হরতাল সর্বাত্মকভাবে সফল করার আহবান জানাচ্ছি। এ হরতাল আসলেই অন্যরকম। মডেল পিএসসি ২০০৮ এর আলোকে জনদরদী আওয়ামী লীগ সরকার যেসব শর্তে দুই বহুজাতিক কোম্পানীকে সমুদ্রবক্ষে গ্যাস অনুসন্ধানের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন তা ভয়াবহের থেকেও ভয়াবহ। ভূমিকা না করে আমি তথ্যগুলি জানাচ্ছি।
১. মডেল পিএসসি ২০০৮ অনুযায়ী সমুদ্রবক্ষে প্রাপ্ত গ্যাসের ৫৭ শতাংশ গ্যাস কোম্পানীর রিকভারী কস্ট হিসেবে গণ্য হবে।
২.বাকী গ্যাসের শতকরা ৮০ ভাগ মুনাফার অংশ হিসেবে পাবে কোম্পানী, সর্বোচ্চ ২০ ভাগ পাবে বাংলাদেশ। লক্ষ করুন, ২০ ভাগ কিন্ত মোট গ্যাস থেকে নয়। অর্থাত আমরা পাব মোট গ্যাসের মাত্র সাড়ে আট শতাংশ। কোম্পানী চাইলে ৮০ ভাগের পুরোটই রপ্তানী করতে পারবে( ওটা আসলে ৮০ ভাগ নয়, সাড়ে একানব্বই ভাগ)
৩. আমাদের ভাগের সাড়ে আট শতাংশ নিজেদের কাজে লাগানো অর্থাত সমুদ্র থেকে গ্যাস স্থলভাগে পরিবহনের খরচ আমাদেরই বহন করতে হবে। যে খরচ প্রাপ্ত গ্যাসের থেকেও কয়েকগুণ বেশি হওয়ার কথা।
পরিসংখ্যান আর দেয়া দরকার মনে করছি না। এই চুক্তি বাতিলের স্বপক্ষের যুকতই হিসেবে এ কটিই যথেষ্ট বিবেচনা করছি।
সরকার এবং তার কতিপয় মূর্খ মন্ত্রী (যারা এই চুক্তি জনসমক্ষে প্রকাশে ভয় পায়) চেষ্টা করছেন তারা নিজেরা ও কয়েকজন ভাড়াটে বুদ্ধজীবী (যেমন আহমদ মুসা) দিয়ে নানা ধরণের গোজামিল তত্ব দিয়ে নিজেদের জায়েজ করা। কিন্ত এরকম একটি চুক্তি করে তা কি আদৌ সম্ভব। ওই শর্তগুলি কিন্তু আমার বানানো নয়, কাগজে লেখা আছে।
কর্পোরেট হালুয়া-রুটি যে আজকাল বহু মালের কপালে জোটে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। আর একদিন হরতাল না করেই মনে হয় তারা দেশকে উন্নতি দিয়ে ফাটিয়ে ফেলবেন! দুবৃত্ত রাজনীতিবিদ আর শোষক বহুজাতিক এসব গাধা মনের সুখে চরাবেন না তো কি আঙ্গুল চুষবেন? কয়েক বছর আগের কথা আলাদা, কিন্তু সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অভিজ্ঞতায় কে না জানে যে জাতীয় সম্পদ আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সে সম্পদ বোঝা হয়ে যায়। নাইজেরিয়া তার জলন্ত উদাহরণ। আবার ভেনেজুয়েলা বা বলিভিয়ার উদাহরণও আছে, যারা সাম্রাজ্যবাদ ও বহুজাতিককে ঝেটিয়ে তাড়িয়েছে। এখন সেসব দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মানের আমুল পরিবর্তন ঘটেছে। অনেক সংগ্রাম-অবরোধ করেই সেটা হয়েছে, পাকা ফল গাছ থেকে টুপ করে পড়ল আর খেলাম; ব্যাপারটা মোটেও এমন হয়।
কিন্ত আমাদের শিক্ষিত সমাজ জাতির ভাগ্য বদল নয় বরং বহুজাতিকের হালুয়া-রুটির ভাগের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন দেখা যাচ্ছে!
