আমি আইন বিশেষজ্ঞ নই। তাই আইনের অনেক ব্যাপার না বুঝার অবকাশ আছে, সেটা জেনেও লিখছি।
সাধারান বুদ্ধিতে, আইনের হর্তাকর্তারা যা বলেছেন বলে বুঝেছি, তা হোল বিডিআর বিদ্রোহের বিচার হবে, দুভাগে বিভক্ত করে ১। বিদ্রোহের বিচার বিডিআর আইনে, আর ২। সংগঠিত হত্যাকান্ডের বিচার প্রচলিত আইনের আওতাধিন বিশেষ ট্রাইবুনালে। কারন, বিডিআর সামরিক আইনের এখতিয়ার ভুক্ত নয় এবং বিডিআরের নিজস্ব আইনে মৃত্যদন্ডের বিধান নাই। নিম্ন আদালতের উপর সরকারি প্রভাব আশংকা করে বিএনপি মহাসচিব, ট্রাইবুনালে বিচারের আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, ট্রাইবুনালে না হয়ে, প্রচলিত আইনের দীর্ঘ পরিক্রমায় বিচার হওয়া উচিত। বিএনপি সরকারর আমলের দ্রুত বিচার আইন নামে একটা আইন এখনো আছে, যা মুলত ট্রাইবুনালেরই নামান্তর। সে আইনেও বিচার করার সুযোগ ছিল। নিজেদের জারি করা সে আইনে বিচার করার ব্যাপারে মহাসচিব কিছু বলেছেন বলে আমার জানা নাই।
হাসিনা সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করছিলেন। তাই বিডিআর আইনেও "বিদ্রোহের" কোন বিচার করা যাবে কিনা ভেবে দেখতে হবে। তবে, হত্যাকান্ড সাধারন ক্ষমার আওতাধিন নয় বলে তার বিচার হতেই হবে। আর সে বিচার ট্রাইবুনালে হলেও, এটা কোর্ট মার্শালের মত, গোপন আদালত নয় এবং আসামিরা তাদের নিজেদের উকিল নিয়োগ করতে পারবেন। এতে, ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে অনেক বিষয়ে সাওয়াল জবাব হবে। জনগন এই ধরনের সামরিক বিদ্রোহের প্রকাশ্যে বিচার দেখবেন। আমার জানা মতে, ট্রাইবুনালে বিচারের পর আসামিদের আপীল করার সুযোগ আছে, যা, সামরিক বিচারে নাই। সব সময়, সামরিক আদালতের অতি গোপনীয় বিচারের চাইতে প্রকাশ্য আদালতে বিচার করা গেলে তা সর্বোত্তম। জিয়াউর রহমান সাহেবের হত্যাকান্ডের বিচারটি সামরিক আদালতে হবার কারনে, হত্যাকারিদের ভাষ্য বা ঘটনার কারন নিয়ে কোন কিছু আর জনগনের জানা হয়নাই।এবং একজন ভোটে নির্বাচিত রাস্ট্রপ্রধান নিহত হলেও, বেসামরিক আদালতে কোন বিচার হয়নাই। যা করা যেত এবং করা উচিত ছিল বলে আমার বিশ্বাস। আবার আর্মি থেকে রিটায়ার্ড হওয়া কর্নেল তাহেরের এবং তার বেসামরিক সহযোদ্ধাদের বিচারও করেছে সামিরিক আদালতে। তাকে বিচারে মৃত্যদন্ড রায় দেবার পর, চার দিনের মাথায় ফাসি দে্যা হয়। আপিলের কোন সু্যোগ ছিলনা। ফাসি দেবার পর হটাত নজরে পরে, যে আইনে তাকে ফাসিতে ঝুলান হোল, সে রকম কোন ধারা সামরিক আইনেও নাই। মর্মান্তিক সত্য এই যে, ততক্ষনে, তাকে ফাসি দেয়া হয়ে গিয়েছে। সামরিক শাসন বলে কথা। ব্যাক ডেটে সে সামরিক আইন পরিবর্তন ও জারি করে তাহের হত্যাকে "জায়েজ" করা হয়েছে। সামরিক আদালতে বলে সেই জালিয়াতির কোন প্রতিবাদ করা যায় নাই, যাবেও না। এই প্রসংগগুলো এজন্যি টানলাম যে, আমার মতে ট্রাইবুনালে বিচার হলেও তা হবে সিভিল কোর্টের বিচার। ঘটনার অনেক কিছু জানা হবে। এবং আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের এবং আপিলের সুযোগের হিউমেন রাইটসটিও মর্যাদা পাবে। সামরিক আদালত হলে সব অন্ধকারে থাকত।
Joy in USA his fault. In Bangladesh ,also is fault.
To the 30 question
1. BTV does not telcast many events which private chanel telecast.So,this is not conspirency
2.Tireq in London.Joy in USA during BDR revolt.This does not mean that thay are involve in BDR revolt.
3.Salim C said Raw Mossad has done BDR revolt. NO PROFF.
???? CIA OR PAKISTNI ISI ???????
4.Joy was Dubai Aurport????? .Brother Gaza is too much?
IF I said Khalada was Dubai airport to give money to revel. Sorry this was false information
বিডিআর বিদ্রোহের রহস্য উন্মোচন হয়েছে কি?
বিডিআর বিদ্রোহের রহস্য উন্মোচন হয়েছে কি? জনগণের কাছে এ বিষয়টি এখনও রহস্যাবৃত রয়ে গেছে। আমার নিজের মনে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসে।ঢাকার পিলখানায় যারা সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করল তাদের সংখ্যা যা ছিল এবং তাদের অস্ত্রবল যা ছিল তা দিয়ে তাদের পক্ষে কোনো যুদ্ধজয় করা সম্ভব ছিল না। তারা সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছিল। যার সঙ্গে তারা কিছুতেই পেরে উঠত না। আবার বিদ্রোহ করে পিলখানার অস্ত্রসম্ভার নিয়ে অন্যত্র সরে গিয়ে তারা কোনো বিপ্লব ঘটানোর জন্য গেরিলা যুদ্ধ করবে তারা এমন কিছুও করেনি। ঢাকার বাইরে যেসব ক্যাম্পে বিদ্রোহ হয়েছিল সেখানেও বিদ্রোহীরা কোনো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেনি, পালিয়েও যায়নি। তাহলে তারা আসলে কী করতে চেয়েছিল?
অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আগে থেকেই তারা তাদের অভাব-অভিযোগ নিয়ে কোনো কোনো রাজনীতিকের কাছে গেছে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দু'তিনজনের নাম এসেছে। (সূত্র : দৈনিক আমার দেশ)। আবার বর্তমান সরকার গঠিত হওয়ার পর তারা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে, এমন তথ্য এসেছে আটক বিদ্রোহীদের জেরার সময়। এ-ও শোনা যাচ্ছে, নিহত বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল 'এক-এগারোর' মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে বিডিআর জওয়ানদের দাবি-দাওয়া মেটানোর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। তাই বিডিআর জওয়ানদের অভাব-অভিযোগ সমাধান না করাটাই যদি তাদের বিদ্রোহের মুখ্য কারণ হয়ে থাকে তাহলে এটাও 'শাসন কর্তব্য' পালনে ব্যর্থতা বলেই গণ্য করতে হবে। কিন্তু তারপরও একটি প্রশ্ন থেকে যায়, বিডিআর জওয়ানদের চাপা ক্ষোভ কী একটি দিনভর, পিলখানার ভেতর খুঁজে খুঁজে ৫৬ জন সেনা কর্তকর্তাকে হত্যা করার যথেষ্ট কারণ ছিল? এ প্রশ্নের উত্তর বের করাটা সরকারের জন্য জরুরি। তা না হলে অস্ত্রধারী কোনো বাহিনী পরিচালনা করতে সরকারের অসুবিধা হবে বা তাতে মারাত্মক ভুল-ত্রুটি থাকবে_ যার ফলাফল হবে অশুভ।
পিলখানার নৃশংসতম ঘটনার নেপথ্যে কারা?
পিলখানার নৃশংসতম ঘটনার নেপথ্যে কারা?
এক
দুর্ভাগ্য আমাদের, দুর্ভাগ্য এ জাতির, দুর্ভাগ্য এ দেশের। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে মুক্ত স্বদেশ আমরা অর্জন করেছিলাম তা যেন আজ কোন হায়েনার থাবাতলে মৃত্যুর প্রহরা গুনছে। দেশের মুক্তি সংগ্রামে এ দেশের বীর সেনানী ও বিডিআর জোয়ানরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভ্রাতৃত্বের গভীর অটুট বন্ধনে থেকে অতলাস্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে জান কবুল সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিডিআর এর অসীম সাহসী জোয়ানেরা মাতৃভূমির সীমান্ত রক্ষায় স্বাধীনতা উত্তরকালের দীর্ঘ সময় ত্যাগের মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেই ঐতিহ্যবাহী বিডিআর-এর কতিপয় বিপথগামী সদস্যের হাতে মুক্ত দেশের পবিত্র মাটিতে বসন্তের শান্ত প্রভাতে নিরদ্ধ অবস্থায় করুণভাবে জীবন দিতে হলো আমাদের গৌরব অমূল্য সম্পদ যৌবন তেজোদীপ্ত নির্ভীক অর্ধশতাধিক সেনাকর্মকর্তাদের। জাতি আজ তাঁদের শোকে নির্বাক, নিশ্চুপ।
কেন আমাদের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় এত সংখ্যক কর্মকর্তাদেরকে অসহায়ভাবে প্রাণ দিতে হলো তাদেরই ভাই বিডিআর এর কিছু জোয়ানদের হাতে? এ প্রশ্ন আজ এ দেশের প্রতিটি নর-নারীর, শিশু-কিশোরীর, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার, চাষাদের, চামারের-মজুরের, উকিলের-গুরুদের সর্বস্তরের মানুষের। এর জবাব কে দেবে?
এ প্রশ্নের জবাব পেতে হলে আমাদেরকে গভীর মনোনিবেশ সহকারে পেছনের ইতিহাস বিশ্লেষণ করতে হবে। বিশ্লেষণ করতে হবে আমাদের দেশের অভ্যশ্চরীণ রাজনৈতিক অবস্থাসহ প্রতিবেশী দেশের আমাদের দেশের প্রতি রাজনৈতিক আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি। পেচকের মতো সূর্যের সাথে শত্রুতা ঘোষণা দিয়ে অন্ধকার কোঠরে বসে বসে এ অন্যায় ও পাপের দায়ভার কারও ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে জাতিকে অজানা গহীন আঁধারে ঠেলে দিলে জাতির জন্য অধিকতর কঠিন সমস্যা ও অমঙ্গল অপেক্ষা করতে পারে।
যে নারকীয় তাণ্ডবতা ও বর্বরতা পিলখানায় ঘটে গেল গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রক্তয়ারি, তা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়, প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ঘটে যাওয়া জংগে জামালের ঘটনা। জংগে জামালে একদিকে হযরত আলী (রাঃ) অপরদিকে উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়শা (রাঃ)-এর নেতৃত্বে তালহা ও যোবায়ের (রাঃ)। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় এ দুঁ’পক্ষের কেউই যুদ্ধ চাচ্ছিলেন ন। তারা যেকোনো প্রকারেই পারস্পরিক বিরোধ মিটিয়ে ফেলতে সচেষ্ট ছিলেন। সন্ধির আলোচনা উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং উভয় পক্ষ যুদ্ধের চিন্তা মন থেকে মুছে ফেলে দিচ্ছিলেন। রাত্রে উভয়পক্ষ আরামে নিদ্রা যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে এমন কিছু খারাপ লোক ছিল যারা চাচ্ছিল না যে এই দুই দলের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি হোক, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, তাই এই উভয় দল যে সমঝোতায় পৌঁছতে না পারে যে উদ্দেশ্যে তারা রাতের অন্ধকারে হযরত আয়শা (রাঃ)-এর বাহিনীর উপর আক্রমণ চালিয়ে বসল। চরম ভীতি ও অসন্তোষের মধ্যে একদল অন্যদলকে প্রবঞ্চক মনে করল, ফলে পরস্পর-পরস্পরের উপর আক্রমণ শুরু করল। উভয় দলই ছিলেন হকের উপর প্রতিষ্ঠিত কিন্তু কিছু প্রবঞ্চকের প্রবঞ্চনায় তাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয় যার পরিণতিতে উভয়পক্ষের ১০ হাজার লোক শাহাদত প্রাপ্ত হলো, আর এভাবেই কুচক্রীদের শিকারে পতিত হয়ে ইসলামী খিলাফতের বিরাট ক্ষতি সাধিত হলো।
