লগি বৈঠার পৈশাচিকতার ২৮ অক্টোবর আজ|

লগি বৈঠার পৈশাচিকতার ২৮ অক্টোবর আজ
: আজ ভয়াল ২৮ অক্টোবর। ঠিক ৩বছর আগে ২০০৬ সালের এই দিনে এ দেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক কলংকজনক অধ্যায় রচিত হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে তরতাজা যুবকদের পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয় এদিন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সেদিন জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের উপর পৈশাচিক হামলা চালিয়েছে ইতিহাসে তা নজিরবিহীন। লগি, বৈঠা, লাঠি, পিস্তল ও বোমা হামলা চালিয়ে যেভাবে মানুষ খুন করা হয়েছে তা মনে হলে আজও শিউরে ওঠে সভ্য সমাজের মানুষ। সাপের মতো পিটিয়ে মানুষ মেরে লাশের উপর নৃত্য উল্লাস করার মতো ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। এ ঘটনা শুধু বাংলাদেশেই নয়, গোটা বিশ্বের বিবেকবান মানুষের হৃদয় নাড়া দিয়েছে। জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব থেকে শুরু করে সারাবিশ্বে ওঠে প্রতিবাদের ঝড়। ২৮ অক্টোবরের পৈশাচিকতার বিচার হওয়াতো দূরের কথা, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মামলাই প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
ঘটনা যেভাবে শুরু
২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রেডিও-টিভিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। মূলত এ ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই দেশব্যাপী শুরু হয় লগি বৈঠার তান্ডব। বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত অফিসসহ নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি যেমন চালানো হয় পৈশাচিক হামলা, তেমনি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় অনেক অফিস, বাড়িঘর, পুরো দেশব্যাপী চলে তান্ডবতা।
২৮ অক্টোবরে পাশবিকতা
২৮ অক্টোবর চারদলীয় জোট সরকারের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ ছিলো বিকাল ৩টায়। সকাল থেকেই সভার মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। হঠাৎ করেই বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের লগি, বৈঠা ও অস্ত্রধারীরা জামায়াতের সমাবেশ স্থলে হামলা চালায়। তাদের পৈশাচিক হামলায় মারাত্মক আহত হয় জামায়াত ও শিবিরের অসংখ্য নেতা-কর্মী। তাদের এই আক্রমণ ছিল সুপরিকল্পিত ও ভয়াবহ। এক পর্যায়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পল্টনের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়ে এবং নিরীহ জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বেধড়ক পেটাতে থাকে।
পল্টন মোড়ের পৈশাচিকতা
সেদিন পুরো পল্টনজুড়ে ছিল লগি, বৈঠা বাহিনীর তান্ডবতা। লগি-বৈঠা আর অস্ত্রধারীদের হাতে একের পর এক আহত হতে থাকে নিরস্ত্র জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। তারা শিবির নেতা মুজাহিদুল ইসলামকে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। লগি-বৈঠা দিয়ে একের পর এক আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিনকে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তারা তার লাশের উপর উঠে নৃত্য-উল্লাস করতে থাকে।
টার্গেট ছিলো নেতৃবৃন্দ
সেদিন আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা বাহিনী শুধু জামায়াতের সভা পন্ড করার জন্যই পৈশাচিক হামলা চালায়নি তারা জামায়াতকেই নেতৃত্বশূন্য করতে চেয়েছিল। তারা চেয়েছিল জামায়াতের সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দিতে। প্রথম দফা হামলার পর তারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে থাকে। আশপাশের ভবনের ছাদে উঠে বোমা ও বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রসহ অবস্থান নেয়। সভার শেষ দিকে মাওলানা নিজামীর বক্তব্য শুরু হলে তারা তাদের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পুনরায় হামলা চালায়। একদিকে ভবনের ছাদ থেকে বৃষ্টিরমতো বোমা বর্ষণ করতে থাকে। অপরদিকে পল্টন মোড় থেকে গুলী ছুঁড়তে ছুঁড়তে লগি বৈঠাধারীরা সমাবেশের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা তৈরী করে মানবঢাল। এ সময় আওয়ামী অস্ত্রধারীদের ছোঁড়া গুলী মাথায় বিদ্ধ হয়ে রাজপথে লুটিয়ে পড়েন জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমান ও জুরাইনের জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিন। এ ঘটনায় জামায়াত ও শিবিরের ৬ জন নেতাকর্মী শহীদ ও সহস্রাধিক আহত হন।
হামলা ছিল একতরফা
জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে বিকেলে সমাবেশের জন্য সকাল থেকেই মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। এ জন্য মঞ্চ তৈরির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছাড়াও জামায়াত ও শিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মী কাছাকাছি অবস্থান করছিলো। এ সময় ১৪ দলের নেতাকর্মীরা জিরো পয়েন্ট এলাকায় অবস্থান করছিলো। তাই জামায়াত ও ১৪ দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি অবস্থানের কোন সুযোগ ছিল না। বিকেলে সমাবেশ হওয়ার কারণে সকালে মঞ্চ তৈরির সংশ্লিষ্ট লোক ছাড়া মিছিল করার মতো জামায়াত ও শিবিরের কোন নেতাকর্মী ছিলো না। হঠাৎ করেই সকাল ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা হাজী সেলিমের নেতৃত্বে লালবাগ থানা আওয়ামী লীগ লগি-বৈঠা হাতে বিশাল মিছিল নিয়ে পল্টন মোড়ে আসে। মিছিলকারীরা ধর ধর বলে জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় জিপিও এলাকায় অবস্থানরত ১৪ দলের শত শত কর্মী লগি-বৈঠা নিয়ে তাদের সাথে যোগ দেয়। এ সময় ১৪ দলের কর্মীরা প্রকাশ্যে গুলী করা ছাড়াও লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক আঘাত হানতে থাকে নিরীহ জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের ওপর। মঞ্চ গুড়িয়ে দিতে এগিয়ে যেতে থাকে বায়তুল মোকাররম উত্তর সড়কের দিকে। এ হামলায় পিস্তলসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ডা. এইচবিএম ইকবাল ও তার বাহিনী নিয়ে যোগ দেয়।