কে কি কবে কোথায়
আমি হরতালের বিরুদ্ধে কখনই কোন কিছু বলিনি। বলেছি লগি বৈঠা এবং বাসে আগুন লাগিয়ে মানুষ মারা বিরুদ্ধে।
গ্যাংলিডার
আপনি হরতালের বিরুদ্ধে কিছু বলবেন কি করে?আপনি নিজেই তো একজন হরতালবাজ!চিন্তা করে দেখুন হরতাল ছাড়া কিন্তু লগি বৈঠা এবং বাসে আগুন দেওয়া হয়নি।আপনি হরতাল সমর্থক অথচ লগি বৈঠা আর আগুন বিরোধী।ব্যাপারটা স্ববিরোধী হয়ে গেল না?
মেরে ফেলার নীল নক্সায় ব্যস্ত আওয়ামী লীগ
আনু মোহাম্মাদকে মেরে ফেলার নীল নক্সায় ব্যস্ত আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী পান্ডারা প্রতিটি ব্লগ কিনে নিয়েছে এবং হরতালের বিপক্ষে জোর মিডিয়া প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই সব বিদেশী দালালদের ধরে ধরে রাস্তায় টেনে আনুন। সমুদ্র ব্লক বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার অপরাধে হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলার প্রস্তুতি চলছে ... দেশ এক চরম ক্রান্তিকালে পতিত...মঈন, ফকুরুদ্দিন, হাসিনা গং মীরজাফরের প্রেতাত্মা... বাংলাদেশকে মুলত পরিচালনা করছে ভারত
মতিন কেঃ ভয় পাবার কারন নেই ০০০
মতিন সাহেব, ভয় পাবার কোন কারন নেই। আপনি নিশ্চিত থাকুন।
ভেবে দেখুন, আমাদের ইতিহাসে আমরা কি বিরত্বপূর্ন জাতি হিসেবে পরিচিত। সংগ্রাম আর বিপ্লব নিয়েই তো আমারা মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছি। তাই না?
১৯৯১ সালে মহারানী, আপোশীন নেত্রী বাংলাদেশকে বেচে দিলেন পাকিস্তান-সৌদির কাছে। সংগ্রাম আর আন্দোলন করে তা আমরা আবার ফিরিয়ে আনলাম খান সাহেবদের হাত থেকে।
১৯৯৬ সালে হাসিনা আবার দেশ বিক্রি করে দিলেন ভারতের কাছে। আপনাদের মত বীর যোদ্ধাদের নিয়ে আমরা সংগ্রাম আর আন্দোলন করে ফিরিয়ে আনলাম দেশকে দাদাদের হাত থেকে।
২০০১ সালে খালেদা আবারো দেশ বিক্রি করে দিলেন। তবে এবার কুয়েতের কাছে। (সম্ভবতঃ ফালু ভাইয়ের ইচ্ছায়) কিনতু ভাই, আমরা কি বসে রইলাম। নিশ্চয়ই নয়। সংগ্রাম আর আন্দোলন করে আবার দেশকে ফিরিয়ে আনলাম নিজেদের মাঝে।
লক্ষ্য করুন, দেশের প্রতি কি প্রবল ভালোবাসা আমাদের। সুতরাং ভাই, ভয়ের কি আছে? হাসিনা যদি আবারো দেশ ভারতের কাছে বিক্রি করে দেয়, তবে সংগ্রাম আর আন্দোলনের মাধ্যমে, সবকিছু ভেঙ্গে চূরে, মারপিট করে আবারো আমরা দেশকে ফিরিয়ে আনবো ইনশায়াল্লাহ। শুধু হয়তো প্রয়োজন হবে আপনাদের পেশী শক্তি আর অফুরন্ত মেধার। নিশ্চয়ই, তাতে কার্পন্য করবেন না, আশা করি।
মন্তব্যটি সুন্দর লাগল তাই পোষ্ট করলাম
আলাউদ্দীন বলেছেন: আরও একটা বিষয় আওয়ামীলীগ এবং কথিত চিন্তাবিদগন এই হরতালের সাথে বি এন পি-র জড়িত থাকার কথা বলছেন।
