"সাকা" একটি পশুর নাম ( শেষ পর্ব)

আজ এই লেখার শেষ পর্ব লিখছি। এই পর্বে আমি আমার চিন্তাগুলোকেই মূলত প্রাধান্য ও তা বলবার চেষ্টা করেছি । গত পাঁচটি পর্বে আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি সালাউদ্দিন কাদের নামের পশুটির আসল মুখোশটি আপনাদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরতে । ফেইসবুকে ও ই-মেইলে প্রতিদিন গড়ে বিশটিরও বেশী মেইল পাই । কেউ গালিদেন । কেউ হুমকি দেন । কেউ প্রশংসা করেন । কেউ সাহস দেন । আমি দূর্ভাগ্যজনক ভাবে আবেগপ্রবণ মানুষ । কেউ গাল কিংবা হুমকি দিলেও আপ্লুত হই, কেউ প্রশংসা করলেও আপ্লুত হই । ঠিক হিসেব করে বলতে না পারলেও এই লেখাটি লিখতে গিয়ে আমাকে অনেক মানুষ তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছেন , কেউ সরাসরি গল্প করেছেন, বলেছেন তার কথা । ফেইসবুক মেইলে কেউবা তার অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন , কেউবা পাঠিয়েছেন বিভিন্ন সংবাদ পত্রের থেকে নেয়া তথ্য । এত মানুষের এই অংশগ্রহনে আমি সত্যকার অর্থেই নতুন করে স্বপ্ন দেখি , একদিন আমাদের দেশটি রাজাকার মুক্ত হবে, সাকা নামের পশু মুক্ত হবে । এতসব মানুষদের এই পাশে থাকা আমাকে ভুলিয়ে দেয় বিভিন্ন মেইলে আসা অজস্র বানান ভুলে পাঠানো হুমকি । জানিনা আপ্নারা কতটুকু জানলেন কিংবা কতটুকু মনে রাখলেন,কিন্তু আমার উদ্দেশ্য ছিলো একটাই । এই পশুটির সম্পর্কে যেন মানুষ জানে । এই পশুটিকে যেন মানুষ ঘৃণা করতে শিখেন । তবেই রাত জাগা আমার এই ক্লান্ত শ্রমটি স্বার্থক হয়েছে বলে মনে করে নিব । সবচাইতে বড় ধন্যবাদ পাঠকদের । যারা আমার এই লেখা পড়েছেন, মন্তব্য করেছেন,পরামর্শ দিয়েছেন এবং যাদের পাশে পেয়ে এই লেখাটি আমি শেষ করতে পেরেছি ।
*******************************************************************************************************

৫ম পর্বের পর

বাংলাদেশের মত একটি দেশে যদি এই হয় কোন একজন ব্যাক্তির যোগাযোগের দৌড়, এই যদি হয় ক্ষমতা, তাহলে একটি মানুষের অন্য কোন ক্ষমতার প্রদর্শন আদৌ কি কোন দরাকারী হয়ে উঠতে পারে ? আপনি আমার সব গুলো সিরিজ পড়ে সাকা কে গালি দিচ্ছেন ? আপনি মনে করছেন সাকা কত খারাপ, কত বিভতস !! প্রিয় পাঠক এই কথা গুলো সাকার জন্য অবশ্যই সত্য এবং যথোপযুক্ত ।তাতে কোন সন্দেহ নেই । কিন্তু আপনারা কি একবারও চিন্তা করে দেখেছেন এই ক্ষমতার অধিকারী তাকে প্রতিটিদিন কে বানাচ্ছে ? আই এস আই ? দাউদ ইব্রাহীম ? মার্কিন গোয়েন্দারা ? আমার আগের পাঁচটি পর্বের সূত্র ধরে অনেক কিছুই বলা যায় এবং ধারনাও করা যায় । সাকা বিদেশী শক্তির আশীর্বাদপুষ্ট এই কথা সত্য কিন্তু এই আশীর্বাদ তার দেশের শক্তির মাপকাঠিতেই বিবেচ্য হয়ে তার উপর বর্তাচ্ছে । যে লোক ১৯৭১ সালে শত শত মানুষ খুন করলো, সে শাস্তি কি পেল ? সে শাস্তি পেলো কাদের চৌধুরী শিপিং মিলের লাইসেন্স । সরকারের চোখের উপর দিয়ে চলে গেলো পাকিস্তান ( সেখান থেকে লন্ডন) । তার পুরো পরিবারকে কোন রকমের কাঠগড়াতে দাঁড়াতে হয়নি কখনোই ।ফজলুল কাদের যদি জেল হাজতে হার্ট এটাকে না মারা যেত , তাহলে নিশ্চিত ভাবে বলা যায়, তার জন্য অপেক্ষা করছিলো, বংগবন্ধুর সেই বিখ্যাত ক্ষমা । যে ক্ষমাকারী হিসেবে তিনি মহিমান্বিত । যেখানে বংগবন্ধুর আমলেই কিউসি শিপিং লাইসেন্স পায়, গিয়াসুদ্দিন কাদের , জামালুদ্দিন কাদের বেঁচে বর্তে খায় সেখানে বন্ধুবরেষু ফজলুল কাদের ক্ষমা পেত না, তা আমি কল্পনাও করি না ।

