
বাংলাদেশকে ভুটানের সিকিম রাজ্যের ন্যায় পরিণত করার জন্য নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ ইতিহাসের কুখ্যাত পাতায় স্থান পাবে (সংগৃহীত এবং নুতন যোগকৃত):
Mirzafars of our times:
1.Moin U Ahmed.
2.Ershad
3.Fakhruddin
4. Mannan Vuia
5. Hasan Moshud Choud.
Raajballavs:
1.Abdurrazzak
2.Farookh khan
3.BDR chief Moinul
4.CEC Shamsul Huda and gong
5.Kazi farook
Ray durlav:
1.Motiur rahman
2Mahfuz anam
3.Golam Sarwar
4.Muntasser manun
5.Shahriar kobir
6.Kobir chowdhury
7.CR Dutta
8.Gaffar chowdhury
Ghosheti begum:
1.Sk. Hasina
2.Sultana kamal
3.Tania amir
4.Rasheda k chowdhury
5.Dipu moni
6.Shahara khatun
Lord clive:
1.Moriarty
2.Anwar chowdhury
3.Beautenis
4.Renata lok desalien
5.Lord avbury
6.Pinak ranjan chakravarti
7.Shontu larma
East india co:
INDIA
US
EU
UK
Multinational Oil companies
IMF
WB
ADB
UNDP
UN
NGos (esp proshika and shomunnoy)
And Miron:
Shojib wazed joy.


মুজিব ও ভাসানী: কথোপকথন....
মুজিব ও ভাসানী: কথোপকথন....
আওয়ামীলীগের চুরি-ডাকাতি-লুট-পাটে ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে মুজিব বলেছিলেন, মানুষ পায় সোনার খনি, আমি পাইছি চোরের খনি....!!!
মুজিব বলেছিলেন সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য কম্বল এসেছে সাড়ে সাত কোটি অথচ আমার পরিবারের কেউ কম্বল পায় নাই, আমার কম্বলটা গেল কই...!!??
মুজিব বলেছিলেন, সব চোর, আমার ডাইনে চোর, আমার বায়ে চোর....!!!
ভাসানী বলেছিলেন, অরে মজিবর, তর ডাইনে চোর, বায়ে চোর, পিছে চোর, আয়নার সামনে খাড়াইয়া সামনে যেডারে দেহস ঐডাও চোর...
(সংগৃহীত)
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
জনাব রায়হান
ইতিহাস লেখার গুরুদ্বায়িত্বটা কি আপনাকে দেয়া হয়েছে? তা অসভ্য একটি দেশের অসভ্যতার ইতিহাস লেখার জন্য যোগ্য লোককেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
Eye opening information
We expect many eye opening information will be found in open forum like e-mela. Television and newspaper could be good source of information but those are not neutral. Not only Amader Shomoy but there is lots of other newspapers acting erratically. Two brothers fight each other to gain control over one media and then who win try to get government support by manipulating information. Some newspapers are established by foreign government's money. So, instead of obstructing e-mela's free flow of information by attacking the informant we should defend the information.
shomudro এর হাহাকার
আচ্ছা আপনি কি সেই সমুদ্র যিনি কিনা একবার মালয়েশিয়ার উচ্চ দালাল সংক্রান্ত মিথ্যা সম্বলিত পোস্টের জন্য sorry বলেছিলেন।
আচ্ছা আপনি কি সেই একই সমুদ্র যিনি ইমেলার সম্পাদকের সাথে সিংগাপুরে একত্রে আড্ডা মেরেছিলেন, তাও আবার এই বোর্ডে লিখেছিলেন। আর কতকাল এই সব সিন্ডিকেটেড অবস্থান নিয়ে চলাফেরা করবেন। হ্যা আমি জানি, আপনি মীরজাফর মইন-কামাল গংদের পেইড সদস্য।
আচ্চা সমুদ্র সাহেব, আপনাদের সময় নাকি এক জামাতী এক মুক্তিযুদ্ধার কোমরে লাথি মেরেছিলো। সেই জামাতী লাথির বিচার কি মঈন করে গিয়েছিলো ? নাকি হাসিনার জন্য রেখে দিয়েছে? নাকি নিজেরাই সজোরে জামাতী লাথির আঘাতে কুকুড়িয়ে গিয়েছেন, হ্রদয়যন্ত্রনায় কাতর।
১/১১ এর ফারমারদের জন্য
রাশেদ খান মেনন বলেন ১/১১ চক্রান্ত বাস্তবায়নের জাতিসংঘ অফিস ব্যবহার করা হয়েছিল।"
"এ সংসদকে বানানো হয়েছিল কারাগার। এখানে কারজাই মার্কা শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তখন কী ভূমিকা ছিল জাতিসংঘের?"