আমরা ভাল করেই জানি আওয়ামীলীগ এবং কথিত চিন্তাবিদগন তারা সকলেই জানেন এই হরতালের সাথে বি এন পি-র কোন সম্পর্ক নাই।তারা বামদের সাথে বি এন পি-কে জড়াতে চাচ্ছে এই জন্য যাতে বামরা বি এন পি-র অপবাদ থেকে বাঁচার জন্য হরতাল রহিত করে কিংবা হরতাল হলেও হরতালে বাম ছাড়া কোন সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করে।
আমার বক্তব্য হচ্ছে বাম ছাড়া এই দেশের সাধারণ মানুষ বি এন পি অথবা আওয়ামীলীগ যেকোন একটি জোটকে সাপোর্ট করবেই।এটাই স্বাভাবিক।তাই বলে কি বি এন পি জোটকে সাপোর্ট করে এমন কেউ হরতাল সফল করতে বামদের সাপোর্ট করতে পারবেনা? আর এই সাপোর্ট কি শুধু বামদেরই সাপোর্ট? আমার মনে এই সাপোর্ট যতটানা বামদের সাপোর্ট তার চেয়েও বেশি দেশ মার্তৃকার ঢাক।
হ্যাঁ এটা ঠিক বামদের এই হরতাল থেকে বি এন পি জোট বেশ ফায়দা লুটে নিবে। তাই বলে কি দেশ ঘুমিয়ে থাকবে?
http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29009544
অন্য রকম হরতাল, নতুন মোড়কে পুরোন মুখ
ক্ষমতায় বিএনপি থাকলে ইউসুফ সাহেব হরতালের বিরুদ্ধে জান দিয়ে ফেলতেন। এখন উনার দল ও জোট ক্ষমতার বাইরে তাই সুরও ভিন্ন। আর এই হরতালে তো বিএনপি সমর্থন দিয়েছে, তাতেও উনার কোনোই সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই পরিবেশবাদী, তেলগ্যাস কমিটি ইত্যাদি বিভিন্ন নামে ইস্যু সৃষ্টি হয়। যাদের দেখা জোট সরকারের আমলে পাওয়া যায় না।
জান দেব, ট্রানজিট দেব না, পার্বত্য শান্তি চুক্তি হলে ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে, পাহাড়ে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমানো জাতীয় ইস্যুতে ইউসুফ সাহেবের মতামত আমরা অতীতে পেয়েছি। এই হরতালে ইউসুফ সাহেবদের সমর্থনের কারন আমরা যারা ইউসুফ সাহেবকে দেখেছি, তাদের কাছে অজানা নয়।
'সব্যসাচীর' সভ্য কথার মূল্য কতো >>> '....নতুন মোড়কে পুরোন মুখ'
ক্ষমতায় বিএনপি থাকলে এই 'সব্যসাচী'ই হরতালের সপক্ষে জান দিয়ে ফেলতেন। এখন উনার দল ও জোট ক্ষমতায় তাই সুরও ভিন্ন । এখন হরতালের বিপক্ষে যারা জোড়গলায় কোরাস গাইছেন , বি এন পি ক্ষমতায় থাকলে তাদের গলার স্বর কিন্তু গলা পর্যন্ত এসে আটকে যেতো,মুখ দিয়ে আর বের হতো না ,মুখ দিয়ে তখন বের হতো হরতালের সপক্ষের শ্লোগান। আর তখন মিহি গলায় ইনিয়ে বিনিয়ে বয়ান করতেন হরতালের মধ্যে লুকাইতো গনতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের মহাত্ত ! গরিব-দুঃখী , কিংবা পথে -ঘাটে চলাচলকারি মানুষের দূর্ভোগ তখন চুলায় যেতো ! তাইতো বলি , ইউসুফদের যেমন সব্যসাচীরা চেনেন তেমনি সব্যসাচীরাও ইউসুফদের অজানা -অচেনা কেউ নন । তাইতো গানের সুরে তাল মিলিয়ে গেয়ে উঠি , 'সব্যসাচীর' সভ্য কথার মূল্য কতো ...........
