দেশপ্রেমের নতুন সংজ্ঞা: শেখ হাসিনার মন্তব্য

দেশপ্রেমের নতুন সংজ্ঞা: শেখ হাসিনার মন্তব্য

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ প্রেমের নতুন সংজ্ঞা দিয়েছেন। যারা দেশকে ভালবাসেন তাদেরকে তিনি একটু পেঁচিয়ে দেশদ্রোহী বলে ঘোসনা করেছেন। এই মহিলা চান বাংলাদেশের স্বার্থ কে ভারতের স্বার্থের কাছে বিকিয়ে দিতে। এর ফলে যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে তা দেশের মানুষ নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে পুষিয়ে নেবে। আর যারা তা সফলভাবে করতে পারবে অর্থাৎ যারা দেশের বিরাট ক্ষতি হওয়ার মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সুপরিসর করতে পারবে তারা দেশপ্রেমিক বলে বিবেচিত হবে। আর যারা অসফল হবে অর্থাৎ সাধারন জনগন তাদের দেশ ও অন্যান্য অধিকার হারিয়ে পথে বসে ভিক্ষার থলি হাতে নেবে তারা হবে দেশদ্রোহী। আর এসব ভিক্ষুককে যারা মদদ দেবে এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে যারা ফিরিয়ে আনতে চাইবে তাদের ষড়যন্ত্র শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা হবে।

এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতের জন্য গেটওয়ে তৈরী করতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য বিরাট বড় হুমকি। সিকিমখেকো কুমির ভারতকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে অবাধ চলাচলের জন্য খাল কেটে দিতে চাচ্ছেন শেখ হাসিনা। একাজ করতে পারলে কেউ লাভবান না হলেও তিনি আর তাঁর দেশপ্রেমিক চামচারা ব্যবসায়িকভাবে বিরাট লাভবান হতে পারবেন। আর দেশের মানুষ হয়ে যাবে নিজ দেশে উদ্বাস্তু। এদের স্বার্থ রক্ষায় যারা এগিয়ে আসতে চায় তথা কুমিরকে যারা বাধা দিতে চায় তারা হল দেশদ্রোহী। আর দেশপ্রেমিকতো তারাই যারা দালালী করবে ভারতের অথবা দালালদের দালালীকে সহ্য করবে।

শেখ হাসিনা কি জনগনকে বুদ্ধু পেয়েছে নাকি!! দেশের জনগন এই ভোটচোরা সরকারের দেশবিদ্ধংশী যেকোন পদক্ষেপের সবচে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ বাংলাদেশকে কুচক্রিদের হাত হতে রক্ষা করুন।
(Courtesy: http://www.somewhereinblog.net/blog/truelightblog/29007793 )

farmer's picture

Cruel people of Gopalgonj

A young girl died from swine flu in Gopalgonj. Hard to know, true or not; it was reported that the poor father could not buy anti fever medicine even. Anti fever medicine is very affordable in BD; if the father could not buy it, a pharmacy could give it free, it is non expenssive.
I saw, in my area geeting few free tablets for fever or headache is not rare.

matin's picture

শুধু তাই নয়, ডিমের পর

শুধু তাই নয়, ডিমের পর এবার চিনির বাজার ভারতে তুলে দেবার পায়তারা করছে আওয়ামী লীগ।

এক শ্রেনীর আওয়ামী ব্যবসায়ীদের দ্বারা হাসিনার প্রবাসী পুত্র জয় বাজারে সিন্ডিকেট করে জিনিসের দাম বাড়িয়ে পরে ভারত থেকে তা আমদানী করে সেইসব পণ্যের বাজার ভারতের হাতে একে একে তুলে দেবার কুচক্রান্তে লিপ্ত আওয়ামী লীগ।
ডিমের পর এবার চিনির বাজার ভারতে তুলে দেবার পায়তারা করছে আওয়ামী লীগ।

farmer's picture

bd08: sell your eggs

Egg market has peaked; bd08, sell out your eggs.