সাকা, বেগম খালেদা জিয়া ওরফে পুতুল ম্যাডামকে কে কুকুর বলে ডাক দিয়ে উঠলেন । বিনিময়ে কি পেলেন ? বিরোধী দলীয় উপনেতার মর্যাদা , পেল ব্যাবসা করবার লাইসেন্স ,পেলো অর্থ,পেলো সম্পদ, সর্বোপরি পেলো ও আই সি’র প্রধান হবার মনোনয়ন । তাহলে আমি আর আপনি মিলে সারা রাত জেগে আবাল চোদের মত সাকাকে কেন গালি দিব ? কেন তার গুষ্টি উদ্ধার করব ? কেন এই গ্লানি আমি আর আপনিই শুধু বহন করে শুধু শুধু সিক্ত হব ? সেবার যদি জনগণ জেগে না উঠত, আন্তর্জাতিক ভাবে যদি সাকার কু-কীর্তি গুলো না প্রকাশ করত, তাহলে হয়ত একমেলদিন এহসানগ্লু’র বদলে সাকা নামের পশুর নামটি শোনা যেত । সেক্ষেত্রে সাকার ক্ষমতার পালকে যুক্ত হতো আরো একটি অধ্যায় । দাম্ভিক কথাগুলোর তুবড়ি ছুটত ঐ বিষ্পাষ্পীয় মুখে ।

আর শেখ হাসিনা ? কি করল শেখ হাসিনা সাকার বিরুদ্ধে ? টেলিভিশনের পর্দায় দেখতে পেলাম, সাকা ওয়াজেদ মিয়ার সোনা বিষয়ক ওয়াজ করলো, হাসিনাকে পরামর্শ দিলো । পুরো দেশ সাকার প্রতি ছি ছি করল । ছাত্র লীগের ছেলেরা, যুব লীগের ছেলেরা, শ্রমিক লীগের ছেলেরা কয়েকদিন বেশ উত্তপ্ত থাকলেন । “সাকার জিব ছিড়ে ফেলা হবে” “সাকাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে” “সাকাকে ক্ষমতায় গেলে দেখে নেয়া হবে” ইত্যাদি…ইত্যাদি । ফলাফল কি হলো ? ঘটনার ঠিক তিনদিন পর সাকা ও তার স্ত্রী ফারাহ কাদের চৌধুরী পূত্র হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বিয়ের দাওয়াত পত্র নিয়ে গেলো সুধা সধনে । নাহ্, কোন বাঁধা বিপত্তি ছাড়াই সাকাচৌ সুধা সদনে প্রবেশ করে । আবার বের হয়ে আসবার সময় টিভিতে সাকা তার বাঁকা মুখে সে খবর আমাদের মত হা হু করে মরা ছাগল পাবলিক কে জানায় । এও বলে গর্ব ভরে, “ আমি আমার বোনের বাসায় আসব না ?” তাইতো !! সাকাচৌ তার বোন হাসিনার বাসায় আসবে, কোক খাবে,ফান্টা খাবে,এসি’র পলকা বাতাসে শরীর জুড়াবে, গল্প করবে, হাসি-তামাশা করবে , তাতে আমাদের কি এসে যায় ?

