বাবর রিমান্ডে শঙ্কিত বিএনপি

এনপি-জামায়াত জোট সরকারের দাপটশালী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, হাওয়া ভবন-তারেক-খালেদার ঘনিষ্ঠভাজন লুৎফুজ্জামান বাবরকে রিমান্ডে নেয়ায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে বিএনপি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় রিমান্ডে না যেতে মরিয়া ছিলেন বাবর, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা এজন্য শোডাউনও করেছেন আদালতের বাইরে। বিএনপি মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, বাবরকে রিমান্ডে যেতেই হয়েছে।

১/১১'র পর বাবরের সন্দেহজনক চরিত্রে সম্পর্কের চিড় ধরে বিএনপির সঙ্গে। ১/১১'র প্রায় গোটা সময় বাবর নিজেকে সবকিছু থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার হতেই হয়। বিএনপি সব সময়ই বাবরকে সংস্কারবাদী না বললেও সুবিধাবাদী হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তার গ্রেফতার বা অন্য রিমান্ড নিয়ে মুখটিও খোলেনি। কিন্তু ২১ আগস্টের ঘটনায় তাকে রিমান্ডে নেয়ায় ভয় ছড়িয়ে পড়েছে বিএনপিতে। কারণ ইতোমধ্যেই ওই ঘটনায় আটক বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আরেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু বলেছেন, ২১ আগস্ট বোমা হামলার ঘটনায় সবকিছু জানা যাবে বাবরকে ধরলেই।

সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে জিজ্ঞাসাবাদে অনেক রহস্য উদঘাটন হতে পারে। একই সঙ্গে সেই হামলার সঙ্গে জড়িত অনেক রথী মহারথীর নাম বেরিয়ে আসতে পারে। আর এই আশঙ্কায় এখন চরম আতঙ্কে আছেন বিএনপি ও জামায়াতের হাইকমান্ড। এতদিন বাবরকে ২১ আগস্টের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী মনে করা হলেও তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলে গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের সংশ্লিষ্ট থাকার বিষয়টি জানা সম্ভব হয়নি। এবার বাবরের জিজ্ঞাসাবাদে সেই রহস্যেরই উন্মোচন হতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। আর এতে বিএনপির সংশ্লিষ্টতাও সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে যতে পারে। এটা এখন বিএনপির ভয়ের মূল কারণ।

গতকাল থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে সিআইডি। গতকাল দুপুরে তাকে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এর আগে গতকাল সকাল ১১টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে বাবরকে কঠোর নিরাপত্তায় সিআইডি কার্যালয়ে আনা হয়।

সিআইডি সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিন সিআইডি কর্মকর্তারা বাবরের কাছে জানতে চেয়েছেন, ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার সময় তিনি কোথায় ছিলেন? স্মরণকালের ভয়াবহ এ গ্রেনেড হামলার পর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি কি দায়িত্ব পালন করেছেন? বাবর সিআইডি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গতকাল স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জবাব দেয়ার চেষ্টা করেছেন বলে সূত্র জানায়। তবে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।

এদিকে বিভিন্ন সূত্র জানায়, বহুল আলোচিত সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে জিজ্ঞাসাবাদের ফলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। হামলার পরিকল্পনা, অর্থের জোগান, আর্জেস গ্রেনেড সরবরাহ থেকে শুরু করে হামলাকারীদের পালিয়ে যেতেও সাবেক এ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তার হাওয়া ভবনের বন্ধুরা সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তৎকালীন এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার ব্যাপারে একাধিকবার হাওয়া ভবনে বৈঠক হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই বৈঠকে বিএনপি-জামায়াতের কয়েক শীর্ষ নেতা ও হরকাতুল জিহাদের কয়েক নেতাও নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলার পরিকল্পনা করা হয়।