রাশের খান সাহেবেরা এই ১/১১ এর খলনায়ক মঈনের হাত ধরে ক্ষমতায় বসেছিলো, এখন দিন দিন মঈন-জয়দের অপকীর্তি বের হচ্ছে...নিজেরদের পিঠ বাচাইতে এখন ১/১১ এর বিরুদ্ধে কথা বলছে। মেনন ফারমারদের মত বর্ণচোরা।
http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=110126&hb=top
বিলায় ভাই
কেন বিলায় ভাই? থলের বিড়াল বের করে দিচ্ছি বলে খারাপ লাগছে? অন্যরা যে এর চেয়ে অনেক খারাপ শব্দ ব্যবহার করে তাতে কোন সন্দেহ আছে? দেশ বিক্রি করবেন আর কিছুই বলবনা তাতো হয় না। সামর্থ থাকলে আরও অনেক কিছু করতাম। কেবলই প্রতিবাদ করে যাচ্ছি। ৯০% গ্যাস বিদেশীদের হাতে তুলে দিলেন আর আপনারা আছেন আপনাদের দাদাবাবুদের মনরঞ্জন নিয়ে পরে।
বিলায় ভাই
কেন বিলায় ভাই? থলের বিড়াল বের করে দিচ্ছি বলে খারাপ লাগছে? অন্যরা যে এর চেয়ে অনেক খারাপ শব্দ ব্যবহার করে তাতে কোন সন্দেহ আছে? দেশ বিক্রি করবেন আর কিছুই বলবনা তাতো হয় না। সামর্থ থাকলে আরও অনেক কিছু করতাম। কেবলই প্রতিবাদ করে যাচ্ছি। ৯০% গ্যাস বিদেশীদের হাতে তুলে দিলেন আর আপনারা আছেন আপনাদের দাদাবাবুদের মনরঞ্জন নিয়ে পরে।
শেখের পরিবারের দুর্নীতি, নৈতিক স্হলনের সামান্য চিত্র....
ভারতের মুখ্যমন্ত্রী থুক্কু 108% ভোট cast হয়ে বিপুল(?) ভুতুরে জনসমর্থন নিয়ে বাংলাদেশের 'ঘসেটি বেগম' শেখ হাসিনার ছেলের নাম ইতিহাসের কুখ্যাত পাতায় 'মিরন', মহাচোর ছাড়াও এক playboy(পাশ্চাত্তে)কিন্ত চরিত্রহীন(বাংলাদেশে)হিসেবে জায়গা করে নিবে। দেখুন এবং পড়ুন "জাতির নাতি'-র আমলনামা। এছাড়াও আরো পাবেন 'জাতির আরেক কন্যা' শেখ রেহানা, "জাতির নাতনির" পুতুলেরও কিছু দুর্নীতির আমলনামা:
Bangladesh: The fortunate corrupts
Salah Uddin Shoaib Choudhury
(Source: http://www.weeklyblitz.net/index.php?id=222)
.......Although ACC requested Singapore and other foreign nations for finding illegal wealth of the family members of Khaleda Zia, it is learnt that, it is keeping mum on the issue of freezing accounts held by Sheikh Rehana and members of her family, where they have deposited huge amount of money received as bribes and kick-backs from various foreign companies. During Awami League tenure [1996-2001], Sheikh Rehana was known as ‘Madame Commission’, who was the exclusively authorized person of the former Prime Minister Sheikh Hasina to transact all illegal cash dealings. ACC also stopped investigating the matter of illegal wealth accrued by another top ranking Awami League leader, Tofael Ahmed, as he accorded support to the present regime after the political change in 2006.
It may be mentioned here that, Sheikh Rehana owns expensive properties and wealth in United Kingdom although she does not have any valid source of income for acquiring such huge property. Son of former Prime Minister Sheikh Hasina, Sajib Wajed Joy, who lives in United States, also acquired property worth millions of dollar, when his mother was Bangladesh’s Prime Minister.
Joy has hardly much childhood association with Bangladesh. His mother lived a life in exile since August 1975, spending a long asylum in India under the patronage of the Indian government. She would live at Basant Bahar, the safe house run by the agencies there.
As a result, Joy had his early education in India where he spent much of his formative years. They may have returned to Bangladesh in 1981, but there was a sense of isolation from normal family life for Joy. This was only to be expected, given his boarding school years, the intense political activities of his mother, all compounded with the estrangement of his parents.
Persons who knew him then say he was a rather reckless youth. Even later, he reportedly met with an accident in Gulshan in the mid-nineties, totaling the Pajero jeep of a businessman of Narayanganj. Rather than keeping him in Bangladesh, Sheikh Hasina sent her son to the US for further studies. She perhaps felt that would give him some stability, a sense of responsibility.
Life in the USA didn’t seem to change Joy much. That reckless trait in his character showed itself time and again. Records show several cases were filed against him. He has been charged on various occasions with drunken driving, speeding, reckless driving, unlawful use of radar detection device, and even carrying an unlicensed gun. He even had to spend time in jail for his misdemeanours, not to mention all the fines he had to pay too. If Hasina had political aspirations for him, she couldn’t have chosen a more unsuitable candidate.
As it is, he had a basically apolitical character. He disliked the gathering of poor people at home and expressed a distinct disinterest in politics. He often snubbed persons who, out of affection or simple curiousity, came to meet Sheikh Mujib’s grandson.
He continued his fast life in the US as he had no sense of belonging with Bangladesh, no affinity to his mother’s party and had no intention of living with his dysfunctional family at home. In was no secret that there was no love lost between Sheikh Hasina and husband Wazed Miah.
During his mother’s tenure as Bangladesh’s Prime Minister [1996-2001], Joy reportedly got engaged with an old girlfriend from his school days. She was an Indian girl of Sikh religion. Hasina, taking cover of an official visit, went to London to formalize the marriage. Along with some close friends and relations, she even took along cooks of Dhaka’s famous Fakhruddin bawarchi. Her one condition was that the girl convert to Islam. The girl refused. Hasina was more than upset. She reportedly cancelled all programs on that day. She shut herself up in her hotel room the whole day, refusing to talk to any one. She immediately returned to Dhaka. The marriage reception never took place, and her entourage, cooks and all, returned home.
