

বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু লোক তাদের আপন কর্মগুনে চিরদিন মানুষের মনে শ্রদ্বার পাত্র হয়ে থাকবে!শুধু কিছু মানূষ বললে ভূল হবে কিছু স্থানের নামও ইতিহাস হয়ে থাকবে।আমার এই লিষ্টে যে কেউ নতুন কারো নাম ও স্থানের নাম দিতে পারবেন।তবে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের নাম,জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম,বংঙ্গোবন্ধু শেখ মুজিব,মাওলানা ভাসানী,তাজউদ্দিন আহম্মেদ এবং হালের ক্রেজ ডঃইঊনুস এবং সাকিব আল হাসানের নাম দেয়া যাবেনা।
স্থানের নামের ক্ষেত্রে সরোয়ার্দি উদ্যান,পলাশীর আম্রকানন,মুজিব নগরের শপথ স্থান উল্লেখ করা যাবেনা।
ইতিহাসের সেরা সন্তানঃ তারেক জিয়া
আরাফাত কোকো
ইতিহাসের সেরা পরকীয়া ঃফালু-খালেদা
ইতিহাসের সেরা লুচ্চা ও পুকুর চোর গিয়াসউদ্দিন মামুন
ইতিহাসের সেরা প্বার্শ নারী ঃকেয়া,পূর্নিমা,জীনাত এরশাদ,বিদিশা
ইতিহাসের সেরা ব্যর্থ প্রেমিক থেকে সন্ত্রাসীঃজয়নাল হাজারী।
ইতিহাসের সেরা রাজাকারঃ গো-আযম,নিজামী,সাকা
ইতিহাসের সেরা ঘটনা ঃ খন্দকার দেলোয়ারের পায়জামা খুলে পরা।
ইতিহাসের সেরা চুরিঃ সিমেন্স থেকে কোকোর ঘুষ নেয়া।
ইতিহাসের সেরা শিল্প উদোক্তাঃফালু ও কোকো ।(ত্রানের টীন চুরি করে যারা দেশের শিল্পায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন)
সেরা বাড়ী ঃ ১ টাকায় প্রাপ্ত ক্যাণ্টমেন্টের বাড়ী।
সেরা দালালীঃহাওয়া ভবন এন্ড কোং
সেরা প্রমোদকুঞ্জঃ খোয়াব।
সেরা চাল-ডাল নুনঃ সংসদ ভবনের ক্যাফটেরিয়া
সেরা চিকিৎসা ঃসংসদের স্পীকারের সংসদের টাকায় বিদেশে চিকিৎসা।
সেরা পাতিহাস লেখকঃ সেলিম চোধুরী/রায়হান খান
সেরা ই-মেলা কণ্টিবিউটার- আব্দুল মতিন,আশরাফ,কাওসার,বিডি ০৮
বিদ্রঃ (যার দেয়া নাম এবং ঘটনা সেরা হবে তাকে ১ সপ্তাহের জন্য কোকো লঞ্চে সুন্দর বনের বাঘের আচর দেয়া হবে।পরিশেষে পুরুস্কার হিসাবে খোয়াব নাম প্রমোদকুঞ্জে বিনে পয়সায় ৩ রাত থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা যার তত্ত্বাবধান করবেন যথারীতি সেখানকার নিয়মিত হোষ্ট পুর্নিমা এবং কেয়া)
Tiger 71,
সেরা মন্তব্যঃ আগে কুকুর লেজ নাড়াত, এখন লেজ কুকুরকে নাড়ায়।
সেরা বাণীঃ দ্রব্য-মূল্যের মূল্য বৃদ্ধিতে গরীব লোকের কস্ট হবেনা, কেননা খালেদা সরকারের আমলে জনগনের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়েছে কয়েকগুন।
সেরা ফতোয়াঃ আল্লাহ’র মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে।
সেরা সংবাদঃ বাংলা ভাই বলে কোন অস্থিত্ব নেই। সব আওয়ামী মিডিয়ার প্রচারনা।
সেরা স্বপ্নঃ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে দেশ। বাংলাদেশ এখন তৃতীয় বিশ্বের মডেল। (বিএনপি’র ৫ বছরের শাষন কালে)
সেরা অর্থনৈতিক সংবাদঃ প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কালো টাকা সাদা করন।

দেলোয়ার চোরার ফুলেল শুভেচ্ছা
চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী।দেলোয়ার চোরা মহারানীর জন্ম দিনে ফুল কোথায় থেকে চুরি করে এনেছে তা তদন্ত করলেই বেরিয়ে যাবে।এই চোরা এমপি হোষ্টেলের লোটা বাটি চাদর বালিশ বদনা সহ শতাধিক আইটেম চুরি করেছিল যা এখন ও ফেরত দেয়নি।এই চোরার হাতে ফুল দেখে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগে দেলোয়ার চোরা এই ফুল পেল কোথায়?রাত তিনটায় শাহ বাগ মোড়ের ফুলের দোকানে দরজা ভেঙ্গে এই ফুলের তোড়া চুরি করেনি তো আবার?এই চোরার ১৪ গোষ্টি চোর।চোরের দলের সাথে চোরের মহারানীর ফুল বিনিময় হবে তা আর নতুন কি?
