আমাদের দেশের জাতীয় সংসদটি খুব একটা কার্যকর নয়। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সংসদ সদস্যরা সংসদ বয়কট করে বছরের পর বছর বসে থাকেন। সংসদও অচল হয়ে পড়ে থাকে। যারা সংসদ বয়কট করেন, তাদের যেমন অভিযোগ থাকে, আর যারা সংসদে বসেন তাদেরও দম্ভ থাকে। এবং সেই টানাপোড়নে পড়ে সংসদটা আর কার্যকর থাকে না। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, সংসদে কথা কাটাকাটি হবে, তর্ক-বিতর্ক হবে, মাঝে মাঝে উত্তপ্ত বাক-বিতন্ডা হবে - এটাই স্বাভাবিক।
এই প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়েই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিটি বিষয়ের ৩৬০ ডিগ্রী বিবেচনা হয়। তবেই সেই সংসদের স্বার্থকতা। সংসদ নেতা কিছু একটা বললেন, আর অমনি সবাই বাহ বাহ করে উঠলেন, এটা যেমন ভালো লক্ষণ নয়, আবার মতবিরোধ প্রকাশ করতে গিয়ে সরাসরি গালিগালাজ করাটাও প্রত্যাশিত নয়। মানুষ হিসেবে আমাদের বিভিন্ন রকমের অনুভূতি থাকে। একেক কথায় একেক জনের মনোকষ্ট হতে পারে। আর তাই আমরা সংসদ থেকে দূরে সরে থাকি।
ই-মেলা খুবই সামান্য ক্ষুদ্র একটি ফোরাম। এর থেকেও আরো অনেক বড় ফোরাম রয়েছে, যেগুলো প্রফেশনালী পরিচালিত হয়। কিন্তু ই-মেলা কোন প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান নয়। এটা অনেকটা খোলা আকাশের মতো। কারো এখানে এসে চিৎকার করতে ইচ্ছে করলে করতে পারে, আবার চুপি চুপি বসে থাকতে চাইলেও বসে থাকতে পারে। আমরা খুব সামান্য পরিমান ইন্টার্যাকশনে যাই। সেটুকুও যেতে না হলে, আরো ভালো ছিল। ইন্টারনেটে কারো গলা চেপে ধরাটা আমরা কখনই বিশ্বাস করি না। কিন্তু কেউ কেউ হয়তো এই সুযোগের অপব্যবহার করে ফেলেন। তাই ভুল বুঝাবুঝি হয়, মনোকষ্টের কারণ হয়। এবারো তাই হলো। বিশাল বড় একটা ঝগড়া ধরনের ব্যাপার হয়ে গেলো, যা আমরা কেউ আশা করিনি। এবং সেই ধাক্কায় আমাদের কয়েকজন পুরনো বন্ধু এই ছোট ফোরাম ছেড়ে দূরে অবস্থান করছেন।
বন্ধু হারিয়ে ফেলাটা কষ্টের। তারপর এমন একটিভ সদস্যকে হারিয়ে ফেলাটা আরো কষ্টের। সেই কষ্ট আমাদের বুকেও আছে। আমরা চাই, যারা এভাবে মনোকষ্ট নিয়ে ফোরামের বাইরে আছেন, তারা তাদের মহানুভবতাকে প্রাধান্য দিয়ে পুনরায় ফোরামে ফিরে আসবেন। এবং আমরা যারা এখনও ফোরামে লিখছি, তারা করতালির মাধ্যমে তাদেরকে অভিনন্দন জানাবো। আমাদের এই ছোট সংসদটিকে আরো বেশি প্রানবন্ত করে রাখবো।
সংসদ সচল রাখার জন্য স্পীকারকে যেমন মাঝে মাঝে একটু বেশি ভূমিকা রাখতে হয়, এই ফোরামের এডিটর হিসেবে আমিও তাদেরকে আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন খোলা মন নিয়ে ফোরামে ফিরে আসেন; এবং আগের চেয়েও বেশি প্রানবন্ত হয়ে সবাইকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য তো এমন কিছু নয় যে, আমরা কেউ কারো মুখ দেখবো না; এটা তো এমন নয় যে ঈদের মাঠে কোলাকুলিটুকু পর্যন্ত করবো না! এই খেলা তো এমন নয় যে, আমরা প্রতিপক্ষের পা ভেঙ্গে দিবো! এই খেলা হোক সেই খেলা, যেখানে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় মাঠে পড়ে গেলে হাত বাড়িয়ে তাকে তুলে বুকে টেনে নিবো; তারপর আবার খেলবো। ই-মেলা বুকে সেই স্বপ্ন ধারন করে। এর সাথে জড়িত প্রতিটি সদস্যও একই স্বপ্ন ধারন করে।