গত ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় যে বিরাট রক্তপাতের ঘটনা ঘটে গেল, সেখানেও সুনিশ্চিতভাবে বলা চলে যে জংগে জামালের অনুরূপ একটি কুচক্রী মহল সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ধ্বংস চক্রান্তে তৎপর ছিল। এই তৃতীয় পক্ষ কুচক্রী শক্তি জাতির গৌরব বীর সেনানী ও বিডিআরদের মাঝে একটি সংঘাত সৃষ্টি করে উভয় বাহিনী ধ্বংস করে দেশের প্রতিরক্ষা ও সীমান্ত রক্ষার ব্যবস্থাপনাকে নিশ্চিহ্ন করে ফায়দা লুটতে চায়।
এই নারকীয় ঘটনার পেছনে অশুভ তৃতীয় পক্ষের অস্তিত্ব কল্পনার সৃষ্টি নয় বরং চরমভাবে বাস্তব। এই তৃতীয় শক্তি দেশের অভ্যন্তর ভাগে সৃষ্ট বা লালিত কোন শক্তি যে নয় তা ঘটনার ভয়াবহতা, তীব্রতা ও চতুরতা থেকে স্পষ্ট, তবে এই শক্তিটি যে দেশের বাইরের তার যথেষ্ট যুক্তি ও প্রমাণ রয়েছে। এই শক্তিটি হতে পারে একমাত্র ভারত। ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র।। প্রতিবেশী হিসেবে ভারত পৃথিবীর অন্য যেকোন প্রতিবেশীর চাইতে চরিত্রগতভাবে একান্তই পৃথক। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বহমান ৫৪টি নদীর পানি প্রবাহ পরিবর্তিত করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী পরিবেশগত যুদ্ধ চালাচ্ছে। ভারত-পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতাকে দীর্ঘকাল ধরে মদদ দিয়েছে। ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে এবং সীমান্তের-নোম্যান্সল্যান্ডে বেআইনীভাবে সড়ক নির্মাণ করেছে। স্বাধীন বঙ্গভূমিওয়ালাদের আশ্রয়, মদদ ও উস্কানি দিয়ে বাংলাদেশকে দ্বিখণ্ডিত করে দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গে পৃথক হিন্দু রাষ্ট্র ‘বঙ্গভূমিঁ’ প্রতিষ্ঠা করতে দেশদ্রোহীদের মদদ দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র-বন্দর-চট্টগ্রামকে কব্জা করার জন্য ষড়যন্ত্র জাল বুনছে। এভাবে নানা চক্রান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্টের প্রচেষ্টায় ভারত তৎপর। এই তৎপরতারই একটি অংশ পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড বিবেচনা করা অমূলক নয়। ভারতীয় বিএসএফ গত প্রায় ত্রিশ-চল্লিশ বছরে চারশতাধিক বংলাদেশী নাগরিক হত্যা করেছে। বাংলাদেশী নাগরিকদের ক্ষেতের ফসল, গবাদি পশু ও মূল্যবান সামগ্রী লুণ্ঠন করেছে। বাংলাদেশী মা-বোনদের সম্ভ্রম হানি ঘটিয়েছে। তালপট্টি, মুহুরীর চর, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন সীমান্তে বাংলাদেশের ভূমি দখল করেছে। সিলেটের প্রতাপপুর সীমান্তে বাংলাদেশের সার্বভৌম ভূখণ্ড পাদুয়া এবং রৌমারী সীমান্তে বড়াই বাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের রাইফেলসের অফিসার ও জোয়ানরা বীরত্বের ও সাহসিকতার অত্যুজ্জ্বল নিদর্শন রেখেছিল, তাতে ভারত চটে যায় এবং ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল আহসান নাজমুল আমীন চৌধুরী, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমান্ডার মেজর জেনারেল ওয়াহাব, রংপুরের বিভাগীয় কমান্ডার মেজর জেনারেল মতিন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমান্ডার মেজর জেনারেল কবির এবং বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমানকে দায়ী করে এক অলীক ষড়যন্ত্র কাহিনী ফেঁদে বসে। তারা ভারতের অসন্তুষ্টিকে দূর করতে এখনকার প্রধানমী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমী অটল বিহারীর কাছে ফোন করে রীতিমতো মার্জনা ভিক্ষা করেছেন এবং তার সাথে পাদুয়া গ্রামটি ভারতীয়দের হাতে তুলে দিয়েছেন। কিন্তু তাতে ভারত সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ভারতীয় পররাষ্ট্রমী ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভারত কোন অবস্থাতেই ইউনিফর্মের অবমাননা গ্রহণ করবে না। ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমী সিআইডি সোয়ামী দাবি জানিয়েছিলেন, “বাংলাদেশ ভারতের আস্থা তখনই অর্জন করতে পারবে, যখন ১৬ জন বিএসএফ সৈন্যের হত্যাকারীদের বাংলাদেশ শাস্তি দেবে। তিনি এও হুঁশিয়ার করে দেন যে, ভারত দ্বিতীয়বার কিন্তু অপ্রস্তুত হবে না।”- The Hindu, April(২৬-২০০১)।
রৌমারী অপারেশনটি ভারতের পক্ষ থেকে সুপরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছিল। ভারতীয়দের এই সুপরিকল্পিত অপারেশনটি আমাদের দেশপ্রেমিক বিডিআর জওয়ানদের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের ফলে মাঠে মারা যায়। বিএসএফের ১৬/১৭ জন বাংলাদেশের মাটিতেই অপঘাতে মৃত্যুবরণ করে। তখন ভারতের লোকসভায় বাংলাদেশের বিডিআর হেড কোয়ার্টারে বোমাবর্ষণ করে একে গুঁড়িয়ে দেয়ার দাবি ওঠে। তাদের সে ইচ্ছারই প্রতিফলন বিডিআর হেড কোয়ার্টারে ২৫/২৬ ফেব্রক্তয়ারির নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ সত্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হবে।
ভারত চায় না বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা মজবুত হোক। তারা চায় না দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী সুদৃঢ় হোক। তাদের মনের ইচ্ছাই প্রকাশ পাচ্ছে আমাদের দেশের কতিপয় বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদদের কর্মকাণ্ডে।