সেদিন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা ডা. ইকবাল সেদিন পল্টন মোড় থেকে একটু এগিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) অফিসের সামনে তার অনুগত একদল যুবককে হাত নেড়ে সামনে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে। ডা. ইকবালকে যখন হাত নেড়ে নির্দেশ দেয়ার পরই এক যুবককে ঘেরাও করে লগি-বৈঠা বাহিনী নির্মমভাবে পিটাতে থাকে। চতুর্দিক থেকে আঘাতে আঘাতে সে পড়ে যায় রাস্তার কিনারে। সাপের মতো লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে পিটাতে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার লাশের ওপর উঠে নারকীয় উল্লাস করে লগি-বৈঠা বাহিনী। বিকল্প পথে মঞ্চ দখলের জন্য বিজয়নগর, পল্টন মসজিদের গলি দিয়ে ঢুকে পড়ে লগি-বৈঠা বাহিনী। যেখানেই দাড়িটুপি দেখেছে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তারা। শিবির নেতা মুজাহিদুল ইসলামকে তারা এ সময় পেয়ে যায় পল্টন মোড়ের কাছে। ঘিরে ধরে তাকে। লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে নরপিশাচরা। আঘাতে আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মুজাহিদ। তারপর ঐ পিশাচরা লগি দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নিজেদের জিঘাংসা চরিতার্থ করে।
আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের মুহুর্মুহু গুলীবর্ষণ, বোমা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের পর আহতদের সারি বেড়েই চলছিল। আহতদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় জামায়াতের ঢাকা মহানগরী অফিসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। গুরুতর আহতদের নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। দফায় দফায় হামলা চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এ সময় বারবার পুলিশকে অনুরোধ করা হলেও তারা রাস্তার পাশে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। অনেক পুলিশকে সেদিন বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর চত্বরের ভিতরে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে ১৪ দলের লগি-বৈঠাধারী সন্ত্রাসীরা হামলা জোরদার করে পল্টন মোড় থেকে সিপিবির অফিসের সামনে চলে আসে। এ সময় তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া কয়েকজন জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে যায়। পুলিশ কাছে দাঁড়িয়ে থাকলেও তারা কোন ভূমিকা পালন করেনি। একই সময় বিজয়নগর, পুরানা পল্টন মসজিদ গলিসহ আশপাশের এলাকা দিয়ে চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে থাকে।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে জামায়াতের সমাবেশ শুরু হয়। এ সময় পল্টন মোড়ের দিকে না হলেও বিজয়নগরসহ অন্যান্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে থাকে লগি-বৈঠা বাহিনী। মাওলানা নিজামীর বক্তব্য শুরু হওয়ার ৪/৫ মিনিট পর ৪টা ৪৩ মিনিটে পল্টন মোড়ে উত্তেজনা দেখা যায়। এ সময় নির্মাণাধীন র্যাং গস টাওয়ারের (বাসস ভবনের পূর্ব পাশের বিল্ডিং) ছাদ থেকে সমাবেশ লক্ষ্য করে ১০/১২টি বোমা ও প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে দফায় দফায় গুলী ছুঁড়ে ১৪ দলের সন্ত্রাসীরা। এ সময় পুলিশ নিজেদের নিরাপদ স্থানে হটিয়ে নেয়। আবার শুরু হয় ১৪ দলের মরণ কামড়ের মতো আক্রমণ। সমাবেশ ভন্ডুল করে দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে তারা। মাগরিবের আযানের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়ে আসে যখন বিডিআর পল্টন মোড়ে অবস্থান নেয়। এর আগে সমাবেশের কোন বক্তাই উত্তেজনাকর বক্তব্য দেননি, আক্রমণাত্মক কথাও বলেননি কেউ।
লাশ নিয়ে রাজনীতি
সেদিন আওয়ামী হায়েনারা জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমানকে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি লাশটি টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিল গুম করার জন্য। কিন্তু পুলিশের সহায়তায় যখন লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলো সেখানেও চলতে থাকে আওয়ামীলীগ নেতা হাজী সেলিম বাহিনীর লাশ দখলের খেলা। তারা নকল বাবা মা সাজিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিল লাশটি। পরবর্তীতে এ কারসাজি ধরা পড়ায় নকল বাবা মা সটকে পড়ে। এখানেই শেষ নয়। আওয়ামী লীগ হাবিবুর রহমানকে নিজেদের কর্মী দাবী করে তার লাশের ছবি ব্যবহার করে পোস্টারও ছেপেছিল। লাশ নিয়ে রাজনীতি এর চেয়ে জঘন্য নমুনা আর কী হতে পারে?
পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক
ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যময়। পুলিশের উপস্থিতিতেই আওয়ামী লীগের আগ্নেয়াস্ত্র ও লগি-বৈঠাধারী সন্ত্রাসীরা জামায়াতের সমাবেশ স্থলে হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। অসহায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের শত অনুরোধেও পুলিশ কোন ভূমিকা রাখেনি। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের ভূমিকাও ছিল রহস্যজনক।
২৮ অক্টোবরের আগ থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে বারবার ঘোষণা করা হচ্ছিল, লগি বৈঠা, কাস্তে বা অন্য কোন অস্ত্রশস্ত্র বহন নিষিদ্ধ ও বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু পুলিশ এ ব্যাপারে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়নি। আওয়ামী লীগের অফিসে লগি, বৈঠা, সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সচিত্র প্রতিবেদন প্রচার করলেও পুলিশ এ ব্যাপারে ছিল নীরব।
বাবরের রহস্যজনক আচরণ
চারদলীয় জোট গঠিত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি কখনো একসাথে আবার কখনো আলাদা আলাদাভাবে পালিত হয়েছে। কিন্তু বিস্ফোরনোন্মুখ পরিস্থিতিতে সেদিন (২৮ অক্টোবর) আলাদা আলাদাভাবে সমাবেশ করার ব্যাপারে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছিলো কিন্তু তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ‘‘নো প্রোবলেম, পুরো নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার।’’ সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, লুৎফুজ্জামান বাবর সে সময় জামায়াত নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছিলেন, আমরা দৈনিক বাংলার মোড় এলাকা নিয়ে চিন্তিত। আপনাদের লোকজন সেখানে বেশি রাখবেন। আর পল্টন মোড় এলাকা আমি দেখবো। আপনারা এ এলাকা নিয়ে চিন্তা করবেন না। অথচ ঘটনা ঘটেছে ঠিক উল্টো। দৈনিক বাংলা মোড়ে কিছুই ঘটেনি। আর পল্টন মোড়ে লগিবৈঠা বাহিনীর পৈশাচিক হামলার ঘটনা ঘটে। জামায়াত নেতৃবৃন্দকে এ ধরনের বিভ্রান্তকর তথ্য দেয়ার হেতু কি? কেন এ ধরনের মিথ্যা আশ্বাস দেয়া হয়েছিলো?
এদিকে বেলা ১১টার পর লগিবৈঠা বাহিনীর আক্রমণ শুরু হওয়ার পর জামায়াত নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে অন্তত ১৫/২০ বার তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ফোন করা হয়েছিলো। লগিবৈঠা বাহিনীর পৈশাচিকতার মুখে জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীদের অসহায়তা, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাসহ পুরো পরিস্থিতি তাকে বারবার অবহিত করা হয়। প্রত্যেকবারই প্রতিমন্ত্রী মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন। কার্যকর কোন পদক্ষেপই নেননি। যার ফলে পুরো ঘটনায় আগাগোড়াই পুলিশ ছিলো শুধুই দর্শক।