Late Joy got married to American citizen Kristine Ann Overmire. They were married in the US on October 26, 2002. Kristine reportedly was previously married to Richard D Loomis. Although the couple had a child, Christine, who has a dignified family back ground in United States receintly left Joy for his rowdy life style. It is learnt that, during the ongoing electoral campaign, Hasina tried to get Joy and his former wife in Bangladesh to participate in the election campaign, but, Christine reportedly refused to be in Bangladesh as she already has cut relations with Hasina’s son.
When Awami League came to power and his mother became ruler of the country, Joy got involved in business. There was the Texas-based Infolink International [from November 1998 to March 2001] and Nova BD International, LLC [May 1998 to August 2000]. He had links with the SEAMEWE-4 undersea cable project through Nova BD International. He was also involved with Tyco Communications [USA] along with a certain Mahboob Rahman.
He also founded two other companies, Wazed Consulting and Sim Global Services in March 2005. This was after Awami League was out of power. Interestingly, the annual sales of these two companies were only 61,000 dollars and 35,000 dollars respectively. Yet Joy, in his own name, bought a brand new house at 3817 Bell Manor Court, Falls Church, Virginia, on May 12, 2006, worth about one million dollars. His wife is not a co-owner of the house. He used a fixed-rate mortgage and paid only about 200 thousand dollars [20 percent of the value] in cash. This was a clever move as it hid the real value of the property in terms of cash.
Earlier, together with his wife, he brought another property at 4823 Martin Street, Alexandria, VA 22312. The property is worth 749,000 US dollars.
Like Joy, his brother-in-law Khandkar M Hossain, husband of sister Saima Wazed Hossain [Putul], started a few businesses in the US when his mother-in-law Sheikh Hasina came to power, but dissolved them after a couple of years. These businesses included Bangladesh Metals and Pipes Trading Corporation; Shonali Inc; Doug’s Wholesale Inc; Afsana Inc; and Jampy Corporation.
Apparently business was not quite the cup of tea for either of them. However, despite none of the businesses seeming to make any money and most of them being shut down before long, no one has ever heard of them suffering from financial difficulties. Perhaps mother’s affection helped them in this regard.
Criminal court clerk records identify the following criminal charges and arrests of Sajib Wazed Joy:
On June 14 1998, Joy was arrested in Tarrant County, Texas. He was charged on two counts of carrying an unlicensed handgun and one count of driving while intoxicated. He was convicted for drunken driving and was imprisoned for 120 days, sentenced to 24 months of probation and fined $500.
On February 6, 2000, Joy was charged with reckless driving and having a radar detector in Hanover County, Virginia. He was fined and incarcerated for one day.
On March 19, 2000, he was arrested and charged with reckless driving in Fairfax County, Virginia. He was found guilty and given a suspended 30-day jail sentence and 12 months probation along with a $400 fine.
On April 29, 2001, Joy was charged with speeding in Rappahannock County, Virginia.
On May 20, 2004, Joy was charged with speeding in Arlington County, Virginia.
Property of Hasina’s daughter:
Saima Wazed Hossain [Putul], Sheikh Hasina’s daughter and Joy’s younger sister, along with husband Khandakar Mahbub Hossain, own considerable property in the US. The houses they purchased there include:
456 North Bay Point Way, Jacksonville, Florida. This is a single family residence purchased by Saima and husband Hossain on November 1, 2005 for US$ 245,000 from Merrill and Priscilla King.
845 York Way, Maitland, Florida. This is also a single family residence purchased by Saima and Hossain on October 16, 2004, for US$ 311,000 from David and Elizabeth Cocchiarella. The property has an assessed value of US$ 208,844.
2065 W 119th Avenue, Miramar, Florida. This single family residence was purchased by Saima and Hossain on October 28, 1998 for US$154,300 from Pulte Home Corporation. On March 15, 2005, a non-purchase money loan of US$197,000, was obtained from SunTrust Bank secured with this property. The property has an assessed value of US$265,440.
It is a big question to all that when Bangladeshi authorities are continuing their withch hunt to find hiddne assets of Khaleda Zia, why they are completely silent on the issue of illegal wealth of Sjib Wajed Joy, Saima Wajed Putul or Sheikh Rehana. It is even rumored that a certain section of bureaucracy in Bangladesh are over enthusiastic in throwing black balls on Bangladesh Nationalist Party, especially before the upcoming general election, with the goal of seeing this party defeated in the poll.
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
মঈনের 'সাধু' সাজার গোঁমর ফাস...
আলুখোর মীরজাফর মঈনকে যারা দেবতা মনে করে পুজা করতেন কিংবা এখনো করেন তাদের জন্য সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী(SUSHIL দালাল মতি বাবু নয়) 'হাঁটে হাড়ি ভেংগে' দিয়েছেন। জানতে হলে পড়ুন:
http://www.amadershomoy.com/content/2009/09/15/news0212.htm
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
আমাদের সময়?..আহা রায়হান খান, কেমনে চিনিলেন এমন খান.............
পত্রিকার নাম...."দৈনিক আমাদের সময়"
সম্পাদকঃ জনাব নাঈমূল ইসলাম খান.......
পিতাঃ আরেক খান..........
বিশেষ পরিচিতিঃ '৭১ এ পাকি খানদের পরম প্রিয় দোস্ত এবং মুক্তিযোদ্বা ও এর সমর্থকগোষ্ঠী নিধনের এক জল্লাদ.........