চোরের রানী হাসিনা ও তার প্রবাসী দালালদের জন্য..........
আহারে সত ও নির্লোভ এই নেত্রীর সাথে এসব কি হচ্ছে.........।
দেলু চোরার র্দুদিন...
কে ফিরিয়ে দেবে ২৭ মাসের ক্ষুধা! না খাইতে খাইতে কোমরের মাংস শুকাইয়া কাঠ...
কে দুর্নীতিবাজ তারেক রহমান নাকি শেখ হাসিনা?
কে দুর্নীতিবাজ হলেন তারেক রহমান নাকি শেখ হাসিনা?
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী|
লজ্জা অবশ্য আওয়ামী মন্ত্রীদের ভূষণ নয়।লজ্জা-শরম তাদের আছে বলে মনেও হয় না।সে কারণে চোরের মায়ের মতো বড় গলায় কথা বলতে তারা কখনোই দ্বিধা করেনি।প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু তারেক রহমান সম্পর্কে বলেছেন, তিনি নাকি জনগণের টাকা লুণ্ঠনকারী।বিদ্যুৎ খাত থেকেই হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছে।আওয়ামী লীগ যেমন তেমনি স্বৈরাচারী তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তারেক রহমানের ওপর হামলে পড়েছিল।কোনরূপ অভিযোগ ও তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করা হয়।সে ক্ষেত্রে পানি ঘোলা করার অভিযোগ আনতেও কুণ্ঠাবোধ করেনি ওই জালেম সরকার।সেই বর্বর শাসকরা তাদের দুই বছরে তারেক রহমানের ওপর যে পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের আবুগারিব ও গুয়ান্তানামো বে বন্দিশালার নির্যাতনের সাথে তুলনীয় হতে পারে। পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, সেখানে বন্দী নির্যাতনকারীরা ছিল সাম্রাজ্যবাদী হানাদার বাহিনী।আর তারেক রহমানের ওপর যারা নিষ্ঠুর ও পৈশাচিক, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, তারা কোনো হানাদার নয়, এ দেশেরই নাগরিক।ধারাবাহিক নির্যাতনের মাধ্যমে তারা তারেক রহমানের মেরুদণ্ডের হাড় পর্যন্ত ভেঙে দিয়েছে।
কিন্তু কী অভিযোগ তারেকের বিরুদ্ধে? কিংবা কী দোষ তার?ওই দুই বছরের বর্বর পিশাচরা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই দাঁড় করাতে পারেনি।ইরাকে সাদ্দাম হোসেন ও তার দুই পুত্রকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদি প্রভাবিত সব প্রচারমাধ্যমে সাদ্দাম হোসেনের দুই পুত্রকে উদে ও কুশেকে দানবরূপে চিত্রিত করার ধারাবাহিক অপপ্রয়াসে লিপ্ত থাকে।তাদের ধারণা ছিল সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা করা হলেও উদে ও কুশের পেছনে বিপুলসংখ্যক ইরাকি মানুষ সমবেত হবে এবং তাদের নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন জোরদার করে তুলবে।সেই আতঙ্ক থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাম্রাজ্যবাদীরা উদে ও কুশেকে হত্যা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে ওই মিডিয়া সন্ত্রাস শুরু করে।