বেগম জিয়ার উদ্যোগে রক্ষা পেলো
শত শত নেতাকর্মী
সেদিন জামায়াতে ইসলামী তাদের পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ করে বিকেলে। সমাবেশ শেষ হওয়ার পরও নারকীয় আক্রমণ চলতে থাকে অব্যাহতভাবে। একটা পর্যায়ে শত শত নেতাকর্মী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর আক্রমণের ভয়াবহতা বাড়ার আশংকায় শংকিত হয়ে ওঠেন তারা। এরপর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বাধ্য হয়েই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পুরো বিষয়টি তাকে অবহিত করানো হয়। তখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হয়েই বিডিআরকে ঘটনাস্থলে আসার কথা বলেন। বিডিআর ঘটনাস্থলে আসার পরই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। সেদিন বিডিআর ঘটনাস্থলে না আসলে কী ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো তা মনে করে এখনো অনেকেই নিজের অজান্তেই অাঁতকে ওঠেন।
লগি বৈঠা নিয়ে ঢাকা অবরোধের নির্দেশ
২০০৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর পল্টন ময়দানের মহাসমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার কর্মীদের লগি, বৈঠা নিয়ে ঢাকা অবরোধের আহবান জানিয়েছিলেন। তারা এই আহবানে সাড়া দিয়েই আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের কর্মীরা লগি বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ২৭ অক্টোবর থেকেই ঢাকাসহ সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ২৮ অক্টোবরের ঘটনা ছিল তার নির্দেশেরেই চূড়ান্ত ফসল। শেখ হাসিনার এধরনের নির্দেশ নতুন কিছু নয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ১টি লাশের পরিবর্তে ১০টি লাশ ফেলতে হবে। সেদিনও মুক্তাঙ্গনে আওয়ামী লীগের সভাস্থল থেকে বারবার ঘোষণা দেয়া হচ্ছিল, ‘‘জামায়াত শিবিরের উপর হামলা কর, ওদের খতম কর’’। ১৪ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিল, তোফায়েল আহমদ, আবদুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, বারবার উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে হামলার জন্য তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে উৎসাহিত করছিল।
মামলা : অধিকতর তদন্তের নামে সময় ক্ষেপণ পরে প্রত্যাহার
ঘটনার পরদিন জামায়াতে ইসলামীর পল্টন থানা আমীর এ.টি.এম সিরাজুল হক বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৬১(২৯/১০/০৬)। ধারা- ১৪৩/ ৩২৩/৩২৫/ ৩২৬/৩০২/ ৩০৭/ ১০৯/১১৪ দন্ডবিধি। মামলায় আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের ৪০ জন নেতার নামসহ অজ্ঞাতনামা সহস্রাধিক ব্যক্তিকে আসামী করা হয়। ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে পলাতক আসামী হিসেবে উল্লেখ করে ৪৬ জন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়। চার্জশীট দাখিল করেন ডিবির সাব ইন্সপেক্টর এনামুল হক। চার্জশীট দাখিলের পর ২২ এপ্রিল ২০০৭ মামলার চার্জশীট গ্রহণ করেন মহানগর হাকিম মীর আলী রেজা। চার্জশীট গ্রহণ করেই আদালত পলাতক আসামী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। পরদিন ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার নাটকীয় আবেদনের প্রেক্ষিতে পরোয়ানা স্থগিত করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন মহানগর হাকিম মীর আলী রেজা। সেই থেকে অধিকতর তদন্তের নামে তিন বছর পার হয়েছে আর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ বার বার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে যা আইন আদালতের ক্ষেত্রে বিরল ঘটনা ছিল।
এই বিরল ঘটনার মধ্যেই আরেকটি বিরল ঘটনার জন্ম দিয়েছে বর্তমান সরকার। চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর তাদের দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে গত ৯ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আবু সাঈদ জনস্বার্থে পল্টন থানায় দায়ের করা হত্যা মামলাটি (নং ৬১ তারিখ ২৯.১০.২০০৬) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসককে একটি পত্র দেয়। এই পত্রটি পরদিন ১০ জুলাই মহানগর পিপি আবদুল্লাহ আবুর কাছে পাঠানো হয়। তিনি তখন মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত ফাইলে তা নথিভুক্ত করেন এবং একটি আবেদন তৈরি করেন। এই আবেদন পত্রটি ১২ আগস্ট আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঢাকা মহানগর সিএমএম আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত আবেদন ও মামলার বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করে ১৭ আগস্ট এক আদেশে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। এই আদেশনামা মামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হাতে পৌঁছার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে মামলার নথিপত্র (ডকেট) আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
আইন অনুযায়ী যেকোন হত্যা মামলা বাদীর সম্মতি ছাড়া প্রত্যাহার করার সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও মহাজোট সরকার তাই করেছে। এ ব্যাপারে ফৌজদারী আইন বিশেষজ্ঞ সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, পল্টন হত্যা মামলার দফায় দফায় পুনঃতদন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একটি হত্যা মামলার বার বার তদন্ত হলে সময়ের অপচয় ঘটে। সময়ক্ষেপণ করা ন্যায়বিচার পরিপন্থী। তদন্তের দীর্ঘসূত্রতার কারণে মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত বিনষ্টের মাধ্যমে আসামীদের খালাস দেয়ার প্রবণতা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, কোন হত্যাকান্ডের মামলাই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই। যদি কোন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত করা হয়েও থাকে তদন্ত শেষে আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
২৮ অক্টোবরের পৈশাচিক ঘটনা দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সমস্ত বিশ্ব বিবেককে আঘাত দিয়েছে। নাড়া দিয়েছে বিবেকবান সকল মানুষকে। রাজনৈতিক সমাবেশ ভন্ডুল করার জন্য প্রকাশ্য দিবালোকে এভাবে সাপের মতো পিটিয়ে মানুষ হত্যার ঘটনা বিরল। যা এখনো হাজার হাজার মানুষকে কাঁদায়। এ ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। দেশ ও জাতির স্বার্থেই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন, দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