সূত্র মতে, দীর্ঘ তদন্তের পর লুৎফুজ্জামান বাবরকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গত ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার দেখায় সিআইডি। পরে তাকে আদালত থেকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। বাবরকে রিমান্ডে নেয়ার ফলে অনেক কিছু বেরিয়ে আসতে পারে এমন আশঙ্কায় রয়েছেন বিএনপি-জামায়াতের একাধিক নেতা। বাবরকে জিজ্ঞাসাবাদের ফলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ দেশে বিভিন্ন গ্রেনেড ও বোমা হামলা সম্পর্কে অনেক রহস্যই উদঘাটিত হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের যেমন ঘনিষ্ঠ বন্ধু, তেমনি হরকাতুল জিহাদ নেতা পলাতক জঙ্গি তাজউদ্দিনেরও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বহুল আলোচিত হাওয়া ভবনের পরিকল্পনায় দেশে যত অপকর্ম হয়েছে এর সব মূলেই তারেক- মামুন আর বাবরের নাম জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপি-জামায়াতের অনেক রথী-মহারথীর নামও বেরিয়ে আসতে পারে। বিগত জোট সরকারের আমলে এসব রথী-মহারথীদের আড়াল করতেই লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে 'জজ মিয়া' নাটকসহ নানা নাটকও সাজানো হয়েছিল। নষ্ট করা হয়েছিল মামলার প্রয়োজনীয় আলামত।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় এর আগে গ্রেফতার হওয়া জোট সরকারের সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুও এ গ্রেনেড হামলায় বাবরের নাম জড়িয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। হামলায় বাবর প্রশাসনিক সহায়তা দিয়েছেন বলেও আবদুস সালমা পিন্টু গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। এছাড়াও হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান বিভিন্ন সময়ে রিমান্ডে থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে লুৎফুজ্জামান বাবরের সংশ্লিষ্টতার কথা বলেছেন। সিআইডি কর্মকর্তারা এসব জবানবন্দি দীর্ঘদিন নানাভাবে যাচাই-বাচাই করে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়েই গত সোমবার সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ২৪ জন প্রাণ হারান। একই সময় শত শত নেতাকর্মী আহত হন। অনেকেই আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেন। তৎকালীন বিরোধীদলের নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হলেও তিনি প্রাণে রক্ষা পান। কিন্তু এ ঘটনায় শেখ হাসিনা তার শ্রবণ শক্তি হারান। এ ঘটনার পর তৎকালীন জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেশে তদন্তের নামে মামলার আলামত নষ্ট করে দেয়া হয়। জোট সরকারের আমলে জজ মিয়া নাটক ছাড়াও এ ঘটনায় শৈবাল সাহা পার্থ নামে এক ছাত্র এবং আওয়ামী লীগ নেতা, ওয়ার্ড কমিশনার মোখলেসুর রহমানসহ অনেক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে নির্যাতন চালানো হয়। ভয়াবহ এ গ্রেনেড হামলা মামলায় বিভিন্ন সময়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর সর্বশেষ দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছরের ১১ জুন সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল কবির আদালতে পৃথক দুটি চার্জশিট দেন। পৃথক দুটি চার্জশিটে ২২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে জোট সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জন কারাগারে রয়েছে।

সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল কবির আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মো. মাসদার হোসেন রাষ্ট্রপক্ষের ৬১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ গত ২৫ জুন বহুল আলোচিত এ গ্রেনেড হামলা মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ৩ আগস্ট মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। নতুনভাবে অধিকতর তদন্ত শুরু হলে এ মামলায় আবদুস সালাম পিন্টু ও মাওলানা আবু তাহেরকে রিমান্ডে নেয়া হয়। এরই ধারাবিহকতায় সর্বশেষ গতকাল বহুল আলোচিত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে এ মামলায় রিমান্ডে নেয়া হলো।

farmer's picture

Those who have deprived the nation must be in remand

In BD, remand is torture & way to shake out of money, it is barbaric. But what Khaleda, Hasina, Tareq, Mamun, Salim, Babar, Helal, Haris, Nizami, Muzahid, Saidi, Moudud, Alamgir, Aman, Pintus, Mosharraf Hossain Kh, Khoka, Mohiuddin etc. did to the nation being in responsible places, must be only in remand.
poor thieves, petty political giringis do not deserve remands, they can be handle without tortures.
It is good time to convert Babar back to hunam being.

