তারেক-মামুনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকা পাচারের মামলা
------------------------------------------------------------------------
ঢাকা, অক্টোবর ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান ও তার বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা সিঙ্গাপুরে পাচারের অভিযোগে একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করা হয়।
থানার ওসি হোসনে আরা বেগম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "মানি লন্ডারিং আইনে তারেক রহমান ও গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।"
দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারি পরিচালক মো. ইব্রাহীম এ মামলা দায়ের করেন বলে জানান ওসি।
মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, তারেক রহমান ও গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পথে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা সিঙ্গাপুরে পাচার করেছেন। এর ফলে মানি লন্ডারিং আইনের ২ ও ৪/২ ধারা লঙ্ঘন হয়েছে।
ওসি জানান, দুদক মামলাটি তদন্ত করবে।
মামলার বাদী মো. ইব্রাহিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্র"তি দিয়ে ১০/বি, বনানীর নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানী লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন এই টাকা নেন।
তিনি বলেন, "সিঙ্গাপুরে বসে লেনদেন হওয়ার পর তখন টাকাগুলো সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রীটের সিটি ব্যাংক এনএতে মামুনের নামে একটি ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়। এর পরিমাণ ছিল সাত লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় পাঁচ কোটি ১৭ লাখ টাকা)।
"এই হিসাবের বিপরীতে তারেক ও মামুন-দুজনের ক্রেডিট কার্ড ছিল। সেখান থেকে তারেক রহমান তার সাপ্লি¬মেন্টারি কার্ডে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার (তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা) ও মামুন ৭৯ হাজার মার্কিন ডলার (পাঁচ কোটি ৪৩ লাখ টাকা) খরচ করেন। এ কারণে তাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।"
গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামুন এই অর্থ পাচারের কথা স্বীকার করেন বলেও জানান দুদক কর্মকর্তা ইব্রাহিম।
তিনি বলেন, "এই প্রকল্পটির কাজ পেতে খাদিজা ইসলাম ওই টাকা ঘুষ দেন। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি কাজে ঘুষ নেওয়া মোট ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা পরে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ফেরত এনে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেন।"
তারেক রহমান বর্তমানে আদালত থেকে জামিন নিয়ে লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারেকের বিরুদ্ধে এ নিয়ে ১৪টি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে একটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী মামুন বিভিন্ন মামলায় কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

রাজনৈতিক পতিতা মনে করে দুরে থাকুন