mailsmsi's picture

BNP in Power 28 October.Two party fight .What govt police do?

BNP in Power 28 October.Two party fight .What govt police do?

If according to Salic C AL carder thousand round fier. Why Govt does not call extra force.

bd08's picture

১১/১-এর চেতনাধারীদের ব্যবহৃত অশ্লীল শব্দগুলো ...OLD POST

১১/১-এর চেতনাধারীদের ব্যবহৃত অশ্লীল শব্দগুলো

১১/১-এর চেতনাধারীদের ব্যবহৃত অশ্লীল শব্দগুলো ১/১১-এর সরকার প্রধানকে উপঠৌকন হিসাবে পাঠালে কেমন হয়?
হে মি ফকু, তুমি কি
বাঁচাল
খচ্চর
উল্লুক
ইতর
আস্ত বলদ
গরু
তাম্বুরাওয়ালা
ন্যাংটা
অসভ্য
জারজ
বদের বদ
(অসমাপ্ত)

ঊপরোক্ত অশ্লীল শব্দগুলো কি জাতীয় চেতনার ধারক তা এখানে উল্লেখ করা নিস্প্রয়োজন, আপনি কি নিজেকে এই ১১/১-এর চেতনাধারীদের একজন মনে করে গর্বিতবোধ করছেন।

১১/১-এর চেতনাধারী নামে দেশে বিদেশে বা ই-মেলায় যে আগাছা গজে ঊঠছে, তা ঊপড়ে ফেলতে হবে (মেসেজ বোর্ড থেকে একে একে বিদায় নিবে অথবা নির্মমভাবে তাড়িয়ে দিতে হবে, যুক্তি সংগতভাবে , গালাগালি করে না)।

https://u15347477.onlinehome-server.com/node/4724

  • Save Bangladesh: No more farakka

bd08's picture

১/১১ এর চেতনাকে বাস্তবায়নের জন্য ... (taken from OLD POST)

১/১১ এর চেতনাকে বাস্তবায়নের জন্য ক্যাডেট কলেজের প্রয়োজন রয়েছে।
ক্যাডেট কলেজের প্রয়োজনীয়তা
১/১১ এর চেতনাকে বাস্তবায়নের জন্য ক্যাডেট কলেজের প্রয়োজন রয়েছে। আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন যে, উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীরা ক্যাডেট কলেজ থেকে যেহেতু নেতা হয়ে বের হয় [সুত্র ৪], তাই ১/১১ এর চেতনাধারীরা আরো ৬৪ ক্যাডেট কলেজ থেকে নেতা তৈরী করতে চায়। আর চেতনাহীন অন্যান্য দলগূলো অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন SSC & HSC ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তাদের হাতিয়ারে পরিনত করে[সুত্র ৫]। যেহেতু automatically অল্প বুদ্ধিসম্পন্নেরা ১/১১ এর মুল চেতনাধারী নয়, তাই উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্নেরা এই SSC & HSC ছাত্র-ছাত্রীরাদের মধ্য থেকে যারা আরো অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন তাদের মাথায় ১/১১ এর চেতনাকে 'গনতন্ত্রের রক্ষা কবচ' বলে ঢুকিয়ে দেয়, আর যেহেতু এরা খুবই অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন তাই অনেকটা রোবটের মতন কাজ করে (১/১১ এর মুল চেতনাধারীদের স্বার্থে ) ।
সম্ভাব্য সমস্যা ও সমাধান
যেহেতু চেতনাহীন আর চেতনাধারীদের দ্বন্দ্ব অনিবার্য, তাই উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্নেরা আগেই সম্ভাব্য সমস্যা ও সমাধানসমুহ নিয়ে তাদের আলাদা পরিকল্পনা র‌য়েছে। আমার বা আমাদের মতন অল্প বুদ্ধিসম্পন্নেরা এটা বুঝতে পারার কথা নয়, তবুও তো কিছু বলাই যায়, সত্য বা অসত্য যাই হোক।
যেমন ধরুন রোবটগুলো কিভাবে কাজ বা কথা বলবে তার অনলাইন কোডিং চলতে থাকবে। তারপরও যদি আশানারুপ ফল না পাওয়া যায়, তখন আবার নতুন রোবট তৈরী করতে হবে। আর মুল সমস্যাটাই এখানে এবং সমাধানটাও বিপদজনক। নতুন রোবট তৈরী করতে আবার সেই অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন SSC & HSC ছাত্র-ছাত্রীরাদের প্রয়োজন হবে। আর আপনে নিশ্চয় জানেন যে, এরা আসলে কাদের হাতিয়ার, এবং কিছুটা বুদ্ধিসম্পন্ন। তাই এদের রোবটে পরিনত করা সহজ নয়। এদের কিভাবে রোবটে পরিনত করা যায় তা নিয়ে রিসার্চ করার জন্য উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্নেরা তাদের নিজস্বধারার বিশ্ববিদ্যালয় ( Engg., Medical, General ) ইতিমধ্যে গড়ে তুলেছে। রিসার্চ -এর গোপন রিপোর্ট আমার বা আমাদের জানার কথা নয়। তবে এতটুকু বলা যেতে পারে যে, আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে এরা ( অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন SSC & HSC ছাত্র-ছাত্রীরাদের একটা অংশ ) কিছুদিন অথবা আজীবন অল্প_বুদ্ধিসম্পন্ন_রোবট হিসাবে সার্ভিস দিতে পারবে বলে ধারনা করা হয়।
এই অল্প_বুদ্ধিসম্পন্ন_রোবটগুলোকে ( বা সংক্ষেপে চামচা ) সনাক্ত করা খুবই মুশকিল। এরা আমাদের চারপাশেই র‌য়েছে বিভিন্ন বর্ণযুক্ত অজানা নাম আর গোপন কোড নিয়ে। বাইচান্স আপনে যদি কাউকে সনাক্ত করতে পারেন, তবে সাথে সাথে অজানা নামধারীদের গোপন কোডগুলো এক সাথে execute করবে এবং এদের মাষ্টারদের কাছে সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার রিপোর্ট পাঠিয়ে দিবে এবং উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্নেরা দ্রুত এসে আপনার মুখ সেলাই করে দিবে।

মন্তব্য করুন

আপনে যে কোন মন্তব্য করুন, তার জন্য আপনাকে স্বাগতম। এমনকি আপনে আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমনও করতে পারেন, শুধু অশ্লীল বা খুবই অশ্লীল শব্দ বাদে। এখানে স্পষ্ট করে বলতে চাই, এর দ্বারা প্রবাভিত হয়ে অন্যকে আক্রমন করবেন না। এটা শুধু আমার জন্য প্রযোজ্য। কারন আমি Next Generation রোবট হতে চাই, আর এইসব রোবটকে সবাই অশ্লীল ভাষায় গালাগালিই করে, তাই আগে থেকেই সম্ভাব্য শব্দসমুহ মেমোরীতে লোড করে রাখতে চাই, কারন দেখা যাচ্ছে First Generation রোবটরা গালাগালি বা সমালোচনা একদমই সহ্য করতে পারছে না, তাই আমার এই অভিনব ব্যবস্থা।
সুত্র
১। http://priyo.com/articles/20080504/cadet-college-mzi
সব জেলায় ক্যাডেট কলেজ? - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
Posted by editor, May 4, 2008 - 1:46pm BDT |
২। http://priyo.com/articles/20080510/cadet-college-students
Cadet college students more privileged than fellows outside - Siddiqur Rahman Khan
Posted by editor, May 10, 2008 - 1:42pm BDT |
৩। http://priyo.com/poll/20080504/moeen-u-ahmed-wants-build-cadet-coll#comm...
মঈনের ডিমান্ড চেক (কাওসার মাহমুদ), ক্যাডেট কলেজ কেন ? ক্যান্টনমেন্ট হলে ভাল হয় না ? (হাসান খান)
৪। cited from Zuabir@Tokyo (Submitted by zubair on May 10, 2008 - 8:51pm)
I believe, people should study before write anything. The principle objective of creating Cadet colleges are to create 'leaders' not for ARMY nor even educate them in SSC and HSC level.
You may ask 'do we get good enough leaders from Cadet colleges'?
৫। cited from Zuabir@Tokyo (Submitted by zubair on May 10, 2008 - 8:57pm.)
For your information, 80% of public university budget spends for Teacher-officials salary purpose and those 'stupid' teachers are divided into BNP and AL.