আপনারও আপনাদের বন্ধুর হাতটি বাড়িয়ে দিন। একদিন দেখবেন, আমরা এই ছোট ছোট মানুষগুলো অনেক বড় কিছু করে ফেলছি। আমাদেরকে দেখে যদি আরো দশটি মানুষ এগিয়ে আসে, তাহলে তাদেরকে দেখে আরো কয়েকশ মানুষ এগিয়ে আসবে। সমাজ এভাবেই পরিবর্তিত হয়। এই পরিবর্তিত পথ পরিক্রমায় আমরা আমাদের ভূমিকাটুকু পালন করলেই, আমাদের মনের গহীনে মাতৃভূমির জন্য যে ভালোবাসাটুকু জমা আছে, সেটাকে মূল্য দেয়া হবে। এখানে আমাদের উদ্দেশ্য একটাই; আমাদের অনুভূতিও একটাই - সেটা হলো বাংলাদেশ। একে ঘিরেই আমাদের যত কথা। আমরা সবাই এর মঙ্গল চাই, হয়তো পথটি ভিন্ন। আসুন, নাড়ির সেই টানে, আমরা আবার মিলিত হই।
পরিশেষে আরেকটি কথা আবারো বলছি। আমাদের পক্ষে প্রতিদিন প্রতিটি পোষ্টিং খুটিয়ে পড়া সম্ভব নয়। এটা আমাদের অক্ষমতা। তবে এখন যেহেতু ফ্ল্যাগ সিষ্টেম দেয়া হয়েছে, আপনাদের কাছে কোন লেখা আপত্তিকর হলে সেটাকে ফ্ল্যাগ করুন। আমরা অবশ্যই সেটা পড়বো। এর বাইরে অন্য লেখা আমরা পড়ছি না কেন, আমরা পক্ষপাতিত্ব করছি ইত্যাদি বলে আমাদেরকে দোষারোপিত করতে পারেন; তবে কথা ওই একটাই - আমাদের পক্ষে এতো লেখা এডিট করা সম্ভব নয়। এগুলো এডিট করতে গেলে বাড়তি লোক নিয়োগ দিতে হবে। সেটা আমরা এখনও বহন করতে পারছি না। যদি কখনও পারি, তাহলে তো সেটা হলো। যতদিন না সেটা হচ্ছে, ততদিন আমাদের এই অক্ষমতা নিয়েই চলতে হবে। তবে আপনারা যদি ফ্ল্যাগ দিয়ে একটু সহযোগিতা করেন, তাহলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে আসবে। এটা ইতোমধ্যেই বেশ ভালো কাজে দিতে শুরু করেছে :-)
সবাইকে আবারো প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
A trip to remember
It was a drill as usual. Check in for boarding pass, ID check and recheck, proceed to gate for security check, open shoes & belt, take out laptop, empty pockets and then go through highly sophisticated body scanner which can detect any trace of explosive chemicals.
It was San Francisco International Airport’s international terminal where my Virgin America flight took off to New York’s JFK airport on September 5, 2009 at 9 AM. My trip was planned not for me but for my son who wanted to hang out with his many cousins in Manhattan. I have a large family in New York City.
My excitement was not for NYC but for a long desire to meet two of the finest persons, vumihinzamidar and farmer together. My desire came true on my arrival night of September 5 in Jamaica’s Bangladeshi Ghoroa Restaurant. Jamaica is a section in Queens borough of New York City.