নিরপেক্ষতার মুখোশধারী SUSHIL 'জাগো বাংলাদেশী'-র একসময় মঈনের পা-চাটা কুত্তারাও তাদের গুরু 'প্র-আলো'-র মতি বাবু & মাহফুজ গং দের মতও চরিত্র বদল করে ফেলেছে। আপনি নিশ্চয় লক্ষ্য করে থাকবেন এখন এরা এদের একসময়ের নবী (!) মঈন কে এইচ. এস. সি. পাশ জেনারেল বলে গালি দেয় আর মুজিবের বন্দনা করতে যেয়ে BAL-কে খুশী করার জন্য জিয়া ও তার পরিবারকে কল্পনার ফানুস রং-এ যত নিচে নামানো যায় তাই করছে.... এতে করে যদি USA-এ অবস্থানরত Joy-কে খুশী করানো যায় তা'হলে Joy-র কাছে পাচার করা কোটি কোটি ডলারে বিন্দু পরিমান পেলেও এরা ধন্য হয়ে নমো....নমো...করে নবউদ্যমে BNP-তথা জাতীয়তাবাদি শক্তির পেছনে লাগার পাশাপাশি ভারত বন্দনায় জীবন-যৌবন কাজে লাগাবে। ফকিন্নির পোলা জয় আজকে মহাধনী হয়েছে,চোর হাছিনা গরীব বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের টাকা চুরি করে তার চেলে মহাচোর জয়ের কাছে পাঠাচ্ছে,আর চোরদের বাপ শেখ মজিবের 72এর মত দেশকে তলাবিহীন জুডিতে পরিনত করতে যাচ্ছে। আর পুর্ব গুরু মঈনের কাছ থেকে পাওয়া দক্ষিনার মত এই BAL দক্ষিনাও আমেরিকার শেয়ার মার্কেটে invest করবে। এরা এখন SUSHIL-র নব্য ভার্সন SUSHIL আওয়ামিলীগার। আর বাকশালী তো বটেই....এদেরকে রাজনৈতিক পতিতা মনে করে দুরে থাকুন....|
জাতির পিতার সন্তান বিভ্রাট: একটি খন্ডচিত্র;
১৯৭৪ সালে মতিঝিলে দু-জন ডাকাত ধরা পড়েছে, দেখতে খুবই হ্যন্ডসাম এবং শিক্ষিত বলে মনে হল। থানার ওসি মহা দুঃচিন্তায় পড়ল কি করা যায় তাদের নিয়ে। কারন যুবকদ্বয় বারবার ওসিকে শাসাচ্ছিল, এক্ষুনি ছেড়ে না দিলে কি পরিনাম ভোগ করতে হবে বলে। অগত্যা ওসি এস, পি’কে জানালেন মতিঝিলে দুজন হ্যান্ডসাম যুবক ডাকাতির কারনে গ্রেফাতার হয়েছে, এদের কি করব? এস, পি ওসিকে বললেন অপেক্ষা কর সিদ্ধান্তের জন্যে, তিনি ডিসিকে অবহিত করলেন, মতিঝিলে দুজন হ্যান্ডসাম যুবক ডাকাতির কারনে গ্রেফাতার হয়েছে, কি করব? ডি, সি বললেন অপেক্ষা কর সিদ্ধান্তের জন্য। ডি, সি জাতির পিতা শেখ মুজিবকে ফোন করলেন এবং বললেন মতিঝিলে দুজন হ্যান্ডসাম যুবক ডাকাতির কারনে গ্রেফাতার হয়েছে, কি করব? সিদ্ধান্ত চাচ্ছি। শেখ মুজিব স্বভাবসূলব হুংকার ছেড়ে বললেন অপেক্ষা করো, লাইনে থাক। শেখ মুজিব নিজের বাসায় ফোন করলেন, জাতির মাতা গৃহীনি ফজিলাতুন্নেছা ফোন ধরলেন। মুজিব প্রশ্ন করলেন, দেখতো কামাল-জামাল ওরা ঘরে আছে কিনা? মুজিবপত্নী তাদের কক্ষে গিয়ে দেখলেন এবং কামাল-জামালকে কক্ষে দেখতে পেলেন। যথারিতী স্বামীকে তথা শেখ মুজিবকে জানানো হল কামাল-জামাল ঘরে আছে।অতপরঃ শেখ মুজির ডি, সি’কে হুকুম দিলেন ওদের গ্রেফতার করো। ডি, সি মহোদয় এস, পি’কে জানালেন ওদের গ্রেফতার করো। এস, পি মহোদয় ওসি’র উপর হুকুম জারি করলেন এক্ষুনি ওদের গ্রেফতার করো। ওসি মহোদয় বিনীত ভাবে জানালেন স্যার ওদেরকে ইতিমধ্যে শেখ ফজলুল হক মনি ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। ভবিষ্যতে এই বেয়াদবী যাতে আর নাহয় সেজন্য শাষিয়ে গেছেন। এই ছিল শেখের জামানার একটি খন্ডচিত্র।
বাংলাদেশে মার পুত নাই
বান্দীর বাচ্চারা আমার নেতাকে নিয়া তামশা মারাচ্ছে। সময় আসুক একেক জনের পিছন দিকে লাল আইক্কা বাশ ঢুকানো হবে। বাংলার বাঘ তারেক জিয়াকে আটকায়ে রাখে এমন মার পুত বাংলাদেশে জন্মায় নাই।
লাল বাশ ভাই
তা লাল বাশের চারা মাটিতে গ্রো করার জন্য পুতেছেন? বাশ টা হতে অনেক সময় লাগবে।
আপনার চ্যাতোমিটার অনেক হাই রিডিং দিচ্ছে। মাগুর মাছের ঝোল খেয়ে সমুদ্রের পানিতে জাম্প এখনও করেন নাই?
আপনার টাং টা একটু গন্ধ করছে। একটু গোলাপ পানি দিয়া ধৌত করে নিবেন। এই ই-মেলার ভাই বোনেরা গন্ধ টাং পচ্ছন্দ করেনা।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
ভাডি রবিন
এই রাত্তিরে হাতে হারিকেন নিয়ে কার পোঁ.....বাস দিতি জাছছো ?
