বিডিআরের ডিজিকে নিয়ে দু\'দফা বিব্রত সরকার
এহসানুল হক
বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মইনুল ইসলাম দ্বিতীয়বারের মতো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন সরকারকে। এবার তিনি সিদ্ধান্ত কিংবা কোনো অনুমোদন ছাড়াই বিডিআরের নতুন নাম, পোশাক ও মনোগ্রাম ব্যবহার করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। এর আগে তিনি সরকারের কোনো অনুমোদন ছাড়া বিডিআর পোশাক না পরে সেনা পোশাকে বিডিআরের দায়িত্ব পালন করে বিব্রত করেছিলেন সরকারকে। এ ধরনের আচরণ ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং আইনবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেছেন সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারক, আইন বিশেষজ্ঞ ও বিডিআরের সাবেক দুই মহাপরিচালক।
সরকারের একজন নীতিনির্ধারক জানান, বিডিআর মহাপরিচালকের (ডিজি) আচরণ আইনবহির্ভূত হলেও তার বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিডিআর নাম, পোশাক ও মনোগ্রাম পরিবর্তনের পেছনে বিদ্রোহ ও খুনের মতো স্পর্শকাতর ঘটনা জড়িত থাকায় এ ব্যাপারে সরকার কোনো হার্ড লাইনে যেতে পারছে না। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ধরনের আচরণ
থেকে তাকে বিরত থাকার জন্য বলেছে।
ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য নাম, মনোগ্রাম, পোশাক পরিবর্তনসহ বিডিআর পুনর্গঠন সংক্রান্ত উপকমিটির প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য তড়িঘড়ি করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র সচিব মোঃ আবদুস সোবহান সিকদার বলেন, শিগগিরই বিডিআর পুনর্গঠন সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। তবে বিডিআর ডিজির ব্যবহৃত নতুন পোশাক, নাম, মনোগ্রাম ব্যবহারের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি স্বরাষ্ট্র সচিব।
প্রসঙ্গত, বিডিআর ডিজি মেজর জেনারেল মোঃ মইনুল ইসলাম সম্প্রতি বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় এক অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত পোশাক ও মনোগ্রাম পরে উপস্থিত হন। আর সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিডিআরের পরিবর্তে \'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ\'-এর ডিজির পরিচয়ে ঈদকার্ড পাঠান। এ বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ প্রসঙ্গে মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম গতকাল সোমবার সমকালকে বলেন, \'এ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।\'
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সদর দফতর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের পর থেকে বিডিআরে প্রেষণে কর্মরত সেনাসদস্যরা বিডিআরের পোশাকের পরিবর্তে সেনা পোশাক অথবা বেসামরিক পোশাক পরে দায়িত্ব পালন করছেন। এ প্রসঙ্গে গত ২৮ মার্চ বিডিআর ডিজি সমকালকে বলেছিলেন, \'বিডিআরের বর্তমান পোশাকে সম্মান নেই, আছে রক্ত। সীমান্ত রক্ষা করতে যে বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সে বাহিনীর কতিপয় সদস্য তাদের নেতৃত্বকে হত্যা করেছে। তাই আমি এ পোশাক পরতে পারি না।\' বিডিআর পুনর্গঠনের পর নতুন পোশাক না আসা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর পোশাক পরে মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। সেই কথা অনুযায়ী আজ অবধি তিনি বিডিআরের পোশাক পরেননি। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিডিআর রেগুলেশন ১৯২২-এর চ্যাপ্টার ৬ অনুযায়ী বিডিআরের সুনির্দিষ্ট পোশাক পরার বিধান রয়েছে। যেটি ১৯৯৭ সালে সংশোধন করা হয়। এ সংশোধনী মোতাবেক বর্তমান পোশাক পরিধান করছেন বিডিআর সদস্যরা। আর ১৯৭২ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার-১৪৮ মোতাবেক বিডিআর নামকরণ এখনও বহাল রয়েছে।
রেগুলেশন ও প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার অথবা অধ্যাদেশের সংশোধনী না এনে নাম ও পোশাক পরিবর্তন করা বেআইনি বলে মন্তব্য করে দেশের প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, বিডিআর ডিজি এটি অন্যায় করেছেন।
বিডিআরের প্রতিষ্ঠাতা ডিজি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সিআর দত্ত বীর উত্তম বলেন, সরকার যখন পোশাক ও নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেবে তখনই নতুন নাম ও পোশাক ব্যবহার করা উচিত এবং তা আইনসম্মত হবে।
বিডিআরের সাবেক ডিজি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোঃ ফজলুর রহমান বলেন, তিনি সরকারের একটি শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান। সেই বাহিনীর প্রচলিত সব আইন-কানুন মানা তার জন্য বাধ্যতামূলক। বিডিআরের ডিজি যে কাজটি করেছেন তা অবশ্যই আইনসম্মত হয়নি। সরকারের সিদ্ধান্ত তিনি নিজের হাতে নিতে পারেন না।