১/১১ এর পরবর্তী সময়ের বিশিষ্ট দালাল জনাব নাঈমূল ইসলাম খান। তার পত্রিকাটি ইতোমধ্যেই আধুনিক দালালী পত্রিকা হিসাবে খ্যাতি পেয়েছে।
তার বাবা ছিল '৭১ এর পাকিদের দালাল। আর তার নিজের পরিচয় হল আধুনিক বাংলার দালাল। তার পিছে আরো আছে তসলিমা কাহিনী। ১/১১ এর পূর্বে ছিল পতিত যুবরাজ তারেকের দালাল। ছিল ম্যাডাম খালেদার দালাল। এই দালাল সম্পাদক ১/১১ এর পর অনেক কল্পকাহিনী রচেছেন, পরবর্তীতে যার কোনটারই ভিত্তি পাওয়া যায় নাই। এইসব দালাল আর মিথ্যুকদের প্রপাগ্যান্ডাই আপনাদের পুজি। তা'ছাড়া আপনাদের আছেই বা কি?
তাইতো বলি আহা রায়হান খান, কেমনে চিনিলেন এমন নাঈমূল খান? আর কেমনেই বা চিনিলেন দৈনিক দালাল নামা 'আমাদের সময়'?.......
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
দি লীডার অব বদ্ধ উন্মাদ'স--্রায়হান খান।
এ বদ্ধ উন্মাদ এখনও কীভাবে লোকালয়ে চলাচল করে, এর উপর একটা গবেষণা জরূরী হয়ে গেছে। যদিও আমার সন্দেহ, ইনি গত ৩০-৪৯ বছর ধরে ঘর থেকে দরজা খুলে বের হয়েছেন কিনা!!
এই একবিংশ সতাব্দীতেও এমন বদ্ধ উন্মাদ দেখা যায়!! হা হা।
খোদার লীলাখেলা বোঝা সত্যিই ভার!! সবাই বলেন "ছুম্মামীন"।
দি লীডার অব বদ্ধ উন্মাদ'স--্রায়হান খান হি:..হি:....হি:...
কোন আবদুল-যদু-মদু আমার মত উম্মাদের উপর গবেষনার যোগ্যতা রাখে না। আগে বাংলাদেশ থেকে 108% total vote castএর দাবীদার পাগলদের গুরু CEC Shamsul Huda and gong, পাগলদের সর্দারিনী মুখরা (ইদানীং ভিজা বিড়ালের মত কপটচারিনী) শেখ হাছিনার Digital(analog হলে চলবে না ) "No-objection" ছাড়পত্র নিয়ে আসতে হবে। এর বাইরে "BAL এবং শেখ হাছিনার মিথ্যাচারিতার" উপর আন্তর্জাতিক journal (Minimum Impact factor 3)এ কমপক্ষে 20টি প্রকাশনা থাকতে হবে। তবেই গবেষনার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে....
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
সরি, মিঃ লীডার অফ বদ্ধ উন্মাদ----হি......হি......হি.........
মিস্টেক এর বিশাল ভুল হয়ে গেছে। ওটা উন্মাদের লেখা পড়ে আমার মাথার উন্মাদীয় চিন্তার বহিঃপ্রকাশ বলা যায়।
জনাবের মত বদ্ধ উন্মাদকে আসলে শিকল দিয়ে বেধে চিড়িয়াখানায় বানরের সাথে এক খাচায় রেখে দেয়া উচিত।
This guy is supposed to be strongly chained and given highly shock treatment everyday 3 times and put in a zoo with monkeys for show.
পলাশী
২৯ শে ডিসেম্বর - নিরবাচন নয় পলাশীর দ্বিতীয় যুদধ।
raihankhan - Your are absolutely brilliant
Main Jatio Beiman Moeen and his mentor Ershad will be treated as the biggest traitors in history. Hasina is the Bharotiyo puppet.
Nirvik2008......
মইন কেন জাতীয় বেইমান? বেচারা মইনের প্রতি আপনাদের এত ক্ষোভ কেন?