ফায়ারিং স্কোয়াড ইন এ সারকেল
আমাদের জাতির হরতাল রাজনীতি আসলে "ফায়ারিং স্কোয়াড ইন এ সারকেল"। গোলাগুলির ফলাফল কি বুঝতেই পারছেন!!
ভাই yousuf144 আপনার কি বলতে চাচ্ছেন যে, BNP-জামাত দেশপ্রেমিক না
ভাই yousuf144,
BNP-জামাত জোট বেশ ফায়দা লুটে নিবে, এর মানে কি?
দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য, BNP-জামাত জোট এর কি কোন দায়িত্ব নাই???
বি এন পি জামাতের দ্বায়িত্ত্ব
বি এন পি জামাত যখন দ্বায়িত্ত্ব পালনের জন্য হরতাল ডাকবে অথাবা হরতালের নৈতিক সমার্থন জানাবে তখন তো তা হয়ে যাবে আপনাদের ভাষায় ফায়দা লুটা
Mr. aam Janata
BNP Jamat jote have responsibility to steal many and property of bd government by corruption.
The anarchists got scared
The anarchists got scared to come to the street. BNP is still preparing their people to enhance Anu in the street; but Anu lost necessary supports.
Few extremists in the committee stil trying hard to go to the street. Anu started understanding the risk of going to the street; he also having problem with BNP's extra enthusiasm. The strikers may face opposition from the people.
Hope, the gov will sit down with the committee.
চাষা ভাই
আওয়ামী লীগ চুক্তিটি বাতিল করলেই পারে। কেন চুক্তিটি বাতিল করছে না। আওয়ামী লীগের দাদাবাবুদের কাছে ঋন আমরা কেন শোধ করব?
MR.yousuf144
If AL cancel the contrat then how you guys will jump on the street to make it hot?
AL gov. gave padani to anu so you gus has got chance to jump on the street and call for a so called hartal.
ভায়েরা আমার০০০০০০
আমাদের প্রতিবাদের ভাষা চিরকালই অত্যন্ত রাজনৈতিক। আগেও ছিল, এখনোও আছে।
আসুন না, এত তর্কা-তর্কি না করে বরং একত্রে গলা মিলিয়ে এই দাবীটি জোরালো ভাবে তুলে ধরি যাতে বাংলাদেশের গ্যাস-মিনারেল সম্পত্তির সকল দায়-দায়িত্ব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের হাতে তুলে দেয়া হউক। নিশ্চিত হউক দেশের সম্পদ।
অথবা, উনাকে দায়িত্ব দেয়া হউক, নতুন চুক্তির ধারা-উপধারা তৈরী করার এবং একই সাথে আন্তর্জাতিক কোম্পানীগুলোকে বাধ্যতামূলক ভাবে তা মেনে নেবার। সে ক্ষেত্রে তিনি রক্ষক হয়ে ভক্ষক হয়ে গেলে না হয় আমরা আবার চিন্তা করে দেখবো, নতুন কোন দেশপ্রেমিককে আবার দায়িত্ব দেয়া যায়।
ভায়েরা আমার
উত্তম প্রস্তাব । উনি এই বিষয়ে অনেক জানেন এবং এই ব্যাপারে ওনাকে দায়ীত্ব দেয়া যায় । তবে একটা সমস্যা হলো উনি কোন অবস্থাতেই নিরপক্ষ হতে পারবেননা । আজ আনু সাহেব যে চুক্তি বিরুদ্ধে কথা বলতেছেন এই চুক্তি যদি চাইনীজ কোন কোম্পানীর সাথে হতো তাহলে উনি কিছুই বলতেন না বরং ওনাকে দেখা যেত সাং হাইর কোন স্পা শপে নিশ্চিন্ত মনে চরম এবং পরম আয়েশে চাইনীজ ম্যাসাজ এনজয় করতেছেন । গ্রাম বাংলায় হাল চাষ করার সময় যদি পচা শামুকে কৃষকের পা কেটে যায় , তার ভিতর এই সব আনু ইনু বদরুদ্দীন ওমর সম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত খুজে পান । এই হলো আমাদের বামপন্থী নেতাদের চরিত্র ।
এই যে ১৪৪ধারা ভাই
রাগ কমেছে ? শরীর স্বাস্থ মন সব দিক দিয়ে ভালো আছেনত ?