১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান “বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা নীতিঃ একজন নাগরিকের ভাবনা” এ শিরোনামের প্রবন্ধে স্পষ্ট করে তুলেছিলেন যে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধি এই বিশ্বজগতে কোন শত্রু নেই; ভারত তো নয়ই এবং বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে BISS আয়োজিত এক সেমিনারে তদানীন্তন সামরিক শাসক এরশাদের অর্থমন্ত্রী যিনি বর্তমান সরকারেরও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিকেন্দ্রীকরণের নামে পরোক্ষে রাষ্ট্রের লিকুইডেশনের (বিলুপ্তি) ওকালতি করেছিলেন এবং একই সঙ্গে সেনাবাহিনী তুলে দেবার পক্ষে খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করাতে চেষ্টা করেছিলেন। এসব বুদ্ধিজীবীদের উপর আছর করে ভারত বারবার বোঝাতে চেয়েছে যে, ভারতীয় সেনাবাহিনীই হচ্ছে বাংলাদেশের নিরাপত্তার গ্যারান্টি । ভারতের প্রতিরক্ষাই বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা। দেশের অভ্যন্তরে এমন চিন্তা পোষণকারী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ আছেন বলেই সম্ভবত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিডিআর বাহিনীকে শেষ করার দুর্দান্ত কৌশল হিসেবেই ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়ই পিলখানার নারকীয় কাণ্ড ঘটে গেল। প্রকৃত সত্য সূর্যের আলো দেখলেই অনুমানের যবনিকা উঠে যাবে। যতদিন যবনিকা না ওঠে ততদিন ভারতীয় আচরণে তাদের প্রতি সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। যেমন বড়াইবাড়ীর ঘটনার পর “ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস”-এ ২৩ এপ্রিলের সংখ্যায় Boardering on Danger নিবন্ধে রাইফেলসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অনভিপ্রেত ও দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করা হয়। মন্তব্য করা হয়, জেনারেল ফজলুর রহমান বাংলাদেশী মিলিটারি অফিসারদের মধ্যে যারা পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের মুক্তিলাভকে সমর্থন করেন না, তাদের দলভুক্ত। এর চাইতে কুৎসিত ও জঘন্য মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না। জেনারেল ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ এনে বলা হয়, জেনারেল ফজলুর রহমানের সঙ্গে চরমপী ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর যোগাযোগ রয়েছে।
ভারতের মিডিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থা বিডিআর বিদ্রোহের হোতা হিসেবে চিহ্নিত করতে সচেষ্ট হয়েছে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তিকে। আনন্দবাজার পত্রিকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে জামায়াতের ঘরের লোক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আনন্দবাজার ২ মার্চ বিদ্রোহের প্রধান তৌহিদুল আলমকে জামায়াতের ছাত্র শাখা ছাত্রশিবিরের সদস্য ছিল বলে প্রচার করেছে। দৈনিকটি আরো লিখেছে, বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে মৌলবাদী ইসলামী শক্তির উপস্থিতি ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।” এসব মিথ্যা প্রচারের প্রধান উদ্দেশ্য তাদের হীন চক্রান্ত আড়াল করা।
পক্ষপাতদুষ্ট নেতাকর্মী ব্যতিরেকে দেশের সমস্ত সচেতন নাগরিক বুঝতে সক্ষম হয়েছে যে, এই চক্রান্তের পেছনে কোন শক্তিশালী হাত রয়েছে। যে শক্তিশালী গোষ্ঠীর পরিচয় জানতে আজ কোন বাধা নেই। নিজেদের কর্মকাণ্ডই বলে দেয় তাদের পরিচয়। দেশের মধ্যে কোন এজেন্সিই যখন জানতে পারেনি মেজর জেনারেল শাকিল ও তার স্ত্রীর করুণ পরিণতির কথা, অথচ ১২টা ১৩ মিনিটে তখন ভারতীয় চ্যানেল এনডিটিডি প্রচার করে যে, মেজর জেনারেল শাকিল আহমদ ও তার স্ত্রীসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। তাহলে কি এ চ্যানেলটি এ ঘটনা সম্পর্কে আগে থেকেই অবহিত ছিল? এছাড়া বাংলাদেশকে সহায়তা করতে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে প্রস্তুত রাখা, বাংলাদেশ সম্মত হলে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স পাঠাবার আগ্রহ ইত্যাদিসহ ভারতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এ সন্দেহকে মজবুত করছে যে, পিলখানার ঘটনার পেছনে রয়েছে ভারতের প্রত্যক্ষ মদদ আর উদ্দেশ্য দেশকে নিরাপত্তাহীন করা।
জাতি যখন অধীর আগ্রহে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য জানতে চায়, দেখতে চায় সঠিক ইনসাফ, তখন ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের উচিত নয়- বিদেশীদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে এ জঘন্য অপরাধের দোষ নিরপরাধ জনতার কাঁধে চাপিয়ে দেয়া। এ অন্যায় কাজ থেকে বিরত না হলে ষড়যন্ত্রকারীরা রেহাই পাবে, ফলে সুযোগ বুঝে তারা আরও ভয়ানক চক্রান্তে লিপ্ত হতে সুযোগ পাবে।
দুই
মোসাদের নীল নকশা পিলখানায় বাস্তবায়ন করেছে ‘র’
