প্রগতিশীল ও সুশীল সমাজ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার এখন চুপ কেন?

নীচে এই সপ্তাহে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনার বিবরন দিলাম কিন্তু দেখলাম নিজেদেরকে যারা প্রগতিশীল ও সুশীল সমাজ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বলে দাবী করে তারা এখন চুপ। কিন্তু কেন?

ঘটনা গুলো বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের
১ দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় গত ৫দিনে ৫ জন এদেশের সন্তানকে আমাদের শ্রেষ্ট প্রতিবেশী বন্ধু ভারতীয় রক্ষিবাহিনী গুলি করে মেরেছে। গতকাল তেতুলিয়া সীমান্তে ইফতারের সময়ে বাংলাদেশের ভীতরে গ্রামে নির্বিচার গুলিবর্ষন করেছে। সূত্র-যায়যায়দিন

২। খাগরাছড়ির জেলা প্রশাসক বিচ্ছিন্নতাকামী তথাকথিত শান্তি বাহিনী ইউপিডিএফ ও জনসংগতি সমিতির সশস্ত্র তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইন শৃংখলা বাহিনীর সাহায্য চেয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে পত্র দিয়েছেন( ষুত্র যুগান্তর)। কেন সশস্ত্র তৎপরতা বেড়েছে ? যেহেতু সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে বিরোধীদল যে অভিযোগ করেছে পার্বত্যচট্টগ্রাম হতে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হলে তা দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে বা দেশের উক্ত অংশটুকু আস্তে আস্তে বিচ্চিন্ন হয়ে যাবে তা তো এখন অমুলক নয় বলে মনে হয়।
স্বাধীনতার স্বপক্ষের বলে যারা শহীদ মিনারে বা রমনায় বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বা মিডিয়ায় চিৎকার করতেন বা এখনো করেন তারা চুপ কেন ? দেশের মানুষকে গুলি করে মারছে বিএসএফ আপনারা চুপ কেন? পার্বত্যচট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার যে কত আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত তার প্রমান পাওয়া আরাম্ভ হয়েছে আপনারা চুপ কেন? প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তাঁদের দেশ প্রেম ঠুনকো না। তাহলে তিনি বা তার সরকার চুপ কেন? ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বিএসএফ-এর হত্যার প্রতিবাদও করতে পারেন না। কিসের দেশ প্রেম? দেখি একটা ভারতীয়কে গুলি করে মারেন তারপর আপনাদের মত ভারত সরকার চুপ থাকে কিনা। দিল্লিতে বাংলাদেশী রাষ্ট্রদুত পিনাক রঞ্জনের মত বক্তব্য দিলে উনি বক্তব্য দেবার পর একদিন ভারতে থাকতে পারেন কিনা। পিনাক যে ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন সেটা যদি কোন সৌদি বা পাকিস্তানী রাষ্ট্রদূত দিত তাহলে এই সুশিল সমাজ চিৎকার করে গলা ফাটাতে ও হরতালও ডাকতো তার বহিস্কারের দাবীতে।

৩। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংক গুলোর পরিচালনা পর্ষদে আওয়ামী ঘরনার ব্যক্তিদের বসানো তে যেভাবে অর্থমন্ত্রী গতকাল সাফাই গাইলেন তাতে এই অর্থমন্ত্রীর কাছে ব্যাংকিং সেক্টরে কোন ভাল কিছু আশা করা যায়না। কিন্তু এখন রেসসব সুশীল সমাজ ও আওয়ামী সর্মথক অর্থনীতিবিদরা চুপ কেন? আগে তো সাইফুর রহমানের যেকোন কাজে তারা চিৎকার করতো। অজুহাত দেয়া হচ্ছে আগের আমলে এর চেয়ে বেশী দলীয়করণ করা হয়েছিল। এটা কোন রুচিসম্পন্ন মানুষের যুক্তি হতে পারেনা। কেননা আগের সরকার তো স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের সরকার বলে আমরা জানি তারা তো ভাল কাজ করবে না। কিন্তু বর্তমান সরকার তো স্বাধীনতা আনার সরকার তারা কেন ব্যাংকিং সেক্টেরের মত অর্থনীতির নার্ভ যেটা সেখানেও দলীয়করণ করবে। এর অর্থ কি এই যে আওয়ামী সমর্থক না হলে সে ব্যাংক চালাতে পারবেনা।

৪। বৃহস্পতিবার লটারীর মাধ্যমে পূর্বচল প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ হ'ল। পত্রিকায় এসেছে লটারীর ৪ ঘন্টা পর বিজয়ীদের নাম ঘোষনা করা হয় এবং লটারীর পর সব কাগজপত্র নিয়ে মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা সচিবালয়ে চলে যান পরে বিজয়ীদের নাম ঘোষনা করা হয় (সূত্র যায়যায়দিন)

৫। বিডিআর মহাপরিচালক নিজের ইচ্চামত পোষাক পড়লেন কার্ড ছাপালেন এবং তা বিতরন করলেন তবুও তার কোট মার্শাল হ'ল না । তিনি জানতেন তার এসব কাজে সরকারের নীতি নির্ধারকরা কেউ তাকে কিছু বলবে না বলেই তিনি তা করেছেন। চাকুরী করছেন ও সামরিক বাহিনীর লোক তিনি এত বোকা না যে নিজে থেকে এসব করেছেন। আজকে যদি এই কাজটা পুলিশের আইজি করেন ? তার কি চাকরী থাকবে? থাকবে যদি তিনি আওয়ামী ঘরনার হোন। দুঃখ লাগে দেশ দরদী সুশিল সমাজ দেশের সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীটা তিলে তিলে কিভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সে ব্যাপারে কোন বক্তব্য দেয় না।
http://www.somewhereinblog.net/blog/ahsantariqueblog/29012589

Kamaluk's picture

'Shushil?' Shahriar Kabir

Dear bd08,

I will add my voice to your question. Why is he not speaking up? Is he trying to cook up some Islamist connection to this appalling crime before he starts shouting 'the Jamati war criminals are behind this. Let's have a Gono-adalot and hang them!'

bd08's picture

আওয়ামী পন্থী সুশীল শাহরিয়ার কবির আজ কেন নীরব?

রাজবাড়ীতে কালী মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, পিরোজপুরে প্রতিমা ভাঙচুর
এই ঘটনা বিএনপি সময়ে ঘটলে সুশীল শাহরিয়ার কবির এই সব ছবি নিয়ে দাদাদের কাছে নালিশ করতে ছুটে যেতেন, কিন্তু আজ উনি নীরব। কারন উনি একজন আওয়ামী পন্থী সুশীল।

রাজবাড়ী/পিরোজপুর, সেপ্টেম্বর ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামে শুক্রবার রাতে একটি কালী মন্দির পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামে অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

রাজবাড়ী: এলাকাবাসী জানিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা হাউলি কেউটিল গ্রামের শত বছরের পুরনো মন্দিরটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে প্রতিমাসহ মন্দির ভবনের আংশিক পুড়ে যায়।
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=110419&cid=2&aoth=1

  • Save Bangladesh: No more farakka