e-mela's attitue towards upcoming strike
From 1991 until 1/11, we have seen so many violent strikes, loss of lives, properties, man working hours etc.. Those violent strikes had unprecedented implications on our societies, on our economy. The long term implications of violence created the violent terros, student unrest, annomocities among politicians, teachers, burocrats and party supporters along with other factors.
As our financial system is city based, strikes hurt city mostly; but bigger portion of people live in the villages & financial activities are smaller and very slow here; so bigger portion of the population never took active parts into those violent strikes & never were influenced badly.
Many way, those violent strikes expressed the attitude of the city people & their crisis. I am sure, most of the members of the e-mela, this way or that way, are or were city dwellers; and many of them have an affinity towards solutions thru violent acts, these people are victim of violent past and still carrying the scars in their hearts
Why this Hartal is different?
Why this Hartal is different?
Because, this Hartal is not to bring Mujib family or Zia family in power.
THIS HARTAL IS TO SAVE OUR WEALTH FOR OUR PEOPLE.
Before almost all Hartals are to go to the power not for the benefit of people and everybody hate that.
Everybody support this Hartal except blind supporter of AL.
Different to whom
I think those are supporting they are not getting the share different for them.they are barking for their share.
অন্যরকম হরতাল? সে আবার কি?
মানুষের মৃত্যু যেমন অন্য রকম হয়না, হরতালের চেহারারাও কখনো অন্য রকম হতে পারেনা। ১৫কোটি মানুষের জীবনকে জিম্মি করে নিজদের বক্তব্য প্রকাশ করার নাম গনতান্ত্রিক অধিকার নয়, শ্রেফ গুন্ডামি। আমাদের দেশে হরতাল মানেই আগের সন্ধ্যায় ত্রাশ তৈরী করে জনগনকে ভয় দেখানো, হরতালের সকালে মোড়ে মোড়ে ডান্ডা নিয়ে যানবাহন এবং সাধারন মানুষের উপর ঝাপিয়ে পরা। হরতাল পালন যদি গনতান্ত্রিক অধিকার হয়ে থাকে, না পালন করাটাও একই অধিকারের তালিকায় আসা বাঞ্ছনীয়। এ বিবেচনায় প্রতিটা মানুষের নিজস্ব পছন্দকে সন্মান জানানো উচিৎ। কেউ যদি সরকারের গ্যাস চুক্তিতে দেশ বিক্রীর গন্ধ খুজে পায় তার উচিৎ স্বাক্ষী প্রমান সহ আদালতে যাওয়া। আর যদি আদালতের উপর বিশ্বাষ না থাকে তা হলে বুঝতে হবে আমাদের মৌলিক অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। প্রথমে সে সব