সংসদের কেনাকাটায় কোটি টাকার দুর্নীতি...।

প্রতিরোধে স্পিকারের পাঁচ সদস্যের কমিটি: বর্ষা চলে যাওয়ার পর ‘ছাতা’ কেনার প্রস্তাব নাকচ

সুত্র,দৈনিক আমাদের সময়, ২০ শে সেপ্টেম্বর,২০০৯।
আসাদুজ্জামান সম্রাট:

জাতীয় সংসদের বিভিন্ন কেনাকাটায় প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে। অফিসের আলপিন থেকে শুরু করে আলমিরা পর্যন্ত সকল কেনাকাটায় এ অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট এমন অনিয়মের খবরে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধে ইতোমধ্যেই তিনি পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের অফিসিয়াল কাজে ব্যবহারে কোটি কোটি টাকার কাগজপত্র, কলম-পেন্সিল, কালি ছাড়াও প্রিন্টিং বিভিন্ন সামগ্রী কেনা হয়ে থাকে। এছাড়া অফিসিয়াল কেনাকাটাতো আছেই। এছাড়া জাতীয় সংসদের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন সামগ্রীও সরবরাহ করা হয়ে থাকে সংসদ সচিবালয় থেকে। প্রতিবছর এসব কেনাকাটায় ৮ থেকে ৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে সংসদ সদস্যদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র কেনাকাটায় দুর্নীতি হয়ে থাকে সবচে’ বেশি। এসব দুর্নীতিরোধ করাটাই এখন স্পিকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিদ্যমান কেনাকাটার প্রয়োজনীয়তা নিরুপণ এবং এ সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের জন্য সম্প্রতি জাতীয় সংসদের হুইপ আসম ফিরোজকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বিএনপি দলীয় সদস্যও রাখা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন, জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক, আওয়ামী লীগের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এসকে বাকের, আব্দুল মান্নান ও বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। সম্প্রতি এ কমিটি বৃষ্টির মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও সংসদের জন্য ‘ছাতা’ কেনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। একইভাবে বিবেচনায় রয়েছে, এমপিদের জন্য জায়নামাজ কেনার প্রস্তাব।

Nirvik2008's picture

Awami Conspiracy Against Bangladesh ARMY & ISLAM

Don't take my word. Watch this video to know awami fascism and Baksali neo-rajakars. Here is the link:

hridoy's picture

Nirvik2008...... আর কতকাল এ ভন্ডামী?.........

অনেক হয়েছে তো! ইসলাম, সেনাবাহিনীর বিরোদ্বে আওয়ামী ষড়যন্ত্র, আওয়ামীলীগকে ভোট দিলে দেশ ভারত হয়ে যাবে, ইসলাম থাকবে না, মসজিদে উলু ধ্বনী উঠবে-এসব প্যাঁচাল অনেক বিরক্তিকর। বাংলাদেশের মানুষ এসব ভন্ডামীকে পাত্তা দেয় না। আর সে কারনেই গত ২৯ শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে আপনাদের এরকম গো-হারা। ভন্ডামীর আশ্রয় না নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্ট করুন। ভন্ডামীর স্হায়ীত্বটা ক্ষণকালের জন্য। এ সত্যটি যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন ততই নিজের মঙ্গল, দেশ তথা জাতির মঙ্গল।
ঈদের শুভেচ্ছা রইল। ভাল থাকুন।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

boobytrap's picture

চোংগাওয়ালা ও এশীয় মহাসড়কের তাৎপর্য _BT

চোংগাওয়ালা , এটা দৈনিক সমকাল থেকে নেওয়া। অন্য পত্রিকা হলে তুই নিশ্চয়ই বলতে ওটা বিনপি জামাতের মুখপাত্র , আমার জানামতে " দৈনিক সমকাল " আওয়ামি ঘড়নারই সমর্থক খবরের কাগজ।