Nirvik2008's picture

বাবর রিমান্ডে শঙ্কিত বিএনপি -- Awami-Baksali Abdulla bhai

There is no merit and trust to the statement or word came out of Babors mouth under torture. BAL is persuing the same technique as followed by their hero mirjafor Moeen. If BNP wanted to finish up Hasina they could have easily done so being in power. BNP has a lot to learn from BAL as far as these subortage activity and killing is concerned. If BNP is scared for Babors statements, BAL should be scared to hell for killing 55 army officers.

JackobRaihan's picture

প্রসংগঃ -- বাবর ও তার তথাকথিত রিমান্ড ও নয়া আওয়ামী ষড়যন্ত্র

পলিটিকালী বি এন পি কে ফাউল পজিশনে ফেলার নতূন এই আওয়ামী ট্রিক্স ইভেনচুয়েলী কোন কাজে আসবেনা। তারেক রহমান যথারিতি বাংলাদেশে ফেরৎ আসবেন, রিমান্ডে বাবর কি বল্লো বা বলবে তাতে তারেক রহমানের কিছু আসবে-যাবে না।

জ্যাকব রায়হান

Abdulla's picture

বাবর তথ্য দিচ্ছেন, নামও বলেছেন অনেকেরই

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর রিমান্ডের তৃতীয় দিনে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলাসহ তার আমলে বিভিন্ন সময়ে দেশে গ্রেনেড ও বোমা হামলার ব্যাপারে সিআইডিকে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে এসব হামলার সঙ্গে জড়িয়ে বিএনপি-জামায়াতের একাধিক নেতার নামও বলেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। তবে তদন্তের স্বার্থে বাবরের দেয়া তথ্য প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না সিআইডি কর্মকর্তারা।

সিআইডির রিমান্ডে বাবর গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন_ গতকাল সন্ধ্যার পর রাজধানীজুড়ে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লেও সিআইডি কর্মকর্তারা তা অস্বীকার করেছেন। গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে সিআইডির অতিরিক্ত এসপি আবদুল কাহহার আকন্দ 'সংবাদ'কে জানান, লুৎফুজ্জামান বাবর সুস্থ আছেন।

সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে বাবর জানিয়েছেন, তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিরাপত্তার বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আগেও তিনি আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য তৎকালীন আইজি ও ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। গ্রেনেড হামলার পরবর্তী তদন্তের ব্যাপারেও বাবর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন তৎকালীন পুলিশ ও সিআইডি কর্মকর্তাদের ওপর। অতি উৎসাহী কর্মকর্তারা এ হামলার মামলা নিয়ে নানা নাটক করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করে বাবর সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তৎকালীন শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও তার পলাতক ভাই জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন এসব পরিকল্পনার ব্যাপারে জানেন। এ পরিকল্পনার বিষয়ে জোট সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতাও রয়েছেন বলে বাবর জানিয়েছেন। হামলার পর গোয়েন্দাদের তদন্তে এসব বিষয় বেরিয়ে আসলে তিনি শুধু উপরের নির্দেশে তা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছেন।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ হাতে রেখেই বাবরকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে আনা হয়েছে। গত ৩ দিনের জিজ্ঞাসাবাদে সরাসরি নিজেকে জড়িয়ে কিছু না বললেও অনেক তথ্য দিয়েছেন। এসব তথ্য গোয়েন্দারা যাচাই-বাছাই করে দেখছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান। বাবরের অসুস্থতার ব্যাপারে ওই কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার কারণে এমনিতে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিছুটা অসুস্থ। তবে সিআইডির হেফাজতে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার সঙ্গে সেভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলায় গত শুক্রবার সকালে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ৫ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

raihankhan's picture

আব্দুল সাহেব, 'ডিম থেরাপী'-র কথা শুনেছেন?

