাবে একদফা দিয়ে বসলেন তাতে তো আক্কেল গুড়ুম হওয়ার যোগার।তা বলি কি হাসিনা চলে গেলে আপনি গদিতে কাকে বসাতে চান?আপনার আম্মাজানকে?তেনারে তো আমাগো ভালভাবেই চেনা আছে।হে হে হে----
এক এগার, রাখেন পেচাল
আপনেরা প্যাজগি করেন আর যাই করেন বাংলাদেশেড় রাজনীতি করবে জাতীয়তাবাদীরা। বাকশাল নিয়া আপনারা বেশী দূর যাইতে পারবেননা। আমাদের মহান নেত্রী বাকশালী ষড়যন্ত্র নস্যাত করে বাংলাদেশে ইসলামী মূল্যবোধের সমাজ কায়েম করবেন ই করবেন। নেত্রীর সাথে আছেন আমাদের তরুন নেতা, বিএনপির প্রান তারেক জিয়া। মতলববাজ আপনারা। এখনো সময় আছে বিএনপির পতাকা তলে জমায়েত হউন। কোমরে ঠেংগানি দিলেই বাকশালী ভূল পলাইব।
আওয়াজ তুললাম, Mr. "হাতিয়ার" hossain
Mr. "হাতিয়ার" hossain,
You are next in line after bd08 for your brain misalignment fix.
Your Khaleda Begum and B.A.L's Begum have blessed Bangladesh so much that everyone is running to foreign embassies in BD for any type of visa. They have their one way tickets in hands.
If your হাতিয়ার shakes the world too much, what will happen to your Begum when Tsunami hits her?
How much আওয়াজ should we raise?
Send your Begum to California. We will implant EPROM in her empty upper chamber so that shaking of the world will stop. If this works, B.A.L's Begum will be next.
Robin
Carmel, California
রবিন হুড
ভাই, আপনারা এক একজন রাজনীতির মহা পন্ডিত। আমি তেমন কেউ নই, কিন্তূ শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদের আমি একনিষ্ঠ ভক্ত। খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া উনারই বংশধর, তাই এদের লইয়া কিছু লিখলে আমি সয্য করতে পারিনা। আপনারা লিখে যান আপনাদের বড় বড় কথা, আমি থাকতে চাই আমার নেতা-নেত্রীদের নিয়াঃ
টেকনাফ হতে তেতুলিয়া সবাই বলে খালেদা জিয়া
এক দফা এক দাবী হাসিনা তুই কবে যাবি
তারেক জিয়ার চিন্তাধারা বিশ্বকে দিচ্ছে নাড়া
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
hey
man u should c a doctor, u r mentally retarded, or stand infront of BNP office, take a hot steel rod, type ' this is taeq zias cock' in a piece of paper, stick that paper in that rod and then pop in that rod to ur ass and scream ' i love BNP'
fuck off
@ আলতাফ সাহেবকে...।
আপনি বাজাভক্ত তাতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আপনি লিখেছেন,খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া উনারই বংশধর, সমস্যাটা এখানেই। তারেক মিয়া জিয়ার বংশধর, আপনি যখন সাক্ষি দিচ্ছেন আমরা মেনে নিলাম,তাতেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যা হলো, বেগম খালেদা কি করে জিয়ার বংশধর হয়। তওবা,অস্তাগফিরুল্লাহ।
আপনে তো সব ছেরাভেরা কইরা ফালাইলেন ভাইজান।
আপনার মাথা ঠিক আছে তো ?
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
এত প্যাজগির দরকার কি?