দৈনিক সমকাল থেকে ...।

: বাংলাদেশ-ভারত এম আবদুল হাফিজ
দরিদ্র দেশের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে কদাচিৎ বৈদেশিক নীতি বা তার ইস্যুগুলো আলোচিত হয়। দেশের প্রধান সমস্যাগুলো যেমন দারিদ্র্য, বৈষম্য, দ্রব্যমূল্য বা পানি-বিদ্যুতের সমস্যাই যেখানে স্থান করে নেয় এবং নির্বাচনী বিতর্কে উঠে আসে। নির্বাচনী মেনিফেস্টো বা প্রতিশ্রুতিমালায়ও কেউ আন্তঃরাষ্ট্রীয় ইস্যুগুলোতে দল বিশেষের অবস্থান বা নীতি খুঁজতে যায় না। তবু তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং কোনো না কোনো রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে। তখন দেশ পরিচালনার অংশ হিসেবে দলটিকে বৈদেশিক নীতির ইস্যুগুলোতে একটি স্পষ্ট অবস্থান নিতে হয় এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কে তা প্রতিফলিত হয়। অথচ ক্ষমতারোহণের আগ পর্যন্ত দলের বিশেষ বৈদেশিক নীতিপ্রবণতা অজ্ঞাতই থেকে যায়। এর অর্থ এই নয় যে, অতঃপর ক্ষমতাসীন দল যে কোনো বৈদেশিক নীতি-উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত বিধিবহির্ভূত, জনস্বার্থবিরোধী স্বেচ্ছাচারী উপায়ে নিতে পারবে। কেননা জনগণ দলটিকে ক্ষমতারোহণে ভোট দিয়েছে, তাদের স্বার্থ সম্পৃক্ত আছে এমন বিষয়ে তাদের স্বার্থ ও আশা-আকাঙ্ক্ষাবিরোধী পদক্ষেপ নিতে নয়।
দুর্ভাগ্যক্রমে অনেক বিষয়েই একটি অস্পষ্টতার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভাবছে যে, যে কোনো পন্থায় দেশ শাসনের এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় ইস্যুতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ম্যান্ডেটই তারা পেয়ে গেছে। না, তা হয়নি। বৈদেশিক নীতির ইস্যুগুলো দেশের দীর্ঘস্থায়ী ভালো-মন্দের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কীভাবে একটি সরকার সেগুলোকে ঘিরে সিদ্ধান্ত নেয় ও নীতিনির্ধারণ করে, তা দীর্ঘ সময়ের জন্য জাতির স্বার্থকে সংরক্ষণ বা ব্যাহত করবে। আমাদের মতো প্রায় চতুর্দিকে ভারত-বেষ্টিত দেশে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের কর্তৃত্ববাদের সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতাপ্রীতি ও ঐতিহ্যের সমন্বয় ঘটাতে এবং তা পারস্পরিক স্বার্থে সর্বোচ্চ সতর্কতার প্রয়োজন।
আমরা এ বিষয়ে সচেতন হওয়া সত্ত্বেও পার্লামেন্টে ক'দিন আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী 'এশীয় মহাসড়ক বনাম জুজুর ভয়' সম্পর্কিত যে বক্তব্য রেখেছেন, তা সত্যিকার অর্থেই আমাদের বিচলিত না করে পারেনি এবং দেশবাসীকে বেশ অস্বস্তিতে নিপতিত করেছে। তার বক্তব্যে স্পষ্টতই এ দেশের মানুষের সার্বভৌমত্বপ্রিয়তা এবং নিরাপত্তা দুর্ভাবনা নিদারুণভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। আসল সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রী কৌশলে আমাদের বিশ্ব বিচ্ছিন্নতার জুজুর ভয় দেখিয়েছেন, যা এ দেশের মানুষ কখন চক্ষু বুজে রেখে না দেখার ভান করে না। কিন্তু যেটা তারা সম্পূর্ণ উন্মীলিত চক্ষুতে দেখতে চায় তা এই যে, বিশ্ব বিচ্ছিন্নতা ঘটুক, চাই না ঘটুক_ তাদের সার্বভৌমত্ব অটুট আছে।