বাংলাদেশেও ঘটেছে প্রায় একই ঘটনা।সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের উচ্ছিষ্ট ওই মিডিয়া ও তথাকথিত সুশীলসমাজ একেবারে শুরু থেকেই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচারে লিপ্ত হয়।তারেক রহমান বিএনপি?র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই যুবসমাজের ভেতর ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে তোলেন।দলকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পথে সুসংগঠিত করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।এর ফলে বিশ্বাসহন্তা মান্নান ভঁূইয়া মহাসচিব হিসেবে যে বিএনপিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছিলেন তাকে জাগিয়ে তোলেন তারেক রহমান।এটি আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর এবং তাদের এদেশীয় চাকরবাকরদের আতঙ্কিত করে তোলে।ফলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে তারা সুপরিকল্পিত অপপ্রচারে লিপ্ত হয়।তারেক রহমান হাজার হাজার কোটি টাকা লুণ্ঠন করেছেন।সে টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিত্তের মালিক হয়েছেন।এমনই সব অপপ্রচার বিনা প্রমাণে প্রতিদিন চালিয়ে যাওয়া হয়।শেখ হাসিনা নিজেও তার মর্যাদার অনেক নিচে নেমে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবিরাম বিষোদ্গার করতে থাকেন।তিনি বিএনপি'র বিরুদ্ধে বা সরকারের বিরুদ্ধে যত না তার চেয়ে অনেক বেশি বক্তব্য দিয়েছেন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। বিএনপি?র বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেয়নি, কিংবা ঘেরাও করেনি দুর্নীতি দমন কমিশনের অফিস অথবা বিএনপি কার্যালয়।তার বদলে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় গুলশানের হাওয়া ভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ।ওই কার্যালয় হাওয়া ভবন বলে পরিচিত।আওয়ামী লীগ মন্ত্রী নয়, এমপি নয়, রাজনৈতিক অন্য কোনো ব্যক্তি নয়, ব্যবসায়ী নয়, শিল্পপতি নয়, দুর্নীতির প্রতীক হিসেবে তারেক রহমানকে চিহ্নিত করেছিল।তারেক রহমানের নিজের না ছিল কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, না ছিল কোনো শিল্প-কারখানা।তার পরও তারেক রহমানকে কেন্দ্র করেই যেন আবর্তিত হচ্ছিল আওয়ামী লীগের রাজনীতি।তত্ত্বাবধায়ক নামের স্বৈরাচারী এবং সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির পদলেহী সরকারও তারেক রহমানকেই প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।কারণ, তার মাধ্যমেই জাতীয়তাবাদী শক্তি সুসংহত হয়ে উঠতে পারে।এই ছিল তাদের শঙ্কা।সুতরাং তারেক রহমানকে নিঃশেষ করে দেয়ার চক্রান্ত তারা করেছিল।কিন্তু ওই দুই বছর তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তারা দাঁড় করাতে পারেনি।সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যবাদীদের পদলেহী সরকারও এমন একজন লোককেও খুঁজে বের করতে পারেনি যে সে আদালতে দাঁড়িয়ে বলতে পারে, তারেক রহমানকে সে উৎকোচ দিয়েছে।
অথচ অন্তত দু?জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী ও নূর আলী আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, শেখ হাসিনাকে তারা কিভাবে কোটি কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছেন।সেটি কেবল মুখের কথা নয়। চেকের মাধ্যমে সেই ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল।তাহলে দুর্নীতিবাজ কে হলেন তারেক রহমান নাকি শেখ হাসিনা?