আলতাফ হোসেন সাহেব ।
আপনি নিজের বুকে হাত রেখে বলুনতো আপনার নেতা তারেক জিয়া কি তার বাবার মত সৎ ? তার বাবা ৫ বৎসর ক্ষমতায় থাকার পর যেভাবে সামরিক ক্যুতে নিহত হন এবং এই নিহত হওয়ার পর যে পরিমান সাধারন জনগন জানাজাতে সামিল হয়েছিল , আপনার কি মনে হয়ে খোদা না করুক তারেকের ওই ধরনের কোন পরিস্থিতি হলে যাবে জনগন ? না যাবেনা ,গেলে কোকো আর তারেককে যখন ডিজিএফই গ্রেফতার করে যে পরিমান টর্চার করে হাড্ডি মাংস আলাদা করে দিয়েছে , তখনই জনগন ফুসে উঠত , যখন উঠে নাই তার অর্থ গত ৫ বৎসর নিজের টাকা কামানো আর হেন কোন বাজে কাজ করে নাই আপনার এই নেতা। নেতাকে ভালবাসেন খুব ভাল কথা কিন্তু নেতার দোষের জিনিসটা বেশী করে দেখবেন আর সমলোচনা করবেন তাহলে নেতা তার ভুল ভ্রান্তি নিয়ে আত্বস্বুদ্দিতে নিজের মাথা খাটাবে। সব সময়ই নেতা জিন্দাবাদ , নেতার চরিত্র ফুলের মত পবিত্র বলে নিজের মনে শান্তি এনে নেতারো বারোটা বাজানো হয় সাথে নিজের দলেরও।
Killers, looters, conspirators, liars & beggers
Killers, looters, conspirators, liars and beggers ran this country & still continuing running it. We need to get rid off these criminals.
NEWS: Court dismisses Tuku’s petition challenging Moeen’s...
It is not surprising that Court dismissed Tuku’s petition challenging Moeen’s Vokalatnama. The government installed by Moeen through digital rigged election is paying back gratitude. I can guarantee that no one can touch a single hair of Monafeq Moeen under the Awami-Baksali rule. This bangla mirjafor stole and transferred millions of dollars to foreign bank.
Mother & son, the vicious killers BD people ever saw
23 people killed, 300 wouded; how many battles saw this kinds of casualties? This woman & her son brought together the most ferocious person of India, our army, law enforcement people, the terrors, the intelligence and blackmarketiers just to kill people of this counry & loot it; what ferocious animals?
আওয়ামী লুটেরাদের তান্ডবে সব হারিয়ে যেতে বসেছে।
মোরা একটি ফূলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি,
মোরা একটি ফুলের হাঁসির জন্যে অস্র ধরি......
শিল্পী আপেল মাহমুদের এই হূদয় কাড়ানো গান এখন হাসি, ঠাট্টার বিষয় হয়ে যেতে বসেছে। একদা এ গানের টানে মানুষ নিজের প্রিয় জীবন খানা বাজী রাখতে চিন্তা করত না।আওয়ামী লুটেরাদের তান্ডবে সব হারিয়ে যেতে বসেছে। সকল আওয়ামী নেতা-কর্মীই যেন এক একজন হায়েনা। সব খাওয়ার তালে পরে তারা তাদের পিতা শেখ মুজিবের চৌদ্দগোষ্টির জীবনখানাই খেয়ে ফেলেছিল। এ যেন মাকড়সার পরিনতির মত, বাচ্চা মাকড়সা মায়ের বুকে বড় হয়ে খোলস থেকে বের হওয়া মাত্রই, অতিশয় দুর্বল মাকে আক্রমন করে বসে তার গোশত খাওয়ার জন্যে। সত্যি কথা হল শত শত বাচ্চা সন্তানদের আক্রমনে মা পরাস্ত হয় এবং বাচ্চাদের জীবনের প্রথম খাদ্যে পরিনত হয় মায়ের শরীর। তারপর অন্য খাদ্যের দিকে মনোনিবেশ করে বাচ্চারা। আওয়ামীলীগের সব নেতা-কর্মীরা বাচ্ছা মাকড়সার মত বাংলাদেশকে এভাবেই খেতে বসেছে।