জুজুর প্রশ্ন আদৌ উঠে কী করে যখন এ পর্যন্ত সংসদের বা সংসদের বাইরে কোথাও এশীয় মহাসড়ক ও তাতে আমাদের সংযুক্ত হওয়ার বিপক্ষে কোনো কিছু উচ্চারিত হয়নি। তবে কোথাও কোথাও প্রতিবাদের গুঞ্জন উঠেছে একটি বিশেষ 'মহাসড়ক'কে আমাদের সরকারের অনুমোদন দেওয়ার বিপক্ষে। কেননা সেই সড়কটি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকারান্তরে ভারতকে স্থায়ীভাবে ট্রানজিট সুবিধা দিতে যাচ্ছে এবং ভারতের বাংলাদেশের কাছে যে দাবিটি গত আটত্রিশ বছর ধরে ঝুলে ছিল এবং কোনো সরকারই তা দেওয়া সমীচীন মনে করেনি_ সেটাই হতে চলেছে। আটত্রিশ বছর ধরে যে ইস্যুটিকে অতীত সব সরকারই ঝুলিয়ে রেখেছিল, তা অবশ্যই 'সরল' কোনো বিষয় নয় এবং তার স্পর্শকাতরতা সহজেই অনুমেয়।
আগেই বলেছি, ভোটে জয়লাভ করে কোনো সরকারই যাচ্ছেতাই করার ম্যান্ডেট পায় না সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে, তা বৈধ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও। অনেক কিছুই বিবেচ্য থাকে দলের জন্য, জনগণের জন্য, জাতীয় স্বার্থের জন্য। কী গ্যারান্টি আছে যে, দল বিশেষ এককভাবে নির্ভুল সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতসহ যেসব দেশ গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে বৈদেশিক নীতির চর্চা করে, তাদের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক নির্ধারিত ও প্রণীত হয় জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন বিষয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান সম্পূর্ণ দুই মেরুতে। এমন অবস্থায় সর্বজনগ্রাহ্য বৈদেশিক নীতি প্রণীত হতে হবে সম্ভবত গণভোটের ভিত্তিতে। গণতান্ত্রিক দেশগুলোয় হয়েও থাকে তাই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য দেশে অভিন্ন মুদ্রা গৃহীত হবে কি-না তাও নির্ধারিত হয় দেশটিতে গণভোট অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে।
এখানে তো আমরা অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি পরিস্থিতির বিপরীতে এশীয় মহাসড়ক বা তার সঙ্গে সম্পৃক্ত ট্রানজিট সুবিধার ইস্যুতে নীতিনির্ধারণ করতে যাচ্ছি। এখানে সংশ্লিষ্ট দেশের জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে অগ্রাহ্য করার কোনো অবকাশ নেই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তেমনই একটি প্রবণতার বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেম নিয়ে অবশ্যই কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হয় না। একইভাবে যারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচ্য ইস্যুগুলোতে সহমত পোষণ করেন না, তারা দেশপ্রেমের এক প্রকার অদৃশ্য আগুনে দগ্ধ হচ্ছেন। তারা সজ্ঞানে দেশের জন্য এমন একটি সর্বনাশের সংঘটন প্রত্যক্ষ করতে চান না। ঘুরেফিরে তাই একটি ঐকমত্য বা সমবেত প্রজ্ঞার (ঈড়ষষবপঃরাব রিংফড়স) অপরিহার্যতা এখানে স্পষ্টভাবে পরিস্ফুট।