SalimC: ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালীন শেষ এক বছরে (টি, আই, বি )এর রির্পোট অনুযায়ী প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা লুট পাট করেছে আওয়ামী লীগ তথা আওয়ামী নেতারা সেটা কি দূর্নীতি হয়নাই?যদি হয়ে থাকে তাহলে সেটার বিচার কে করবে?যে দেশের প্রধানমন্ত্রী দুর্নিতিবাজ,যে দেশের দুদক চেয়ারম্যান দুর্নিতিবাজ - সে দেশে দূর্নিতির বিরুদ্ধে কিছু করা মস্তবড় তামাশা।এদেশের জনগন মস্ত গর্দভ ইতিহাস একদিন বিচার করবে ডজনখানেক দূর্নিতি মামলার আসামী পেরোলে মুক্ত থাকাবস্থায় কিভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়?? আমরা জানতে চাই হাসিনার বিচার হবে কিনা - তার মামলাগুলির কী হবে? একজন পেরোলে মুক্ত আসামীর কী নৈতিক অধিকার আছে প্রধানমন্ত্রী হবার? ২৪ টি চুরির মামলার আসামি,মিগ বিমান কিনতে গিয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চুরি করে হাসিনা যদি প্রধানমন্ত্রী হয়ে বাইরে ঘুরে বেরায় তবে এই যদু-মধুরা জেলে থেকে করবে কি?সব চোর ছেরে দেওয়া হোক,হাসিনার সাথে মিলেমিশে এরা ডিজিটাল বা;লাদেশ গড়বে|
ডাইনি হাসিনা তার হীংস্র থাবা যেখানে সেখানে মাইরা অরাজকতা করতাছে | দলিয় লোক দেরকে দিয়া সারা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে দখল কইরা শখ মেটেনা |মঈনুল-মতিনদের প্রতাপের সময় শেখ হাসিনা মইন উদ্দিনের সাথে আতাত করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, খালেদা দেশ ছেড়ে না যাওয়াতে শেখ হাসিনা আবার ফিরে আসে তাহা কি এত তাডাতাডি ভুলেগেলে?
"নেত্রী র্দুনীতি মামলার আসামী এবং প্যারলে বাইরে ২৪টি চুরির মামলা নিয়ে এর আগে দুনিয়াতে কেউ দেশ চালানোর নাম করে নাই|গিনিজ বুকে নাম উঠবে হাসিনার| কোন সূস্থ এবং সভ্য সমাজে এটা অকল্পনীয় বাস্তবতা।আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাংলাদেশ ডিজিটাল দুর্নীতির দিকে এগি্যে যাবে কারণ তাদেরই সময় প্রথম বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যম্পি্যন হয়।
এই মইন পুলিশ দিয়ে হাসিনাকে টেনে হিচরে চোরের মত গাড়িতে তুলেছিল|গদি পেয়ে,সেই হাসিনা ও তার আওয়ামিলিগ ভক্তরা সব লাথি-গুতার কথার ভুলে গেছে|আওয়ামিলিগ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার মইন বন্দনা করে, সকালে উঠেই আর একবার মইন বন্দনা করে|
*হাসিনার সব কুকামের কথা জলিল ফাস করেছে,এটা তার দোষ হয়েছে? হাসিনা চুরি করবে, আর জালিল সেনাবাহিনির মার খেয়েও চুপ থাকবে এটা কেমন কথা? শেখ সেলিমতো হাসিনা-রেহানা দুই চোরের নামই বলে দিয়েছে,তাতে দোষ নাই? হাসিনা চুরি, অপরাধ করবে,তবে কেউ বলতে পারবে না এটা হল আওয়ামিদের নিয়ম|চোরের দল তোরা ভাল হবি না?
উদে-কুসের সাথে তুলনা কি মানির মান রক্ষা না অপমান?