আব্দুল সাহেব,
BNP-র যেমন 'দিনকাল', জামাতের 'সংগ্রাম' ঠিক তেমনি BAL-র কন্ঠস্বর 'জনকন্ঠ', 'সংবাদ','ভোরের কাগজ'-এর কোন সংবাদ এই ফোরামে উল্লেখকরার মত কোন new topic forum হতে পারেনা। তারপরেও যেহেতু খবরটা আপনার কাম-রিপুকে(?) জাগ্রত করে মনের চিলেকোঠায় একধরনের স্বর্গীয় (!!) পুলক এনে দিয়েছে ভেবে আমরাও পুলক(?) অনুভব করছি।
আব্দুল সাহেব, আপনার কি কখনো বাংলাদেশে আইন-শৃংখলা বাহিনীর হেফাজতে অতিথী (রিমান্ড) হবার দুর্ভাগ্য হয়েছিল? চরম শত্রুরাও নাকি কারো এমন অনিষ্ট (রিমান্ড নামক বিভীষিকা) কামনা করে না। রিমান্ডে নিয়ে কি কি ধরনের নির্যাতন হয় তা বিস্তারিত জানতে চাইলে দেখতে পারেন:
http://www.amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=219771&...
http://www.ahrchk.net/statements/mainfile.php/2009statements/2217/
শুনা যায়, সিআইডি-র আব্দুল কাহার আখন্দ এ সব বিষয়ে খুব বড় বিশেষগ্ঞ। তার নাকি সবচেয়ে প্রিয় নির্যাতনের ধরন 'ডিম থেরাপী' (Egg Therapy: Hot boiled eggs are pushed up into the anal canal. This type of torture leaves no external sign of injury)। তার এই নির্যাতনে 'Absolute Truth' ও নাকি 'Absolute False' হয়ে যায়। সুতরাং, বাংলাদেশে রিমান্ডে নিয়ে কাকে দিয়ে কি বলালো সেটার আর কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এ ছাড়াও সংবাদপত্রগুলো তাদের বিক্রি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে রং-চং মেখে পাবলিককে গিলানোর জন্য অনেক সময় অখাদ্য-কুখাদ্য পরিবেশন করে।

“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus

Abdulla's picture

জনাব রায়হানখান

"'ডিম থেরাপী' (Egg Therapy: Hot boiled eggs are pushed up into the anal canal. This type of torture leaves no external sign of injury)। এই নির্যাতনে 'Absolute Truth' ও নাকি 'Absolute False' হয়ে যায়। সুতরাং, বাংলাদেশে রিমান্ডে নিয়ে কাকে দিয়ে কি বলালো সেটার আর কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।" এ নিয়ে এখন পর্যন্ত যা পড়েছি আর জেনেছি তাতে অধমের কোন দ্বিমত নেই।