Sugar price is shooting up in international market, so, time is coming for bd08 to do some sugar politics.

matin's picture

farmer ও ইন্টারন্যাশলান মার্কেট

আচ্ছা ফারমার সাহেব,
বলুন তো ইন্টারন্যাশলান মার্কেটে দাম বাড়ানোর সাথে বাংলাদেশে দাম বাড়ানোর সম্পর্ক থাকে না?
বলুন তো বাংলাদেশে কেবল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কখন দাম বাড়তে থাকে?

শুধু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে জিনিসের দাম বাড়ে ইন্টারন্যাশলান মার্কেটের জন্য?

আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে জিনিসের দাম বাড়লে মুজিব পুজারীদের কাছে সিন্ডিকেট বলে ভারতীয় ঢোল বাজানো শুরু করে।

ফারমার আর কতকাল মিথ্যার পুজা করবেন?

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

চাষা ভাই

ভারতের হাতে ডিমের আরে চিনির বাজার তুলে দেওয়া হচ্ছে। আপনার কাছে এর প্রতিবাদকে মনে হচ্ছে রাজনৈতিক? মাঝ দিয়ে বাংলাদেশের যে বিশাল ক্ষতি হচ্ছে তা কি আপনাকে কোনভাবে বিচলিত করে না। আমরা আমাদের পাটের ব্যবসা ফেরাউনের আমলে হারিয়েছি তা আজও ফিরে পাইনি। ৭১ এ বাংলাদেশের সব পাট কলে ভারতীয় বাহীনিরা চালায় হরিলুট। সব পাট কলকারখানা জাতীয়করন করে শেষ করে দেয় এ শতাব্দির পুরোন শীল্পকে। আওয়ামী লীগ হল বাংলাদেশের জন্য এক ক্যান্সার। বাংলাদেশ সুস্থভাবে বেচে তাকতে পারবে না যত দিন না এ ব্যাধি দূর হবে।

শঙ্খচিল's picture

পাটশিল্প রুগ্ন আদমজি বন্ধঃ কারা করেছে?

"আমরা আমাদের পাটের ব্যবসা ফেরাউনের আমলে হারিয়েছি তা আজও ফিরে পাইনি। ৭১ এ বাংলাদেশের সব পাট কলে ভারতীয় বাহীনিরা চালায় হরিলুট। সব পাট কলকারখানা জাতীয়করন করে শেষ করে দেয় এ শতাব্দির পুরোন শীল্পকে।" ইউসুফ নামা।
ধরে নেয়া যাক, আপনি উপরে সর্বসত্য বলেছেন। এখন ১৯৭৫ সালেই খমতা, রাস্ট্র পরিচালনার নীতি, জাতীয়তাবাদ সহ আমুল পরিবর্তন হয়েছে এবং এরপর দীর্ঘ ২১ বছর দেশ আওয়ামি বিরোধিদের দখলে ছিল দেশ। আমার সঠিক সন মনে নেই, তবে বিএনপি সরাকারের সময় আদমজিকে বন্ধ করে দেয়া হয়, যখন আন্তর্জাতিক ভাবে প্লাস্টিক বিরধী মান্সিকতার জন্য পাট পন্যের বাজার ফিরত আসলছিল।আদমজি বন্দধের সময়কালে ভারতের হুগলিতে বিশ্ববাজারে পাটপন্যের বাজার ফিরত আসা দেখে, বেশ কয়েকটি নতুন পাটকারখানা তৈরি হয়েছিল। ব্যাপারটা কি কাকতালীয়?
যুদ্ধবিধস্থ দেশের প্রসাসক মুজিবের ৪ বছরের শাসনকে সপরিবারে উতখাত করে, একনিষ্ঠভাবে পরবর্তি ২১ বছরে শাসনেও পাট শিল্পের কিছু করতে পারলেন না। তারপরেও সব দোষ মুজিবের? বাঘ মামা, ঝরনার ধারে হরিণ শাবক্টি ভক্ষনের কুমতলবে, অজুহাত তুলেছিল হরিন শাবকের পিতামহের একদা জল ঘোলা করার কথা। আপনার অভি্যোগ শুনে শিশুকালে পড়া সেই গল্পটা মনে পড়ে গেল।