taken from OLD POST: http://priyo.com/blog/3763.html

  • Save Bangladesh: No more farakka

bd08's picture

১/১১ এর চেতনা: মঈনের জাংগিয়া এবং হাসিনার পেন্টি (old post)

১/১১ এর ভিমরতি

১/১১ এর সরকার প্রধান সংবিধানের ৫৮এর ধারায় শপথ নিয়েও তা মানতেন না,
১/১১ এর নির্বাচন কমিশন সংবিধান লংঘন কি জানতেন না,
১/১১ এর সেনা প্রধান সরকারকে সমর্থনের নামে দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতেন,
সেই আজব দেশের সরকারকে বলা চলে এক আজব সরকার, যা মুলত দেশের আগাছা সুশীল সমাজ দ্বারা গঠিত ছিলো।
মঈনের বক্তৃতা
crisis.JPG

১/১১ এর সুর লহরী

এই আজব সরকারকে act of God মনে করে মাথায় নিয়ে হাসিনা পক্ষ আন্দোলনের ফসল বলে এক আজব গানও জুড়ে দিয়েছিলো। এই ফসল ঘরে তুলতে আওয়ামী-সুশীলরা খুবই ব্যস্ত ছিলো, যা তারা ইতিমধ্যেই আমেরিকা-কানাডাতে পাঠাইতে সক্ষম হয়েছে । তবে গানের সেই সুর লহরী এখন আর শুনা যায় না।

১/১১ এর দূর্ণীতি দমন কমিশন ও সত্য কমিশন

দূর্ণীতি দমন কমিশন নামে আরেক আজব কমিশন ছিলো যারা যার তার সম্পত্তির হিসাব চাইতো এবং তাদের কাছে ঘুষ নিতো। ওদিকে দূর্ণীতি দমনের নামে কমিশন প্রধান কনর্সাট-rally করে বেড়াতেন, আর অফিসের ঘুষের রেটও দ্বিগুন হয়ে গিয়েছিলো। তবুও কমিশনের হুশ হয়েছিলো না বরং হেলিকপ্টার নিয়ে উনারা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়াতেন আর দূর্ণীতি দমনের খেলা-মেলা চালিয়ে যেতেন আর রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা চলে যেত উকিল-মুক্তাদের পকেটে।

এর মধ্যে আবার ১/১১ এর শেষ দিকে সত্য-কমিশন নামে আরেকটি নতুন আজব কমিশন মহাসমাহারে মুক্তি পেয়েছিলো।

১/১১ এর উদ্দিন-সরকারের hidden hunger

সুশীল সমর্থকেরা ১/১১ এর উদ্দিন-সরকারের সমালোচনা একদমই পছন্দ করতেন না। ১/১১ এর সরকার চালের বাজার ইন্ডিয়ার হাতে তুলে দিয়ে সরকার ঊল্টা প্রশ্ন করেছিলো where is crisis। ঊনারা তখন crisis কি দেখতে পেতেন না, অথচ আমাদের hidden hunger ঠিকই দেখতে পেতেন এবং রং-ভবনে অট্টহাসিতে মেতে উঠতেন , এবং সেই হাসির ফোয়ারাও ইমেলায় অনেকেই হেসেছে যেমন, হাবিয়া দোজখে চিঠি চালাচালি গং, এই গং-রা গত ২ বছরে মইনের জাংগিয়া পরিস্কার করে কত কামিয়েছে তার কোন হিসাব নেই, মঈন-ফকুরুদ্দিন এখন আমেরিকায়, এখন এই টাকার ভাগাভাগিতেই ১/১১ এর অবশিষ্ট চেতনার মৃত্যু।
কোরেশীর চামচামী
koreshi.JPG

এদের চিহ্নিত করুন এবং এই সব ফেরেস্তারুপী ভন্ড প্রবাসীদের থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করুন। প্রবাসে সকল আলোচনা, সভা, সামাজিক অনুষ্টানে এই সব মুখোশধারী ১/১১ এর সমর্থক সুশীলদের বর্জন করুন।

সুত্র প্রিয় ডট কম
________________________________________________
১/১১ এর চেতনাধারী, পতাকাধারী ও মঈনের জাংগিয়া পরিস্কারকারী ওয়াচডগের ট্রানজিটপ্রীতি
________________________________________________
watchdog.JPG
________________________________________________
আওয়ামী লীগের ইতিহাস: হাসিনার পেন্টি হাতে নিয়ে আওয়ামী লীগের মহড়া
watch2.JPG
________________________________________________
old post: http://priyo.com/forum/2009/jul/10/28459.html

  • Save Bangladesh: No more farakka

altaf_hossain's picture

সেলিম ভাই

আপনার লিখার ২-৪ লাইন পড়লাম। পড়ে মনে হচ্ছে আপনি সাচ্চা জাতিয়তাবাদী। কিন্তূ একটা জিনিষ লক্ষ্য করে বেশ চিন্তিত বোধ করছি, আপনি কোথাও জাতিয়তাবাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার গৌরব্বজ্বল ভূমিকা নিয়ে একটা শব্দও লিখছেননা। বাকশালী ঘোর আমানিশা হতে যে তরুন নেতা বাংলাদেশকে মুক্তি দিতে পারে সে নেতা আমাদের প্রান প্রিয় শহীদ জিয়ার আমানত তারেক জিয়াকেও অবহেলা করছেন। এই মুহুর্তে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদের প্রধান এবং পবিত্র দায়িত্ব হবে তারেক জিয়ার দেশে ফেরার আন্দোলন গড়ে তোলা। আপনার শক্তিশালী লেখনীর মাদ্যমে এই আন্দোলনকে গতিবান করতে সহায়তা করবেন ইনশাল্লাহ।