শহীদুল ইসলাম/তোফাজ্জল হোসেন কামালঃ বাংলাদেশকে আফগানিস্থান বানানোর প্রথম পদক্ষেই হলো পিলখানার নারকীয় হত্যাকাণ্ড। ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদের’ নীল-নকশা মতে ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা ‘র’ (রিসার্স এন্ড এ্যানালাইসিস উইং) এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। তাদের ষড়যন্ত্র এখানেই শেষ হয়ে যায়নি বরং শুরু মাত্র। আরও ভয়াবহ পরিণতি সামনে অপেক্ষা করছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বিদ্রোহীদের সাথে সমঝোতা ও মধ্যস্থতাকারীদের সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। তবে এসব মধ্যস্থাতাকারীগণসহ ঘটনার পেছনে ‘র’ মোসাদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে যারা কাজ করেছে তাদের নাম তদন্ত রিপোর্টে আসলে সরকারের অস্তিত্ব নিয়েই টান পড়তে পারে। আর সে জন্যই প্রকৃত সত্য প্রকাশের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আরও ১২ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে র্যাব লালবাগ থানায় সোপর্দ করেছে। তাদেরকে রিমান্ডে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন র্যাব কর্মতর্কারা।
বাংলাদেশকে নতুন আফগানিস্তান বানানোর টার্গেট নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা বেশ তৎপর। আগে দিল্লীতে বসে তারা কাজ করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশটিতে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিদেশী মোড়লদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য এই ইহুদী সংস্থাটি কলকাতায়ও অফিস স্থাপন করে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় জঙ্গীদের বোমা হামলার ঘটনা তার পরপরই ঘটে। তবে ঐ ঘটনা এবং তার আগে পরের কতিপয় বোমা হামলার ঘটনা ছিল টেস্ট কেস। বড় ধরনের অপারেশন তারা প্রথম সফল করলো গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দফতরে। মোসাদের জনবল ও মাঠকর্মী কম থাকায় এই কাজে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’কে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বেছে নেয়। আর ‘র’ পাদুয়া ও বড়াইবাড়ীর প্রতিশোধ নেয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশকে সামরিক দিক থেকে দুর্বল করার জন্য মোসাদের নীল-নকশা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করে। এ জন্য অনেক আগে থেকেই বিডিআরের মধ্যে সেনা বিরোধী মনোভাব তৈরি করা হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিডিআরের গোয়েন্দা সংস্থা আর এসইউ-এর মাঠ কর্মীদের উচ্চ মূল্যে কিনে নেয় এবং এর প্রধান মেজর গাজ্জালীকে হত্যার পরিকল্পনা নেয়। ‘র’-এর ব্যবস্থাপনাতেই ঐ দেশ থেকে ব্লাক ক্যাট কমান্ডো নিয়ে আসা হয় কিলিং মিশন সফল করতে। বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের সাথে মিলেমিশে তারা সুপরিকল্পিত সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করেছে। তাদের টার্গেটকৃত সেনা কর্মকর্তাদেরকে ২৫ তারিখ বেলা ২টার মধ্যেই তারা হত্যা করে বলে জানা গেছে। মিশন সফল করার পর ‘র’ এর এদেশীয় প্রভাশালী মহলের সহায়তায় নিরাপদে কয়েকটি কালো গ্লাসওয়ালা গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আত্মসমর্পণের নামে দুই দিন ধরে যে নাটক করা হয় তার মধ্যে অবশিষ্ট সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা, গণকবর খুঁড়ে অথবা স্যুয়ারেজ লাইনে তাদের লাশ গুম করা এবং নিরাপদে পালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে। এসব প্রভাবশালীদের ঘন ঘন পিলখানায় যাতায়াত, অস্ত্র সমর্পণের নামে সময় ক্ষেপণ, ডিমপি পুলিশের হাতে পিলখানার নিয়ন্ত্রণ দেয়া ইত্যাদি পদক্ষেপ |
সেলিম সি সাহেব লেখাটি কি আপনার?
াআপনি সব সময় অতিদীর্ঘ লেখা লেখেন বা ধার করে পোস্ট করেন। আপনার অতি দীর্ঘ লেখা পুরোটা যারা পড়েন, ধন্য তাদের ধর্য্য। এই বিডিআর নিয়ে লেখাটি কি আপনার মৌলিক লেখা? তা না হলে, কোথা থেকে পেলেন, সেটা কষ্ট করে আপনাকে প্রতিবার উল্লেখ করতেই হবে। (আর সুত্র যদি দিয়ে থাকেন, আমি সেটা মিস করলে, অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)
তথ্যের সুত্রঃ http://www.plagiarism.org/plag_article_what_is_plagiarism.html
What is Plagiarism?
Many people think of plagiarism as copying another's work, or borrowing someone else's original ideas. But terms like "copying" and "borrowing" can disguise the seriousness of the offense:
According to the Merriam-Webster Online Dictionary, to "plagiarize" means
In other words, plagiarism is an act of fraud. It involves both stealing someone else's work and lying about it afterward.
But can words and ideas really be stolen?
According to U.S. law, the answer is yes. The expression of original ideas is considered intellectual property, and is protected by copyright laws, just like original inventions. Almost all forms of expression fall under copyright protection as long as they are recorded in some way (such as a book or a computer file).
All of the following are considered plagiarism:
বিচার!!!!!!
বিচার, আচার, বিচারালয় এসবএর আদৌ কোন অস্তিত্ব আছে কি বাংলাদেশ নামক দুর্ভাগা দেশটায়?বিচারালয় নামক বানরালয়ে উকিল থকে শুরু করে বিচারক নামক দলীয় বানরের দলের বাদরামি প্রকাশ্যে হলেই বা কি আর গোপনে হলেই বা কি।তবে এবার বানরে দলের হাতে একজন নয়,কয়েকশত জজমিয়ার পরিনতি দেখার সৌভাগ্য হতে পারে দেশবাসীর।
আম গাছে কি আপেল ধরবে?