ডিম থেরাপির অনেক কিছুই এখন পর্যন্ত পত্রিকায় পড়েছি, তা যতটুকু মনে হয় জনাবদের তথাকতিথ জাতীয়তাবাদী(বিএনপি-জামাতীয়) সরকার যার স্বরাস্ট্রমন্ত্রী জনাবদের জংগলের জানোয়ারদের যুবরাজের প্রিয় বাবর আলী(একসময়কার ঢাকা-ব্যংকক এর লাগেজ পার্টি, পরে স্বর্ণ চোরাকারবারী পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) আর তারপরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়।এর আগে বোধহয় এভাবে পড়েছি বলে মনে পড়ে না। হয়েছে নিশ্চয়, একদিনে তো আর এত বাড়েনি। আর আব্দুল কাহার আকন্দ যেহেতু পুলিশ এবং রিমান্ডে নিয়ে অভ্যস্ত, তাতে নিশ্চয়ই তার অভিজ্ঞতা থাকতে পারে।
কিন্তু জনাব যেভাবে তাকেই বিশেষ ভাবে বিশেষজ্ঞ বানালেন, তা বোধহয় কোথাও এখন পর্যন্ত পড়িনি।তবে জনাব যেহেতু বলেছেন, তবে সত্য নিশ্চয়। কারণ, জনাব যা বলেন চির সত্যই বলেন -যাকে বলে "Universal Truth" বা "Absolute Truth"। জনাবদের যখন যা মনে হবে তা যখনই এ অধমদের জন্য ফরমাবেন তাই সত্য।জনাব যদি আমাকের বলেন জজমিয়া গাঁজা টেনে গিয়ে নেশার ঘোরে হাসিনার উপর স্বপ্নে প্রাপ্ত গ্রেনেড মেরেছে, আমি তাও সত্য বলে ধরে নেব। কারণ জনাব জাতীয়তাবাদী(!) ও ইসলামের(!) নামে সত্য বলেছেন।
আর জনাবের সব লেখা পড়ার মত জ্ঞ্যন এ অধমের নাই বলে সে চেষ্টাটা কমই করি। তবে যতটকু এ পর্যন্ত পড়েছি, তাতে "Absolute Truth" আর "Absolute Lie" এর মধ্যে পার্থক্য নিয়ে এ অধম অনেক আগেই ধন্দে পড়ে গেছি। মাঝে মাঝে মনে হয় কোন মানুষকি নিচের ফুটা দিয়ে কথা আর উপরের ফুটা দিয়ে বাকী কাজ করতে পারে কিনা। তবে এ ফোরামের তথাকথিত জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী(!) নামীয় সৈনিকরা যদি বলেন যে উনারা তাই করেন, তাহলে আমি অবশ্যই তা একবাক্যে "Absolute Truth" বলেই মেনে নেব।

"BNP-র যেমন 'দিনকাল', জামাতের 'সংগ্রাম' ঠিক তেমনি BAL-র কন্ঠস্বর 'জনকন্ঠ', 'সংবাদ','ভোরের কাগজ'-এর কোন সংবাদ এই ফোরামে উল্লেখকরার মত কোন new topic forum হতে পারেনা।" একদম সত্য কথা।
তাই আমাকে Forum Topic এর জন্য "নয়াদিগন্ত", "আমারদেশ" এ যাইতে হবে!! সত্য রুপকথা জানতে হবে!! জেনে এ Forum কে জানাতে হবে এবং এ Forum এর ঔজ্জ্বল্য আরও বাড়াতে হবে। আর জনাবদের কাম-রিপুকে(?) জাগ্রত করে মনের চিলেকোঠায় একধরনের স্বর্গীয় (!!) পুলক এনে দিতে হবে। এ Forum এর সভ্য(চুড়ান্ত অসভ্যরাও যাদের নাম শুনলে মুখ লুকানোর জায়গা পায়না) আর সত্যবাদী(সত্য মিথ্যার চিরন্তন সংজ্ঞা যেখানে এসে লজ্জায় একশহাত দূরে থাকে) জাতীয়তাবাদী ও জামাতী সদস্য আরো বাড়াতে হবে।

অশেষ ধন্যবাদ জনাব। ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য। সত্যের পথ দেখানোর জন্য।

TIGER71's picture

জনাব আবদুল্লাহ ভাই

আপনি লক্ষ্য করছেন কি-না জানি না, রায়হান খানদের মতো নীরব তথাকথিত (!) সুশীলরা, যারা জাতিয়তাবাদি ঝান্ডা হাতে প্রপাগান্ডার মূল সূত্রধর, তারা নিজেরাই নিজেদের সাথে কেমন স্ব-বিরোধীতা করে যাচ্ছে। এ যেমন মামার বাড়ির আবদার।

আমার দেশের মাহমুদুর রহমান হচ্ছে রায়হান খানের চোখে 'সময়ের সাহসী সন্তান', আর জনকণ্ঠের খবর হচ্ছে, এই ফোরামের টপিক হবার জন্য অনুপোযুক্ত।