কি এসে যায় হাসিনার যখন নিরীহ ছাত্রগুলো এই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় ? কি এসে যায় হাসিনার যখন সবাই এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ভদ্রমহিলার জন্য দুঃখ পান ? কি এসে যায় হাসিনার যখন লন্ডনের ব্রিকলেইন, টয়েনবী হলে আনোরুজ্জামান’রা হাজার হাজার পাউন্ড খরচ করে প্রতিবাদ সভা করে ? কি এসে যায় বোকা শেখ হাসিনার , বোকা পাবলিক কে আরো খানিকটা বাকহীন করে দিলে? কিছুই না জনাব । কিছুই না । সাকাচৌ আজকে খালেদাকে খানিক মাগী বলবে, কালকে বলবে হাসিনাকে, পরের দিন কুত্তার বাচ্চা বলবে সুরঞ্জিতকে,মওদুদকে,পরশু বলবে মির্জা আব্বাসকে, সৈয়দ আশ্রাফুলকে । কি হবে তাতে ? পরের দিন টিভির পর্দায় আপ্নারা নিশ্চিত দেখবেন আব্বাস-সাকা ভাই ভাই, মওদুদ-সাকা ভাই ভাই, হাসিনা-সাকা ভাই বোন, খালেদা –সাকা কাছের লোক, আশরাফুল – সাকা মামা ভাইগনা । আমি নিঝুম মজুমদার আজকে একটা গালি দেই, আপনি মলিকিউল,নরকের প্রহরী,অলৌকিক,কাওছার, একটা গালি দেন , দেখবেন কিভাবে আপনাকে খুঁজে বের করা হয় । আপনার আর আমার বাপের শ্রাদ্ধ এরা কিভাবে করে । শুধু সাকাকে কিছু করার মুরোদ নেই । কথায় কথায় আমাদের ব্যারিস্টার মওদুদ সাহেব মান হানির মামলার জুজু দেখান । অথচ, টিভির পর্দায় সারা দেশের কাছে বেঈমান,অকৃতজ্ঞ,সুবিধাবাদী,প্রতারক এইসব বিশেষনে বিশেষিত হয়েও সাকার নামে কোন মান হানির মামলা হয় না । করতে হয় না কোন জবাবদিহি ।

আর মামলার কথা বলাও হাস্যকর । যেখানে সাকা আদালতে দাঁড়িয়ে বলে, “আমি রাজাকার । এখন কে কোন বাল ফালাবে”, যখন নির্বাচন কমিশনের মত একটি অর্গান কে “কেরাণী” নামে সম্বোধন করবার পরও আইন আদালত কিছু করেনা , তখন এই চুনোপুঁটি আমি পাবলিক আর কিই বা করতে পারি ? কিই বা বলতে পারি । বরং আমাকে কন্টেম্পট অফ কোর্টে জড়িয়ে দিবে ডিজিটাল সরকার ।

সাকার কথাই সত্য মনে হয়, যখন সে বলেছিলো, “এই আইন আমার কি করবে ? বাংলাদেশের সব আইন আমার হাতেই করা”

একজন আইনের ছাত্র হয়ে আমি প্রচন্ড লজ্জা পাই । সর্বাগ্রে নুয়ে পড়া এই আমি কিই বা বলতে পারি ? আইনের প্রতি এ আমার অবোধ সমর্পণ । হে আইন তুমি মোরে করেছ মহান । তুমি মোরে দিয়াছ পাবলিকের সম্মান ।