ভাই ত্যেনা পেচাইয়েনা। খালেদা জিয়ার নেত্রীত্বে জাতীয়তাবাদীরা যেদিন গর্জে উঠবে আপনার মত ইন্দুরের দল বুরিগংগায়ও ঠাই পাইবেননা।
@আলতাফ হোসেন সাহেবকে...।
ভাইজান, এটি একটি ওপেন ফোরাম। এখানে আপনার মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। আপনি সে স্বাধীনতার ব্যাবহার করে লিখবেন, আর পাঠক তা পড়বেন। আপনার মতামতে প্রশ্ন উদ্রেককারী কোন বিষয় থাকলে পাঠক অবশ্যই প্রশ্ন ছুড়ে দিবে,যদিও তার উত্তর দেয়া বা না দেয়াটা আপনার ব্যক্তিগত অভিরুচীর ব্যাপার।
তর্জন আর গর্জন এর সাথে বাঙ্গালীদের অবিচ্ছেদ্ব সম্পর্খ। পদ্মা,মেঘনা,যমুনা,বুড়ীগঙ্গা,ভৈরব আর রুপসার পাড়ে যাদের জন্ম, তাদেরকে বুড়ীগঙ্গা তো দুরের কথা যুবতীগঙ্গা দেখিয়ে কোন ফয়দা আছে কি ? আঞ্চলিক ভাষার ব্যাবহারে কিছু সরল শব্দ ছুড়ে দিয়ে নিজেকে যতই সোজা দেখানোর প্রচেষ্টাই করুন না কেন, তাতে আপনার প্রশ্ন উদ্রেককারী গরল মতামতের কোন সমাধান নেই ?
তারেক মিয়া জিয়ার বংশধর হলেও, বেগম খালেদা জিয়া কোন বিচারেই জিয়ার বংশধর নন।
ভাল থাকুন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান সাহেব
এতদিন জাতীয়তাবাদী বিডি আর গ্যাংলিডারদের জ্বালায় অস্থির ছিলেন!তার চেয়ে ও বড় জ্বালা যে আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে তখন কেই বা জানত!আমার তো মনে হয় আলতাফ হোসেন সাহেব জ্বালানোর জন্যই এখানে তশরিফ এনেছেন।দেখেন তার জ্বালা সইতে পারেন কি না!সেতো জাতীয়তাবাদীদেরকে ও রেহায় দিচ্ছে না।সাথে আবার বনের রাজা নামে আরেক আপদ যোগ হয়েছে!
আমার মনে হয় এই বিচ্ছুগুলিকে বেশি না ঘাটানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।ভাল থাকুন।
আলতাফ মিয়া, এই ষোলগান তুমি কি পাইলা, একটু চেন্জ করিয়া দেই, ভাল
তুমি বল, তারেক মিয়ার চিন্তাধারা, তোমার হুগারে দিছে নারা
তুমি তুমার দলনেত্রির ছেলের সাথে সারা রাইত হুগা মারা দাও। আর মনের সুকে গান গাও।
আর বল টেকনায় থেকে তেতুলিয়া আমরা সবাই ভাতার জিয়া। আমরা সবাই ফালু হব খালেদার সাথে জিনা করব।
আমরা বাঙ্গলী, বীরের জাতি,
মুক্তিযোদ্বাদের জাতি।
একজন মুক্তিযোদ্বা?
আমার আত্মার আত্মীয়, আমার গর্ব,
আমার স্বদেশ, আমার সোনার বাংলা,
আমার প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ।।
ইতরের ঘরে ইতর
রাজা, আপনার মুখে আমি মুতি।
লাল বাশ সাহেব
আপনার "মুতা" ছাড়া আর কি ট্যালেন্ট আছে?
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
altaf_hossain
খুব ভাল কথা আপনি আপনার নেতা-নেত্রীদের নিয়া থাকেন।
আপনি এই ই-মেলার পোষ্টিং সয্য করতে না পারলে মাগুর মাছের ঝোল দিয়ে আমন চালের ভাত খেয়ে ঝাপিয়ে পড়েন নদিতে বা সাগরে। দেখবেন তাতে করে আপনার সয্য শক্তি আরো বেড়ে যাবে।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
আলতাফ সাহেব
সবই বোঝলাম কিন্তু তারেক জিয়ার চিন্তাধারা শ্লোগানটা খটকা লাগতেছে । আপনার নেতার চিন্তাধারা বিশ্ববাসীকে নাড়া দিচ্ছে নাকি বিশ্বের বড় বড় ব্যাংক গুলিকে নাড়া দিচ্ছে ? একটু খোলাসা করে যদি বলতেন ।
ডিজিএফআই তথা সরকারীদলের সেট আপ।
আমি তো অনেক আগে থেকে ধরে নিয়েছিলাম আলতাফ সাহেব হলেন ডিজিএফআই তথা সরকারীদলের সেট আপ। ঠিক বলি নি?
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
SC terms ex-army chief Safiullah 'coward' ??? What ????