I arrived in JFK late afternoon losing 3 hours because of different time zones; United States has four time zones. San Francisco is 3 hours behind New York. We took a bus and arrived in my sibling’s home in Jamaica at 7 PM. I was counting for 9 PM when I would be meeting Vumi and farmer. Vumi was flying from Dallas, Texas for this meeting and was in the air when I arrived. His scheduled landing in JFK was 7:30 PM. He was coming to NYC for one day for this meeting and some errands. What a generous gesture! One has to be very fortunate to have friends like Vumi and farmer. farmer has been living in Brooklyn, NYC for a long time. Both Vumi and farmer are old hands in NYC.
I never met vumihinzamidar before. I arrived in Ghoroa at 9 PM. farmer was waiting outside. I met farmer during my previous trip to NYC. We were outside for about 5 minutes when vumihinzamidar appeared almost out of nowhere. vumihinzamidar never met farmer before. It was really my moment of joy. We shook hands and embraced each other. vumihinzamidar should rename himself as zamidar. He was simply magnanimous. His appearance was like a zamidar and there was glow in him that can make a cruel heart melt. farmer was such a patriot that made me think I must emulate them to make me a better person. We had dinner, a wonderful re-union dinner. Two hours passed like two minutes. I wished I could spend the entire night there. How can I take off from such a momentous get together? But we all live in the world of reality.
At 11 PM we decided to depart. I had to go to see my mother in Bronx and vumihinzamidar had to go to see his cousin and prepare for his next day’s flight back to Dallas. farmer and I took to F train and spent another 25 minutes together. I got off at Jackson Heights station for my connecting train to Bronx. farmer stayed back in the F train for his journey home.
Faces of vumihinzamidar and farmer were in front of me for the entire trip to Bronx. It was a night to remember.
September 9, 2009. I went to Queens to say goodbye to my sister in the evening. My phone rang. It was vumihinzamidar calling from Dallas. He told me that a surprise was waiting for me.
Our e-Mela’s boobytrap was waiting for me in Ghoroa just in case I am still in Queens. I was not in a mood to pass by this rare opportunity. I went to Ghoroa with a little apprehension that I would see a person whom I never met and never knew how he looked like. But boobytrap had a god-gifted talent to recognize persons. He recognized me. It was a meeting of my life. He was such a well known person in the community. He was an absolute joy, a man with a perpetual smile in his face. It looked like he knew every one who came to Ghoroa for dinner. e-Mela has certainly a collection of finest Bangladeshis.
It’s time for me again to say goodbye to boobytrap. He asked me if I could stay until September 12 for a cricket match that he organized with the new generation of 20 something Bangladeshis in Queens. boobytrap is a man multifaceted talents. I had to decline boobytrap offer because I left NYC on September 10, 2009.
It was a trip to remember, for me.
Robin
Carmel, California
September 11, 2009
RH: Thanks
RH, thanks; you have described our good memories in beautiful words.
Parliament
পার্লামেন্ট শুয়রের খোয়াড়, তাই বাক্শাল করে -একে কুকুরের খোয়াড়ে পরিনত করে সবাই এক স্বরে ঘেউ ঘেউ করলে খুব ভাল লাগত।
মতিন ভাইজান
মনের জানালাটা আর একটু খুলেন । ঘড়ে এবং মনে ফ্রেশ এয়ার ঢুকতে দিন ।একটা লম্বা দম নেন । দেখবেন আগের চেয়ে ভালো লাগবে , আর যখন ভালো লাগবে তখন বাইরে তাকান । পৃথিবীটা অনেক সুন্দর । জীবনটা অনেক সুন্দর । এভাবে কতক্ষন থাকার পর আপনার মনেই হবেনা যে ই-মেলায় কোন টাকা পয়সার লেন দেন হয় । আপনী এবং এই আসরের সবাই সুন্দর মনের মানুষ । আমরা সবাই সাদা মনের মানুষ । আমাদের মধ্যে ঝগরা ঝাটি হয় । এই ঝগরা আদর্শের । শুধু এই ই-মেলায় কেন আমার মনে হয়না আপনারা কেউ বাস্তবে বৈষয়িক কোন বিষয়ে ঝগড়া ঝাটির মনমানসিকতা রাখেন । এই টাকা পয়সা লেন দেনের কথা বললে ফোরামকে কেমন জানি কারওয়ান বাজারের কাঁচা বাজার মনে হয় । আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি যে আপনী নিশ্চয়ই কাঁচা বাজারে আড্ডা মারতে চাইবেন না ।
ভালো থাকুন ডিয়ার মতিন ভাই ।
voter সাহেব ...মানুষ নয়
আমি আওয়ামী লীগার ও ১/১১ এর ষড়যন্ত্রকারীদেককে মানুষ মনে করি না, এরা মিথ্যুক। human ক্যাটাগরিতে এরা পড়ে না।
আশা করি বুঝতে পারছেন।
আওয়ামী লীগার মানুষ নয়, এরা আওয়ামী লীগার (নতুন প্রজাতি, মুজিব এদের পিতা, নেতা, পুজা, নবী, খোদা ...)