বনের রাজা's picture

আলতাফ মিয়া আপনে ঠিক কতা বলিয়াছেন।+-+-+-=

-+-+এই মুহুর্তে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদের প্রধান এবং পবিত্র দায়িত্ব হবে তারেক জিয়ার দেশে ফেরার আন্দোলন গড়ে তোলা।+-+-+-=
আলতাফ মিয়া আপনে ঠিক কতা বলিয়াছেন। আর আপনার মত ফকিরনীর পুতের কর্তব্য হইব খাটি সরিসার তেল দিয়া তারেক আর কুকুর "সোনা" মর্দন করা। সালা ফকিরণির পুত আন্দোলন মারাস। তোর গোয়া দিয়া আন্দোলন ঢুকাইয়া সদর রাস্তায় গিয়া নাছ্।

voter's picture

আলতাফ সাহেব

আপনী খাঠি কথা কইছেন । দশ কথার এক কথা । এই সেলিম মিয়ারে ভালো কইরা দেখেন ।
আরো নজদীগে যান । এইবার দেখেন অনার চেহারার মধ্যে আযম নিজামী কিংবা মুজাহিদীর
চেহারার কন মিল আছে কিনআ । মাল ঠিক পাইছেন এইবার ? এই সেলিম মিয়া জাতীয়তাবাদী চাদর গায় দিয়া জামাতের স্বার্থ হাসিল করতাছে । আরো তিন চারজন আছেন ,আপনী চাইলে তাদের সাথে আইজিই মোলাকাত করাইয়া দিমু ।

voter's picture

যারা লঞ্চের প্যাসেনজার , আওয়াজ দেন ।

মোগ দক্ষিন অঞ্চলের কেউ আছেন ভাই থাকলে আওয়াজ দেন । লঞ্চে যাওয়ার কেলা যারা কুকিছ কিংবা লাঠি বিস্কুট ভিজাইয়া ভিজাইয়া চা খাইছেন , অবস্থাশালী যারা ফাস্টকেলাছে বইসা কিরিম
বিস্কুট খাইছেন , এমন কেউ থাকলে আওয়াজ দেন ভাই । দেশী ভাই থাকলে একটু বল ভরসা
পাই ।

Hassan Imam khan's picture

@ ভোটার...।

গন্তব্য কোথায় ??? জানালে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষ হিসেবে বদর বদর আওয়াজ তুলে আছি আপনার সাথে।
হাসান ইমাম খান।

voter's picture

@ হাসান সাহেব

পটুয়াখালি ।
আপনী দক্ষিনের ? ভাবসাব দেইক্ষা মনে হয়না ।

Hassan Imam khan's picture

@ ভোটার...।

মনে না হওয়ার কারন কি ভাইজান ? আমি সুন্দরবন এলাকার তথা খুলনার।
হাসান ইমাম খান।

the one eleven's picture

২৮ শে অক্টোবর এবং দুটি কথা

এই আসরে কয়েকদিন যাবৎ আওয়ামী আর বিএনপি'র ভৃত্যের দল নিজেদের দোষ গোপন করার মানষে ২৮ শে অক্টোবরকে আওয়ামি ব্রুটালিটি,জামাৎ ব্রুটালিটি ,জাতীয়তাবাদী ব্রুইটালিটি ইত্যাদি ব্রুটালিটিতে আখ্যায়িত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।শেইম অন দেম।সেই সময়কার ঘটনায় সমভাবে তিনটি দলই দায়ী অথচ তার দায় দায়ীত্ব কেউ স্বীকার করতে চাচ্ছে না।বেশি দিন আগের ঘটনা নহে যে আমরা তাকে ভুলে যাব।ক্ষমতার লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য দুই জল্লাদিনি সেদিন উম্মাদ হয়ে গিয়েছিল।তাদের দরকার ছিল শুধু লাশ আর লাশ।নির্বোধ মানুষের দল দলীয় ঘেরাকলে আটকা পড়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিল।কিন্তু সেই উৎসর্গ কোন্‌ নেক কাজের জন্য হয়েছিল?দেশকে বাচানোর সস্তা বুলি দিয়ে উম্মাদের দল সেদিন রক্ত খাওয়ার নেশায় মেতে উঠেছিল।পুর্ব হতে পশ্চিম এবং উত্তর হতে দক্ষিন শুধুই হায়েনার দল রাস্তা ঘাট ঘেরাও করে জনজীবন বিপর্যস্ত করেছিল।কোন্‌ হিসাবে এই তিনটি দল নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য বিভিন্নভাবে ভিডিও পেপার কাটিং দিয়ে নির্বোধ জনতাকে বুঝাতে চাচ্ছে যে তারা দোষী নহে,অন্য কেহ।ধিক এইসব মতলববাজদেরকে।১/১১ হয়তো বিভিন্ন কারনে ততটুকু সফলতা অর্জন করতে পারেনি কিন্তু ভেবে দেখুন সেদিন তথাকতিত ব্রুটালিটি আর হায়েনাদের কাছ থেকে জাতিকে বাঁচাতে তার আগমন অত্যাবশকীয় ছিল কিনা?ধিক সকল আওয়ামি আর জাতীয়তাবাদী ভৃত্যের দলকে যারা উদোর পিন্ডি বুদোর ঘারে চাপিয়ে নিজের দোষ ঢাকা চেষ্টা করছে।শেইম শেইম।

vumihinzamidar's picture

স্যাটার ডে নাইট ফিবার

শনিবার রাত যদি এত পানশা হয় তাহলে ভালো লাগেনা ।

Robin Hood's picture

Right O' Vumi

Let this Halloween Saturday night carry the music of love.

Robin
Carmel, California

vumihinzamidar's picture

Enjoy

we got extra hour to sleep .

vumihinzamidar's picture

এক্সক্লুছিবলী ফর মাই গুড ওল্ড ফ্রেন্ড বিডি০৮

হে বন্ধু বিডি ০৮ ," এক নিমিষের নাই ভরসা " এই জীবনে এতো লোড নেয়ার কি দরকার ?
আসুন গান শুনি ।

Hassan Imam khan's picture

১/১১ প্রসঙ্গে দুটি কথা...।

বাংলাদেশের রাজনীতিবিধদের সামগ্রীক ব্যার্থতার প্রেক্ষাপটে এবং চারদলীয় জোটের জেনতেন প্রকারে আজিজ মার্কা একতরপা প্রহশনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় ফিরে আসার দুরভিসন্ধি মুলক ষড়যন্ত্রের মোকামিলায় জনগনের রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমেই ১/১১ এর জন্ম হয়েছিল। ১/১১ এর চেতনার প্রতি জনগনের ছিল নিঃশর্ত সমর্থন। তৎকালীন সময়ে বিশ্ববাজারে খাদ্যদ্রব্যের আকাশ্চুম্বি মুল্যস্ফিতির ফলশ্রুতিতে জনগন দিশাহারা হয়েও এ সরকারকে সময় দিয়েছিল দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের সামগ্রীক কালীমা ও রাজনৈতিক ক্ষলন দূর করে জাতিকে একটি স্বচ্ছ ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াশে। প্রাথমিক ভাবে সবকিছু ভালভাবে শুরু করলেও ১/১১ এর সরকারের অভ্যন্তরের একটি গোষ্টির সামগ্রীকভাবে দেশকে অরাজনীতিকরনের গোপন ও হীন এজেন্ডা্র কারনেই শেষদিকে এ সরকার তার ভারসাম্য প্রায় হারাতে বসেছিল। তবে বিষয়টি এ সরকারের কর্নধারদের উপলদ্ধি হওয়া মাত্রই তারা লাগাম টেনে ধরে তাদের মুল দ্বায়িত্ব তথা একটি গ্রহনযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে ধাবিত হয়।