সমুদ্র
"বিচারালয় নামক বানরালয়ে উকিল থকে শুরু করে বিচারক নামক দলীয় বানরের দলের...।" ইত্যাদি আক্ষেপকে সত্যি ধরে নিয়ে বলতে হয় যে দেশের কথা বলছেন সে দেশে আমার মত মানুষের দেশ। এখন বলেন, আম গাছে কি আপেল ধরবে? না, এদেশের যেকোন পেশার (এমনকি আপনার প্রিয় সামরিক বাহিনী সহ) কাজ কর্ম একই ধারার। তাই পার্থক্যটা আপনাকেই গড়তে হবে। আদালতে সাওয়াল জবাব হবে, আপনি নিজেই কেন এইসব আসামিদের (যাদের আপনার জজ মিয়া মনে হচ্ছে) তাদের জন্য আইনি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসছেন না। আপনার মত একজন হলেই ত শত জন আইনি সাহায্যের একটা আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন। আপনার নিশ্চয় ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক জাতীয় প্রক্ষ্যাত আইনবিদদের প্রতি বিস্বাস আছে।
ইমেলায় হাহুতাশ না করে, তাকত থাকলে একটা মুভমেন্ট গড়ে তুলুল। অন্যান্য বানর প্রজাতির সাথে আপনার পার্থক্যটা তুলে ধরুন...।
Questions in identifying culprits behind the BDR massacre ???
According to various scoops, the investigators have so far identified a number of points and questions in identifying culprits behind the massacre. These points or questions are:
1. What was the intelligence report sent to the Prime Minister on February 25 in the early morning as acknowledged by the PM in the parliament?
2. What was the last conversation between Major General Shakil Ahmed and the Prime Minister on February 25?
3. Why the PM regretted her attendance to the dinner on February 26?
4. Who instructed announcement from the nearby mosques on February 25 and 26 asking local residents near BDR headquarters to move to a safe distance?
5. Why Lt. Col. Mukit sent fax messages from the BDR headquarters on February 25 evening against army and the BDR´s director general?
6. Why members of police and RAB were not deployed within gate number 5, through which the mutineers fled?
7. Why the PM assigned Nanak and Azam at 1:00 pm., after 4 hours of she heard about the mutiny?
8. Why names and identities of the delegation of mutineers, who met the PM were not registered at the entrance of the PM´s residence?
9. Mutiny leader DAD Towhid told the PM about the murder of director general of BDR and some other officers when he met her with his team. But, why this matter was kept secret by the government till February 26 evening?
10. Why Bangladesh TV was not showing anything about the mutiny or even news scroll, although the issue was being covered by all private channels?
11. Why the mutineers were terming the PM as "amader ne.tri" (our leader)?
12. Why some mutineers were chanting Awami League´s party slogan ´Joy Bangla´ while they were talking to the press?
13. There had been several overseas incoming calls inside the BDR headquarters during the massacre. Investigators are trying to find the callers?
14. Why Prime Minister´s son Sajib Wajed Joy came to Dubai on February 27 to meet some of the fleeing mutineers?
15. Why Joy handed over thick envelops to each of the fleeing mutineers at the Dubai airport?
16. Why Joy made critical remarks on Bangladesh Army and made army liable for the mutiny during interview with various international media?
17. Why Sajib Wajed Joy has been instructed by her mother not to come to Bangladesh before the investigation issue is over?
18. Why influential members of the government phoned certain foreign government asking help in case Bangladesh Army revolts against the ruling party?
19. Why Awami League leader Mohiuddin Khan Alamgir tried to flee the country on February 27?
20. Why minister Faruk Khan said, militants have pen.etrated in law enforcing and disciplined forces in Bangladesh?
21. Why the government is trying to keep the Inspector General of Police, whose son-in-law was murdered during the mutiny and daughter held hostage, is kept aloof from the investigation process?
22. Why the newly appointed commissioner of police warned the English medium and missionary schools and educational institutions of possible militant attack without any reason?
23. Why the PM did not allow the army to storm in to the BDR headquarters to rescue the officers and their family members?
24. What the CID team were removing from the BDR headquarters in the name of collecting ´evidence´?
25. What type of evidences were removed by the members of police when they were assigned to guard the BDR headquarters almost for more than 30 hours?
26. Why the Home Minister and other members of the ruling Alliance were visiting the BDR headquarters during dark hours of February 26, much after the surrender?
27. Why Awami League student wing leader Liakat Sikder is hiding since the massacre?
28. Why Awami League and its activists are continuing to demand trial of killers and their collaborators in civil courts instead of Court Martial?
29. Why a section of pro-Awami League journalists are continuing indirect campaign against army as well demanding trial in civil court?
30. Why the ruling party is echoing the voice of Indian media and especially the editorial commentary in The Statesman?
Reply to all these questions will surely help investigators in finding the truth and identifying the culprits. But, it is a big question as to whether the ruling party is willing to let a neutral investigation continue, which may go ultimately against many of the heavy-weights within their home.
Bangladeshi people are getting united with the demand of proper investigation and exemplary punishment to the perpetrators and collaborators of this extreme heinous crime. Anger within the armed forces is boiling like eruptive volcano. Members of the armed forces and those bereaved families can never forgive the killers and the collaborators.
People in power in Dhaka should understand this clearly!