মানুষ হে, মানুষ কি ?
কোন নিদৃষ্ট রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী হলেই তিনি মানুষ নন, একথা যিনি উচ্চারনে যোগ্য তিনি মানুষরুপী জীব হলেও সভ্য সমাজের সংগায় মানুষরুপী অসভ্য। নরকের কীট নিজামীরা আপনার কাছে মানুষ কি ?
জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবধিকারের ঘোষনাটি দয়া করে পড়ুন আপনার কাছে এটা গ্রহনযোগ্য না হলে, ক্ষ্যামা দিন, আপনি চুলায় যান, আপনি সভ্য এ বিশ্ব সংসারের অংশ নন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
ভোটার ভাইঃ তবে একটা কথা
"মনের জানালাটা আর একটু খুলেন । ঘড়ে এবং মনে ফ্রেশ এয়ার ঢুকতে দিন ।একটা লম্বা দম নেন । দেখবেন আগের চেয়ে ভালো লাগবে , আর যখন ভালো লাগবে তখন বাইরে তাকান ।"
অতীব সত্য কথা যদি যে ঘরে বাস করা হয় তার বাইরে মুক্তবাতাস থাকে। কিন্তু বাসস্থান যদি হাজারবাগের টেনারির পাশে হয়, জানালা খুইলা জোড়ে দম লম্বা নিলে কি অবস্থা বুঝতের পারেন। তাই কিছু মানুষ যারা নিজেরাই এইসব দুর্গন্ধযুক্ত চিন্তাজগতে নিজ ইচ্ছায় বাসবাস করেন, তাদের জানাল বন্ধ থাকাই মন্দের ভাল।
(এই লেখাটিকে রসিকতা হিসাবে নিতে হবে। কেউ স্বপ্রনোদিত হয়ে রাগ করলে লেখকের বলার কিছু নাই)
সম্পাদকের একচক্ষু নীতিই প্রকাশ পেয়েছে
পকেট ব্লগ
মি সম্পাদক,
এই ওপেন লেখার জন্য আমি এটাকে নিরপেক্ষ বলে মনে করছি না।
এখন কেউ যদি বলে আমি চলে গেলাম তবে কি আপনি তাকে নিয়ে আসার জন্য আহবান জানাবেন?
আপনার একচক্ষু ১/১১ প্রীতি নীতি না হলে প্রত্যেকের চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে পৃথক পৃথকভাবে আহবান জানাতে হবে।
ঘটনা যেভাবে ঘটেছে, তাতে ওয়াচ_ডগ চলে যাওয়া কথা বলেচ্ছিলেন, তাকে আসার জন্য অনেকেই ব্যক্তিগত আহবান জানিয়েছিলো, সম্পাদক হিসাবে না হোক, আপনি ব্যক্তিগতভাবেও তাকে আসতে বলতে পারেন । কিন্তু ঘটনা সাক্ষী দিচ্ছে ওয়াচ_ডগ চলে যাবার সাথে সাথে, একটি গ্রুপ বিভিন্ন আইডি উল্লেখ সহ চলে যাবার হুমকী দেয়। তারপরই মি সম্পাদকের এই লেখা। কাজেই এটা কোন যুক্তিতেই নিরপেক্ষ নয়। এখানে সিন্ডিকেট আইডি গ্রুপ রয়েছে এবং সম্পাদক তাতে সায় দিচ্ছে। কাজেই এটাকে মি সম্পাদকের পকেট ব্লগ বলা যেতে পারে।
কাজেই অভিযোগ উঠতেই পারে এই সিন্ডিকেটকে ডেকে আনার জন্য গোপনে কত টাকার লেনদেন হয়েছে।
To All SUSHIL syndicate blogers....