Hassan Imam khan's picture

সকল প্রশংশাই আল্লাহর...।

বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সারা বিশ্বের চালের বাজারে যখন আগুন ধরলো তখন ভারতের ও খাদ্যের বাজারে ত্রাহী ত্রাহী অবস্থা। আমাদের সরকার সব বাজার থেকে ব্যার্থ হয়ে ছুটলো ভারতে। ভারত নিজের সমস্যার পরেও সহযোগীতায় এগিয়ে এলো। ক্রয়,গাড়ীজাত,প্রেরন প্রভৃতি সেরে চাল বাংলাদেশের মানুষের হাতে পৌছুতে একটু সময় লেগেছিল। অমনি শুরু হয়েছিল সংশ্লিষ্ট এই মহলের ভারতের বিরুদ্ধে বিষদগার, তর সইছিল না। কেন ভারত দিতে চেয়েও দেরী করছে। তখন কিন্তু বলা হয় নাই,ভারতের চাল এনে আমাদের চালের বাজার ধ্বংশ করা হচ্ছে।
আমাদের ডিমের উৎপাদন নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হলেও উৎপাদন কারীরা অতিলাভে দাম বাড়িয়েই যাচ্ছিল। সরকার বার বার হুমকি ধামকি দিয়ে কোন লাগাম টানতে না পেরে যেই সিদ্ধান্ত নিল ভারত থেকে ডিম আমদানির, সেই ডিম না পৌছুতেই ডিমের দাম কমতে শুরু করলো। এখন আবার ঐ মহল বলছে,ভারতের হাতে আমাদের ডিমের বাজার তুলে দেয়া হচ্ছে।
সারাটা দেশেই উতপাদনশীলতার পরিবর্তে শুরু হয়েছে ট্রেডিং বা মুদি ব্যাবসার মহা-উতসব। ব্যাংক থেকে উতপাদনের কথা বলে টাকা এনে ট্রেডিং এ বিনিয়োগ হচ্ছে, ব্যাবসা একটাই, ভারত থেকে পন্য আমদানী। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী,বিএনপি বা জামাতীর কোন ভেদাভেদ নেই, ওখানে কোন ভারত বিদ্বেষ নেই। ওখানে কোন গিভ এ্যান্ড টেকের বালাই নেই, শুধুই আনো, মজুদ করো,আর ফয়দা লোটো । এই মুদি ব্যাবসায়ীদের লাগাম টানটে সরকারকে সময়ে সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতেই হবে, এটাই সাভাবিক নয় কি ?
শংখচিল ভাই যতই যুক্তি প্রদর্শন করুন না কেন, ওরা সকল যুক্তি পাস কাটিয়ে বার বার বলতে থাকবে,
সকল প্রশংসা আল্লাহর,
আর সকল
অপরাধ মুজিব,আওয়ামী আর ভারতের ঘাড়ে...।
ওরা জ্বলছে তো জ্বলছেই,ওদের এ জ্বালানী শেষ হওয়ার নয়,
তাই ওদের জ্বলতে দিন, দোষারোপের ঠুনকো পাহাড় বানাতে দিন।
বাস্তবতার মৃদু ছোয়াতেই ওদের ঠুনকো পাহাড় ধ্বসে পড়বে।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