আহারে, মামুর বাড়ির কি আবদার।

সমাজের এইসব স্লো পয়জনিং সুশীল থেকে নিরাপদে থাকুন, দূরত্বে থাকুন।।

vumihinzamidar's picture

রিমান্ড

রিমান্ডের নামে টর্চার খুব খারাপ । এটাকে মেনে নেয়া যায়না । তবে যদি ডাকাত শহীদ কিম্বা
সুব্রত বাইনের মত কোন সন্ত্রাসীকে ধরা হয় তাহলে প্রথমে রিমান্ডে নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ
এবং অস্র উদ্ধার করতে যাওয়া এবং এবং এবং । রিমান্ডের ভয়াবহতা শোনেছি । শোনতেই ভয়
লাগে ।
( রায়হান ভাইজান - তবে বউ যদি স্বামীকে রিমান্ডে নেয় এর চেয়ে আরাম আল্লাহর দুনিয়াতে
আছে কিনা সন্দেহ । )

boobytrap's picture

জ়্যাকব ভাইয়া তুমি কোথায় ও আব্দুল সাহেব, 'ডিম থেরাপী'-র কথা শুনে

আজ একঘন্টা সময় হাতে বেশি থাকাতে ই-মেলায় কিছু গল্প করব কিন্তু আমাদের জ্যাকব ভাইয়া কোথায় ? রায়হান খানের ডিম থ্যারাপি পড়লাম , খুব ভাল জিনিস । রাজনৈতিক নেতাদের উপর দিয়ে এই থ্যারাপি এপ্লাই হয় আর এর জন্যে আব্দুল কাহার আখন্দ হাইলি প্রফেনাল থ্যারাপিষ্ট এ উপর বেশ বড় সড় ডিগ্রী নেওয়া আছে বুঝা যাচ্ছে।কিন্তু আখন্দ সাহেবের চিন্তা করা উচিৎ নিজেকে এটার জন্যে রোগি হিসাবে তৈ্রি থাকা ৫ বৎসর পর। কারন এখন এধরনের অনেক থ্যারপিষ্ট ছাত্র অবস্থায় আছে ৫ বৎসর পর তারা আখন্দ সাহেবকে পাবে রোগি অবস্থায় । নিজের তৈ্রি ফ্রাংকেনষ্টাইনের হাতে নিজেই পরবে এই আকন্দ সাহেব।

boobytrap's picture

বাবর তথ্য দিচ্ছে ... ।BT

বাংলাদেশের cid , special branch , under police custody or Dgfi এর অধীনে আসামী হিসাবে থাকে , তারা (আসামীরা) ওদের হাতের ডলা খেয়ে যখন প্রশ্ন করে বল " আমি চোর 'তখন তারা বলে ইয়েস আমি চোর।
শেখ সেলিম এই ধরনের ডলা খেয়ে বলেছিল ইয়েস আমার নেত্রী আজম চৌধুরীর কাছ থেকে সুটকেস ভরা ৩ কোটি টাকা ঘুষ খেয়েছিল , তার আদেশে মীর্জা আজম ও গুরু নানক গান পাউডার দিয়ে দোতালা বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ১২ জনকে অগ্নিদ্গ্ধ করে মেরে ছিল। এখন বাবরের কথা সত্য না শেখ সেলিমের কথা সত্য কোনটা বিশ্বাস করব।

Robin Hood's picture

BT

Truth will never be known. Nothing, absolutely nothing is trust worthy in BD.

Torture never brings truth out. Gitmo didn't. In BD, either all spoke truth when tortured or all spoke lies which the torturers wanted to hear.

Whether spines are broken or eyes gouged, never made any difference. This is Bangladesh!

