এক রাজপরিবারের নিরাপত্তা-উন্মত্ততা

FUNNY FACE SK. HASINA.jpg

এক রাজপরিবারের নিরাপত্তা-উন্মত্ততা

মাহমুদুর রহমান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ, তার সহোদরা শেখ রেহানা সিদ্দিকী এবং তাদের চার পুত্র-কন্যা, একাধিক পরিবারের একুনে এই ছয়জন সম্প্রতি অভূতপূর্ব রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার সুবিধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। এতদসংক্রান্ত এক বিচিত্র আইন সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করে একদলীয় সংসদের উপস্থিত সদস্যরা অক্টোবরের ১৩ তারিখে টেবিল চাপড়ে হর্ষ প্রকাশ করেছেন। নতুন আইন অনুযায়ী একাধিক পরিবারের অর্ধডজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্র যেসব সুবিধা প্রদান করবে, তার মধ্যে প্রধান হলো� সুরক্ষিত বাসস্থান এবং চাহিদা অনুযায়ী নিরাপত্তা। বাংলাদেশের বিশেষ কয়েকজন নাগরিককে এই বিশেষ সুবিধা দেয়ার জন্য যে আইনটি সংসদে অনুমোদিত হয়েছে তার শিরোনাম হচ্ছেঃ �জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন ২০০৯�। বাংলাভাষার অভিধান চলন্তিকায় পরিবার বলতে কেবল পোষ্য আত্মীয়রা এবং পত্নীর কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে জাতির পিতা নামক কোনো উপাধিতে বিশ্বাস করি না। তবে সেটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। আওয়ামী লীগের তাবৎ নেতাকর্মী এবং উল্লিখিত আইনটি সংসদে অনুমোদনের সময় সংসদকক্ষে উপস্থিত সব সংসদ সদস্য মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে মান্য করে থাকেন এবং সেটাই বর্তমান পরিস্থিতিতে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ মুজিবুর রহমান আজ থেকে ৩৪ বছর আগে নিহত হওয়ার কারণে এখনো তার কোনো পোষ্য আত্মীয়বর্গ থাকার প্রশ্ন ওঠে না। তার স্ত্রীও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার সাথেই মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। তাহলে চলন্তিকায় প্রদত্ত শব্দার্থ� অনুযায়ী জাতির পিতার পরিবারের সদস্য এখন পর্যন্ত খোঁজ করা দুরূহ বলেই অন্তত আমার কাছে মনে হচ্ছে। মৃত মানুষের পোষ্য আত্মীয়বর্গ অবশ্যই থাকতে পারেন এবং রাষ্ট্র অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরনের আত্মীয়বর্গকে সহায়তা দিয়ে থাকে। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরও রাষ্ট্র তার পোষ্য বিধবা পত্নী এবং নাবালক দুই পুত্রের জন্য বাসস্থান ও নগদ অর্থের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার দীর্ঘ ৩৪ বছর পর কোনো যুক্তিতেই তার কোনো পোষ্য আত্মীয়বর্গ থাকার কথা নয়। আর দেশের ১৫ কোটি নাগরিকের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে যদি তদীয় মরহুম পিতার পোষ্য আখ্যা দিতে হয় তাহলে প্রকৃত পোষ্যদের লজ্জায় অধোবদন হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। কাজেই শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং তাদের পুত্র-কন্যাদের যদি বাড়িঘর, সেপাই-সান্ত্রী দিতেই হয় তাহলে আইনের শিরোনামটি অবিলম্বে পাল্টানো দরকার। নইলে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ত্যাগের পর তাদের জন্যই উটকো ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে। ১৯৯৬ সালে গণভবন দখল এবং ফেরত দেয়ার ঘটনা এত টাটকা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতাসীনরা একই গর্তে কেন যে আবার পা দিলেন, তা তারাই ভালো জানেন! ন্যাড়া যে একবারই বেলতলায় যায়, এই প্রবচনে অন্তত রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে আর বিশ্বাস রাখা যাচ্ছে না। স্বাধীনতার স্থপতিকে বারবার বিতর্কিত করলে একপর্যায়ে আওয়ামী লীগের মূল রাজনৈতিক পুঁজিতেও টান পড়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র, এই সমীকরণটি সম্ভবত অন্ধ সমর্থকরা বুঝতে চান না। অবশ্য ক্ষমতাসীনরা যদি ধরে নিয়েই থাকেন যে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে ইসলামবিদ্বেষীদের অনুকূলে থাকার ফলে তাদের মসনদ চিরস্থায়ী হয়ে গেছে, তাহলে যতই যুক্তি প্রদর্শন করা যাক না কেন তাতে কোনো ফায়দা হবে না।

পরিবার নিয়ে বিতর্কের এখানেই ইতি টানতে পারছি না। তর্কের খাতিরে না হয় ধরেই নেয়া গেল শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তাদের স্বামীর পরিবারের সদস্য নন। কিন্তু তাদের সন্তানরা কোন আইন কিংবা বিবেচনায় যার যার পিতার পরিচয় কিংবা পরিবারকে পাশ কাটিয়ে মাতামহের পরিবারের সদস্য হচ্ছেন সেটা বোঝা সাধারণ জনগোষ্ঠীর বুদ্ধির অগম্য। এই যুক্তি মেনে নিলে ভবিষ্যতে তাদের সন্তানরা এবং তারপর তাদের সন্তানরা যে একই আইনের আওতাভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রপ্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা অধিক হারে ভোগ করবেন না তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়? জাতির পিতার পরিবারের এই ছিলছিলা কোথায় গিয়ে শেষ হবে সেটা তো জনগণের জানার ও বোঝার অধিকার রয়েছে। নাকি বাংলাদেশের স্বঘোষিত রাজপরিবারের কলেবর এক একজন নতুন অতিথির আবির্ভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হবে, আর সৃষ্টিছাড়া আইনের দৈর্ঘ�কেও রবারের মতো টেনে লম্বা করে তাদের জন্যও বাসস্থান এবং চাহিদামাফিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে? আমাদের এমন শঙ্কার পেছনে যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। ১৯৯৬ সালে গণভবন-সংক্রান্ত নাটকে মাত্র দু�টি চরিত্র ছিল। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। এবার দেখলাম স্ক্রিপটে চরিত্রের সংখ্যা বেড়ে ছয় হয়েছে। মনে রাখতে হবে এই বিশেষ পরিবারের সদস্যদের স্বামী কিংবা স্ত্রীকুল এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। সেখানে যুক্তিসঙ্গত কারণেই রাষ্ট্র কর্তৃক উপেক্ষাজনিত মান-অভিমান শুরু হয়ে গেলে সুবিধাপ্রাপ্তদের সংখ্যা এমনিতেই বেড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। একসময় হয়তো দেখা যাবে দেশে-বিদেশে ব্যক্তিবিশেষের নিরাপত্তা দেয়ার চাপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর এতই বেশি যে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনাসংখ্যা কমিয়ে কেবল এসএসএফ�র আকার বৃদ্ধি করতে হচ্ছে।