আপরাদের নেত্রী পুণরায় ক্ষমতায় আসার লোভে অনেক সিনিয়র আর্মি অফিসারকে ডিঙিয়ে মইনকে সেনাপ্রধান করেছিলেন। সেনাপ্রধান পদটিই এরকম। ক্ষমতাসীন দল তাদের নিজ নিজ পছন্দনীয় ব্যাক্তিকে ওপদে আসীন করে। সে ক্ষেত্রে আপনার দলের পছন্দ ছিল জেনারেল মইন। কারচুপি করে পূণরায় ক্ষমতায় আসার জন্য আপনার দল চার স্তরের বেষ্টনী গড়ে ছিল। কেএম হাসান, ইয়াজুদ্দিন, আজিজ, জাকারিয়া, জকরিয়া, মাহফুজ, হাসান মাহমুদ, জেনারেল মইন ছাড়াও তৃণমূল প্রশাসনেও আপনার দল গড়ে তুলে ছিল এক নিরবিচ্ছিন্ন "নির্বাচন কারচুপি বর্ম"। পতিত যুবরাজ তারেক ছিল তার প্রধান তত্ত্বাবধায়ক। সাথে ছিল উত্তরা ষড়যন্ত্রের হোতা মাহমুদুর রহমান।
সম্ভবতঃ জেনারেল মইনের জাগ্রত বিবেক আপনার দলের এসব নিন্দনীয় কাজে সায় দেয় নাই। তাই দুষ্কর্মে সহায়তার কাজ থেকে হাত ঘুটিয়ে নিলেন। তার পরিবর্তে বাংলাদৈশের মানুষের অধিকার রক্ষায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন। এহেন অবদানের জন্য কেবলমাত্র যারা ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় আসার স্বপ্নে বিভোর ছিল তারা ছাড়া যে কোন বিবেকবান মানুষই তাঁকে সম্মান জানাবে।
আর যদি তখন তার উপর আপনার নেতা জিয়ার প্রেতাত্মা ভর করত, তা'হলে উনি যে কোন উপায়ে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিতেন। যে কৌশলে আপনাদের নেতা জিয়া এবং তার উত্তরসূরী এরশাদ করেছিলেন। তবে ক্ষমতা ছিনতাইয়ে জিয়ার কলা কৌশলটি মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণ্যতম। এ ষড়যন্ত্রে সে কুখ্যাত মীরজাফরকেও হার মানিয়েছিল। তার পৈশাচিকতা ছিল হিংস্র জন্তুর চেয়েও নিকৃষ্ট মানের।
কোন বিবেকবান মানুষ বিএনপি নামক অশুভশক্তির অসুরীয় কাজকে সমর্থণ করতে পারেনা। আপনাদের কাজে সমর্থণ জানাতে পারে কেবলমাত্র '৭১ এর আরেক অসূরীয় শক্তি রাজাকার-আলবদররা। অশুভ শক্তির দোসর অশুভ শক্তি হয়।
বাংলাদেশের মইনরা কখনো ষড়যন্ত্রের সহায়ক শক্তি হয় না-এটা প্রমাণিত হয়েছে।
আপনারা যা চেয়েছিলেন তার জন্য প্রয়োজন ছিল পাকিদের দ্বারা লালিত কেউ। কিন্তু দুর্ভাগ্য আপনাদের এবং পরম সৌভাগ্য বাংলাদেশের জনগণের .........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ভাই hridoy
জায়গা মতই লবন ছিটিয়েছেন। মইনকে নিয়ে লাফালাফি করে অথচ ইয়াজউদ্দিন, আজিজ, জাকারিয়া আর মাহফুজ নিয়ে ক্ষনিকের জন্যও কোন কথা বলে না। কথায় বলে না, ভাসুরের নাম মুখে নিতে এদের লজ্জা হয়।
Wao................
What a good combination.............
10 out of 10
Those who supported MUA FUA blindly as a GOD, can you please also include them in your list by giving them one unique name......
1-11 এর সমর্থনকারীদের জন্য নতুন স্যুপ
গদাম লাথি
মনে রাখবেন, ১/১১ এর সমর্থনকারীরা মঈনের পাচারকৃত টাকায় প্রবাসে গড়ে উঠা জাগো বাংলাদেশের সদস্য।
মনে রাখবেন, ১/১১ এর সমর্থনকারীরা ভারতের পক্ষে প্রচারনা চালিয়ে থাকে
মনে রাখবেন, ১/১১ এর সমর্থনকারীরা কুচকিয়ে পড়ে যখন কেউ বাস্টার্ড আওয়ামী
লীগকে লাথি মারে
এতষড়যন্ত্র করিয়াও...পারলেনা ঘসেটি বেগম............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
বিএনপি'র পরকীয়া প্রেম
ভারতের সাথে আওয়ামী লীগের প্রেম এটা সবাই জানে । এখানে রাখ ঢাক কিছু নেই । কিন্তু বিএনপি'র সাথে ভারতের প্রেম পরকীয়া প্রেমের মত । এক দিকে লোক লজ্জার ভয় অন্যদিকে মনের টান , শ্যাম রাখি না কূল রাখি অবস্থা ।
VOTER vai, পরকীয়া থেকে সাবধান...
তুমি তো দেখি পরকীয়ার সংগা ভালই জানো!!!!! তা ভাইসাব, 'চোরের দশদিন গৃহস্বামীর একদিন'। ভাবীর কাছে আবার ধরা পরে যেও না। Afterall, ভাই হিসেবে তোমাকে সতর্ক করাটা আমার কর্তব্য মনে করছি। অবশ্য তুমি যদি আবার BAL বুদ্বিজীবিদের (যেমন: সৈয়দ শামছুল হক, ইদানীং নুতন BAL হিমু খ্যাত হুমায়ুন আহমেদ কিংবা শমী কায়সারের নুনুর মাথা না কাটা ভুতপুর্ব স্বামী দাদাবাবু রিংগো)গুরু মনে করো সে ক্ষেত্রে আমার কিছু বলার নেই...
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
রায়হান ভাই
ভাইজান মিস্টেক হইয়া গেছে । আপনী উপস্থিত আছেন জানলে মুখে লাগাম দিতাম । আসরে কে কে উপস্থিত আছে এইটা জানার কোন উপায় নাই ? আগেত ছিলো ।
Secretary of Mirzafars
If they are mirzafars of bangladesh.raihan khan you are the great secretary of mirzafars gong.