Robin
Carmel, California

altaf_hossain's picture

সে আসবে ঠিকই

এক জিয়া মরে গেছে, কিন্তূ বেচে আছে তার সন্তানরা। বাংলার বাঘ তারেক জিয়া ঠিকই একদিন এ দেশের সূখ শান্তি ফিরিয়ে আনবে। তাকে নিয়ে যত পেচাল করা হোক না কেন আটকানো যাবেনা তার আগমন। বাকশালীরা আশাকরি তৈরী থাকবে সে দিনের জন্য।

Zobayer anom Shawdeshi's picture

yes he may come back in a wheel chair....

its really funny when you call Mr Tarak zia "The Tiger". He may come back but he wont be able to stand up, cause he does not have back bone (in working condition). He will be a different Tiger sitting in a wheel chair.

altaf_hossain's picture

যে ভাবেই আসুক

সে হুইল চেয়ারে আসুক আর কাফনের কাপড়ে আসুক আপনার মত সূবিধাবাদীর দল তার পেছনে লাইন ধরবে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই।

vumihinzamidar's picture

যে ভাবেই আসুক

আমাদের দেশে জীবিত নেতাদের চেয়ে মৃত নেতাদের গুরত্ব বেশী । কজেই নেতা হুইল চেয়ারে আসুক
আর লাশ হয়ে আসুক কোন সমস্যা নেই । নেতা নেতাই , নেতার আপার চেম্বারে মাল নসলা
থাকুক না থাকুক এইটা কোন বিষয় না নেতা , কোন ফ্যামিলী থেকে এসেছে এইটাই মুখ্য ।

farmer's picture

Two Zias

Gen Zia killed Sheikh, became president. Paid for presidency.
Hawabhanan Zia killed 23 in grenade attack, exiled with broken backbone, looks like, first installment paid. Next installment coming?

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

শেখ পরিবারের প্রথম কিস্তি

পঁচাত্তরে শেখ পরিবার তাদের সীমাহীন অত্যাচার এবং শোষনের দাম দিয়েছেন কড়ায় গন্ডায়। এবার শেখ হাসিনা দ্বিতীয় কিস্তি দিবেন অতি শীধ্রই।

TIGER71's picture

জিয়া পরিবারের প্রথম কিস্তি

সীমাহীন অত্যাচার এবং শোষনের দাম দিয়েছে জিয়া কড়ায় গন্ডায়। ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছিল তার মৃত শরির। এমনকি, ফেলে দেয়া হয়েছিল শিয়াল কুকুরের খাদ্য হিসেবে।

এতটাই বিক্ক্রিত ছিল যে, কেউ সাহস করে তার একট ছবি পর্য্যন্ত তুলে রাখার কথা ভাবতে পারেন নি! কি দূর্ভাগ্য!

এবার তারেক জিয়া আর খালেদার হিসাবের পালা। হয়তো এবার পাওয়াই যাবে না কোন চিনহ। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

Cactus's picture

TIGER71 এর আবোল-তাবোল !

একটা জোক শুনেছিলাম , এক নকলবাজ অন্যকে অনুসরন করতে গিয়ে অন্যের বাপের নাম নিজের বাপের নামের জায়গার লিখে দেয় । সেই রকম অবস্থাই মনে হচ্ছে বাঘ মামার ।ইউসুফের লিখাটিকে অনুসরন করতে গিয়ে তাই উল্টা-পাল্টা লিখেছে ,যা কিনা ভুল ।
"সীমাহীন অত্যাচার এবং শোষনের দাম দিয়েছে জিয়া কড়ায় গন্ডায়। " .. এটা মামার ডাহা ভুল বয়ান ।

সীমাহীন অত্যাচার এবং শোষন ছিলো মুজিবের আমলে । এর মুল্য দিয়েছিলো শাষক মুজিব ।জিয়ার সময় অত্যাচার শোষন ছিলো না আর তাই জিয়া জনসাধারনের ভালোবাসা পেয়েছিলেন ।জিয়া তার কর্মক্ষেত্রে কিছু ক্ষমতালোভী সাঙ্গোপাঙ্গদের সাথে বিভিন্ন বিরোধের মধ্যে থাকলেও তা সাধারন জনসাধারনের গায়ে আচরঁ ফেলেনি । কিন্তু মুজিব তার আশ-পাশেরর সাঙ্গ-পাঙ্গদের মোহাব্বতে ভরিয়ে রেখে জনতাকে দিয়েছিলো সীমাহীন অত্যাচার এবং শোষন । যা জনতা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে এবং নীরবে দীর্ঘ নিঃস্বাস ফেলেছে । সীমাহীন অত্যাচার এবং শোষনে জর্জড়িত উপায়হীন জনতার হাহাকারে মুজিব গংদের পতন হয়েছিলো ।
খালেদা-তারেকের পালা দেখেছি ,এবার হাসিনার পালা দেখতে বাকি ...