এই নিরাপত্তা প্রদানকালে সরকারের জন্য অপর একটি বিব্রতকর অবস্থার উদ্ভব হতে পারে। ঘটনাচক্রে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র-দৌহিত্রীদের মধ্যে বিদেশী নাগরিকের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা যথেষ্ট প্রবল। অবশ্য তারাও যে এত দিনে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো দেশের নাগরিক হয়ে যাননি এ বিষয়েও আমাদের নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব নয়। যাকগে, এগুলো সব রাজপরিবারের নিজস্ব ব্যাপার। প্রজাদের জন্য এসব প্রশ্ন উত্থাপন করা শুধু অমার্জনীয় অপরাধই নয় বিপজ্জনকও বটে। বাংলাদেশের বিশেষ বাহিনী এসএসএফ কোন আইন বলে বিদেশী নাগরিকদের তাদের চাহিদা অনুযায়ী নিরাপত্তা বিধান করবে সেটাই এখন মিলিয়ন ডলার মূল্যের প্রশ্ন। তাদের বাংলাদেশে অবস্থানকালে আইন-কানুনের কূটতর্ক এড়িয়ে না হয় একটা ব্যবস্থা করা হলো। কিন্তু মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি-নাতনীরা তো বাংলাদেশে বলতে গেলে অবস্থানই করেন না। তারা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ফিনল্যান্ডের অধিবাসী। দৃশ্যটি কল্পনা করতে চেষ্টা করছি যে উল্লিখিত চারটি দেশে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সদস্যরা গলদঘর্ম হয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের পেছন পেছন। জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সমপরিমাণ বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেলে চাকরিটা সংশ্লিষ্টদের কাছে হয়তো যথেষ্ট লোভনীয় হিসেবেই বিবেচিত হবে। শুনতে পাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নাকি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ের চেয়ে শান্তিমিশনে চাকরির শর্ত নিয়ে আলাপ-আলোচনাই বর্তমানে বেশি হয়ে থাকে। ওই চার দেশের সরকারের অনুমতি পাওয়াটাই যা একটু সমস্যা। অবশ্য এখন যেহেতু পশ্চিমাদের বন্ধু হিসেবে বিবেচিত সেকুলার গোষ্ঠী বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত কাজেই ইঙ্গ-মার্কিন-ভারত অক্ষশক্তির সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় অনুমতিপ্রাপ্তি সহজসাধ্য হওয়ারই কথা। বাকি থাকল বিদেশে সুরক্ষিত বাসস্থানের ব্যবস্থা। বাংলাদেশ ব্যাংকে এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় রয়েছে। সেই সঞ্চয় ভেঙে লন্ডন, নিউইয়র্ক, টরন্টো কিংবা হেলসিঙ্কিতে ডজনখানেক বাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার মোটেও কার্পণ্য করা উচিত হবে না। যার অবর্তমানে কেবল নাম ব্যবহার করেই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে তার পরিবারের জন্য এতটুকু ত্যাগ স্বীকার করতে না পারলে ধিক ক্ষুদ্র মনের বাঙালি জাতিকে।

কতজন আওয়ামী লীগ সমর্থক লেখাটি এ পর্যন্ত পড়ার মতো ধৈর্য ধারণ করতে পেরেছেন জানি না। তবে যারা এ পরিমাণ ধৈর্যশীল তাদের অনুরোধ করব নির্মোহচিত্তে আমার যুক্তিগুলো অনুধাবনের চেষ্টা করতে। সমর্থককুল বিষম বিরক্তিসহকারে এ প্রশ্ন করতে পারেন, ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান সেনা-অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর তার পরিবার নানাভাবে রাষ্ট্রীয় সুবিধাপ্রাপ্ত হলে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সময় এত প্যাঁচ কষা হচ্ছে কেন? সঙ্গত প্রশ্ন, সন্দেহ নেই। তবে বিনয়ের সাথে বলব, এখনকার পরিস্থিতি ভিন্নতর। বেগম খালেদা জিয়া নিজে প্রধানমন্ত্রী হয়ে বশংবদ কোনো সরকার কিংবা সংসদকে বাধ্য করেননি তার পরিবারকে ঢাকা শহরে দু�টি বাড়ি কিংবা নগদ ১০ লাখ টাকা দেয়ার জন্য। যে সময়ে মরহুম জিয়ার পরিবারের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল, তখন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার ক্ষমতা প্রয়োগের কোনো উপায় ছিল না এবং চলন্তিকা অনুযায়ী তিনি ও তার দুই নাবালক সন্তান অবশ্যই জিয়াউর রহমানের পরিবারের সংজ্ঞার মধ্যেই পড়েছিলেন। মরহুম জিয়াউর রহমানের পরিবারকে প্রদত্ত উল্লিখিত সুবিধাগুলো বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে যদি গ্রহণ করতেন, তাহলে এ-জাতীয় প্রশ্ন তার ক্ষেত্রেও অবশ্যই উত্থাপিত হতো। যা-ই হোক, বর্তমান সরকার ২৮ বছর পর সেই দুই বাড়ির মধ্যেও একটি কেড়ে নেয়ার জন্য বেআইনির সাথে খানিকটা রুচিবহির্ভূতভাবেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি এখন উচ্চ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তারাই এবার সিদ্ধান্ত নিক যে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত বেগম খালেদা জিয়ার বাসস্থানটি সরকার এত দিন পর ফিরিয়ে নিতে পারে কি না। আমি এবার প্রাসঙ্গিক তবে ভিন্ন প্রকৃতির অন্য একটি মৌলিক বিতর্ক দেশবাসীর অংশগ্রহণের জন্য উত্থাপন করতে চাচ্ছি।

যেকোনো নাগরিককে মানবিক কারণে সুযোগ-সুবিধা দেয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্র অবশ্যই সংরক্ষণ করে। সে বিবেচনায় শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, বেগম খালেদা জিয়া প্রমুখের জন্য বাসস্থানের বরাদ্দ দেয়াকে বেআইনি, অনৈতিক কিংবা অন্যায় অভিহিত করা উচিত হবে না। আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা দলমত নির্বিশেষে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করাও অবশ্য কর্তব্য। তারা উভয়ই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। সঙ্গত কারণেই তাদের উত্তরাধিকারীদের জাতির কাছে কিছু দাবি থাকতেই পারে। কিন্তু কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে আমাদের এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া সমীচীন হবে না যা দেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের ২৭ এবং ৭(২) অনুচ্ছেদ এ বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।
? অনুচ্ছেদ-২৭ঃ আইনের দৃষ্টিতে সমতা।� সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
? অনুচ্ছেদ-৭(২)ঃ সংবিধানের প্রাধান্য।� জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।