(Courtesy: 'Amar desh' open forum)
মামলার সাওয়াল জবাব
৩০টি প্রশ্ন সম্বলিত Courtesy: 'Amar desh' open forum এর লেখাটি আশাকরি যারা আসামিদের মামলার পক্ষে লড়বেন তাদের জন্য উপকারে আসবে। প্রকাশ্য আদালতে বিচার হবে। আমাদের দেশের জিয়া হত্যা, তাহের হত্যা, মঞ্জুর হত্যা সহ অনেক হত্যার শত-হাজার প্রশ্নের কোন্ন উত্তর মেলেনাই, কেবল, সামরিক গোপন আদালতে বিচার হবার জন্য। এইবার জনগনের অনেক প্রশ্নের উত্তর জানার সুযোগ আছে। আমার মনে হয়, জাদরেল আইনবিদরা আসামিদের পক্ষে লড়ে, আসল সত্য বের করে আনার চেস্টা করতে পারেন। ঘটনা চলাকালে জামাতের এসিটেন্ট সেক্রেটার রাজ্জাকের কাছে, অনেক বিডিয়ার আইনি পরামর্শ চেয়েছিলেন। উনি এবার উন্মুক্ত আদালতে আসামিদের পক্ষে লড়তে পারেন।এছাড়া আওয়ামি বিরোধি আইনবিদরা এগিয়ে আসতে পারেন, সত্য উন্মোচনে। এবং সেটা সম্ভব, আসামীদের পক্ষে নেমে, সরকারের কাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করা হলে।
আর তারা তা করার সাহস না থাকলে, সরকারের কাহীনি মেনে নিয়ে সুবোধ বালকের মত চলা উচিত।এবং ৫ বছর পর ক্ষমতায় এলে, দরাকার হলে পুনঃতদন্ত করে দেখতে পারেন, যেমন ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, জজ মিয়ার ২১শে গ্রেনেড মামালার বেলায় হয়েছে।
যারা এই ইস্যু নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আর্মি বিদ্রোহের কথা ভেবে পুলকিত হচ্ছেন, তাদের দিবাস্বপ্ন থকে জাগাতে চাইনা।
(সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা)
প্রসঙ্গ, মামলার সাওয়াল জবাব...।
সম্মানীয় রায়হান খান সাহেব আমার দেশ ফোরামের উত্তাপিত অনেক গুলি প্রশ্ন অনেক কষ্ট করে এখানে কপি পেস্ট করে উপাস্থাপন করে এক দুরুহ সাওয়াল জবাবের অবতারনা করেছেন। তার এই কষ্টকর প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ না জানালেই নয়।
এখানে অনেক প্রশ্নের মাঝে একটি প্রশ্ন আছে, কেন আওয়ামী লীগ ও তার মিডীয়া গুলি বিডিআর হত্যাকারীদের কোর্ট মার্শাল এর বদলে সিভিল আইনের অধীনে বিচারের পক্ষালম্বন করছে ?
খুবই সুন্দর প্রশ্ন। উত্তর হলো, কোর্ট মার্শাল এর বিচার প্রক্রিয়াটি একান্তই গোপনীয়। আওয়ামী লীগের যদি এ হত্যাকান্ডে বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা থেকে থাকে তা অবশ্যই সেনাবাহীনির বর্তমান কর্তাদের যোগ সাজোগেই করা হয়েছে। এ সংশ্লিষ্টতা লুকাতে কোর্ট মার্শাল ছিল একমাত্র মোক্ষম পন্থা যার মাধ্যমে অত্যান্ত্ব গোপনে সব কিছু সমাধা করা যেত। কিন্তু আওয়ামী লীগ সে পথে না হেটে সিভিল আইনের প্রকাশ্য বিচারের পক্ষালম্বন করায় এটা এখন দিনের আলোর ন্যায় পরিস্কার যে, এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোন গোপন দুর্বলতা নেই।
রায়হান খান সাহেবের কাছে অনুরোধ রইলো বাকি প্রশ্ন গুলি একটু কষ্ট করে আপাতত সিন্দুকে জমা রাখুন। প্রকাশ্য আদালতে যখন এ বিচার শুরু হবে তখন বাদবাকি এ প্রশ্নের সিরিজ গুলির যথাযথ জবাবের লক্ষে সংশ্লিষ্ট আইনিজীবির মাধ্যমে আদালতে উথ্যাপন করুন। কারন এ ক্ষেত্রে একমাত্র সংশ্লিষ্ট আদালতই এ প্রশ্নের উপযুক্ত উত্তর খুজে নেয়ার যথাযথ কতৃপক্ষ হবেন বলে আমি মনে করি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
আসল ২৫ জন আসামি লুকিয়ে রেখে বিচার বিচার খেলা হচ্ছে.........!!!!
নিন্ম আদালত যে আওয়ামীলীগের পেটি কোটের নিচে ঢুকে গেছে এটা কি নতুন করে বলতে হবে.......??
হাজারী, সেলিম, মায়া, শামিম ওসমান কার ইশারায় ডজন ডজন খুনের মামলা থেকে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে.......???
মনে আছে মঈনের ইশারায় নিন্ম আদালাত সওয়াল-জাবাবের তামাশা শেষে কি ফরমায়েশী রায় দিত জামাইর ১৩ বছর আর বউয়ের ৩ বছর সাজা.......??
হাসিনা ও আওয়ামীলীগ বিচার দূরে থাক, তদন্তটাইতো পচাইয়া ফালাইছে|
নিন্ম আদালতের সওয়াল-জাবাব ও স্বচ্ছতার নামে একটা নাটক হবে তার পর রায় দেয়া হবে সুধাসদনের টাইপ করা কাগজ পাঠ করে|
মামলার বিচার অনেক পরে হবে আগে বলেন ২৫ জন খুনী হাসিনা কোথায় লুকিয়ে রেখেছে......?? দাদা বাবুদের দেশে নাকী সুধা সদনে......??
আসল ২৫ জন আসামি লুকিয়ে রেখে বিচার বিচার খেলা হচ্ছে.........!!!!
betrayed bhaijan
আপনী যেই ২৫ জনের কথা বলতেছেন আপনী কি মনে করেন না প্রকাশ্যে বিচার হলে আসামী পক্ষের জেরার মুখে ভুমিহীন , বিট্রেড ,বিডি , পগো,ডবলিউডি , ১/১১ , রায়হানখান , ফারমার , সনুদ্র আরএইচ প্রমুখদের ভূমিকা জনসমক্ষে চলে আসবে ?
ভুমিহীন ভাই: ২৫ জন খুনিকে হাসিনা কেন ধরছে না সেটা বলেন আগে...!
ভুমিহীন ভাই|
সিভিল কোর্টে ওদের সবার নাম প্রকাশ হলে কি হবে....???
১৪ টি চুরি ও চান্দাবাজীর আসামীর পেটিকোট খুলে গেল ১৫ কোটি মানুষের সামনে কোন বিচার হয়েছে......???
৬ টি খুনের মামালা থেকে হাজারী খালাস, লোকের জানাতে কি হলো...??