Is this the buisness of Supreme court to say who should have saved Sk. Mujib or who was coward!! How can anyone expect neutral justice from a Supreme court which makes this kind of comments. This Supreme court has become nothing less than a Awami-Baksali platform. A political wing of Awami-Baksal.
From Priyo.com front page today:
The Supreme Court on Tuesday termed then army chief Maj Gen (retd) KM Safiullah a "coward army" and "liar" for his failure in taking any effective step to save Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman from the attacks on August 15, 1975.
The frog which tried to become a bull
A frog pumped air into it's stomach to become big like a bull & exploded itself in the process. Another frog is trying to become SC judge?
আলতাফ সাহেব
আপনি তো দেখছি জাতীয়তাবাদী সকল গোলামকে অতিক্রম করার পথে রয়েছেন।কনগ্র্যাচুলেশন।এগিয়ে যান মিয়া ভাই আপনার ইয়া নিয়া।
Joshua
খ্রীষ্টান ভাই
যশুয়াগীরি মারাইয়েননা, বাংলা নাম নেন, বাংলায় কথা কন। এই দেশে যতদিন একটা সাচ্চা মুসলমান বেচে থাকব তারেক জিয়ার নাম ততদিন টিকয়া থাকব। আপনাদের মত মালাউওনদের প্যাচালে তার কিছু আসে যাবেনা।
এতো আরেক যন্ত্রনা
এমনিতেই বিডি ফিডি ডালিম আর রায়হান খান এর যন্ত্রনায় আছি তার উপর আবার আলতাফ হোসেন।ঐ মিয়া তুমি তোমার চিন্তা চেতনা নিয়া থাক।এখানে এসে আমাদেরকে আর পুরানো চাউলের ভাত খাওয়াইবার চেষ্টা করি ও না।যত সব ঝামেলা।
ভাই আওয়ামী
আপনি কে তা আমি জানতে চাইনা, কিন্তূ আমার প্রান প্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়া কিছু লিখলে আগুন জ্বালব এখানে।
আরো আগুন আরো জ্বালো
রুপে আমার আগুন জ্বলে
ফালু -রুশোর জন্যে
প্রসঙ্গ,বিচারের নৌকা...।
সার্বজনীন ভাবেই সাধারন বিচারের নৌকার গতী মন্থর।
কারন সার্বজনীন প্রকৃত সাধারন বিচার প্রক্রিয়ায় অপরাধীর বিচারের থেকেও বেশী মনোযোগী দেয়া হয়ে থাকে অনাপরাধীকে সাজা দানের ন্যায় ভুলের চোরাবালীতে হারিয়ে না যেতে।
তাই,সাধারন এ বিচার প্রক্রিয়াতে এ ধরনের অসহিষ্ণুতার কোন স্থান নেই।
তবে সদা জাগরুক কচ্ছপ গতির এই বিচার প্রক্রিয়া খরগোশ গতীর জংলী অবিচার থেকে অবশ্যই অতি সভ্য ও উত্তম।
তাই, আবারো বলি, ধীরে ভাইজান, ধীরে। কারন আমরা খরগোস গতীর তথাকতিথ বিচার প্রক্রিয়ার গোআজম সুলভ নগরিকত্বের মাকাল ফলে বিশ্বাসী নই।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
ভাই হাসান ঈমাম
এখন বোধহয় একটু তাড়া করার দরকার। সময় যত যাচ্ছে সবদিকেই খারাপ হচ্ছে।
আর আমাদের ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সোনার ছেলেরা সাধারন মানুষের কাছে এসব বোঝার পরিবেশটাও রাখছে না।
ওয়াচডগ ও আব্দুল্লাহ ভাইজানকে...।
ছাত্র, যুব ও স্বেচ্ছার সোনার ছেলেদের স্বেচ্ছাচারীতা যে কোন সচেতন ব্যক্তির কাছেই উদ্ভিগ্নের বিষয়। এ ব্যাপারে সরকারী মহলের কাছে যখনি সামগ্রীক ভাবে প্রশ্ন করা হয় তখন তিনি আমাদের উদ্ভিগ্নতার সাথে চটজলদি একমত পোষন করেন। কিন্তু, যখনি তাকে তার নিজ এলাকার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় তখনি তিনি এলাকার রাজনীতির প্রেক্ষাপট বর্ননা করে বিষয়টি নিজের রঙ্গে রাঙ্গাতে চান।