আমি আইনজ্ঞ নই, সংবিধান বিশেষ বুঝিও না। তবে সাধারণ জ্ঞানে আমার কাছে মনে হচ্ছে রাষ্ট্র যেকোনো ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতিসুলভ আচরণ করতে পারলেও কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা পরিবারকে ভিন্ন প্রজাতি হিসেবে মর্যাদা দেয়ার ক্ষমতা অন্তত সংবিধান অনুযায়ী সংরক্ষণ করে না। সেই বিশেষ পরিবার শেখ মুজিবুর রহমান অথবা জিয়াউর রহমানের হলেও নয়। কাজেই �জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন-২০০৯� নামক এক হাঁসজারু প্রকৃতির আইন পাস করে নবম জাতীয় সংসদ এমন একটি প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিয়ে গেল যেখান থেকে অনাদিকাল পর্যন্ত কেবল জাতির ঐক্য বিনষ্টকারী এবং বিদ্বেষ সৃষ্টিকারী নানা প্রকৃতির ভয়ঙ্কর দর্শন কীট বের হতেই থাকবে। স্তাবক শ্রেণীর সংসদ সদস্যরা দেশের কঠিন পরিস্থিতিতে এমন এক নতুন সমস্যা সৃষ্টি করলেন, যে অপরাধে তাদের একদিন জনগণের কাছে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। আর বর্তমান বাংলাদেশে রাজতন্ত্রসুলভ একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী পরিবারের কর্তাব্যক্তিদের উদ্দেশ করে বিনয়াবনত হয়ে শুধু এটুকু বলতে পারি, নিরাপত্তা বিধানের একমাত্র মালিক সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌তায়ালা। আপনাদের প্রকৃত অর্থেই নিরাপত্তা বিধান করবে এমন ক্ষমতা দুর্বল মানবসন্তানের নেই। সেই মানবসন্তান বারাক ওবামা কিংবা সোনিয়া গান্ধী অথবা ড. মনমোহন সিং হলেও নয়। ক্ষমতার দর্পে নিজেদের স্বঘোষিত রাজপরিবারের সদস্য ভাবা যেতেই পারে। কিন্তু তাতে প্রকৃত পরিস্থিতির কোনো ইতরবিশেষ হবে না। বাস্তবতা হলো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রাচার অনুযায়ী নিরাপদ বাসস্থান, এসএসএফ এবং অন্য সব সুবিধাই পাবেন। কিন্তু তার পুত্র-কন্যা অথবা ভগিনী এবং তার পুত্র-কন্যাদের প্রধানমন্ত্রীর সমতুল্য প্রটোকল পাওয়ার কোনো আইন নেই। সে জন্যই জাতির পিতা উপাধির যত্রতত্র অপব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করলে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি আমাদের দেশের সার্বিক মঙ্গল হবে।
শেষ কথা, শেখ মুজিবুর রহমান যদি জাতির পিতাই হবেন তাহলে তার পরিবারের মাত্র ছয়জন সদস্য থাকবে কেন? দেশের ১৫ কোটি জনগোষ্ঠীর প্রতিজনেরই তো সেই পরিবারের সদস্য হওয়ার কথা ছিল। বলদর্পীদের কাছে উন্মত্ততা পরিহারের আবেদন রেখে এ সপ্তাহের মতো বিদায় নিচ্ছি। মহান আল্লাহ্‌তায়ালা সবাইকে শুভবুদ্ধি প্রদান করুন।

লেখকঃ সাবেক জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা এবং বিনিয়োগ বোর্ডের সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান (সুত্র, নয়া দিগন্ত, ২১/১০/২০০৯)

Betrayed's picture

Dear Pogo:

Dear Pogo:

last seven days my 3 member family is sick with bad FLU..........,
I log in some times to see what is happenening in the forum but having no energy to type........... :(:(

raihankhan's picture

Betrayed vai,....

পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তার ধকল পরিবারের সবার উপর পড়ে। আপনার শারিরীক ও মানসিক অবস্থা আমি অনুধাবন করতে পারছি। কামনা করছি তাড়াতাড়ি তাঁরা সুস্থ হয়ে উঠুক....

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

Nirvik2008's picture

Daer Betrayed, hope you will feel better.........

I sincerely hope and pray every member of your family will get well soon. Take care of yourself, your family and please don't forget to drink enough fluid such as orange juice and water.

Pogo's picture

OK..take care Betrayed bhai

Sorry to hear that. Hope all of you feel better soon. Please take care of you and your family. Talk with you later.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

Pogo's picture

বিট্রেড ভাই, কোথায় আপনি?

অনেকদিন ধরে দেখছি না। তাই ভাবলাম, কি খবর? ভাল আছেন তো? আপনার মন্ট্রিলের বড় ভাই দৌড়ে সোনা জিতল। আপনি অভিনন্দন জানতে কার্পন্য করলেন। আপনি এত হাড় কিপটে কেন?

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

voter's picture

কে কোথায় ?

কাজ কর্ম নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে হয় বলে রেগুলার হাযীরা দিতে পারিনা । কে ক্যামন আছেন বলেন ।

voter's picture

ভুমি ভাই পগো ভাই রায়হান ভাই বিট্রেড ভাই

সব ভাই সাহেবদের খেদমতে অধম ভোটারের ছালাম ।

raihankhan's picture

Voter vai,

ভোটার ভাই,
কত আদর যত্ন কইরা গরুরে মোটা-তাজা করতাছো!! গরু বেটা তো মনে করতাছে তারে তুমি ভালবাইসা বেশী বেশী খাবার দিতেছো। ঐ গরু বেটা যদি বুঝতো তারে আদর করতাছো কোরবানীর জন্য তাইলে ঐ নিশ্চয় তোমার পেটে একটা খুব ভাল কইরা একটা গুতা দিতো....বেঁচারা গরু!!! LOL....
তোমার কি মনে হয় না পাশের বড় প্রতিবেশী তথা বন্ধুদেশ(!)ও আমাদের সাথে ঠিক ঐ রকম করছে যেমন তুমি করছো গরুর সাথে????
আর দাবী রইলো মাঝে মাঝে ঢু মারবা এই ফোরামে তা যতই ব্যস্ত থাকো না কেন...

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

voter's picture

রায়হান ভাই

নাহ আপনাগো লইয়া আর পারলামনা । রাজনীতি , শুধু রাজনীতি কেবল রাজনীতি । এদিকে আমি যে কি সমস্যায় আছি । ঢাকায় যখন রড সিমেন্ট ইটা বালুর ব্যাবসা সামাল দেই তখন বউ কয় আমি নাকি
রাজমিস্ত্রি । আবার দেশে গিয়া যখন মাছের ব্যাবসা ( হ্যাচারি ) সামাল দেই তখন বউ ডাকে জাউল্যা ।
আবার যখন গরুর ফার্মের দেখা শোনা করি তখন বউ কয় আমি গরুর ব্যাপারি । কই যাই কন । আপনাগো ধারে আইলে কন কেবল রাজনীতির কথা । শোনেন গরুর মাংশ খাওয়া ভুইল্যা যান । তাছাড়া
রেডমিট স্বাস্থের জন্য ভালোনা । ইন্ডিয়ান গরু চোরাই পথে আসতো বলে আমরা মুসলমানরা গরুর মাংস খাইয়া তাগরা হই আর একজন আরেকজনরে খামার ( গালি ) দেই । কেউ কেউ কইবেন এইটাও রয়ের কারসাজী । যাই হউক ভারতের হায়দারাবাদের এই প্রথম মিট প্রসেসিং প্লান্ট চালু করলো যার দৈনিক চাহিদা মাত্র সাড়ে সাত হাজার গরু । একই কোম্পানী পাঞ্জাবের আমৃতসর এবং পশ্চিম বাংলার নুর্শিদাবাদে দুটো প্লান্ট চালু করতে যাচ্ছে । আর ২/১ বছর পরে ভারতের গরু আর পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না । আমাদের পাবনায় বেংগল মিট নামে একটা মিট প্রসেসিং প্লান্ট আছে । কি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্য সন্মতভাবে মাংস প্যাকেট এবং সংরক্ষন হচ্ছে এটা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস
করা যাবেনা । ৮০% ভারতীয় গরুর উপর নির্ভরশীল এই মিট প্রসেসিং প্লান্টের ভবিষ্যত কি হবে
উদ্যোক্তরা আমাদের মত ছোট খাট গরুর ব্যাপারীদের সাথে ইতিমধ্যেই আলাপ আলোচনা শুরু করেছেন
যে কোন সমাধান পাওয়া যায় কিনা ।
দোয়া করবেন যেন আপনাদেরকে গরুর মাংস খাওয়াতে পারি । আপনারা যেন আরো জোর গলায়
পেরতিবাদ ( বরিশাইল্যা একছেন্ট ) করতে পারেন আল্লাহ আপনাগো গলার ভলিউম বাড়াইয়া দেউক ।
ভালো থাইক্যেন রায়হান ভাই ।