চিকা আর হাছান ভাইকে

যা ধবংস করা হয়েছে তা আবার ফিরিয়ে আনা সহজ ব্যাপের না। পাট শীল্পের জাতীয়করন এর ফলে এর বেসরকারীকরন আপনাদের মুয়া ফুয়াও করে যেতে পারেনি। বরং আর পাট কারখানা বন্ধ করেদিয়েছিল গিতি আরা। আদমজী পাট কারখানা যত টাকা ক্ষতির মুখে ছিল, সেখানে লাভজনক শীল্প প্রতিষ্ঠান ২ বছেরের মধ্যে গড়ে উঠেছিল। আদমজী পাট কলের চেয়ে অনেক বেশী গার্মেন্টস শ্রমিক সেস্থানে কাজ করে। ডিমের আমদানী শীল্পের ক্ষতি করছে দেখেই তো প্রতিবাদ করা হচ্ছে। চিনির কলকারখানার আমুল ক্ষতি হচ্ছে দেখে প্রতিবাদ করা হচ্ছে এবং প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া হবে। খাদ্য দ্রব্যের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বিদেশীদের হাতে বাজার তুলে দেওয়া কতটা যুক্তি সংগত?

শঙ্খচিল's picture

দূটো বাড়তি কথাঃ ইঊসুফ সাহেবকে

"বরং আর পাট কারখানা বন্ধ করেদিয়েছিল গিতি আরা।" ইউসুফবচন
সুত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Adamjee_Jute_Mills
চুম্বক অংশঃ "During the start of 1970s, the polypropylene products start to substitute traditional jute products and the fall of Adamjee Jute Mills start. However, it has managed to survive 1980s with nominal margin. The death of Adamjee Jute Mills started during the 1990s. After a strong battle for survival, Adamjee Jute Mills was officially declared dead in 2002."
সুত্র ২ঃ http://www.guardian.co.uk/business/2002/jul/01/globalrecession
চুম্বক অংশঃ Tears as jute mill shuts with 30,000 job lossesঃ
..."Some economists and independent observers believe it was part of a conspiracy to "destroy the jute industry" by the international lobby aimed at making Bangladesh perpetually dependent on foreign aid. With 3,200 looms situated over an area of 300 acres of land the jute mill had become the largest not only in the then Pakistan but also in Asia.
"The mill has sustained a loss of more than taka 12000m (£150m) in the past 30 years," said Hafizuddin Ahmed, the jute minister. "The nation is simply unable to carry the burden any more".
Weeping workers and their families left the mill area in trucks, pick-ups and rickshaw vans with their belongings yesterday ......

আমার প্রশ্নটি ছিল দেশ স্বাধিনের পর রুগ্ন সব শিল্পের জাতীয়করনকরা হয়েছিল, শুধু পাটশিল্প নয়। সত্য, কিন্তু আদমজির লজ্জাজনক ভাবে ফেল মারার প্রধান কারন "প্রশাসনিক অব্যবস্থা" সর্বমহলের চুরিচামারি আর ১৯৭০ সালের পর পলিস্টার দাপটে, বিশ্ববাজারে পাটদ্রব্যর চাহিদা লোপ। । অব্যবস্থার দায়ভাগ মুজিবকে একলা কেন, বাকি ২১ বছরের তথাকথিত দেশপ্রেমিক "সরকারদের"ও নিতে হবে। ১৯৭৫ সালের পর, পুজিবাদি মুক্তবাজার অর্থনীতির দেশে, অন্য শিল্প গড়ে উঠলেও বেসরকারি খাতে কেন পাট শিল্পের বিকাশ ঘটেনি, সেটা অনুসন্ধান করলেই বুঝা যাবে, শুধুমাত্র মুজিবের পাটশিল্প জাতীয়করন নীতিকে "গালমন্দ" করে বাকিদের দোষ এবং অযোগ্যতাঅ বিশ্ববাজার ব্যবস্থার দায়মুক্তি হয় কিনা।