কিছুদিন আগে শোনা গেলো সাকার নামে তার ভাই গিয়াসুদ্দিন কাদের,সাইফুদ্দিন কাদের ,জামালুদ্দিন কাদের মামলা করেছে । সাথে একসময় যোগ দিয়েছিলো সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান । সালমানের এক সময়কার জিগিরি বন্ধু সাকা, শুনেছি সাকার নামে মামলা উঠিয়ে নিয়েছে । সাকা আর সালমান এক হয়ে গিকা আর সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মোকাবেলা করছে । আবার মিল হয়ে যাচ্ছে পর্দার আড়ালে । ১৯৯১ সালের সাকার আরেক নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দী এবং পরম শত্রু এ বি এম ফজলে করিমকেও সাকা কাজে লাগাচ্ছে তার ভাই গিয়াসুদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিপক্ষে । গিয়াসুদ্দিনকে বি এন পি ছাড়া করবার জন্য তোড় জোড় শুরু হয়েছে । সাকা তার অস্ত্র, লোকবল, গোলা বারুদ নিয়ে তৈরী হচ্ছে তার মানুষ মারবার খেলায় । সাকার পাশে অতি নির্দ্বিধায় যুক্ত হয়েছে চট্রগ্রামের আরেক দূর্নীতিবাজ মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন । যোগ দিবেই না কেন ? এন ডি পি’র সহ সভাপতি আবু বকর সিদ্দীকির স্ত্রীকে উঠিয়ে আনবার সময় সাকাই ছিলো মহিউদ্দিনের পরম বন্ধু । কাছের মানুষ । প্রথম স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার ভেতরের গল্পটিও সাকার অজানা নয় হয়ত । সুতরাং সাকাকে সাহায্য করাটাই মহিউদ্দিনের মত তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধার ব্রত ,আমরা তাই বরং মেনে নেই । এতেই নিহিত আছে উত্তম ।

সাকার ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী(হুকাচৌ) পরবর্তী নির্বাচনে রাউজান থেকে নির্বাচন করবে । এটা বেশ নিশ্চিত সংবাদ । এভাবেই মূলত চলবে । বাবার অবৈধ টাকায় লন্ডন আমেরিকায় ফূর্তি করে বেড়ানো হুম্মাম । সোনারগাঁতে এক রাতে লক্ষ টাকা ঊরিয়ে দেয়া হুকাচৌ একসময় বাবার পশুত্বের হাল ধরবে, এই খবরে আমি একজন বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে অবাক হই না । আমি আতঙ্কিত হই না । আমি চিন্তাও করি না । কেবল কষ্ট হয় চট্রগ্রামের মানুষগুলোর ভাগ্য দেখে । এদের ভাগ্যে কেবল লেখা থাকে সাকা, গিকা,আর হুকা ।

বাংলাদেশে রাজাকারদের বিচার হবে না । আমার ক্ষুদ্র রাজনৈতিক আর সামাজিক জ্ঞান দিয়ে আমি তা খুব সহজেই এই কথাগুলো অনুমান করতে পারি ।যদি হয়ও কাদের মোল্লা,মুজাহিদদের কয়েকদিন দৌড়ের উপর থাকতে হবে । আবার বি এন পি ক্ষমতায় আসলে সব ঠিক । শুধু সাকা’র কিছু হবে না । তার অর্থ, ক্ষমতা,বিত্ত,সম্পদ তাকে খোলসের মত আবৃত করে রাখবে । এটাই সম্ভবত নিয়ম ।

এই বাংলাদেশে সাকা বেঁচে থাকবে । সাকার সন্তান আসবে,তার পরে সে সন্তানের ঘরে জন্ম নেয়া সন্তান আসবে , এভাবে চলতে থাকবে । নুতন চন্দ্র সিংহ,দয়াল হরি চন্দ্র, শহীদ হানিফ, ড.সানাউল্লাহ, শহীদ ফারুকদের আত্মা হয়ত আমাদের কোনদিন অভিশাপ দিবেন না । কোনদিন ওই নাম না জানা ঘুমের দেশ থেকে কেউ বেদনার কিংবা হতাশার দীর্ঘঃশ্বাসও ফেলবেন না । এই ক্ষয়ে যাওয়া দেশটিকে নিয়ে হয়তবা ঘুমিয়ে যাওয়া আত্মারাও আর তাদের ঘুম ভেঙ্গে আশায় দ্বিগিদ্বিক হন না , এই মেরুদন্ডহীন মানুষ গুলোর অক্ষমতা হয়ত তাদের জানা আছে ।