Pogo's picture

ভোটার ভাই,

আপনাকেও শত ছালাম । রং মিস্ত্রী নিশ্চয় ভাল কাজ উপহার দিয়েছে। তাই খুব প্রফুল্ল মনে হচ্ছে আপনাকে। নেত্রী তো এবার কঠিন একটা দবার গুটি চালিয়ে হাওয়া খেতে চলে গেলেন! আর দেশে যে হারে বোমাবাজি ওর হুমকি ধমকী চলছে, তাই সাবধানে চলিবেন। আর মনে রাখিবেন, আত্নীয় স্বজনদের ভিতর কেউ যেন আবার কোন ফাঁসীর আসামীর কোনো জেনারেশনের সাথে সাথে কোন সম্পর্ক না করে। তাহলে কিন্তূ রাজাকার হয়ে যাবেন। রিমান্ডে যেতে হবে। বয়স নিশ্চয় আছে, কিন্তূ সময় থাকলে আইন এর উপর একটা ডিগ্রী নেয়ার চিন্তা করতে পারেন। যে হারে মামলা মকর্দমা চলছে, তাতে নিশ্চিত আরামের জীবন। সাথে আবার এমপি, মন্ত্রী হবার সুজোগ তো থাকছেই।

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

voter's picture

pogO bhai

আপনারা বিদেশে আছেন ভালো আছেন । আমাদের জীবন এবং জীবিকার জন্য কত খাটা খাটুনী করতে হয় । দেশের বাড়িতে একটা গরূ মোটা তাজার ( cattle lot ) ফার্ম চালাই । দশ মাস গরু লাইল্যা পাইল্যা কোরবানীর আগে ছেড়ে দেই আবার দেড় দুই মাসের মাথায় গরু কিনে পালা আরম্ভ করি । কোরবানীর আগের দুইটা মাস আমাকে গরুর সাথেই থাকতে হয় বলে ঢাকায় জরুরী কাজ ছাড়া আসা হয়না । এদিকে ঢাকার ব্যাবসাও সামাল দিতে হয় । থাক এইসব প্যাচাল , আপনার কথা ঠিক মতো ঠাহর করতে পারলাম না ভাই । বিট্রেড ভাই আশা করি আমানতের খেয়ানত করেন নাই । আর ভূমি ভাই যদি ওনার আইডি থেকে ভূমিহীন শব্দটা বাদ না দেন তাহলে আমি আদালতে যাবো ।

Saleque.Sufi's picture

Bandhu Aar Kato Khela Dekhabey

Mahmudur Rahman is our initimate friend. He hails from Daudkandi. His house is not very far from the house of great betrayer and Mujib killer kulangar Khondkar Mushtaque. It is very natural that he has fellings for Mujib killers. It does not matter what he writes and what he feels. He was a blessed person of Hawa Bhavan and Coaasociate of many evil designs of Tearque -Babar . He led Uttara Night Safari as well.
If government really track down his association with Tarque and Babar and cheks what this trio actualy did in some foreign visits abroad together definitely some conspiracy roots can be surfaced.

When in BUET we never found him involved in politics . He was always introvert. But he surfaced only in the second term of Khaleda regime when BNP was in the cradle of anti liberation force. He became column writer after 1/11 and appears to become an islamic thinker. He masterminded Election Engineering for BNP which unfortunately could not be implemented.
Mr Mahmud that knows terroists tried to kill Hasina on several occassions. Babar is now he custody on charges of association with 21st August carnage . Terrorists are targetting Government ministers and MPs. It is understood who are patronising these. Mahmud has choosen wrong time to write this column .
Government has not made anything wrong in ensuring her safety. Opportunists can deny the contribution of Mujib. But all are not opportuists like you.
You do not accept that a nation can have a father. You may also say a child can not have a father because all person can not become father. But one individual like you has no value but Bangabandhu like sun will alwys shine in Bangladesh horizon.

Kh.A. Saleque

Nirvik2008's picture

Bandhu Aar Kato Khela Dekhabey >>> initimate friend ?????

Saleque.Sufi, your whole poisonous writing is dedicated against Mahmudur Rahman for known reason. He is the "thorn of the way" of awami-baksali hooligans who wants to rape and then sale the country withour any resistense. Many millions of patriots consider Mujib killers hero. If Mahmudur Rahman displays some sympathy for the killers of Mujib there is nothing unusual. If you can lie about an "intimate friend", then why can't Mahmudur Rahman tell the truth about the vicious acts of Sk. Mujib. Sk. Mujib was a betrayer who pushed millions of people to death through famine, political murder etc. As a result of misrule of Sk. Mujib a brave and honest Bangalee nation turned into a dishonest and corrupt nation. There was a time magazine issue dedicated to Sk. Mujibs corruption. The front page of the Time magazine issue had the caption "The father of nation is the father of corruption". Sk. Mujib banned this issue of time magazine. Sk. mujib always remain hero to the Awami looters who lotted billions of Taka worth od relief goods after our independence. Don't forget Gazi Golam Mostofa, the then grand thief red cross chairman. Thousands of Awami relief goods thiefs who are spread around the world living comfortable life on stolen money. How can they forget Sk. Mujib ??? What's the proof that Kh.A. Saleque is not one of them.

altaf_hossain's picture

এক হাতে তালি বাজেনা

আমাদের প্রান প্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া এবং বাংলার নতুন বাঘ তারেক জিয়ার নিরাপত্তার ব্যবস্থা চাই।

farmer's picture

Gorjon died, bring the new tiger to Dhaka zoo from London

The new tiger will be good fit for Dhaka zoo, in place of Gorjon. It will be in the cage, well secured.

farmer's picture

altaf_hossain, do not create new gossip

She has enough scandals, are you adding a new one by saying that she gave birth to a tiger cub?

bd08's picture

Kh.A. Saleque কে,

হে মহান মুজিব পুজারী,
নতুন প্রজন্মের কাছে খন্দকার মোশতাকের প্রোফাইলটা তুলে ধরুন প্লিজ।

হে মুজিব-প্রজন্ম Kh.A. Saleque,
খন্দকার মোশতাক কে ছিলেন? আমাদেরকে জানতে দিন।
শুনেছি উনিও নাকি মুজিব-সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন।
আপনি উনাকে কেন great betrayer বলছেন? আপনার বাড়া ভাতে হোংগোল মেরেছিলো নাকি মোশতাক।

শুনেছি, মুজিব মুজিব বলে মুখে ফেনা তুলে অনেক আওয়ামী লীগারই প্রচুর টাকা কামাই করে ওপারে পালিয়ে গিয়েছিলো। আবার সুযোগ বুঝে, অনেকেই আবার মুজিব-ভক্ত সেজে হাসিনার শাড়ির আচলে জায়গা নিয়েছে। হিংসুটে হাসিনা এদের ব্যবহার করেন হিংসা ও ফ্যাসিজম ছড়ানোর জন্য। আপনি নিজেও কি সেই রকম মুজিব-ভক্ত ভাইরাস কিনা জাতি জানতে চায়।

  • Save Bangladesh: No more farakka

farmer's picture

bd08: With 4 crores cash, why Khaleda lives in public property?

bd08: why you support Khaleda's stay in public property, while she has 4 crores of cash officially?

bd08's picture

farmer সাহেব

খালেদা জিয়াকে বাড়ি দিয়েছে রাষ্ট্র। কাজেই আপনার প্রশ্নের কোন ভিত্তি নেই।
একই সাথে আমরা জানি আপনি একজন বিএনপি বিদ্বেষী। কাজেই আপনার প্রশ্নটাও বিদ্বেষমুলক।
বিদ্বেষমুলক প্রশ্নের সাথে আপনার রাজনৈতিক আদর্শ জড়িত আছে, কাজেই আপনাকেই আগে পরিবর্তন করতে হবে।