ফজলুর রহমান আরও জানান, বিডিআরের ডিজি পরীক্ষামূলকভাবেও ওই পোশাক পরতে পারেন না। সাধারণত রীতি অনুযায়ী কিছুসংখ্যক জওয়ানকে প্রস্তাবিত নতুন পোশাক পরিয়ে পরীক্ষামূলক কাজ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, ডিজি সম্প্রতি মিডিয়ার কাছে দাবি করেছেন, এটি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চারজন নীতিনির্ধারকের সঙ্গে যোগযোগ করা হলে তারা প্রায় একই সুরে বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকার মর্মাহত। এ ব্যাপারে বিচার কাজ নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় সবকিছুই করা হচ্ছে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, এ ঘটনাকে সামনে রেখে প্রচলিত আইন-কানুনকে হেয় করা হবে। বিডিআর ডিজি যা করছেন তা অবশ্যই ঔদ্ধত্যপূর্ণ। বারবার তিনি সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, সরকারের একজন কর্মকর্তা হিসেবে দেশের প্রচলিত আইন মেনেই তাকে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচলনা করতে হবে। তিনি আইনের ঊধর্ে্ব নন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে বিডিআরের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে, সে বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে তাকে।
প্রসঙ্গত, পিলখানায় হত্যাযজ্ঞের পর গত ১ মার্চ সেনাকুঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক বৈঠকে বিডিআরে কর্মরত সেনা কর্মকর্তারা বিডিআর পুনর্গঠনের জোরালো দাবি জানিয়েছিলেন। এর পরপরই বিডিআর ডিজিকে প্রধান করে বিডিআর পুনর্গঠন সংক্রান্ত উপকমিটি করা হয়। বিডিআর নাম, পোশাক ও মনোগ্রাম পরিবর্তনসহ এ উপকমিটির প্রতিবেদন সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়েছে।
Government must take serious action to avoid this kind of stupidity for future.he is an army detector too. showing his power.
Where is Goverment?
আপনার লেখার যথার্থ জবাব আপনার লেখার মধ্যেই রয়েছে। আপনি লিখেছেন, "সরকারের একজন কর্মকর্তা হিসেবে দেশের প্রচলিত আইন মেনেই তাকে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচলনা করতে হবে।"
আসলে, বিগত বছরের বিএনপি এবং তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশ কখনো আইন মেনে শাষিত হয়নি। দেশ শাষিত হয়েছে, হাওয়া ভবনে তৈল মর্দন করে। রাস্ট্রের নিত্য-নৈমিত্তিক কাজগুলি যখন আইনের বহির্ভূত হয়ে ঘরের কিচেনে ঢুকে পড়ে, তখন রাস্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থা তথৈবচ হতে বাধ্য। দূর্ভাগ্য হলেও সত্য যে, আজ দেশের সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতীতের শিক্ষার কারনে আইন মানার বিষয়টি একেবারেই ভুলে গেছেন। বর্তমান সরকার এইটি পেয়েছেন, উত্তরাধিকার হিসেবে।
বিগত দিনের প্রজাতঅন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে ইয়াজউদ্দিন, আজিজ, জাকারিয়া আর মাহফুজ গংদের ঔদ্ধত্য পূর্ন কথা আর কাজের কথা নিশয়ই আপনার মনে আছে। এতসব উতশৃংঘলা কী রাতারাতী শেষ হতে পারে? একটু তো সময় তো লাগবেই। একটু ধৈর্য্য ধরুন, নিশ্চয়ই সব ঠিক হয়ে যাবে। কেননা, আইনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই জনগন এমন বিরাট জনমত দিয়েই সরকার গড়েছে।
sorry tiger71
Sorry to say I m disagree with you becouse Mr.DG everyday showing his power to government but so far government can not stop him or take any action against him.looks like Hasina government scare of him or BD army.
Is this also result of উত্তরাধিকার?
Could you please give us a list like ex DU hall VP of JCD, Ex JCD leader, General secretary of BNP (from local), Jubo dal, became the director of State running Bank?
Like Boloram Poddar, Ex. Jaganath hall VP Subash Sing Roy, Mujib hall VP Mongur Ex Chatra leauge leader Sahajada Mohiuddin gong, do they have any kind of qualification to be a director of the Bank? Do you know their past?
Why AL Govt. playing with our financial institutions? Who will benefit if those financial institutions get collapsed by those inexperience ex Chatra league cadre?
Is this a kind of AL hidden agenda to destroy all of our National institutions one by one, like BDR, Army, Biman, Bank ….........
Could you or any of you please answer us?
Dear Klanta Pothik
AL Govt got the absolute majority to govern the country even if you are not happy.
AL got the historical mandate to fix the lapses that happened during last care-taker & BNP Govt including financial institutions, even if you do not agree.
Any Government has the right to appoint few people from own party in order to acheive their goals. Nothing wrong with them. Obviously you can not like those apointees because you are a blind BNP supporter.