এই আওয়ামীলীগকে আমরা চারবার ক্ষমতায় আসতে দেখেছি। একবার পাকিস্থান আমলে তিন বার বাংলাদেশ আমলে। প্রত্যেক বারই তারা দেশ ও দেশের জনগনকে চৌচির করে খাওয়ার মহাযজ্ঞে লিপ্ত ছিল। প্রতিবারই তারা এ কর্ম করেছে তাই জনগন তাদের পরপর দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়নি। এবারেও ঐতাহাসিক ভোট ডাকাতি নাহলে, তাদের সম্ভাবনা খুবই ম্রিয়মান ছিল। তারা বি, এন, পির দুর্নিতীর কথা বলে মাঠ গরম করতে চায় তবে আওয়ামীলিগে যে রাজ্যের ডাকাতদের জঠলা একথা লুকাতে তারা শরম পায়না। এই আওয়ামী ডাকাতদের তান্ডবের কারনে শেখ মুজিবের গগনচুম্বি জনপ্রিয়তা ধবংস হয়েছিল মুহুর্তের মধ্যে। ডাকাতিতে আওয়ামীরা অভ্যস্থ ছিল আমরা জানতাম, নতুন সমস্যা হল তারা এখন নাম ডাকাতির বানিজ্য শুরু করল। আওয়ামীদের একটা ধারনা কাজ করে, তাহল কাজে নয়, নামেই সকল পরিচয়।
আওয়ামীলীগের জীবিত নেতারাতো সম্পদ কাড়াকাড়িতে মত্ত্ব্, আবার মরা নেতাদের আত্বাও নাম ডাকাতিতে মত্ত্ব, এরা মরলেও রেহাই নাই ফলে দুনিয়াচর মানুষের অশান্তিরও শেষ নাই। খবরে এসেছে, খুলনার বীরশ্রেষ্ট শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ষ্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে আবু নাসের ষ্টেডিয়াম রাখা হয়েছে। চট্টগ্রামের বিভাগীয় বীরশ্রেষ্ট শহীদ রুহুল আমিন ষ্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম করা হয়েছে।
একটু চিন্তা করে দেখুন কার ভাতে ওরা হাত দেয়? একদিকে যুদ্ধাপরাধী বলে গলার পানি তলায় আনার যোগাড়, সকল আওয়ামীলীগ মুক্তিযোদ্ধা বলতে বলতে সকলে তাদের চুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করতে বাধ্য হচ্ছে। অন্য দিকে বীরশ্রেষ্টদের বাড়া ভাতেও হাত দিতে ওদের বিবেক বাধছেনা। যে বীরশ্রেষ্টরা তাদের প্রিয় মাতৃভূমির জন্যে নিজের প্রিয় জীবনখানা সঁপিয়ে দিয়েছিলেন জল্লাদের হাতে। আওয়ামীলীগ এবার তাদেরও ঝেটিয়ে বিদায় করার নিমিত্ত্বে মিশন হাতে নিয়েছে। বীরশ্রেষ্টদের ঝেটিয়ে যাদের আনা হল তাদের সর্ম্পকে একটু জানা দরকার। আবু নাসের হলেন শেখ হেলালের বাবা ও শেখ হাসিনার চাচা, অনেকে লেঙ্গা নাসের হিসেবেও চিনে। শেখ মুজিবের নামে জল্লাদী কারবারে যারা নিজেদের মেধাকে কাজে লাগিয়েছিলেন তিনিও তাদের একজন। ওনার নাম শুনলে ব্যবসায়ীদের চোখ বের হয়ে হাতে চলে আসত অতপর চোখ পকেটে নিয়ে বিপদ পার হয়ে আবার তা যথাস্থানে লাগানো হত। ওনার নির্মমতা শেখ ফজলূল হক মনিকেও ছড়িয়ে গিয়েছিল। এই ছিল ওনার যোগ্যতা। জহুর আহমেদ চৌধুরী কোন জাতীয় নেতা নন। চট্রগ্রাম অঞ্চলে তিনি বর্গী হিসেবে অভিহিত ছিলেন। বর্গীদের অত্যাচারে মোগল সম্রাটগন পর্যন্ত তটস্থ থাকত। বর্গীদের সুযোগ্য উত্তরসূরী ছিলেন এই জহুর আহমেদ চৌধুরী। শিষ্টাচার ও ভদ্রতা বহির্ভূত আল্লাহর এক আজিব সৃষ্টি ছিলেন এই লোক। ওনার আচরনের মাত্রা এতটুকু ছিল স্বয়ং শেখ মুজিবর রহমান পর্যন্ত তটস্থ থাকত। জহুর আহমেদ চৌধুরী একমাত্র ব্যক্তি যিনি শেখ মুজিবকে তুই হিসেবে বলার হিম্মত রাখতেন, সারা জীবনে তিনি কোনদিন আপনি, তুমি শব্দ কারো জন্যে ব্যবহার করেননি। আর শেখ মুজিবুর রহমানও পুরো জীবনে কাউকে কোনদিন আপনি হিসেবে সন্ধোধন করেননি, তাহলে বঝুন এই শ্রেষ্টনেতাদের জীবন বৃতান্ত। জহুর আহমেদ চৌধুরী বিহারী নিধন শুরু করেন সেই ৭ই মার্চের পর থেকে। হাজার হাজার বিহারী হত্যা করে তাদের ফেলে দেওয়া সম্পদ দখল করেই তিনি চট্টগ্রামের সেরা নেতা হন। চট্টগ্রামের বিহারীদের ফেলে দেওয়া সম্পদের অর্ধেকের বেশী সম্পত্তি তিনি একাই দখল করেন এখনও সে সম্পদ তার বংশধরদের হাতে গচ্ছিত বাকীটা দখল করেন আখতারুজ্জমান বাবু। যাই হোক শেখ নাসের, জহুর আহমেদ চৌধুরী আওয়ামী নেতা হতে পারেন তবে জাতীয় নেতা নন। আর বীরশ্রেষ্টগন শুধু জাতীয় নেতাই নন তারা জাতীয় সম্পদ, মর্যাদা এবং বীরত্বের প্রতিক। সকল বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধানগন জাতীয় স্মৃতি সৌধে গিয়ে জাতীয় বীরদের সম্মান জানান। শেখ নাসের কিংবা জহুর আহমেদ চৌধুরীকে নন। শুধু শেখ সেলিমের পিতা কিংবা শেখ মুজিবের ভাই হলেই কেউ সম্মানিত হয়না। সম্মান তাকে আহরন করতে হয়। শেখ সেলিম ইচ্ছা করলেই ইট লোহা দিয়ে কোন স্তম্ভ তৈরী করে তার বাপের নামে দিতে পারেন কিংবা মস্তবড় শিবলিঙ্গ তৈরী করে বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে হিন্দুদের জন্যে উৎসর্গ করতে পারেন, আমাদের কোন আপত্তি নাই। জনগনের পয়সা দিয়ে তৈরী সম্পদ বাবার নামে চালিয়ে দেয়ার মহাভন্ডামী না করলেই উত্তম হয়, কারন আপনার বিকলাঙ্গ লেঙ্গা পিতাজী এ জাতীর কেউ ছিলেন না, কোন অবদানও তার নেই।
ইতিমধ্যে নামযজ্ঞ শহর ছেড়ে বন পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেচে। শহরের আর কোন দালান, কালভার্ট, সাঁকো, গন শৌচাগার আওয়ামী নেতাদের নামে দেওয়ার জন্যে বাকী নাই। ইতিমধ্যে সবকিছুর নাম দখল হয়ে গিয়েছে ফলে বীরশ্রেষ্টদের নাম নিয়েও কাড়াকাড়ি শুরু হল। এদিকে শেখ মুজিবের জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরা শুরু করেছে আওয়ামী আঁতেলেরা। কোথায় কি পাওয়া যায় তার নামে রাখার জন্যে। অবশেষে ডুলাহাজারার সাফারী পার্কখানা মুজিবের নামে করা হল। তারপরও শান্তি নাই আরো নামের সন্ধানে নেতারা ঘুরঘুর করছে সারাদেশে। তাই নেতারা নতুন কিছু না পেয়ে চলন বিল, সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও সীতাকুন্ড পাহাড়কে আপাতত শেখ মুজিবের নামে নামকরন করার নিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরেকটি দল সুন্দরবন ভিজিটে গেছে কোন সুন্দর অবস্থান কিংবা নদীর বাঁক-টেক পাওয়া যায় কিনা শেখ মুজিবের নামে দেবার জন্যে। যাক, বন-জঙ্গল শেখ মুজিবের নামে হউক এতে আমাদের কোন আপত্তি নাই কিন্তু বীরশ্রেষ্টদের অসম্মান কিংবা নাম হরন করে আওয়ামী নেতাদের নামে চালিয়ে দিলে গনলাথির জন্যে অপেক্ষা করতে হবে, বেশীর বেশী ৫ বছর পরে। তাইতো আপেল মাহমুদের গান, আওয়ামী আঁতেলদের মুখে আগে বেশী শুনতাম একটি ফূলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি….। এখন ফূলতো দূরের কথা গাছশুদ্ধ ধবংসের মহাপায়তারা শুরু করল এই ইহুদী-খৃষ্টানদের দালাল আওয়ামী সরকার।
জরুরী সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে নির্বাচনের আগে পর্যন্ত শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ, তাদের নেতা-কর্মীরা সারাদেশে বেশ ফলাও করে যে তারা দেশের মানুষকে ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়াবে, সব জিনিসের দাম পানির মত সস্তা করে দেবে। আজ আমরা কি দেখছি? কি ভয়ংকর এক 'দিনবদল' করেছে তারা। ২০০৬ সালে এই হাসিনা, আওয়ামী লীগার দ্রব্যমূল্য নিযে, কল্পিত সিন্ডিকেট নিয়ে কথা বলতো। ২০০৬ সালের দ্রব্যমূল্যও যদি আজ থাকতো তবে মানুষ স্বস্তিতে-শান্তিতে দু'মুঠো ডাল-ভাত খেতে পারবো। ভয়াবহ অগ্নিমূল্যে সাধারণ মানুষ আজ দিশেহারা। অন্যদিকে তারা দিনবদল আর ডিজিটাল ডুগডুগি বাজিয়ে যাচ্ছে। এ কেমন দিনবদল, এ কেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ? এতো মহাজোট নয় 'মহাঝুট' সরকার। কোথায় আবুল বারকাত সাহেবরা যারা বাংলালিংক কোম্পানীর বিজ্ঞাপন ও ওবামার নির্বাচনী প্রচারণা নকল একটি প্রতারণার আওয়ামী নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করেছে? কোনও সবজি আজ ৩৫/৪০ টাকার নিচে পাওয়া যায় না। চিনি ফারুক খানের ডিজিটাল গলাবাজিতে ধরাছোঁয়ার বাইরে, চাল-ডাল-তেল আবার ঊর্ধমুখী। 