আপনাকে বুঝতে হবে, এখন ২০০৯ সাল, এখন ৭২-৭৫ নয়। ৭২-৭৫ এর সেই উত্তাল দিনগুলো এখন আর নেই, শেখের নাম মুখে নিয়ে হত্যা, ধর্ষন, লুটপাট করে বেড়াবেন সেই দিনগুলো বিদায় নিয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট। আপনার রাজনৈতিক আদর্শের মৃত্যু হয়েছে ঐ একই দিনে। এরপরও যদি আপনি আপনার হারিয়ে যাওয়া তত্ত্ব কথা আমাদের উপর চাপাইতে চান তবে তো বিএনপি বিদ্বেষ ছাড়া আর কোন গতি নেই।

farmer সাহেব , ১৯৭৫ সালে বাংলার বুকে *ভারতীয় চিহ্ন দিতে গিয়ে আপনাদের পরাজয় হয়েছিলো, এটা মেনে নিন। নতুবা আওয়ামী লীগের গড হাসিনাকে আবারো লগি নিয়ে যুদ্ধ করার ঘোষনা দিতে বলুন ।

গনতন্ত্র স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতীক, *ভারতীয় পররাষ্ট্র নির্ভর বাকশাল নয়।

মি ফারমার,
মঈনকে দিয়ে আপনারা আমাদেরকে ধবংস করতে চেয়েছিলেন, পারেন নি। আপনারা ভারতীয় রুপী দিয়ে মিডিয়া কিনেও সফল হতে পারেন নি। শুধু আমাদের মত সাধারন বাংলাদেশীদের জন্য।
মনে রাখবেন, আপনার বন্ধু ভুমিহীনজমিদার বাই বর্ন আওয়ামী লীগার আর আমি বাই বর্ন বাংলাদেশী। ভুমিহীনজমিদার আওয়ামী লীগ নিয়ে স্বপ্ন দেখে আর আমি স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশকে নিয়ে। আর তাই, আমার নেক্সট প্রজন্ম বাংলার এই মাটিতে জন্মগ্রহন করবে এবং বেড়ে উঠবে, আমেরিকায় নয়। আমরাই এই নতুন ধারা তৈরী করবো।
আপনারাদের মত দেশপ্রেমিক প্রবাসীদেরকে না বলার সময় এসে গিয়েছে।

  • Save Bangladesh: No more farakka

farmer's picture

Alif-Laila author, do you understand questions?

Are you capable of answering a question?
When gov gives a citizen anything free, it is considered as public properties given free.
If Khaleda got gov property, it is your, mine & his.
Can you answer now? Do not start Alif Laila.

bd08's picture

1/11 জাবর কাটা ফারমার সাহেব

মঈনের বিদায় নেওয়ার পরেও এখন পর্যন্ত ১/১১ জাবর কেটে চলছেন তখন কি মনে হয় না আপনি ভাঙ্গা রেকর্ড বা আলি লাইলার গল্প বলেছেন ... নিজের দিকে তাকান ...

আমার বক্তব্য স্পষ্ট, কিন্তু আপনার গুলো অপ্রমানিত অভিযোগ ও বিদ্বেষপুর্ণ।
আপনি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও দলীয় অবস্থান ছাড়তে পারেন নি, এটা দেশের লজ্জা, আমাদের লজ্জা। শুধু তাই নয়? আপনার লজ্জাহীনতাও আমাদেরকে লজ্জা দেয়।

খালেদা জিয়াকে বাড়ি দিয়েছে রাষ্ট্র, কিন্তু আপনি আপনার বিদ্বেষপুর্ণ অবস্থান ছাড়তে পারছেন না। খালেদা জিয়াকে বাড়ি দেবার সময় আপনি কি প্রতিবাদ করেছিলেন?
করেন নি। এখন করছেন, কারন আওয়ামী লীগের ফ্যাসিজমের বিপরীতে বিএনপিকে সহনশীল রাজনৈতিক দলে পরিনিত করতে পেরেছেন খালেদা জিয়া। এর জন্য আপনি হাসিনার মত হিংসায় পুড়ে মরছেন। এই হিংসা থেকেইআপনার এই প্রশ্নের উদ্ভব।
আর এখন এই ইস্যু হাইকোর্টে চলে গেছে। সেখানেই মিমাংসা হবে।

মি ফারমার,
খালেদা জিয়ার বিকল্প বাংলাদেশে নেই, একইভাবে, বাংলাদেশেকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্থিতিশীল ধারাবাহিকতায় আনতে বিএনপিরও বিকল্প নেই।

গত ৯/১০ মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিচার বহির্ভুত হত্যা, খুন, ধর্ষন, সীমান্তে যুদ্ধাবস্থায় ইত্যাদি সকল সীমা অতিক্রম করে গেছে।
দিন বদলের নামে আওয়ামী লীগ মানচিত্র বদলে হাত দিয়েছে,
ইসলামের বদলে সেকুলার নীতিমালা চাপিয়ে দেবার জন্য মিডিয়াকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে ...
গনতন্ত্রের নামে নানা স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করেছে ...
তাপস-বোমা নাটক বাজারে ছেড়ে আওয়ামী লীগ হাস্যরস তৈরী করেছে ...
দেশের প্রতিরক্ষা হুমকীর সম্মুখীন হলেও রাজপরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আওয়ামী লীগ উন্মত্ততা করছে ...

  • Save Bangladesh: No more farakka

farmer's picture

Alif Laila: bd08 & Khaleda, birds without feather...

bd08 & Khaleda, birds without feather flocked together.
I am not AL member, not a supporter, nor their spokesman. AL related questions, pls. ask them.

bd08's picture

ফারমার সাহেব পারসোনাল আক্রমন করতে চাইছেন নাকি

খালেদা জিয়া প্রতিটি নির্বাচনের প্রতিটি আসনেরই নির্বাচিত প্রতিনিধি। কাজেই খালেদা জিয়ার যে গনভিত্তি আছে তা কিন্তু আপনার নেই মি ফারমার।

গনতান্ত্রিক মুল্যবোধে তার রাজনৈতিক সমালোচনা আপনি করতে পারেন, কিন্তু তার ব্যক্তিগত বিষয়ের উপর মন্তব্য করতে পারেন না।

দেশের উন্নয়নের স্বার্থে গঠনমুলক সমালোচনা গ্রহনযোগ্য হলেও আপনার মত বিদ্বেষকারীর সমালোচনাকে আমি আতাকুড়ে নিক্ষেপ করতে চাই।

আপনার দাম্ভিকতা চরম সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে ...আপনার এই অহমিকা আপনার পতনকেই টেনে আনছে ...পতন বলতে বুঝাইতে চাইছি, আপনার রাজনৈতিক স্বপ্নের অপমৃত্যু । মনে করুন, ১/১১ এর ফকুরুদ্দিন আজ মাইনাস ...তার জ্ঞান বাংলাদেশে কাজ লাগলো না, সে জীবন যুদ্ধে ব্যর্থ । মঈন তার দুটো পা কেটে নিয়েছে, আমেরিকায় পলাতকের মত জীবন যাপন করতে হচ্ছে ফকুরুদ্দিনের পরিবারকে।

ফকুরুদ্দিন বাংলার জারজ সন্তানের একজন। এমন জারজ সন্তান বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করুক তা আমি চাই না ...

  • Save Bangladesh: No more farakka

Hassan Imam khan's picture

@bd8,বিদ্বেষ আর প্রতিহিংসার চুড়ায় বসে ????