আমরা এমন একটি পদক্ষেপ নিয়ে জেনেশুনে একটি প্রতিবেশী দেশের অন্তর্দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে পারি না। আন্তর্জাতিক বা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্তঃসলিল প্রবাহ ভৌগোলিক, কৌশলগত ও ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত জটিল। এখানে যতই মাখামাখি করি আমাদের অনুকূল কোনো পরিবেশ বা আমাদের জন্য সূক্ষ্মভাবেও কোনো ফায়দা পেঁৗছানোর মতো সমীকরণ আমরা তৈরি করতে পারব না। শুধু শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে বরং আমাদের শত্রুই বাড়াব বা তৈরি করব। অথচ এ মুহূর্তে ভারতসহ এ অঞ্চলে এবং বহির্বিশ্বে শুধু বন্ধু এবং বন্ধুরই প্রয়োজন।
এছাড়াও এমনভাবে আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক যে কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়বার প্রাক্কালে অনেক অদৃশ্য লাভের ফুলঝুরি সংশ্লিষ্ট দেশকে হাতছানি দিতে থাকে। ওই একই নিয়ে তা আমাদেরও দেয়। আমাদের সরকারও সম্ভবত এই দারিদ্র্যের ও বুভুক্ষার দেশে বন্দর, অবকাঠামো এবং ট্রানজিটের রাজস্বে ভরপুর একটি সত্যিকারের সোনার বাংলা দেখতে পারছে, যেখানে রাতারাতি সরকারি চাঁইদের ভাগ্য বদল হবে। কিন্তু ভুক্তভোগীরা তা পাকিস্তানেরই হোক বা আফগানিস্তানেরই, হাড়ে হাড়ে অনতিবিলম্বেই বুঝতে পারে যে যতই ধনধান্যে প্রলুব্ধ করুক, নগদ অর্থে ক্রীতদাস ক্রয়ও কঠিন কাজ।
ফলে একসময় তো আমরা সংঘর্ষের সোনার হরিণের মতো এক সতত অপসৃয়মাণ অর্থনীতিতে জড়িয়ে যাব; কিন্তু ততদিনে আমাদের ভূরাজনীতির স্বাভাবিকতাও হারিয়ে যাবে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে, অনেক সীমাবদ্ধতার ভেতর দিয়ে আমাদের মতো একটি ক্ষুদ্র এবং রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত দেশ ভারতের সঙ্গে পাশাপাশি অবস্থান করে চলেছে এবং ঔদ্ধত্য মনে হলেও সত্য যে টিকে আছে। ভারত সিকিমকে গ্রাস করেছে, কাশ্মীরকে পাঁচ লাখ সৈন্যের উপস্থিতি দিয়ে তার 'অবিচ্ছেদ্য অংশ' করে রেখেছে এবং ভুটানের স্বাধীনচেতা মনোভাব সত্ত্বেও দেশটিকে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছে, কিন্তু বাংলাদেশ এখনও এমনটি করে উঠতে পারেনি। কী আশ্চর্য। প্রয়োজনে এই দেশটি বেরুবাড়ী বা রৌমারী সীমান্তে প্রতিপক্ষকে এমনই শিক্ষা দিতে সক্ষম যে, একটি 'বৃহৎশক্তির' পক্ষে তা বেমালুম ভুলে যাওয়া কি এতই সহজ। সমগ্র হিমালয়জুড়ে ষাটের দশকের চৈনিক শিক্ষার উল্লেখ নাইবা করা হলো।
ওহে মাঝি সাবধান, চারদিক ঘিরে শুধুই জলদস্যু!
- ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম আবদুল হাফিজ : বিআইআইএসএসের সাবেক মহাপরিচালক ও কলাম লেখক