জেনারেল মইনের হর্স ট্রেডিং-এর আছর পড়তে শুরু করেছে
জেনারেল মইনের হর্স ট্রেডিং-এর আছর পড়তে শুরু করেছে
ভারতের সাথে কেয়ারটেকার সরকারের সামরিক যোগসাজশের শ্বেতপত্র প্রকাশ জরুরি
ফতেই আলী টিপু : সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সপ্তাহব্যাপী ভারত সফরে গিয়ে দু'দেশের মধ্যে ‘মিলিটারি টু মিলিটারি' সহযোগিতার মোড়কে ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের সাথে যে গোপন সমঝোতা চুক্তি করে এসেছিলেন, তার ফলশ্রুতি সীমান্তে যৌথ টহল এবং দেশের ভেতরে ভারতের সেনাবাহিনীর সাথে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। তবে জেনারেল মইন ভারত সফরে গিয়ে ভারতের সাথে কি চুক্তি করেছেন, নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় না থাকায় দেশবাসী তা জানতে পারেনি। বর্তমান নির্বাচিত সরকার ও বিগত দু'বছরের জেনারেল মইন সমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের সময়কার ভারতের সাথে বিশেষ ও গোপন সমঝোতা সহযোগিতা চুক্তির বিষয়ে কোন উচ্চবাচ্য করছে না। ভারতের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা এবং নানামাত্রিক কৌশলগত সীমাবদ্ধতার কারণে স্পর্শকাতর বিষয়ে জেনারেল মইনের গোপন কর্মকান্ড উন্মোচন করতে ইচ্ছুক নয়। তবে সম্প্রতি জাতিকে হতবাক করে দিয়ে সিলেট ও ভারতের আসামে ভারতের সেনাবাহিনীর সাথে যৌথ সামরিক মহড়ায় বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ এবং সীমান্তে বিডিআর-এর বিএসএফ-এর সাথে যৌথ মহড়ায় অংশগ্রহণের ঘটনা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতির স্বাতন্ত্র ও সার্বভৌম চরিত্র নিয়ে জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। এরই পটভূমিতে দেশপ্রেমিক মহলের পক্ষ থেকে জেনারেল মইনের রহস্যপূর্ণ ভারত সফর এবং মিলিটারি টু মিলিটারি সহযোগিতার মোড়কে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভারতের কাছে জিম্মি করে রাখা হয়েছে কিনা। তার ওপর সংসদীয় তদন্তসহ শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি উঠেছে।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে সিলেটে বাংলাদেশ-ভারত সেনা সদস্যরা যৌথভাবে কমান্ডো মহড়ায় অংশ নিয়েছে। ভারতের হাই-কমিশনার পিনাক চক্রবর্তী এ মহড়ার উদ্বোধন করেছেন। একটি বিদেশী বার্তা সংস্থার সুবাদে এ মহড়ার ছবি দেশবাসীর গোচরীভূত হয়েছে। এর কয়েকদিন আগে আগরতলা সীমান্তে বিডিআর-বিএসএফ-এর এক সঙ্গে টহল দেয়ার ছবি প্রকাশিত হয়েছে। এ বছরের ২২শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত আসামের জোড়হাটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ সামরিক মহড়ার খবর ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণলয়ের গ্রুপ ক্যাপ্টেন আর কে দাস মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন। ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবিলায় দু'দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে এ মহড়া সহায়ক হবে। অবশ্য যৌথ সামরিক মহড়া ও যৌথ টহলের বাইরেও দু'দেশের মধ্যে সামরিক তথ্যের আদান-প্রদান, প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময় এবং নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজের ‘শুভেচ্ছা সফরের' মাত্রা লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে গেছে। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিএনএস সাঙ্গু ভারতীয় নৌবাহিনী আয়োজিত বহুজাতিক অনুশীলন ‘মিলজ' এ অংশগ্রহণ করে। এছাড়া ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ আইএনএস রঞ্জিত, আইএনএস খঞ্জর আইএনএস ‘বিনাশ' সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফর করে গেছে। ‘গত ১৮ এপ্রিল ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শিব শংকর মেনন বাংলাদেশে ঝটিকা সফরে এসে ভারতীয় গোয়েন্দা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর সম্ভাব্য হামলার আগাম খবর দিয়ে যান। তবে ঐ সফরটি ঘিরে এখনও রহস্যের ঘোর কাটেনি। ভারতীয় গোয়েন্দা খবরের সূত্র ধরেই প্রধানমন্ত্রী তড়িঘড়ি করে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে উঠেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক সমীক্ষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা দৃঢ়ভাবে এই সমীকরণ টেনেছেন যে, ২০০৮ সালের প্রথম দিকে তদানীন্তন সেনাপ্রধান এবং এক এগারোর পটপরিবর্তনের অনুঘটক জেনারেল মইনের ভারত সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সামরিক সম্পর্কের ভিত তৈরি হয়েছে। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ভারতের বিভিন্ন ওয়েব সাইটেও এর সমর্থন পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল মইনের ভারত সফরকে ভারত সরকার শুধু সর্বাধিক গুরুত্বই দেয়নি। ভারতের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেনাপ্রধানসহ শীর্ষ সামরিক অসামরিক নেতারা জেনারেল মইনকে রিসিভ ও আলোচনার জন্য সময় দেন। অবশ্য তার কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সিডর উপদ্রুত মানুষের খাদ্য সংকট মিটাতে ভারত ৫ লাখ টন চাল বাংলাদেশের কাছে বিক্রির কথা দিয়েও নিজেদের প্রয়োজনের কথাবলে পিছু হটে। ভারতের হাইকমিশনার পিনাক চক্রবর্তী বলেছিলেন, ‘ভারত নিজের লোকদের না খাইয়ে বাংলাদেশকে চাল দিতে পারে না।'