১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৯ এর রাষ্ট্রীয় দ্বায়িত্ব গ্রহনের সময়গুলির ট্রাক রেকর্ড চেক করে দেখুন কাদের মাঝে বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা কাজ করেছে।
১৯৭১ এর পর ২০০১ সালেই প্রথম বাংলাদেশের মানুষ প্রতক্ষ্য করেছিল ৭১ এর সেই দৃশ্য, গ্রামের পর গ্রামের সংখ্যালঘু ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমর্থকেরা মাসের পর মাস ভিন্ন জেলায় আশ্রয় গ্রহন করতে বাধ্য হয়েছিল। আপনি নিজেই যে বিদ্বেষ আর প্রতিহিংসার চুড়ায় বসে আছেন, তা বুঝতে এই ই-মেলার ছোট্ট পরিসরেও একটু চোখ বুলিয়ে দেখুন,
কারা কথায় কথায় বোমা মারার,
৭৫ এর হাতিয়ার গর্জনের,
মৈত্রীট্রেনে চ্যাংদোলা করে তুলে দেবার,
বঙ্গপসাগরে নিক্ষেপের সহ যাবতীয় প্রতিহিংসার আহবানের স্ফুলিং এখানে ছড়াচ্ছেন ?

খন্দকার মোসতাকের প্রোফাইল নতুন করে তুলে ধরার কোন প্রয়োজন আছে কি ? খোজ নিয়ে দেখুন ৭৫ এর পর খন্দকার বংশের কোন নবজাতকের নাম মোসতাক আহমেদ রাখা হয় না, যেমন মীর বংশে জাফর আলী। তারা উভয়েই তাদের কর্মফলের কারনে ইতিহাসের আস্তাকুড়েই শুধু নিক্ষিপ্ত নয়, বাংলা অভিধানে নবজাতকের নাম হিসেবে এ নাম দুটিও ঘৃনার সাথে পরিত্যাক্ত।

তবে বিডি৮ সাহেবের একটি প্রশ্নের সাথে আমি একমত যে, আজ যারা ক্ষমতার কারনে মুজিব বন্দনায় মুখে ফেনা তুলছেন,তারা কতখানি মুজিব ভক্ত ? আমার ধারনা মতে এদের যতখানি মুজিবে ভক্তি, তার খেকেও বেশি ভক্তি ক্ষমতায়। একই ভাবে ক্ষমতায় তাকাকালীন জিয়া ভক্তদের ব্যাপারে আপনার কি মত ?

আর আপনার কথায় মনে হয়, ক্ষমতায় বলয়ে থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়াদের মাঝে জাতীয়তাবাদী জোটের চোরের সংখ্যা শুন্য । তাই কি ?????

হাসান ইমাম খান।
সুইজারল্যান্ড।

Jotish's picture

আঃগাঃচৌ এর রিসাইকেল মাল , সুইস হাসান মিয়াকে ।

খন্দকার মোশতাক একজন আওয়ামী প্রথম সারির নেতা ছিলেন এবং শেখের খুব কাছের মানুষ বলেই প্রথমে বন্যা ও পানি নিয়ন্ত্রন মন্ত্রী কিন্তু ভারতের সাথে ফারাক্কা নিয়ে বনা বানি না হওয়াতে তাকে ভারতের চাপে বানিজ্য মন্ত্রনালায় দেওয়া হয়। এখান থেকে শেখের সাথে বিবাদে জড়িয়ে খন্দকার সেনবাহিনীর ছোট্ট একটা গ্রুপকে সাথে নিয়ে সামরিক ক্যু ও হত্যাকান্ড ঘটায় যদিও এই হত্যাকান্ডকে সারা বাংলাদেশের জনসাধারন স্বাগত জানিয়েছিল । এই ঘটনায় আওয়ামী লিগ তাদের নিয়ম মাফিক আবার ভারতের দিকে পলায়নে ব্যাস্ত ছিল ,যেটা তারা ১৯৭১ সালে কেহ নিজেকে আত্বসমর্পন বা কেহ ভারতে গিয়ে বড় নেতা হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল আর এই ব্যাস্ততার মাঝে কেহ স্বাধীনতা ঘোষনা পর্যন্ত দেওয়ারও সময় পায় নাই। এই নিয়ে নানা মুনির নানা মত আছে।
খন্দকারের সাথে শেখের বনাবনি ছিল না , খন্দকার ক্ষমতার লোভে এই হত্যাকান্ড ঘটেয়েছিল এটা মানা যায় আর সুইস হাসান মিয়ার গবেষনায় এখন ১৯৭৫ সালের পরে খন্দকারের বংশে "মোশ্তাক আহম্মেদ "রাখা হয়না কিন্তু মালেক উকিল কেন ১৯৭৫ সালে কমন ওয়েলথ সম্মেলনে সরকারি দলের প্রধান হয়ে লন্ডন গিয়ে " দেশ ফেরাউনের হাত হতে মুক্ত হয়েছে " এই উক্তি করেছিলেন ? তবেকি মালেক উকিলের নামেও কোন পরবর্ত্তী প্রজন্মের নাম দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এই গবেষনা হাসান মিয়া করছে কিনা আমদের জানা নেই তবে ১৯৭১ সালের পরে আমাদের অনেক জানাশুনা বন্ধুবান্ধব ছিল যারা লজ্জায় নামের শেষে লেজ হিসাবে " খান "কেটে দিয়েছিল । শুনেছি ইঊরোপে ১৯৭২ সালের পর অনেকে দেশন্তররীত হয়ে নিজের নামের শেষে " খান " লাগিয়েছিল " রাজাকার " হিসাবে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার জন্যে তাতে নাকি আশ্রয় পাওয়ার আবেদন খুব শক্ত হত।

মুজাহিদ আর নিজামীর গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা থাকলে স্বাধীনতা চলে যায় আর হাসিনার বেয়াই মোশাররফ রাজাকারের গাড়িতে বাংলাদশের মন্ত্রীর পতাকা থাকলে স্বাধীনাতা উজ্জবীত হয় এটা সবাই মনে রাখবেন।

bd08's picture

@সুইজ হাসান সাহেব এবার ফেটে পড়েছেন।...।

আপনিও একইভাবে অন্যান্য আওয়ামী লীগের মত হাজারো অভিযোগ করলেন।

কিন্তু সাহেব,
১লা মে ২০০৯ সালে পল্টন ময়দানে খালেদা জিয়া বিদ্যুৎ খাতের দুর্ণীতির ব্যাপারে ওপেন চ্যালেজ্ঞ ছুড়ে দিয়েছিলেন আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে।
আপনাদের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল সাহেব ঐ চ্যালেজ্ঞ গ্রহন করেন নি, বরং বলেছেন আওয়ামী লীগ বিদ্যুৎ খাতের দুর্ণীতির ব্যাপারে বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেন নি, দিয়েছে সাবেক মহান সেনাপ্রধান মঈন, কি দাড়ালো মঈনের দেওয়া মিথ্যা তথ্যের উপর দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের অভিযোগের ভিত্তি নেই। এরপরেও তো আপনারা মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন, এটাকেই বিদ্বেষ বলে।

আপনাদের অধিক ভারতপ্রীতির জন্য মৈত্রী ট্রেনে চ্যাংদোলা করে তুলে দেবার শ্লোগানটা যথার্থ। ফারাক্কা, বেড়ুবাড়ির চুক্তির পরেও আপনাদের প্রেমের মোহ কাটে নি?