১/১১ এর মুল চেতনা ছিল দেশের চলমান ঘুনে ধরা আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যাবস্থার আমুল পরিবর্তন ও সংস্কার। এ চেতনা ছিল শতভাগ জনসমর্থিত। পুর্ব থেকেই আওয়ামী লীগ এ সকল সংস্কার সাধনের দাবি জানিয়ে আসছিল বিধায় তারা তাদের রাজনৈতিক সার্থেই এ সকল সংস্কারের ছিল পুর্ন সমর্থক। দলের গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন এনে ও নির্বাচনের মননয়ন দানে আওয়ামী লীগ এসকল সংস্কারের সাথে তাদের নৈতিক অবস্থান তুলে ধরতে ব্যাপক ভাবে সক্ষম হয়েছে বিধায় নির্বাচনে তারা ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করেছে।

পক্ষান্তরে বিএনপির দুরভিসন্ধিমুলক নির্বাচন বানচাল হওয়ায় ক্ষোভে ১/১১ এর মুল চেতনার সাথে নিজেদেরকে একাত্বতা করতে ব্যার্থ হওয়ায় ও নির্বাচনের মনোনয়নে তা নির্লজ্জ ভাবে প্রতিফলিত হওয়ায় তারা শোচনীয় ভাবে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে।

অনেক ক্ষেত্রেই সার্থকতা না পেলেও কতিপয় ক্ষেত্রে ১/১১ এর চেতনা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক সুদুরপ্রসারী ভুমিকা রেখেছে। এ ক্ষেত্রে বলা যায় ১/১১ ছিল দেশের জনগনের জন্য আশির্বাদসরুপ।

হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

yousuf144's picture

to hasan

বাংলাদেশের রাজনীতিবিধদের সামগ্রীক ব্যার্থতার প্রেক্ষাপটে এবং চারদলীয় জোটের জেনতেন প্রকারে আজিজ মার্কা একতরপা প্রহশনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় ফিরে আসার দুরভিসন্ধি মুলক ষড়যন্ত্রের মোকামিলায় জনগনের রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমেই ১/১১ এর জন্ম হয়েছিল। ১/১১ এর চেতনার প্রতি জনগনের ছিল নিঃশর্ত সমর্থন।

বিদেশী শক্তির ইন্ধনে ১/১১ হয়েছে। তবে জনগনের সমর্থন ছিল এটা ঠিক কারন জনগন মুয়া ফুয়ার আসল চেহারা চিনে নায়।

তৎকালীন সময়ে বিশ্ববাজারে খাদ্যদ্রব্যের আকাশ্চুম্বি মুল্যস্ফিতির ফলশ্রুতিতে জনগন দিশাহারা হয়েও এ সরকারকে সময় দিয়েছিল দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের সামগ্রীক কালীমা ও রাজনৈতিক ক্ষলন দূর করে জাতিকে একটি স্বচ্ছ ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াশে। প্রাথমিক ভাবে সবকিছু ভালভাবে শুরু করলেও ১/১১ এর সরকারের অভ্যন্তরের একটি গোষ্টির সামগ্রীকভাবে দেশকে অরাজনীতিকরনের গোপন ও হীন এজেন্ডা্র কারনেই শেষদিকে এ সরকার তার ভারসাম্য প্রায় হারাতে বসেছিল। তবে বিষয়টি এ সরকারের কর্নধারদের উপলদ্ধি হওয়া মাত্রই তারা লাগাম টেনে ধরে তাদের মুল দ্বায়িত্ব তথা একটি গ্রহনযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে ধাবিত হয়।

১/১১ এর কর্নধাদের ক্ষমতা চিরস্থায়ি করার প্রচেষ্টা ছিল মূল। কেবল এক পাগলি বিশ্বাস করবে মুয়া ফুয়া ক্ষমতা পাকাপক্ত করতে চায় নি।

১/১১ এর মুল চেতনা ছিল দেশের চলমান ঘুনে ধরা আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যাবস্থার আমুল পরিবর্তন ও সংস্কার। এ চেতনা ছিল শতভাগ জনসমর্থিত। পুর্ব থেকেই আওয়ামী লীগ এ সকল সংস্কার সাধনের দাবি জানিয়ে আসছিল বিধায় তারা তাদের রাজনৈতিক সার্থেই এ সকল সংস্কারের ছিল পুর্ন সমর্থক। দলের গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন এনে ও নির্বাচনের মননয়ন দানে আওয়ামী লীগ এসকল সংস্কারের সাথে তাদের নৈতিক অবস্থান তুলে ধরতে ব্যাপক ভাবে সক্ষম হয়েছে বিধায় নির্বাচনে তারা ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করেছে।

১/১১ এর কর্নধারদের কোন আর্থ সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যাবস্থার পরিবর্তন এবং সংস্কার ইচ্ছা ছিল না। কেবলই ছিল ক্ষমতার মোহ। আওয়ামী লীগের তথাকথিত সংস্কার ছিল ফাকা বুলি এবং এক রাজনৈতিক চাল যা আজ প্রতিদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি। মুয়া ফুয়া মার্কা নির্বাচনে কি হয়েছিল তা তো আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বলে দিয়েছেন, আশা করি আমার আর বলতে হবে না।

পক্ষান্তরে বিএনপির দুরভিসন্ধিমুলক নির্বাচন বানচাল হওয়ায় ক্ষোভে ১/১১ এর মুল চেতনার সাথে নিজেদেরকে একাত্বতা করতে ব্যার্থ হওয়ায় ও নির্বাচনের মনোনয়নে তা নির্লজ্জ ভাবে প্রতিফলিত হওয়ায় তারা শোচনীয় ভাবে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে।

নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের কারন জলিল সাহেবর কাছ থেকে জেনে নিয়েন।

অনেক ক্ষেত্রেই সার্থকতা না পেলেও কতিপয় ক্ষেত্রে ১/১১ এর চেতনা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক সুদুরপ্রসারী ভুমিকা রেখেছে। এ ক্ষেত্রে বলা যায় ১/১১ ছিল দেশের জনগনের জন্য আশির্বাদসরুপ।

১/১১ এর কোন চেতনা আছে বলে আমি মনে করি না। তবে মুয়া ফুয়ার দুরভিসন্ধি মাটির নিচে জনগন পুঁতে দিয়েছে।

bd08's picture

The One Eleven ...প্রসংগ ব্রুটালিটি

মঈন ফকুরুদ্দিনেরা কি গত ২ বছর ব্রুটালিটি করেন নি? ফকুরুদ্দি্ন কোথায় পালিয়েছে? হাসিনার সাথে আবারো সমঝোতা করে মঈন দেশে ফিরেছে ্‌্‌্‌ ্‌্‌্‌,
ছাত্র শিক্ষক নির্যাতন, কার্ফু ইত্যাদির কথা কি ভুলে গেলেন?