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

চিকা ভাই আপনি কি বাংলা কম বুঝেন

আমি কখনও বলিনি যে গিতিয়ারা আদমজি বন্ধ করেছেন। আমি বলেছি যে গিতি আরা বেসরকারীকরনের নামে কয়েকটা পাটকল বন্ধ করেছিলেন। যা আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পরে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। দ্বিতীয়ত ফেরাউনের সরকারীকরন প্রক্রিয়াইয় আমাদের পাট শিল্প ধবংস হয়েছে। পলিস্টারে পেচাল পেরে তা ঢাকতে পারবেন না। কারন ভারতের পাট শীল্প ৭১ থেকে ৭৫ সালে ৬০% প্রবৃদ্ধি অর্জ়ন করে। যা প্রমান করে যে পাটের চাহিদা কখনই কম ছিল না।

শঙ্খচিল's picture

ইউসুফ সাহেবঃ বাংলা বুঝিঃ তবে আপনারটা একটু কম

(প্রথমত আপনি আমাকে যতই চিকা সাহেব ডাকেন, আমাকে রাগাতে বা প্রসংগচ্যুত করতে পারবেন না। আপনার মারফতি তর্ক আর ক্লাসিকাল বাংলা বুঝতে আমার অসুবিধার কথা আগের পোস্টেই লিখেছি।")
গীতিয়ারা প্রসংগে বলতে হয়, পাটশিল্পের সবাচাইতে বড়টিকে আপনারা বন্ধ করেছেন সেটা বলাতে, আপনি তার উত্তর না দিয়ে, গীতিয়ারাকে এনেছেন। উনি কিন্তু, বিএনপি সরকারের পুর্বসিদ্ধান্তের ক্রমধারাতেই বাকি এক বা দূটোকে কেটে বাদ দিয়েছেন। আপনাদের নাটকিয় ভাষায় বলতে হয় "গরীবের পেটে লাত্থি মেরেছেন"। এ তর্কে, গীতারাকে এনে আম্পনি একটা ধুম্রজাল তৈরি করতে চেয়েছিলেন, ভাইজান।"
যাহোক, আপনি আইটির লোক অর্থনীতিও আমার চাইতে বেশ ভাল বুঝেন। ্তবু, আমার সাধারন অবজারভেশনগুলো বলিঃ
১।প্রথমত ১৯৭১-১৯৭৫ সালে, ভারত আমাদের মত একটা সম্পুর্ন যুদ্ধ-বিদ্ধস্থ দেশ ছিলনা। ১৯৭০ এর আগে, আমরাই সে শিল্পে তাদের প্রতিযোগি ছিলাম। আমাদের দুর্দিনে, তাদের একচেটিয়া বাজার পাবার কারনে যে, বাড়তি লাভ, সেটার সাথে সমসাময়িক বিশ্ববাজারের পাটের সামগ্রিক চাহিদা কমে যাওয়ার তথ্য বা বাস্তবতা কোন্টিকেই নলিফাই করেনা।
২। ভারতের পর্যাপ্ত আভ্যন্তরিন পুজির কোন অভাব ছিলনা। এছাড়া দেশটী ক্রমধারায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শৃংখলার দেশ। পাকিস্থানের মত মধ্যযুগীয় রাজনীতির কালচারের ইতিহাস ১৯৪৭ এর পর তাদের নাই। ্তাই তাদের শিল্পবিকাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাহোক, ১৯৯৭১ সালে দেশের আদমজি সহ অন্যান্য শিল্প-কারখানার ইনভেস্ট করার মত সরকারি বা বেসরকারি পুজির অভাবটা একবার চিন্তা করেন। কোথায় পেতেন শিপ্লপতি? যুদ্ধে সব হারানর দেশে, পাট সহ সব শিল্পের শ্রমিকদের মিল সরকারিকরন না করার অন্য অর্থ কিন্তু তাদের চাকুরিচ্যুত করা, এদের কোথায় পুনর্বাসন করা যেত? এছাড়া সেই মুহুর্তে আমার দেশের বিদেশি পুজি বিনিয়োগে আসবার কোন কারন বা পরিস্থিতি ছিল? বুভুক্ষদের জন্য পিএল ৪৮০র চাল আশা করেই মুজিবের জীবন গেল।
সেদিন জাতীয়করনীতির ভুল বা সমাজতান্ত্রিক কাঠামোতে দেশ গঠনের ব্যার্থ প্রক্রিয়া, যেনামেই বলেন, সব ত চার বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালেই শেষ। এরপর ২১-৩০ বছর আপনারা এচেটিয়া কেরামতি করেও যখন ফেল মারলেন, আদমজি সহ সব পাটকল বন্ধ করে দিয়া ছাড়া গত্যান্তর দেখলেন না, তখন নিজেদের সীমাহিন ব্যররথতা আর অ্যগ্যতাকে ঢাকতে, ইমেলায় নির্বিকারে "সব দোষ নন্দ ঘোষ" মুজিব? সবাইকে কি আপনি বোকা ভাবেন নাকি?
মাথা গরম করে তর্ক করে, আর কটু কথা বলে আমাকে বিচ্যুত করতে পারবেননা জনাব। মাথা আপনাকে ঘামাতেই হবে তর্ক করতে হলে।