জেনারেল মইনের ভারত সফরের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক ব্যবস্থাপনায় সরাসরি ভারতের সামরিক কর্তৃত্ব নাক গলাতে থাকে। এরই পটভূমিতে গত মার্চের শেষ দিকে ‘এশিয়ান এজ' পত্রিকা ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) শংকর রায় চৌধুরীর একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে। তাতে দেখা যায় যে, জেনারেল রায় চৌধুরী বলেছেন, ‘দিল্লী কান্ট এ ফোর্ড টু লেট ঢাকা স্লিপস্ অন ইট্স রাডার'- দিল্লী তার নজরদারির বাইরে ঢাকাকে থাকতে দিতে পারে না। তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা স্পর্শকাতর ও নতুন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রভাব নেই। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আদলে ও শিক্ষায় একে গড়ে তোলা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এজন্য দিল্লীর কী কী করা উচিত, তারও দিকনির্দেশনা দেন তিনি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিডিআর তথা জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে এখন যা হচ্ছে, তা এসবেরই পরিণতি বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন।
এসব দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করে বলতে হচ্ছে যে, অবশেষে আমাদের আশংকা সত্যি হতে চলেছে। গত মাসের মধ্যপর্বে ভারতের বিএসএফ-ডিজি ও বাংলাদেশের বিডিআর প্রধানের মধ্যকার ঢাকায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় সীমান্তে ‘যৌথ মহড়ার' প্রস্তাব দেয় ভারত। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিডিআর প্রধান এ প্রসঙ্গে যে কথা বলেছিলেন, তাতে সরকারের নীতি অবস্থান পরিষ্কার হয়নি।
এ প্রসঙ্গে ‘দৈনিক সংগ্রাম' ১৬ জুলাই/০৯ সংখ্যায় ‘যৌথ টহলের ভারতীয় প্রস্তাবে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট হয়নি' শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, ভারত জঙ্গি, অনুপ্রবেশকারী ও দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী, বিডিআরসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে মিলে ‘যৌথ টহল' ও ‘অভিযান' চালানোর প্রস্তাব দিয়ে আসলেও বাংলাদেশ তা সরাসরি নাকচ করে ‘যুগপৎ' টহল দেবার ব্যাপারে জোর দিয়ে এসেছে। এর আগে ভারতের সেনাবাহিনী জঙ্গি দমনের অজুহাতে ভূটানের ভূ-খন্ডে ঢুকে ‘যৌথ' সামরিক অভিযান চালিয়েছে। ভূটানের উদাহরণ টেনে ভারত এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সম্মতি আদায় করতে চেয়েছে। তবে বিগত জোট সরকারের আমল পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারতের যৌথ টহলের প্রস্তাব দৃঢ়তার সাথে নাকচ করে এসেছে। ১/১১-এর পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল মইনের সমর্থনে ড. ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বাধীন কেয়ারকেটার সরকারের আমল থেকে সীমান্ত ও প্রতিরক্ষা নীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতের প্রস্তাব দিতে শুরু করে বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তদানীন্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মইনের ভারত সফর এবং দু'দেশের মধ্যে ‘মিলিটারি-টু-মিলিটারী' সহযোগিতা প্রকল্পের আওতায় জেনারেল মইন ভারতের প্রস্তাবে গোপন সম্মতি দিয়ে আসার পর থেকে ভারত যৌথ টহল ও দু'দেশের সেনা সদস্যদের যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর লক্ষ্য অর্জন করতে সমর্থ হয়। এরই পটভূমিতে কেয়ারটেকার সরকারের সময় একবার ভারতের আসামের গভীর জঙ্গলে এবং কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের সিলেটে ভারতের সেনা সদস্যদের সাথে মিলে বাংলাদেশের সেনা সদস্যরা যৌথ কমান্ডো মহড়া দিয়েছে। এই ঘটনায় ‘যৌথ টহলের' ভারতীয় প্রস্তাবের ব্যাপারে বিডিআর-এর বর্তমান ডিজি'র অস্পষ্ট অবস্থানের রহস্য উন্মোচিত হলো। ১৬ জুলাই/০৯ ‘সংগ্রাম'-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দীর্ঘ বৈঠকের পর দু'পক্ষের মধ্যে ‘জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন্স'-স্বাক্ষরিত হয়েছে। অর্থাৎ দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার বিষয়বস্তু ও উভয়পক্ষের প্রাসঙ্গিক মন্তব্য অভিমত লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যা ভবিষ্যৎ আলোচনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।... ভারত সীমান্তে যৌথ টহলদানের পুরনো প্রস্তাবটি আবারও উত্থাপন করেছে। তবে বাংলাদেশ আগের মতোই যৌথ টহলের বদলে যুগপৎ টহলের কথা পুনরাবৃত্তি করেছে। অবশ্য এই প্রথম বাংলাদেশ পক্ষ ভারতের ‘যৌথ টহল' ইস্যুকে আলোচিত বলে স্বীকার করে নেয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে।