JackobRaihan's picture

ভন্ডামী......... (To Hridoy sb) From Jackob Raihan

Hridoy Shaheb:
Bangladesh er rajnitite shobchaite boro "vondo" holen apnara jara "Bangalee Jatiyotabad" er rajniti koren. "Songram" er goshona k apnara "Shadinota" r ghoshona bole chaliye dichhen! Bangla dictionary onujayi, shobdo duitar mane ek noy, ta apni valo korei janen, othocho shikar koren na.

March 07, 1971 theke March 25, 1973 porjonto apnara "paki" der shathe "alochona" chiliye gelen. Aar ai shomoy-er modhhe apnader shob netara Kolkata giye aasroy nilen. Mao kingba Fidel er moto underground a na giye apnader "jatir baba" nij barite boshe roilen ichhakrito vabe greptar hobar jonno.

Shongbidhan change kore apnara-i gonotontro k dhorshon korlen -- ekon mukhe gonotontror kotha bolen. Bangladesh a hindu shomproday er 80% shompotti apnarai vog dokhol korchen goto 37/38 bochor dhore -- aar onno dike apnara dhormoniropekhotar kotha bolen.

Apnara 30 bochor er chukti korlen aar apnader dada der kach theke Chitmahal aadai korte oparog holen. Talpotti kingba Farakka niye apnader kokhon-o uccho bakko korte dekha jai nai. Ekhon 'asian highway' er name apnara apnader "guru baba" der transit dite chaichen. 1356 din desh shashon kore apnara Bangladesh namok deshtar barota bajiyechilen - aaita ki mone nai?

Apnara "bishwo lompot" aar "shoirachar" er shathe rajniti koren, aar mukhe gonotontro-r kotha bolen. Otite apnara "shadhinotar shotru" der shathe ekoi platform a boshe rajniti korte didhabodh koren nai. Progotee kingba Shantir rajnitir poriborte apnara dirgho 37/38 bochor "roktaroktir" rajniti kore ashchen. Aar ki bolbo apnader vondamir kotha?

Onno k "vondo" bolar aage aainay nijeder "kutshit" chehara ta dekhe nin.

Eti,
Apnar Jatiyobadi Bondhu
JACKOB RAIHAN

NB:
Na vai ami e-mela theke paliye jai ni apnader voy-a. Chilam, achi, abong thakbo inshallah.

Nirvik2008's picture

Nirvik2008...... আর কতকাল এ ভন্ডামী?.........

If expressing truth is Bhondami then I am a proud Bhondo. The video was not compiled by me. So, you should not be angry with me. Today, it is as clear as day ligt that BAL is fascism of our time, Anti-muslim, anti-Bangladesh and finally dedicated foreign agents. Many BAL supporters absorbs this alligation silently since these section of smart BAL supporters realizes understands this plain truth.

শঙ্খচিল's picture

সংসদ সদস্যদের ছাতি সমাচার

খবরটা পড়ে আমারও অবাক লেগেছিল। হাসানভাই প্রসংগটা আনলেন বলেই, দুকথা বলতে ইচ্ছা হোল।
বর্ষা নাই বলে, আমাদের এমপিরা এবার আর ছাতা পবেন না। কপল মন্দ। ঠান্ডা আসছে, তারা ক্ষেতা-কম্বল-লেপ বালিশ দাবী করতে পারেন।
লক্ষ্য করবেন, ইউনিফরম, ছাতা, রাবার জুতা অতীতে সাধারনত তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারদের সরবরাহ করা হতো। সেগুলো এখন আর অফিস আদালতে দেয়া হয় বলে আমার জানা নাই। তবে, খবরে বুঝলাম আমাদের এম্পিরা এখনও তা পান। তাই এদের পদমানকে এখন "তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর "ভুক্ত করা যায়। আর সাত কোটি টাকার কাগজ-কলমে উনারা কি লেখেন? কলম সরবরাহ করলেই কি "বকলম" এর বিদ্যা বাড়বে?
আমার ত মনে হয় না একজন এমপি কোন দিন সংসদদের দেয়া ছাতা মাথায় তুলেছেন। তবে এগুলো খাতায় থাকে চুরিকরার টাকা এলোকেশনের জন্য। আমাদের সংসদের অতীত ইতিহাসে, আপ্যায়নের নামে ডাল,ভাত,লবন সাবান, তেল নুন সব কিচুর বাড়ি বাড়ি নিয়ে সরবরাহের ঘটনার সাথে এই খবরগুলো প্রমান করে এমপিদের নৈতিকমান সম্মনাবোধ কি প্রকার।
তদন্ত করে শুধু চুরি বন্ধ নয়, হাসান ভাইয়ের সাথে একমত এগুলো সরবরাহের নিয়মটিই রোহিত করা দরকার।