৪ টি খুনের মামলা থকে শামীম ওসমান খালাস, লোকের জানাতে কি হলো...??
সিভিল কোর্টের রায় লিখে দিবে কর্নেল ফারুক ও শফিক আহমেদ, জজ সাহেব শুধু রায় পড়ে শুনাবেন আর আপনাদের মত সুন্দর মনের মানুষরা বলবে বাহ বাহবা বেশ ন্যায় বিচার হয়েছে.......!!!
২৫ জন খুনিকে হাসিনা কেন ধরছে না সেটা বলেন আগে!
বিট্রেড ভাইজান
হাজারী ওসমান হাসনাত আবদুল্লাহ মায়ার কথা বলতে বলতে এই আসরে আমরা সবাই টায়ার্ড হয়ে গেছি । বিডি আর জোয়ানরা কেউ আওয়ামী লীগ করেনা যে দলীয় বিবেচনায় মামলায় পক্ষপাতিত্ব হবে । আমি যা বলতে চেয়েছি যদি কেউ এর পেছনে চক্রান্ত করে থাকে তাহলে প্রকাশ্য আদালতে বেড়িয়ে আসবে । আপনাদের নিয়ে এই এক সমস্যা অন্য দলের চোর চ্যাছছরদের বিচারের দাবী জানান কিন্তু নিজের দলের চোরদের সম্পর্কে চুপ থাকেন । চোর চোর ই , সে যেই দলেরই হোকনা কেন । আগে বিচার শুরু হতে দিন , দেখেন কি হয় । গাইয়ের ডেহা ( আমাদের কুমিল্লার আঞ্চলিক ভাষা )ঘোড়ার ওলানের কাছে নিয়া জগা খিচুরি না করে আর একটু ধৈর্য ধরি । আপনার মত বিবেচক মানুষ যদি হতাশ হয়ে যান তাহলে আমরা যাবো কোথায় ? দেশের মানুষ অনেক সচেতন ইচ্ছা করলেই যাতা একটা কিছু পার পাওয়ার দিন চলে গেছে । আমাদের এই এক সমস্যা , সব কিছুতেই আগাম মন্তব্য করি । এইভাবে চলতে থাকলে কিছুই হবেনা । কাউকে না কাউকে কোথাও থেকে শুরু করতে হবে এবং আসুন লেটস হোপ ফর দ্যা বেস্ট ।
জমিদার সাহেব
আপনি আবার দুষ্কৃতিকারীদের খাতায় বিডি,রায়হান খান প্রমুখ নিষ্পাপ শিশুদের নাম কেন জুড়ে দিলাম বুঝতে পারলাম না।এইসকল ফেরেশ্তারা কিন্তু আপনার খবর করে ছেড়ে দিবে।সময় থাকতে নামগুলি ক্যান্সেল করুন।
1/11 ভাই
আসলে আমি কাউকেই মিন করে বলিনি । আমি বলতে চেয়েছি প্রকাশ্যে বিচার হলে ২৫/৫০ যাই হোক সবাইর নাম চলে আসবে , এবং আমি চাই আসামীরা যেন ঝানু উকিল নেন তাহলে তাদের জেরার মূখে অনেক নতুন কিছু বেড়িয়ে আসবে যা হয়তো আমরা কখনও শুনিনি ।
প্রশ্ন উত্তর
প্রকাশ্য আদালতে কি কখনে এসব জ্বলন্ত প্রশ্নের উত্তর পায়া গিয়েছে। আমার তো মনে পরে না। বি ডি আর হত্যাকান্ডের পিছনে দেশী বিদেশী শক্তির কখনও শাস্তি আদালতে হবে না। ইতিহাস তাই বলে। কিন্তু বাস্তবতা হল বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক অনাস্তা সৃষ্টি হয়েছে যা অনেক দিন লাগবে দূর হতে। বাংলাদেশের অপরিপূর্ন ক্ষতি হয়ে গেছে। তবে আমি খুশী যে প্রাকশ্য আদালতে বিচার হচ্ছে। বিচারের নামে প্রহশন একটু হলেও জানা যাবে। সেনা বিচারে অন্ধকারে নিরীহ মানুষকে ফাসিতে ঝুলান বন্ধ হক।
দাদাবাবু ইউসুফ১৪৪
আজ সত্যঈ আপনাকে নমস্কার না করে পারছি না। বলা নাই, কওয়া নাই, হঠাত করে এতো ভালো কথা বলে ফেললেন? বিষয়টা কি, দাদাবাবু।
তাহলে এটা ইতিহাসে সত্য যে, সেনা বিচারে অন্ধকারে নিড়িহ মানুষকে অহেতুক ফাসিতে ঝুলান হয়েছ! এই নিড়িহ মানুষগুলা কারা?
আসুন না, ইতিহাস বদলে দেবার সাহসের জন্য অন্তত একটি বার হাসিনা'কে ধন্যবাদ জানাই। দাদাবাবু, লজ্জার কিছু নাই। তবে, সত্য মানিতে বুকের হিম্মত লাগে। আছে তো সেটা?
আবার কথা হবে, দাদাবাবু। আজ তবে নমস্কার। ভাল থাকুন।
প্রকাশ্য আদালত
সেনানিবাসের ভিতরে গোপন বিচারের নামে অনেক অবিচার হয়েছে যা জনসাধারন কখনই জানতে পারেনি । কাজেই আমার মনে হয় প্রকাশ্যে আদালতে বিচার হওয়াই ভালো । আত্বপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে , জামিনের ব্যাবস্থা আছে , উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ আছে । এখানে বিএনপির আপত্তির কারনটা বোঝলামনা ।
Analogy
We can't forget the painful past; when there had been lot of killing by both government and antigovernment forces. The freedom fighters were reluctant to surrender arms and aminution. Although Kader Siddique surrendered some but how many more he kept for his safety, nobody know. Law and orders was a big challenge at that time, there were killer party like JSD's gonobahini, Siraj Sikdar's sarbohara party, royal Mujib bahini and state sponsor rakhkhi bahini. So there can’t be analogy between killing of Siraj Sikdar and Coln.Taher and Khaled Mosarraf and some others involved in abortive coup.