মঈন-হাসিনার সমঝোতা জলিল ফাস করে দিয়েছে এর পরেও আপনার লজ্জা হয় নি নাকি আপনি নিজেই ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছেন?

  • Save Bangladesh: No more farakka

Robin Hood's picture

Brutality by 1/11 folks? Really?

You make even a dead man laugh, bd08.

MUA and FUA showed kindness by putting the two thug Begums within the confine of 4 walls. The others needed some wake up call.

The BAL & BNP thugs were lucky that the snake heads were not cut off. Next time the snakes will not be lucky.

FUA is not hiding. He came back to his home.

Robin
Carmel, California

shomudro's picture

১/১১ এর প্রত্যাবর্তন

বিডী গ্রুপ হাসিনার তান্ডবলীলায় খুশী হয়ে ভাবছে তাদের অনাগত খুশীর দিন বোধহয় সামনে। তবে তারা জানে না তত্তাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল হয়ে যায়নি, আপাত নিশ্চুপ সেনাবাহিনী বিএনপি বা আওয়ামিলীগ কারো কাছেই আত্নসমর্পন করেনি। যে ভুল ১//১১ এর শেষদিকে হয়েছে, সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি আর হবে না।১/১১ এর নেপথ্য ব্যক্তিরা খুব ভাল করেই জানে সারা দেশ উন্মুখ হয়ে প্রতিক্ষায় আছে তাদের পুনর্গমনের।

yousuf144's picture

সারা দেশবাসী অপেক্ষায় আছে

মেজর জিয়া গতানুগতিক বাকশালী রাজনীতিকে মাটিতে পুতে নতুন ধারার রাজনীতি সৃষ্টি করেছিন। বাংলার জনগন আরেক মেজর জিয়ার প্রতিক্ষায় যে মেজর বিদেশীদের দালালি করবে না। যে মেজর আওয়ামীলীগ, জামাত এবং বিএনপি কে মাটিতে পুতে দিবে। যে মেজর বাংলাদেশকে তার সুযোগ্য নেতৃত্বে সামনে নিয়ে যাবে। যে মেজর বাংলাদেশকে খাদ্য সিন্ডিকেটের হাত থেকে রক্ষা করবে। যে মেজর বাংলার অর্থনীতিকে গতিশীল করে বেকারত্ত্ব দূর করবে। নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে আমাদের নির্যাতিত নারী জাতিকে রক্ষা করবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রযুক্তির অগ্রদুত বানাবেন। ১/১১ ছিল শুধুই ধোকা। মুয়া ফুয়ার চরম ব্যার্থতার ফলে জনগন গতানুগতিক আওয়ামী-বিএনপির রাজনীতির বাহিরে চিন্তা করতে চায় না। ১/১১ এক দূর্স্পন এবং বিভিষিকা। বাংলার মানুষকে অকথিত নির্যাতানের শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু আমি তাও মনে করি জনগন এখনও সে মেজরের অপেক্ষা করছে।

raihankhan's picture

Loser 1/11 রা মানুষ নামের মুখোশের আড়ালে হিংস্র হায়েনা....

Rich H..ker wrote:
'You make even a dead man laugh, bd08.........'

images.jpg

যারা MUA-র ডিজিএফআই-র মানবতা বিরোধী নির্যাতনের পক্ষে সাফাই গায় এবং আফসোস করে কেন 'মাইনাস-টু' বাস্তবায়ন সহ সব রাজনীতিবিদগনকে মেরে ফেললো না তাদের আমি মনে করি মানুষ নামের মুখোশের আড়ালে হিংস্র হায়েনা....

voter's picture

রায়হান ভাই

আপনী যদি দয়া কইরা ঘন্টআ খানিকের লাইগ্যা সাইন অফ করেন তাহলে খুশী হইতাম ।
আপনার সামনে আমি ঠিক মতো খামার ( গালিকে আমরা খামার বলি )দিতে পারতেছিনা ।
এই সক্কাল বেলা আমি খুব মুডে আছি ভাই । গরম গরম ভাঁপা পিঠা খাইছি । মনডা
খুব ফ্রেশ আছে ।

raihankhan's picture

Voter ভাই, ঠিক আছে গেলাম...

Voter ভাই,
ঠিক আছে গেলাম...আবার দুই ঘন্টা পড়ে আসুম...

voter's picture

বুদ্ধিমান মানুষ

thank you raihan bhai .

voter's picture

ই-মেলার সত্যিকারের জাতীয়তাবাদী কারা

যারা সত্যিকারভাবে শহীদ জিয়াকে ভালোবাসেন , নিস্বার্থভাবে বিএনপির রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন-
জ্যাকব রায়হান
রায়হান খান
বিট্রেড
পগো
ক্যাক্টাস
নির্ভিক
বুবিট্র্যাপ সহ আরো ২।১ জন থাকতে পারেন যাদের সাথে আমার তেনন পরিচয় নেই ।
আলতাফ ভাই আপনার সময়ের লাইগ্যা আপনাকে থ্যাংকস ।
গেলাম । আল্লাহ হাফেজ ।

Pogo's picture

ভোটার দাদো,

ভোটার দাদো,
মুই এই ইছকুলে বর্তি অইতে না অইতেই মোরে একখান সাট্টোবিট দিলেন। মুই এইহান খুব যত্ন হইর্রা উডাইয়া রাকমুয়ানে।
তয় বাডি, আপনি পিঠা খাতি খাতি আমাদের জন্যি একটু দোয়া করতি পারলে ভাল হতো। আর আমার মনে হচ্ছি, কাল বিয়ান বেলা আমি রসমালাই খাতি পারবানি। এই যে কথা বলতি বলতি রাত হয়ে গেইল। কাল আবার খুব সকালে উঠতি হবি নে। আপনি ভাল থাকুন। That's all for now.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

the one eleven's picture

বিডি'র ব্রুটালিটি

জ্বী ভাইসাব ফখরুদ্দিন আর মঈনেরা ও ব্রূটালিটি করেছেন তবে দুই বেগম সাহেবান এবং তাদের চ্যালা চামুন্ডাদের দুই গালে কলংকের তিলক একে দিয়ে উনারা তা করেছেন।লজ্জাতো তোমাদের মত কাপুরুষ যারা চুরি এবং দালালিকে দৈধ মনে করে তাদের হওয়ার কথা।আমি কোন দু;খে লজ্জ্বিত হতে যাব?আমি কি কোন চোর আর বদমায়েশদের দলে নাকি যে লজ্জ্বায় আমার মাথা কাটা যাবে?

raihankhan's picture

Loser1/11 ওরফে 'Broad minded DOCTOR'- কে

না চাঁন্দু, আপনি বড় বড় lecture মারা 'Broad minded Doctor' আর আমরা সবাই 'low minded ভৃত্য'....
..লা ভন্ড কোথাকার!!!
Animation92.gif