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

চিকা ভাই

আশা করি আপনি রাগবেন না। আমাকে বিভিন্ন নামে ডাকার কারনে আমি কিন্তু রাগি নাই। এগুলো মজা করে বিতর্কে একজন আরেক জনকে ডাকে। আমার কথা হল মুজিব যে ভাবে সরকারি করন করেছেন তার পরে অন্যদের কিছু আর করার ছিল না। বন্ধ বা বিক্রি করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। সরকারিকরনের বিপরীত হল বেসরকারিকরন। গিতি আরা স্বপ্রনদিত হয়ে ৪ টা কারখানা বন্ধ করেছিনে এবং এর জন্য সোমালচিত এবং তিরষ্কৃত হয়ে চাকরি হারিয়েছিলেন। আমাদের সবই মনে আছে। ফালতু পেচাল পেরে অন্য খাতে আলোচনা নিয়ে যেতে পারবেন না। জাতীয়করন করার ফলে কলকারখানা বন্ধ করে নিলামে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। গিতি আরা লাভজনক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছেন। কিন্তু আদমজি কয়েকশত কোটি টাকা বছরে লোকসানে ছিল। তার বদলে নতুন যে শীল্প শুরু হয়েছে আদমজী এর জায়গায় তা ২ বছরে আদমজীর শ্রমশক্তির পরিবর্তে আরও বেশি মানুষের কর্মস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। তাই মানুষে পেটে লাথি মারা হয়নি বরং আরও বেশী মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ কাল প্রতিদিন ২-৩ শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী শাষন আমলের এর চেয়ে আর কি আশা করা যায়।