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী লিকেচেন "কিন্তু কী অভিযোগ তারেকের বিরুদ্ধে? কিংবা কী দোষ তার?ওই দুই বছরের বর্বর পিশাচরা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই দাঁড় করাতে পারেনি। ইরাকে সাদ্দাম হোসেন ও তার দুই পুত্রকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদি প্রভাবিত সব প্রচারমাধ্যমে সাদ্দাম হোসেনের দুই পুত্রকে উদে ও কুশেকে দানবরূপে চিত্রিত করার ধারাবাহিক অপপ্রয়াসে লিপ্ত থাকে।তাদের ধারণা ছিল সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা করা হলেও উদে ও কুশের পেছনে বিপুলসংখ্যক ইরাকি মানুষ সমবেত হবে এবং তাদের নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন জোরদার করে তুলবে।সেই আতঙ্ক থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাম্রাজ্যবাদীরা উদে ও কুশেকে হত্যা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে ওই মিডিয়া সন্ত্রাস শুরু করে। বাংলাদেশেও ঘটেছে প্রায় একই ঘটনা। সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের উচ্ছিষ্ট ওই মিডিয়া ও তথাকথিত সুশীলসমাজ একেবারে শুরু থেকেই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচারে লিপ্ত হয়।"
পাঠক লক্ষ্য করবেন, এক লেখার মাধ্যমে লেখক বলতে চাইছেন, সাদ্দামের পুত্র উদে এবং কুশে" নির্দোষ" হবার পরও "যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিঃ প্রচারনার শিকার, ঠিক তেমনি, জিয়ার দুই পুত্র উদে-কুশের মত "নির্দোষ" হবার পরও "সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের" ষড়যন্ত্রের শিকার।
তারেক জিয়া, কোকো জিয়ার কৃত অপরাধ বা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আমার মন্তব্য নাই। তবে, আমার নিহের ইরাকে একদা বসবাসকারি বাংগালি প্রবাসিদের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সাদ্দাম-উদে-কুশের নৃশংস চরিত্র, তাদের দুর্নীতির ভয়াবহতার কথা, ইরাকবাসী হাড়ে হাড়ে জানে, এবং সে নিয়ে কাউরো সন্দেহ নাই। আমি মার্কিনের ইরাক যুদ্ধের ঘোরতর বিরোধি হলেও, সাদ্দাম-উদে-কুসেদের মত লোকদের বিশ্বমানবতার পক্ষের লোক বা ভাল লোক মানতে নারাজ। সিদ্দিকি সাহেব, সেই উদে-কুসের সাথে তারেক-কোকো জিয়ার তুলনা করে, কার সত্য পরিচয় উপস্থাপন করলেন? আমার ত মনে হয়, প্রকান্তরে এ তুলনা জিয়া তনয় তারেক-কোকোর জন্য অপমানকর।
বাংলাদেশের ১৫ কোটি নাগরিকের প্রত্যেকেই স্বাধীনতার উত্তরাধিকার।
-কথায় বলে যার এক কান কাটা, সে হাঁটে রাস্তার পাশ দিয়ে।আর যার দু' কান কাটা সে হাঁটে রাস্তার মাঝখান দিয়ে। অর্থাৎ তার দু'টি কান কাটা যাবার পর আর লজ্জা-শরমের বালাই থাকে না।আওয়ামী লীগের পরিচিতি এমন এক অবস্থায় এসে ঠেকেছে, এদেশের জনগণের নির্বাচিত হতে ভয় পায়, তাই ওরা সাংবিধানিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া ভন্ডুল করে দেশকে অশুভ অাঁতাতের পাতানো নির্বাচনে তাঁবেদার সরকার প্রতিষ্ঠা করে|তার নামই হচছে মহাচোর সরকার।
-আওয়ামী লীগ নামক সংগঠনটির সাথে যারা জড়িত তাদের দু’একজন কোন পাড়া বা মহলল্লায় বাস করা মানেই সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণ তাদের অত্যাচার, অহমিকা বাকশালী আচরণ থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে নিজেদের জানমাল খরচ করে কিংবা নিরবে হলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ভোট প্রদান করে।