সমস্যা সমাধানের দিকে নজড় ফেরাতে হবে। যে দেশের শতকরা প্রায় ৮০ জন অশিক্ষিত তাদের কাছে গ্যাস চুক্তি আর মাদ্রাসায় আলিফ-লাম-মিম পড়া একই জিনিষ। এসব সাধারন মানুষকে হরতালের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা আর রাস্তায় বুনো হাতি লেলিয়ে দেয়ার ভেতর মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। সরকার বিদেশীদের কাছে আভ্যন্তরীন সম্পদ তুলে দেয়ার চুক্তি করে থাকলে তাদের বিরুদ্বে জনমত তৈরী করে সামনের নির্বাচনে এর জওয়াব দেয়ার অফুরন্ত সূযোগ রয়েছে। 'বেঈমান' সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাধ্যমে ততোধিক বেঈমানী চুক্তি বাতিল করায় বাধা কোথায় তা আমার জানা নেই। জাতীয় জীবনের চাকা একটা দিনের জন্যে অচল করে কি পাওয়া যাবে তার একটা পরিস্কার চিত্র হরতাল আহবানকারীদের তুলে ধরা উচিৎ। শুধু নিজদের অস্তিত্ব বাচিয়ে রাখার জন্যে এ ধরনের গুন্ডামি আইন করে নিষিদ্ব করা উচিৎ। আমাদের দেশ ছাড়াও পৃথিবীতে বহু দেশ রয়ে গেছে এবং সব দেশেই এ জাতীয় সমস্যা বিদ্যামান। ক'টা দেশে আমরা হরতাল করতে দেখছি? দাবী আদায়ের এ সব অস্ত্র ভোতা এবং অচল হয়ে গেছে। সমসাময়িক বিশ্ব ব্যবস্থায় মত প্রকাশ এবং দাবী আদায়ের অন্যকোন পন্থা খুজে বের করতে হবে যা হবে রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতির পরিপূরক।
সাড়ে চার বছর অপেক্ষা করতে হবে?
আপনি কি বলতে চাইছেন জনগন আরও সাড়ে চার বছর বসে থেকে নির্বাচনে আওয়ামী সরকারের পতন ঘটীয়ে এ চুক্তি বাতিল করুক? সারে চার বছরে গ্যাস তুলে নিয়ে যাওয়া শূরু হয়ে যাবে। টিপাই, ট্রানজিট এবং গ্যাসের ব্যাপারে পরে করার কিছু নাই, করলে আগে করতে হবে। ফারাক্কা হয়ে গেছে। এখন কিছুই আর করার নাই। দেখছেন তো দিপু মনি কি পানি চুক্তি করছে। আরও অবাক লাগে ৯০% দিয়ে দেবার চুক্তির পক্ষে আপনাদের বক্তব্য দেখে। বলা যায় না হলুদ সাংবাদিকতার যুগে এ নতুন কিছুই নয়। আর বলছেন আদালতে যেতে? যে আওয়ামী আদালত আবল তাবল বলা শুরু করেছে সে আদালতে কোন সুবিচার পাওয়া যাবে? আপনি বলেন কোন তৃতীয় বিশ্বের দেশে হরতাল হয় না? হরতালের মাধ্যমে এ চুক্তি বাতিলের আন্দোলন শুরু করতে হবে।
গ্যাংলিডার
আপনি সব সময়ই এক চোখে সব কিছু দেখেন।এখানে কথা হচ্ছে হরতাল নিয়ে সরকার ইন্ডিয়াকে কি দিয়ে দিল সেটা নিয়ে নহে।ওয়াচডগের বক্তব্যে কিন্তু এই কথা উল্লেখ নেই যে উনি সরকারের সব চুক্তিকে সমর্থন করছেন।কথা হয়েছে শুধু প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে।আমি ও বলছি,আমাদের কি আর কোন কর্মসুচী নেই যার দ্বারা আমরা প্রতিবাদ করতে পারি এবং সাধারন জনগনকে ভোগান্তি থেকে দূরে রাখতে পারি?নিজেকে একমাত্র দেশপ্রেমিক মনে করাটা কিন্তু এখানে একেবারেই বেমেনান মি গ্যাংলিডার!