কেবিনেটে ও নাকি একই ধরনের দৃশ্য দেখা যায়, সমগ্র দেশের সন্ত্রাষের ব্যাপারে সেখানে একটি সাধারন মতৈক্য থাকলেও, নিজ এলাকার ঘটনাগুলিকে সকলেই নিজের রঙ্গেই রাঙ্গাতে অভ্যস্থ।
তবে এ ব্যাপারে একটু ব্যাতিক্রম দেখা গেল এখানে সফরকারী হাসানুল হক ইনু কে। তিনি নিজ এলাকার সন্ত্রাষ এবং সে সকল সন্ত্রাষে স্থানীয় সরকারী দল ও জোট সহ সার্থ সংশ্লিষ্ট বিরোধী দলের গডফাদারদের মদত আছে তা স্বীকার করে নিয়ে, বিষয়টি নিরাময়ে একটি সুনিদৃষ্ট কর্মপন্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রনালয়ের সমন্নয়ে কাজ চলছে বলে জানালেন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার কাজ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। যুদ্ধপোরাধীদের বিচারের আনুষ্ঠিকতা আগামী স্বাধীনতা দিবসের পুর্বেই শুরু হবে বলে জানা গেছে। তাই ধরে নেয়া যায় জনগুরুত্বপুর্ন এ বিষয় দুটি সঠিক খাতেই প্রবাহিত হচ্ছে, তাই এ দুটি বিষয় নিয়ে আমি আদৌ উদ্ভিগ্ন না হলেও উপরেউল্লেখিত ছাত্র,যুব ও স্বেচ্ছার সোনার ছেলেদের বিষয়ে উদ্ভিগ্ন বটে।
ভাল থাকুন।
হাসান ইমাম খান।
জনগুরুত্ত্বপূর্ন?
আপনি কেমনে ভাবলেন যে মুজিবের বিচার জনগুরুত্ত্বপূর্ন? কেমনে ভাবলেন যুদ্ধাপরাধীর বিচার জনগুরুত্ত্বপূর্ণ? আজকের দ্রব্যমূল্য, সন্ত্রাষ, দূর্নীতি এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ড কি এর চেয়ে বেশী জনগুরুত্ত্বপূর্ণ নয়? বাংলার মানুষ কে ৩০ বছর আগে কি করেছিল এবং তার বিচার হল কিনা তা নিয়ে ভাবে না। তারা ভাবে তাদের পেটে ভাত জুটবে কিনা তা নিয়ে। বাজারে যেভাবে আগুন লেগেছে তাতে আরে দূর্ভিক্ষের সূচনা হচ্ছে।
No justice in 21 years. So All problem solved
There is no justice in trial of Sheikh Mujib.So ,all problem solved.We got gas ,water ,electricity.
আবদুল্লাহ ভাই
সময়মত যুদ্বাপরাধীদের বিচার সমাপ্ত করা না গেলে সামনের নির্বাচনে এ নিয়ে কথা উঠবে, তার চেয়ে বড় কথা এই বেজন্মাদের আদৌ কোনদিন বিচার করা যাবে কিনা এ নিয়ে সন্দেহের দানা বাধবে। সুতরাং সাধূ সাবধান।
ভাই WatchDog_bd
আমি সম্পুর্ণ একমত। আবার এট কতটুকু করতে পারবে, তা নিয়াও আমি সন্দিহান।
আশাপ্রদ কিছু মনে হচ্ছে না। তারপরও হাসান ইমাম ভাইয়ের মত আশা রাখতে চাই।
আবদুল্লাহ ভাই
ভাই, সন্দিহান হবার কোন কারন নেই। আপনার চিন্তাটা আওয়ামী লীগ জানে এবং বুঝে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি এখন শুধু আমাদের প্রজন্মেরই নয়। এটা এখন তরুন প্রজন্মেরও বটে। যার কারনেই আওয়ামী লীগ একচেটিয়া ভাবে নতুন প্রজন্মের ভোট পেয়েছে। সুতরাং, এটা মিস হবার কোন কারন নেই। একটু সময়ের জন্যে ধৈর্য্য ধরুন।
তবে হ্যা, এটা হয়তো খুব বড় আকারে হবে না। যদি বিডীআর হত্যাকান্ড না ঘটতো তবে হয়তো এতদিনে আপনি এর অনেক অগ্রগতি দেখতে পারতেন। যাই হোক, আগামী ছয়মাসের মধ্যেই আপনি কিছু দেখতে পাবেন বলে আমার বিশ্বাস।
TIGER71 ভাই,............