- জেনারেল মইনের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বিজয়ের ভোজবাজীটাও ফুটো বেলুনের মতো চুপসে যায়।পেছনের দরজা দিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসায় পারঙ্গম আওয়ামী লীগ আর একটি নির্বাচনী প্রহসনে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা উপড়ে ফেলতে চায়।
-স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তাদের কর্মকাণ্ড এবং শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর ক্রমেই দলটির জনপ্রিয়তা কমতে কমতে তা ৪০ শতাংশের নিচে এসে দাঁড়ায়। ফলে ’৭৩-এর পরে শুধু ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণে দলটি ১৪৬ আসনে বিজয়ী হয় এবং সে সময়ে জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে। ’৭৩ পরবর্তী সবগুলো নির্বাচনেই দেখা গেছে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তথা ৬০ শতাংশের অধিক জনগণ আওয়ামী লীগের বিপক্ষেভোট প্রদান করেছেন। এক সময়কার বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ জনগণের সমর্থিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জনসমর্থন ৪০ শতাংশের নিচে চলে আসার কারণ ছিল ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তাদের শাসনামলে বাকশাল, রক্ষী বাহিনী, কাদেরিয়া বাহিনী, মুজিব বাহিনীর অত্যাচার সহ নানা মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড, সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা, সংবাদপত্র ও মানুষের মৌলিক মানবাধিকার হরণ প্রভৃতি। এ ছাড়া জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান অবধি দলটির সাথে জড়িত প্রায় অধিকাংশ লোকেই চরম স্বেচ্ছাচারী ও অহঙ্কারী মনোভাবের কারণে দলটির সাথে সম্পৃক্তহীন দেশের অধিকাংশ জনগণই তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে দলটির বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। কারণ আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত অধিকাংশের ভাব ও আচরণ হলো তারাই কেবল যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে, তাই তারা ছাড়া বাকিরা দেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক।সবদেশেই স্বাধীনতা আন্দোলনে কোনা না কোন দল বা ব্যক্তির কেন্দ্রীয় ভূমিকা থাকে। কিন্তু কোন বিশাল জাতীয় অর্জন কখনও একক দল বা বিশেষ ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগেই জাতীয় অগ্রগতি ও পথ চলার গণতান্ত্রিক ধারা নির্ধারিত হয়েছিল।
- এ ছাড়া আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা হ্রাসের ক্ষেত্রে কাজ করেছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে তাদের বিশেষ সখ্য।আওয়ামী লীগ যে অর্থে রাজনৈতিক দল, সে অর্থে বিএনপি হয়তো কোন মনোলিথিক দল হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু তারপরও ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদাত-উত্তর সময়ে জনগণই বিএনপিকে ঢাল বানিয়ে আধিপত্যবাদী আগ্রাসন প্রতিরোধ করেছে। আওয়ামী লীগ যখন ভারতের মতো চিহ্নিত আগ্রাসী শক্তির তাঁবেদার হিসেবে আবির্ভূত হয়, তখন স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ নিজেদের প্রয়োজনেই দল বা প্রতিষ্ঠানের ব্যানার তৈরি করে নেয়।
-আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির অতীতচারিতায় দেশকে যেভাবে একাত্তরের বিভাজন রেখায় ফিরিয়ে নিচ্ছে, তাতে তাদের সুশাসনের সোনার পাখী হাত ফসকে উড়ে যেতে পারে। একাত্তরের স্বাধীনতার পক্ষ এবং বিপক্ষের বাটোয়ারা ২০০৯ সালে অচল। বাংলাদেশের ১৫ কোটি নাগরিকের প্রত্যেকেই স্বাধীনতার উত্তরাধিকার।
-গত নির্বাচনে ৬৩ আসন পাওয়া আওয়ামী জাতিকে ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা ও ২ বৎসরে দু:সহ ফখরুদ্দীন সরকার ছাড়া নতুন কিছু উপহার দিতে পারেনি। তাই তাদের প্রতি জনসমর্থন বাড়াটাও ভৌতিক ব্যাপার।
-প্রশ্ন দাঁড়ায় যে দলটি ২২ জানুয়ারি ’০৬ এর নির্বাচনে নিশ্চিত ভরাডুবি জেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াল, তারা এমন কি ভালো কাজ সেনা সমর্থিত সরকারের ২ বছরে জাতিকে উপহার দিল যে কারণে ২৯ ডিসেম্বর ’০৮-এর নির্বাচনে অংশ নেয়ার দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্র্রহণ করতে পারল। আমার দৃষ্টিতে এ সময়ে তাদের দু’টি ভালো! কাজ উলেøখ করার মত। আর তা হলো ২৮ অক্টোবর বিশ্ব ইতিহাসের বিরল রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা এবং দ্বিতীয়টি বাংলাদেশের শাসন কর্তৃত্বকে সেনা সমর্থিত অনির্বাচিত সরকারের ব্যানারে বিদেশীদের কাছে ২ বছরের জন্য ইজারা দেয়া। আর শেখ হাসিনার এই দুটি ভালো কাজের জন্য দেশের জনগণ গত নির্বাচনের ৬৩ আসনের সাথে আরো ২০০ আসন বাড়িয়ে মহাজোটকে ২৬৩ আসন পুরস্কার হিসেবে দিয়েছে!
selim c
ভাইটি তুমি যদি স্পাম হও আমার বলার কিছুই নাই।কিন্তু যদি মানূষ হয়ে থাক টপিক্সের সাথে অপ্রাঙ্গিক বিষয়টি ডিলিট কর।আর ভাই তোমার লেখাতো কোন কমেন্টস নয় ইহা নিজেই একটা টপিক্স।
Chor in picture >>> bangladesh21
I can see a chor in the picture who stole 21 times in a day in Bangladesh.
ভোট চোর bangladesh21: সেরা কিছু ঘটনা........
সেরা থ্রি-সাম: এসপি মাহবুব-হাসিনা-মৃনাল
সেরা লন্ডন পরকীয়া: ডা: ইকাবাল-রেহানা
সেরা গাড়ীর ব্যাক সিটে স্ক্যন্ডাল: এরশাদ-হাসিনা
সেরা জাতীয় বেঈমান: হাসিনা ( এরশাদের সাথে যে নির্বাচনে যাবে...)
সেরা মহিলা চোরনী: হাসিনা ১৪ টি মামলায় পুলিশ কতৃক ধৃত
সেরা ডিগ্রী ক্রয়: হাসিনার কালো বাজারে ৭ টি ডিগ্রী ক্রয়|
সেরা গডমাদার: হাসিনা ( ১ টার বদলে ১০ টা লাশ)
সোর ঘুষ খাওয়া: হাসিনা কতৃক ৩ কোটি টাকা ভর্তি সুটকেস|
সেরা ই-ভোট চোর: bangladesh21
দূঃখিত betrayed
হাসিনা,রেহানা,জয়, মইন সহ যাদের নাম ইতিহাসের কুখ্যাত লোকদের পাতায় রায়হান সাহেব দিয়েছেন তাদের নাম কি করে সুখ্যাতের তালিকায় রাখি।তাহলে পাতিহাসের লেখক রায়হান সাহেব মাইণ্ড খাইবেন না তা কি করে বলি।
আজকের সেরা কমেন্ট '' মানুষের
আজকের সেরা কমেন্ট '' মানুষের রক্ত চুষে খাওয়া সুদখোররা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ''
--শেখ হাসিনা--
মাননীয়া চাদাবাজ মহোদয়া
ভাল হয় জাতিসংঘে সুদখোরের উপরে একটি স্পিচ দিলে।শধু বাংলায় বানী দিয়ে দেশবাসীকে ধন্য না করে আপনার মহামূল্যবান উপরোক্ত বানী জাতিসংঘে বয়ান করে এ পৃথীবিকে ধন্য করুন ।
Where is Hasina and Rehana
Please add Hasina was with Amu and Rehana with Dr.Iqbal..........This is also PROKIA PREM..........do you feel shy to list their name?