You ESCAPE my questions
I have asked you to list from your so called উত্তরাধিকার (বর্তমান সরকার এইটি পেয়েছেন, উত্তরাধিকার হিসেবে।) who are the garbage of the Country but became the policymakers of our national institutions, specially financial institutions?
And also I have asked you if you are aware about their past?
Bangladesh is not USA where if Democratic win in the election then Republican left white house with their bag and baggage. So try to understand to achieve their political GOAL if they appoint political garbage then garbage will be out. At the end of the day it will effect our national economy.
Those political garbage can be a MP, minister from their party in order to achieve their DIGITAL GOAL but not from or in the place where they has been placed.
Those political cattle can be use to cultivate sugarcane, kacha morich in Nizum dip perhaps can be use also as a UN forces in Africa since all of them has arms training. As a result Bangladesh will earn some more hard foreign currency.
I don't support their appointments, it doesn't mean I am the blind supporter of BNP who gave you this lesson? Supporting AL and their activities means REAL KHATI MUKIJODDA, DESPREMIK if not then RAZAKAR, blind supporter of BNP this is nothing but ideology of some sick people.
টাইগার৭১ মিথ্যাচারের আরেকটি নাম ও গদাম লাথি।
দুই বিচারপতিকে অবসর দেওয়ার জন্য সংবিধান লংঘন করেছে এই সরকার। (পরে তুলে নিতে বাধ্য হয় সরকার)...এটা নিশ্চয় নিরপেক্ষ টাইগার২১ এর কাছে আইনের শাসন। এহেন নিরপেক্ষবাদীদেরকে গদাম লাথি।
...উল্লেখ থাকে সাবেক তথ্য সচিব বাকশালী মুজিবকে আলুবোখরা বললে সরকার তাকে অবসরে পাঠিয়ে দেয়, এটাও আওয়ামী আইনের শাসন, প্রতিদিন বদলী বাণিজ্য, ওএসডি বানিজ্য ইত্যাদিও আওয়ামী আইনের শাসন।।...গদাম লাথি। গদাম লাথি।
মতিনকে
ভুলকে শুধরে নেবার মতো সাহস আওয়ামী লীগের আছে। আওয়ামী লীগ পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসে না। আওয়ামী লীগের ভিত্তি আর্মি নয়, কোন রাজপরিবার নয় বরং বাংলাদেশের খেটে খাওয়া সাধারন জনগন। আর সে জন্যই, আওয়ামী লীগ পারে ভুলকে শুধরে নিতে। ভুলকে মিথ্যার আবরনে ঢেকে কারা রাজনীতি করে, তার বিষদ ব্যাক্ষার কি প্রয়োজন আছে?
জাতির পিতা নিয়ে কুরুচিপূর্ন মন্তব্য যে কোন দেশে, যে কোন সমাজে দন্ডনীয় অপরাধ। এটা নতুন কোন কিছু ব্যাপার নয়। আপনার বা আপনাদের মতো তুচ্ছ দুই-একজন মানুষের লাফালাফি কিংবা অশালীন কথাবার্তায় কিছুই যায় আসে না। আপনাদের মনের কস্টের বিষয়টা বুঝতে পারি। তবে এইটুকু স্মরন করিয়ে দিতে পারি যে, যাই স্বপ্ন দেখুন না কেন, আপনার এই জীবনে তা পূর্ন হয় নাই এবং কখনো হবেও না। আপনাদের শত চেস্টাতেও আওয়ামী লীগের একটি বালও ক্ষয় হবে নয়া, যদিও নিজেই নিজের কপালে লাথিটা মারেন।
matin.............
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫৬% এর বেশী লোক আওয়ামীলীগের ধ্যান ধারনায় বিশ্বাসী। আর আপনাদের রাজাকারদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১ ভাগেরও কম। আপনাদের রাজাকারদের পাছার বরাত ভাল যে আওয়ামীলীগের লোকেরা লাথি উঠায় নাই। যদি একবার নাম নেয় তা'হলে আপনাদের পাছার হাড়গুড় তো থাকবেই না, সাথে পাছার চামড়ার অস্তিত্বও থাকবেনা। আওয়ামীলীগের লোকেরা ভাবে এসব নেড়ী কুকুরের পাছায় লাথি দিয়া পায়ে আর্বজণা লাগিয়ে কি লাভ?
================================================
আমাদের গ্রামের বাড়িতে একজন লোক ছিলেন। উনি ছোট বেলায় পোলিওতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ফলে তার দু'টো পা'ই অকেজো হয়ে যায়। লোকটি দুই হাতের উপর ভর দিয়ে চলত। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধী এই লোকটির মুখে সব সময় একটা গালি লেগে থাকত। তা'হল "লাথি দিমু বা লাথি মারমু"। জনাব, আপনার কি সাথে পা আছে? নাকি হাতের উপর ভর দিয়ে চলাফেরা করে পা চালানোর বাহাদুরী দেখাচ্ছেন?.........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়