ইন্দিরা গান্ধী তার দেশের স্বার্থে মুজিবকে মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে চুক্তি করে নিয়েছিলো, এতে ভারত লাভবান হয়েছে, কিন্তু জনপ্রিয় মুজিব নিজ দেশে সমালোচিত হয়েছে। ভারতের এই কুট চালে মুজিবের ভাবমুর্তি নষ্ট হলেও আপনাদের ভারতপ্রেম যাচ্ছে না কেন? মুজিব-প্রেম ও ভারত-প্রেম একই সাথে চলতে পারে না, মি হাসান। ভারত-প্রেম ছাড়তে হবে। মুজিব-প্রেম ও ভারত-প্রেমকে সমার্থক করেছে আওয়ামি লীগের কুচক্রী অংশ, কাজেই এর দায়ভার আওয়ামী লীগকেই নিতে হবে। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করলে তাকে রাজাকার, স্বাধীনতা বিরোধী ইত্যাদি বলে আওয়ামী লীগ তার দায়ভার এড়াতে পারে না।

আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদ ও বাকশালী চরিত্রের বিরুদ্ধচারনের জন্যও ৭৫ এর হাতিয়ার গর্জনের বিকল্প নেই। আপনাকে বুঝতে হবে, ৭৫ এর হাতিয়ার মানেই হলো একদলীয় বাকশাল থেকে মুক্তির প্রতীক। আপনার আজকের সরকার দেশে যে ফ্যাসিবাদ ও একচোখা নীতি জোর করে চাপিয়ে দিতে চাইছে তার বিকল্প কি?

৭৫ এর হাতিয়ার, আজকের দিনে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সমার্থক। কাজেই, মুজিব হত্যার বিচারটা সময় থাকতে সেরে ফেলুন। এবং সেই সাথে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইস্যুগুলোও কমতে থাকুক।

ইসির সাথে মঈনের সমঝোতা এখন আর গোপনীয় কিছু না। সম্প্রতি ভোলা ৩ আসনে ইসি-মঈন যেভাবে গোপনে আওয়ামী প্রার্থী জসিমকে জিতিয়ে এনেছে এর পরেও ইসির লজ্জা নেই। একই সাথে বলে রাখি, আওয়ামী লীগেরও লজ্জা নেই।

আপনি বলেছেন, ক্ষমতায় বলয়ে থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়াদের মাঝে জাতীয়তাবাদী জোটের চোরের সংখ্যা শুন্য
...তা আপনার ফেরেস্তা মঈন ২ বছরে কত টাকার হদিস বাংলার জনগনকে দেখাইতে পেরেছিলো? ...আর এখন তো আপনার মহান নেত্রী যিনি কিনা ভুল করতে পারেন না, যার অবস্থান আওয়ামী লীগের কাছে গড়ের থেকেও উপরে সেই হাসিনা-গড এখন বাংলাদেশে ক্ষমতায় ...যিনি কিনা আদালতকে রিমান্ডে নিতে চান ...সেই হাসিনা-গড দেখি কত টাকার হদিস করতে পারে? উলটো শোনা যাচ্ছে, জয়,পুতুল,রেহানারা বিদেশে ফুলে ফাপিয়ে ব্যবসা ফেদে বসেছে, আর মাসোহারী চাদার টাকা পৌছে যাচ্ছে ... গত ঈদেই ১০০ কোটি টাকা চাদা তুলে আমেরিকায় পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা (মানবজমিন) ...আর মঈন লন্ডনে রেহানার কোলে এখনো আয়েশ করছে কেন? দেশে এসে মামলাগুলো ফেস করুক।

  • Save Bangladesh: No more farakka

mailsmsi's picture

One prisident wife get 2 home including all bills

One prisident wife get 2 home including all bills ?

Since Sheikh Mujib was killed by all of his family ,the family deserver protection.

bd08's picture

mailsmsi এর বিদ্বেষ

মি mailsmsi,

একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গনতন্ত্রে বাংলাদেশকে নিয়ে এসে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া। এটা এখন ইতিহাসের সাক্ষী।

একইভাবে, ৯ বছর স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করে গনতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন আজকের জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া। এটাও এখন বাংলাদেশের ইতিহাস।

বাংলাদেশের ইতিহাসে গনতন্ত্র বা জনগনের সত্যিকার অধিকার ফিরিয়ে আনতে জিয়া বা খালেদা জিয়া কিংবা আজকের বিএনপির অবদান অনস্বীকার্য। বিএনপি এখন বাংলাদেশের গনতন্তের প্রতীক, আর আওয়ামী লীগ ফ্যাসিজমের প্রতীক। বাংলাদেশে গনতান্ত্রিক মুল্যবোধ, ধর্মীয় সহনশীলতা সর্বোপরি উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদির অগ্রযাত্রায় আধুনিক বিএনপির বিকল্প নেই,
নতুন প্রজন্ম আওয়ামী-ফ্যাসিজমের বিষবাস্প থেকে বের হয়ে ধর্মীয় সহনশীলতা ও গনতান্ত্রিক মুল্যবোধের সংমিশ্রনের বিএনপিকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলবে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া বা বিএনপি হলো গুরুত্বপুর্ণ, উনার বাড়ী নয়। বাড়ি নিয়ে হাসিনার বাড়াবাড়িতে উনার হিংসুটে মনোবৃত্তিই ফুটে উঠেছে, যা হাসিনা বা আওয়ামী লীগের জন্য নতুন কিছু নয়।

কাজেই মি mailsmsi আপনার মত একজন চিটকা আওয়ামী লীগের কাছে কিই বা আশা করা যায়। একজন আওয়ামী লীগারের কাজ হলো ফ্যাসিজমের ধারক ও বাহক হয়ে বিদ্বেষ ও মিথ্যা ছড়ানো ...

  • Save Bangladesh: No more farakka

bd08's picture

raihankhan ভাই অন্য ব্লগের অবস্থাটা দেখুন (বিডি০৮)

মুশকিলেই পড়ে গেলাম। আমার কাছে ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটা মেইল এসেছে। সবার পড়ার সুবিধার্থে নিম্নে দিলাম। তার আগে, আমার উল্লেখিত লেখায় জননিরাপত্তার ধারণা ও প্রয়োগ নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছিলাম; সেটির কিছুটা তুলে দিলাম:

..এ বিষয়ে বর্তমান সরকার একটি প্রেসনোট দিয়েছে। সরকারের প্রেসনোট অনুযায়ী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হওনের কারণে সরকার হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনটিরে নিষিদ্ধ করেছে। ভাল কথা। তাহলে এখন জননিরাপত্তা বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। এই গুরুত্বপূর্ণতারে আমলে নিয়ে শব্দটির বিবিধ প্রয়োগ এবং ব্যবহারগুলিরে আসুন একটু ধর্তব্যে আনি।

সাম্প্রতিকতম সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে এগার-এক রেজিমের হোম মিনিস্ট্রি থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তার সাথে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের কথাও বলা হয়েছিল, প্রথম আলো ডেইলি স্টার যেটি ফলাও করে প্রচার করেছিল। তিনি লগি-বৈঠা আহ্বান করে ঢাকার রাস্তা রক্তাক্ত করার পৈশাচিক কর্মকান্ডের একজন আসামীও ছিলেন। ..

কর্তৃপক্ষ মেইল করে জানিয়ে দিলেন এই লেখাটিও জননিরাপত্তা তথা সমাজ এবং ব্লগ কমিউনিটির জন্য হুমকি স্বরূপ। তাই এটি ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আমি কিংকর্তব্যবিমূড় হলাম। কী করি বলুনতো।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১ dear blogger,

your post (সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর) have been kept in your blog as draft due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.

3g. if a post contains information or material or instruction that maybe used to harm the stability of the society or blog community.