আসলে বিডিআর এ হত্যাকান্ডটি ঘটানো হয়েছে যুদ্বাপরাধীদের বিচার প্রকৃয়াটি থামিয়ে দেয়ার জন্য। এর সাথে আমাদের সেনাবাহিনীর পাকি আই এস আই লালিত অংশটি জড়িত থাকতে পারে। নিহত সেনা অফিসারদের ৩৭ জনের নিকটতম আত্নীয়স্বজন আওয়ামী ঘরানার রাজনীতির সাথে জড়িত। কর্নেল গুজার ছিলেন একজন শহীদ মুক্তিযোদ্বার সন্তান। আপনাকে মনে রাখতে হবে এই সেনাবাহিণীতে কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আজমের ছেলেও চাকরি করেছে। এই আজম এস এস সিতে কোনমতে দ্বিতীয় বিভাগ আর এইচ এস সিতে তৃতীয় বিভাগ পেয়ে পাস করা ছাত্র। অথচ তাকে দেয়া হয়েছে "সোর্ড অব অনার" যা সেনা ক্যাডেটদের সর্বোচ্চ মেধার স্বীকৃতি স্বরূপ দেয়া হয়।
আরো একটি বিষয় হল, সেনা অফিসারদের সাথে সেনাকুন্ঞে অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর রুদ্বদ্বার কক্ষের বৈঠকের বিষয় বস্তু তারা এডিট করে বাইরে ছড়িয়ে দিয়েছে। তারা ভেবেছিল প্রধানমন্ত্রীকে ধমক দিয়ে তারা বাহাদুরী দেখিয়েছে। ফলত হয়েছে তার বিপরীত। মানুষ দেখেছে কতিপয় অশ্রধারীর ঔদ্বত্য। তারা সুযোগ বুঝে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে শাসিয়েছে তাদের প্রাপ্তির জন্য। যুদ্বাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে হয়ত মুখ খুলে বলতে পারছিল না। কিন্তু উদ্দেশ্যটা তাই ছিল।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
WatchDog ভাই,...........
আপনি হয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন যে, কোন বিচারের নাম উঠলেই শকুনী বেগমের বাজখাই গলা চড়া হয়ে আসে। পরিস্হিতি ঘোলাটে করার জন্য সে উস্কানী দেয়। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের রায় প্রথমবার প্রকাশের আগের দিন এই শকুনী বেগম চড়া গলায় বলেছিল, "ওরা কেন বিচার করবে?" আর পাকিদের দালাল রাজাকাররা হল এদের ক্ষমতার মূল উৎস। এদের রক্ষায় এই শকুণী ঘসেটি বেগম কি ভিতরে ভিতরে নেমে পড়ে নাই? তারপরও তাদের বিচার হতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই। প্রয়োজনবোধে এই ঘসেটি বেগম এবং তার সাংঘপাঙদেরও বিচারের কাঠ গড়ায় তুলতে হবে। আশা করি এ যাত্রায তাদের রেহাই হবে না।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
হাসান সাহেব,
তথাস্তূ হাসান সাহবে তথাস্তূ! আরও ৪ বছর সময় আছে, বাতায়ন খুলে তাকিয়ে রইব কচ্ছপ দৌড়ের দিকে।
আদালতের আর্তনাদ
ক্ষমতার নাকি একটি উত্তাপ আছে। কিন্তু এই উত্তাপ কার জন্য, কার স্বার্থে? সরকারের হাতও নাকি অনেক লম্বা। কিন্তু এই লম্বা হাতটা ব্যবহার হবে কার জন্য? তবে আমাদের নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রী বাহাদুররা নিজেদের যেভাবে গণতন্ত্রের প্রাণপুরুষ হিসেবে দাবি করেন এবং গণমানুষের স্বার্থে যেভাবে সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে চান, তাতে তো এমন ভাবাই সঙ্গত যে, সরকারের হাত আর ক্ষমতার তাপ সবই ব্যবহার হবে জনস্বার্থে। কিন্তু বাস্তব অবস্থা কি তেমন কথা বলে? গত নয় মাসে আমাদের গণতন্ত্রপাগল সরকার যেসব কর্মকান্ডের উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তাতে বরং ফ্যাসিবাদী মানসিকতার নানা চিত্রই জনগণের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আদালতের তিরস্কারেও বিষয়টি উপলব্ধি করা যায়।