Well come back to aboard!!!
প্রতিটি সকাল হোক এমন শুভ সকাল
ঘুম ভেঙ্গেই ফ্রেশ না হয়ে কমপিউটারের সামনে এসে বসি। এটাই অবশ্য প্রতিদিনের অভ্যাস। (কমপিউটার না থাকলে যে কী হবে!) ফোরামে ঢুকেই মনটা ভালো হয়ে গেলো, পুরনো সব মুখগুলো দেখে। কী অদ্ভুৎ মানুষের অনুভূতি। আইকনগুলো দেখেই মনে হয়, কতদিন ধরে যেন চিনি। এ যেন, বিশ্বাসী নির্ভরতায় ভরা অন্যরকম বন্ধু। এই সম্পর্ক অন্য যেকোন কিছুর চেয়ে অনেক বেশি বড়, অনেক বেশি সন্মানের এবং অনেক বেশি মধুর।
যারা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আবার ফিরে এসেছেন, আমাদের সবাইকে সন্মানিত করেছেন, প্রকৃতি তাদেরকেও সন্মানিত করবে। আমাদের মতো হত-দরীদ্র দেশে ভালো নেতা যেমন তৈরী হচ্ছে না, তেমনি ভালো চিন্তাশীল মানুষও কমে যাচ্ছে। কিন্তু এই ছোট ফোরামে কিছু কিছু জিনিস বাদ দিলে, বাকীটা কিন্তু অনেক চিন্তাশীল। মাঝে মাঝে এমন সুন্দর লেখা চলে আসে, ভাবতেই ভালো লাগে। মনে মনে পরিকল্পনা করছি, ওই লেখাগুলো নিয়ে একটা বই বের করবো।
আপনাদের সবার পদচারনার শব্দ পেয়ে আমার সকালটা যেমন সুন্দর হয়ে উঠেছে, আপনাদের প্রতিদিনের সকালও হোক এমন একটি শুভসকাল। সবশেষে আমার প্রিয় একজন শিল্পির প্রিয় একটি গান আপনাদের সবার জন্য - "দেখা হবে বন্ধু..."
এলো ভোরের ও বাতাস...।
অনেক রাতে ঘরে ফিরেছিলাম। ঘরে ছিলেন একজন অতিথি। তার সাথে সেহেরীতে সঙ্গ দিয়ে বিছানায় যেতে যেতে প্রায় সকাল। এ ধরনের লেট স্লিপিং এর বেলায় স্ত্রী তার সভাব মত প্রত্যুসে ঘুম থেকে উঠে বাইরের কাজ গুলি সেরে যখন ঘরে ফিরে তখনো আমি ঘুমে বিভোর। এ অবস্থায় আমার ঘুম ভাঙ্গাতে সে এক কৌশলের আশ্রয় নেয়। আমার প্রিয় যে কোন বাংলা গানের সিডি খুব উচু শব্দে ছেড়ে দেয়। কাকতলীয় ভাবে আজ যে মুহুর্থে ঘুম ভাঙ্গলো,তখন বাজছিল সত্যিকার অর্থে একটি ঘুম ভাঙ্গানো গান।
ডাকে পাখি খোল আখি,
দেখ সোনালী আকাশ
এলো ভোরের ও বাতাস।।
প্রচন্ড এক ভাল লাগার অনুভুতি নিয়ে কম্পিউটার টেবিলে বসতে এই মধ্য দুপুরেই অনুভুত হলো সত্যিকার অর্থেই হৃদয়ে ভোরের ও বাতাসের এক মৃদু আলোড়ন।
অপুর্ব এক দৃশ্য...