না হরতাল করতেই হবে, তবে
১/১১
না, আনু ভাইকে হরতাল করতেই হবে।কারন, এইটা হোল টেস্ট কেইস। ১/১১ পর, হরতালে মানুষের কি রিয়েকশন সেটা জানা যাবে। দেখেন না, আমরাও "নৈতিক সমর্থন দিয়ে" ই-মেলাতে আর পত্রপত্রিকায় গরম হাওয়া দিয়েই খালাস। মাঠে নাই। তবে গোপনে কিছু কর্মিদের রাস্তায় নামিয়ে একটা হাঙ্গামা করার প্লেন আছে, কারন আনু ভাইদের বামদল গুলার কোমরে জোড় কম। বেকুব সরকার একবার আগিলা ফেসাদ করছে ওহেতুক মাইরপিট কইরা, জনমতের ধাতানি খাইয়া সাহারা বুবুর পুলিশ এইবার যদি বেশি ঠান্ডা থাইক্যা, শান্তিবাদি হয়, হরতালের আমেজটাই নস্ট হয়ে যাবে।তবে, গ্যাঞ্জাম যদি একটা লাগাইতে পারি ভাইজান, এরপরি নামব সরকার হটাও, দেশমুক্তি আন্দোলনে, মামালা তুলে নেয়া আন্দোলনে। দোয়া কইরেন। তখন গ্যসের কথা বাম-নাস্তিক আনু ভাইদের অনুপরমানুরা বুঝবে।
মাগার, সমস্যা একটা।রোজার দিনে সকাল ৬টা থেইক্যা ১২টা। এইসময় মানুষের ঘুম ভাঙ্গেনা।কম জোড়ি আনুভাইদের জন্য সুবিধা হইলেও, মেরমেরা এই হরতালে পুরা সুখ নাই। তবে,টেস্টিং টেস্টিং মাইক্রোফোন টেস্টিং আনু ভাইকে দিয়েই হোক।
আর আপনার আর ওয়াচডগ বা শঙ্খচিলের কথা মত, হরতাল বাদ দিয়া সভাসমিতি কইরা আনু ভাইরা যদি জনমত গঠনে যান, সেখানে আরেক বিপদ। লম্বা সময় লাগবে। আর উনারা আবার আমাদেরকেও বেনিয়াদের ভাই বেরাদর ভাবেন। তাই, হোক হরতাল, মরুক মানুষ,কাহিল হোক অর্থনীতি কার কি!
গ্যাসের চুক্তিকে সবাই অসম ভাবেছে। আমিও আপনিও। আপনারা আবার ভদ্র্ নিয়ামতান্ত্রিক আন্দোলনের সভ্য কথা বলেন। সেটা করলে ত এ সরকারের পতন হবেননা। গ্যাস দিয়া করব কি যদি আওয়ামি সরকার ক্ষেমতায় থাকে। তাই, হরতাল হতেই হবে।
১/১১ সাহেব
আপনার কি মনে হয় না হরতালের চেয়ে আমাদের গ্যাস বাচানো নিয়ে আমাদের বেশী মাথা ব্যাথা করা উচিত?
মিঃ গ্যাংলিডার
এই তো আপনি লাইনে এসেছেন।যদি চুক্তি আমাদের বিপক্ষে যায় অবশ্যই আমাদের প্রতিবাদ করতে হবে।কিন্তু হরতাল ছাড়া কি আর কোন প্রতিবাদের ভাষা নেই?যে হরতালে জনগনের ভোগান্তি ছাড়া অন্য কোন আউটপুট নেই সেই আত্মঘাতি হরতালকে কেন আমরা বার বার জড়িয়ে ধরব?শুধু শুধু অন্যকে প্রতিপক্ষ না বানিয়ে আসুন ভাল ভাল কথা বলি।সবাই আমরা দেশের মঙ্গল চাই।কথায় কথায় যে কাউকে আওয়ামিলিগার বলে গালি দেওয়াটা কি ঠিক মিঃ গ্যাংলিডার?