আরো কিছু সেরা ০০০
ভাই আপনার লেখা পড়ে আরো দু-একটি সংযোজন করার লোভ সামলাতে পারলাম না। এই যেমনঃ
সেরা মন্তব্যঃ আগে কুকুর লেজ নাড়াত, এখন লেজ কুকুরকে নাড়ায়।
সেরা বাণীঃ দ্রব্য-মূল্যের মূল্য বৃদ্ধিতে গরীব লোকের কস্ট হবেনা, কেননা খালেদা সরকারের আমলে জনগনের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়েছে কয়েকগুন।
সেরা ফতোয়াঃ আল্লাহ’র মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে।
সেরা সংবাদঃ বাংলা ভাই বলে কোন অস্থিত্ব নেই। সব আওয়ামী মিডিয়ার প্রচারনা।
সেরা স্বপ্নঃ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে দেশ। বাংলাদেশ এখন তৃতীয় বিশ্বের মডেল। (বিএনপি’র ৫ বছরের শাষন কালে)
সেরা অর্থনৈতিক সংবাদঃ প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কালো টাকা সাদা করন।
সেরা অর্থনৈতিক সংবাদ প্রসঙ্গে...।
নিজ জাতি ও দেশের বিষয়ে আন্তমসম্মান বোধ সম্পন্ন যে কোন সচেতন নাগরিক তার দেশের প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর ন্যায় অতীব গুরুত্বপুর্ন রাষ্ট্রীয় পদে যারা অধিষ্ঠিত হন তাদেরকে তাদের ধর্ম,বর্ন ও রাজনৈতিক মত ও পথ নির্বিশেষে যথাযথ সম্মান দানে কার্পন্য করেন না। আমাদের বিগত রাজনৈতিক সরকারের সাবেক মননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক (মরহুম) অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের প্রতি আমার ব্যক্তিগত সে সম্মান প্রদর্শনে যে বিষয়টি আমাকে পীড়া দেয়,সেটি হলো বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এ দুই বিশেষ ব্যাক্তিত্বের কালো টাকা সাদা করনের ন্যায় অনৈতিক কর্মটি।
হাসান ইয়াম খান,
সুইজারল্যান্ড।
কোথাকার কোন নজরুল
হাসান সাহেব মরহুম সাইফুর রহমানের একটি উক্তিও সংযোজন করা যেত কিন্তু উনি গত হয়েছেন বিধায় করার ইচ্ছা নাই।
আওয়ামীলীগ সরকারের সময় যখন ভৈরব সেতুর কাজ শুরু হয় তার নাম দেয়া ছিল সৈয়দ নজরুল সেতু।বি এনপির সময় সেই সেতুর নাম পরিবর্তন করে সাইফুর রহমান সেই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন ,কোথাকার কোন নজরুলের নামে সেতুর নাম দেয়া হয়েছে।"
ভাই টাইগার ৭১
ইতিহাসের সেরার সংখ্যা এত বেশী যে আমার মত ক্ষুদ্র মস্তিস্কে সংরক্ষন করা সম্ভব নয়। আপনার নতুন নতুন সেরাগুলি কেন যে আমার মস্তিস্কে সংরক্ষিত ছিলনা ভাবতেই পারছিনা। নিশ্চয় এর পরে অনেকে এত সেরা নিয়ে হাজির হবে যা আপনার মস্তিস্কে আমার মস্তিস্কে সংরক্ষিত নেই। ধন্যবাদ আপনাকে
হালায় সুযোগ হারাবেন না
আপনিও পেতে পারেন উপড়ে বর্নিত সূযোগ।তাই হালায় সুযোগ হারাবেন না।