Hassan Imam khan's picture

সম্মানীয় এম,পি,দের নৈতিকতা ও তার দ্বায়…।

বাংলাদেশে বন্দুকের জোরে জাতির ঘাড়ে সিন্দাবাদের ন্যায় চেপে বসা একাধীক সামরিক সৈরাচারী শাসকদের জংলী শাসনকে গনতান্ত্রীক লেবাস দিতে রবার স্টাম্প পার্লামেন্ট এর প্রয়োজন হতো।সে সব পার্লামেন্টে নির্বাচিত সংসদরা ঐসকল সৈরশাসকদের নীতিহীন কর্মকান্ডকে বিনাবাক্যব্যায়ে অনুমোদন দান করতে বাধ্য হতো। সংসদীয় কার্যক্রমে এসকল সংসদবৃন্দ যাতে তাদের রাজনৈতিক মেধা প্রয়োগের মাধ্যমে জনগনের ভাগ্য উন্নয়ন ও গনতান্ত্রীক জবাবদিহীতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে বিভিন্ন ভোগ বিলাশে মত্ত থাকে সে জন্যই ঐসকল সামরিক শাসকেরা সংসদদের বিভিন্ন অনৈতিক সুজোগ সুবিধা্র প্রচলন করেছিলেন।

৯০ এর গনআন্দোলনের পর প্রকৃত গনতান্ত্রীক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সংসদদের কাছে জনগনের প্রত্যাশা ছিল সংসদরা ঐ সকল অনৈতিক সুজোগ সুবিধা ও ভোগ বিলাস রহিত করে তাদের সকল মেধা জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে সচেষ্ট হবেন।

অথচ জনগন অবাক বিষ্বয়ে লক্ষ্য করছে যে তাদের প্রেরীত নির্বাচিত প্রতিনীধীরা তাদের নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের ও ভোগ বিলাসের ক্ষেত্রে সকল প্রকার নৈতিকতাকে অব্যাহত ভাবে জলাঞ্জলী দিয়েই যাচ্ছেন। নির্বাচিত হয়েই তাদের বেতন-ভাতা,বাড়ী-গাড়ী,চালক,জ্বালানী,অফিস-কর্মচারী ও তাদের বেতন, সর্বপ্রকার রিলিফ সামগ্রী ও গম-চালের কোঠা প্রাপ্তি ও বৃদ্ধিতেই তারা নির্লজ্জ ভাবে অধিক সচেষ্ট।

উত্তরা,পুর্বাঞ্চলে তাদের চাহিবামাত্র ডি,আই,টির প্লট বরাদ্ধ দেয়া,দামী বিলাসবহুল গাড়ীর আবদার সহ দিনে দিনে তাদের ভোগ বিলাসের চাহিদার মাত্রা ক্রমান্নয়ে বেড়েই চলেছে যা আমাদের ন্যায় অন্য কোন দরিদ্র বা পার্শবর্তী দেশের সংসদদের জন্য একান্তই অভাবনীয় মাত্র।

সংসদদের এই অনৈতিক ভোগ বিলাসের উম্মক্ততা অনতিবিলম্বে বন্ধ হোক।

সরকারী বাড়ী গাড়ী প্লট বরাদ্ধ রহীত করা হোক।

চাল,ডাল সহ সকল মুদি সরাবরাহ বন্ধ হোক।

সংসদ দের নিজেদের বেতন,ভাতা নির্ধারনের দ্বায়িত্ব তাদের পরিবর্তে যে কোন বিজ্ঞ সতন্ত্র কমিশনের হাতে ন্যাস্ত করা হোক