'মহাঝুট' সরকার ব্যস্ত ভারত-তোষণ, ভারত-লেহনে। আবদুল জলিলের বক্তব্যের পর তো এই 'মহাজোট' কে এখন 'মহাঝুট' ছাড়া কিছুই বলা যায় না। মহাচোর হাছিনা 96এ ক্ষমতা দখল করার পর 17হাজার কোটি টাকা চুরি করে বাংলাদের ইতিহাসে মহাচোর হয়েছিল,মহাচোর হাছিনার ব্যপারে আপনার কোন লেখালেখি আজ পর্যন্ত দেখিনি,হাছিনার অতিবাছালতার কারনে সংসদ তাকে রংহেডেড বলেছিল,মাটির থালায় ভাত খেয়েছিল হাছিনার স্বামী ডঃ ওয়াজেদ,টাকার অভাবে বিয়ের সময় দুচারজন সামাজিক লোককে দাওয়াত করে খাওয়ানোর সামর্থ ছিলনা ডঃ ওয়াজেদ মিয়ার,একটা হাতের আংটি কেনার টাকা ছিলনা তার,ওয়াজেদ মিয়া শেখ হাছিনাকে বিয়ে করার সময় একজোডা সেন্ডেল আর একটা আংটি দিয়েছিল,(এসব আমার কথানয় ডঃ ওয়াজেদ তার বইয়ে লিখেছে এবং সে নিজের মুখে বলেছিল)সেই ফকির ওয়াজেদের অবাধ্য স্ত্রী শেখ হাছিনা গরীব বাংলাদেশের টাকা আত্মসাত করে তার ছেলে জয়ের কাছে পাচার করে চলেছে, আজকে জয় হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে,নিজ ধর্ম ছেডেদিয়ে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করেছে,চুরীর টাকা আমিরিকায় ব্যবসা বানিজ্য করছে,,নিরাপত্তা ও আবাসন সুবিদার জন্য কোটি কোটি টাকা নিচ্ছে,এত কিছুর পরওথাছিনার ছেলে ইহুদি জয় খুশি হতে পারেনি,সে মজিব হত্যার বদলা নেওয়ার জন্য 58জন সেনা অফিসারকে হত্যা করিয়েছে,
আওয়ামী দালালরা ,আপনারা আরো অনেক ষডযন্ত্রের কথা জানেন,এবাব আওয়ামীলিগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলীলের মত সবকিছু জাতীকে জানিয়ে দিন। আমরা আওয়ামী হায়েনা বিরোধী।আমরা আওয়ামী নরপশুদেরকে ঘৃণা করি।খুনি হাছিনার কাছ থেকে নিরাপদ দুরত্বে থাকুন।
Wrong Equation or just inflaming this topic?
"এই হিসাবের বিপরীতে তারেক ও মামুন-দুজনের ক্রেডিট কার্ড ছিল। সেখান থেকে তারেক রহমান তার সাপ্লি¬মেন্টারি কার্ডে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার (তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা) ও মামুন ৭৯ হাজার মার্কিন ডলার (পাঁচ কোটি ৪৩ লাখ টাকা) খরচ করেন। এ কারণে তাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।"
Just wondering how 55,000 USD dollar is equivalent to 3 crore & 78 lakh? 55,000 USD supposed to be around 3850000 BD taka only. Though this kind of case or report easily devide whole bangladeshi community or for fact E-mela bloger but I am pretty much sure those who is behind this case is not bothering much. AL & BNP both has lot of criminals within their organization. we always hear these bullshit against opposition party. But at the end of the day nothing happen. ALL PURE BULL-SHIT.
I BELEIVE AL IS DESPARETLY TRYING BNP TO GO FOR HORTAL , STRIKE BECAUSE IF THERE IS NO HORTAL AFTER 5 YEARS BD PEOPLE WILL ASK AL LAST 5 YEARS THERE WAS NO HORTAL. " WHAT THE HELL HAVE YOU DONE FOR COUNTRY".. Political tension is created by all political parties to get excuse from their duty and hide their ill-gotten wealth..
Grenade attack, Tareq & Khaleda did it
Once A Salam Pintu did control the grenade attack operation from Hawabhaban, most of the Hawabhaban operators including Babar Ali knew it. Once Baba knew, Tareq knew it, from Tareq Khaleda knew it.
Grill the cow with the calf first.