জামিন আবেদনে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুকে রিমান্ডে নেয়ায় এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল একেএম জহিরুল হককে তীব্র ভাষায় তিরস্কার করেছে হাইকোর্ট। গত ১৩ অক্টোবর হাইকোর্ট এটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে বলেছে, আপনারা শুনানিতে সময় নেবেন আবার রিমান্ডে নিয়ে টর্চার করবেন- এটা কোন ধরনের আচরণ? মানুষকে লিবার্টি দেয়ার জন্য এখানে বসেছি। আপনি আজ রাষ্ট্রপক্ষে আছেন।কাল অন্যপক্ষেও থাকতে পারেন।আপনাকেও টর্চার করা হতে পারে,এটা ভাল নয়।আপনাদের ক্ষমতা আছে,আমাদেরকেও পেটান। এভাবে চালাতে চাইলে হাইকোর্ট উঠিয়ে দেন।সিস্টেমে থাকাকালে আপনাদের এরকম করা উচিত নয়।
দেশের এটর্নি জেনারেলকে আদালত যেভাবে তিরস্কার করলেন এবং ক্ষুব্ধ ভাষায় হাইকোর্ট উঠিয়ে দেয়ার যে কথা বললেন, তা গভীরভাবে ভেবে দেখার মত একটি বিষয়। আদালতের এই বক্তব্যের গুরুত্ব বিবেচনা করলে যেকোন সচেতন ব্যক্তিই এ কথা স্বীকার করবেন যে, আমরা এক ক্রান্তিকালে এসে উপস্থিত হয়েছি। আমাদের রাষ্ট্র যে কয়েকটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে তার অন্যতম হল বিচার বিভাগ। এখন আদালত যদি সরকারের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্ট উঠিয়ে দেয়ার কথা বলেন, তখন একথা বুঝতে কারোই কষ্ট হয় না যে, বিচার বিভাগের সাথে সরকার সঠিক ও সম্মানজনক আচরণ করছে না। সরকার যদি বিচার বিভাগের সাথেই সঠিক আচরণে অনীহা প্রকাশ করে, তাহলে সাধারণ জনগণ এমন সরকারের কাছ থেকে কী আশা করতে পারে? আমরা জানি ক্ষমতা কোনো চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বিষয় নয়। সরকার আসে, সরকার যায়। তবে কোনো সরকার তার মেয়াদে যে কাজ করে তার ফলাফল জনগণ ভোগ করে। সরকার গণতান্ত্রিক চেতনায় আইনের শাসনকে সম্মান করলে জনগণের মানবাধিকার রক্ষিত হয়। আর সরকার যদি ক্ষমতার দম্ভে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠে তাহলে মানবাধিকার লংঘিত হয়। তখন মানুষের জান, মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা থাকে না। এমন সরকার মানুষের অভিশাপ কুড়ায়। নির্বাচনী রায়ের সময়ে তার প্রতিফলনও লক্ষ্য করা যায়। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হলে সরকারের মঙ্গল। আর ক্ষমতার দম্ভে সরকার যদি সতর্ক হতে না চায়, নির্যাতন নিপীড়নের পথেই অটল থাকে তাহলে তো ইতিহাসের কাঠগড়া প্রস্তুত আছেই। ইতিহাসের রায় তাকে মাথা পেতে নিতে হবেই, এর থেকে কারো নিস্তার নেই।
http://www.somewhereinblog.net/blog/bitter/29031895
আদালতের আর্তনাদ Information Source Please?
Information Source Please?
Only Amerdesh Source is not beliveable
Is the same news published another newspaper. You may know that Amerdesh is published by Flau .
Dear mailsmsi-Information Source
http://amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=242593&News...
http://www.dailynayadiganta.com/2009/10/14/fullnews.asp?News_ID=172820&s...