জনগনের সেবার দোহাই পেড়ে নির্বাচিত গনপ্রতিনিধিদের কাছে এটাই আজ আশু গনদাবি হোক

হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

Hassan Imam khan's picture

জাতীয় সংসদের এ মুদি দোকান বন্ধ করা হোক...।

সংসদদের মুল কাজ জনসার্থে সরকারী আইন প্রনয়নে নিজ এলাকার জনগনের সার্থ সংরক্ষনে কাজ করে যাওয়া। ইদানিং প্রায়শ্বই শোনা যাচ্ছে সংসদরা সংসদের মুদি দোকান সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের আবাসনের জন্য থালা,বাটি,চাল,আটা,তেল,বিছানার চাদর,সাবান থেকে শুরু করে টয়লেট পেপার পর্যন্ত জাতীয় সংসদের টাকায় ভোগ করছেন, ভোগের চেয়ে বড় কথা এ সব মুদি সামগ্রী ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় জাতীয় সংসদের কোটি কোট টাকার কারচুপি ও লোপাট হচ্ছে।
প্রশ্ন হচ্ছে,
একজন সংসদ যিনি ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য হন,তার মুদি সামগ্রী নিজ তহবিল থেকে ক্রয়ের সাধ্য কি এদের নেই ?
তিনি সংসদ নির্বাচিত না হলে বা যারা নির্বাচিত হন না তারা কি এ সব সামগ্রী ব্যাবহার করেন না ?
সংসদ দের এসকল অনৈতিক সুবিধা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক। এমন কি সংসদ দের জন্য সরকারী গাড়ী,চালক ও জ্বালানী সরবরাহ আরো একটি অনৈতিক চুরির প্রক্রিয়ার জন্ম দিতে যাচ্ছে বলে আমার ধারনা।
ভোগ বিলাশ বন্ধ করে কি ভাবে জনগনের ভাগ্যোন্নয়নে ভুমিকা পালন করতে পারেন,সে বিষয়ে সংসদরা সচেষ্ট হবেন এটাই জনপ্রত্যাশা।।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

Pogo's picture

xxx deleted xx

Am deleting previous comment as the author has started showing his/her narrow minded political view. Don't want to be his/her rubber stamp contributor.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

Nirvik2008's picture

Love for motherland Bangladesh >>> hridoy

hridoy, I am dedicating this Bangla patriotic song by Shahnaz Rahmatullah to you and other awami-Baksali patrons. After listening to this touchy song please remember that I urge you from the bottom of my heart to give up your loyalty to our big neighbour and reconsider to love our homeland Bangladesh. Betraying our homeland would be equivalent to betraying mother. So, dear hridoy, please tear down your bond with anti-Bangladesh awami baksali and express your loyalty towards Bangladeshi patriotic people.

http://www.youtube.com/watch?v=ELSIA0cxOec&feature=related

hridoy's picture

Nirvik2008 (Love for motherland Bangladesh)............

আপনার কাছে আমার প্রশ্ন, আওয়ামীলীগকে গালি দিলে কি Love for motherland Bangladesh হয়ে যায় নাকি?
নাকি "আওয়ামীলীগ দেশ বিক্রী করে দিবে, মসজিদে উলু ধ্বনি উঠবে, ইসলাম থাকবেনা, আর্মি শেষ হয়ে যাবে" এসব বললে "Love for motherland Bangladesh হবে। আপনি ধোকা দিয়ে কিছু লোককে কিছু সময়ের জন্য বোকা বানাতে পারবেন, কিন্তু সব সময়ের জন্য না। যে দলটির নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে, সে দলটির বিরোদ্বে সেদেশের মানুষকে সব সময় বোকা বানিয়ে রাখা খুব কঠিন কাজ। আমাদের শত্রূ দেশটির সাথে যখন আপনাদের এত সখ্য তখন বুঝতে কারো বাকী নাই যে, আপনারা কোথায় আছেন। আর আর্মির সম্পর্কে বলছেন? স্বাধীনতার পর পরই যখন এই বাহিনিটি জাতির জনককে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তখনই তাদের উপর থেকে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের নৈতিক সমর্থণ উঠে গেছে। তারপর বাকীটা উঠেছে যখন জেঃ জিয়া এই আর্মিকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করেছে। এক সময় আর্মির পরিচয় ছিল একটা দলীয় বাহিনী হিসাবে। এমনকি ১/১১ এর আগে এটা তারেকের বাহিনী হিসাবেও ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিল। কিন্তু একটা স্বাধীন দেশের আর্মির তো এ অবস্হা হওয়ার কথা নয়। তাদের কেন দলীয় পরিচয় থাকবে? ওদের পরিচিতি হওয়া উচিত ছিল দেশের সম্পদ হিসাবে। এই আর্মিকে নষ্ট করার মূলে কে? অবশ্যই আওয়ামীলীগ নয়, আপনার নেতা জিয়া এবং তার পরিবার। বঙ্গবন্ধূ গড়ে ছিলেন বাংলাদেশ আর্মি, আর জিয়া গড়েছেন দলীয় আর্মি।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

Active forum topics