ভারতীয়দের সাথে আওয়ামীদের লীলা খেলা।
ভারতীয়দের সাথে অবৈধ সংযমের ফসল এ বোমা হামলা। উলফা হল আওয়ামীদের এইডস যা ভারতের সাথে অবৈধ মিলনের কারনে হয়েছে। এর দায়ভার অন্যকারও উপর চাপানোর ব্যার্থ চেষ্টা হাস্যকর।
ধান্ধাবাজী ছাড়েন
বাংলার বীর সেনানী মামুনকে এই দেশের জনগন একদিন জেল ভেংগে বের করে নিয়ে আসবে। এক একটা জাতিয়তাবাদী সেনা এ দেশের সম্পদ, ২০ কোটি কেন ২০০ কোটি পাচারের অভিযোগ দিয়ে এদের দমানো যাবেনা। আমাদের মহান নেত্রী খালেদা জিয়ার অংগুলি হেলনে টেকনাফ হতে তেতুলিয়া দুলে উঠবে একদিন, এই শতাব্দীর তরুন মহানায়ক তারেক রহমান একদিন বাংলাদেশকে বাকশালী শৃংখল হতে মুক্তি দিতে এগিয়ে আসবে। আমরা অপেক্ষায় আছি সেই দিনের।
জনাব altaf_hossain
আপনি আবার কোন ধান্দা নিয়ে এই মেলায় হাজির? তারেক, খালেদা ও মামুনের জন্য এত তেলবাজির মুলে নিশ্চয় কোন ঘাপলা আছে। ভয় নেয়, আপনি যেভাবে এই মেলায় উদয় হয়েছেন ঠিক সেভাবেই অস্ত যাবেন। যে ক'দিন এখানে থাকেন, মস্তি করে যান। আপনার মাত্রারিক্ত জাতীয়তাবাদী গান আর নেতানেত্রীর জয়গান খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। মনে করবেন না যে আপনার ফাঁদে কেউ পা দিয়েছে। নিজেকে এভাবে বিনা পয়সায় বিক্রী করার মাজেজাটা কি, ভাইসাহেব?
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
হুসিয়ার
বাকশালী দালালেরা হুসিয়ার সাবধান!!!
মিয়া আলতাফ
তুমি আবার কোথায় থেকে উদয় হলে চাঁন্দু?তোমার মতি গতি তো ভাল ঠ্যাকছে না।কি চাও বলতো।
মিয়া ভাইকে পথ দেখানো দরকার
ও ই,
মিয়া ভাই হাতে হারিকেন আর পো-- এ বাশ দিয়ে পথ দেখতে চাচ্ছেন।
আমাদের খুলনা যশোরে মিয়া ভাই এর মত পথ হারা পথিক কে এ ভাবে পথ দেখানো হয়।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
নেড়ী ডালিম কোথায়?...........
নেড়ী ডালিম কোথায়? কোথাও দেখছিনা যে! পালিয়েছে নাকি?
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
প্রিয় দোস্ত হৃদয় কে জ্যাকব রায়হান
কারো নাম ফারুক, রশীদ বা ডালিম হলে, কিংবা কেউ ফ্রীডম পাটী বা বি এন পি করলে, কিংবা কেউ আওয়ামী লীগ না করলেই "তুই রাজাকার" অথবা "নড়ী কুত্তা" বলে গনিত হবে, --- এ রকম "বাকশালী" মেন্টালীটি বাদ দিলে আরো গনতানত্রিক হওয়া যাবে বলে মনে করি।
উপদেশ ক্রমে,
আপনার জাতীয়তাবাদি দোস্ত,
জ্যাকব রায়হান
JackobRaihan Vai (MD)
জ্যাকব রায়হান ভাই, কাজের চাপে ই-মেলাতে আসা কম হচ্ছে। তো আপনার বুকের তলের প্রিয় দোস্তটিকে বলুন আমি ভেগে যাইনি।
এক ভাই বললেন, (যে মুজিব বলেছিলো কোথায় আজ সিরাজ শিকদার, সে মুজিব আজ কোথায়।)
জেকব ভাই............
আপনার বাংলা বাচন ভঙ্গী কিন্তু খুব সুন্দর। শুধু মানুষ হিসাবে চলন ভঙ্গীটা বদলালেই চলে। এসব খুণিদের সাথে কেন সখ্যতা গড়বেন?
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
হৃদয় ভাই কে ----
জী হৃদয় ভাই ----
কথাটা তো আপনি-আমি সহ সবার জন্যই প্রযোজ্য। বাংলা ভাষার এই প্রবাদ টা আমেরিকাতে এই ২০ বছর পরেও ভূলিনি, "পাপ কে ঘৃণা কর, পাপী কে নয়"। আগেই বলেছি, ৭৫ এর আপরাইজিং টার পেছনে রাজনৈতিক কারনই ছিল মূল কারন।
আপনি যাই-ই বলেন না কেন, শেখ সাহেবের বাকশালীজমের উপদেষ্টারাই শেখ সাহেব কে ডুবিয়েছে, জিয়া নয়। আর কারেন্ট প্রবলেম হলো, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের আড়ালে, গনতন্ত্রের মুখোশে পূনঃরায় সেই বাকশালীজম-ই কায়েম করতে চাচ্ছেন -- খুব ধীর গতীতে।
বিষয় টা অনূভব করেছেন কী হৃদয় ভাই?