ওঁম শান্তি ওমঁ >>>আমাদের ১/১১ ভাই , চমৎকার লিখেন আপনি !
১) "..কথায় কথায় যে কাউকে আওয়ামিলিগার বলে গালি দেওয়াটা কি ঠিক মিঃ গ্যাংলিডার?'" ........................... হা হা হা হা , জনাব the one eleven ভালোই বলেছেন ! 'আওয়ামিলিগার' শব্দটি যে একটি গালির নাম তাতো আগে জানতাম না ! আর কথায় কথায় আওয়ামিলিগার বলে গালি দেয়া ঠিক না কিন্তু কথায় কথায় কাউকে 'গ্যাংলিডার' বলাটা মনে হয় খুব ঠিক ,তাইনা বিজ্ঞ ১/১১ ?
২) আপনার আর একটি লিখা 'সেই দিন আর এই দিন কি সমান মিঃ " এই শিরোনামে ।........ জনাব ১/১১, জানতে ইচ্ছে করছে যে ফুলবাড়ী ঘটনাটি কতো আগের ঘটনা ? তখন কি মানুষ বেচে থাকার জন্য পৃথিবীর এ মাথা থেকে ও মাথা দৌড়ে বেড়াতো না ? যাই হউক, এ জাতীয় লিখা আপনার বিপক্ষের কেউ লিখলে হয়তো হাজারটা ভুল ধরা যেতো কিন্তু আপনি বলে কথা ! জব্বর লিখেন আপনি ,মাশাল্লাহ লিখেন ,অতুলনীয় !
( ইউসুফ কে উদ্দেশ্য করে আপনার লিখার উপর মন্তব্য করলাম বলে আবার গালমন্দ শুরু করবেন না যেনো, এক জনের উদ্দেশ্যে লিখাতে অন্য জনের মন্তব্য করার রেয়াজ এখানে প্রচলিত আছে , তাই করলাম )
আন্দোলন এবং হরতাল কতখানি কার্যকর তার প্রমান ফুলবাড়ী আন্দোলন
যারা ফুলবাড়ী বাচিয়েছে তারাই আমার যতদুর জানা বাংলাদেশের সম্পদের জন্য জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করছে। আপনার কাছে অন্য কোন উপায় জানা থাকলে দয়া করে জানাবেন।
সেই দিন আর এই দিন কি সমান মিঃ
মিঃ ১৪৪ আপনি যেই ফুলবাড়ীর কথা বলছেন সেই ফুলবাড়ীর সময় আর এখনকার সময় কি এক মি ১৪৪?এখন যেখানে মানুষ বেচে থাকার জন্য পৃথিবীর এ মাথা থেকে ও মাথা দৌড়ে বেড়াচ্ছে সেখানে আত্মঘাতী কর্মসুচী দিয়ে দেশের মানূষকে কষ্ট দেওয়া্টা কি সমীচিন হচ্ছে?অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করা উচিৎ হচ্ছে? আগের সেই নেতা কর্মীদের আত্মত্যাগ আর এখনকার আত্মত্যাগ কি সমান মি ১৪৪?ভেবে দেখুন হরতাল আমাদেরকে এই পর্যন্ত্য কি শান্তি এনে দিয়েছে।শুধু একবার ভাবুন।
হরতালের সুফল এবং কুফল
শাষকরা হরতালের কারনে বেশী সৈরাচারী হয়ে উঠে না। এটা সব সময় সব জায়গায় হয়েছে। এখন হচ্ছে। আমার হরতালের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। আমার মনে হয় হরতালে যত না ক্ষতি হয় তার চেয়ে বেশী ক্ষতি হবে এ চুক্তির কারনে।