ওয়াচ ডগ,১/১১,সমুদ্ররা ই/মেলার সরোবরে সাতার কেটে বেড়াচ্ছে।
মনটা আরো ভালো হয়ে গেল। সে ভাল লাগার অনুভুতিটি আসলে সহজে ভাষায় প্রকাশের নয়,তাই তাদের উদ্দেশ্যে হৃদয়ের সকল উচ্ছাস নিয়ে শুধুমাত্র সাদর সম্ভাসন দিয়ে বলবো......
ওয়েল কাম ব্যাক টু ইউ অল।
সম্পাদক স্বপন ভাইয়ের অব্যহত প্রচেষ্টা ও এ লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান সাহেব
ভাল লাগল আপনার কাব্যিক উচ্ছাস। সামনে বাংলা গান ছেড়ে ঘুম ভাঙ্গান ভাই ভাবীর রোমান্টিক প্রেম কাহিনী শুনতে চাই। আশা করি নিরাশ হতে হবে না।
সমুদ্র
হাসান সাহেব যে একজন রোমান্টিক মানুষ এ আমি আগে থেকেই জানি।মাঝে মাঝে কাজে ফাঁকি দিয়ে ভাবীর সাথে লং ড্রাইভে বের হয়ে সুইজারল্যান্ডের কোন এক গহীন অরন্যে হারিয়ে যান।আল্পসের লাল পানীয় ঐ সময় নিত্য সঙ্গী হয়ে থাকে।
লাল পানীয়ঃওমর খৈয়ামঃ
১/১১
লাল পানীয় প্রসংগটি রোজার মাসে খুব উচচস্বরে বলা যায়না। তবু বলছি।
প্রিয়তমাকে সাথে নিয়ে গহীন অরন্যে হারিয়ে "লাল পানীয়"র ছিপি খোলা... আহাঃ ভাবতেই "মাতাল" হয়ে যাই...ওমর খৈয়াম কে মনে আছে?
"Khayam, if you are intoxicated with wine, enjoy!
If you are seated with a lover of thine, enjoy!
In the end, the Void the whole world employ
Imagine thou art not, while waiting in line, enjoy!"
Meaning:
"In life devote yourself to joy and love
Behold the beauty of the peaceful dove
Those who live, in the end must all perish
Live as if you are already in heavens above."
শঙ্খচিল
ওমর খৈয়ামের সেই বিখ্যাত কবিতা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।হাসান সাহেবের চেয়ে আপনি ও কিন্তু কম রোমান্টিক নন।
সত্যি মনের মানুষকে নিয়ে এইরকম একটি দৃশ্য কল্পনা করতেই ভাল লাগে।
ভাল থাকুন।
বহু কষ্টে আপনার মত করে আপনার নাম টাইপ করতে পারলাম!
১/১১ কে
আমার নিক "আমার মত" করে টাইপ করতে আমারও জান বের হয়ে যায়......
ব্যক্তিজীবনে আমার প্রিয়তমার সবচাইতে বড় আক্ষেপ লাল পানির প্রতি আমার সব অনুরাগ, সে উপলক্ষ মাত্র। আমি সত্যি খুব বেরসিক প্রেমিক। তাই জীবনে একটাই প্রেম, এবং সেটার দায়দেনাতেই জীবন পার হয়ে যাবে মনে হয়।
ভাল থাকবেন।
চিল ভাই
গান নেই । ভেজাল হয়ে গেছে ।
সরি ।
শঙ্খচিল
এক প্রেমে জীবন পার!এই তো সত্যিকারের প্রেম।আর আপনি হলেন সেই সত্যিকার প্রেমের প্রেমিক।শুভ কামনা রইল।
হাসান সাহেব
আপনার উচ্ছাসের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।কেমন আছেন?