জ্যাকব রায়হান
কোথায় সিরাজ সিকদার
বাংলার ঘরে ঘরে রয়েছে মেজর ডালিম। কোন ডালিমের অস্ত্র কবে গর্জে উঠবে তা বলা যায় না। মুজিব অহংকারের সাথে বলেছিলেন "কোথায় সিরাজ সিকদার" আজ তো দেখতেই পাচ্ছেন কোথায় মুজিব। তাই আপনিও আওয়ামীপনা ছাড়েন।
Mehnaj, victim of father & Gen Zia's sins; let her go
A small girl of 4/5 yrs. had to follow a criminal father out of motherland, Gen Zia sent them out of the coutry to clean up the crimes.
Now, at this age, Mehnaj became victim of our system, paying for somebodies' crimes.
Just let her go, try to find out who tried to wipe out bastard Moni's shit.
A daughter must not be asked to give parents whereabouts.
জনাব এফ এফ ফারমার কে জ্যাকব রায়হান
জিয়া পাওয়ারে আসার অনেক আগেই মোশতাক সাহেব জাতীর সুয্য সন্তানদের এমেনেষ্টী দিয়েছিলেন, তাই আপনার "ক্লিন আপ দ্যা ক্রাইম সীন" বিষয়ক "থীউরি" টা আইনের চোখে জাস্টীফাইড নয়। হাই কোট এই রায় দেয়নি যে, জিয়া কাউকে পূরষ্কার দিয়েছিলেন।
তাপসের বোমাবাজীর ঘটনাটা "ডি জি এফ আই" এর "সেট আপ গেইম। কারন সরকার চাচ্ছে, পলাতকদের মধ্যে, ঘটনার মূল নায়ক কঃ রশীদ আর মেজর ডালিমের কারেন্ট হোয়ারএবাউটস নিয়ে কনফারম হওয়া, যাতে তাদের ও আইনের আওতায় আনা যায়।
আপনি কি মনে করেন, এরকম ২/১ টা বোমাবাজী হলে, আইন তার নিজের গতিতে না চলে অন্য পথে হাটা শুরু করবে, আর তাতে এ মামলার শেষ রায় আর ইমপ্লিমেন্ট হবে না? তাই, সপন আর মেনহাজ যদি কারো ক্রাইমের ভিক্টিম হয়, তা হলে সেই ক্রাইমের জন্য "ডি জি এফ আই" এর প্লটার রাই দায়ী, অন্য কেউ নয়। মনে রাখবেন, বোমাবাজী টা, তাপসের গাড়ির পেছনে হয়েছে, -- কোন বিচারপতির পেছনে নয়। মামলার রায় তো এটণী-জেনারেল বা ব্যারিষ্টার তাপস ঘোষনা করবেন না!
জ্যাকব রায়হান
JacobRaihan: Whole process is messy, anti peple
Yes, the cadres inside the law enforcement, cantonment, judicial system are playing around; but in the process ordinary people like Mehnaj becoming victims.
Mehnaj, victim of father & Gen Zia's sins; let her... ????
farmer, all the fredom fighter army officers who killed Sk. Mujib were the hero of all heroes. It was Sk. Mujib who was the victim of his own sin. So, don't blame Zia for Sk. Mujib's death. Since you are a baby born yesterday it would be dificult for you to know the historic facts. Please ask your parents if a single person sheded tear after hearing Sk. Mujib's death. Millions of people were dancing in the street of Dacca in joy after it was announced that the political devil is gone for ever. Finally, you can't use abusive language as a mean of justifying something.
আজব কথা
ফল ফ্রুটস নেড়ি হয় কি ভাবে ? নেড়ি কুত্তা শুনছি কিন্তু নেড়ি ডালিম শুনি নাই । ঘটনা কি , আমি কি ভুল যায়গায় আসলাম নাকি ?
আজব কথা নয়..........
আপনি নিশ্চয় জানেন যে বঙ্গবন্ধুর এক খুণির নাম মেজর ডালিম। আবার এ ফোরামের একজন তার পরিচয় দিচ্ছে মেজর ডালিম হিসাবে। আর সাথে এটাও সে জানান দিয়েছে যে, সে সেই খুণী মেজর ডালিম নয়। আবার সে মেজর পদবীরও কেউ নয়। তাই সহজ পরিচিতির জন্য তার পদবী দিয়েছি-
"নেড়ী ডালিম" হিসাবে।
যেমন কুকুরের পরিচয়-জংলী কুকুর, পোষা কুকুর আর নেড়ী কুকুর হিসাবে।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়