কেননা, দুটি স্বাধীন-সার্বভৌম প্রতিবেশী দেশের নিরাপত্তা বাহিনী, প্রতিরক্ষা নীতি ও প্রতিরক্ষা কৌশল কখনও ‘যৌথ' হয় না।... ভারত দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি ধরতে ও সীমান্ত প্রতিরক্ষায় ‘যৌথ টহলে'র প্রস্তাব দিয়ে আসছে। যা সার্বভৌম চেতনা ও জাতীয় প্রতিরক্ষার মৌল চেতনার পরিপন্থী। বাংলাদেশের সার্বভৌম নিরাপত্তা স্ট্র্যাটেজি ও ব্যবস্থাপনাকে ভারত তার কমান্ডও প্রয়োজনে ব্যবহার করতে চায়। ভারতের প্রস্তাবের নিগূঢ় তাৎপর্য উপলব্ধি করার পর বাংলাদেশের যতোটা স্পষ্টভাষায় এর প্রতিবাদ করা দরকার ছিল, তা দেখা যাচ্ছে না বলে জনগণের শংকা বাড়ছে। দৃশ্যত ‘যৌথ' টহলের ব্যাপারে সরকারের আরও শানিত ও সুস্পষ্ট অবস্থান নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।'
তবে দেশবাসীকে হতবাক করে দিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিডিআর-বিএসএফ প্রধানের বৈঠকের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সীমান্তে যৌথ টহল এবং দেশের ভেতরে যৌথ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হওয়ায় সরকারের নতজানু ও ভারত নির্ভর প্রতিরক্ষা নীতি উন্মুক্ত হয়ে গেল। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন, বৃহত্তর পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কৌশল ও নীতি অবস্থানকে ভারতনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ দিল্লীকে যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার করে এসেছে এক-এগারোর পটপরিবর্তনের সুযোগে তদানীন্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ও তার দোসররা তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেন। সামরিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সাথে ‘যৌথ'ভাবে যা চলছে, তা জেনারেল মইনের মিলিটারি-টু-মিলিটারি সহযোগিতামূলক প্রকল্পের প্রতিফলন মাত্র।
জেনারেল মইন সমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমদ বলেছিলেন, ভারতের সাথে তারা এমন একটা ‘অপরিবর্তনীয়' সম্পর্ক তৈরি করে যাবেন, যা কোন সরকার এসে পরিবর্তন করতে পারবে না। এরই ধারাবাহিতায় সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ ভারত সফর করেন। মিলিটারি-টু-মিলিটারী সহযোগিতা নীতির মোড়কে বাংলাদেশের স্বাধীন-সার্বভৌম প্রতিরক্ষা নীতিকে ভারতের প্রতিরক্ষা নীতি-কৌশলের পরিপূরক হিসেবে ঢেলে সাজানো এবং সেনাবাহিনী-বিডিআরকে ভারতের সেনাবাহিনী বিএসএফ-এর যৌথ টহল ও মহড়ার সাব-অর্ডিনেট বানানোর প্রক্রিয়ার সূচনা হয় জেনারেল মইনের ভারত সফরের মধ্য দিয়ে। একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের সেনাপ্রধানের পক্ষে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা পলিসির মতো মৌলিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার বৈধতা ও এখতিয়ার নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন উঠতে পারে। জনগণের প্রশ্ন, জেনারেল মইন মিলিটারি-টু-মিলিটারি সহযোগিতার আড়ালে ভারতের সাথে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কি কি গোপন চুক্তি করে এসেছেন, নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণকে তা জানানোর দায়িত্ব বর্তমান সরকারের। সরকার যদি এ ব্যাপারে অজ্ঞ থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি ও মন্ত্রণালয় মিলে জেনারেল মইন ও তার সমর্থিত দু'বছরের কেয়ারটেকার সরকার ভারতের সাথে যেসব গোপন ও স্পর্শকাতর চুক্তি বা সমঝোতায় উপনীত হয়েছে, তার ওপর একটা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে সংসদের মাধ্যমে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত। সরকার যদি জেনারেল মইন সমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের পরিবর্তিত প্রতিরক্ষা নীতি ও কৌশলকে অনুমোদন করে থাকে, তাও তাদের জাতিকে অবহিত করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারের নীতি-অবস্থান নিয়ে সন্দেহ ঘনীভূত হবার আরও কারণ আছে। বিশেষ করে বিডিআর বিদ্রোহ এবং সেনা অফিসার হত্যার পরবর্তী ক্রান্তিকালে বিডিআর পুনর্গঠনে ভারতের প্রস্তাব এবং তাতে সরকারের নীতি নির্ধারকদের ইতিবাচক মনোভাব এই সন্দেহকে তীব্র করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা খোলাখুলি বলেছেন যে, বাংলাদেশকে আর কখনও ভারতের রাডার-দৃষ্টিসীমার বাইরে যেতে দেয়া হবে না। বিডিআর বিদ্রোহ, সেনা হত্যা এবং এসব বিষয়ে সরকারের সন্দেহজনক ও দুর্বল নীতি-অবস্থান গ্রহণের ফলে বিডিআর শুধু দুর্বলই হয়নি, প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি ও অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। এর ফলে বিডিআর বিদ্রোহের পর থেকে আমাদের সীমান্ত কার্যত অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।
সেনাহত্যার তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করা এবং সেনাহত্যার বিচার নিয়ে অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করাসহ সরকারের নানা সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনীর মনোবল ভেংগে পড়েছে। এরই মধ্যে সরকারি ঘরানার ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীরা সেনাবাহিনী রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন। এর পাশাপাশি টিআইবি'র রিপোর্টে সেনাবাহিনীর দুর্নীতির প্রসঙ্গ উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব কিছুই কোন বিচ্ছিন্ন বিষয় নয় বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।