৩ছ. যদি কোন পোস্টে সন্নিবেশিত তথ্য কিংবা বিষয় অথবা নির্দেশনা সমাজ এবং ব্লগ কমিউনিটির জন্য হুমকি স্বরূপ হয়।

regards,
somewherein blog team.
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
http://www.somewhereinblog.net/blog/rifathasanblog/29032157

____________________________________________
রায়হান ভাই,
লেখাটি রিফাত হাসানের সামহোয়ার ব্লগ থেকে নেওয়া।
এই ব্লগে আমাকে বহুবার ব্যান করেছে শুধু মাত্র ১/১১ ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে
লেখার জন্য। এই জন্যই রিফাত হাসানের লেখাটি ইমেলায় কপি-পেষ্ট করলাম।

রাজ-পরিবারের নিরাপত্তা আর জংগী দমনের নামে বাংলাদেশী ব্লগের সম্পাদকেরা এখন
এক প্রকার গড-ফাদারে পরিনিত হয়েছে। ব্লগের সম্পাদকেরা প্রতিপক্ষ-সদস্যেদের
আইপি আড্রেসও টাকার বিনিময়ে আওয়ামী সরকারের হাতে তুলে দিচ্ছে ...মঈনের সময়েও
ঠিক একই কাজে লিপ্ত ছিলো ব্লগের সম্পাদকেরা,
এদের অনেকেই জাগো বাংলাদেশের সক্রিয় সদস্য ছিলো।

কিন্তু আশার কথা হলো, এর পরেও আমাদের ভার্চুয়াল কন্ঠ রোধ করা যায়নি।
এটাই বাংলাদেশীদের সাফল্য, আমাদের সফলতা।
ওরা আমাদেরকে ধবংস করতে চেয়েছিলো, পারে নি।
____________________________________________

রায়হান ভাই, এখানে লেখাটি তুলে ধরলাম

সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর

প্রথমেই নোট দিয়ে রাখি, হিজবুত তাহরীর নামে যে দলটিরে সম্প্রতি আওয়ামীলীগ সরকার নিষিদ্ধ করেছে তার রাজনৈতিক শ্লোগান 'খেলাফত' এবং এ বিষয়ে দলটির অবস্থান এর সাথে আমার ভিন্ন বোঝাপড়া আছে। সেটি খুবই ভিন্ন প্রসঙ্গ। কিন্তু সেই মতভিন্নতা দলটিরে নিষিদ্ধ করার মতো ফ্যাসিবাদি তৎপরতারে সমর্থন করার জন্য আমাকে প্ররোচিত করে না। 'ইসলাম', 'খেলাফত' এই বিষয়গুলোর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ফেনোমেনা সহ ইসলামের ভিতরকার কিছু তাৎপর্যপূর্ণ বিতর্ক আছে, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিচারে তার প্রগতিশীল পর্যালোচনাও জরুরী বলে মনে করি আমি।

কিন্তু নিষিদ্ধ করা কেন?

এ বিষয়ে বর্তমান সরকার একটি প্রেসনোট দিয়েছে। সরকারের প্রেসনোট অনুযায়ী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হওনের কারণে সরকার হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনটিরে নিষিদ্ধ করেছে। ভাল কথা। তাহলে এখন জননিরাপত্তা বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। এই গুরুত্বপূর্ণতারে আমলে নিয়ে শব্দটির বিবিধ প্রয়োগ এবং ব্যবহারগুলিরে আসুন একটু ধর্তব্যে আনি। সাম্প্রতিকতম সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে এগার-এক রেজিমের হোম মিনিস্ট্রি থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তার সাথে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের কথাও বলা হয়েছিল, প্রথম আলো ডেইলি স্টার যেটি ফলাও করে প্রচার করেছিল। তিনি লগি-বৈঠা আহ্বান করে ঢাকার রাস্তা রক্তাক্ত করার পৈশাচিক কর্মকান্ডের একজন আসামীও ছিলেন। পরিহাস হলো, সেই সময়ে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিশেবে ঘোষিত হাসিনাই বর্তমানে হিজবুতের টুটি টিপে ধরতে এই শব্দবন্ধটিরেই বেছে নিয়েছে। আসলে এই জননিরাপত্তা ব্যাপারটি বেশ সরস, দরকারী জায়গাটিতে সব ফ্যাসিবাদিরাই তা প্রয়োগের মাধ্যমে বিপরীত মতকে দমনের সুযোগ গ্রহণ করে। প্রকৃত অর্থে জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কথা যদি বলতেই হয় তাহলে প্রথমেই আসে আওয়ামীলীগ বিএনপির মত রাজনৈতিক দলগুলো, তারপরে প্রথম আলো ডেইলি ষ্টারের মত মিডিয়া, সুবিধাবাদি সুশীল সমাজ- যারা স্বার্থের বিনিময়ে দেশের সর্বস্ব বিকিয়ে দিতে দ্বিধা করে না। গণতন্ত্রের টুটি টিপে ধরে।

পত্রপত্রিকা পড়ে যদ্দুর জানা যায়, হিজবুত তাহরীরের কোন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কোনরকম চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন, বা অস্ত্রসহ গ্রেফতার অথবা নাশকতামূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নাই সরকার। দুই হাজার এক সালে কার্যক্রম চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই দলটি সবচেয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক দলগুলোর একটি। গোয়েন্দা রিপোর্টে অন্য যে কয়েকটি সন্দেহভাজন দলের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রায় কোনোটাই কিন্তু প্রকাশ্য অস্তিত্ত্ব নাই। জরুরী অবস্থাসহ সব ধরণের বাঁধার পরিস্থিতিতেও টিপাইমুখ বাঁধ, পিলখানা ষড়যন্ত্র, সাগরের তেলগ্যাস রফতানি, এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর দেয়ার চেষ্টা, টাইগার শার্ক নামে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া, টিফা চুক্তি- এইসব দেশীয় স্বার্থ সংস্লিষ্ট ব্যাপারগুলোতে এই দলটির সোচ্চার তৎপরতার সংবাদ গণমাধ্যমগুলো জুড়ে সবসময় ছিল। তাহলে এই দলটি দেশ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয় কীভাবে? 'জননিরাপত্তা'র সংজ্ঞা কী?

জননিরাপত্তার নামে এই ফ্যাসিবাদি চর্চাকে এখন গুরুতর প্রশ্ন করার সময় এসেছে। এগার একের রেজিমের উত্তরসুরি এই একদলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠের সরকারের অতীতও গণমাধ্যম এবং সব ধরণের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল গঠনের মত কালো উদাহরণে ভরপুর। বিজয়ের অব্যবহিত পরেই, উপজেলা নির্বাচন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের মুহূর্তগুলোতেও পৈশাচিক দমন এবং বল প্রয়োগের যে উদাহরণ তারা রেখেছেন, তাতে এই একদলীয় সরকারের ফ্যাসিষ্ট উপকরণগুলো স্পষ্ট হয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের আরো অপরাপর তৎপরতাগুলো বিশ্লেষণ করে সচেতন মহল প্রশ্ন করতেই পারে যে, এর গন্তব্য কোথায়?
সুত্র, http://prothom-aloblog.com/users/base/rifathasan/24

  • Save Bangladesh: No more farakka

shomudro's picture

সামহোয়ার ব্লগ

সামহোয়ার ব্লগ ও বাংলা্দেশের পত্রিকার মাঝে কোন ফারাক নেই। এই ব্লগের সম্পাদক পুরোপুরি সরকার ঘেষা।অর্থাৎ যে যখন সরকার তার সমর্থনে কাজ করে।সুতরাং সরকার বিরোধি কোন লেখা সেখানে ঠাই পায় না।সেদিক দিয়ে আমরা ভাগ্যবান যে ইমেলার সম্পাদক ফোরামের মেম্বারদের লেখার স্বাধীনতার ব্যপারে অত্যন্ত সচেতন।আমি ভেবে পাই না যেখানে লেখার স্বাধীনতা নেই সেই ব্লগে পাঠক বা লেখক লগ ইন করে কি করে?