নেশার লাটি ঝিম ধরেছে - WD
চীনা বিপ্লবের পূরোধা মাও সে তুং বেচে থাকলে কথাটা নতুন করে বলতে পারতেন কিনা জানা নেই, কিন্তূ এক সময় তিনি বলেছিলেন, পূজিবাদী সমাজব্যবস্থায় পার্লামেন্ট হচ্ছে শুয়রের খোয়াড় এবং এই খোয়াড়ের বাসিন্দারা হচ্ছে নির্ভেজাল শুয়োর। পৃথিবীর অন্য দেশের কথা বলতে পারব না, কিন্তূ বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বহুদলীয় পার্লামেন্টকে যদি এমন একটা বিশেষনে ভূষিত করা হয় খুব একটা অন্যায় হবে বলে মনে করিনা। প্রাসংগিক সূত্রে ই-মেলার এই ছোট আসরকে একই সমান্তরালে আনতে চাইনা কারন পার্লামেন্টের সাথে এ আসরের রয়ে গেছে মৌলিক একটা তফাৎ, এখানে সবাই শিক্ষিত। তবে একটা সত্য চাইলেও এড়ানো যাবে না, শুয়োর সব সময় শুয়োরই থেকে যায়, যে ভাবেই তাকে শিক্ষিত করা হোক না কেন।
আমি কোন লেখক নই। লেখা আমার পেশা নয়, নেশা। নেশা মানুষকে পারিপার্শ্বিক বাস্তবতা হতে এমন এক অপার্থিব জগতে নিয়ে যায় যেখানে ভাল-মন্দের যাচাই সব সময় সমান কাজ করবে তার কোন বাধ্যা বাধ্যকতা নেই। নেশা মানেই মরন দশা, এ দশা মানুষকে বার বার একই বৃত্তে চুম্বকের মত টানতে থাকে। আমার জন্যে ই-মেলা এমনই এক নেশা, যা চাইলেও সংশোধন করা যায় না। এ আসর ছেড়ে কারও চলে যাওয়া অথবা ফিরে আসা বিশেষ কোন ঘটনা হতে পারে না, এ একান্তই যার যার নিজস্ব পছন্দ।
আমি মনে প্রানে বিশ্বাষ করি এটা উন্মুক্ত ফোরাম হলেও একদল বুনো শুয়োরের উন্মুক্ত চারনভূমি নয়।
সবাইকে ধন্যবাদ।
Parliament
পার্লামেন্ট শুয়রের খোয়াড়, তাই বাক্শাল করে -একে কুকুরের খোয়াড়ে পরিনত করে সবাই এক স্বরে ঘেউ ঘেউ করলে খুব ভাল লাগত।
শুয়োরের মুখ থেকে যা বের হয় ...??
১/১১ এর শুযোরের মুখ থেকে এক গাদা দুর্গন্ধযুক্ত মিথ্যাচার নির্গত হয়েচ্ছিলো, কামাল গং এর ছিলো ১/১১ এর শুয়োরের খামার, এখন মঈনেরা আমেরিকায় মুখ লুকিয়ে, পায়ুপথে আওয়ামী দুর্গন্ধ ছড়িয়ে তেলাপোকার মত বেচে আছে। এই সব গংদের আবার পেশায় কি আর নেশায় কি> দেখাই তো গেলো তেলাপোকার মত ঝাক ধরে আসে।
এই matin..........
তোর আর ক্ষ্যাপা নম্বর১৪৪ এর কথা থেকে এত দুর্গন্ধ বের হয় কেনরে? তোরা কি এক ডাষ্টবিনে ঘুমাস নাকি?
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Watch Dog k
We can change our Parliament, its not hard.
We can keep staying with PM, some day they will do the right things.
They should understand and they will.
cooldrink: Hope you believe in recarnation!
Everything is possible, oneday, the PM will understand; oneday, Khaleda will understand, everything is possible; but does not look like, it will happen in this life, you have to believe in recarnation. But the believers of recarnation believe that those who already did bad things in this life, next time they will born as animals.
ভাই অভিনন্দন জানাই ফিরে আসার জন্য
আসা করি আগের মত সে বস্তপচা পেচাল বাদ দিয়ে দেশের স্বার্থে লেখা শুরু করবেন। বাকশালের পক্ষে সাফাই গাওয়া যখন শুরু করেছিলেন আপনার প্রতি অল্প যতটুকু সম্মান ছিল তাও চলে গেছে। বাস্তবতা এটাই পূজীবাদি এবং সাম্যবাদি কোন সমাজ পৃথীবিতে টিকে থাকতে পারবে না। দুটার মিশ্রনে বাস্তবতার নিড়িখে একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
হে ইউসুফ
*** edited ***
শান্তি চাই, শান্তি :-) - সম্পাদক
এডিটর ও ফোরামের অন্যান্য ব্লগারদের কাছে প্রশ্ন............