শঙ্খচিল's picture

মেরাথন বিতর্কের শেষ চক্করঃ ইউসুফ সাহেবকে

আপনার কাছে আমার অনেক কথাই ফালতু পেচাল মনে হতে পারে, সেটা বড় বিস্ময় নয়।আদমজি বিরাট একটা প্রতিষ্ঠান ছিল। দেশ স্বাধিনের পর, সমাজতান্ত্রিক চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে, তাকেও জাতীয়করন করা হয়েছিল অন্যান্য সব প্রটিষ্ঠানের মত। এটিই কি আদমজির ফেল মারার একমাত্র কারন?আমি তর্কে, আরো বিভিন্ন কারন হিসাবে বেসরকারি পুজির অভাব, আদমজিদের মত অবাঙ্গালি ব্যবাস্যিদের দেশ ত্যাগ,সহ অন্যান্য কারন আমি বলেছি, সেগুলো আপনি ধর্তব্যের মধ্যা আনবেন না জেনেও। মুজিবের পরে, "যাদুকরি" বিজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত সরকারগুলোর সীমাহিন চুরিচামারি, প্রশসনিক ও ব্যস্যায়ি বুদ্ধির অভাব বা অনিচ্ছা, রাজণৈতিক কারনে অপ্রয়োজনিয় জনশক্তি নিয়োগ সহ বিশ্বহাজারে পাটের দাম পড়ে যাওয়া আদ্মিজির ফেল মারার কারনগুলির মধ্যে অন্যতম, তা আপনি মানতে নারাজ। তবে, আপনার দেয়া তথ্য মতে, গীতি আরা সরকারি ৪টি "লাভজনক" প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বুঝিয়েছেন যে সরকারিকরন মানেই অলাভজনক প্রকল্প নয়, আর সব কিছুই "বেসরকারিকরন বা বন্ধ করতে হয়না।
অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের খবর জানিনা, তবে আদমজির মত বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য বেসরকারি পুজি কোন্দিন পাওয়া যায় নাই, আজও যেমন তা সত্য, সেদিনের জন্য তা প্রযোজ্য।পুজিবাদি সমাজের যুগস্রস্টা জিয়াউর রহমান এবং সাইফুর রহমান সাহেব্রা মুজিবের এ কুকির্তির দায় ২০০২ সাল পর্যন্ত বয়ে দেশের কোটি টাকার শ্রাদ্ধ করলেন সে প্রশ্নের উত্তর খুজলেই আদমজি্র অনেক রহস্য প্রকাশ হয়ে যাবে। আদমজি ব্যর্থ সেটা আমিও কখনো দ্বিমত করিনাই, তবে কারনগুলো বুঝার চেস্টা করছি। কিন্তু এ ব্যপারে, ১৯৭৫ সালের পরবর্তি ৩৪ বছরে আমার আপনার সব দায় আপনি একচেটিয়া মুজিবের ঘাড়ে চাপিয়ে দিইয়েছেন বলেই আমার আপত্তি আর এ বিতর্কের সুত্রপাত।
একদল "মুজিব অতিভক্ত" যেমন সবখানে মুজিবের স্বপ্ন খুজে, আরেক দল তেমনি ৩৪ বছহর পরো সব কিছুর পিছনে মুজিবের ভুত দেখে। এই দুই দলের জ্ঞান-বুদ্ধি, চিন্তা মেধা আর সাংস্কৃতিক মানের কোন পার্থক্য আছে ইউসুফ সাহেব? আমার কাছে নাই।
ভাল থাকবেন। হসিখুশি আর ঠান্ডা মাথায় থাকবেন। এতে আয়ু বাড়ে।

পঁচাত্তরের হাঁতিয়ার's picture

মারাথন বিতর্ক

আসলে দুইটি জিনিষ সত্য। আদমজি বন্ধ করা একটি ভাল পদক্ষেপ ছিল এবং মুজিবের জাতীয়করন করা ভুল ছিল। আরও একটী সত্য বেসরকারিকরন দেরিতে করার জন্য সব সরকারই দ্বায়ী।

শঙ্খচিল's picture

একটু দম নিয়া লই ইউসুফ সাহেব।

আপনার ব্যতিক্রমধর্মি উত্তর বা কঙ্কলুশনের জন্য ধন্যবাদ। আসলে দুইটা না, গুনে দেখবেন সত্য বলেছেন তিনটা।এরমধ্যে নাম্বার ছাড়াডাও কিন্তু হক কথা।
অনেক দউর ফারলাম ত, একটু জিড়াইয়া লই। হাতে অনেক কাজ।ভাল থাকবেন। শুভ রাত্রি।

farmer's picture

yousuf144, I am worried & taking measures

Yes, I am worried that we cannot even produce enough consumers products including foods, and we are throwing out our hard currency; and thats why, I am doing things, adding some food products into the markets.
bd08, tried to make people "koutipoti" by selling eggs, and it is good time to sell his eggs.

Active forum topics