এতসব হতাশার পরেও স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে । মনে হয় কল্পনা করি । রাউজানের মানুষ,ফটিকছড়ির মানুষ,রাঙ্গুনিয়ার মানুষ কোন একদিন হয়ত বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে । কোন একদিন হয়ত কেউ একজন এগিয়ে এসে এইসব অন্যায় আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলবে । গুলি খাবে, উঠে দাঁড়াবে,আবার গুলি খাবে , উঠে দাঁড়াবে । এইরকম হতে হতেই একদিন, সাকা নামের পশুটিকে এইসব জনগণই কুকুর আর শকুনের খাদ্য করে তুলবে ।

আজকাল এই আশাতেই থাকি । তীর্থের কাকের মতন । প্রতীক্ষায় । অপেক্ষায় ।

TIGER71's picture

ব্রাদার নিঝুম মজুমদার ০০০০০

আপনার লেখা মনযোগ দিয়ে পড়লাম। বেশ তথ্য মূলক, সন্দেহ নাই। এই রকম দীর্ঘ এবং তথ্য-মূলক লেখার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। বিশেষত অনেক পুরাতন কথা মনে করিয়ে দেবার জন্য।
সত্য সেলুকাস, কি অদ্ভুত এই বাংলাদেশ আর তার রাজনীতি।
ভাল থাকুন।

শঙ্খচিল's picture

tiger৭১ কেঃ সম্পুর্ন অপ্রাসংগিক প্রশ্ন

আপনার আইডির বাঘটি অবিকল আমার বাড়ির পাশের ইউনিভার্সিটির লোগোর মত। ব্যাপারটা কি কাকতালীয়? অহেতুক কিউরিসিটি!!

TIGER71's picture

শঙ্ঘচিল কেঃ অপ্রাসংগিক প্রশ্ন সম্প্রর্কে ০০০

ভাই শঙ্ঘচিল,

আমার পূর্বতন নাম ছিল টাইগার। আইডি ছিল একটি রয়েল টাইগার যা বর্তমানে বাংলাদেশ২১ ব্যবহার করছেন।
এক সময়ের এই ম্যসেজ বোর্ডের অশ্লিলতায় বিরক্ত হয়ে (যা আপনারও মনে থাকার কথা) মেসেজ বোর্ড ছেড়ে দেই। কিছুটা বিরত্তি দিয়ে ফিরে এসে ভাবলাম, পুরাতনকে ফেলে নতুন ভাবেই কেন শুরু করি না। সেই ভেবেই, টাইগার থেকে টাইগার৭১ নাম নিয়ে এবং নতুন আইডি নিয়ে আমার উপস্থিতি। ব্যাপারটা এর বাইরে আর কিছু নয়।

আর হ্যা, আইডিটা, আপনার পাশের ইউনিভার্সিটির লেগো থেকেই মেরে দিয়েছি।

ভাল থাকুন।

শঙ্খচিল's picture

Tiger71

আপনার বিস্তারিত ব্যক্ষার জন্য ধন্যবাদ (যদিও আমার কাছে তার দরকার ছিলনা)।
আমার ঠিকানা জেনে গেলেন, এবার বেড়াতে আসুন!!

TIGER71's picture

শঙ্ঘচিল

আমন্ত্রনের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
একই সাথে আপনাকেও আমন্ত্রন জানাচ্ছি, সুন্দর নৈসর্গিক সবুজ এই অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন অঞ্চলে বেড়াতে আসার জন্য।