ইউসুফ লিখেছেন:
ভাই অভিনন্দন জানাই ফিরে আসার জন্য........।
তার ঊত্তরে ওয়ান ইলেভেন যা লিখেছিলেন তা মোটামুটি এরকম:
গ্যাংলিডারের অভিনন্দন পাত্তা দেই না....!!!
বদমায়েশরা ফোরামটাকে দুইভাগ করেছে.....!!!
এখন থেকে ইউসুফ গ্যাং একদল আর বাকী সবাই একদল....!!!
প্রিয় এডিটর ও ফোরামের অন্যান্য ব্লগারদের কাছে প্রশ্ন, যারা ফোরাম ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তারা কি মন মানসিকতা নিয়ে ফিরে এসেছে অনুমান করতে পারেন.................?????????
কামরাঙ্গা গাছের গোরায় যতই চিনি ঢালুন না কেন সে গাছে কখনোই আপেল ধরবে না........ :( :(
সম্পাদকীয় নোট:
আপনার লেখাটি পোষ্ট করার আগেই আমরা ওই পোষ্টটি এডিট করে দিয়েছি। আপনি হয়তো সেটা খেয়াল করেছেন। আপনি যেহেতু বিষয়টি আবারো তুলছেন, তাই আপনার প্রতি সন্মান দেখিয়ে আমরা কিছুটা সময়ের জন্য এই মন্তব্যটি রাখছি। আমরা আশা করবো, একটি পারস্পরিক সহবস্থানের পরিবেশ তৈরী হবে।
betrayed bhaijan
আমার যন্ত্রপাতি গুলা ঠিক আছে ত? আপনী চিন্তা কইরেন না র্যাব পুলিশ আমারে ধরে ক্রস ফয়ারে নিলেও আমার অস্র ভান্ডারের ঠিকানা কমু না । আপনী আমাগো দলের না । তারপরেও আপনার কাছে আমার মালছামানা আমানত রাখছি । বিশ্বাসের দাম রাইখ্যেন , না হইলে আপনার নাম খরচা খাতায় উইট্টা যাইবো । যাই ভাই ফজর নামাজটা আদায় করি ।
ভোটার: সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ....।
ফোরাম মেম্বারদের উদ্দেশ্যে আপনার খুব সুন্দর একটা লেখা পড়লাম|
মিয়া ডাকাত সাইজা ফোরামে ঠুকছেন, আসলেতো আপনে ভাল মানুষ| ভয়ই পাইছিলাম আপনারে নিয়া|
আর যন্ত্রপাতি সব ঠিক আছে, দেইখ্যা শুইন্যা রাখছি| তয় ক্রশ ফায়ারের ভয়ে আবার আমার নাম কইয়া দিয়েন না|
ভাই, ফোরামের তো ভাব ভালা না, একদিন শুনি হিন্দু-মুসলিম রায়ট, এখন আবার ইউসুফ গ্যাং আর "ওরা ১১ জন ছিনতাইকারী" গ্রুপ !!!আমি ভাই সাইজে কিন্তু পুরা রবিউল মার্কা|
আমি লুঙ্গি কাছা মাইরা রেডি, যেই হুনমো নারায়ে তাকবীর বা জয় বাংলা, দিমুনে ঝাইড়া দৌড়................
আর যদি বাটে পইরা যাই, আপনেতো আছেনই............. :):)
সম্পাদকীয় নোট:
আপনার মন্তব্যটি পড়ে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাওয়ার যোগাঢ় হয়েছে। আমার এক সহকর্মী এসে জিজ্ঞেস করছে, আমি এমন হো হো করে হাসছি কেন? ভাই, আপনার রসবোধ অসাধারন। ধন্যবাদ, এই সরল হাসি উপহার দেয়ার জন্য।