Pogo's picture

Tiger71 -- do you know what you are saying?

If you are so sure that Zia killed Mujib, why BD government is trying and holding several others responsible for the same offence? Should not the others walk out of jail? This is insane and reckless talking. You are instigating violence. It is so ironical that you pull your hairs when others mock with bxmbs, but you are doing the same in different language. I have no reason to believe you when you spread lies and hatreds all the day. Stop your bullying around. Hope soft talks help your brain to think it through.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

TIGER71's picture

To Pogo--Read your writing

মিথ্যা বলে প্রপাগান্ডা করা যে আপনাদের রক্ত-মাংসে ঢুকে আছে, আপনার লেখাতেই তা প্রকাশিত।
আপনি যত চেস্টাই করুন না কেন, মুখোশ আপনাতেই খুলে আসবে।

আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি, আপনি দেখিয়ে দিন, কোথায় আমি বলেছি যে, Zia killed Mujib.
যদি দেখাতে না পারেন, আশা করি একটা এপোলজির সৌজন্যতা অন্তত আপনার কাছে আমি আশা করতে পারি।

এর আগেও আমাকে নিয়ে আপনি একটা ফাউল করেছিলেন। নওগা না বলে নড়াইল বলেছিলাম। তাকেই আপনি মিথ্যার প্রচারনা বলে চালিয়েছিলেন। আমি বিনয়ের সাথে সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম। কিনতু একাধিক ভুলকে উদ্দেশ্যমূলক ছাড়া আর কি বলা যায়।

সাথে ছোট খাট ধরনের একটা হুমকি দিয়েছেন আপনার লেখায়। বলেছেন, Hope soft talks help your brain to think it through. নিজে কি সেটার অর্থ বুঝেন? না-কি অভ্যাসের কারনে নিজেরটা নিয়ে ভাববার সুযোগই পাচ্ছেন না?

Abdulla's picture

TIGER71

ভাই কি যে করেন, তথাকথিত জাতীয়তাবাদী সত্যবাদী হোন। নওগা আর নড়াইলে পার্থক্য জেনে আসুন। না জেনে প্রপাগান্ডা করবেন না। হাহা।

Pogo's picture

মি: Abdulla কে বলছি

ইনিয়ে বিনিয়ে মাঝখানে ঢুকে পড়ে আলাপ জমানোর চেষ্টা করিবেন না। আপনার পচা মুখের গন্ধ এখনো পাওয়া যাচ্ছে। মাফ করুন, আপনার সংগে কথা বলার ইচ্ছা ও সময় আপাতত নাই। প্লিজ রাস্তা মাপেন।

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

Pogo's picture

TIGER71 - Read your comments as well

No, it was not a threat. I ended my comments hoping that my comments would be helpful for you. I am saying it again, "Hope soft talks help your brain to think it through." Now, tell me what you understand from that. If catching your mistakes is a foul, then let the foul continue. Hope you are still not confused with Nogaon and Norail. You must be thankful that I helped you in that regard. In fact, you were thankful back then. Now, you are trying to make noise with it again. You can do it as much as you can. Before that, at least try to know where Nogaon and Norail are located.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

farmer's picture

Babar is on the top

In police book, Babar was on the top of the list among the black markteers.
Barbar became the top of the police.
Babar was at the top of Hawabhaban operators.
Babar was on Boshundara's list as top paid.
Babar is top on the remand list.

Active forum topics